পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৯১
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯১ প্রশ্ন

.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গতিচেতনা বিষয়ক কাব্য কোনটি?
  1. খেয়া
  2. বলাকা
  3. পূরবী
  4. শেষের কবিতা
সঠিক উত্তর:
বলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলাকা
ব্যাখ্যা

• 'বলাকা' কাব্য:
- ১৯১৬ সালে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গতিচেতনা বিষয়ক কাব্য।
- কাব্যটি রবীন্দ্র কবি মানসের বিবর্তন ধারাপথে আত্মপ্রকাশ করেছে।
- এ কাব্যের ভাষা তীক্ষ্ণ, দীপ্ত, শাণিত ও উজ্জ্বল।
- এ কাব্যের ছন্দের গতিময়তা ও ভাষার সংহতি এবং নবতর বক্তব্যকে রূপ দেওয়ার কারণে এর আঙ্গিক একটি বিশিষ্টরূপ লাভ করেছে।

• আলোচ্য কাব্যে মোট ৪৫টি কবিতা রয়েছে; ১০টি সমপঙক্তিক আর ১টি সনেট আকারবদ্ধ। অবশিষ্ট ৩৪টি বিষম ছন্দে রচিত এবং উক্ত ৩৪টি কবিতার ছন্দকেই ‘বলাকার ছন্দ’ বলা হয়।

• রবীন্দ্রনাথের ‘বলাকা’ কাব্যে ব্যবহৃত ছন্দের নাম: 'মুক্তক ছন্দ' বা 'মুক্তবন্ধ ছন্দ'।

- 'বলাকা' কাব্যে ব্যবহৃত ছন্দের বৈশিষ্ট্যকে বোঝাতে গিয়ে কেউ কেউ ছন্দের এরূপ মুক্ত স্বভাবকে নাম দিয়েছেন ‘মুক্তক ছন্দ’ বা ‘মুক্তবন্ধ ছন্দ’। আবার কেউ কেউ এছন্দকে অমিত্রাক্ষর ছন্দেরই রবীন্দ্রনাথকৃত অভিনবরূপ বলে মনে করেন যা অন্ত্যানুপ্রাসযুক্ত। পাশ্চাত্য সাহিত্যে বহুল ব্যবহূত এ ছন্দকে free verse  বা verse-libre বলে।
----------

অন্য অপশন:
ক) খেয়া (১৯০৬) → প্রেম, বিরহ, আধ্যাত্মিকতা ও মৃত্যুচেতনা প্রধান। গতিচেতনা নয়।
গ) পূরবী (১৯২৫) → প্রেম ও প্রকৃতি-কেন্দ্রিক, আর্জেন্টিনার ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর প্রতি উৎসর্গীকৃত। গতি নয়।
ঘ) শেষের কবিতা → এটি কাব্যগ্রন্থ নয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; 'বলাকা' কাব্য।

.
কোন সুলতানের রাজত্বকালে শাহ মুহম্মদ সগীর 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্যটি রচনা করেন?
  1. নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ 
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  4. শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ 
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
ব্যাখ্যা

• শাহ মুহম্মদ সগীর:
- মধ্যযুগের তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
- তিনি পনের শতকের কবি ছিলেন।
- গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি এ কাব্য রচনা করেন।
- অনুবাদ সাহিত্যে বা রোমাণ্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি - শাহ্‌ মুহম্মদ সগীর।
- শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকর্ম — ইউসুফ-জুলেখা।
- তিনি পারস্যের জামী রচিত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যের বাংলা অনুবাদ করেন যা এই ধারার আদি গ্রন্থ।
--------------
ইউসুফ-জোলেখা কাব্য:
• ইউসুফ-জোলেখা’ শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত কাহিনি কাব্যগ্রন্থ যা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য।
• গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এ কাব্যর রচনা হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে।
• বাইবেল ও কোরানে ইউসুফ-জোলেখার কাহিনি বর্ণিত আছে। ইরানের কবি ফেরদৌসিও এই নামে কাব্য রচনা করেছেন। সগীর বাইবেল পড়েন নি। তিনি কোরান ও ফেরদৌসির কাছে থেকেই কাহিনিসূত্র গ্রহণ করে ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনি লেখেন।
• পরবর্তীতে মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ জুলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেছেন। যেমন- ইউসুফ জুলেখা নিয়ে কাব্য রচনা করেন আব্দুল হাকিম এবং শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ। তকে এই কাব্য শাহ মুহাম্মদ সগীরই প্রথম লেখেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

.
প্রাচীন বাংলার জনপদ ও অর্থনীতি নিয়ে নীহাররঞ্জন রায়ের বইটির নাম কী?
  1. বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
  2. বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
  3. বাঙ্গালীর ইতিহাস(আদি পর্ব)
  4. বাংলা সাহিত্যের কথা
সঠিক উত্তর:
বাঙ্গালীর ইতিহাস(আদি পর্ব)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙ্গালীর ইতিহাস(আদি পর্ব)
ব্যাখ্যা

• নীহাররঞ্জন রায় 'বাঙ্গালীর ইতিহাস' গ্রন্থটি লিখেছেন। 

• নীহাররঞ্জন রায়: 
- নীহাররঞ্জন রায়, ভারতের শেষ বহুশাস্ত্রজ্ঞদের মধ্যে অন্যতম একজন।
- মানব অভিজ্ঞতার রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিকগুলির মধ্যে সমন্বয় সাধনে নীহাররঞ্জন রায় এর প্রয়াস পরিণতি লাভ করেছে তাঁর প্রধান সাহিত্যকর্ম বাঙ্গালীর ইতিহাস গ্রন্থে।
-------------------------------- 
• ‘বাঙ্গালীর ইতিহাস’ গ্রন্থ: 
- তাঁর প্রধান সাহিত্যকর্ম ‘বাঙ্গালীর ইতিহাস’ গ্রন্থ।
- এই ক্লাসিক সৃষ্টি রাজনৈতিক পরিভাষায় ইতিহাস বিশ্লেষণ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক পরিবর্তনের সূচনা ঘটায় এবং তা সাধারণ মানুষকে ইতিহাসবিদদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু করে তোলে।
- গ্রন্থটির সাহিত্যমূল্যের ক্ষেত্রেও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।
- ‘ভারত ছাড়’ আন্দোলনকালে ১৯৪২ সালে তিনি কারাবন্দি হন এবং জেলখানায়ই ‘বাঙ্গালীর ইতিহাস’ রচনার কাজ শুরু করেন।
- বার্মাতেই তাঁর মনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অবিচ্ছিন্নতার ধারণা দৃঢ়বদ্ধ হয়, যা পূর্ণ পরিণতি লাভ করে ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত তাঁর বাঙ্গালীর ইতিহাস গ্রন্থে।

তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- Maurya and Sunga Art, 
- বাঙ্গালীর ইতিহাস, 
- Nationalism in India, 
- Idea and Image of Indian Art.

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাঙ্গালীর ইতিহাস(আদি পর্ব)।

.
"দশে মিলে করি কাজ হারি যিতি নাহি লাজ"- এটি হলো - 
  1. ডাকের বচন
  2. ভারতচন্দ্র রায়ের উক্তি
  3. চর্যাপদে ব্যবহৃত প্রবাধ
  4. খনার বচন
সঠিক উত্তর:
খনার বচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খনার বচন
ব্যাখ্যা

• "দশে মিলে করি কাজ হারি যিতি নাহি লাজ"- এটি হলো - খনার বচন।
----------------
• খনার বচন এর মূলভাব- শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি।

• খনার বচন:
- খনার বচন বিশেষ অর্থবোধক বাক্য বা উক্তি। ইংরেজি saying, proverb কিংবা বাংলা প্রবাদ শব্দ অনেকটা এর সমার্থক, কিন্তু বচনের তাৎপর্য আরও ব্যাপক ও ভিন্ন।
- শুভাশুভ, বিধিবিধান, নীতি ও উপদেশবাচক প্রতিপাল্য প্রাজ্ঞোক্তিই সাধারণ অর্থে বচন, যেমন গুরুর বচন, মহাপুরুষের বচন ইত্যাদি।
- বাংলায় ডাক ও খনার উক্তি বচনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- খনার বচনগুলো কৃষি, আবহাওয়া, ঋতু, জ্যোতিশাস্ত্র সম্পর্কিত। এছাড়াও স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ের খনার বচন রয়েছে।
- ‘খনার বচন’ রচয়িতার প্রকৃত নাম লীলাবতী; লীলাবতী আর্যার প্রণেতা ও খনা একই ব্যক্তি।
- আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত।

- খনার বচনের উদাহরণ:
• 'কলা রুয়ে না কেটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত'।
• 'নারিকেল গাছে নুনে মাটি, শীঘ্র শীঘ্র বাধে গুটি'।
• না পাইয়া পাইছে ধন, বাপে পুতে কীর্তন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চর্যাপদের প্রাচীন কবি‌ কে?
  1. কাহ্নপা
  2. শবরপা
  3. ঢেণ্ডনপা
  4. ভুসুকুপা
সঠিক উত্তর:
শবরপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শবরপা
ব্যাখ্যা

শবরপা:
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চর্যাপদের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন কবি শবরপা।
- তিনি ছিলেন নাগার্জুনের শিষ্য।
- শবরপার জীবনকাল ৬৮০ - ৭৬০ খ্রিস্টাব্দ বলে অনুমান করা হয়।
- শবরপা চর্যাপদের প্রথম পদকর্তা লুইপার গুরু ছিলেন।
- ২৮ ও ৫০ নং পদের রচয়িতা তিনি।
- সংস্কৃত ও অপভ্রংশ মিলে তিনি মোট ১৬টি গ্রন্থ রচনা করেন।

- শবরপা রচিত উল্লেখযোগ্য পঙক্তি -
"উষ্ণা উষ্ণা পাবত তহিঁ সবই সবরী বালী।
মোরাঙ্গ পীচ্ছ পরিহাণ সবী গীবত গুঞ্জরী।।"

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

.
বিদ্রোহী বালিকা বধু ’জমিলা’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. চাঁদের অমাবস্যা
  2. সারেং বৌ
  3. লালসালু
  4. সূর্য দীঘলবাড়ী
সঠিক উত্তর:
লালসালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালসালু
ব্যাখ্যা

‘লালসালু’ উপন্যাস:
• ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
• এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন।
• নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে।
• ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে। 
• তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে বালিকা বধূ জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।
• ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
• উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
• ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির ‘লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মজিদ,
- খালেক ব্যাপারি,
- জমিলা, রহিমা,
- আমেনা,
 - আক্কাস,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা।

অন্যদিকে,
• 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস মনোসমীক্ষণ মূলক রচনা।
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরিফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

'সারেং বৌ' উপন্যাস:
- শহীদুল্লা কায়সার রচিত উপন্যাস সারেং বৌ।
- তাঁর 'সারেং বউ' উপন্যাসের চরিত্র কদম সারেং ও তাঁর স্ত্রী নবিতুন।
- 'নবীতুন' চরিত্রটি শহীদুল্লা কায়সারের 'সারেং বৌ' উপন্যাসের অন্তর্গত।
- এ উপন্যাসে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী জনপদের বিশ্বস্ত চিত্র আছে।
- এছাড়াও পুরো উপন্যাস জুড়ে রয়েছে নবিতুনের সংগ্রামী জীবন কাহিনী।

• সূর্য দীঘল বাড়ী:
• 'সূর্য দীঘল বাড়ী' আবু ইসহাক রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
- ১৯৫৫সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের গ্রাম জীবনের বিশ্বস্ত দলিল এই গ্রন্থ।
- বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি রচনা করেন 'সূর্য দীঘল বাড়ী'
- জয়গুন এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
- উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র: হাসু, মায়মুন, শাফি, ডা. রমেশ চক্রবর্তী, মোরল গদু ইত্যাদি।

-------------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। 
- পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ্ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লাহ্‘র প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনুদিত হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

.
কাজী নজরুল ইসলামের 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসে কোন অঞ্চলের ঘটনার বর্ণনা রয়েছে?
  1. নোয়াখালীর জেলে পল্লীর জীবন সংগ্রাম
  2. ময়মনসিংহের ত্রিশাল গ্রামের সাধারণ মানুষের জনজীবন
  3. কৃষ্ণনগরের চাঁদ সড়ক অঞ্চলের জনজীবন
  4. পদ্মাপাড়ের ধীবরদের জীবন কাহিনী
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণনগরের চাঁদ সড়ক অঞ্চলের জনজীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণনগরের চাঁদ সড়ক অঞ্চলের জনজীবন
ব্যাখ্যা

• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ  (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। 
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

কাজী নজরুল ইসলাম রচনাসমগ্র:
উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা (বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপান্যাস),
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

• ‘মৃত্যুক্ষুধা’ উপন্যাস: 
- ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল নজরুলের রাজনৈতিক উপন্যাস মৃত্যুক্ষুধা।
- কাজী নজরুল ইসলাম 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসটি বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন।
- ১৯২৭ সাল থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত সময়কালে তিনি মৃৎশিল্পের কেন্দ্রভূমি পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরের ছিলেন।
- এ কৃষ্ণনগরের চাঁদসড়কের দরিদ্র হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের দারিদ্র ও দুঃখ ভরা জীবন নিয়ে উপন্যাসের কাহিনী গড়ে উঠেছে।

গল্পগ্রন্থ:
- ব্যথার দান,
- রিক্তের বেদন,
- শিউলিমালা।

নাটক:
- ঝিলিমিলি,
- আলেয়া
 
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- রাজবন্দীর জবানবন্দি,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- যুগবাণী,
- রুদ্র মঙ্গল,
- মন্দির ও মসজিদ,
- আমি সৈনিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাস ও বাংলাপিডিয়া।

.
কবি রামপ্রসাদ কে 'কবিরঞ্জন' উপাধি দেন কে?
  1. রাজা রঘুনাথ রায়
  2. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ 
  3. রাজা শিবসিংহ
  4. রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
সঠিক উত্তর:
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
ব্যাখ্যা

• রামপ্রসাদ সেন:
- তিনি ছিলেন বাংলা ভক্তিগীতির, বিশেষত শ্যামাসঙ্গীতের শ্রেষ্ঠ রূপকার, সাধককবি, গায়ক।
- তিনি আনুমানিক ১৭২০ খ্রিষ্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা, সংস্কৃত, হিন্দি, পারসি ভাষা জানতেন।
- রামপ্রসাদের গানের সুর 'রামপ্রসাদি সুর' নামে পরিচিত।
- রামপ্রসাদের গান শুনে বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা  অভিভূত হয়েছিলেন।
- রামপ্রসাদের উপাধি ছিল 'কবিরঞ্জন'। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র এই উপাধি দিয়েছিলেন।

- রামপ্রসাদের শ্যামাসঙ্গীতের সংখ্যা প্রায় তিনশ।
- 'আমি কি দুঃখেরে ডরাই' - রামপ্রসাদ সেনের উক্তি।
- রামপ্রসাদের আর একটি বিখ্যাত গান:

'মনরে কৃষি কাজ জান না
এমন মানবজমিন রইল পতিত
আবাদ করলে ফলত সোনা।'

- তিনি ১৭৮১ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

.
"আমরা নূতন, আমরা কুঁড়ি, নিখিল বন-নন্দনে,
ওষ্ঠে রাঙা হাসির রেখা, জীবন জাগে স্পন্দনে।" - কবিতাংশটুকু কে লিখেছেন? 
  1. সুফিয়া কামাল
  2. গোলাম মোস্তফা
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. মদনমোহন তর্কালঙ্কার 
সঠিক উত্তর:
গোলাম মোস্তফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাম মোস্তফা
ব্যাখ্যা

• "আমরা নূতন, আমরা কুঁড়ি, নিখিল বন-নন্দনে,
ওষ্ঠে রাঙা হাসির রেখা, জীবন জাগে স্পন্দনে।" - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা: গোলাম মোস্তফা।

-------------------
কিশোর - কবিতা,
গোলাম মোস্তফা।

আমরা নূতন, আমরা কুঁড়ি, নিখিল বন-নন্দনে,
ওষ্ঠে রাঙা হাসির রেখা, জীবন জাগে স্পন্দনে।
লক্ষ আশা অন্তরে
ঘুমিয়ে আছে মন্তরে
ঘুমিয়ে আছে বুকের ভাষা পাঁপড়ি-পাতার বন্ধনে।

ভবিষ্যতের লক্ষ আশা মোদের মাঝে সন্তরে,
ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে।
আকাশ-আলোর আমরা সুত,
নূত বাণীর অগ্রদূত,
কতই কি যে করবো মোরা-নাইকো তার অন্ত-রে। (সংক্ষেপিত) 
--------------------------
মোস্তফা, গোলাম:
- ১৮৯৭ সালে যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) জেলার শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর বিশ্বনবী গ্রন্থখানি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।

• গোলাম মোস্তফা রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রক্তরাগ,
- খোশরোজ,
- কাব্যকাহিনী,
- গীতি সঞ্চয়ন,
- সাহারা,
- হাসনাহেনা,
- বুলবুলিস্তান,
- বনি আদম ইত্যাদি।
 
তাঁর গদ্যরচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- বিশ্বনবী,
- ইসলাম ও কমিউনিজম,
- ইসলাম ও জেহাদ,
- আমার চিন্তাধারা,
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
"'বাবু' ও 'গর্দ্দভ'"- প্রবন্ধ দুটি বঙ্কিমচন্দ্রের কোন গ্রন্থভুক্ত?
  1. লোকরহস্য
  2. কমলাকান্তের দপ্তর
  3. মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত
  4. বিবিধ সমালোচনা
সঠিক উত্তর:
লোকরহস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোকরহস্য
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: খ) লোকরহস্য।

------------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালের ২৬ জুন চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'সাম্য' গ্রন্থটি রচনা করেন।
- বঙ্কিমচন্দ্রের দুটি তত্ত্বমূলক উপন্যাস হলো আনন্দমঠ ও দেবী চৌধুরাণী।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধসমূহ:
- লোকরহস্য,
- কমলাকান্তের দপ্তর,
- বিবিধ সমালোচনা,
- সাম্য,
- কৃষ্ণচরিত্র,
- ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন ইত্যাদি।

• ‘লোকরহস্য' প্রবন্ধগ্রন্থ:
- এই গ্রন্থে বঙ্কিমচন্দ্র সমকালীন সমাজ, শিক্ষাদীক্ষা ও চারিত্র্যনীতির অসঙ্গতি কৌতুকরসের মধ্য দিয়ে চমৎকারভাবে ফুটিয়েছেন।
- এতে গুরুতর তত্ত্বকথাও সরল ও হৃদয়গ্রাহী হয়ে পড়েছে।
- 'ব্যাঘ্রাচার্য্য বৃহল্লাঙ্গুল', 'ইংরাজস্তোত্র', 'বাবু', 'গর্দ্দভ', ‘দাম্পত্য দণ্ডবিধির আইন' ইত্যাদি কতকগুলো ব্যঙ্গরচনা এই গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'লোকরহস্য-প্রবন্ধগ্রন্থ।

১১.
দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন কোনটি?
  1. এর উপায় কি?
  2. বুড় শালিকের ঘাড়ে রোঁ
  3. বিয়ে পাগলা বুড়ো
  4. কিঞ্চিত জলযোগ
সঠিক উত্তর:
বিয়ে পাগলা বুড়ো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিয়ে পাগলা বুড়ো
ব্যাখ্যা

• বিয়ে পাগলা বুড়ো:
- এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত একটি প্রহসন।
- 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' মূলত এক ধরনের হাস্যরসাত্মক নাটক।
- বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছিলেন যে এই নাটক কোনো "জীবিত ব্যক্তিকে লক্ষ্য করিয়া লিখিত হইয়াছিল"।
- ১৮৭২ সালে নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়।

• উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- নসিরাম,
- রতা,
- রাজীব,
- রাজমণি,
- কেশব,
- বৈকুণ্ঠ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'বুড় শালিকের ঘাড়ে রোঁ' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন।
• ‘কিঞ্চিৎ জলযোগ’ প্রহসনটির রচয়িতা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর।
• 'এর উপায় কি?': মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রহসন।

-------------------
• দীনবন্ধু মিত্র:
• দীনবন্ধু মিত্র (১৮৩০-১৮৭৩) নাট্যকার। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ।
• দীনবন্ধু কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বর গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে সংবাদ প্রভাকর, সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন। তবে নাটক ও প্রহসন লিখেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• ‘নীলদর্পণ‘ (১৮৬০) তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও। সমকালের নীলচাষ ও নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্তু। নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।

• 'নবীন তপস্বিনী' (১৮৬৩) দীনবন্ধু মিত্রের দ্বিতীয় নাটক। এতে যে দুটি ভিন্ন কাহিনি স্থান পেয়েছে তা পরিপূর্ণভাবে মিশ্রিত হয় নি। 'তে গ্রাম্যতা ও রুচিবিকল্পতা থাকলেও তা গুরুত্বপূর্ণ রচনা।

• 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' (১৮৬৬) বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে লিখিত একটি প্রহসন। নামের মাধ্যমেই এর পরিচয় প্রকাশমান।

• দীনবন্ধু মিত্রের 'লীলাবতী' (১৮৬৭) নাটকটি রচনা হিসেবে সার্থকতা লাভ করতে পারেনি।

• 'কমলে কামিনী' (১৮৮৩) তাঁর শেষ রচনা। রোম্যান্টিক প্রণয়চিত্র হিসেবে এর গুরুত্ব।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
"মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো" - কোন ধরনের রচনা? 
  1. উপন্যাস
  2. শিশুতোষ গল্প 
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. আত্মজীবনী 
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• "মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো" - কবি আল মাহমুদ-এর লেখা একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
-----------------

• আল মাহমুদ:

- কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।
- কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

• 'মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো' কাব্য:
'মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো' হলো বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কবি আল মাহমুদ-এর লেখা একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ, যা তার কবিতায় গ্রামীণ জীবন ও নারীবাদী চেতনার পাশাপাশি রাজনৈতিক এবং সামাজিক বিষয়বস্তুর প্রতিফলন ঘটায় এবং এটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। 

• কবি আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো,
- আরব্য রজনীর রাজহাঁস,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- কবি ও কোলাহল  ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩.
‘জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল’ গল্পগ্রন্থের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. প্রেম ও বিরহ
  2. গ্রামীণ জীবন
  3. রোমান্টিক কবিকল্পনা
  4. যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক-সামাজিক বাস্তবতা
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক-সামাজিক বাস্তবতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক-সামাজিক বাস্তবতা
ব্যাখ্যা

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- তিনি গাইবান্ধা জেলার গোহাটি গ্রামে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বগুড়া জেলায়।

• জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল:
- 'জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল' আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত গল্পগ্রন্থ।
- এই সংকলনের বিভিন্ন গল্পে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক এবং সামাজিক বাস্তবতার চিত্র ফুটে উঠেছে।
- এই গল্পগ্রন্থে ৫টি গল্প সংকলিত হয়েছে।

• এগুলো হলো:
- প্রেমের গপ্পো,
- ফোঁড়া,
- জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল,
- কান্না,
- রেইনকোট।

তাঁর রচিত ছোটগল্প: 
- মিলির হাতে স্টেনগান,
- রেইনকোট,
- দুধভাতে উৎপাত,
- জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল,
- ফোঁড়া,
- নিরুদ্দেশ যাত্রা ইত্যাদি।
তাঁর রচিত উপন্যাস-
- চিলে কোঠার সেপাই (ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত),
- খোয়াবনামা।

উৎস: সাহিত্য পাঠ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ডবই;  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;  'জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল' গল্পগ্রন্থ।

১৪.
জসীম উদ্‌দীন রচিত ’কবর’ কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. ধূমকেতু
  2. কল্লোল
  3. মাসিক মোহাম্মদী
  4. কবিতা 
সঠিক উত্তর:
কল্লোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কল্লোল
ব্যাখ্যা

• 'কবর' (কবিতা):
- 'কবর' কবিতাটি কবি জসীমউদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’ (১৯২৭) এর অন্তর্ভুক্ত।
- কবর কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'কল্লোল' পত্রিকায়।
- এটি মত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮ টি পঙক্তি আছে।

কবর- কবিতা,
--------জসীমউদ্‌দীন।
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
-----------------

• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীম উদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

• জসীম উদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ-
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
"দারোগার দপ্তর" এর লেখক কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. বিজন ভট্টাচার্য
  4. প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

 • প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়:
- তাঁর জন্ম ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দের ৪ জুন নদিয়ার জয়রামপুরের চুয়াডাঙায়। 
- তাঁকে বলা হয়েছে বাংলা গোয়েন্দা গল্পের পথিকৃৎ। পেশায় ছিলেন পুলিশ কর্মচারী। 
- তিনি ‘দারোগার দপ্তর’ নামে একটি মাসিক পত্রিকা ১২৯৭ বঙ্গাব্দ থেকে ১২ বছর চালিয়েছিলেন। 
- এ পত্রিকায় প্রকাশিত গল্পগুলি পরে ‘ডিটেকটিভ গল্প’ নামে পুস্তকাকারে ছাপা হয়।

• "দারোগার দপ্তর (১৮৯২)" : 
- রচয়িতা: প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়।

- প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় ডিটেকটিভ গল্পের ধারা শুরু করেন। অনেকগুলি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রিয়নাথ নিজে ছিলেন পুলিশ দপ্তরের কর্মচারী। প্রধানত নিজের অভিজ্ঞতা অবলম্বনে এই গল্পগুলি লিখিত হয়।
- তবে কোনো কোনো খণ্ডে বিদেশি ডিটেকটিভ গল্পের অনুবাদও সংকলিত হয়।
- এই গ্রন্থধারাকে বাংলা ডিটেকটিভ গল্পের আদি বলা চলে।

উৎস: সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান; "দারোগার দপ্তর" গ্রন্থ।

১৬.
"ক" উচ্চারণ করলে যা শোনা যায়, তা হলো—
  1. বর্ণ
  2. ধ্বনি
  3. শব্দ
  4. আঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি
ব্যাখ্যা

বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি এবং বর্ণ দুটি ভিন্ন ধারণা, এবং এদের মধ্যে পার্থক্য প্রধানত তাদের প্রকৃতি এবং ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যতার মধ্যে নিহিত। নিচে এই পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো:

ধ্বনি:
ধ্বনি হলো মুখ থেকে উচ্চারিত শব্দ বা কথনের একক, যা কান দিয়ে শোনা যায়। এটি একটি শ্রুতিগ্রাহ্য (auditory) উপাদান। ধ্বনি ভাষার মৌখিক রূপের অংশ এবং এটি উচ্চারণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। উদাহরণ: ‘ক’ ধ্বনি বা ‘আ’ ধ্বনি উচ্চারণের সময় শোনা যায়। ধ্বনির সংখ্যা ভাষার উচ্চারণ প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে।

বর্ণ:
বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা চিহ্ন, যা চোখ দিয়ে দেখা যায়। এটি একটি দৃষ্টিগ্রাহ্য (visual) উপাদান। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ (যেমন: অ, আ, ই) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ (যেমন: ক, খ, গ) রয়েছে, যা ধ্বনিকে লিখিত আকারে প্রকাশ করে।

উদাহরণ: যখন আমরা ‘ক’ উচ্চারণ করি, তখন তা ধ্বনি হিসেবে শোনা যায়, কিন্তু যখন লিখি ‘ক’, তখন তা বর্ণ হিসেবে দেখা যায়।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৭.
'প্রত্যুদ্‌গমন' বলতে কী বোঝায়?
  1. যা অতিক্রম করা যায় না।
  2. সম্মুখে অগ্রসরমান।
  3. সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা।
  4. যা গমন করা যাচ্ছে।
সঠিক উত্তর:
সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা।
ব্যাখ্যা

• 'প্রত্যুদ্‌গমন' বলতে বোঝায়- সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা।

অন্যদিকে,
যা অস্ত যাচ্ছে - অস্তায়মান।
যা অতিক্রম করা যায় না - অনতিক্রম্য।
যা গমন করা যাচ্ছে।- গমনীয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা

১৮.
'কিরণ' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. শিখা
  2. প্রভা
  3. অংশু
  4. সমীর
সঠিক উত্তর:
সমীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমীর
ব্যাখ্যা

• 'কিরণ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- রশ্মি,
- শিখা,
- আলোকচ্ছটা,
- কর,
- প্রভা,
- দীপ্তি,
- জ্যোতি,
- অংশু

অন্যদিকে: 
• 'সমীর' শব্দের সমার্থক শব্দ- বাতাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ সংস্করণ)।

১৯.
'ঘি' - শব্দটি সংস্কৃত কোন শব্দ থেকে আগত?
  1. ঘৃৎ
  2. ঘৃঅ
  3. ঘৃত
  4. ঘ্রিত
সঠিক উত্তর:
ঘৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘৃত
ব্যাখ্যা

• 'ঘি' - শব্দটি সংস্কৃত - ঘৃত শব্দ থেকে আগত।


---------------

• তদ্ভব শব্দ: 

- যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ।
- তদ্ভব একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ, 'তৎ' (তার) থেকে 'ভব' (উৎপন্ন)।
যেমন -
সংস্কৃত - হস্ত, প্রাকৃত - হত্থ, তদ্ভব - হাত।
- সংস্কৃত - ঘৃত, প্রাকৃত - ঘিঅ, তদ্ভব - ঘি।
সংস্কৃত - চর্মকার, প্রাকৃত - চম্মআর, তদ্ভব - চামার ইত্যাদি।
এরূপ, চাঁদ তদ্ভব শব্দ।  

এই তদ্ভব শব্দগুলােকে খাটি বাংলা শব্দও বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ), বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 

২০.
'কুলীন' শব্দের অর্থ- 
  1. আভিজাত বংশে জাত
  2. বল্লাল সেন কর্তৃক প্রদত্ত কুলমর্যদার অধিকারী।
  3. আচার বিনয় বিদ্যা প্রভৃতি নবগুণযুক্ত
  4. উপরের সবকটি 
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি 
ব্যাখ্যা

• কুলীন (বিশেষণ):
অর্থ - 
১. আভিজাত বংশে জাত; সদ্বংশোদ্ভব।
২. বল্লাল সেন কর্তৃক প্রদত্ত কুলমর্যদার অধিকারী।
৩. আচার বিনয় বিদ্যা প্রভৃতি নবগুণযুক্ত।



উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

২১.
"দাহ" এর বিপরীত শব্দ - 
  1. শুষ্ক
  2. সিক্ত 
  3. হৃদ্যতা
  4. শান্তি
সঠিক উত্তর:
শান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তি
ব্যাখ্যা

• "দাহ" এর বিপরীত শব্দ - শান্তি।

অন্যদিকে,
- 'সিক্ত' এর বিপরীত শব্দ- 'শুষ্ক',
- 'হৃদ্যতা' এর বিপরীত শব্দ- 'কপটতা'।

আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ:
- 'হরদম' এর বিপরীত শব্দ- 'কদাচিৎ'।
- 'সুলভ'  এর বিপরীত শব্দ- 'দুর্লভ',
- 'সন্ধি' এর বিপরীত শব্দ- বিবাদ, বিগ্রহ,
- 'নির্মীলিত' এর বিপরীত শব্দ- 'উন্মীলিত',
- 'হাজির' এর বিপরীত শব্দ- 'গরহাজির',
- 'সরস' এর বিপরীত শব্দ- 'নীরস',
- 'মুক্ত' এর বিপরীত শব্দ- 'আবদ্ধ',
- 'মুখ্য' এর বিপরীত শব্দ- 'গৌণ'।

