ব্যাখ্যা
বাক্যের অর্থসংগতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদ বিন্যাসই হল আসত্তি।
'কাল বিতরনী হবে উৎসব স্কুলে আমাদের পুরস্কার অনুষ্ঠিত'- বাক্যটিতে পদ সন্নিবেস ঠিকভাবে না হওয়াতে ভাবটি প্রকাশ পায়নি। তাই এটি বাক্য হয়নি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন
বাক্যের অর্থসংগতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদ বিন্যাসই হল আসত্তি।
'কাল বিতরনী হবে উৎসব স্কুলে আমাদের পুরস্কার অনুষ্ঠিত'- বাক্যটিতে পদ সন্নিবেস ঠিকভাবে না হওয়াতে ভাবটি প্রকাশ পায়নি। তাই এটি বাক্য হয়নি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা বাংলা ভাষারই দুটো রীতি । তাই একই রচনায় সাধু ও চলিত ভাষার সংমিশ্রণ অসংগত ও অশুদ্ধ।
ভাষারীতির এ অশিষ্ট প্রয়োগকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।
শবপোড়া (অশুদ্ধ) - শবদাহ (শুদ্ধ)
ঘোড়ারশকট (অশুদ্ধ) - ঘোড়ারগাড়ি (শুদ্ধ)
মড়াদাহ (অশুদ্ধ) - মড়াপোড়া (শুদ্ধ)
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
মনিকাঞ্চন যোগ - উপযুক্ত মিলন
চাঁদের হাট - আনন্দের প্রাচুর্য। অর্থ অনুযায়ী এই বাগধারাটিই এই বাক্যে উপযুক্ত।
ডুমুরের ফুল - দূর্লভ বস্তু
তাসের ঘর - খণস্থায়ী বস্তু
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
ফারসি উপসর্গ গুলো হল- 'কার' 'দর' 'না' 'নিম' 'ফি' 'দ' 'বে' 'বর' 'ব' 'কম'
আরবি উপসর্গ- 'আম' 'খাস' 'লা' 'গর
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
'না' শব্দটি বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়ার পরে ও অসমাপিকা ক্রিয়ার পূর্বে বসে।
যেমনঃ সমাপিকা ক্রিয়ার পরে- আমি যাব না।
অসমাপিকা ক্রিয়ার পূর্বে - না চাইতে দানের কোন মর্যাদা নেই।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী
মধ্যে - 'সীমার মাঝে অসীম তুমি'
একদেশিক - 'এ দেশের মাঝে একদিন সব ছিল'
ব্যাপ্তি - 'আছ তুমি প্রভু, জগত মাঝারে'
সর্বত্র - 'আমার মাঝে তুমি জুরে আছ'
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি।
সংস্কৃত ও বাংলা উপসর্গের মিল আছে ৪ টি। তা হলো- বি, নি, সু, আ
ফারসি উপসর্গ গুলো হল- 'কার' 'দর' 'না' 'নিম' 'ফি' 'দ' 'বে' 'বর' 'ব' 'কম'
আরবি উপসর্গ- 'আম' 'খাস' 'লা' 'গর
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক, হইতে (হতে), চেয়ে, অপেক্ষা, মধ্যে- প্রভৃতি অনুসর্গগুলো বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
সম্বন্ধ পদ বাক্যে বিশেষ্যের পূর্বে ব্যবহৃত হয়।
যেমনঃ ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এসেছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
ফারসি উপসর্গ গুলো হল- 'কার' 'দর' 'না' 'নিম' 'ফি' 'দ' 'বে' 'বর' 'ব' 'কম'
আরবি উপসর্গ- 'আম' 'খাস' 'লা' 'গর'
হিন্দি-উর্দু উপসর্গ- 'হর'
ইংরেজি উপসর্গ- 'ফুল' 'হাফ' 'হেড' 'সাব'
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
একটি প্রধান বাক্যের সাথে এক বা একাধিক খণ্ড বাক্য সাধারনভাবে বা কোন অনুগামি সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সাপেক্ষ সর্বনাম দিয়ে যুক্ত হয়ে পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হলে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
এখানে,'এ ঋণ স্বীকার করব' প্রধান বাক্য আর 'যতদিন জীবিত থাকবো' হলো অপ্রধান বা খণ্ড বাক্য। 'ততদিন' দিয়ে যুক্ত হয়েছে।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।
- মন্দ্র - গম্ভীর শব্দ/ধ্বনি;
- আনন্দজনক ধ্বনি = নন্দিঘোষ
- বীণা ইত্যাদি বাদ্য যন্ত্রাদির শব্দ = ঝংকার
- ঝন ঝন শব্দ - ঝনৎকার
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
ইঁদুর কপালে - মন্দ ভাগ্য
অন্ধকার দেখা - দিশাহারা হয়ে পরা
থ বনে যাওয়া - স্তম্ভিত হওয়া
আকাশ ভেঙ্গে পরা - হঠাৎ বিপদ দেখা
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
প্রশ্নসূচক- এ ধরনের বাক্যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়।
যথাঃ যাবে নাকি? কেন এসেছ? 'সে কি যাবে?' - এ বাক্যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়েছে।
বিষ্ময়সূচক- এ ধরনের বাক্যে আশ্চর্যজনক কিছু বোঝায়।
যেমনঃ তাজ্জব ব্যপার!
