পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
বিষয় - নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন টপিকসমূহ: 1) Impact of Values Education and Good Governance in national development; 2) How the element of Good Governance and Values Education can be established in society in a given social context; 3) The benefits of Values Education and Good Governance and the cost society pays adversely in their absence. উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
"আইন হচ্ছে আবেগহীন যুক্তি" উক্তিটি কার?
  1. এরিস্টটল
  2. সক্রেটিস
  3. জন অস্টিন
  4. অধ্যাপক হল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
ব্যাখ্যা

আইন:
- সভ্য সমাজের মানদণ্ড হলো আইনের শাসন।
- আইন শব্দটি ফার্সি শব্দ।
- সাংবিধানিক আইন বা বিধি-বিধানে সরকার পরিচালিত হয়।
- যুক্তিসিদ্ধ আচ্ছার অভিব্যক্তিই আইন উক্তিটি করেন এরিস্টটল। -
- আইন হচ্ছে নিম্নতমের প্রতি ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্তৃত্বের আদেশ উক্তিটি করেন জন অস্টিন।
- আইনের সর্বজনগ্রাহ্য বা সর্বাপেক্ষা বিজ্ঞানসম্মত সংজ্ঞা প্রদান করেছেন উড্রো উইলসন।
- আইন হচ্ছে আবেগহীন যুক্ত উক্তিটি করেন- এরিস্টটল।
- "Law is the passionless reason" উক্তিটি করেন এরিস্টটল।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।

.
মূল্যবোধ দৃঢ় হয় কীসের মাধ্যমে?
  1. ধর্মের মাধ্যমে
  2. শিক্ষার মাধ্যমে
  3. কর্মের মাধ্যমে
  4. রাজনীতির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
শিক্ষার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ: 
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
- শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ অর্জন।
- জ্ঞানার্জন বা শিক্ষার মাধ্যমেই মূল্যবোধ সুদৃঢ় হয়।
- মানুষের শিক্ষাজীবনকে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় বলা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- পরিবার থেকেই মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয়।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয় (শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন নবম- দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

.
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হয় কবে? 
  1. ৮ ডিসেম্বর
  2. ৯ ডিসেম্বর
  3. ১০ ডিসেম্বর
  4. ১২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

- ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক ৩০টি ধারা সম্বলিত সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের দিন ১০ ডিসেম্বরকে প্রতিবছর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রে মোট ৩০ টি ধারা রয়েছে।
- এটি প্রস্তুত করেন নোবেল বিজয়ী ওরেন ক্যাসিন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

.
নিচের কোনটি আইনের বৈশিষ্ট্য? 
  1. গতিশীল
  2. ব্যক্তিস্বাধীনতার রক্ষক
  3. সর্বজনীন
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

• অধ্যাপক হল্যান্ড এর মতে আইন হচ্ছে, "সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ যা প্রয়োগ করেন।"
• জন অস্টিন বলেন, "আইন হল সার্বভৌম শাসকের আদেশ"।
• আইনের বৈশিষ্ট্য বা প্রকৃতি: 
• আইন সম্পর্কে বিশেষজ্ঞগণের মতামত থেকে আইনের কিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
(১) সার্বভৌম ক্ষমতা কর্তৃক অনুমোদিত
(২) সর্বজনীন
(৩) বিধিবদ্ধ নিয়মাবলি
(৪) বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক
(৫) ব্যক্তিস্বাধীনতার রক্ষক
(৬) সুস্পষ্ট
(৭) গতিশীল
(৮) দেশকাল ভেদে পরিবর্তনশীল

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন,এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ই-গর্ভনেন্স বাস্তবায়নের ফলে শাসন ব্যবস্থায় কী ঘটবে?
  1. স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়
  2. দুর্নীতি হ্রাস পায়
  3. জবাবদিহিতা আসে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ই-গভর্নেন্স:
- E-Governance এর পূর্ণরূপ হলো Electronic governance।
- ই-গর্ভনেন্স হল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা সমাজের সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া।
- ই-গর্ভনেন্স ব্যবস্থায় একজন নাগরিক স্বল্প ব্যয়ে, ঝামেলাবিহীনভাবে সপ্তাহে সাত দিন; দিনে চব্বিশ ঘন্টা সরকারি সেবা পেতে পারে।
- এর ফলে শাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আসে, দুর্নীতি হ্রাস পায়।
- দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে ই-গভর্নেন্সের লক্ষ্য।
- ই-গভর্নেন্স সর্বস্তরের মানুষের কাছে সরকারি সেবা পাবার একটি জানালা উন্মোচন করে দেয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

