পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩৬
সিলেবাস
ফুল মডেল টেস্ট - ১
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ সংস্কৃত [১৫১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৬ প্রশ্ন

.
বেদ কী?
  1. প্রাচীন দর্শনগ্রন্থ
  2. মহাকাব্য
  3. প্রাচীন ধর্মীয় ও জ্ঞানগ্রন্থ
  4. নাটক
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন ধর্মীয় ও জ্ঞানগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন ধর্মীয় ও জ্ঞানগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

বেদ হল প্রাচীন ভারতীয় ধর্ম, আচার, নৈতিকতা এবং আধ্যাত্মিক জ্ঞানের মূল উৎস। এটি চারটি প্রধান শাখায় বিভক্ত: ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ এবং অথর্ববেদ। প্রতিটি বেদেই মন্ত্র, স্তোত্র, যজ্ঞবিধি ও জীবনের বিভিন্ন দিকের নির্দেশনা সংরক্ষিত। বেদ শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ ধর্মচর্চা, নৈতিকতা এবং আত্মজ্ঞান লাভ করতে পারে। এটি শুধুমাত্র ধর্মগ্রন্থ নয়, বরং সামাজিক ও আধ্যাত্মিক জীবনের দিকনির্দেশক।

.
কোন বেদে মন্ত্র ও যজ্ঞের পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে আছে?
  1. ঋগ্বেদ
  2. যজুর্বেদ
  3. সামবেদ
  4. অথর্ববেদ
সঠিক উত্তর:
যজুর্বেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যজুর্বেদ
ব্যাখ্যা

যজুর্বেদ মূলত যজ্ঞ ও আচারবিধি নিয়ে লেখা। এতে মন্ত্র ও অনুষ্ঠান পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে বর্ণিত। এটি ধর্মীয় কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে। যজুর্বেদের মন্ত্রগুলো সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন আচারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। তাই যজ্ঞ ও ধর্মচর্চায় এটি অপরিহার্য।

.
ঋগ্বেদ মূলত কী নিয়ে লেখা?
  1. ধ্যান ও আধ্যাত্মিকতা
  2. জ্ঞান ও দর্শন
  3. প্রার্থনা ও স্তোত্র
  4. ইতিহাস
সঠিক উত্তর:
প্রার্থনা ও স্তোত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রার্থনা ও স্তোত্র
ব্যাখ্যা

ঋগ্বেদে দেবতাদের স্তোত্র ও প্রার্থনার মন্ত্র রয়েছে। এটি প্রাচীনতম বেদ এবং মানব জীবনের প্রাকৃতিক ও আধ্যাত্মিক দিক নির্দেশ করে। ঋগ্বেদের মন্ত্রগুলো প্রার্থনা, ধ্যান ও সামাজিক অনুষ্ঠানকে নির্দেশ করে। এটি শুধুমাত্র ধর্মের জন্য নয়, সংস্কৃতি ও সমাজের শিক্ষার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

.
উপনিষদ কোন বিষয়ের উপর কেন্দ্রীভূত?
  1. দর্শন ও আত্মা-জ্ঞান
  2. ধর্মীয় আচার
  3. মহাকাব্য
  4. যজ্ঞানুষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
দর্শন ও আত্মা-জ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দর্শন ও আত্মা-জ্ঞান
ব্যাখ্যা

উপনিষদ আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক গ্রন্থ। এখানে ব্রহ্ম ও আত্মা, জীবনের প্রকৃতি, মুক্তি এবং জ্ঞান সংক্রান্ত তত্ত্ব আলোচনা করা হয়েছে। এটি মানুষকে আধ্যাত্মিকভাবে উন্নত করার লক্ষ্যে লেখা হয়েছে। বেদসমূহের পরে উপনিষদগুলো বেদার্থের গভীর ব্যাখ্যা প্রদান করে।

.
“সোতর্ক চেতনা” বলতে কোন গ্রন্থে নির্দেশ আছে?
  1. ঋগ্বেদ
  2. পুরাণ
  3. উপনিষদ
  4. মহাভারত
সঠিক উত্তর:
উপনিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপনিষদ
ব্যাখ্যা

উপনিষদে “সোতর্ক চেতনা” বা জ্ঞানী চেতনা দ্বারা আধ্যাত্মিক সচেতনতার গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। এটি মানুষের অন্তর্দৃষ্টি এবং জীবনের সত্য বোঝার ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। উপনিষদ দর্শনের মাধ্যমে ব্যক্তি আত্মার প্রকৃতি ও ব্রহ্ম জ্ঞান উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়।

.
পুরাণের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ইতিহাস রচনা
  2. নাট্যকলার সংরক্ষণ
  3. দর্শন শিক্ষণ
  4. ধর্মীয় কাহিনী ও আচার প্রচার
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় কাহিনী ও আচার প্রচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় কাহিনী ও আচার প্রচার
ব্যাখ্যা

পুরাণ ধর্মীয় কাহিনী, নৈতিক শিক্ষা এবং আচারসংক্রান্ত নির্দেশনা বহন করে। এটি সহজ ভাষায় জনগণকে ধর্ম ও নৈতিকতা শেখায়। পুরাণের কাহিনী ধর্মচর্চা, আধ্যাত্মিক শিক্ষা এবং নৈতিক মূল্যের প্রচারে সহায়ক।

.
ভাগবত পুরাণ কোন দেবতার কাহিনী কেন্দ্র করে?
  1. ব্রহ্মা
  2. বিষ্ণু
  3. শিব
  4. ইন্দ্র
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণু
ব্যাখ্যা

ভাগবতপুরাণে প্রধানত বিষ্ণু এবং তার অবতার—বিশেষ করে কৃষ্ণ—সংক্রান্ত কাহিনী বর্ণিত। এটি ভক্তি ও নৈতিক শিক্ষা প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ। ভাগবতপুরাণ সাধারণ মানুষকে ধর্মচর্চায় অনুপ্রাণিত করে।

.
রামায়ণের রচয়িতা কে?
  1. কালিদাস
  2. ভরত
  3. বিদ্যাপতি
  4. বাল্মীকি
সঠিক উত্তর:
বাল্মীকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাল্মীকি
ব্যাখ্যা

বাল্মীকি রামায়ণ রচয়িতা। এটি রামের জীবন, আদর্শ, নৈতিকতা এবং ধর্মচর্চা চিত্রিত। রামায়ণ মানুষের নৈতিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক জীবনকে উদাহরণস্বরূপ প্রদর্শন করে।

.
রামায়ণে প্রধান চরিত্র কারা?
  1. রাম, লক্ষ্মণ, সীতা
  2. কৃষ্ণ, বালরাম, রাধা
  3. অর্জুন, কৃষ্ণ, ভীষ্ম
  4. ভরত, शनৈশ্চর, অরুণ
সঠিক উত্তর:
রাম, লক্ষ্মণ, সীতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাম, লক্ষ্মণ, সীতা
ব্যাখ্যা

রামায়ণে রাম, লক্ষ্মণ ও সীতার চরিত্র নৈতিকতা, কর্তব্য, ভক্তি এবং আদর্শ জীবন দর্শায়। তাদের চরিত্র মানব জীবনের নৈতিক শিক্ষার প্রতীক।

১০.
মহাভারতের রচয়িতা কে?
  1. বাল্মীকি
  2. বীরচন্দ্র
  3. ব্রহ্মা
  4. ব্যাস
সঠিক উত্তর:
ব্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাস
ব্যাখ্যা

ব্যাস দেব মহাভারতের রচয়িতা। মহাভারত কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ, পাণ্ডব ও কৌরবের জীবন এবং নৈতিকতা-বিশ্লেষণ চিত্রিত করে। এটি আধ্যাত্মিক ও সামাজিক শিক্ষার মূল উৎস।

১১.
মহাভারতের কেন্দ্রীয় যুদ্ধ কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. হরিদ্বার
  2. অযোধ্যা
  3. মথুরা
  4. কুরুক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
কুরুক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরুক্ষেত্র
ব্যাখ্যা

মহাভারতে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ ধর্ম, নৈতিকতা ও কর্তব্যের শিক্ষা দেয়। এখানে নৈতিক দ্বন্দ্ব, কৌশল ও জীবনের দার্শনিক পাঠ দেখানো হয়েছে।

১২.
সংস্কৃত কবি কালিদাস কোন গ্রন্থের জন্য বিখ্যাত?
  1. অগ্নিপুরাণ
  2. রঘুবংশম
  3. ভাগবতপুরাণ
  4. উপনিষদ
সঠিক উত্তর:
রঘুবংশম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঘুবংশম
ব্যাখ্যা

কালিদাস প্রাচীন ভারতীয় কাব্যকার। রঘুবংশম রামের বংশ ও নৈতিক গুণাবলীর চিত্রণ। কালিদাস প্রকৃতি ও মানুষের অনুভূতির সুন্দর মিল ঘটিয়েছেন।

১৩.
কালিদাসের ‘মেঘদূত’ কী ধরনের সাহিত্য?
  1. নাটক
  2. উপন্যাস
  3. কবিতা
  4. ভৌগোলিক বর্ণনা
সঠিক উত্তর:
কবিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবিতা
ব্যাখ্যা

মেঘদূত সংক্ষিপ্ত কবিতা। যক্ষ প্রেমে প্রস্ফুটিত অনুভূতি চিত্রিত। প্রকৃতি ও মানুষের আবেগ সুন্দরভাবে প্রকাশিত।

১৪.
শ্রীহরি বা শ্রীকৃষ্ণের কাহিনী কোন গ্রন্থে বিশদ?
  1. ভাগবতপুরাণ
  2. রামায়ণ
  3. মহাভারত
  4. ঋগ্বেদ
সঠিক উত্তর:
ভাগবতপুরাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাগবতপুরাণ
ব্যাখ্যা

ভাগবতপুরাণে কৃষ্ণের জন্ম, কৈশোর, গোপীভক্তি ও ভক্তি শিক্ষা রয়েছে। এটি ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার উৎস।

১৫.
বেদ ও উপনিষদের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?
  1. বেদ প্রার্থনা; উপনিষদ দর্শন
  2. বেদ উপন্যাস; উপনিষদ ইতিহাস
  3. বেদ নাটক; উপনিষদ কাব্য
  4. বেদ দর্শন; উপনিষদ প্রার্থনা
সঠিক উত্তর:
বেদ প্রার্থনা; উপনিষদ দর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেদ প্রার্থনা; উপনিষদ দর্শন
ব্যাখ্যা

বেদ মূলত মন্ত্র ও প্রার্থনা সংকলন। উপনিষদ আধ্যাত্মিক দর্শন ও আত্মজ্ঞান আলোচনা। বেদ আচারের নির্দেশ, উপনিষদ জ্ঞানী চেতনা প্রদান করে।

১৬.
মহর্ষি ভৃগু কোন ক্ষেত্রে বিখ্যাত?
  1. রামায়ণ রচয়িতা
  2. উপনিষদ ও দর্শন
  3. নাট্যকার
  4. মহাভারত রচয়িতা
সঠিক উত্তর:
উপনিষদ ও দর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপনিষদ ও দর্শন
ব্যাখ্যা

ভৃগু উপনিষদে প্রধান দার্শনিক। আধ্যাত্মিক ও নৈতিক দর্শনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তিনি আত্মা ও ব্রহ্ম জ্ঞানে বিশিষ্ট।

১৭.
সংস্কৃত নাটকের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা কে?
  1. কালিদাস
  2. বিভূতিভূষণ
  3. ভাস
  4. বাল্মীকি
সঠিক উত্তর:
ভাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাস
ব্যাখ্যা

ভাস প্রাচীন নাট্যকার। তার নাটক যেমন ‘প্রহেলিকা’ ও ‘উত্তররামচরিত’ প্রাচীন নাট্যকলার মাইলফলক।

১৮.
‘রঘুবংশম’ কাহিনী কী বিষয়ে?
  1. রামের বংশ
  2. কৃষ্ণের জীবন
  3. পাণ্ডবের যুদ্ধ
  4. ভৃগুর দর্শন
সঠিক উত্তর:
রামের বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামের বংশ
ব্যাখ্যা

রঘুবংশম রামের বংশ ও তাদের নৈতিক গুণাবলী নিয়ে মহাকাব্য।

১৯.
সংস্কৃত সাহিত্যে প্রধান নাট্যরচনা কোনটি?
  1. মেঘদূত
  2. অঙ্গিরাস নাট্য
  3. শতপথ
  4. ‘অভিজ্ঞান শাকুন্তলম’
সঠিক উত্তর:
‘অভিজ্ঞান শাকুন্তলম’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘অভিজ্ঞান শাকুন্তলম’
ব্যাখ্যা

কালিদাসের অভিজ্ঞান শাকুন্তলম নাট্যকলার শ্রেষ্ঠ রচনা, যেখানে প্রেম ও রাজনীতি সুন্দরভাবে চিত্রিত।

২০.
বেদ, উপনিষদ ও পুরাণের ধারাবাহিকতা কীভাবে থাকে?
  1. বেদ → উপনিষদ → পুরাণ
  2. উপনিষদ → বেদ → পুরাণ
  3. পুরাণ → বেদ → উপনিষদ
  4. বেদ → পুরাণ → উপনিষদ
সঠিক উত্তর:
বেদ → উপনিষদ → পুরাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেদ → উপনিষদ → পুরাণ
ব্যাখ্যা

বেদ প্রাচীনতম, উপনিষদ দর্শন ও আধ্যাত্মিক, পুরাণ সহজ ভাষায় ধর্ম ও কাহিনী প্রচার করে।

