পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০ পার্ট-১) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি: [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত] i) প্রাচীন যুগ - প্রাচীন জনপদ বিভিন্ন রাজবংশের শাসন, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি; ii) মধ্যযুগ - মুসলিম শাসন, মুঘল, সুলতানি ও নবাবী আমলে বাংলা ও উপমহাদেশ; iii) উপমহাদেশ ইউরোপীয়দের আগমন, ইংরেজ শাসন ও ইংরেজ শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রাম ও উপমহাদেশের ইতিহাস। পার্ট-২) পদার্থের অবস্থা, ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক যন্ত্রপাতি, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি। পার্ট–১ সোর্স: বোর্ড বই (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সংশ্লিষ্ট NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বই), বাংলাপিডিয়া অথবা যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
কোন নদীর তীরে 'বং' গোষ্ঠীভুক্ত মানুষের বসবাস ছিল?
  1. যমুনা নদীর তীরে
  2. মেঘনা নদীর তীরে
  3. ভাগীরথী নদীর তীরে
  4. ইছামতি নদীর তীরে
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী নদীর তীরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী নদীর তীরে
ব্যাখ্যা
• 'বং' গোষ্ঠীভুক্ত 
- বিশেষজ্ঞের ধারণা, একদা যে অঞ্চলের পরিচিতি ছিল পুন্ড্র বরেন্দ্র নামে, বঙ্গ-সমতট-হরিকেল-চন্দ্রদ্বীপ নামে।
- কালের বিবর্তনে আজকের বাংলাদেশের জন্ম সেই ভূখণ্ড থেকে।
- ঐতিহাসিক রমেশ চন্দ্র মজুমদারের মতে বঙ্গদেশ নামের যে গাঙ্গেয় বদ্বীপ এলাকায় বাংলাদেশের অস্তিত্ব, সেই বংগদেশের (বাংলাদেশের) বংগ শব্দটি প্রাচীনতার সাক্ষ্য বহন করে।
- ‘বং’ শব্দ থেকেই ‘বংগ’ শব্দের উৎপত্তি এবং ‘বং’ একটি চৈনিক শব্দ।
- চীনা ভাষায় ‘বং’ শব্দের অর্থ জলাশয় অর্থাৎ নদীমাতৃক এলাকা।
পুরাকালে সুন্দরবনের উত্তর ও পূর্ব ভূখ-টি ছিল এক বিস্তৃত বনাঞ্চল। 
- 'বং' গোষ্ঠীভুক্ত মানুষের বসবাস ছিলো ভাগীরথী নদীর পূর্ব তীরে।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
'হান্টার কমিশন' গঠন করেন কে?
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড লিটন
  3. লর্ড রিপন
  4. লর্ড কার্জন
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা
• 'হান্টার কমিশন'
- ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে উডের ডেসপ্যাচে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উন্নতির জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- কিন্তু এই ডেসপ্যাচের ভাবধারা কে অবহেলা করে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উপর গুরুত্ব না দিয়ে শুধু উচ্চশিক্ষা ও সরকারি স্কুল কলেজগুলিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়। - এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতি একেবারেই হয় না। তাই সরকার প্রথমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নতি সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করেন।

•হান্টার কমিশন গঠন:-
- এই পরিস্থিতিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড রিপন ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০ জন সদস্য নিয়ে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- এটি প্রথম "ভারতীয় শিক্ষা কমিশন” নামে পরিচিত।
- এই কমিশন স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টারের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল বলে একে "হান্টার কমিশন” বলা হয়।
- স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টার ছিলেন এই কমিশনের সভাপতি।
- অন্যান্য সদস্যরা হলেন- আনন্দমোহন বসু, কে.টি. তেলাং, ভূদেব মুখোপাধ্যায়, স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রমুখ।
- প্রাথমিক শিক্ষা ও নিরক্ষরতা বিষয়ে এই কমিশনকে বিশেষভাবে বিচার করার কথা বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
আরবদের আক্রমণের সময় সিন্ধুর রাজা ছিলেন কে?
