১.
জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলন (কপ-২৯)-এর মূল ফোকাস -
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।
কপ–২৯:
- ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) ১১-২২ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- আয়োজকদের মতে, কপ-২৯ এর মূল ফোকাস অর্থায়নের দিকে থাকবে, কারণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব থেকে জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে দেশগুলোর জন্য ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।
- প্যারিস চুক্তির অধীনে তাদের হালনাগাদ জাতীয় জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনের জন্য এই সম্মেলন ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এ কর্মপরিকল্পনা ২০২৫ সালের প্রথম দিকে নির্ধারিত হবে।
উল্লেখ্য,
- কপ–২৯ সম্মেলনে আলোচনার মূল বিষয় হলো অর্থ।
- কপ-২৯ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য, জলবায়ু সংকটের ভুক্তভোগী দরিদ্র দেশগুলোকে আরও অর্থসহায়তা দেওয়ার পথ খুঁজে বের করা।
- ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির অনুযায়ী বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২০৩০ সালের মধ্যে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিশ্বনেতারা।
- এ লক্ষ্যে কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি সামলাতে ২০২৫ সাল নাগাদ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থসহায়তা দিতে রাজি হলেও এখন পর্যন্ত সেই সহায়তার পরিমাণ সন্তোষজনক নয়।
তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।
কপ–২৯:
- ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) ১১-২২ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- আয়োজকদের মতে, কপ-২৯ এর মূল ফোকাস অর্থায়নের দিকে থাকবে, কারণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব থেকে জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে দেশগুলোর জন্য ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।
- প্যারিস চুক্তির অধীনে তাদের হালনাগাদ জাতীয় জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনের জন্য এই সম্মেলন ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এ কর্মপরিকল্পনা ২০২৫ সালের প্রথম দিকে নির্ধারিত হবে।
উল্লেখ্য,
- কপ–২৯ সম্মেলনে আলোচনার মূল বিষয় হলো অর্থ।
- কপ-২৯ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য, জলবায়ু সংকটের ভুক্তভোগী দরিদ্র দেশগুলোকে আরও অর্থসহায়তা দেওয়ার পথ খুঁজে বের করা।
- ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির অনুযায়ী বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২০৩০ সালের মধ্যে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিশ্বনেতারা।
- এ লক্ষ্যে কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি সামলাতে ২০২৫ সাল নাগাদ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থসহায়তা দিতে রাজি হলেও এখন পর্যন্ত সেই সহায়তার পরিমাণ সন্তোষজনক নয়।
তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।