পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩২
সিলেবাস
Exam- 4: The Code of Civil Procedure, 1908 Topic: Section 96-158, Order 41-51
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩২ প্রশ্ন

.
আদালতের কার্যধারার ত্রুটি বা অনিয়মের জন্য মোকদ্দমার গুণাগুণের ক্ষতি না হলে, ধারা ৯৯ অনুসারে আপিলে উক্ত-
  1. মোকদ্দমার ডিক্রি বাতিল করা যাবে
  2. মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা যাবে
  3. মোকদ্দমার ডিক্রি বহুলাংশে রদবদল করা যাবে
  4. মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা যাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা-৯৯: মোকদ্দমার কোন ক্ষতি বা আদালতের এখতিয়ার ব্যাহত না হলে ভুল, বিচ্যুতি বা অনিয়মের জন্য ডিক্রি বাতিল বা রদবদল করা চলবে না:
মোকদ্দমার পক্ষ বা বিষয়বস্তু-সংক্রান্ত কোন ভুলের দরুন বা কার্যধারার ভ্রান্তি, ত্রুটি বা অনিয়মতার জন্য কোন মোকদ্দমার ক্ষতি বা আদালতের এখতিয়ারকে ক্ষুন্ন না করলে আপিলে কোন ডিক্রি বাতিল বা বহুলাংশে রদবদল করা চলবে না বা মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা চলবে না

Sec.-99: No decree to be reversed or modified for error or irregularity not affecting merits or jurisdiction:
No decree shall be reserved or substantially varied, nor shall any case be remanded, in appeal on account of any misjoinder of parties or causes of action or any error, defect or irregularity in any proceedings in the suit, not affecting the merits of the case or the jurisdiction of the Court.
.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগে
  2. শুধুমাত্র জেলা জজ আদালতে
  3. অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায়
  4. উল্লিখিত কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৬: কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে:
যখন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেয়া হয়, তখন যে মোকদ্দমায় অনুরূপ আদেশ প্রদত্ত হয়েছে, অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায় এরূপ আদালতে এর শুনানি হবে, কিংবা যখন হাইকোর্ট বিভাগ নয় আপিল এতিয়ার প্রয়োগকারী এরূপ আদালত কর্তৃক অনুরূপ আদেশ প্রদান করা হয়, তখন হাইকোর্ট বিভাগে এর শুনানি হবে।

Sec.-106: What Courts to hear appeals:
Where an appeal from any order is allowed it shall lie to the Court to which an appeal would lie from the decree in the suit in which such other order was made, or where such order is made by a Court (not being the High Court Division) in the exercise of appellate jurisdiction, then to the High Court Division.
.
The Code of Civil Procedure,1908 এর ৯৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে-
  1. প্রাথমিক ডিক্রি বাতিল হয়ে যাবে
  2. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না
  3. প্রাথমিক ডিক্রির সঠিকতা নিয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে
  4. প্রাথমিক ডিক্রির সঠিকতা নিয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না
ব্যাখ্যা
Section-97. Appeal from final decree where no appeal from preliminary decree:
Where any party aggrieved by a preliminary decree passed after the commencement of this Code does not appeal from such decree, he shall be precluded from disputing its correctness in any appeal which may be preferred from the final decree.

এ ধারার সারমর্ম হচ্ছে-
প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রি উভয় ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
.
দেওয়ানি আদালত কয়টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
.
Order 47 Rule 4 of The Code of Civil Procedure, 1908:
Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a ________, it shall reject the application.
  1. appeal
  2. revision
  3. review
  4. reference
ব্যাখ্যা
Order 47 Rule.-4: Application where rejected-
1) Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a review, it shall reject the application.

2) Application where granted: Where the Court is of opinion that the application for review should be granted, it shall grant the same: Provided that-
a) no such application shall be granted without previous notice to the opposite party. enable him to appear and be heard in support of the decree or order, a to review of which is applied for: and
b) no such application shall be granted on the ground of discovery of newmatter or evidence which the applicant alleges was not within his knowledge, or could not be adduced by him when the decree or order was passed or made.