  1. মুহাম্মদ বিন কাশিম
  2. খালিদ বিন ওয়ালিদ
  3. দাহির
  4. আল বেরুনী
সঠিক উত্তর:
দাহির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাহির
ব্যাখ্যা
• রাজা দাহির 
-  ‘সিন্ধুর সর্বশেষ হিন্দু রাজা’।
- তিনি ৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতার নাম চাচ।
- দাহির ছিলেন সিন্ধুর পুষ্কর্ণ ব্রাহ্মণ সাম্রাজ্যের রাজা। 
- রাজা দাহিরের সাম্রাজ্য কয়েকটি প্রদেশে বিভক্ত ছিল।
- সেগুলো হলো আলোর, সুস্তান, কারওয়ান, ব্রাহ্মণাবাদ, স্কালিন্দা ও মুলতান।
- রাজা দাহিরের অধীনে থাকা করদ রাজ্যগুলো হলো দেবল, নীরুনকোট, সহওয়ান, বাহমনাবাদ ও সিবী।
- আরবদের আক্রমণের সময় সিন্ধুর রাজা ছিলেন দাহির। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
.
কোন আন্দোলন ব্রিটিশ বিরোধী নয়?
  1. অসহযোগ
  2. খেলাফত
  3. ফরায়েজী
  4. আলীগড়
সঠিক উত্তর:
আলীগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলীগড়
ব্যাখ্যা
• আলীগড় আন্দোলন 
- আলীগড় আন্দোলন হচ্ছে আলীগড়ভিত্তিক সমাজ সংস্কারমূলক আন্দোলন।

- ব্রিটিশ শাসিত ভারতীয় উপমহাদেশে যেসব মনীষী পশ্চাৎপদ মুসলমানদের অজ্ঞতা, অশিক্ষা, সামাজিক শোষণ, রাজনৈতিক বঞ্চনা এবং অথনৈতিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, তাঁদের মধ্যে স্যার সৈয়দ আহমদ খান অন্যতম।
- তিনি তৎকালীন ভারতীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের নবজাগরণের অন্যতম পথনির্দেশক ছিলেন।
- তাঁর পরিচালিত উত্তর ভারতের আলীগড়ভিত্তিক সংস্কার আন্দোলন ইতিহাসে আলীগড় আন্দোলন নামে পরিচিত।
- স্যার সৈয়দ আহমদ খান ব্রিটিশ শাসিত ভারতীয় মুসলমানদের শোষণ, রাজনৈতিক বঞ্চনা এবং অর্থনৈতিক দুর্দশা মোকাবেলা করে অধপতিত মুসলমানদের মর্যাদা সহকারে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে আলীগড় আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- এটি ছিল প্রত্যক্ষসংগ্রামের পরিবর্তে ব্রিটিশ শাসনের সঙ্গে সহযোগিতাধর্মী সম্পর্ক স্থাপনের সংস্কার আন্দোলন।
- ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কারের কারণে ভারতের মুসলমানরা সে সময় চরম দুর্দিনের মধ্যে জীবনযাপন করতে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম কোনটি?
  1. সিপাহী বিদ্রোহ
  2. ফকির সন্ন্যাসী আন্দোলন
  3. স্বদেশী আন্দোলন
  4. অসহযোগ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
সিপাহী বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে। ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম- দশম শ্রেণী।  
.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ হয়-
  1. ১৫২৬ সালে
  2. ১৫৫৬ সালে
  3. ১৭৬১ সালে
  4. ১৭৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬১ সালে
ব্যাখ্যা
• পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
- ১৭৬১ সালের ১৪ জানুয়ারি মারাঠা সাম্রাজ্য এবং দুররানি আফগান সাম্রাজ্যের আক্রমণকারী সেনাবাহিনীর মধ্যে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- যুদ্ধটি দিল্লির প্রায় ৯৭ কিলোমিটার (৬০মাইল) উত্তরে পানিপথ শহরের মধ্যে এবং তার চারপাশে সংঘটিত হয়েছিল।
- ২৭ বছরের মুঘল-মারাঠা যুদ্ধ (1680-1707) মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের কাছে মারাঠা সাম্রাজ্যের দ্রুত আঞ্চলিক ক্ষতির দিকে পরিচালিত করে ।
- তবে ১৭০৭ সালে তার মৃত্যুর পর, আওরঙ্গজেবের পুত্রদের মধ্যে মুঘল উত্তরাধিকার যুদ্ধের পর এই প্রক্রিয়াটি বিপরীত হয়ে যায়।
- ১৭১২ সালের মধ্যে মারাঠারা দ্রুত তাদের হারানো জমি পুনরুদ্ধার করতে শুরু করে।
- পেশওয়া বাজি রাওয়ের অধীনে , গুজরাট , মালওয়া এবং রাজপুতানা মারাঠাদের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- অবশেষে, ১৭৩৭ সালে, বাজি রাও দিল্লির উপকণ্ঠে মুঘলদের পরাজিত করেন এবং আগ্রার দক্ষিণে প্রাক্তন মুঘল অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ মারাঠার অধীনে নিয়ে আসেন।
- নিয়ন্ত্রণ বাজি রাও-এর ছেলে বালাজি বাজি রাও ১৭৫৮ সালে পাঞ্জাব আক্রমণ করে মারাঠা নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল আরও বৃদ্ধি করেন । 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
.
