পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫৩ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বিজ্ঞান বিষয়ক) টপিক: প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান ... সংশ্লিষ্ট মৌলিক বিষয়) উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
SI পদ্ধতিতে দীপন তীব্রতার একক কোনটি? 
  1. লুমেন (Lumen)
  2. ক্যান্ডেলা (Candela)
  3. লুক্স (Lux)
  4. ওয়াট (Watt)
সঠিক উত্তর:
ক্যান্ডেলা (Candela)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যান্ডেলা (Candela)
ব্যাখ্যা

ক্যান্ডেলা (Candela)

SI পদ্ধতিতে দীপন তীব্রতার একক ক্যান্ডেলা
Lumen হলো লুমিনিয়াস ফ্লাক্স এর SI একক।
লুক্স হলো আলোর প্রাপ্তি ঘনত্ব এর SI একক।
ওয়াট হলো শক্তির SI একক।


SI পদ্ধতিতে মৌলিক একক ৭ টি

-দৈর্ঘ্য (Meter)   
-ভর (Kilogram)
-সময় (Second)
-তাপমাত্রা (Kelvin)
-পদার্থের পরিমাণ (Mole)
-আলোক তীব্রতা (Candela)
-বিদ্যুৎ প্রবাহ(Ampere)

তথ্যসূত্র: NCTB, উচ্চমাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান। 

.
পরিবাহকের ক্ষেত্রফল বাড়লে রোধের সম্পর্ক কোনটি? 
  1. R∝A
  2. R∝1/A
  3. R ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে না
  4. R∝√A 
সঠিক উত্তর:
R∝1/A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
R∝1/A
ব্যাখ্যা

বিদ্যুতের রোধ (Resistance, R) হলো পরিবাহকের বৈদ্যুতিক প্রবাহের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের মাত্রা।
কোনো পরিবাহকের রোধ নির্ভর করে: 
- দৈর্ঘ্য (L) – দীর্ঘ পরিবাহকের রোধ বেশি।
- ক্ষেত্রফল (A) – বড় ক্ষেত্রফলের পরিবাহকের রোধ কম।
- প্রতিরোধ (ρ) – পদার্থের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।
•মূল সূত্র: R=ρ(L/A)
- R ∝ L (দৈর্ঘ্যের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক)
- R ∝ 1/A (ক্ষেত্রফলের সাথে বিপরীত সমানুপাতিক)

ফলাফল: ক্ষেত্রফল বাড়ালে রোধ কমে, ক্ষেত্রফল কমলে রোধ বেড়ে যায়।

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান। 

.
এক অশ্বক্ষমতা (1 HP) এর জন্য কোনটি সঠিক?
  1. 1 KW
  2. 0.764 KW
  3. 0.746 KW
  4. 0.784 KW
সঠিক উত্তর:
0.746 KW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.746 KW
ব্যাখ্যা

• অশ্বক্ষমতা (Horsepower):
- অশ্বক্ষমতা হলো শক্তি উৎপাদনের একক, যা সাধারণত ইঞ্জিন বা যন্ত্রের ক্ষমতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- 1 অশ্বক্ষমতা বলতে বোঝায় এমন শক্তি যা প্রতি সেকেন্ডে 746 জুল কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। 
- এটি প্রায়শই বৈদ্যুতিক বা মেকানিক্যাল যন্ত্রের পাওয়ার রেটিং নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়।
- কিলোওয়াটে রূপান্তর করলে, 1 HP = 0.746 kW.

• কিলোওয়াট (Kilowatt):
- কিলোওয়াট শক্তির মাপকাঠি, যা 1000 ওয়াটের সমান। 
- এটি বৈদ্যুতিক যন্ত্রের শক্তি পরিমাপের সাধারণ একক।
- HP থেকে kW রূপান্তর করতে 1 HP × 0.746 = kW সূত্র ব্যবহার করা হয়।

• সঠিক রূপান্তর:
- যেহেতু 1 HP = 0.746 kW, তাই 1 অশ্বক্ষমতা কে কিলোওয়াটে রূপান্তর করলে ফলাফল হবে 0.746 kW.
- অন্য অপশনগুলো (1 kW, 0.764 kW, 0.784 kW) ভুল কারণ সঠিক রূপান্তর 0.746 kW.