আদেশ ৪৭ বিধি-৪: যেক্ষেত্রে আবেদন অগ্রাহ্য হয়:
১) যদি আদালতের নিকট দৃষ্টিগোচর হয় যে,পুনর্বিবেচনা করার মত যথেষ্ট অজুহাত নেই, তাহলে আদালত পুনর্বিবেচনার আবেদন অগ্রাহ্য করতে পারবে।

২) আবেদন মঞ্জুর হওয়ার ক্ষেত্রেঃ যদি আদালত মনে করেন যে, পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করা উচিতঃ তবে শর্ত থাকে যে,
ক) যে ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা করা হয়েছে, সে ডিক্রি বা আদেশ সম্পর্কে বিপরীত পক্ষকে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ প্রদানের জন্য পূর্বে নোটিশ প্রদান করা না হলে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না; এবং

খ) প্রার্থনাকারী এমন ধরনের নতুন তথ্য বা প্রমাণের উদঘাটন করেছে যা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তার জ্ঞাতসারে ছিল না বা উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি, উক্ত অভিযোগের কারণে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা আবেদন করা হলে ঐরূপ অভিযোগ সম্বন্ধে দৃঢ় প্রমাণ ব্যতীত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা মঞ্জুর করা যাবে না।
.
রিভিশন ক্ষমতাবলে অতিরিক্ত জেলা জজ আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে ২য়
  2. সরাসরি জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন
  3. অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন
  4. অনুমতিসাপেক্ষে জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী,

১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়।
অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
.
আদেশ ৪১ বিধি ২৩ এর অধীন আপিল আদালত মোকদ্দমার কোন বিষয়ে আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা বাতিলের
  2. মোকদ্দমা স্থগিত করার
  3. মোকদ্দমা উচ্চ আদালতে পাঠানোর
  4. মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩- বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:

যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রী রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রী হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

Order 41 Rule 23- Remand of case by Appellate Court:
Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন প্রেরিত পরোয়ানা জারির খরচ সাধারণত কে বহন করে?
  1. আদালত
  2. মোকদ্দমার উভয় পক্ষ
  3. পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষ
  4. যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রেরণ করা হয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৮ বিধি-১: পরোয়ানা প্রেরণকারী পক্ষের খরচেই জারি করতে হবে:

১) এই কোডের অধীনে যদি অন্যরূপ নির্দেশ প্রদান না করে তাহলে যে পক্ষের মাধ্যমে যাবতীয় পরোয়ানা প্রদত্ত হবে, সে পক্ষের খরচায় তা জারি করা হবে।
২) জারির খরচঃ একই ধরণের জারির জন্য ধার্য্যকৃত কোর্ট ফি পরোয়ানা প্রদানের পূর্বে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

Rule.-1: Process to be served at expense of party issuing.-
1) Every process issued under this Code shall be served at the expense of the party on whose behalf it is issued unless the Court otherwise directs.
2) Costs of service: The court-fee chargeable for such service shall be paid within a time to be fixed before the process is issued.
.
আদেশ ৪১ বিধি-৩৩ অনুযায়ী, আপিল আদালতের কোন ক্ষমতা থাকবে?
  1. শুধুমাত্র প্রাথমিক ডিক্রি সংশোধন করার ক্ষমতা
  2. নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করার ক্ষমতা
  3. যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত, তা প্রদানের ক্ষমতা
  4. শুধুমাত্র আপিলকারী পক্ষের অনুকূলে রায় দেওয়ার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-৩৩: আপিল আদালতের ক্ষমতা:

যে কোন ডিক্রি বা আদেশ যা প্রদান করা উচিত বা অতিরিক্ত কোন ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের ক্ষমতা আপিল আদালতের থাকবে এবং আপিল ডিক্রির অংশ বিশেষ সম্পর্কিত হওয়া সত্ত্বেও এ ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে এবং পক্ষদের সকলের বা যে কোন একজন উত্তরদায়ক বা পক্ষ আপিল বা আপত্তি দায়ের করে না থাকে, তবে আপিল আদালত উত্তরদায়ক বা পক্ষদের সকলের অনুকূলে ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল দায়ের হয়েছে সে আদালত কোন আপত্তির উপর অনুরূপ আদেশ দিতে বাদ দিলে বা দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে সে সম্পর্কে আপিল আদালত এ আইনের ৩৫ক ধারার অধীনে কোন আদেশ প্রদান করবেন না।

উদাহরণঃ X, Y বা Z-এর নিকট কিছু টাকা পাবে বলে দাবী করে এবং উভয়ের বিরুদ্ধে রুজুকৃত মোকদ্দমা Y-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি লাভ করে। Y, আপিল করে এবং X ও Z উত্তরদায়ক থাকে। আপিল আদালত Y-এর অনুকূলে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করে। এ ক্ষেত্রে Z-এর বিরুদ্ধে ডিক্রি দেয়ার ক্ষমতা আপিল আদালতের আছে।
১০.
কত বিধি অনুযায়ী আপিল আদালত আপিলকারীর নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত করতে পারে?
  1. আদেশ ৩৩ বিধি-২
  2. আদেশ ৪১ বিধি-২
  3. আদেশ ৪৪ বিধি-২
  4. আদেশ ৪৫ বিধি-২
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।
১১.
আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৪১
  2. ধারা ১০২
  3. আদেশ ৪৩
  4. ধারা ১০৭
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।
১২.
আপিল আদালতের রায় সংক্রান্ত কোন বিবৃতিটি সঠিক?
  1. রায়ে শুধুমাত্র মামলার ফলাফল উল্লেখ করতে হবে
  2. রায়ে সিদ্ধান্তের কারণসহ সম্পূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে
  3. রায়ে শুধুমাত্র আপিলকারীর দাবী উল্লেখ করতে হবে
  4. রায়ে বিচারকের মতামত ছাড়া অন্য কিছু উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-৩১: রায়ের সারমর্ম তারিখ এবং স্বাক্ষর:

আপিল আদালতের রায় লিখিত হতে হবে, এবং
ক) সিদ্ধান্তের বিষয়সমূহ;
খ) তাদের উপর সিদ্ধান্ত;
গ) সিদ্ধান্তের কারণসমূহ; এবং
ঘ) যেক্ষেত্রে আপিলকৃত ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয় সেক্ষেত্রে আপিলকারী যে প্রতিকারের অধিকারী তা বিবৃত করতে হবে; এবং সেটি ঘোষণার সময় বিচারক বা মতৈক্যে উপনীত বিচারকবৃন্দ তাতে স্বাক্ষর করবে ও তারিখ দিবে।
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী কোন Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়?
  1. নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে
  2. মামলার নথিতে ভুল-ভ্রান্তি থাকলে
  3. ক ও খ উভয় কারনে
  4. উল্লিখিত কোন কারনে নয়
ব্যাখ্যা
• রিভিউ (Review)-
আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে। অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতেই রিভিউ করতে হবে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। 

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে;
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ _________ হবে।
  1. মৌখিক
  2. লিখিত
  3. মৌখিক বা লিখিত
  4. আদালতের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারা: আদেশ ও নোটিশ লিখিত হতে হবে:
এই আইনের বিধানানুযায়ী কোনো ব্যক্তির প্রতি জারি বা প্রদত্ত সকল আদেশ এবং নোটিশ লিখিতভাবে হবে।

