পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

পরীক্ষাপ্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৫ বিগত ৬টি বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী দিবস কবে পালিত হয়? 
  1. ৯ ডিসেম্বর
  2. ১১ ডিসেম্বর 
  3. ১৯ ডিসেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর 
সঠিক উত্তর:
৯ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

দুর্নীতিবিরোধী দিবস:
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাংলাদেশের একটি স্বতন্ত্র, স্বশাসিত এবং সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা। 
- এই সংস্থা দুর্নীতি প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও তদন্তের জন্য ২০০৪ সালের আইনের অধীনে গঠিত।
- ২০১৭ সালে “আসুন, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হই” প্রতিপাদ্য নিয়ে ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন।
- জাতিসংঘ ২০০৩ সালে এই দিনকে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
- ২০০৭ সাল থেকে দুদক দিবসটি পালন শুরু করলেও সরকারিভাবে তা কার্যকর হতো না।
- এ প্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুরোধ জানানো হয়। 
- পরে সরকার ১৮ জুলাই ২০১৭ তারিখে ৯ ডিসেম্বরকে সরকারিভাবে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
-------------------------------------------- 
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক):
- সংস্থাটি দুর্নীতির অভিযোগ গ্রহণ, অনুসন্ধান, মামলা দায়ের এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্বে নিয়োজিত।
- যেকোনো ব্যক্তি সরাসরি ১০৬ হটলাইন ব্যবহার করে অভিযোগ জানাতে পারেন। 
- এছাড়া লিখিত পদ্ধতি বা দুদকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনভাবে অভিযোগ দায়ের করা সম্ভব।
- দুদকের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত ১ সেগুন বাগিচা, ঢাকায় অবস্থিত। 
- বর্তমানে ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- ২০২৫ সালে সংস্থাটিকে আরও কার্যকর করতে ৪৭টি সংস্কার প্রস্তাবনা সুপারিশ করা হয়েছে।
- দুদক শুধু তদন্ত ও মামলার কার্যক্রম নয়, নিজস্ব বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এবং কনস্টেবল পদের মতো নিয়োগের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংস্থার কার্যক্রম নির্বাহ করে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

.
ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৪ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ৮ ভাগে
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:  
- ভূতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ভূমিরূপ হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ১২ শতাংশ এলাকাজুড়ে এই টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বিস্তৃত।
- বাংলাদেশে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় প্রধানত রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

- ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে এসব পাহাড়কে মূলত দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়—
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়। 
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়। 

• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়-
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত।
- এখানে পাহাড়ের গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার।
- এদের গঠন আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়শ্রেণির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলো বেলে পাথর, স্লেট ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত।
- এখানেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিনডং বা বিজয় অবস্থিত, যার উচ্চতা ১২৩১ মিটার।

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়-
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা অঞ্চলে ছোট-বড় বিচ্ছিন্ন পাহাড় ও টিলার উপস্থিতি দেখা যায়।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলো সাধারণত কোনো সুসংগঠিত গিরিশ্রেণি তৈরি করেনি। 
- এদের উচ্চতা তুলনামূলকভাবে কম, সাধারণত ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

.
বাংলাদেশের প্রধান বন গবেষণা কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

•  বন গবেষণা কেন্দ্র:
-  BFRI এর পূর্ণরূপ— Bangladesh Forest Research Institute.
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের বনসম্পদ সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন বনাঞ্চল সৃষ্টির জন্য গবেষণা পরিচালনা করে। - ১৯৫৫ সালে মূলত ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি। 
- এই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কেন্দ্র বর্তমানে চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত।
- বিএফআরআই পরিচালনা করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। 
- সুন্দরবনের করমজলে একটি বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বন গবেষণার আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

.
মণিপুরিদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. রাস 
  2. বিজু
  3. সাংগ্রাই
  4. রথযাত্রা
সঠিক উত্তর:
রাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাস 
ব্যাখ্যা

• মণিপুরী:
- মণিপুরীরা বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এরা প্রধানত সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বসবাস করে।
তাদের মাতৃভাষা তিব্বতি-বর্মী ভাষা পরিবারের কুকি-চীনা শাখাভুক্ত।
- মণিপুরীদের সমাজ ঐতিহাসিকভাবে ৭টি ইয়েক বা সালাইসে বিভক্ত, যা পরে বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে রূপান্তরিত হয়েছে।