স্বত্ববিলোপ নীতি আরোপ করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. লর্ড ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
• স্বত্ববিলােপ নীতি
ব্রিটিশ সরকার ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য যেসব নীতি অবলম্বন করে সেগুলির মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযােগ্য হল স্বত্ববিলােপ নীতি।

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তক ও প্রবর্তনকাল 
বড়োলাট লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮ খ্রি: স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তন করেন ।
 
• স্বত্ববিলোপ নীতির মূল বক্তব্য 
- লর্ড ডালহৌসির উল্লেখযােগ্য সাম্রাজ্য বিস্তার নীতি ছিল স্বত্ববিলােপ নীতি ।
- তিনি এক ঘােষণায় বলেন যে , কোনাে ব্রিটিশ আশ্রিত দেশীয় রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে সেই রাজ্যটি সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবে ।
- এই নীতি স্বত্ববিলােপ নীতি নামে পরিচিত।

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ পদ্ধতি 
লর্ড ডালহৌসি স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়ােগ করার আগে দেশীয় রাজ্যগুলিকে তিনভাগে ভাগ করেন –
(ক) স্বাধীন দেশীয় রাজ্য
(খ) কোম্পানির সৃষ্ট রাজ্য
(গ) কোম্পানির আশ্রিত বা কোম্পানির অধীনস্থ রাজ্য

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ 
- স্বত্ববিলোপ নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করে ডালহৌসী প্রথমেই ব্রিটিশ প্রভাবাধীন সাতারা রাজ্যটি দখল করেন ১৮৪৮ খ্রিঃ,
- এরপর ১৮৫৩ সালে নাগপুরের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে তাঁর রাজ্যটি গ্রাস করা হয়, এক্ষেত্রে ডালহৌসীর যুক্তি ছিল যে, নাগপুর রাজ্যটি নাকি ইংরেজরাই সৃষ্টি করেছিল।
- ঝাঁসির রাজা গঙ্গাধর রাও-এর প্রয়াণ হলে ডালহৌসী তাঁর দত্তক পুত্রকে মেনে নিতে রাজি হলেন না এবং ঝাঁসির রানির মতামতকে উপেক্ষা করেই ঝাঁসি রাজ্যটি দখল করা হল।
- এছাড়া ভগৎপুর, করৌলী, সম্বলপুর, উদয়পুর, বাগৎ প্রভৃতি রাজ্যগুলি একই কারণে গ্রাস করা হয়, যদিও উদয়পুর কোম্পানির সৃষ্ট দেশীয় রাজ্য ছিল না।

উৎস: দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস ১ম পত্র বই।
.
'কুতুব মিনার' কোথায় অবস্থিত?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. বার্মা
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
• কুতুব মিনার
- দিল্লির কুতুব মিনার ইট দিয়ে তৈরি বিশ্বের সর্বোচ্চ মিনার।
- লাল বেলেপাথরের এই মিনার সৌন্দর্য আর ইতিহাসকে ধারণ করে আজো সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে ভারতের মাটিতে।

- ১১৯৩ সালে দিল্লি জয় করেন কুতুবুদ্দিন আইবক; ভারতের প্রথম মুসলিম শাসক ছিলেন তিনি।
- কুতুবুদ্দিনের আদেশে ১১৯৩ সালে কুতুব মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- তবে ১৩৮৬ সালে মিনারের উপরের তলাগুলোর কাজ সম্পূর্ণ করেন ফিরোজ শাহ তুঘলক।
- ভূমিকম্প ও বজ্রপাতে একাধিকবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুতুব মিনার, যা পরবর্তী শাসকরা সংস্কার করেন।
- মিনারের আশেপাশে বেশকিছু প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় স্থাপনা ও ধ্বংসাবশেষ রয়েছে, যা কুতুব মিনার কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত।
-দূর্গের কিল্লা রাই পিথোরার ধ্বংসাবশেষের উপর নির্মিত হয়েছিল কুতুব মিনার।
- কুতুব মিনারের পাঁচটি তল রয়েছে, প্রতিটি তলে রয়েছে একটি ঝুলন্ত বারান্দা।  
- মিনারের পাদদেশের ব্যাস ১৪ দশমিক ৩ মিটার, যা ধীরে ধীরে সংকীর্ণ হয়ে ৭২ দশমিক ৫ মিটার উচ্চতায় শীর্ষে ২ দশমিক ৭ মিটার সরু হয়েছে।
- লাল বেলেপাথরে তৈরি মিনারে খোদাই করা আছে পবিত্র কোরআনের আয়াত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।  
.
