পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন৯১
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।] ----------------- এক নজরে বিসিএসের সিলেবাস: ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য - ৩৫ নম্বর ২. English Language and Literature - ৩৫ নম্বর ৩. বাংলাদেশ বিষয়াবলি - ৩০ নম্বর ৪. আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - ২০ নম্বর ৫. ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা - ১০ নম্বর ৬. বিজ্ঞান ও কম্পিউটার-তথ্য প্রযুক্তি - ৩০ নম্বর ৭. গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা - ৩০ নম্বর ৮. নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন - ১০ নম্বর
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ৯১ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসের লেখকের রচনা?
  1. ক) সাদা হাওয়া
  2. খ) নয়াবসত
  3. গ) রামধনু
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
‘তিতাস একটি নদীর নাম’ সুবিখ্যাত উপন্যাসটির রচয়িতা অদ্বৈত মল্লবর্মণ। উপন্যাসটি ৪টি খণ্ডে রচিত।
• উপন্যাসটি প্রথম মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকায়, ১৩৫২ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়।
• উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে।
• এই উপন্যাসের মধ্যে অদ্বৈত মল্লবর্মণ তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সুগভীর অন্তর্দৃষ্টির বলে কুমিল্লা জেলার তিতাস নামক নদীরতীরের ধীবর সমাজের কাহিনিকে তুলে ধরেছেন।

তাঁর বিখ্যাত কয়েকটি গ্রন্থের নাম:
- নয়াবসত
- রামধনু
- সাদা হাওয়া ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
অতুলপ্রসাদ সেন রচিত গানের সঙ্কলনের নাম কী?
  1. ক) কয়েকটি গান
  2. খ) গীতরত্ন
  3. গ) আফতাব সঙ্গীত
  4. ঘ) কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ
ব্যাখ্যা
• অতুলপ্রসাদ সেন রচিত গানের সঙ্কলনের নাম 'কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ'
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে।
- অতুলপ্রসাদ সেন (১৮৭১-১৯৩৪) ছিলেন একজন কবি, গীতিকার ও গায়ক।
- তিনি বাংলা গানে সর্বপ্রথম ঠুমরি আমদানি করেন।
- তার রচিত গানের সংখ্যা প্রায় দুশটি।
- “মোদের গরব, মোদের আশা/ আ মরি বাংলা ভাষা” বিখ্যাত গানটিতে অতুলপ্রসাদের মাতৃভাষার প্রতি মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে।
- এ গান বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিদের মধ্যে অফুরন্ত প্রেরণা জুগিয়েছে। গানটির আবেদন আজও অম্লান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র-
  1. ক) ওসমান
  2. খ) হাসু
  3. গ) কুবের
  4. ঘ) রসু
সঠিক উত্তর:
ক) ওসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওসমান
ব্যাখ্যা
‘চিলেকোঠার সেপাই’ বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এর লেখা।
• এটি তার একটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস।
• তার অন্য আরেকটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস এর নাম খোয়াব নামা।
• ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই।
উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র ওসমান
• কোন বাড়ির চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে সেদিন মিলিত হয়েছিল ওসমান। জনজীবনের সমগ্রতাকে, বিশেষ করে গ্রাম ও শহরের সমস্ত মানুষকে ঔপন্যাসিক এ উপন্যাসে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিচের কোনটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়?
  1. ক) গায়ক
  2. খ) কাঁদন
  3. গ) নাচন
  4. ঘ) দোলনা
সঠিক উত্তর:
ক) গায়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গায়ক
ব্যাখ্যা
গায়ক = [√গৈ+ণক] সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।

কৃৎ প্রত্যয়: 
ক্রিয়া প্রকুৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ প্রত্যয়।
- যেমন: চল (ধাতু) + অন্ত = চলন্ত, কৃ (ধাতু) + তব্য = কর্তব্য

বাংলা ভাষায় দু ধরনের কৃৎ প্রত্যয়ের ব্যবহার আছে। যথা :
১. বাংলা কৃৎ প্রত্যয় ও
২. সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।

বাংলা কৃৎ প্রত্যয়:
বাংলার নিজস্ব অনেক ধাতু রয়েছে যেগুলো সংস্কৃত নয়। এসব ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে।
যেমন: √কাঁদ্+অন = কাঁদন, √নাচ্+অন = নাচন, √দুল্+অনা = দোলনা, √খেল্+অনা = খেলনা 

সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়:
ধাতুর সঙ্গে যে- সব সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের বলা হয় সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
যেমন: √ণী+ণক ˃ নৈ+অক = নায়ক, √গৈ+ণক = গায়ক, √কৃ+অনীয় = করণীয়, √রক্ষ+অনীয় = রক্ষণীয় 

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) জসীমউদ্দীন
  4. ঘ) জীবনানন্দ দাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) জীবনানন্দ দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জীবনানন্দ দাস
ব্যাখ্যা
‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা ধূসরতার কবি জীবনানন্দ দাশ

• জীবনানন্দ দাস ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে। 
• জীবনানন্দ দাশকে “ধূসরতার কবি” বলা হয়। ‘
• ধূসর পাণ্ডুলিপি’ (১৯৩৬) নামে একটি কাব্যগ্রন্থ আছে জীবনানন্দ দাশের। কিন্তু শুধু এ কারণেই তাঁকে ‘ধূসরতার কবি’ বলা হয়-তা নয়। তাঁর বহু কবিতায় হতাশা ও বিবর্ণের কথা আছে। তাঁর কবিতার চালচিত্রে আছে ধূসর বর্ণ। তাই জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় কবিতা বলেছেন।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
 - ঝরাপালক (প্রথম প্রকাশিত), 
- ধূসর পান্ডুলিপি, 
- বনলতা সেন, 
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহঃ
- মাল্যবান, 
- সুতীর্থ, 
- নিরুপম যাত্রা, 
- বিভা,
- জলপাইহাটি ইত্যাদি।

জীবনানন্দের ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়। এছাড়া জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে। ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি আরবি শব্দ?
  1. ক) আবহাওয়া
  2. খ) আসবাব
  3. গ) আয়না
  4. ঘ) আমেজ
সঠিক উত্তর:
খ) আসবাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আসবাব
ব্যাখ্যা
• আরবি শব্দ - আসবাব

• আরো কিছু আরবি শব্দ হলো :
আজান, আল্লাহ্, আদম, কোরান, ফকির, খাতা, খারাপ, নগদ, তবলা, আসামি, ইজ্জত, দৌলত, গজল, শহিদ, শুরু,  কাবাব, খারিজ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ।
.
‘ভালোমন্দ’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) দ্বন্দ্ব সমাস
  2. খ) তৎপুরুষ সমাস
  3. গ) কর্মধারয় সমাস
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব সমাস
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বন্দ্ব সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা
• সংযোজক অব্যয়ের লোপ পেয়ে এবং উভয় পদের (পুর্বপদ ও পরপদ) অর্থেরই প্রধান্য বজায় রেখে যে সমাস হয় তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: মাতা ও পিতা = মাতাপিতা; ভালো ও মন্দ = ভালোমন্দ ইত্যাদি।

• যে সমাসের পরপদের অর্থ প্রধান বলে বিবেচিত হয় এবং পূর্বপদের দ্বিতীয়াদি বিভক্তি লোপ পায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন: ধানের ক্ষেত = ধানখেত, ‍ভাতকে রাঁধা = ভাতরাঁধা ইত্যাদি।

• বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে বা বিশেষ্য ও বিশেষণ ভাবাপন্ন পদে যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম, যা কাঁচা তা-ই মিঠা = কাঁচামিঠা ইত্যাদি।   

• ‘অব্যয়ীভাব’ অর্থ অব্যয়ের ভাব বর্তমান। অব্যয় শব্দ পূর্বে বসে যে সমাস হয় এবং যেখানে পুর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। যেমন: কূলের সমীপে = উপকূল, দিন দিন = প্রতিদিন ইত্যাদি।   

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
বাক্যে ‘কমা’ থাকলে বিরতির সময়কাল কত?
  1. ক) ১ বলার দ্বিগুণ সময়
  2. খ) ১ বলতে যে সময় প্রয়োজন
  3. গ) এক সেকেন্ড
  4. ঘ) থামার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
খ) ১ বলতে যে সময় প্রয়োজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ বলতে যে সময় প্রয়োজন
ব্যাখ্যা
বিরাম চিহ্ন:
মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।

যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কাল:
১. কমা - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
২. সেমিকোলন - ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
৩. দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ - এক সেকেন্ড।
৪. প্রশ্নবোধক চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
৫. বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
৬. কোলন - এক সেকেন্ড।
৭. ড্যাস - এক সেকেন্ড।
৮. কোলন ড্যাস - এক সেকেন্ড।
৯. হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
১০. ইলেক বা লোপ চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
১১. একক উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১২. যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১৩. বন্ধনি চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
১৪. ধাতু দ্যোতক চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ক) আবুল হাসান
  2. খ) আবু ইসহাক
  3. গ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  4. ঘ) আবুল হাসান
সঠিক উত্তর:
খ) আবু ইসহাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবু ইসহাক
ব্যাখ্যা
• 'সূর্য দীঘল বাড়ী' আবু ইসহাক রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস
- ১৯৫৫সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের গ্রাম জীবনের বিশ্বস্ত দলিল এই গ্রন্থ।
- বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি রচনা করেন 'সূর্য দীঘল বাড়ী'
- জয়গুন এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
- উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র: হাসু, মায়মুন, শাফি, ডা. রমেশ চক্রবর্তী, মোরল গদু ইত্যাদি।
 
• কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাক রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল,

গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
What is the antonym of the word 'Cognizant'?
  1. ক) Mindful
  2. খ) Conscious
  3. গ) Informed
  4. ঘ) Ignorant
সঠিক উত্তর:
ঘ) Ignorant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Ignorant
ব্যাখ্যা
Cognizant (adjective)

English Meaning: having knowledge or understanding of something.
Bangla Meaning: জ্ঞাত; অবগত 

Synonyms: Conscious (সচেতন), Informed (জ্ঞাত), acquainted(সুপরিচিত), Aware (সচেতন), Mindful (মননশীল)। 
Antonyms: Ignorant (অজ্ঞাত), Unaware (বেখবর), Unfamiliar (অপরিচিত), Strangers (অপরিচিত), Incognizant (অজ্ঞাত)। 

Other Forms:
- Cognizance (noun) [uncountable noun] 
(১) (আইন সম্বন্ধীয়) (কোনো কিছু সম্বন্ধে) অবগতি; সচেতন জ্ঞান।
take cognizance of আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত হওয়া।
(২) কোনো বিষয়ে আদালতে বিচারের অধিকার।
fall within/go beyond one’s cognizance কারো এক্তিয়ারের মধ্যে থাকা/এক্তিয়ার বহির্ভূত হওয়া।

Example Sentence: 
1. He refused to embrace any of the fashionable nostrums then current in development economics.
2. He was cognizant of his opponent's hostility.

