পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]

পরীক্ষা৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৩ বাংলাদেশ বিষয়াবলি (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে আবু সাঈদ কত তারিখে শহীদ হয়েছিলেন?
  1. ৮ জুলাই, ২০২৪
  2. ১৪ জুলাই, ২০২৪
  3. ১৬ জুলাই, ২০২৪
  4. ২৪ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা
শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।
.
'ইরাটম' কী?
  1. উন্নত জাতের ধান
  2. উন্নত জাতের গম
  3. উন্নত জাতের ভুট্টা
  4. উন্নত জাতের আলু
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
⇒ উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
.
কোন মুঘল সম্রাটের আমলে সুবাদার ইসলাম খান বারভূঁইয়াদের দমন করেন?
  1. আওরঙ্গজেব
  2. শাহজাহান
  3. জাহাঙ্গীর
  4. আকবর
ব্যাখ্যা
বাংলায় সুবাদারী প্রতিষ্ঠা:
- মোগল সম্রাট আকবর তাঁর সাম্রাজ্যকে অনেকগুলো প্রদেশে ভাগ করেছিলেন।
- এই প্রদেশগুলোকে বলা হতো 'সুবা'।
- সুবার শাসনকর্তাকে বলা হতো সুবাদার।
- আকবরের সময় থেকে বাংলায় সুবাদার নিয়োগ করা শুরু হয়।
- তবে বারভূঁইয়াদের দাপটে বাংলায় মোগল সুবা শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়াতে পারেনি।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে দক্ষতার সাথে বারভূঁইয়াদের দমন করেন সুবাদার ইসলাম খান।
- তিনি ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেন।
- এরপর থেকে বাংলার সুবাদারদের মাধ্যমে পুরো বাংলায় মোগল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয় -
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
উপজেলা পরিষদ:
- ১৯৮২ সালে বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- থানাগুলোকে উপজেলা নামে গণ্য করে সর্বত্র নির্বাচিত পরিষদের ব্যবস্থা করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯১ সালে উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করা হলেও ১৯৯৮ সালে আবার উপজেলা গঠনের জন্যে আইন প্রণয়ন করা হয়।

⇒ উপজেলা পরিষদ গঠিত হয় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান (এদের মধ্যে একজন হবেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা) এবং কিছু সংখ্যক সদস্য নিয়ে।
- সংশ্লিষ্ট উপজেলার এলাকাভুক্ত প্রত্যেক পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি এই পরিষদের সদস্য হবেন।
- এ ছাড়া উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত পদে তিনজন নারী সদস্য মনোনীত হয়ে থাকেন।
- ২০০৯ উপজেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যগণ পরিষদের পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- এই পরিষদের কার্যকাল ৫ বছর।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ.এন.ও.) পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদের প্রধান কাজ হল ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল কে নিয়োগ দেন?
  1. আইন মন্ত্রণালয়
  2. সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।

⇒ সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভকরবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে।
- জেলার দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- সংখ্যার দিক দিয়ে - বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
.
সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের কত ভাগ নারীদের জন্য সংরক্ষিত?
  1. অর্ধেক
  2. দুই-তৃতীয়াংশ
  3. এক-তৃতীয়াংশ
  4. এক-চতুর্তাংশ
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- এগুলো হল ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, রংপুর ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন।
- নগরায়নের প্রভাবে সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

⇒ প্রত্যেক সিটি কর্পোরেশনকে কতগুলো ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একজন মেয়র সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত কাউন্সিলার এবং সর্বমোট কাউন্সিলরদের এক তৃতীয়াংশ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর সমন্বয়ে সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়।
- মেয়র প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড হতে একজন কাউন্সিলর প্রাপ্তবয়স্কদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান কত?
  1. ১%
  2. ১.৮%
  3. ২.২%
  4. ২.৮%
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- দেশে ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: ।) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
.
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের 'সামাজিক ব্যবসা' তত্ত্বের মূলনীতি কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
সামাজিক ব্যবসা' তত্ত্ব:
- শান্তিতে নোবেলজয়ী একমাত্র বাংলাদেশি ড. মুহাম্মদ ইউনূস দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে নতুন একটি ধারণা ও তত্ত্ব নিয়ে পৃথিবীব্যাপী কাজ করে যাচ্ছেন।
- আর সেটি হলো সোশ্যাল বিজনেস বা সামাজিক ব্যবসা। 
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস হলেন বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ এবং সামাজিক ব্যবসা (Social Business) তত্ত্বের প্রবক্তা।
- সামাজিক ব্যবসা (Social Business) হচ্ছে এমন ধরনের ব্যবসা যেখানে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী একটি সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যক্তিগত লাভের আশা ছাড়াই বিনিয়োগ করেন।
- সামাজিক ব্যবসায়ের ধারণাটি হলো, যে ব্যবসায় মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে নয় বরং সমাজের কল্যাণ সাধনের জন্য বিনিয়োগকারীগণ অর্থ বিনিয়োগ করে এবং নির্দিষ্ট সময় শেষে বিনিয়োগকারীগন তাদের অর্থ ফেরত পান তাকেই সামাজিক ব্যব বলে।