'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বাংলা কোন সনে হয়েছিল?
  1. ১০৭৬ সনে
  2. ১১৭৬ সনে
  3. ১৩৭৬ সনে
  4. ১২৭৬ সনে
সঠিক উত্তর:
১১৭৬ সনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭৬ সনে
ব্যাখ্যা
• ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত।
- তখন ছিল আঠারো শতকের চরম অর্থনৈতিক মন্দার বছর।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি খাজনা আদায়ের নামে সীমাহীন শোষণ আর লুণ্ঠন করে।
- পাশাপাশি সেই সময় (১৭৬৮-১৭৬৯) অনাবৃষ্টির কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়।ফলে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭৭০ সাল) এই দুর্ভিক্ষ হয় বলে একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়। 
- ১৭৫৭ সালে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন।
- তখন থেকেই এ দেশে ব্যাপক সম্পদ লুণ্ঠন করতে থাকে ইংরেজরা।
- ১৭৬৫ সালে ইংরেজরা দিল্লির সম্রাট শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা-বিহার-ওড়িশার দেওয়ানি লাভ করে।
- বাংলার নবাবের হাতে থাকে নামে মাত্র প্রশাসনিক ক্ষমতা। রাজস্ব আদায় ও আয়-ব্যয়ের হিসাব থাকে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির কাছে।
- ফলে ইতিহাসে দ্বৈত শাসন নামে শাসনব্যবস্থার সৃষ্টি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।  
১০.
সুলতান মাহমুদ ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন কত বার?
  1. ৪ বার
  2. ১৩ বার
  3. ১৭ বার
  4. ৬ বার
সঠিক উত্তর:
১৭ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ বার
ব্যাখ্যা
• সুলতান মাহমুদ 
- সুলতান মাহমুদ তার কালে বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম বিজেতা, বিশাল রাজ্যসংগঠক, দক্ষ যুদ্ধপরিচালক, বিচক্ষণ সমরনায়ক এবং অমিতবিক্রম যোদ্ধা হিসেবে খ্যাত হয়ে আছেন।
- তিনি ১০০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১০২৭ খ্রিস্টাব্দে পর্যন্ত ভারতে ১৭ বার অভিযান চালান।
- এই সব অভিযানের একটিতেও তিনি পরাজিত হননি।
- সিংহাসন লাভের প্রথম তিন বছর পর্যন্ত তিনি আক্রমণকারী ও চুক্তির শর্ত ভঙ্গকারী রাজা জয়পালের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেননি।
- এ সময় তিনি খোরাসানে যুদ্ধে ব্যাপৃত থাকেন।
- ৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি ঐ অঞ্চলের সর্বেসর্বা হিসেবে খলিফার স্বীকৃতি লাভ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।  
১১.
সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানীর নাম কী ছিল?
