পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes১৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৭৯: বিষয়: বাংলা টপিক: প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগের সাহিত্যকর্ম, সকল যুগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্মের উপজীব্য ও চরিত্র, পঙক্তি ও উদ্ধৃতি, সাহিত্য বিষয়ক সাময়িকী ও পত্রিকা, ছদ্মনাম ও উপাধি, প্রবর্তক ইত্যাদি। উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
'অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত' এর সাহিত্যিক ছদ্মনাম-
  1. দৃষ্টিহীন
  2. লীলাময় রায়
  3. নীহারিকা দেবী
  4. টেকচাঁদ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
নীহারিকা দেবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীহারিকা দেবী
ব্যাখ্যা
'অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত'
- তিনি  কবি, ঔপন্যাসিক, সম্পাদক ছিলেন।
- ১৯০৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল  নোয়াখালী শহরে তাঁর জন্ম।
- আদি নিবাস বর্তমান  মাদারীপুর জেলায়। 
- ১৯২১ সালে  প্রবাসী পত্রিকায় ‘নীহারিকা দেবী’ ছদ্মনামে অচিন্ত্যকুমারের প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়।
-  রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্রের পরে কল্লোল যুগের যেসব লেখক সাহিত্যজগতে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করেন, তিনি ছিলেন তাঁদের অন্যতম।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ- উপন্যাস:
- কাকজ্যোৎস্না ,
- বিবাহের চেয়ে বড় ,
- প্রাচীর ও প্রান্তর ,
- প্রথম কদমফুল ;

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অমাবস্যা ,
- আমরা ,
- প্রিয়া ও পৃথিবী ,
- নীল আকাশ,
- পূর্ব-পশ্চিম ,
- উত্তরায়ণ;

অন্যদিকে,
• দক্ষিনারঞ্জন মিত্রমজুমদারের ছদ্মনাম- দৃষ্টিহীন।
• অন্নদাশঙ্কর রায়ের ছদ্মনাম- লীলাময় রায়।
• প্যারীচাঁদ মিত্র এর ছদ্মনাম- টেকচাঁদ ঠাকুর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
.
বাংলা সাহিত্যে পত্রোপন্যাসের জনক কে?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
’বাঁধন-হারা’ উপন্যাস:
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম উপন্যাস ‘বাঁধন-হারা'।
- এটি গ্রন্থাকারে ১৩৩৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- ’বাঁধন-হারা’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস।
- এটি মুসলিম ভারত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের চরিত্রের মধ্যে রয়েছে -  নুরু, রবিউল, রাবেয়া, সােফিয়া, মাহবুবা প্রমুখ।

• কাজী নজরুল ইসলাম:
• কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
• নজরুলের ডাক নাম ছিল 'দুখু মিয়া'।
• বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি 'বিদ্রোহী কবি' এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে 'বুলবুল' নামে খ্যাত।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন হারা,
- কুহেলিকা,
- মৃত্যু-ক্ষুধা।

তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ভাঙার গান,
- সাম্যবাদী,
- সর্বহারা,
- ফণীমনসা,
- জিঞ্জির,
- প্রলয় শিখা,
- সন্ধ্যা ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ’দেনাপাওনা' ছোটগল্পের চরিত্র কোনটি?
  1. চারুলতা
  2. সুরবালা
  3. নিরূপমা
  4. মৃন্ময়ী
সঠিক উত্তর:
নিরূপমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরূপমা
ব্যাখ্যা
• 'দেনাপাওনা' ছোটগল্প:
- 'দেনাপাওনা' গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গল্পগুচ্ছ' থেকে সংকলিত হয়েছে।
- এ গল্পে তৎকালীন হিন্দু সমাজে পণপ্রথার কুফল সম্পর্কে জানা যায় এবং পণপ্রথার বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়াস উপলব্ধি করা যায়।
- লেখক গল্পটিতে যৌতুক নামক সামাজিক ব্যাধির এক নির্মম চিত্র তুলে ধরেছেন, যা যৌতুক গ্রহণকারীদের প্রতি ঘৃণার জন্ম দেয়।
- 'দেনাপাওনা' গল্পের নায়িকা- নিরূপমার।
-----------------------------------------
অন্যদিকে,
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অন্য ছোটগল্পের চরিত্র:
- 'নষ্টনীড়' ছোট গল্পের চরিত্র 'চারুলতা'।
- 'একরাত্রি' ছোটগল্পের চরিত্র 'সুরবালা'।
- 'সমাপ্তি' ছোটগল্পের চরিত্র 'মৃন্ময়ী'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
.
’বনফুল’ ছদ্মনামে লিখতেন কে?
  1. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  2. প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
  3. প্যারীচাঁদ মিত্র
  4. নীহাররঞ্জন গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়:
- তিনি একজন কবি, কথাশিল্পী, নাট্যকার, প্রবন্ধকার।
- তিনি ‘বনফুল’ ছদ্মনামে পরিচিত।
- জন্ম ১৮৯৯ সালের ১৯ জুলাই বিহারের পূর্ণিয়া জেলার মণিহারী গ্রামে।
- বলাইচাঁদের পূর্বপুরুষদের আদি নিবাস ছিল হুগলি জেলার শিয়ালখালায়। 
- স্কুলে পড়ার সময়ে তিনি ‘বনফুল’ ছদ্মনামে কবিতা রচনা করেন।

তাঁর রচিত কাব্যসংকলন:
-  বনফুলের কবিতা ,
- অঙ্গারপর্ণী,
- চতুর্দশী ,
- আহবনীয়,
- করকমলেষু , 
- বনফুলের ব্যঙ্গ কবিতা,
- নতুন বাঁকে,
- প্রভৃতি তাঁর কাব্য সংকলন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
.
বাংলা সনেটের জনক কে?
  1. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. রাজা রামমোহন রায়
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার।
- তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- অমিত্রাক্ষরে রচিত তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো ”তিলোত্তমাসম্ভব” কাব্য।

• তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
’তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’- পঙক্তিটির লেখক কে?
  1. হুমায়ুন আজাদ
  2. আল মাহমুদ
  3. শামসুর রাহমান
  4. হুমায়ূন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
• কবিতা: তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা।
• কবি: শামসুর রহমান।

- তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা
- তোমাকে পাওয়ার জন্যে
- আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?
- আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন ?
- তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,
----------------------------------------
• শামসুর রাহমান:
-  শামসুর রহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।
-  ১৯৪৩ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘উনিশ শ’উনপঞ্চাশ’ প্রকাশিত হয় নলিনীকিশোরগুহ সম্পাদিত সোনার বাংলা পত্রিকায়।
- শামসুর রাহমান ১৯৫৭ সালে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন ইংরেজী দৈনিক মর্নিং নিউজ-এর সহসম্পাদক হিসেবে। 
- তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’।
- যুদ্ধকালীন লেখা কবিতাগুচ্ছ মুক্তিযুদ্ধ শেষে ‘বন্দী শিবির থেকে’ নামে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। 

• শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বাংলা টপ্পাগানের জনক কে?
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
    • ‘রামনিধি গুপ্ত’
    - তিনি একজন সঙ্গীতশিল্পী ও বাংলা টপ্পাগানের জনক। 
    - তাঁর প্রকৃত নাম ‘রামনিধি গুপ্ত’, কিন্তু সঙ্গীতজগতে তিনি ‘নিধু গুপ্ত’ নামেই পরিচিত।
    - কেউ কেউ তাঁকে ‘নিধুবাবু’ বলেও ডাকতেন।
    - পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার চাপ্তায় মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
    - নিধু গুপ্ত বাংলা ভাষায় টপ্পাগীতি রচনা ও সুরারোপ করে নিজেই তা গাইতেন।
    - ক্রমে তাঁর গানের সমঝদার জোটে এবং কলকাতার নগরসমাজে তিনি অল্পদিনেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।
    - বর্ধমানের মহারাজা তেজেশচন্দ্র রায়বাহাদুর তাঁর গানের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন।
    - ১৮৩২ সালে গীতরত্ন নামে তাঁর গানের একটি সংকলন প্রকাশিত হয়।

    তাঁর রচিত বিখ্যাত টপ্পা সঙ্গীত:
    - "নানান দেশের নানান ভাষা,
    বিনে স্বদেশী ভাষা,
    মিটে কি আশা?"