⇒ ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরমের সম্মেলনে তিনি সামাজিক ব্যবসার ৭টি মূলনীতি ঘোষণা করেন।
১। দারিদ্র বিমোচনসহ এক বা একাধিক বিষয় যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও পরিবেশগত খাতে বিরাজমান সমস্যার সমাধানের
লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিগত মুনাফাবিহীন কল্যাণকর ব্যবসা এটি।
২। সকলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জন করাই এ ব্যবসার লক্ষ্য।
৩। সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগকারীরা শধু তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থই ফেরত পাবে, এর বাহিরে কোনো প্রকার লভ্যাংশ নিতে পারবে না।
৪। বিনিয়োগকারী তার বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত নেয়ার পর বিনিয়োগকৃত অর্থের মুনাফা কোম্পানীর সম্প্রসারণ কাজে ব্যবহৃত হবে।
৫। এ ব্যবসা হবে পরিবেশ বান্ধব।
৬। এখানে যারা কাজ করবেন তারা ভালো কাজের পরিবেশ ও চলমান বাজার অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।
৭। সামাজিক ব্যবসা হবে আনন্দের সাথে ব্যবসা।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১০.
১৯৭২ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬) এর অধীনে কোন দুটি ব্যাংক একত্রিত করে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড এবং ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড
  2. ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  3. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  4. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
জনতা ব্যাংক পিএলসি:
- ১৯৭১ সালে যুদ্ধের পর স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সাথে সাথে, রক্ত, অশ্রু, বেদনা এবং আমাদের লক্ষ লক্ষ প্রিয়জনের বেদনায় ভরা একটি যুদ্ধ, দেশের ইতিমধ্যেই ভাঙা আর্থিক ভিত্তি পুনর্নির্মাণের উত্তরাধিকারকে একটি নবজাত রাষ্ট্রের ধসে পড়া অর্থনৈতিক বাস্তবতার বিরুদ্ধে দিনের একটি জরুরি আহ্বান হিসেবে অনুভূত হয়েছিল।
- এই পটভূমিতে, দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য, এই অঞ্চলে পূর্বে পরিচালিত বেশ কয়েকটি ব্যাংককে একীভূত করে নতুন ব্যাংক তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং এই উদ্যোগের ফলে ১৯৭২ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬) এর অধীনে পূর্ববর্তী ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডকে একত্রিত করে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়।

⇒ ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর জনতা ব্যাংক জয়েন্ট স্টক অফ রেজিস্ট্রারদের সাথে নিবন্ধিত হয় এবং জনতা ব্যাংক লিমিটেড নামে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে পুনর্গঠন করে।
- কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ২০২০ সংশোধনীর আওতায়, ব্যাংকটির নামকরণ করা হয় জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- চেয়ারম্যান: জনাব এম. ফজলুর রহমান।

উৎস: Janata Bank PLC ওয়েবসাইট।
১১.
দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোনটি?
  1. জাপানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. আড়াইহাজার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত। এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১২.
কোন ফসলটি বিশ্বব্যাপী ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিত?
  1. তামাক
  2. তুলা
  3. পাট
  4. চা
ব্যাখ্যা
তুলা:
- বস্ত্র শিল্পের মূল ও প্রধান উপাদান তুলা।
- তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল এবং আন্তর্জাতিক শিল্প ফসল, যা বিশ্বব্যাপী ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিত
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি শিল্প বস্ত্রশিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলা।