Source: Live MCQ Lecture.
১১.
What is the noun form of 'Rescind?
  1. ক) Rescind
  2. খ) Rescindment
  3. গ) Rescindation
  4. ঘ) Rescindent
সঠিক উত্তর:
খ) Rescindment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Rescindment
ব্যাখ্যা
Rescind (verb transitive)

English Meaning: To make a law, order, or decision no longer have any legal effect.
Bangla Meaning: (আইন, চুক্তি ইত্যাদি) বাতিল করা।

Synonyms: Cancel (বাতিল/রদ করা), Overrule (বাতিল বা খারিজ করা), Invalidate (অকার্যকর করা), Abandon (পরিত্যাগ করা), Abort (বাতিল করা)। 
Antonyms: Enforce (কার্যকর করা), Enact (আইন পাস করা), Uphold (বহাল রাখা), Validate (যাচাই করা), Implement (বাস্তবায়ন করা)। 

• Other Forms: 
- Rescinder (noun)
- Rescindment (noun)

Example Sentence: 
1. The government eventually rescinded the directive
2. The navy rescinded its ban on women sailors.

Source: Live MCQ Lecturer.
১২.
An implicit comparison between two different things is called -
  1. ক) Simile
  2. খ) Hyperbole
  3. গ) Metaphor
  4. ঘ) Irony
সঠিক উত্তর:
গ) Metaphor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Metaphor
ব্যাখ্যা
• Metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।

• Metaphor এর আরো কিছু উদাহরণ হল - 
- Life is but a walking shadow.
- "She's all states, and all princes, I"
- "Revenge is a wild justice.
- All the world's a stage, And all the men and women merely players.

অন্যদিকে,
• Simile - A simile is an explicit comparison between two different things.
• Irony - A statement or a situation or an action which actually means the opposite of its surface meaning.
• Hyperbole - An exaggerated statement or an extreme overstatement।

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.
১৩.
She passed away from cancer. Here the underlined phrase is a/an -
  1. ক) Verb Phrase
  2. খ) Adverbial Phrase
  3. গ) Prepositional Phrase
  4. ঘ) Phrasal Verb
সঠিক উত্তর:
ঘ) Phrasal Verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Phrasal Verb
ব্যাখ্যা
• She passed away from cancer. Here the underlined phrase is a/an - Phrasal Verb.
• Phrasal Verb:
- বাক্যে Verb + preposition/adverb থাকলে সেটা Phrasal Verb হয়।
- যেমন - look down upon, give up, look after.
- তাই এখানে Phrasal Verb (verb + preposition) হচ্ছে phrasal verb.

• অন্যদিকে,
• Verb Phrase:
- যে phrase - verb এর কাজ করে সেটি Verb Phrase.
-A verb phrase consists of a main verb alone, or a main verb plus any modal and/or auxiliary verbs.
- The main verb always comes last in the verb phrase

• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারনত বাক্যকে কখন ( when), কোথায় ( where), কেন( why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটি Advrbial phrase.

• Prepositional Phrase:
- Prepositional Phrase - Preposition দিয়ে শুরু হয়, কিন্তু Adjective Phrase বা Adverb Phrase এর মতো কাজ করে। যেমন -
- A man of high intellect often feels lonely. (Prepositional Phrase/ Adjective Phrase)
- He went there with a jolly mind. (Prepositional Phrase/ Adverb Phrase)
১৪.
Pay careful attention to what I am going to say. Here the underlined part is a/an -
  1. ক) Noun clause
  2. খ) Adjective clause
  3. গ) Adverb clause
  4. ঘ) None of them
সঠিক উত্তর:
ক) Noun clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Noun clause
ব্যাখ্যা
• Pay careful attention to what I am going to say. Here the underlined part is a - Noun clause.

• A noun clause is a group of words that band together and act like a noun.
- Nouns clauses are used when a single word isn't enough.
- They're always dependent clauses.

• একটি বাক্যের চারটি স্থানে Noun clause  বসতে পারে-
1. subject হিসাবে 
2. transitive verb এর object হিসেবে
3. Linking verb এরপরে complement হিসাবে 
4. Preposition এর Object হিসেবে।
- প্রদত্ত বাক্যে ' what I am going to say' clause টি Preposition to এর পর বসাতে এটি Noun clause.
১৫.
You have no right to do it. Here 'right' is a/an-
  1. ক) noun
  2. খ) pronoun
  3. গ) verb
  4. ঘ) adjective
সঠিক উত্তর:
ক) noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) noun
ব্যাখ্যা
- Article এবং preposition এর মধ্যকার wordটি Noun হয়।
- আবার এর মাঝখানে দুইটি word থাকলে শেষেরটি noun আর পূর্বেরটি Adjective হবে।
- আবার যদি এদের মাঝখানে তিনটি শব্দ থাকে তাহলে প্রথমটি Adverb, দ্বিতীয়টি Adjective এবং তৃতীয়টি noun।
- প্রদত্ত বাক্যে no একটি Determiner, এর পর মাত্র একটি শব্দ এবং এরপর preposition থাকায় এটি noun হবে।
১৬.
Maria is engaged ___ Fahim.
  1. ক) with
  2. খ) to
  3. গ) by
  4. ঘ) of
সঠিক উত্তর:
খ) to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) to
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর - to.
- Be engaged to somebody অর্থ বাগদান করা।
- বাগদান করা অর্থে engaged এরপর appropriate preposition হিসাবে to বসে।
- Complete Sentence: Maria is engaged to Fahim.
১৭.
'Alexandre Manette' and 'Chrales Darnay' are the characters of Charles Dicken's -
  1. ক) Oliver Twist
  2. খ) Great Expectation
  3. গ) A Tale of Two Cities
  4. ঘ) David Copperfield
সঠিক উত্তর:
গ) A Tale of Two Cities
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) A Tale of Two Cities
ব্যাখ্যা
• 'Alexandre Manette' and 'Chrales Darnay' are the characters of Charles Dicken's -- 'A Tale of Two Cities'.
- এই Novel টিতে দুইটি city কে ঘিরে কাহিনী গড়ে উঠেছে - এগুলো হচ্ছে London and Paris.
- এইটি একটি Historical Novel. 
-  The story is set in the late 18th century against the background of the French Revolution.
- The French Revolution, for his sprawling tale of London and revolutionary Paris, the novel offers more drama than accuracy.

• এই novel এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ - 
- Sydne Carton
- Lucie Manette
- Chrales Darnay
- Dr. Alexandre Manette
- Madame Defarge.

Source: Britannica.
১৮.
Twenty miles _____ a long distance to walk.
  1. ক) are
  2. খ) were
  3. গ) have
  4. ঘ) is
সঠিক উত্তর:
ঘ) is
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) is
ব্যাখ্যা
• Five years / Ten thousand dollars / Twenty miles ইত্যাদি যদি একক time, money, distance কে বুঝায় তাহলে সেটি সবসময় singular হয়।
- তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - is.
- সম্পূর্ন বাক্যটি হবে - Twenty miles is a long distance to walk.
১৯.
As soon as I came in, she _____ the room.
  1. ক) leave
  2. খ) left
  3. গ) had left
  4. ঘ) had been left
সঠিক উত্তর:
খ) left
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) left
ব্যাখ্যা
• As soon as এর পূর্বে ও পরের tense একই হয়।
- অর্থাৎ, as soon as এর পূর্বের অংশ past indefinite tense হলে পরের অংশ ও past indefinite tense হবে।
- প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যের প্রথম অংশ past indefinite এ আছে, তাই এরপরের অংশেও  past indefinite tense হবে।
- তাই, নিয়মানুযায়ী, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - left.
- Complete Sentence: As soon as I came in, she left room.
২০.
_____ Tajin Dong is the highest peak in Bangladesh.
  1. ক) The
  2. খ) a
  3. গ) an
  4. ঘ) Zero article
সঠিক উত্তর:
ঘ) Zero article
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Zero article
ব্যাখ্যা
• সাধারণত পর্বতমালার নামের পূর্বে article হিসাবে the বসে।
যেমনঃ The Himalayas, The Bindhays ইত্যাদি।

• কিন্তু একটিমাত্র পর্বত বা পর্বতশৃঙ্গ এর নামের পূর্বে কোনো article বসে না।
- যেহেতু  Tajin Dong একটি মাত্র পর্বতশৃঙ্গের নাম সুতরাং এর পূর্বে কোন article বসবে না।
- সঠিক উত্তর হবে - Zero article.
২১.
T.S Eliot belongs to -
  1. ক) The Victorian period
  2. খ) The Neo-Classical Period
  3. গ) The Modern Period
  4. ঘ) The Renaissance Period
সঠিক উত্তর:
গ) The Modern Period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) The Modern Period
ব্যাখ্যা
• T.S Eliot belongs to - The Modern Period.
• T. S. Eliot (Thomas Stearns Eliot)
-  He was born in  September 26, 1888, St. Louis, Missouri, U.S.
- ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান।
- Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়।
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Best works:
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- Ash Wednesday etc.
• His well known plays:
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Trail of a Judge etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman and Nobelprize.com
২২.
দুইটি ধনাত্মক সংখ্যার ল.সা.গু ও গ.সা.গু এর গুণফল ২৪। সংখ্যা দুইটির পার্থক্য ২। বড় সংখ্যাটি কত? 
  1. ক) 6
  2. খ) 8
  3. গ) 10
  4. ঘ) 12
সঠিক উত্তর:
ক) 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি ধনাত্মক সংখ্যার ল.সা.গু ও গ.সা.গু এর গুণফল ২৪। সংখ্যা দুইটির পার্থক্য ২। বড় সংখ্যাটি কত? 

