পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩৭: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান: বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সাম্প্রতিক বিষয়াবলি। --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ১০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
২০২৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনের “World’s Greatest Places” তালিকায় বাংলাদেশের কোন স্থাপনাটি স্থান পায়?
  1. পদ্মা সেতু
  2. জেবুন নেসা মসজিদ
  3. পুঠিয়া রাজবাড়ী
  4. কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন
সঠিক উত্তর:
জেবুন নেসা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেবুন নেসা মসজিদ
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনের “World’s Greatest Places” তালিকায়  স্থান পায়, বাংলাদেশের সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকার জেবুন নেসা মসজিদ।
- মসজিদটির স্থপতি সায়কা ইকবাল মেঘনা ।
-  মনোলিথিক গঠনে তৈরি এই মসজিদটিকে 'ব্রিদিং প্যাভিলিয়ন' হিসেবে নকশা করা হয়েছে।
- এতে রয়েছে প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের ব্যবস্থা।

উৎস: প্রথম আলো। 

.
বর্তমানে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে কোন দেশ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

⇒ বর্তমানে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে শীর্ষ দেশ- সৌদি আরব।

⇒ প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ১০ দেশ (জুলাই-নভেম্বর ২০২৫)

- সৌদি আরব: ২০৫ কোটি ডলার।
- যুক্তরাজ্য: ১৬৭ কোটি ডলার।
- সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই): ১৫৮ কোটি ডলার।
- মালয়েশিয়া: ১৪৩ কোটি ডলার।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১০৩ কোটি ডলার।
- ইতালি: ৮৩ কোটি ডলার।
- ওমান: ৭৭ কোটি ডলার।
- কুয়েত: ৬৪ কোটি ডলার।
- কাতার: ৫৯ কোটি ডলার।
- সিঙ্গাপুর: ৫৫ কোটি ডলার।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ১ হাজার ৩০৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। 
- নভেম্বর মাসে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ছয় ব্যাংক ৫৮ কোটি ৭০ লাখ ও কৃষি ব্যাংক ২৯ কোটি ৫৯ লাখ ডলার এনেছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলো ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ এবং বিদেশি ব্যাংকগুলো ৫৯ লাখ ডলার এনেছে।

উৎস: প্রথম আলো।

.
দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করা হয়েছে কোথায়?
  1. গাজীপুর
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. কুমিল্লা
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

 ⇒ নারায়ণগঞ্জে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে নির্মিত দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
- পর্যায়ক্রমে সকল জেলায় ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণ করা হবে।
- ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ আরে স্থপতি- আব্দুল হামিদ চঞ্চল।
- স্মৃতিস্তম্ভের ফলকে উল্লেখ করা হয়েছে ২১ জন শহীদের নাম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাসস।

.
২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে কোনটিকে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ফার্নিচার
  2. পেপার ও প্যাকেজিং
  3. তামা ও কাচ
  4. চামড়াজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
পেপার ও প্যাকেজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেপার ও প্যাকেজিং
ব্যাখ্যা

২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে কোন খাত ঘোষণা করা হয়েছে- পেপার ও প্যাকেজিং।

• ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য : 

পেপার ও প্যাকেজিংকে এবারের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করে পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে  ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করেন করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।।

- বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে পেপার প্যাকেজিং শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রফতানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। 

-  রফতানি প্রসার ও প্রণোদনামূলক কর্মকাণ্ডকে বেগবান করতে প্রতি বছর একটি পণ্যকে বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 
-  পেপার ও প্যাকেজিংকে চলতি বছরের বর্ষপণ্য ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ২০২৫ সালের 'বর্ষপণ্য' ছিলো আসবাবপত্র বা ফার্নিচার। 

উৎস: বনিক বার্তা।

.
বাংলা একাডেমি পরিচালিত ’সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার-২০২৫’ পেয়েছেন কে?
  1. তারিক আনাম খান
  2. সানাউল হক খান
  3. হাফিজ রশিদ খান
  4. অধ্যাপক মনসুর মুসা
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মনসুর মুসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মনসুর মুসা
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি পরিচালিত আটটি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। 
- মোট ৯ জন এ পুরস্কার পেয়েছেন এ বছর।

⇒ এ বছর সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন অধ্যাপক মনসুর মুসা।
- ভাষাভিত্তিক গবেষণার মূল্যায়নে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।


⇒ মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন-খসরু চৌধুরী।
- তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে প্রকৃতি ও বিজ্ঞানচর্চায় সামগ্রিক মূল্যায়নে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

⇒ মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার পেয়েছেন সানাউল হক খান। বাংলা কবিতায় সামগ্রিক মূল্যায়নে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

⇒ সা’দত আলী আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন হাফিজ রশিদ খান।
- বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জীবন ও সাহিত্য বিষয়ে গবেষণার মূল্যায়নে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

⇒ অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার পেয়েছেন তারিক আনাম খান।
- তিনি অভিনয়, নাট্য নির্দেশনায় ও সংগঠক হিসেবে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে এ পুরস্কার পেয়েছেন। এর অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

⇒ আবু রুশ্দ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন শিবব্রত বর্মন।
- অনুবাদ-সাহিত্যে অনন্য অবদানের মূল্যায়নে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

⇒ হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার পেয়েছেন সফিক ইসলাম ‘গণিতের রাজ্যে আনন্দভ্রমণ’ গ্রন্থের জন্য।
- গণিতকে সহজবোধ্য ও উপভোগ্যভাবে উপস্থাপনের জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকা।

⇒ রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন দুজন।
- এর মধ্যে প্রথমজন সুব্রত বড়ুয়া। তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে কথাসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য দুই লাখ টাকা।

- আর অনূর্ধ্ব ৪৯ বছর বয়সী লেখকদের মধ্যে ২০২৪ সালে প্রকাশিত ‘সিসিফাস শ্রম’ গল্পগ্রন্থের মূল্যায়নে ‘রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পুরস্কার পেয়েছেন আনিসুর রহমান। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

উৎস: প্রথম আলো এবং বাংলা একাডেমি।

.
’বালিশ মিষ্টি’ কোন এলাকার ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য?
  1. ফুলবাড়ীয়া
  2. নেত্রকোণা
  3. মেহেরপুর
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোণা
ব্যাখ্যা

- নেত্রকোণার ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য- ’বালিশ মিষ্টি’ (৫৭তম)

- ফুলবাড়ীয়ার ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য-  লাল চিনি(৫৮তম)।
- মেহেরপুরের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য- সাবিত্রী মিষ্টি (৬১)।
- ফরিদপুরের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য- পাট  (৬০ তম)।
 
• জিআই (GI):

- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য- জামদানি শাড়ি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ রাষ্ট্রদূত কে? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
  2. জন স্মিথ
  3. জন কেরি
  4. ডেভিড মিলার
সঠিক উত্তর:
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
ব্যাখ্যা

• ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন:
- বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ রাষ্ট্রদূত- ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন।

