পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
১) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা : রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। ২) বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা : আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সাইটের সাধারণ তথ্যাবলী।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
কোন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাহাবুদ্দিন আহমদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা্র দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা

- ১৯৯০ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ছিলেন বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।
- তবে এটি সাংবিধানিক ভাবে স্বীকৃত ছিলো না।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
- এর ফলে ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন।

(সূত্র: আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)

.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট কতটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫টি
ব্যাখ্যা

- এ পর্যন্ত মোট ৫টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৮২ সালে। এর অধীনে ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এরপর ১৯৯০, ২০০৯, ২০১৪ এবং সর্বশেষ ২০১৯ সালে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

.
সরকারের পক্ষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারিক কর্মকান্ডে প্রধান কুশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন -
  1. ক) প্রধান বিচারপতি
  2. খ) আইনমন্ত্রী
  3. গ) জাতীয় সংসদ
  4. ঘ) এটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) এটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

- অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাহী বিভাগের বা সরকারের পক্ষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারিক কর্মকান্ডে প্রধান কুশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকে।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলো একটি সাংবিধানিক পদ।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারকে সংবিধান, সাধারণ আইন, আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আইনগত পরামর্শ দেন।
- সরকারের পক্ষে আদালতে উপস্থিত থাকেন।
- বলা যায় অ্যাটর্নি জেনারেল হলো সরকারের আইনগত পরামর্শক।

তথ্যসূত্র -বাংলাদেশ সংবিধান

.
‘সচেতক’ বলা হয় কাকে?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) ডেপুটি স্পিকার
  3. গ) হুইপ
  4. ঘ) সংসদ উপনেতা
সঠিক উত্তর:
গ) হুইপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হুইপ
ব্যাখ্যা

সচেতক (বিশেষ্য):
অর্থ - হুইপ (whip); আইন সভায় দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখার ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি; চেতনাদানকারী।
সংসদের হুইপকে ‘সচেতক’ বলা হয়।

হুইপের দায়িত্ব সমূহ:-
১. নিজ নিজ দলের পক্ষে ভোট দিতে সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করা।
২. দলীয় সদস্যদের প্রয়োজনীয় দলিল, কাগজ ও তথ্য সরবরাহ করা।
৩. সংসদে সংঘটিত ঘটনাবলি সম্পর্কে দলীয় নেতাদের অবহিত করা।
৪. দলনেতার কাজে সহায়তা করা।
৫. সংসদ সদস্যদের আচরণ ও উপস্থিতি নিয়ন্ত্রনে কাজ করে হুইপ।
৬. কোনো বিষয়ে সমস্যা ও বিতর্ক দেখা দিলে চীফ হুইপগণ তা নিরসনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারেন।

এজন্য হুইপকে ‘সচেতক’ বলা হয়।


- জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন।
- স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব এবং অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।
- জাতীয় সংসদে সংসদ উপনেতা হলো সংসদ নেতার পরের গুরুত্বপূর্ণ পদ।


তথ্যসূত্র- জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও বাংলা একাডেমি অভিধান।

.
জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ আসন সংখ্যা কত?
  1. ক) ৩০০
  2. খ) ৩৫৪
  3. গ) ৮০
  4. ঘ) ৫৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৫৪
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদের আসন:
- জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্যদের আসন সংখ্যা - ৩৫৪টি
- অতিথি আসন সংখ্যা ৫৬টি
- কর্মকর্তা আসন সংখ্যা ৪১টি
- সাংবাদিক আসন সংখ্যা ৮০টি এবং
- দর্শক আসন সংখ্যা ৪৩০টি।

- ভি আই পি গ্যালারির সংখ্যা - ২ টি।

তথ্যসূত্র- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ক) ১৬৯টি
  2. খ) ২৯৩ টি
  3. গ) ১৬২ টি
  4. ঘ) ১৬৭ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯৩ টি
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৭ই মার্চ ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসনে জয় লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং সরকার গঠন করে।
- এই নির্বাচনে এগারোটি আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
- ১৯৭০ সালের ৭ ও ১৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের যথাক্রমে জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- আওয়ামী লীগ প্রত্যক্ষ নির্বাচনে ১৬০টি আসনে বিজয়ী হয় এবং ৭টি সংরক্ষিত আসন সহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করেছিলো।