সমাধান: 
ধরি,
সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে x ও (x + 2)

প্রশ্নমতে,
দুইটি সংখ্যার গুণফল = এদের ল. সা .গু × গ. সা .গু
বা, x(x + 2) = 24
বা, x2 + 2x - 24 = 0
বা, x2 + 6x - 4x - 24 = 0
বা, x(x + 6) - 4 ( x + 6) = 0
বা, (x + 6)(x - 4) = ০
∴ x = - 6 , 4

ছোট সংখ্যাটি = 4 
বড় সংখ্যাটি = 4 + 2 = 6

২৩.
সুমনের বেতন রহিমের বেতনের ১৮০%। লিটনের বেতন লিজার বেতনের ৬০% । লিজার বেতন রহিমের বেতনের দ্বিগুণ। সুমন এবং লিটনের বেতনের অনুপাত কত?
  1. ক) ৫ : ৩
  2. খ) ৩ : ৪
  3. গ) ৪ : ৫
  4. ঘ) ৩ : ২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩ : ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩ : ২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সুমনের বেতন রহিমের বেতনের ১৮০%। লিটনের বেতন লিজার বেতনের ৬০% । লিজার বেতন রহিমের বেতনের দ্বিগুণ। সুমন এবং লিটনের বেতনের অনুপাত কত?

সমাধান: 
ধরি 
রহিমের বেতন = ১০০ টাকা 
সুমনের বেতন = ১০০ এর ১৮০%
=১০০ এর ১৮০/১০০
= ১৮০ টাকা 

 লিজার বেতন = ২০০ টাকা 
 লিটনের বেতন = ২০০ এর ৬০%
= ২০০ এর ৬০/১০০
= ১২০ 

সুমন এবং লিটনের বেতনের অনুপাত = ১৮০ : ১২০ 
= ৩ : ২
২৪.
একই হার মুনাফায় কোনো আসল ৪ বছরে মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হলে, কত বছরে তা মুনাফা-আসলে চারগুণ হবে ?
  1. ক) ১২ বছর
  2. খ) ৮ বছর
  3. গ) ১৬ বছর
  4. ঘ) ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
ক) ১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১২ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একই হার মুনাফায় কোনো আসল ৪ বছরে মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হলে, কত বছরে তা মুনাফা-আসলে চারগুণ হবে ?

সমাধান: 
মনে করি,
আসল = ১০০টাকা
১০০ টাকা ৪ বছরে সুদে আসলে দ্বিগুণ অর্থাৎ ২০০ টাকা
৪ বছরে সুদ = (২০০ - ১০০)টাকা = ১০০ টাকা 

সুদে -আসলে = ১০০ × ৪ = ৪০০ টাকা
সুদ = (৪০০ - ১০০)টাকা = ৩০০ টাকা 

১০০ টাকা সুদ হয় ৪ বছরে 
১ টাকা সুদ হয় ৪/১০০ বছরে 
৩০০ টাকা সুদ হয় ৪ × ৩০০/১০০ বছরে 
= ১২ বছরে
২৫.
A ও B যথাক্রমে 24 ও 36 এর গুণনীয়ক সেট হলে, n(A ∩ B) এর মান কত?
  1. ক) 4
  2. খ) 6
  3. গ) 8
  4. ঘ) 10
সঠিক উত্তর:
খ) 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A ও B যথাক্রমে 24 ও 36 এর গুণনীয়ক সেট হলে, n(A ∩ B) এর মান কত?

সমাধান: 
24 এর গুণনীয়ক = 1, 2, 3, 4, 6, 8, 12, 24
36 এর গুণনীয়ক  = 1, 2, 3, 4, 6, 9,12,18, 36

A ={1, 2, 3, 4, 6, 8, 12, 24}
B ={1, 2, 3, 4, 6, 9,12,18, 36}

A ∩ B = {1, 2, 3, 4, 6, 8, 12, 24} ∩ {1, 2, 3, 4, 6, 9,12,18, 36}
            = {1, 2, 3, 4, 6,12}
n(A ∩ B) = 6
২৬.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 36√3 বর্গ সে.মি.। ত্রিভুজের পরিসীমা কত? 
  1. ক) 12 সে.মি.
  2. খ) 18 সে.মি.
  3. গ) 36 সে.মি.
  4. ঘ) 24 সে.মি.
সঠিক উত্তর:
গ) 36 সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 36 সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 36√3 বর্গ সে.মি.। ত্রিভুজের পরিসীমা কত? 

সমাধান: 
দেয়া আছে
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 36√3 বর্গ সে.মি

আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4)(বাহু)2
এখন 
(√3/4)(বাহু)2 =  36√3
(1/4)(বাহু)2 = 36
(বাহু)2 = 36 × 4
(বাহু)2 = 144
বাহু = 12

ত্রিভুজের পরিসীমা = 12 + 12 + 12 = 36 সে.মি.
২৭.
4b2 + 1/b2 = 2 হলে 8b3 + 1/b3 এর মান কত?
  1. ক) 0
  2. খ) 6√6
  3. গ) √6
  4. ঘ) 6
সঠিক উত্তর:
ক) 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4b2 + 1/b2 = 2 হলে 8b3 + 1/b3 এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
4b2 + 1/b2 = 2
(2b)2 + (1/b)2 = 2
(2b + 1/b)2 - 2.2b.(1/b) = 2
(2b + 1/b)2 - 4 = 2
(2b + 1/b)2 = 6
(2b + 1/b) = √6

8b3 + 1/b3 = (2b)3 + (1/b)3
=(2b + 1/b)3 - 3.2b(1/b)(2b + 1/b)
= (√6)3 - 6√6
= 6√6 - 6√6
= 0

২৮.
যদি একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল এবং পরিধি সমান হয়, তাহলে বৃত্তের ব্যাস কত?
  1. ক) 2 একক 
  2. খ) 4 একক 
  3. গ) 6 একক 
  4. ঘ) 8 একক 
সঠিক উত্তর:
খ) 4 একক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 4 একক 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল এবং পরিধি সমান হয়, তাহলে বৃত্তের ব্যাস কত?

সমাধান:
মনে করি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r

তাহলে, 
বৃত্তের পরিধি = 2πr
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2

প্রশ্নমতে,
2πr = πr2
⇒ 2r = r2
⇒  r = 2

বৃত্তের ব্যাস = 2 × 2 = 4 একক
২৯.
একটি সমান্তর অনুক্রমের সাধারণ অন্তর 4 এবং 9তম পদটি 37 হলে 20 তম পদটি কত ?
  1. ক) 81
  2. খ) 85
  3. গ) 77
  4. ঘ) 89
সঠিক উত্তর:
ক) 81
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 81
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমান্তর অনুক্রমের সাধারণ অন্তর 4 এবং 9তম পদটি 37 হলে 20 তম পদটি কত ?

সমাধান: 
ধরি 
 সমান্তর অনুক্রমের প্রথম পদ a এবং
        সাধারণ অন্তর d 

আমরা জানি,
n তম পদ = a + (n-1)d 

এখানে, 9তম পদ 37
সুতরাং a + (9 - 1)×4= 37
        বা, a + 32 = 37
             a = 5

সুতরাং, 20তম পদ = 5 + (20 - 1)× 4
                               = 5 + 76
                               = 81
৩০.
- 11x + 30 + x2 < 0 হলে, অসমতাটির সমাধান কত?
  1. ক) 4 < x < 5
  2. খ) 2 < x < 6
  3. গ) 5 < x < 8
  4. ঘ) 5 < x < 6
সঠিক উত্তর:
ঘ) 5 < x < 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 5 < x < 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:  - 11x + 30 + x2 < 0 হলে, অসমতাটির সমাধান কত?

সমাধান:
- 11x + 30 + x2 < 0
x2 - 11x + 30 < 0
x2 - 5x - 6x + 30< 0
x(x - 5) - 6 (x - 5) < 0
∴ (x - 5)(x - 6) < 0

x2 - 11x + 30 < 0 সত্য হবে যদি x - 5 < 0 এবং x - 6 > 0 হয়।
এখন, x - 5 < 0 এবং x - 6 > 0
অর্থাৎ,  x <5 এবং x > 6
5 এর চেয়ে ছোট এবং 6 এর চেয়ে বড় x এর কোন মান নাই।
এক্ষেত্রে অসমতাটির কোন সমাধান পাওয়া যাবে না।

আবার,
x2 - 11x + 30 < 0  সত্য হবে যদি x - 4 > 0 এবং x - 6 < 0 হয়।
এখন,  x - 5 > 0 এবং x - 6 < 0
অর্থাৎ x > 5 এবং x <6
x এর মান 5 এর চেয়ে বড় এবং 6 এর চেয়ে ছোট।
সুতরাং অসমতাটির সমাধান পাওয়া যাবে.  

সুতরাং নির্ণেয় সমাধানঃ 5 < x < 6
৩১.
x3 - x + 24 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?
  1. ক) (x + 2)
  2. খ) (x + 4)
  3. গ) (x + 3)
  4. ঘ) (x + 5)
সঠিক উত্তর:
গ) (x + 3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) (x + 3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x3 - x + 24 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?

সমাধান: 
ধরি,
f(x) = x3 - x + 24 
f(- 3) = (- 3)3 - (- 3) + 24 
f( - 3) =- 27 + 27 
      = 0
(x + 3) হলো x3 - x + 24 এর একটি উৎপাদক। 
৩২.
রাজীবের 5 জন বন্ধু আছে। সে এক বা একাধিক বন্ধুকে কত উপায়ে প্রীতিভোজে নিমন্ত্রণ করতে পারে?
  1. ক) 28
  2. খ) 16
  3. গ) 31
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) 31
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 31
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: রাজীবের 5 জন বন্ধু আছে। সে এক বা একাধিক বন্ধুকে কত উপায়ে প্রীতিভোজে নিমন্ত্রণ করতে পারে?

সমাধান: 
1 জনকে নিমন্ত্রণ করতে চাইলে তিনি 5C1 উপায়ে করতে পারেন। 
2 জনকে নিমন্ত্রণ করতে চাইলে তিনি 5C2 উপায়ে করতে পারেন। 
3 জনকে নিমন্ত্রণ করতে চাইলে তিনি 5C3 উপায়ে করতে পারেন। 
4 জনকে নিমন্ত্রণ করতে চাইলে তিনি 5C4 উপায়ে করতে পারেন। 
5 জনকে নিমন্ত্রণ করতে চাইলে তিনি 5C5 উপায়ে করতে পারেন। 
 
মোট উপায় সংখ্যা = 5C1 + 5C2+  5C3 + 5C4 + 5C5
                             = 5 + 10 + 10 + 5 + 1 
                              = 31
৩৩.
∠x ও ∠y পরস্পর সম্পূরক কোণ। ∠x = 80° হলে, ∠y এর অর্ধেক কত?
  1. ক) 50°
  2. খ) 100°
  3. গ) 80°
  4. ঘ) 130°
সঠিক উত্তর:
ক) 50°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 50°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ∠x ও ∠y পরস্পর সম্পূরক কোণ। ∠x = 80° হলে, ∠y এর অর্ধেক কত?