উৎস: ভাষাশিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ। 

২২.
'ধীর' শব্দটির বিশেষ্যরূপ কী?
  1. ধীরতা
  2. ধৈর্য
  3. ধীরস্থির
  4. ধীরি
সঠিক উত্তর:
ধীরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরতা
ব্যাখ্যা

• 'ধীর' শব্দের বিশেষ্য পদ - ধীরতা।

• ধীর (বিশেষণ পদ):
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- স্থিরচিত্ত
- মন্থর,
- সামান্য,
- বিনীত,
- পণ্ডিত।

অন্যদিকে,
• ধীরতা (বিশেষ্য পদ):
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- ধৈর্য; ধৃতি (সকল ধীরতা শিক্ষা রসেতে পণ্ডিত-দৌকা)।
- স্থিরচিত্ততা।
- গাম্ভীর্য।
- পাণ্ডিত্য।
- বুদ্ধিমত্তা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৩.
কোনটি নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়?
  1. এবং 
  2. অধিকন্তু
  3. অথবা
  4. যেমন-তেমন
সঠিক উত্তর:
যেমন-তেমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেমন-তেমন
ব্যাখ্যা

• নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়:
- কতকগুলো যুগ্ম শব্দ পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল, সেগুলো নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় রূপে পরিচিত।
যেমন:
- যথা-তথা,
- যখন-তখন,
- যেমন-তেমন,
- যে রূপ- সে রূপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

২৪.
প্রয়ােজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে কোন ধরনের ভুল হয়ে থাকে?
  1. গুরুচণ্ডালী দোষ ঘটে 
  2. উপমার ভুল প্রয়োগ
  3. বাহুল্য দোষ ঘটে
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
বাহুল্য দোষ ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহুল্য দোষ ঘটে
ব্যাখ্যা

• বাহুল্য দোষ:
প্রয়ােজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং শব্দ তার যােগ্যতা গুণ হারিয়ে ফেলে।
• যেমন,
- দেশের সব শিক্ষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন।

• বাংলা ভাষায় একই বাক্যে দুইবার বহুবচন ব্যবহৃত হয় না।
- দুইবার বহুবচন বাচক চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করলে শব্দ বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়।
বাক্যটি হবে দেশের সব শিক্ষক এখানে উপস্থিত হয়েছেন অথবা দেশের শিক্ষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন।

অন্যদিকে,
গুরুচণ্ডালী দোষ:
তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়ােগ ঘটলে যে দোষের সৃষ্টি হয়, তাকে বলা হয় গুরুচণ্ডালী দোষ।

- তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়ােগ কখনও কখনও গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যােগ্যতা হারায়।
যেমন:
গরুর গাড়ি, শবদাহ, মড়াপােড়া প্রভৃতি হলাে তৎসম শব্দ।

• উপমার ভুল প্রয়োগ:
- সাধারণত বাংলা ভাষায় প্রবাদ-প্রবচনগুলো যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তার বিকৃতি বা রূপের পরিবর্তন করা হলে তা ভুল বলে গণ্য হবে।
- যেমনঃ 'এক পৌষে শীত যায় না' বাক্যটি ভুল৷ এতে প্রবাদ-প্রবচন বিকৃতিজনিত ভুল প্রয়োগ ঘটেছে।
- শুদ্ধ বাক্যটি হলো- এক মাঘে শীত যায় না (বিপদ বা প্রতিকূল অবস্থা সবসময় থাকে না)।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৫.
কোনটি নিত্য সমাসের সমস্তপদ?
  1. যথারীতি
  2. গৃহান্তর
  3. অনুতাপ
  4. প্রবচন
সঠিক উত্তর:
গৃহান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৃহান্তর
ব্যাখ্যা

• নিত্য সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদ গুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না তাকে নিত্য সমাস বলে। 
যেমন-
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
- অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
- কাল তুল্য সাপ = কালসাপ,
- দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই
- অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন - প্রাদি সমাসের উদাহরণ।
• অনুতে যে তাপ = অনুতাপ- প্রাদি সমাস।
• রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি - অব্যয়ীভাব সমাস। 

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৬.
'গায়ক' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি কোনটি?
  1. গায়
  2. গৈ
  3. গা
  4. গেয় 
সঠিক উত্তর:
গৈ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৈ
ব্যাখ্যা

• সংস্কৃত 'ণক' প্রত্যয়যোগে - গায়ক শব্দটি গঠিত। 
- ‘গায়ক’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়- 'গৈ + ণক/অক'। 
- এটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ।
এখানে,
'গৈ' হলো- প্রকৃতি এবং 'ণক'/ অক' - প্রত্যয়।

এরূপভাবে, 
- √ পঠ্‌ + ণক = পাঠক। 
- √ নী + ণক > নৈ + অক = নায়ক। 
- √ গৈ + ণক = গায়ক। 

উল্লেখ্য,
নতুন ব্যাকরণ অনুসারে, গায়ক শব্দের প্রকৃতি- প্রত্যয় আছে- '√ গৈ + অক'। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৭.
কোন বানানগুচ্ছ শুদ্ধ?
  1. সত্তেও, সত্তা
  2. অভ্যুথান, বিদ্ব্যান
  3. শুশ্রূষা, বিকেন্দ্রীকরণ
  4. বস্তুত, নিরিক্ষন
সঠিক উত্তর:
শুশ্রূষা, বিকেন্দ্রীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুশ্রূষা, বিকেন্দ্রীকরণ
ব্যাখ্যা

সঠিক বানানগুচ্ছ হলো - শুশ্রূষা; বিকেন্দ্রীকরণ।
---------------

• অভ্যুথান - অভ্যুত্থান;
• বিদ্ব্যান - বিদ্বান।
- 'নিরিক্ষন' এর শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে নিরীক্ষণ।

ক) সত্তেও, সত্তা:
- সত্তেও — শুদ্ধ নয়; শুদ্ধ হবে: সত্ত্বেও
- সত্তা শুদ্ধ হলেও একটি ভুল থাকায় পুরো গুচ্ছটি অশুদ্ধ।
 
খ) অভ্যুথান, বিদ্ব্যান:
- অভ্যুথান — শুদ্ধ হবে - অভ্যুত্থান;
- বিদ্ব্যান — শুদ্ধ হবে বিদ্বান;
→ এখানে, দুটোই ভুল।

ঘ) বস্তুত, নিরিক্ষন:
- বস্তুত — শুদ্ধ।
- নিরিক্ষন — শুদ্ধ হবে - নিরীক্ষণ;
→ একটি ভুল থাকায় অশুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৮.
‘জলৌকা’ - শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. জল + একা
  2. জল + ওকা
  3. জলৌ + কা
  4. জল + ঔকা
সঠিক উত্তর:
জল + ওকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জল + ওকা
ব্যাখ্যা

• স্বরসন্ধির নিয়মে:
প্রথম পদের শেষের অ-ধ্বনি বা আ-ধ্বনি সঙ্গে দ্বিতীয় পদের প্রথম ও-ধ্বনি বা ঔ-ধ্বনির যোগে ঔ- ধ্বনি হয়। বানানে তা ঔ- কারের রূপ নিয়ে আগের বর্ণে যুক্ত হয়।

যেমন:
• নিয়ম: অ + ও = ঔ:
- বন + ওষধি = বনৌষধি,
- জল + ওকা = জলৌকা,
- জল+ ওঘ = জলৌঘ।

• নিয়ম: আ + ও = ঔ:
- মহা + ওষধি = মহৌষধি,
- গঙ্গা + ওঘ = গঙ্গৌঘ।

• নিয়ম: অ + ঔ = ঔ;
- পরম + ঔষধ = পরমৌষধ,
- চিত্ত + ঔদার্য = চিত্তৌদার্য,
- দিব্য + ঔষধ= দিব্যৌষধ।

• নিয়ম: আ + ঔ = ঔ:
- মহা + ঔৎসুক্য = মহৌৎসুক্য,
- মহা + ঔদার্য = মহৌদার্য,
- মহা + ঔদাস্য = মহৌদাস্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৯.
নিচের কোনটি নিম্ন বিবৃত স্বরধ্বনি?
  1. উ 
  2. অ্যা
  3. আ 
  4. ই 
সঠিক উত্তর:
আ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ 
ব্যাখ্যা

• 'আ'- নিম্ন বিবৃত স্বরধ্বনি।

• উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা- 
- উচ্চ স্বরধ্বনি [ই], [উ];
- উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি [এ], [ও];
- নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি [অ্যা], [অ];
- নিম্ন স্বরধ্বনি [আ]।
উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ উপরে ওঠে; নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ নিচে নামে।

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খােলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
- সংবৃত [ই], [উ];
- অর্ধ-সংবৃত: [এ], [ও];
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা] [অ];
- বিবৃত: [আ]।
সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোট বেশি খােলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সর্বশেষ সংস্করণ)।

৩০.
Famous poem "The Patriot" was composed by -
  1. P.B. Shelley
  2. John Keats
  3. Robert Browning
  4. W.B. Yeats
সঠিক উত্তর:
Robert Browning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Robert Browning
ব্যাখ্যা

• The Patriot
- এটি Robert Browning রচিত একটি কবিতা।
- "The Patriot" হলো Robert Browning রচিত the best dramatic monologue.
- এটি প্রকাশিত হয়েছিল "Dramatic Lyrics" এ ১৮৪২ সালে।
- এই কবিতায় যে ভাব প্রকাশ করা হয়েছে তা মূলত একধরনের Irony.
- এখানে একজন দেশপ্রেমিকের প্রতি সাধারণ জনগনের দ্বিমুখী আচরণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
- জনগণ কখনো উল্লাসে মাথায় করে নাচে আবার পাথর ছুড়ে রক্তাক্ত করতেও বাঁধেনা ।
- শেষে কবি ইহলোকে বিচার না পেলেও পরলোকে সুবিচার পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে কবিতা শেষে করেছেন।
- এই কবিতার একটি বিখ্যাত লাইন "Thus I entered, and thus I go!"

• Robert Browning
- তিনি Victorian age এর একজন British Poet.
- He is noted for his mastery of dramatic monologue and psychological portraiture.

• Some quotations from Robert Browning:
-"What of soul was left, I wonder, when the kissing had to stop?"
- "Ignorance is not innocence but sin."
- "If you get simple beauty and naught else, You get about the best thing God invents."
- "Ah, but a man's reach should exceed his grasp, Or what's a heaven for?"

• Notable works:
- Fra Lippo Lippi,
- Men and Women,
- My Last Duchess,
-The Patriot,
- Paracelsus,
- Pippa Passes,
- Rabbi Ben Ezra,
- Sordello,
- The Pied Piper of Hamelin,
- The Ring, etc.

Source: An ABC of English Literature Dr. M. Mofizar Rahman and Britannica.

৩১.
The title “Poet of the Poets” is attributed to—
  1. John Milton
  2. Edmund Spenser 
  3. Alexander Pope
  4. William Shakespeare
সঠিক উত্তর:
Edmund Spenser 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Edmund Spenser 
ব্যাখ্যা

Edmund Spenser-কে “Poet of the Poets” বলা হয়, কারণ তাঁর অনন্য ভাষা, কাব্যশৈলী এবং কল্পনাশক্তি পরবর্তী ইংরেজ কবিদের অনুপ্রাণিত করেছে এবং ইংরেজি কবিতাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

• Edmund Spenser:
- He was known as 'The Poet of the Poets'.
- তিনি Elizabethan Period এর একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক।
- তাকে 'The Child of Renaissance and Reformation' বলা হয়।
- তার বিখ্যাত মহাকাব্যের নাম 'The Faerie Queene'.
- 'The Faerie Queene' is one of the greatest long poem in the English literature.
- রানী Elizabeth কে প্রশংসা করে রচিত। এটি Allegory হিসেবে পরিচিত।

• Notable works:
- A View of the Present State of Ireland [Political pamphlet],
- Amoretti [Sequence of sonnets],
- Colin Clouts Come Home Again [Poem],
- Complaints [Poem],
- The Faerie Queene [Poem],
- The Shepheardes Calender [Poem], etc.

Source: Britannica.

৩২.
The famous poem 'The Revolt of Islam' was written during -
  1. Renaissance period
  2. Neoclassical period
  3. Romantic period
  4. Modern period
সঠিক উত্তর:
Romantic period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Romantic period
ব্যাখ্যা

The famous poem 'The Revolt of Islam' was written during - Romantic period.

"The Revolt of Islam" কবিতাটি Percy Bysshe Shelley রচিত, যিনি ইংরেজি সাহিত্যের Romantic period-এর একজন অন্যতম প্রধান কবি।

• The Revolt of Islam:
- এটি P.B. Shelley রচিত একটি Poem.
- It is a poem in twelve cantos.
- যা 1817 সালে প্রকাশিত হয়।

• P.B. Shelley:
- তিনি একজন English Romantic poet.
- Her passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.
 
Best works:
Poem:
- Ode to the West Wind,
- Queen Mab,
- Alastor,
- Adonais,
- Ozymandias,
- To a Skylark.
 
Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci.

Source: Britannica.

৩৩.
"I have a dream that one day this nation will rise up and live out the true meaning of its creed. We hold these truths to be self-evident that all men are created equal." - Who quoted this?
  1. Abraham Lincoln
  2. Henry David Thoreau
  3. Martin Luther King Jr.
  4. Nelson Mandela
সঠিক উত্তর:
Martin Luther King Jr.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Martin Luther King Jr.
ব্যাখ্যা

"I have a dream that one day this nation will rise up and live out the true meaning of its creed. We hold these truths to be self-evident that all men are created equal."
— Martin Luther King Jr.

এই উক্তিটি বিখ্যাত আফ্রিকান-আমেরিকান নেতা Martin Luther King Jr.-এর ১৯৬৩ সালের "I Have a Dream" শীর্ষক বক্তৃতা থেকে নেওয়া। তিনি তখন বর্ণবৈষম্য, অন্যায় ও সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন।

• Martin Luther King Jr.
- তিনি ১৫ জানুয়ারী ১৯২৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় জন্মগ্রহন করেন।
- Martin Luther King Jr. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা ছিলেন।
- তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট Martin Luther King Jr. তার বিখ্যাত 'I Have a Dream' ভাষণটি প্রদান করেন।
- ভাষণটি সবাই এখন 'I have a dream' শিরোনামে জানে।
- এই ভাষণে উঠে এসেছে নিগ্রোদের প্রতি অত্যাচারের কথা, তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা।
- সেখানে তিনি এমন একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন যা বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত।
- স্বপ্ন দেখেছেন সাম্যের, স্বপ্ন দেখেছেন শোষণমুক্ত এক সমাজের।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।

Source: Britannica.

৩৪.
What is Othello’s tragic flaw?
  1. Greed
  2. Jealousy
  3. Cowardice
  4. Ambition
সঠিক উত্তর:
Jealousy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jealousy
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) Jealousy.

William Shakespeare-এর নাটক Othello-এ Othello-এর tragic flaw হলো jealousy.

Iago-এর কূটচালের ফলে Othello তার স্ত্রী Desdemona-এর প্রতি অযৌক্তিক ঈর্ষা অনুভব করে এবং তাকে হত্যা করে। এই অন্ধ ঈর্ষাই তার মহৎ চরিত্র সত্ত্বেও তার ট্র্যাজিক পতনের কারণ হয়। Aristotle-এর tragic hero-এর সংজ্ঞা অনুসারে এটি তার tragic flaw.

• Othello:
- এটি Shakespeare রচিত একটি Tragedy.
- It tells the story of Othello, A moor of Venice.
- নাটকটির মূল চরিত্র Othello. সে ছিল ভেনিসের একজন সেনাপতি।
- এই tragedy এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Othello এবং Othello এর Desdemona হচ্ছে নায়িকা।
- Villan চরিত্রে ছিল Iago.
- নাটকে Othello তাঁর নিজ স্ত্রী Desdemona কে সন্দেহ করে এবং তাকে হত্যা করে।
- In this tragedy, Othello, the hero, was affected by Othello Syndrome (a mental disorder of excessive jealousy) যার বর্শবর্তী হয়ে villain Iago এর প্ররোচনায় Othello Desdemona কে হত্যা করে।

• Important characters:
- Othello,
- Desdemona,
- Brabantio,
- lago,
- Cassio,
- Emilia etc.

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

Source: britannica.com

৩৫.
Which character is a famous villain created by Dickens?
  1. Fagin
  2. Heathcliff
  3. Mr. Hyde 
  4. Long John Silver
সঠিক উত্তর:
Fagin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fagin
ব্যাখ্যা

উত্তর: ক) Fagin.

Charles Dickens-এর বিখ্যাত উপন্যাস Oliver Twist (1837–1839)-এর অন্যতম প্রধান villain হলো Fagin.

• Oliver Twist
- Oliver Twist, in full Oliver Twist, or, The Parish Boy's Progress, a novel by Charles Dickens.
- এটি তার ছদ্মনাম "Boz" নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
- The novel follows the journey of the titular character, Oliver Twist. an orphan since birth.
- "Oliver Twist" চার্লস ডিকেন্স রচিত একটি ক্লাসিক উপন্যাস, যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৩৭ থেকে ১৮৩৯ পর্যন্ত।
- এটি ডিকেন্সের প্রথম পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস এবং এটি ১৯শ শতকের ইংল্যান্ডের সমাজ, বিশেষত দারিদ্র্য, শিশুশ্রম, এবং অনাথদের প্রতি অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে এক তীব্র সমালোচনা।
- লেখক এই কাহিনির দ্বারা তৎকালীন লন্ডন শহরের একটি দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরেছেন।
- তিনি সার্থক ভাবে দেখিয়েছেন কিভাবে দারিদ্রতা মানুষকে অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়।

• Main characters:
- Oliver Twist,
- Fagin,
- Bill Sikes,
- Nancy,
- Agnes Fleming,
- Charley Bates, etc.

• Charles Dickens
- তার পুরো নাম হলো- Charles John Huffam Dickens.
- তিনি একজন ব্রিটিশ novelist.
- Charles Dickens -এর ছদ্মনাম ছিল Boz.
- তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম জনপ্রিয় সাহিত্যিক, যিনি সমাজের অন্যায়, দারিদ্র্য, এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে লিখেছেন।
- তার উপন্যাসগুলো সাধারণত বাস্তববাদী, আবেগপ্রবণ এবং ব্যঙ্গাত্মক, যা তৎকালীন ব্রিটিশ সমাজের প্রতিচিত্র তুলে ধরে।

• Best Works:
• Novels:
- The Pickwick Papers,
- Oliver Twist,
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House,
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations, 
- Our Mutual Friend,
- Hard Times, etc.

অন্য অপশনগুলো:

খ) Heathcliff → Emily Bronte-এর Wuthering Heights (1847)-এর চরিত্র।
গ) Mr. Hyde → Robert Louis Stevenson-এর Strange Case of Dr Jekyll and Mr Hyde (1886)-এর চরিত্র।
ঘ) Long John Silver → Robert Louis Stevenson-এর Treasure Island (1883)-এর চরিত্র।

Source: Britannica.

৩৬.
Who authored the famous poetic work The Excursion?
  1. Shelley
  2. Wordsworth
  3. Yeats
  4. Eliot
সঠিক উত্তর:
Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wordsworth
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) Wordsworth.

The Excursion একটি দীর্ঘ কাব্য যার রচয়িতা William Wordsworth.

• The Excursion
- William Wordsworth এর একটি দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা, যা প্রথম প্রকাশিত হয় 1814 সালে।
- কবিতাটির প্রতিটি চরিত্র জীবনের বিভিন্ন দর্শন, সমাজ এবং আধ্যাত্মিকতার ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
- কবিতার পটভূমি ইংল্যান্ডের Lake District, যা চরিত্রগুলোর ভাবনার প্রেক্ষাপট এবং প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে।
- পুরো কবিতায় মানুষের জীবন, প্রকৃতির চিকিৎসাশক্তি, এবং কল্পনা ও স্মৃতির ভূমিকা নিয়ে গভীর দার্শনিক আলোচনা রয়েছে।

• William Wordsworth: 
- William Wordsworth রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি। 
- তিনি ‘Poet of Nature’ নামে পরিচিত। 
- তার বিখ্যাত কবিতা The Solitary Reaper (একাকী শস্য আহরণকারী)। 

• তার অন্যান্য কবিতাগুলো হচ্ছে:
- Daffodils,
- The Excursion,
- The Prelude,
- The Recluse,
- Lucy etc.

Source: Britannica.

৩৭.
"I will never rest from travels
I will drink life to the lees."- Who quoted this?
  1. S.T. Coleridge
  2. John Milton
  3. W.B. Yeats
  4. Alfred Tennyson
সঠিক উত্তর:
Alfred Tennyson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alfred Tennyson
ব্যাখ্যা

"I will never rest from travels
I will drink life to the lees."- এই Alfred Tennyson রচিত Ulysses কবিতার একটি বিখ্যাত লাইন।

Ulysses: 
- রচয়িতা Alfred Tennyson. 
- এটি একটি কবিতা।
- হোমারের কাব্য Iliad থেকে অনুপ্রাণিত ।
- Poem in Blank Verse. 
- এটি মূলত: একটি Dramatic Monologue.

• Famous quotes from this poem: 
•“Made weak by time and fate, but strong in will to strive to seek, to find, and not to yield”.

• "I will never rest from travels
I will drink life to the lees." 

• Alfred Tennyson:
- তাকে  Victorian Period এর Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তিনি তাঁর melodious language এর জন্য অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।

• তাঁর বিখ্যাত কিছু কবিতা সমূহ:
- The Lotos Eaters,
- Oenone,
- Morte D' Arthur,
- Locksley Hall,
- The Memoriam,
- Tithonus, etc.

• উল্লেখ্য যে, Ulyssess নামে ইংরেজি সাহিত্যে আরো একটি সাহিত্যকর্ম রয়েছে এবং সেটি হচ্ছে James Joyce এর লেখা একটি Novel.

Source: An ABC of English Literature by Mofizar Rahman and Britannica.

৩৮.
Who is the author of the famous novel The Picture of Dorian Gray?
  1. Jane Austen
  2. George Bernard Shaw
  3. Charles Dickens
  4. Oscar Wilde
সঠিক উত্তর:
Oscar Wilde
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oscar Wilde
ব্যাখ্যা

উত্তর: ঘ) Oscar Wilde.

The Picture of Dorian Gray একটি বিখ্যাত উপন্যাস যার রচয়িতা Oscar Wilde.

• The Picture of Dorian Gray:
- Oscar Wilde এর একমাত্র Novel.
- লেখক রচিত একমাত্র উপন্যাস "The Picture of Dorian Gray" এর কেন্দ্রীয় চরিত্র এটি এবং তাকে নিয়েই উপন্যাসটির নামকরণ করা হয়েছে।
- এটি একটি philosophical/moral fantasy/gothic novel.
- ১৮৯০ সালে এই উপন্যাসটি Novella রূপে American periodical Lippincott's Monthly Magazine এ প্রকাশিত হয়েছিল যা পরবর্তীতে ১৮৯১ সালে অতিরিক্ত ৬টি চ্যাপ্টার যুক্ত হয়ে উপন্যাস রূপে প্রকাশিত হয়।
- Dorian Gray হচ্ছে একজন তরুণ যুবক, যে তাঁর আত্না বিক্রয়ের মাধ্যমে অনন্ত যৌবন ক্রয় করে এবং ফলাফল স্বরূপ শেষ পর্যন্ত যাকে চরম মূল্য দিতে হয়।
- কাহিনীর শুরু হয় Basil Hallward নামক এক স্টুডিও থেকে যেখানে Dorian কে তাঁ বন্ধু Lord Henry Wotton সাথে একটি বর্তমান চিত্রকর্ম নিয়ে আলোচনা করতে দেখা যায়।
- Knowing that his beauty will eventually fade, he wishes that only his portrait should age, allowing him to maintain his youth.
- Dorian কে কুমন্ত্রনা দেয় এবং অপকর্মের প্রতি প্রভাবিত এবং উৎসাহিত করে এই Henry Wotton.
- শেষ পর্যন্ত যিখ তিনি নিজের আত্না বিক্রয়ের ভয়াবহতা উপলব্ধি করেন এবং বুঝতে পারেন তিনি শয়তানের কাছে আত্না বিক্রি করে ভুল করেছেন তখন তিনি তার portrait টি ছিঁড়ে ফেলেন এবং এর ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

• Oscar Wilde:
- He was a poet, novelist, and dramatist/Playwright.
- This Irish-born poet became London’s most popular playwright in the early 1890s.
- His full name was Oscar Fingal O’Flahertie Wills Wilde.

• Notable Works:
- The Picture of Dorian Gray (1891),
- Lady Windermere’s Fan (1892),
- The Importance of Being Earnest (1895).

Source: Britannica.com

৩৯.
The Second Coming is written in ________.
  1. Lyric
  2. Dramatic monologue
  3. Blank verse
  4. Sonnet
সঠিক উত্তর:
Blank verse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blank verse
ব্যাখ্যা

The Second Coming is written in Blank verse.

• The Second Coming: 
- The Second Coming হলো  William Butler Yeats লিখিত একটি কবিতা।
- প্রথম ১৯১৯ সালে লেখা হয়।
- এটি 'Blank verse' এ রচিত। 

• কবিতার মূল থিম হলো একটি নতুন ও ভয়ঙ্কর সময়ের আগমন, যা পূর্ববর্তী সময়ের সমস্ত নীতি ও বিশ্বাসকে পালটে দেবে। এই কবিতাটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে এক অস্থির ও অনিশ্চিত সময়ের প্রতিফলন। ইয়েটস এখানে মানবজাতির অস্থিরতা, বিশৃঙ্খলা, এবং ভবিষ্যতের অন্ধকার দিক নিয়ে চিন্তা করেন। ইয়েটস ধারণা করেন যে, একটি নতুন শক্তি বা সত্তা আসছে, যা পৃথিবীকে নতুনভাবে গড়ে তুলবে, কিন্তু এই পরিবর্তনটি সম্ভবত বিপর্যয়কর হবে।

• "The Second Coming" একটি কবিতা, যা মানবসভ্যতার ভবিষ্যত সম্পর্কে গভীর প্রশ্ন তোলে। এটি ইতিহাসের চক্র, পুনর্জন্ম, এবং পরিবর্তনের থিমগুলিকে অনুসন্ধান করে।

• William Butler Yeats:
• He is an Irish Poet.
- তাঁকে Ireland এর National poet  বলা হয়ে থাকে।
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B. Yeats was first awarded the Nobel Prize in Literature as the first Irishman.
- ১৯২৩ সালে সাহিত্যে Nobel Prize লাভ করেন।  
- Abbey Theatre হচ্ছে W. B. Yeats প্রতিষ্ঠাকৃত Irish National Theatre Society.
- মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

• Major Poems:
- The Wild Swans at Coole,
- The Tower,
- The Second Coming,
- The Cat and the Moon,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- Among School Children,
- A Prayer for My Daughter,
- When You Are Old,
- Easter 1916,
- September 1919,
- The Wanderings of Oisin,
- Leda and The Swan.

• W.B Yeats রচিত কিছু play হচ্ছে - 
- The Resurrection,
- The Only Jealousy of Emer,
- The Dreaming of the Bones,
- Four Plays for Dancers,
- Calvary,
- The Countess Cathleen.

• Prose
- A Vision,
- Celtic Twilight (essay).

Source: Britannica.

৪০.
Samuel Beckett was a/an _____ author.
  1. British
  2. Russian
  3. Irish
  4. American
সঠিক উত্তর:
Irish
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Irish
ব্যাখ্যা

Samuel Beckett:
- He is an Irish novelist, author, critic, and playwright.
- He was awarded the Nobel Prize for Literature in 1969.

Best Works: (play)
- Waiting for Godot,
- Endgame,
- Happy Days.

Source: An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman & Britannica

৪১.
Who is the writer of the famous play The Caretaker?
  1. Herman Melville
  2. Ernest Hemingway
  3. G.B. Shaw
  4. Harold Pinter
সঠিক উত্তর:
Harold Pinter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harold Pinter
ব্যাখ্যা

The Caretaker একটি বিখ্যাত নাটক, যার রচয়িতা Harold Pinter.

• The Caretaker
- Harold Pinter wrote this play.
- এটি একটি three-act play.
- ১৯৬০ সালে প্রথম প্রকাশিত এবং মঞ্চস্থ হয়। 
- The work is Pinter’s second full-length play and it concerns the delicate balance between trust and betrayal in familial relationships.
- The action of the play occurs in the flat of Aston and Mick, two brothers. Aston, who is slow-witted, befriends a wheedling, garrulous tramp named Davies. 

• Harold Pinter একজন ব্রিটিশ লেখক।
- ২০০৫ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

• Best Works:
- The Birthday Party,
-  The Room,
- No Man’s Land,
- The Dumb Waiter,
- The Caretaker,
- The Homecoming, etc.

Source: An ABC of English Literature by Professor M Mofizar Rahman and Britannica.

৪২.
Who wrote the novel Cloud Atlas?
  1. Louise Erdrich
  2. Colson Whitehead
  3. Jeffrey Eugenides
  4. David Mitchell
সঠিক উত্তর:
David Mitchell
উত্তর
সঠিক উত্তর:
David Mitchell
ব্যাখ্যা

• Cloud Atlas:
- এটি রচনা করেন David Mitchell.
- এটি একটি novel.
- প্রকাশিত হয় 2004 সালে। 

David Mitchell: (জন্ম: ১২ জানুয়ারি ১৯৬৯, সাউথপোর্ট, ল্যাঙ্কাশায়ার, ইংল্যান্ড)
- একজন ইংরেজ লেখক যাঁর উপন্যাসগুলো তাঁর গীতিময় গদ্যশৈলী এবং জটিল গঠনের জন্য বিখ্যাত।

Notable Works:
- Black Swan Green,
- Cloud Atlas,
- Ghostwritten etc.

Source: Britannica.

৪৩.
William Somerset Maugham is best known as a—
  1. Poet
  2. Short story writer
  3. Essayist
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
Short story writer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Short story writer
ব্যাখ্যা

William Somerset Maugham (১৮৭৪–১৯৬৫) একজন ব্রিটিশ লেখক যিনি short stories-এর জন্য বিখ্যাত।

• William Somerset Maugham:
- William Somerset Maugham ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজী লেখক, নাট্যকার এবং উপন্যাসিক।
- তিনি ২৫ জানুয়ারী ১৮७৪ সালে প্যারিসে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৬৫ সালে মারা যান।
- তার লেখায় মানব প্রকৃতি, সামাজিক সম্পর্ক, এবং জীবনের জটিলতা সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি পাওয়া যায়।

• Short Stories:
- The Ant and the Grasshopper,
- The Luncheon.

• Notable works (Novels):
- Of Human Bondage,
- The Sacred Flames,
- The Razor's Edge,
- Cakes and Ale,
- The Musician,
- The Moon and Sixpence,
- Lady Frederick.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৪৪.
A person who can use both hands equally well is called —
  1. Dexterous
  2. Ambidextrous
  3. Ubiquitous
  4. Altruist
সঠিক উত্তর:
Ambidextrous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ambidextrous
ব্যাখ্যা

A person who can use both hands equally well is called — Ambidextrous.

Ambidextrous:
English meaning: able to use both hands equally well.
Bangla meaning: বাম অথবা ডান যেকোনো হাত সমান দক্ষতায় ব্যবহারে সক্ষম; সব্যসাচীর গুণবিশিষ্ট।

Other options,

ক) Dexterous: 
English meaning: having the ability to perform a difficult action quickly and skilfully with the hands.
Bangla meaning: দক্ষ; হাতের কাজে পারদর্শী; কুশলী।

গ) Ubiquitous:
English meaning: seeming to be everywhere.
Bangla meaning: একই সময়ে সর্বত্র বা বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত; সর্বব্যাপী।

ঘ) Altruist:
English meaning: a person who cares about others and helps them despite not gaining anything by doing this.
Bangla meaning: পরহিতব্রতী; পরার্থবাদী।

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.

