পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ টপিক: পৃথিবীর জলভাগ - ২ (উপসাগর ও প্রণালী), বায়ুমন্ডলীয় স্তর এবং আবহাওয়া ও জলবায়ু, জলবায়ুর নিয়ামক, বায়ু প্রবাহ। [Live Class – 7, 8 & 9]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
বঙ্গোপসাগরের প্রবেশপথ বলা হয় -
  1. মোজাম্বিকা প্রণালী
  2. পক প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. দার্দানেলিস প্রণালী
ব্যাখ্যা
• পক প্রণালী :
- দক্ষিণ-পূর্ব ভারত এবং উত্তর শ্রীলঙ্কার মধ্যে বঙ্গোপসাগরের একটি প্রবেশপথ।
- এটি ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করে।
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর কে যুক্ত করে। 

• হরমুজ প্রণালী- পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগর এর সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ।
- এই প্রণালীটি ইরানকে ও আরব উপদ্বীপ ওমান (দক্ষিণ) থেকে পৃথক করে।

• মোজাম্বিকা প্রণালী,- ভারত মহাসাগরের একটি প্রণালী যা, মোজাম্বিকা ও মাদাগাস্কার কে পৃথক করেছে।

দার্দানিসিলস প্রণালী :
- ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে সংযুক্তকারী প্রণালী, দার্দানেলিস প্রাণালী।


উৎস: ব্রিটানিকা ও The Business Standard.
.
বায়ুমন্ডলে আর্গনের পরিমাণ কত?
  1. ০.০৩%
  2. ০.৪১%
  3. ০.৮১%
  4. ০.৮০%
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের বিভিন্ন উপাদানের তালিকা: 
- নাইট্রোজেন (N₂) - ৭৮.০২%।
- অক্সিজেন (O₂) - ২০.৭১%।
- আর্গন (A₂) - ০.৮০%।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) -০.০৩%।
- অন্যান্য গ্যাসমূহ (ওজোন, মিথেন, জেনন, নাইট্রাস অক্সাইড, নিয়ন, হিলিয়াম ও - ০.০২%।
- জলীয়বাষ্প - ০.৪১%। 
- ধূলিকণা ও কণিকা -  ০.০১%।

উৎস:
ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি একই সাথে জলবায়ুর নিয়ামক ও উপাদান?
  1. বায়ু প্রবাহ
  2. বায়ুর চাপ
  3. বায়ুর তাপ
  4. বায়ুর আর্দ্রতা
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু:
- পৃথিবীর প্রতিটি স্থানের বৈচিত্র্যময় আবহাওয়া লক্ষ্য করা যায়।
- সে কারণেই পৃথিবীর সকল স্থানের জলবায়ু এক রকম নয়।
-  জলবায়ুরও প্রধান উপাদান হলো বায়ুর চাপ, তাপ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুর আর্দ্রতা, বারিপাত ইত্যাদি।
- আর এই সব উপাদানের ক্ষেত্রে নানা রকম বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায় বিভিন্ন নিয়ামকের উপর ভিত্তি করে।
- জলবায়ুর নিয়ামক গুলো হল-  সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহের দিক, ভূ-পৃষ্ঠের উচ্চতা, অক্ষাংশ, ভূমির ঢাল, মৃত্তিকা, বন ভূমির অবস্থা, পর্বতের অবস্থা ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
পারস্য উপসাগরের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?
  1. ৩,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার
  2. ২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৪,৫০,০০০ বর্গ কিলোমিটার
  4. ২,৫০,০০০ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পারস্য উপসাগর: 
- ভূমধ্যসাগরীয় সমুদ্র পারস্য উপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ ।
- এটি পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি ওমান উপসাগরের একটি সম্প্রসারিত অংশ এবং পূর্বে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত ।
- পারস্য উপসাগরকে আরব উপসাগর বা ইরান উপসাগরও বলা হয়।
- এটির আয়তন প্রায় ২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার ।
- , যার সর্বোচ্চ গভীরতা ৯০ মিটার 
- গড় গভীরতা ৫০ মিটার।
- পারস্য উপসাগর কয়েকটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত, যার মধ্যে উত্তরে ইরান, এবং উত্তর-পশ্চিমে বাহরাইন , ইরাক এবং কুয়েত রয়েছে। দক্ষিণে, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত , বাহরাইন, অবস্থিত।
-   এর উপকূলরেখা প্রায় ৫,১১৭ কিলোমিটার, যার মধ্যে ইরানের দীর্ঘতম উপকূলরেখা (১,৫৩৬ কিলোমিটার) রয়েছে।

