পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ৪৪ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) টপিক: বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ, নবায়নযোগ্য শক্তি, পরিবেশ বিষয়ক ইস্যু ও সংস্থা, বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], বাংলাপিডিয়া, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলন (কপ-২৯)-এর মূল ফোকাস -
  1. জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কমাতে অর্থায়ন
  2. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
  3. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক
  4. মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

কপ–২৯:
- ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) ১১-২২ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- আয়োজকদের মতে, কপ-২৯ এর মূল ফোকাস অর্থায়নের দিকে থাকবে, কারণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব থেকে জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে দেশগুলোর জন্য ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।
- প্যারিস চুক্তির অধীনে তাদের হালনাগাদ জাতীয় জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনের জন্য এই সম্মেলন ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এ কর্মপরিকল্পনা ২০২৫ সালের প্রথম দিকে নির্ধারিত হবে।

উল্লেখ্য,
- কপ–২৯ সম্মেলনে আলোচনার মূল বিষয় হলো অর্থ।
- কপ-২৯ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য, জলবায়ু সংকটের ভুক্তভোগী দরিদ্র দেশগুলোকে আরও অর্থসহায়তা দেওয়ার পথ খুঁজে বের করা।
- ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির অনুযায়ী বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২০৩০ সালের মধ্যে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিশ্বনেতারা।
- এ লক্ষ্যে কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি সামলাতে ২০২৫ সাল নাগাদ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থসহায়তা দিতে রাজি হলেও এখন পর্যন্ত সেই সহায়তার পরিমাণ সন্তোষজনক নয়।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
.
নিচের কোনটি গ্রীনহাউস গ্যাস?
  1. অক্সিজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. ওজোন
  4. নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন:
- জলবায়ু পরিবর্তন বলতে সাধারণভাবে আবহাওয়ার উপাদানসমূহের দীর্ঘমেয়াদে গড় অবস্থার পরিবর্তনকে বুঝায়।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warning) এর হার বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ ক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রীনহাউস বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদ এবং সূর্যালোক ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে। মানুষ যখন গাছ-পালা কেটে, কাঠ-কয়লা পুড়িয়ে, কারখানার ধোঁয়া ইত্যাদির দ্বারা মিথেন, ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস তৈরি করছে তখন তাকে বলা হয় গ্রীনহাউস গ্যাস।
- বায়ুমন্ডলে তাই গ্রীনহাউস গ্যাসের পুরু চাদর তৈরি হয়েছে কারণ এই সব গ্যাস আর ফিরে যেতে পারে না।
- এই তাপ শোষণের মাত্রা যত বাড়বে পৃথিবীর উষ্ণতা ততই বাড়বে। উষ্ণতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াই হলো গ্রীনহাউস প্রভাব।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস
  2. রোম
  3. জেনেভা
  4. নিউ ইয়র্ক
ব্যাখ্যা
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- WMO বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের বিশেষায়িত একটি সংস্থা।
- (WMO) এর পূর্ণরূপ The World Meteorological Organization (WMO)।
- (WMO) প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৩মার্চ, ১৯৫০ সালে।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার বর্তমান সদস্য সংখ্যা মোট ১৯৩টি। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - WMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (EEA) গঠিত হয় কত সালে?
  1. ২টি
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (European Environment Agency):
- গঠন - ১৯৯৪ সালে।
- সদরদপ্তর - কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
- সদস্য সংখ্যা -৩৮ টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে সহায়তা করা এই সংস্থার প্রধান কাজ।

তথ্যসূত্র - EEA ওয়েবসাইট।
.
আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান নয় কোনটি?
  1. বায়ুর আর্দ্রতা
  2. বারিপাত
  3. বায়ুর তাপ
  4. ভূমির ঢাল
ব্যাখ্যা
⇒ ভূমির ঢাল আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান নয়।

আবহাওয়া ও জলবায়ু:
• কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে।
• কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
• কাজেই জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক দিনের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক অবস্থা।

⇒ আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো:
• বায়ুর তাপ,
• বায়ুর চাপ,
• বায়ুপ্রবাহ,
• বায়ুর আর্দ্রতা ও
• বারিপাত।