৪৫.
Which word is an adjective?
  1. Miser
  2. Crime
  3. Special
  4. Laugh
সঠিক উত্তর:
Special
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Special
ব্যাখ্যা

Answer - Special.

গ) Special: [adjective]
English meaning: not ordinary or usual; different from what is normal.
Bangla meaning: কোনো বিশেষ বা নির্দিষ্ট ধরনের; সাধারণ নয়, বিশিষ্ট; কোনো বিশেষ ব্যক্তি, বস্তু বা অভিপ্রায়ের জন্য।

Special: [noun]
English meaning: something that is not usually available but is provided for a particular purpose or on one occasion.

 Other options,

ক) Miser: [noun]
English meaning: a person who loves money and hates spending it.
Bangla meaning: কৃপণ; অর্থপিশাচ; বখিল; কঞ্জুস।

খ) Crime: [noun]
English meaning: activities that involve breaking the law.
Bangla meaning:  আইনভঙ্গের অপরাধ।। 

ঘ) Laugh: [verb]
English meaning:  to make the sounds and movements of your face that show you think something is funny or silly.
Bangla meaning: (১) শব্দ করে হাসা; (তুলনীয় smile). laugh at (ক) আমোদ পাওয়া: laugh at a joke. (খ) কৌতুক করা; বিদ্রূপ বা উপহাস করা

Laugh: [noun]
English meaning: the act or sound of laughing.
Bangla meaning: হাসার শব্দ; হাস্যধ্বনি; হাসা

Source: 
- Oxford Dictionary.
- Accessible Dictionary.
- Cambridge Dictionary.

৪৬.
Which of the following is the antonym of the word "Abdication"?
  1. Resignation
  2. Coronation
  3. Denial
  4. Weary
সঠিক উত্তর:
Coronation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Coronation
ব্যাখ্যা

• Abdication:
English meaning: the action of giving up the position of being king or queen.
Bangla meaning: অধিকার বা সিংহাসন ত্যাগ।

Options,
ক) Resignation:
- পদত্যাগ; দাবিত্যাগ; পদত্যাগপত্র।

খ) Coronation:
- রাজাভিষেক; রাজা বা রানির সিংহাসনে আরোহণের অনুষ্ঠান।

গ) Denial:
-  অস্বীকার; প্রত্যাখ্যান; ব্যপনয়ন।

ঘ) Weary:
- ক্লান্তিকর।

So, The antonym of the word "Abdication is - Coronation.

Source: Accessible Dictionary.

৪৭.
Following a day of medical research, the conference focused on educational practices. Here, 'Following' is -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Conjunction
  4. Preposition
সঠিক উত্তর:
Preposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Preposition
ব্যাখ্যা

Following a day of medical research, the conference focused on educational practices. Here, 'Following' is - Preposition.
- 'Following' এখানে মানে “পরে” বা “অনুসরণে” এবং এটি 'a day of medical research'-এর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করছে। তাই এটি preposition.

• Following [preposition]
English meaning: after.
Bangla meaning: পরে।

Example: 
- The weeks following the riots were extremely tense.
- Following the dinner, there will be a dance.
 
Source: Cambridge Dictionary.

৪৮.
Complete sentence: 
She was not very skilled at painting; ______, her artwork won several awards because of her creativity.
  1. therefore
  2. because
  3. that's why
  4. nevertheless
সঠিক উত্তর:
nevertheless
উত্তর
সঠিক উত্তর:
nevertheless
ব্যাখ্যা

Options,

ক) therefore:
- সেই কারণে; সুতরাং।

খ) because:
- সে-কারণে; কেননা; যেহেতু

গ) that's why:
- যার কারণে

ঘ) nevertheless:
- তথাপি; তবু; তা সত্ত্বেও।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শূন্যস্থানে nevertheless বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়। 

Complete sentence: She was not very skilled at painting; nevertheless, her artwork won several awards because of her creativity.

Source: Accessible Dictionary.

৪৯.
Fill in the blank: 
They can't help ____ excited about the trip.
  1. feeling
  2. feel
  3. to feel
  4. felt
সঠিক উত্তর:
feeling
উত্তর
সঠিক উত্তর:
feeling
ব্যাখ্যা

Complete sentence: They can't help feeling excited about the trip.

- "Can't help"- পরে সাধারণত gerund (verb + -ing) ব্যবহার হয়।

• Can't help এরপর verb + ing হয়।
Example: He cannot help telling a lie.

Complete sentence: I can't help smoking.

আবার,
Can't but এরপর verb এর base form বসে।
Example: She could not but congratulate him. 

Source: Oxford Dictionary & Collins Dictionary.

৫০.
Choose the correct spelling:
  1. Miscellaneous
  2. Miscelaneous
  3. Miscellanous
  4. Miscellanious
সঠিক উত্তর:
Miscellaneous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Miscellaneous
ব্যাখ্যা

Answer - Miscellaneous.

• Miscellaneous [adjective]
English meaning: consisting of a mixture of various things that are not usually connected with each other.
Bangla Meaning: বিবিধ।

Example sentence:
- His bedroom is full of guitars, keyboards, and miscellaneous instruments.
- The magazine did a price comparison of 17 miscellaneous items sold at both stores.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৫১.
"Moot point" means something that is:
  1. Very important
  2. Debatable matter
  3. Certain and definite
  4. Easy to solve
সঠিক উত্তর:
Debatable matter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Debatable matter
ব্যাখ্যা

Answer: খ) Debatable matter.

• Moot point:
English Meaning: An undecided matter; a subject that people cannot agree about; an issue that lacks practical significance.
Bangla Meaning: অমীমাংসিত বিষয়।

• Ex. Sentence: Whether the law should be this is a moot point.
- Bangla Meaning: আইনটি এমন হওয়া উচিত কিনা, এটি একটি বিতর্কিত বিষয়।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৫২.
They discussed organizing a school trip.
Here, 'organizing' is -
  1. Gerund
  2. Present participle
  3. Verbal Noun
  4. Finite verb
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা

• They discussed organizing a school trip.
Here, 'organizing' is - a Gerund.

"Discuss" verb-এর পরে object হিসেবে gerund বসে (discuss + gerund)। অর্থ: তারা স্কুল ট্রিপ আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা করল। "Organizing a school trip" পুরোটা noun phrase, যা "discussed"-এর object.
 
• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• Functions of the Gerund:
1. As a subject of a verb: Rising early is a good habit.
2. As an object of a verb: I like reading poetry.
3. As an object of a preposition: I am tired of waiting.
4. As a complement of a verb: Seeing is believing.
5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing table.

Source: 
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৫৩.
Fill in the blank: 
The cat ____ in the sun all morning yesterday.
  1. layed
  2. lie
  3. laid
  4. lay
সঠিক উত্তর:
lay
উত্তর
সঠিক উত্তর:
lay
ব্যাখ্যা

• প্রদত্ত বাক্যের শেষে 'yesterday' রয়েছে। 
- তাই পুরো বাক্যটি past tense এ হবে। 

• Lie (verb intransitive):
- শয়ন করা; শোয়া। 
- এর past form হচ্ছে Lay. 

Complete Sentence: The cat lay in the sun all morning yesterday.

অন্য অপশনগুলো ভুল:

ক) layed → ভুল। "Lie"-এর কোনো form-ই "layed" নয়।

খ) lie → ভুল। Present tense; past-এর জন্য নয়।

গ) laid → ভুল। "Laid" হলো transitive verb "lay"-এর past form (অর্থ: কোনো কিছু রাখা বা শোয়ানো, যেমন "I laid the mat on the floor")। এখানে object নেই, তাই "laid" হবে না।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৫৪.
'Five years have passed since his father died'. Identify the correct simple form of the sentence from the following options:
  1. His father has died five years ago.
  2. His father died five years ago.
  3. His father has died for five years.
  4. His father died since five years.
সঠিক উত্তর:
His father died five years ago.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
His father died five years ago.
ব্যাখ্যা

→[47th BCS Preli]
 
- Complex: Five years have passed since his father died.
- Simple: His father died five years ago.

• প্রদত্ত বাক্যটি একটি Complex sentence.
- কারণ sentence টিতে একটি independent clause "Five years have passed" এবং একটি Subordinate clause "since his father died" আছে।
- এটিকে Simple sentence -এ পরিবর্তন করতে হলে, একটি subject এবং Finite verb যুক্ত sentence -এ রূপান্তর করতে হবে এবং বাক্যের অর্থ ঠিক রাখতে হবে।
- কারণ সাধারণত একটি clause-এর মধ্যে একটি subject এবং একটি finite verb নিয়ে simple sentence গঠিত হয়।

• Option Analysis:
ক) "His father has died five years ago."
- এটি ভুল, কারণ Present perfect tense ("has died") cannot be used with a specific past time reference like "five years ago."

খ) "His father died five years ago."
- এই বাক্যটি correct simple form, কারণ এই বাক্যে past time expression "five years ago" -এর সাথে সঠিকভাবে simple past tense ব্যবহার হয়েছে, যা original sentence এর same meaning বহন করে।

গ) "His father has died for five years."
- এটি ভুল, কারণ The verb "die" is a momentary action (not continuous), আর duration ("for five years") এর সাথে "has died" ব্যবহার করা যায় না।
- এর বদলে "His father has been dead for five years." ব্যবহার করা যায় কিন্তু তখন অর্থ বদলে যাবে।

ঘ) "His father died since five years."
- এটি correct simple sentence নয়, কারণ "Since" requires present perfect tense, and "since five years" is grammatically wrong (should be "since five years ago").

- সুতরাং, প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী দেখা যায় যে, correct simple sentence টি হলো- খ) His father died five years ago.

৫৫.
The teacher is intolerant ____ any form of cheating in exams.
  1. of
  2. to
  3. off
  4. on
সঠিক উত্তর:
of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
of
ব্যাখ্যা

Complete sentence: The teacher is intolerant of any form of cheating in exams.

Intolerant (of):
Meaning: অসহিষ্ণু; অসহনশীল; অসহ।

Example: 
- She was intolerant of sloppy thinking and poorly done research.
- The treatment can be used as an alternative for patients intolerant to statins.

Source: Accessible Dictionary.

৫৬.
In case she calls, inform me immediately.
- The underlined part is 
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Adverb clause
  4. Noun phrase
সঠিক উত্তর:
Adverb clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb clause
ব্যাখ্যা

In case she calls, inform me immediately. (অর্থ: সে যদি ফোন করে, সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাবে।) 
- The underlined part is an Adverb clause.

- বাক্যটির Sub-ordinate clause টি 'in case' দ্বারা শুরু হয়েছে এবং শর্ত প্রকাশ করছে। 
- তাই, এটি একটি Adverb clause of condition.

• Adverb clause: 
- যে subordinate clause একটি বাক্যে একটি adverb হিসেবে কাজ করে এবং একটি verb,বা একটি adjective-clause বা অন্য একটি adverbial clause-কে modify করে তাকে Adverbial Clause বলে।
 - Adverb এর মতো এরা- time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।

• Adverb clause of condition: 
- কোন ঘটনা ঘটার শর্ত প্রকাশ করে।
- Sub-ordinate clause টি যদি if, whether, unless, In case দিয়ে শুরু হয় তবে এটি adverb clause of condition.

৫৭.
She's wearing a dress like mine. Here, 'like' is -
  1. Adverb
  2. Adjective
  3. Preposition
  4. Pronoun
সঠিক উত্তর:
Preposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Preposition
ব্যাখ্যা

She's wearing a dress like mine. Here, 'like' is - Preposition.
- এখানে 'like' ব্যবহার হয়েছে 'mine' এর সঙ্গে 'a dress' এর তুলনা বা সম্পর্ক দেখাতে।
- Preposition সাধারণত noun বা pronoun-এর সাথে সম্পর্ক তৈরি করে।
এখানে 'like' + mine → 'mine' হলো pronoun, আর 'like' এর মাধ্যমে 'dress'-এর সঙ্গে সম্পর্ক দেখানো হচ্ছে।

like: [preposition]
English meaning: similar to somebody/something.
Bangla meaning: মতো; ন্যায় (পুরাতনী, কাব্য)

Example:
- She's wearing a dress like mine.
- He's very like his father.
- She looks nothing like (= not at all like) her mother.
- That sounds like (= I think I can hear) him coming now.
- It tastes rather like chicken.

Source: Oxford Dictionary.

৫৮.
Let me show you the way. [Passive]
  1. Let the way to be shown by me.
  2. Let the way be shown by me.
  3. Let the way have been shown by me.
  4. Let the way shown by me.
সঠিক উত্তর:
Let the way be shown by me.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let the way be shown by me.
ব্যাখ্যা

• Imparetive sentence এর Active voice কে Passive voice এ রূপান্তরের নিয়ম:
- Let দিয়ে Passive voice এর বাক্যটি শুরু হবে।
- Active voice এর object টি Passive voice এ subject হিসেবে বসে।
- be বসে।
- মূল verb এর past participle form বসে।
- by বসে। 
- Active voice এর subject টি Passive voice এ object হিসেবে বসে।

• Active Voice: Let me explain the problem. 
• Passive Voice: Let the problem be explained by me.

Active Voice: Let me show you the way.
Passive Voice: Let the way be shown by me.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৫৯.
যে কোনো চারটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার গুণফলের সাথে 1 যোগ করলে যোগফল কী হব? 
  1. মৌলিক সংখ্যা
  2. পূর্ণবর্গ সংখ্যা
  3. জোড় সংখ্যা 
  4. অমূলদ সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
পূর্ণবর্গ সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণবর্গ সংখ্যা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যে কোনো চারটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার গুণফলের সাথে 1 যোগ করলে যোগফল কী হব? 

সমাধান:
মনে করি, চারটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যা যথাক্রমে x, x + 1, x + 2, x + 3
ক্রমিক সংখ্যা চারটির গুণফলের সাথে 1 যোগ করলে পাওয়া যায়,
x(x + 1)(x + 2)(x + 3) + 1
= x(x + 3){(x + 1)(x + 2)} + 1
= (x2 + 3x)(x2 + 3x + 2) + 1

ধরি, 
x2 + 3x = a

প্রদত্ত রাশি, 
a(a + 2) + 1
= a2 + 2a + 1
= (a + 1)2
= (x2 + 3x + 1)2 ; [a এর মান বসিয়ে]
যা একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা।

সুতরাং যে কোনো চারটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার গুণফলের সাথে 1 যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে।

৬০.
যদি 32√x + 32√x + 32√x = 9√(x + 1) হয়, তবে x এর মান কত?
  1. 1/2
  2. 3/4
  3. 9/4
  4. 9/16
সঠিক উত্তর:
9/16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9/16
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 32√x + 32√x + 32√x = 9√(x + 1) হয়, তবে x এর মান কত? 

সমাধান: 
32√x + 32√x + 32√x = 9√(x + 1) 
⇒ 32√x(1 + 1 + 1) = (32)√(x + 1)
⇒ 32√x × 3 = 32√(x + 1)
⇒ 32√x + 1 = 32√(x + 1)
⇒ 2√x + 1 = 2√(x + 1)
⇒ (2√x + 1)2 = {2√(x + 1)}2  ; [বর্গ করে পাই]
⇒ 4x + 4√x + 1 = 4(x + 1)
⇒ 4x + 4√x + 1 = 4x + 4
⇒ 4√x = 3
⇒ √x = 3/4
⇒ (√x)2 = (3/4)2    ; [বর্গ করে পাই]
∴ x = 9/16

৬১.
যদি 7 - 2x ≤ 15, হয়, তাহলে x-এর মান কত? 
  1. (- ∞, 4]
  2. [- 4, ∞)
  3. [4, ∞)
  4.  (- ∞, - 4]
সঠিক উত্তর:
[- 4, ∞)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
[- 4, ∞)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 7 - 2x ≤ 15, হয়, তাহলে x-এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া অসমতা,
7 - 2x ≤ 15
⇒ - 2x ≤ 8  ; [দুই পাশ থেকে 7 বিয়োগ করে পাই]
∴ x ≥ - 4  ; [দুই পাশকে - 2 দিয়ে ভাগ করি (ভাগ করার সময় ঋণাত্মক সংখ্যা হওয়ায় অসমতার চিহ্ন উল্টে যাবে]

সুতরাং, সমাধান সেট x ∈ [- 4, ∞) 

৬২.
a, b, c, d, e, f, g, h - এই আটটি ভিন্ন বর্ণ থেকে 3টি করে বর্ণ নিয়ে কতভাবে সাজানো যাবে?
  1. 144 উপায়ে
  2. 720 উপায়ে
  3. 360 উপায়ে
  4. 336 উপায়ে
সঠিক উত্তর:
336 উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
336 উপায়ে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a, b, c, d, e, f, g, h - এই আটটি ভিন্ন বর্ণ থেকে 3টি করে বর্ণ নিয়ে কতভাবে সাজানো যাবে?

সমাধান:
মোট ভিন্ন বর্ণ = 8টি
আমরা 3টি করে বর্ণ নিয়ে সাজাতে হবে।

8টি থেকে 3টি নিয়ে সাজানোর উপায় = 8P3
= 8!/(8 - 3)! 
= 8!/5!
= (8 × 7 × 6 × 5!)/5!
= 8 × 7 × 6
= 336

সুতরাং, 336 ভাবে সাজানো যাবে।

৬৩.
বৃত্তের ক্ষেত্রফল 81π বর্গ সে.মি. হলে, বৃত্তের পরিসীমা কত?
  1. 9π সে.মি.
  2. 144 সে.মি.
  3. 18π সে.মি.
  4. 196 সে.মি.
সঠিক উত্তর:
18π সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
18π সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বৃত্তের ক্ষেত্রফল 81π বর্গ সে.মি. হলে, বৃত্তের পরিসীমা কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = 81π বর্গ সে.মি.

আমরা জানি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2

প্রশ্নমতে,
πr2 = 81π
⇒ r2 = 81 = 92
⇒ r = 9

∴ বৃত্তের পরিসীমা = 2πr
= 2π × 9
= 18π সে.মি.

৬৪.
রহমান সাহেব একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ৮ মাসের জন্য ধার নিয়েছেন। তিনি বার্ষিক ১২% হারে সরল সুদ হিসেবে ১২০০ টাকা পরিশোধ করেছেন। তিনি মূলত কত টাকা (মূলধন) ধার নিয়েছিলেন?
  1. ১৫০০০ টাকা
  2. ১৮০০০ টাকা
  3. ১২৫০০ টাকা
  4. ১৬২০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১৫০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রহমান সাহেব একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ৮ মাসের জন্য ধার নিয়েছেন। তিনি বার্ষিক ১২% হারে সরল সুদ হিসেবে ১২০০ টাকা পরিশোধ করেছেন। তিনি মূলত কত টাকা (মূলধন) ধার নিয়েছিলেন?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
সরল সুদ, SI = ১,২০০ টাকা
সুদের হার, r = ১২%
সময়, n = ৮ মাস = ৮/১২ = ২/৩ বছর

আমরা জানি, 
সরল সুদ, SI = (P × r × n)/১০০
১২০০ = (P × ১২ × ২/৩)/১০০
⇒ ১২০০ = (P × ৮)/১০০
⇒ P = (১২০০ × ১০০) / ৮
⇒ P = ১২০০০০/৮
∴ P = ১৫০০০ টাকা

∴ তিনি মূলত ১৫০০০ টাকা ধার নিয়েছিলেন। 

৬৫.
একটি সমান্তর ধারার প্রথম পদ 22 এবং শেষ পদ - 11। যদি পদগুলোর সমষ্টি 66 হয়, তবে ধারাটিতে কতটি পদ আছে? 
  1. 11টি
  2. 10টি
  3. 18টি
  4. 12টি
সঠিক উত্তর:
12টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার প্রথম পদ 22 এবং শেষ পদ - 11। যদি পদগুলোর সমষ্টি 66 হয়, তবে ধারাটিতে কতটি পদ আছে?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
প্রথম পদ, a = 22
শেষ পদ, l = - 11
এবং সমষ্টি, Sn = 66

আমরা জানি, 
সমান্তর ধারার সমষ্টি, Sn = (n/2)(a + l)

প্রশ্নমতে, 
(n/2)(a + l) = 66
⇒ (n/2){22 + (- 11)} = 66
⇒ (n/2)(22 - 11) = 66
⇒ 11n/2 = 66
⇒ n = (66 × 2)/11
⇒ n = 6 × 2
∴ n = 12

সুতরাং, ধারাটিতে পদ সংখ্যা 12টি।

৬৬.
4x2 - 12x + 9 = 0 সমীকরণে মূলদ্বয়ের প্রকৃতি কী?
  1. বাস্তব, অসমান ও অমূলদ
  2. মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান
  3. বাস্তব মূল নেই
  4. মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও মূলদ
সঠিক উত্তর:
মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4x2 - 12x + 9 = 0 সমীকরণে মূলদ্বয়ের প্রকৃতি কী?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
4x2 - 12x + 9 = 0
এখানে,
a = x2 এর সহগ = 4
b = x এর সহগ = - 12
c = ধ্রুবক = 9

নিশ্চায়ক = b2 - 4ac
= (- 12)2 - 4 × 4 × 9
= 144 - 144
= 0

নিশ্চায়ক = 0 হলে, মূল দুইটি বাস্তব ও পরস্পর সমান হবে।

∴ মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান।

উল্লেখ্য:
b2 - 4ac > 0 এবং পূর্ণবর্গ হলে ⇒ মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও মূলদ
b2 - 4ac > 0 কিন্তু পূর্ণবর্গ নয় ⇒ মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও অমূলদ
b2 - 4ac = 0 হলে ⇒ মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান
b2 - 4ac < 0 হলে ⇒ বাস্তব মূল নেই (কাল্পনিক মূল)

৬৭.
একটি বাক্সে ২০টি বৈদ্যুতিক বাল্ব আছে, যার মধ্যে ৪টি ত্রুটিপূর্ণ। এই বাক্স থেকে এলোমেলোভাবে দুটি বাল্ব নেওয়া হলো। অন্তত একটি ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ১১/১৯
  2. ৩/৪ 
  3. ৯/১১ 
  4. ৭/১৯
সঠিক উত্তর:
৭/১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭/১৯
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বাক্সে ২০টি বৈদ্যুতিক বাল্ব আছে, যার মধ্যে ৪টি ত্রুটিপূর্ণ। এই বাক্স থেকে এলোমেলোভাবে দুটি বাল্ব নেওয়া হলো। অন্তত একটি ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মোট বাল্ব = ২০টি
ত্রুটিপূর্ণ বাল্ব = ৪টি
ত্রুটিহীন বাল্ব = ২০ - ৪ = ১৬টি
দুটি বাল্ব এলোমেলোভাবে নেওয়া হচ্ছে(পুনর্বিন্যাস ছাড়া)। 
এখন,
দুটিই ত্রুটিহীন হওয়ার সম্ভাবনা = (১৬/২০) × (১৫/১৯)
= (৪/৫) × (১৫/১৯)
= ১২/১৯ 

অতএব, অন্তত একটি ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা = ১ - (দুটিই ত্রুটিহীন হওয়ার সম্ভাবনা)
= ১ - (১২/১৯) 
= (১৯ - ১২)/১৯
= ৭/১৯

সুতরাং, অন্তত একটি ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা ৭/১৯

৬৮.
সামান্তরিকের সন্নিহিত বাহু দুটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬.৫ সে.মি. এবং ৮০ মি.মি. হলে, পরিসীমা কত?
  1. ০.২৯ মিটার
  2. ৩৯ মিটার
  3. ০.৪৯ মিটার
  4. ০.৩৯ মিটার
সঠিক উত্তর:
০.২৯ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.২৯ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সামান্তরিকের সন্নিহিত বাহু দুটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬.৫ সে.মি. এবং ৮০ মি.মি. হলে, পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
৬.৫ সে.মি. = ৬.৫ সে.মি.
৮০ মি.মি. = ৮০/১০ = ৮ সে.মি.   ; [১০ মি.মি. = ১ সে.মি.]

আমরা জানি, 
সামান্তরিকের পরিসীমা = ২ × (সন্নিহিত বাহু + অন্য সন্নিহিত বাহু)
= ২ × (৬.৫ + ৮) সে.মি.
= ২ × ১৪.৫ সে.মি.
= ২৯ সে.মি.
= ২৯/১০০ মি.  ; [১০০ সে.মি. = ১ মিটার] 
= ০.২৯ মিটার

সুতরাং, সামান্তরিকটির পরিসীমা ০.২৯ মিটার।

৬৯.
একজন দোকানদার একটি দ্রব্য ১২.৫% ক্ষতিতে বিক্রয় করেন। ঐ বিক্রয়মূল্যের চেয়ে ২৪ টাকা বেশি নিলে তিনি ১২.৫% লাভ করতেন।
দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ১০২ টাকা
  2. ৯২.৫ টাকা
  3. ৮০ টাকা
  4. ৯৬ টাকা
সঠিক উত্তর:
৯৬ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন দোকানদার একটি দ্রব্য ১২.৫% ক্ষতিতে বিক্রয় করেন। ঐ বিক্রয়মূল্যের চেয়ে ২৪ টাকা বেশি নিলে তিনি ১২.৫% লাভ করতেন।
দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা

১২.৫% ক্ষতিতে 
বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ১২.৫) টাকা = ৮৭.৫ টাকা

১২.৫% লাভে 
বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ১২.৫ = ১১২.৫ টাকা 

বিক্রয়মূল্য বেশি = (১১২.৫ - ৮৭.৫) টাকা = ২৫ টাকা 

বিক্রয়মূল্য২৫ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা 
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য ১০০/২৫ টাকা 
বিক্রয়মূল্য ২৪ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ২৪)/২৫ = ৯৬ টাকা

সুতরাং, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ৯৬ টাকা। 

৭০.
  1. 7
  2. 14
  3. 5
  4. 21
সঠিক উত্তর:
7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 

সমাধান: 

৭১.
যদি x3 - 6x2 + 11x + p = 0 এর একটি উৎপাদক (x - 5) হয়, তাহলে p এর মান কত?
  1. 25
  2. - 15
  3. 10
  4. - 30
সঠিক উত্তর:
- 30
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 30
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি x3 - 6x2 + 11x + p = 0 এর একটি উৎপাদক (x - 5) হয়, তাহলে p এর মান কত? 

সমাধান:
ধরি, f(x) = x3 - 6x2 + 11x + p
∴ f(5) = (5)3 - 6(5)2 + 11(5) + p
= 125 - 150 + 55 + p
= 30 + p

এখন,
x3 - 6x2 + 11x + p এর একটি উৎপাদক x - 5 হলে, f(5) = 0 হবে।
∴ f(5) = 0
⇒ 30 + p = 0
⇒ p = - 30

সুতরাং, p এর মান - 30

৭২.
একটি স্কুলে ৮০ জন ছাত্র আছে। ৪৫ জন বাস্কেটবল খেলে, ৩৮ জন ভলিবল খেলে এবং ১৫ জন উভয় খেলা খেলে। কতজন কোনো খেলাই খেলে না?
  1. ৮ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৬ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
১২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি স্কুলে ৮০ জন ছাত্র আছে। ৪৫ জন বাস্কেটবল খেলে, ৩৮ জন ভলিবল খেলে এবং ১৫ জন উভয় খেলা খেলে। কতজন কোনো খেলাই খেলে না?

সমাধান: 
বাস্কেটবল খেলে, n(B) = ৪৫ জন
ভলিবল খেলে, n(V) = ৩৮ জন
উভয় খেলা খেলে, n(B ∩ V) = ১৫ জন

আমরা জানি,
অন্তত একটি খেলা খেলে এমন ছাত্রের সংখ্যা n(B ∪ V) = n(B) + n(V) - n(B ∩ V)
= ৪৫ + ৩৮ - ১৫
= ৮৩ - ১৫
= ৬৮ জন

∴ কোনো খেলাই না খেলা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র - n(B ∪ V)
= ৮০ - ৬৮
= ১২ জন

সুতরাং, ১২ জন ছাত্র কোনো খেলাই খেলে না। 

৭৩.
একটি সাইকেলের সামনের চাকার পরিধি ২.৫ মিটার এবং পেছনের চাকার পরিধি ৪ মিটার। কমপক্ষে কত দূরত্ব অতিক্রম করলে সামনের চাকা পেছনের চাকা অপেক্ষা ১২ বার বেশি ঘুরবে?
  1. ৭৫ মিটার
  2. ১২০ মিটার
  3. ১৮০ মিটার
  4. ৮০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৮০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সাইকেলের সামনের চাকার পরিধি ২.৫ মিটার এবং পেছনের চাকার পরিধি ৪ মিটার। কমপক্ষে কত দূরত্ব অতিক্রম করলে সামনের চাকা পেছনের চাকা অপেক্ষা ১২ বার বেশি ঘুরবে?

সমাধান:
সামনের চাকার পরিধি = ২.৫ মিটার অর্থাৎ একবার ঘুরলে ২.৫ মিটার পথ অতিক্রম করে।
পেছনের চাকার পরিধি = ৪ মিটার অর্থাৎ একবার ঘুরলে ৪ মিটার পথ অতিক্রম করে।

ধরি, সাইকেলটি d মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে।
সামনের চাকার ঘূর্ণন সংখ্যা = d/২.৫
পেছনের চাকার ঘূর্ণন সংখ্যা = d/৪

শর্ত অনুসারে সামনের চাকা পেছনের চাকা অপেক্ষা ১২ বার বেশি ঘুরবে। অর্থাৎ
d/২.৫ = (d/৪) + ১২ 
⇒ (১০d/২৫) - (d/৪) = ১২ 
⇒ (৪০d - ২৫d)/১০০ = ১২ 
⇒ ১৫d = ১২০০ 
⇒ d = ১২০০/১৫ 
∴ d = ৮০ 

 সুতরাং, কমপক্ষে ৮০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করলে সামনের চাকা পেছনের চাকা অপেক্ষা ১২ বার বেশি ঘুরবে। 

৭৪.
ক : খ = ৭ : ৫, খ : গ = ৩ : ৪; যদি ক-এর ৬৯৩ টাকা থাকে, তবে গ-এর টাকার পরিমাণ কত?
  1. ৫৫০ টাকা 
  2. ৬৬০ টাকা
  3. ৭২০ টাকা 
  4. ৬৮০ টাকা 
সঠিক উত্তর:
৬৬০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ক : খ = ৭ : ৫, খ : গ = ৩ : ৪; যদি ক-এর ৬৯৩ টাকা থাকে, তবে গ-এর টাকার পরিমাণ কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
ক : খ = ৭ : ৫
খ : গ = ৩ : ৪

∴ ক : খ : গ = (৭ × ৩) : (৫ × ৩) : (৪ × ৫)
= ২১ : ১৫ : ২০
অতএব, ক : খ : গ = ২১ : ১৫ : ২০

∴ ক-এর ২১ অংশ = ৬৯৩ টাকা
∴ ক-এর ১ অংশ = ৬৯৩/২১ = ৩৩ টাকা

∴ গ-এর ২০ অংশ = ২০ × ৩৩ = ৬৬০ টাকা

সুতরাং, গ-এর টাকার পরিমাণ ৬৬০ টাকা।

৭৫.
একটি গুণোত্তর ধারার তৃতীয় পদ 16 এবং ষষ্ঠ পদ - 128 হলে, সাধারণ অনুপাত কত? 
  1. 6
  2. - 8
  3. 4
  4. - 2
সঠিক উত্তর:
- 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর ধারার তৃতীয় পদ 16 এবং ষষ্ঠ পদ - 128 হলে, সাধারণ অনুপাত কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
গুণোত্তর ধারার ১ম পদ = a
এবং সাধারণ অনুপাত = r

দেওয়া আছে, 
তৃতীয় পদ, ar2 = 16 ......(1)
ষষ্ঠ পদ, ar5 = - 128 .......(2)

(2) নং কে (1)  নং দ্বারা ভাগ করে পাই, 
ar5/ar2 = - 128/16
⇒ r3 = - 8 = - 23
∴ r = - 2

সুতরাং, সাধারণ অনুপাত - 2। 

৭৬.
2x - y = 5 এবং 2x + 3y = 9 সমীকরণের সমাধান কোনটি? 
  1. (2, 1)
  2. (3, 1)
  3. (0, 5) 
  4. (1, 3)
সঠিক উত্তর:
(3, 1)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(3, 1)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2x - y = 5 এবং 2x + 3y = 9 সমীকরণের সমাধান কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
2x - y = 5 ...................(১)
2x + 3y = 9 ...................(২)

(১) × 3 ⇒ 6x - 3y = 15 ...................(৩)

এখন (২) ও (৩) নং সমীকরণ যোগ করে পাই,
(2x + 3y) + (6x - 3y) = 9 + 15
⇒ 2x + 6x + 3y - 3y = 21
⇒ 8x = 24
⇒ x = 24/8
∴ x = 3

x-এর মান (২) নং সমীকরণে বসিয়ে পাই,
2x + 3y = 9
⇒ 6 + 3y = 9
⇒ 3y = 9 - 6 = 3
⇒ 3y = 3
∴ y = 1

নির্ণয় সমাধান: (x, y) = (3, 1)

৭৭.
৫০৪ এর মৌলিক উৎপাদকগুলোর মধ্যে প্রচুরক কত?
  1. ৭ 
  2. ৩ 
  3. ৫ 
  4. ২ 
সঠিক উত্তর:
২ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫০৪ এর মৌলিক উৎপাদকগুলোর মধ্যে প্রচুরক কত?