Section 142: Orders and notices to be in writing:
All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.
১৫.
আপিল বিভাগের আদেশ যে আদালতের মাধ্যমে জারি করা হয়, সেই জারি সম্বন্ধে উক্ত আদালতের আদেশ-
  1. আপিলঅযোগ্য
  2. আপিলযোগ্য
  3. রিভিশনযোগ্য
  4. উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোন প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৫ বিধি-১৬: জারিকরণ সম্বন্ধীয় আদেশ হতে আপিল:
আপিল বিভাগের আদেশ যে আদালতের মাধ্যমে জারি করা হয়, সে জারি সম্বন্ধে উক্ত আদালতের আদেশ উক্ত আদালতের স্বীয় ডিক্রি জারি সম্পর্কিত আদেশের ন্যায় একই প্রক্রিয়ায় এবং একইরূপ বিধিমালা সাপেক্ষে আপিলযোগ্য হবে।

Rule-16: Appeal from order relating to execution:
The orders made by the Court which executes the order of the Appellate Division, relating to such execution, shall be appealable in the same manner and subject to the same rules as the orders of such Court relating to the execution of its own decrees.
১৬.
আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিলে, তা গ্রহণের কারণ কে লিপিবদ্ধ করবে?
  1. আদালত
  2. আপিলকারীর আইনজীবী
  3. মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়
  4. লিপিবদ্ধ করার বিধান নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা
খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করা অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।
১৭.
"Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court." This provision relates to-
  1. Section 157
  2. Section 150
  3. Section 151
  4. Section 152
ব্যাখ্যা
Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
১৮.
আদেশ ৪৬ বিধি ২ এর অধীন কোন পরিস্থিতিতে আদালত মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে?
  1. মোকদ্দমার রিভিউ চলমান থাকলে
  2. মোকদ্দমায় নতুন সাক্ষ্য-প্রমাণ পেলে
  3. মোকদ্দমা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করা হলে
  4. মোকদ্দমাটি আপিলের জন্য প্রস্তুত করা হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-২: আদালত হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন:

অনুরূপ রেফারেন্স প্রেরণ করা স্বত্ত্বেও আদালত কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর হতে পারেন, এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত বিষয় সম্বন্ধে সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারে; কিন্তু রেফারেন্সে প্রেরিত বিষয়ের উপর রায়ের নকল না পাওয়া পর্যন্ত যে মোকদ্দমায় অনুরূপ বিষয় প্রেরিত হয় সে মোকদ্দমায় কোন ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাবে না।

Rule-2: Court may pass decree contingent upon decision of High Court Division:
The Court may either stay the proceedings or proceed in the case notwithstanding such reference, and may pas a decree or make an order contingent upon the decision of the High Court Division on the point referred;but no decree or order shall be executed in any case in which such reference is made until the receipt of a copy of the judgment of the High Court Division uponthe reference.
১৯.
যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে উক্ত সংশোধনীতে, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান অনুযায়ী কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. আপিলকারী
  2. আপিলকারীর উকিল
  3. আপিলের উভয়পক্ষ
  4. বিচারক বা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।

Order 41 Rule-3: Rejection or amendment of memorandum:
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection.
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
২০.
নিম্নের কোন বিধির অধীনের আদেশটি আপিলযোগ্য?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৭২
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯২
  3. আদেশ ৭ বিধি ১০
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
• আপিলযোগ্য আদেশ:
 সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

আদেশ ৪৩ অনুসারে:
আদেশ ৭ বিধি ১০ এর অধীন আদেশ, ২১ অর্ডারের ৭২ অথবা ৯২ রুল-এর অধীন ডিক্রি জারিতে বিক্রয় বাতিল করার আদেশ বা বিক্রয় বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার আদেশ (setting aside or refusing to set aside)- সবগুলো আপিলযোগ্য আদেশ।
২১.
আদেশ ৪৭ বিধি ৯ অনুসারে রিভিউ আবেদনের নিষেধাজ্ঞা কোনটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. যে কোনো আদেশের ক্ষেত্রে
  2. হাইকোর্টের আদেশের ক্ষেত্রে
  3. আপিল আদালতের আদেশের ক্ষেত্রে
  4. রিভিউতে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রির ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• রিভিউ:
যে আদালত ডিক্রি/আদেশদ দেয়, সে আদালতে (রায় প্রদানকারী আদালতে) রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা ও ৪৭ আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারা এবং আদেশ ৪৭ এর ১(১) বিধি মোতাবেক রিভিউ-এর আবেদন করা যায় নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে:
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি;
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না;
⇒ স্মল কজ কোর্টের রেফারেন্সে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।

