উত্তর
ব্যাখ্যা
• 'বলাকা' কাব্য:
- ১৯১৬ সালে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গতিচেতনা বিষয়ক কাব্য।
- কাব্যটি রবীন্দ্র কবি মানসের বিবর্তন ধারাপথে আত্মপ্রকাশ করেছে।
- এ কাব্যের ভাষা তীক্ষ্ণ, দীপ্ত, শাণিত ও উজ্জ্বল।
- এ কাব্যের ছন্দের গতিময়তা ও ভাষার সংহতি এবং নবতর বক্তব্যকে রূপ দেওয়ার কারণে এর আঙ্গিক একটি বিশিষ্টরূপ লাভ করেছে।
• আলোচ্য কাব্যে মোট ৪৫টি কবিতা রয়েছে; ১০টি সমপঙক্তিক আর ১টি সনেট আকারবদ্ধ। অবশিষ্ট ৩৪টি বিষম ছন্দে রচিত এবং উক্ত ৩৪টি কবিতার ছন্দকেই ‘বলাকার ছন্দ’ বলা হয়।
• রবীন্দ্রনাথের ‘বলাকা’ কাব্যে ব্যবহৃত ছন্দের নাম: 'মুক্তক ছন্দ' বা 'মুক্তবন্ধ ছন্দ'।
- 'বলাকা' কাব্যে ব্যবহৃত ছন্দের বৈশিষ্ট্যকে বোঝাতে গিয়ে কেউ কেউ ছন্দের এরূপ মুক্ত স্বভাবকে নাম দিয়েছেন ‘মুক্তক ছন্দ’ বা ‘মুক্তবন্ধ ছন্দ’। আবার কেউ কেউ এছন্দকে অমিত্রাক্ষর ছন্দেরই রবীন্দ্রনাথকৃত অভিনবরূপ বলে মনে করেন যা অন্ত্যানুপ্রাসযুক্ত। পাশ্চাত্য সাহিত্যে বহুল ব্যবহূত এ ছন্দকে free verse বা verse-libre বলে।
----------
অন্য অপশন:
ক) খেয়া (১৯০৬) → প্রেম, বিরহ, আধ্যাত্মিকতা ও মৃত্যুচেতনা প্রধান। গতিচেতনা নয়।
গ) পূরবী (১৯২৫) → প্রেম ও প্রকৃতি-কেন্দ্রিক, আর্জেন্টিনার ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর প্রতি উৎসর্গীকৃত। গতি নয়।
ঘ) শেষের কবিতা → এটি কাব্যগ্রন্থ নয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস।
উৎস: বাংলাপিডিয়া; 'বলাকা' কাব্য।