.
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এইচ জে লাস্কি (H.J.Laski) মতে স্বাধীনতা হচ্ছে-
  1. মুল্যবোধের ফল
  2. অধিকারের ফল
  3. কর্তব্যের ফল
  4. জবাবদিহিতার ফল
সঠিক উত্তর:
অধিকারের ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকারের ফল
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার বিভিন্ন রূপ: 
- রাষ্ট্রে একজন নাগরিকের অস্তিত্ব বিভিন্ন বিষয়ে প্রাপ্ত স্বাধীনতা থেকেই প্রকাশ পায়।
- স্বাধীনতা শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল 'Liberty'।
- স্বাধীনতাকে শাব্দিক অর্থে বলা যায় নিজের ইচ্ছে মতো কাজ করা।
-  স্বাধীনতা মানে যৌক্তিক ও আইনসিদ্ধভাবে কোন কিছু করাকেই বুঝায়।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকগণ নানা ধরনের স্বাধীনতা ভোগ করে থাকে।
• রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এইচ জে লাস্কি (H.J.Laski) বলেছেন "স্বাধীনতা হল অধিকারের ফল"।
• রাষ্ট্রবিজ্ঞানী টি এইচ গ্রিন (T.H. Green) বলেন, "যা উপভোগ করার এবং সম্পন্ন করার যোগ্য তা উপভোগ ও সম্পাদন
করার ক্ষমতাকে স্বাধীনতা বলে"।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন,এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
‘সুশাসন চারটি স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল’- এই অভিমত কোন সংস্থা প্রকাশ করে?
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক
  3. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি
  4. এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন।
- সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল 'Good Governance'।
- সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
- ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- ‘সুশাসন চারটি স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল বিশ্বব্যাংক এই অভিমত কোন সংস্থা প্রকাশ করে।
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের ৪টি স্তম্ভ ঘোষণা করে।

• এ চারটি স্তম্ভ হচ্ছে –
- দায়িত্বশীলতা,
- স্বচ্ছতা,
- আইনী কাঠামো,
- অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
’Groundwork for Metaphysics of Morals’ গ্রন্থটি কার রচিত? 
  1. বার্ট্রান্ড রাসেল 
  2. ইমানুয়েল কান্ট
  3. স্টুয়ার্ট মিল
  4. জন লক
সঠিক উত্তর:
ইমানুয়েল কান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমানুয়েল কান্ট
ব্যাখ্যা

• ইমানুয়েল কান্ট গুরুত্বপূর্ণ কিছু বই:
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.

অন্যদিকে,
• বার্ট্রান্ড রাসেল উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো:
- The Elements of Ethics,
- Political Ideals,
- Human Society in Ethics and Politics,
- Power: A New Social Analysis,
- Introduction to Mathematical Philosophy etc.
- The Conquest of Happiness,
- The Principles of Mathematics,

• স্টুয়ার্ট মিলের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী বক্তব্য ব্যক্ত হয়েছে তাঁর দু'টি কালজয়ী গ্রন্থের মাধ্যমে।
- On Liberty
- Representative Government.

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন এইচ এসসি প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

.
নিচের কোনটি বাংলাদেশে আমলাতান্ত্রিক সমস্যা?
  1. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
  2. লালফিতার দৌরাত্ম
  3. শাসন বিভাগের দুর্বলতা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
লালফিতার দৌরাত্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালফিতার দৌরাত্ম
ব্যাখ্যা

- লালফিতার দৌরাত্ম বাংলাদেশে আমলাতান্ত্রিক সমস্যা।

• বাংলাদেশে আমলাতান্ত্রিক সমস্যা:

- বাংলাদেশের আমলাতান্ত্রিক সংগঠনে বিভিন্ন সমস্যা ও জটিলতা রয়েছে।

• পদসোপান নীতি-
- আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থা বাংলাদেশে পদসোপান নীতিতে বিন্যস্ত।
- তবে উচ্চ পর্যায়ের আদেশ ছাড়া নিম্ন পর্যায়ে কেউ কাজ করতে চায় না।
- এই নীতির কারণে পুরণো সনাতন নিয়ম-কানুনের প্রতি মানুষের নির্ভরশীলতা বেড়ে উঠে যা আধুনিক প্রশাসনের কাম্য নয়।