২১.
মহাভারতের শিক্ষা মূলত কী বিষয়ে?
  1. রাজনীতি
  2. নৈতিকতা ও ধর্ম
  3. প্রকৃতি
  4. প্রেম
সঠিক উত্তর:
নৈতিকতা ও ধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৈতিকতা ও ধর্ম
ব্যাখ্যা

মহাভারত নৈতিক শিক্ষা, ধর্মচর্চা ও কর্তব্যের পাঠ দেয়, যা সমাজ ও ব্যক্তির জন্য দৃষ্টান্ত।

২২.
সংস্কৃত সাহিত্যের কাব্য ও নাট্যকলার মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. কাব্য কবিতামূলক; নাটক অভিনয়মূলক
  2. কাব্য দর্শনমূলক; নাটক ইতিহাস
  3. কাব্য প্রার্থনা; নাটক নৃত্য
  4. কাব্য ইতিহাস; নাটক প্রেম
সঠিক উত্তর:
কাব্য কবিতামূলক; নাটক অভিনয়মূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্য কবিতামূলক; নাটক অভিনয়মূলক
ব্যাখ্যা

কাব্য লিখিত রূপে, নাটক অভিনয় ও মঞ্চস্থ করার জন্য।

২৩.
সংস্কৃত সাহিত্যের বিখ্যাত নারী চরিত্র ‘সীতা’ কোন কাব্যে?
  1. মহাভারত
  2. রামায়ণ
  3. ভাগবতপুরাণ
  4. রঘুবংশম
সঠিক উত্তর:
রামায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামায়ণ
ব্যাখ্যা

সীতা রামের স্ত্রী। তার চরিত্র নৈতিকতা, ধৈর্য ও ভক্তির উদাহরণ।

২৪.
কালিদাসের রচনা ‘মাलবিকাগীতি’ কী বিষয়ে?
  1. রাজনীতি
  2. যুদ্ধ
  3. প্রেম ও সৌন্দর্য
  4. ধর্ম
সঠিক উত্তর:
প্রেম ও সৌন্দর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেম ও সৌন্দর্য
ব্যাখ্যা

মালবিকাগীতি প্রেম ও সৌন্দর্যকে চিত্রিত। কালিদাসের রচনায় প্রকৃতি ও অনুভূতির মিল।

২৫.
সংস্কৃত সাহিত্যের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. কেবল বিনোদন
  2. ইতিহাস সংরক্ষণ
  3. রাজনীতি প্রচার
  4. ধর্ম, নৈতিকতা ও সৌন্দর্য শিক্ষা
সঠিক উত্তর:
ধর্ম, নৈতিকতা ও সৌন্দর্য শিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্ম, নৈতিকতা ও সৌন্দর্য শিক্ষা
ব্যাখ্যা

ধর্ম, নৈতিকতা ও সৌন্দর্য শিক্ষা
সংস্কৃত সাহিত্য কেবল বিনোদন নয়; এটি নৈতিক শিক্ষা, আধ্যাত্মিক জ্ঞান এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রচার করে।

২৬.
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার উৎস স্থল কোথায়?
  1. রামায়ণ
  2. মহাভারত
  3. ঋগ্বেদ
  4. উপনিষদ
সঠিক উত্তর:
মহাভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাভারত
ব্যাখ্যা

গীতা মহাভারতের অংশ, বিশেষ করে ভীষ্মপর্বের অন্তর্ভুক্ত। এটি ১৮ অধ্যায় ও ৭০০ শ্লোক বিশিষ্ট। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে অর্জুনের মানসিক দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য কৃষ্ণ এটি উপদেশ দেন। মহাভারতের মূল লেখক ব্যাস। গীতা মহাভারতের আধ্যাত্মিক হৃদয় বলে পরিচিত।

২৭.
গীতার মূল বক্তা কে?
  1. অর্জুন
  2. ভীষ্ম
  3. অরিত্র
  4. কৃষ্ণ
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ
ব্যাখ্যা

শ্রীকৃষ্ণ গীতার মূল বক্তা ও শিক্ষক। তিনি অর্জুনকে কর্তব্যবোধ, ধর্ম, যোগ ও জ্ঞান সম্পর্কে শিক্ষা দেন। কৃষ্ণের বক্তব্য গীতাকে দার্শনিক কাব্যে পরিণত করেছে। গীতার মাধ্যমে কর্মযোগ, জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগের সমন্বয় ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

২৮.
গীতার শ্রোতা কে ছিলেন?
  1. দ্রৌপদী
  2. সঞ্জয়
  3. অর্জুন
  4. ধৃতরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
অর্জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্জুন
ব্যাখ্যা

অর্জুন গীতার প্রধান শ্রোতা। যুদ্ধক্ষেত্রে নৈতিক দ্বন্দ্বে পড়ে তিনি যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানান। তখন কৃষ্ণ তাকে কর্তব্যপালনের গুরুত্ব বোঝান। অর্জুনের দ্বিধা থেকে শ্লোকগুলো জন্ম নেয়, যা পরবর্তীতে বিশ্বজনীন দর্শন হিসেবে গৃহীত হয়।

২৯.
গীতার মোট কতটি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ১২
  2. ১৪
  3. ৩০
  4. ১৮
সঠিক উত্তর:
১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮
ব্যাখ্যা

গীতা ১৮টি অধ্যায়ে বিভক্ত। প্রতিটি অধ্যায় একটি যোগের শিক্ষা দেয়। যেমন- কর্মযোগ, জ্ঞানযোগ, ভক্তিযোগ ইত্যাদি। ১৮ অধ্যায় একত্রে জীবনের পূর্ণাঙ্গ দর্শন প্রকাশ করে। এই ১৮ অধ্যায় মহাভারতের ভীষ্মপর্বের ২৩ থেকে ৪০ অধ্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।

৩০.
গীতার শ্লোক সংখ্যা কত?
  1. ৭০০
  2. ৪০৯
  3. ৫০০
  4. ৭৮৮
সঠিক উত্তর:
৭০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০০
ব্যাখ্যা

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় মোট ৭০০টি শ্লোক রয়েছে। এর মধ্যে কৃষ্ণের বক্তব্য, অর্জুনের প্রশ্ন এবং সঞ্জয়ের বর্ণনা রয়েছে। ৭০০ শ্লোক মিলিয়ে এটি এক সম্পূর্ণ আধ্যাত্মিক-দার্শনিক গ্রন্থ।

৩১.
গীতাকে কেন উপনিষদসমূহের সার বলা হয়?
  1. এতে উপনিষদের মূল দর্শন ব্যাখ্যা করা হয়েছে
  2. এতে কাহিনী বেশি
  3. এতে ধর্ম নেই
  4. এতে কেবল যুদ্ধের বর্ণনা আছে
সঠিক উত্তর:
এতে উপনিষদের মূল দর্শন ব্যাখ্যা করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এতে উপনিষদের মূল দর্শন ব্যাখ্যা করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

গীতায় উপনিষদের আত্মা-ব্রহ্ম, কর্ম ও মুক্তির ধারণা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাই একে "উপনিষদসমূহের সার" বলা হয়। এটি দর্শনকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দেয়।

৩২.
গীতার প্রধান শিক্ষা কী?
  1. ত্যাগ
  2. কর্মযোগ
  3. সংসার ত্যাগ
  4. ধন সম্পদ অর্জন
সঠিক উত্তর:
কর্মযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মযোগ
ব্যাখ্যা

গীতার মূল শিক্ষা হল নিষ্কাম কর্মযোগ – অর্থাৎ ফলের প্রতি আসক্তি ছাড়াই কর্তব্য সম্পাদন। কৃষ্ণ বলেন, “কর্ম কর, কিন্তু ফলের প্রত্যাশা করো না।” এটি জীবনের বাস্তব সমস্যার সমাধানের এক অমূল্য দর্শন।

৩৩.
গীতার ভাষা কোনটি?
  1. প্রাকৃত
  2. পালি
  3. সংস্কৃত
  4. হিন্দি
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
ব্যাখ্যা

গীতা মূলত সংস্কৃত ভাষায় রচিত। এটি ছন্দোবদ্ধ শ্লোকে লেখা এবং সহজবোধ্য। সংস্কৃত ভাষার সৌন্দর্য গীতাকে কাব্যময় করে তুলেছে।

৩৪.
গীতায় যোগের কত প্রকার ব্যাখ্যা করা হয়েছে?




সঠিক উত্তর:

উত্তর
সঠিক উত্তর:

ব্যাখ্যা

গীতায় তিনটি প্রধান যোগের শিক্ষা রয়েছে – কর্মযোগ (কর্মের মাধ্যমে মুক্তি), জ্ঞানযোগ (জ্ঞান দ্বারা মুক্তি) এবং ভক্তিযোগ (ভক্তির মাধ্যমে মুক্তি)। এরা মিলেই পূর্ণাঙ্গ আধ্যাত্মিক দর্শন গঠন করে।

৩৫.
গীতাকে কেন সর্বজনীন গ্রন্থ বলা হয়?
  1. এটি জাতি, ধর্ম ও সময়সীমা অতিক্রম করে সবার জন্য প্রযোজ্য
  2. কেবল হিন্দুদের জন্য
  3. কেবল যুদ্ধে ব্যবহৃত
  4. এটি কেবল রাজাদের জন্য
সঠিক উত্তর:
এটি জাতি, ধর্ম ও সময়সীমা অতিক্রম করে সবার জন্য প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি জাতি, ধর্ম ও সময়সীমা অতিক্রম করে সবার জন্য প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা

গীতার শিক্ষা কেবল হিন্দুদের জন্য নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্য। এটি জীবনের নৈতিকতা, কর্তব্য, আত্মসংযম, ভক্তি এবং আধ্যাত্মিক উন্নতির পথ নির্দেশ করে। তাই গীতা সর্বজনীন গ্রন্থ হিসেবে বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য।

৩৬.
ছন্দ বলতে কী বোঝায়?
  1. ছড়া
  2. গানের সুর
  3. মাত্রা বা বর্ণ গণনার নিয়ম
  4. ছড়ার মিল
সঠিক উত্তর:
মাত্রা বা বর্ণ গণনার নিয়ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাত্রা বা বর্ণ গণনার নিয়ম
ব্যাখ্যা

ছন্দ হল কাব্যের প্রাণ। এটি বর্ণ বা মাত্রার সংখ্যা ও বিন্যাসের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে রচিত হয়। ছন্দ কবিতায় সুষমা, লয় ও সুর দেয়। যেমন—অক্ষরগণনা বা মাত্রাগণনা করে পঙক্তি তৈরি করা হয়। ছন্দ না থাকলে কবিতা গদ্যের মতো শোনায়।

৩৭.
ছন্দকে আর কী বলা হয়?
  1. গদ্য
  2. মাত্রা
  3. সুর
  4. তাল
সঠিক উত্তর:
তাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাল
ব্যাখ্যা

ছন্দকে তাল বা লয়ের নিয়মও বলা হয়। কারণ ছন্দ কবিতাকে সঙ্গীতময় করে তোলে। ছন্দে নির্দিষ্ট ছন্দোবদ্ধতা থাকে, যেমন—সমবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত, অর্ধসমবৃত্ত ইত্যাদি। এই ছন্দোশৃঙ্খলা কবিতায় সঙ্গীতের মতো একটি ছন্দময় গতি আনে।

৩৮.
ছন্দ কেন প্রয়োজনীয়?
  1. কবিতাকে দীর্ঘ করার জন্য
  2. কবিতাকে জটিল করার জন্য
  3. অর্থ গোপন করার জন্য
  4. কবিতাকে আকর্ষণীয় ও সুরেলা করার জন্য
সঠিক উত্তর:
কবিতাকে আকর্ষণীয় ও সুরেলা করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবিতাকে আকর্ষণীয় ও সুরেলা করার জন্য
ব্যাখ্যা

ছন্দ কবিতার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং পাঠককে আনন্দ দেয়। এটি কবিতায় লয়, গতি এবং সঙ্গীতের অনুভূতি তৈরি করে। ছন্দ ছাড়া কবিতা শুষ্ক মনে হয়। তাই প্রাচীনকাল থেকেই কবি-সাহিত্যিকরা ছন্দকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

৩৯.
ছন্দের ভিত্তি কী?
  1. ব্যাকরণ
  2. মাত্রা ও বর্ণ সংখ্যা
  3. ছড়া
  4. গল্প
সঠিক উত্তর:
মাত্রা ও বর্ণ সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাত্রা ও বর্ণ সংখ্যা
ব্যাখ্যা

ছন্দের মূল ভিত্তি হল বর্ণের সংখ্যা বা মাত্রার সংখ্যা। কোনো পঙক্তির প্রতিটি চরণে সমান সংখ্যা বর্ণ/মাত্রা থাকতে হয়। এর ফলে কবিতায় সমান তাল ও সুষমা বজায় থাকে। মাত্রা গণনার মাধ্যমে সমবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ইত্যাদি ছন্দ নির্ধারিত হয়।

৪০.
সমবৃত্ত ছন্দে কী থাকে?
  1. প্রতিটি পঙক্তিতে অসমান বর্ণ সংখ্যা
  2. কেবলমাত্রার সমানতা
  3. ছড়ার মিল
  4. প্রতিটি পঙক্তিতে সমান বর্ণ সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি পঙক্তিতে সমান বর্ণ সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি পঙক্তিতে সমান বর্ণ সংখ্যা
ব্যাখ্যা