(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

.
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা দায়ের করেন কে?
  1. ক) শেখ হাসিনা
  2. খ) আবদুল কাহার আকন্দ
  3. গ) আ ফ ম মহিতুল ইসলাম
  4. ঘ) শেখ রেহানা
সঠিক উত্তর:
গ) আ ফ ম মহিতুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আ ফ ম মহিতুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচারের দ্বার উন্মুক্ত হয়।
- ২ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তাঁর রিসেপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় ২৪ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ৷
- ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ১২ আসামিকে মৃত্যদন্ড প্রদান করে আদালত রায় প্রদান করে।
- অবশেষে হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর ১৯ নভেম্বর ২০০৯ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে ৷
- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ৷ ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোট ১২ আসামিরই মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে৷

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো।

.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতবার সামরিক আইন জারি করা হয়েছে?
  1. ক) ১ বার
  2. খ) ২ বার
  3. গ) ৩ বার
  4. ঘ) ৪ বার
সঠিক উত্তর:
খ) ২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ বার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ২ বার সামরিক আইন জারি করা হয়।
- প্রথমবার খন্দকার মোশতাক কর্তৃক ১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট।
- দ্বিতীয়বার ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ কর্তৃক সামরিক আইন জারি করা হয়।

.
‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ’ (বাকশাল) কার্যকর হওয়ার কথা ছিল-
  1. ক) ১৯৭৫-এর ২৪ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ১৯৭৫ সালের ৭ জুন
  3. গ) ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

- দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠন ও সংস্থার স্থলে একক দল হিসেবে নবগঠিত জাতীয় দল বাকশাল ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারিভাবে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর ভিত্তিতে ১৯৭৫ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি একক জাতীয় দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠিত হয়।
- বাকশালের চেয়ারম্যান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- বাকশাল গঠনের উদ্দেশ্য ছিলো বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি।
- ১৯৭৫ সালের ৭ জুন একমাত্র বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ বা ‘বাকশাল’–এর কাঠামো ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

১০.
‘Point of Order’ - বলতে বুঝায় -
  1. ক) সরকারি ঘোষণা
  2. খ) এক প্রকার আপত্তি
  3. গ) সরকারি ইশতেহার
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) এক প্রকার আপত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এক প্রকার আপত্তি
ব্যাখ্যা

- Point of Order - হলো এক প্রকার আপত্তি। নিয়ম বহির্ভূত কোনো কিছু হলে এর জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানোকে Point of Order বলে।
- সরকারি ঘোষণা বা ইশতেহারকে গেজেট বলে। কিন্তু সংসদ কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী গেজেট মানে দাঁড়ায় বাংলাদেশ গেজেট।

তথ্যসূত্র- Merriam Webster ডিকশনারী।

১১.
প্রতিরক্ষা বাহিনীর চৌকস ক্যাডারদের সর্বোচ্চ সন্মাননা হলো -
  1. ক) জেনারেল
  2. খ) মেজর জেনারেল
  3. গ) ব্রিগ্রেডিয়ার
  4. ঘ) সোর্ড অব অনার
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোর্ড অব অনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোর্ড অব অনার
ব্যাখ্যা

- প্রতিরক্ষা বাহিনীর চৌকস ক্যাডারদের সর্বোচ্চ সন্মাননা হলো সোর্ড অব অনার।
- বাংলাদেশের সোর্ড অব অনার পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম নারী - মারজিয়া ইসলাম।
- প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠিত হয় ১৯৭১ সালে।
- প্রথম প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হলেন তাজউদ্দীন আহমেদ বর্তমানে প্রধান্মন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছে।
- নৌ , সেনা ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রথম আলো।