আদেশসূচক- এ ধরনের বাক্যে আদেশ করা হয়।
যেমনঃ চুপটি করে বস।
বিবৃতিসূচক- সাধারণভাবে হ্যাঁ বা না বোধক বাক্য।
যেমনঃ সে ঢাকা যাবে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদরূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলা হয়।
মনে রাখতে হবে, এরা- শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে কিন্তু শব্দ-বিভক্তি নয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি।
যথা - অ, অনা, অজ, অঘা, আ, আড়, আন, আর, ইতি, ঊন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
এখানে 'অকাজ' শব্দে ব্যবহৃত উপসর্গটি খাটিবাংলা উপসর্গযোগে গঠিত।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
যোগ্যতা - বাক্যের অন্তর্গত পদ সমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাবসম্মিলনের নামই যোগ্যতা।
যেমনঃ চাঁদে বসে মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
- এটা যোগ্যতাহীন বাক্য কারণ- চাঁদে বসে চাঁদ দেখানো অসম্ভব।
সঠিক- ছাদে বসে মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
অভিপ্রায় বলতে মূলত ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা কে বোঝায়। 'পড়া শেষে খেলতে যাবো' - বাক্যটি দ্বারা অভিপ্রায় লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে।
যদি এমন বলা হতো, 'আমরা প্রতিদিন পড়া শেষে খেলতে যাই' - তাহলে অভ্যাস প্রকাশ পেত।
আবার যদি এমন বলা হতো, 'আমাদের পড়া শেষে খেলতেই হয়' - তখন আসক্তি প্রকাশ পেত।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
ঘৃণা - তুমি এত নিচ।
লজ্জা - ছিঃ ছিঃ তার সঙ্গে পারলেনা।
ধিক্কার - ছিঃ তোমার এই কাজ।
ক্রোধ - তোমাকে দেখে নেবো।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
অপদেবতা অর্থ খারাপ দেবতা।
তাই এখানে মন্দ অর্থে 'অপ' ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎস- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, সৌমিত্র শেখর।
একটি প্রধান বাক্যের সাথে এক বা একাধিক খণ্ড বাক্য সাধারণভাবে বা কোন অনুগামি সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সাপেক্ষ সর্বনাম দিয়ে যুক্ত হয়ে পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হলে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
এখানে,'আমি এসেছি' প্রধান বাক্য আর 'কারণ তোমাকে নিয়ে যাবো' হলো অপ্রধান বা খণ্ড বাক্য।
অনুরূপভাবে প্রশ্নোক্ত বাক্যটিও জটিল বাক্য।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।
- গয়ংগচ্ছ - ঢিলেমি
- কপাল ফেরা - সৌভাগ্য লাভ
- কেঁচে গণ্ডূষ - পুনরায় আরম্ভ
- গণেশ উলটানো - ফেল মারা
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।
গড্ডলিকা প্রবাহ - অন্ধ অনুকরণ
কথার কথা - গুরুত্বহীন কথা
কলুর বলদ - একটানা খাটুনী
খণ্ড প্রলয় - তুমুল কাণ্ড
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায়না এমন - অনন্যসাধারণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
যৌগিক বাক্য - সম্পূর্ণ পৃথক ও নিরপেক্ষ একাধিক খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয়ের সাহায্যে যুক্ত হয়ে পরিপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
যেমনঃ 'টাকা দাও' + তবে + 'মুক্তি পাবে'। বা 'টাকা দাও, মুক্তি পাবে'।
সরল বাক্য - বাক্যে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকবে এবং অন্য কোন বাক্যের সাথে যুক্ত কিংবা সম্পর্কিত থাকবেনা।
যেমনঃ টাকা দিলে মুক্তি পাবে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর নেই। তাই বাতিল করা হয়েছে।
উপকূল - কূলের সমীপে
উপনদী, উপভাষা, উপদল - এগুলো সবই কোন একটা বিষয় বা কোনকিছুর ক্ষুদ্র অংশ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
বাংলা ভাষায় যে অব্যয় সূচক শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদরূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বলা হয়। দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কতৃক, হইতে (হতে), চেয়ে, অপেক্ষা, মধ্যে প্রভৃতি অনুসর্গগুলো বিভক্তি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
একটি প্রধান বাক্যের সাথে এক বা একাধিক খণ্ড বাক্য সাধারনভাবে বা কোন অনুগামি সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সাপেক্ষ সর্বনাম দিয়ে যুক্ত হয়ে পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হলে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
এখানে, 'বের হবোনা' প্রধান বাক্য আর 'যদি বৃষ্টি হয়' হলো- অপ্রধান বা খণ্ড বাক্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।