সমাধান:
৫০৪ = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৩ × ৭ = ২ × ৩ × ৭

এখানে, 
 ২ তিনবার, ৩ দুইবার, ৭ একবার।
সবচেয়ে বেশি বার আসা মৌলিক সংখ্যা ২।
∴ প্রচুরক = ২

৭৮.
ΔABC ত্রিভুজের ∠B এর পরিমাণ ৫৬° এবং AB = AC হয়, তাহলে ∠A এর মান কত?
  1. ৭২°
  2. ৬৮°
  3. ৯০°
  4. ৮৮°
সঠিক উত্তর:
৬৮°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ΔABC ত্রিভুজের ∠B এর পরিমাণ ৫৬° এবং AB = AC হয়, তাহলে ∠A এর মান কত?

সমাধান:

চিত্রে, ∠B = ৫৬° এবং AB = AC 
∴ ∠B = ∠C = ৫৬°
আমরা জানি,
ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি ১৮০°

প্রশ্নমতে,
⇒ ∠A + ∠B + ∠C = ১৮০°
⇒ ∠A + ৫৬° + ৫৬° = ১৮০°
⇒ ∠A + ১১২° = ১৮০°
⇒ ∠A = ১৮০° - ১১২° = ৬৮°
∴ ∠A = ৬৮°

৭৯.
A, B-এর ভাই; C, A-এর বোন; D, E-এর ভাই; E, A-এর কন্যা এবং D ও F দুই ভাই। F এর চাচা কে?
  1. D
  2. E
  3. B
  4. C
সঠিক উত্তর:
B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A, B-এর ভাই; C, A-এর বোন; D, E-এর ভাই; E, A-এর কন্যা এবং D ও F দুই ভাই। F এর চাচা কে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
A, B-এর ভাই
C, A-এর বোন
D, E-এর ভাই
E, A-এর কন্যা
D ও F দুই ভাই

A (পিতা) - B (চাচা) - C (ফুফু) ( পরস্পর ভাইবোন )


E (মেয়ে) - D (ছেলে) - F (ছেলে) ( পরস্পর ভাইবোন )

অতএব, F-এর চাচা হলো B।

৮০.
ভারসাম্য রক্ষার জন্য d চিহ্নিত অংশের দূরত্ব কত হবে?
  1. 1.3 m
  2. 0.5 m
  3. 0.25 m
  4. 0.3 m
সঠিক উত্তর:
0.3 m
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.3 m
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ভারসাম্য রক্ষার জন্য d চিহ্নিত অংশের দূরত্ব কত হবে?

সমাধান:
ধরি,
বামদিকের অবলম্বন বিন্দুর দূরত্ব = d m
বামদিকের বস্তুর ওজন w1 = 3.0 N
বামদিকের বস্তুর ওজন w1' = 0.5 N
বামদিকের বস্তুর দূরত্ব d1 = 0.15 m
ডানদিকের অবলম্বন বিন্দুর দূরত্ব, d2 = 0.30 m
ডানদিকের বস্তুর ওজন w2 = 2.0 N

এখন,
(d × w1') + (d1 × w1) = d2 × w2
⇒ (d × 0.5) + (0.15 × 3.0) = 0.30 × 2.0
⇒ 0.5d + 0.45 = 0.6
⇒ 0.5d = 0.6 - 0.45
⇒ 0.5d = 0.15
⇒ d = 0.15/0.5
∴ d = 0.3 m

∴ দূরত্ব হবে = 0.3 m

৮১.
A person who collects butterflies ______.
  1. Lepidopterist
  2. Ornithologist
  3. Botanist
  4. Geologist
সঠিক উত্তর:
Lepidopterist
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lepidopterist
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A person who collects butterflies ______.

সমাধান:
A person who collects butterflies - Lepidopterist.
অর্থাৎ প্রজাপতি সংগ্রহকারী ব্যাক্তিকে বলা হয়- Lepidopterist

অন্যদিকে,
• Ornithologist = পাখি অধ্যয়নকারী
• Botanist = উদ্ভিদবিজ্ঞানী
• Geologist = ভূতত্ত্ব অধ্যয়নকারী
 

উৎস: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৮২.
রতন পশ্চিম দিকে 4 কি.মি. হেঁটে, বামদিকে ঘুরে 5 কি.মি. হাঁটলো। তারপর সে পূর্বদিকে ঘুরে 2 কি.মি. হাঁটলো। আবার সে দক্ষিণ দিকে 3 কি.মি. হাঁটলো । তারপর সে আরও 2 কি.মি. পূর্ব দিকে হাঁটলো। রতন শুরুর বিন্দু থেকে সরাসরি কত দূরে আছে?
  1. 16 কি.মি.
  2. 5 কি.মি.
  3. 13 কি.মি.
  4. 8 কি.মি.
সঠিক উত্তর:
8 কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8 কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রতন পশ্চিম দিকে 4 কি.মি. হেঁটে, বামদিকে ঘুরে 5 কি.মি. হাঁটলো। তারপর সে পূর্বদিকে ঘুরে 2 কি.মি. হাঁটলো। আবার সে দক্ষিণ দিকে 3 কি.মি. হাঁটলো । তারপর সে আরও 2 কি.মি. পূর্ব দিকে হাঁটলো। রতন শুরুর বিন্দু থেকে সরাসরি কত দূরে আছে?

সমাধান:

যাত্রা শুরুর স্থান A এবং গন্তব্যস্থান F
∴ সরাসরি দূরত্ব, AF = 5 + 3 = 8 কি.মি.

৮৩.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
  1. 78
  2. 48
  3. 42
  4. 56
সঠিক উত্তর:
48
উত্তর
সঠিক উত্তর:
48
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 

সমাধান: 
(বাম পাশের সংখ্যাদ্বয়ের অন্তরফল) × (ডান পাশের সংখ্যাদ্বয়ের সমষ্টি) = মাঝের সংখ্যা 

এখন, 
১ম চিত্রে, 
(15 - 5) × (2 + 6) = 10 × 8 = 80

২য় চিত্রে, 
(9 - 4) × (7 + 6) = 5 × 13 = 65

৩য় চিত্রে, 
(13 - 11) × (16 + 8) = 2 × 24 = 48

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 48 সংখ্যাটি বসবে। 

৮৪.
একজন গাড়ী চালক ৬০ কি.মি. পথ ৭৫ কি.মি./ঘণ্টা বেগে এবং বাকি ৪০ কি.মি. পথ ৮০ কি.মি./ঘণ্টা বেগে চালিয়ে গন্তব্যে পৌছায়। তার কতক্ষণ সময় লাগে?
  1. ৫৪ মিনিট
  2. ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট
  3. ৪৫ মিনিট
  4. ১ ঘণ্টা ১৮ মিনিট
সঠিক উত্তর:
১ ঘণ্টা ১৮ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ঘণ্টা ১৮ মিনিট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন গাড়ী চালক ৬০ কি.মি. পথ ৭৫ কি.মি./ঘণ্টা বেগে এবং বাকি ৪০ কি.মি. পথ ৮০ কি.মি./ঘণ্টা বেগে চালিয়ে গন্তব্যে পৌছায়। তার কতক্ষণ সময় লাগে?

সমাধান:
প্রথম ৬০ কি.মি. পথ ৭৫ কি.মি./ঘণ্টা বেগে।
সময় = ৬০/৭৫ ঘণ্টা
= ৪/৫ ঘণ্টা
= (৪/৫) × ৬০ মিনিট 
= ৪৮ মিনিট

আবার, 
৪০ কি.মি. পথ ৮০ কি.মি./ঘণ্টা বেগে।
সময় = ৪০/৮০ ঘণ্টা
= ১/২ ঘণ্টা
= (১/২) × ৬০ মিনিট
= ৩০ মিনিট

∴ মোট সময় = (৪৮  + ৩০) মিনিট
= ৭৮ মিনিট
= ১ ঘণ্টা ১৮ মিনিট [১ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]

সুতরাং, তার ১ ঘণ্টা ১৮ মিনিট সময় লাগবে। 

৮৫.
প্রদত্ত চিত্রটিকে পানিতে কেমন দেখাবে? 
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রটিকে পানিতে কেমন দেখাবে? 

    সমাধান: 


    সঠিক উত্তর: গ

    ৮৬.
    Paucity : Abundance : :  ?
    1. Abstention : Moderation
    2. Wealth : Opulence
    3. Scarcity : Plenty
    4. Generosity : Greed
    সঠিক উত্তর:
    Scarcity : Plenty
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Scarcity : Plenty
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: Paucity : Abundance : :  ?

    সমাধান:
    Paucity অর্থ - স্বল্পতা / অভাব
    Abundance অর্থ - প্রাচুর্য
    অর্থাৎ এটি বিপরীতার্থক (Antonym) সম্পর্ক।

    অপশনগুলো যাচাই করে পাই, 
    ক) abstention : Moderation ⇒ বিরত থাকা : সংযম ; যা একই অর্থ প্রকাশ করে।
    খ) Wealth : Opulence ⇒ ধন : ঐশ্বর্য যা একই অর্থ প্রকাশ করে। 
    গ) Scarcity : Plenty ⇒ অভাব : প্রাচুর্য ; এটি বিপরীতার্থক। 
    ঘ) Generosity : Greed ⇒ উদারতা : লোভ ;  ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।

    সঠিক উত্তর গ) Scarcity : Plenty ⇒ অভাব : প্রাচুর্য ; একই অর্থ ও একই সম্পর্ক।

    ৮৭.
    A চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে D চাকাটি কোন দিকে ঘুরবে?
    1. ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে
    2. ঘড়ির কাঁটার দিকে
    3. স্থির থাকবে
    4. কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    ঘড়ির কাঁটার দিকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘড়ির কাঁটার দিকে
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: A চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে D চাকাটি কোন দিকে ঘুরবে?

    সমাধান: 
    A এবং B চাকা দুইটি একই বেল্ট দ্বারা যুক্ত। 
    সুতরাং, A চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে, B চাকাটিও ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে। 
    B চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে, C চাকাটিও ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে। 

    এবং C এবং D চাকা দুইটি একই বেল্ট দ্বারা যুক্ত।
    C চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে, D চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে। 

    সুতরাং, D চাকাটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।

    ৮৮.
    Choose the correctly spelt word-
    1. Surreptious
    2. Surruptitious
    3. Surreptitious
    4. Surreptous
    সঠিক উত্তর:
    Surreptitious
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Surreptitious
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: Choose the correctly spelt word-

    সমাধান:
    শব্দটির সঠিক বানান হলো sur-rep-ti-tious (surreptitious)।
    অর্থ: গোপনীয়, লুকোচুরি করে করা। 
    উদাহরণ: He cast a surreptitious glance at her phone.

    বাকি অপশনগুলো ভুল বানান।

    সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) Surreptitious

    ৮৯.
    যদি CAT = 3120 এবং DOG = 4157 হয়, তবে GOAT = কত?
    1. 715120
    2. 715102
    3. 751120
    4. 712150
    সঠিক উত্তর:
    715120
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    715120
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি CAT = 3120 এবং DOG = 4157 হয়, তবে GOAT = কত?

    সমাধান:
     

    CAT শব্দটিতে বর্ণমালায় ক্রমানুসারে অক্ষরগুলিতে নাম্বার দেওয়ায় (C = 3, A = 1, T = 20) 3120 হয়েছে।
    একইভানে, DOG (D = 4, O = 15, G = 7) =  4157 হয়।
    তেমনিভাবে,
    GOAT(G = 7, O = 15, A = 1, T = 20) = 715120

    ৯০.
    প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
    0.12 : 0.0012 : : 1.02 : ?
    1. 0.102
    2. 0.12
    3. 0.00102
    4. 0.0102 
    সঠিক উত্তর:
    0.0102 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    0.0102 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
    0.12 : 0.0012 : : 1.02 : ?

    সমাধান:
    ১ম ক্ষেত্রে, 
    0.12 থেকে 0.0012 পেতে, 
    0.12 ÷ 0.0012 = 100
    অর্থাৎ, 0.12 কে 100 দ্বারা ভাগ করলে 0.0012 পাওয়া যায়।
    তাই, প্রথম সংখ্যাকে 100 দ্বারা ভাগ করলে দ্বিতীয় সংখ্যা পাওয়া যায়।

    ২য় ক্ষেত্রে, একই সম্পর্ক প্রয়োগ করে পাই, 
    ? = 1.02 ÷ 100 = 0.0102

    সুতরাং, প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে সংখ্যাটি 0.0102।

    ৯১.
    একটি সংখ্যার ৬০% এর সাথে ৮০ যোগ করলে ঐ সংখ্যাটি পাওয়া যায়। সংখ্যাটি কত?
    1. ২০০
    2. ১৯০ 
    3. ৩১০
    4. ৪৮০
    সঠিক উত্তর:
    ২০০
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২০০
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি সংখ্যার ৬০% এর সাথে ৮০ যোগ করলে ঐ সংখ্যাটি পাওয়া যায়। সংখ্যাটি কত?

    সমাধান:

    ধরি, সংখ্যাটি ক

    শর্তমতে,
    ক এর ৬০% + ৮০ = ক
    বা, ক × (৬০/১০০) + ৮০ = ক
    বা, (৩ক/৫) + ৮০ = ক
    বা, ক - (৩ক/৫) = ৮০
    বা, (৫ক - ৩ক)/৫ = ৮০
    বা, ২ক = ৮০ × ৫
    বা, ক = (৮০ × ৫)/২ 
    ⸫ ক = ২০০

    ৯২.
    (A) চিত্রটি কোন চিত্রে লুকায়িত আছে? 
    1. 1
    2. 2
    3. 3
    4. 4
    সঠিক উত্তর:
    2
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: (A) চিত্রটি কোন চিত্রে লুকায়িত আছে? 

    সমাধান:
    (A) চিত্রটি ২নং চিত্র লুকায়িত আছে। 

    ৯৩.
    প্রদত্ত চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে?
    1. 17
    2. 15
    3. 14
    4. 16
    সঠিক উত্তর:
    15
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    15
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে?


    সমাধান:
     
    একটি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - AFB, FEB, EBC, DEC, DFE এবং AFD = 6
    দুইটি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - AEB, FBC, DFC, ADE, DBE এবং ABD = 6
    তিনটি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - ADC এবং ABC = 2.
    চারটি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - DBC = 1

    ∴ মোট ত্রিভুজ 6 + 6 + 2 + 1 = 15

    ৯৪.
    বিষুব অঞ্চলের তুলনায় মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন কেন বেশি?
    1. মেরুতে বস্তুর ঘনত্ব বেশি 
    2. মেরুতে ভরের মান বেশি 
    3. মেরুতে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি 
    4. মেরুতে বস্তুর আকার বড় 
    সঠিক উত্তর:
    মেরুতে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মেরুতে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি 
    ব্যাখ্যা

    বস্তুর ওজন: 
    - একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বলে। 
    - কোন বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল। 
    - যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি, সে স্থানে বস্তুর ওজনও বেশি হয়। 
    - বস্তুর ওজন মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি। 
    - মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজনও বেশি। 
    - পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজন শূন্য। 

    উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

    ৯৫.
    নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে নিকটতম শক্তিস্তর কোনটি?
    1. K-শেল 
    2. L-শেল
    3. N-শেল
    4. M-শেল
    সঠিক উত্তর:
    K-শেল 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    K-শেল 
    ব্যাখ্যা

    বোর তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রন বিন্যাসের নিয়ম: 
    - বোর তত্ত্বানুসারে ইলেকট্রনসমূহ তাদের নিজ নিজ শক্তি অনুযায়ী নিউক্লিয়াসের চারিদিকে কতগুলো অনুমোদিত কক্ষপথ বা শক্তিস্তরে পরিভ্রমণ করে, এইরূপ শক্তিস্তরকে প্রধান শক্তিস্তর বলে। 
    - প্রত্যেক পরমাণুতে একাধিক প্রধান শক্তিস্তর বিদ্যমান। 
    - প্রধান শক্তিস্তরগুলোকে n দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। 
    n = ১ হলে ১ম শক্তিস্তর বা K- শেল যা নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে। পরবর্তী উচ্চতর শক্তিস্তরগুলো যথাক্রমে ২য় শক্তিস্তর বা L- শেল, ৩য় শক্তিস্তর বা M- শেল, ৪র্থ শক্তিস্তর বা N- শেল ইত্যাদি। 
    - নিউক্লিয়াস থেকে পরবর্তী শেলগুলোর দুরত্ব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। 
    - নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে নিকটতম শেলটি সবচেয়ে কম শক্তিসম্পন্ন। দুরত্ব যত বাড়ে, শেল তত শক্তি সম্পন্ন হয়। 
    - ইলেকট্রন সর্বদা কম শক্তিসম্পন্ন স্তরে অবস্থান করে। তবে, শক্তি শোষণের মাধ্যমে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন স্তরে যেতে পারে। 

    - প্রতিটি শেলে সর্বাধিক 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন ( যেখানে, n = 1, 2, 3 ......) থাকতে পারে। 
    • ১ম শেলে (K- শেল) অর্থাৎ n = 1 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (1)2} = 2 টি, 
    • ২য় শেলে (L- শেল) অর্থাৎ n = 2 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (2)2} = 8 টি, 
    • ৩য় শেলে (M- শেল) অর্থাৎ n = 3 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (3)2} = 18 টি এবং 
    • ৪র্থ শেলে (N- শেল) অর্থাৎ n = 4 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (4)2} = 32 টি । 

    উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৯৬.
    ধাতব খনিজ পদার্থের উদাহরণ কোনটি? 
    1. লোহা 
    2. কোয়ার্টজ 
    3. মাইকা 
    4. খনিজ লবণ 
    সঠিক উত্তর:
    লোহা 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লোহা 
    ব্যাখ্যা

    ধাতব-অধাতব খনিজ: 
    - পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
    - এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
    - খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
    যথা- 
    ১। ধাতব খনিজ পদার্থ: লোহা, তামা, সোনা, রূপা ইত্যাদি। 
    ২। অধাতব খনিজ পদার্থ: কোয়ার্টজ, মাইকা কিংবা খনিজ লবণ ইত্যাদি। 
    - মাইকা খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
    - ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
    - চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 
    - কোয়ার্টজ খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 

    উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

    ৯৭.
    জাইগোট কী? 
    1. একটি কোষের বিভাজন 
    2. নতুন জীবের প্রথম কোষ 
    3. এক ধরনের দেহকোষ 
    4. একটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ 
    সঠিক উত্তর:
    নতুন জীবের প্রথম কোষ 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নতুন জীবের প্রথম কোষ 
    ব্যাখ্যা

    কোষ: 
    - জীবকোষ হচ্ছে জীবদেহের একক। 
    - বিজ্ঞানী লোয়ি (Loewy) এবং সিকেভিজ (Siekevitz) 1969 সালে বৈষম্য ভেদ্য পর্দা দিয়ে আবৃত এবং জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক যা অন্য সজীব মাধ্যম ছাড়াই নিজের প্রতিরূপ তৈরি করতে পারে, এমন সত্তাকে কোষ বলেছেন। 

    কোষের প্রকারভেদ: 
    - সকল জীবকোষ এক রকম নয়। এদের মধ্যে গঠনগত পার্থক্য যেমন আছে, তেমনই আছে আকৃতি ও কাজের পার্থক্য। 
    - নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের। 
    যথা- ১। আদিকোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ এবং ২। প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ। 

    প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ: 
    - এসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (nuclear membrane) দিয়ে নিউক্লিও-বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত। 
    - এসব কোষে রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। 
    - ক্রোমোজোমে DNA, প্রোটিন, হিস্টোন এবং অন্যান্য উপাদান থাকে। অধিকাংশ জীবকোষ এ ধরনের হয়। 
    - কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ দুই ধরনের। 
    যথা- 
    ক) দেহকোষ: 
    - বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে এসব কোষ অংশগ্রহণ করে। 
    - মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহকোষ বিভাজিত হয় এবং এভাবে দেহের বৃদ্ধি ঘটে। 
    - বিভিন্ন তন্ত্র ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠনে দেহকোষ অংশ নেয়। 

    খ) জননকোষ: 
    - যৌন প্রজনন ও জনুঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়। 
    - মিয়োসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জনন কোষ উৎপন্ন হয়। 
    - অপত্য জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃজনন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে। 
    - পুং ও স্ত্রী জননকোষ মিলিত হয়ে নতুন জীবের দেহ গঠনের সূচনা করে। 
    - পুং ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট এই প্রথম কোষটিকে জাইগোট (Zygote) বলে। 
    - জাইগোট বারবার বিভাজনের মাধ্যমে জীবদেহ গঠন করে। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

    ৯৮.
    বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক হিসেবে কাকে অভিহিত করা হয়? 
    1. জর্জ গ্যামো 
    2. স্টিফেন হকিং 
    3. এডউইন হাবল 
    4. জর্জ লেমাইটার 
    সঠিক উত্তর:
    জর্জ লেমাইটার 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জর্জ লেমাইটার 
    ব্যাখ্যা

    বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব (Big Bang Theory): 
    - ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার (George Lemaitre) প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রান্ত তত্ত্ব প্রদান করেন যা হাবলের সূত্রের সাথে মিলে যায়। 
    - ১৯৩১ সালে তিনি আরো প্রস্তাব করেন যে, প্রসারণশীল বিশ্বকে যদি সময়ের সাথে পিছিয়ে নেয়া হয়, তাহলে একটা বিন্দুতে উপনীত হতে পারা যায়, যেখানে মহাবিশ্বের সমস্ত ভর পুঞ্জীভূত ছিল, যাকে আদিম পরমাণু বলা যেতে পারে এবং এখান থেকেই স্থান-কালের উদ্ভব। 
    - তাই জর্জ লেমাইটারকে বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক বলা হয়ে থাকে
    - জর্জ গ্যামো মহাবিশ্বের প্রসারণ সম্পর্কে ধারণা করেছিলেন যে, যেহেতু গ্যালাক্সিসমূহ পরষ্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে তাই সুদূর অতীতে নিশ্চয়ই তারা পরষ্পরের খুব কাছাকাছি ছিল। 
    অর্থাৎ, কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এই তত্ত্বের নাম মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বা বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব। 

    - বিগ ব্যাংগ বা মহাবিস্ফোরণ পরিচিতি বিস্ফোরণ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক একটি ঘটনা। সাধারণ বিস্ফোরণ একটি নির্দিষ্ট স্থান বা কেন্দ্র থেকে শুর করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু বিগ ব্যাংগের বিস্ফোরণ একই সময় সকল স্থানে অর্থাৎ সর্বত্র ঘটেছিল। 
    - প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাংগ বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরু বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়। অর্থাৎ, বিগ ব্যাংগের পূর্বে কিছুই ছিল না। 
    - বিগ ব্যাগ-এর পর 10-43 s পর্যন্ত কী ঘটেছিল তা কেউ জানতে পারেনি, কিছুটা ধারণা পেয়েছে মাত্র। 
    - মহাবিশ্ব শুরু হয়েছিল একটি অপরিমেয় ক্ষুদ্র, অসীম তাপ ও অসীম ঘনত্ববিশিষ্ট শক্তির উৎস থেকে। একে বলা হয় অনন্যতা বা অদ্বৈত বিন্দু (Singularity)। এতে সব মৌলিক বলগুলো একত্রে একীভূত বল হিসেবে ছিল। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৯৯.
    নিউক্লিয়িক অ্যাসিড ও প্রোটিন উৎপাদনে মূলত কোন খনিজ উপাদান অপরিহার্য? 
    1. নাইট্রোজেন 
    2. ম্যাগনেসিয়াম 
    3. পটাসিয়াম 
    4. ফসফরাস 
    সঠিক উত্তর:
    নাইট্রোজেন 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নাইট্রোজেন 
    ব্যাখ্যা

    উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের গুরুত্ব: 
    - উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
    যেমন- 
    নাইট্রোজেন (N): 
    - নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন ও ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলে নাইট্রোজেন। 
    - উদ্ভিদের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষকলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 

    পটাসিয়াম (K): 
    - উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। 
    - পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। 
    - ইহা মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনে সাহায্য করে। 

    ম্যাগনেসিয়াম (Mg): 
    - ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
    - এটি উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 

    ফসফরাস (P): 
    - নিউক্লিক অ্যাসিড, বিভিন্ন ফসফোলিপিড, NADP, ATP ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্যের সাংগঠনিক উপাদান। 
    - উদ্ভিদের মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০০.
    নিচের কোনটি উত্তল লেন্সের ব্যবহার নয়? 
    1. অণুবীক্ষণ যন্ত্র 
    2. চশমা
    3. আতশী কাঁচ 
    4. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্র
    সঠিক উত্তর:
    গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্র
    ব্যাখ্যা

    লেন্স: 
    - দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
    - লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। 
    যথা- 
    ১। অভিসারী বা উত্তল লেন্স: 
    - যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে। 

    উত্তল লেন্সের ব্যবহার: 
    ১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
    ২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। 
    ৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। 

    ২। অপসারী বা অবতল লেন্স: 
    - যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে অপসারী লেন্স বলে। 

    অবতল লেন্সের ব্যবহার: 
    ১. চশমায় ব্যবহার করা হয়। 
    ২. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১০১.
    হাইড্রোজেন পরমাণুতে কোন কণিকা নেই? 
    1. প্রোটন
    2. নিউট্রন 
    3. ইলেকট্রন 
    4. কোনোটিই নয় 
    সঠিক উত্তর:
    নিউট্রন 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিউট্রন 
    ব্যাখ্যা

    পরমাণুর মূল কণিকা: 
    - ঊনিশ শতকের শেষ দশকে পরমাণু অবিভাজ্য এ ধারণাটির বিলুপ্তি ঘটে এবং পরমাণু কতগুলো অতিসূক্ষ্ম কণিকার সমষ্টি বলে প্রমাণিত হয়। এসব অতিসূক্ষ্ম কণিকাকে আর বিভাজন করা যায় না এবং এরা মূল উপাদান হিসেবে সব পরমাণুতেই থাকে। এদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলা হয়। 
    - পরমাণুর মূল কণিকা কয়েক ধরনের। 
    যেমন- 
    স্থায়ী মূল কণিকা: 
    - ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
    - শুধুমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণুতে শুধু ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন আছে, এতে কোনো নিউট্রন নেই। 

    অস্থায়ী মূল কণিকা: 
    - কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
    - অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। 
    - নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা। 

    কম্পোজিট কণিকা: 
    - স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। 
    - আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ। 

    উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০২.
    একজন ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ জীবনের কোন পর্যায়ে পরিবর্তিত হয়? 
    1. কৈশোরে 
    2. জন্মের পর 
    3. কখনোই পরিবর্তিত হয় না 
    4. শৈশবের পর 
    সঠিক উত্তর:
    কখনোই পরিবর্তিত হয় না 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কখনোই পরিবর্তিত হয় না 
    ব্যাখ্যা

    রক্তের গ্রুপ (Blood Group): 
    - মানুষের লোহিত রক্ত কণিকায় দুটি প্রধান ধরনের 'A' এবং 'B' অ্যান্টিজেন থাকে।
    - পাশাপাশি, রক্ত রসে 'a' এবং 'b' নামক দুটি ধরনের অ্যান্টিবডি থাকে। 
    - অ্যান্টিজেন হলো এক প্রকারের পদার্থ যা যদি কোনো জীবদেহে প্রবেশ করে, তবে সেই জীবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।
    - অপরদিকে, অ্যান্টিবডি হলো এমন একটি পদার্থ যা জীবদেহকে বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। 
    - অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয়, যা রক্তের গ্রুপ নামে পরিচিত। 
    - কার্লল্যান্ড স্টেইনার ১৯০১ সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে, তা 'A', 'B', 'O' এবং ‘AB’-এই চারটি গ্রুপে ভাগ করেন। 
    - রক্তের গ্রুপ পরিবর্তন হয় না; একজন ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ জীবনের শেষ পর্যন্ত একই রকম থাকে। ফলে, রক্তের গ্রুপ চিহ্নিত করা সম্ভব হয় অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির মাধ্যমে। 
    - নিচে রক্তের গ্রুপের অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সম্পর্কিত একটি টেবিল দেওয়া হলো, যা রক্তের গ্রুপ চিহ্নিত করতে সহায়তা করে।


    উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৩.
    তড়িৎ পরিবাহিতার একক কী?
    1. ও’ম 
    2. সিমেন্স 
    3. ভোল্ট 
    4. কুলম্ব 
    সঠিক উত্তর:
    সিমেন্স 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সিমেন্স 
    ব্যাখ্যা

    পরিবাহিতা (Conductance): 
    - স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক।
    অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে,
    I ∝ V
    বা, I = GV;  এখানে G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। 
    - একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে। 
    - তড়িৎ পরিবাহিতার একক সিমেন্স (Siemens), একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
    - একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশি। আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশি। 
    - প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা। 
    - উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে। 
    - তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়। 
    - সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়। 
    যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি, অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম। 

    অন্যদিকে, 
    - ও’ম → এটি রোধের (Resistance) একক। 
    - ভোল্ট → এটি ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য এর একক। 
    - কুলম্ব → এটি আধানের (Charge) একক। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৪.
    দৃশ্যমান আলোর তুলনায় গামা রশ্মির শক্তি প্রায় কত গুণ বেশি? 
    1. ৫০ গুণ 
    2. ৫০০ গুণ
    3. ৫,০০০ গুণ
    4. ৫০,০০০ গুণ
    সঠিক উত্তর:
    ৫০,০০০ গুণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৫০,০০০ গুণ
    ব্যাখ্যা