সমবৃত্ত ছন্দে প্রতিটি চরণে সমান সংখ্যক অক্ষর বা বর্ণ থাকে। যেমন—চৌদ্দ অক্ষর বিশিষ্ট সমবৃত্ত ছন্দে প্রতিটি পঙক্তিতে ১৪টি অক্ষর থাকতে হবে। এটি কবিতায় একরূপতা এবং সুষম গঠন সৃষ্টি করে। সমবৃত্ত ছন্দ বাংলা কবিতায় সবচেয়ে জনপ্রিয়।

৪১.
“যত্র যোগেশ্বরঃ কৃষ্ণো যত্র পার্থো ধনুর্ধরঃ” এর সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?
  1. যেখানে কৃষ্ণ ও অর্জুন নেই
  2. যেখানে কৃষ্ণ নেই
  3. যেখানে কৃষ্ণ ও অর্জুন আছেন
  4. যেখানে অর্জুন নেই
সঠিক উত্তর:
যেখানে কৃষ্ণ ও অর্জুন আছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে কৃষ্ণ ও অর্জুন আছেন
ব্যাখ্যা

এই শ্লোকটি মহাভারতের ভগবদ্গীতা থেকে নেওয়া। “যত্র” অর্থ যেখানে, “যোগেশ্বরঃ কৃষ্ণঃ” অর্থ যোগীদের ঈশ্বর কৃষ্ণ, “যত্র পার্থঃ ধনুর্ধরঃ” অর্থ যেখানে ধনুর্ধর অর্জুন আছেন। অর্থাৎ যেখানেই কৃষ্ণ ও অর্জুন থাকেন, সেখানেই ধর্ম ও বিজয় থাকে।

৪২.
“অহং ত্বা সারথিঃ ভবিষ্যমি” এর সঠিক অনুবাদ কোনটি?
  1. আমি তোমাকে রক্ষা করবো
  2. আমি তোমার সারথি হবো
  3. আমি তোমাকে ত্যাগ করবো
  4. আমি তোমাকে শত্রু করবো
সঠিক উত্তর:
আমি তোমার সারথি হবো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমি তোমার সারথি হবো
ব্যাখ্যা

“অহং” অর্থ আমি, “ত্বা” অর্থ তোমাকে, “সারথিঃ” অর্থ রথচালক, “ভবিষ্যমি” অর্থ হবো। মহাভারতের প্রসঙ্গে কৃষ্ণ অর্জুনকে এই কথা বলেন – আমি তোমার সারথি হবো।

৪৩.
“সর্বং খলু বিদ্যায়া মুক্তম্” এর বাংলা অর্থ কী?
  1. সবই জ্ঞান দিয়ে মুক্ত হয়
  2. সবই শক্তি দিয়ে মুক্ত হয়
  3. সবই যুদ্ধ দিয়ে মুক্ত হয়
  4. সবই ধন দিয়ে মুক্ত হয়
সঠিক উত্তর:
সবই জ্ঞান দিয়ে মুক্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবই জ্ঞান দিয়ে মুক্ত হয়
ব্যাখ্যা

“সর্বং” অর্থ সবই, “খলু” অর্থ নিশ্চয়, “বিদ্যায়া” অর্থ জ্ঞান দ্বারা, “মুক্তম্” অর্থ মুক্ত। অর্থাৎ জ্ঞানই মুক্তির একমাত্র উপায়।

৪৪.
“সে বই পড়ছে” – এর সঠিক সংস্কৃত অনুবাদ কোনটি?
  1. সঃ পুস্তকং পঠতি
  2. সঃ পুস্তকং খাদতি
  3. সঃ পুস্তকং পিবতি
  4. সঃ পুস্তকং লিখতি
সঠিক উত্তর:
সঃ পুস্তকং পঠতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঃ পুস্তকং পঠতি
ব্যাখ্যা

“সঃ” মানে সে, “পুস্তকং” মানে বই, “পঠতি” মানে পড়ছে। তাই সঠিক অনুবাদ – সে বই পড়ছে। অন্য অপশনগুলোতে খাচ্ছে, লিখছে, পান করছে বোঝায় যা এখানে ভুল।

৪৫.
“আমরা গান গাই” – এর সঠিক সংস্কৃত অনুবাদ কোনটি?
  1. বয়ং গীতং পঠামঃ
  2. বয়ং গীতং পিবামঃ
  3. বয়ং গীতং গচ্ছামঃ
  4. বয়ং গীতং গায়ামঃ
সঠিক উত্তর:
বয়ং গীতং গায়ামঃ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বয়ং গীতং গায়ামঃ
ব্যাখ্যা

“বয়ং” মানে আমরা, “গীতং” মানে গান, “গায়ামঃ” মানে গাই। এখানে ক্রিয়াপদ প্রথম পুরুষ বহুবচন রূপ। তাই এর সঠিক অনুবাদ – বয়ং গীতং গায়ামঃ।

৪৬.
“আমি স্কুলে যাই” – এর সঠিক সংস্কৃত অনুবাদ কোনটি?
  1. অহং গৃহং গচ্ছামি
  2. অহং গ্রামং গচ্ছামি
  3. অহং ক্রীড়াং গচ্ছামি
  4. অহং বিদ্যালয়ং গচ্ছামি
সঠিক উত্তর:
অহং বিদ্যালয়ং গচ্ছামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অহং বিদ্যালয়ং গচ্ছামি
ব্যাখ্যা

“অহং” মানে আমি, “বিদ্যালয়ং” মানে বিদ্যালয় বা স্কুল, “গচ্ছামি” মানে যাই। সংস্কৃত বাক্যে কর্তা প্রথমে থাকে, ক্রিয়াপদ শেষে থাকে। তাই এর সঠিক অনুবাদ – অহং বিদ্যালয়ং গচ্ছামি।

৪৭.
বাংলা বাক্যকে সংস্কৃতে অনুবাদ করার সময় কর্তার অবস্থান কোথায় হয়?
  1. সবসময় শেষে
  2. সবসময় শুরুতে
  3. মাঝে মাঝে শেষে
  4. মাঝে মাঝে বাদ থাকে
সঠিক উত্তর:
সবসময় শুরুতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবসময় শুরুতে
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত বাক্য গঠনের মূল নিয়ম হলো – কর্তা (Subject) প্রথমে থাকে, কর্ম (Object) মাঝখানে থাকে এবং ক্রিয়া (Verb) সবসময় শেষে থাকে। উদাহরণ – “আমি বই পড়ি” → “অহং পুস্তকং পঠামি।” এখানে “অহং” (আমি) শুরুতে, “পুস্তকং” মাঝখানে, “পঠামি” শেষে আছে। তাই সঠিক উত্তর – কর্তা সবসময় শুরুতে থাকে।

৪৮.
বাংলা বাক্যের ক্রিয়াপদকে সংস্কৃত ভাষায় রূপান্তর করার সময় কোন দিকটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
  1. কালের সাথে লিঙ্গ মিলানো
  2. কর্তার পুরুষ ও বচনের সাথে মিলানো
  3. কর্মের সংখ্যা দেখা
  4. বাক্যের দৈর্ঘ্য ঠিক রাখা
সঠিক উত্তর:
কর্তার পুরুষ ও বচনের সাথে মিলানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তার পুরুষ ও বচনের সাথে মিলানো
ব্যাখ্যা

সংস্কৃতে ক্রিয়াপদ কর্তার (Subject) পুরুষ (প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়) ও বচন (একবচন, দ্বিবচন, বহুবচন)-এর ওপর নির্ভর করে। যেমন – “আমি যাই” → “অহং গচ্ছামি” (প্রথম পুরুষ একবচন), “আমরা যাই” → “বয়ং গচ্ছামঃ” (প্রথম পুরুষ বহুবচন)। তাই অনুবাদের সময় কর্তার সঙ্গে ক্রিয়াপদের রূপ সঠিকভাবে মেলাতে হয়।

৪৯.
বাংলা বিশেষ্য পদকে সংস্কৃত বাক্যে বসানোর সময় কী খেয়াল রাখতে হবে?
  1. শুধু অর্থ সঠিক হতে হবে
  2. বাক্যের দৈর্ঘ্য সমান হতে হবে
  3. ক্রিয়াপদ ছোট হতে হবে
  4. কারক বা বিভক্তি সঠিক হতে হবে
সঠিক উত্তর:
কারক বা বিভক্তি সঠিক হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারক বা বিভক্তি সঠিক হতে হবে
ব্যাখ্যা

সংস্কৃতে বিশেষ্য পদকে বাক্যে বসাতে হলে সঠিক কারক বা বিভক্তি ব্যবহার করতে হয়। যেমন – “রাম স্কুলে যায়” → “রামঃ বিদ্যালয়ং গচ্ছতি।” এখানে “বিদ্যালয়ং” শব্দটি কর্মকারকে (Accusative Case) রয়েছে। ভুল কারক দিলে বাক্যের অর্থ পাল্টে যায়। তাই অনুবাদ করার সময় বিভক্তি ঠিক হওয়া সবচেয়ে জরুরি।

৫০.
বাংলা বাক্যে ক্রিয়া না থাকলে (অপূর্ণ বাক্য হলে) সংস্কৃতে কীভাবে রূপান্তর করা হয়?
  1. যেকোনো ক্রিয়া বসিয়ে দেওয়া
  2. বাক্য বাদ দেওয়া
  3. বর্তমান কাল ধাতুর লট্ লকার ব্যবহার
  4. শুধু বিশেষ্য লিখে দেওয়া
সঠিক উত্তর:
বর্তমান কাল ধাতুর লট্ লকার ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্তমান কাল ধাতুর লট্ লকার ব্যবহার
ব্যাখ্যা

যদি বাংলা বাক্যে ক্রিয়া স্পষ্ট না থাকে, সংস্কৃতে সাধারণত বর্তমানকালের আদেশাত্মক বা বিবৃতিমূলক রূপ (লট্ লকার) ব্যবহার করা হয়। যেমন – “তুমি ছাত্র” → “ত্বং ছাত্রঃ অসি।” এখানে “অসি” ক্রিয়া (আছো) ব্যবহার করা হয়েছে। তাই অনুবাদে ক্রিয়া না থাকলেও প্রয়োজন অনুযায়ী ধাতুর লট্ লকার যোগ করতে হয়।

৫১.
অভিজ্ঞানশকুন্তলম কার রচনা?
  1. ভাস
  2. কালিদাস
  3. ভবভূতি
  4. শূদ্রক
সঠিক উত্তর:
কালিদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালিদাস
ব্যাখ্যা

অভিজ্ঞানশকুন্তলম সংস্কৃত সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নাটকগুলির মধ্যে একটি। এটি মহাকবি কালিদাসের রচনা। কালিদাস “কাব্যসম্রাট” নামে খ্যাত এবং সংস্কৃত নাট্যসাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি-নাট্যকার হিসেবে পরিচিত। তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত রচনা হলো – বিক্রমোর্শীয়ম, মালবিকাগ্নিমিত্রম, রঘুবংশম, কুমারসম্ভবম।

৫২.
অভিজ্ঞানশকুন্তলম কোন ধরণের সাহিত্য?
  1. মহাকাব্য
  2. উপনিষদ
  3. গদ্য
  4. নাটক
সঠিক উত্তর:
নাটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটক
ব্যাখ্যা

অভিজ্ঞানশকুন্তলম একটি নাটক, বিশেষভাবে এটি “নাট্য” বা “রূপক”। এতে সাত অঙ্ক রয়েছে। নাটকটি মহাভারতের আদি পর্বে উল্লেখিত শকুন্তলা ও দুষ্যন্তের প্রেমকাহিনী অবলম্বনে রচিত। কালিদাস তাঁর কাব্যরস, প্রকৃতিচিত্রণ ও নাট্যরসের মাধ্যমে কাহিনীকে অত্যন্ত কাব্যিক ও আবেগপূর্ণ করে তুলেছেন।

৫৩.
অভিজ্ঞানশকুন্তলমের মূল কাহিনী কোথা থেকে গৃহীত?
  1. রামায়ণ
  2. পুরাণ
  3. বেদ
  4. মহাভারত
সঠিক উত্তর:
মহাভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাভারত
ব্যাখ্যা

অভিজ্ঞানশকুন্তলমের মূল কাহিনী মহাভারতের আদি পর্ব থেকে নেওয়া হয়েছে। সেখানে শকুন্তলা ও দুষ্যন্তের প্রেম, বিবাহ ও তাদের পুত্র ভারত-এর জন্মকাহিনী বর্ণিত হয়েছে। কালিদাস মূল কাহিনীকে নাটকীয়তা, রস এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন।

৫৪.
অভিজ্ঞানশকুন্তলমে “অভিজ্ঞান” শব্দটির অর্থ কী?
  1. চিঠি
  2. আংটি
  3. পরিচয়
  4. আশীর্বাদ
সঠিক উত্তর:
আংটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংটি
ব্যাখ্যা

“অভিজ্ঞান” মানে পরিচয় বা স্মারক। নাটকে দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে একটি আংটি দেন যা তাদের প্রেমের স্মারক বা অভিজ্ঞান। পরে সেই আংটি হারিয়ে যাওয়ায় দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে চিনতে পারেন না। পরে আংটি ফিরে আসার পর কাহিনীর সমাধান ঘটে। তাই অভিজ্ঞানশকুন্তলম মানে – স্মারক দ্বারা শকুন্তলার পরিচয়।

৫৫.
অভিজ্ঞানশকুন্তলমে শকুন্তলা কার কন্যা?
  1. বিশ্বামিত্র ও মেনকা
  2. কশ্যপ ও অধিতি
  3. পরাশর ও সৎযবতী
  4. জনক ও সীতা
সঠিক উত্তর:
বিশ্বামিত্র ও মেনকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বামিত্র ও মেনকা
ব্যাখ্যা