⇒ তুলা থেকে আঁশ ছাড়াও ভোজ্য তেল, খৈল, জ্বালানি উপজাত হিসাবে পাওয়া যায়।
- খৈল গবাদি পশু ও মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- তুলা উৎপাদন, জিনিং, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ভোজ্য তেল এবং সাবান শিল্প ইত্যাদির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ লোকের জীবিকা নির্বাহ করে।
- তুলা বিশ্বের অন্যতম টেক্সটাইল তন্ত্র এবং তুলা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কল্যাণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- বর্তমানে বস্ত্র এবং গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হয়েছে?
  1. ৯৪ (১) নং
  2. ৯৫ (১) নং
  3. ৯৬ (১) নং
  4. ১০৮ নং
ব্যাখ্যা
সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
- সংবিধানের ৯৬ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।'
- সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব্ রেকর্ড' হবেন এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪.
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী 'ইউ কে চিং মারমা' যুদ্ধে অবদানের জন্য কোন খেতাবে ভূষিত হয়েছেন?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীর বিক্রম
  3. বীর উত্তম
  4. বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা
ইউ কে চিং মারমা:
- ইউ কে চিং মারমা ১৯৩৭ সালে বান্দরবানে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫২ সাল থেকে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ৬ নম্বর সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন। 
- তিনি মূলত উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর রংপুর জেলায় যুদ্ধ করেছেন। 
- তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বোচ্চ খেতাবধারী একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা।
- সম্মুখ যুদ্ধে দেশের স্বাধীনতার জন্য অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাকে মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব ‘বীর বিক্রম’ উপাধিতে ভূষিত করে।

⇒ ১৯৫২ সালে ১৯ বছর বয়সে ইউ কে চিং ইপিআরে যোগদান করেন। একাত্তরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি নায়েক পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে তাকে হাবিলদার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৮২ সালে তৎকালীন বিডিআর থেকে সুবেদার পদে অবসরগ্রহণ করেন। একাত্তরের ৩ মার্চ তিনি রংপুরের ১০ নম্বর উইংয়ের অধীন লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা বিওপিতে যোগ দেন। ২৯ মার্চ ভোর ৪টায় হাতিবান্ধা বিওপি’র বাঙালি ইপিআর সদস্যরা একযোগে বিদ্রোহ করে পরদিন ভারতের সোনারহাটে কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আরব আলীসহ প্রায় শতাধিক ইপিআর ও অন্যান্য মুক্তিবাহিনী সদস্যের সঙ্গে গিয়ে মিলিত হন।

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালে ২৫ জুলাই এ বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবনাবসান হয়।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়।
ii) যুগান্তর।
১৫.
মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব কোনটি?
  1. সাংগ্রাই
  2. ওয়ানগালা
  3. সোহরাই
  4. মহা রাসলীলা
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।

⇒ মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

⇒ মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব 'মহা রাসলীলা'।

অন্যদিকে,
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই।
- গারোদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে ত্রিপুরা সম্প্রদায় ‘বৈসুক’, মারমারা ‘সাংগ্রাই’ এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা ‘বিজু’ উৎসব পালন করে। তিন উৎসবের আদ্যক্ষর নিয়ে এই উৎসবকে বলা হয় ‘বৈসাবি’।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয় ধরনের মালিকানার কথা উল্লেখ আছে?
  1. এক
  2. দুই
  3. তিন
  4. চার
ব্যাখ্যা
মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের একটা উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, এখানে তিন ধরনের মালিকানা নীতি স্বীকার করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এগুলো হচ্ছে -
১. রাষ্ট্রীয় মালিকানা,
২. সমবায় মালিকানা এবং,
৩. ব্যক্তিগত মালিকানা।

⇒ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩:
- মালিকানার নীতি- “উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷”

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭.
'জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪'-এর কতজন শহিদের নামের গেজেট প্রকাশ করা হয়?
  1. ৮৩৪ জন
  2. ৮৪৮ জন
  3. ৮৫২ জন
  4. ৮৬৬ জন
ব্যাখ্যা
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এর শহীদদের গেজেট:
- ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে সরকার।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এটি প্রকাশ করেছে।
- সরকারি এ গেজেট অনুযায়ী, ওই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৪।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হরিদাস ঠাকুর স্বাক্ষরিত ওই গেজেটে ‘মেডিকেল কেস আইডি’, শহীদদের নাম, বাবার নাম, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ তহবিল করা হচ্ছে। এ তহবিলের আকার হতে পারে দেড় হাজার কোটি টাকার মতো।
- তহবিল থেকে অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারগুলোকে এককালীন অর্থ, মাসিক ভাতা, দেশে-বিদেশে চিকিৎসা খরচ এবং কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) প্রথম আলো।
১৮.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক -
  1. সংশপ্তক
  2. বাংলা আমার বাংলা
  3. একতলা দোতলা
  4. কবর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক:
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক ছিল ‘একতলা দোতলা’।
- এর নাট্যকার শহীদ মুনীর চৌধুরী।
- প্রযোজক শহীদ মনিরুল আলম।
- ১৯৬৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টিভিতে সেই নাটক প্রচারিত হয়। নাটকে অভিনয় করেছিলেন ফেরদৌসী মজুমদার।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে ১৯৬৪ সালে।
- তখন এটি পরিচিত ছিল ঢাকা টেলিভিশন হিসেবে।
- মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীতে টেলিভিশনের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবং এর রাষ্ট্রায়ত্তকরণ করা হয়।
- ১৯৭৫ সালে ডিআইটি ভবন ছেড়ে রামপুরায় টেলিভিশনের নিজস্ব ভবন তৈরি করা হয়।