- মণিপুরীদের প্রধান ও সর্ববৃহৎ উৎসব হলো মহারাসলীলা বা রাসপূর্ণিমা।
- এটি প্রতি বছর কার্তিক মাসের পূর্ণিমায় (সাধারণত নভেম্বর) উদযাপিত হয়। 
- উৎসবে রাসনৃত্যের মাধ্যমে শ্রীকৃষ্ণের ব্রজলীলা ফুটিয়ে তোলা হয়।
- বাংলাদেশে বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের মণিপুরীরা, যেমন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, এই উৎসব অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন করে।

- মণিপুরী নৃত্যকে জাগই বলা হয়, যা প্রধানত ধ্রুপদী ও ফোকনৃত্যে বিভক্ত। 
- ধর্মীয়ভাবে মণিপুরীরা মূলত চৈতন্য ধারার সনাতন ধর্ম অনুসরণ করে। 
- তবে মণিপুরী মুসলমান সম্প্রদায়ও রয়েছে যারা একই সঙ্গে পূর্বের বিশ্বাস ও ইসলাম ধর্ম পালন করে।

অন্যদিকে, 
• বিজু হলো চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসব।
• সাংগ্রাই হলো মারমাদের বর্ষবরণ উৎসব।
• রথযাত্রা হলো হিন্দুদের উৎসব।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

.
দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস কোন দেশে তৈরি করা হয়েছে?
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. থাইল্যান্ড
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

এলিফ্যান্ট ওভারপাস:
- দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস বাংলাদেশের চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে নির্মিত।
- এটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের উপর তৈরি করা হয়েছে। 
- এলিফ্যান্ট ওভারপাস তৈরির মূল উদ্দেশ্য- হাতিসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী যাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারে।
- ওভারপাসটি মাটির সেতুর আকারে প্রাকৃতিক পরিবেশ সংবলিতভাবে তৈরি করা হয়েছে।
- এতে হাতিদের পছন্দের গাছপালা রোপণ করা হয়েছে।
- ওভারপাসের নিচ দিয়ে ট্রেন চলাচল করে। 
- চুনতি অভয়ারণ্যের ১০ কিলোমিটার অংশে নির্মিত এই ওভারপাস বন্য হাতির চলাচলের পথে রেললাইন সংলগ্ন দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

উৎস:প্রথম আলো ও সময় নিউজ। 

.
কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ?
  1. ঝিলমিল
  2. এলোমেলো
  3. চকচক
  4. কচর-মচর
সঠিক উত্তর:
চকচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চকচক
ব্যাখ্যা

⇒ ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ-  চকচক।

ধ্বন্যাত্মকদ্বিত্ব
- কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। যেমন ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ।
- কোনো ধাতব পদার্থের সঙ্গে অন্য কোনো ধাতব পদার্থের সংঘর্ষে এই ধরনের ধ্বনি তৈরি হয়।

- ঠন শব্দটি পরপর দুই বার বা কখনো ততোধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়।
 -যেমন- সাঁকরে তির ছুটে যায়, সাঁ সাঁ করে তিরগুলো ছুটে যাচ্ছে,সাঁ সাঁ সাঁ করে অসংখ্য তির চারদিকে ছুটে গেল।
- অনেক সময়ে কল্পিত ধ্বনির ভিত্তিতেও ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব তৈরি হয়। 
- যেমন ফোড়া টনটন করে, গা ছমছম করে।

- কয়েকটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ:
কুট কুট, কোঁত কোঁত, কুটুস-কুটুস, খক খক,

অন্যদিকে,
- অনুকার দ্বিত্বের উদাহরণ- ঝিলমিল,  এলোমেলো, কচর-মচর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১- সালের সংস্করণ)

.
নিচের কোনটি নিত্য নরবাচক শব্দ?
  1. খোকা
  2. কৃতদার
  3. শিক্ষক
  4. পিতা
সঠিক উত্তর:
কৃতদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃতদার
ব্যাখ্যা

⇒ নিত্য নরবাচক শব্দ- কৃতদার।

অন্যদিকে,
- পিতা - মাতা,
- খোকা - খুকি, 
- শিক্ষক - শিক্ষিকা।

- নিত্য নরবাচকের উদাহরণ: কৃতদার, অকৃতদার।
- নিত্য নারীবাচকের উদাহরণ: সতীন, বিধবা।

