পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৭৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২৮: Full Model Test - 2
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৫ প্রশ্ন

.
শব্দের অর্থ নির্ণয় করুন: ভুশণ্ডি?
  1. ব্যাং
  2. অলংকার
  3. কাক
  4. মন্দির
সঠিক উত্তর:
কাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাক
ব্যাখ্যা
• ভুশণ্ডি (বিশেষ্য পদ),
- সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- হিন্দু পুরাণে উল্লিখিত তিযুগদর্শী কাক। 
- বহুদর্শী;
- অভিজ্ঞ ব্যক্তি,
- বিষয়বুদ্ধি-কুশল ব্যক্তি।

অন্যদিকে,
• 'মণ্ডূক' শব্দের অর্থ: ব্যাং, দাদুর, ভেক।
• ‘মণ্ডূক’ শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ- মণ্ডূকী।

• ‘মণ্ডন’ শব্দের অর্থ - অলংকার।
• ‘মণ্ডপ’ শব্দের অর্থ - মন্দির, উৎসবের জন্য নির্মিত চাঁদোয়াঢাকা স্থান।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোন শব্দে সংস্কৃত উপসর্গ আছে?
  1. আবডাল
  2. অনাদার
  3. অতিকায়
  4. অঘারাম
সঠিক উত্তর:
অতিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিকায়
ব্যাখ্যা
• আধিক্য / আতিশয্য অর্থে ‘অতি’ সংস্কৃত উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ- অতিকায়।

অন্যদিকে,
• 'আবডাল' শব্দে ‘আব’ বাংলা উপসর্গটি অস্পষ্টতা অর্থ প্রকাশ করে।
• অভাব অর্থে ‘অনা’ বাংলা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ - অনাদার।
• বোকা অর্থে ‘অঘা’ বাংলা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ - অঘারাম।

-----------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাং
লায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
.
উচ্চারণের স্থান অনুসারে 'র, ল' কোন ধরনের ধ্বনি?
  1. মূর্ধন্য
  2. কণ্ঠ্য
  3. তালব্য
  4. দন্তমূলীয়
সঠিক উত্তর:
দন্তমূলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দন্তমূলীয়
ব্যাখ্যা
• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে। নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে। টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে। চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'উন্নতি' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. উন + নতি
  2. উৎ + নতি
  3. উদ + নতি
  4. উধ + নতি
সঠিক উত্তর:
উৎ + নতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎ + নতি
ব্যাখ্যা
• ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম:
আগে ৎ, দ্‌, ধ্‌ এবং পরে ন্‌ / ম্‌ থাকলে ৎ, দ্‌ বা ধ্‌ স্থানে ন্‌ হয়, এবং পরের ন-এর সঙ্গে মিলে ন্ন কিংবা ম এর সঙ্গে মিলে ন্ম হয়।
যেমন:
- উৎ + নতি = উন্নতি;
- ক্ষুধ্‌ + নিবৃত্তি = ক্ষুন্নিবৃত্তি;
- রাধ্‌ + না = রান্না;
- তদ্ + মাত্র = তন্মাত্র;
- সৎ + মার্গ = সন্মার্গ;
- মৃৎ + ময় = মৃন্ময়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'অভ্রান্ত জ্ঞান' এক কথায় বলে-
  1. প্রমা
  2. অজ্ঞেয়
  3. পেয়
  4. অপ্রমেয়
সঠিক উত্তর:
প্রমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমা
ব্যাখ্যা
• 'অভ্রান্ত জ্ঞান' এক কথায় বলে - প্রমা।

অন্যদিকে,
• 'অজ্ঞেয়' শব্দের অর্থ: জ্ঞানের অতীত, জানা যায় না এমন।
• 'যা পান করার যোগ্য' এক কথায় বলে - পেয়।
• 'যা প্রমাণ করা যায় না' এক কথায় বলে - অপ্রমেয়। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘Suspended’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. শর্তাধীন
  2. বর্জনীয়
  3. প্রমার্জিত
  4. স্থগিত
সঠিক উত্তর:
স্থগিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থগিত
ব্যাখ্যা
• ‘Suspended’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ - স্থগিত।

অন্যদিকে,
• ‘Condemned’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ - বর্জনীয়।
• ‘Condoned' শব্দের পারিভাষিক শব্দ - প্রমার্জিত।
• ‘Conditional' শব্দের পারিভাষিক শব্দ - শর্তাধীন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
.
কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যবহৃত ছদ্মনাম?
  1. লীলাময় রায়
  2. অনিলা দেবী
  3. ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মাঃ
  4. শ্রী চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মাঃ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মাঃ
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট নয়টি ছদ্মনামে লিখেন। এগুলো হলো:
- ভানুসিংহ ঠাকুর,
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর,
- আন্নাকালী পাকড়াশী,
- দিকশূন্য ভট্টাচার্য,
- নবীন কিশোর শর্মণঃ,
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মাঃ,
- বাণী বিনোদ বিদ্যাবিনোদ,
- শ্রীমতি মধ্যমা ও
- শ্রীমতি কনিষ্ঠা।

অন্যদিকে,
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাতটি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন এগুলো হলো:
- অনিলা দেবী;
- অপরাজিতা দেবী;
- শ্রী চট্টোপাধ্যায়;
- অনুরূপা দেবী;
- পরশুরাম;
- শ্রীকান্ত শর্মা ও
- সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়।

• অন্নদাশঙ্কর রায়ের ছদ্মনাম লীলাময় রায়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘জীবন ক্ষুধা' আবুল মনসুর আহমদ রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. উপন্যাস
  3. ছোটগল্প
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা
• ‘জীবন ক্ষুধা' উপন্যাস:
- ‘জীবন ক্ষুধা' (১৯৫৫) পাকিস্তান আন্দোলন বিশেষত দেশ বিভাগের পটভূমিতে আবুল মনসুর আহমদ রচিত একটি উপন্যাস।
- হালিম হলো অন্যতম চরিত্র। যাকে কেন্দ্র করে উপন্যাসের কাহিনি আবর্তিত।
- এই উপন্যাসে বিশ শতকের পঞ্চাশের দশকের শিক্ষিত বাঙালি মুসলমানের মধ্যবিত্তের আত্মপ্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও লালিত আদর্শের সঙ্গে বাস্তবতার দ্বন্দ্বের কথা বর্ণিত হয়েছে।

--------------------
• আবুল মনসুর আহমদ:
- আবুল মনসুর আহমদ (১৮৯৮-১৯৭৯) একজন সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক।
- তাঁর জন্ম ১৮৯৮ সালে ময়মনসিংহ জেলার ধানিখোলা গ্রামে।
- বিভিন্ন সময়েবিভিন্ন দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকলেও বিদ্রুপাত্মক রচনার লেখক হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত।

তাঁর বিখ্যাত বিদ্রুপাত্মক রচনা হচ্ছে:
- আয়না, 
- ফুড কনফারেন্স। 

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- সত্যমিথ্যা, 
- জীবন ক্ষুধা,
- আবে-হায়াৎ।

তাঁর রচিত স্মৃতিকথা:
- আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর, 
- শের-ই-বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু, 
- এবং তাঁর আত্মচরিত হল আত্মকথা।

উৎস: ‘জীবন ক্ষুধা’ উপন্যাস; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
.
মৈমনসিংহ গীতিকা বিশ্বের কয়টি ভাষায় মুদ্রিত হয়েছে?
  1. ২০টি
  2. ২২টি
  3. ২৩টি
  4. ২৪টি
সঠিক উত্তর:
২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩টি
ব্যাখ্যা
• মৈমনসিংহ গীতিকা:
• ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রচলিত গানগুলোকে একত্রে মৈমনসিংহ গীতিকা বলা হয়।
• কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। চন্দ্রকুমার দে ছিলেন ময়মনসিংহ নিবাসী।
• দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৈমনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয়।
• মৈমনসিংহ গীতিকা বিশ্বের ২৩টি ভাষায় মুদ্রিত হয়।

• মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা ও রূপকথা স্থান পেয়েছে। যথা:
- মহুয়া,
- মলুয়া,
- চন্দ্রাবতী,
- কমলা,
- দেওয়ান ভাবনা,
- দস্যু কেনারামের পালা,
- রূপবতী,
- কঙ্ক ও লীলা,
- কাজলরেখা (রূপকথা) ও
- দেওয়ান মদিনা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
The toddler laughed loudly. Here 'laughed' is -
  1. Phrasal verb
  2. Intransitive verb
  3. Transitive verb
  4. Causative verb
সঠিক উত্তর:
Intransitive verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intransitive verb
ব্যাখ্যা
• The toddler laughed loudly.
- Here 'laughed' is an intransitive verb.
- বাক্যে verb (laughed) এবং এর object নেই তাই এটি Intransitive verb.
- toddler (noun) - যে শিশু একপা দুইপা হাঁটতে শিখেছে।

• Intransitive verb:
- যেসকল verb এর object বা কর্ম থাকে না তাকে Intransitive verb বলে।
- সাধারণত Intransitive verb এর পর adverb অথবা preposition ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যে ব্যবহৃত verb - এর কাছে "কী (what) বা কাকে ( whom)" দ্বারা প্রশ্ন করলে যদি কোন উত্তর না পাওয়া যায়, তাই সাধারণত Intransative Verb.
- উল্লেখ্য Intransitive Verb এর ক্ষেত্রে কখন (when) বা কোথায় (where) দ্বারা প্রশ্ন করতে হয়।
- Intransitive verb এর সাধারণ Structure  হচ্ছে: subject + verb.

Intransitive verb যুক্ত কয়েকটি বাক্য:
1. He slept peacefully through the night.
2. Birds sing beautifully in the morning.
3. She danced gracefully at the party.
১১.
Find the error:
She had finished her tasks before she went out to relax.
  1. had finished
  2. before
  3. went
  4. No error
সঠিক উত্তর:
No error
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No error
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নটি করা হয়েছে Before যুক্ত বাক্যের গঠন এর উপর নির্ভর করে।

• Before যুক্ত বাক্যের গঠন:
- Past perfect + before + Past indefinite
- 'Before' conjunction যুক্ত sentence এ before এর পুর্বে past perfect tense হয় এবং before এর পরে past indefinite হবে।

• Correct sentence: She had finished her tasks before she went out to relax.

• বাক্যটিতে before এর পূর্বে past perfect tense ও পরে past indefinite হওয়াতে সঠিক হয়েছে।
১২.
What type of noun does the word 'Swarm' refer to?
  1. Proper noun
  2. Common noun
  3. Collective noun
  4. Abstract noun
সঠিক উত্তর:
Collective noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Collective noun
ব্যাখ্যা
• Swarm - means a group of bees.
- এখানে, Swarm হচ্ছে Collective noun.

• Swarm (noun & verb)
English Meaning: a colony of honeybees settled in a hive/ to climb with the hands and feet.
Bangla Meaning: জাঁক, পাল, দল/হাত-পা দিয়ে আঁকড়ে ধরে উপরে ওঠা; বেয়ে ওঠা।

• Collective Noun:
- A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
- যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
- অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকেই collective noun বলে।
- কিছু collective noun হচ্ছে - cattle, herd, army, public, library, jury, committee, crew, majority, minority etc.

Source:
1. Merriam-Webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৩.
Sohum seldom comes here, __________?
  1. doesn't he
  2. does he
  3. isn't he
  4. is he
সঠিক উত্তর:
does he
উত্তর
সঠিক উত্তর:
does he
ব্যাখ্যা
• Hardly, scarcely, seldom ইত্যাদি কোনো sentence- এ থাকলে, ওই sentence 'negative' expression দেয়।
- এর ফলে প্রশ্ন প্রদও বাক্যটির tag 'affirmative' হয়েছে।
- অর্থাৎ, Tag question এর নিয়মানুযায়ী বাক্যটি Negative হওয়ায় Tag question Affirmative হয়েছে।
- বাক্যটি present indefinite tense হওয়ায় Tag question এর ক্ষেত্রে does he হয়েছে।

• সাধারণত Tag question ব্যবহৃত হয় পূর্বে উল্লেখিত কোন উক্তি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য। 
• Statement 'positive' হলে tag question টা 'negative' হবে। আবার statement 'negative' হলে tag question 'positive' হবে।

Complete Sentence: Sohum seldom comes here, does he?
১৪.
He sells bananas by _______ dozen.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. no article needed
সঠিক উত্তর:
the
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - the.
- Complete sentence: He sells bananas by the dozen.

• Couple, score, dozen, hundred, thousand, million ইত্যাদি দ্বারা পরিমাণ বুঝালে এদের পূর্বে a বসতে পারে।
- যেমন- I bought a hundred books.

• কিন্তু এ শব্দগুলো পরিমাপের একক হিসেবে ব্যবহৃত হলে এগুলোর পূর্বে the বসে।
- যেমন -He sells mangoes by the hundred.
- বাক্যের অর্থ – সে শ’ হিসেবে আম বিক্রি করে।
১৫.
It is you who ________ to deliver the speech at the conference.
  1. is
  2. am
  3. has
  4. are
সঠিক উত্তর:
are
উত্তর
সঠিক উত্তর:
are
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: It is you who are to deliver the speech at the conference.
• Relative pronoun (who, whom, which, what, when, whose, how, that) থাকলে Antecedent (Relative pronoun এর পূর্বের Noun/pronoun) অনুযায়ী verb বসে।

যেমন:
- It is I who am to blame.
- It is you who are to leave.
- It is he who is to go.

• Antecedent ‘you’ থাকায় শূন্যস্থানে are বসবে।
• "Who" এর পরে ব্যবহৃত verb অবশ্যই subject "you" এর সাথে মিলতে হবে। তাই are বসবে।
১৬.
এক সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে কী কোণ বলা হয়? 
  1. স্থূলকোণ
  2. সূক্ষ্মকোণ
  3. প্রবৃদ্ধ কোণ
  4. সম্পূরক কোণ
সঠিক উত্তর:
স্থূলকোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থূলকোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে কী কোণ বলা হয়? 

সমাধান: 
- এক সমকোণ অপেক্ষা বড়, কিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে স্থূলকোণ বলা হয়। 

অন্যদিকে, 
- এক সমকোণ থেকে ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে। 
- দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে। 
- দুইটি কোনের সমষ্টি 180° হলো, কোন দুইটির একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।
১৭.
কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেয়া হলে তার ওজন - 
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. অর্ধেক হয়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
- যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেয়া হয় তখন তার ওজন বাড়তে থাকে। 
- বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি। 
- কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষীয় ত্বরণের উপর নির্ভরশীল। 
- যে স্থানে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, সে স্থানে বস্তুর ওজনও বেশি। 
- অভিকর্ষীয় ত্বরণ যে স্থানে কম বস্তুর ওজন সে স্থানে কম। 
- যেহেতু মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন বেশি। 
- বিষুব অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ কম তাই বিষুব অঞ্চলে বস্তুর ওজনও কম। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষীয় ত্বরণ শূন্য, এজন্য পৃথিবীর কেন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
৫০ টাকায় ৬ টি দরে আম ক্রয় করে ৫০ টাকায় ৫ টি দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে? 
  1. ১০%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৩০%
সঠিক উত্তর:
২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫০ টাকায় ৬ টি দরে আম ক্রয় করে ৫০ টাকায় ৫ টি দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে? 