- তিনি বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূত।
- ১৯ ডি‌সেম্বর, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে অনুমোদন দি‌য়ে‌ছে মার্কিন সিনেট।
- ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের পুরো নাম ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। 
- ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। 
- ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। 
- ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

উৎস: বণিক বার্তা ও বাংলা ট্রিবিউন। 

.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা কতটি?
  1. ৬০টি
  2. ৫৯টি
  3. ৫৮টি
  4. ৬১টি
সঠিক উত্তর:
৫৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৮টি
ব্যাখ্যা

• মোট তফসিলি ব্যাংক: 
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৭টি, (সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর) 
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৩৮টি, 
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি 
- স্থানীয় বেসরকারি ডিজিটাল  ব্যাংক: ১টি। (নগদ ডিজিটাল ব্যাংক)
- সর্বমোট (৭+৩+৩৮+৯+১) = ৫৮টি। 

অতএব,
- দেশে বর্তমানে মোট তফসিলি ব্যাংক ৫৮টি। 
- অ-তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা -৫টি।

উল্লেখ্য, 
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।

উৎস: বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং প্রথম আলো।

.
’ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট’-এর তফসিল ঘোষণা করা হয় কত তারিখে?
  1. ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  2. ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  3. ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  4. ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১১ ডিসেম্বর ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ডিসেম্বর ২০২৫
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট:
-  ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
- তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দেশের ৩০০ আসনে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন এবং একই সাথে জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ এর উপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
- নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর সোমবার পর্যন্ত। ৩০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত মনোনয়ন যাচাই-বাছাই হবে।
-  রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত।
-কমিশনের দায়ের করা আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১২ জানুয়ারি সোমবার থেকে ১৮ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত।
-  প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার। রিটার্নিং অফিসাররা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি বুধবার।
-  ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। 

উৎস: নির্বাচন কমিশন।

১০.
জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা কতটি?
  1. ৯টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা - ৭টি।

• জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা:
⇒ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীগণ এই মর্মে অঙ্গীকার ও ঘোষণা করছি যে-

(১) জনগণের অধিকার ফিরে পাওয়া এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষের জীবন ও রক্তদান এবং অগণিত মানুষের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি ও ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত সুযোগ এবং তৎপ্রেক্ষিতে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রণীত ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করব।

(২) যেহেতু জনগণ এই রাষ্ট্রের মালিক, তাদের অভিপ্রায়ই সর্বোচ্চ আইন এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত জনগণের অভিপ্রায় প্রতিফলিত হয় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে সেহেতু রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহ সম্মিলিতভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে জনগণের অভিপ্রায়ের সুস্পষ্ট অভিব্যক্তি হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ গ্রহণ করেছি বিধায় এই সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে সংবিধানে তফসিল হিসেবে বা যথোপযুক্তভাবে সংযুক্ত করব।

(৩) জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করব না, উপরন্তু উক্ত সনদ বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করব।

(8) গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের দীর্ঘ ১৬ বছরের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম এবং বিশেষত ২০২৪ সালের অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সাংবিধানিক তথা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করব।

(৫) গণঅভ্যুত্থানপূর্ব ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারগুলোকে যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করব।

(৬) জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ বাংলাদেশের সামগ্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা তথা সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা সংস্কারের বিষয়ে যেসব সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান এবং বিদ্যমান আইনসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন বা নতুন আইন প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন বা বিদ্যমান বিধি ও প্রবিধির পরিবর্তন বা সংশোধন করব।

(৭) জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত যে সকল সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য সেগুলো কোনো প্রকার কালক্ষেপণ না করেই দ্রুততম সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে।

উল্লেখ্য,
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১.
‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট কবে জারি করা হয়?
  1. ২০ নভেম্বর ২০২৫
  2. ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  3. ২২ নভেম্বর ২০২৫
  4. ৩০ নভেম্বর ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৫ নভেম্বর ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ নভেম্বর ২০২৫
ব্যাখ্যা

গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।

- এটি অধ্যাদেশ নং-৬৭:  এতে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ অনুসারে সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত কতিপয় প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের সম্মতি রয়েছে কি না তা যাচাইয়ে গণভোটের বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত এ অধ্যাদেশ।

উৎস: সংবিধান এবং প্রথম আলো।

১২.
বর্তমানে বাংলাদেশে নিবন্ধিত চা বাগান রয়েছে কয়টি?
  1. ১৭৩টি
  2. ১৬৯টি
  3. ১৭১টি
  4. ১৭০টি
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
ব্যাখ্যা

চা বাগান:
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।

উল্লেখ্য,
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- হবিগঞ্জ জেলায় ২৫টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯টি চাচা বাগান রয়েছে।
- চট্টগ্রাম জেলায় ২২টি চাচা বাগান রয়েছে।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১১ টি।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি ।
- ঠাকুরগাঁও জেলায়- ০১টি ।
- খাগড়াছড়ি জেলায়-০১টি।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১৩.
বিশ্বখ্যাত টাইম সাময়িকীর 'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫' তালিকায় 'সামাজিক প্রভাব' বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করেছে-
  1. ওরস্যালাইন
  2. এমডিসিএফ-২
  3. বঙ্গভ্যাক্স
  4. গুড়-চিড়ার সংমিশ্রণ
সঠিক উত্তর:
এমডিসিএফ-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমডিসিএফ-২
ব্যাখ্যা

'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫'-এর সম্মান পেল আইসিডিডিআর, বি ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবিত অস্ত্র সুস্থকারী খাবার

⇒ বিশ্বখ্যাত টাইম সাময়িকী তাদের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ 'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫' তালিকায় 'সামাজিক প্রভাব' বিভাগে আইসিডিডিআর, বি এবং সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির দীর্ঘদিনের যৌথ গবেষণার ফসল অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের অস্ত্রের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারকারী বিশেষ সম্পূরক খাদ্য এমডিসিএফ-২-কে স্থান দিয়েছে।

⇒ এমডিসিএফ হলো মাইক্রোবায়োটা ডিরেক্টেড কমপ্লিমেন্টারি ফুড বা অস্ত্রের জীবাণুদেরকে উদ্দীপ্ত করার জন্য একটি বিশেষ সম্পূরক খাবার।

⇒ বিগত বছরগুলোতে কিছুটা উন্নতি হলেও, বিশ্বব্যাপী শিশুদের জীবন রক্ষা ও বিকাশের পথে অপুষ্টি এখনও একটি বিরাট বাধা, যা পাঁচ বছরের কম বয়সি মোট শিশুমৃত্যুর প্রায় অর্ধেকের জন্য দায়ী।
-  বর্তমানে যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই সমস্যা আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে, ফলে কোটি কোটি শিশু খর্বতা (বয়স অনুযায়ী কম উচ্চতা) এবং কৃশতার (বয়স অনুযায়ী ওজন কম/রোগা পাতলা) ঝুঁকিতে রয়েছে।
- এই উদ্ভাবনী খাবার এমডিসিএফ-২ তৈরি হয়েছে ছোলা, সয়াবিন, চিনাবাদাম ও কাঁচা কলার গুঁড়োর একটি বিশেষ মিশ্রণে।
- এই উপাদানগুলো এমনভাবে বেছে নেওয়া হয়েছে যেন তা অস্ত্রের ভেতরে থাকা নির্দিষ্ট উপকারী জীবাণুগুলিকে পুষ্টি দিতে পারে।
- এই জীবাণুগুলো অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্নায়বিক বিকাশে সহায়তা করে।