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।
    .
    ”সততা হে নদ তুমি পড় মোর মনে” পঙক্তিটির রচিতা কে?
    1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    3. কাজী নজরুল ইসলাম
    4. অমিয় চক্রবর্তী
    সঠিক উত্তর:
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    ব্যাখ্যা
    কপোতাক্ষ নদ:
    - কবিতাটির রচিতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
    - কবিতাটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ’চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
    - এটি একটি সনেট জাতীয় কবিতা।
    - ”সততা হে নদ তুমি পড় মোর মনে” পঙক্তিটি কপোতাক্ষ নদ কবিতার অন্তর্গত।
    ----------------------------------------
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
    - মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার।
    - তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
    - তিনি বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক।
    - মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।

    তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
    - তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
    - মেঘনাদবধ কাব্য,
    - ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
    - বীরাঙ্গনা কাব্য,
    - চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

    উৎস:বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
    .
    বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত কে?
    1. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
    2. প্রমথ চৌধুরী
    3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    4. উইলিয়াম কেরী
    সঠিক উত্তর:
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    ব্যাখ্যা
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
    - তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
    - তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
    - ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
    - তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
    - তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
    - তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
    - তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
    - তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

    তাঁর রচিত বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ:
    - শকুন্তলা,
    - সীতার বনবাস,
    - ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।
    ১০.
    ”তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?” - কোন উপন্যাসের সংলাপ?
    1. গৃহদাহ
    2. কপালকুণ্ডলা
    3. বিষবৃক্ষ
    4. চন্দ্রশেখর
    সঠিক উত্তর:
    কপালকুণ্ডলা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কপালকুণ্ডলা
    ব্যাখ্যা
    কপালকুণ্ডলা:
    - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত দ্বিতীয় সার্থক উপন্যাস 'কপালকুণ্ডলা'।
    - এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে।
    - অরণ্যে এক কাপালিক-পালিতা নারী কপালকুণ্ডলাকে কেন্দ্র করে উপন্যাসটির কাহিনী গড়ে উঠেছে।
    - বঙ্কিমের জীবৎকালেই এই উপন্যাসের আটটি সংস্করণ হয়।
    - উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র: কপালকুণ্ডলা, নবকুমার, কাপালিক ইত্যাদি।
    - ”পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ।” -  কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের এই সংলাপ, বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোম্যান্টিক সংলাপ।
    - তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?- এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য বাক্য।
    - গরিশচন্দ্র ঘোষ এই উপন্যাসের নাট্যরূপ দেন।
    ---------------------------------------
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস সমূহ:
    - কপালকুণ্ডলা,
    - মৃণালিনী,
    - বিষবৃক্ষ,
    - ইন্দিরা,
    - যুগলাঙ্গুরীয়,
    - চন্দ্রশেখর,
    - রাধারানী,
    - রজনী,
    - কৃষ্ণকান্তের উইল,
    - রাজসিংহ।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
    ১১.
    বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপখ্যান ধারার প্রবর্তক-
    1. সাবিরিদ খান
    2. শাহ মুহাম্মদ সগীর
    3. দৌলত উজির বাহরাম খান
    4. কোরেশী মাগন ঠাকুর
    সঠিক উত্তর:
    শাহ মুহাম্মদ সগীর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    শাহ মুহাম্মদ সগীর
    ব্যাখ্যা
    শাহ মুহাম্মদ সগীর:
    - তিনি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা কবি।
    - আনুমানিক ১৪ -এর শেষে থেকে ১৫ শতকের মধ্যে তাঁর জন্ম।
    - তিনি গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সভাকবি ছিলেন।
    - তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘ইউসুফ জোলেখা’ রচনা করেন।
    - পনের শতকের প্রথমে ”ইউসুফ জোলেখা” কাব্য রচনা করার মাধ্যমে তিনি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধরার প্রবর্তন করেন।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।
    ১২.
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত সংবাদপত্র কোনটি?
    1. সাধনা
    2. হিতকারী
    3. বঙ্গদূত
    4. বঙ্গদর্শন
    সঠিক উত্তর:
    বঙ্গদর্শন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বঙ্গদর্শন
    ব্যাখ্যা
    বঙ্গদর্শন:
    - বঙ্গদর্শন মাসিক সাহিত্যপত্রিকা।
    - ১৮৭২ সালে  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
    - উনিশ শতকের  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশেষত বাংলা গদ্যের গঠনে এর অবদান অবিস্মরণীয়।
    - পত্রিকাটি ১৮৭৬ পর্যন্ত মাত্র চার বছর প্রকাশিত হয়।
    - বঙ্গদর্শনের ভাষা ছিল খুব উন্নত মানের সাধু বাংলা।
    - সাহিত্য, সমাজ, বিজ্ঞান, রাজনীতি, ধর্মতত্ত্ব ও  দর্শন সম্পর্কিত মূল্যবান প্রবন্ধ এবং উপন্যাস এতে প্রকাশিত হতো।
    - প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৮৭৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত এর সম্পাদক ও প্রধান লেখক হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্র এক গুরু দায়িত্ব পালন করেন।