সুতরাং, 1 অশ্বক্ষমতার জন্য সঠিক মান হলো 0.746 kW.
সঠিক উত্তর: গ) 0.746 KW

সূত্র: Britannica [লিংক]

.
পানির অণুর মধ্যবর্তী বন্ধনকে কি বলে?
  1. আয়নিক বন্ধন
  2. দ্বিপোল-দ্বিপোল বন্ধন
  3. ধাতব বন্ধন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দ্বিপোল-দ্বিপোল বন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিপোল-দ্বিপোল বন্ধন
ব্যাখ্যা

দ্বিপোল-দ্বিপোল বন্ধন: পানির এক অণুর হাইড্রোজেন ও অন্য অণুর অক্সিজেন এর মধ্যে আকর্ষণ কাজ করে। এই মধ্যবর্তী বন্ধনকে দ্বিপোল-দ্বিপোল বন্ধন বলা হয়।

সমযোজী বন্ধন: এটি একই অণুর ভেতরে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগির মাধ্যমে গঠিত। এই বন্ধন পানির অণুর ভেতরের বন্ধন, কিন্তু প্রশ্নে বলা হয়েছে মধ্যবর্তী (intermolecular) বন্ধন।

আয়নিক বন্ধন: এটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নের মধ্যে ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে হয়।

ধাতব বন্ধন: এটি ধাতুগুলোর মধ্যে ইলেকট্রনের সমবন্টনের মাধ্যমে গঠিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা [লিংক ]

.
স্থির চাপে গ্যাসের আয়তন প্রসারণ সহগের মান কত? 
  1. 0.0366°C-1
  2. 36.66° C-1 
  3. 1/273° C-1
  4. -1/273° C-1
সঠিক উত্তর:
1/273° C-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/273° C-1
ব্যাখ্যা

1/273 Degree C-1

প্রসারণ সহগ:
- স্থির চাপে গ্যাসের আয়তন প্রসারণ সহগ হলো গ্যাসের আয়তন পরিবর্তনের হার যা প্রতি ১°C তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ঘটে, যখন চাপ স্থির থাকে।
- চার্লসের সূত্র অনুযায়ী, স্থির চাপে গ্যাসের আয়তন তাপমাত্রার সাথে সরাসরি সমানুপাতিক।

নিখুঁত গ্যাসের জন্য:
β=1/T​
T = কেলভিন তাপমাত্রা
স্ট্যান্ডার্ড অবস্থায় (0°C = 273° K)
β= 1 / 273 C-1

- পরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ থেকে দেখা গেছে, 0°C তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তন প্রতি ১°C তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে প্রাথমিক আয়তনের 1/273 অংশ বৃদ্ধি পায়।

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান বই

.
অপটিক্যাল ফাইবারের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. CaO
  2. MgO
  3. CuO
  4. SiO2
সঠিক উত্তর:
SiO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SiO2
ব্যাখ্যা

SiO2
অপটিক্যাল ফাইবার:
অপটিক্যাল ফাইবার হলো স্বচ্ছ, নমনীয় এবং খুব সূক্ষ্ম কাচ বা প্লাস্টিকের তন্তু, যা আলোক সঙ্কেত পরিবহন করে।
- আলো চলাচলের জন্য স্বচ্ছ মাধ্যমের প্রয়োজন।
- কাঁচের সংকেত সিলিকন-ডাই-অক্সাইড (SiO2)।
- এটি অত্যন্ত স্বচ্ছ, রাসায়নিকভাবে স্থিতিশীল, ও আলোক সংকেতকে খুব কম ক্ষয় সহ পরিবহন করতে পারে  এজন্য এটি অপটিক্যাল ফাইবারের মূল উপাদান।

অপটিক্যাল ফাইবার তিনটি অংশে গঠিত: 
১. Core (কোর): SiO₂ দ্বারা তৈরি, যেখানে আলো সঞ্চালিত হয়।
২. Cladding (ক্ল্যাডিং): কোরের চারপাশে থাকে, যার প্রতিসরণাঙ্ক কিছুটা কম থাকে, ফলে আলো সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে কোরে সীমাবদ্ধ থাকে।
৩. Jacket (জ্যাকেট): বাহ্যিক সুরক্ষামূলক স্তর।