⇒ আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামক:
• আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ সর্বত্র সমানভাবে কাজ করে না।
• নিম্নে আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ আলোচনা করা হলো-
১. অক্ষাংশ,
২. উচ্চতা,
৩. সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
৪. স্থলভাগ ও জলভাগের অবস্থান,
৫. সমুদ্রস্রোত,
৬. ভূমির ঢাল,
৭. ভূ-প্রকৃতি,
৮. বায়ুপ্রবাহ,
৯. বায়ুর চাপ এবং
১০. বনভূমির অবস্থান।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
এশিয়ার কোন দেশটিতে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিদ্যমান?
  1. বাংলাদেশ
  2. মালয়েশিয়া
  3. ভারত
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু:
- পৃথিবীর জলবায়ুর পাথর্য্যের জন্য সূর্যের অবস্থান একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
- কারণ তাপমাত্রা প্রাপ্তির ধরনের উপর আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রকৃতির পার্থক্য তৈরি হয়।
- নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু।

অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫০ অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০০ অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন প্রকার সতর্কতা ছাড়াই কোন দুর্যোগ সংঘটিত হয়?
  1. বন্যা
  2. খরা
  3. টর্নেডো
  4. ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
⇒ কোন প্রকার সতর্কতা ছাড়াই ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

ভূমিকম্প:
- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে।
- একটি শান্ত পুকুরে টিল ছুড়লে যেভাবে ঢেউ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখানে তরঙ্গ শক্তি উৎপত্তি হয় সেখানে থেকে মুক্ত শক্তি টেউয়ের মত শিলায় তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কোনটি?
  1. কল-কারখানা বৃদ্ধি পাওয়া
  2. জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া
  3. খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
  4. গাছপালা বৃদ্ধি পাওয়া
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তন হলো মানুষের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর্মকান্ডের ফলে বায়ুমন্ডলের গঠনগত পরিবর্তন যা নির্দিষ্ট সময়কালে জলবায়ুর উপাদানসমূহের পরিবর্তন ঘটায় এবং প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ভিন্নতা প্রদর্শন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বিশ্বের আবহাওয়ার ধরন দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে।
- বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, খরার সময়ে বৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাবে এবং বিখ্যাত শহরগুলোও ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বাংলাদেশও এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।
- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদিও এই জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।
- এভাবে পৃথিবী উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির প্রায় ২০ শতাংশ অধিবাসীর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটবে।
- গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামাজিক, প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নানা রকম অস্থিরতা তৈরি করবে। ফলে তৈরি হবে অর্থনৈতিক মন্দা ও খাদ্যাভাব যা উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের জনগণকে করে তুলবে শরনার্থী।
- উন্নত বিশ্বের অধিবাসীরা যখন আর্থ- সামাজিক উন্নতির শিখরে অবস্থান করবে তখন অনেক দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসমষ্টি দারিদ্রসীমার নিচে মানবেতর জীবনযাপন করবে। উদাহরণসস্বরূপ বলা যায় একদিকে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, চীন, ইন্দোনেশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে অপরদিকে অস্ট্রেলিয়ার মত দেশে শীতকাল পূর্বের তুলনায় বর্ষাসিক্ত হওয়ায় শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
IPCC -এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ১৯২টি
  2. ১৯৩টি
  3. ১৯৪টি
  4. ১৯৫টি
ব্যাখ্যা
IPCC:
- IPCC -এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change.
- IPCC জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল।
- Intergovernmental Panel on Climate Change গঠিত হয় ১৯৮৮ সালে।
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- WMO এবং UNEP এর সম্মিলিত নাম IPCC গঠিত হয়।
- সদস্য: ১৯৫টি। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - IPCC ওয়েবসাইট।
১০.
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়কে বলা হয়-
  1. হ্যারিকেন
  2. সাইক্লোন
  3. টাইফুন
  4. টর্নেডো
ব্যাখ্যা
হ্যারিকেন:
- উত্তর আটলান্টিক ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়।
- হ্যারিকেন বড় এবং ঘূর্ণায়মান ঝড়।
- এটি প্রতি ঘন্টায় ১১৯ কিলোমিটার (৭৪ মাইল প্রতি ঘন্টা) বা উচ্চতর বাতাস তৈরি করে।
- এটি স্থলভাগের দ্রুততম প্রাণী অর্থাৎ চিতার চেয়ে দ্রুত।
- হ্যারিকেনের বাতাস ভবন এবং গাছের ক্ষতি করতে পারে।
- উষ্ণ সাগরের জলের উপরে হ্যারিকেন তৈরি হয়।
- একটি হ্যারিকেন থেকে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা হতে পারে।

উল্লেখ্য,
- ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে সাইক্লোন বলা হয়।
- এশিয়া ও জাপানের উপকূলের ঘূর্ণিঝড়কে টাইফুন বলা হয়।
- সাধারণত স্বল্প সময় নিয়ে স্বল্প এলাকায় টর্নেডো হয়ে থাকে। স্থলভাগে উচ্চচাপ সৃষ্টির কারণে টর্নেডো হয়।

তথ্যসূত্র - NASA (gov). & redcross.org.