পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ১ টপিক: ১. ভৌগোলিক অবস্থান ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি [নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, পাহাড় ইত্যাদি] ২. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের ইতিহাস প্রাচীন জনপদ ও মধ্যযুগ, ৩. বাংলাদেশের গুরত্বপূর্ণ স্থাপনা, ব্যক্তি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
মহাস্থানগড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বরগুনা
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) চাপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:

- মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
পদ্মা নদী কোন জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) খুলনা
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী:

- পদ্মা নদী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে পদ্মা নদী উৎপত্তি লাভ করে।
- পদ্মা নদী ভারতের উপর দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়।
- এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ২,৬০০ কি.মি.
- রাজবাড়ি জেলায় গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদী ও যমুনা নদী একসাথে মিলিত হয়েছে
- চাঁদপুরের নিকট পদ্মা নদী ও মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো- মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি।
- এর উপনদী মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

অন্যদিকে,
- ব্রহ্মপুত্র তিব্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
- মেঘনা আসামের 'বরাক' নদী নাগা-মনিপুর পাহাড়ের দক্ষিণ থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
- কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- করতোয়া নদীর মূলধারা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুণ্ঠপুর জলাভূমিতে উৎপন্ন হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ৩ ভাগে
  2. খ) ৪ ভাগে
  3. গ) ৫ ভাগে
  4. ঘ) ৬ ভাগে
ব্যাখ্যা
পর্বত:
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়-
১. ভঙ্গিল পর্বত।
২. আগ্নেয় পর্বত।
৩. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত।
৪. উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত ।

• ভঙ্গিল পর্বত- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- চার ধরনের পর্বতের মধ্যে ভঙ্গিল পর্বত সর্বাধিক বিস্তৃত।
- ভঙ্গিল পর্বত সাধারণত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত।

• আগ্নেয় পর্বত- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত চারদিকে সঞ্চিত হয়। পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।

চ্যুতি-স্তূপ পর্বত- ভূ-আলোড়নের ফলে শিলাস্তরের সংকোচন ও প্রসারণে ভূ-ত্বক অনেক সময় খাড়াভাবে ফেঁটে যায়। যে রেখা বরাবর ফাঁটল সৃষ্টি হয় তাকে চ্যুতি রেখা বলে। দুটি ফাঁটলের মাঝের অংশ অনেক সময় উপরে ওঠে যায় বা নিচে বসে যায়। চ্যুতি বরাবর এই ধরনের পর্বতকে চ্যুতি-স্তুপ পর্বত বলে।

• উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত- ভূ-পৃষ্ঠের নরম শিলাসমূহ বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত ও অপসারিত হলে কঠিন শিলাসমূহ উঁচু হয়ে পর্বতের ন্যায় অবস্থান করে। একে উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত বলে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।




.
রাজা রামমোহন রায় কোন জেলায় জন্ম গ্রহন করেন?
  1. ক) হুগলী
  2. খ) বর্ধমান
  3. গ) পুরুলিয়া
  4. ঘ) গোহাটি
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন:

- ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে রাজা রামমোহন রায় জন্ম গ্রহন করেন।
- তিনি সুফি মতবাদে বিশেষভাবে প্রভাবিত ছিলেন।
- তিনি বেদান্তসূত্র বেদান্তসারসহ উপনিষদের অনুবাদ প্রকাশ করেন।
- তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে আছে ‘তুহফাত-উল-মোয়াহিদ্দীন' (একেশ্বরবাদ সৌরভ) ‘মানাজারাতুল আদিয়ান' (বিভিন্ন ধর্মের উপর আলোচনা)।
- তিনি ‘সম্বাদ কৌমুদী’, ‘মিরাত-উল-আখবার' ও ‘ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন' নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশকও ছিলেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্য প্রথা, মূর্তিপূজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- হিন্দুধর্মের সংস্কার তথা নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘আত্মীয় সভা' নামে একটি সমিতি গঠন করেন।
- ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে এই মহাপুরুষ, ভারতীয় নবজাগরণের স্রষ্টা, রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু হয়

