পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩৩ বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিক - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: অন্নদাশঙ্কর রায়, অমিয় চক্রবর্তী, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, আবু জাফর শামসুদ্দীন, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিহারীলাল চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব বসু, বেগম রোকেয়া, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২. অন্যান্য লেখকগণ: অতুলপ্রসাদ সেন, অদ্বৈত মল্লবর্মণ, আনিসুজ্জামান, আব্দুল কাদির, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল্লাহ আল মুতী, আব্দুল হাই, আবু ইসহাক, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, আবুল ফজল, আবুল মনসুর আহমেদ, আবুল হাসান, আবুল হুসেন, আল মাহমুদ, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আহমদ ছফা, আহমদ শরীফ, আহসান হাবীব, ইবরাহীম খাঁ, এস ওয়াজেদ আলি, কাজী আব্দুল ওদুদ, কাজী ইমদাদুল হক। এবং বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: [শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ।] ২. বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: [শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, বাংলাদেশ ব্যাংক বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট পড়তে হবে)] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
'ইউরোপের চিঠি' ভ্রমণকাহিনিটির রচয়িতা-
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  3. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  4. এস ওয়াজেদ আলি
সঠিক উত্তর:
অন্নদাশঙ্কর রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্নদাশঙ্কর রায়
ব্যাখ্যা

• 'ইউরোপের চিঠি' ভ্রমণকাহিনিটির রচয়িতা - অন্নদাশঙ্কর রায়। 
- গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৪২ সালে।

অন্নদাশঙ্কর রায়:
- তিনি ১৯০৪ সালের ১৫ মার্চ ভারতের উড়িষ্যা প্রদেশের ঢেঙ্কানলে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি, চিন্তাবিদ।
- তিনি উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।
- তাঁর প্রথম কবিতাগ্রন্থের নাম 'রাখী' (১৯৩২)।

তাঁর রচিত অন্য একটি ভ্রমণকাহিনি:
- পথে প্রবাসে।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- যার যথা দেশ,
- অজ্ঞাতবাস,
- কঙ্কাবতী,
- দুঃখমোচন ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তারুণ্য,
- ইশারা,
- জীবনশিল্পী,
- বিনুর বই,
- আধুনিকতা,
- জীয়ন কাটি,
- প্রত্যয় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
নিচের কোনটি অমিয় চক্রবর্তী কর্তৃক রচিত গ্রন্থ?
  1. মানচিত্র
  2. শেষবেলা
  3. উপহার
  4. বিষকন্যা
সঠিক উত্তর:
উপহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপহার
ব্যাখ্যা

• 'উপহার' অমিয় চক্রবর্তী কর্তৃক রচিত কাব্যগ্রন্থ।

• অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তীর জন্ম ১৯০১ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায়। 
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন। 
- ‘বাংলাদেশ’ কবিতাটি আমিয় চক্রবর্তী রচিত ‘অনিঃশেষ’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে কবিতাটি।

অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ-
- কবিতাবলী (প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ),
- উপহার,
- অনিঃশেষ 
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেওয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- মানচিত্র আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- বিষকন্যা আশারাফ সিদ্দিকী রচিত কাব্যগ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী কতসালে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ২০২০ সালে 
  2. ২০২১ সালে 
  3. ২০২২ সালে 
  4. ২০২৩ সালে 
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে 
ব্যাখ্যা

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী:
- ১৯৩৪ সালের ১২ই ডিসেম্বর বরিশালে জন্ম গ্রহণ করেন। 
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি -গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী।
- ২০২২ সালের ১৯ মে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান (প্রথম),
- নাম না জানা ভোর,
- নীল যমুনা ও
- শেষ রাত্রির চাঁদ।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- কৃষ্ণপক্ষ,
- সুন্দর হে সুন্দর।

 তাঁর সম্পাদনা গ্রন্থ:
- বাংলাদেশ কথা কয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
বাংলা একাডেমী প্রকাশিত 'বিজ্ঞান বিশ্বকোষ'-এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন-
  1. আব্দুল হাই
  2. আব্দুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন
  3. আহমদ ছফা
  4. আহমদ শরীফ
সঠিক উত্তর:
আব্দুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন
ব্যাখ্যা

• আব্দুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিন:
- জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক আব্দুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিন ১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি  সিরাজগঞ্জ জেলার ফুলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে আল-মুতী শরফুদ্দিনের অবদান অসামান্য।
- তিনি এদেশে বিজ্ঞানকে ছোটদের মধ্যে জনপ্রিয় করার পথিকৃৎ।
- তাঁর প্রকাশিত বিজ্ঞান, পরিবেশ ও শিক্ষাবিষয়ক বইয়ের সংখ্যা ২৮। 
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত বইয়ের নাম ‘এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে’।
- আল-মুতী শরফুদ্দিন বাংলা একাডেমী প্রকাশিত বিজ্ঞান বিশ্বকোষ-এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন এবং ‘মুকুল’ নামে ছোটদের ম্যাগাজিনের সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি ছিলেন ইসলামিক একাডেমী অব সাইন্স-এর একজন প্রতিষ্ঠাতা ফেলো; বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ফেলো এবং সভাপতি (১৯৮৮-৯১)।

তার রচিত উল্লেখযোগ্য বইগুলো মধ্যে রয়েছে -
- আবিষ্কারের নেশায়
- বিজ্ঞান ও মানুষ,
- সাগরের রহস্যপুরী,
- তারার দেশের হাতছানি, 
- বিজ্ঞানের বিস্ময় ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'দোজখের ওম' আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি- 
  1. উপন্যাস
  2. গল্পগ্রন্থ
  3. প্রবন্ধ
  4. কাব্যাট্য
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

 • 'দোজখের ওম' গল্পগ্রন্থ:
- 'দোজখের ওম' আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি গল্পগ্রন্থ।
- এই গল্পগ্রন্থের নামগল্প 'দোজখের ওম'।
- ছোট্ট এই সংকলনটিতে স্থান পেয়েছে মোট চারটি ছোটগল্প।