• ক্ষমতা লিপ্সা-
- বাংলাদেশে আমলাতন্ত্রের ক্ষমতালিপ্সা একটি মস্ত বড় সমস্যা।
- আমলারা ক্ষমতা হাতছাড়া করতে চায় না বরং ক্রমাগতভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে সচেষ্ট হয়।
- ফলে তাদের অধীনস্থ অধিদপ্তর ও দপ্তরগুলো ক্ষমতাশূন্য হয়ে পড়ে।
- রাষ্ট্রের নিয়ম-কানুনের কোন ধরনের পরিবর্তনকে এরা সহজে মেনে নিতে চায় না।

• লালফিতার দৌরাত্ম্য-
- বাংলাদেশে প্রচলিত সনাতন রীতি-নীতির উপর অধিক জোর দেওয়া হয়।
- এবং যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে সেগুলো কঠোরভাবে মেনে চলা হয়। ফলে সমস্যা সমাধানে জটিলতা দেখা দেয়।
- নানা ধরনের আইন-কানুনের অজুহাতে অযথা বিলম্ব ঘটায় সমস্যার পরিধি বৃদ্ধি পায়।
- ফাইল বা নথি এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে গড়াতে থাকে।
- এতে করে এত বেশী সময়ের অপচয় ঘটে যে, রোগী মারা যাবার পর ডাক্তার আসার মত ঘটনা ঘটে।

উদাসীনতা-
- আমলাদের হাতে প্রচুর ক্ষমতা থাকে। তাই তারা নিজেদেরকে জনগণের সেবক মনে না করে প্রভু মনে করে।
- জনগণের দাবীকে তারা মেনে নিতে পারে না।

• নীতি নির্ধারণে অতি আগ্রহ-
- আমলাগণ রাষ্ট্রের অধিকাংশ ক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণ করে। আইনসভার কাজের পরিধি বৃদ্ধি, জটিল প্রকৃতি এবং সদস্যদের সময়ের অভাবের সুযোগে আমলারাই নীতি নির্ধারণে এবং আইন প্রণয়নে প্রভুত্ব বিস্তার করে।

উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
নীতি ও ঔচিত্যবোধের অনুমোদন ব্যক্তি পেয়ে থাকে- 
  1. বিদ্যালয় থেকে
  2. রাষ্ট্রের কাছ থেকে
  3. পরিবার কাছ থেকে
  4. ব্যক্তি নিজের থেকে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি নিজের থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি নিজের থেকে
ব্যাখ্যা

নীতি ও ঔচিত্যবোধ:
- সমাজ হচ্ছে স্বাভাবিক পরিবেশ, যাকে নৈতিকতা ও ঔচিত্যবোধের বিকাশ ভূমি বা শিক্ষাক্ষেত্র বলা যেতে পারে।
- নৈতিকতার সাথে তাই মূল্যবোধের সম্বন্ধ অত্যন্ত নিবিড়।
- সমাজে কারও ক্ষতি না করা, কারো মনে কষ্ট না দেয়া, কটুক্তি না করা প্রভৃতি হচ্ছে নীতি ও ঔচিত্যবোধ।
- নীতি ও ঔচিত্যবোধের অনুমোদন ব্যক্তি তার নিজের কাছ থেকেই পেয়ে থাকে।
- এর ফলে সে ন্যায়, অন্যায়, ভালো, মন্দ, উচিত, অনুচিতের পার্থক্য করে তার নিজের ভালো বা মঙ্গলের চেষ্টা করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১১.
’Human Society in Ethics and Politics' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. টমাস হবস
  2. জন স্টুয়াটৃ মিল
  3. বার্টান্ড রাসেল
  4. প্লোটো
সঠিক উত্তর:
বার্টান্ড রাসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্টান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা

- 'Human Society in Ethics and Politics' গ্রন্থের লেখক বার্ট্রান্ড রাসেল।
- বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা ব্রিটিশ দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেল।

• তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো-
- The Elements of Ethics,
- Human Society in Ethics and Politics,
- Moral and others,
- Power: A New Social Analysis,
- Political Ideals,
- Introduction to Mathematical Philosophy etc.