- নিত্য নর বা নারী বাচক শব্দের লিঙ্গান্তর হয়না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)

.
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?
  1. দাঁত
  2. ঢেঁকি
  3. অধ্যাদেশ
  4. কুঁড়ি
সঠিক উত্তর:
অধ্যাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাদেশ
ব্যাখ্যা

• তৎসম শব্দ: 
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।

- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- ‘দাঁত’ শব্দটি একটি  তদ্ভব শব্দ।
- দেশি শব্দ-  ’ঢেঁকি, কুঁড়ি’।

উল্লেখ্য,
- উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)।

.
’পর্বত’ শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ কোনটি?
  1. অদ্রি
  2. উদক
  3. মর্ত্য
  4. ক্ষিতি
সঠিক উত্তর:
অদ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অদ্রি
ব্যাখ্যা

’পর্বত’ শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ - অদ্রি।

অন্যদিকে,
- ’পৃথিবী’ শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ -  মর্ত্য, ক্ষিতি।
- ’পানি’ শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ - উদক।

উল্লেখ্য,
- ’পর্বত’ শব্দের আরো কিছু প্রতিশব্দ- পাহাড়, অদ্রি, ভূধর, গিরি, শৈল, অচল।
- ’পৃথিবী’ শব্দের আরো কিছু প্রতিশব্দ : জগৎ, ভুবন, সংসার, বিশ্ব, ধরা,ধরণী, ধরিত্রী, বসুমতী, বসুন্ধরা, পৃথ্বী, দুনিয়া, ভূ, ভূমণ্ডল,
- ‘পানি’  শব্দের আরো কিছু প্রতিশব্দ : জল, সলিল, নীর, পয়ঃ, বারি, অপ, উদক, জীবন, অম্বু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)

১০.
Choose the correct spelling-
  1. Asessment
  2. Assesment
  3. Asesment
  4. Assessment
সঠিক উত্তর:
Assessment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Assessment
ব্যাখ্যা

Correct answer: Assessment.

• Assessment (noun)
- English meaning: the action or an instance of making a judgment about something: the act of assessing something: appraisal.
- Bangla meaning: মূল্যায়ন, নিরূপণ, নির্ধারণ।

Example sentence:
1. The tax assessment on the house was much higher than we expected.
2. There is little assessment of the damage to the natural environment. 

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১১.
He showed the picture of his family. Here, the underlined word is-
  1. Verb
  2. Adverb
  3. Noun
  4. Adjective
সঠিক উত্তর:
Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun
ব্যাখ্যা

Correct answer: Noun.
- নিয়ম অনুযায়ী, Article এবং Preposition-এর ঠিক মাঝখানে বসা শব্দটি Noun হয়। প্রদত্ত বাক্যে "the" একটি "Determiner/article" এবং "of" একটি preposition. Article এবং Preposition-এর ঠিক মাঝখানে বসা "Picture" শব্দটি তাই Noun.

• Article এবং Preposition এর মধ্যকার Word টি Noun হয়।
- আবার এদের মাঝখানে দুইটি word থাকলে শেষেরটি Noun আর পূর্বেরটি Adjective হবে।
- আবার যদি এদের মাঝখানে তিনটি শব্দ থাকে তাহলে প্রথমটি Adverb, দ্বিতীয়টি Adjective এবং তৃতীয়টি Noun হবে।
- It was a beautiful (adj) display (noun) of fireworks
- It was a very (adv) beautiful (adj) display (noun) of skill.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১২.
The word "cynophobia" means-
  1. fear of height
  2. general fear of animals
  3. fear of confined spaces
  4. fear of dogs
সঠিক উত্তর:
fear of dogs
উত্তর
সঠিক উত্তর:
fear of dogs
ব্যাখ্যা

Correct answer: fear of dogs.