শকুন্তলা ছিলেন ঋষি বিশ্বামিত্র ও অপ্সরা মেনকার কন্যা। জন্মের পর তাঁকে কান্ব ঋষি আশ্রমে লালনপালন করেন। শকুন্তলার শৈশব প্রকৃতির কোলে কেটেছিল এবং তিনি প্রকৃতিপ্রেমী ও সৌম্য চরিত্রের অধিকারিণী ছিলেন।

৫৬.
অভিজ্ঞানশকুন্তলমে আংটির ভূমিকা কী?
  1. প্রেমের সমাপ্তি
  2. শাপের প্রতীক
  3. বিবাহের বন্ধন
  4. পরিচয়ের স্মারক
সঠিক উত্তর:
পরিচয়ের স্মারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচয়ের স্মারক
ব্যাখ্যা

আংটিটি নাটকের কেন্দ্রীয় প্রতীক। এটি দুষ্যন্তের দেওয়া স্মারক যা শকুন্তলার পরিচয় প্রমাণের একমাত্র মাধ্যম। আংটি হারিয়ে গেলে দুষ্যন্ত শকুন্তলাকে চিনতে পারেন না এবং কাহিনী জটিল হয়। পরে আংটি ফিরে পাওয়ার পর শকুন্তলা স্বীকৃতি পান। তাই আংটি নাটকের প্রধান অভিজ্ঞান।

৫৭.
অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটকের প্রধান রস কোনটি?
  1. বীর রস
  2. করুণ রস
  3. প্রেমরস
  4. হাস্য রস
সঠিক উত্তর:
প্রেমরস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেমরস
ব্যাখ্যা

অভিজ্ঞানশকুন্তলমে প্রধানত (প্রেমরস) বিদ্যমান। শকুন্তলা ও দুষ্যন্তের প্রেম, বিরহ ও পুনর্মিলন নাটকের মূল আবেগ। পাশাপাশি করুণ, হাস্য, বীর ইত্যাদি গৌণ রসও আছে। কিন্তু শ্রৃঙ্গারই মুখ্য রস যা পুরো নাটককে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে।

৫৮.
‘স্বপ্নবাসবদত্তম’ নাটকের কাহিনী মূলত কোন গ্রন্থ থেকে গৃহীত?
  1. মহাভারত
  2. বৌদ্ধজাতক কাহিনী
  3. বৃত্তসঙ্গ্রহ / ব্রহ্মাণ্ড পুরাণ
  4. হর্ষচরিত
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধজাতক কাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধজাতক কাহিনী
ব্যাখ্যা

‘স্বপ্নবাসবদত্তম’ নাটকের কাহিনী মূলত উদয়নরাজ সম্পর্কিত বৌদ্ধজাতক কাহিনী থেকে গৃহীত। বৌদ্ধ সাহিত্যে উদয়ন ও বাসবদত্তার কাহিনী জনপ্রিয় ছিল। ভাস এই জাতককাহিনীকে নাট্যরূপ দিয়েছেন এবং নিজের কল্পনা দ্বারা কাহিনীকে রোমান্টিক ও নাটকীয় আকারে গড়ে তুলেছেন। ফলে নাটকটি মৌলিকত্ব বজায় রেখে উৎসকাহিনীর বৈশিষ্ট্য বহন করেছে।

৫৯.
উদয়ন ও বাসবদত্তার কাহিনী কোন জাতকে বিশেষভাবে উল্লেখিত হয়েছে?
  1. মহাসুপ্ত জাতক
  2. বিন্ধ্য দেশজাতক
  3. উল্লুক জাতক
  4. গোষমণ্ডল জাতক
সঠিক উত্তর:
গোষমণ্ডল জাতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোষমণ্ডল জাতক
ব্যাখ্যা

গোষমণ্ডল জাতক নামক বৌদ্ধকাহিনীতে উদয়ন ও বাসবদত্তার কাহিনী পাওয়া যায়। এখানেই উদয়নরাজের বন্দিত্ব, বাসবদত্তার প্রতি প্রেম এবং নানা নাটকীয় ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। ভাস এই কাহিনীকে অনুসরণ করে নিজের নাটক স্বপ্নবাসবদত্তম রচনা করেন। তবে তিনি শুধু জাতক অনুসরণ করেননি, বরং নাট্যোপযোগী নতুন ঘটনা ও চরিত্র সংযোজন করেছেন।

৬০.
‘স্বপ্নবাসবদত্তম’ নাটকের কাহিনী ভাস কোথা থেকে গ্রহণ করলেও কীভাবে মৌলিক রূপ পেয়েছে?
  1. তিনি উৎস পুরোপুরি পরিবর্তন করেছেন
  2. তিনি চরিত্রের নাম বদলেছেন
  3. তিনি কাহিনী অসম্পূর্ণ রেখেছেন
  4. তিনি নাটকীয় সংলাপ ও স্বপ্নপ্রতীক ব্যবহার করেছেন
সঠিক উত্তর:
তিনি নাটকীয় সংলাপ ও স্বপ্নপ্রতীক ব্যবহার করেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি নাটকীয় সংলাপ ও স্বপ্নপ্রতীক ব্যবহার করেছেন
ব্যাখ্যা

ভাস উৎসকাহিনী বৌদ্ধজাতক থেকে নিলেও তিনি নাটকীয় সংলাপ, আবেগপ্রবণ পরিবেশনা ও স্বপ্নপ্রতীক ব্যবহার করে কাহিনীকে মৌলিক রূপ দিয়েছেন। বিশেষ করে বাসবদত্তার স্বপ্ন এবং উদয়নের প্রেম-সংঘাত নাটকটিকে স্বতন্ত্র করেছে। এভাবেই উৎসকাহিনী নতুন আলোয় উদ্ভাসিত হয়েছে।

৬১.
উৎসকাহিনী অনুযায়ী, উদয়নরাজের সঙ্গে বাসবদত্তার প্রথম পরিচয় কোথায় ঘটে?
  1. শাক্য নগরে
  2. অবন্তী রাজ্যে
  3. উজ্জয়িনী নগরে
  4. কাশী রাজ্যে
সঠিক উত্তর:
উজ্জয়িনী নগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উজ্জয়িনী নগরে
ব্যাখ্যা

উৎসকাহিনী অনুসারে, উদয়নরাজ অবন্তীর রাজা চন্দপ্রদ্যোতের হাতে বন্দী হন। সেখানে বন্দী অবস্থায় তাঁর সঙ্গে চন্দপ্রদ্যোতের কন্যা বাসবদত্তার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে প্রেম জন্ম নেয়। এই ঘটনাই স্বপ্নবাসবদত্তম নাটকের মূল কাহিনী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

৬২.
নাটকে ‘স্বপ্ন’ বিষয়টি কাকে কেন্দ্র করে এসেছে?
  1. উদয়ন
  2. বাসবদত্তা
  3. যোগানন্দ
  4. চন্দপ্রদ্যোত
সঠিক উত্তর:
উদয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদয়ন
ব্যাখ্যা

নাটকে উদয়ন স্বপ্নে বাসবদত্তাকে দেখে বিচলিত হন। সেই স্বপ্ন থেকেই কাহিনীর আবেগ ও জটিলতা জন্ম নেয়। স্বপ্ন কেবল অলৌকিক নয়, বরং মানসিক উদ্বেগ ও আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবেও এসেছে। তাই নাম হয়েছে স্বপ্নবাসবদত্তম।

৬৩.
উদয়নের স্ত্রী পদ্মাবতী কাহিনীতে কেমন ভূমিকা পালন করে?
  1. শত্রু চরিত্র
  2. প্রতারক চরিত্র
  3. কেবল উপেক্ষিত চরিত্র
  4. সহযোগী চরিত্র
সঠিক উত্তর:
সহযোগী চরিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহযোগী চরিত্র
ব্যাখ্যা

পদ্মাবতী উদয়নের দ্বিতীয় স্ত্রী হলেও তিনি বাসবদত্তাকে বিরোধিতা করেননি। বরং কাহিনীর জটিল অবস্থায় তিনি উদয়নকে সহায়তা করেন। তাঁর উপস্থিতি নাটকের আবেগকে বহুমাত্রিক করে তুলেছে।

৬৪.
নাটকের গঠন কিসের উপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে?
  1. কেবল রাজনৈতিক ঘটনা
  2. প্রেম ও রাজনীতির সংমিশ্রণ
  3. পৌরাণিক কাহিনী
  4. অলৌকিক ঘটনা
সঠিক উত্তর:
প্রেম ও রাজনীতির সংমিশ্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেম ও রাজনীতির সংমিশ্রণ
ব্যাখ্যা

নাটকের গঠন প্রেমকাহিনী ও রাজনীতির সংঘাতকে কেন্দ্র করে। উদয়ন-বাসবদত্তার প্রেম যেমন মূল বিষয়, তেমনি চন্দপ্রদ্যোতের রাজনৈতিক ভূমিকা ও কূটনীতি কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যায়। ফলে নাটকের গঠন বহুমাত্রিক হয়েছে।

৬৫.
‘স্বপ্নবাসবদত্তম’ নাটকের সংলাপ ও গঠন একত্রে কোন আদর্শ মেনে চলে?
  1. প্রহসনধর্মী কৌতুকধারা
  2. পৌরাণিক আখ্যানের পুনর্গঠন
  3. সংস্কৃত নাট্যের ‘সুখান্ত’ আদর্শ
  4. গীতিনাট্যের ছন্দ-সুর অনুসরণ
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত নাট্যের ‘সুখান্ত’ আদর্শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত নাট্যের ‘সুখান্ত’ আদর্শ
ব্যাখ্যা

নাটকের সংলাপের আবেগ, সংঘাত ও প্রতীকী স্বপ্ন কাহিনিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। শেষপর্যন্ত উদয়ন-বাসবদত্তার মিলনে নাটক ‘সুখান্ত’ সমাপ্তি পায়। এটি সংস্কৃত নাটকের ধ্রুপদী নীতি অনুযায়ী গঠিত।

৬৬.
মেঘদূত কাব্যের রচয়িতা কে?
  1. ভাস
  2. কালিদাস
  3. ভবভূতি
  4. মাঘ
সঠিক উত্তর:
কালিদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালিদাস
ব্যাখ্যা

মেঘদূতম (Meghadutam) মহাকবি কালিদাসের রচিত একটি কাব্য। এটি সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠকাব্য। কালিদাস প্রকৃতি, প্রেম, প্রেমিক-প্রেমিকার অনুভূতি ও শৈল্পিক রূপক চিত্রের মাধ্যমে কাব্যকে সুশ্রী করেছেন।

৬৭.
মেঘদূতম কোন ধরণের সাহিত্য?
  1. নাটক
  2. উপন্যাস
  3. কাব্য
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্য
ব্যাখ্যা

মেঘদূতম একটি কাব্য, বিশেষভাবে “নবকাব্য” বা প্রেমকাব্য। এতে প্রেমিকের নৈঃশব্দিক বিলাপ, বিচ্ছিন্নতার বেদনা এবং প্রকৃতির সঙ্গে মিলিত সৌন্দর্য চিত্রিত হয়েছে। এটি মূলত একটি “নবকাব্য” যা প্রেম এবং প্রকৃতির সংমিশ্রণে নির্মিত।

৬৮.
"মেঘদূতম" -এর কেন্দ্রীয় চরিত্র কে?
  1. রাঘব
  2. পুরুষ প্রেমিক
  3. শকুন্তলা
  4. রাজা দুষ্যন্ত
সঠিক উত্তর:
পুরুষ প্রেমিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ প্রেমিক
ব্যাখ্যা

কাব্যের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো পুরুষ প্রেমিক। তিনি তার প্রিয় প্রিয়ার (প্রেমিকা) কাছে মেঘের মাধ্যমে বার্তা পাঠানোর জন্য ভাবছেন। প্রেমিকের বিচ্ছিন্নতা, প্রিয়ার স্মৃতি এবং প্রাকৃতিক চিত্রণ কাব্যের মূল উপজীব্য।

৬৯.
মেঘদূতম এর প্রধান রস কোনটি?
  1. বীর রস
  2. হাস্য রস
  3. মধুর রস
  4. করুণ রস
সঠিক উত্তর:
করুণ রস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করুণ রস
ব্যাখ্যা

মেঘদূতমের প্রধান রস হলো করুণ রস, যা প্রেমিকের প্রিয়ার থেকে দূরে থাকার বেদনা এবং বিচ্ছিন্নতার দুঃখ প্রকাশ করে। এখানে প্রেমিকের দুঃখ, স্মৃতি এবং আশা সবই করুণ রসের অংশ। কিছু অংশে শ্রৃঙ্গার রসও বিদ্যমান, কিন্তু প্রধান রস করুণ।

৭০.
"মেঘদূতম" এ মেঘের প্রতীকী অর্থ কী?
  1. বন্ধু
  2. প্রেমিকা
  3. বার্তাবাহক
  4. প্রতিদ্বন্দ্বী
সঠিক উত্তর:
বার্তাবাহক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্তাবাহক
ব্যাখ্যা

মেঘকে কাব্যে বার্তাবাহক (দূত) হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রেমিক মেঘের মাধ্যমে প্রেমিকার কাছে তার বেদনা, প্রেম ও বার্তা পাঠায়। মেঘের প্রতীকী অর্থ হলো দূরত্বে থাকা বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রকৃতির সঙ্গে প্রেমের সংযোগ।