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
লালবাগ কেল্লার চত্বরে কতটি স্থাপনা রয়েছে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:

- কেল্লার চত্বরে তিনটি স্থাপনা রয়েছে-
১. কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মাম খানা।
২. পরীবিবির সমাধি।
৩. উত্তর পশ্চিমাংশের শাহী মসজিদ।

- একদম শুরুর দিকে এই কেল্লার নাম ছিল “কেল্লা আওরঙ্গবাদ”।
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে।
- সর্বপ্রথম লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন আজম শাহ।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন
- আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর পুত্র আর সম্রাট শাহ জাহানের নাতি।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি পূর্বদেশের জনপদ?
  1. ক) রাঢ়
  2. খ) বঙ্গ
  3. গ) গৌড়
  4. ঘ) সমতট
ব্যাখ্যা
গৌড়:

- পূর্বদেশের জনপদ হচ্ছে গৌড়।
- গৌড়, জনপদ  প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল। 
- মুর্শিদাবাদকে কেন্দ্র করে গৌড় জনপদটি পশ্চিম ভাগীরথীর নিকটে গড়ে উঠেছিল।
- মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমান নিয়ে ছিল প্রাচীন গৌড় রাজ্য। 
- আদি অভিলেখর মধ্যে খ্রিস্টীয় ৫৫৪ অব্দে উৎকীর্ণ মৌখরি বংশীয় রাজা ঈশান বর্মণের হরাহ লিপিতে গৌড়বাসীর উল্লেখ পাওয়া যায়।
- কোনো একসময় গৌড়ের অবস্থান উপকূলীয় অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- সাত শতকের প্রথম দিকে গৌড়ের অত্যন্ত শক্তিশালী রাজা শশাঙ্কের উত্থান গৌড়ের রাজ্যসীমার সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ছিরুটি অঞ্চলে অবস্থিত ছিল। আর একারণেই মুর্শিদাবাদ গৌড়ের কেন্দ্রবিন্দু বলে পরিগণিত হয়।
- তেরো শতকে বাংলার মুসলমান সুলতানদের শাসনাধীন সমগ্র অঞ্চলই গৌড় নামে পরিচিত ছিল। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন জেলায় জন্ম গ্রহন করেন?
  1. ক) গুগলী
  2. খ) কলকাতা
  3. গ) পুরুলিয়া
  4. ঘ) মেদিনীপুর
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ১৮২৮ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁকে কলকাতার একটি পাঠশালায় এবং ১৮২৯ সালের জুন মাসে সংস্কৃত কলেজে ভর্তি করানো হয়।
- তিনি দু-বছর ওই কলেজে ব্যাকরণ, সাহিত্য, অলঙ্কার, বেদান্ত, ন্যায়, তর্ক, জ্যোতির্বিজ্ঞান, হিন্দু আইন এবং ইংরেজি বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। তাছাড়া প্রতি বছরই তিনি বৃত্তি এবং গ্রন্থ ও আর্থিক পুরস্কার পান।
- ১৮৩৯ সালের মধ্যেই বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন।
- ১৮৫০ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি সংস্কৃত কলেজের সাহিত্যের অধ্যাপক পদ লাভ করেন এবং পরের মাসে ওই কলেজের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
- ১৮৫৬ সালের জুলাই মাসে বিধবাবিবাহ আইন প্রণীত হয়
- বিদ্যাসাগর এবং তাঁর বন্ধুরা মিলে ১৮৫৬ সালের ডিসেম্বর মাসে রক্ষণশীল সমাজের বিক্ষোভ এবং প্রচন্ড বাধার মুখে ঘটা করে এক বিধবার বিবাহ দেন।
- ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে তিনি মৃত্যু বরণে করেন

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
আহসান মঞ্জিল জাদুঘর দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৯২ সালে
  2. খ) ২০০২ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:

- আহসান মঞ্জিল জাদুঘর দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯২ সালে।
- পুরনো ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বর্তমান ইসলামপুরে আহসান মঞ্জিল অবস্থিত।
- ব্রিটিশ ভারতের উপাধিপ্রাপ্ত ঢাকার নওয়াব পরিবারের বাসভবন ও সদর কাচারি ছিল।
- নওয়াব আব্দুল গনির পিতা খাজা আলিমুল্লাহ ১৮৩০ সালে ফরাসিদের নিকট থেকে এই কুঠিটি ক্রয়পূর্বক সংস্কারের মাধ্যমে নিজ বাসভবনের উপযোগী করেন।
- নওয়াব আব্দুল গনি ১৮৬৯ সালে এই প্রাসাদটি পুন:নির্মাণ করেন এবং প্রিয় পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নামানুসারে এর নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
নীল নদ কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) উত্তর আমেরিকা
  3. গ) আফ্রিকা
  4. ঘ) ইউরোপ
ব্যাখ্যা
নীল নদ:

- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদ/নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত.
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১০.
ষাট গম্বুজ মসজিদের গম্বুজ সংখ্যা কত?
  1. ক) ৬০টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ৭৭টি
  4. ঘ) ৮০টি
ব্যাখ্যা

ষাট গম্ভুজ মসজিদ:

- মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ (৬০ গম্বুজ) মসজিদ হলেও এখানে গম্বুজ ১১টি সারিতে মোট ৭৭টি।
- এটি বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ষাট গম্ভুজ মসজিদকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয় ১৯৮৫ সালে।
- খান-ই-জাহান ১৫শ শতাব্দীতে ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া। দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- মসজিদের ভেতরে পশ্চিম দেয়ালে ১০টি মিহরাব আছে। মাঝের মিহরাবটি আকারে বড় এবং কারুকার্যমন্ডিত।
- খান-ই-জাহান এই মসজিদটিকে নামাযের কাজ ছাড়াও দরবার ঘর হিসেবে ব্যবহার করতেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১১.
'মারে ডার্লিং' নদী কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ঘানা
  2. খ) ব্রাজিল
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়ার নদীসমূহ:

- 'মারে ডার্লিং' নদী অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থিত।
- মারে নদীর দৈর্ঘ্য ২৫০৮ কি.মি.
- ডার্লিং নদীর দৈর্ঘ্য ১৪৭২ কি.মি.
- মুরুমবিজি নদীর দৈর্ঘ্য ১৭৮৫ কি.মি.
- লাচান নদীর দৈর্ঘ্য ১৪৪৮ কি.মি. 
- কুপার ক্রিক নদীর দৈর্ঘ্য ১৩০০ কি.মি.

বিভিন্ন নদীসমূহ,
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি. এবং আফ্রিকাতে অবস্থিত।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য ৬৪০০ কি.মি. এবং দক্ষিন আমেরিকাতে অবস্থিত।
- ইয়াংজি নদীর দৈর্ঘ্য ৬৩০০ কি.মি.। নদীটি চীনে অবস্থিত।
- মিসিসিপি নদীর দৈর্ঘ্য ৫৯৭১ কি.মি. এবং উত্তর আমেরিকাতে অবস্থিত।
- কঙ্গো নদীর দৈর্ঘ্য ৪৭০০ কি.মি.। নদীটি আফ্রিকাতে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
১২.
কার্জন হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কে?
  1. ক) লর্ড ব্যান্টিং
  2. খ) লর্ড কার্ট্সো
  3. গ) লর্ড কর্নোওয়ালিশ
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
কার্জন হল:
- কার্জন হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অংশ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের নামানুসারে এ ভবনটি টাউন হল হিসেবে নির্মিত হয়েছিল।
- ১৯০৪ সালে  লর্ড কার্জন এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে এটি  ঢাকা কলেজ ভবন হিসেবে ব্যবহূত হতে থাকে। পরে ১৯২১ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে এ ভবন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অংশ হিসেবে ব্যবহূত হতে শুরু করে এবং এখনও এভাবেই চলছে।
- ১৯৪৮ সালে এখানেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রগণ তদানীন্তন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু এতদসংক্রান্ত জিন্নাহর ঘোষণার প্রতি প্রথম প্রতিবাদ জানিয়েছিল। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩.
শেখ হাসিনা দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম শপথ গ্রহণ করেন -
  1. ক) ১৯৯১ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৬ সালে
  4. ঘ) ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
শেখ হাসিনা:

- তিনি ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি সর্বজ্যেষ্ঠ।
- ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে কলেজ ছাত্রী সংসদের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সণাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা তাঁর স্বামীর সঙ্গে নয়াদিল্লি অবস্থানকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর সভানেত্রী নির্বাচিত হন।
- ৬ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং তখন থেকে দলের সভানেত্রী পদে আসীন আছেন।
- ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসন থেকে বিজয়ী এবং তৃতীয় জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেত্রী নির্বাচিত হন।
- ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো শপথ গ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪.
রোহিতগিরি বাংলাদেশের কোন স্থানের পূর্ব নাম?
  1. ক) পানাম নগর
  2. খ) সোনারগাও
  3. গ) ময়নামতি
  4. ঘ) মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
ময়নামতি:

- ময়নামতির পূর্ব নাম রোহিতগিরি।
- এটি কুমিল্লা শহরের প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে বাংলাদেশের পূর্ব সীমায় বিচ্ছিন্ন অনুচ্চ পার্বত্য এলাকা।
- এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের ফলে অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ নিদর্শনাদি উন্মোচিত হয়েছে।
- মেঘনা বেসিনের ভাটিতে গোমতী নদী তীরস্থ ময়নামতী গ্রাম থেকে লালমাই রেলস্টেশনের নিকটে চান্দিমুরা পর্যন্ত এই ক্ষুদ্র শৈলশ্রেণি উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৭ কিলোমিটার বিস্তৃত। 
- এর প্রশস্ততম অংশটি ৪.৫ কিলোমিটার চওড়া এবং সর্বোচ্চ চূড়াটি ৪৫ মিটার উঁচু।
- ১৮৭৫ সালে পাহাড়গুলির মধ্য দিয়ে প্রসারিত পুরানো সড়কটির পুনঃনির্মাণ কালে শ্রমিকরা হঠাৎ কিছু ধ্বংসাবশেষ উদ্ঘাটন করে
- প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল একটি বৌদ্ধ মঠ। 
- খননকৃত প্রত্নস্থান খননকৃত প্রত্নস্থানসমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শালবন বিহার। এটি শৈলরাজির প্রায় কেন্দ্রে বর্তমান কোটবাড়িস্থ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমির সন্নিকটে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫.
মানসিংহ কোন ভাটির জমিদারকে পরাজিত করেন?
  1. ক) চাঁদ রায়
  2. খ) কেদার রায়
  3. গ) ঈসা খান
  4. ঘ) মুসা খান
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবরের রাজত্বকাল:

- মানসিংহ কেদার রায়কে পরাজিত করেন।
- আকবরের সেনাপতি খান জাহান রাজমহলের যুদ্ধে জয়লাভ করে রাজধানী তাঁড়া অধিকার করেন।
- প্রকৃতপক্ষে অনেক যুদ্ধ করেও আকবর বাংলাদেশ জয় করতে পারেননি। সমগ্র বাংলায় অধিকার প্রতিষ্ঠার আগেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক আফগান এবং হিন্দু জমিদার এবং ভূঁইয়া ইত্যাদি স্বাধীন হয়ে যায় এবং কেন্দ্রীয় শক্তির শাসন অস্বীকার করে। মোগলদের পক্ষে সহজে তাদের দমন করা সম্ভব হয়নি।
- প্রথমদিকে বাংলায় মোগল অধিকার মালদহ-দিনাজপুর হয়ে উত্তরে ঘোড়াঘাট এবং পূর্বে করতোয়া পর্যন্ত সীমিত ছিল।
- বাংলায় মোগলদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বড় বাধা ছিল ভাটি এলাকা।
- ভাটির জমিদারদের মধ্যে চাঁদ রায় ও কেদার রায় প্রসিদ্ধ ছিলেন।
- ভাটির জমিদারদের মধ্যে ঈসা খান ও তাঁর পুত্র মুসা খান ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ। তারা উভয়ে মোগলদের দীর্ঘদিন প্রতিরোধ করতে সক্ষম হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৬.
'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' কত এলাকা জুড়ে বিস্তৃত?
  1. ক) ৩৪৪,৪০০০ কি.মি.
  2. খ) ৪৪৪,৪০০০ কি.মি
  3. গ) ৫৪৪,৪০০০ কি.মি কি.মি.
  4. ঘ) ৬৪৪,৪০০০ কি.মি কি.মি.
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রীফ:

- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হল বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর সিস্টেম।
- এটি উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের তীরে প্রবাল সাগরে অবস্থিত। 
- এটি আনুমানিক ৩৪৪,৪০০০ কি.মি. বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি ২,৯০০টিরও বেশি পৃথক রিফ সিস্টেম, ৭৬০টি ফ্রেঞ্জ রিফ, ৩০০টি প্রবাল রশ্মি এবং ৯০০টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী এবং টরেস স্ট্রেইট দ্বীপবাসীরা ব্যবহার করত।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১৭.
ঐতিহাসিক পানাম নগর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়নামতি
  2. খ) মহাস্থানগড়
  3. গ) সোনারগাঁও
  4. ঘ) লালমাই
ব্যাখ্যা
পানাম নগর:

- পানাম নগর সোনারগাঁয়ের একটি প্রাচীন এলাকা।
- বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার অন্তর্গত এ এলাকা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোগরাপাড়া ক্রসিং থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।
- তেরো শতকের শেষপাদে সোনারগাঁয়ে হিন্দু আমলের রাজধানী শহরটি এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তী সময়ে পুরনো রাজধানী শহরের দক্ষিণে যে মুসলিম রাজধানী শহর গড়ে ওঠে, তারও অংশ ছিল এ পানাম এলাকা। সম্ভবত এখানে তখন মুসলিম শাসনকর্তাদের আবাসস্থল ছিল।
- মুগলদের সোনারগাঁও অধিকারের (১৬১১) পর মহাসড়ক ও সেতু নির্মাণ করে রাজধানী শহরের সঙ্গে পানাম এলাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- পানামে এখনও মুগল আমলের তিনটি ইটনির্মিত সেতু রয়েছে। এগুলি হলো পানাম সেতু, দালালপুর পুল ও  পানামনগর সেতু।
- পানামনগর একটি একক বৈশিষ্ট্যমন্ডিত শহর। গড়ে ৫ মিটার প্রশস্ত ও ৬০০ মিটার দীর্ঘ একটিমাত্র সড়কের দুপাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে শহরটি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৮.
লন্ডন কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) হাডসন
  2. খ) টেমস
  3. গ) দানিয়ুব
  4. ঘ) রাইন
ব্যাখ্যা
টেমস নদী:

- লন্ডন টেমস নদীর তীরে অবস্থিত।
- টেমসকে ইংল্যান্ডের প্রধান নদী বলা হয়।
- টেমস নদীর দৈর্ঘ্য ৩৩০ কি.মি.

নদীর তীরবর্তী শহরসমূহ,
- ওয়াশিংটন ডিসি পটোম্যাক নদীর তীরে অবস্থিত।
- হাডসন নদীর তীরে নিউইয়র্ক সিটি অবস্থিত।
- রাইন নদীর তীরে স্ট্রাসবার্গ অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৯.
পাটের জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) কুদরত ই খুদা
  2. খ) জগদীশ চন্দ্র বসু
  3. গ) মাকসুদুল আলম
  4. ঘ) প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
ব্যাখ্যা
মাকসুদুল আলম:

- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেন মাকসুদুল আলম।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফরিদপুরে জন্ম গ্রহন করেন মাকসুদুল আলম।
- ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে মাকসুদুল রাশিয়ায় চলে যান।
- ১৯৭৯ সালে মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি অণুপ্রাণবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পান।
- ১৯৮২ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অণুপ্রাণবিজ্ঞানে পিএইচডি করেন মাকসুদুল। এর পাঁচ বছর পর জার্মানির ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব বায়োকেমিস্ট্রি থেকে প্রাণরসায়নেও তিনি পিএইচডি করেন।
- বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় ২০১০ সালে তরুণ একদল বিজ্ঞানীকে নিয়ে তোষা পাটের জিন-নকশা উন্মোচন করে আলোচনায় আসেন মাকসুদুল আলম।
- ২০০৮ সালে হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে পেঁপে এবং মালয়েশিয়া সরকারের হয়ে রাবার গাছের জীবনরহস্য উন্মোচনেও নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের এই গবেষক
- ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের  হাওয়াইয়ের কুইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন।

তথ্যসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২০.
বড় কাটরা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) তিস্তা
  2. খ) শীতলক্ষ্যা
  3. গ) বুড়িগঙ্গা
  4. ঘ) তুরাগ
ব্যাখ্যা
বড় কাটরা:

- মুগল রাজধানী ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত।
- মধ্য এশিয়ার ক্যারাভান সরাই-এর ঐতিহ্য অনুসরণে নির্মিত বড় কাটরা দারুণভাবে সুরক্ষিত এবং মুগল রাজকীয় স্থাপত্য-রীতির সকল বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি বিদ্যমান।
- আয়তাকারে নির্মিত এ অট্টালিকার দক্ষিণ বাহু ছিল ৬৭.৯৭ মিটার দীর্ঘ।উত্তর বাহুও একই মাপের ছিল বলে ধারণা করা হয়। পূর্ব-পশ্চিম বাহুর দৈর্ঘ্য এখন নিরূপণ করা দুঃসাধ্য হলেও আদিতে ৭০.১০ মিটার করে ছিল বলে জানা যায়।
- সদর তোরণ ছিল অতি মনোমুগ্ধকর এবং এটি দক্ষিণে নদীর দিকে প্রায় ৭.৬১ মিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ১২.১৯ মিটার প্রসারিত ছিল।
- এ প্রবেশপথের দুপাশে ছিল দুটি প্রহরীকক্ষ
- বড় কাটরায় ফারসি ছন্দোবদ্ধ পংক্তিযুক্ত দুটি শিলালিপি আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২১.
পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. ক) কিলিমাঞ্জারো
  2. খ) কোসিয়াস্কো
  3. গ) এভারেস্ট
  4. ঘ) এলবুর্জ
ব্যাখ্যা
মাউন্ট এভারেস্ট:

- পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট।
- এভারেস্ট এশিয়ার ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর অংশে অবস্থিত।
- এটি চীন ও নেপালের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সীমানায় অবস্থিত
- ২৯শে মে ১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারি এবং স্থানীয় নেপালি শেরপা তেনজিং নোরগে আনুষ্ঠানিকভাবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণকারী প্রথম পুরুষ হয়েছিলেন।

অন্যদিকে,
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কিলিমাঞ্জারো।
- ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলবুর্জ।
- উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ম্যাককিনলি।
- দক্ষিন আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ অ্যাাকাস্কোগুয়া।
- ওশেনিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোসিয়াস্কো।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
২২.
বাংলাদেশের চিরযৌবনা নদী কোনটি?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) কর্ণফুলি
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী:

- বাংলাদেশের চিরযৌবনা নদী মেঘনা।
- মেঘনা নদীতে সব সময় জোয়ার-ভাটা বহমান থাকায় তাকে চিরযৌবনা নদী বলা হয়।
- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এবং প্রশস্ততম নদী মেঘনা।
- চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত মেঘনা ও পদ্মার মিলিত ধারার নাম মেঘনা।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনা নদীর নাম ছিল বরাক নদী।
- ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়।
- মেঘনার শাখা নদী হল তিতাস ও ডকাতিয়া

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক ভূগোল, নবম ও দশম শ্রেণি।