উৎস: WorldAtlas.
.
নিচের কোনটি বিষমমন্ডল এর অন্তর্ভূক্ত?
  1. ট্রপোমন্ডল
  2. স্ট্রাটোমন্ডল
  3. এক্সোমন্ডল
  4. মেসোমন্ডল
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাস:
- ট্রপোমন্ডল।
- স্ট্রাটোমন্ডল।
- মেসোমন্ডল।
• প্রথম ৩ টি স্তর সমমন্ডলের অন্তর্ভূক্ত।
- তাপমন্ডল।
- এক্সোমন্ডল।
• পরবর্তী ২ টি স্তর বিষমমন্ডলের  অন্তর্ভূক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে কোন দেশ অবস্থিত?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. শ্রীলঙ্কা
  3.  ভারত 
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগর হল বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর ।
- বঙ্গোপসাগর বেশ কয়েকটি এশীয় দেশ দ্বারা বেষ্টিত, যার মধ্যে রয়েছে উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিমে ভারত , পূর্বে  মায়ানমার , উত্তরে  বাংলাদেশ , দক্ষিণ-পশ্চিমে  শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ-পূর্বে  ইন্দোনেশিয়া। 
- এর ভূপৃষ্ঠের আয়তন ২,৬০০,০০০ বর্গকিলোমিটার ।
- দৈর্ঘ্য ২,০৯০ বর্গকিলোমিটার ।
- প্রস্থ ১,৬১০ বর্গকিলোমিটার।
- এই উপসাগরের গড় গভীরতা ২,৬০০ বর্গকিলোমিটার ।
- সর্বোচ্চ গভীরতা ৪,৬৯৪ বর্গকিলোমিটার। 