৭১.
মেঘদূতম কাব্যে প্রধানত কোন প্রাকৃতিক উপাদান বর্ণিত হয়েছে?
  1. নদী, পাহাড়, বন
  2. শহর, গৃহ, প্রাসাদ
  3. বাজার, রাস্তা, মেলামেশা
  4. বৃষ্টি, ধূলি, মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
নদী, পাহাড়, বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী, পাহাড়, বন
ব্যাখ্যা

কাব্যে প্রকৃতির চিত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নদী, পাহাড়, বন, বৃষ্টির সাথে মেঘের চলাচল এবং প্রেমিকের অনুভূতি সংযুক্ত হয়েছে। এই প্রাকৃতিক চিত্রণ প্রেমিকের বেদনা ও আশার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে কাব্যকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে।

৭২.
মেঘদূতম কাব্যকে কোন ধরণের কাব্য বলে ধরা হয়?
  1. প্রেমকাব্য
  2. বীরকাব্য
  3. ধর্মকাব্য
  4. রূপকাব্য
সঠিক উত্তর:
প্রেমকাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেমকাব্য
ব্যাখ্যা

মেঘদূতমকে বিশেষভাবে প্রেমকাব্য বলা হয়। কাব্যটি প্রেমিকের বিচ্ছিন্নতা, প্রিয়ার প্রতি অনুভূতি এবং প্রেমের বেদনা প্রকাশ করে। প্রেমিক-মেঘ-প্রকৃতি ত্রয়ী মিলিয়ে প্রেমিকের মনের ভঙ্গিমা এবং বেদনা সুন্দরভাবে চিত্রিত হয়েছে।

৭৩.
কিরাতার্জুনীয়ম কাব্যের রচয়িতা কে?
  1. ভাস
  2. ভবভূতি
  3. জয়দেব
  4. কালিদাস
সঠিক উত্তর:
কালিদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালিদাস
ব্যাখ্যা

কিরাতার্জুনীয়ম মহাকবি কালিদাসের একটি নাট্যকাব্য। এটি সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকাব্যগুলির মধ্যে গণ্য। কালিদাসের কাব্যে কাব্যরস, নাট্যরস, চরিত্র ও প্রকৃতির চিত্রণ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

৭৪.
কিরাতার্জুনীয়ম কাহিনীর মূল কেন্দ্রবিন্দু কী?
  1. শকুন্তলার প্রেম
  2. রামায়ণ যুদ্ধ
  3. কৃষ্ণ-উদ্ধব সংলাপ
  4. অর্জুনের তপস্যা ও কীর্তি
সঠিক উত্তর:
অর্জুনের তপস্যা ও কীর্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্জুনের তপস্যা ও কীর্তি
ব্যাখ্যা

কাব্যটির মূল বিষয় হলো অর্জুনের তপস্যা এবং কীর্তি, বিশেষ করে তিনি কিরাত (পর্বতের সাধারণ শিকারি) রূপে যুদ্ধে অংশ নেন এবং অশ্বত্থামা/শিকারী সংক্রান্ত ঘটনাগুলি। কাব্যে অর্জুনের শক্তি, সাহস এবং তপস্যা প্রকাশিত হয়েছে

৭৫.
কাব্যে “কিরাত” কার প্রতীকী রূপ?
  1. রাধা
  2. কৃষ্ণ
  3. শিব
  4. ইন্দ্র
সঠিক উত্তর:
শিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিব
ব্যাখ্যা

কাব্যে “কিরাতা” হলো শিবের অবতার বা রূপ। শিব কিরাত রূপে অর্জুনের সাথে লড়াই করেন। এই রূপক নাটকে শক্তি, সাধনা এবং অভিজ্ঞান প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। শিবের উপস্থিতি অর্জুনকে পরীক্ষার মাধ্যমে তার তপস্যা ও সাহস যাচাই করে।

৭৬.
কিরাতার্জুনীয়ম নাটকের প্রধান চরিত্র কোনটি?
  1. অর্জুন
  2. রাধা
  3. কৃষ্ণ
  4. শকুন্তলা
সঠিক উত্তর:
অর্জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্জুন
ব্যাখ্যা

নাটকের প্রধান চরিত্র হলো অর্জুন। তিনি পাণ্ডব বংশের প্রধান যুদ্ধবীর। কাব্যে অর্জুনের তপস্যা, সাহস, দক্ষতা এবং শিবের সঙ্গে লড়াই কীর্তি নাটকের মূল উপজীব্য। এর মাধ্যমে অর্জুনের ধর্ম ও মানবিক গুণাবলী ফুটে উঠেছে।

৭৭.
কাব্যের মূল রস কোনটি?
  1. বীর রস
  2. করুণ রস
  3. হাস্য রস
  4. শ্রৃঙ্গার রস
সঠিক উত্তর:
বীর রস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীর রস
ব্যাখ্যা

কিরাতার্জুনীয়মে প্রধান রস হলো বীর রস, যা অর্জুনের সাহসিকতা, যুদ্ধকৌশল এবং তপস্যা প্রদর্শনের মাধ্যমে ফুটে ওঠে। কিছু অংশে শ্রৃঙ্গার ও করুণ রসও বিদ্যমান, তবে মূলত বীর রসেই কাব্যকে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী করে।

৭৮.
কাব্যে অর্জুন কোন ধরনের পরিস্থিতিতে শিবের সঙ্গে লড়াই করেন?
  1. সভার মধ্যে
  2. বনাঞ্চলে
  3. নদীর তীরে
  4. রাজপ্রাসাদে
সঠিক উত্তর:
বনাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বনাঞ্চলে
ব্যাখ্যা

অর্জুন বনাঞ্চলে শিবের (কিরাত) সঙ্গে লড়াই করেন। এটি একটি পরীক্ষামূলক লড়াই, যেখানে অর্জুনকে তার তপস্যা, ধৈর্য ও দক্ষতা প্রমাণ করতে হয়। এই পরিস্থিতি কাব্যের উত্তেজনা এবং বীর রসকে প্রাধান্য দেয়।

৭৯.
কাব্যে অর্জুন কোন বস্তুর জন্য লড়াই করেন?
  1. ধনু
  2. প্রাসাদ
  3. স্বর্ণ
  4. বীজ
সঠিক উত্তর:
ধনু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনু
ব্যাখ্যা

কাব্যে অর্জুন শিবের সঙ্গে লড়াই করেন ধনু (অস্ত্র) জয়ের জন্য। এটি একটি প্রতীকী লড়াই যা অর্জুনের দক্ষতা, সাহস এবং তপস্যাকে পরীক্ষা করে। ধনুর জন্য লড়াই কাব্যের বীর রসকে দৃঢ় করে।

৮০.
কিরাতার্জুনীয়ম কাব্যের উদ্দেশ্য বা শিক্ষা কী?
  1. প্রেমের সৌন্দর্য
  2. তপস্যা, সাহস ও ধর্ম
  3. ধনলাভ
  4. রাজনীতি
সঠিক উত্তর:
তপস্যা, সাহস ও ধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তপস্যা, সাহস ও ধর্ম
ব্যাখ্যা

কিরাতার্জুনীয়ম কাব্যের মূল উদ্দেশ্য হলো অর্জুনের তপস্যা, সাহস এবং ধর্ম প্রদর্শন করা। শিবের পরীক্ষা, কিরাত রূপে লড়াই এবং ধনু জয়ের ঘটনা শিক্ষণীয়। পাঠক বা দর্শক শিক্ষা পান – তপস্যা, ধৈর্য এবং বীরত্ব জীবনে সাফল্যের মূল।

৮১.
নীচের কোনটি ‘গঙ্গাযাঃ + উদকম্’-এর সঠিক সন্ধি রূপ?
  1. গঙ্গায়োদকম্
  2. গঙ্গায়ৌদকম্
  3. গঙ্গায়ুদকম্
  4. গঙ্গায়্বুদকম্
সঠিক উত্তর:
গঙ্গায়ৌদকম্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গায়ৌদকম্
ব্যাখ্যা

এখানে গঙ্গাযাঃ + উদকম্ যুক্ত হচ্ছে।
প্রথম শব্দের শেষে আছে আঃ (দীর্ঘ আ + বিসর্গ) এবং পরের শব্দের শুরু উ স্বরবর্ণ।
সংস্কৃত সন্ধি-নিয়ম অনুসারে: “অঃ + উ → ঔ” (বিসর্গ + স্বর সন্ধি)।
তাই গঠিত রূপ হবে → গঙ্গায়ৌদকম্ (অর্থঃ গঙ্গার জল)।
অন্য বিকল্পগুলো ভুল, কারণ তারা নিয়মমাফিক সন্ধির রূপ পায়নি।

৮২.
নীচের কোন বাক্যে চতুর্থী বিভক্তি (সম্প্রদান কারক) সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বালকঃ পুস্তকম্ পঠতি।
  2. বালঃ গৃহম্ গচ্ছতি।
  3. বালিকা ক্রীড়য়া তুষ্যতি।
  4. অহং গুরুবে পুষ্পম্ দদামি।
সঠিক উত্তর:
অহং গুরুবে পুষ্পম্ দদামি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অহং গুরুবে পুষ্পম্ দদামি।
ব্যাখ্যা

চতুর্থী বিভক্তি = সম্প্রদান কারক, অর্থাৎ কারো প্রতি “দেওয়া”, “অর্পণ”, “উৎসর্গ” ইত্যাদি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

৮৩.
(রাজপুরুষ) কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. দ্বন্দ্ব সমাস
  2. বহুব্রীহি সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস
  4. দ্বিগু সমাস
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা

এখানে "রাজার পুরুষ" → "রাজপুরুষ" হয়েছে। অর্থাৎ প্রথম পদ (রাজ) দ্বিতীয় পদকে বিশেষিত করেছে। তাই এটি তৎপুরুষ সমাস।

৮৪.
(যথাশক্তি = শক্তি অনুসারে) কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. তৎপুরুষ সমাস
  2. বহুব্রীহি সমাস
  3. দ্বিগু সমাস
  4. অব্যয়ীভাব সমাস
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা

অব্যয় পদ (যথা) + শক্তি = "যথাশক্তি" (শক্তি অনুযায়ী)। প্রথম অব্যয় অক্ষুণ্ণ থাকে। তাই অব্যয়ীভাব সমাস।

৮৫.
“যথাশক্তি” শব্দটি কোন শ্রেণীর অব্যয়?
  1. অব্যয়ীভাব সমাসজাত অব্যয়
  2. নিপাত অব্যয়
  3. কৃতপ্রত্যয়জাত অব্যয়
  4. তদ্ধিতপ্রত্যয়জাত অব্যয়
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাসজাত অব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যয়ীভাব সমাসজাত অব্যয়
ব্যাখ্যা

এখানে "যথা + শক্তি" মিলে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে। অব্যয়ীভাব সমাসে প্রথম পদ সাধারণত অব্যয় হয়, যেমন যথা, প্রতি, উপ, সম্ ইত্যাদি। এর থেকে গঠিত রূপ অব্যয় হয়। "যথাশক্তি" মানে – শক্তি অনুযায়ী। তাই এটি অব্যয়ীভাব সমাসজাত অব্যয়।

৮৬.
“সীতা” শব্দে কোন স্ত্রী-প্রত্যয় যোগ হয়েছে?
  1. টাপ্
  2. ঙীপ্
  3. ঙীষ্
  4. ক্বিপ্
সঠিক উত্তর:
টাপ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাপ্
ব্যাখ্যা

"সীত" ধাতু থেকে স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ গঠনের জন্য টাপ্ প্রত্যয় যোগ হয় → "সীতা"। টাপ্ প্রত্যয়ে আকারান্ত স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ তৈরি হয়।

৮৭.
“লভ্ (লভ – পাওয়া)” ধাতুটি কোন পদে ব্যবহৃত হয়?
  1. কেবল পরস্মৈপদ
  2. কেবল আত্মনেপদ
  3. উভয়পদী
  4. অব্যয়
সঠিক উত্তর:
কেবল আত্মনেপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবল আত্মনেপদ
ব্যাখ্যা

"লভ্" ধাতুর অর্থ ‘পাওয়া’। এটি আত্মনেপদ ধাতু, যেমন— লভতে (সে পায়)। পরস্মৈপদে এর ব্যবহার হয় না। তাই এটি আত্মনেপদ ধাতুর উদাহরণ।

৮৮.
“ক্রীড়্ (খেলা)” ধাতুটি কোন পদে ব্যবহৃত হয়?
  1. কেবল আত্মনেপদ
  2. কেবল পরস্মৈপদ
  3. উভয়পদী
  4. অব্যয়
সঠিক উত্তর:
কেবল আত্মনেপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেবল আত্মনেপদ
ব্যাখ্যা

"ক্রীড়্" ধাতুর অর্থ ‘খেলা’। এটি আত্মনেপদে ব্যবহৃত হয়, যেমন— ক্রীড়তে (সে খেলে)। পরস্মৈপদে এ ধাতু ব্যবহার হয় না।

৮৯.
“পাঠক” (যিনি পাঠ করেন) শব্দটি কোন প্রত্যয়ে গঠিত?
  1. তদ্ধিত প্রত্যয় “অণ”
  2. কৃত্‌ প্রত্যয় “ক্ত”
  3. তদ্ধিত প্রত্যয় “ময়”
  4. কৃত্‌ প্রত্যয় “ণ্বুল" (অক)
সঠিক উত্তর:
কৃত্‌ প্রত্যয় “ণ্বুল" (অক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃত্‌ প্রত্যয় “ণ্বুল" (অক)
ব্যাখ্যা

“পঠ্” ধাতুর সঙ্গে ণ্বুল্ (অক) কৃত্‌ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয় “পাঠক”। কৃত্‌ প্রত্যয় সাধারণত ধাতুতে যুক্ত হয়ে কর্তার বা কর্মের নাম নির্দেশ করে।