রিভিউ করা যায় যে কারণে:
i) মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন কোনো বিষয় আবিষ্কার হলে, যা মোকদ্দমার ডিক্রিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে নানান চেষ্টা করা সত্ত্বেও আদালতে উপস্থাপন করতে অক্ষম হয়েছিল;
ii) নথিতে আপাত কোনো ভুলের কারণে;
iii) অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে।

আদেশ ৪৭ বিধি ৯: কতিপয় রিভিউ আবেদনের ক্ষেত্রে বাধা:
রিভিউ আবেদন সম্পর্কে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা রিভিউতে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের রিভিউ আবেদন যাবে না।
২২.
No _______ shall lie from any order passed in appeal under Section 104(2) of The Code of Civil Procedure, 1908.
  1. appeal
  2. review
  3. revision
  4. reference
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৪: কোন আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে:

(১) নিম্নলিখিত আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে, এবং যদি এই কোডের মূল অংশে বা বর্তমানে কার্যকর কোনো আইনে অন্যথায় স্পষ্টভাবে প্রদান না করা হয়, তবে অন্য কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না:
(চচ) ধারা ৩৫ক এর অধীনে একটি আদেশ;
(ছ) ধারা ৯৫ এর অধীনে একটি আদেশ;
(জ) এই কোডের কোনো ধারা অনুযায়ী একটি আদেশ যা কোনো ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান বা দেওয়ানি কারাগারে আটক বা আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে এমন আটক বা আটককরণ যদি কোনো ডিক্রির কার্যকরীকরণের জন্য না হয়;
(ঝ) নিয়মের অধীনে করা কোনো আদেশ যা থেকে নিয়ম অনুযায়ী আপিল স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে ধারা (চচ) এ উল্লিখিত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদি না এই ভিত্তিতে যে কোনো আদেশ, বা কম পরিমাণ প্রদানের জন্য আদেশ করা উচিত ছিল না।

(২) এই ধারার অধীনে আপিলে দেয়া কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না।

Section-104: Orders from which appeal lies-
(1) An appeal shall lie from the following orders, and save as otherwise expressly provided in the body of this Code or by any law for the time being in force, from no other orders:
(ff) an order under section 35A;
(g) an order under section 95;
(h) an order under any of the provisions of this Code imposing a fine or directing the arrest or detention in the civil prison of any person except where such arrest or detention is in execution of a decree;
(i) any order made under rules from which an appeal is expressly allowed by rules:
Provided that no appeal shall lie against any order specified in clause (ff) save on the ground that no order, or an order for the payment of a less amount, ought to have been made.

(2) No appeal shall lie from any order passed in appeal under this section.
২৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমার ডিক্রিতে কোন করণিক বা গাণিতিক ভুল থাকলে, আদালত উক্ত ডিক্রি-
  1. শুধুমাত্র আবেদনকারীর অনুরোধে সংশোধন করতে পারে
  2. শুধুমাত্র নিজস্ব উদ্যোগে সংশোধন করতে পারে
  3. নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে সংশোধন করতে পারে
  4. কোনোভাবেই সংশোধন করতে পারে না
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারা- রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।