অপরদিকে,
- CaO হল কুইক লাইম, যা চুনাপাথর থেকে পাওয়া যায়। এটি একধরনের ক্ষারীয় পদার্থ, আলোক পরিবাহিতা নেই, এবং স্বচ্ছ নয়
- MgO তাপ সহনশীল যা গাড়ীর ইঞ্জিন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
- CuO একটি ধাতব অক্সাইড যা বিদ্যুত পরিবহণে সক্ষম। 

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান বই, Britannica: [লিংক]

.
অর্ধপরিবাহী ডায়োডকে কী বলা হয়?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. FET
  3. রেকটিফায়ার
  4. অ্যামপ্লিফায়ার 
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

রেকটিফায়ার: অর্ধপরিবাহী ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক উপাদান যা কেবলমাত্র একদিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে দেয় এবং বিপরীত দিকে প্রবাহকে বাধা দেয়।
- এই একমুখী প্রবাহের ধর্মের কারণে ডায়োড AC (Alternating Current) কে DC (Direct Current) তে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়। তাই, অর্ধপরিবাহী ডায়োডকে রেকটিফায়ার বলা হয়।

ডায়োড সাধারণত দুটি স্তরবিশিষ্ট অর্ধপরিবাহী দ্বারা তৈরি হয়:
- P-type (ধনাত্মক স্তর)
- N-type (ঋণাত্মক স্তর)
- সংযুক্ত অবস্থায় এটি PN জংশন তৈরি করে, যা রেকটিফায়ার ক্রিয়ার জন্য দায়ী।

ট্রানজিস্টর: তিন স্তরের (PNP বা NPN) যন্ত্র, যা প্রবাহ বৃদ্ধি (amplification) বা সুইচিংয়ে ব্যবহৃত হয়।
FET (Field Effect Transistor): এটি একটি বিশেষ ধরণের ট্রানজিস্টর, সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
অ্যামপ্লিফায়ার: এটি সিগন্যাল বৃদ্ধি করে, কিন্তু ডায়োড নয়।

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান বই, Britannica: [লিংক]

.
প্রাকৃতিক ঝড়বৃষ্টি ঘটে বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. আয়নোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
ট্রপোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপ বেশি (760 mm Hg) এবং তাপমাত্রা উচ্চতা বাড়ার সাথে দ্রুত পরিবর্তিত হয়।
- প্রতি কিলোমিটার তাপমাত্রা বাড়ার সাথে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস করে কমতে থাকে।
- বায়ু ও জলীয় বাষ্পের মিশ্রণে মেঘ তৈরি হয়, যা বৃষ্টি, ঝড়, বজ্রসহ অন্যান্য আবহাওয়াগত পরিবর্তনের জন্ম দেয়।
- প্রাকৃতিক ঝড়বৃষ্টি, মেঘ ও বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য আবহাওয়াগত ঘটনা ট্রপোস্ফিয়ার স্তরে ঘটে।
- এটিকে ক্ষুব্ধ মন্ডলও বলা হয়ে থাকে। এটি পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫ কিমি উচ্চতায় বিস্তৃত।

অন্য স্তরগুলোর বৈশিষ্ট্য:
• স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার - ওজোন স্তর থাকে, আবহাওয়াগত ঘটনা কম।
• মেসোস্ফিয়ার - উল্কাপাত ঘটে, তাপমাত্রা খুব কম।
• আয়নোস্ফিয়ার - রেডিও তরঙ্গ প্রতিফলিত করে, আবহাওয়াগত ঘটনা নেই।

তথ্যসূত্র:
- NCTB পদার্থবিজ্ঞান ও ভূগোল বই,
- Britannica: [লিংক]। 

.
নিচের কোনটি সবচেয়ে শক্তিশালী বিজারক?
  1. Al
  2. Zn
  3. Fe
  4. Li
সঠিক উত্তর:
Li
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Li
ব্যাখ্যা

লিথিয়াম (Li) একটি অত্যন্ত সক্রিয় ধাতু, যা খুব সহজেই 1 ইলেকট্রন হারিয়ে Li⁺ আয়ন হয়ে যায়।