এগুলো হচ্ছে-
- কীটনাশকের কীর্তি,
- যুগলবন্দি,
- অপঘাত ও
- দোজখের ওম নামক।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত রচিত গ্রন্থসমূহ হলো:
• উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খোয়াবনামা।
(এই দুটি হলো তার মহাকাব্যোচিত উপন্যাস)

• গল্পগ্রন্থ:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি,
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: 'দোজখের ওম' গল্পগ্রন্থ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

.
আহসান হাবীব এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. সারাদুপুর
  2. রাত্রিশেষে
  3.  ছায়াহরিণ
  4.  আশায় বসতি
সঠিক উত্তর:
রাত্রিশেষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাত্রিশেষে
ব্যাখ্যা

• আহসান হাবীব প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাত্রিশেষ (১৯৪৭)।
- প্রকাশ: এপ্রিল, ১৯৪৭; কলকাতার কমরেড পাবলিশার্স থেকে।
- এই কাব্যগ্রন্থে প্রহর, প্রান্তিক, প্রতিভাস ও পদক্ষেপ এই চারটি ভাগে কবিতাগুলো বিন্যস্ত।

⇒ আহসান হাবীব এর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম 'সারাদুপুর'।
- ১৯৬৪ সালে ঢাকা থেকে ‘সারা দুপুর’ প্রকাশিত হয়।
- কাব্যগ্রন্থটিতে মোট কবিতার সংখ্যা ২৬। কাব্যভাষা, ঐতিহ্যান্বেষণ ও বক্তব্য প্রকাশে কবি এখানে পরিপক্ব।

আহসান হাবীব রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ-
• রাত্রিশেষ,
• ছায়াহরিণ,
• সারা দুপুর,
• আশায় বসতি,
• মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
• দুহাতে দু আদিম পাথর,
• প্রেমের কবিতা,
• বিদীর্ণ দর্পণে মুখ ইতাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
‘সুদীপ্ত শাহীন’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. নিষিদ্ধ লোবান
  2. জাহান্নম হইতে বিদায়
  3. চিলেকোঠার সেপাই
  4. রাইফেল রোটি আওরাত
সঠিক উত্তর:
রাইফেল রোটি আওরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইফেল রোটি আওরাত
ব্যাখ্যা

• রাইফেল রােটি আওরাত:
- 'রাইফেল রােটি আওরাত' (১৯৭৩), আনােয়ার পাশা রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন এই উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
- এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলাে হচ্ছে - ড. খালেক, ড. মালেক, ছাবেদ আলী, হাসমত, জামাল সাহেব প্রমুখ।
- উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধকালীন রচিত এবং ১৯৭৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।

আনোয়ার পাশা: 
- আনোয়ার পাশা বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক।
- জন্ম ১৯২৮ সালের ১৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ডাবকাই গ্রামে।

• আনোয়ার পাশা রচিত উপন্যাস: 
- নিশুতি রাতের গাথা,
- নীড় সন্ধানী ও
- রাইফেল রোটি আওরাত (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- 'নদী নিঃশেষিত হলে',
- 'সমুদ্র শৃঙ্খলাতা উজ্জয়িনী' ও
- 'অন্যান্য কবিতা'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'আকবরের রাষ্ট্র সাধনা' প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা কে? 
  1. কাজী আব্দুল ওদুদ
  2. আহমদ শরীফ
  3. ইবরাহীম খাঁ
  4. এস ওয়াজেদ আলি
সঠিক উত্তর:
এস ওয়াজেদ আলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস ওয়াজেদ আলি
ব্যাখ্যা

• এস ওয়াজেদ আলি:
- এস ওয়াজেদ আলি একজন প্রাবন্ধিক, গল্পলেখক ও ভ্রমণকাহিনী রচয়িতা।
- তিনি ১৮৯০ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার শণ্ঠীরামপুর মহকুমার বড় তাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- এস ওয়াজেদ আলির প্রথম প্রবন্ধ 'অতীতের বোঝা' ১৯১৯ সালে প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৩২ সালে গুলিস্তাঁ নামে একটি বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- জীবনের শিল্প,
- প্রাচ্য ও প্রতীচ্য,
- ভবিষ্যতের বাঙালী,
- আকবরের রাষ্ট্র সাধনা,
- মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- গ্রানাডার শেষ বীর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'পদ্মা মেঘনা যমুনা' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. আবু জাফর শামসুদ্দীন
  2. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  3. আবু ইসহাক
  4. আবুল মনসুর আহমেদ
সঠিক উত্তর:
আবু জাফর শামসুদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু জাফর শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যা

 'পদ্মা মেঘনা যমুনা' উপন্যাস:
• প্রায় সাত বছরের নিষ্ঠাবান পরিশ্রমে মহাকাব্যিক আখ্যান 'পদ্মা মেঘনা যমুনা' রচনা সম্পন্ন করেছিলেন আবু জাফর শামসুদ্দীন।
- ১৯৬৮ সালে পাণ্ডুলিপি তৈরির কাজ শেষ হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরই এর প্রথম প্রকাশনা সম্ভব হয়।

• আবু জাফর শামসুদ্দীন:
- আবু জাফর শামসুদ্দীন একজন সাংবাদিক, সাহিত্যিক।
- তিনি ১৯১১ সালের ১২ মার্চ ঢাকা জেলার গাজীপুরের দক্ষিণবাগ গ্রামে জন্ম।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা হলো:
উপন্যাস:
- ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান,
- পদ্মা মেঘনা যমুনা,
- সংকর সংকীর্তন,
- দেয়াল,
- পরিত্যক্ত স্বামী।

গল্পগ্রন্থ:
- জীবন,
- রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা,
- ল্যাংড়ী।

প্রবন্ধ:
- চিন্তার বিবর্তন ও পূর্ব পাকিস্তানী সাহিত্য,
- Sociology of Bengal Politics,
- সোচ্চার উচ্চারণ,
- লোকায়ত সমাজ ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি ইত্যাদি।

তাঁর অনুবাদগ্রন্থ:
- শিল্পীর সাধনা ও
- পার্ল বাকের সেরা গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
'ভ্রমণকারী বন্ধু' কার ছদ্মনাম?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. আবু জাফর শামসুদ্দীন
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২-১৮৫৯): কবি, সাংবাদিক।
- 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’ সম্পাদনা করেন। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন। এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
• তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
• ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