Section 152- Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২৪.
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক অনুযায়ী, আদালত কোন পরিস্থিতিতে আপিল সরাসরি পুনঃশুনানি করতে পারেন?
  1. আপিলকারী পক্ষের অনুরোধে
  2. বিবাদী পক্ষের অনুরোধে
  3. প্রাথমিক শুনানির সময় ভুলত্রুটি থাকলে
  4. বিলম্ব এড়ানোর জন্য এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার জন্য
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিলে পুনঃশুনানি:

১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন। বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃতবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ

তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দেওয়ানি পরোয়ানায় গ্রেফতার ও জেলে আটক থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়?
  1. ধারা ১২০ক
  2. ধারা ১৩৫ক
  3. ধারা ১৪০
  4. ধারা ১৫০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ক ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে সংসদ সদস্যদের অব্যাহতি:

১) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার অথবা জেলে আটক রাখা যাবে না-
ক) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের সদস্য হন, তবে সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময়ে;
খ) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের কোন কমিটির একজন সদস্য হন, তবে এরূপ কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; এবং এরূপ অধিবেশন বা বৈঠকের পূর্বের বা পরের চৌদ্দ দিন সময় পর্যন্ত।

২) উপ-ধারা (১) অনুসারে আটকাদেশ হতে মুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই উপ-ধারায় উল্লেখিত বিধান সাপেক্ষে পুনঃগ্রেফতার করা যাবে এবং তিনি (১) উপ-ধারার বিধানের অধীনে মুক্ত না হলে আরও যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যাবে।

Section: 135A- Exemption of members of legislative bodies from arrest and detention under civil process:
(1) No person shall be liable to arrest or detention in prison under civil process-
(a) if he is a member of Parliament during the continuance of any meeting of Parliament;
(b) if he is a member of any committee of Parliament, during the continuance of any meeting of such committee; and during the fourteen days before and after such meeting or sitting.

(2) A person released from detention under sub-section (1) shall, subject to the provisions of the said sub-section, be liable to re-arrest and to the further detention to which he would have been liable if he had not been released under the provisions of sub-section (1).
২৬.
দেওয়ানি আদালতের ১০৮ ধারায় ________ আদালতের ডিক্রি ও আদেশসমূহ হতে আপিলের পদ্ধতি বর্ণিত আছে।
  1. রিভিউ
  2. আপিল
  3. রিভিশন
  4. জেলা জজ
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৮: আপিল আদালতের ডিক্রি ও আদেশসমূহ হতে আপিলের পদ্ধতি:
মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলসমূহ সম্পর্কিত এই খণ্ডের বিধানসমূহ যথাসম্ভব নিম্নোক্ত আপিলের ক্ষেত্রে প্রযুক্ত হবে-
ক) আপিল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল; এবং
খ) এই আইন অনুযায়ী প্রদত্ত কোন আদেশ কিংবা যে কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনে স্বাতন্ত্র্য কোন পদ্ধতির বিধান নেই, তদ্রূপ আইনবলে প্রদত্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল।

Sec.-108: Procedure in appeals from appellate decrees and orders:
The provisions of this Part relating to appeals from original decrees shall, so far as may be, apply to appeals-
a) from appellate decrees, and
b) from orders made under this Code or under any special law in which a different procedure is not provided.
২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী, আপিল আদালতের কী ক্ষমতা রয়েছে?
  1. শুধুমাত্র মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা
  2. শুধুমাত্র চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এবং পুনর্বিচার
  3. কেবলমাত্র অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ এবং বিচার্য বিষয় গঠন
  4. চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, পুনর্বিচার, বিচার্য বিষয় গঠন এবং অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৭: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
২৮.
The rules of Order _______ shall apply, so far as may be, to appeals from appellate decrees.
  1. XL
  2. XLI
  3. XLII
  4. XLIII
ব্যাখ্যা
ORDER 42:
APPEALS FROM APPELLATE DECREES (আপিলের ডিক্রি হতে আপিল)

Rule.-1: Procedure:
The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from appellate decrees.