৯০.
“কৃষ্ণ + তর” = কোন রূপ হবে?
  1. কৃষ্ণতার
  2. কৃষ্ণতর
  3. কৃ্ষ্ণষ্ঠ
  4. কৃষ্ণর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণতর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণতর
ব্যাখ্যা

“কৃষ্ণ” শব্দের পরে “তর” যুক্ত হলে, এখানে ণত্ব বিধান কার্যকর হয় না। তাই সঠিক রূপ “কৃষ্ণতর” (অর্থাৎ আরও কৃষ্ণ বা আরও কালো)।

৯১.
বাংলা বাক্য “শিক্ষকরা ছাত্রদের পাঠ শেখান” → সংস্কৃতে সঠিক অনুবাদ হবে—
  1. আচার্যাঃ ছাত্রান্ পাঠম্ পঠন্তি।
  2. আচার্যাঃ ছাত্রেব্যঃ পাঠম্ উপদিশন্তি।
  3. আচার্যঃ ছাত্রান্ পাঠম্ পঠতি।
  4. আচার্যাঃ ছাত্রান্ পুস্তকম্ দদতি।
সঠিক উত্তর:
আচার্যাঃ ছাত্রেব্যঃ পাঠম্ উপদিশন্তি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আচার্যাঃ ছাত্রেব্যঃ পাঠম্ উপদিশন্তি।
ব্যাখ্যা

কর্তা “শিক্ষকরা” → আচার্যাঃ (প্রথমা বহুবচন), কর্ম “ছাত্রদের” → ছাত্রেব্যঃ (চতুর্থী বহুবচন), ক্রিয়া “শেখান” → উপদিশন্তি।

৯২.
বাংলা বাক্য “বইটি আমার দ্বারা পড়া হয়” (কর্মবাচ্যে) → সংস্কৃতে অনুবাদ হবে—
  1. পুস্তকম্ ময়া পঠ্যতে।
  2. পুস্তকম্ ময়া পঠতি।
  3. পুস্তকম্ ময়ি পঠ্যতে।
  4. পুস্তকম্ ত্বয়া পঠ্যতে।
সঠিক উত্তর:
পুস্তকম্ ময়া পঠ্যতে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুস্তকম্ ময়া পঠ্যতে।
ব্যাখ্যা

এখানে কর্মবাচ্য বাক্য। কর্তা (আমি) অপসারিত, “আমার দ্বারা” → ময়া (তৃতীয়া বিভক্তি), কর্ম “বই” → পুস্তকম্, ক্রিয়া কর্মবাচ্যে → পঠ্যতে।

৯৩.
বাংলা বাক্য “রাজা সভায় অতিথিকে ফল দিলেন” → সংস্কৃতে অনুবাদ হবে—
  1. রাজা সভায় অতিথয় অন্নম্ দদাতি।
  2. রাজা সভায় অতিথয় ফলম্ গচ্ছতি।
  3. রাজা সভায় অতিথয় ফলম্ পঠতি।
  4. রাজা সভায় অতিথয় ফলম্ দদৌ।
সঠিক উত্তর:
রাজা সভায় অতিথয় ফলম্ দদৌ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা সভায় অতিথয় ফলম্ দদৌ।
ব্যাখ্যা

কর্তা “রাজা” → রাজা, স্থান “সভায়” → সভায়ম্, কর্ম “অতিথিকে” → অতিথয় (চতুর্থী একবচন), বস্তু “ফল” → ফলম্, ক্রিয়া অতীতে “দিলেন” → দদৌ (লङ্ লকার, দ্বিতীয়া পুরুষ একবচন)।

৯৪.
বাংলা বাক্য “গরুগুলি মাঠে ঘাস খায়” → সংস্কৃতে অনুবাদ হবে—
  1. গাভাঃ ক্ষেত্রে ফলম্ খাদন্তি।
  2. গাভী ক্ষেত্রে তৃণম্ খাদতি।
  3. গাভাঃ ক্ষেত্রে তৃণম্ খাদন্তি।
  4. গাভাঃ ক্ষেত্রে তৃণম্ পঠন্তি।
সঠিক উত্তর:
গাভাঃ ক্ষেত্রে তৃণম্ খাদন্তি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাভাঃ ক্ষেত্রে তৃণম্ খাদন্তি।
ব্যাখ্যা

কর্তা “গরুগুলি” → গাভাঃ (প্রথমা বহুবচন), স্থান “মাঠে” → ক্ষেত্রে, কর্ম “ঘাস” → তৃণম্, ক্রিয়া “খায়” → খাদন্তি (তৃতীয়া পুরুষ বহুবচন)।

৯৫.
বাংলা বাক্য “ভ্রাতার সঙ্গে বোন বিদ্যালয়ে যায়” → সংস্কৃতে অনুবাদ হবে—
  1. ভ্রাতৃণা সহ ভগিনী বিদ্যালয়ম্ গচ্ছতি।
  2. ভ্রাতা সহ ভগিনী বিদ্যালয়ম্ গচ্ছতি।
  3. ভ্রাতারম্ সহ ভগিনী বিদ্যালয়ম্ গচ্ছতি।
  4. ভ্রাতৃণা সহ ভগিনী বিদ্যালয়ম্ পঠতি।
সঠিক উত্তর:
ভ্রাতৃণা সহ ভগিনী বিদ্যালয়ম্ গচ্ছতি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্রাতৃণা সহ ভগিনী বিদ্যালয়ম্ গচ্ছতি।
ব্যাখ্যা

“ভ্রাতার সঙ্গে” = ভ্রাতৃণা সহ (তৃতীয়া বিভক্তি), কর্তা “বোন” → ভগিনী, ক্রিয়া “যায়” → গচ্ছতি, কর্ম “বিদ্যালয়ে” → বিদ্যালয়ম্।

৯৬.
বাংলা বাক্য “আমি বই পড়ি” → সংস্কৃতে অনুবাদ হবে—
  1. ময়া পুস্তকম্ পঠ্যতে।
  2. অহং পুস্তকম্ পঠামি।
  3. পুস্তকম্ পঠতি।
  4. অহং পুস্তকম্ লিখামি।
সঠিক উত্তর:
অহং পুস্তকম্ পঠামি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অহং পুস্তকম্ পঠামি।
ব্যাখ্যা

কর্তা “আমি” → অহং, কর্ম “বই” → পুস্তকম্, ক্রিয়া “পড়ি” → পঠামি (লট্ লকারে প্রথম পুরুষ একবচন)।

৯৭.
বাংলা বাক্য “সে বিদ্যালয়ে যায়” → সংস্কৃতে অনুবাদ হবে—
  1. সঃ বিদ্যালয়ম্ পঠতি।
  2. সঃ পুস্তকম্ পঠতি।
  3. সঃ বিদ্যালয়ম্ গচ্ছতি।
  4. সঃ বিদ্যালয়ম্ করোতি।
সঠিক উত্তর:
সঃ বিদ্যালয়ম্ গচ্ছতি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঃ বিদ্যালয়ম্ গচ্ছতি।
ব্যাখ্যা

কর্তা “সে” → সঃ, গন্তব্য “বিদ্যালয়ে” → বিদ্যালয়ম্ (দ্বিতীয়া বিভক্তি), ক্রিয়া “যায়” → গচ্ছতি (লট্ লকারে তৃতীয়া পুরুষ একবচন)।

৯৮.
বাংলা বাক্য “আমরা জল পান করি” → সংস্কৃতে অনুবাদ হবে—
  1. বয়ম্ জলম্ পিবামঃ।
  2. ময়া জলম্ পিবামি।
  3. বয়ম্ পুস্তকম্ পঠামঃ।
  4. তে জলম্ পিবন্তি।
সঠিক উত্তর:
বয়ম্ জলম্ পিবামঃ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বয়ম্ জলম্ পিবামঃ।
ব্যাখ্যা

কর্তা “আমরা” → বয়ম্, কর্ম “জল” → জলম্, ক্রিয়া “পান করি” → পিবামঃ (প্রথম পুরুষ বহুবচন)

৯৯.
বাংলা বাক্য “ছাত্ররা পাঠ শিখে” → সংস্কৃতে অনুবাদ হবে—
  1. ছাত্রঃ পাঠম্ পঠতি।
  2. ছাত্রাঃ পাঠম্ পঠন্তি।
  3. বালকাঃ খেলন্তি।
  4. ছাত্রঃ বিদ্যালয়ম্ গচ্ছতি।
সঠিক উত্তর:
ছাত্রাঃ পাঠম্ পঠন্তি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রাঃ পাঠম্ পঠন্তি।
ব্যাখ্যা

কর্তা “ছাত্ররা” → ছাত্রাঃ (প্রথমা বহুবচন), কর্ম “পাঠ” → পাঠম্, ক্রিয়া “শিখে/পড়ে” → পঠন্তি (তৃতীয়া পুরুষ বহুবচন)।

১০০.
বাংলা বাক্য “মা ভাত রান্না করেন” → সংস্কৃতে অনুবাদ হবে—
  1. মাতা অন্নম্ পচতি।
  2. অহং অন্নম্ পচামি।
  3. মাতা অন্নম্ খাদতি।
  4. মাতা অন্নম্ পঠতি।
সঠিক উত্তর:
মাতা অন্নম্ পচতি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতা অন্নম্ পচতি।
ব্যাখ্যা

কর্তা “মা” → মাতা, কর্ম “ভাত/অন্ন” → অন্নম্, ক্রিয়া “রান্না করেন” → পচতি (রাঁধেন, তৃতীয়া পুরুষ একবচন)। তাই অনুবাদ হবে → মাতা অন্নম্ পচতি।

১০১.
Choose the correct sentence:
  1. It is high time you making a decision.
  2. It is high time you make a decision.
  3. It is high time you made a decision.
  4. It is high time you could make a decision.
সঠিক উত্তর:
It is high time you made a decision.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It is high time you made a decision.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: It is high time you made a decision.

• Use of It is time/ It is high time:
- It is time/ It is high time এরপর যদি subject থাকে তাহলে পরবর্তী verb টি past indefinite tense এ হয়।
- কোনো কিছু করার এখনই উপযুক্ত সময় অর্থে It is time/ It is high time ব্যবহৃত হয়।

- নিয়মানুযায়ী, প্রদত্ত বাক্যে It is high time এর পরে subject (you) আছে, তাই এর পরে verb এর past form (made) বসবে।

• More examples:
- It is high time she left the place.
- It is high time you started studying.

• তবে, It is time/It is high time এরপর যদি subject না থাকে তবে to + verb হয়।
- যেমন: It is high time to stop corruption.

অন্য অপশন বিশ্লেষণ-
ক) It is high time you making a decision.
→ ভুল, কারণ verb এর past form হবে।

খ) It is high time you make a decision.
→ ভুল, কারণ verb এর past form (made) হবে।

ঘ) It is high time you could make a decision.
→ ভুল, কারণ could make দ্বারা অতীতের কাজ বুঝানো হয়, কিন্তু It is high time দ্বারা বর্তমানের কাজ বুঝানো হয়।

Source:
1. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

১০২.
গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ কে ছিলেন?
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  3. শ্রীগুপ্ত
  4. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
শ্রীগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীগুপ্ত
ব্যাখ্যা

গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টীয় তিন শতকের শেষ এবং চার শতকের প্রথমদিকে সম্ভবত প্রথম চন্দ্রগুপ্ত অথবা সমুদ্রগুপ্তের মাধ্যমে বাংলায় গুপ্ত শাসন সম্প্রসারিত হয়।
- শ্রীগুপ্ত হচ্ছেন গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ।
- এল্যানের মতে, পাটলীপুত্র (মগধের অভ্যন্তরে) নগরের অদূরে শ্রীগুপ্তের রাজত্ব ছিল।
- প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কুমারগুপ্তের সময় (৪৩২-৪৪৮ খ্রি.) থেকে উত্তর বাংলা গুপ্ত সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে গড়ে ওঠে।
- এটির নাম ছিল তখন ‘পুন্ড্রবর্ধন ভুক্তি’।
- হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৩.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) এর বর্তমান সভাপতি কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  2. আলী ইমাম মজুমদার
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. ফয়েজ আহমদ
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- গঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- সভাপতি: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। (অক্টোবর, ২০২৫)
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি: সালেহউদ্দিন আহমেদ। (অক্টোবর, ২০২৫)
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১০৪.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. পাবনা
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১০৫.
বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কোন স্থানে?
  1. দিল্লি
  2. পাটনা
  3. কানপুর
  4. বিহার
সঠিক উত্তর:
বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিহার
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় বিহারে।
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন। সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়। মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১০৬.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ৩.১%
  2. ৩.৭%
  3. ৪.৩%
  4. ৫.৮%
সঠিক উত্তর:
৩.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৭%
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১০৭.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা কয়টি? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ২৬টি
  2. ২৭টি
  3. ২৮টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা

সিভিল সার্ভিস ক্যাডার:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।

তথ্যসূত্র - কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

১০৮.
নিচের কোন জেলায় ওরাওঁ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. কক্সবাজার
  2. কুড়িগ্রাম
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- তারা মুঘল শাসনামলে বরেন্দ্র অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং সে অঞ্চলে তাদের স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।
- ওরাওঁরা জড়োপাসক, তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’।
- ওরাওঁরা তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরমেশকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা করে এবং তাঁর উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১০৯.
ন্যাটো (NATO) চার্টারের কোন ধারায় 'শান্তিপূর্ণ সমাধানের' কথা বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ২
  3. অনুচ্ছেদ ৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে গঠন করা হয় সামরিক জোট NATO।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল)।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

