পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - ভৌত বিজ্ঞান: রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ক [মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, পদার্থের দ্রবণ ধর্ম ও দ্রাব্যতা, সাবানের কাজ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, তড়িৎ কোষ, অজৈব ও জৈব যৌগ, পলিমার।] উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। ----------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
কোনো গ্যাসের আণবিক ভর বেশি হলে তার ব্যাপনের হার কী হবে? 
  1.  শূন্য হবে 
  2.  কম হবে 
  3.  বেশি হবে 
  4. অপরিবর্তিত থাকবে 
সঠিক উত্তর:
 কম হবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 কম হবে 
ব্যাখ্যা

ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে আমরা যে অ্যারোসল ব্যবহার করি তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম, আবার যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক। 

নিঃসরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
পিতলকে প্রধানত কোন ধাতুর সংকর ধাতু বলা হয়? 
  1. জিঙ্কের সংকর ধাতু 
  2. লোহার সংকর ধাতু 
  3. কপারের সংকর ধাতু 
  4. টিনের সংকর ধাতু 
সঠিক উত্তর:
কপারের সংকর ধাতু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপারের সংকর ধাতু 
ব্যাখ্যা

সংকর ধাতু: 
- দুই বা ততোধিক ধাতু একে অপরের সঙ্গে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্বযুক্ত কঠিন ধাতব পদার্থ গঠন করে, তাকে সংকর ধাতু বলা হয়। 
উদাহরণস্বরূপ-
- কাঁসা (ব্রোঞ্জ): কাঁসার ক্ষেত্রে প্রধান ধাতু কপার (৯০%) এবং টিন (১০%)। 
- পিতল: পিতলের মধ্যে কপার ৬৫% এবং জিংক ৩৫% থাকায় এটি কপারের সংকর ধাতু। 
- স্টিল: প্রধান ধাতু লোহা (৯৯%) এবং অপ্রধান পদার্থ কার্বন (১%), তাই স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
তড়িৎ রাসায়নিক কোষের তড়িৎদ্বারের ক্যাথোডে কী ঘটে? 
  1. ইলেকট্রন গ্রহণ 
  2. ইলেকট্রন ত্যাগ 
  3. প্রোটন ত্যাগ 
  4. ইলেকট্রন নির্গমন 
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন গ্রহণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন গ্রহণ 
ব্যাখ্যা

- তড়িৎ রাসায়নিক কোষের তড়িৎদ্বারের ক্যাথোডে 'ইলেকট্রন গ্রহণ' ঘটে। 

তড়িৎদ্বার (Electrode): 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বিগলিত বা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যে যে দুটি ইলেকট্রনীয় পরিবাহী অর্থাৎ ধাতব দণ্ড বা গ্রাফাইট দণ্ড অর্ধেক ডুবানো থাকে তাদেরকে তড়িৎদ্বার বলা হয়। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষে একটি তড়িৎদ্বারে পরমাণু বা ঋণাত্বক আয়ন ইলেকট্রন ত্যাগ করে। 
অর্থাৎ, এ তড়িৎদ্বারে জারণ বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। 
- অপর তড়িৎদ্বারে ধনাত্মক আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করে। 
অর্থাৎ, এ তড়িৎদ্বারে বিজারণ বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। 
- সম্পূর্ণ কোষের মধ্যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। 
- যে তড়িৎদ্বারে জারণ বিক্রিয়া ঘটে তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার আর যে তড়িৎদ্বারে বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বলে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

.
রেডক্স বিক্রিয়ায় মৌলের কোন বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়? 
  1. পরমাণুর ভর 
  2. ইলেকট্রনের আকার 
  3. পরমাণুর সংখ্যা 
  4. জারণ সংখ্যা 
সঠিক উত্তর:
জারণ সংখ্যা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারণ সংখ্যা 
ব্যাখ্যা

রেডক্স বিক্রিয়া: 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ও গ্রহণ ঘটে। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া হিসেবে পরিচিত। 
- রেডক্স (Redox) শব্দটি বিজারণ বা Reduction এর Red এবং জারণ বা Oxidation এর Ox এর সমন্বয়ে গঠিত। সুতরাং Redox অর্থ জারণ-বিজারণ। 
- বিজারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ এবং জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ঘটে। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় মৌলের জারণ সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে। 
- সকল জারণ বিজারণ বিক্রিয়া ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত হয়। 
- ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত বিক্রিয়া সমূহ হচ্ছে- সংযোজন বিক্রিয়া, বিয়োজন বিক্রিয়া, প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া এবং দহন বিক্রিয়া ইত্যাদি। 