উৎস: iccddrb ওয়েবসাইট।

১৪.
জেএমপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের কত শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানি পান করে?
  1. ৫৬%
  2. ৫৯%
  3. ৬৯%
  4. ৭৯%
সঠিক উত্তর:
৫৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯%
ব্যাখ্যা

• নিরাপদ খাবার পানি:
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ জাতিসংঘের দুই সংস্থা ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জয়েন্ট মনিটরিং প্রোগ্রাম (জেএমপি) ২০২৫ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
- পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) খাতে জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর অবস্থা তুলে ধরে দুই বছর পরপর এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
- ২০২৫ সালের জেএমপি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষ খাবার পানি পায়। 
- ২০১৫ সালে এ হার ছিল ৯৭ শতাংশ।
উল্লেখ্য,

- জেএমপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পানি অনিরাপদ করে ই–কোলাইয়ের মতো মলের জীবাণু।
- দেশের প্রায় ৬০ জেলায় আর্সেনিক দূষণ রয়েছে।
- এসব বিবেচনায় এখন ৫৯ শতাংশ মানুষ নিরাপদ খাবার পানি পায়।
- ২০১৫ সালে এ হার ছিল ৫৬ শতাংশ।
- জেএমপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে নিরাপদ পানি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা পানির গুণগত মান।
- বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৪৪ জেলায় অর্ধেকের কম মানুষ এমন উন্নত পানি ব্যবহার করছে, যা নিজস্ব বাড়ির ভেতরে পাওয়া যায়, প্রয়োজনমতো সব সময় পাওয়া যায় এবং দূষণমুক্ত।’

উৎস: প্রথম আলো [ লিংক]

১৫.
ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় প্রথম তালিকাভুক্ত হয় কোনটি?
  1. রিকশা ও রিকশাচিত্র
  2. মঙ্গল শোভাযাত্রা
  3. জামদানি বুননশিল্প
  4. বাউলগান 
সঠিক উত্তর:
বাউলগান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাউলগান 
ব্যাখ্যা

- ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় প্রথম তালিকাভুক্ত হয় - বাউলগান ।
- ২০০৮ সালে এটি তালিকাভুক্ত হয়।

• ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্পের ঐতিহ্য ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
- ২০২৫ সালের চক্রে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইউনেসকোর ইন্টারগভার্নমেন্টাল কমিটির ২০তম অধিবেশনে বিশ্লেষণ শেষে টাঙ্গাইলের শতাব্দীপ্রাচীন বয়নশিল্পকে ইউনেসকোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

- বাংলাদেশের ষষ্ঠ আইসিএইচ উপাদান হিসেবে টাঙ্গাইল বয়নশিল্প চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত হলো।

- বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭), ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩) ও টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প (২০২৫) ।

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
ii) প্রথম আলো।

১৬.
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস কত তারিখ?
  1. ১২ জুলাই
  2. ৭ আগস্ট
  3. ৩ আগস্ট
  4. ৫ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা

⇒ সর্বশেষ ১৬ জুলাই 'জুলাই শহীদদিবস' এবং ৫ আগস্ট 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস, পালন করার জন্যে সরকার পরিপত্র জারি করে।

জুলাই ঘোষণাপত্র:
- ৫ ই আগস্ট ২০২৫ সাল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।
- জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল, যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

​উৎস: প্রথম আলো  

১৭.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কততম প্রধান বিচারপতি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ২৫তম
  2. ২৬তম
  3. ২৭তম
  4. ২৪তম
সঠিক উত্তর:
২৬তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬তম
ব্যাখ্যা

দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের তারিখ—২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, এ কথা বলা হয়। 
- তিনি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

- বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফার ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
- বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর বাবা প্রয়াত বিচারপতি এ এফ এম আবদুর রহমান চৌধুরী, মা প্রয়াত বেগম সিতারা চৌধুরী।

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম করেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- পরে তিনি যুক্তরাজ্য থেকে আন্তর্জাতিক আইনে এলএলএম করেন।

- তিনি ১৯৮৫ সালে জজকোর্টে, ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
- ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হন।
- ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হন।
- ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।
 

উৎস: প্রথম আলো।

১৮.
’নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিধান’ পুন:বহাল এ–সংক্রান্ত রায় দেশের সর্বোচ্চ আদালতে ঘোষিত হয় কত তারিখে?
  1. ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ১৮ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ১২ নভেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২০ নভেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

- তিন দশক আগে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছিল। এ–সংক্রান্ত বিধান পুনরুজ্জীবিত করে বৃহস্পতিবার (২০২৫ , ২০ নভেম্বর) রায় দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। 
- ত্রয়োদশ সংশোধনী আইনকে সংবিধান পরিপন্থী ও বাতিল ঘোষণা করে ১৪ বছর আগে আপিল বিভাগ রায় দিয়েছিলেন।
- প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিতে রায় দেন।

⇒ রায়ে বলা হয়, সর্বসম্মতিতে আপিলগুলো মঞ্জুর করা হলো, সে আলোকে রিভিউ আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করা হলো। নথিদৃষ্টে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে আপিল বিভাগের রায়টি (২০১১ সালের রায়) একাধিক ক্রটিপূর্ণ। অতএব পর্যালোচনাধীন রায়টি (২০১১ সালের রায়) সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হলো।

উল্লেখ্য,
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা যুক্ত হয় = ১৯৯৬।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট = ১৯৯৯।
- হাইকোর্টের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বহাল থাকে =২০০৪।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ঘিরে অচলাবস্থা, এক -এগারো সরকার= ২০০৬।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন= ২০০৮।
- তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বিলোপ করে পঞ্চদশ সংশোধনী পাস = ২০১১ সালের ৩০ জুন।
-  আপিল বিভাগে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা = ২০১১ সালের ১০ মে।
- ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় রিভিউ, আপিলের অনুমতি = ২০২৫ সালের, ২৭ আগস্ট।
- আপিল মঞ্জুর, তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার বিধান পুনরুজ্জীবিত = ২০২৫ সালের , ২০ নভেম্বর।

উৎস: প্রথম আলো।

১৯.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কত শতাংশ?
  1. ৮ শতাংশ
  2. ৫ শতাংশ
  3. ৬ শতাংশ
  4. ৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা

⇒ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
-  আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বাস্তবায়ন শুরু হবে। 

• জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:

- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬ এবং বাসস [লিংক]। 

২০.
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উত্তরণ করলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে কোন খাত?
  1. কৃষি খাত
  2. সেবা খাত
  3. শিল্প খাত
  4. রপ্তানি খাত
সঠিক উত্তর:
রপ্তানি খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রপ্তানি খাত
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হবে।
- এ উত্তরণকে গর্বের অর্জন হিসেবে দেখা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নীতির পর এ গ্র্যাজুয়েশন কতটা টেকসই হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

- বাংলাদেশের মোট পণ্য রফতানি জিডিপির প্রায় ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ডিইএসএর প্রতিবেদন বলছে, এ প্রেক্ষাপটে রফতানি আয় হঠাৎ কমে যাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর্মসংস্থান এবং শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। 

- রফতানিতে এ একটি খাতের ওপর নির্ভরতা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের জন্য বড় ঝুঁকির কারণ হিসেবে দেখছে জাতিসংঘ। 
- বিশ্ববাজারে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য রফতানির মোট অর্থমূল্য ছিল ৪৮ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার, যার ৮১ দশমিক ৪৯ শতাংশই তৈরি পোশাক।
- ২০২৫ সালের এপ্রিলে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণায় এলডিসি দেশগুলোর উন্নয়ন ও গ্র্যাজুয়েশন সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
-  ২০২৫ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে শুল্কহার বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আয় প্রায় ২১ শতাংশ হ্রাসের ঝুঁকি তৈরি হয়।

LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে, এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।
- সর্বশেষ সাও টোমে ও প্রিন্সিপ ২০২৪ সালে LDC থেকে উর্ত্তীণ হয়েছে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট এবং বণিক বার্তা।

২১.
গণভোট-২০২৬ এর জন্য পোস্টাল ব্যালট পেপারে কতটি প্রশ্ন উল্লেখিত থাকিবে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ১টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

⇒ গণভোট-২০২৬ এর জন্য পোস্টাল ব্যালট পেপারে ৪টি প্রশ্ন থাকিবে।
যেমন-

"আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংশোধন) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে নিম্নলিখিত সাংবিধানিক সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবসমূহের প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করিতেছেন?" (হ্যাঁ/না):

(ক): নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হইবে।

(খ): আগামী জাতীয় সংসদ হইবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হইবে এবং সংবিধান সংশোধন করিতে হইলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হইবে।

(গ): সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল হইতে ডেপুটি স্পীকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ তফসিলে বর্ণিত যে ৩০টি বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে একমতো হইয়াছে- সেগুলো বাস্তবায়ন জাতীয় সংসদ নিশ্চিত করিতে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকিবে।

(ঘ): জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অপরাপর সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হইবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২২.
লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তিটি কত তারিখে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  2. ১০ নভেম্বর ২০২৫
  3. ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  4. ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১৭ নভেম্বর ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ নভেম্বর ২০২৫
ব্যাখ্যা

• লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তি:
- পতেঙ্গায় লালদিয়ার চরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ডেনমার্কের মায়ের্সক গ্রুপের এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি সই হয়।
- ৩৩ বছর মেয়াদি এ চুক্তিটি করছে বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকার।
- এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার।
- শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।

- এটি একধরনের , বন্দরের কনসেশন চুক্তিটি
- কনসেশন চুক্তি হয় সরকারি–বেসরকারি অংশীদারির প্রকল্পের আওতায় সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।
- সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো টার্মিনাল উন্নয়ন বা টার্মিনাল নির্মাণের জন্য জমি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে দেওয়া হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করে টার্মিনাল নির্মাণ বা উন্নয়ন করে।
- এর বিনিময়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সেবার বিনিময়ে মাশুল আদায় করে।
- মাশুলের নির্ধারিত অংশ দর–কষাকষির মাধ্যমে পায় সরকারি সংস্থা।

উৎস: প্রথম আলো।

২৩.
গাজা পুনর্গঠনে ‘Board of Peace’ গঠন করেছেন কে?
  1. জো বাইডেন
  2. ইমানুয়েল মাক্রোঁ
  3. ডোনাল্ড ট্রাম্প 
  4. বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু
সঠিক উত্তর:
ডোনাল্ড ট্রাম্প 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোনাল্ড ট্রাম্প 
ব্যাখ্যা

- গাজা পুনর্গঠনে 'বোর্ড অব পিস' গঠন করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- গাজার জন্য 'বোর্ড অব পিস' এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নাম ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
- ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট জামাতা জ্যারেড কুশনার এতে 'প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সদস্য' থাকবেন।
- ট্রাম্প এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকবেন।
- তিনি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যকার যুদ্ধ অবসানে ২০-দফা পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন।
- সাময়িকভাবে গাজা পরিচালনার বিষয়টির তত্ত্বাবধান এবং এর পুনর্গঠন কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা করবে এই বোর্ড।
- একটি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রধান অজয় বাঙগা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েলও এই নির্বাহী বোর্ডে থাকবেন।

উৎস: বিবিসি [লিংক]

২৪.
ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ কতটি গ্রুপ/বিভাগে বিভক্ত থাকবে?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৬
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা

• ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
-  মোট গ্রুফ / বিভাগ - ১২টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
- ফিফা-২০২৬ বিশ্বকাপের বলের নাম ট্রায়োন্ডা।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।

২৫.
অস্কার পুরস্কার ২০২৫-এর সেরা সিনেমা কোনটি?
  1. দ্য ব্রুটালিস্ট
  2. অ্যানোরা
  3. কনক্লেভ
  4. ফ্লো
সঠিক উত্তর:
অ্যানোরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোরা
ব্যাখ্যা

অস্কার পুরস্কার ২০২৫-এর সেরা সিনেমা- অ্যানোরা।

অস্কার পুরস্কার ২০২৫:

- যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে স্থানীয় সময় অনুযায়ী ২ মার্চ অস্কার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
- এটি ছিল অস্কারের ৯৭ তম আসর।

• সেরা সিনেমা: অ্যানোরা।
• সেরা অভিনেত্রী: মাইকি ম্যাডিসন (অ্যানোরা)।
• সেরা অভিনেতা: অ্যড্রিয়েন ব্রডি (দ্য ব্রুটালিস্ট)।
• সেরা পরিচালক: শন বেকার (আনোরা)।
• সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী: জোয়ি সালদানা (এমিলিয়া পেরেজ)।
• সেরা পার্শ্ব অভিনেতা: কিইরিন কালকেইন (আ রিয়েল পেইন)।

উল্লেখ্য,
- ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে (অস্কার) এ বছর বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধিত্ব করছেন নির্মাতা লীসা গাজীর সিনেমা ‘বাড়ির নাম শাহানা’।

উৎস- বিবিসি বাংলা এবং প্রথম আলো।

২৬.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ফিউদোরোভস্কোই ফিল্ড
  2. গাওয়ার তেল ক্ষেত্র
  3. বলিভার কোস্টাল ফিল্ড
  4. বুরগান ফিল্ড
সঠিক উত্তর:
গাওয়ার তেল ক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাওয়ার তেল ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা

 বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রথাগত তেলের ক্ষেত্র:

• গাওয়ার তেলক্ষেত্র, সৌদি আরব
- এটি দেশটির পূর্ব প্রদেশে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলক্ষেত্র।
- এই খনিটি লম্বায় ২৮০ কিলোমিটার ও চওড়ায় ৩০ কিলোমিটার। 
- ১৯৪৮ সালে গাওয়ার খনি আবিষ্কৃত হয়, আর এটি উৎপাদনে যায় ১৯৫১ সালে।
- সৌদি আরামকো এটির মালিক। গাওয়ার খনি থেকে প্রতিদিন ৫০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করার সক্ষমতা রয়েছে। 
- এই খনিতে তেলের সম্ভাব্য মজুত ৭ হাজার ১০০ কোটি ব্যারেল।

অন্যদিকে,
- বলিভার কোস্টাল ফিল্ড, ভেনেজুয়েলা একটি তেলক্ষেত্র।
- বুরগান ফিল্ড, কুয়েতের একটি  তেলক্ষেত্র।
-  ফিউদোরোভস্কোই ফিল্ড, রাশিয়ার একটি  তেলক্ষেত্র।

• বিশ্বের শীর্ষ তেল মজুতধারী দেশ:

- ভেনেজুয়েলার কাছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তেল মজুত রয়েছে, যার পরিমাণ ৩০০ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি। 
- সৌদি আরব বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক তেল মজুতধারী দেশ, যেখানে প্রায় ২৬৭ বিলিয়ন ব্যারেল তেল সংরক্ষিত আছে।
- যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদক দেশ এবং একই সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ভোক্তা। 

উৎস: প্রথম আলো [লিংক]।

২৭.
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS)-এর তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিরল খনিজ মজুত কোন দেশে রয়েছে?
  1. ব্রাজিল
  2. চীন 
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন 
ব্যাখ্যা

⇒ মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য বলছে, চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিরল খনিজ মজুতের অধিকারী।
- দেশটিতে ৪ কোটি ৪০ লাখ মেট্রিক টন বিরল খনিজ মজুত আছে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ব্রাজিল, দেশটির মজুতের পরিমাণ ২ কোটি ১০ লাখ টন। 

উল্লেখ্য,

⇒ ১৭টি মৌলের একটি গ্রুপ হলো বিরল খনিজ। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রির (আইইউপিএসি) নামকরণ অনুযায়ী, পর্যায় সারণির ল্যান্থানাইড সিরিজের ১৫টি মৌলের (ল্যান্থানাম, সিরিয়াম, প্রাসিয়োডিমিয়াম, নিওডিমিয়াম, প্রমিথিয়াম, স্যামারিয়াম, ইউরোপিয়াম, গ্যাডোলিনিয়াম, টারবিয়াম, ডিসপ্রোসিয়াম, হোলমিয়াম, আরবিয়াম, থুলিয়াম, ইটারবিয়াম ও লুটেশিয়াম) সঙ্গে স্ক্যান্ডিয়াম ও ইট্রিয়ামকে একত্রে বিরল খনিজ বলছে যুক্তরাষ্ট্রের জিওসায়েন্স ইনস্টিটিউট।

উৎস: প্রথম আলো।

২৮.
বর্তমানে শেনজেন অঞ্চলের মোট দেশ সংখ্যা কতটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ২৬টি
  2. ২৮টি
  3. ২৯টি 
  4. ২৭টি
সঠিক উত্তর:
২৯টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি 
ব্যাখ্যা

শেনজেন অঞ্চল (Schengen Area):
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশ: ২৯টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৫টি দেশ এবং ইইউর বাইরের চার দেশ সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিচেনস্টাইন শেনজেন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- সর্বশেষ শেনজেন অঞ্চলে যুক্ত হয়েছে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া। [১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে]

উল্লেখ্য,
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।  
[Link]

২৯.
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর কোনটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ঢাকা
  2. মুম্বাই
  3. জাকার্তা
  4. টোকিও
সঠিক উত্তর:
জাকার্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাকার্তা
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর ইন্দোনেশিয়ার শহর জাকার্তা।
- সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে ৪ কোটি ১৯ লাখ মানুষ জাকার্তায় বসবাস করেন।
- ইন্দোনেশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ দ্বীপ জাভার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত জাকার্তা একটি উপকূলীয় শহর।

- জাকার্তার পরেই আছে ঢাকা, এই নগরে এখন ৩ কোটি ৬৬ লাখ মানুষ বসবাস করেন।
- ২০৫০ সাল নাগাদ জাকার্তাকে সরিয়ে ঢাকাই বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নগরে পরিণত হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে জাতিসংঘ।

- ঢাকার পরে আছে জাপানের রাজধানী টোকিও। 
- তবে জাকার্তা ও ঢাকার তুলনায় গত ২৫ বছরে টোকিওতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি অনেকটাই স্থিতিশীল থেকেছে।
- টোকিওর বর্তমান জনসংখ্যা ৩ কোটি ৩৪ লাখ।
-  ২০০০ সালে জাতিসংঘ প্রকাশিত মূল্যায়নে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নগর ছিল টোকিও।

- জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে এক কোটির বেশি জনসংখ্যা রয়েছে, বিশ্বে এমন মেগা সিটির সংখ্যা বেড়ে ৩৩ হয়েছে। ১৯৭৫ সালে বিশ্বে মাত্র ৮টি মেগা সিটি ছিল। অর্থাৎ মেগা সিটি বেড়ে চার গুণ হয়েছে।

⇒ বিশ্বের শীর্ষ জনবহুল শহর:
১. জাকার্তা, 
২. ঢাকা, 
৩. টোকিও, 
৪. নয়াদিল্লি,
৫. সাংহাই।

উৎস: ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টস ২০২৫ এবং প্রথম আলো।

৩০.
G-ZERO ফোরামটি কোন ধরনের দেশগুলোর জন্য গঠিত?
  1. উচ্চ-কার্বন নির্গমনকারী দেশ
  2. কার্বন-নিরপেক্ষ ও কার্বন-নেতিবাচক দেশ 
  3. সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচের দেশ
  4. উন্নয়নশীল শিল্পায়ন দেশ
সঠিক উত্তর:
কার্বন-নিরপেক্ষ ও কার্বন-নেতিবাচক দেশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন-নিরপেক্ষ ও কার্বন-নেতিবাচক দেশ 
ব্যাখ্যা

- G-ZERO – কার্বন-নেতিবাচক ও কার্বন-নিরপেক্ষ দেশগুলির একটি ফোরাম।
- এটি COP29-এ বাকুতে উদ্বোধন করা হয়।

- ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা এবং সুরিনাম এই নতুন উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে,
- এটি  একটি নেট-জিরো, জলবায়ু-সহনশীল এবং প্রাকৃতিকভাবে ইতিবাচক বিশ্বের দিকে বৈশ্বিক প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে গঠিত।