সমাধান: 
ধরি,
আম ক্রয় করেছিল = (৫ × ৬) টি
= ৩০ টি

৬ টি আমের ক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা
∴ ১ টি আমের ক্রয়মূল্য = ৫০/৬ টাকা
∴ ৩০ টি আমের ক্রয়মূল্য = (৫০ × ৩০)/৬ টাকা
= ২৫০ টাকা

আবার,
৫ টি আমের বিক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা
∴ ১ টি আমের বিক্রয়মূল্য = ৫০/৫ টাকা
∴ ৩০ টি আমের বিক্রয়মূল্য = (৫০ × ৩০)/৫ টাকা
= ৩০০ টাকা
∴ লাভ = (৩০০ - ২৫০) টাকা
= ৫০ টাকা

এখন,
২৫০ টাকায় লাভ হয় = ৫০ টাকা
∴ ১ টাকায় লাভ হয় = ৫০/২৫০ টাকা
∴ ১০০ টাকায় লাভ হয় = (৫০ × ১০০)/২৫০ টাকা
= ২০%

∴ শতকরা লাভ = ২০%।
১৯.
x2 - y2 + 4y - 4 এর একটি উৎপাদক কোনটি?
  1. x + y + 2
  2. x + y - 2
  3. x - y - 2
  4. x - 2y + 1
সঠিক উত্তর:
x + y - 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x + y - 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - y2 + 4y - 4 এর একটি উৎপাদক কোনটি? 

সমাধান: 
x2 - y2 + 4y - 4 
= x2 - (y2 - 4y + 4)
= x2 - {(y)2 - 2. y. 2 + (2)2}
= x2 - (y - 2)2
= {x + (y - 2)} {x - (y - 2)}
= (x + y - 2) (x - y + 2) 
২০.
একটি সংখ্যা ৪৭ থেকে যত বেশি ৮৫ থেকে তত কম, তবে সংখ্যাটি কত?
  1. ৫৭
  2. ৬৩
  3. ৬৬
  4. ৪৩
সঠিক উত্তর:
৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যা ৪৭ থেকে যত বেশি ৮৫ থেকে তত কম, তবে সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
মনে করি,
সংখ্যাটি = x

প্রশ্নমতে,
x - ৪৭ = ৮৫ - x
বা, x + x = ৮৫ + ৪৭
বা, ২x = ১৩২
বা, x = ১৩২/২
∴ x = ৬৬

∴ সংখ্যাটি = ৬৬ । 
২১.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ -
  1. পশ্চিম জার্মানি
  2. পূর্ব জার্মানি
  3. বুলগেরিয়া
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম ভুটান স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

অন্যদিকে,
- বুলগেরিয়া ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- পশ্চিম জার্মানি ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ফিনল্যান্ড ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২২.
বেসামরিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা (ICAO)-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. হেগ, নেদারল্যান্ডস
  2. মন্ট্রিল, কানাডা
  3. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল, কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল, কানাডা
ব্যাখ্যা
ICAO:
- ICAO পূর্ন রূপ: International Civil Aviation Organization.
- এটি বেসামরিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি ১৯৪৪ সালে Provisional International Civil Aviation Organization (PICAO) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ৪ এপ্রিল, ১৯৪৭ সালে ICAO হিসাবে যাত্রা শুরু করে।
- সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপদ এবং সুশৃঙ্খল রাখতে এই সংস্থা কাজ করে।
- এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে ৩ অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদরদপ্তর: মন্ট্রিল, কানাডা। 
- প্রেসিডেন্ট: সালভাতোর সিয়াচিটানো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ICAO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: ICAO ওয়েবসাইট।
২৩.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি কখন শেষ হবে?
  1. ২০২৬ সালে
  2. ২০২৮ সালে
  3. ২০৩০ সালে
  4. ২০৩৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গঙ্গার পানি বন্টন সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ ফারাক্কা পানি চুক্তি:
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।
- চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি - ৩১শে মে পর্যন্ত দুই দেশ চুক্তিতে উল্লেখিত ফর্মুলা অনুযায়ী পানি ভাগাভাগি করে নেবে।
- চুক্তিতে বলা হয়েছে, নদীতে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানি থাকলে দুই দেশ সমান সমান পানি ভাগ করে নেবে।
- পানির পরিমাণ ৭০ হাজার কিউসেক থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে ৪০ হাজার কিউসেক পাবে বাংলাদেশ, অবশিষ্ট প্রবাহিত হবে ভারতে।
- আবার নদীর পানির প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হয় তাহলে ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে ভারত, অবশিষ্ট পানি প্রবাহিত হবে বাংলাদেশে।

উল্লেখ্য,
- ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
২৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা' কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৯
  3. অনুচ্ছেদ ৪২
  4. অনুচ্ছেদ ১২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২
ব্যাখ্যা
১২ নং অনুচ্ছেদে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা কথা বলা হয়েছে।

সংবিধান:
⇒ অনুচ্ছেদ - ১২: ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা,
- ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য,
(ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা,
(খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান,
(গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার,
(ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন,
বিলোপ করা হইবে।

অন্যদিকে -
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ: সম্পত্তির অধিকার।
- ৪১ নং অনুচ্ছেদ ধর্মীয় স্বাধীনতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৯ নং অনুচ্ছেদে জাতীয়তাবাদের কথা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কোর্ট ফি কখন পরিশোধ করতে হবে?
  1. মামলা শেষ হওয়ার পর
  2. আরজি দাখিল করার সময়
  3. পরোয়ানা জারি করার পর
  4. মামলার শুনানির সময়
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিল করার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিল করার সময়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
২৬.
Section 13 of The Specific Relief Act, 1877 implies that if a part of the contract's subject matter ceases to exist, then:
  1. The entire contract is deemed impossible to perform.
  2. Only the unaffected portion of the contract remains valid.
  3. The contract is automatically nullified.
  4. Both parties are excused from performance.
সঠিক উত্তর:
Only the unaffected portion of the contract remains valid.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Only the unaffected portion of the contract remains valid.
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৩ অনুসারে,
যদি কোনো চুক্তির বিষয়বস্তুর একটি অংশ কার্যকর হওয়ার সময় বিদ্যমান না থাকে বা বিলুপ্ত হয়ে যায়, তবে চুক্তির সম্পূর্ণ বিষয় বাতিল বা অবৈধ হয়ে যায় না। বরং চুক্তির যে অংশটি এখনও কার্যকর আছে (unaffected portion of the contract remains) বা যে অংশের অস্তিত্ব এখনও অবশিষ্ট রয়েছে, তা বৈধ থাকে এবং সেই অংশের চুক্তিটি কার্যকর ও বাস্তবায়নযোগ্য হয়।

Section 13- Contract of which the subject has partially ceased to exist:

Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance.
[চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।]

Illustrations:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase-money.
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(b) In consideration of a sum of money payable by B, A contracts to grant an annuity to B for B's life. The day after the contract has been made, B is thrown from his horse and killed. B's representative may be compelled to pay the purchase-money.
(খ) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন 'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
২৭.
কোন বিধানের অধীনে আদালত নির্ধারিত তারিখে বাদী ও বিবাদী উপস্থিত না হলে, মামলা খারিজ করতে পারে?
  1. আদেশ ৮, বিধি ৫
  2. আদেশ ৯, বিধি ৩
  3. আদেশ ৭, বিধি ৪
  4. আদেশ ১০, বিধি ২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯, বিধি ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯, বিধি ৩
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ৩ অনুসারে,
মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত তারিখে যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় পক্ষ হাজির না হয়, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করে দিতে পারে।
[Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.]