অন্যদিকে,
- আবু জাফর শামসুদ্দীন ‘অল্পদর্শী’ ছদ্মনামে লিখতেন।
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কিছু ছদ্মনাম হলো: নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১১.
নিচের কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনা নয়?
  1. অল্প হইল
  2. অতি অল্প হইল
  3. রত্ন পরীক্ষা
  4. ব্রজবিলাস
সঠিক উত্তর:
অল্প হইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অল্প হইল
ব্যাখ্যা

• 'অল্প হইল'  নামে  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কোনো মৌলিক রচনা নেই।

তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:

- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১২.
"আয়নায় বন্ধুর মুখ" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. আব্দুল কাদির
  2. আব্দুল মান্নান সৈয়দ
  3. হাসান ফেরদৌস
  4. আবদুল্লাহ আল মামুন
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আল মামুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা

 - "আয়নায় বন্ধুর মুখ" মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকটির রচয়িতা আবদুল্লাহ আল মামুন।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে পথ হারানো তারুণ্য, ঘরের বাইরে বাঙালি মেয়েদের সীমাবদ্ধতা- এসবই ছিল আয়নায় বন্ধুর মুখ-এর উপজীব্য।

• আবদুল্লাহ আল মামুন:
- তিনি ১৯৪৩ সালের ১২ জুলাই জামালপুর জেলা সদরের আমলা পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত নাট্যরচয়িতা এবং নাট্যাভিনেতা হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর এক চরিত্রনির্ভর নাটক 'কোকিলারা' (১৯৯০)।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক:
- শপথ (প্রথম প্রকাশিত),
- সুবচন নির্বাসনে,
- এখন দুঃসময়,
- এবার ধরা দাও,
- শাহজাদীর কাল নেকাব,
- চারদিকে যুদ্ধ,
- এখনো ক্রীতদাস,
- কোকিলারা,
- মেরাজ ফকিরের মা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৩.
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. কখনো রং কখনো সুর 
  2. সাত নরী হার
  3. সহিষ্ণু প্রতীক্ষা
  4. এখন দুঃসময়
সঠিক উত্তর:
এখন দুঃসময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখন দুঃসময়
ব্যাখ্যা

• 'এখন দুঃসময়' আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত নাটক।

• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ :

  আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ একজন কবি, সরকারি কর্মকর্তা।
- তিনি ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর-ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাত নরী হার (১৯৫৫)

আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর কাব্যগ্রন্থসমূহ : 
- কখনো রং কখনো সুর 
- কমলের চোখ
- আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি
- সহিষ্ণু প্রতীক্ষা,
- বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

১৪.
'আবদুল্লাহ্' উপন্যাস কে রচনা করেছেন?
  1. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  2. আবদুল করিম 
  3. নজিবর রহমান
  4. কাজী ইমদাদুল হক
সঠিক উত্তর:
কাজী ইমদাদুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী ইমদাদুল হক
ব্যাখ্যা

আবদুল্লাহ্:
- কাজী ইমদাদুল হকের বিখ্যাত উপন্যাস 'আবদুল্লাহ্' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৩ সালে মোসলেম ভারত পত্রিকায়৷
- উপন্যাসটিতে চিত্রিত হয়েছে গ্রামীণ মুসলিম সমাজের পিরভক্তি, ধর্মীয় কুসংস্কার, পর্দাপ্রথা, সম্প্রদায়বিদ্বেষ ইত্যাদির বিরুদ্ধে মানবতাবাদী প্রতিবাদ৷

কাজী ইমদাদুল হক
- কাজী ইমদাদুল হক ১৮৮২ সালে খুলনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের লেখক হিসেবেই তাঁর সমধিক পরিচিতি।
- আবদুল্লাহ উপন্যাস রচনা করেই তিনি ঔপন্যাসিক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। 
- বাঙালি মুসলমান সমাজের কল্যাণসাধন ছিল ইমদাদুল হকের সাহিত্য সাধনার মূল লক্ষ্য।
- তিনি বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা (১৯১৮) প্রকাশনা কমিটির সভাপতি ছিলেন। 

 তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
• উপন্যাস: আবদুল্লাহ্।

• কাব্য:
- আঁখিজল ও
- লতিকা।

• প্রবন্ধ: প্রবন্ধমালা।
• শিশুতোষ গ্রন্থ: নবীকাহিনী 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫.
'মায়া মালঞ্চ' বুদ্ধদেব বসু রচিত- 
  1. উপন্যাস 
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. নাটক‌
  4. গল্পগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
নাটক‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটক‌
ব্যাখ্যা

• মায়া মালঞ্চ বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক।
• বুদ্ধদেব বসু:

- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক‌:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
'আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  2. ইবরাহীম খাঁ
  3. কাজী আব্দুল ওদুদ
  4. আব্দুল্লাহ আল মুতী
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা

• রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে
- বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

তাঁর উলে­খযোগ্য রচনা:
- মতিচূর,
- Sultana’s Dream,
- পদ্মরাগ,
- অবরোধবাসিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭.
‘উদয়াচল প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং হাউস’ এর পরিচালনার সাথে জড়িত ছিলেন কোন সাহিত্যিক?
  1. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. আবু ইসহাক
  4. আল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

 মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তিনি ১৯০৮ সালে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে। 
- তিনি ছিলেন মূলত কথাসাহিত্যিক।
- তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- তিনি ছিলেন ত্রিশোত্তর বাংলা কথাসাহিত্যের একজন শক্তিমান লেখক।
- ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে স্থাপন করা থেকে ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি সহোদরের সঙ্গে যৌথভাবে ‘উদয়াচল প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং হাউস’ পরিচালনা করেন।
- একইসঙ্গে তিনি বঙ্গশ্রী (১৯৩৭-৩৯) পত্রিকার সহকারী সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'জননী' (১৯৩৫)।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প 'অতসী মামী', 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
-  ১৯৫৬ সালের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- চিহ্ন,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পদ্মা নদীর মাঝি,
- শহরবাসের ইতিকথা,
- অহিংসা,
- শহরতলী,
- চতুষ্কোণ,
- সার্বজনীন,
- সোনার চেয়ে দামী,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- অমৃতস্য পুত্রা,
- আরোগ্য ইত্যাদি। 

• তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- প্রাগৈতিহাসিক,
- সরীসৃপ,
- সমুদ্রের স্বাদ,
- হলুদ পোড়া,
- আজ কাল পরশুর গল্প ইত্যাদি৷

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৮.
'বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা সমস্যা' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. আবুল হুসেন
  2. কাজী আব্দুল ওদুদ
  3. আহমদ ছফা
  4. আবুল ফজল
সঠিক উত্তর:
আবুল হুসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হুসেন
ব্যাখ্যা

• 'বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা সমস্যা' গ্রন্থের রচয়িতা আবুল হুসেন।

 আবুল হুসেন: 
- তিনি ১৮৯৬ সালের ৬ জানুয়ারি যশোর জেলার পানিসারা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস যশোরের কাউরিয়া গ্রামে। 
- তিনি প্রাবন্ধিক, চিন্তাবিদ, সমাজ সংস্কারক ছিলেন।
- তিনি মুসলমান সমাজে আধুনিক শিক্ষা ও জ্ঞানের আলো বিস্তারের উদ্দেশ্যে লেখনী পরিচালনা করেন।
- ঢাকায় যে 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন হয়' তাতে আবুল হুসেনই নেতৃত্ব দেন।
- তিনি ঢাকায় 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' (১৯২৬) গঠন এবং এর মুখপত্র 'শিখা' (১৯২৭-১৯৩১) সম্পাদনা ও প্রকাশ করে এ আন্দোলনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন।
- তিনি ছিলেন 'শিখা' পত্রিকার প্রথম বর্ষের সম্পাদক।
- কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ ও আবুল ফজল তাঁকে এ কাজে সাহায্য করেন।
- মননশীল প্রবন্ধকার হিসেবে তিনি কৃষক-সমাজের দুঃখ-দুর্দশার মুক্তির পথ নির্দেশ করেন তাঁর 'বাংলার বলশী' গ্রন্থের প্রবন্ধসমূহে।
- রুশবিপ্লবের প্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ‘কৃষকের আর্তনাদ’, ‘কৃষকের দুর্দশা’ ও ‘কৃষি বিপ্লবের সূচনা’ নামক প্রবন্ধ রচনা করেন।
- ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ১৯৩৮ সালের ১৫ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- বাংলার বলশী,
- মুসলিম কালচার ও
- বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা সমস্যা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৯.
"পাখির কাছে ফুলের কাছে" কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. আহসান হাবীব
  3. আনিসুজ্জামান
  4. অতুলপ্রসাদ সেন
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা

• 'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবি আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ।
• আল মাহমুদ:

- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একজন প্রথিতযশা কবি।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকন্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

• তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- দোয়েল ও দয়িতা,
- দ্বিতীয় ভাঙন,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রধান উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- আগুনের মেয়ে ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রধান গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- গন্ধবণিক,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা

২০.
"প্রভাতফেরী, প্রভাতফেরী আমায় নেবে সঙ্গে, বাংলা আমার বচন, আমি জন্মেছি এই বঙ্গে।" কবিতাংশটি কোন কবিতার?
  1. প্রভাতফেরী
  2. একুশে ফেব্রুয়ারি
  3. একুশের কবিতা
  4. জন্ম তব বঙ্গে
সঠিক উত্তর:
একুশের কবিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একুশের কবিতা
ব্যাখ্যা

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন নিয়ে তার বিখ্যাত কবিতা: একুশের কবিতা

একুশের কবিতা
আল মাহমুদ

ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ
দুপুর বেলার অক্ত
বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় ?
বরকতের রক্ত।

হাজার যুগের সূর্যতাপে
জ্বলবে এমন লাল যে,
সেই লোহিতেই লাল হয়েছে
কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে !

প্রভাতফেরীর মিছিল যাবে
ছড়াও ফুলের বন্যা
বিষাদগীতি গাইছে পথে
তিতুমীরের কন্যা।

চিনতে না কি সোনার ছেলে
ক্ষুদিরামকে চিনতে ?
রুদ্ধশ্বাসে প্রাণ দিলো যে
মুক্ত বাতাস কিনতে ?


পাহাড়তলীর মরণ চূড়ায়
ঝাঁপ দিল যে অগ্নি,
ফেব্রুয়ারির শোকের বসন
পরলো তারই ভগ্নী।

প্রভাতফেরী, প্রভাতফেরী
আমায় নেবে সঙ্গে,
বাংলা আমার বচন, আমি
জন্মেছি এই বঙ্গে।

• আল মাহমুদ:
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একজন প্রথিতযশা কবি।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকন্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

• তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- দোয়েল ও দয়িতা,
- দ্বিতীয় ভাঙন,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও একুশে কবিতা।

২১.
'নজরুল রচনাবলী'র প্রথম সংকলক ও সম্পাদক কে?
  1. আনিসুজ্জামান
  2. আব্দুল কাদির
  3. আব্দুল হাই
  4. আহমদ শরীফ
সঠিক উত্তর:
আব্দুল কাদির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল কাদির
ব্যাখ্যা

• 'নজরুল রচনাবলী'র প্রথম সংকলক ও সম্পাদক আব্দুল কাদির।

 আবদুল কাদির:
- আবদুল কাদির (১৯০৬–১৯৮৪) ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, ছন্দবিদ ও সম্পাদক।
- তাঁর উপাধি ছিল ছান্দসিক কবি।
- কুমিল্লার আড়াইসিধা গ্রামে জন্ম নেওয়া এই সাহিত্যিক ১৯২৬ সালে ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজের মাধ্যমে গড়ে ওঠা বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন–এর অন্যতম সংগঠক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি সংগঠনের মুখপত্র ‘শিখা’ (১৯২৭) বার্ষিকীর প্রকাশক ও লেখক ছিলেন।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- দিলরুবা;
- উত্তর বসন্ত;
- কবি নজরুল;
- ছন্দসমীক্ষণ;
- কাজী আবদুল ওদুদ;
- বাংলা ছন্দের ইতিবৃত্ত।

 উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা  ও বাংলাপিডিয়া।

২২.
'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের পটভূমি-
  1. ২য় বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ
  2. ভাষা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ
  3. ফকির সন্ন্যাসী আন্দোলন, সিপাহী বিদ্রোহ
  4. স্বদেশী আন্দোলন, কৃষক বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
২য় বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ
ব্যাখ্যা

• সূর্য দীঘল বাড়ী:
• 'সূর্য দীঘল বাড়ী' আবু ইসহাক রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
- ১৯৫৫সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের গ্রাম জীবনের বিশ্বস্ত দলিল এই গ্রন্থ।
- বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি রচনা করেন 'সূর্য দীঘল বাড়ী'
- জয়গুন এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
- উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র: হাসু, মায়মুন, শাফি, ডা. রমেশ চক্রবর্তী, মোরল গদু ইত্যাদি।
 
• কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাক রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল,

গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৩.
'ফুড কনফারেন্স'  আবুল মনসুর আহমেদ রচিত- 
  1. স্মৃতিকথা
  2. রাজনৈতিক  উপন্যাস
  3. সামাজিক গল্প
  4. রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা
ব্যাখ্যা

• 'ফুড কনফারেন্স'  আবুল মনসুর আহমেদ রচিত- রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা 
- এ বইয়ে গল্প আছে সর্বমোট নয়টি—
- ‘ফুড কনফারেন্স’, ‘সায়েন্টিফিক বিযিনেস’, ‘এ আই সি সি’, ‘লঙ্গরখানা’, ‘রিলিফ ওয়ার্ক, ‘গ্রো মোর ফুড’, ‘মিছিল’, ‘জমিদারি উচ্ছেদ’ এবং ‘জনসেবা ইউনিভার্সিটি।
- প্রতিটি গল্পই সুখপাঠ্য।
- আবুল মনসুর আহমদের নিজস্ব ভাষাগুণে সাধারণ গল্পও হয়ে ওঠে অনন্য।

• আবুল মনসুর আহমেদ:

- তিনি ১৮৯৮ সালে ময়মনসিংহ জেলার ধানিখোলা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- আবুল মনসুর আহমদ একজন সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক।
- তিনি খিলাফত, অসহযোগ, স্বরাজ আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

• ব্যঙ্গরচনা:
- আয়না,
- ফুড কনফারেন্স,
- গালিভারের সফরনামা

• স্মৃতিকথা:
- আত্মকথা (১৯৭৮, আত্মজীবনী),
- আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর,
- শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- সত্যমিথ্যা,
- জীবন ক্ষুধা,
- আবে-হায়াৎ

• অন্যান্য রচনা
- বাংলাদেশের কালচার,
- আসমানী পর্দা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।লিংক

২৪.
বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের পথ প্রদর্শক কে?
  1. এম নাসির উদ্দিন
  2. নুরুল কাদের
  3. আনিসুর রহমান সিনহা
  4. গুল আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
নুরুল কাদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল কাদের
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের গোড়াপত্তন:
- বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের পথ প্রদর্শক নুরুল কাদের।
- ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় প্রায় ৯ একর জমির ওপর ‘দেশ গার্মেন্টস’ গড়ে তুলেছিলেন নুরুল কাদের। 
- এটিই দেশের প্রথম তৈরি পোশাকের কারখানা।
- ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা পথ ঘুরে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার দাইয়ু করপোরেশনের সঙ্গে মিলে গড়ে তোলেন দেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানির কারখানা দেশ গার্মেন্টস। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পদযাত্রার সূচনা করেন দুই উদ্যোক্তা—রিয়াজ উদ্দিন ও এম নুরুল কাদের। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জিনস রপ্তানির নেপথ্য কারিগর ছিলেন চট্টগ্রামের উদ্যোক্তা এম নাসির উদ্দিন।
- শিল্প হিসেবে তৈরি পোশাকের বিকাশের অন্যতম বড় চালক ধরা হয় আনিসুর রহমান সিনহাকে। ১৯৮৪ সালে যাত্রা করে তার প্রতিষ্ঠিত কারখানা ওপেক্স।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বণিক বার্তা।

২৫.
বাংলাদেশে কোন জাতের ধানের উৎপাদন সর্বোচ্চ? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. আউশ
  2. আমন 
  3. বোরো 
  4. সমান উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
বোরো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো 
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য।
- বাংলাদেশে ধানের হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ৪.২ টন।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর ভিত্তি করে দেশের ধান উৎপাদনের তিনটি মৌসুম লক্ষ্য করা যায়। যথা: আউশ, আমন ও বোরো।

⇒ বাংলাদেশে বোরো জাতের ধানের উৎপাদন সর্বোচ্চ।
- উৎপাদনের পরিমাণ বিচারে বোরো ধান শীর্ষে এবং তারপরই রয়েছে আমন ও আউশ।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, দেশের ২৮৮.২০ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪০৬.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে আউশ ধান উৎপন্ন হয় ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ধান উৎপন্ন হয় ১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ধান উৎপন্ন হয় ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়।
         ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৬.
বাংলাদেশ থেকে প্রথম কোন দেশে তৈরি পোশাক রপ্তানি করা হয়?
  1. ফ্রান্সে
  2. জার্মানিতে 
  3. নেদারল্যান্ডসে 
  4. ডেনমার্কে
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্সে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম ফ্রান্সে রপ্তানি হয়।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে বর্তমানে তৃতীয়। 
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান। 
- ২৮ জুলাই ১৯৭৮ সালে, রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Business Standard.