- জি-জিরো ফোরাম ২০২৫ সালে জমা দেওয়া জলবায়ু কর্মপরিকল্পনার (জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বা এনডিসি নামে পরিচিত) পরবর্তী রাউন্ডে উচ্চাকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধির স্বীকৃতি দেয় এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং সর্বকালের জন্য কার্বন নিরপেক্ষ থাকার অঙ্গীকার করে।
- এই বৃহত্তর উচ্চাকাঙ্ক্ষার সাথে, জি-জিরো বিশ্বকে ১.৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ২০৩৫ সালের মধ্যে নির্গমন কমাতে এবং ত্রিপল গ্রহ সংকট প্রশমিত করার জন্য একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী বাস্তবায়ন সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানায়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩১.
সাময়িকী ফোর্বস অনুযায়ী, বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা কোনটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. কুয়েতি দিনার
  2. মার্কিন ডলার
  3. সৌদি রিয়াল
  4. ওমান রিয়াল
সঠিক উত্তর:
কুয়েতি দিনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েতি দিনার
ব্যাখ্যা

কুয়েতি দিনার (KWD)

- কুয়েত সৌদি আরব এবং ইরাকের মাঝামাঝি অবস্থিত, এবং বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তেল রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে এর সম্পদের বেশিরভাগই অর্জিত হয়।
- পরিমাপ অনুসারে, কুয়েতি দিনার) বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা,
-  ১ দিনার ৩.২৬ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ক্রয় করে।
- অন্য কথায়, ১ মার্কিন ডলারের মূল্য ০.৩১ কুয়েতি দিনার।

শক্তিশালী মুদ্রা:
- মুদ্রাশক্তি বলতে একটি মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতাকে বোঝানো হয়।
- জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ১৯৫টি দেশে বর্তমানে ১৮০টি মুদ্রা ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস সম্প্রতি বিশ্বের প্রভাবশালী ১০টি মুদ্রার একটি তালিকা করেছে। 
- তালিকায় বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা কুয়েতি দিনার।
- এক কুয়েতি দিনারে ৩ দশমিক ২৬ মার্কিন ডলার পাওয়া যায়।
​- বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৯৭ টাকা। 
​- এক মার্কিন ডলারের মূল্য শূন্য দশমিক ৩১ কুয়েতি দিনার। 
- দ্বিতীয় অবস্থানে বাহরাইনি দিনার এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ওমানের রিয়াল।

উৎস- Forbes magazine. [Link]

৩২.
পোপ লিও চতুর্দশ কোন দেশের নাগরিক?
  1. ইতালি 
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

⇒ বিশ্বের ১৪০ কোটি ক্যাথলিকের নতুন ধর্মগুরু নির্বাচিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ডিনাল রবার্ট ফ্রান্সিস প্রেভোস্ট।
- তিনি পোপ লিও চতুর্দশ  হিসেবে পরিচিত হবেন।
- এই প্রথম একজন আমেরিকান পোপ নির্বাচিত হলেন।
- এর আগে, ভোটদান প্রক্রিয়া শেষে সিস্টিন চ্যাপেলের চিমনি থেকে সাদা ধোঁয়া ওড়ে।
- সাদা ধোঁয়ার মানে হলো নতুন পোপ নির্বাচিত হয়েছেন এবং কার্ডিনালরা পোপ ফ্রান্সিসের উত্তরসূরি বেছে নিয়েছেন।
- সিস্টিন চ্যাপেলের ব্যালকনিতে একটি পোপের ট্যাপেস্ট্রি ঝুলানো হয়েছে।
- কার্ডিনালরা ব্যালকনির বাম এবং ডান দিকে জড়ো হয়ে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে জনতার সামনে ছিলেন।
- সিস্টিন চ্যাপেলের ব্যালকনিতে তিনি উপস্থিত হওয়ার আগে তার নাম ঘোষণা করা হয়।

উৎস: বিবিসি।

৩৩.
৩১তম জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

 • জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১:
- ২০২৬ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ আয়োজন করতে যাচ্ছে তুরস্ক।
- তুরস্কের পর্যটননগরী অ্যান্টালিয়া কপ-৩১-এর আয়োজক শহর হবে এবং তুরস্কই আনুষ্ঠানিকভাবে কপ-৩১-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।
- অস্ট্রেলিয়া চাইছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে অ্যাডিলেডে সম্মেলন আয়োজন করতে। 
- অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে এ সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তুরস্ক এ দায়িত্ব পেয়েছে।

• জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP): 

- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties. 
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা। 
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৬ সালে তুরস্কের  আন্টালিয়া শহরে COP31 অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং আল জাজিরা।

৩৪.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) মন্ত্রী পর্যায়ের ১৪ তম সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ২৬–২৯ মার্চ, ২০২৬
  2. ১৫–১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  3. ৯–১৩ মার্চ, ২০২৬
  4. ২২–২৫ মার্চ, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
২৬–২৯ মার্চ, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬–২৯ মার্চ, ২০২৬
ব্যাখ্যা

- WTO-এর ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (MC14) ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
- বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থার মুখোমুখি চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগগুলি নিয়ে আলোচনা করতে এবং WTO-এর ভবিষ্যত কাজের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বিশ্বজুড়ে মন্ত্রীরা এই সম্মেলনে যোগ দেবেন।
- ক্যামেরুনের বাণিজ্যমন্ত্রী লুক ম্যাগলোইর এমবার্গা আতাঙ্গানা এই সম্মেলনের সভাপতিত্ব করবেন।

• WTO (World Trade Organization):
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WTO এর বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ।
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- WTO এর সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- এর সর্বশেষ সদস্য: আফগানিস্তান।
- WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট।

৩৫.
কোন নেতা “Global Governance Initiative” নামে নতুন বৈশ্বিক ব্যবস্থার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন?
  1. নরেন্দ্র মোদি
  2. শি জিনপিং 
  3. রিসার্ড নিকসন
  4. এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ
সঠিক উত্তর:
শি জিনপিং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শি জিনপিং 
ব্যাখ্যা

• বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্লোবাল গভর্ন্যান্স ইনিশিয়েটিভ (GGI):

- চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং গত ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত শাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) প্লাসের বৈঠকে তার চতুর্থ প্রধান বৈশ্বিক উদ্যোগ 'গ্লোবাল গভর্ন্যান্স ইনিশিয়েটিভ' (GGI)  উন্মোচন করেন।

- এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থায় প্রতিনিধিত্ব ও কণ্ঠস্বর বাড়ানো।
- তবে এটি শি জিনপিংয়ের সম্প্রতি চালু করা অন্যান্য তিনটি বৈশ্বিক উদ্যোগের মতো মোটামুটি বিস্তৃত এবং অস্পষ্ট রয়ে গেছে।
- এটি পাশাপাশি বেইজিংকে আরও ন্যায়সংগত ও সমতামূলক বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থার চ্যাম্পিয়ন হিসেবে উপস্থাপনের প্রচেষ্টা-এর অংশ।