• প্রদত্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার (বিধি ৪):
১- উল্লিখিত কারণে মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
২- খারিজ আদেশ রদ করতে আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারে।
২৮.
আদেশ ১৮ বিধি ১৮ অনুযায়ী, কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে, আদালত তা পরিদর্শন করতে পারে:
  1. কেবল সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে
  2. কেবল মামলার রায়ের আগে
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
  4. মোকদ্দমার শুরুতে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে, আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।

Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
২৯.
The Civil Courts Act,1887 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অধিকার কার তত্ত্বাবধানে থাকে?
  1. আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. ফৌজদারি আদালত
  4. বিশেষ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা:
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
৩০.
আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ শেষ হলে, মামলার আবেদন কখন জমা দেওয়া যাবে?
  1. আদালত খোলার এক সপ্তাহ পর
  2. আদালত পুনরায় খোলার দিন
  3. তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন
  4. আদালত খোলার এক মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
আদালত পুনরায় খোলার দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত পুনরায় খোলার দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়:
যেইক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয় সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।

Section 4- Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
৩১.
আপিল আদালত যদি নিম্ন আদালতের কোনো ডিক্রি রদ করে, সেক্ষেত্রে আদেশ-৪১ বিধি-২৩ অনুযায়ী আপিল আদালত-
  1. নতুন ডিক্রি জারি করতে পারে
  2. মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
  3. মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারে
  4. সাক্ষীকে পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩- বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রি রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

Order 41 Rule 23- Remand of case by Appellate Court:
Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand.
৩২.
অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ করার মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয়-
  1. ক্রেতার দখল গ্রহণের দিন থেকে
  2. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকরণের দিন থেকে
  3. ক্রেতার আদালতে উপস্থিতির দিন থেকে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১০- অগ্রক্রয়ের অধিকার [Right to pre-emption] বলবৎ এর মামলা:

তামাদি- ১ বছর।

সময় গণনা শুরু- যখন ক্রেতা যে বিক্রয়ের‌ বিরুদ্ধে মামলা করা হবে সেই বিক্রিত সমস্ত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে বা যে ক্ষেত্রে বিক্রয়ের বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ দখল স্বীকার করে না, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল যখন রেজিস্ট্রিকৃত হয়।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে অগ্রক্রয়ের (preemption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর। এই মেয়াদ শুরু হবে যখন ক্রেতা যে বিক্রয়ের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে সেই বিকৃত সমস্ত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে বা যে ক্ষেত্রে বিক্রয়ের বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ দখল স্বীকার করেন না, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল যখন রেজিস্ট্রিকৃত হয় তখন থেকে। অর্থাৎ, ক্রেতার দখল গ্রহণ অথবা দখল সম্ভব না হলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রি হওয়ার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়ের করতে হবে।
৩৩.
Section 224 of The Code of Criminal Procedure, 1898 primarily deals with the interpretation of words in a:
  1. Verdict
  2. Charge
  3. Testimony
  4. Court order
সঠিক উত্তর:
Charge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charge
ব্যাখ্যা
Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.

• ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ অনুযায়ী, কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের স্থানে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র তদন্তের পর্যায়ে
  2. শুধুমাত্র বিচার পর্যায়ে
  3. মামলার শেষ পর্যায়ে
  4. তদন্ত, বিচার, বা কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
তদন্ত, বিচার, বা কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত, বিচার, বা কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost.
৩৫.
ভুক্তভোগী 'ক', রফিকের বিরুদ্ধে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নালিশ করেন। ম্যাজিস্ট্রেট এই নালিশের ভিত্তিতে রফিকের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করেন এবং প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেন। একই অপরাধের অভিযোগে থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে, যার ফলে পুলিশ ওই অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। এক্ষেত্রে ফলাফল কী হবে?
  1. পুলিশ কর্তৃক তদন্ত স্থগিত হবে
  2. যেকোনো একটি মামলা বাতিল হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন
  4. উভয় মামলা বাতিল করে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ এ একই অপরাধ বিষয়ে নালিশী মামলা ও পুলিশ তদন্ত চলতে থাকলে, তখন যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তা উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান বা বিচারকালীন সময়ে যদি এটা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করা হয় যে- ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধান শুরু করেছেন উক্ত অপরাধের বিষয়ে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত চলমান আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট-
⇒ তার অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম স্থগিত করবেন; এবং
⇒ তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হতে রিপোর্ট তলব করবেন।

এই ক্ষেত্রে একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রিত করণ এবং বিচার করা যাবে যেন উভয় মোকদ্দমা পুলিশ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

এই অবস্থায়, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ অনুসারে,
ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখবেন। ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট থেকে রিপোর্ট সংগ্রহের আদেশ দেবেন। এতে করে একই মামলায় পুলিশ কর্তৃক সংগৃহীত সকল প্রাসঙ্গিক তথ্য আদালতের নথিতে যুক্ত হবে। পুলিশের তদন্ত শেষ হলে এবং রিপোর্ট জমা দিলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উভয় মামলাকে একত্রিত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করবেন। এটি এমনভাবে পরিচালিত হবে যেন এই দুই মামলা একই অপরাধের বিষয়ে এককভাবে তদন্তের মাধ্যমে আদালতে এসেছে। অর্থাৎ, নালিশী মামলা এবং পুলিশের রিপোর্ট উভয়ই একসাথে বিবেচনা করে বিচার সম্পন্ন করা হবে, যেন পুনরায় কোনো দ্বৈত বিচার প্রয়োজন না হয়।
৩৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২২-এর অধীনে কোন ব্যতিক্রম অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর বার্তা প্রকাশ করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র যদি আদালত তা জিজ্ঞাসা করে
  2. যদি পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকে
  3. যদি কোন পক্ষ আবেদন করে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
যদি পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি পক্ষদ্বয়ের মধ্যে দেওয়ানী মামলা থাকে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

Section 122⇒ Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৩৭.
পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডটি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে যদি-
  1. রেকর্ডটি সম্প্রতি সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে
  2. এটি অভিযুক্তের কাছ থেকে সংগৃহীত হয়
  3. এটি কোনো সরকারি নথি হিসাবে বিবেচিত হয়
  4. এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল
সঠিক উত্তর:
এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯০ক: পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান:
যেখানে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড, পাঁচ বছরের পুরানো বলে প্রমাণিত এবং যে হেফাজত থেকে দাখিল করা হয় তা বিশেষ ক্ষেত্রে আদালত যথাযথ বিবেচনা করে, আদালত অনুমান করতে পারে যে, ডিজিটাল স্বাক্ষর কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর হতে পারে যা এই জন্য তার দ্বারা বা তার দ্বারা অনুমোদিত যে কোন ব্যক্তি দ্বারা সংযুক্ত।

ব্যাখ্যা- ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে আছে বলা হয় যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে সেখানে, এবং যার তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিকভাবেই থাকে; কিন্তু কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটির একটি বৈধ উৎস ছিল, বা বিশেষ মামলার পরিস্থিতি এমন হয় যে এই জাতীয় উৎসকে সম্ভাব্য গণ্য করা যায়।

অর্থাৎ,
⇒ পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন।
⇒ ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে।
⇒ ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
৩৮.
Who bears the burden of proving that the case falls within any of the general or special exceptions according to Section 105 of The Evidence Act, 1872?
  1. The judge
  2. The accused
  3. The prosecutor
  4. The investigating officer
সঠিক উত্তর:
The accused
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The accused
ব্যাখ্যা
Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামী দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে আসামী পক্ষের। বলা আছে-
"দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম যে সমস্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেই সমস্ত ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যতিক্রম প্রযোজ্য এই দাবি করাই যথেষ্ট নয়, বরং এই ব্যতিক্রমের উপস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।"

অর্থাৎ, যদি আসামীপক্ষ দাবি করে যে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে শুধু দাবি করা যথেষ্ট নয়, বরং তাদেরকে সেই দাবি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে আসামীপক্ষের।
৩৯.
পুনঃজবানবন্দি কখন করা হয়?
  1. জেরার পরে
  2. সাক্ষী হাজির করার আগে
  3. মামলার রায় ঘোষণার পরে
  4. জবানবন্দি গ্রহণের আগে
সঠিক উত্তর:
জেরার পরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরার পরে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]:
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]:
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]:
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে
৪০.
যদি কোনো ব্যক্তি সরকারের কোনো কাজের প্রতি ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা করা ছাড়া অসমর্থন প্রকাশ করে, তবে তা কী ধরনের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
  2. সাধারণ অপরাধ
  3. গুরুতর অপরাধ
  4. অপরাধ নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৪ক- রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।

ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

Section 124A- Sedition:
Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.