Cynophobia: (noun)
- English meaning: pathological fear or loathing of dogs.
- Bangla meaning: কুকুরভীতি বা কুকুরের প্রতি তীব্র ভয়।

• Other options:
ক) Fear of height- is known as acrophobia.
খ) General fear of animals- is known as Zoophobia.
গ) Fear of confined spaces- is known as claustrophobia.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩.
They introduced __________ to the new team. (Fill in the gap)
  1. them
  2. themselves
  3. they
  4. their
সঠিক উত্তর:
themselves
উত্তর
সঠিক উত্তর:
themselves
ব্যাখ্যা

Correct answer: themselves.
- এখানে Subject এবং Object একই ব্যক্তি তাই Reflexive Pronoun ব্যবহার করতে হবে।

• Reflexive pronoun তখন ব্যবহৃত হয় যখন Subject এবং Object একই ব্যক্তি হয়।
- এখানে Subject=They এবং Object =themselves→ একই ব্যক্তি।
- তাই Reflexive pronoun 'themselves' ব্যবহার করতে হবে।

• Reflexive Pronoun:
- যে সকল pronoun, personal pronoun - এর সাথে self/ selves যোগে গঠিত হয় সেগুলোকে Reflexive pronoun বলে।
- একই ব্যক্তি Subject ও Object হয় এবং Object হিসেবে Reflexive Pronoun (যেমন: himself, myself, themselves etc) বসে।
- কতিপয় Reflexive pronoun হচ্ছে: myself, ourselves, yourself, themselves, yourselves, himself, itself etc.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১৪.
What is the meaning of the phrase "at sixes and sevens"?
  1. A game played by six or seven persons
  2. Six o’clock to seven o’clock
  3. In a state of disorder
  4. Calm and peaceful
সঠিক উত্তর:
In a state of disorder
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In a state of disorder
ব্যাখ্যা

Correct answer: In a state of disorder.

• At sixes and sevens (Idiom)
- Bangla Meaning: বিশৃঙ্খল অবস্থা।
- English Meaning: in a state of disorder.

Example sentence:
1. We've been at sixes and sevens in the office this week.
2. We've just moved in, so the office is still at sixes and sevens.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৫.
ইউরোপের স্থলবেষ্টিত দেশ নয় কোনটি?
  1. নরওয়ে
  2. সার্বিয়া
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
ব্যাখ্যা

- ইউরোপের স্থলবেষ্টিত দেশ নয় - নরওয়ে।
- নরওয়ে উত্তর ইউরোপে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপে অবস্থিত।
এর উত্তরে বেরেন্টস সাগর, পশ্চিমে নরওয়েজিয়ান সাগর এবং উত্তর সাগর এবং দক্ষিণে স্কাগেরাক প্রণালী অবস্থিত।

• ইউরোপের ১৪টি স্থলবেষ্টিত দেশ।

- ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্থলবেষ্টিত দেশ হল বেলারুশ (Belarus)।
- বেলারুশের আয়তন প্রায় ২০৭,৬০০ বর্গ কিলোমিটার ।
- চেক প্রজাতন্ত্রের আয়তন প্রায় ৭৮,৮৬৭  বর্গ কিলোমিটার।
- হাঙ্গেরির আয়তন প্রায় ৯৩,০২৮ বর্গ কিলোমিটার।
- লিচেনস্টাইনের আয়তন প্রায় ১৬০  বর্গ কিলোমিটার।

• ইউরোপের স্থলবেষ্টিত দেশসমূহ:
- অ্যান্ডোরা;
- অস্ট্রিয়া;
-  বেলারুশ;
-  চেক প্রজাতন্ত্র;
- হাঙ্গেরি;
-  লিচেনস্টাইন;
- লুক্সেমবার্গ;
- মাল্দোবা;
- উত্তর ম্যাসেডোনিয়া;
- সান মারিনো;
- সার্বিয়া;
- স্লোভাকিয়া;
- সুইজারল্যান্ড;
- ভ্যাটিকান সিটি;

উৎস: World Atlas and the Government of Belarus.

১৬.
নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কোথায় অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. দক্ষিণ মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

- নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ হল ২২টি দ্বীপের একটি দল যা এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বে, ভারত মহাসাগরের পূর্ব অংশে অবস্থিত। 

⇒ মোট ৭১১ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত, এই দ্বীপপুঞ্জগুলি ইন্দোনেশিয়ার কিছু অংশ (আচেহ এবং সুমাত্রা) থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে এবং থাইল্যান্ডের পশ্চিমে আন্দামান সাগর দ্বারা পৃথক করা হয়েছে। 

⇒ ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে প্রায় ৮৭৭ মাইল দূরে এবং বঙ্গোপসাগর দ্বারা পৃথক করা, নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অংশ, যা এক ধরণের প্রশাসনিক বিভাগ, যা আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ নামে পরিচিত।  