২৭.
বাংলাদেশের কৃষি পরিবেশ অঞ্চলের সংখ্যা কতটি? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৮টি
  2. ২২টি
  3. ২৫টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিবেশ অঞ্চল:
- বাংলাদেশ একটি কৃষি দেশ এবং বাংলাদেশের প্রায় ৮০% লোক সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কৃষি নিয়ে জড়িত।
- বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ কিন্তু এটি বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের জমি রয়েছে। 
- বাংলাদেশে ৩০ টি কৃষি-পরিবেশগত অঞ্চল রয়েছে।
- এই ৩০টি এইজেডকে ৮৮টি উপ-অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে এবং এই উপ-অঞ্চলকে আবার ৫৩৫টি কৃষি পরিবেশগত এককে ভাগ করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশে ৩০ টি কৃষি-পরিবেশগত অঞ্চল (সংখার ক্রমানুসারে)-
১. পুরাতন হিমালয় পাদভুমি
২. সক্রিয় তিস্তা প্লাবনভুমি
৩. তিস্তা সর্পিল প্লাবনভুমি
৪. করতোয়া-বাঙ্গালী প্লাবনবুমি
৫. নিম্ন-আত্রাই বেসিন
৬. নিম্ন- পূনর্ভবা প্লাবনভুমি
৭. সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা প্লাবনভুমি
৮. নতুন ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা প্লাবনভুমি
৯. পুরাতন ব্রহ্মপুত্র প্লাবনভুমি
১০. সক্রিয় গঙ্গা প্লাবনভুমি
১১. উচ্চ গঙ্গা প্লাবনভুমি
১২. নিম্ন গঙ্গা প্লাবনভুমি
১৩. গঙ্গা জোয়ার প্লাবনভুমি
১৪. গোপালগঞ্জ-খুলনা জলাভুমি
১৫. আত্রাই বিল/আরিয়াল বিল
১৬. মধ্য মেঘনা প্লাবনভুমি
১৭. নিম্ন মেঘনা প্লাবনভুমি
১৮. নতুন মেঘনা- মোহনা প্লাবনভুমি
১৯. পুনাতন মেঘনা প্লাবনভুমি
২০. পূর্ব সুরমা-কুশিয়ারা প্লাবনভুমি
২১. সিলেট বেসিন
২২. উত্তর-পূর্ব পাদভুমি
২৩. চট্টগ্রাম উপকূল সমভুমি
২৪. সেন্টমার্টিন কোরাল দ্বীপ
২৫. সমতল বরেন্দ্র অঞ্চল
২৬. উচ্চ বরেন্দ্র অঞ্চল
২৭. উত্তর-পূর্ব বরেন্দ্র অঞ্চল
২৮. মধুপুর অঞ্চল
২৯. উত্তর-পূর্ব পাহাড়ি অঞ্চল
৩০. আখাউড়া সোপান।


উৎস: কৃষক সেবা।

২৮.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রাপ্তি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় কত শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. প্রায় ১৫%
  2. প্রায় ২৭%
  3. প্রায় ৩৭%
  4. প্রায় ৪৪%
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২৭%
ব্যাখ্যা

রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স হিসেবে ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স।
- এটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২৬.৮০ শতাংশ বা প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।
- এছাড়া এটি পূর্ববর্তী রেকর্ড  ২০২০-২১ অর্থবছরের ২৪.৭৭ বিলিয়ন ডলারকেও ছাড়িয়ে গেছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

২৯.
বাংলাদেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. প্রায়  ৪৫ লক্ষ হেক্টর
  2. প্রায় ৬২ লক্ষ হেক্টর
  3. প্রায় ৭৮ লক্ষ হেক্টর
  4. প্রায় ৮০ লক্ষ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮০ লক্ষ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮০ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা

এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩০.
পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক কোনটি?
  1. NCC Bank PLC
  2. Eastern Bank PLC
  3. Trust Bank PLC
  4. Community Bank Bangladesh PLC
সঠিক উত্তর:
Community Bank Bangladesh PLC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Community Bank Bangladesh PLC
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- এটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।

৩১.
বাংলাদেশের গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1.  রাজশাহী
  2. ঠাকুরগাঁও 
  3. ফরিদপুর 
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও 
ব্যাখ্যা

গম:
- গম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দানাজাতীয় খাদ্যশস্য।
- দানাজাতীয় খাদ্যশস্যের মধ্যে ধান ও ভুট্টার পরেই গমের অবস্থান।
- গম অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন, কৃষি উপকরণ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব একটি ফসল।
- গম বপনের উপযুক্ত সময় নভেম্বর মাসের ১৫ থেকে ৩০ পর্যন্ত (অগ্রহায়ণ মাসের ১ম থেকে ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত)।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।

⇒ গম চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য:
- দোআঁশ অথবা মাঝারি দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য ব্যাপক উপযোগী। অধিকন্তু এটেল দোআঁশ মাটিও গমের চাষের জন্য নির্বাচিত করা যেতে পারে।
- উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি গম চাষের জন্য উপযুক্ত। হাওড় বা বিল অঞ্চল গম চাষের জন্য অনুপযোগী।
- সহজে পানি নিস্কাশিত হয় এমন ভারী মাটিতে (যেমন, এঁটেল ও এঁটেল দোআঁশ) গমের চাষ করা যেতে পারে।
 -লবণাক্ত মাটি গম চাষের অনুকুল নয়।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
iii) কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
কোন রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে?
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  3. অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
  4. রূপালী ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ:
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• রূপালী ব্যাংক পিএলসি।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

⇒ সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২৩৪টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- নিকাশ ঘরে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ মিলিত হয় এবং সকলে সেখানে আসার সময় অন্য ব্যাংকের নামে কাটা চেকসমূহ সাথে করে নিয়ে আসে। নিকাশ-ঘরে একত্রিত হওয়ার পর তারা চেক বিনিময় করে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৩৩.
ভুট্টা চাষের জন্য কোন ধরনের মাটি উপযুক্ত?
  1. বেলে দোআঁশ মাটি 
  2. দোআঁশ মাটি 
  3. লবণাক্ত মাটি
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা

ভুট্টা:
- ভুট্টা (বৈজ্ঞানিক নাম: Zea mays) একপ্রকারের খাদ্য শস্য।
- ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমান বেশী।
- এতে প্রায় ১১% আমিষ জাতীয় উপাদান রয়েছে। 
- বেলে দোআঁশ ও দোআঁশ  মাটি ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী। 
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩৪.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশে সবচেয়ে বেশি জনশক্তি রপ্তানি করেছে?
  1. সৌদি আরব
  2. কাতার
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি:
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যমতে, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে মোট ১০ লাখ ১৬ হাজার ৬৪ মানুষ বিদেশে গেছে। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ তিন হাজার ৩২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সৌদি আরবে সবচেয়ে বেশি জনশক্তি রপ্তানি করেছে।