    অন্যদিকে,
    - ’সাধনা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিল সুধীন্দ্রনাথ দত্ত।
    - রামমোহন ও তাঁর অনুগামীদের দ্বারা পরিচালিত হয়ে নীলমণি হালদারের সম্পাদনায় ’বঙ্গদূত’ প্রকাশিত হয়।
    - ’হিতকারী পত্রিকার’ সম্পাদক মীর মশাররফ হোসেন।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
    ১৩.
    প্রমেন্দ্র মিত্র এর ছদ্মনাম ছিলো-
    1. কাঙাল হরিনাথ
    2. কালকূট
    3. কৃত্তিবাস ভদ্র
    4. জরাসন্ধ
    সঠিক উত্তর:
    কৃত্তিবাস ভদ্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কৃত্তিবাস ভদ্র
    ব্যাখ্যা
    প্রেমেন্দ্র মিত্র:
    - তিনি একজন কবি, কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, সম্পাদক। 
    - তাঁর জন্ম ১৯০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কাশিতে। পৈতৃক নিবাস দক্ষিণ চবিবশ পরগণার বৈকুণ্ঠপুরে। 
    - প্রেমেন্দ্র মিত্র কল্লোল পত্রিকার একজন নিয়মিত লেখক ছিলেন। 
    -১৯২৩ সালে প্রবাসীতে ‘শুধু কেরাণী’ ও ‘গোপন চারিণী’ নামে দুটি গল্প প্রকাশিত হয়।
    - গল্প দুটি নিয়ে কল্লোল পত্রিকা গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করে।
    - ফলে সাহিত্য অঙ্গনে তাঁর খ্যাতি বেড়ে যায়।
    - সাহিত্য-সাধনার প্রথমপর্বে তিনি ‘কৃত্তিবাস ভদ্র’ ছদ্মনামে লিখতেন।

    অন্যদিকে,
    - চারুচন্দ্র চক্রবর্তী এর ছদ্মনাম ছিলো - জরাসন্ধ।
    - সমরেশ বসুর ছদ্মনাম 'কালকূট'।
    - হরিনাথ মজুমদার এর ছদ্মনাম ছিলো- কাঙাল হরিনাথ।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
    ১৪.
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম কোনটি?
    1. নীল লোহিত
    2. কমলাকান্ত
    3. বীরবল
    4. সুনন্দ
    সঠিক উত্তর:
    নীল লোহিত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নীল লোহিত
    ব্যাখ্যা
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ”নীল লোহিত”।
    --------------------------------
    • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বেশ কয়েকটি ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেন।
    - নীল লোহিত।
    - নীল উপাধ্যায়;
    - সনাতন পাঠক;