নন-রেডক্স বিক্রিয়া: 
- নন-রেডক্স বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে বিক্রিয়ার সময় মৌলের পরমাণুতে ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না। 
- এক বা একাধিক বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হওয়ার সময় বিক্রিয়ক অণুতে বর্তমান মৌল সমূহের মধ্যে কোনো মৌলের পরমাণুতেই যদি ইলেকট্রন দান বা গ্রহণ না ঘটে তবে তাকে নন-রেডক্স বিক্রিয়া বলে। 
- পরমাণুতে ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ না ঘটার কারণে বিক্রিয়া শেষে কোনো বিক্রিয়ক বা উৎপাদ মৌলের পরমাণুর জারণ সংখ্যার হ্রাস বা বৃদ্ধি ঘটে না। 
- ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না এরূপ বিক্রিয়াকে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যথা- প্রশমন বিক্রিয়া এবং অধঃক্ষেপ বিক্রিয়া। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোনটি অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব? 
  1. NaNO3
  2. CaCO
  3.  PbCl2 
  4. AgBr 
সঠিক উত্তর:
NaNO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NaNO3
ব্যাখ্যা

দ্রব (Solute): 
- দুটি উপাদানের সমন্বয়ে উৎপন্ন দ্রবণে যে উপাদানটির আপেক্ষিক পরিমাণ কম থাকে এবং যে উপাদানটি অপর উপাদানের মধ্যে দ্রবীভূত থাকে তাকে দ্রব বলা হয়। 
- খাদ্য লবণকে পানিতে দ্রবীভূত করে যে দ্রবণ প্রস্তুত করা হয় তাতে খাদ্য লবণ দ্রব, আবার চিনির জলীয় দ্রবণে চিনি দ্রব। 
- দ্রাবকের মধ্যে দ্রবের দ্রবীভূত হওয়ার ক্ষমতা অনুযায়ী দ্রবকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব: 
- এ ধরনের দ্রব দ্রাবকের মধ্যে খুবই সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ উৎপন্ন করে। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় যেসব লবণের দ্রাব্যতা 0.01 গ্রাম অণু/লিটার বা 001 mol.L-1 এর চেয়ে কম তাদের স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব বলা হয়। 
যেমন - সিলভার ক্লোরাইড (AgCl), সিলভার ব্রোমাইড (AgBr), সিলভার আয়োডাইড (AgI), সিলভার কার্বনেট (Ag2CO3), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3),  ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড (CaF2), ক্যালসিয়াম সালফেট (CaSO4), ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড Ca(OH)2, লেড ক্লোরাইড (PbCl2) ইত্যাদি স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব। 

২। অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব: 
- বেশ কিছু দ্রব আছে যারা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়। 
- এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি হওয়ায় এরা দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে। 
- এ জাতীয় দ্রবের আণবিক অবস্থা ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে কোনো সাম্যাবস্থা বিরাজ করে না। 
যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3), পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCI), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl), অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3) ইত্যাদি অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মাইকা খনিজ পদার্থ প্রধানত কোথায় ব্যবহার করা হয়? 
  1. ঘরবাড়ি নির্মাণে 
  2. বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে 
  3. কাচ তৈরিতে 
  4. লোহা উৎপাদনে 
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে 
ব্যাখ্যা

খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যথা- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: লোহা, তামা, সোনা ও রূপা ইত্যাদি। 
২। অধাতব খনিজ পদার্থ: কোয়ার্টজ, মাইকা ও খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

- মাইকা খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 
- কোয়ার্টজ খনিজ পদার্থ কাঁচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
প্রস্বেদন বলতে বোঝায়- 
  1. পানি সঞ্চয়ের প্রক্রিয়া 
  2. উদ্ভিদের শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া 
  3. উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হওয়ার প্রক্রিয়া
  4. উদ্ভিদদেহে পানি শোষণ প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হওয়ার প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হওয়ার প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা

প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন: 
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বলা হয়। 
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়, এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে। 
- তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়। 
- এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি 'Necessary evil'. 
- উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া। 
- কারণ প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে। 
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। 
- কোন অঙ্গের মাধ্যমে প্রস্বেদন ঘটে তার উপর ভিত্তি করে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: ১. পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, ২. কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং ৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত কোনটি? 
  1. ZnCO
  2. NaHCO
  3. CaCO
  4. CH3COOH 
সঠিক উত্তর:
NaHCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NaHCO
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন পদার্থের রাসায়নিক সংকেত: 
- ভিনেগারের রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH. 
- চুনের রাসায়নিক সংকেত- CaO. 
- চুনাপাথরের রাসায়নিক সংকেত- CaCO3
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O. 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
মানব শরীরে মোট কত ধরনের মৌল আছে? 
  1. ৩৩ 
  2. ১৬ 
  3. ২৬ 
  4. ৫০ 
সঠিক উত্তর:
২৬ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ 
ব্যাখ্যা

মৌলিক পদার্থ: 
- যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে। 
যেমন- সোনা, রূপা বা লোহা ইত্যাদি বিশুদ্ধ পদার্থকে যতই ভাঙ হউক না কেন সেখানে তাদের ক্ষুদ্রতর কণা ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যাবে না। 
উদাহরণ- নাইট্রোজেন, ফসফরাস, কার্বন, অক্সিজেন, হিলিয়াম, ক্যালসিয়াম, আর্গন, ম্যাগনেসিয়াম ও সালফার ইত্যাদি। 
- এই পর্যন্ত ১১৮ টি মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে যার মধ্যে ৯৮ টি মৌল প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, বাকি মৌলগুলো গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে যেগুলোকে কৃত্রিম মৌল বলা হয়। 
- মানব শরীরে মোট ২৬ ধরনের ভিন্ন ভিন্ন মৌল আছে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১০.
সাবানায়ন প্রক্রিয়ায় তেল বা চর্বির সাথে কোন পদার্থ বিক্রিয়া করে সাবান ও গ্লিসারিন তৈরি করে? 
  1. হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
  2. নাইট্রিক অ্যাসিড 
  3. সালফিউরিক অ্যাসিড 
  4. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড 
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড 
ব্যাখ্যা

সাবান: 
- সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R-COOK) । এখানে, R কে অ্যালকাইল মূলক বলা হয়, R এর সাধারণ সংকেত CnH2n+1 যেখানে, n এর মান 12 থেকে 18 পর্যন্ত। 
যেমন: সোডিয়াম স্টিয়ারেট সাবানের সংকেত C17H35COONa এবং পটাশিয়াম স্টিয়ারেট সাবানের সংকেত C17H35COOK । 
- তেল বা চর্বির সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড বিক্রিয়া করে সাবান এবং গ্লিসারিন তৈরি হয়, সাবান ও গ্লিসারিন তৈরির এই প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন বলে। 
- সাবানায়ন প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত সাবান এবং গ্লিসারিনের মিশ্রণের মধ্যে NaCl যোগ করলে গ্লিসারিন পাত্রের নিচে অবস্থান করে এবং সাবানের অণুগুলো NaCl কে ঘিরে একত্র হয়ে পাত্রের উপরের দিকে কেকের আকারে ভেসে উঠে, একে সোপ কেক বলে। 
- সোপ কেককে ছাঁকনির সাহায্যে ছেঁকে পৃথক করে বিভিন্ন আকৃতির ছাঁচে ঢেলে বিভিন্ন আকৃতির সাবান তৈরি করা হয়। 
- সাবান একটি পরিষ্কারক দ্রব্য যা তেল বা চর্বি এবং ক্ষার থেকে প্রস্তুত করা হয়। 
- ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে সাবানকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- ১। প্রসাধনী সাবান এবং ২। লন্ড্রি সাবান। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১.
কোনটি জারক হিসেবে কাজ করে? 
  1. Cl2
  2. H2
  3. Na
  4. H2S
সঠিক উত্তর:
Cl2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cl2
ব্যাখ্যা