• ন্যাটোর অনুচ্ছেদ: ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ছোট। মাত্র ১৪টি ধারার। এগুলো হলো:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

১১০.
নিম্নের কোন মতবাদে 'রাষ্ট্রের বিভিন্ন দায়িত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের কথা বলা হয়েছে?
  1. মার্ক্সবাদ
  2. নব্য-উদারতাবাদ
  3. বাস্তববাদ
  4. গঠনবাদ
সঠিক উত্তর:
বাস্তববাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তববাদ
ব্যাখ্যা

◉ বাস্তববাদ (Realism):
➝ It emphasizes the role of the state, national interest, and power in world politics.
➝ অর্থাৎ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই তত্ত্বটি রাষ্ট্রের বিভিন্ন দায়িত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের কথা বলে।

◉ মার্ক্সবাদ (Marxism):
➝ Marxism, a body of doctrine developed by Karl Marx and, to a lesser extent, by Friedrich Engels in the mid-19th century. It originally consisted of three related ideas: a philosophical anthropology, a theory of history, and an economic and political program.
➝ মার্ক্সবাদ মূলত একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শন। ঐতিহাসিক বস্তুবাদ , দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ, উদ্বৃত্ত্ব মুল্যতত্ত্ব ও শ্রেণিসংগ্রাম এই চারটি বিষয়কে কেন্দ্র করে মার্কসবাদ বিকশিত হয়েছে।

◉ নব্য-উদারতাবাদ (Neoliberalism):
➝ Neoliberalism, ideology and policy model that emphasizes the value of free market competition.
➝ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নব্য উদারতাবাদের ধারনাটির ব্যাপক পরিচয় তুলে ধরেন রবার্ট কোহেন। এই তত্ত্ব অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহহের জাতীয় স্বার্থ হাসিলের জন্য আন্তর্জাতিক সংগঠেনর কোন বিকল্প নাই।

◉ গঠনবাদ (Constructivism):
➝ According to this approach, the behaviour of humans is determined by their identity, which itself is shaped by society’s values, history, practices, and institutions.
➝ এই তত্ত্বের মূল কথা হলো আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি বিভিন্ন আদর্শের উপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি আরো বলা আছে, মানুষের আচরণ তার পারিপার্শিক বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে। সরাসরি আন্তর্জাতিক সংগঠনের কথা না বলা থাকলেও অন্তর্নিহিত ধারণা হলো, শক্তিশালি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি সামগ্রিকভাবে কল্যাণকর।
এছাড়াও আছে - Regime Theory, Functionalism. etc.

উৎস: Britannica.com এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ; লেখক: তারেক শামসুর রহমান। Liberalism & International theory; A Moravcsik.

১১১.
নিম্নের কোন দেশে সমুদ্র বন্দর নাই?
  1. মঙ্গোলিয়া
  2. আজারবাইজান
  3. লাওস
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সমুদ্র বন্দরহীন দেশ:
- যেসব দেশের সাথে সমুদ্র সীমা নেই সেসব দেশকে স্থল বেষ্টিত দেশ (Landlocked country) বলে।

এশিয়ার কয়েকটি স্থল বেষ্টিত দেশ হচ্ছে:
- আফগানিস্তান,
- আর্মেনিয়া,
- আজারবাইজান,
- ভুটান,
- তুর্কমেনিস্তান,
- কাজাখস্তান,
- কিরগিজস্তান,
- লাওস,
- মঙ্গোলিয়া,
- নেপাল,
- তাজিকিস্তান এবং
- উজবেকিস্তান।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১১২.
নিম্নের কোন সভ্যতা পতনের পর প্রাচীন গ্রীক সভ্যতার সূচনা হয়?
  1. মাইসেনিয়ান সভ্যতা
  2. মিনোয়ান সভ্যতা
  3. সামারিয়ান সভ্যতা
  4. নিওলিথিক সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
মাইসেনিয়ান সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইসেনিয়ান সভ্যতা
ব্যাখ্যা

• গ্রিক সভ্যতা:
- প্রাচীন গ্রিক সভ্যতা, মাইসেনিয়ান সভ্যতার পরের সময়কাল।
- প্রাচীন গ্রিস তার উচ্চতায় এশিয়া মাইনর, দক্ষিণ ইতালি, সিসিলি এবং গ্রীক দ্বীপপুঞ্জের বসতি নিয়ে গঠিত।
- এটি শহর-রাজ্যে বিভক্ত ছিল-এথেন্স এবং স্পার্টা।
- গ্রিক সংস্কৃতি হেলেনীয় সংস্কৃতি নামে বেশি পরিচিত।
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের সৃষ্টি আজও মানব সমাজের মূল্যবান সম্পদ।
- হোমারের মহাকাব্য 'ইলিয়ড' এবং ‘ওডিসি' মহাকাব্যের অপূর্ব নিদর্শন।
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্ৰ গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।

সূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৩.
'অরেঞ্জ বিপ্লবের' কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কোন শহর পরিচিত?
  1. ওডেসা
  2. মস্কো
  3. কিয়েভ
  4. মিনস্ক
সঠিক উত্তর:
কিয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়েভ
ব্যাখ্যা

অরেঞ্জ বিপ্লব:
- ‘অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- এটি সংঘটিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত।

সূত্র - Britannica.com

১১৪.
নিম্নের কত তারিখে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৪৪ সালের ২৪ অক্টোবর
  2. ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
  3. ১৯৪৫ সালের ১০ অক্টোবর
  4. ১৯৪৪ সালের ১২ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।

সূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১১৫.
স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা নিম্নের কে?
  1. হেনরি ডুন্যান্ট
  2. নেলসন ম্যান্ডেলা
  3. মেলভিন জোন্স
  4. রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল
ব্যাখ্যা

স্কাউট আন্দোলন (Scout Movement):
- বিশ্বব্যাপী তরুণদের চরিত্র, নেতৃত্ব, এবং দায়িত্ববোধ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক আন্দোলন।
- প্রতিষ্ঠার সাল: ১৯০৭ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: রবার্ট ব্যাডেন -পাওয়েল (Robert Baden-Powell)।
- প্রথম স্কাউট ক্যাম্প: ব্রাউনসি দ্বীপ, ইংল্যান্ড, ১৯০৭ সালৈ।
- মূল সংগঠন: World Organization of the Scout Movement (WOSM).
- প্রধান কার্যালয়: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

• মূল উদ্দেশ্য:
- তরুণদের শারীরিক, মানসিক, নৈতিক ও সামাজিক বিকাশের মাধ্যমে ভালো নাগরিক তৈরি করা
- মূলমন্ত্র (Motto): "Be Prepared" (প্রস্তুত থাকো)
- মূলনীতি: কর্তব্যপরায়ণতা, সাহায্যকারিতা ও চরিত্রগঠন।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১১৬.
'Inter-Services Intelligence (ISI)' নিম্নের কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. জাপান
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

• Inter Service Intelligence (ISI)
​ - আইএসআই পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালিন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ রবার্ট কাউথম এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
​- ।S। মূলত দেশের বাহিরে পাকিস্তানের স্বার্থ সংরক্ষণে কাজে নিয়োজিত।
- ​তবে পাকিস্তানের অভ্যন্তীরণ রাজনীতিতেও এর ব্যাপক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
- ​আইএসআই -এর নেতৃত্বে থাকেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল/মেজর জেনারেল পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক [ডিজি];
-​ তিনি এখনও পর্যন্ত সেনাবাহিনী থেকে নিযুক্ত একজন কর্মরত কর্মকর্তা।

অন্যদিকে,
• জাপানের গোয়েন্দা সংস্থার নাম নাইচো।
• ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার নাম RAW। ​​

উৎস: ব্রিটানিকা & নিউইয়র্ক টাইমস।

১১৭.
সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন -
  1. গ্রিকরা
  2. চীনারা
  3. রোমানরা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রিকরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিকরা
ব্যাখ্যা

• গ্রিকদের অবদান:
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- প্রাচীন বিশ্বের প্রাচীনতম মানচিত্র তৈরি করেন - ব্যাবিলনীয়রা.
- পৃথিবীর বৃত্তাকার মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রিক বিজ্ঞানিরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে।
- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।
- জ্যামিতি বিষয়ে পণ্ডিত ইউক্লিড পদার্থবিদ্যায়ও পারদর্শী ছিলেন।
- বিখ্যাত গণিতবিদ পিথাগোরাস, চিকিৎসা বিজ্ঞানী হিপোক্রেটসের যথেষ্ট খ্যাতি ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

১১৮.
'MERCOSUR' নিচের কোন অঞ্চলের বাণিজ্য জোট হিসেবে পরিচিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. উত্তর আফ্রিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

MERCOSUR:
- 'MERCOSUR' হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার একটি বাণিজ্য জোট।
- প্রতিষ্ঠা: ২৬ মার্চ, ১৯৯১ সাল
- সদরদপ্তর মন্টিভিডিও, উরুগুয়ে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: 'Treaty of Asuncion'.
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারাগুয়ের রাজধানী আসুনসিয়ন।
- প্রধান ভাষা: স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৫টি (আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়া, উরুগুয়ে। (অক্টোম্বর, ২০২৫)
- ভেনেজুয়েলার সদস্যপদ স্থগিত করা হয় ২০১৬ সালে।
- সহযোগী সদস্য:, পানামা, চিলি, পেরু, ইকুয়েডর, গায়ানা, সুরিনাম, কলম্বিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১১৯.
যদি a + b + c = 0 হয়, তাহলে (a3 + b3 + c3 )2 = ?
  1. 3a2b2c2
  2. 9abc
  3. 27abc
  4. 9a2b2c2
সঠিক উত্তর:
9a2b2c2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9a2b2c2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি a + b + c = 0 হয়, তাহলে (a3 + b3 + c3 )2 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + b + c = 0

আমরা জানি,
a3 + b3 + c3 - 3abc = (a + b + c)(a2 + b2 + c2 - ab - bc - ca)
⇒ a3 + b3 + c3 - 3abc = 0
∴ a3 + b3 + c3 = 3abc

প্রদত্ত রাশি,
(a3 + b3 + c3)2 = (3abc)2 = 9a2b2c2

১২০.
একজন পরীক্ষার্থীকে 13 টি প্রশ্ন থেকে 6টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এর মধ্যে প্রথম 5টি থেকে ঠিক 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সে কত প্রকারে প্রশ্নগুলো বাছাই করতে পারবে?
  1. 480
  2. 560
  3. 720
  4. 360
সঠিক উত্তর:
560
উত্তর
সঠিক উত্তর:
560
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন পরীক্ষার্থীকে 13 টি প্রশ্ন থেকে 6টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এর মধ্যে প্রথম 5টি থেকে ঠিক 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সে কত প্রকারে প্রশ্নগুলো বাছাই করতে পারবে?

সমাধান:
মোট প্রশ্ন 13 টি
প্রথম 5টি থেকে ঠিক 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে,
তাহলে বাকি 8টি থেকে 3টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।

মোট বাছাই সংখ্যা = 5c3 × 8c3
= 10 × 56
= 560

১২১.

  1. 64
  2. 48
  3. 16
  4. 32
সঠিক উত্তর:
32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
32
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:


১২২.
দুইটি সংখ্যার অনুপাত 7 : 9 এবং তাদের ল.সা.গু 189। সংখ্যা দুটি কী কী?
  1. 35 এবং 45
  2. 21 এবং 27
  3. 14 এবং 18
  4. 28 এবং 36
সঠিক উত্তর:
21 এবং 27
উত্তর
সঠিক উত্তর:
21 এবং 27
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত 7 : 9 এবং তাদের ল.সা.গু 189। সংখ্যা দুটি কী কী?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যা দুইটি 7x এবং 9x.
∴ সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু. = x
এবং সংখ্যা দুইটির গুণফল = 63x2

আমরা জানি,
দুইটির গুণফল = সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু. × গ.সা.গু.
63x2 = 189 × x
63x = 189
∴ x = 3
∴ সংখ্যা দুইটি যথাক্রমে 3 × 7 = 21 এবং 3 × 9 = 27

১২৩.
A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে k এর মান কত?
  1. 11
  2. 2
  3. - 4
  4. 8
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে k এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k)

আমরা জানি,
(X1, Y1) ও (X2, Y2) বিন্দুগামী রেখার ঢাল = (y2​ - y1​​)/(x2​ - x1​)
তিনটি বিন্দু A(1, 2), B(4, 5) এবং C(7, k) সমরেখ হলে, তাদের মধ্যে যেকোনো দুইটি বিন্দু দ্বারা নির্ধারিত সরলরেখার ঢাল এবং তৃতীয় বিন্দুর সাথে অন্য একটি বিন্দুর মধ্যকার ঢাল সমান হবে।
এখন,
AB এর ঢাল,
mAB​ = (y2​ - y1​​)/(x2​ - x1​)
= (5 - 2)/(4 - 1)
= 3/3
= 1

আবার,
BC এর ঢাল
mBC = (y2​ - y1​​)/(x2​ - x1​)
= (k - 5)/(7 - 4)
= (k - 5)/3

∴ তিনটি বিন্দু সমরেখ হলে ঢাল দুটি সমান হবে।
∴ (k - 5)/3 = 1
⇒ k - 5 = 3
⇒ k = 5 + 3
⇒ k = 8

সুতরাং, k এর মান 8

১২৪.
P(A ∩ B) = 1/3, P(A ∪ B) = 5/6 এবং P(B) = 2/3 হয়, তাহলে P(A) এর মান নির্নয় করুন?
  1. 1/2
  2. 4/3
  3. 2/3
  4. 1/6
সঠিক উত্তর:
1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P(A ∩ B) = 1/3, P(A ∪ B) = 5/6 এবং P(B) = 2/3 হয়, তাহলে P(A) এর মান নির্নয় করুন?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
P(A ∩ B) = 1/3
P(A ∪ B) = 5/6
এবং P(B) = 2/3

আমরা জানি,
P(A ∪ B) = P(A) + P(B) - P(A ∩ B)
⇒ 5/6 = P(A) + (2/3) - (1/3)
⇒ P(A) = (5/6) + (1/3) - (2/3)
= (5 + 2 - 4)/6
= 3/6
∴ P(A) = 1/2

১২৫.
a + 2a + 3a + 4a + ...................... সমান্তর ধারার n-তম পদ ও সাধারণ অন্তরের অনুপাত কত?
  1. n : 2
  2. 2 : n
  3. n : 1
  4. n2
সঠিক উত্তর:
n : 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
n : 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a + 2a + 3a + 4a + ..............সমান্তর ধারার n-তম পদ ও সাধারণ অন্তরের অনুপাত কত?