Explanation 1.- The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity.

Explanation 2.- Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.

Explanation 3.- Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.
৪১.
A, intending or knowing himself to be likely permanently to disfigure Z's face, gives Z a blow which does not permanently disfigure Z's face, but which causes Z to suffer severe bodily pain for the space of twenty days. What crime has A committed voluntarily ?
  1. Simple hurt
  2. Grievous hurt
  3. Attempted murder
  4. Causing hurt by negligence
সঠিক উত্তর:
Grievous hurt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Grievous hurt
ব্যাখ্যা
Section 322: Voluntarily causing grievous hurt:
Whoever voluntarily causes hurt, if the hurt which he intends to cause or knows himself to be likely to cause is grievous hurt, and if the hurt which he causes is grievous hurt, is said “voluntarily to cause grievous hurt". 
Explanation.- A person is not said voluntarily to cause grievous hurt except when he both causes grievous hurt and intends or knows himself to be likely to cause grievous hurt. But he is said voluntarily to cause grievous hurt, if intending or knowing himself to be likely to cause grievous hurt of one kind, he actually causes grievous hurt of another kind. 
 
Illustration-
A, intending or knowing himself to be likely permanently to disfigure Z's face, gives Z a blow which does not permanently disfigure Z's face, but which causes Z to suffer severe bodily pain for the space of twenty days. A has voluntarily caused grievous hurt.

স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত দেওয়া:
যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, যদি তার উদ্দেশ্য বা জানাশোনা থাকে যে যে আঘাত সে দিতে যাচ্ছে তা গুরুতর আঘাত হবে এবং সে গুরুতর আঘাতই দেয়, তাহলে তাকে "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত দেওয়া" বলা হয়।

ব্যাখ্যা: একজন ব্যক্তিকে "স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত দেওয়া" বলা যাবে না, যদি সে শুধু গুরুতর আঘাত প্রদান করে এবং তার উদ্দেশ্য বা জানা না থাকে যে সে গুরুতর আঘাত দিতে যাচ্ছে। কিন্তু, যদি সে একজন ব্যক্তি গুরুতর আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে বা জানাশোনায় আঘাত দেয় এবং সে অন্য ধরনের গুরুতর আঘাত দেয়, তাহলে তাকে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত দেওয়া হবে।

উদাহরণ:
'ক', যদি জানে বা মনে করে যে 'ম' এর মুখে স্থায়ীভাবে ক্ষতি করবে এবং সে 'ম' কে এমন এক আঘাত দেয় যা 'ম' এর মুখে স্থায়ী ক্ষতি না ঘটিয়ে, তবে 'ম' এর ২০ দিনব্যাপী তীব্র শারীরিক ব্যথা সৃষ্টি করে, তাহলে এ স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত দিয়েছে।
৪২.
স্বামী কত বছর ধরে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে, স্ত্রী মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর অধীনে তালাকের জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. তিন বছর
  2. এক বছর
  3. দুই বছর
  4. চার বছর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর অধীনে স্ত্রী যে যে কারণের ভিত্তিতে আদালতে বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাকের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কারণগুলো হলো—
১. স্বামী চার বছরের বেশি সময় নিরুদ্দেশ থাকলে;
২. দুই বছর ধরে স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
৩. ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত বিয়ে করলে;
৪. সাত বছর বা তার বেশি সময় স্বামী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে;
৫. কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর ধরে স্বামী তার দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
৬. বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা করার সময় পর্যন্ত স্বামীর পুরুষত্বহীনতা বজায় থাকলে;
৭. স্বামী দুই বছর ধরে পাগল থাকলে অথবা মারাত্মক যৌনব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
৮. নাবালিকা অবস্থায় বিয়ে হয়ে থাকলে অথবা সাবালকত্ব লাভের পর, অর্থাৎ ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর স্ত্রী বিয়ে অস্বীকার করলে (কিন্তু এ ক্ষেত্রে স্বামীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে থাকলে এ রকম মামলা করা যাবে না)-
৯. স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করলে, যেমন- স্ত্রীকে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করলে, স্বামীর কোনো অবৈধ সম্পর্ক থাকলে, নৈতিকতাবর্জিত জীবনযাপনের জন্য স্ত্রীকে বাধ্য করলে, স্ত্রীর অমতে তার সম্পত্তি হস্তান্তর করলে কিংবা স্ত্রীকে তার সম্পত্তির ওপর বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা দিলে, স্ত্রীকে তার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনে বাধা দেওয়া, পবিত্র কোরআনের নির্দেশে একাধিক স্ত্রীদের সঙ্গে সমান ব্যবহার না করলে।
৪৩.
একজন হানাফি মুসলিম ব্যক্তি আব্দুল করিম মারা গেছেন। তার কোনো সন্তান নেই কিন্তু তার স্ত্রী এবং বাবা আছেন। এক্ষেত্রে সম্পত্তির বণ্টন কীভাবে হবে?
  1. স্ত্রী ১/২ অংশ এবং বাবা ১/২ অংশ
  2. স্ত্রী ১/৩ অংশ এবং বাবা ২/৩ অংশ
  3. স্ত্রী ১/৪ অংশ এবং বাবা ৩/৪ অংশ
  4. স্ত্রী ৩/৪ অংশ এবং বাবা ১/৪ অংশ
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী ১/৪ অংশ এবং বাবা ৩/৪ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী ১/৪ অংশ এবং বাবা ৩/৪ অংশ
ব্যাখ্যা
ইসলামে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে দুটি শ্রেণি রয়েছে। যার মধ্যে প্রথম শ্রেণি হচ্ছে- শেয়ারার বা অংশীদার। এ শ্রেণিতে রয়েছে ১২ জন ওয়ারিশ, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে যাদের অংশ নির্ধারিত। এ শ্রেণির ওয়ারিশরা হচ্ছেন- স্বামী, স্ত্রী, বাবা, মা, দাদা, দাদী, বোন, কন্যা, ছেলের কন্যা, বৈমাত্রেয় বোন, বৈপিত্রেয় ভাই ও বৈপিত্রেয় বোন। 
অপরদিকে, দ্বিতীয় শ্রেণিতে আছেন রেসিডুয়ারি, আসাবা বা অবশিষ্টভোগী। অবশিষ্টভোগী হয়ে থাকে, প্রথমত, মৃত ব্যক্তির নিজের সন্তান তথা ছেলে ও কন্যা। দ্বিতীয়ত, পূর্ববর্তী বংশধর যথা বাবা, দাদা। তৃতীয়ত, বাবার বংশধর। মুসলিম আইন অনুযায়ী,

স্ত্রী:
বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রী রেখে মারা গেলে তার স্ত্রী নির্ধারিত হারে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে তবে স্ত্রী পাবেন (১/৮) এক অষ্টমাংশ। আর সন্তান না থাকলে স্ত্রী পাবেন (১/৪) এক চতুর্থাংশ। একাধিক স্ত্রী থাকলেও এ অংশ বাড়বে না বরং স্ত্রীরা সবাই মিলে তাদের অংশ সমভাবে ভাগ করে নেবেন।

বাবা:
মৃত ব্যক্তির বাবা সর্বদাই ওয়ারিশ হবেন। তবে অবস্থাভেদে এর পরিমাণে তারতম্য হবে। যদি মৃত ব্যক্তির ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা পাবে ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ। যদি মৃত ব্যক্তির শুধু কন্যা বা ছেলের কন্যা এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ পাবেন, তবে সেক্ষেত্রে অন্য ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের পর কিছু অবশিষ্ট থাকলে বাবা সেই অংশও অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোনো ছেলে-কন্যা বা ছেলের সন্তান কিছুই না থাকে তবে বাকি ওয়ারিশদের মধ্যে বিতরণ শেষে যা থাকবে তা সম্পূর্ণ পাবেন বাবা।