সমাধান:
দুইটি কোনের সমষ্টি 180° হলে,  কোণ দুইটি একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।
∠x ও ∠y পরস্পর সম্পূরক কোণ
∠x + ∠y = 180°
80° + ∠y = 180°
 ∠y =180° - 80°
 ∠y = 100°
 ∠y এর অর্ধেক = 100°/2 = 50°
৩৪.
একটি কাজ করতে A, B এর থেকে ৫ দিন বেশি সময় নেয় এবং  C এর থেকে ৯ দিন বেশি সময় নেয়, A এবং B একসাথে C এর সমান কাজ করতে পারে। A এর কাজটি করতে কত দিন সময় লাগবে? 
  1. ক) 10 দিনে
  2. খ) 15 দিনে
  3. গ) 6 দিনে
  4. ঘ) 12 দিনে
সঠিক উত্তর:
খ) 15 দিনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 15 দিনে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কাজ করতে A, B এর থেকে ৫ দিন বেশি সময় নেয় এবং  C এর থেকে ৯ দিন বেশি সময় নেয়, A এবং B একসাথে C এর সমান কাজ করতে পারে। A এর কাজটি করতে কত দিন সময় লাগবে? 

ধরি 
A কাজটি করতে পারে x দিনে 
B কাজটি করতে পারে x - 5 দিনে 
C  কাজটি করতে পারে x - 9 দিনে 

A 1 দিনে করতে পারে কাজটির 1/x অংশ 
B 1 দিনে করতে পারে কাজটির 1/(x - 5) অংশ 
C 1 দিনে করতে পারে কাজটির 1/(x - 9) অংশ

প্রশ্নমতে 
1/x + 1/(x - 5) = 1/(x - 9)
(x - 5 + x)/{x(x - 5)} = 1/(x - 9)
2x - 5/x2 - 5x = 1/(x - 9)
x2 - 5x = (2x - 5)(x - 9)
x2 - 5x= 2x2 - 5x - 18x + 45
x2 - 18x + 45 = 0
x - 3x - 15x + 45 = 0
x(x - 3) - 15(x - 3) = 0
(x - 3)(x - 15 ) = 0
x = 3, 15 

A কাজটি করতে পারে 15 দিনে 
3 গ্রহণ যোগ্য নয়, কারণ 3 গ্রহণ করলে B ও C এর কাজের দিন ঋণাত্মক চলে আসে। 

৩৫.
কোন ধাতু তার পূর্বের আকৃতি (Shape) মনে রাখতে পারে?
  1. ক) লোহা
  2. খ) নাইটিনল
  3. গ) ব্রোঞ্জ
  4. ঘ) টেফলন
সঠিক উত্তর:
খ) নাইটিনল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইটিনল
ব্যাখ্যা
নাইটিনল
- নাইটিনল একটি সংকর ধাতু যা নিকেল ও টাইটেনিয়ামের মিশ্রণে তৈরি একটি এলয়।
- এতে ৫৫% নিকেল এবং ৪৫% টাইটেনিয়াম রয়েছে।
- এটি অধিক স্থিতিস্থাপক ধাতু।
- নাইটিনলকে তাপ দিলে পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে।
- এটি তার পূর্বের আকৃতি মনে রাখতে পারে।
- এটি এমন এক ধরনের ধাতু যাকে বিকৃতির পর পূর্বের আকৃতিতে খুব সহজেই ফিরিয়ে আনা যায়।
- তা একে বলা হয় শেপ মেমরি এলয় (Shape Memory Alloy).
৩৬.
সালোকসংশ্লেষণের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
  2. খ) উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
  3. গ) পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
  4. ঘ) স্থলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার জলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার জলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার জলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩. উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩৭.
উদ্ভিদ হরমোনকে কী বলা হয়?
  1. ক) প্ল্যান্টহরমোন
  2. খ) ফাইটোহরমোন
  3. গ) সাইটোহরমোন
  4. ঘ) ফটোহরমোন
সঠিক উত্তর:
খ) ফাইটোহরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফাইটোহরমোন
ব্যাখ্যা
ফাইটোহরমোন
- যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদদেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন বা প্রাণরস বলে।
- উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন বলা হয়। 
- যেমন: অক্সিন (Auxin), জিবেরেলিন (Gibberellin), সাইটোকাইনিন (Cytokinin), অ্যাবসিসিক এসিড (Abscisic acid), ইথিলিন (Ethylene) ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
৩৮.
নিচের কোনটি হৃদরোগ ?
  1. ক) প্যরালাইসিস
  2. খ) এপিলেপসি
  3. গ) এনজাইনা
  4. ঘ) পারকিনসন
সঠিক উত্তর:
গ) এনজাইনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এনজাইনা
ব্যাখ্যা
- স্ট্রোক, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, পারকিনসন'স ডিজিজ, আলঝেইমার'স ডিজিজ, GBS, মেনিনজাইটিস, এপিলেপসি প্রভৃতি স্নায়ুরোগ হিসাবে পরিচিত।
- হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর, উচ্চ রক্তচাপ, এনজাইনা, মায়োকার্ডাইটিস, এন্ডোকার্ডাইটিস ইত্যাদি হৃদরোগ হিসাবে পরিচিত।
- নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, সিওপিডি, ব্রঙ্কিয়েকটেসিস ইত্যাদি ফুসফুসের রোগ হিসাবে পরিচিত।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৩৯.
পৃথিবীর প্রায় কত শতাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) এক-চতুর্থাংশ
  2. খ) দুই-চতুর্থাংশ
  3. গ) দুই-তৃতীয়াংশ
  4. ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়। 

বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন:
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

সূত্র:
১. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ভূগোল প্রথম পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
'জেমস ওয়েব' একটি -
  1. ক) নভোযান
  2. খ) টেলিস্কোপ
  3. গ) ধূমকেতু
  4. ঘ) স্টেরয়েড
সঠিক উত্তর:
খ) টেলিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টেলিস্কোপ
ব্যাখ্যা
জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ:
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (NASA) মহাকাশে ইতিহাসের বৃহত্তম টেলিস্কোপ পাঠায় (২২ ডিসেম্বর, ২০২১)। 

- টেলিস্কোপটির নাম ‘দ্য জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ' (James Webb Space Telescope)। 
- নাসার সঙ্গে টেলিস্কোপটি তৈরিতে সাহায্য করেছে ইউরোপিয়ান এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি। 
- ১৯৯৭ সালে প্রথম টেলিস্কোপটির ওপর কাজ শুরু হয়। 
- পৃথিবী থেকে ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে এ অবলোহিত রশ্মির টেলিস্কোপটিকে বসানো হবে।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
৪১.
একটি আদর্শ খাদ্য পিরামিডের সর্ব নিম্নস্তরে রয়েছে -
  1. ক) শর্করা
  2. খ) আমিষ
  3. গ) ভিটামিন
  4. ঘ) স্নেহ
সঠিক উত্তর:
ক) শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শর্করা
ব্যাখ্যা
আদর্শ খাদ্য পিরামিড
- যে কোনো একটি সুষম খাদ্য তালিকায় শর্করার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- শর্করাকে নিচু স্তরেরেখে পর্যায়ক্রমে পরিমাণগত দিক বিবেচনা করে শাকসবজি, ফল-মূল, আমিষ, স্নেহ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যকে সাজালে যে কাল্পনিক পিরামিড তৈরি হয় তাকে আদর্শ খাদ্য পিরামিড বলে।
- পিরামিডের শীর্ষে রয়েছে স্নেহ বা চর্বি জাতীয় খাদ্য আর সর্ব নিম্নস্তরে রয়েছে শর্করা।


উৎস:
১. জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
২. জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যাল
৪২.
সর্বপ্রথম কম্পিউটার এবং ভিডিও কনফারেন্সিংকে সমন্বিত করে পূর্নাঙ্গভাবে উভমূখী যোগাযোগ প্রক্রিয়া হিসাবে ইন্টারনেটের সাথে সম্পৃক্ত করেন কে?
  1. ক) লজি বেয়ার্ড
  2. খ) ডগ এঙ্গেলবার্ট
  3. গ) মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. ঘ) পিটার মারহোলজ
সঠিক উত্তর:
খ) ডগ এঙ্গেলবার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডগ এঙ্গেলবার্ট
ব্যাখ্যা
ভিডিও কনফারেন্সিং
- কমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে।
- টেলিকনফারেন্সিং এর মতোই ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারীরা কথোপকথন করতে পারে। 
- সর্বপ্রথম  ১৯২০ সালে ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম উন্নয়ন করেন লজি বেয়ার্ড ও টি এন্ড টি এর বেল ল্যাব।
- ১৯২৭ সালে পরীক্ষামূলক ব্যবহারের পর থেকে অদ্যবদি এর উন্নয়ন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
- ১৯৬৮ সালে সর্বপ্রথম ডগ এঙ্গেলবার্ট কম্পিউটার এবং ভিডিও কনফারেন্সিংকে সমন্বিত করে পূর্নাঙ্গভাবে উভমূখী যোগাযোগ প্রক্রিয়া হিসাবে ইন্টারনেটের সাথে সম্পৃক্ত করেন। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪৩.
'HarmonyOS' অপারেটিং সিস্টেম কোন প্রতিষ্ঠান উদ্ভাবন করেছে?
  1. ক) হুয়াওয়েই
  2. খ) গুগল
  3. গ) মাইক্রোসফট
  4. ঘ) অ্যাপল
সঠিক উত্তর:
ক) হুয়াওয়েই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হুয়াওয়েই
ব্যাখ্যা
iOS: আইফোনে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে iOS. এর উদ্ভাবক হচ্ছে অ্যাপল।
Android: বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে Android। বর্তমানে এটি গুগলের মালিকাধীন।
Symbian: মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, বর্তমানে এর প্রচলন কম।
HarmonyOS: যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক চায়নিজ টেক জায়ান্ট হুয়াওয়েই (Huawei) ব্যান করার পর হুয়াওয়েই তাদের স্মার্টোফোনে গুগলের এন্ড্রয়েড  অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারছে না। ফলশ্রুতিতে  হুয়াওয়েই HarmonyOS নামক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করে।
৪৪.
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক উদ্ভাবিত নতুন ডিজিটাল আর্থিক সেবা 'বিনিময়' কোন ধরণের প্লাটফর্ম?
  1. ক) NPSB
  2. খ) BEFTN
  3. গ) IDTP
  4. ঘ) RGTS
সঠিক উত্তর:
গ) IDTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) IDTP
ব্যাখ্যা
বিনিময়
- ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও  পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এর মধ্যে আন্তঃলেনদেন সেবার নাম ‘বিনিময়’।
- তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে বিনিময়।
- এ সেবার মাধ্যমে বিকাশ থেকে রকেটে অথবা উপায় থেকে এমক্যাশে বা বিকাশে কিংবা ব্যাংকে তাৎক্ষণিক লেনদেন করা যাবে একটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে।
- ভারতের ইউপিআই (Unified Payments Interface - UPI) এর আদলে তৈরি হয়েছে দেশের Interoperable Digital Transaction Platform (IDTP), যা বিনিময় নামে পরিচিত হবে।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৩ নভেম্বর ২০২২ এ।