উৎস: ওয়ার্ল্ড আটলাস।

১৭.
’সুইজারল্যান্ড’- এর রাজধানী শহর কোনটি?
  1. জুরিখ
  2. জেনেভা
  3. লুগানো
  4. বার্ন 
সঠিক উত্তর:
বার্ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ন 
ব্যাখ্যা

- সুইজারল্যান্ড মধ্য ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ। 
- এর পশ্চিমে ফ্রান্স, উত্তরে জার্মানি, পূর্বে অস্ট্রিয়া এবং লিচেনস্টাইন এবং দক্ষিণে ইতালি অবস্থিত।
- বার্ন হলো সুইজারল্যান্ডের প্রশাসনিক রাজধানী।
- সুইজারল্যান্ডের চারটি জাতীয় ভাষা রয়েছে: ফরাসি, জার্মান, ইতালীয় এবং রোমান্স।
- জনসংখ্যার তিন-পঞ্চমাংশেরও বেশি লোক জার্মান ভাষা, এক-পঞ্চমাংশ ফরাসি, প্রায় এক-দ্বাদশাংশ ইতালীয় এবং ১ শতাংশেরও কম লোক রোমান্স ভাষা ব্যবহার করে। 

অন্যদিকে,
- জুরিখ হলো সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শহর এবং অর্থনৈতিক কেন্দ্র।
-  জেনেভা আন্তর্জাতিক সংস্থার (যেমন: UN, WHO) কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এটি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও মানবাধিকার কর্মকাণ্ডের জন্য বিখ্যাত।
- লুসার্ন হলো একটি সুন্দর পর্যটন শহর, এটি পাহাড়, হ্রদ এবং প্রাচীন স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত।
 
উৎস: ব্রিটানিকা।

১৮.
’বসফরাস প্রণালী’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তুরস্ক
  2. ইরান
  3. স্পেন
  4. মরক্কো
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

⇒ বসফরাস প্রণালী তুরস্কে অবস্থিত। 

বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.

১৯.
আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ কোনটি?
  1. লিবিয়া
  2. মিশর
  3. আলজেরিয়া
  4. নাইজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
আলজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা

- আলজেরিয়া উত্তর আফ্রিকার একটি মুসলিম প্রধান দেশ। 
- এটি আফ্রিকার বৃহত্তম এবং বিশ্বের দশম বৃহত্তম দেশ।
- দেশটি ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল থেকে দক্ষিণে সাহারা মরুভূমির কেন্দ্রস্থল পর্যন্ত বিস্তৃত, যা এর আয়তনের চার-পঞ্চমাংশেরও বেশি।
- আলজেরিয়ার পূর্বে তিউনিসিয়া এবং লিবিয়া, দক্ষিণে নাইজার, মালি এবং মৌরিতানিয়া, পশ্চিমে মরক্কো এবং পশ্চিম সাহারা এবং উত্তরে ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।

আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ- আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

উৎস: worldatlas.com এবং ব্রিটানিকা।

২০.
একটি সংখ্যার বর্গের চার-পঞ্চমাংশ ৮০ হলে সংখ্যাটি কত?
  1. ৯.৫
  2. ১০
  3. ১১.৫
  4. ১২
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সংখ্যার বর্গের চার-পঞ্চমাংশ ৮০ হলে সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি, সংখ্যাটি x 

শর্তমতে,
x × (৪/৫) = ৮০
⇒ x = (৮০ × ৫)/৪
⇒ x = ২০ × ৫
⇒ x = ১০০
⇒ x = √১০০
∴ x = ১০

২১.
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৭ এবং গ.সা.গু ৩ হলে ক্ষুদ্রতর সংখ্যাটি কত?
  1. ১২
  2. ১৫
  3. ২১
সঠিক উত্তর:
১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৭ এবং গ.সা.গু ৩ হলে ক্ষুদ্রতর সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৭ এবং গ.সা.গু ৩

ধরি, সংখ্যা দুইটি ৫ক এবং ৭ক
যেহেতু, ৫ ও ৭ পরস্পর সহমৌলিক   [দুইটি সংখ্যার সাধারণ গুণনীয়ক শুধু ১ হলে সংখ্যাগুলো পরস্পর সহমৌলিক।]
∴ ৫ক এবং ৭ক এর গ.সা.গু = ক