এক্ষেত্রে,
আব্দুল করিমের স্ত্রী পাবেন ১/৪ অংশ, কারণ কোনো সন্তান নেই। তার বাবা বাকি ৩/৪ অংশ পাবেন, যেহেতু অন্য ওয়ারিশদের মধ্যে কোনো সন্তান বা সন্তানদের বংশধর নেই।
৪৪.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারা অনুযায়ী, উভয়পক্ষের অনুরোধে আদালত কি করবে?
  1. রুদ্ধদ্বার কক্ষে শুনানি করবে
  2. শুনানি স্থগিত রাখবে
  3. উন্মুক্ত কক্ষে শুনানি করবে
  4. মোকদ্দমার কার্যধারা বাতিল করবে
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধদ্বার কক্ষে শুনানি করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধদ্বার কক্ষে শুনানি করবে
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারা: রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
৪৫.
Which section of the Muslim Family Laws Ordinance, 1961, discusses the place of trial?
  1. Section 10
  2. Section 11
  3. Section 11A
  4. Section 12
সঠিক উত্তর:
Section 11A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 11A
ব্যাখ্যা
• ধারা ১১ক- বিচারের স্থান:
সাময়িকভাবে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও এই অধ্যাদেশের অধীনে সংঘটিত কোন অপরাধ ঐ আদালত কর্তৃকই বিচার্য হইবে যাহার স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে-
ক) অপরাধটি সংঘটিত হইয়াছিল,
খ) অভিযোগকারী বা আসামী বাস করে বা সর্বশেষ বাস করিয়াছিল।

Section 11A- Place of trial:
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, an offence under this Ordinance shall be tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction- 
(a) the offence was committed; or 
(b) the complainant or the accused resides or last resided.
৪৬.
সাক্ষী ছাড়া বিবাহ করলে মুসলিম আইনে তা ___________ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. অবৈধ বিবাহ
  2. নিয়মিত বিবাহ
  3. অনিয়মিত বিবাহ
  4. বাতিল বিবাহ
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বিবাহ
ব্যাখ্যা
⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ।

যেমন: সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, ইদ্দতের মধ্যে বিবাহ, স্ত্রীর বোন বিবাহ করা ইত্যাদি।
৪৭.
মুসলিম আইনানুযায়ী কোনটি ওয়াকফ্ এর বৈধ উদ্দেশ্য নয়?
  1. পয়ঃপ্রণালি নির্মাণ
  2. ভিক্ষুককে অর্থ দান
  3. মসজিদে আলোর ব্যবস্থা করা
  4. ১০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান
ব্যাখ্যা
ওয়াকফ:
- মালিকানার দাবি না রেখে ধর্মীয় বা দাতব্য কাজের জন্য স্থায়ীভাবে কোন সম্পত্তি উৎসর্গ করাকে ওয়াকফ বলা হয়৷ ওয়াকফ অধ্যাদেশ, ১৯৬২ অনুসারে কোন মুসলমান দ্বারা ধর্মীয় , পবিত্র বা দাতব্য কাজের উদ্দেশ্যে তার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা কে ওয়াকফ বলা হয়। যিনি ওয়াকফ করে তাকে ওয়াকিফ বলে।
-১৯৬২ সালের ওয়াকফ অধ্যাদেশ এর ২ ধারায় বলা হয়েছে যে:
কোনো মুসলমান কর্তৃক ধর্মীয়, পবিত্র বা দাতব্য কাজের উদ্দেশ্যে তার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্থায়ী ভাবে উৎসর্গ করাকে বুঝায়।

ওয়াকফ দুই প্রকারঃ-
১- ওয়াকফ লিল্লাহ (ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করা) এবং 
২- ওয়াকফ আল-আওলাদ ( সম্পত্তি ওয়াকফ করে তার আয় হতে নিজের সন্তান সন্ততি বা তার বংশধর বা নিজের ভারণ পোষণের ব্যবস্থা করা। তবে বংশধরদের মৃত্যুর পরে ওয়াকফ সম্পত্তির আয় দাতব্য বা ধর্মীয় কাজে ব্যয়িত হবে।

প্রদত্ত সংজ্ঞানুযায়ী, ওয়াকফ চিরস্থায়ী হতে এবং চিরতরে স্থায়ী উদ্দেশ্যে করা হয়। অর্থাৎ, উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে ‘১০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান’ যা চিরস্থায়ী নয়, তা ওয়াকফ্ এর বৈধ উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য হবে না।
৪৮.
'ক', একজন হানাফি মুসলিম, তাঁর পিতা, এক ছেলে ও এক আপন বোন রেখে মারা যান। মৃত্যুর আগে বোন বরাবর সমুদয় সম্পত্তির ১/৩ অংশ উইল করে যান। কিন্তু ছেলে এই উইলে সম্মতি দেয়নি। এক্ষেত্রে-
  1. উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে
  2. উইলটি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হবে
  3. ছেলের অংশ বাদ দিয়ে বাকি অংশের ১/৩ অংশ কার্যকর হবে
  4. উইলের সম্পত্তি পিতার অংশ থেকে দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে
ব্যাখ্যা
• কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।
আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চুড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

- যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

- উইলকারী মৃত্যুর আগে চাইলে উইল পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারেন।

- একজন মুসলমান তার দাফন-কাফনের ব্যয়ভার এবং ঋণ পরিযোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির ১/৩ অংশের অধিক উইলের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে না। যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না। অর্থাৎ সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে।

এক্ষেত্রে, সম্মতি লাগবে না এবং উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে।
৪৯.
'Factum valet quod fieri non debuit' অর্থ কী?
  1. ভুল করে কোনো কাজ সম্পন্ন হলে তা অবৈধ হবে
  2. নির্ধারিত নিয়মে কাজটি সম্পন্ন হলে তা বৈধ হবে
  3. কোনো কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে তা বৈধ হয়ে যাবে
  4. ভুল করে কোনো কাজ সম্পন্ন হলে আইন অনুযায়ী কাজটি অবৈধ হবে
সঠিক উত্তর:
কোনো কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে তা বৈধ হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে তা বৈধ হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum valet] নীতিটির প্রবর্তক হলো জীমুতবাহন।

Factum valet quod fieri non debuit অর্থ হলো উচিৎ নয় এমন কোন কাজ কেউ করে ফেললে সেটাকে অবৈধ গণ্য করা হবে না। এটা বর্তমানে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষর উভয় মতবাদে স্বীকৃত নীতি। এই নীতির আলোকে আদালত হিন্দু আইনের কতিপয় ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করে।
যেমন- অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া একটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো। বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি বিধি মোতাবেক একটি দিক নির্দেশক পন্থা মাত্র, সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে সেটি অবৈধ হবে না।
৫০.
নারী সপিণ্ড নয় কে?
  1. কন্যা
  2. মাতা
  3. বোন
  4. পিতার পিতার মাতা
সঠিক উত্তর:
বোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোন
ব্যাখ্যা
• 'বোন'- সপিণ্ড নয়।

⇒ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

• মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:
১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা।
৫১.
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যায়
  2. শুধুমাত্র নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য
  3. আইন ও সংবিধানের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে নির্দেশক
  4. শুধুমাত্র বিচার বিভাগের জন্য প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
আইন ও সংবিধানের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে নির্দেশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও সংবিধানের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে নির্দেশক
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷

(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।

• সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism];
২. সমাজতন্ত্র [Socialism];
৩. গণতন্ত্র [Democracy];
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]।

Article 8: Fundamental principles:
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.

(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.
৫২.
অনুচ্ছেদ ৩৯ এর অধীনে কিসের ভিত্তিতে বাকস্বাধীনতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. বিচারকদের বিবেচনার উপর ভিত্তি করে
  2. নাগরিকদের ব্যক্তি স্বাধীনতার ভিত্তিতে
  3. সম্পূর্ণ অবাধ স্বাধীনতার ভিত্তিতে
  4. যুক্তিসঙ্গত আইনগত বাধানিষেধের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত আইনগত বাধানিষেধের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত আইনগত বাধানিষেধের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech:
(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed. 