  1. গৌড়
  2. সোনারগাঁও
  3. জাহাঙ্গীরনগর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
ব্যাখ্যা
• সোনারগাঁও - বাংলার প্রাচীন রাজধানী
- নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোগড়াপাড়া ক্রসিং থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার উত্তরে সোনারগাঁও অবস্থিত।
- সবুজ বন-বনানী আর অনুপম স্থাপত্যশৈলীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য়ের নান্দনিক ও নৈসর্গিক পরিবেশে ঘেরা বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁও।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের মধ্যে শিল্পকলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সোনারগাঁও একটি গৌরবময় জনপদ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২ খ্রি.)।
- পরে রাজধানী স্থানান্তরিত হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫ খ্রি.)।
- সুলতানি আমলে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে এবং সর্বশেষ  রাজধানী গৌড় ছিল। সে আলোকে গৌড়  উত্তর নেওয়া হয়েছে।


এছাড়াও,
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- পানাম নগরের নির্মিত ভবনগুলো ছোট লাল ইট দ্বারা তৈরী।
- ইমারতগুলো কোথাও একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন, আবার কোথাও সন্নিহিত।
- অধিকাংশ ভবনই আয়তাকার এবং উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত।দীর্ঘ একটি সড়কের উভয় পাশে দৃষ্টিনন্দন ভবন স্থাপত্যের মাধ্যমে পানামনগর গড়ে উঠেছিল।
- উভয় পাশে মোট ৫২টি পুরোনো বাড়ী এই ক্ষুদ্র নগরীর মূল আকর্ষণ।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া (লিংক)।
১২.
'কর্নওয়ালিস কোড' চালু হয় কবে?
  1. ১৭৯৩ সালে
  2. ১৮০৫ সালে
  3. ১৭৯০ সালে
  4. ১৮৩৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
• কর্নওয়ালিস কোড
- কর্নওয়ালিস কোড  ১৭৯৩ সালে ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ৪৮টি রেগুলেশন বা আইন জারি করেন।
- উক্ত রেগুলেশন সাধারণভাবে কর্নওয়ালিস কোড নামে পরিচিত।
- কর্নওয়ালিস কোডের কয়েকটি উৎস হলো ১৭৭২ হতে ১৭৯০ সাল পর্যন্ত জারিকৃত রেগুলেশন ও আদেশ, হিন্দু ও মুসলিম আইন, প্রথা-প্রতিষ্ঠান, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত সংক্রান্ত বিধিমালা এবং ব্রিটিশ আইন।
- কর্নওয়ালিস কোডের লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রের উপযোগী একটি প্রাতিষ্ঠানিক আইনবিধান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রবর্তন।
- ১৭৯৩ সালের ১ মে কর্নওয়ালিস তাঁর কোড ঘোষণা করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩.
অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থান কোনটি?
  1. চট্রগ্রাম
  2. কুমিল্লা
  3. সিলেট
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
• দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান, অতীশ
- অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান (৯৮০-১০৫৩) বৌদ্ধ পন্ডিত, ধর্মগুরু ও দার্শনিক।
- দশম-একাদশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি পন্ডিত দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার বিক্রমপুরের বজ্রযোগিনী গ্রামে এক রাজপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- পিতা কল্যাণশ্রী এবং মাতা প্রভাবতী দেবী। তাঁর বাল্যনাম ছিল চন্দ্রগর্ভ।
- মায়ের নিকট এবং স্থানীয় বজ্রাসন বিহারে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি বিখ্যাত বৌদ্ধ গুরু জেতারির নিকট  বৌদ্ধধর্ম ও শাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন।
- এ সময় তিনি সংসারের প্রতি বিরাগবশত গার্হস্থ্যজীবন ত্যাগ করে ধর্মীয় জ্ঞানার্জনের সঙ্কল্প করেন।
- এ উদ্দেশ্যে তিনি পশ্চিম ভারতের কৃষ্ণগিরি বিহারে গিয়ে রাহুল গুপ্তের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন,
- বৌদ্ধশাস্ত্রের আধ্যাত্মিক গুহ্যবিদ্যায় শিক্ষালাভ করে ‘গুহ্যজ্ঞানবজ্র’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- মগধের ওদন্তপুরী বিহারে মহাসাংঘিক আচার্য শীলরক্ষিতের নিকট দীক্ষা গ্রহণের পর তাঁর নতুন নামকরণ হয় ‘দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান’।
- একত্রিশ বছর বয়সে তিনি আচার্য ধর্মরক্ষিত কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ ভিক্ষুদের শ্রেণিভুক্ত হন।
- পরে দীপঙ্কর মগধের তৎকালীন শ্রেষ্ঠ আচার্যদের নিকট কিছুকাল শিক্ষালাভ করে শূন্য থেকে জগতের উৎপত্তি এ তত্ত্ব (শূন্যবাদ) প্রচার করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪.
'ঢাকা গেট' কে নির্মাণ করেন?