    এক্স রশ্মি: 
    - 10-11 m থেকে 10-8 m পর্যন্ত তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গসমূহকে বলা হয় X-ray বা এক্স রশ্মি। 
    - বিজ্ঞানী উলহেলম রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এই রশ্মি আবিষ্কার করেন। তার নাম অনুসারে এই রশ্মিকে রঞ্জন রশ্মিও বলা হয়। 
    - গামা রশ্মি থেকে এর কম্পাঙ্ক কম বলে এর শক্তিও অপেক্ষাকৃত কম। 
    - এই রশ্মি মানুষের দেহের নরম অংশের মধ্য দিয়ে ভেদ করে যেতে পারে, কিন্তু হাড় বা টিউমার জাতীয় শক্ত টিস্যুর মধ্য দিয়ে যেতে পারে না। তাই এই রশ্মির সাহায্যে ফটো তুলে দেহের ভেতরের হাড় এবং টিউমার সনাক্ত করা হয়। 

    গামা রশ্মি: 
    - 10-11 m থেকে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সকল বিকিরণ গামা রশ্মি বা γ-ray । 
    - এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ক্ষুদ্র হওয়ায় কম্পাঙ্ক সবচেয়ে বেশি, তাই শক্তিও বেশি। 
    - দৃশ্যমান আলোর চেয়ে গামা রশ্মির শক্তি পঞ্চাশ হাজার গুণ বেশি। 
    - তেজষ্ক্রিয় মৌলসমূহ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
    - পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফলে যে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয় তার বেশির ভাগই গামা রশ্মি। 
    - প্রাণী দেহের জন্য এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর। 

    অতিবেগুনি রশ্মি: 
    - এক্সরের থেকে কম বা ছোট কম্পাঙ্কের বিকিরণ অতিবেগুনি রশ্মি (ultraviolet ray)। 
    - অতিবেগুনি রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিস্তার 10-8 m থেকে 4×10-7 m, এক্সরে এবং দৃশ্যমান আলোর মাঝামাঝি। 
    - সূর্য রশ্মি এই রশ্মি বিকিরণের প্রধান উৎস। 
    - অতিবেগুনি রশ্মি শরীরের ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরি করে। তবে বেশিক্ষণ এই রশ্মি শরীরে পড়লে তা ক্ষতিকর হয়। 
    - চোখের জন্য অতিবেগুনি রশ্মি বেশ ক্ষতিকর। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৫.
    পৃথিবীর ওপর কোন মহাজাগতিক বস্তুর আকর্ষণ জোয়ার-ভাটায় বেশি প্রভাব ফেলে?
    1. নক্ষত্র 
    2. সূর্য 
    3. চন্দ্র 
    4. সবগুলোই 
    সঠিক উত্তর:
    চন্দ্র 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চন্দ্র 
    ব্যাখ্যা

    জোয়ার-ভাটা: 
    - মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
    - সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
    - চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
    - এই কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি, ফলে জোয়ার-ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 

    - জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
    যথা: 
    ১. মুখ্য জোয়ার: 
    - চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

    ২. গৌণ জোয়ার: 
    - চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

    ৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
    - অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

    ৪. মরা কটাল: 
    - চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৬.
    কোনটি CPU রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
    1. ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার
    2. হার্ড ডিস্ক
    3. অ্যাকিউমুলেটর
    4. প্রোগ্রাম কাউন্টার
    সঠিক উত্তর:
    হার্ড ডিস্ক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হার্ড ডিস্ক
    ব্যাখ্যা

    • CPU বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের রেজিস্টার হল ছোট, দ্রুত মেমোরি এলাকা যা অস্থায়ীভাবে ডেটা, নির্দেশনা এবং ঠিকানা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। প্রদত্ত অপশন গুলির মধ্যে, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, অ্যাকিউমুলেটর এবং প্রোগ্রাম কাউন্টার -ই CPU রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে। ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার বর্তমান ইনস্ট্রাকশন সংরক্ষণ করে, অ্যাকিউমুলেটর গণনার সময় অস্থায়ী ফলাফল রাখে, এবং প্রোগ্রাম কাউন্টার পরবর্তী নির্দেশনার ঠিকানা নির্দেশ করে। তবে হার্ড ডিস্ক হল একটি স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা CPU রেজিস্টার নয়। এটি বৃহৎ ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি দ্রুত লেনদেন করতে পারে না। তাই সঠিক উত্তর হল খ) হার্ড ডিস্ক।
     
    • ইন্টারনাল মেমরি:
    - কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

    • রেজিস্টার:
    - মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
    - রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
    - এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
    - মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
    - মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৭.
    গেম খেলার ক্ষেত্রে সাধারণত কোন ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়?
    1. মনিটর
    2. প্রিন্টার
    3. স্ক্যানার
    4. জয়স্টিক
    সঠিক উত্তর:
    জয়স্টিক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জয়স্টিক
    ব্যাখ্যা

    • গেম খেলার ক্ষেত্রে সাধারণত জয়স্টিক ব্যবহার করা হয়। জয়স্টিক হলো একটি ইনপুট ডিভাইস যা খেলোয়াড়কে গেমের মধ্যে ক্যারেক্টার বা অবজেক্ট নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত হাতের মধ্যে ধরা যায় এবং বিভিন্ন দিক ঘুরিয়ে, বোতাম চাপার মাধ্যমে কমান্ড দেওয়া যায়। মনিটর, প্রিন্টার  মূলত আউটপুট বা ডকুমেন্ট পরিচালনার ডিভাইস, যা সরাসরি গেম খেলার নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহৃত হয় না এবং স্ক্যানার ডকুমেন্ট স্ক্যান করার ইনপুট ডিভাইস। জয়স্টিকের মাধ্যমে খেলোয়াড় সহজে গেমের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যেমন একটি গাড়ি চালানো বা ফ্লাইট সিমুলেটরে বিমান পরিচালনা করা। তাই গেম খেলার জন্য সবচেয়ে কার্যকর ইনপুট ডিভাইস হলো জয়স্টিক।
     
    • পেরিফেরাল ডিভাইস:
    - সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
    • তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

    ১. ইনপুট ডিভাইস:
    - কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
    - যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

    ২. আউটপুট ডিভাইস:
    - কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
    - যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

    ৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
    - কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
    - যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৮.
    কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
    1. Mozilla Firefox
    2. Kaspersky
    3. AVG
    4. Avast
    সঠিক উত্তর:
    Mozilla Firefox
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Mozilla Firefox
    ব্যাখ্যা

    • অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ডিভাইসে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকর সফটওয়্যার শনাক্ত ও নির্মূল করতে ব্যবহৃত হয়। প্রশ্নে চারটি নাম দেওয়া হয়েছে- Mozilla Firefox, Kaspersky, AVG এবং Avast। এর মধ্যে Kaspersky, AVG এবং Avast সবই পরিচিত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর ডিভাইসকে ভাইরাস থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। কিন্তু Mozilla Firefox হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি ভাইরাস সনাক্ত বা নির্মূল করার কাজ করে না। তাই Mozilla Firefox অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার।

    • এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
    - ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
    - প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
    - কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
    - এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

    • উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
    - AVG,
    - AVAST,
    - Norton,
    - Panda,
    - Avira,
    - McAfee,
    - Cobra,
    - Kaspersky ইত্যাদি।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৯.
    JSON প্রধানত কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়?
    1. ইমেজ তৈরি করা
    2. প্রোগ্রামিং অ্যালগরিদম লেখা
    3. ওয়েবসাইট সাজানো
    4. ডেটা সংরক্ষণ ও বিনিময়
    সঠিক উত্তর:
    ডেটা সংরক্ষণ ও বিনিময়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডেটা সংরক্ষণ ও বিনিময়
    ব্যাখ্যা

    • সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ডেটা সংরক্ষণ ও বিনিময়।

    JSON (JavaScript Object Notation) একটি হালকা ও সহজবোধ্য ফরম্যাট যা ডেটা সংরক্ষণ এবং বিনিময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত মানুষের পঠনযোগ্য এবং যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষা সহজে বুঝতে পারে। JSON-এর মাধ্যমে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, সার্ভার এবং ক্লায়েন্টের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। যেমন, একটি ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারীর তথ্য, সেটিংস বা অন্যান্য ডেটা সার্ভার থেকে ক্লায়েন্টে পাঠানোর জন্য JSON ব্যবহার করা হয়। এর সরল গঠন এবং সাধারণ সিনট্যাক্সের কারণে এটি XML-এর বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হয়েছে। JSON-এর ডেটা সাধারণত কী-মান (key-value) জোড়া আকারে থাকে।

    • JSON:
    - JSON (JavaScript Object Notation) হলো একটি হালকা-ওজনের ডাটা বিনিময় ফরম্যাট যা মানুষ ও মেশিন দ্বারা সহজে পড়া এবং লেখা যায়।
    - এটি সাধারণত ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এবং সার্ভারের মধ্যে ডাটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।

    • JSON এর বৈশিষ্ট্য:
    - সহজ পাঠযোগ্য: JSON ফরম্যাটটি সহজে পাঠযোগ্য এবং লেখার জন্য মানুষের পক্ষে সহজ।
    - টেক্সট বেসড: JSON কাঁচা টেক্সট হিসেবে থাকে, যা যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষায় ব্যবহার করা যায়।
    - ডাটা স্ট্রাকচার: JSON ডাটা স্ট্রাকচার সাধারণত কী: মান এর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।

    JSON এর সাধারণ উদাহরণ:
        {
           "নাম": "আলম",
           "বয়স": ২৫,
           "শখ": ["গান শোনা", "ভ্রমণ"]
        }
      
    এখানে, "নাম", "বয়স", এবং "শখ" হল কী, এবং তাদের মান (value) হলো যথাক্রমে "আলম", ২৫ এবং একটি অ্যারে ["গান শোনা", "ভ্রমণ"]।
    এভাবে, JSON বিভিন্ন ধরনের ডাটা একত্রিত করতে এবং ওয়েব সার্ভিসের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।

    উৎস: ব্রিটানিকা।

    ১১০.
    FLOPS সবচেয়ে বেশি কোন সিস্টেমের কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়?
    1. স্টোরেজ ডিভাইস
    2. কম্পিউটার প্রসেসর
    3. নেটওয়ার্ক রাউটার
    4. অপারেটিং সিস্টেম
    সঠিক উত্তর:
    কম্পিউটার প্রসেসর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কম্পিউটার প্রসেসর
    ব্যাখ্যা

    • FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো একটি মাপকাঠি যা কম্পিউটার বা প্রসেসরের ভগ্নাংশ সংখ্যার উপর ভিত্তি করে গণনা করতে পারার ক্ষমতা পরিমাপ করে। এটি মূলত কম্পিউটার প্রসেসরের (Processor) কার্যক্ষমতা নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রসেসর যত বেশি FLOPS করতে সক্ষম, তত দ্রুত এবং জটিল গণনা করতে পারে, যেমন বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা গ্রাফিক্স প্রসেসিং। অন্যদিকে স্টোরেজ ডিভাইস তথ্য সংরক্ষণে, নেটওয়ার্ক রাউটার ডেটা স্থানান্তরে এবং অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ হলেও এগুলো FLOPS দ্বারা কার্যক্ষমতা পরিমাপের জন্য প্রযোজ্য নয়। সুতরাং, FLOPS মূলত কম্পিউটার প্রসেসরের সক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

    - উত্তর: খ) কম্পিউটার প্রসেসর। 

    • FLOPS:
    - FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
    - এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
    - এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

    উদাহরণ:
    - আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
    - যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪২ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

    উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

    ১১১.
    IoT-এ অ্যাকচুয়েটর ব্যবহারের উদ্দেশ্য:
    1. ডেটা সংরক্ষণ করা
    2. ডেটা বিশ্লেষণ করা
    3. সেন্সর ডেটা সংগ্রহ করা
    4. ডেটা অনুযায়ী কাজ করা 
    সঠিক উত্তর:
    ডেটা অনুযায়ী কাজ করা 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডেটা অনুযায়ী কাজ করা 
    ব্যাখ্যা

    • IoT-এ অ্যাকচুয়েটরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো “ডেটা অনুযায়ী কাজ করা” (ঘ)। অ্যাকচুয়েটর হলো একটি ডিভাইস যা সেন্সর দ্বারা সংগ্রহকৃত তথ্য অনুযায়ী শারীরিক বা যান্ত্রিক ক্রিয়াকলাপ সম্পন্ন করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্মার্ট হোমে তাপমাত্রা সেন্সর যদি ঘরের তাপমাত্রা বেশি নির্দেশ করে, তাহলে অ্যাকচুয়েটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এয়ার কন্ডিশনার চালু করতে পারে। এখানে অ্যাকচুয়েটর ডেটা সংরক্ষণ বা বিশ্লেষণ করে না, বরং সেন্সরের তথ্য অনুযায়ী সরাসরি কাজ সম্পন্ন করে, যা IoT সিস্টেমকে “সক্রিয়” এবং “স্বয়ংক্রিয়” করে তোলে। তাই এর মূল উদ্দেশ্য হলো সেন্সর ডেটা অনুযায়ী কার্যকরী প্রতিক্রিয়া প্রদান।
     
    • ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT):
    - ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসকে ইন্টারনেট এবং একে অপরের সাথে সংযুক্ত হতে সক্ষম করে, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) এবং ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল (TCP) ব্যবহার করে।
    - এই প্রোটোকলগুলো ইথারনেট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং ৫জি-র মতো সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা বিনিময় সহজ করে, শারীরিক ও ডিজিটাল জগতের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।

    • IoT ডিভাইসের ধরণ:
    ১. ডিজিটাল-প্রথম (Digital-first): যেমন স্মার্টফোন, যেগুলিতে বিল্ট-ইন কানেক্টিভিটি থাকে এবং যন্ত্র থেকে যন্ত্রে (M2M) যোগাযোগ করে।
    ২. শারীরিক-প্রথম (Physical-first): প্রচলিত বস্তু যেমন যানবাহন বা মেডিক্যাল ডিভাইস, যেগুলিতে মাইক্রোচিপ বা সেন্সর যুক্ত করে তাদের কার্যকারিতা এবং ট্র্যাকিং সক্ষমতা বাড়ানো হয়।

    • IoT-এর ব্যবহার:
    - ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য মনিটরিং
    - স্মার্ট ট্রাফিক নেটওয়ার্ক
    - সংযুক্ত স্টোরেজ ট্যাংক
    - COVID-19 মহামারীর সময় সংযুক্ত থার্মোমিটার জ্বর মনিটর করে ভাইরাসের বিস্তার ট্র্যাক করেছে।
    - কৃষি, পরিবহন, এবং স্বাস্থ্যসেবায় সম্পদ ব্যবহার ও কার্যকারিতা বাড়ানো।

    • ইতিহাস:
    - ব্রিটিশ প্রযুক্তিবিদ কেভিন অ্যাশটন ১৯৯৯ সালে "Internet of Things" শব্দটি প্রবর্তন করেন।

    • সুরক্ষা ও গোপনীয়তা চ্যালেঞ্জ:
    - সংযুক্তি বৃদ্ধি ডেটা লঙ্ঘন এবং অবৈধ প্রবেশের সম্ভাবনা বাড়ায়।
    - নিরাপত্তার অভাবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও আর্থিক তথ্যসহ ডেটা হারানো, চুরি হওয়া বা অপব্যবহার হতে পারে।

    উৎস: ব্রিটানিকা। 

    ১১২.
    Windows-এর আধুনিক সংস্করণে C: ড্রাইভে সবচেয়ে প্রচলিত ফাইল সিস্টেম কী 
    1. EXT4
    2. FAT32
    3. FAT16
    4. NTFS
    সঠিক উত্তর:
    NTFS
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    NTFS
    ব্যাখ্যা

    • Windows-এর আধুনিক সংস্করণে C: ড্রাইভের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত ফাইল সিস্টেম হলো NTFS। NTFS বা New Technology File System মাইক্রোসফট দ্বারা তৈরি একটি উন্নত ফাইল সিস্টেম যা উচ্চ নিরাপত্তা, ফাইল অনুমতি নিয়ন্ত্রণ, বড় ফাইল এবং ড্রাইভ সাইজ সমর্থন, এবং ফাইল সিস্টেম জার্নালিং সুবিধা প্রদান করে। এটি Windows XP, Windows 7, 8, 10 এবং সর্বশেষ Windows 11-এ ডিফল্টভাবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে FAT16 এবং FAT32 পুরোনো ফাইল সিস্টেম যা ছোট ড্রাইভ এবং কম ক্ষমতার স্টোরেজের জন্য উপযুক্ত, কিন্তু আধুনিক নিরাপত্তা এবং পারফরম্যান্সের জন্য যথেষ্ট নয়। EXT4 মূলত Linux-এ ব্যবহৃত হয়, Windows-এ নয়। তাই আধুনিক Windows-এর জন্য NTFS প্রধান।
     
    • অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
    - অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
    - সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
    - C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
    - ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
    - একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

    উৎস: ব্রিটানিকা।

    ১১৩.
    কোন কাজের জন্য সাধারণত সুপারকম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
    1. ইমেইল যোগাযোগ
    2. আবহাওয়ার পূর্বাভাস
    3. শব্দ প্রক্রিয়াকরণ
    4. গ্রাফিক ডিজাইন
    সঠিক উত্তর:
    আবহাওয়ার পূর্বাভাস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আবহাওয়ার পূর্বাভাস
    ব্যাখ্যা

    • সুপারকম্পিউটার সাধারণত আবহাওয়ার পূর্বাভাস-এর মতো অত্যন্ত জটিল ও বৃহৎ হিসাবনির্ভর কাজে ব্যবহার করা হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো খ) আবহাওয়ার পূর্বাভাস।
    আবহাওয়ার পরিবর্তন নির্ণয়ের জন্য বিপুল পরিমাণ উপাত্ত, যেমন তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুপ্রবাহ একসঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হয়। এই বিশ্লেষণে জটিল গাণিতিক মডেল ও সিমুলেশন ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণ কম্পিউটারের পক্ষে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা সম্ভব নয়। সুপারকম্পিউটার তার অত্যন্ত উচ্চ গণনাশক্তির মাধ্যমে অল্প সময়ে এই বিশাল ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে এবং তুলনামূলকভাবে নির্ভুল আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদান করে।

    • অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
    - পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
    - বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
    - অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
    - যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
    - বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
    - উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205 ইত্যাদি।

    আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
    ১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
    ২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
    ৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
    8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

    • বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
    - সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
    - অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
    - বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
    - বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
    - উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580 ইত্যাদি।

    • ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
    - মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
    - সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
    - উদাহরণ: NOVA 3. PDP 11, IBM-AS/400 ইত্যাদি।

    • ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
    - আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
    - একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
    - স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
    - অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
    - উদাহরণ: IBM 486. IBM Pentium ইত্যাদি।

    - ক্ষুদ্র বা মাইক্রো কম্পিউটারের জগতে সর্বাধুনিক সংযোজন হচ্ছে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৪.
    OR গেটের চিহ্নটি সার্কিট ডায়াগ্রামে কেমন দেখায়?
    1. বাঁকা ঢালের মতো আকৃতি
    2. ডানদিকে নির্দেশ করা ত্রিভুজ
    3. আয়তাকার
    4. বৃত্তাকার
    সঠিক উত্তর:
    বাঁকা ঢালের মতো আকৃতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বাঁকা ঢালের মতো আকৃতি
    ব্যাখ্যা

    • OR গেটের সার্কিট চিহ্ন একটি বাঁকা ঢালের মতো আকৃতির যা সাধারণত ডানদিকে তীক্ষ্ণভাবে সংকুচিত হয়। এটি একটি ধনাত্মক লজিক গেট যা দুটি বা ততোধিক ইনপুট নেয় এবং আউটপুট দেয় যদি কোনো একটি ইনপুট “১” হয়। চিহ্নটি ত্রিভুজের মতো মনে হলেও এর সামনে অংশ বাঁকা এবং গোলাকার, যা এটিকে অন্য লজিক গেট যেমন AND বা NOT গেট থেকে আলাদা করে। ডানদিকে সংকুচিত অংশটি আউটপুট নির্দেশ করে এবং বামদিকে দুটি বা ততোধিক লাইনের মাধ্যমে ইনপুট সংযুক্ত হয়। সুতরাং OR গেটকে সহজে চিহ্নিত করার জন্য বাঁকা ঢালের আকৃতি মনে রাখাই সবচেয়ে কার্যকর।

    - সঠিক উত্তর: ক) বাঁকা ঢালের মতো আকৃতি।

    • বুলিয়ান অ্যালজেব্রায়, যোগ অপারেশন (A + B) হলো লজিক্যাল OR অপারেশন।
    - অর্থাৎ, বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগ (Addition) অপারেশনে OR গেইট ব্যবহৃত হয়।
    - বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগ মানে হলো দুটি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটিতে যদি ১ থাকে, তাহলে ফলাফল হবে ১।
    - এটি ঠিক OR গেইটের কার্যপ্রণালীর মতো, যেখানে A অথবা B ইনপুটে যেকোনো একটি বা উভয়ই ১ হলে আউটপুট ১ হয়।
    - যেমন, A = 0 এবং B = 1 হলে A + B = 1 ঠিক যেমন OR গেইটে ইনপুট দিলে ফলাফল 1 হয়। 

    • লজিক গেইট:
    - লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
    - লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
    - মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
    - OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর
    লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
    - AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
    - NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ১১৫.
    SQL কোন ধরনের ডাটাবেজে ব্যবহারযোগ্য?
    1. ফ্ল্যাট ফাইল
    2. রিলেশনাল ডাটাবেজ 
    3. শুধু XML ফাইল
    4. ইমেজ ডাটাবেজ
    সঠিক উত্তর:
    রিলেশনাল ডাটাবেজ 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রিলেশনাল ডাটাবেজ 
    ব্যাখ্যা

    • SQL (Structured Query Language) মূলত রিলেশনাল ডাটাবেজে ব্যবহারযোগ্য। এটি ডাটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ, পুনঃপ্রাপ্তি, আপডেট এবং মুছে ফেলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। রিলেশনাল ডাটাবেজে তথ্য টেবিল আকারে সংরক্ষিত থাকে, যেখানে সারি এবং কলাম থাকে এবং টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক (relationship) থাকে। SQL এই টেবিলগুলোর মধ্যে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, যেমন ডাটা যোগ করা, অনুসন্ধান করা, সাজানো বা ফিল্টার করা। অন্যদিকে ফ্ল্যাট ফাইল, XML ফাইল বা ইমেজ ডাটাবেজে SQL সরাসরি ব্যবহার করা যায় না, কারণ সেগুলো টেবিল-ভিত্তিক কাঠামো সমর্থন করে না।
    - তাই সঠিক উত্তর হলো খ) রিলেশনাল ডাটাবেজ।

    • SQL:
    - SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
    - এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
    - রিলেশনাল ডাটাবেজ অ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
    - অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
    -বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
    - এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
    - অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৬.
    IPv4 এড্রেসগুলো কী ফরম্যাটে লেখা হয়?
    1. শুধু বাইনারি
    2. অক্টাল
    3. হেক্সা
    4. ডটেড ডেসিমেল
    সঠিক উত্তর:
    ডটেড ডেসিমেল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডটেড ডেসিমেল
    ব্যাখ্যা

    • IPv4 ঠিকানাগুলি সাধারণত ডটেড ডেসিমেল (dotted decimal) ফরম্যাটে লেখা হয়। এটি ৩২-বিটের ঠিকানাকে চারটি অংশে ভাগ করে, যেখানে প্রতিটি অংশ ৮-বিট বা ১ বাইটের সমান। প্রতিটি অংশকে দশমিক সংখ্যা (0 থেকে 255) আকারে প্রকাশ করা হয় এবং অংশগুলির মধ্যে ডট (.) ব্যবহার করে আলাদা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, 192.168.1.1 একটি IPv4 ঠিকানা। যদিও কম্পিউটারে এগুলো মূলত বাইনারি আকারে সংরক্ষিত থাকে, ব্যবহারকারীদের জন্য পড়া ও লিখা সহজ করার জন্য ডটেড ডেসিমেল ফরম্যাট ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য ফরম্যাট যেমন অক্টাল বা হেক্সাডেসিমেল খুব কমই ব্যবহার হয়।
    - সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) ডটেড ডেসিমেল।

    • আইপি অ্যাড্রেস:
    - ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
    - আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
    - প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
    - আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
    - একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

    ১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation):
    - উদাহরণ: 192.168.15.5

    ২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation):
    - উদাহরণ: CO.A8.0F.05

    ৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation):
    - উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

    - চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
    - IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের।
    - আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৭.
    Wi-Fi সাধারণত কোন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে?
    1. 10 GHz এবং 20 GHz
    2. 900 MHz এবং 1.8 GHz
    3. 2.4 GHz এবং 5 GHz
    4. 1.2 GHz এবং 3 GHz
    সঠিক উত্তর:
    2.4 GHz এবং 5 GHz
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2.4 GHz এবং 5 GHz
    ব্যাখ্যা

    • Wi-Fi সাধারণত 2.4 GHz এবং 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে। 2.4 GHz ব্যান্ডটি দীর্ঘ দূরত্বে ভালো সিগন্যাল দেয় এবং দেয়ালের মতো বাধা পার করতে সক্ষম, কিন্তু এটি অনেক ডিভাইস দ্বারা ব্যবহৃত হওয়ায় ব্যস্ত থাকতে পারে। অন্যদিকে, 5 GHz ব্যান্ডটি উচ্চ ডেটা ট্রান্সফার স্পিড দেয় এবং কম ব্যস্ত থাকে, কিন্তু সিগন্যালের পরিসীমা 2.4 GHz-এর তুলনায় কম। আধুনিক Wi-Fi রাউটারগুলো সাধারণত উভয় ব্যান্ড সমর্থন করে, যাতে ব্যবহারকারী উচ্চ গতি এবং ভালো সংযোগের সুবিধা দুটোই পেতে পারে। তাই Wi-Fi প্রযুক্তি কার্যকর এবং দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগের জন্য এই দুটি ব্যান্ডকে প্রাধান্য দেয়।
     
    • Wi-Fi:
    - Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
    - Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
    - ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
    - ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
    - ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
    - ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
    - ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
    - ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz
    - ওয়াই-ফাই এর ওয়‍্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

    ১১৮.
    কোন ক্লাউড মডেলটি পাবলিক ও প্রাইভেট উভয় ক্লাউডকে একত্রিত করে?
    1. হাইব্রিড ক্লাউড
    2. কোয়ান্টাম ক্লাউড
    3. ভার্চুয়াল ক্লাউড
    4. ক্লাসিকাল ক্লাউড
    সঠিক উত্তর:
    হাইব্রিড ক্লাউড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হাইব্রিড ক্লাউড
    ব্যাখ্যা

    • সঠিক উত্তর হলো ক) হাইব্রিড ক্লাউড।

    - হাইব্রিড ক্লাউড হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং আর্কিটেকচার যা পাবলিক এবং প্রাইভেট ক্লাউড উভয়কে সংযুক্ত করে। এটি সংস্থাগুলোকে তাদের সংবেদনশীল ডেটা প্রাইভেট ক্লাউডে রাখার সুবিধা দেয়, যেখানে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ বেশি থাকে, এবং একই সঙ্গে কম গুরুত্বপূর্ণ বা স্কেলযোগ্য ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন পাবলিক ক্লাউডে হোস্ট করতে দেয়, যা খরচ ও প্রসেসিং ক্ষমতা উন্নত করে। হাইব্রিড ক্লাউডের মূল সুবিধা হলো এটি সংস্থার প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লাউড সম্পদ সহজে বাড়ানো বা কমানোর সুবিধা দেয়, এবং ব্যবসায়িক নমনীয়তা, নিরাপত্তা ও ব্যয় দক্ষতা নিশ্চিত করে।

    • ক্লাউড কম্পিউটিং:
    - ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
    - ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
    - সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
    - ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
    - ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ১১৯.
    মাইক্রোসফটের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিকারী অ্যাপসগুলির স্যুটের নাম কী?
    1. Office 365
    2. Google Workspace
    3. LibreOffice
    4. iWork
    সঠিক উত্তর:
    Office 365
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Office 365
    ব্যাখ্যা

    • মাইক্রোসফটের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিকারী অ্যাপসগুলির স্যুটের নাম হলো Office 365। এটি একটি ক্লাউড-ভিত্তিক সাবস্ক্রিপশন সেবা, যা বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন ও সার্ভিস একত্রিত করে ব্যবহারকারীর কাজকে আরও সহজ ও দ্রুত করার উদ্দেশ্যে তৈরি। Office 365-এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে পরিচিত অ্যাপ যেমন Word, Excel, PowerPoint, Outlook, OneNote এবং Teams। এগুলো দিয়ে ডকুমেন্ট তৈরি, তথ্য বিশ্লেষণ, উপস্থাপনা তৈরি এবং ইমেইল ও যোগাযোগের কাজ করা সম্ভব। এছাড়া, এটি ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধা প্রদান করে, যাতে ব্যবহারকারী যেকোনো সময় এবং যেকোনো ডিভাইস থেকে ডকুমেন্টে কাজ করতে পারে। তাই Office 365 ব্যবসা ও ব্যক্তিগত উভয় ক্ষেত্রে কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক।

    - সঠিক উত্তর: ক) Office 365.

    • মাইক্রোসফট:
    - কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
    - মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
    - মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
    - মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
    - মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
    - মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
    - মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS।
    - মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (জানুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত)

    • মাইক্রোসফটের পরিষেবা:
    - বিং, ওয়ান ড্রাইভ, আউটলুক.কম ইত্যাদি।

    উৎস: Microsoft.

    ১২০.
    কোনটি DoS আক্রমণের প্রচলিত ধরন?
    1. SQL Injection
    2. SYN Flood
    3. Phishing
    4. Man-in-the-Middle
    সঠিক উত্তর:
    SYN Flood
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    SYN Flood
    ব্যাখ্যা

    • সঠিক উত্তর হলো খ) SYN Flood.