অন্যদিকে,
- ১৯৭১ সালে শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস ‘সংশপ্তক’ থেকে ধারাবাহিক নাটক সংশপ্তক নির্মাণ শুরু হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ‘বাংলা আমার বাংলা’। নাটকটি লিখেছিলেন ড. ইনামুল হক, প্রযোজনা করেছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
১৯.
২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে -
  1. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  2. লিপি বেগম
  3. শরিফা সুলতানা
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
'অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫:
- ৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের অদম্য নারীদের হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল,
- জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী লিপি বেগম,
- অর্থনীতিতে অবদানে শরিফা সুলতানা,
- শিক্ষা ও চাকরিতে হালিমা বেগম,
- সফল জননী নারী মেরিনা বেসরা,
- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে মো. মুহিন (মোহনা)।

উৎস: i) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.
২০.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা কে? [জুন, ২০২৫]
  1. লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব:)
  2. শেখ বশিরউদ্দীন
  3. নূরজাহান বেগম
  4. ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন।

⇒ মিজ্‌ নূরজাহান বেগম: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

অন্যদিকে,
- ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ: অর্থ মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
- লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব:): স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়।
- শেখ বশিরউদ্দীন: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
২১.
দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. রাঙামাটি
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ:
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা 'খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ' খুলনা জেলার খালিশপুর শহরে অবস্থিত।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন( বিসিআইসি) এর অধিনস্থ্য একটি প্রতিষ্ঠান।
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।

উল্লেখ্য,
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড মিলটি ১৯৬৫ সালে স্থাপন করা হয়।
- কানাডীয় অনুদানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা মিলটি স্থাপন করে।
- স্বাধীনতার পরে সেটি বিসিআইসির কাছে আসে।
- তখন কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ কোটি বর্গফুট।

[উল্লেখ্য, মিলটি প্রতিষ্ঠার পরে অনেকবার বন্ধ ও পুনরায় চালু হয়েছে। বর্তমানে মিলটী বন্ধ রয়েছে এবং মিলটি চালুর জন্য বাংলাদেশের অন্তবর্তাকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। মিলটি চালু হলয়ে বেকার সমস্যার অনেকখানি সমাধান হবে।]

উৎস: i) খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ।
ii) প্রথম আলো।
২২.
কত সালে কাবাডিকে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
কাবাডি:
- বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি (হাডুডু)।
- ১৯৭২ সালে কাবাডিকে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- পরের বছর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের অপেশাদার কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কাবাডি দেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- এই খেলা গ্রামাঞ্চলে অধিকতর জনপ্রিয় হওয়ায় একে গ্রামবাংলার খেলাও বলা হয়।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বার্মার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এশিয়ান কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়ক এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় কাবাডির অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করেছিল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২৩.
BIDA-এর বর্তমান চেয়ারম্যান - [জুন, ২০২৫]
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. এম আসলাম আলম
  3. জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান
  4. আশিক চৌধুরী
ব্যাখ্যা
BIDA:
- BIDA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Investment Development Authority বা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান।
- এর নিয়ন্ত্রক প্রধানমন্ত্রী/ প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- নির্বাহী চেয়ারম্যান: চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন (আশিক চৌধুরী)।
- গঠিত হয়: ২০১৬ সালে।
- কাজ: বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগ কারীদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ৭ এপ্রিল, ২০২৫ বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা প্রদান করেছে সরকার।

অন্যদিকে,
- বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।
- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ-এর বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. এম আসলাম আলম।

উৎস: BIDA ওয়েবসাইট।
২৪.
মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার কে?
  1. সিতারা বেগম
  2. তারামন বিবি
  3. আশালতা বৈদ্য
  4. নারী কমান্ডার ছিল না
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার:
- মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার আশালতা বৈদ্য।