সূত্র:
১. বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
২. জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র
৪৫.
'HSPA' বাস্তবায়ন হয় মোবাইল প্রযুক্তির কোন প্রজন্মে?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য়
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য
১. ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য সার্কিট সুইচিংয়ের বদলে প্যাকেট সুইচিংয়ের প্রবর্তন।
২. ভয়েস ও ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার।
৩. সেল সিগন্যাল এনকোডিং বা চ্যানেল একসেস পদ্ধতি হলো TD-CDMA
৪. উচ্চগতির ডেটা স্থানান্তর (2 Mbps বা অধিক) এবং আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা ।
5. WCDMA, CDMA, HSPA, HSDPA, UMTS প্রযুক্তির ব্যবহার বিকাশ লাভ।
৬. এর ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps-এর বেশি। খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান-প্রদান করা যায় এবং ভিডিও কলের প্রচলন শুরু।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৬.
নিচের কোনটি CAN নেটওয়ার্কের উদাহরণ?
  1. ক) ব্লুটুথ নেটওয়ার্ক
  2. খ) বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নেটওয়ার্ক
  3. গ) ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক
  4. ঘ) ইন্টারনেট
সঠিক উত্তর:
খ) বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক (Campus Area Network - CAN)
- সাধারণত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের দুই বা ততোধিক LAN কে সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠে তাকে ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক বা CAN বলে।
- উদাহরণস্বরূপ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের কথা ধরা যাক। একাডেমিক ভবনের ল্যান, প্রশাসনিক ভবনের ল্যান, বিভিন্ন বিভাগের ল্যান, হলের ল্যান ইত্যাদি একত্রে সংযুক্ত হয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক গঠিত হয়েছে।
- এছাড়া Googleplex, মাইক্রোসফটের নেটওয়ার্ক প্রভৃতিও CAN এর উদাহরণ।
- ক্যানের (CAN) বিস্তৃতি ৫ কিলোমিটারের মধ্যে হতে পারে যা ল্যান থেকে বড় কিন্তু ম্যান থেকে ছোট।
- বড় প্রতিষ্ঠান বা এন্টারপ্রাইজের একাধিক ভবনের ল্যান ব্যবহারকারীদের কাজের সম্বন্বয়ের জন্য কিংবা মূল্যবান কোন ডিভাইস শেয়ার করার জন্য কর্পোরেট এরিয়া নেটওয়ার্ক (Corporate Area Network - CAN) তৈরি করা হয় যা অনেকটা ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের অনুরূপ।

Googleplex

[The Googleplex is the corporate headquarters complex of Google and its parent company, Alphabet Inc. It is located at 1600 Amphitheatre Parkway in Mountain View, California]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. https://www.google.com

৪৭.
ধনাত্মক সংখ্যার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বিট হলো -
  1. ক) 0
  2. খ) 1
  3. গ) - 1
  4. ঘ) 2
সঠিক উত্তর:
ক) 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0
ব্যাখ্যা
সাইনড নম্বর (Signed Number)
- দশমিক সংখ্যায় ঋণাত্মক কোন মান বোঝাতে সংখ্যাটির পার্শ্বে ‘-’ চিহ্ন দেওয়া হয়। কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা বোঝানোর কোন অবকাশ নাই।
- বাইনারি পদ্ধতিতে সাইন বা চিহ্ন বোঝানোর জন্য সাধারণত একটি অতিরিক্ত বিট ব্যবহার করা হয়। একে চিহ্ন বিট বলে।
- এই চিহ্ন বিট 0 হলে সংখ্যাটিকে ধনাত্মক এবং 1 হলে সংখ্যাটিকে ঋণাত্মক ধরা হয়।
- ১ বাইটে বা ৮ বিট রেজিস্টারে যে সকল চিহ্নযুক্ত বা সাইন্ড সংখ্যা উপস্থাপন করা যায় তার ব্যাপ্তি  হবে  - ১২৮ থেকে +১২৭ এর মধ্যে; মোট ২৫৬ টি বা শূন্য সহ ২৮ পৃথক মান উপস্থাপন করা যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪৮.
কোন সংখ্যাকে কম্পিউটারের অভ্যন্তরে ব্যবহারে নিবল ভূমিকা রাখে?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) ডেসিমাল
  3. গ) অক্টাল
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেক্সাডেসিমাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেক্সাডেসিমাল
ব্যাখ্যা
নিবল (Nibble)
- এক বাইটের অর্ধেক বা ৪ বিটকে নিবল বলা হয়।
- নিবল মূলত হেক্সাডেসিমাল সংখ্যাকে কম্পিউটারের অভ্যন্তরে ব্যবহারে কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এর কারণ হলো বাইনারির চারটি বিটকে একত্রে গ্রুপ করলে সেই গ্রুপটিকে একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা দ্বারা উপস্থাপন করা সম্ভব।
- হেক্সাডেসিমালের এই চার বিটের কোডকে প্রকাশের জন্য মূলত নিবল উপস্থাপন করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৯.
168 × 32 = 5376 হলে 5.376 ÷ 16.8 = কত? 
  1. ক) 3.2 
  2. খ) 0.32 
  3. গ) 32
  4. ঘ) 0.032
সঠিক উত্তর:
খ) 0.32 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 0.32 
ব্যাখ্যা
 প্রশ্ন: 168 × 32 = 5376 হলে 5.376 ÷ 16.8 = কত? 

সমাধান:
168 × 32 = 5376
 32 = 5376/168

এখন 
5.376 ÷ 16.8 
= 5.376/16.8 
= (5376 × 10)/(168 × 1000)
= (5376/168) × (1/100)
= 32/100
= 0.32 
৫০.
B এর চেয়ে A লম্বা, C থেকে B খাটো, A এর চেয়ে C লম্বা, E থেকে D খাটো, E এর চেয়ে B লম্বা। সবচেয়ে লম্বা কে? 
  1. ক) D
  2. খ) C
  3. গ) A
  4. ঘ) B
সঠিক উত্তর:
খ) C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) C
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: B এর চেয়ে A লম্বা, C থেকে B খাটো, A এর চেয়ে C লম্বা, E থেকে D খাটো, E এর চেয়ে B লম্বা। সবচেয়ে লম্বা কে? 

সমাধান: 
প্রদত্ত তথ্য গুলোকে অসমতা আকারে প্রকাশ করে পাই,
 B এর চেয়ে A লম্বা = A > B
C থেকে B খাটো = C > B
 A এর চেয়ে C লম্বা = C > A
E থেকে D খাটো = E > D
E এর চেয়ে B লম্বা = B > E

উপরের অসমতাগুলো ক্রমানুসারে সাজিয়ে পাই 
C > A > B > E > D
৫১.
a এর কোন মানের জন্য x + (√x/4) + a2 একটি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা হবে?
  1. ক) 1/8
  2. খ) 1/4
  3. গ) 1/64
  4. ঘ) 1/16
সঠিক উত্তর:
ক) 1/8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1/8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a এর কোন মানের জন্য x + (√x/4) + a2 একটি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা হবে? 

সমাধান: 
 x + (√x/4) + a2  
= (√x)2 + 2. √x .(1/8) + (1/8)2 + a2 - (1/8)2 
= (√x + 1/x)2 + a2 - (1/8)2

পূর্ণ বর্গ সংখ্যা হবে যদি 
a2 - (1/8)2 = 0
a2 = (1/8)2
a = 1/8

৫২.
যদি SYSTEM দিয়ে SYSMET এবং NEARER দিয়ে AENRER বোঝায়, তাহলে FRACTION দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?
  1. ক) CAOITRFN 
  2. খ) RFCANOIT 
  3. গ) CARFNOIT 
  4. ঘ) CAOFNITR
সঠিক উত্তর:
গ) CARFNOIT 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) CARFNOIT 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি SYSTEM দিয়ে SYSMET এবং NEARER দিয়ে AENRER বোঝায়, তাহলে FRACTION দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?

সমাধান: 
প্রতিটি শব্দের প্রথম অর্ধেক এবং শব্দের শেষ অর্ধেক বিপরীত ক্রমে বসেছে। 
SYS → SYS
TEM → MET
আবার 
NEA → AEN
RER → RER

FRAC - CRAF
TION - NOIT
FRACTION - CARFNOIT 

৫৩.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান? 
  1. ক) সুচ্যগ্র
  2. খ) সূচ্যগ্র 
  3. গ) সুচগ্র
  4. ঘ) সূচগ্র 
সঠিক উত্তর:
খ) সূচ্যগ্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সূচ্যগ্র 
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান হলো:  সূচ্যগ্র 
এর অর্থ
১.সুচের আগা বা ডগা 
২.অতি সামান্য 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান 
৫৪.
(X) চিত্রটি পানিতে দেখানো প্রতিবিম্ব নিচের কোনটি? 
  1. ক) 1
  2. খ) 2
  3. গ) 3
  4. ঘ) 4
সঠিক উত্তর:
গ) 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 3
ব্যাখ্যা
(X) চিত্রটি পানিতে দেখানো প্রতিবিম্ব হবে অপশন গ এর চিত্রটি।
 
৫৫.
A, P, R, X, S এবং Z সারিবদ্ধ ভাবে বসে আছে। S এবং Z কেন্দ্রে অবস্থান করছে । A এবং P দুই প্রান্তে আছে। A এর বাম দিকে R বসে আছে। যদি P এবং S এর মাঝখানে X বসে তাহলে Z এর ডানদিকে কে বসে আছে?
  1. ক) P
  2. খ) X
  3. গ) R
  4. ঘ) S
সঠিক উত্তর:
গ) R
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) R
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A, P, R, X, S এবং Z সারিবদ্ধ ভাবে বসে আছে। S এবং Z কেন্দ্রে অবস্থান করছে । A এবং P দুই প্রান্তে আছে। A এর বাম দিকে R বসে আছে। যদি P এবং S এর মাঝখানে X বসে তাহলে Z এর ডানদিকে কে বসে আছে?