জারক পদার্থ: 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা। 
- জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়। 
যেমন- O2, Cl2, F2, H2SO4, HNO3, H2O2, SO2 ইত্যাদি জারক পদার্থ। 

বিজারক পদার্থ: 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা। 
- বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়। 
যেমন- H, Li, Na, K, Rb প্রত্যেকেই তীব্র বিজারক। 
- এছাড়াও Mg, Ca, H2S, H2O2, SO2 প্রভৃতি বিজারক পদার্থ। 

উল্লেখ্য, 
- H2O2 সচরাচর জারকের মত ব্যবহার করলেও অম্লীয় বা ক্ষারীয় দ্রবণে বিজারক হিসেবে কাজ করে। 
- SO2 একই সাথে জারক এবং বিজারক হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ, ইন্ডিয়া।

১২.
অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার ফলে কী ঘটে? 
  1. কোষের পানি কমে না 
  2. দ্রাবক স্থির থাকে 
  3. দুই দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত প্রক্রিয়া চলে 
  4.  দ্রাবকের ঘনত্ব বাড়ে না 
সঠিক উত্তর:
দুই দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত প্রক্রিয়া চলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত প্রক্রিয়া চলে 
ব্যাখ্যা

অভিস্রবণ: 
- যে প্রক্রিয়ায় একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লিয মধ্য দিয়ে হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি (দ্রাবক) অধিক ঘন দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে অভিস্রবণ বলে। 
- দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। 
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যেই কিসমিস ফুলে ওঠে। 
- অভিস্রবণ দুই ধরনের। 
যথা- 
(১) অন্তঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে তখন অন্তঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- অন্তঃঅভিস্রবণের ফলে মাটি থেকে পানি মূলরোমে প্রবেশ করে; উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি শোষণ করতে পারে। 
উদাহরণ- কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে। 

(২) বহিঃঅভিস্রবণ: 
- দ্রাবক যখন কোষের ভেতর থেকে বাইরে আসে তখন বহিঃঅভিস্রবণ ঘটে। 
- টসটসে আঙ্গুর ঘন চিনির কিংবা লবণের দ্রবণে ডুবিয়ে রাখলে কিছুটা চুপসে যায়। কারণ বহিঃঅভিস্রবণের ফলে আঙ্গুরের ভেতরের পানি বাইরের ঘন দ্রবণে চলে আসে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
প্রাথমিক কোষের উদাহরণ কোনটি? 
  1. লেড সঞ্চয়ী কোষ 
  2. ড্যানিয়েল কোষ 
  3. নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ 
  4. লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ 
সঠিক উত্তর:
ড্যানিয়েল কোষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড্যানিয়েল কোষ 
ব্যাখ্যা

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ: 
- যে কোষে রাসায়নিক জারণ বিজারণ বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে। 
যেমন- ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ। 

২। সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে। 
যেমন- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৪.
সিমেন্টের সেটিং প্রক্রিয়াকে মন্থর করতে কোন উপাদান ব্যবহার করা হয়? 
  1. ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট 
  2. জিপসাম 
  3. সিলিকা 
  4. ক্যালসিয়াম কার্বনেট 
সঠিক উত্তর:
জিপসাম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিপসাম 
ব্যাখ্যা

সিমেন্ট সেটিং-এ জিপসামের ভূমিকা: 
- সিমেন্টের উপাদান ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট (3CaO.Al2O3) সিমেন্ট জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- কিন্তু জিপসাম (CaSO4.2H2O) ট্রাইক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেটের সাথে অদ্রবণীয় ক্যালসিয়াম সালফো অ্যালুমিনেট তৈরি করে।
- ফলে সিমেন্টের দ্রুত জমাট বাঁধা প্রক্রিয়াটি ধীরে চলে এবং উৎপন্ন কঠিন পদার্থের দৃঢ়তা শক্তি বেড়ে যায়। 
- সিমেন্টের জমাট বাঁধা প্রক্রিয়াকে মন্থর করা জিপসামের কাজ। 
• 3CaO.Al2O3 + 3(CaSO4.2H2O) + 2H2O → 3CaO.Al2O3.3CaSO4.2H2O + 6H2O