    DoS (Denial of Service) আক্রমণ মূলত একটি সিস্টেম, সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে অতিভারিত করে বা তার পরিষেবা অপ্রাপ্য করে ফেলার চেষ্টা করে। এই ধরনের আক্রমণের মধ্যে SYN Flood একটি প্রচলিত ধরন। এতে হামলাকারী সার্ভারের সঙ্গে অসংখ্য অর্ধেক খোলা TCP সংযোগ তৈরি করে, যার কারণে সার্ভারের সংযোগ সীমা দ্রুত শেষ হয়ে যায় এবং বৈধ ব্যবহারকারীরা পরিষেবা নিতে পারে না। অন্যদিকে, SQL Injection ডেটাবেসে অননুমোদিত প্রবেশের চেষ্টা, Phishing ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা এবং Man-in-the-Middle যোগাযোগে ছেদ ঘটানো জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই DoS-এর মধ্যে SYN Floodই সঠিক উদাহরণ।

    • DDoS Attack:
    - DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
    - DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
    - DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
    - কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
    - DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

    • Man-in-the-Middle:
    - দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

    • Phishing:
    - ফিশিং হলো এক ধরনের হ্যাকিং পদ্ধতি যেখানে একজন হ্যাকার একটি লোভনীয় অফার বা ইমেইলের মাধ্যেম একটি আসল ওয়েবসাইটের নকল করে বিভিন্ন তথ্য চুরি করে।

    উৎস:
    - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    - AWS. [link]

    ১২১.
    ভাষা আন্দোলনের সমর্থক হিসেবে কোন পত্রিকাকে পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে? 
    1. দৈনিক ইত্তেফাক
    2. দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার 
    3. দৈনিক আজকাল
    4. দৈনিক সংবাদ 
    সঠিক উত্তর:
    দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার 
    ব্যাখ্যা

    ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন: 
    - পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিন ২৭ জানুয়ারি (১৯৫২) এক জনসভায় ঘোষণা দেন যে, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
    - খাজা নাজিমউদ্দীনের উক্তির প্রতিবাদে 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩০ জানুয়ারি (১৯৫২) ছাত্র ধর্মঘট ও সভা আহবান করে। 
    - ৩০ জানুয়ারির সভায় ৪ ফেব্রুয়ারি (১৯৫২) ঢাকা শহরে ছাত্রধর্মঘট, বিক্ষোভ মিছিল ও ছাত্রসভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
    - ভাষা আন্দোলনকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে ৩১ জানুয়ারি বিকেলে ঢাকার বার লাইব্রেরিতে একটি সর্বদলীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    - সভায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি মাওলানা ভাসানী।
    - সভায় পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ, তমাদ্দুন মজলিশ, ইসলামী ছাত্রসংঘ, যুবসংঘ, পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রভৃতি সংগঠনের প্রতিনিধি সমন্বয়ে ২৮ মতান্তরে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
    - উক্ত পরিষদ ৪ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি সমর্থন করে এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল, বিক্ষোভ ও সভার কর্মসূচি ঘোষণা করে।
    - ১২ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের সমর্থক ইংরেজি পত্রিকা 'দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার' নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। 
    - এছাড়া ২০ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে এক মাসের জন্য সমস্ত ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
    - ১৪৪ ধারা জারি করার অর্থ একসঙ্গে ৪ জনের বেশি লোকের সমাগম, মিছিল, শোভাযাত্রা, সভা ও সমাবেশ করা আইনবিরোধী।

    উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ওবিশ্ব সভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১২২.
    মন্ত্রিসভার সদস্যগণ যৌথভাবে কার নিকট দায়বদ্ধ থাকে? 
    1. রাষ্ট্রপতি
    2. প্রধানমন্ত্রী
    3. জাতীয় সংসদ
    4. মন্ত্রণালয় 
    সঠিক উত্তর:
    জাতীয় সংসদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জাতীয় সংসদ
    ব্যাখ্যা

    শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা: 
    - বাংলাদেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান।
    - আর এ কারণে জাতীয় সংসদ রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
    - আইন সভায় মূলত জাতীয় সংসদের সদস্যরাই উপস্থিত থাকে এবং তাদের নিয়েই সরকার গঠিত হয়।
    - শাসন বিভাগের আইন বাস্তবায়নকারী অংশ অর্থাৎ মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসনের কাজ করে থাকে।
    - এ কারণে তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হয়ে থাকেন।
    - তবে বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
    - অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়। জবাবদিহিতার এই বিষয়টি বিদ্যমান থাকায় সরকারকে সদা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হয়। অনেকক্ষেত্রে, সরকারের ভুল-ত্রুটি শুধরে দিতেও জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১২৩.
    নৃতাত্ত্বিক বিচারে ওরাওঁ জনগোষ্ঠী কোন জনগোষ্ঠীর উত্তর পুরুষ হিসেবে বিবেচিত?
    1. আদি-অস্ট্রেলীয়
    2. ইন্দো-ইউরোপীয় 
    3. মঙ্গোলয়েড
    4. নেগ্রিটো
    সঠিক উত্তর:
    আদি-অস্ট্রেলীয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আদি-অস্ট্রেলীয়
    ব্যাখ্যা

    ওরাঁও :
    - ওরাওঁ জনগোষ্ঠী নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তর পুরূষ।

    - নৃতত্ত্ববিদগণের মতে একই অম্ফলের মুণ্ডা, মালপাহাডি় ও সাঁওতালদের সঙ্গে ওরাওঁদের ঘনিষ্ঠ জনতাত্ত্বিক সম্পর্ক রযে়ছে।
    - ভারতীয় নৃতাত্ত্বিক সোসাইটির মতানুসারে কুরুখ জাতি বা ওঁরাওদের আদিবাস ছিলো কঙ্কন অঞ্চলে যেখান থেকে তারা অভিবাসিত হয়ে উত্তর ভারতে চলে আসে।
    - কঙ্কনি ভাষার সাথে কুরুখ ভাষার উল্লেখযোগ্য সাদৃশ্য রয়েছে।
    - বাংলাদেশে বর্তমানে রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওরাওঁদের প্রধান বসতিস্থল।
    - অনেক আদিবাসী জাতির মতো ওরাওঁ সমাজও সর্বপ্রাণবাদী প্রকৃতি উপাসক।
    - তবে তাদের ধর্মবিশ্বাসে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে সর্বশক্তিমান ‘ধরমেশ’ স্বীকৃত।
    - এই সর্বশক্তিমানের অবস্থান সূর্যে। তাই ধর্মীয় অনুষ্ঠান অধিকাংশই সূর্যকে ঘিরে উদযাপিত হয়।
    - এছাড়া ওরাওঁ সমাজ নানা দেবতায় বিশ্বাসী।
    - ঐসব দেবতার প্রতীকী অবস্থান গ্রাম, কৃষিসমপদ, অরণ্য, মহামারী ইত্যাদি বিষয়কে কেন্দ্র করে।
    - এদের তুষ্টির জন্য রযে়ছে ধর্মীয় উৎসব-অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা।
    - কোন কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে হিন্দুদের পূজার মিল পাওয়া যায়, যেমন হিন্দু সম্প্রদায়ের ‘ভাদু’ উৎসবের সঙ্গে ওরাওঁদের ‘করম’ উৎসবের মিল অত্যন্ত স্পষ্ট। কদম শাখাকে ঘিরে অনুষ্ঠিত এ উৎসবটি বৃক্ষপূজার নামান্তর।


    উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

    ১২৪.
    ’মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে? 
    1. অনুচ্ছেদ-১২ 
    2. অনুচ্ছেদ-১১ 
    3. অনুচ্ছেদ-১৩ 
    4. অনুচ্ছেদ-১০ 
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ-১১ 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ-১১ 
    ব্যাখ্যা

    গণতন্ত্র ও মানবাধিকার: 
    - অনুচ্ছেদ-১১: প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে।
    - এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

    অন্যদিকে,
    - অনুচ্ছেদ- ১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
    - অনুচ্ছেদ-১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
    - অনুচ্ছেদ-১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
    - অনুচ্ছেদ-১৩৷ মালিকানার নীতি। 

    উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

    ১২৫.
    বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' কোন জেলায় অবস্থিত?
    1. খুলনা
    2. মৌলভীবাজার
    3. সুনামগঞ্জ
    4. বাগেরহাট
    সঠিক উত্তর:
    সুনামগঞ্জ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুনামগঞ্জ
    ব্যাখ্যা

    রামসার সাইট: 
    - বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর।
    - এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
    - ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    - সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলাধীন ১০ টি মৌজা জুড়ে ছোট বড় ১২০ টি বিলের সমন্বয়ে টাঙ্গুয়ার হাওড়ের অবস্থান।
    - ৬৪ টি গ্রামসহ পুরো হাওড় এলাকার আয়াতন প্রায় ১০০ বর্গ মিটার তন্মধ্যে ২৮০২৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
    - পরিবেশগত ঐতিহ্য ও গুরুত্বের বিষয়টি বিবেচনা করে।

    উল্লেখ্য,
    - বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট  হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
    - ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (রামসার কনভেনশন কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলাভূমি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
    - এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
    - বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।

    উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

    ১২৬.
    অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুর হার (১ বছরের কম) কত?
    1. ২৫ জন 
    2. ২৬ জন 
    3. ২৭ জন 
    4. ২১ জন 
    সঠিক উত্তর:
    ২৭ জন 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৭ জন 
    ব্যাখ্যা

    অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫: 
    - স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে), ২০২৩ সাল অনুযায়ী,- ১৯.৪ জন।
    - গ্রামে – ২০.২ ও শহরে ১৭.০ জন।
    - স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে), ২০২৩ সাল অনুযায়ী ৬.১ জন।
    - গ্রামে ৬.৪ ও শহরে ৫.২ জন।
    - প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুর হার (প্রতি হাজারে) ২৭ জন (১ বছরের কম)। 
    - ৫ বছরের কম – প্রতি হাজারে ৩৩ জন;
    - চালু কমিউনিটি ক্লিনিক ১৪,২৯৭টি;
    - EPI-এর টিকা গ্রহণের হার – ৯৭.৩%.

    উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

    ১২৭.
    জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কে? 
    1. প্রধানমন্ত্রী
    2. রাষ্ট্রপতি
    3. স্পিকার 
    4. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতি
    ব্যাখ্যা

    প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতা:
    - রাষ্ট্রপতি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
    - বাংলাদেশের বিরুদ্ধে স্থল, জল ও আকাশ পথে আক্রমণের ক্ষেত্রে তিনি তা প্রতিরক্ষার জন্য এই সকল বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে যেকোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।
    - সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানসমূহকে সম্মানসূচক পদক বা খেতাব প্রদান করে থাকেন।
    - তাঁর অনুমতি ব্যতিত দেশের কোন নাগরিক বিদেশী কোন খেতাব বা সম্মান গ্রহণ করতে পারেন না।
    - এ সকল ক্ষমতার বাইরে তিনি রাষ্ট্রদূত প্রেরণ ও গ্রহণ করেন।
    - রাষ্ট্রপতির ওপর বর্তানো কাজের অংশ হিসেবে তিনি সকল জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
    - তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের দায়িত্বপূর্ব শপথ বাক্য পাঠ করান।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১২৮.
    চৌসার যুদ্ধে কে পরাজিত হয়েছিলেন?
    1. শেরশাহ
    2. সম্রাট হুমায়ুন
    3. সম্রাট আকবর
    4. সম্রাট বাবর
    সঠিক উত্তর:
    সম্রাট হুমায়ুন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সম্রাট হুমায়ুন
    ব্যাখ্যা

    চৌসার যুদ্ধ (১৫৩৯): 
    - সম্রাট হুমায়ুন গৌড় পরিত্যাগ করার পূর্বে জাহাঙ্গীর কুলী বেগকে বাংলার শাসনভার অর্পণ করেন।
    - বক্সারের নিকটবর্তী চৌসা নামক স্থানে শেরখান ও তাঁর আফগান অনুচরেরা সম্রাট হুমায়ুনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।
    - ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন চৌসায় উভয়পক্ষের মধ্যে এক তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
    - এই যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে চৌসার যুদ্ধ নামে পরিচিত।
    - এই যুদ্ধে হুমায়ুন শোচনীয় ভাবে পরাজিত হয়।
    - শেরখানের নেতৃত্বে আফগান বাহিনী মুঘল বাহিনীকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
    - চৌসার যুদ্ধে শের খানের জয়লাভ ভারতীয় উপমহাদেশে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
    - কেননা এর ফলে শের খানের রাজ্য পশ্চিম দিকে কনৌজ হতে পূর্বে আসাম ও চট্টগ্রাম এবং উত্তর দিকে রোটাস হতে দক্ষিণ দিকে বীরভূম পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে।
    - এই যুদ্ধের পর শেরখান শেরশাহ উপাধি ধারণ করেন এবং নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন ও পাঠের নির্দেশ প্রদান করেন।
    - পক্ষান্তরে এই যুদ্ধে হুমায়ুনের পরাজয়ের মাধ্যমে মুঘলদের সামরিক ও কূটনৈতিক দুর্বলতা প্রস্ফুটিত হয়।

    উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১২৯.
    ’জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ’ বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে? 
    1. অনুচ্ছেদ-৩৫
    2. অনুচ্ছেদ-৩১
    3. অনুচ্ছেদ-৩৩
    4. অনুচ্ছেদ-৩২
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ-৩২
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ-৩২
    ব্যাখ্যা

    অনুচ্ছেদ-৩২: ’জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ’ ।
    - আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।

    অপরদিকে,
    - অনুচ্ছেদ- ৩১। আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
    - অনুচ্ছেদ- ৩২। জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
    - অনুচ্ছেদ- ৩৩। গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
    - অনুচ্ছেদ- ৩৪। জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
    - অনুচ্ছেদ- ৩৫। বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।

    উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

    ১৩০.
    বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গা পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত তারিখে?
    1. ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ 
    2. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
    3. ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
    4. ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭
    সঠিক উত্তর:
    ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
    ব্যাখ্যা

    গঙ্গা পানি চুক্তি: 
    - ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৗড়া ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
    - ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিন্ন বড় নদী আছে প্রায় ৫৪টি।
    - এই অভিন্ন নদীগুলোর প্রায় প্রতিটির ক্ষেত্রে উজানে বাঁধ দিয়ে রেখেছে ভারত।
    - শুধু গঙ্গা নদীর উজানেই এ পর্যন্ত প্রায় ৩৬টি ব্যারাজ ও বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে।
    - তবে বাংলাদেশ-ভারত পানিবণ্টনসংক্রান্ত মতবিরোধ তুঙ্গে উঠে যখন ফারাক্কা ব্যারাজ নির্মাণ শুরু হয়।
    - ১৯৬১ সালে শুরু হয়ে এই ব্যারাজ নির্মাণের কাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালে।
    - মূল উদ্দেশ্য ছিল গঙ্গা নদী থেকে ফিডার ক্যানেলের মাধ্যমে ৪০ হাজার কিউসেক পানি প্রত্যাহার করে হুগলি-ভাগীরথী নদী ব্যবস্থায় প্রবাহিত করে শুষ্ক মৌসুমে কলকাতা বন্দরের নাব্যতা রক্ষা করা।

    উৎস: বিবিসি বাংলা এবং বাংলাপিডিয়া।

    ১৩১.
    ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা বইটির লেখক কে? 
    1. জেনারেল ওসমান গনি
    2. জিয়াউর রহমান
    3. এ কে খন্দকার
    4. আনোয়ার পাশা
    সঠিক উত্তর:
    এ কে খন্দকার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    এ কে খন্দকার
    ব্যাখ্যা

    - এ কে খন্দকারের লেখা ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের আলোচিত একটি গ্রন্থ।
    - এ কে খন্দকার ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যের কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন।
    - মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান (ডেপুটি চিফ অব স্টাফ) এ কে খন্দকার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন।
    - আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে নির্বাচিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য,
    পাক-বাহিনীর আত্মসমর্পণ: 

    - ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ময়দানে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়।
    - ঐ দিন বিকাল ৪ টা ১৯ মিনিটে পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্য ও অস্ত্র-শস্ত্রসহ ভারতীয় ইস্টার্ন কামান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং আরোরার নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
    - নিয়াজী পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।

    উৎস: ¡)বাংলাদেশের ইতিহাস ওবিশ্ব সভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ¡¡)প্রথম আলো পত্রিকা।

    ১৩২.
    ২০২৫-২৬ সালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) কততম আসর? 
    1. ৯ম
    2. ১০ম
    3. ১১তম
    4. ১২তম
    সঠিক উত্তর:
    ১২তম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১২তম
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ-বিপিএলের ২০২৫-২৬ আসর: 
    - এটি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসর। 

    - ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫:  সিলেট ও রাজশাহীর ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে এবারের আসর।
    - মোট অংশগ্রহণ কারী  দল: ৬টি। 
    - সিলেট টাইটান্স, রাজশাহী ওয়ারিয়রস, নোয়াখালী এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম রয়েলস, ঢাকা ক্যাপিটালস, রংপুর রাইডার্স।

    - টুর্নামেন্টের মোট ৩৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
    - সিলেট, চট্টগ্রাম ও ঢাকা- এই তিনটি ভেন্যুতে।
    - এবারের বিপিএল শুরু হবে সিলেট পর্ব দিয়ে, যেখানে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে সিলেট টাইটানস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
    - সিলেট পর্ব শেষ হওয়ার পর টুর্নামেন্টটি যাবে চট্টগ্রামে।
    - শেষ ধাপে আবার ঢাকায় ফিরে আসবে বিপিএল।
    - বিপিএল এর নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেস।

    উৎস: বিসিবি ওয়েবসাইট।

    ১৩৩.
    সাঁওতাল বিদ্রোহ কাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছিল?
    1. জমিদারদের বিরুদ্ধে
    2. পুলিশের বিরুদ্ধে
    3. মহাজনদের বিরুদ্ধে
    4. বর্ণিত সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    বর্ণিত সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বর্ণিত সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    সাঁওতাল বিদ্রোহ: 
    - সাঁওতাল বিদ্রোহ (১৮৫৫-৫৬)  জমিদার, মহাজন ও পুলিশের বিরুদ্ধে সাঁওতালদের সশস্ত্র বিদ্রোহ।
    - সাঁওতালদের  উপর নিপীড়নকারী  জমিদার,  মহাজন, পুলিশ,  রেলওয়ে ঠিকাদারসহ অন্য যারা তাদের এলাকায় গিয়ে বিত্তশালী হবার চেষ্টা করেছিল, তাদের বিরুদ্ধে এক সুসংগঠিত সশস্ত্র বিদ্রোহ গড়ে তোলে।
    - প্রথম দিকে সাঁওতালরা তাদের আদি বাসভূমি কটক, ধলভূম, মানভূম, বড়ভূম, ছোটনাগপুর, পালামৌ, হাজারীবাগ, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, ও বীরভূমের পার্বত্য এলাকা ছেড়ে  রাজমহল পাহাড়ের সমতলভূমিতে বসতি স্থাপন করে।-
    - সাঁওতালরা বাঙালিদের ‘মইরা’ ও ‘দিকু’ নামে ডাকত এবং তাদের শত্রু মনে করত, কেননা এই বাঙালিরাই ছিল জমিদার, মহাজন, দোকানদার ও রেলওয়ে শ্রমিক-ঠিকাদার, যারা কমবেশি সবাই ছিল শোষক ও নির্যাতনকারী।
    - এইসব মইরা ও দিকুর হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য সাঁওতালরা ১৮৫৫ সালের গোড়ার দিকে সংগঠিত হতে শুরু করে।
    - যখন সাঁওতাল নেতা বীর সিংহকে পাকুড় রাজের কাচারিতে তলব করে তার অনুসারীদের সামনে নিষ্ঠুরভাবে মারধর করে শিকল দিয়ে আটকে রাখা হয়, তখনই শুরু হয় মূল বিদ্রোহ।

    উল্লেখ্য,
    - পিপলিতে সাঁওতালরা মেজর বারোজের নেতৃত্বে পরিচালিত সামরিক অভিযানকে সম্পূর্ণভাবে পর্যুদস্ত করে।
    - ১৮৫৫ সালের ১৯ জুলাই সামরিক আইন জারি করা হয়।
    - সাঁওতালদের দমনের জন্য তিনটি সৈন্যদল পাঠানো হয়।
    - সাঁওতালদের রক্তে সিক্ত হয় রাজমহল পার্বত্য এলাকা। 

    উৎস: বাংলাপিডিয়া।

    ১৩৪.
    ২০২৫ সালের নারী জাগরণ শ্রেণিতে বেগম রোকেয়া পদক পায় কে?
    1. সাবিনা আক্তার 
    2. সালমা খাতুন 
    3. ঋতুপর্ণা চাকমা
    4. নিগার সুলতানা জ্যোতি 
    সঠিক উত্তর:
    ঋতুপর্ণা চাকমা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঋতুপর্ণা চাকমা
    ব্যাখ্যা

     • বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫: 
    - নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার চার নারীকে রোকেয়া পদক ২০২৫ দেওয়া হচ্ছে।
    -  ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রাপ্ত চার নারী হচ্ছেন নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব,
    - নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার,
    - মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস
    - ও নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা।
    - জাতীয় পুরস্কার–সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি রোকেয়া পদকের জন্য ওই চারজনের নাম চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করে।

    উৎস: মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

    ১৩৫.
    বাংলাদেশ সর্বাধিক পরিমাণ অর্থের পণ্য আমদানি করে কোন দেশ থেকে? [জানুয়ারি,২০২৬]
    1. জাপান
    2. ভুটান
    3. চীন
    4. ভারত
    সঠিক উত্তর:
    চীন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চীন
    ব্যাখ্যা

    দেশভিত্তিক আমদানির চিত্র:
    - বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের আমদানির ৫টি দেশভিত্তিক চিত্র নিম্নরূপ:
    - চীন: ২০৫২২(৩০.০২%);
    - ভারত ৯৬৯৩( ১৪.১৮%);
    - যুক্তরাষ্ট্র: ২৫০৬ (৩.৬৭%);
    - সিঙ্গাপুর: ২২৬৮( ৩.৩২%) ;
    - জাপান ১৯৬৮ (২.৮৮%) ;

    উল্লেখ্য
    - একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা।
    - শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
    - প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – গম।
     
    উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

    ১৩৬.
    বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI)-এর প্রধান কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
    1. ঢাকা
    2. মৌলভীবাজার 
    3. চট্টগ্রাম
    4. সিলেট
    সঠিক উত্তর:
    মৌলভীবাজার 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মৌলভীবাজার 
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট
    - মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এর প্রধান কার্যালয়।
    - ১৯৫৭ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
    - বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউটটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।
    - বৈজ্ঞানিক গবেষনার মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীলতা ও গুনগত মান বৃদ্ধি, চা শিল্পের উন্নয়ন ও উৎকর্ষে বিজ্ঞান ভিত্তিক পরামর্শ ও সহায়তা দান এবং গবেণালব্ধ প্রযুক্তি চা শিল্পে বিস্তার করাই এ প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।
    - বর্তমানে এ ইনষ্টিটিউট ১২ টি জাতীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবেও পরিগনিত।
    - এ ইনষ্টিটিউট এ যাবৎ উচ্চ ফলনশীল ও আকর্ষনীয় গুনগতমান সম্পন্ন ২৩ টি ক্লোন ও ৫টি বীজজাত উদ্ভাবন করেছে।

    উৎস: বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

    ১৩৭.
    এলাহাবাদ অধিবেশনে ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি উত্থাপন করেন কে? 
    1. চৌধুরী রহমত আলী
    2. আল্লামা ইকবাল
    3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
    4. শেরে বাংলা ফজলুল হক
    সঠিক উত্তর:
    আল্লামা ইকবাল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আল্লামা ইকবাল
    ব্যাখ্যা

    লাহোর প্রস্তাব (১৯৪০): 
    - ১৯৪০ সালের ২৪ মার্চ মুসলিম লীগের লাহোরে অনুষ্ঠিত সপ্তবিংশতিতম অধিবেশনে গৃহীত মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহ নিয়ে একাধিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিকে লাহোর প্রস্তাব নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। 
    - এই প্রস্তাবের ওপর ভিত্তি করে মুসলিম লীগ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় অগ্রসর হয় এবং ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের জন্ম হয়।

    পটভূমি
    - ভারতীয় উপমাহদেশে মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি ১৯৩০ সালে মুসলিম লীগের এলাহাবাদ অধিবেশনে কবি আল্লামা ইকবাল  উত্থাপন করেছিলেন।
    - এরপর ১৯৩৩ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র চৌধুরী রহমত আলী ভারতের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের নিয়ে 'পাকিস্তান' নামে একটি রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দেন।
    - ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর জিন্নাহর নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চিন্তা-ভাবনা শুরু করেন।
    - বিশেষ করে মুসলিম লীগের লক্ষ্মৌ অধিবেশন (১৯৩৭)-এর পর থেকে জিন্নাহ সক্রিয় হয়ে উঠেন।
    - ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কংগ্রেস-লীগ রাজনীতিতে ব্রিটিশদের নিয়ে বিভেদ বেড়ে যায়।
    - চারদিকে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, অত্যাচার নিপীড়নের অভিযোগ বাড়তে থাকে। বস্তুত ১৯৩৭ সাল থেকেই মুসলিম লীগের দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে মুসলমানদের জন্য পৃথক পাকিস্তান দাবির পথ ক্রমশ প্রশস্ত হতে থাকে।

    উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৩৮.
    সরকারের অঙ্গকে সংগঠিত ও নিয়ন্ত্রণ করে কে?
    1. সামরিক বাহিনী
    2. রাজনৈতিক দল
    3. আমলাতন্ত্র
    4. সুশীল সমাজ
    সঠিক উত্তর:
    রাজনৈতিক দল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাজনৈতিক দল
    ব্যাখ্যা

    রাজনৈতিক দল: 
    - রাজনৈতিক দল হচ্ছে সাংগঠনিক উপায় যার দ্বারা অফিসের জন্য প্রার্থী নিয়োগদান ও ভাবাদর্শের বিস্তার ঘটে।
    - এটি সরকারের অঙ্গকে সংগঠিত ও নিয়ন্ত্রণ এবং জাতীয় নেতৃত্ব প্রদান করে।
    - এডমন্ড বার্ক Edmund Burke দুই শতাব্দী পূর্বে রাজনৈতিক দলের প্রথম আধুনিক সংজ্ঞাটি প্রদান করেন।
    - তাঁর মতে রাজনৈতিক দল হল: "a body of men united for promulgating by their joint endeavors, the national interest, upon some particular principle in which they are all agreed."
    - জোসেফ এ. শুমপেটার Joseph A. A. Schumpeter বার্ক Burke-এর রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞায় মতানৈক্য প্রদর্শন করেন।
    - বার্ক যেখানে রাজনৈতিক দলকে দেখেছেন একটি গ্রুপ হিসাবে যা জনকল্যাণের উন্নয়নে সচেষ্ট সেখানে সুম্পিটার দলের সদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রতিযোগিতামূলক সংগ্রাম হিসাবে দেখেছেন।
    - দলব্যবস্থা বিভিন্ন রূপ ধারণ করতে পারে। যেমন একদিকে বহুদল-ব্যবস্থা Multi-party System অপরদিকে একদল-ব্যবস্থা One-party System।
    - বহুদল-ব্যবস্থা (প্রায়ই দু'টি প্রধান দল) উদার গণতান্ত্রিক সমাজ (বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানী)-এ বিদ্যমান। 

    উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন,এইচএসএসএল, উন্মুুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৩৯.
    এলডিসি উত্তরণের পর জাপান বাংলাদেশকে কত বছর শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিবে? 
    1. ৪ বছর
    2. ৩ বছর
    3. ২ বছর
    4. ১ বছর
    সঠিক উত্তর:
    ৩ বছর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩ বছর
    ব্যাখ্যা

    - এলডিসি উত্তরণের পর জাপান বাংলাদেশকে ৩ বছর শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিবে।
    - বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বাণিজ্য ও উন্নয়ন-বিষয়ক কমিটি ৭ নভেম্বর এক নোটিশে জাপানের পক্ষ থেকে তিন বছরের জন্য এলডিসি ও এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া দেশগুলোকে জিএসপি দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
    - এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশও এ সুবিধা পাবে। এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ হওয়ার কথা ২০২৬ সালে।
    - অর্থাৎ ২০২৯ সাল পর্যন্ত অগ্রাধিকারমূলক শুল্কসুবিধা বা জিএসপি পাবে বাংলাদেশ

    উৎস: প্রথম আলো[লিঙ্ক]

    ১৪০.
    গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের মালিকানা রয়েছে কত শতাংশ? [জানুয়ারি,২০২৬]
    1. ১০% 
    2. ১৫%
    3. ২০% 
    4. ৩০%
    সঠিক উত্তর:
    ১০% 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১০% 
    ব্যাখ্যা

    - গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের মালিকানা ১০ শতাংশ রয়েছে।
    - অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ সংশোধনের একটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
    - এ সংশোধনের লক্ষ্য নোবেল বিজয়ী ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানটিতে সরকারের মালিকানা ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা। 
    - সংশোধনী প্রস্তাবে ব্যাংকের বোর্ডে সরকারের নিয়ন্ত্রণ কমানোর কথাও বলা হয়েছে।
    - এ সংশোধনীর ফলে সরকারের হাতে চেয়ারম্যানসহ  তিনজন পরিচালক নিয়োগের ক্ষমতা কমিয়ে মাত্র একজনে নেমে আসবে।
    - অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের খসড়া করা অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রস্তাবিত পরিবর্তনের ফলে গ্রামীণ ব্যাংকের সুবিধাভোগীদের শেয়ার মালিকানা বর্তমানের ৭৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯০ শতাংশে উন্নীত হবে।


    গ্রামীণ ব্যাংক:

    - গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
    - গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
    গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
    - ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প শুরু করেন।
    - গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
    - ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
    - ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
    - ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনুস
    ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

    উৎস: ¡)গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
     ¡¡)বিবিসি বাংলা।[লিংক]। 

    ১৪১.
    বাংলাদেশের বর্তমান ও ২৬তম প্রধান বিচারপতি কে? [জানুয়ারি,২০২৬]
    1. সৈয়দ রেফাত উদ্দিনি আহমদ
    2. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
    3. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান 
    4. জনাব মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা 
    সঠিক উত্তর:
    জুবায়ের রহমান চৌধুরী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জুবায়ের রহমান চৌধুরী
    ব্যাখ্যা

    প্রধান বিচারপতি: 
    - বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
    - বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
    - ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে  বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে প্রধান বিচারপতির শপথ বাক্য পাঠ করান।
    - ২৫ তম  প্রধান বিচারপতি ছিলেন ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের ।
    - সংবিধান অনুযায়ী, ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় ২৭ ডিসেম্বর অবসরে হয়েছেন দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

    উল্লেখ্য, 
    - জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
    - ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান।
    - ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন।

    উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা। [লিঙ্ক]

    ১৪২.
    কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ীি, বাংলাদেশের কোন বিভাগে তামাক উৎপন্ন হয় সবচেয়ে বেশি?
    1. বরিশাল 
    2. রংপুর 
    3. রাজশাহী
    4. খুলনা 
    সঠিক উত্তর:
    খুলনা 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খুলনা 
    ব্যাখ্যা

    কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
    - তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
    - তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
    - চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
    - ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
    - তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
    - পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

    উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

    ১৪৩.
    বঙ্গভঙ্গের ফলে গঠিত নতুন প্রদেশের নাম কী ছিল? 
    1. বাংলা ও উড়িষ্যা 
    2. পূর্বভঙ্গ ও আসাম 
    3. পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম 
    4. ঢাকা ও চট্টগ্রাম
    সঠিক উত্তর:
    পূর্বভঙ্গ ও আসাম 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পূর্বভঙ্গ ও আসাম 
    ব্যাখ্যা

    বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা: 
    - ১৯০৫ সালের ২০ জুলাই সরকারিভাবে বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা দেওয়া হয়।
    - কিন্তু ঘোষণায় মালদহ জেলা, আসাম, ঢাকা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিভাগ, পার্বত্য ত্রিপুরা ও রাজশাহী বিভাগকে একত্রিত করে 'পূর্বভঙ্গ ও আসাম' নামে একটি নতুন প্রদেশ করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
    - এর আয়তন ছিল ১,৬৫,৬৪০ বর্গমাইল এবং তখন এখানে জনসংখ্যা ছিল ৩ কোটির বেশী।
    - উক্ত ঘোষণায় নতুন প্রদেশের শাসনভার একজন লেফটেনেন্ট গভর্নর (সহকারী গভর্নর)-এর ওপর ন্যস্ত করা হবে,
    - ঢাকা নতুন প্রদেশের রাজধানী হবে, প্রদেশটি কলিকাতা হাইকোর্টের এখতিয়ারভুক্ত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়।
    - অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গ, কুচবিহার ও উড়িষ্যাকে নিয়ে গঠিত হবে বাংলার আর একটি আলাদা প্রদেশ।
    - প্রদেশের রাজধানী কলিকাতা হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
    - ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়।
    - স্যার ব্যামফিল্ড ফুলারকে নবগঠিত 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ'-এর লেফটেনেন্ট গভর্নর নিযুক্ত করা হয়।

    উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৪৪.
    নিচের কোনটি জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত? 
    1. ব্রি ধান৮৪
    2. ব্রি ধান৬৪
    3. ব্রি ধান৬২
    4. উপরের সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত:
    - ব্রি ধান৬২;
    - ব্রি ধান৬৪;
    - ব্রি ধান৭২;
    - ব্রি ধান৭৪;
    - ব্রি ধান৮৪;
    - ব্রি ধান১০০;
    - ব্রি ধান১০২.