সমাধান: 
তথ্য অনুসারে A, P, R, X, S এবং Z  কে বসালে পাই। 


প্রদত্ত চিত্র থেকে বুঝা যায় Z এর ডান দিকে R রয়েছে।
৫৬.
A, B এবং C তিন জন বোন। D, E এর ভাই এবং E, B এর মেয়ে। D এর সাথে A কী সম্পর্কে সম্পর্কিত?
  1. ক) চাচী
  2. খ) খালা 
  3. গ) দাদি
  4. ঘ) বোন
সঠিক উত্তর:
খ) খালা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খালা 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A, B এবং C তিন জন বোন। D, E এর ভাই এবং E, B এর মেয়ে। D এর সাথে A কী সম্পর্কে সম্পর্কিত?

সমাধান:
E, B এর মেয়ে
D, E এর ভাই
D, B এর ছেলে 
A, B এবং C তিন জন বোন
A এর D এর খালা 
৫৭.
আকাশ পূর্ব দিকে 22 মিটার দৌড়ায় এবং ডান দিকে ঘুরে 10 মিটার দৌড়ায়। তারপরে সে ডানদিকে ঘুরে 8 মিটার দৌড়ায়। আবার সে ডান দিকে ঘুরে 5 মিটার দৌড়ায়। এর পরে সে বাম দিকে ঘুরে 12 মিটার দৌড়ায় এবং অবশেষে সে ডান দিকে ঘুরে 6 মিটার দৌড়ায়। এখন আকাশ কোন দিকে মুখ করে আছে?
  1. ক) পূর্ব দিকে
  2. খ) পশ্চিম দিকে
  3. গ) উত্তর দিকে
  4. ঘ) দক্ষিণ দিকে
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর দিকে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আকাশ পূর্ব দিকে 22 মিটার দৌড়ায় এবং ডান দিকে ঘুরে 10 মিটার দৌড়ায়। তারপরে সে ডানদিকে ঘুরে 8 মিটার দৌড়ায়। আবার সে ডান দিকে ঘুরে 5 মিটার দৌড়ায়। এর পরে সে বাম দিকে ঘুরে 12 মিটার দৌড়ায় এবং অবশেষে সে ডান দিকে ঘুরে 6 মিটার দৌড়ায়। এখন আকাশ কোন দিকে মুখ করে আছে?

সমাধান: 

যাত্রা শুরুর স্থান A এবং গন্তব্য স্থান G .
চিত্র থেকে বুঝা যায় আকাশ উত্তর দিকে মুখ করে আছে। 
৫৮.
'ছয় দফা' কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  3. গ) ২৬ মার্চ ১৯৬৬
  4. ঘ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৯.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি হয় -
  1. ক) করাচী
  2. খ) আগরতলা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) ইসলামাবাদ
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আগরতলা মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
-  ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আওয়ামী লীগ নেতা, সিভিল সার্ভিসের দুইজন বাঙালি কর্মকর্তাসহ ২৮ জনকে গ্রেফতার করার ঘোষণা দেয়।
- ১৮ জানুয়ারি আরেকটি প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে উক্ত মামলার ১নং আসামী বলে ঘোষণা করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ হিসেবে।

• মামলার বিচারকার্য:

- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় ঢাকার কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দন্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন, রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।

- অন্যদিকে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন। তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌঁসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান। অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- পরবর্তীতে  আবার ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়। এ সময় স্যার টমাস উইলিয়াম ট্রাইবুনালে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ৫ জুলাই বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বিশেষ ট্রাইবুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন।
- ১৯৬৯ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলার অন্যতম আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে গুলি করে হত্যার করা হয়।
- ১৯৬৯-এর ২২ ফেব্রুয়ারি সরকার আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে ও বিনাশর্তে ৩৫ জন অভিযুক্তকেই মুক্তি দেয়।

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০.
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) ঠাকুরগাও
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
ক) ঠাকুরগাও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঠাকুরগাও
ব্যাখ্যা
• গম উৎপাদন:
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয়-রাজশাহী বিভাগে (দ্বিতীয় – রংপুর)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন- ঠাকুরগাও জেলায়
- দ্বিতীয়- চাপাইনবাবগঞ্জ।

অন্যদিকে---
-ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-রংপুর বিভাগ (দ্বিতীয় – খুলনা)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- দিনাজপুর জেলা

-পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- ঢাকা (দ্বিতীয় – খুলনা)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- ফরিদপুরে।

তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-খুলনা।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন-ঝিনাইদহ।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
৬১.
মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী কার্যালয় কোথায় অবস্থিত ছিল?
  1. ক) বৈদ্যনাথতলা, মেহেরপুর
  2. খ) ৩২ নং ধানমন্ডি রোড
  3. গ) ৮ নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
  4. ঘ) লন্ডন
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- গঠিত হয়- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সাল।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় ছিল ৮নং থিয়েটার রােড, কলকাতা।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য নিম্নরুপ:

• মন্ত্রিসভা

- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (পাকিস্তান সামরিক শাসকদের হাতে বন্দি)।
- উপ-রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং
পদাধিকারবলে সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণ)
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমেদ
- অর্থমন্ত্রী : এম. মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ
- প্রধান সেনাপতি : কর্নেল (অব.) এম.এ.জি. ওসমানী
- চিফ অব স্টাফ : কর্নেল (অব.) আবদুর রব 

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
‘দ্বীন-ই-ইলাহী’ এর প্রবর্তক কে?
  1. ক) বাবর 
  2. খ) হুমায়ুন
  3. গ) আকবর
  4. ঘ) জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
গ) আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আকবর
ব্যাখ্যা
• সম্রাট আকবর:
– সম্রাট আকবর ১৫৮২ সালে ‘দীন-ই-ইলাহী’ নামে একেশ্বরবাদমূলক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। 
– সকল ধর্মের সারবস্তু নিয়ে এই ধর্মত গঠিত হয়।
–  এই ধর্মমতের কালেমা ছিল ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আকবর খলিফাতুল্লাহ’।
 
• দ্বীন-ই-ইলাহী রীতি-নীতি, বিধানগুলো ছিল নিম্নরূপ:
১. এই ধর্মের অনুসারীগণ পরস্পর দেখা হলে, ‘আসসালামু আলাইকুম’ এর পরিবর্তে ‘আল্লাহু আকবার’ এবং প্রত্যুত্তরে ‘ওয়া আলাইকুম আস্সালাম’ না বলে ‘জাল্লাজালালুহু’ বলা।
২. এই ধর্মীয় বিধান অনুসারে মৃত্যুর পরে নয়, মৃত্যুর পূর্বেই দাওয়াত বা আমন্ত্রণের ব্যবস্থা করা।
৩. সভ্যগণ নিজ নিজ জন্মদিন পালন এবং ভোজের আয়োজন করবেন।
৪. সভ্যগণ ভিক্ষা প্রদান করবেন কিন্তু ভিক্ষা গ্রহণ করবেন না।
৫. এই ধর্মমত গ্রহণে কাউকে বাধ্য করা হবে না। 

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
৬৩.
নিচের কোন জেলায় খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করে?
  1. ক) মৌলভীবাজার
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) নেত্রকোনা
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ক) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
খাসিয়া সম্প্রদায়:
- খাসিয়া (বা খাসি) বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
 - তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত। 
- খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
৬৪.
তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন-
  1. ক) আনোয়ারা বেগম
  2. খ) সুমিত্রা দেবী
  3. গ) মহাশ্বেতা দেবী
  4. ঘ) ইলা মিত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলা মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলা মিত্র
ব্যাখ্যা
তেভাগা আন্দোলন:
- তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র
- তেভাগা আন্দোলন বাংলায় সংঘটিত বর্গাচাষীদের একটি কৃষক আন্দোলন।
- ১৯৪০ থেকে ১৯৫০ সালে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
- তেভাগা আন্দোলনের দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা।
- রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, চব্বিশ পরগণা প্রভৃতি জেলায় তেভাগা আন্দোলন সংঘটিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
তুলার একটি উন্নত জাত হলো-
  1. ক) ডায়মন্ড
  2. খ) রূপালি
  3. গ) সোনালি
  4. ঘ) ইরাটম
সঠিক উত্তর:
খ) রূপালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রূপালি
ব্যাখ্যা
- রূপালি হলো তুলার একটি জাত।

• তুলার অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- রূপালি-১
- সিভি-১২
- সিভি-১৩
- ডিএম-১
- পাহাড়ি তুলা-১,২ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- ডায়মন্ড - আলুর জাত
- সোনালি - সরিষার জাত
- ইরাটম - উন্নত জাতের ধান।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট
৬৬.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কত টাকার স্মারক নোট অবমুক্ত করা হয়?
  1. ক) ১০০ টাকা
  2. খ) ৫০ টাকা
  3. গ) ২০ টাকা
  4. ঘ) ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৫০ টাকার স্মারক নোট অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- তারিখ-১৮ ডিসেম্বর।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার
৬৭.
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টর কেবল নৌ কমান্ড দ্বারা গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১ নং সেক্টর
  2. খ) ১০ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
৬৮.
কততম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযোজন করা হয়?
  1. ক) ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. খ) চতুর্দশ সংশোধনী
  3. গ) পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. ঘ) ষোড়শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

- ২০১১ সালের ৩রা জুলাই সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা সংবিধানের সপ্তম তফসিলে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযোজন করা হয়।
- পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা গৃহিত অন্যান্য বিধানাবলির মধ্যে রয়েছে:
- পঞ্চম তফসিলে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৭ই মার্চের ভাষণ সংযোজন
- ষষ্ঠ তফসিলে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা সংযোজন
- বাহাত্তরের মূল সংবিধানের মূলনীতিসমূহ পুনঃস্থাপন
৪ক অনুচ্ছেদ (জাতির পিতার প্রতিকৃতি) সংযোজন
- ২ক অনুচ্ছেদে (রাষ্ট্রধর্ম) সংশোধন প্রভৃতি।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট
৬৯.
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক-২০২২ অনুসারে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) আয়ারল্যান্ড
  2. খ) সুইজারল্যান্ড
  3. গ) সিঙ্গাপুর
  4. ঘ) লুক্সেমবার্গ
সঠিক উত্তর:
গ) সিঙ্গাপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক - ২০২২:
২০২২ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের ‘The Heritage Foundation' “2021 Index of Economic Freedom” শিরোনামে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক প্রকাশ করে।
সূচকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিম্নে তুলে ধরা হলো -