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।

১৫.
তরল-গ্যাস দ্রবণ বলতে কী বোঝায়? 
  1. যে সমস্ত দ্রবণে তরল দ্রাবকে গ্যাসীয় পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে 
  2. যে সমস্ত দ্রবণে গ্যাস দ্রাবকে তরল পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে
  3. যে সমস্ত দ্রবণে কঠিন দ্রাবকে তরল দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে 
  4. যে সমস্ত দ্রবণে তরল দ্রাবকে তরল পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে 
সঠিক উত্তর:
যে সমস্ত দ্রবণে তরল দ্রাবকে গ্যাসীয় পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সমস্ত দ্রবণে তরল দ্রাবকে গ্যাসীয় পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে 
ব্যাখ্যা

তরল-গ্যাস দ্রবণ: 
- যে সমস্ত দ্রবণে তরল দ্রাবকে গ্যাসীয় পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে তাকে তরল-গ্যাস দ্রবণ বলে
- দ্রবণে দ্রাবক হলো তরল পদার্থ আর দ্রব হলো গ্যাসীয় পদার্থ। 
যেমন: (কোমল পানীয়- কোকা কোলা, সেভেন আপ)। 
- এ সমস্ত কোমল পানীয়ের বোতল খোলার সাথে সাথে হিস্ শব্দ করে বুদবুদ আকারে যে গ্যাসীয় পদার্থ বের হয় তা হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড যা পানীয়ের মধ্যে দ্রবীভূত অবস্থায় ছিল। 
অর্থাৎ, কোমল পানীয়গুলো হলো তরল-গ্যাস দ্রবণ। 
- পানিতে বসবাসকারী প্রাণীসমূহ (যেমন: মাছ) তাদের নিঃশ্বাসের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরাসরি বাতাস থেকে নিতে পারে না। 
- পানিতে বসবাসকারী প্রাণীসমূহ অক্সিজেন নেয় পানিতে থাকা দ্রবীভূত অক্সিজেন থেকে। তাই নদ-নদী, খাল বিল বা প্রাকৃতিক জলাশয়ের পানি কিন্তু এক ধরনের তরল-গ্যাস দ্রবণ। 
- আবার বহুল সমালোচিত ফরমালিনও (যা আইনবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন ফল ও মাছের সংরক্ষণে ব্যবহার করা হচ্ছে) পানিতে ফরমালডিহাইড নামক গ্যাসের দ্রবণ। 
- অপরদিকে লেবুর শরবত, ভিনেগার, স্যালাইন হলো তরল-তরল দ্রবণ। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১৬.
ডিটারজেন্ট সাধারণত কোন পানিতে ভালোভাবে কাজ করে? 
  1. মিষ্টি পানি 
  2. খর পানি 
  3. দুধ মিশ্রিত পানি 
  4. উষ্ণ পানি  
সঠিক উত্তর:
খর পানি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খর পানি 
ব্যাখ্যা

পরিষ্কারক উপাদান: 
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। 

ডিটারজেন্ট: 
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়। 
- এই সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাচাঁমাল ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি। 
- এছাড়া ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রঙ এবং কখনো জীবাণুনাশক পদার্থ। 
- ডিটারজেন্ট খর পানিতে কাজ করে এবং উত্তম ফেনা তৈরি করে। 
- ডিটারজেন্ট লবণের সাথে বিক্রিয়া করে দই বা চুন উৎপন্ন করে না। 
- ডিটারজেন্টের কঠিন তলে ঢোকার ক্ষমতা বেশি। 
- ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায় কিন্তু সাবান ঠান্ডা পানিতে সহজে গলে না। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
লেড (Pb) আহরণের জন্য কোন আকরিক ব্যবহৃত হয়? 
  1. চুনাপাথর 
  2. ক্যালামাইন 
  3. গ্যালেনা 
  4. কপার পাইরাইট 
সঠিক উত্তর:
গ্যালেনা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালেনা 
ব্যাখ্যা