সমাধান:
প্রথম পদ, A1 = a
সাধারণ অন্তর, d = 2a - a = a

আমরা জানি,
n তম পদ = A1 + (n - 1)d
= a + (n - 1)a
= a + na - a
= na

∴ n-তম পদ এবং সাধারণ অন্তরের অনুপাত = na : a = n : 1

১২৬.
বিষমবাহু ΔABC-এর বাহুগুলির মান এমনভাবে নির্ধারিত যে, AD মধ্যমা দ্বারা গঠিত ΔABD-এর ক্ষেত্রফল y বর্গমিটার। ΔABC-এর ক্ষেত্রফল কত?
  1. y2 বর্গমিটার
  2. (√y/3)3 বর্গমিটার
  3. (y/2)2 বর্গমিটার
  4. 2y বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
2y বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2y বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বিষমবাহু ΔABC-এর বাহুগুলির মান এমনভাবে নির্ধারিত যে, AD মধ্যমা দ্বারা গঠিত ΔABD-এর ক্ষেত্রফল y বর্গমিটার। ΔABC-এর ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:

আমরা জানি,
যে কোন ত্রিভুজের মধ্যমা ঐ ত্রিভুজকে সমদ্বিখণ্ডিত করে

যেহেতু ত্রিভুজ ABD এর ক্ষেত্রফল y বর্গমিটার
অতএব ,ত্রিভুজ ACD এর ক্ষেত্রফল হবে y বর্গমিটার ।

অতএব , ABC এর ক্ষেত্রফল = ∆ABD এর ক্ষেত্রফল + ∆ACD এর ক্ষেত্রফল
= y + y
= 2y বর্গমিটার

১২৭.
গ্যালাক্সির স্পেকট্রাল রেখাগুলি রেডশিফটেড হলে বোঝায়, গ্যালাক্সিটি -
  1. পৃথিবীর দিকে ধাবিত হচ্ছে
  2. পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে
  3. মোটেই নড়ছে না
  4. নিজের অক্ষে ঘূর্ণায়মান
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে
ব্যাখ্যা

• গ্যালাক্সির স্পেকট্রাল রেখার রেডশিফট (Redshift):
- রেডশিফট হলো সেই প্রক্রিয়া যেখানে একটি গ্যালাক্সি বা আকাশীয় বস্তুর আলো দীর্ঘতর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে স্থানান্তরিত হয়।
- এর মানে হলো, গ্যালাক্সিটি পর্যবেক্ষকের দিক থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
- এটি মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- রেডশিফটের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে কোন গ্যালাক্সি আমাদের থেকে কত দ্রুত দূরে সরে যাচ্ছে।
- রেডশিফটের কারণ: গ্যালাক্সির গতিবেগ এবং মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ।
- ডপলার ইফেক্টের মতো, আলোও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন দেখায়, কিন্তু গ্যালাক্সির আপাত অবস্থান পরিবর্তিত হয় না।

• গ্যালাক্সির ব্লুশিফট (Blueshift):
- ব্লুশিফট হলো সেই প্রক্রিয়া যেখানে গ্যালাক্সির আলো ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যে স্থানান্তরিত হয়।
- এর মানে হলো, গ্যালাক্সিটি পর্যবেক্ষকের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
- এটি গ্যালাক্সির আপেক্ষিক গতিবেগ নির্ণয়ে সহায়ক।

• গ্যালাক্সির ঘূর্ণন:
- একটি গ্যালাক্সি নিজ অক্ষে ঘূর্ণায়মান হতে পারে।
- তবে এর ফলে সাধারণভাবে রেডশিফট বা ব্লুশিফট দেখা যায় না।
- ঘূর্ণন শুধুমাত্র গ্যালাক্সির অভ্যন্তরীণ গ্যাস বা তারা গতির পরিবর্তন ঘটায়।

- সুতরাং, গ্যালাক্সির স্পেকট্রাল রেখাগুলি রেডশিফটেড হলে বোঝায় যে গ্যালাক্সিটি পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
- সঠিক উত্তর: খ) পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

সূত্র: NASA [link]

১২৮.
'Torque' - এর সঙ্গে জড়িত শব্দ কোনটি?
  1. Acceleration
  2. Mass
  3. Friction
  4. Twist
সঠিক উত্তর:
Twist
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Twist
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'Torque' - এর সঙ্গে জড়িত শব্দ কোনটি?

সমাধান:

• টর্ক (Torque):
- টর্ক হলো একটি ফোর্স যা কোনো বস্তু ঘূর্ণন করানোর ক্ষমতা রাখে।
- এটি সরলরেখার গতি নয়, বরং ঘূর্ণন বা টুইস্টের সাথে সম্পর্কিত।
- টর্ক নির্ভর করে ফোর্সের আকার এবং ফোর্স প্রয়োগের দূরত্বের উপর।
- সরলরেখার ত্বরণ (Acceleration) বা ভর (Mass) সরাসরি টর্কের সংজ্ঞার সাথে সম্পর্কিত নয়।
- ঘর্ষণ (Friction) টর্কে প্রভাব ফেলতে পারে, কিন্তু টর্কের মূল সংজ্ঞা নয়।

সুতরাং, টর্কের সঙ্গে জড়িত শব্দ হলো Twist.
সঠিক উত্তর: ঘ) Twist.

• Acceleration (ত্বরণ):
- ত্বরণ হলো গতির পরিবর্তনের হার, অর্থাৎ কোনো বস্তু কত দ্রুত বা ধীরে গতিশীল হচ্ছে।
- এটি সরলরেখার গতি বা লিনিয়ার মুভমেন্টের সাথে সম্পর্কিত।
- ঘূর্ণন বা টর্কের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
- টর্ক থাকলেও, ত্বরণ শুধু ভর ও ফোর্সের কারণে নির্ধারিত হয়।

• Mass (ভর):
- ভর হলো কোনো বস্তুতে থাকা পদার্থের পরিমাণ।
- এটি জড়তা এবং গাণিতিক গণনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- টর্কের সংজ্ঞার জন্য এটি সরাসরি প্রয়োজন নয়, যদিও টর্ক তৈরি করতে ফোর্স প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভরের গুরুত্ব থাকতে পারে।

• Friction (ঘর্ষণ):
- ঘর্ষণ হলো দুটি পৃষ্ঠের মধ্যে প্রতিরোধের শক্তি।
- এটি কোনো বস্তুকে ঘূর্ণন বা সরলরেখায় ধীর করতে পারে।
- ঘর্ষণ টর্কের প্রভাব কমাতে বা বাড়াতে পারে, তবে টর্কের মূল সংজ্ঞা নয়।

১২৯.
ক এর চেয়ে খ তত ছোট যতখানি বড় গ এর চেয়ে। ক এবং গ এর বয়সের সমষ্টি ৯৬। খ এর বয়স কত?
  1. ৪৮
  2. ২৪
  3. ৪২
  4. ৫০
সঠিক উত্তর:
৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ক এর চেয়ে খ তত ছোট যতখানি বড় গ এর চেয়ে। ক এবং গ এর বয়সের সমষ্টি ৯৬। খ এর বয়স কত?

সমাধান:
দেয়া আছে,
ক + গ = ৯৬..............(১)

আবার,
ক - খ = খ - গ
⇒ ক + গ = খ + খ
⇒ ২খ = ৯৬
⇒ খ = ৯৬/২
∴ খ = ৪৮

খ এর বয়স = ৪৮ বছর

১৩০.
প্রশ্নবোধকের জায়গায় কোন ছবি বসলে প্যাটার্ন পূর্ণ হবে?

  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধকের জায়গায় কোন ছবি বসলে প্যাটার্ন পূর্ণ হবে?

সমাধান:

প্রশ্নবোধক স্থানে অপশন 4 এর চিত্রটি বসলে প্যাটার্ন সম্পূর্ণ হবে।

১৩১.
৮, ১১, ১৭, ২৯,......... ধারাটির ৭ম সংখ্যাটি কত?
  1. ১৯৭
  2. ১০১
  3. ১৯৩
  4. ১৮৭
সঠিক উত্তর:
১৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৮, ১১, ১৭, ২৯,......... ধারাটির ৭ম সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
(একটি সংখ্যা × ২) - ৫ = পরবর্তী সংখ্যা

যেমন,
(৮ × ২) - ৫ = ১৬ - ৫ = ১১
(১১ × ২) - ৫ = ২২ - ৫ = ১৭
(১৭ × ২) - ৫ = ৩৪ - ৫ = ২৯
(২৯ × ২) - ৫ = ৫৮ - ৫ = ৫৩
(৫৩ × ২) - ৫ = ১০১
(১০১ × ২) - ৫ = ১৯৭

∴ পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ১৯৭

বিকল্প সমাধান,
আবার,
৮ + ৩ = ১১
১১ + ৬ = ১৭
১৭ + ১২ = ২৯
২৯ + ২৪ = ৫৩
৫৩ + ৪৮ = ১০১
১০১ + ৯৬ = ১৯৭

১৩২.
যদি KHULNA = 67 হয়, তবে CUMILLA = কত?
  1. 65
  2. 67
  3. 69
  4. 71
সঠিক উত্তর:
71
উত্তর
সঠিক উত্তর:
71
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি KHULNA = 67 হয়, তবে CUMILLA = কত?

সমাধান:

KHULNA = K + H + U + L + N + A = 11 + 8 + 21 + 12 + 14 + 1 = 67

একই ভাবে,
CUMILLA = 3 + 21 + 13 + 9 + 12 + 12 + 1 = 71

১৩৩.
কোন মাসের ৫ তারিখ যদি শুক্রবার হয়, তাহলে সেই মাসের ৩০ তারিখ কোন দিন হবে?
  1. মঙ্গলবার
  2. শুক্রবার
  3. বুধবার
  4. সোমবার
সঠিক উত্তর:
মঙ্গলবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গলবার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন মাসের ৫ তারিখ যদি শুক্রবার হয়, তাহলে সেই মাসের ৩০ তারিখ কোন দিন হবে?

সমাধান:
৫ম দিন = শুক্রবার
(৫ + ৭) বা, ১২ তম দিন = শুক্রবার
(১২ + ৭) বা, ১৯তম দিন = শুক্রবার
(১৯ + ৭) বা, ২৬তম দিন = শুক্রবার

২৭ তম দিন = শনিবার
২৮ তম দিন = রবিবার
২৯ তম দিন = সোমবার
৩০ তম দিন = মঙ্গলবার

∴ ৩০ তম দিন = মঙ্গলবার

১৩৪.
পানিতে যে প্রতিচ্ছবিগুলি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে কোনটি ইংরেজি শব্দের অনুরূপ?

  1. A
  2. B
  3. C
  4. D
সঠিক উত্তর:
A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পানিতে যে প্রতিচ্ছবিগুলি দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে কোনটি ইংরেজি শব্দের অনুরূপ?


সমাধান:

সঠিক উত্তর: A

১৩৫.
প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন সংখ্যা হবে?

  1. 82
  2. 68
  3. 72
  4. 78
সঠিক উত্তর:
78
উত্তর
সঠিক উত্তর:
78
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন সংখ্যা হবে?

সমাধান:
সমাধান:
3 থেকে শুরু করে,
(3 × 2) + 2 = 8
(8 × 2) + 2 = 18

(18 × 2) + 2 = 38
(38 × 2) + 2 = 78

(78 × 2) + 2 = 158

বিকল্প সমাধান,
8 + 10 = 18
18 + 20 = 38
38 + 40 = 78
78 + 80 = 158

১৩৬.
কোন শহরটি "Spain"- এর সঙ্গে সেইভাবে সম্পর্কিত, যেমন কায়রো মিশরের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. Madrid
  2. Barcelona
  3. Valencia
  4. Seville
সঠিক উত্তর:
Madrid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Madrid
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন শহরটি "Spain"- এর সঙ্গে সেইভাবে সম্পর্কিত, যেমন কায়রো মিশরের সঙ্গে সম্পর্কিত?

সমাধান:

• "Madrid"- Spain এর রাজধানী।
- একইভাবে "Cairo"-এর সঙ্গে সম্পর্কিত দেশ হলো Egypt.

অন্যদিকে,
- "Valencia"- Spain এর একটি শহর।
- "Seville"- Spain এর একটি শহর।
- "Barcelona"- Spain এর একটি শহর; যাকে আমরা "কাতালোনিয়া" হিসেবে চিনি।