⇒ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সৌদি আরবে সর্বোচ্চ সংখ্যক সাত লাখ ৩৯ হাজার ৫৭১ জন মানুষ কাজের সন্ধানে গেছে।
- এরপর কাতারে ৮২ হাজার ৩৩৮ জন, কুয়েতে ৩২ হাজার ৯৯৫ জন, সিঙ্গাপুর ৬২ হাজার ৯৮৬ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৭ হাজার ৭২৯ জন, জর্ডানে ১২ হাজার ৯৪৫ জন এবং মালদ্বীপে ১২ হাজার ৪৫৩ জন।

⇒ সর্বোচ্চ সংখ্যক জনশক্তি যাওয়া সৌদি আরব থেকে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় আসে ৪২ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২৮ কোটি ৩৮ লাখ ৩০ হাজার ডলার। এরপর মালয়েশিয়া থেকে ২৬ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার, ওমান থেকে ১৩ কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার, কুয়েত থেকে ১৩ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং কাতার থেকে ১০ কোটি ৫৬ লাখ ২০ হাজার ডলার এসেছে।

উৎস: জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো ওয়েবসাইট।

৩৫.
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (Seed Certification Agency):
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে “বীজ অনুমোদন সংস্থা” নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ “বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী” করা হয়।
- সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত ও বাজারজাতকৃত নোটিফাইড ফসল যথাঃ ধান, গম, পাট, আলু ও আখ ফসলের বীজ প্রত্যয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণে এ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত অনুমোদিত জাতের গুণগত মান যাচাই এবং বীজের মান উৎকর্ষতা নিরূপণ করতঃ বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ বা সার্টিফিকেট প্রদানের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর উপর অর্পিত হয়।
- দেশে বীজ ফসলের জাত পরীক্ষাপূর্বক ছাড়করণ/নিবন্ধন থেকে শুরু করে মাঠ পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন, পরীক্ষাগারে ও কন্ট্রোল ফার্মে বীজের মান পরীক্ষণ, প্রত্যয়ন ট্যাগ ইস্যুকরণ, মার্কেট মনিটরিং এবংমোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে বীজ আইন ও বিধিমালা লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ পর্যন্ত সংস্থাটির কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর প্রধান কার্যালয়, গাজীপুরে অবস্থিত।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঁচটি শাখার মাধ্যমে বীজ পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।
- আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার: ৭টি (ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর)।
- এ সংস্থার সকল কারিগরি কর্মকান্ড জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন- ২০১৮, বীজ বিধিমালা- ২০২০ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী সরকারিভাবে উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত ফসল যেমন- ধান, গম, পাট ও আলু বীজের প্রত্যয়নপূর্বক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট।

৩৬.
ইরাটম এক প্রকার -
  1. ধানের জাত 
  2. গমের জাত 
  3. ভুট্টার জাত 
  4. সরিষার জাত 
সঠিক উত্তর:
ধানের জাত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধানের জাত 
ব্যাখ্যা

ইরাটম:
- ইরাটম এক প্রকার ধানের জাত।
- এছাড়াও, উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত: বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উলেখ্য,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৩৭.
খরিপ–২ মৌসুমের সময়কাল কোনটি?
  1. চৈত্র - আষাঢ়
  2. শ্রাবণ - আশ্বিন
  3. জ্যৈষ্ঠ - শ্রাবণ
  4. আশ্বিন - ফাল্গুন
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণ - আশ্বিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণ - আশ্বিন
ব্যাখ্যা

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

⇒ খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-১ শস্য বলে। যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

⇒ খরিপ-২ মৌসুম:
- শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-২ শস্য বলে। যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।


উৎস: i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮.
বিবিএস-এর শ্রমশক্তি জরিপ-২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির কত শতাংশ নারী?
  1. ৩৩.৪ শতাংশ
  2. ৪৪.২ শতাংশ
  3. ৪৮.৪ শতাংশ
  4. ৫৫.৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৪৪.২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪.২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

নারী শ্রমশক্তি:
- ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- বিবিএস-এর শ্রমশক্তি জরিপ-২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৪.২ শতাংশ নারী।
- তবে এই ৪৪ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে প্রায় ৯৬.৬ শতাংশ নারী অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত (বিশ্বব্যাংক, ২০২৪)। অর্থাৎ তাঁরা কৃষি, গৃহকর্ম, চা-বাগান, গৃহকেন্দ্রিক কাজ, দোকান বা ছোট উৎপাদন ইউনিটে কাজ করেন, যেগুলো শ্রম আইন বা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসেনি।
- বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে, যেখানে কাজ করেন প্রায় ৪০ লাখ নারী। 
- গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও কৃষিজমির মালিকানায় তাঁদের অংশ মাত্র ১২ শতাংশ (বিবিএস, ২০২৩)।
- বাংলাদেশে প্রায় ২০ লাখ নারী গৃহকর্মীর কাজ করেন (ডমেস্টিক ওয়ার্কার্স রাইটস নেটওয়ার্ক, ২০২৩)।
- চা-বাগানশ্রমিকদের মধ্যে ৭০ শতাংশ নারী।
- নির্মাণশিল্পে নারী শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু নিরাপত্তা ও মর্যাদা কমছে (আইএলও-বিজিএমইএ রিপোর্ট, ২০২৪ অনুযায়ী), নির্মাণ সাইটে নারী শ্রমিকদের মধ্যে ৬০ শতাংশ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম পান না। 

⇒ শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুসারে,
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৪.৬৭%।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৭.৯৬%।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
ii) প্রথম আলো।

৩৯.
কোন মাসে আউশ ধান কাটা হয়?
  1. বৈশাখ
  2. অগ্রহায়ণ
  3. ভাদ্র
  4. জ্যেষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
ভাদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাদ্র
ব্যাখ্যা