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২.
ব্যক্তির মনের সুকুমার বৃত্তির বিকাশ ঘটায়-
  1. ব্যক্তিগত স্বাধীনতা
  2. রাজনৈতিক স্বাধীনতা
  3. সামাজিক স্বাধীনতা 
  4. জাতীয় স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সামাজিক স্বাধীনতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক স্বাধীনতা 
ব্যাখ্যা

- সামাজিক স্বাধীনতা ব্যাক্তির মনের সুকুমার বৃত্তির বিকাশ ঘটায়।
• সামাজিক স্বাধীনতা: 
- মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য সামাজিক স্বাধীনতা অপরিহার্য।
- যেমন জীবন ধারণের স্বাধীনতা, সম্পত্তি ভোগ করা, সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের স্বাধীনতা ইত্যাদি।
- সামাজিক স্বাধীনতা মানুষকে সুন্দর জীবনের পথ দেখায়।
- তার মনের সুকুমার বৃত্তির বিকাশ ঘটায়।

অপরদিকে,
ব্যক্তিগত স্বাধীনতা:
- এই স্বাধীনতা একান্তই ব্যক্তিগত।
- ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ভোগে অন্যের উপর কোন প্রভাব পড়ে না।
- যেমন, ধর্ম সংক্রান্ত স্বাধীনতা কিংবা মত প্রকাশের স্বাধীনতা।

• রাজনৈতিক স্বাধীনতা:
- ভোটার হবার স্বাধীনতা, ভোটদানের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক দল গঠনের স্বাধীনতার মতো বিষয়গুলো রাজনৈতিক স্বাধীনতার অন্তর্গত।

• অর্থনৈতিক স্বাধীনতা:
- এ ধরনের স্বাধীনতার মধ্যে পেশা ও জীবিকার স্বাধীনতা অন্যতম।
- মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতার বিকল্প নেই।
- তাছাড়া অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না থাকলে শ্রেণি-বৈষম্য বেড়ে গিয়ে যেকোন শ্রেণি শোষণ-বঞ্চনার শিকার হতে পারে।
- অর্থনৈতিক স্বাধীনতার আইনগত ভিত্তি রয়েছে।
- অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না থাকলে অন্যান্য স্বাধীনতাও খর্ব হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন এইচ এসসি প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 

১৩.
জাতিসংঘ ঘোষিত সর্বজনীন মানবাধিকারের ধারা কতটি?
  1. ৩০টি
  2. ৩২টি
  3. ৪৮টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ  মানবাধিকার:
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মৌলিক মানবিক অধিকার সমূহ গৃহীত ও ঘোষিত হয়।
- তারপর থেকে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ প্রতিবছর এই দিনটিকে মানবাধিকার দিবস হিসেবে উদযাপন করে থাকে।
- জাতিসংঘের মানবাধিকার ধারা ৩০ টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের অন্তর্বতীকালীন সরকারের সাথে একটি সমঝোতা স্বাক্ষরের পর ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনের (এইচআরসি) চালু হয়েছে।
- মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, বাংলাদেশে জাতিসংঘের এই দপ্তর চালু হলে এখানকার মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতির জন্য তা সহায়ক হবে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও বিবিসি বাংলা।

১৪.
সভ্য সমাজের মানদণ্ড কী?
  1. জনকল্যাণ
  2. সংবিধান
  3. আইনের শাসন
  4. গণতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন
ব্যাখ্যা

• আইনের শাসন:
- আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতা অর্থাৎ আইন সকল নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হবে।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজ থেকে অন্যায়, বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য দূর হয়।
ফলে সমাজে স্থিলিশীলতা আসে এবং শান্তির বিরাজ করে।
- নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য অধিকার কেবল আইনের শাসনের মাধ্যমে বলবৎ করা যায়।
- আইনের শাসন না থাকলে সবল-দুর্বল, ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান প্রকট হতে থাকে।
- সমাজ থেকে মায়া, মমতা, সহমর্মিতা, ন্যায়-বিচার, নীতি-আদর্শ হ্রাস পায়।
- অতএব সভ্য সমাজের মানদন্ড হলো আইনের শাসন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
নাগরিকের আত্মপরিচয়ের বাহন- 
  1.  জনসেবা
  2. সংস্কৃতি
  3. নৈতিকতা 
  4. উদ্ভাবন
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা

- সংস্কৃতি হলো নাগরিকের আত্মপরিচয়ের বাহন।
- এটি চর্চার মাধ্যমে নাগরিক তার ইচ্ছা ও অভিব্যক্তি অপরের নিকট প্রকাশ করতে পারে।
- সাংস্কৃতিক অধিকার- নিজ ভাষা, সাহিত্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও ধর্মীয় প্রথা-প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী জীবন গঠন ও পরিচালনার অধিকারকে সাংস্কৃতিক অধিকার বলে।
- অবশ্য বর্তমান যুগে ভিন্ন সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ও আগ্রাসনের ফলে কোন কোন জনগোষ্ঠীর সনাতন সংস্কৃতির পরিবর্তন ও সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে।

উৎস:পৌরনীতি ও সুশাসন: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী: প্রথমপত্র: মো. মোজাম্মেল হক।

১৬.
’’শাসক যদি মহৎগুণসম্পন্ন হয় তাহলে আইন নিষ্প্রয়োজন, আর শাসক যদি মহৎগুণসম্পন্ন না হয় তাহলে আইন নিরর্থক’’  উক্তিটি কে বলেছেন?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. জ্যা জ্যাক রুশো
  3. প্লেটো
  4. সক্রেটিস
সঠিক উত্তর:
প্লেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেটো
ব্যাখ্যা

• আইন ও নীতিশাস্ত্র:
- মানুষের আচার-আচরণের, ভাল-মন্দের আলোচনাই হল নীতিশাস্ত্র।
- সর্বজন স্বীকৃত নৈতিক আদর্শই রাষ্ট্রীয় সংগঠনের আইনে পরিণত হয়।
- দেশের প্রচলিত আইন নৈতিকতা বিরোধী হলে তা অকেজো হয়ে যায়।
- কেননা কোনো রাষ্ট্রীয় আইন জনগণের নৈতিক মানদণ্ডের বিরোধী হলে তার বিরুদ্ধে গণআন্দোলনের আশঙ্কা থাকে।
- তাই প্লেটো তাঁর 'রিপাবলিক' গ্রন্থে বলেছেন, "শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিষ্প্রয়োজন, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন নিরর্থক।"

অন্যদিকে,
- অ্যারিস্টটলের উক্তি, ’যে ব্যক্তি সমাজে বসবাস করেনা সে হয় দেবতা,নয় পশু’।
- সক্রেটিস উক্তি ’নিজেকে জান’।
- জ্যা জ্যাক রুশো উক্তি  ’মানুষ স্বাধীন হয়ে জন্মগ্রহণ করে, কিন্তু সর্বত্রই তাকে শৃঙ্খলিত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়’। 

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
সামাজিক চুক্তি মতবাদের প্রবর্তক ছিলেন- 
  1. টমাস হবস
  2. জন লক
  3. জ্যা জ্যাক রুশো
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা

সামাজিক চুক্তি মতবাদ: 
- সামাজিক চুক্তির মূলকথা হলো- সমাজে বসবাসকারী জনগণেরপারস্পরিক চুক্তির ফলে রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে।
- ব্রিটিশ রাষ্ট্র দার্শনিক টমাস হবস্ ও জন লক এবং ফরাসি দার্শনিক জ্যাঁ জ্যাক রুশো সামাজিক চুক্তি মতবাদের প্রবর্তক ছিলেন।
- এ মতবাদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বে মানুষ প্রকৃতির রাজ্যে বসবাস করত।
- তারা প্রকৃতির নিয়ম মেনে চলত এবং প্রাকৃতিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করত।
- কিন্তু প্রকৃতির রাজ্যে আইন অমান্য করলে শাস্তি দেওয়ার কোনো কর্তৃপক্ষ ছিল না।
- ফলে সামাজিক জীবনে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৮.
নিচের কোনটি আরজ আলী মাতুব্বর লেখা গ্রন্থ?
  1. আইডিয়ালিজম অ্যান্ড প্রগ্রেস
  2. সৃষ্টিরহস্য
  3. আমার জীবনদর্শন
  4. এ্যাসপিরেশন অব দি কমন ম্যান
সঠিক উত্তর:
সৃষ্টিরহস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৃষ্টিরহস্য
ব্যাখ্যা