বিজারকঃ
বিজারক (Reducing agent) হলো এমন পদার্থ যা অন্যকে প্রতি‌-ধারক (oxidize) করতে সাহায্য করে, অর্থাৎ নিজে প্রতি‌-প্রাপ্ত (oxidized) হয়।
- শক্তিশালী বিজারকের ক্ষেত্রে ইলেকট্রন দানের ক্ষমতা বেশি থাকে।
- অন্য পদার্থের তুলনায়, Li এর প্রতিক্রিয়াশীলতা এবং ইলেকট্রন দানের ক্ষমতা সর্বোচ্চ, তাই এটি সবচেয়ে শক্তিশালী বিজারক।

- Aluminum (Al): মাঝারি শক্তির বিজারক, Li এর চেয়ে কম শক্তিশালী।
- Zinc (Zn): মাঝারি শক্তির বিজারক।
- Iron (Fe): কম শক্তিশালী বিজারক।

তথ্যসূত্র: NCTB রসায়ন বই, Britannica: [লিংক]

১০.
প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ নয় কোনটি? 
  1. Na2CO3
  2. K2Cr2O7
  3. AgNO3
  4. HNO3
সঠিক উত্তর:
HNO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HNO3
ব্যাখ্যা

প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড (Primary Standard): এমন একটি পদার্থ যার উচ্চ বিশুদ্ধতা, স্থায়িত্ব এবং সঠিক রূপে মাপা যায় এমন আণবিক ভর থাকে।
- এটি ব্যবহার করে দ্রবণের সঠিক মান নির্ধারণ করা যায়।

বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- উচ্চ বিশুদ্ধতা
- আর্দ্রতা শোষণ কম
- রাসায়নিকভাবে স্থিতিশীল
- সঠিক মোলার ভর জানা
- উদাহরণ: Na2CO3, K2Cr2O7, AgNO3

•HNO₃ একটি তরল ও অস্থির অ্যাসিড, যা বাতাস থেকে আর্দ্রতা শোষণ করে, তাই এটি প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড নয়।

তথ্যসূত্র: NCTB রসায়ন বই

১১.
O2 আণবিক ভর কত?
  1. 8
  2. 16
  3. 32
  4. 20 
সঠিক উত্তর:
32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
32
ব্যাখ্যা

আণবিক ভর (Molecular mass) হলো একটি অণুর সব পরমাণুর পারমাণবিক ভরের যোগফল। এটি একটি নির্দিষ্ট একক (amu বা g/mol) এ প্রকাশ করা হয়।
- অক্সিজেন পরমাণুর পারমাণবিক ভর: 16 amu (atomic mass unit)।
- O₂ অণুতে দুটি অক্সিজেন পরমাণু থাকে।

তাহলে O₂ এর আণবিক ভর হবে:
Molecular mass of O2 = 16 + 16 = 32 amu
- অর্থাৎ, O₂ অণুর ভর হলো 32 একক পারমাণবিক ভর।
- O₂ হলো বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান এবং শ্বাসপ্রশ্বাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: NCTB রসায়ন বই, Britannica: [লিংক]

১২.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুতকেন্দ্র হতে বিদ্যুত উৎপাদন পদ্ধতি কোনটি?
  1. নিউক্লিয়ার ফিউশন
  2. নিউক্লিয়ার ফিশন
  3. সৌরবিদ্যুত
  4. জলবিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়ার ফিশন
ব্যাখ্যা

নিউক্লিয়ার ফিশন: নিউক্লিয়ার ফিশনে ভারী পারমাণবিক যেমন ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম ভেঙে ছোট পারমাণবিকে বিভক্ত করা হয়। এই বিভাজনের ফলে প্রচুর তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়, যা বাষ্প তৈরি করে এবং টারবাইন ঘূর্ণন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশে স্থাপিত একটি ফিশন ভিত্তিক নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট।
- এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear fission) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

অপরদিকে,
- নিউক্লিয়ার ফিউশন: হালকা পরমাণুর মিলনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়, এখনও বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়নি।
- সৌরবিদ্যুত: সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে।
- জলবিদ্যুৎ: জলপ্রবাহ বা জলাধার থেকে টারবাইন ঘূর্ণন করে বিদ্যুৎ তৈরি করে।

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান, World Nuclear Association: [লিংক] 