⇒ আশালতা বৈদ্যের জন্ম ১৯৫৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি।
- মুক্তিযুদ্ধের বছর তার বয়স ছিল মাত্র পনের বছর।
- মাত্র ১৫ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধের ৮ ও ৯ নম্বর সেক্টরে কোটালীপাড়া সীমানা সাব-সেক্টরের কমান্ডার হেমায়েত উদ্দিনের বাহিনীতে যোগ দেন
- তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে হেমায়েত বাহিনী/৭১ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, বরিশাল অঞ্চলে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং একমাত্র নারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২৫.
নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে প্রথম কোন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৫ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৭ম
  4. ৮ম
ব্যাখ্যা
পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন-১৯৯১:
- স্বাধীনতা-উত্তর একমাত্র পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি পরিচালিত হয় একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বতীকালীন সরকারের অধীনে।
- ফলে নির্বাচনী ফলাফলে দলীয় কোন প্রভাব পড়েনি।
- এই নির্বাচন ছিল ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্র রক্ষার ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের ফসল।
- নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে প্রথম ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যদিও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন সংবিধানের অংশ ছিল না, কিন্তু সবগুলো রাজনৈতিক দলের সম্মতির ভিত্তিতে সেটি করা হয়েছিল।
- ১৯৯১ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষে সুপ্রীমকোর্টের তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন এবং তিন জোটের মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্য হতে ১৭ জন উপদেষ্টা নিয়োগ করেন।
- এই নির্বাচনে বিজয়ী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি।
- ১৯৯১ সালের ২০শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করে খালেদা জিয়া।

উৎস: i) বিবিসি।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
কত সালে প্রথম 'একুশে পদক' প্রদান করা হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।
- ১৯৭৬ সালে সাহিত্য, সাংবাদিকতা এবং শিক্ষায় মোট ৯ জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। পদক প্রাপ্তরা হলেন:
• সাহিত্যে: আবদুল কাদির, কাজী নজরুল ইসলাম, কবি জসীম উদদীন এবং সুফিয়া কামাল।
• সাংবাদিকতায়: আবুল কালাম শামসুদ্দিন, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ও আবদুস সালাম।
• শিক্ষায় মুহম্মদ কুদরত এ খুদা ও মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন।

উল্লেখ্য, একুশে পদক-২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
⇒ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন। পুরস্কার প্রাপ্তরা -
- চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।
- সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
- আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
- সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম।
- শিক্ষায় নিয়াজ জামান।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান, রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
- ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।
- গবেষণায় মঈদুল হাসান।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২৭.
এ.কে. ফজলুল হক কত সালে 'শেরে বাংলা' উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন?
  1. ১৯৩৭ সালে
  2. ১৯৩৮ সালে
  3. ১৯৩৯ সালে
  4. ১৯৪০ সালে
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:
- একে ফজলুল হকের পুরো নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক।
- ্তিনি ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি ছিলেন কলকাতা করপোশনের প্রথম বাঙালি মুসলমান, বাংলার প্রধানমন্ত্রী, পূর্বপাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, পুর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- তিনি বাগ্মী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯১৮ সালে ফজলুল হক লিখিত ভারত মুসলিম লীগের দিল্লী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন। তার বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাকে ‘শের-ই-বঙ্গাল’ উপাধি দেয়। ‘শের-ই-বঙ্গাল’ অর্থ বাংলার বাঘ। সেই থেকে তিনি শেরে বাংলা নামে পরিচিত।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৮.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন -
  1. আবদুল লতিফ
  2. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।

উল্লেখ্য,
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি'(১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।
- গানটির রচয়িতা 'আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী'।
- বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।

⇒ আবদুল লতিফ:
- আবদুল লতিফ একজন সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার।
- তিনি বরিশালের রায়পাশা গ্রামে ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- কংগ্রেস সাহিত্য সংঘে তিনি ১৬ বছর বয়স থেকে গান গাইতে শুরু করেন।
- ১৯৪৮ সালের জুলাই মাসে তিনি ঢাকায় আসেন।
- ১৯৪৮ সালেই তিনি রেডিও পাকিস্তানে (বর্তমান ঢাকা বেতার কেন্দ্র) সংগীত প্রযোজকের চাকরি পান।
- ৫ আগস্ট তিনি বেতারে প্রথম গান পরিবেশন করেন।
- সংগীতে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদক লাভকরেন।
- তিনি ২০০৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মারা যান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৯.
সংবিধান সংস্কার কমিশন সংবিধানের মূলনীতি এবং রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি থেকে কোন বিষয়গুলো বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে?
  1. সাম্য এবং সামাজিক সুবিচার
  2. ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এবং জাতীয়তাবাদ
  3. বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র
  4. জাতীয়তাবাদ এবং জবাবদিহিতা
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- ৯ সদস্য বিশিষ্ট সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