    অন্যদিকে,
    - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - কমলাকান্ত।
    - প্রমথ চৌধুরী এর ছদ্মনাম - বীরবল।
    - নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - সুনন্দ।

    উৎস:  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস।
    ১৫.
    ’গোরক্ষবিজয়’ কাব্যগ্রন্থের লেখক কে?
    1. সৈয়দ হামজা
    2. গোঁজলা গুই
    3. আলাওল
    4. শেখ ফয়জুল্লাহ
    সঠিক উত্তর:
    শেখ ফয়জুল্লাহ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    শেখ ফয়জুল্লাহ
    ব্যাখ্যা
    শেখ ফয়জুল্লাহ:
    - শেখ ফয়জুল্লাহ (১৬শ শতক)  মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি।
    - তাঁর জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ আছে।
    - বিভিন্ন মতে তাঁর জন্মস্থান হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের বারাসত, দক্ষিণ রাঢ় এবং কুমিল্লার নাম উল্লিখিত হয়েছে।

    • ফয়জুল্লাহর প্রধান তিনটি কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে:
    - সত্যপীরবিজয় ,
    - গোরক্ষবিজয় ও
    - গাজীবিজয়।

    •  এ ছাড়াও তিনি জয়নবের চৌতিশা, সুলতান জমজমা, রাগমালা ও পদাবলী কাব্য রচনা করেন।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
     
    ১৬.
    "মহাশ্মশান" মহাকাব্যের রচনার পটভূমি কী?
    1. পলাশীর যুদ্ধ
    2. পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
    3. বক্সারের যুদ্ধ
    4. ফকির বিদ্রোহ
    সঠিক উত্তর:
    পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
    ব্যাখ্যা
    • "মহাশ্মশান "
    -  কায়কোবাদ রচিত "মহাশ্মশান " - একটি মহাকাব্য। 
    - কাব্যটির ঐতিহাসিক পটভূমি হলো তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ (১৭৬১)।
    - তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধে মহারাষ্ট্রীয়দের পরাজয় এবং আহমদ শাহ আবদালীর বিজয় বর্ণনা কাব্যটির বিষয়বস্তু।
    - কাব্যটি তিনটি খণ্ডে উপস্থাপন করা হয়েছে।
    - এর মধ্যে প্রথম খণ্ডে ২৯ সর্গ, দ্বিতীয় খণ্ডে ২৪ সর্গ এবং তৃতীয় খণ্ডে ৭ সর্গ রয়েছে।

    • কায়কোবাদ:
    - কায়কোবাদ (১৮৫৭-১৯৫১) ছিলেন আধুনিক বাংলা মহাকাব্য ধারার শেষ কবি,।
    - তিনি বাঙ্গালি মুসলিম কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট রচয়িতা ।
    - আধুনিক বাংলাসাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি।
    - তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী, 'কায়কোবাদ' তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
    - ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
    - অতি অল্পবয়স থেকে কায়কোবাদের সাহিত্য-প্রতিভার স্ফুরণ ঘটে। মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য বিরহবিলাপ (১৮৭০) প্রকাশিত হয়।

    • তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছে:
    - কুসুম কানন,
    - অশ্রুমালা,
    - মহাশ্মশান,
    - শিব-মন্দির,

    উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
    ১৭.
    ’আমার সোনার বাংলা’ রচনার প্রেক্ষাপট কী?
    1. বঙ্গভঙ্গ
    2. ভাষা-আন্দোলন
    3. মুক্তিযুদ্ধ
    4. ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন
    সঠিক উত্তর:
    বঙ্গভঙ্গ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বঙ্গভঙ্গ
    ব্যাখ্যা
    • ’আমার সোনার বাংলা’ সঙ্গীত:
    - এটি 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ১৩১২ (১৯০৫) সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
    - ব্রিটিশদের 'বঙ্গভঙ্গ' প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে তিনি অনেকগুলো সঙ্গীতটি রচনা করেন তার মধ্যে এটি একটি। 
    - 'আমার সোনার বাংলা' সঙ্গীতটির প্রথম ১০ পঙ্‌ক্তি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।
    - সঙ্গীতটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতবিতান'র স্বরবিতান অংশভুক্ত।
    - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বদেশ পর্যায়ের গান।
    - এই গানের সুর করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং, তবে এতে বাউল গগন হরকরার সুরের প্রভাব পড়েছিল।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
    ১৮.
    ’নীল দর্পণ’ নাটকের উপজীব্য কী?
    1. পঞ্চাশের মন্বন্তর
    2. নীল চাষিদের দুরবস্থা
    3. দেশভাগ
    4. ভাষা আন্দোলন
    সঠিক উত্তর:
    নীল চাষিদের দুরবস্থা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নীল চাষিদের দুরবস্থা
    ব্যাখ্যা
    নীল দর্পণ:
    - নীলকর সাহেবদের বীভৎস অত্যাচারে লাঞ্ছিত নীল চাষিদের দুরবস্থা অবলম্বনে রচিত নাটক।
    - 'নীল-দর্পণ' (১৮৬০) দীনবন্ধু মিত্র রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।
    - নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
    - মাইকেল মধুসূদন দত্ত ' A Native' ছদ্মনামে নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন
    - ১৮৬০ সালে ‘কস্যচিৎ পথিকস্য’ ছদ্মনামে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর এটি দিয়েই শুরু হয় সাধারণ রঙ্গালয়ের অভিনয়।
    ------------------------------------
    দীনবন্ধু মিত্র:
    - তিনি একজন নাট্যকার।
    - পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
    - তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ। 
    - দীনবন্ধু কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বর গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে  সংবাদ প্রভাকর, সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন।
    - তবে নাটক ও  প্রহসন লিখেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন।
    - নীলদর্পণ (১৮৬০) তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।
    - সমকালের নীলচাষ ও  নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্ত্ত।
    - নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।

    তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক:
    - নবীন তপস্বিনী,
    - লীলাবতী,
    - কমলে কামিনী।

    উৎস:  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস।
    ১৯.
    ”টুনি” কোন উপন্যাসের চরিত্র?
    1. দেবী চৌধুরাণী
    2. শেষের কবিতা
    3. আনন্দমঠ
    4. হাজার বছর ধরে
    সঠিক উত্তর:
    হাজার বছর ধরে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হাজার বছর ধরে
    ব্যাখ্যা
    • হাজার বছর ধরে:
    - জহির রায়হানের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস - 'হাজার বছর ধরে'।
    - উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।
    - আবহমান বাংলার জীবন ও জনপদ ছিল উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য।
    - এই উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
    - উপন্যাসের নায়িকা টুনি একমাত্র জীবন্ত চরিত্র।
    - আর সবাই যেন মৃত ও বিবর্ণ।
    -------------------------------------------------------
    • জহির রায়হান:
    - তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি কথাশিল্পী এবং চলচ্চিত্র পরিচালক।
    - ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
    - জহির রায়হানের প্রকৃত নাম মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।
    - তিনি ১৯৫২ সালের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
    - তিনি স্টপ জেনোসাইড নামে পাকিস্তান হানাদার বহিনির গণহত্যার একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করেন।
    - ভাষা আন্দোলনের অভিজ্ঞাতায় তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস: আরেক ফাল্গুন।
    - জহির রায়হান সৃষ্টি প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র 'সঙ্গম'।
    - ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি তিনি মিরপুর থেকে নিখোঁজ হন।

    উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।