উৎস: WorldAtlas.
.
যুদ্ধবিমান, মহাকাশযান পরিবহনের গতি নির্ধারিত হয় কীসের মাধ্যমে?
  1. বায়ু প্রবাহ
  2. বায়ুর আর্দ্রতা
  3. বায়ুর তাপ
  4. বায়ু চাপ
ব্যাখ্যা
বায়ু প্রবাহের প্রভাবসমূহ: 
- বায়ুমন্ডলে নানা রকম গ্যাসীয় উপাদান ও অন্যান্য উপাাদনসমূহের ঘনত্বের সমন্বয়ে বায়ু একটি অনন্য প্রাকৃতিক শক্তি।
- বায়ুপ্রবাহের নানা গতি ও প্রকৃতির জন্য প্রবল বাতাস, ঝড়, হারিকেন, টাইফুন, হাওয়া, বজ্রঝড় ইত্যাদি আবহাওয়ার অবস্থা দৃশ্যমান হয়।
-বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, ঘনত্ব ইত্যাদির কারণে বায়ুপ্রবাহ প্রভাবিত হয়।
- এই বায়ুপ্রবাহের ধরনের ভিন্নরূপের কারণে (ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী) পৃথিবীর সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তে আবহাওয়া ও জলবায়ুতে পার্থক্য তৈরি হয়।
- একেক স্থানের বায়ুপ্রবাহের একেক মাত্রার জলীয়বাষ্পের উপস্থিতির কারণেই বৃষ্টিপাত, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশার মত ইত্যাদি আবহাওয়ার অবস্থারও তারতম্য দেখা যায়। সূর্যের তাপ বিকিরণ, তাপ বিচ্ছুরন ও জমি বা মাটির তাপ শোষণ - ক্ষমতাকেও এই বায়ুপ্রবাহ প্রভাবিত করে। যেমন- উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্র হাওয়া ও ভূমির তাপ শোষণ ক্ষমতায় বায়ু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণের কাজ করে।
- বায়ুপ্রবাহের কারণে নানা রকম নৌযান, আকাশযান, যুদ্ধবিমান, মহাকাশযান পরিবহনের গতি নির্ধারিত হয়।
- বায়ুপ্রবাহের শক্তি দ্বারাই বায়ু ঘূর্ণনযন্ত্র চালিত হয়,ফলে পৃথিবীব্যাপি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে।
- বায়ুপ্রবাহের কারণেই বেশ কিছু জনপ্রিয় খেলা যেমন-ঘুড়ি ওড়ানো, স্নোকাইটিং, ঘুড়ি সাফিং ইত্যাদি সারা পৃথিবীতে প্রচলিত রয়েছে।
- এছাড়াও শুষ্ক আবহাওয়ায় ভূমিক্ষয়ের একটি বড় কারণ হলো বায়ুপ্রবাহ। বায়ুপ্রবাহের প্রভাবেই ছোট বালুকণা ও ধূলিকণা বায়ুসঞ্চালন দ্বারা একস্থান থেকে আরেক স্থানে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জেট বিমান কোন স্তরে চলাচল করে?
  1. তাপমন্ডল
  2. মেসোমন্ডল
  3. ট্রপোমন্ডল
  4. স্ট্রাটোমন্ডল
ব্যাখ্যা
• স্ট্রাটোমন্ডল (Stratosphere):
- বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তর হলো স্ট্রাটোমন্ডল বা স্ট্রাটোস্ফিয়ার যা উর্ধ্বে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমন্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে বলা হয় স্ট্রাটোবিরতি বা স্ট্রাটোপস।
•স্ট্রাটোমন্ডলের বৈশিষ্ট্য:
ক) এ স্তর  জলীয়বাষ্পবিহীন।
খ) এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের পরিমাণ বেশি থাকায় সূর্য হতে আগত অতিবেগুনী রশ্মি এই ওজোন স্তর শুষে নেয়।
গ) এই স্তরের নিম্নে উষ্ণতার তেমন পরিবর্তন না হলেও ১০ কিলোমিটার থেকে ধীরে ধীরে উষ্ণতা বাড়তে বা ওজোনোস্ফিয়ার থাকে। এই উষ্ণতা বৃদ্ধি উচ্চ স্ট্রাটোমন্ডলে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
ঘ) স্ট্রাটোমন্ডলে ধূলিকণার পরিমাণ নগন্য এবং মেঘ দেখাই যায় না।
চ) এই স্তরে আবহাওয়া শুষ্ক ও শান্ত থাকে। সাধারণত জেট বিমানগুলো এই স্তর দিয়ে চলাফেরা করতে পারে কারণ ঝড়-বৃষ্টি থাকে না।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
ভূমিক্ষয়ের একটি কারণ-
  1. প্রবল বাতাস
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. টাইফুন
  4. ঝড়
ব্যাখ্যা
• বায়ু প্রবাহের প্রভাবসমূহ: 
- বায়ুমন্ডলে নানা রকম গ্যাসীয় উপাদান ও অন্যান্য উপাাদনসমূহের ঘনত্বের সমন্বয়ে বায়ু একটি অনন্য প্রাকৃতিক শক্তি।
- বায়ুপ্রবাহের নানা গতি ও প্রকৃতির জন্য প্রবল বাতাস, ঝড়, হারিকেন, টাইফুন, হাওয়া, বজ্রঝড় ইত্যাদি আবহাওয়ার অবস্থা দৃশ্যমান হয়।
-বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, ঘনত্ব ইত্যাদির কারণে বায়ুপ্রবাহ প্রভাবিত হয়।
 - ক্ষমতাকেও এই বায়ুপ্রবাহ প্রভাবিত করে। যেমন- উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্র হাওয়া ও ভূমির তাপ শোষণ ক্ষমতায় বায়ু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণের কাজ করে।
- বায়ুপ্রবাহের কারণে নানারকম নৌযান, আকাশযান, যুদ্ধবিমান, মহাকাশযান পরিবহনের গতি নির্ধারিত হয়।
- বায়ুপ্রবাহের শক্তি দ্বারাই বায়ু ঘূর্ণনযন্ত্র চালিত হয়,ফলে পৃথিবীব্যাপি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে।
- বায়ুপ্রবাহের কারণেই বেশ কিছু জনপ্রিয় খেলা যেমন-ঘুড়ি ওড়ানো, স্নোকাইটিং, ঘুড়ি সাফিং ইত্যাদি সারা পৃথিবীতে প্রচলিত রয়েছে।