• শীর্ষ ৫টি দেশ
প্রথম- সিঙ্গাপুর
দ্বিতীয়- সুইজারল্যান্ড
তৃতীয়- আয়ারল্যান্ড
চতুর্থ- লুক্সেমবার্গ
পঞ্চম- নিউজিল্যান্ড
• বাংলাদেশের অবস্থান-১৩৭ তম।
 
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক - ২০২২
৭০.
ফিফার উদ্যোগে প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৩০ সালে
  2. খ) ১৯৩২ সালে
  3. গ) ১৯৩৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৩৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৩০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
FIFA:
- FIFA এর পূর্ণরুপ- (Federation of International Football Association) 
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে-২১ মে, ১৯০৪ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ- ৭টি।
- ফিফার বর্তমান সদস্য ২১১টি।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
- সেক্রেটারি জেনারেল ফাতমা সাম্বা দিয়াউফ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে ফিফা সদস্যপদ লাভ করে।
- ফিফার উদ্যোগে প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে
- ২২তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়-২০২২ সালের ২১ নভেম্বর – ১৮ ডিসেম্বর কাতারে।

সূত্র: ফিফা ওয়েবসাইট
৭১.
'পেসো' কোন দেশের মুদ্রার নাম?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) কম্বোডিয়া
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিলিপাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
ফিলিপাইনের মুদ্রার নাম : পেসো

অন্যদিকে,
- তুরস্কের মুদ্রা: লিরা
- সুইডেন এবং ডেনমার্কের মুদ্রা - ক্রোনা
- কম্বোডিয়ার মুদ্রার নাম রিয়েল

উৎস: Britannica.
৭২.
কোন দেশকে ইউরােপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) ইতালি
  3. গ) পোল্যান্ড
  4. ঘ) ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

- ইউরোপের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত ইউক্রেনের উর্বর ভূমিতে গম, সানফ্লাওয়ার এবং অন্যান্য দানাদার জাতীয় শস্য প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়।
- ইউক্রেন বিশ্ববাজারে প্রতিবছর ৪০ থেকে ৫০ মিলিয়ন মেট্রিক টন খাদ্যশস্য রপ্তানি কর থাকে।
- এজন্য ইউক্রেনকে ইউরােপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়। 

- ইউরোপের কৃষিপণ্য চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ ইউক্রেন থেকে সরবরাহ হওয়ায় ইউক্রেনকে ইউরোপের ব্রেডবাস্কেট বলা হয়।

- ইউক্রেন কৃষ্ণসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত।
- আয়তনে ইউক্রেন ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। এটির আয়তন ৬০৫,৬২৮ বর্গ কিলোমিটার।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ নিপার নদীর তীরে অবস্থিত।
- ওডেসা ও মারিয়াপোল কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত ইউক্রেনের দুটো বিখ্যাত সমুদ্রবন্দর।
- ডনবাস ও লুহানস্ক ইউক্রেনের দুটো রুশভাষী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল।

তথ্যসূত্র:- ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৭৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির পক্ষ অবলম্বন করেনি কোন দেশ?
  1. ক) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. খ) ইতালি
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ক) সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
▪ ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
▪ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
▪ ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
▪ ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
▪ ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
▪ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
▪ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত; এর ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন প্রাণহানি ঘটে, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৭৪.
অ্যাডলফ হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন কত সালে?
  1. ক) ১৯৩২ সালে
  2. খ) ১৯৩৩ সালে
  3. গ) ১৯৩৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৩ সালে
ব্যাখ্যা
অ্যাডলফ হিটলার:
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- হিটলারের আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

সূত্র:- হিস্টোরি ডটকম।
৭৫.
নিচের কোনটি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ক) ফেয়ার ফ্যাক্স
  2. খ) এফ এস বি
  3. গ) ফার্ক
  4. ঘ) ব্লাক ক্যাট
সঠিক উত্তর:
ক) ফেয়ার ফ্যাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফেয়ার ফ্যাক্স
ব্যাখ্যা
ফেয়ার ফ্যাক্স:
ফেয়ার ফ্যাক্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থার নাম।

• যুক্তরাষ্ট্রের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার নামঃ
- সিআইএ,
- এফবিআই,
- এনজিএ,
- এনএসএ,
- আইএনআর ইত্যাদি।

উৎসঃ যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
৭৬.
বিশ্ব খাদ্য দিবস কবে?
  1. ক) ৫ জুন
  2. খ) ১৬ অক্টোবর
  3. গ) ১৮ মে
  4. ঘ) ২৭ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
- জতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)
- (FAO)-এর পূর্ণরুপ– Foad and Agriculture Organization বা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা।
- প্রতষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য–  ক্ষুধা দূরীকরণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে পুষ্টি ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে– ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে।
- বিশ্ব খাদ্য দিবস- ১৬ অক্টোবর।
- সদর দপ্তর– রোম, ইতালি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা–১৯৫ টি, ১৯৪ দেশ ও ১টি  সংস্থা, সংস্থাটি হলো (ইইউ )।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে– ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান মহাপরিচালক– QU Dongyu ( চীনা নাগরিক)।

তথ্যসূত্র: Official website (FAO)
৭৭.
জাতিসংঘ নামকরণ করেন যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট?
  1. ক) জন এফ কেনেডি
  2. খ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
  3. গ) ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  4. ঘ) উড্রো উইলসন
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট (১৮৮২ - ১৯৪৫)

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।
- ১৯৩২ সালের নভেম্বরে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতির প্রবক্তা।
- ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির বিপরীতে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনেই হবু সংগঠনের নাম প্রথমবারের মতো “জাতিসংঘ (United Nations)” এই নামটি ব্যবহার করা হয় এবং ফ্রাঙ্কলিন ডি - রুজভেল্ট এই নামকরণ করেন।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৭৮.
ঐতিহাসিক প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কার্যকর হয় -
  1. ক) ২০১৬
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৭
  4. ঘ) ২০১৪
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১৬
ব্যাখ্যা
- ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২১তম UNFCCC Conference of Parties (CoP-21) সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়।
- এতে মোট ১৯৬টি দেশ ও সংস্থা অংশ নেয়৷
- ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় এবং ৪ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে এই চুক্তি কার্যকর হয়।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে একুশ শতকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫-২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

সূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট।
৭৯.
সুরমা ও কুশিয়ারা নদী কোথায় মিলিত হয়েছে?
  1. ক) চিলমারি
  2. খ) গোয়ালন্দ
  3. গ) ভৈরববাজার
  4. ঘ) আজরিমিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আজরিমিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আজরিমিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• সুরমা ও কুশিয়ারার মিলনস্থল (মেঘনা): আজরিমিগঞ্জ (হবিগঞ্জ)

অন্যদিকে,
• পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল: গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
• পদ্মা ও মেঘনা নদী চাঁদপুরে মিলিত হয়েছে।
• পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল: চাঁদপুর
• ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার মিলনস্থল: চিলমারি (কুড়িগ্রাম)
• পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মিলনস্থল: ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ)

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৮০.
বাংলাদেশের শীতলতম মাসের গড় তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ২১.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস
  2. খ) ১৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস
  3. গ) ১৮.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস
  4. ঘ) ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার এবং গড় তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
• বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ হিসেবে পরিচিত। তবে তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং বায়ুপ্রবাহের উপর ভিত্তি করে তিনটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ঋতু দেখা যায়। এগুলো হলো - গ্রীষ্মকাল, বষার্কাল এবং শীতকাল।  
• এপ্রিল মাসে গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং এটি বছরের উষ্ণতম মাস।
• জানুয়ারি শীতলতম মাস। এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১.
বিশ্বের সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ লেক আসাল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) নাইজেরিয়া
  3. গ) বলিভিয়া
  4. ঘ) জিবুতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিবুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিবুতি
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ হলো জিবুতিতে অবস্থিত লেক আসাল।

অন্যদিকে,
- বৈকাল হ্রদ : পৃথিবীর গভীরতম (১,৬২০ মিটার) এবং প্রাচীনতম হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর: পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ
- টিটিকাকা হ্রদ (বলিভিয়া): পৃথিবীর উচ্চতম হ্রদ
- সুপিরিয়র হ্রদ (যুক্তরাষ্ট্র): বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা
৮২.
নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে কী বলা হয়?
  1. ক) নদীর উৎস
  2. খ) নদী অববাহিকা
  3. গ) নদীর মোহনা
  4. ঘ) দোয়াব অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) নদীর মোহনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নদীর মোহনা
ব্যাখ্যা
নদীর মোহনা (Mouth): নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে।

• নদীর উৎস (Source): নদীর উৎপত্তিস্থলকে নদীর উৎস বলে ।

• দোয়াব অঞ্চল: দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব অঞ্চল বলে ।

• নদীসঙ্গম (Confluence): পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়। এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়। ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়। এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে ।

• নদী অববাহিকা (River Basin): মূল নদী, বিভিন্ন শাখানদী ও উপনদী প্রভৃতির মধ্য দিয়ে যে সকল স্থানের বা অঞ্চলের পানিরাশি প্রবাহিত হয় তখন এ অঞ্চলকে ঐ নদীর অববাহিকা বলে। যেমন- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সিন্ধু নদের অববাহিকা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩.
খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
 ⇨ ২০১৬ সালে প্রকাশিত 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) রিপোর্টে প্রথম সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
⇨ সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন  অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো -
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল।)
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