প্রশ্নমতে, ক = ৩
∴ ক্ষুদ্রতর সংখ্যা = ৩ × ৫ 
= ১৫

২২.
√২৭ + √৭৫ এর মান নির্ণয় করুন।
  1. ৮√৩
  2. ১৬√৩
  3. ২৪
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৮√৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮√৩
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: √২৭ + √৭৫ এর মান নির্ণয় করুন।

সমাধান: 
প্রদত্ত রাশি, √২৭ + √৭৫
= √(৩ × ৯) + √(৩ × ২৫)
= ৩√৩ + ৫√৩
= ৮√৩

২৩.
দুটি সংখ্যার যোগফল ১৩ এবং গুণফল ৩৬। সংখ্যাদ্বয়ের বিপরীত ভগ্নাংশের সমষ্টি কত?
  1. ১/৩৬
  2. ৫/৩৬
  3. ১১/৩৬
  4. ১৩/৩৬
সঠিক উত্তর:
১৩/৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩/৩৬
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার যোগফল ১৩ এবং গুণফল ৩৬। সংখ্যাদ্বয়ের বিপরীত ভগ্নাংশের সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধরি, সংখ্যাদ্বয় a এবং b
শর্তমতে, a + b = ১৩ , ab = ৩৬ 

∴ সংখ্যাদ্বয়ের বিপরীত ভগ্নাংশের সমষ্টি = (1/a) + (1/b) 
= (a + b)/(ab)
= ১৩/৩৬                     [মান বসিয়ে]

২৪.
১০০ জন শিক্ষার্থীর পরিসংখ্যানে গড় নম্বর ৬৫। এদের মধ্যে ৬০ জন ছাত্রীর গড় নম্বর ৭০ হলে, ছাত্রদের গড় নম্বর কত?
  1. ৫০
  2. ৫৪.৫
  3. ৫৭.৫
  4. ৬০
সঠিক উত্তর:
৫৭.৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭.৫
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১০০ জন শিক্ষার্থীর পরিসংখ্যানে গড় নম্বর ৬৫। এদের মধ্যে ৬০ জন ছাত্রীর গড় নম্বর ৭০ হলে, ছাত্রদের গড় নম্বর কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
১০০ জন শিক্ষার্থীর পরিসংখ্যানে গড় নম্বর = ৬৫ 
∴ ১০০ জন শিক্ষার্থীর পরিসংখ্যানে মোট নম্বর (৬৫ × ১০০) 
= ৬৫০০

আবার, ৬০ জন ছাত্রীর গড় নম্বর = ৭০ 
 ∴ ৬০ জন ছাত্রীর মোট নম্বর (৭০ × ৬০)
= ৪২০০

এখন, ছাত্রের সংখ্যা (১০০ - ৬০) জন
= ৪০ জন

ছাত্রদের মোট নম্বর (৬৫০০ - ৪২০০) = ২৩০০

∴ ছাত্রদের গড় নম্বর = ২৩০০/৪০
= ৫৭.৫

২৫.
বাংলায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ কয়টি? 
  1. ১টি 
  2. ২টি 
  3. ৩টি 
  4. ৫টি  
সঠিক উত্তর:
২টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি 
ব্যাখ্যা

• বাংলা বর্ণমালায় মোট দুটি যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ পাওয়া যায়। 

• যৌগিক স্বর:
- যখন পাশাপাশি দুটো স্বরধ্বনি দ্রুত উচ্চারিত হয়ে একটিমাত্র মিলিত ধ্বনি সৃষ্টি করে, তাকে যৌগিক স্বর বা দ্বিস্বর বলা হয়।
- এই সংযুক্ত ধ্বনি তৈরি হয় দুইটি স্বর একসঙ্গে উচ্চারণের ফলে। 
- উদাহরণ:
• অ + ই → অই (কৈশোর)।
• অ + উ → অউ (ছাউনি)।
• অ + এ → অয় (ময়না)।
• অ + ও → অও (হও, লও)
- বাংলা ভাষায় এ ধরনের যৌগিক স্বরধ্বনি প্রায় পঁচিশটি আছে।
- তবে বাংলা বর্ণমালায় শুধুমাত্র দুটি স্বরবর্ণই যৌগিক স্বরজ্ঞাপক, তা হলো — ঐ এবং ঔ।
- উদাহরণ: কৈ, বৌ।
- অন্যান্য যৌগিক স্বরের আলাদা কোনো বর্ণচিহ্ন নেই। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 