- যেহেতু চীন মুক্ত বাণিজ্যের রক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে।
- বিশেষত, মার্কিন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের “প্রতিরক্ষামূলক” শুল্কের বিরুদ্ধে- সেক্ষেত্রে চীনের রাষ্ট্রমাধ্যমগুলি পরিচিত বেইজিংয়ের পরিচিত রীতিনীতি যেমন “Multilateralism” এবং “win-win cooperation” ব্যবহার করে GGI-এর কথা তুলে ধরার মাধ্যমে এই পার্থক্যকে জোরদার করার চেষ্টা করেছে।

উৎস: বিবিসি।

৩৬.
গাজার উদ্দেশ্যে যাওয়া ত্রাণবাহী নৌবহরের নাম কী ছিল?
  1. ফ্রিডম ফ্লোটিলা
  2. গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা
  3. হোপ ফ্লোটিলা
  4. মার্সি শিপস
সঠিক উত্তর:
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা
ব্যাখ্যা

(গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা):
- অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে গঠিত হয়েছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নাগরিক নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা।
- ‘সুমুদ’ শব্দের অর্থ হলো অবিচলতা ও সহনশীলতা, যা ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতীক।
- ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন, গ্লোবাল মুভমেন্ট টু গাজা, মাগরেব সুমুদ ফ্লোটিলা ও সুমুদ নুসান্তারার যৌথ উদ্যোগে এই নৌবহর গড়ে ওঠে।
- ফ্লোটিলায় ৪২টি জাহাজে ৪৭টি দেশের প্রায় ৫০০ অংশগ্রহণকারী যোগ দেন।

- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক সমাজ, মানবাধিকারকর্মী, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত হয়। তারা সমুদ্রপথে জাহাজে করে সরাসরি গাজায় সাহায্য পাঠানোর চেষ্টা করেন।

⇒ ফ্লোটিলার মধ্যে আছেন পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি ম্যান্ডলা ম্যান্ডেলা, ইতালির সংসদ সদস্য, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও আইনজীবীরা।
- স্পেনের বার্সেলোনা থেকে সেপ্টেম্বরের শুরুতে ফ্লোটিলার যাত্রা শুরু হয়।
- পরবর্তীতে তিউনিশিয়া, ইতালির সিসিলি দ্বীপ ও গ্রিসের সাইরাস দ্বীপ থেকে নৌযান যুক্ত হয়। পথে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এর সঙ্গে সংহতি জানায়।

উৎস: i) Global Sumud Flotilla. [link]
ii) Al Jazeera.

৩৭.
WIPO প্রকাশিত 'বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক (GII) ২০২৫'-এ শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৫:
- ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অর্গানাইজেশন (ডব্লিউআইপিও) ‘বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক (জিআইআই) ২০২৫’ প্রকাশ করে-

• শীর্ষ ১০ উদ্ভাবনী দেশের মধ্যে রয়েছে :
- সুইজারল্যান্ড,
- সুইডেন,
- যুক্তরাষ্ট্র,
- দক্ষিণ কোরিয়া,
- সিঙ্গাপুর,
- যুক্তরাজ্য,
- ফিনল্যান্ড,
- নেদারল্যান্ডস,
- ডেনমার্ক
- চীন।

উল্লেখ্য,
-  বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা (WIPO) প্রকাশিত গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৫-এ ১৩৯টি অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে ১০৬তম স্থানে।

উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।

৩৮.
আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার-২০২৫ জয়ী লেখক কে?
  1. বানু মুশতাক 
  2. অরুন্ধতী রায়
  3. অমর্ত্য সেন
  4. জাবেদ হোসাইন
সঠিক উত্তর:
বানু মুশতাক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বানু মুশতাক 
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার- ২০২৫:
- ভারতীয় লেখক, আইনজীবী ও অধিকারকর্মী বানু মুশতাক  আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার-২০২৫ জিতেছেন।
- তিনি কন্নড় ভাষায় লিখিত তাঁর ছোটগল্প সংকলন Heart Lamp-এর জন্য এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেন।
- ‘হার্ট ল্যাম্প’-এ ১২টি গল্প সংকলিত হয়েছে, যেগুলো ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়।
- গল্পগুলোতে দক্ষিণ ভারতের মুসলিম সমাজের দৈনন্দিন জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে।
- গল্পগুলোতে বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের অভিজ্ঞতা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বুকার পুরস্কার-২০২৫ জিতলেন হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সা-লাই।

উৎস: The Booker Prizes ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো।

৩৯.
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার কত হবে?
  1. ২.৫%
  2. ৩.৩%
  3. ৩.৮%
  4. ৪.৫%
সঠিক উত্তর:
৩.৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৩%
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার হবে- ৩.৩%।

আইএমএফের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী,

- বর্তমান ও আগামী বছর বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাড়বে, মূল্যস্ফীতি কমবে  ।
- এর মধ্যে চলতি ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ, 
- ২০২৭ সালে কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে নামবে।

-  ২০২৬ সালে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৩ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে আসতে পারে, যা ২০২৭ সালে আরও কমে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে নামবে। গত ২০২৫ সালে বৈশ্বিক গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৪ দশমিক ১ শতাংশ। তবে বিভিন্ন বড় অর্থনীতির তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রায় ফিরতে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।

- যুক্তরাষ্ট্রের ট্যারিফ (শুল্ক) বৃদ্ধির ঝুঁকি ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

উৎস: আইএমফ [লিংক] প্রথম আলো ।

৪০.
বিমসটেকের ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত নতুন পরিকল্পনার নাম কী?
  1. জাকার্তা এজেন্ডা ২০৫০
  2. দক্ষিণ এশিয়া সমন্বয় পরিকল্পনা ২০৩০
  3. হ্যানয় নীতি ঘোষণা ২০৩০
  4. ব্যাংকক ভিশন ২০৩০
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকক ভিশন ২০৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকক ভিশন ২০৩০
ব্যাখ্যা

⇒ BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation)  এর সদস্য রাষ্ট্র/সরকার প্রধানদের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন ০৪ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয়।

•ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের মূল ফলাফলগুলি একটি:
 ⇒ বিমসটেকের প্রথম ভিশন ডকুমেন্ট, বিমসটেক ব্যাংকক ভিশন ২০৩০ গ্রহণ, যা সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক এবং উন্মুক্ত বিমসটেকের দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে ভবিষ্যতের সহযোগিতার জন্য একটি ব্যাপক এবং বাস্তব রোডম্যাপ প্রদান করে;

BIMSTEC:
- এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- এর প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- এর প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- এর সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।
- এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি।
- এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।

৪১.
মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন- ২০২৫ অনুযায়ী, লিঙ্গ অসমতা সূচকে (Gender Inequality Index) শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. নরওয়ে
  2. সুইডেন
  3. ডেনমার্ক 
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক 
ব্যাখ্যা

মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন- ২০২৫ অনুযায়ী- লিঙ্গ অসমতা সূচক (Gender Inequality Index) শীর্ষ দেশ - ডেনমার্ক।

• মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন- ২০২৫:
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ৬ মে ২০২৫ “Human Development Report 2025: A matter of choice: People and possibilities in the age of AI” শিরোনামে “মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন- ২০২৫” এর ৩৩তম সংস্করণ প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদনটিতে অন্তর্ভুক্ত দেশ ও অঞ্চল: ১৯৫টি। 

• প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ দেশ-
- মানব উন্নয়নে শীর্ষ দেশ - আইসল্যান্ড;
- গড় আয়ুতে শীর্ষ দেশ- মোনাকো; 
- মাথাপিছু আয় এর ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ (ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে)- লিচটেনস্টাইন।
- লিঙ্গ অসমতা সূচক (Gender Inequality Index) শীর্ষ দেশ - ডেনমার্ক।

উৎস: UNDP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪২.
কোন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মুসলিম বিজ্ঞানী ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন?
  1. মুহাম্মদ নূরে আলম
  2. ওমর এম ইয়াঘি
  3. আব্দুস সালাম
  4. নাসির উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
ওমর এম ইয়াঘি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওমর এম ইয়াঘি
ব্যাখ্যা

ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মুসলিম বিজ্ঞানী খ্যাতিমান রসায়নবিদ ড. ওমর এম ইয়াঘি , ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন।
- তিনি ছাড়া ও  চলতি বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন আরো ২ বিজ্ঞানী। তারা হলেন— জাপানের সুসুমু কিতাগাওয়া, অস্ট্রেলিয়ার রিচার্ড রবসন ।

• খ্যাতিমান রসায়নবিদ ড. ওমর :

- আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতিমান রসায়নবিদ ড. ওমর ইয়াঘি।
- আশাহীন এক শরণার্থী জীবন পেরিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় মুসলিম বিজ্ঞানী হিসেবে রসায়নে নোবেল জয় করে নিয়েছেন তিনি।
- জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই এবং শুষ্ক অঞ্চল থেকে পানীয় জল সংগ্রহের প্রযুক্তিতে তার যুগান্তকারী গবেষণার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত তিনি।
- ফিলিস্তিনি শরণার্থী হিসেবে যুদ্ধপরিস্থিতিতে জর্ডানে পাড়ি জমায় ওমর ইয়াগির পরিবার।
- ১৯৬৫ সালে সেই শরণার্থী শিবিরেই জন্ম নেন আজকের ড. ওমর ইয়াঘি।

উল্লেখ্য,
- রসায়নে প্রথম মুসলিম নোবেল বিজয়ী হলেন মিসরীয়-আমেরিকান রসায়নবিদ ড. আহমেদ জেওয়াইল। তিনি ১৯৯৯ সালে তার কাজের জন্য পুরস্কৃত হন।

উৎস: প্রথম আলো এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন।

৪৩.
’টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬’ আসরে মোট কতটি দল অংশগ্রহণ করবে?
  1. ১৬
  2. ১৮
  3. ২০
  4. ২২
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬:
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ এর সময়কাল: ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ।
- আয়োজক দেশ ২টি- ভারত ও শ্রীলঙ্কা৷
- এই আসরে মোট ২০টি দল অংশগ্রহণ করবে।
- ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।
- প্রথম পর্ব শেষে চার গ্রুপ থেকে দুটি করে মোট আটটি দল উঠবে সুপার এইটে। দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে এই আট দল। এরপর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল।

উৎস: প্রথম আলো ।

৪৪.
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভা নিয়মিত কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন
  3. জেনেভা
  4. দাভোস
সঠিক উত্তর:
দাভোস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাভোস
ব্যাখ্যা

⇒ বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভা নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়- দাভোস-ক্লোস্টার্স, সুইজারল্যান্ড।
- ১৯ – ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম:
- ১৯৭১ সালে World Economic Forum একটি অলাভজনক ফাউন্ডেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- "প্রতিটি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন" - এটি সংস্থাটির মূল স্লোগান।
- ফোরামের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বোর্জ ব্রেন্ডের সভাপতিত্বে পরিচালিত ব্যবস্থাপনা বোর্ড বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের নির্বাহী সংস্থা হিসেবে কাজ করে। 

বার্ষিক সভা:
- প্রতি বছর জানুয়ারি মাসে সুইজারল্যান্ডের দাভোস শহরে অনুষ্ঠিত হয় বার্ষিক সভা।
- বিশ্বের প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ এখানে একত্রিত হয়ে বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন
- অর্থনীতি, পরিবেশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়

উৎস: WEF ওয়েবসাইট।

৪৫.
দ্বিতীয় মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কততম প্রসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন?
  1. ৪৫ তম
  2. ৪৬ তম
  3. ৪৮ তম
  4. ৪৭ তম
সঠিক উত্তর:
৪৭ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ তম
ব্যাখ্যা

-  দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। 
- ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য,
- ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ২০১৭ সালের ২০শে জানুয়ারি তিনি দেশটির ৪৫-তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।
- তিনি একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব, লেখক হিসেবে আলোচিত।

উৎস: বিবিসি।

৪৬.
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটার কোনটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. সিয়েরা 
  2. এল ক্যাপিটান
  3. সুমিত 
  4. ফুজিয়েন 
সঠিক উত্তর:
এল ক্যাপিটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এল ক্যাপিটান
ব্যাখ্যা

⇒ লাইভ সায়েন্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এল কাপিতান হাই-পারফরম্যান্স লিনপ্যাক (এইচপিএল) বেঞ্চমার্ক পরীক্ষায় ১ দশমিক ৭৪২ এক্সাফ্লপস গতি অর্জনের মধ্য দিয়ে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারের খেতাব অর্জন করেছে। সিস্টেমটির সর্বোচ্চ গতি ২ দশমিক ৭৪৬ এক্সাফ্লপস। 

⇒ স্পেস ডট কমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের দ্বিতীয় দ্রুততম সুপারকম্পিউটার ‘ফ্রন্টিয়ার’ ইলিনয়ের ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে অবস্থিত। কম্পিউটারটির সাধারণ গতি ১ দশমিক ৩৫৩ এক্সাফ্লপস এবং সর্বোচ্চ গতি ২ দশমিক ০৫৬ এক্সাফ্লপস।

সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুত গতির সুপারকম্পিউটার হলো ‘এল ক্যাপিটান’।
- এটি ডিজাইন ও তৈরি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ (এইচপিই) কোম্পানি।
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে চালু করা হয় এটি।
- এই সুপারকম্পিউটার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লিভারমোরে অবস্থিত লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে স্থাপন করা হয়েছে।
- এটি ডিজাইন ও তৈরিতে ব্যয় হয়েছে ৬০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি।

উৎস: সিবিএস নিউজ  এবং বণিক বার্তা।