আকরিক: 
- সকল খনিজ পদার্থ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতু আহরণ বা নিস্কাশন করা যায় না। 
- খনিতে প্রাপ্ত যে সকল যৌগিক পদার্থ থেকে ধাতু বা অধাতু লাভজনকভাবে নিস্কাশন করা যায় তাকে আকরিক বলে। 
- খনিতে আকরিকের সাথে বালি, পাথর, কাদামাটি ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় পদার্থ মিশ্রিত অবস্থায় অপদ্রব্য বা ভেজাল হিসেবে থাকে, এসকল অপদ্রব্যকে খনিজমল বলে। 
ধাতু ⇒ আকরিক: 
• মার্কারি ⇒ সিন্নাবার (HgS), 
লেড ⇒ গ্যালেনা (PbS)
• ক্যালসিয়াম ⇒ চুনাপাথর (CaCO3), 
• অ্যালুমিনিয়াম ⇒ বক্সাইট (Al2O3.2H2O), 
• জিংক ⇒ জিংক ব্লেন্ড (ZnS) ও ক্যালামাইন (ZnCO3), 
• কপার ⇒ কপার পাইরাইট (CuFeS2) ও চালকোসাইট (Cu2S) এবং 
• আয়রন ⇒ ম্যাগনেটাইট (Fe3O4), হেমাটাইট (Fe2O3) ও লিমোনাইট (Fe2O3.3H2O) । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
মোলার দ্রবণ কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়? 
  1.  প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবের এক কেজি দ্রবীভূত থাকে 
  2. প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবের এক মোল লিটার দ্রবীভূত থাকে 
  3. প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবের এক গ্রাম দ্রবীভূত থাকে 
  4. প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবের এক মোল দ্রবীভূত থাকে 
সঠিক উত্তর:
প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবের এক মোল দ্রবীভূত থাকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবের এক মোল দ্রবীভূত থাকে 
ব্যাখ্যা

মোলার দ্রবণ: 
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রার দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনের মধ্যে কোনো দ্রবের এক মোল পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে ঐ দ্রবের মোলার দ্রবণ বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে মোলার দ্রবণের প্রতি লিটারে মধ্যে যত মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে দ্রবনের মাত্রা তত মোলার হবে। 
- একে M দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- মোলার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণকে বিভিন্ন এককে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- গ্রাম, মোল, গ্রাম-অণু, গ্রাম-তুল্যভর ইত্যাদি। 
- প্রকৃত পক্ষে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুতকৃত দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের বিভিন্ন পদ্ধতি থাকলেও মোলারিটি দ্রবনের ঘনমাত্রার প্রকাশের একটি আদর্শ পদ্ধতি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
কম্পোজিট কণিকা কোনটি? 
  1. নিউট্রিনো 
  2. ডিউটেরন 
  3. ইলেকট্রন 
  4. প্রোটন 
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরন 
ব্যাখ্যা

কণিকা: 
- মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা, সাধারণত যার স্বাধীন অস্তিত্ব নেই, কিন্তু ক্ষুদ্রতম একক রূপে সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে, তাকে পরমাণু বলে।
- প্রত্যেক মৌলের প্রতীক দ্বারা ঐ মৌলের পরমাণুকে বোঝানো হয়। 
যেমন- H দ্বারা হাইড্রোজেনের পরমাণু বোঝায়। 
- মূল উপাদানরূপে যে সব অতি সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত, তাদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মূল কণিকা কয়েক প্রকার হতে পারে। 
যথা- 
১। স্থায়ী মূল কণিকা: 
- যে সব মূল কণিকা সব মৌলের পরমাণুতে থাকে, তাদেরকে স্থায়ী মূল কণিকা বলে। স্থায়ী মূল কণিকা তিনটি। 
যেমন: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন। 
 
২। অস্থায়ী মূল কণিকা: 
- যে সব মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে খুবই অল্প সময়ের জন্য অস্থায়ীভাবে থাকে, তাদেরকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলে। 
যেমন: পাইওন, মিউওন, নিউট্রিনো, মেসন প্রভৃতি। 
- অস্থায়ী মূল কণিকাগুলো সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে অন্য কণিকায় পরিণত হয়। 
 
৩। কম্পোজিট কণিকা: 
- স্থায়ী মূল কণিকা ও অস্থায়ী মূল কণিকা ব্যতিত আরও এক শ্রেণীর ভারী কণিকা বিভিন্ন পরমাণু থেকে পাওয়া যায়, এদেরকে যৌগিক কণা বা কম্পোজিট কণিকা বলে। 
যেমন: আলফা কণিকা, ডিউটেরন কণা। 
 
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।