১৩.
লা-শাতেলিয়ার নীতির সাথে সম্পৃক্ত নয় কোনটি?
  1. তাপ
  2. চাপ
  3. ঘনমাত্রা
  4. ভর
সঠিক উত্তর:
ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর
ব্যাখ্যা

লা-শাতেলিয়ার নীতি:
কোনো রসায়নিক সমীকরণ সমান্তরাল অবস্থায় থাকলে, যদি বাহ্যিক প্রভাব (যেমন তাপ, চাপ, বা ঘনত্ব) প্রয়োগ করা হয়, প্রতিক্রিয়া সেই প্রভাবকে কমাতে সচেষ্ট হবে।

সম্পৃক্ত বাহ্যিক প্রভাব:
তাপ: তাপ বৃদ্ধি বা হ্রাস প্রতিক্রিয়ার সমীকরণকে সামঞ্জস্য করে।
চাপ: গ্যাসীয় প্রতিক্রিয়ায় চাপ পরিবর্তন সমীকরণের দিকে প্রভাব ফেলে।
ঘনমাত্রা : পদার্থের ঘনত্ব পরিবর্তন প্রতিক্রিয়ার দিক পরিবর্তন করে।

অসম্পৃক্ত:
ভর (Mass): রসায়নে স্থির থাকে, লা-শাতেলিয়ার প্রভাবের অংশ নয়।


তথ্যসূত্র: NCTB রসায়ন বই, Britannica: [লিংক]

১৪.
আধুনিক পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি কী? 
  1. পরমাণু ভর 
  2. পরমাণু সংখ্যা 
  3. নিউট্রনের সংখ্যা 
  4. ইলেকট্রনের ভর 
সঠিক উত্তর:
পরমাণু সংখ্যা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণু সংখ্যা 
ব্যাখ্যা

আধুনিক সারণিতে পদার্থগুলোকে তাদের পরমাণু সংখ্যার (Atomic Number, Z) ক্রমে সাজানো হয়।
- আধুনিক পর্যায় সারণি (Periodic Table) ডেমিত্রি মেন্ডেলিভের সারণির উন্নত রূপ।
- এর ফলে একই গ্রুপে থাকা উপাদানগুলোর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য একই ধরনের হয়।
- সমান পর্যায়ে থাকা উপাদানগুলোর পরমাণুর আকার ও বৈশিষ্ট্য ক্রমান্বয়ে পরিবর্তিত হয়।

অতীতে মেন্ডেলিভের পর্যায় সারণিতে পরমাণু ভরের ভিত্তিতে সাজানো হতো, কিন্তু এতে কিছু অমিল দেখা গিয়েছিল। আধুনিক সারণিতে পরমাণু সংখ্যা ব্যবহৃত হওয়ায় সব অমিল দূর হয়েছে।

তথ্যসূত্র: NCTB রসায়ন বই, Britannica: [লিংক]

১৫.
ড্যানিয়েল সেলে অ্যানোড হিসেবে কোন ধাতুর দন্ড ব্যবহার করা হয়? 
  1. Zn
  2. Fe
  3. Na
  4. Cu
সঠিক উত্তর:
Zn
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zn
ব্যাখ্যা

ড্যানিয়েল সেল (Daniel Cell) হলো একটি প্রকারের প্রাথমিক বৈদ্যুতিক ব্যাটারি যা রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুতের শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 

এতে দুটি ইলেক্ট্রোড থাকে: 
অ্যানোড (Zn): যেখান থেকে ইলেকট্রন নিঃসৃত হয়।
Zn → Zn2++ 2e-

ক্যাথোড (Cu):
যেখান ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
Cu2+ + 2e- → Cu

Zn ইলেকট্রন দানকারী, তাই অ্যানোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: NCTB রসায়ন বই, Britannica: [লিংক]

১৬.
পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ______ ।
  1. বরফ গলা
  2. পানি ফোটানো
  3. কাঠ পোড়ানো
  4. গ্লাস গলানো 
সঠিক উত্তর:
কাঠ পোড়ানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঠ পোড়ানো
ব্যাখ্যা

পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ হল কাঠ পোড়ানো। 

রাসায়নিক পরিবর্তন:
- যে পরিবর্তনে নতুন পদার্থ সৃষ্টি হয় এবং পদার্থের আণবিক গঠন বা রাসায়নিক ধর্ম পরিবর্তিত হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে।
- এই পরিবর্তন সাধারণত অপরিবর্তনযোগ্য (Irreversible)। অর্থাৎ একবার ঘটলে আগের অবস্থায় ফেরানো যায় না।
- যেমন: কাঠ পুড়ে ছাই হওয়া। 
ভৌত পরিবর্তন:
- যে পরিবর্তনে কোনো নতুন পদার্থ সৃষ্টি হয় না এবং পদার্থের কেবল আকার, অবস্থা বা রূপ পরিবর্তিত হয়, তাকে ভৌত পরিবর্তন বলে।
- এই পরিবর্তন সাধারণত পরিবর্তনযোগ্য (Reversible)। অর্থাৎ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। 
- যেমন: বরফ গলে পানি হওয়া। 

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক রসায়ন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৭.
নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ কত প্রকার?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• কোষকে নিউক্লিয়াস (নিউক্লিয়াসের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি) অনুযায়ী দুটি প্রকারে ভাগ করা হয়:

• ইউক্যারিয়টিক কোষ (Eukaryotic Cell):

- নিউক্লিয়াস উপস্থিত থাকে।
- উদাহরণ: মানব কোষ, উদ্ভিদ কোষ।

• প্রোক্যারিয়টিক কোষ (Prokaryotic Cell):

- নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত, DNA সেল-এর নিউক্লিয়াস অঞ্চলের বাইরে থাকে।
- উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া, আরকিয়া।

তথ্যসূত্র: NCTB জীববিজ্ঞান বই, Britannica: [লিংক]

১৮.
রেচনতন্ত্রের অংশ নয় কোনটি? 
  1. বৃক্ক
  2. ইউরেটর
  3. অগ্ন্যাশয়
  4. ইউরেথ্রা 
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা

অগ্ন্যাশয়
অগ্নাশয় একটি মিশ্র গ্রন্থি (অন্তঃক্ষরা ও বহিঃক্ষরা)। এর প্রধান কাজ হরমোন (ইনসুলিন, গ্লুকাগন) উৎপাদন ও পাচক রস নিঃসরণ করা। 

মানবদেহের রেচনাতন্ত্র অংশ:

- বৃক্ক: মূত্র তৈরি করে, শরীর থেকে বর্জ্য অপসারণ করে।
- ইউরেটর: কিডনি থেকে মূত্রকে মূত্রাশয় পর্যন্ত পরিবহন করে।
- মূত্রাশয়: মূত্র সংরক্ষণ করে।
- ইউরেথ্রা: মূত্র দেহ থেকে বের করে।

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক রসায়ন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৯.
ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান নয় কোনটি? 
  1. ফসফরাস
  2. কপার
  3. কার্বন
  4. সালফার
সঠিক উত্তর:
কপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপার
ব্যাখ্যা

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট: উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান অত্যন্ত কম পরিমাণে দরকার তাকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বলে। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হল ৭টি।
i)জিংক
ii)ম্যাংগানিস
iii)মলিবডেনাম
iv)বোরন
v)কপার
vi)ক্লোরিন
vii)লৌহ

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট: উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান জরুরী বা বেশি পরিমাণে দরকার তাকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বলে। ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট হল ৯ টি।
i) নাইট্রোজেন
ii)ফসফরাস
iii)পটাশিয়াম
iv)ক্যালসিয়াম
v)ম্যাগনেসিয়াম
vi)কার্বন
vii)হাইড্রোজেন
viii)অক্সিজেন
ix)সালফার

তথ্যসূত্র: NCTB জীববিজ্ঞাব বই, Britannica: [লিংক]

২০.
নিউমোনিয়া রোগটি কোন ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সংঘটিত হয়?
  1. Streptococcus pneumoniae 
  2. Mycobacterium tuberculosis
  3. Vibrio cholerae
  4. Clostridium tetani
সঠিক উত্তর:
Streptococcus pneumoniae 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Streptococcus pneumoniae 
ব্যাখ্যা

নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের সংক্রমণজনিত রোগ, যা শ্বাসপ্রশ্বাসে ব্যাধি সৃষ্টি করে।
- সবচেয়ে সাধারণ ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়ার কারণ হলো Streptococcus pneumoniae, যা ফুসফুসের এ্যালভিওলি (Alveoli) তে সংক্রমণ ঘটায়।