- এছাড়াও শুষ্ক আবহাওয়ায় ভূমিক্ষয়ের একটি বড় কারণ হলো বায়ুপ্রবাহ। বায়ুপ্রবাহের প্রভাবেই ছোট বালুকণা ও ধূলিকণা বায়ুসঞ্চালন দ্বারা একস্থান থেকে আরেক স্থানে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
বায়ুমন্ডলের প্রায় ৯৭ শতাংশই ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কত কিলোমিটার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ?
  1. ২৫ কিলোমিটার
  2. ৩০ কিলোমিটার
  3. ৩৫ কিলোমিটার
  4. ৪০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডল: 
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- মূলত ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উর্ধ্ব দিকে যে বায়বীয় আস্তরণ তাই বায়ুমন্ডল নামে পরিচিত ।
- এই মন্ডলটি নানা প্রকার গ্যাসীয় উপাদান দ্বারা গঠিত।
-   বায়ুমন্ডলের বয়স প্রায় ৩৫ কোটি বছর।
- এর গভীরতা প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার।
-  এই বায়ুমন্ডলের প্রায় ৯৭ শতাংশই ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩০ কিলোমিটার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।
 - বায়ুমন্ডলের একটির উপর আরেকটি পর্যায়ক্রমে অবস্থিত।
- সাধারণত উপরের স্তরের বায়ু নিচের বায়ুস্তরে ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।
- বায়ুর এই চাপের জন্যই পৃথিবীপৃষ্ঠ হতে যত উপরে উঠা যায়,বায়ুর ঘনত্ব ততই কমতে থাকে। তবে সমুদ্রপৃষ্ঠে এই বায়ুচাপের ঘনত্ব সব থেকে বেশি দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১১.
বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারন করে-
  1. মেসোমন্ডল
  2. স্ট্রাটোমন্ডল
  3. ট্রপোমন্ডল
  4. তাপমন্ডল
ব্যাখ্যা
•মেসোমন্ডল (Mesosphere):
- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে স্তর রয়েছে তাকে মেসোমন্ডল বা মেসোস্ফিয়ার বলে।
- এই মন্ডলের প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত উষ্ণতা দ্রুত কমতে থাকে।
- ৮০ কিলোমিটারের পরে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করে এবং এই অংশকে বলে মেসোপস বা মেসোবিরতি।
মেসোমন্ডলের বৈশিষ্ট্যগুলো :
ক) মেসোমন্ডলের উর্ধ্বসীমায় বায়ুর তাপমাত্রা প্রায় ৬৫.৫° সেলসিয়াস।
খ) এ মন্ডলের বায়ুচাপ খুব কম।
গ) মেসোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারন করে।
ঘ) সাধারণত যে সব উল্কা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলো এই স্তরে এসে পড়ে যায়। উল্কাপতন এলাকাটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
তাপমন্ডলের নিস্ন অংশকে বলা হয়-
  1. মেসোবিরতি
  2. স্ট্রাটোমন্ডল
  3. স্ট্রাটোবিরতি
  4. আয়নমন্ডল
ব্যাখ্যা
• তাপমন্ডল (Thermosphere):
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমন্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার বলে। এ মন্ডলে বায়ুস্তর অত্যন্ত হালকা ও চাপ ক্ষীণ।
- তাপমন্ডলের নিস্ন অংশকে বলা হয় আয়নমন্ডল।
• তাপমন্ডলের বৈশিষ্ট্য -
ক) তাপমন্ডলের বায়ু খুব হালকা এবং এখানে তাপের পরিবহনও নগণ্য।
খ) তীব্র সৌর বিকিরনে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনী রশ্মির সংঘাতে এই অংশে বায়ু আয়নযুক্ত হয়। এই জন্য একে
আয়নমন্ডল বা আয়নোস্ফিয়ার বলা হয়।
গ) পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে যে বেতার তরঙ্গ পাঠানো হয় তা এই স্তরের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে
আসে।
ঘ) এই স্তরে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৮০° সেলসিয়াসে এসে পৌঁছায়।

উৎস:  উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৩.
পারস্য উপসাগরের অবস্থান কোথায়?
  1. পশ্চিম এশিয়া
  2. দক্ষিণ এশিয়া
  3. উত্তর এশিয়া
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া
ব্যাখ্যা
পারস্য উপসাগর: 
- ভূমধ্যসাগরীয় সমুদ্র পারস্য উপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ ।
- এটি পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি ওমান উপসাগরের একটি সম্প্রসারিত অংশ এবং পূর্বে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত ।
- পারস্য উপসাগরকে আরব উপসাগর বা ইরান উপসাগরও বলা হয়।
- এটির আয়তন প্রায় ২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার ।
-  যার সর্বোচ্চ গভীরতা ৯০ মিটার 
- গড় গভীরতা ৫০ মিটার।
- পারস্য উপসাগর কয়েকটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত, যার মধ্যে উত্তরে ইরান, এবং উত্তর-পশ্চিমে বাহরাইন , ইরাক এবং কুয়েত রয়েছে। দক্ষিণে, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত , বাহরাইন, অবস্থিত।

উৎস: WorldAtlas.