আরজ আলী মাতুববর:
- আনুষ্ঠানিক উচ্চশিক্ষাবিহীন স্বশিক্ষিত একজন মননশীল লেখক ও যুক্তিবাদী দার্শনিক ছিলেন আরজ আলী মাতুববর।
- তিনি লড়াই করেছেন ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্ধ কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এবং সহজ-সরল ভাষায় প্রকাশ করেছেন জগৎ ও জীবন সম্পর্কে তাঁর অভিমত।
- ধর্মের সমালোচক হলেও তিনি যথার্থ ধর্মের বিরোধী ছিলেন না। তাঁর লড়াই ধর্মের বিরুদ্ধে ছিল না, ছিল ধর্মের নামে প্রচলিত ধর্মান্ধতা ও ধর্মতন্ত্রের বিরুদ্ধে।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি:
- সত্যের সন্ধান (১৯৭৩),
- সৃষ্টিরহস্য (১৯৭৭),
- অনুমান (১৯৮৩) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- জিসি দেবের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা মোট নয়টি। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- আইডিয়ালিজম অ্যান্ড প্রগ্রেস (১৯৫২),
- আইডিয়ালিজম: এ নিউ ডিফেন্স অ্যান্ড এ নিউ এ্যাপলিকেশন (১৯৫৮),
- আমার জীবনদর্শন (১৩৬৭),
- এ্যাসপিরেশন অব দি কমন ম্যান (১৯৬৩),

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা নিউজ ২৪।

১৯.
জাতিসংঘ দুর্নীতি বিরোধী সংস্থায় (UNCAC) বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে- 
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

- জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী সংস্থায় (UNCAC) বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে : ২০০৭ সালে। 

• মেরিডা কনভেনশন:
- আনুষ্ঠানিক নাম: United Nations Convention Against Corruption (UNCAC).
- জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী একমাত্র বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- UNCAC-এর লক্ষ্য: দুর্নীতি প্রতিরোধ, অপরাধীকরণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, সম্পদ পুনরুদ্ধার এবং কারিগরি সহায়তা।
- সাধারণ পরিষদে অনুমোদন: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩ সালে।
- স্বাক্ষরকাল: ৯-১১ ডিসেম্বর, ২০০৩ সালে।
- স্বাক্ষরস্থল: মেরিডা, ইউকাটান, মেক্সিকো।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫সালে।
- বর্তমান স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯১টি দেশ।
- বাংলাদেশের স্বাক্ষর: ২০০৭ সালে, এবং পরবর্তীতে অনুমোদনও দিয়েছে।

উৎস: UNCAC ওয়েবসাইট।

২০.
নৈতিকতার মৌলিক লক্ষ্য- 
  1. স্বার্থরক্ষা
  2. কল্যাণ সাধন
  3. অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
  4. ধর্মীয় নিয়ম রক্ষা
সঠিক উত্তর:
কল্যাণ সাধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কল্যাণ সাধন
ব্যাখ্যা

নৈতিকতা: 
- রক্ষাকবচ: নৈতিকতার রক্ষাকবচ বিবেকের দংশন।
-  নৈতিকতার মৌলিক লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ সাধন।
- নৈতিকতার নিয়ন্ত্রক হলো বিবেক ও মূল্যবোধ।
- নৈতিক শিক্ষা প্রাথমিক ভাবে পরিবারে শুরু হয়।
- নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান হলো সততা ও নিষ্ঠা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২১.
মানুষের চিরন্তন মূল্যবোধ- 
  1. অসহিষ্ণুতা
  2. সত্য ও ন্যায়
  3. সার্থকতা
  4. শঠতা
সঠিক উত্তর:
সত্য ও ন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য ও ন্যায়
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Value.
- যেসকল চিন্তা ভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, সংকল্প ও আদর্শ মানুষের সামগ্রিক আচার-আচরণ ও কর্মকান্ডকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত করে তাদের সমষ্টিকেই মূল্যবোধ বলে।
- মূল্যবোধ দ্বারা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, নৈতিকতা- অনৈতিকতা, সততা, সৌজন্যবোধ, শিষ্টাচার, সহনশীলতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি মূল্যায়িত হয়।
- আমাদের চিরন্তন মূল্যবোধ হলো সত্য ও ন্যায়।
- সার্থকতা, শঠতা, অসহিষ্ণুতা ইত্যাদি হলো চিরন্তন মূল্যবোধের পরিপন্থী।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২২.
ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ নীতি না থাকলে কী ঘটতে পারে?
  1. ব্যক্তির স্বাধীনতা খর্ব হয় না
  2. স্বেচ্ছাচারিতার  বৃদ্ধি পায় না
  3. নাগরিক ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নাগরিক ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগরিক ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারে
ব্যাখ্যা

ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ নীতি:
- রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ আছে।
- এগুলো হচ্ছে আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।
- এই তিনটি বিভাগ যদি স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে নিজ-নিজ দায়িত্ব পালনে সক্ষম হয় তাহলে আশা করা যায় যে রাষ্ট্রের নাগরিকেরা তাদের প্রাপ্য স্বাধীনতাগুলো ভোগে সক্ষম হবে।
- শাসন বিভাগ যদি বিচার বিভাগের কাজের উপর হস্তক্ষেপ করে তবে একজন নাগরিক ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
- এবং তার স্বাধীনতা খর্ব হতে পারে,স্বেচ্ছাচারিতার জন্ম দেবে।
- তাই রাষ্ট্রের তিন বিভাগ ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করে পৃথকভাবে সক্রিয় থাকা একান্ত প্রয়োজন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
কোন ধরনের সাম্য না থাকলে রাষ্ট্রের নেতৃত্বের সংকট তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকে?
  1. রাজনৈতিক সাম্য
  2. সামাজিক সাম্য
  3. আইনগত সাম্য
  4. অর্থনৈতিক সাম্য
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক সাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক সাম্য
ব্যাখ্যা

- রাজনৈতিক সাম্য না থাকলে রাষ্ট্রে নেতৃত্বের সংকট তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকে।

• সাম্যের প্রকারভেদ:

- সাম্য বিভিন্ন রকমের হতে পারে। যথাঃ
(ক) সামাজিক সাম্য
(খ) রাজনৈতিক সাম্য
(গ) অর্থনৈতিক সাম্য
(ঘ) আইনগত সাম্য

• সামাজিক সাম্য: 
- সামাজিক সাম্য হচ্ছে এমন একটি পরিস্থিতি যখন কোন একটি সমাজে প্রত্যেক ব্যক্তি বিশেষ কতগুলো ক্ষেত্রে সমান সুযোগ ভোগ করে।
- বাক-স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, সামাজিক নিরাপত্তা ভোগ কিংবা নাগরিক অধিকার চর্চার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ লাভ করতে পারাটা সামাজিক সাম্যের নির্দেশক।

• রাজনৈতিক সাম্য:
- প্রত্যেক নাগরিক রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত কিছু সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এইসব সুযোগ-সুবিধা লাভ করাই রাজনৈতিক সাম্য।
- সংগঠন করার স্বাধীনতা, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এর সুবিধা, ভোটাধিকার ইত্যাদি রাজনৈতিক সাম্যের পর্যায়ে পড়ে।
- রাজনৈতিক সাম্য না থাকলে রাষ্ট্রে নেতৃত্বের সংকট তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকে।

• অর্থনৈতিক সাম্য:
- অর্থনৈতিক সাম্য বলতে সাধারণভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদে প্রত্যেকের সমান সুযোগ থাকা বোঝায়।
- পছন্দমত পেশা নির্বাচন, পেশা পরিবর্তন, যোগ্যতা অনুযায়ী পেশা গ্রহণের মত বিষয়গুলি অর্থনৈতিক সাম্যের নির্দেশক।
- অর্থনৈতিক সাম্যের মাত্রার উপরেই একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অনেকাংশে নির্ভর করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন,এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
নীতিবিদ্যা মানুষের আচরণ বলতে কোন ক্রিয়াকে বুঝানো হয়?
  1. ঐচ্ছিক ক্রিয়া
  2. অনৈচ্ছিক ক্রিয়া
  3. ঐচ্ছিক ক্রিয়া ও অনৈচ্ছিক ক্রিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা

নীতিবিদ্যা:
- মানুষের আচরণের নৈতিক মূল্য ও আদর্শ নির্ধারণ করা নীতিবিদ্যার কাজ।
- নীতিবিদ্যায় মানুষের আচরণ বলতে মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়াকে বুঝানো হয়।
- নীতিবিদ্যা শুধু মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া বিচার করে।
- ঐচ্ছিক ক্রিয়ার স্বরূপ, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার সাথে অনৈচ্ছিক ক্রিয়ার পার্থক্য, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার ধাপ, ঐচ্ছিক ক্রিয়ার উৎস, উদ্দেশ্য, অভিপ্রায় প্রভৃতি নীতিবিদ্যার অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।