⇒ সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন একটি কার্যকর গণতন্ত্র, মৌলিক মানবধিকার সুনিশ্চিতকরণ এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাতটি প্রধান বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছে। সেগুলো যথাক্রমে:
১. ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান আদর্শ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনস্বরূপ সংবিধান ও রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে "সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র" প্রস্তাব,
২. ক্ষমতার প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা,
৩. প্রধানমন্ত্রী পদের একচ্ছত্র ক্ষমতা হ্রাস,
৪. অন্তবর্তী সরকার কাঠামোর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব,
৫. বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ,
৬. শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সুনিশ্চিতকরণ,
৭. মৌলিক অধিকারের আওতা সম্প্রসারণ, সাংবিধানিক সুরক্ষা ও বলবৎযোগ্যতা নিশ্চিতকরণ।

⇒ এছাড়াও,
- সংবিধান কমিশন সুপারিশ করছে যে, সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
- বাংলাদেশের সমাজের বহুত্ববাদী চরিত্রকে ধারণ করে এমন একটি বিধান সংবিধানে যুক্ত করা সমীচীন। সুতরাং, কমিশন নিম্নোক্ত বিধান অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করছে "বাংলাদেশ একটি বহুত্ববাদী, বহু-জাতি, বহু-ধর্মী, বহু-ভাষী ও বহু-সংস্কৃতির দেশ যেখানে সকল সম্প্রদাযের সহাবস্থান ও যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।
- কমিশন সংবিধানের মূলনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এবং জাতীয়তাবাদ এবং এ সংশ্লিষ্ট সংবিধানের ৮, ৯, ১০ ও ১২ অনুচ্ছেদগুলি বাদ দেয়ার সুপারিশ করছে।

উৎস: i) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ।
ii) সংবিধান সংস্কার কমিশন।
৩০.
বাংলাদেশ সম্প্রতি কোন কোন দেশের সাথে যুক্ত হয়ে ত্রিপক্ষীয় জোট গঠন করে? [জুন, ২০২৫]
  1. ভারত ও ভুটান
  2. নেপাল ও ভুটান
  3. চীন ও নেপাল
  4. চীন ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
ত্রিপক্ষীয় জোট:
- চীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় একটি জোট গঠন করা হয়েছে। 

⇒ চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে এই তিন দেশের ভাইস মিনিস্টার ও পররাষ্ট্র সচিবদের মধ্যে বৈঠকে এই জোট গঠিত হয়।
- প্রাথমিকভাবে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের মাধ্যমে এই তিন দেশ কাজ করবে।
- ১৯ জুন, ২০২৫ তারিখে এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে চীনের ভাইস ফরেন মিনিস্টার সান উইডং, বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব রুহুল আলম সিদ্দিকী, পাকিস্তানের অতিরিক্ত সচিব (এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল) ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী অংশগ্রহণ করেন। 
- চীন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনগণের জীবিকার উন্নয়নের প্রতি ফোকাস করে।
- শিল্প, বাণিজ্য, মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স, পানিসম্পদ, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, মানবসম্পদ, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং যুব প্রভৃতি খাতে পরস্পরকে সহযোগিতা করবে।

উৎস: BBC.
৩১.
প্রাচীন বাংলার কোন জনপদ 'বজ্রভূমি' নামে পরিচিত ছিল?
  1. রাঢ়
  2. পুন্ড্র
  3. বরেন্দ্র
  4. সমতট
ব্যাখ্যা
রাঢ় জনপদ:
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।

⇒ রাঢ় জনপদটি ২টি অংশে বিভক্ত ছিল।
- দক্ষিণ রাঢ় এবং উত্তর রাঢ় নিয়ে ছিল রাঢ় জনপদ।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।