(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, are guaranteed.
৫৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুযায়ী, কোন বিচারক কত বছর বয়স পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকতে পারেন?
  1. ৬০ বছর
  2. ৬৫ বছর
  3. ৬৭ বছর
  4. ৬৮ বছর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:
(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।

(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
৫৪.
According to Article 115, who appoints magistrates with judicial functions in subordinate courts?
  1. President
  2. Chief Justice
  3. Law Ministry
  4. Speaker of the Parliament
সঠিক উত্তর:
President
উত্তর
সঠিক উত্তর:
President
ব্যাখ্যা
Article 115. Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:
বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
৫৫.
নির্বাচন কমিশন কীভাবে কাজ করবে?
  1. সংসদের নির্দেশে
  2. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে
  3. আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে
  4. সংবিধান ও আইনের অধীন স্বাধীনভাবে
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের অধীন স্বাধীনভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের অধীন স্বাধীনভাবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
৫৬.
জরুরি অবস্থা ঘোষণার পূর্বে রাষ্ট্রপতির ঘোষণার বৈধতার জন্য কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. প্রধান বিচারপতির
  2. সংসদের অনুমোদন
  3. প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
  4. সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা:
(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।

(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা-
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে;
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে;
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না।

(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।
৫৭.
'Obiter Dictum' means-
  1. The decision
  2. Precedents
  3. Legal Principles
  4. A thing said by the way
সঠিক উত্তর:
A thing said by the way
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A thing said by the way
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Obiter Dictum-
"A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।

Ratio decidendi-
সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।
৫৮.
If an enactment is re-enacted with modifications, what should be done regarding references to the original enactment?
  1. They should be disregarded entirely
  2. They should be explicitly removed
  3. They should be applied to the original enactment
  4. They should be interpreted as references to the modified re-enactment
সঠিক উত্তর:
They should be interpreted as references to the modified re-enactment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They should be interpreted as references to the modified re-enactment
ব্যাখ্যা
Section 8: Construction of references to repealed enactments:
(1) Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals and re-enacts, with or without modification, any provision of a former enactment. then. references in any other enactment or in any instrument to the provision so repealed shall, unless a different intention appears, be construed as references to the provision so re-enacted.

ধারা ৮: রহিত আইনের ক্ষেত্রে বরাতের ব্যাখ্যা:

১) যে ক্ষেত্রে এই আইন, বা এই আইন প্রবর্তনের পরবর্তীতে প্রণীত সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি, পূর্ববর্তী কোন আইনের বিধান পরিবর্তনসহ বা ব্যতীত, রহিত বা পুনঃ প্রবর্তন করে, সেইক্ষেত্রে ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হইলে, অন্য কোন আইন বা দলিলে উক্তরূপে রহিত বিধানের বরাত, পুনঃ প্রবর্তিত বিধানের বরাত হিসাবে ব্যাখ্যাত হইবে।
৫৯.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় “complete usufructuary mortgage” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(৫)
  2. ধারা ২(৬)
  3. ধারা ২(১১)
  4. ধারা ২(১৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(৬)
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০- ধারা ২(৬):
"সম্পূর্ণ খাই-খালাসি বন্ধক” অর্থ কোনো প্রজা কর্তৃক ঋণ হিসাবে গৃহীত অর্থ বা শস্য ফেরত প্রদান করিবার নিশ্চয়তাস্বরূপ কোনো ভূমির দখলাধিকার এই শর্তে হস্থান্তর করা যাহা বন্ধকের মেয়াদে উক্ত ভূমি হইতে প্রাপ্ত মুনাফার মাধ্যমে, সকল সুদসহ, ঋণটি পরিশোধ হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে;

Section 2(6)-
“complete usufructuary mortgage” means a transfer by a tenant of the right of possession in any land for the purpose of securing the payment of money or the return of grain advanced or to be advanced by way of loan upon the condition that the loan, with all interests thereon, shall be deemed to be extinguished by the profits arising from the land during the period of the mortgage.
৬০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারায় কৃষি প্রজাগণকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ১ শ্রেণি
  2. ২ শ্রেণি
  3. ৩ শ্রেণি
  4. ৪ শ্রেণি
সঠিক উত্তর:
১ শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ শ্রেণি
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।

Section 81- Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities:
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 
Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:
Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.
৬১.
অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে যদি কোন কাজ উন্নয়নমূলক কি না তা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়, কে সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন?
  1. আদালত
  2. জমির মালিক
  3. ভূমি পরিদর্শক
  4. ডেপুটি কমিশনার
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
ব্যাখ্যা
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারা- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

Section 66- Collector to decide question as to right to make improvement, etc.:
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 

(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৬২.
চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো __________।
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. বাতিলঅযোগ্য
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২৩ ধারা: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।
এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।

Section 23- What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.
৬৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২ ধারায় কোন আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে?
  1. সকল ধর্মীয় আইন
  2. স্থানীয় আইন
  3. মুসলিম আইন
  4. বিশেষ অপরাধ আইন
সঠিক উত্তর:
মুসলিম আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম আইন
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২ ধারায় মুসলিম আইনকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। মুসলিম আইন অনুযায়ী- কোন মুসলিম সম্পত্তি হস্তান্তর করলে, সেই হস্তান্তরকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২য় অধ্যায়ের বিধানাবলী প্রভাবিত করবে না। অন্যদিকে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৮ম অধ্যায়ে ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে, ৮ম অধ্যায়ে দান সম্পর্কিত কোন বিধান মুসলিম আইনের অধীন দানকে প্রভাবিত করবে না।

Section 2: Repeal of Acts Saving of certain enactments, incidents, rights, liabilities, etc.
Nothing herein contained shall be deemed to affect- 
(a) the provisions of any enactment not hereby expressly repealed: 
(b) any terms or incidents of any contract or constitution of property which are consistent with the provisions of this Act, and are allowed by the law for the time being in force: 
(c) any right or liability arising out of a legal relation constituted before this Act comes into force, or any relief in respect of any such right or liability: or 
(d) save as provided by section 57 and Chapter IV of this Act, any transfer by operation of law or by, or in execution of, a decree or order of a Court of competent jurisdiction: and nothing in the second chapter of this Act shall be deemed to affect any rule of Muslim law.
৬৪.
According to Section 124 of The Transfer of Property Act, 1882, if a gift includes both existing and future property, the gift is:
  1. Entirely valid
  2. Entirely void
  3. Valid only for the existing property
  4. Valid only for the future property
সঠিক উত্তর:
Valid only for the existing property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Valid only for the existing property
ব্যাখ্যা
Section 124:  Gift of existing and future property:
A gift comprising both existing and future property is void as to the latter.

• ধারা ১২৪- বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পত্তি একত্রে দান:
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করা হলে, শেষােক্ত সম্পত্তির দান বাতিল বলে গণ্য হবে।

ধারা ১২৪ অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তি বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সম্পত্তি একত্রে দান করেন, তবে সেই দানের যে অংশটি ভবিষ্যৎ সম্পত্তি বা ভবিষ্যতে অর্জিত হতে পারে, তা বাতিল বলে গণ্য হবে। এর অর্থ হলো, দাতার মালিকানাধীন বর্তমানে বিদ্যমান সম্পত্তি দান করা বৈধ হলেও ভবিষ্যৎ সম্পত্তি, যা দাতার দানকালে তার মালিকানায় নেই এবং ভবিষ্যতে অর্জিত হতে পারে এমন সম্পত্তি, দানের আওতায় আসবে না এবং সেই অংশটি আইনের বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
৬৫.
চুক্তি আইনের কত ধারায় "ক্ষতিপূরণের চুক্তি" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ১১০
  2. ধারা ১২০
  3. ধারা ১২৪
  4. ধারা ১৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৪
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১২৪ ধারা- "ক্ষতিপূরণের চুক্তি”-এর সংজ্ঞা:
- যে চুক্তির মাধ্যমে এক পক্ষ অপর পক্ষকে স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর আচরণ বা অন্য কোন ব্যক্তির আচরণ হতে সৃষ্ট ক্ষতি হতে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেন, তাকে ক্ষতিপূরণের চুক্তি বলে।

উদাহরণ:
'ক' কোন বিশেষ ২০০ টাকা সম্পর্কে 'খ'-এর বিরুদ্ধে 'গ'-এর সম্ভাব্য আইনগত কার্যধারা পরিচালনার বিরুদ্ধে 'খ'-কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য চুক্তি করেন। তা একটি ক্ষতিপূরণের চুক্তি।

Section 124- "Contract of indemnity" defined:
A contract by which one party promises to save the other from loss caused to him by the conduct of the promisor himself, or by the conduct of any other person, is called a "contract of indemnity".