২৬.
'বাগ্‌ধারা' বাংলা ব্যকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়? 
  1. বাক্যতত্ত্ব
  2. ধ্বনিতত্ত্ব
  3. অর্থতত্ত্ব
  4. রূপতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
অর্থতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• অর্থতত্ত্ব:
- মূল আলোচ্য - ব্যকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয় সে অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্‌ধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এ অংশে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করে ।
- বাক্যের নির্মান ও গঠন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে,বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করে।
- তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।

ধ্বনিতত্ত্ব:
- ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয় তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য:
- বাগ্‌যন্ত্র, বাগ্‌যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য , ধ্বনিদল প্রভৃতি।

রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করে।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়া বিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২৭.
প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক উভয়ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নক কোনটি?  
  1. জাল
  2. সমূহ 
  3. নিকর
  4. আবলি
সঠিক উত্তর:
সমূহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমূহ 
ব্যাখ্যা

• প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দে বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ:
- কুল - কবিকুল, পক্ষিকুল, মাতৃকুল, বৃক্ষকুল ইত্যাদি।
- সকল - পর্বতসকল, মনুষ্যসকল ইত্যাদি।
- সব - ভাইসব, পাখিসব ইত্যাদি।
- সমূহ - বৃক্ষসমূহ, মনুষ্যসমূহ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নকগুলো হলো:
- রাশি,
- রাজি,
- মালা,
- ব্রজ,
- নিকর,
- দাম,
- জাল,
- গ্রাম,
- গুচ্ছ,
- উচ্চয়,
- আবলি

• প্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নকগুলো হলো:
- সঙ্ঘ,
- যূথ,
- ব্রাত,
- বৃন্দ,
- পাল,
- গণ,
- কুল
- ব্রজ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও  বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 

২৮.
অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ নয় কোনটি? 
  1. জ্ঝ
  2. ক্ষ্ম 
  3. ঞ্চ
  4. ঙ্গ 
সঠিক উত্তর:
জ্ঝ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্ঝ
ব্যাখ্যা

-  অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ নয়: জ্ঝ।  

• যুক্তবর্ণ : 

সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না, এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম। যথা:
১. স্বচ্ছ ও
২. অস্বচ্ছ।

• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ট, জ্জ, জ্ঝ, ঞ, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, ন্ঠ, ড্ড, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, ব্জ, ল্প, ল্ট, ল্ড, ল্ফ, ষ্ফ, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: 
ক্ত = (ক্ + ত), 
ক্ম = (ক্ + ম), 
ক্ষ = (ক্ + ষ), 
ক্ষ্ম = (ক্ + ষ্ + ম),
ক্স = (ক্ + স), 
গু = (গ্ + উ),
গ্ধ = (গ্ + ধ), 
ঙ্গ = (ঙ্ + গ), 
ণ্ড = (ণ্ + ড),
জ্ঞ = (জ + ঞ), 
ঞ্চ = (ঞ্ + চ), 
ঞ্জ = (ঞ্ + জ), 
ষ্ণ = (ষ্ + ণ)
হু = (হ্ + উ), 
হৃ = (হ + ঋ), 
হ্ন = (হ্ + ন), 
হ্ম = (হ্ + ম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি( ২০২২ সংস্করণ)। 

২৯.
পুরুষবাচক 'কুহকী' - এর সুনির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?  
  1. কুহুকিনী
  2. কুহকিনী
  3. কুহকীনী
  4. কুহুকীনি
সঠিক উত্তর:
কুহকিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুহকিনী
ব্যাখ্যা

পুরুষবাচক 'কুহকী' শব্দের সুনির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ  -'কুহকিনী'।

এখানে,
কুহক - মায়া, ছলনা, ইন্দ্রজাল।
কুহকী- মায়াবী, জাদুকর।

নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ:
- কিছু শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক এদেরকে নিত্য স্ত্রীবাচাক শব্দ বলে।
যেমন:
- এয়ো, সতীন, সৎমা, সধবা, কুলটা, বিধবা, অরক্ষণীয়া, সপত্নী ইত্যাদি। 

নিত্য পুরুষবাচাক শব্দ:
- কিছু শব্দ আছে তা কেবল পুরুষকে নির্দেশ করে এদেরকে নিত্য পুরুষবাচাক শব্দ বলে।
যেমন:
- কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকী ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২) ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।