  1. শায়েস্তা খান
  2. মীর জুমলা
  3. ইসলাম খান
  4. আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা
ব্যাখ্যা
• 'ঢাকা গেট' 
- মীর জুমলার গেট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এই গেটটি ঢাকা গেট, ময়মনসিংহ গেট নামেও পরিচিত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার কার্জন হল ছাড়িয়ে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির পথে নজরে আসে হলুদ রঙের মীর জুমলার তোরণ। এ গেটের তিনটি অংশের একটি রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবায়নযোগ্য শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের দিকে, মাঝখানের অংশ পড়েছে রোড ডিভাইডারের মাঝে এবং অপর অংশটি রয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে তিন নেতার সমাধিসৌধের পাশে।
- মোগল আমলে বুড়িগঙ্গা নদী হয়ে ঢাকায় ঢোকার প্রবেশমুখ ছিল এ তোরণ। বলা হতো মীর জুমলার গেট। পরে কখনো ময়মনসিংহ গেট, কখনো ঢাকা গেট, কখনো রমনা গেট।
- মুগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে বাংলার সুবাদার মীর জুমলা  ঢাকার সীমানা চিহ্নিত করার পাশাপাশি শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ১৬৬০ সালের দিকে নির্মাণ করেছিলেন এই গেটটি।

উৎস: প্রথম আলো।
১৫.
'ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ' কোথায় অবস্থিত ছিল?
  1. ঢাকা
  2. আগ্রা
  3. কলকাতা
  4. মুর্শিদাবাদ
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
• ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ
- ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সর্বাধিক বিখ্যাত দুর্গ হলো ফোর্ট উইলিয়াম।
- ফোর্ট উইলিয়ামের মাধ্যমেই ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের ঘাঁটি নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- বিখ্যাত এই দুর্গটি কলকাতায় অবস্থিত।
- ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সামরিক শক্তি প্রদর্শনের একটি বড় নিদর্শন এই দুর্গ।
- বাস্তবে দুটি ফোর্ট উইলিয়াম ছিল : একটি পুরনো, অন্যটি নতুন। পুরনো দুর্গটি ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির সূচনাকালের সৃষ্টি।
- স্যার চার্লস আইয়ার এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তাঁর উত্তরসূরি জন বিয়ার্ড ১৭০১ সালে ফোর্ট উইলিয়ামের উত্তর-পূর্বাংশের দুর্গপ্রাচীর সংযোজন করেন।
- ১৭০২ সালে তিনি দুর্গের মধ্যভাগে বাণিজ্যকুঠি বা 'গভর্নমেন্ট হাউস' নির্মাণ শুরু করেন, যা ১৭০৬ সালে শেষ হয়।
- এরপর ইংল্যান্ডের রাজার সম্মানে দুর্গটির নামকরণ করা হয় ফোর্ট উইলিয়াম।
- ১৯৫৬ সালে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতা আক্রমণ করে ফোর্ট উইলিয়াম দখল করেন এবং ইংরেজদের তাড়িয়ে দেন।
- পরে পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজরা জয়ী হলে উপমহাদেশে ইংরেজদের অবস্থান সংহত হতে থাকে।
- তারা ফোর্ট উইলিয়ামের স্থানে আরেকটি শক্তিশালী দুর্গ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৭৮০ সালের মধ্যে দুর্গটি নির্মাণের বেশির ভাগ কাজ শেষ হয়ে যায়।
- এর প্রায় এক শ বছর পরে দুর্গটিকে আধুনিকায়ন করা হয়।
- দুর্গটিকে অষ্টভুজাকৃতির রূপ দেওয়া হয়। দুর্গে প্রবেশের জন্য সাতটি প্রবেশদ্বার ছিল। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬.
বৌদ্ধ ধর্মের কনস্ট্যানটাইন বলা হয় কাকে?