Illustration-
A contracts to indemnify B against the consequences of any proceedings which C may take against B in respect of a certain sum of 200 Taka. This is a contract of indemnity.
৬৬.
কখন একটি প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যাবে?
  1. প্রস্তাবটি গ্রহণের পরে যেকোনো সময়
  2. প্রস্তাবটি গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছানোর আগে
  3. প্রস্তাবটি গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছানোর পর
  4. প্রস্তাবকারীর ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো সময়
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবটি গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছানোর আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবটি গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছানোর আগে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫- প্রস্তাব এবং গ্রহণের প্রত্যাহার:
একটি প্রস্তাব তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর গ্রহণকারীকে প্রস্তাবের গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না। একইভাবে, একটি গ্রহণ তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর প্রস্তাবককে গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না।

উদাহরণ:
- A একটি চিঠি পোস্টের মাধ্যমে তার বাড়ি B-কে বিক্রি করার প্রস্তাব দেয়।
- B একটি চিঠি পোস্টের মাধ্যমে প্রস্তাবটি গ্রহণ করে।
- A তার প্রস্তাবকে প্রত্যাহার করতে পারে যে *কোনো সময় B তার গ্রহণের চিঠি পোস্ট করার আগে বা ঠিক সেই সময়েই, কিন্তু পরে না।
- B তার গ্রহণকে প্রত্যাহার করতে পারে যে কোনো সময় বা ঠিক সেই সময়েই, যখন চিঠিটি A-র কাছে পৌঁছায়, কিন্তু পরে না।

Section 5- Revocation of proposals and acceptances:
A proposal may be revoked at any time before the communication of its acceptance is complete as against the proposer, but not afterwards.
An acceptance may be revoked at any time before the communication of the acceptance is complete as against the acceptor, but not afterwards.

Illustrations-
- A proposes, by a letter sent by post, to sell his house to B.
- B accepts the proposal by a letter sent by post.
- A may revoke his proposal at any time before or at the moment when B posts his letter of acceptance, but not afterwards.
- B may revoke his acceptance as any time before or at the moment when the letter communicating it reaches A, but not afterwards.
৬৭.
'A' leaves a cow in the custody of 'B' to be taken care of. The cow has a calf. In this situation, who owns the cow and the calf?
  1. A
  2. B
  3. A and B jointly
  4. The calf has no specific owner
সঠিক উত্তর:
A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারা- জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:
জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।

উদাহরণ-
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।

Section 163- Bailor entitled to increase or profit from goods bailed:
In the absence of any contract to the contrary, the bailee is bound to deliver to the bailor, or according to his directions, any increase or profit which may have accrued from the goods bailed.

Illustration-
A leaves a cow in the custody of B to be taken care of. The cow has a calf. B is bound to deliver the calf as well as the cow to A.
৬৮.
'গ্রেফতার করার পর কোন শিশুকে হাতকড়া লাগানো যাবে না।'- শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩৩ ধারায়
  2. ৪৪ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৬৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩: ধারা ৪৪- গ্রেফতার, ইত্যাদি:
(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না। 
 
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না। 
 
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্তু, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে। 
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
৬৯.
এক ব্যক্তি একজন নারীর সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে তার সম্ভ্রমহানি করল। এই ঘটনার কারণে অপমানিত হয়ে সেই নারী আত্মহত্যা করলেন। এই পরিস্থিতিতে অপরাধীর সর্বনিম্ন কত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. দুই বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ৯ক- নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা, ইত্যাদির শাস্তি:
কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত (Wilful) কোন কার্য দ্বারা সম্ভ্রমহানি হইবার প্রত্যক্ষ কারণে কোন নারী আত্মহত্যা করিলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপ কার্য দ্বারা আত্মহত্যা করিতে প্ররোচিত করিবার অপরাধে অপরাধী হইবেন এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

Section 9A - Punishment for Abetment of Suicide of a Woman:
If a woman commits suicide as a direct result of any deliberate (willful) act by any person that violates her dignity without her consent or against her will, that person shall be guilty of abetting her to commit suicide through such act. For this offense, the offender shall be punishable with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years but not less than five years, and shall also be liable to a fine.
৭০.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
• দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪: ধারা ৮- কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন ২০ (বিশ) বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন; 
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন; 
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন; 
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন; 
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন; 
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং 
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন।
৭১.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি হাতেনাতে ধৃত হন, তবে পুলিশ কত সময়ের মধ্যে তাকে আদালতে হাজির করবে?
  1. ২৪ ঘণ্টা
  2. ৪৮ ঘণ্টা
  3. ৭২ ঘণ্টা
  4. নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২: ধারা ১০- বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে।

(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।

(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
৭২.
কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য মাদকদ্রব্য আইনে নির্দিষ্ট কোনো শাস্তির ব্যবস্থা না থাকলে, তাহলে সেই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৭৩.
চেক ডিজঅনার মামলায় কোন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  4. অতিরিক্ত দায়রা আদালতে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
• হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  

চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দেয়, সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে, আপিল আদালতে নয়।
৭৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল রুদ্ধ-কক্ষে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার আদেশ প্রদান করতে পারে-
  1. বিচারকার্য দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য
  2. ন্যায়বিচারের স্বার্থে
  3. নারী বা শিশু ভিকটিমের সুরক্ষার জন্য
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫- রুদ্ধ-কক্ষ বিচার (trial in-camera):
ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং নারী কিংবা শিশু ভিকটিমের সুরক্ষার প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনাল কারণ উল্লেখ করিয়া এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারকার্য কেবল মামলার পক্ষগণ এবং তাহাদের নিযুক্ত আইনজীবীগণ বা ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে অন্যান্য প্রতিনিধিগণের উপস্থিতিতে রুদ্ধ-কক্ষে অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

Section 25 - Trial in Camera:
In the interest of justice and for the protection of female or child victims, the tribunal may, by stating the reasons, order that the trial of any offense under this law be conducted in-camera, in the presence of only the parties to the case and their appointed lawyers, or other representatives, subject to the permission of the tribunal.
৭৫.
According to Section 2(f) of The Special Powers Act, 1974, which of the following is not a potential result of a prejudicial act?
  1. Creating fear or alarm to the public
  2. Aiding in the maintenance of law and order
  3. Prejudice to the economic or financial interests of the State
  4. Prejudice to the maintenance of essential community supplies and services
সঠিক উত্তর:
Aiding in the maintenance of law and order
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aiding in the maintenance of law and order
ব্যাখ্যা
Section 2(f): “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
 (i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh; 
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State;

"প্রতিকূল কাজ" (prejudicial act) এমন একটি কাজ যা দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা বা জনগণের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করতে পারে বা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থে ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া এটি জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক বা ভীতি সৃষ্টি করতে পারে। "আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্য করা (Aiding in the maintenance of law and order)" কোনো ক্ষতিকর কার্য হিসেবে বিবেচিত নয়।