এর লক্ষণ: কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, বুকের ব্যথা।

অন্য ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব:
Mycobacterium tuberculosis: ক্ষয় রোগ (Tuberculosis) ঘটায়।
Vibrio cholerae: কলেরা (ডায়রিয়া) সৃষ্টি করে।
Clostridium tetani: টিটানাস বা পেশীর সংকোচন ঘটায়।

তথ্যসূত্র: NCTB জীববিজ্ঞান বই, Britannica: [লিংক]

২১.
DNA-এর ডাবল হেলিক্স মডেলের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন কে?
  1. ওয়াটসন
  2. চার্লস ডারউইন
  3. গ্রেগর মেন্ডেল
  4. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
সঠিক উত্তর:
ওয়াটসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াটসন
ব্যাখ্যা

জেমস ডি. ওয়াটসন (James D. Watson) এবং ফ্রান্সিস ক্রিক (Francis Crick) ১৯৫৩ সালে DNA-এর ডাবল হেলিক্স গঠন আবিষ্কার করেন।
- এই আবিষ্কারের মাধ্যমে জিনের তথ্য সংরক্ষণ ও প্রজনন প্রক্রিয়া বোঝা সম্ভব হয়।
- ১৯৬২ সালে নোবেল পুরস্কার ওয়াটসন, ক্রিক ও মরিস উইলকিনস কে দেয়া হয় Physiology or Medicine ক্ষেত্রে।

অপরদিকে,
চার্লস ডারউইন: বিবর্তন তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন।
গ্রেগর মেন্ডেল: বীজানুতত্ত্বের (Genetics) মৌলিক নিয়ম আবিষ্কার করেছিলেন।
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং: পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন।

তথ্যসূত্র:NCTB জীববিজ্ঞান বই, Britannica: [লিংক]

২২.
সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট মিলিত হয় কোন বিন্দুতে?
  1. -40° 
  2. 100°
  3. -273°
সঠিক উত্তর:
-40° 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-40° 
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ
F =9C ⁄ 5 + 32

-40° সেলসিয়াসে, ফারেনহাইট স্কেলে তখন -40°F
0° সেলসিয়াসে, ফারেনহাইট স্কেলে তখন 32°F 
100° সেলসিয়াসে, ফারেনহাইট স্কেলে তখন 212°F
-273° সেলসিয়াসে, ফারেনহাইট স্কেলে তখন -459.4°F

*সূত্র ছাড়াও মনে রাখার বিষয় হল -40° তেই শুধুমাত্র সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট মিলিত হয়। 
* সেলসিয়াস ও কেলভিন কখনো মিলিত হয় না। 

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক রসায়ন।

২৩.
অপটিক্যাল ফাইবারে আলো কোন নীতি অনুসরণ করে? 
  1. পরোক্ষ প্রতিফলন 
  2. আলো বিভাজন 
  3. আলো শোষণ 
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন 
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন 
ব্যাখ্যা

• অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি স্বচ্ছ কাচ বা প্লাস্টিকের তন্তু যা আলোর সংকেত বহন করে।
- ফাইবারের মূল ধারণা হলো লাইট সিগন্যালকে কোরের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা, যাতে সঙ্কেত দূরত্বে কম ক্ষয় হয়।
- এটি সম্ভব হয় পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের (Total Internal Reflection) মাধ্যমে।
- কোরের প্রতিসরণাঙ্ক (n₁) ক্ল্যাডিংয়ের প্রতিসরণাঙ্ক (n₂) এর চেয়ে বেশি।
- আলো কোর-ক্ল্যাডিং সীমান্তে একটি নির্দিষ্ট কোণ (> critical angle) দিয়ে প্রতিফলিত হয় এবং ক্ল্যাডিংয়ে যায় না।

অপরদিকে, 
পরোক্ষ প্রতিফলন: সত্যি নয়, এটি আংশিক প্রতিফলনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
আলো বিভাজন: ফাইবারে সিগন্যাল বিভক্ত হয় না, বরং সঙ্কুচিত হয়।
আলো শোষণ: ক্ষয় বা হ্রাসের কারণ, আলো পরিবহন নীতি নয়।

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান বই, Britannica: [লিংক]