⇒ রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- বৌদ্ধ পুঁথি ও বিদেশী পর্যটকদের বর্ণনা থেকে জানা যায় যে, তৎকালে তাম্রলিপ্তি একটি বিখ্যাত নৌ-বাণিজ্য বন্দর ছিল।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সরাসরি জানাতে চালুকৃত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন -
  1. ১০৬
  2. ১০৩
  3. ৩৩৩
  4. ৯৯৯
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সরাসরি জানাতে এখন থেকে চালু হলো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন ‘১০৬’। বিনা খরচে এবং যে কোন মোবাইল বা টেলিফোন থেকে এই নাম্বারে কল করে দুদককে দুর্নীতির তথ্য, অভিযোগ জানানো যাবে।অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই নম্বরে ফ্রি কল করে দুর্নীতির তথ্য জানানো যাবে।

বিভিন্ন সেবায় হটলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস। 
- ১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার।
- ১৬৪৩০: সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার।
- ১৬১২৩: কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন।
- ১০৯: নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে কল সেন্টার।
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১৬২৬৩: বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য কল সেন্টার।
- ১৬১০৮: মানবাধিকার সহায়ক কল সেন্টার।
- ১৬২৫৬: আপনার ইউনিয়নের সকল তথ্য জানতে কল করুন ইউনিয়ন সহায়তামুলক কল সেন্টারে।
- ১৩১: বাংলাদেশ রেলওয়ে কল সেন্টার।
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সদস্যরা নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন না?
  1. ৬৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৬৭ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৭০ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৭১ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
ফ্লোর ক্রসিং:
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ফ্লোর ক্রসিং৷
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে সেই দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান বা সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

⇒ ৭০ নং অনুচ্ছেদ: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া -
- সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি -
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
- তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

অন্যদিকে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদ: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা,
- ৬৭ নং অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া,
- ৭১ নং অনুচ্ছেদ: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৪.
দেশের প্রথম ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট কোথায় নির্মিত হবে?
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. গাজীপুর
  3. গোপালগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট:
- দেশের প্রথম ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট নির্মিত হবে মুন্সিগঞ্জে।
- বর্তমানে মুন্সিগঞ্জে ৪০ একর জমিতে ভ্যাকসিন এবং ওষুধ—উভয় প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

⇒ দেশের একমাত্র ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট প্রকল্প 'এসেনশিয়াল বায়োটেক অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার' স্থাপনের কাজ ২০২০ সালে গোপালগঞ্জে শুরু হয়। 
- ৩,১১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল, দেশের নিজস্ব ভ্যাকসিন উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি করা।
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকার পতন পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গোপালগঞ্জে প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা থেকে সরে আসে।

⇒ এই প্ল্যান্টে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এইচপিভি (হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস), কোভিড-১৯, কলেরা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ইনঅ্যাকটিভেটেড পোলিও (আইপিভি) এবং ডেঙ্গুসহ মোট ১৪ ধরনের টিকা উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
- টিকা ছাড়াও এই প্ল্যান্টে বিভিন্ন থেরাপিউটিকস উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে এরিথ্রোপোয়েটিন (ইপিও) ২,০০০, ৩,০০০ ও ৫,০০০ আইইউ ডোস, ইন্টারফেরন (৪.৫ এমআইইউ), লং-এক্টিং পেগাইলেটেড ইন্টারফেরন এবং ফিলগ্রাস্টিম/জি-সিএসএফ ইনজেকশন ইত্যাদি।
- এছাড়াও অ্যান্টিজেন ও পিসিআর টেস্ট কিট, হিউম্যান ও ভেটেরিনারি র‌্যাপিড টেস্ট কিট এবং পশুচিকিৎসায় ব্যবহৃত ইলাইসা কিটসহ বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক পণ্য উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

উৎস: i) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
ii) সমকাল।
৩৫.
'জাতীয় নাগরিক পার্টি' কত তারিখে আত্মপ্রকাশ করে?
  1. ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  2. ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  3. ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  4. ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা
জাতীয় নাগরিক পার্টি:
- ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
- জুলাই-আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে এ দলটি গঠিত হয়।
- জাতীয় নাগরিক পার্টি'র প্রতীক শাপলা।

উৎস: প্রথম আলো।
৩৬.
১৯৭২ সালের সংবিধান রচনার কমিটিতে নিম্নের কোন মন্ত্রি ছিলেন?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ অধিবেশনে গণপরিষদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়।
- শাহ আব্দুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ।
- এ অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়। এটি হল "সংবিধান কমিটি"।
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৩৪ জন।