  1. বানভট্র
  2. অশোক
  3. মেগাস্থিনিস
  4. সেলুকাস
সঠিক উত্তর:
অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশোক
ব্যাখ্যা
অশোক 
- মৌর্য বংশের প্রথম রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের ছেলে বিন্দুসার। পাটালিপুত্র ছিল মৌর্য বংশের রাজধানী।
- বাবা বিন্দুসার এবং মা সুবোধরাঙ্গীর ছেলে ছিলেন অশোক।
- তার আসল নাম ছিল দেবাঙ্গপ্রিয় প্রিয়দর্শী আশোক।
- ২৬৮ খ্রিষ্টপূর্বে মৌর্য বংশের ২য় সম্রাট এবং ৩য় শাসক হিসেবে অশোকের রাজ্যাভিষেক হয়।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য যখন মগদে তার শাসনামল শুরু করেন তখন ভারত ১৬টি জনপদে বিভক্ত ছিল।
- ২৬১ খ্রিষ্টপূর্বে কলিঙ্গের সাথে মগদের বিধ্বংসী যুদ্ধ হয়।
- এই সাম্রাজ্যটি অনেক শক্তিশালী ছিল বলে তার পূর্বসূরিরা এটি দখল করতে পারেনি।
- অশোক প্রথমে রাজনৈতিকভাবে চেষ্টা করেন। তাতে ব্যর্থ হয়ে তিনি যুদ্ধের পথ বেছে নেন।
- এই যুদ্ধে প্রায় ১ লাখ সৈনিক নিহত এবং প্রায় ২ লাখ সাধারণ মানুষ প্রাণ হারায়।
- যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে অশোক বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন।
- তখন থেকেই অশোক বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার শুরু করেন এবং যুদ্ধ করা ছেড়ে দেন।
- এজন্য অশোককে বৌদ্ধ ধর্মের কনস্ট্যানটাইন বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৭.
'বড়কামতা' কোন জনপদের রাজধানী ছিলো?
  1. সমতট
  2. রাঢ়
  3. গৌঢ়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা
সমতট রাজ্যের রাজধানী ‘বরকামতা’র উৎপত্তির ইতিহাস: 
- বর্তমান ‘বরকামতা’ গ্রামটি একসময় প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অংশ ছিল।
- সাবেক বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্রগ্রাম জেলার বিশাল অংশ নিয়ে সমতট রাজ্যের অবস্থান ছিল এবং প্রায় ৫শত মাইল বিস্তৃত ছিল বলে জানা যায়।
- খ্রীষ্টিয় নবম শতাব্দীতে এ অঞ্চলটি হরিকেল অঞ্চলের রাজাদের অধীনে চলে আসে। 
- অষ্টম শতাব্দীতে লালমাই ময়নামতি দেব বংশ এবং দশম থেকে একাদশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত চন্দ্র বংশের শাসনাধীনে ছিল (ময়নামতির সাবেক নাম ছিল রোহিতগিরি)।
- ১৭৬৫ সালে এ অঞ্চলটি ইংরেজ ‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী’র অধীনে আসার পর ১৭৯০সালে জেলাটি ত্রিপুরা জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা হয়।
- রাজা কমলাঙ্ক’র শাসনামলে তার নামানুসারে এ জেলার নাম হয়েছিল ‘কমলাঙ্ক’, কালক্রমে ‘কমলাঙ্ক’ থেকে ‘কার্মান্ত,’ ‘কার্মান্ত’ থেকে ‘কর্র্মূল্যা’, ‘কর্মূল্যা’ থেকে ‘কুমিল্যা’ এবং সর্বশেষ ১৯৬০সালে এর নাম পরিবর্তন করে ‘কুমিল্লা’ রাখা হয়।  

উৎস: বরকামতা ইউনিয়নের ওয়েবসাইট (লিংক)।
১৮.
খুব অল্প পরিমাণ জিনিসের ভর সূক্ষ্মভাবে মাপতে কোন যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. স্ক্রু গজ
  2. তুলা যন্ত্র
  3. স্লাইড ক্যালিপার্স
  4. ডিজিটাল স্কেল
সঠিক উত্তর:
তুলা যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা যন্ত্র
ব্যাখ্যা
তুলা যন্ত্র: 
- পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নে খুব অল্প পরিমাণ জিনিসের ভর সূক্ষ্মভাবে মাপার জন্য তুলা যন্ত্র ব্যবহৃত হয়। 
- তখন সাধারণ নিক্তির সাহায্যে তা পরিমাপ করা সম্ভব হয় না। 
- বস্তু বা পদার্থের ভর যত কম হবে, তার ভর পরিমাপের জন্য তত সুক্ষ্ম নিক্তির প্রয়োজন হবে। 
- এই রকম একটি নিক্তি হল তুলা যন্ত্র। 
- পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নের ল্যাবরেটরীতে খুব অল্প পরিমাণ নমুনার ভর পরিমাপ করতে এই যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
কোনটি অদিক রাশির উদাহরণ? 
  1. ওজন
  2. ত্বরণ
  3. সরণ
  4. তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
ভেক্টর: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। 
- আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি, 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।