আউশ ধান:
- বাংলাদেশে তিন মৌসুমে ধানের চাষ করা হয়- আউশ, আমন ও বোরো মৌসুম।
- আউশ ধান দুইভাবে চাষ করা হয়। বোনা আউশ এবং রোপা আউশ।
- বোনা আউশের জনপ্রিয় আধুনিক জাতসমূহ: ব্রিধান৪৩, ব্রিধান৬৫, ব্রিধান৮৩ এবং বিনাধান-১৯।
- রোপা আউশ ধানের আধুনিক জাতসমূহ: ব্রিধান৪৮, ব্রিধান৮২, ব্রিধান৮৫,  বিনাধান-১৯ এবং ব্রি হাইব্রিড ধান৭।
- আউশ ধান বর্ষা মৌসুমে আবাদ করা হয়।
- ফলে আউশ ধান চাষের পানি সেচের প্রয়োজন হয় না।
- বৈশাখ-জ্যেষ্ঠ মাসে আউশ ধানের চারা রোপণ করা হয়।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে আউশ ধান কাটা হয়।

উল্লেখ্য,
- আউশ ধান রোপনের সময়: মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল,
- আউশ ধান উত্তোলনের সময়: মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৪০.
বাংলাদেশে কয়টি রাবার জোন রয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩টি 
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি 
ব্যাখ্যা

রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- বাংলাদেশে রাবার জোন রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো: বৃহত্তর চট্টগ্রাম, সিলেট এবং টাঙ্গাইল - শেরপুর।
- ৩টি জোনে মোট রাবার বাগান ১৮টি; এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৯টি, সিলেট জোনে ৪টি এবং টাঙ্গাইল-শেরপুর জোনে ৫টি।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৪১.
দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BJRI
  3. BRRI
  4. BSRI
সঠিক উত্তর:
BARI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BARI
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI):
- BARI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Agricultural Research Institute.
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। 
- ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এর প্রধান কার্যাবলী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

উল্লেখ্য,
- কৃষি গবেষণার ইতিহাসে সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে নং-৩২ জারিকরণ।
- এই অধ্যাদেশ বলে কৃষি গবেষণার উন্নয়ন ও সমন্বিত কার্যক্রমের পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নং-৬২ এর মাধ্যমে ‘ডাইরেক্টরেট অব এগ্রিকালচার (রিসার্চ এন্ড এডুকেশন)’ বিলুপ্ত হয় এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

⇒ বিএআরআই-এর ম্যান্ডেট:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ২০১৫ অনুযায়ী বিএআরআই এর ম্যান্ডেট নিম্নরূপ: ধান, পাট, চা, তুলা ও চিনি জাতীয় ফসল ব্যতীত অন্যান্য সকল ফসলের (দানাদার ফসল, কন্দাল ফসল, তৈলবীজ ফসল, ডাল ফসল, ফুল, ফল, সবজি ফসল, মসলা ফসল ইত্যাদি) গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

⇒ কার্যাবলী ও উদ্দেশ্য নিচে দেওয়া হল:
১. ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন ও উন্নয়ন এবং উদ্ভাবিত জাতসমূহ চাষাবাদের জন্য অনুমোদনের ব্যবস্থা করা।
২. ফসল উৎপাদনের জন্য আধুনিক কলাকৌশল উদ্ভাবন করা।
৩. চাহিদা অনুযায়ী দেশে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৪. কৃষি উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের সেমিনার, সিম্পোজিয়াম কর্মশালা ইত্যাদির আয়োজন করা।
৫. উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য মাঠ দিবসের আয়োজন করা।
৬. বিভিন্ন ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে ফসল রক্ষার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা।
৭. ফসলের উপর বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্বন্ধে পুস্তিকা, পোস্টার লিফলেট তৈরি করা এবং প্রচার করা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI- Bangladesh Jute Research Institute) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI-Bangladesh Rice Research Institute)।
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র (BSRI-Bangladesh Sugarcrop Research Institute)।

উৎস: i) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২.
সর্বশেষ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করেছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. পোল্যান্ড
  2. সৌদি আরব
  3. পাকিস্তান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

চা:
- চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে সবচেয়ে বেশি চা উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে। চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে। চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।

উৎস: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৪৩.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বাধিক চা বাগান রয়েছে কোন জেলায়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. চট্টগ্রাম 
  2. সিলেট 
  3. হবিগঞ্জ 
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ 
ব্যাখ্যা

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।

⇒ দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- দেশের দ্বিতীয় সর্বাধিক চা বাগান রয়েছে হবিগঞ্জ জেলায়। হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চা বাগান রয়েছে।
- চট্টগ্রাম জেলায় ২২ টি চা  বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৪৪.
দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় কোনটির মাধ্যমে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. তৈরি পোশাক রপ্তানি
  2. প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ
  3. পাটজাত পণ্য রপ্তানি
  4. চিংড়ি রপ্তানি 
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক রপ্তানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক রপ্তানি
ব্যাখ্যা

দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন:
- দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় তৈরি পোশাক রপ্তানির মাধ্যমে।
- বাংলাদেশের এটিই সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত এবং দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- তৈরি পোশাক খাতের মধ্যে নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ২১.১৫ বিলিয়ন ডলার এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৮.১৮ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয় ৮.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের থেকে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাটজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮২ কোটি মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৮৮ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
ii) প্রথম আলো।

৪৫.
কোন দশকে বাগদা চিংড়ি রপ্তানিপণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়?
  1. ষাটের দশকে 
  2. সত্তরের দশকে
  3. আশির দশকে
  4. নব্বইয়ের দশকে 
সঠিক উত্তর:
আশির দশকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশির দশকে
ব্যাখ্যা

বাগদা চিংড়ি:
- বাগদা চিংড়ির বৈজ্ঞানিক নাম Penaeus monodon।
- লোনা পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Shrimp এবং স্বাদু পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Prawn বলা হয়'।
- বাগদা লোনা পানির চিংড়ি (Shrimp)।
- রপ্তানি বাজারে এটি Black Tigar Shrimp নামে পরিচিত।
- বাগদা চিংড়ি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল এবং দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের উপকূল ও সামুদ্রিক অঞ্চলে উদ্ভুত একটি মৎস্য প্রজাতি।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশকে বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্যের তালিকায় যুক্ত হয় এ চিংড়ি। 
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
         ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
         iii) প্রথম আলো।

৪৬.
ঘোড়াশাল সার কারখানায় কোন সার উৎপাদিত হয়?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. পটাশ
  4. অ্যামোনিয়া সালফেট 
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।