বিধি-১- কর্মপদ্ধতি:
আপিলের ডিক্রি হতে আপিল-এর ক্ষেত্রে আদেশ-৪১ এর বিধিসমূহ যতদূর সম্ভব প্রযোজ্য হবে।
২৯.
আপিল আদালত কর্তৃক রায় ঘোষণার তারিখ সম্পর্কে কাকে নোটিশ দিতে হবে?
  1. শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণকে
  2. মোকদ্দমার পক্ষগণকে বা উকিলগণকে
  3. শুধুমাত্র উকিলদের নোটিশ দিতে হবে
  4. কোনো নোটিশ দেয়ার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-৩০- রায় কখন এবং কোথায় ঘোষিত হয়: 
আপিল আদালত পক্ষগণ বা তাদের উকিলদের শুনানির পর এবং আপিলের বা যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে সে আদালতের কার্যধারার কোন অংশ রেফারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হলে সেটা উল্লেখ করে তৎক্ষণাৎ বা পরবর্তী তারিখ সম্পর্কে যার নোটিশ পক্ষগণকে বা উকিলগণকে প্রদান করতে হবে, প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষিত হবে।

Order 41 Rule-30: Judgment. When and where pronounced-
The Appellate Court after hearing the parties or their pleaders and referring to any part of the proceedings, whether on appeal or in the Court from whose decree the appeal is preferred, to which reference may be considered necessary, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day of which notice shall be given to the parties or their pleaders.
৩০.
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালত (Court of Small Causes) এর এখতিয়ার সম্পর্কিত সন্দেহ তৈরি হলে, আদেশ ৪৬ বিধি-৬ অনুসারে আদালত কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে?
  1. নিজেই সিদ্ধান্ত নেবে
  2. জেলা জজ আদালতে নথি দাখিল করবে
  3. মামলা বাতিল করবে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে নথি দাখিল করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-৬: ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার ক্ষমতা:
১) যেক্ষেত্রে রায় প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় যে আদালতে মোকদ্দমা রুজু হয়েছে, সে আদালত, মোকদ্দমা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সন্দেহ করে, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে

২) হাইকোর্ট বিভাগ নথি এবং বিবৃতি গ্রহণ করার পর উক্ত আদালতকে মোকদ্দমায় অগ্রসর হতে অথবা উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণের উপযুক্ত ঘোষিত কোন আদালতে উহার আদেশ মতে পেশ করার জন্য আরজি ফেরত পাঠানোর আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to refer to High Court division questions as to jurisdiction in small causes:
1) Where at any time before judgment a Court in a suit has been instituted doubts whether the suit is cognizable by a Court of Small Causes or is not so cognizable, it may submit the record to the High Court Division with a statement of its reasons for the doubt as to the nature of the suit.

2) On receiving the record and statement, the High Court Division may order the Court either to proceed with the suit or to return the plaint for presentation to such other Court as it may in its order declare to be competent to take cognizance of the suit.
৩১.
আপিল শুনানির দিন যদি আপিলকারী অনুপস্থিত এবং রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত থাকে, তাহলে আদেশ ৪১ বিধি ১৭ এর অধীন-
  1. আপিল খারিজ করা হবে
  2. শুনানি পুনঃতফসিল করা হবে
  3. একতরফা ভাবে আপিল শুনানি হবে
  4. আপিলকারীর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ আনা হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফা ভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারার অধীনে যে মহিলারা জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য নন, তারা কী থেকে অব্যাহতি পাবেন?
  1. মামলা দায়ের করা থেকে
  2. মামলায় আসামি হওয়া থেকে
  3. আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে
  4. কোন আইনানুগ কার্যক্রম থেকে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারা: কতিপয় স্ত্রীলোকের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:

১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল স্ত্রীলোককে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন স্ত্রীলোককে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ স্ত্রীলোক অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লেখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।

Section 132: Exemption of certain women from personal appearance:
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court.
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.