তথ্যসূত্র: BNBC প্রকাশিত Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট।
৮৪.
নিচের কোনটি বায়ুমন্ডলের উপাদান নয়?
  1. ক) জলীয়বাষ্প
  2. খ) ধূলিকণা
  3. গ) বিভিন্ন প্রকার গ্যাস
  4. ঘ) বিভিন্ন প্রকার কঠিন পদার্থ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিভিন্ন প্রকার কঠিন পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিভিন্ন প্রকার কঠিন পদার্থ
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের উপাদান
• পৃথিবীপৃষ্ঠ ও তার চারদিক জুড়ে বায়ুমন্ডল বেষ্টিত। এই মন্ডল নানা রকমের গ্যাসের মিশ্রণে গঠিত হয়েছে। এই গ্যাসীয়
মিশ্রণ ভূ-পৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত প্রায় সমান।
• বায়ুমন্ডলে আরও রয়েছে অসংখ্য ধূলিকণার সংমিশ্রণ। এই সব কঠিন ও তরল কণিকাকে একত্রে বলা হয় রঞ্জক পদার্থ।
• বায়ুমন্ডলের বর্ণ, গন্ধ, আকার কিছুই নেই। তাই বায়ুমন্ডলের এই সব উপাদান স্বাভাবিক অবস্থায় অনুভব করা যায় না।
• সুতরাং বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়।   

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫.
মৌসুমি বায়ু হিমালয় পর্বতে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে কোন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়?
  1. ক) শৈলোৎক্ষেপ
  2. খ) পরিচলন
  3. গ) সংঘর্ষ
  4. ঘ) ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
ক) শৈলোৎক্ষেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শৈলোৎক্ষেপ
ব্যাখ্যা
• বর্ষাকালে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে ফেরেলের সূত্রানুসারে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে বেঁকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু হিসেবে প্রবাহিত হয়।
• সমুদ্র থেকে আগত হওয়ায় এই বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকে। ফলে এই মৌসুমি বায়ু হিমালয় পর্বতে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
• এই প্রক্রিয়ায় বর্ষাকালে দেশের সারা বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ বৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৮৬.
‘সুশাসন হলো একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের কার্যকরী ব্যবস্থা। তবে ব্যবস্থাটি হবে উন্মুক্ত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং ন্যায্য সমতাপূর্ণ’ - সুশাসন সম্পর্কে উক্তিটি করেছেন -
  1. ক) ভি.কে. চোপড়া
  2. খ) ল্যান্ডেল মিল
  3. গ) কফি আনান
  4. ঘ) অধ্যাপক ড. মহব্বত খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) অধ্যাপক ড. মহব্বত খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অধ্যাপক ড. মহব্বত খান
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক ড. মহব্বত খান এর মতে-‘সুশাসন হলো,একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের কার্যকরী ব্যবস্থা। তবে ব্যবস্থাটি হবে উন্মুক্ত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং ন্যায্য সমতাপূর্ণ’।

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান বলেছেন, ‘সুশাসন মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা নিশ্চিত করে, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে, জনপ্রশাসনের স্বচ্ছতা এবং সক্ষমতাকে প্রবর্তন করে।'

ভি.কে. চোপড়া (V.k. Chopra) বলেন, “সুশাসন হলো শাসনের একটি পদ্ধতি যা সমাজের মৌলিক মূল্যবোধগুলো দ্ব্যর্থহীনভাবে চিহ্নিত করতে সমর্থ, সেখানে মূল্যবোধগুলো হচ্ছে মানবাধিকারসহ অর্থনৈতিক,রাজনৈতিক এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয়ক এবং একটি দায়বদ্ধ ও সৎ প্রশাসনের মাধ্যমে এই মূল্যবোধগুলো অন্বেষণ করা”।

ল্যান্ডেল মিল (Landell Mill) মনে করেন, সুশাসন একটি জাতির রাজনেতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে দিক নির্দেশ করে এবং জন প্রশাসন এবং আইনী কাঠামোর মধ্যে এটি কিভাবে কাজ করে তা জানায়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।  
৮৭.
'সমাজের সর্বোচ্চ সংখ্যক লোকের সর্বোচ্চ সুখই ভালো-মন্দ নির্ধারণের মানদণ্ড' - এটি কোন তত্ত্বের মূল বক্তব্য?
  1. ক) গোল্ডেন মিন
  2. খ) শূন্যবাদ
  3. গ) ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ
  4. ঘ) উপযোগবাদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপযোগবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপযোগবাদ
ব্যাখ্যা
উপযোগবাদ
- জেরেমি বেন্থামের লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ 'An Introduction to the Principles of Morals and Legislation'.
- এই গ্রন্থে তিনি উপযোগবাদ তত্ত্বটি প্রথম ব্যাখ্যা করেন।
- জেরেমি বেন্থাম প্রবর্তিত Utilitarianism বা উপযোগবাদের মূলকথা হলো সর্বাধিক সংখ্যক লোকের জন্যে সর্বাধিক সংখ্যক সুখই মানুষের নৈতিক আদর্শ।
- এটি একটি সুখবাদী মতবাদ।
- জেএস মিল উপযোগাবাদ মতবাদে সুখের পরিমাণগত পার্থক্যের পাশাপাশি এর গুণগত পার্থক্যের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

অন্যদিকে,
- এরিস্টটল সর্বপ্রথম সুবর্ণ মধ্যক ধারণাটি ব্যবহার করেন।
- দুইটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী অবস্থান বুঝাতে সুবৰ্ণ মধ্যক ব্যবহার করা হয়।
- শূন্যবাদের ইংরেজি প্রতিশব্দ Nihilism যা ল্যাটিন শব্দ Nihil থেকে এসেছে, যার অর্থ কিছুই না। শূন্যবাদ মূলত একটি সংশয়বাদী দার্শনিক মতবাদ।
- জে. এস. মিল ছিলেন ধ্রুপদী ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের এক একনিষ্ঠ প্রবক্তা। আবার অনেকের মতে তিনিই হলেন আলোচ্য মতবাদের শ্রেষ্ঠ প্রবক্তা।
- মিলের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী বক্তব্য ব্যক্ত হয়েছে তাঁর দু'টি কালজয়ী গ্রন্থের মাধ্যমে। এই দু'টি গ্রন্থ হল On Liberty এবং Representative Government।
- ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ বলতে রাষ্ট্রের কার্যসংক্রান্ত সেই মতবাদকে বুঝায় যা রাষ্ট্রের কার্যক্ষেত্রকে সংকুচিত করে এবং ব্যক্তিকে অধিক মাত্রায় স্বাধীনতা দান করে। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদীরা রাষ্ট্রকে ক্ষতিকর অথচ প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান মনে করে। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৮৮.
বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী সুশাসনের স্তম্ভ কোনটি?
  1. ক) সুযোগের সমতা
  2. খ) মানবাধিকার
  3. গ) জবাবদিহিতা
  4. ঘ) আইনী কাঠামো
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইনী কাঠামো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইনী কাঠামো
ব্যাখ্যা
সুশাসনের স্তম্ভ
২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে। এ চারটি স্তম্ভ হল - 
(১) দায়িত্বশীলতা 
(২) স্বচ্ছতা 
(৩) আইনী কাঠামো ও 
(৪) অংশগ্রহণ।

তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইট। 
৮৯.
বিশ্বব্যাংক 'Governance : The World Bank Experience' শীর্ষক রিপোর্টটি প্রকাশ করে কবে?
  1. ক) ১৯৯৪ সালে
  2. খ) ১৯৯২ সালে
  3. গ) ১৯৯৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
• ১৯৯৫ সালে Asian Development Bank (ADB) 'Governance : Sound Development Management' শীর্ষক রিপাের্টে ‘সুশাসন সম্পর্কে আলােচনা করে।
• ১৯৯৭ সালে UNDP  'Governance for Sustainable Human Development' এই নামে তাদের একটি পলিসিতে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান ও এর বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে।
• বিশ্বব্যাংক (১৯৯৪) ''Governance : The World Bank Experience'' বা ‘শাসন: বিশ্বব্যাংকের অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক এক রিপোর্টে সুশাসনকে সরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা, উন্নয়নের জন্য আইনী কাঠামো, স্বচ্ছতা ও তথ্য এ চারটি কার্যক্রম দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়।  
• ১৯৯২ সালে বিশ্বব্যাংক ‘Governance and Development' শীর্ষক রিপাের্টে সুশাসনের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
৯০.
'সরকারি চাকুরি লাভের অধিকার' নাগরিকের কোন ধরনের অধিকারের অর্ন্তভুক্ত?
  1. ক) অর্থনৈতিক
  2. খ) সামাজিক
  3. গ) রাজনৈতিক
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) রাজনৈতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজনৈতিক
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক অধিকার সমূহ
১। সরকারি চাকুরি লাভের অধিকার  
২। নির্বাচনের অধিকার
৩। আবেদন করার অধিকার 
৪। স্থায়ীভাবে বসবাসের অধিকার
৫। বিদেশে অবস্থানকালে নিরাপত্তা লাভের অধিকার 
৬। সরকারের সমালোচনা করার অধিকার।

সামাজিক অধিকারসমূহ
১. জীবনের অধিকার
২. ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার
৩. চিন্তা ও মতপ্রকাশের অধিকার
৪. সভা-সমিতির অধিকার
৫. চলাফেরার অধিকার
৬. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা
৭. চুক্তি সম্পাদনের অধিকার
৮. আইনের চোখে সমানাধিকার

অর্থনৈতিক অধিকার সমূহ 
১। অবকাশ লাভের অধিকার
২। কর্মের অধিকার
৩। ন্যায্য মজুরী লাভের অধিকার
৪। শ্রমিক সংঘ করার অধিকার প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯১.
'An uncontrolled bureaucracy is a threat to democracy' - উক্তিটি করেছেন -
  1. ক) জে এস মিল
  2. খ) রিচার্ড ক্রসম্যান
  3. গ) জেরেমি বেন্থাম
  4. ঘ) উইলোবি
সঠিক উত্তর:
খ) রিচার্ড ক্রসম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রিচার্ড ক্রসম্যান
ব্যাখ্যা
- রিচার্ড ক্রসম্যান বলেছেন,- An uncontrolled bureaucracy is a threat to democracy.
- এর অর্থ হচ্ছে "অনিয়ন্ত্রিত আমলাতন্ত্র গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ"।
- আমলাতন্ত্র অদক্ষতা ও আমলাদের জবাবদিহিতা সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অন্তরায়।
- সাধারণত আমলারা নিজেদেরকে জনগণের সেবক না ভেবে প্রভু ভাবেন।
- তারা নিজেদের অভিজাত শ্রেণি বলে মনে করেন।
- জবাবদিহিতার মানসিকতা গড়ে না উঠায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা দুরূহ ব্যাপার।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো.মোজাম্মেল হক।