    - ব্রি ধান৬২ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক Jirakateri এবং BRRI dhan39 জাতের মধ্যে সঙ্করাণের পর দুইবার র‍্যাপিড জেনারেশন অ্যাডভান্স (RGA) করে বংশানুক্রম সিলেকশান (Pedigree Selection) এর মাধ্যমে উদ্ভাবিত।
    - জাতটি ২০১৩ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক রোপা আমন মৌসুমে জন্য অনুমোদন লাভ করে।

    - ব্রি ধান৬৪ এর চালে উচ্চ মাত্রায় অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যোপাদান জিঙ্ক রয়েছে।
    - মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, বুদ্ধিমত্তাসহ নানাবিধ শারীরবৃত্তীক প্রক্রিয়ার জন্য জিঙ্ক অতি প্রয়োজনীয়।
    - ব্রি ধান৬৪ তে জিঙ্কের পরিমান প্রচলিত জাতের চেয়ে কমপক্ষে ৮ মিলিগ্রাম বেশি। 

    - ব্রি ধান৮৪  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুরে  উদ্ভাবন করা হয়েছে।
    -  বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক ২০১৭ সালে জাতটি ছাড়করণ করা হয়।

    উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সিটিউট।

    ১৪৫.
    নির্দলীয় অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সর্বপ্রথম কোন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
    1. তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    2. পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    3. চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    4. ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    সঠিক উত্তর:
    পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    ব্যাখ্যা

    নির্দলীয় অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যবস্থা: 
    - ১৯৯১ সালে নির্দলীয় অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যবস্থায় পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রা সূচিত হয়।

    - বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠনের কৃতিত্ব অর্জন করে।
    - সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন  করা হয়। 

    উল্লেখ্য
    তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা:
    - ১৯৯৬ সালের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ৫৮খ-৫৮ঙ পর্যন্ত চারটা অনুচ্ছেদ যোগ করে জাতীয় নির্বাচনের সময়ে সরকার পরিচালনার জন্য ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থা চালু করা হয়।
    - ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আমরা যথাক্রমে দুই প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও লতিফুর রহমান এবং ২০০৬ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তিনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসন হয়।
    - সাংবিধানিক অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে সপ্তম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
    - ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে  আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং জাতীয় পার্টি ও জাসদ (রব) এর সমর্থন লাভের মাধ্যমে সরকার গঠন করে।
    - আইন অনুযায়ী  তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে একটি স্থায়ী অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।
    - এ আইন অনুসারে সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া বা মেয়াদ অতিক্রমের ১৫ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তত্ত্বাবধায়ক সরকার (১ জন প্রধান উপদেষ্টা ও সর্বোচ্চ ১০ জন অন্যান্য উপদেষ্টা) নিযুক্তির বিধান করা হয়।
    - নিয়োগপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান দায়িত্ব সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনা করা।
    - বিধান অনুসারে, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বহাল থাকবে। 
    - ২০১১ সালে  তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে।

    উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন,এইচএসএসএল, উন্মুুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৪৬.
    ২০২৫ সালের UN Ocean Conference অনুষ্ঠিত হয় কোন দেশে?
    1. ফ্রান্স
    2. ইতালি
    3. যুক্তরাজ্য
    4. চীন
    সঠিক উত্তর:
    ফ্রান্স
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফ্রান্স
    ব্যাখ্যা

    ⇒ ২০২৫ সালের UN Ocean Conference (তৃতীয় সম্মেলন) অনুষ্ঠিত হয় ফ্রান্সে।
    - সময়কাল: ৯-১৩ জুন ২০২৫।
    - সহ-আয়োজক ছিল কোস্টারিকা।
    - প্রথম সম্মেলন হয়: ২০১৭ সালে নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে।

    ⇒ UN Ocean Conference এর মূল থিম ও লক্ষ্য:
    - SDG ১৪: Life Below Water
    - সামুদ্রিক দূষণ হ্রাস।
    - অতিরিক্ত মাছ শিকার বন্ধ।
    - সমুদ্র-সম্পদের টেকসই ব্যবহার।
    - সমুদ্রের ৩০% এলাকা ২০৩০ সালের মধ্যে সংরক্ষণ (৩০×৩০ লক্ষ্য)।
    - জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা।
    - Deep-sea mining ও bottom trawling-এর মতো ক্ষতিকর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ।

    তথ্যসূত্র - এস ডি জি ওয়েবসাইট।

    ১৪৭.
    কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ঘটে কত সালে?
    1. ১৯৬১ সালে
    2. ১৯৬২ সালে
    3. ১৯৬৩ সালে
    4. ১৯৬৪ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৬২ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৬২ সালে
    ব্যাখ্যা

    কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
    - কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ১৯৬২ সালে ঘটে।
    - এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে তীব্র মুখোমুখি অবস্থা সৃষ্টি হয়।
    - যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ. কেনেডি এবং সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ।
    - ১৬ থেকে ২৮ অক্টোবর ১৩ দিন ধরে চলা এই সংকট শীতল যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্তগুলোর একটি ছিল, যা বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল।
    - শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান হয়।

    তথ্যসূত্র - Britannica.com

    ১৪৮.
    ECLAC কোন অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে?
    1. ল্যাটিন আমেরিকা
    2. এশিয়া
    3. আফ্রিকা
    4. ইউরোপ
    সঠিক উত্তর:
    ল্যাটিন আমেরিকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ল্যাটিন আমেরিকা
    ব্যাখ্যা

    ECLAC:
    - ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন ECLAC.
    - ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ানের জন্য অর্থনৈতিক কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
    - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
    - সদর দপ্তর: সান্তিয়াগো, চিলি।
    - নির্বাহী সচিব: হোসে ম্যানুয়েল সালাজার-সিরিনাচস।

    তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

    ১৪৯.
    ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
    1. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
    2. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
    3. বার্লিন, জার্মানি
    4. প্যারিস, ফ্রান্স
    সঠিক উত্তর:
    কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
    ব্যাখ্যা

    ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (European Environment Agency):
    - ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে সহায়তা করা এই সংস্থার প্রধান কাজ।
    - গঠন ১৯৯৪ সালে।
    - সদরদপ্তর কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
    - সদস্য দেশ-৩২ টি।
    - সহযোগী দেশ ০৬টি।

    তথ্যসূত্র - EEA ওয়েবসাইট।

    ১৫০.
    কোন যুদ্ধে আহতদের সেবা করে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল 'লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প' খেতাব পান?
    1. ওয়াটার লু
    2. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
    3. ফরাসি বিপ্লব
    4. আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
    সঠিক উত্তর:
    ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
    ব্যাখ্যা

    ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
    - তিনি ১২ মে ১৮২০ সালে ইতালিতে জন্মগ্রহন করেন।
    - একজন স্বেচ্ছাসেবক নার্স হিসাবে, তাকে ক্রিমিয়ান যুদ্ধের সময় তুরস্কের সামরিক বাহিনীতে নার্সিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
    - 'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল' নামটি ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সাথে জড়িত।
    - ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহতদের সেবা করে ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল 'লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প' খেতাব পান।
    - ক্রিমিয়ার যুদ্ধে নার্সিং ইতিহাসের বৈপ্লবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটেছিল অপ্রতুল চিকিৎসা সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
    - ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল কে লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বলা হয়।
    - তাকে আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূতও বলা হয়।
    - তিনি ১৩ আগস্ট ১৯১০ সালে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

    তথ্যসূত্র - Britannica.com

    ১৫১.
    CIA এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
    1. ফ্লোরিডা
    2. ওয়াশিংটন ডিসি
    3. ভার্জিনিয়া
    4. ক্যালিফোর্নিয়া
    সঠিক উত্তর:
    ভার্জিনিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ভার্জিনিয়া
    ব্যাখ্যা

    CIA:
    - এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
    - CIA এর পূর্ণরূপ হলো Central Intelligence Agency.
    - এর সদরদপ্তর ভার্জিনিয়ার ল্যাংলিতে অবস্থিত।
    - CIA ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
    - CIA এর বর্তমান পরিচালক উইলিয়াম জে. বার্নস।

    তথ্যসূত্র - CIA ওয়েবসাইট।

    ১৫২.
    মায়া সভ্যতার ধর্মীয় ক্যালেন্ডার টজলকিন কতদিনে বিভক্ত ছিল?
    1. ১৮০ দিন
    2. ২৬০ দিন
    3. ২৯০ দিন
    4. ৩৬৫ দিন
    সঠিক উত্তর:
    ২৬০ দিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৬০ দিন
    ব্যাখ্যা

    মায়া সভ্যতা:
    - তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা।
    - মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
    - মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশ যেমন গুয়েতমালা, বেলিজ, এল সালভাদের, হন্ডরাস প্রভৃতি দেশে মায়া সভ্যতা লোকজনের বসবাস ছিল।
    - তারা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে এসকল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
    - মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল মেক্সিকোর অন্যতম প্রদেশ ইয়াকাতানে অবস্থিত চেচেন ইৎজা (Chichen Itza) শহর।
    - মায়া সভ্যতাকে দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
    ১. প্রাচীন মায়া সভ্যতা (খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০-২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) এবং
    ২. ক্ল্যাসিক মায়া সভ্যতা (২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত)।

    ⇒ মায়ারা দুটি ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল:
    • হাব (Haab): ৩৬৫ দিনের সৌর ক্যালেন্ডার।
    • টজলকিন (Tzolk’in): ২৬০ দিনের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার।

    তথ্যসূত্র - Britannica & history.com

    ১৫৩.
    গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দাবি করা নতুন সীমানা কী নামে পরিচিত?
    1. Yellow Line
    2. Blue Line
    3. Green Line
    4. Red Line
    সঠিক উত্তর:
    Yellow Line
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Yellow Line
    ব্যাখ্যা

    'Yellow Line' বা হলুদ রেখা:
    - গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনী যে নতুন সীমান্তরেখা প্রতিপাদন করছে, তাকে 'Yellow Line' বা হলুদ রেখা বলা হচ্ছে।
    - এই রেখাটি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রথম ধাপের সরিয়ে নেওয়া অবস্থান এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রেক্ষাপটে গাজার মধ্যে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
    - সম্প্রতি, ইসরায়েলি বাহিনী জানায়, যুদ্ধবিরতির পরের ধাপগুলোয় ওই সীমারেখা থেকে আর পিছিয়ে যাবে না তারা।
    - হলুদ রেখা হবে ইসরায়েলের নতুন সীমান্ত।
    - এই রেখা বরাবর তাদের অভিযান কার্যক্রম চলবে।

    তথ্যসূত্র - প্রথম আলো।

    ১৫৪.
    IUCN-এর পূর্ণরূপ কী?
    1. International Union for Climate Nature
    2. International Union for Environmental Nature
    3. International Union for Natural Conservation
    4. International Union for Conservation of Nature
    সঠিক উত্তর:
    International Union for Conservation of Nature
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    International Union for Conservation of Nature
    ব্যাখ্যা

    IUCN:
    - বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
    - IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
    - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
    - সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
    - এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
    - উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

    তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

    ১৫৫.
    কমনওয়েলথ এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (জানুয়ারি, ২০২৬)
    1. ৫৪টি
    2. ৫৬টি
    3. ৬১টি
    4. ৬৪টি
    সঠিক উত্তর:
    ৫৬টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৫৬টি
    ব্যাখ্যা

    কমনওয়েলথ:
    - কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
    - আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
    - কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
    - এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ।
    - বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
    - বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
    - বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
    - বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
    - পরবর্তিতে পাকিস্তান ১৯৮৯ সালে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথে যোগদান করে।

    তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

    ১৫৬.
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
    1. নেভিল চেম্বারলেইন
    2. ক্লিমেন্ট অ্যাটলি
    3. উইনস্টন চার্চিল
    4. অ্যান্থনি ইডেন
    সঠিক উত্তর:
    উইনস্টন চার্চিল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উইনস্টন চার্চিল
    ব্যাখ্যা

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
    - ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
    - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
    • জার্মানি,
    • জাপান,
    • ইতালি।

    - মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
    • ব্রিটেন,
    • ফ্রান্স,
    • যুক্তরাষ্ট্র,
    • সোভিয়েত ইউনিয়ন,
    • চীন,
    • পোল্যান্ড,
    • নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

    - ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
    - ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
    - ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
    - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
    - তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
    - যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
    - যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

    তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।

    ১৫৭.
    নিচের কোন দেশটি হর্ন অফ আফ্রিকার অংশ?
    1. উগান্ডা
    2. ইরিত্রিয়া
    3. সুদান
    4. তানজানিয়া
    সঠিক উত্তর:
    ইরিত্রিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইরিত্রিয়া
    ব্যাখ্যা

    হর্ন অফ আফ্রিকা:
    - আফ্রিকার হর্ন বলতে পূর্ব আফ্রিকার অঞ্চল বোঝানো হয়।
    - আফ্রিকার মানচিত্র লক্ষ্য করলে দেখা যায় এর উত্তর-পূর্ব অংশ আরব সাগরে শিং এর মত বর্ধিত হয়েছে।
    - এর অংশগুলো হলো জিবুতি, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া এবং সোমালিয়া দেশগুলির আবাসস্থল।
    - হর্ন অফ আফ্রিকা অঞ্চলের একটি অংশ সোমালি উপদ্বীপ নামেও পরিচিত।
    - হর্নে ইথিওপিয়ান মালভূমির উচ্চভূমি, ওগাডেন মরুভূমি এবং ইরিথ্রিয়ান, এবং সোমালিয়ান উপকূলের মতো বিভিন্ন অঞ্চল রয়েছে এবং এটি আমহারা, টাইগ্রে, ওরোমো এবং সোমালি জনগণের আবাসস্থল।
    - এর উপকূল লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর দ্বারা ঘেরা।
    - এটি দীর্ঘদিন ধরে আরব উপদ্বীপ এবং দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার সাথে যোগাযোগ করেছে।

    তথ্যসূত্র - ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।

    ১৫৮.
    ইউরোপীয় ইউনিয়নে সর্বশেষ যোগদানকারী দেশ কোনটি? (জানুয়ারি, ২০২৬)
    1. পোল্যান্ড
    2. রোমানিয়া
    3. সাইপ্রাস
    4. ক্রোয়েশিয়া
    সঠিক উত্তর:
    ক্রোয়েশিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্রোয়েশিয়া
    ব্যাখ্যা

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
    - বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
    - এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
    - প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি দেশ।
    - বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস।
    - বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ।
    - সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া।
    - সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।
    - এটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
    - তখন থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।

    তথ্যসূত্র - EU ওয়েবসাইট।

    ১৫৯.
    UNFCCC কোন বিষয়ে কাজ করে?
    1. জলবায়ু পরিবর্তন
    2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
    3. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
    4. বন সংরক্ষণ
    সঠিক উত্তর:
    জলবায়ু পরিবর্তন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জলবায়ু পরিবর্তন
    ব্যাখ্যা

    UNFCCC:
    - জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন UNFCCC.
    - UNFCCC এর পূর্ণরূপ হল United Nations Framework Convention on Climate Change.
    - জাতিসংঘ সদর দপ্তরে United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) গৃহীত হয়।
    - একই বছরের ৪ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে এটি স্বাক্ষরের জন্যে উন্মুক্ত করা হয় যা ২১ মার্চ ১৯৯৪ কার্যকর হয়।
    - UNFCCC স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
    - সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
    - বর্তমান সদস্য: ১৯৮টি।

    তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট।

    ১৬০.
    মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশ নয় কোনটি?
    1. ফিজি
    2. ভানুয়াতু
    3. পাপুয়া নিউগিনি
    4. কিরিবাতি
    সঠিক উত্তর:
    কিরিবাতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কিরিবাতি
    ব্যাখ্যা

    ⇒ মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
    - নাউরু
    - পালাউ
    - কিরিবাতি
    - মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
    - মারিয়ানা।

    ⇒ মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
    - সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
    - ফিজি
    - ভানুয়াতু
    - পাপুয়া নিউগিনি।

    ⇒ পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
    - টোঙ্গা
    - টুভ্যালু
    - সামোয়াত

    তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

    ১৬১.
    অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল কোন দেশ ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী দাতব্য সংস্থা?
    1. যুক্তরাজ্য
    2. কানাডা
    3. অস্ট্রেলিয়া
    4. রাশিয়া
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাজ্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাজ্য
    ব্যাখ্যা

    Oxfam International:
    - অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্য ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী দাতব্য সংস্থা।
    - 'অক্সফাম' নামটি ১৯৪২ সালে ব্রিটেনে প্রতিষ্ঠিত অক্সফোর্ড কমিটি ফর ফামিন রিলিফ থেকে এসেছে।
    - অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল ১৯৯৫ সালে একটি স্বাধীন বেসরকারী সংস্থার দ্বারা গঠিত হয়েছিল
    - এর সদর দপ্তর - কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
    - প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল - ব্রিটেনে।
    - অক্সফ্যাম ইন্টারন্যাশনাল বেসরকারীভাবে অর্থায়িত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
    - এটি বিশ্বব্যাপী দরিদ্র বা দুর্যোগ-পীড়িত সম্প্রদায়ের জন্য ত্রাণ ও উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করে।

    তথ্যসূত্র - অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল এর ওয়েবসাইট।

    ১৬২.
    ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বলের নাম কী?
    1. জাবুলানি
    2. ট্যাঙ্গো
    3. টেলস্টার
    4. ট্রাইওন্ডা
    সঠিক উত্তর:
    ট্রাইওন্ডা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ট্রাইওন্ডা
    ব্যাখ্যা

    ⇒ ফুটবল বিশ্বকাপ, ২০২৬:
    - ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বলের নাম 'ট্রাইওন্ডা' (Trionda)।
    - 'ট্রাইওন্ডা' বলটির প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস।
    - ট্রাইওন্ডা নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে- ট্রাই ও ওন্ডা। ট্রাই মানে তিন আর ওন্ডা মানে ঢেউ।
    - বলে লাল, সবুজ ও নীল- এই তিন রঙের ঢেউ দিয়ে আয়োজক দেশগুলোকে বোঝানো হয়েছে।
    - যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজন করছে, তাই বলটিতে এই তিন দেশের ঐক্য তুলে ধরা হয়েছে।
    - বলের নকশায় তিন দেশের জাতীয় প্রতীক- যুক্তরাষ্ট্রের তারকা, কানাডার ম্যাপল পাতা এবং মেক্সিকোর ইগলও আছে।

    ⇒ ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
    - ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩ তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।
    - আয়োজক দেশ: ৩টি।
    • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
    • কানাডা এবং
    • মেক্সিকো।

    - সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬।
    - অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
    - অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
    - তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

    তথ্যসূত্র - ফিফা ওয়েবসাইট।

    ১৬৩.
    ন্যাটোর ৬ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
    1. প্রতিরক্ষা সক্ষমতা
    2. সম্মিলিত প্রতিরক্ষা
    3. জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা
    4. আক্রমণের সংজ্ঞা
    সঠিক উত্তর:
    আক্রমণের সংজ্ঞা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আক্রমণের সংজ্ঞা
    ব্যাখ্যা

    ⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
    - অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
    - অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
    - অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
    - অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
    - অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
    - অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
    - অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
    - অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
    - অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
    - অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
    - অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
    - অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
    - অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
    - অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

    তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

    ১৬৪.
    বিশ্বে সর্বপ্রথম কোন দেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে?
    1. যুক্তরাষ্ট্র
    2. নিউজিল্যান্ড
    3. ফিনল্যান্ড
    4. অস্ট্রেলিয়া
    সঠিক উত্তর:
    নিউজিল্যান্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিউজিল্যান্ড
    ব্যাখ্যা

    নারীর ভোটাধিকার লাভ:
    - বিশ্বে সর্বপ্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
    - ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোট দেওয়ার অধিকার পান। সেটাই ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে নারীদের ভোটের অধিকার পাওয়ার প্রথম ঘটনা।

    উল্লেখ্য:
    - ১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়া নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
    - ১৯০৬ সালে ফিনল্যান্ড নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
    - ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
    - ১৯১৮ সালে যুক্তরাজ্যের নারীরা নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
    - ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।

    অন্যদিকে:
    - মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে।
    - ১৯৩০ সালে তুর্কি নারীরা এবং ১৯৪৯ সালে আরববিশ্বে প্রথম সিরিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
    - পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে যথাক্রমে ১৯৪৭, ১৯৫০ এবং ১৯৭২ সালে।

    তথ্যসূত্র - Ministry for Women New Zealand ওয়েবসাইট।

    ১৬৫.
    International Finance Corporation (IFC) এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
    1. আকসেল ভ্যান ট্রটসেনবার্গ
    2. ফিলিপ লেগ্রেইন
    3. মাখতার ডিওপ
    4. ডেভিড ম্যালপাস
    সঠিক উত্তর:
    মাখতার ডিওপ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মাখতার ডিওপ
    ব্যাখ্যা

    IFC:
    - IFC বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
    - IFC এর পূর্ণরূপ International Finance Corporation.
    - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫৬ সালে।
    - বর্তমান সদস্য: ১৮৬টি।
    - প্রধান কার্যালয়: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
    - বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাখতার ডিওপ।
    - এটি প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানা খাতের উন্নয়নে কাজ করে।

    তথ্যসূত্র - IFC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

    ১৬৬.
    কোন বিষয়ে অবদানের জন্যে ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়?
    1. ক্যান্সার কোষ ধ্বংসের নতুন পদ্ধতি
    2. নতুন ভ্যাকসিন উদ্ভাবন
    3. মস্তিষ্কের নিউরন সংযোগ গবেষণা
    4. মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী
    সঠিক উত্তর:
    মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী
    ব্যাখ্যা

    ২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
    - ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

    ⇒ সাহিত্য:
    - ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
    - অবদান: 'ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও শিল্পের শক্তি দেখানো তার প্রভাবশালী ও দূরদর্শী সাহিত্যকর্মের জন্য' তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

    ⇒ শান্তি:
    - ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
    - অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

    ⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
    - ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
    • ম্যারি ই. ক্রনকো,
    • ফ্রেড রামসডেল ও
    • শিমন সাকাগুচি।
    - অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

    ⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
    - ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
    • জন ক্লার্ক,
    • মিশেল দেভরেট ও
    • জন এম মার্টিনিস।
    - অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

    ⇒ রসায়ন:
    - ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
    • সুসুমু কিতাগাওয়া,
    • রিচার্ড রবসন ও
    • ওমর এম. ইয়াগি।
    - অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

    ⇒ অর্থনীতি:
    - ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
    • ইওয়েল মোকিয়র,
    • ফিলিপ আগিয়োঁ ও
    • পিটার হাউইট।
    - অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো।

    তথ্যসূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।

    ১৬৭.
    ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম কী?
    1. ফ্রন্টেক্স
    2. ইউরোজাস্ট
    3. ইউরোড্যাক
    4. সিইপিওএল
    সঠিক উত্তর:
    ফ্রন্টেক্স
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফ্রন্টেক্স
    ব্যাখ্যা

    Frontex:
    - Frontex হল ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সীমান্ত ও উপকূল রক্ষী সংস্থা।
    - পূর্ণ নাম: European Border and Coast Guard Agency ।
    - প্রতিষ্ঠা: ২০০৪ সালে, সদর দপ্তর পোল্যান্ডের ওয়ারশ শহরে।
    - মূল কাজ: EU-এর বাইরের সীমান্তের নিরাপত্তা বজায় রাখা, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ এবং সীমান্তবর্তী অপরাধ দমন।

    তথ্যসূত্র - ফ্রন্টেক্স ওয়েবসাইট।

    ১৬৮.
    কোন সম্মেলনে 'গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড' গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়?
    1. কোপেনহেগেন সম্মেলন
    2. রোম সম্মেলন
    3. ভিয়েনা সম্মেলন
    4. কানকুন সম্মেলন
    সঠিক উত্তর:
    কোপেনহেগেন সম্মেলন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কোপেনহেগেন সম্মেলন
    ব্যাখ্যা

    গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের প্রেক্ষাপট ও সম্মেলন:
    ⇒ কোপেনহেগেন সম্মেলন (COP-15), ২০০৯:
    - এই সম্মেলনে উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে জলবায়ু তহবিল নিয়ে বড় ধরনের আলোচনা হয়।
    - উন্নয়নশীল দেশগুলো দাবী তোলে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী মূলত উন্নত দেশগুলো, তাই ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।
    - এরই প্রেক্ষিতে, "Copenhagen Accord"-এ Green Climate Fund (GCF) গঠনের প্রাথমিক ধারণা ও প্রস্তাব উঠে আসে।
    - লক্ষ্য ছিল উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় অর্থায়ন করা।

    ⇒কানকুন সম্মেলন (COP-16), ২০১০:
    - কোপেনহেগেনে তহবিলের ধারণা দেওয়ার পর, পরবর্তী বছর মেক্সিকোর কানকুনে এই তহবিল গঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
    - এই সম্মেলনে GCF-এর কাঠামো, পরিচালনা এবং অর্থায়নের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়।

    তথ্যসূত্র - Green Climate Fund ওয়েবসাইট।

    ১৬৯.
    বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক- ২০২৫ অনুযায়ী, শীর্ষ দেশ কোনটি?
    1. নরওয়ে
    2. এস্তোনিয়া
    3. নেদারল্যান্ডস
    4. সুইডেন
    সঠিক উত্তর:
    নরওয়ে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নরওয়ে
    ব্যাখ্যা

    বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক- ২০২৫:
    - সূচকের শিরোনাম: RSF World Press Freedom Index 2025.
    - সূচকটি প্রকাশিত হয় ২ মে, ২০২৫।
    - ফ্রান্সভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা Reporters Without Borders (RSF) সূচকটি প্রকাশ করে।

    ⇒ শীর্ষ দেশ:
    • নরওয়ে।
    • এস্তোনিয়া।
    • নেদারল্যান্ডস।
    • সুইডেন।
    • ফিনল্যান্ড।

    ⇒ এই তালিকায় সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে ইরিত্রিয়া।

    ⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম।

    তথ্যসূত্র - Reporters Without Borders (RSF) ওয়েবসাইট।

    ১৭০.
    বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদের কাঁচামাল কোনটি?
    1. তামা
    2. আকরিক লোহা
    3. মিথেন
    4. কয়লা
    সঠিক উত্তর:
    মিথেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মিথেন
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ:
    - খনি হতে প্রাপ্ত সম্পদকে খনিজ সম্পদ বলে।
    - বাংলাদেশ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ নয়। শিল্পোন্নয়ন তথা অর্থনেতিক উন্নয়নে খনিজ সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যেসব খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ফলে খনিজদ্রব্যের চাহিদা মেটানোর জন্য আমাদেরকে বিদেশের উপর নির্ভর করতে হয়।
     
    ⇒ প্রাকৃতিক গ্যাস: বাংলাদেশে প্রাপ্ত খনিজ সম্পদগুলোর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস প্রধান। গ্যাস সম্পদে আমরা সমৃদ্ধ।
    - গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ।
    - ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়।
    - পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ।
    - পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়।
    - প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস।
    - এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়।

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭১.
    শুক্র গ্রহকে পশ্চিম আকাশে আমরা কীরূপে দেখতে পাই?
    1. শুকতারা
    2. ধ্রুবতারা
    3. সন্ধ্যাতারা
    4. কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    সন্ধ্যাতারা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সন্ধ্যাতারা
    ব্যাখ্যা

    শুক্র (Venus):
    - শুক্র হলো সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং সৌরজগতের ষষ্ঠ বৃহত্তম গ্রহ।
    - এটি আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণতম গ্রহ।
    - সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
    - সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
    - ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
    - সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
    - শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।
    - শুক্রের কোন বলয় নেই।

    উল্লেখ্য,
    - শুক্র গ্রহকে পৃথিবীর যমজ গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
    - কারণ এটির আকার এবং আকৃতি অনেকটাই পৃথিবীর সাথে মেলে।
    - এটির গঠনও অনেকটা একই রকমের।
    - শুক্র গ্রহে বিশাল পাহাড়, সমতল ভূমি ও অনেক আগ্নেয়গিরি রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন।

    উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
    ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭২.
    আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়? 
    1. প্রশান্ত মহাসাগর
    2. আটলান্টিক মহাসাগর
    3. ভারত মহাসাগর
    4. উত্তর মহাসাগর
    সঠিক উত্তর:
    প্রশান্ত মহাসাগর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রশান্ত মহাসাগর
    ব্যাখ্যা

    আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
    - পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
    - এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

    উল্লেখ্য,
    - ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
    - ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
    - তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারনের এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
    - আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৩.
    বাংলাদেশে কত সালে ঘূর্ণিঝড় 'সিডর' আঘাত হানে?
    1. ২০০৫ সালে
    2. ২০০৬ সালে
    3. ২০০৭ সালে
    4. ২০১২ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ২০০৭ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২০০৭ সালে
    ব্যাখ্যা

    সিডর:
    - বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা শ্রীলঙ্কার দেওয়া নাম অনুসারে সিডরের নাম ঠিক করে। 
    - সিডর (SIDR) শব্দের অর্থ চোখ।

    ⇒ সরকারি তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে ১৯৬০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মোট ৩৫টি বড় ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের হদিস পাওয়া যায়।
    - এর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক পাঁচটি ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে অন্যতম সিডর।
    - এ অঞ্চলে যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে, তার নাম দেওয়া হয় ২০০৪ সালে।
    - ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ড ভাবে আঘাত হানে।
    - আঘাতের সময় সিডরের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার। 
    - সিডরকে ১৯৭০ ও ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর সবচেয়ে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় বিবেচনা করা হয় ।

    উৎস: প্রথম আলো।

    ১৭৪.
    ব-দ্বীপ সমভূমি বাংলাদেশের কোন কোন জেলা নিয়ে গঠিত? 
    1. রংপুর–দিনাজপুর
    2. দিনাজপুর–জামালপুর
    3. ফরিদপুর–যশোর
    4. ময়মনসিংহ–রংপুর
    সঠিক উত্তর:
    ফরিদপুর–যশোর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফরিদপুর–যশোর
    ব্যাখ্যা

    সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
    - পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ অসংখ্যা ছোট-বড় নদী সারা দেশে জালের ন্যায় ছড়িয়ে আছে। এসব নদী সমতল ভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় প্রতি বছর বন্যার সৃষ্টি হয়। এভাবে বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমি উত্তর দিক থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে দক্ষিণে প্রায় সমুদ্র সমতলে মিশেছে। দক্ষিণের সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত।

    ⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।
    • পাদদেশীয় সমভূমি: হিমালয় পর্বত হতে বাহিত পলল দ্বারা গঠিত রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
    • বন্যাপ্রবণ সমভূমি: ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট জেলার বন্যাপ্রবণ সমভূমি।
    • স্রোতজ সমভূমি: খুলনা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি। এ অঞ্চলের নদীতে প্লাবন কম হয়, তবে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা হয়।
    • উপকূলীয় সমভূমি: নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি। এখানকার পতেঙ্গা সৈকত, কক্সবাজার সৈকত এবং টেকনাফ সৈকত পর্যটনের জন্য বিশেষ প্রসিদ্ধ।
    • ব-দ্বীপ সমভূমি: ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।

    উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৫.
    কোন নদীটি সিকিমের পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎপত্তি?
    1. তিস্তা
    2. পদ্মা
    3. ব্রহ্মপুত্র
    4. করতোয়া
    সঠিক উত্তর:
    তিস্তা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তিস্তা
    ব্যাখ্যা

    তিস্তা (Teesta): 
    - তিস্তা নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী।
    - উৎপত্তিস্থল: সিকিমের পর্বত অঞ্চল।
    - এটি ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী।
    - তিস্তা সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি বিভাগের প্রধান নদী।
    - একে সিকিম ও উত্তরবঙ্গের জীবনরেখাও বলা হয়।
    - সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর বাংলাদেশে প্রবেশ করে তিস্তা ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

    ⇒ বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:
    - পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
    - মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
    - যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
    - কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
    - করতোয়া নদী ভুটান সীমান্তের উত্তরে হিমালয় পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে বিভিন্ন উপনদীর জলধারা বক্ষে ধারণ করে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
    - সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
    - হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
    - মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

    উৎস: i) Worldatlas.
    ii) ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৬.
    সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের কত শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে?
    1. ১৩ শতাংশ
    2. ১৭ শতাংশ
    3. ২১ শতাংশ
    4. ২২ শতাংশ
    সঠিক উত্তর:
    ১৭ শতাংশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৭ শতাংশ
    ব্যাখ্যা

    জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ:
    - জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জিডিপির দুই শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং ২১০০ সাল নাগাদ এই হার বৃদ্ধি হবে নয় শতাংশ।
    - সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের ১৭ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং একই সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে দেশের মোট উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হ্রাস পাবে।
    - লবণাক্ততা ও বন্যার ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে উপকূলীয় অঞ্চল।
    - তাছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    উল্লেখ্য,
    - ২০২৪ সালে বাংলাদেশে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৪ লাখ এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় দুই কোটির বেশি মানুষ তাদের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে স্থানচ্যুত হতে পারে।
    - জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ এবং তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
    - শুধু গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বছরে গড় ক্ষতির পরিমাণ ইতোমধ্যে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার (মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ০.৭ শতাংশ)।
    - ২০৫০ সালের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে এবং এর ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের জনজীবন আরও বিপর্যন্ত হতে পারে।
    - তাছাড়া, সুন্দরবনের ৪০ শতাংশ অঞ্চল আগামী কয়েক দশকের মধ্যে বিলীন হবে।

    উৎস: Transparency International Bangladesh ওয়েবসাইট।

    ১৭৭.
    ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে সমুদ্র স্রোত কোন দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়?
    1. বাম দিকে
    2. ডান দিকে
    3. সরলরেখায়
    4. উল্লম্বভাবে
    সঠিক উত্তর:
    ডান দিকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডান দিকে
    ব্যাখ্যা

    পৃথিবীর আবর্তন:
    - আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে।
    - পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।
    - আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয।
    - যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
    - একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ু প্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

    ⇒ একটি অঞ্চলে সৃষ্ট নিম্নচাপের ফলে একটি কেন্দ্রাভিমুখী ঘূর্ণায়মান প্রচন্ড বায়ুপ্রবাহ থেকেই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়।
    - উত্তর গোলার্ধে এ বায়ু ঘড়ির কাঁটার বিপরীতমুখী অর্থাৎ উত্তরাভিমুখী এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণাভিমুখী প্রবাহিত হয়।

    উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৮.
    জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (২০২১-২৫) অনুযায়ী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পর্যায় কয়টি?
    1. ৩টি
    2. ৪টি
    3. ৫টি
    4. ৬টি
    সঠিক উত্তর:
    ৫টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৫টি
    ব্যাখ্যা

    জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (২০২১-২৫):
    - 'জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (এনপিডিএম) ২০২১-২০২৫° হচ্ছে ২০১৬-২০২০ এর ধারাবাহিক ও পরিমার্জিত সংস্করণ যেটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বাস্তবায়ন করেছে।
    - সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, এনজিও, দাতাসংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত/সেক্টর ও উন্নয়ন সহযাগীদের সাথে ব্যাপক আলোচনা-পর্যালোচনার মাধ্যমে এনপিডিএম ২০২১-২০২৫ প্রস্তুত করা হয়েছে।

    ⇒ এনপিডিএম ২০২১-২০২৫ দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক সেন্দাই কর্মকাঠামো (এসএফডিআরআর) ও বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি (এসওডি)-এর মৌলিক নীতিমালার আলোকে দুর্যোগঝুঁকি ব্যবস্থাপনার পরস্পরযুক্ত নিম্নলিখিত পাঁচটি পর্যায়ে উন্নতি বিধানের লক্ষ্য নিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে।
    ১) দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম, অর্থাৎ, পদ্ধতিগত উপায়ে দুর্যোগঝুঁকি নিরূপণ, বিশ্লেষণ এবং পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজের সামগ্রিক বিপদাপন্নতা ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস নিশ্চিত করা;
    ২) দুর্যোগ প্রস্তুতি অর্থাৎ, যে কোন প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী পর্যায়ে প্রয়োজনীয় বা যথাযথ প্রস্তুতি নিশ্চিত করা:
    ৩) আগাম সতর্কতা ও হুঁশিয়ারি অর্থাৎ, কোন আসন্ন আপদ থেকে জীবন, সম্পদ ও মূল্যবান দ্রব্যাদি রক্ষার জন্য কার্যকর সতর্কীকরণ নিশ্চিত করা:
    ৪) জরুরি সাড়াদান অর্থাৎ, প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট আপদে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি মানবিক সেবা সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ নিশ্চিত করা;
    ৫) পুনর্বাসন, পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার অর্থাৎ, দুর্যোগ পরবর্তী প্রতিকুল পরিস্থিতিতে আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় প্রত্যাবর্তনের কার্যকর কৌশল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

    উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

    ১৭৯.
    বিশ্বব্যাংকের মতে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ কোনটি?
    1. ভারত
    2. চীন
    3. বাংলাদেশ
    4. ভিয়েতনাম 
    সঠিক উত্তর:
    বাংলাদেশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বাংলাদেশ
    ব্যাখ্যা

    জলবায়ু–ঝুঁকিপূর্ণ দেশ:
    - ‘দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু–ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের একটি, আর এর মধ্যেই সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ।’— বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এমন সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।
    - প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে পড়বে এবং প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষ গুরুতর বন্যার ঝুঁকিতে থাকবে। উপকূলে পানি ও মাটির লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের কোটি মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ছে।
    - ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ অ্যান্ড আদার সাউথ এশিয়ান কান্ট্রিজ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স উইল বি প্রাইভেট সেক্টর লেড’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মূল চাপ এখন পরিবারের ওপর এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর গিয়ে পড়েছে। জরিপে দেখা গেছে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে কোনো না কোনো ধরনের আবহাওজনিত ধাক্কার আশঙ্কা করছে দক্ষিণ এশিয়ার তিন-চতুর্থাংশ পরিবার ও প্রতিষ্ঠান।

    বৈশ্বিক উষ্ণায়ন:
    - ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
    - এগুলো হলো: মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।

    উল্লেখ্য,
    - সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের।
    - বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ।

    ⇒ বৈশ্বিক ঝুঁকিতে থাকা পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ১২টি করে দেশের তালিকা:
    • বন্যা: বাংলাদেশ, চীন, ভারত, কম্বোডিয়া, মোজাম্বিক, লাওস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বেনিন, রুয়ান্ডা।
    • ঝড়: ফিলিপাইন, বাংলাদেশ, মাদাগাস্কার, ভিয়েতনাম, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, হাইতি, সামোয়া, টোঙ্গা, চীন, হন্ডুরাস, ফিজি।
    • মরুকরণ: মালাউয়ি, ইথিওপিয়া, জিম্বাবুয়ে, ভারত, মোজাম্বিক, নাইজার, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদান, শাদ, কেনিয়া, ইরান।
    • সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি: সব নিচু দ্বীপদেশ, ভিয়েতনাম, মিসর, তিউনিসিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, চীন, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, সেনেগাল, লিবিয়া।
    • কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা: সুদান, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে, মালি, জাম্বিয়া, নাইজার, মরক্কো, ভারত, মালাউয়ি, আলজেরিয়া, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান।

    উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
    ii) দৈনিক ইত্তেফাক। [link]

    ১৮০.
    নিচের কোনটি ESCAP-এর মতে সুশাসনের বৈশিষ্ট্য?
    1. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
    2. ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ
    3. আইনের শাসন
    4. দলীয় শাসন
    সঠিক উত্তর:
    আইনের শাসন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আইনের শাসন
    ব্যাখ্যা

    ESCAP-এর মতে সুশাসনের বৈশিষ্ট্য:
    - জাতিসংঘের ESCAP সুশাসনের প্রধান ৮টি বৈশিষ্ট্যর কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো -
    ১. অংশগ্রহণ, 
    ২. স্বচ্ছতা, 
    ৩. আইনের শাসন, 
    ৪. প্রতিক্রিয়াশীলতা, 
    ৫. ঐক্যমত্য ভিত্তিক, 
    ৬. সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক,
    ৭. কার্যকারিতা এবং দক্ষতা, 
    ৮. জবাবদিহিতা।

    উৎস: UNESCAP ওয়েবসাইট।

    ১৮১.
    ব্যক্তিস্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে কোনটি কাজ করে?
    1. সামাজিক রীতি
    2. ধর্মীয় বিধান
    3. আইন
    4. কোনটিই নয় 
    সঠিক উত্তর:
    আইন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আইন
    ব্যাখ্যা

    আইন:
    - মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণে মানুষের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে সকল বিধি নিষেধ প্রণয়ন করে সাধারণভাবে সেগুলোকেই আইন বলা হয়।

    • আইনের বৈশিষ্ট্য বা প্রকৃতি:
    ১. সার্বভৌম ক্ষমতা কর্তৃক অনুমোদিত,
    ২. সর্বজনীন,
    ৩. বিধিবদ্ধ নিয়মাবলি,
    ৪. বাহ্যিক আচরণের নিয়ন্ত্রক,
    ৫. ব্যক্তিস্বাধীনতার রক্ষক,
    ৬. সুস্পষ্টতা,
    ৭. আইন গতিশীল,
    ৮. দেশকাল ভেদে পরিবর্তনশীল।

    উল্লেখ্য,
    - আইন সার্বজনীন ও সমভাবে প্রযোজ্য। সমস্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর আইনের কর্তৃত্ব সমভাবে প্রতিষ্ঠিত।

    উৎস: i) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮২.
    “মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ”—উক্তিটি কার?
    1. এইচ এম জনসন
    2. এফ ই মেরিল
    3. এম. ডব্লিউ. পামফ্রে
    4. ক্লাইড ব্লুখোন
    সঠিক উত্তর:
    এম. ডব্লিউ. পামফ্রে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    এম. ডব্লিউ. পামফ্রে
    ব্যাখ্যা

    মূল্যবোধ:
    - সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব ধারণার চূড়ান্ত ব্যাপ্তি যা মানুষ হিসেবে একজন ব্যক্তির জীবনে একান্ত কাম্য।
    - সমাজের এসব মূল্যবোধ মানুষের জীবনের জন্য লক্ষ্য ও প্রাপ্তি স্থির করতে সাহায্য করে।
    - বিভিন্ন পন্ডিত মূল্যবোধকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যেমন  -

    • এম. ডব্লিউ. পামফ্রে-এর মতে, “মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ।”
    • সমাজবিজ্ঞানী এইচ এম জনসন (H.M. Johnson) এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড”।
    • ক্লাইড ব্লুখোন বলেন “সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব প্রকাশ্য ও অনুমেয় আচার-আচরণের ধারা যা ব্যক্তি ও সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে স্বীকৃত”।
    • সমাজবিজ্ঞানী এফ ই মেরিল বলেন, “সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরণ, যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।
    • জেন লেন্নন-এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ বলতে কোনো স্থান বা এলাকার ধর্মীয়, ঐতিহ্যপূর্ণ, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বা জাতীয় গুণাবলিকে বোঝায়, যা ঐ স্থানের অধিকাংশ বা স্বল্পসংখ্যক লোক পালন করেন।”
    • নিকোলাস রেসার-এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ সেসব গুণাবলি, যা ব্যক্তি নিজের সহকর্মীদের মধ্যে দেখে খুশি হয় এবং নিজের সমাজ, জাতি, সংস্কৃতি ও পরিবেশকে মূল্যবান মনে করে খুশি হয়।”
    • স্টুয়ার্ড সি. ডড এর মতে, “যে সব মূল্যবোধ ব্যক্তি সমাজের নিকট থেকে আশা করে এবং যা সমাজ ব্যক্তির নিকট থেকে লাভ করে খুশি হয়, সেসব মূল্যবোধই সামাজিক মূল্যবোধ।”

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৩.
    চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রধান লক্ষ্য কী?
    1. সরকার গঠন করা
    2. নির্বাচন জয় করা
    3. ক্ষমতা দখল করা
    4. সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা
    সঠিক উত্তর:
    সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা
    ব্যাখ্যা

    চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
    - চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলতে এমন এক সংস্থাকে বুঝায়, যা কিছুসংখ্যক সাধারণ স্বার্থে আবদ্ধ বেসরকারি লোকের সমন্বয়ে গঠিত, যারা রাজনৈতিক কার্যকলাপের মাধ্যমে আইনসভার বাইরে থেকে সরকারি নীতিমালা গ্রহণ করে ঐসব সাধারণ স্বার্থ ও লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৎপরতা চালায়।
    - অনেকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী না বলে একে স্বার্থকামী গোষ্ঠী নামে অভিহিত করেছেন।
    - অনেকে আবার এরূপ গোষ্ঠীকে রাজনৈতিক গোষ্ঠী, মনোভাবকেন্দ্রিক গোষ্ঠী বলেও উল্লেখ করেছেন।
    - চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।

    ⇒ চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
    • দলীয় সংগঠনবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
    • দলীয় কর্মসূচিবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
    • নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া: চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না।
    • সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না। বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।
    • সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।
    • সমজাতীয় মনোভাব: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা সাধারণত সমজাতীয় মনোভাব সম্পন্ন হয়ে থাকে।
    • বেসরকারি সংগঠন: চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ।

    উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
    ii) রাজনৈতিক সংগঠন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৪.
    বাংলাদেশে কোন ইস্যুগুলো সুশাসনের প্রতিষ্ঠায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে?
    1. খাদ্যে ভেজাল
    2. নারী নির্যাতন
    3. জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব
    4. উপরোক্ত সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    উপরোক্ত সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরোক্ত সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    সুশাসন:
    - সুশাসন প্রত্যয়টির ইংরেজি প্রতিশব্দ `Good Governance'।
    - সুশাসনের কতকগুলি উপাদান রয়েছে। সেই উপাদানগুলির উপস্থিতি নিশ্চিত হলে একটি রাষ্ট্র সুশাসিত রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
    - একটি সুশাসিত রাষ্ট্রই পারে নাগরিকদের সর্বাঙ্গিন মঙ্গল ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে।

    ⇒ সুশাসনের ইস্যু বলতে প্রতিকূলতা কে বুঝায়।
    - সুশাসনের ইস্যু রাষ্ট্র ও সমাজভেদে আলাদা হতে পারে।
    - বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এ ধরণের বিশেষ কয়েকটি ইস্যু রয়েছে।
    - যেমন: দুর্নীতি, পরিবেশ দূষণ, অপরিকল্পিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য চ্যালেঞ্জ। তাছাড়া খাদ্যে ভেজাল, নারী নির্যাতন, জলবায়ু পরিবর্তনের আঘাতে উপকূলীয় অঞ্চলসহ বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ এবং কৃষি জমির ক্ষতি সুশাসন প্রতিষ্ঠার অভিযানে এ ইস্যুগুলো ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
    - সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এসব ইস্যুগুলো অবশ্যই মোকাবেলা করতে হবে।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৫.
    কোনটি অভিজ্ঞতাবাদের মূল বৈশিষ্ট্য?
    1. ইন্দ্রিয়-প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা জ্ঞান লাভের মাধ্যম
    2. জ্ঞান অনুভূতি দ্বারা নির্ধারিত
    3. জ্ঞান শুধুই স্বজ্ঞা থেকে আসে
    4. চিন্তা জ্ঞান উৎপাদনের একমাত্র উৎস
    সঠিক উত্তর:
    ইন্দ্রিয়-প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা জ্ঞান লাভের মাধ্যম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইন্দ্রিয়-প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা জ্ঞান লাভের মাধ্যম
    ব্যাখ্যা

    অভিজ্ঞতাবাদ:
    - অভিজ্ঞতাবাদ জ্ঞানের উৎপত্তি সম্পর্কে এমন একটি মতবাদ, যা অভিজ্ঞতাকেই জ্ঞানের একমাত্র উৎস বলে মনে করে।
    - অভিজ্ঞতাবাদের ইতিহাস আলোচনা করলে দেখা যায়, প্রাচীন গ্রিসের পরমাণুবাদীরা এবং সোফিস্টরা সর্বপ্রথম অভিজ্ঞতাবাদের কথা প্রচার করেন।
    - সোফিস্টদের মতে, ইন্দ্রিয়-প্রত্যক্ষণই জ্ঞান লাভের একমাত্র উপায়।
    - প্রোটাগোরাস-এর মতে, ‘মানুষই সবকিছুর পরিমাপক বা নির্ধারক।’

    অন্যদিকে,
    - স্বজ্ঞাবাদ: স্বজ্ঞাবাদ জ্ঞানের উৎপত্তি সম্পর্কীয় এমন একটি মতবাদ, যা স্বজ্ঞাকে জ্ঞানের একমাত্র উৎস বলে মনে করে। স্বজ্ঞাবাদ অনুসারে অভিজ্ঞতা বা বুদ্ধি জগত ও জীবন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান দিতে পারে না। একমাত্র সজ্ঞাই জগত ও জীবন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান দিতে পারে।

    - ভাববাদ: ভাববাদ এমন একটি দার্শনিক মতবাদ, যা ভাব বা ধারণা বা আত্মাকে একমাত্র প্রকৃত সত্তা বলে মনে করে। ভাববাদকে অধ্যাত্মবাদও বলা হয়ে থাকে। অর্থাৎ এ মতবাদ অনুসারে মন বা আত্মাই প্রাথমিক ও মৌলিক সত্তা। জড়বাদ যেমন জড় থেকে সব বস্তুর উৎপত্তির কথা বলে, তেমনি ভাববাদ যাবতীয় বস্তুর সৃষ্টির মূলে মন, ধারণা, চিন্তা বা আত্মার কথা বলে। জড়, গতি, শক্তি ইত্যাদি বস্তুতান্ত্রিক কথার পরিবর্তে ভাববাদ আত্মা, চেতনা, চিন্তা, বুদ্ধি ইত্যাদির কথা বলে। 

    - অস্তিত্ববাদ: অস্তিত্ববাদ স্বাধীনতার ওপর অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করে। কোন অর্থে মানুষ স্বাধীন, কতটুকু স্বাধীন ইত্যাদির ব্যাখ্যা দেওয়ার মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করাই অস্তিত্ববাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। অস্তিত্ববাদের মতে, মানুষ স্বাধীনতার মধ্য দিয়েই মূল্যের মাপকাঠি তৈরি করে এবং নিজেই নিজের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে।

    উৎস: i) জ্ঞানতত্ত্ব, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) Britannica.

    ১৮৬.
    কোনটি সামাজিক মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য নয়?
    1. সমাজ স্বীকৃত
    2. পরিবর্তনশীলতা 
    3. আচরণ নিয়ন্ত্রণকারী
    4. আইনগত শাস্তিযোগ্য
    সঠিক উত্তর:
    আইনগত শাস্তিযোগ্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আইনগত শাস্তিযোগ্য
    ব্যাখ্যা

    সামাজিক মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য নয়- আইনগত শাস্তিযোগ্য। 

    সামাজিক মূল্যবোধ:

    - সামাজিক মূল্যবোধ সমাজের অন্যতম ভিত্তি।
    - মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাস, আদর্শ ও নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজে পরিচালিত করে এবং অন্যের কাজের ভাল মন্দ বিচারের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।
    - মূল্যবোধ, ব্যক্তিদল, পরিবার, সমষ্টি, সমাজ, পেশা, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি সকল পর্যায়েই থাকে।
    - মূল্যবোধ ছন্দময় এবং পরিবর্তনশীল।
    - সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের সদস্যদের সিংহভাগের সর্ব সম্মত বিশ্বাস, আদর্শ, নীতি ইত্যাদির সমষ্টি যা তারা ভাল বলে গ্রহণ করে।
    - সমাজের মানুষের ভাল মন্দ আচরণ বিচারের মানদন্ড হলো সামাজিক মূল্যবোধ।
    - এটি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
    - সামাজিক পরিবর্তনের সাথে সাথে মূল্যবোধেও পরিবর্তন ঘটে।
    - ব্যক্তি ও সমাজের অভিন্ন আকাংখার অভিব্যক্তিই হলো সামাজিক মূল্যবোধ।

    উল্লেখ্য,
    - সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব ধারণার চূড়ান্ত ব্যাপ্তি যা মানুষ হিসেবে একজন ব্যক্তির জীবনে একান্ত কাম্য।
    - সমাজের এসব মূল্যবোধ মানুষের জীবনের জন্য লক্ষ্য ও প্রাপ্তি স্থির করতে সাহায্য করে।

    উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৭.
    কোনটি সামাজিক অধিকার নয়?
    1. জীবনের অধিকার
    2. সরকারি পদাধিকার
    3. চলাফেরার অধিকার
    4. চিন্তা ও মত প্রকাশের অধিকার
    সঠিক উত্তর:
    সরকারি পদাধিকার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সরকারি পদাধিকার
    ব্যাখ্যা

    সামাজিক অধিকার:
    ​- যে সকল অধিকার সভ্য সমাজে বাস করার জন্য প্রয়োজন তাকে সামাজিক অধিকার বলে।  সামাজিক অধিকারসমূহ নিম্নরূপ:
    ​১. জীবনের অধিকার, 
    ​২. ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার, 
    ​৩. চিন্তা ও মত প্রকাশের অধিকার, 
    ​৪. সভা- সমিতির অধিকার, 
    ​৫. চলাফেরার অধিকার, 
    ​৬. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, 
    ​৭. চুক্তি সম্পাদনের অধিকার, 
    ​৮. আইনের চোখে সমানাধিকার, 
    ​৯. সম্পত্তির অধিকার, 
    ​১০. ধর্মের অধিকার, 
    ​১১. পরিবার গঠনের অধিকার, 
    ​১২. অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার লাভের অধিকার, 
    ​১৩. শিক্ষার অধিকার ইত্যাদি।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৮৮.
    জনপ্রশাসনের উৎকর্ষতা বলতে কী বোঝায়?
    1. আইন প্রণয়নের স্বাধীনতা
    2. ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ
    3. কেবল আমলাতান্ত্রিক নিয়ম অনুসরণ
    4. প্রশাসনে দক্ষতা, প্রযুক্তি ব্যবহার ও কার্যকর কৌশল
    সঠিক উত্তর:
    প্রশাসনে দক্ষতা, প্রযুক্তি ব্যবহার ও কার্যকর কৌশল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রশাসনে দক্ষতা, প্রযুক্তি ব্যবহার ও কার্যকর কৌশল
    ব্যাখ্যা

    জনপ্রশাসনের উৎকর্ষতা ও বিকেন্দ্রীকরণ:
    - সুশাসন আনয়নের জন্য জনপ্রশাসনের উৎকর্ষ সাধন করতে হবে।
    - এই উৎকর্ষ সাধন করার জন্য জনপ্রশাসনকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও গতানুগতিক ধারা থেকে বের হতে হবে।
    - জনপ্রশাসনের উৎকর্ষতা সাধন বলতে বোঝায় জনপ্রশাসনে দক্ষতা আনয়ন, প্রযুক্তি ব্যবহারকরণ ও কার্যকর কৌশল গ্রহণ করা।
    - সুশাসনের আরেকটি উপাদান হচ্ছে বিকেন্দ্রীকরণ।
    - ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমেই সকল বিভাগ সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।
    - এটি প্রশাসনের কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা কমিয়ে দেয় এবং প্রশাসনকে জনগণের দোড় গোড়ায় পৌঁছে দেয়।
    - তাই একটি রাষ্ট্রের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের প্রতিটি বিভাগে বিকেন্দ্রীকরণ অপরিহার্য।

    ⇒ পরিশেষে বলা যায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা সকলের কাম্য, কিন্তু এটি প্রতিষ্ঠা করা সহজ নয়। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের সদিচ্ছার পাশাপাশি জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতা একান্ত জরুরি।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৯.
    ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল প্রবক্তা কে?
    1. এরিস্টটল
    2. চার্লস মন্টেস্কু
    3. জন লক
    4. রুশো
    সঠিক উত্তর:
    চার্লস মন্টেস্কু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চার্লস মন্টেস্কু
    ব্যাখ্যা

    ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি:
    - প্রত্যেক রাষ্ট্রেই সরকারের তিনটি বিভাগ আছে। যেমন- আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।
    - আইন বিভাগ আইন তৈরি করে, শাসন বিভাগ আইন অনুযায়ী শাসন করে এবং বিচার বিভাগ আইন লঙ্ঘনকারীর বিচার করে শাস্তি প্রদান করে।
    - ক্ষমতাস্বতন্ত্রীকরণ বলতে বুঝায় রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন, শাসন ও বিচার ক্ষমতা পৃথক ব্যক্তি বা ব্যক্তিসমষ্টির হাতে অর্পণ করা যাতে এক বিভাগ অন্য বিভাগের কাজে হস্তক্ষেপ করতে না পারে।

    ⇒ এরিস্টটল তিন ধরনের ক্ষমতা বণ্টনের কথা বলেছেন। তিনি সরকারকে (ক) আলোচনামূলক, (খ) শাসন সম্পর্কীয় ও (গ) বিচার বিষয়ক এই তিন ভাগে ভাগ করেন। এই তিনটি কাজের একত্রীকরণ হলে প্রশাসনের দক্ষতা হ্রাস পাবে বলে তিনি মত ব্যক্ত করেন।

    ⇒ ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতিকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে স্থায়ী আসন দেন চার্লস মন্টেস্কু।
    - ১৭৪৮ সালে তিনি তার The spirit of laws' গ্রন্থে সর্বপ্রথম পরিপূর্ণভাবে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির আধুনিক ব্যাখ্যা দান করেন।
    - এজন্য তাকে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল প্রবক্তা বলা হয়।
    - মন্টেস্কু মনে করেন যে, প্রত্যেক সরকারের তিন ধরনের ক্ষমতা রয়েছে- আইন প্রণয়ন, শাসন ও বিচার সংক্রান্ত ক্ষমতা।
    - তিনি বলেন যে, এই তিনটি ক্ষমতা অথবা এর যেকোনো দুটি এক হাতে বা এক ব্যক্তিগোষ্ঠীর হাতে একত্রিত হলে ব্যক্তি স্বাধীনতা হুমকির সম্মুখীন হবে।

    উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৯০.
    "যেখানে আইন নেই, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না"-কে বলেছেন?
    1. জন লক
    2. জন অস্টিন
    3. অধ্যাপক হেনরী মেইন
    4. অধ্যাপক হল্যান্ড
    সঠিক উত্তর:
    জন লক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জন লক
    ব্যাখ্যা

    আইন:
    - আইন বলতে কতিপয় নির্দিষ্ট অপরিবর্তনীয় নিয়মাবলীর সমষ্টিকে বুঝায়।
    - যে সকল বিধিনিষেধ রাষ্ট্রকর্তৃক স্বীকৃত ও যেগুলো ভঙ্গ করলে শাস্তি ভোগ করতে হয়, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞানুযায়ী সেগুলোকেই আইন বলে।
    - আইন স্বাধীনতার শর্ত ও রক্ষক।
    - আইন আছে বলেই স্বাধীনতা ভোগ করা সম্ভব হয়।
    - আইনবিহীন সমাজে স্বাধীনতা স্বেচ্ছাচারিতার নামান্তর।

    ⇒ বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আইনের বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।
    - রাষ্ট্রদার্শনিক জন লকের মতে, "যেখানে আইন নেই, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না।"
    - এরিস্টটলের মতে, "সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হল আইন।" 
    - জন অস্টিনের মতে, "আইন হল নিম্নতনের প্রতি ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের আদেশ।"
    - অধ্যাপক হেনরী মেইনের মতে, পরিবর্তনশীল, ক্রমোন্নতিমূলক, ক্রমবর্ধমান ও দীর্ঘকালীন সামাজিক প্রথার গতির ফলকে আইন বলা হয়।" -
    - অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, "আইন হল মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণের এমন কতকগুলো সাধারণ নিয়ম যা সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।"
    - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন এর মতে, "আইন হল মানুষের স্থায়ী আচার-আচরণ ও চিন্তাধারার সেই অংশ যা' রাষ্ট্রের দ্বারা স্বীকৃত বিধিতে পরিণত হয়েছে এবং যার পশ্চাতে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের সুস্পষ্ট সমর্থন রয়েছে।"

    উৎস: i) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

    ১৯১.
    নিকোলো ম্যাকিয়াভেলির বিখ্যাত গ্রন্থ কোনটি?
    1. The Spirit of Laws
    2. Two Treatises of Government 
    3. Leviathan
    4. The Prince
    সঠিক উত্তর:
    The Prince
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The Prince
    ব্যাখ্যা

    নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি:
    - নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি ইতালির ফ্লোরেন্স নগরীতে ১৪৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩ মে জন্মগ্রহণ করেন নিকোলো।
    - ইতালীয় রাষ্ট্রদার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে 'জাতীয় রাষ্ট্রের' প্রবক্তা বা স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়।
    - আইন ও নৈতিকতার মধ্যে সর্বপ্রথম পার্থক্য নির্ণয় করেন।
    - ১৫২৭ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে তিনি মারা যান।

    উল্লেখ্য,
    - নিকোলো মেকিয়াভেলি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, উপদেষ্টা, নাট্যকার, কবি, দার্শনিক, ঐতিহাসিক, সামরিকবিদ ও আরও অনেক কিছু।
    - তাকে আধুনিক রাজনীতি ও দর্শনের জনক বলা হয়ে থাকে।
    - তিনি প্রাকৃতিক ও সামাজিক বিজ্ঞানেরও প্রতিষ্ঠাতা।

    ⇒ তার বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম:
    - The Prince,
    - Discourses on Livy,
    - The Life of Castruccio Castracani of Lucca,
    - Florentine Histories,
    - Lettera to Francesco Vettori,
    - The Portable Machiavelli,
    - The Complete Art of War ইত্যাদি।

    ১৫১৩ খ্রিষ্টাব্দে রচনা করেন তার বিশ্বখ্যাত 'The Prince'। দ্য প্রিন্স-এর মূল বিষয় হলো কীভাবে রাজনৈতিক শক্তি অর্জন, ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা যায় তার চিন্তাপূর্ণ বিশ্লেষণ। পুস্তকটি ছোট-বড় ২৬টি অধ্যায় নিয়ে রচিত। তা ছাড়া শুরুতে রয়েছে একটি উৎসর্গপত্র। ইতালির বিখ্যাত মেডিসি পরিবারের অন্যতম শাসক লরেঞ্জো ডে মেডিসির নামে গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে।

    উৎস: i) Britannica.
    ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।