⇒ গণপরিষদে সংবিধান পেশ
- সংবিধান কমিটিতে ড. কামাল হোসেন ছাড়া আরও চার জন মন্ত্রী ছিলেন।
- তারা হলেন যথাক্রমে (১) সৈয়দ নজরুল ইসলাম; (২) তাজউদ্দিন আহমদ; (৩) খন্দকার মুশতাক আহমেদ; (৪) এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
- এ ছাড়া ৭ জন মহিলা সদস্যের মধ্যে একজন ছিলেন সংসদ সদস্য।
- এ কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে।
- ঐ অধিবেশনে সংবিধান কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন সংবিধান বিল আকারে গণপরিষদে পেশ করেন।
- ১৩ অক্টোবর গণপরিষদ কিছু কিছু সংশোধনীসহ এ খসড়া সংবিধানের বিধিমালা গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ কত সালে শেষ হবে?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ২০২৬ সালে
  3. ২০২৮ সালে
  4. ২০৩০ সালে
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা পানি চুক্তি:
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।
- চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি - ৩১শে মে পর্যন্ত দুই দেশ চুক্তিতে উল্লেখিত ফর্মুলা অনুযায়ী পানি ভাগাভাগি করে নেবে।
- চুক্তিতে বলা হয়েছে, নদীতে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানি থাকলে দুই দেশ সমান সমান পানি ভাগ করে নেবে।
- পানির পরিমাণ ৭০ হাজার কিউসেক থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে ৪০ হাজার কিউসেক পাবে বাংলাদেশ, অবশিষ্ট প্রবাহিত হবে ভারতে।
- আবার নদীর পানির প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হয় তাহলে ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে ভারত, অবশিষ্ট পানি প্রবাহিত হবে বাংলাদেশে।

⇒ ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উল্লেখ্য,
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
৩৮.
কত সালে Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA) চালু হয়েছিল?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA):
- BAPA (Bangladesh Poribesh Andolon) একটি পরিবেশবাদী সংগঠন।
- বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষার জন্য দেশব্যাপী, ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য ২০০০ সালে Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA) চালু করা হয়েছিল।
- ২০০০ সালে বাংলাদেশে পরিবেশ রক্ষার জন্য একটি দেশব্যাপী, ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (BAPA) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশগত অবক্ষয় রোধ করা এবং দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় জনগণকে সাথে নিয়ে কাজ করা।

⇒ বাংলাদেশের পরিবেশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। শহুরে বাতাসের মান হ্রাস পাচ্ছে। ভূ-পৃষ্ঠের জলাশয়গুলি দূষিত, সীমাবদ্ধ এবং অবক্ষয়িত হচ্ছে। উধাও হয়ে যাচ্ছে বন ও খোলা জায়গা। কোলাহল বাড়ছে। বিলুপ্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।
- এই অবক্ষয়ের প্রক্রিয়াগুলোকে ধীরগতি ও বিপরীতমুখী করা না হলে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক অগ্রগতি ধীরে ধীরে ব্যাহত হবে এবং বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।
- বাংলাদেশের পরিবেশ-পন্থী শক্তিরা বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে এবং ভবিষ্যতের জন্য করণীয় নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (ICBEN) একত্রিত হয়।
- ICBEN ২০০০ এর সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে, BAPA গঠিত হয়।

উৎস: BAPA ওয়েবসাইট।
৩৯.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোন বছর নাগরিক শক্তি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের চেষ্টা করেছিলেন?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা
নাগরিক শক্তি:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৭ সালে "নাগরিক শক্তি" নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের চেষ্টা করেছিলেন। 

⇒ নোবেল শান্তি বিজয়ী, বিশ্বব্যাপী ক্ষুদ্রঋণ আন্দোলনের অগ্রদূত মুহাম্মদ ইউনূস।
- দেশব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদের পদত্যাগ এবং দেশত্যাগের পর ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট ইউনূসকে বাংলাদেশে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নিযুক্ত করা হয়।
- ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউনূস একটি রাজনৈতিক দল গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেন ,নাগরিক শক্তি  এবং আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
- জরুরি অবস্থা এবং দেশের দুটি প্রধান দল, আওয়ামী লীগ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্বের সময় তার ঘোষণা আসে।
- ইউনূস প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তার আন্দোলন সুশাসন পুনরুদ্ধার এবং দুর্নীতি দূরীকরণের চেষ্টা করবে।
- তবে, ২০০৭ সালের মে মাসে, ইউনূস সমর্থনের অভাবের কারণ দেখিয়ে দল প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা স্থগিত রাখেন।

উৎস:Britannica.