পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
ধ্বনি, বর্ণ। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হসচিহ্ন না থাকলে কোন ধ্বনি আছে বলে ধরে নেওয়া হয়?
  1. ক) ই
  2. খ) অ
  3. গ) আ
  4. ঘ) উ
সঠিক উত্তর:
খ) অ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ
ব্যাখ্যা

স্বরবর্ণের মােট ১০টি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, এগুলাের নাম কারবর্ণ: া, ি, ী, ু, ূ, ৃ, ে, ৈ, ো, ৌ। কারবর্ণের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই। এগুলাে ব্যঞ্জনবর্ণের আগে, পরে, উপরে, নিচে বা উভয় দিকে যুক্ত হয়।

- কোনাে ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হসচিহ্ন না থাকলে ব্যঞ্জনটির সঙ্গে একটি ‘’ আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি

.
নিচের কোনটি ঘোষধ্বনি?
  1. ক) ঠ
  2. খ) ত
  3. গ) স
  4. ঘ) ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড
ব্যাখ্যা

ঘােষ ব্যঞ্জন:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘােষধ্বনি।
যথা: ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড, ঢ, জ, ঝ, গ, ঘ, ঙ ।

অঘােষ ব্যঞ্জন:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় অঘােষধ্বনি।
যথা: প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ, হ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী

.
বউদিদি > বউদি— কীসের উদাহরণ?
  1. ক) অন্তর্হতি
  2. খ) ধ্বনিচ্যুতি
  3. গ) মধ্য স্বরাগম
  4. ঘ) প্রগত
সঠিক উত্তর:
খ) ধ্বনিচ্যুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধ্বনিচ্যুতি
ব্যাখ্যা

ব্যঞ্জনচ্যুতি : পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে তার একটি লােপ পায়। এরূপ লােপকে বলা হয় ধ্বনিচ্যুতি বা ব্যঞ্জনচ্যুতি।
যেমন- বউদিদি > বউদি, বড় দাদা > বড়দা ইত্যাদি।

অন্তর্হতি : পদের মধ্যে কোনাে ব্যঞ্জনধ্বনি লােপ পেলে তাকে বলে অন্তর্হতি।
যেমন – ফাল্গুন > ফাগুন, ফলাহার > ফলার, আলাহিদা > আলাদা ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী

.
দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন নয় কোনটি?
  1. ক) ন
  2. খ) র
  3. গ) ল
  4. ঘ) ম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম
ব্যাখ্যা

দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গােড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
ম ওষ্ঠ ব্যঞ্জন। 
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী

.
অন্তঃস্থ বর্ণ কোনটি?
  1. ক) প
  2. খ) ম
  3. গ) ব
  4. ঘ) ঝ
সঠিক উত্তর:
গ) ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব
ব্যাখ্যা

অন্তঃস্থ ধ্বনি :
স্পর্শ বা উষ্ম ধ্বনির অন্তরে অর্থাৎ মাঝে আছে বলে য র ল ব-এ ধ্বনিগুলােকে অন্তঃস্থ ধ্বনি বলা হয় আর বর্ণগুলােকে বলা হয় অন্তঃস্থ বর্ণ।

উৎসঃ
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী

.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) ক্ষ = ক্ + ষ
  2. খ) হ্ম = ক্ষ + হ্
  3. গ) ঞ্ঝ = ঞ্ + ন + ঝ
  4. ঘ) ঞ্জ = ঞ + জ
সঠিক উত্তর:
ক) ক্ষ = ক্ + ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্ষ = ক্ + ষ
ব্যাখ্যা

ক্ষ = ক্ + ষ। যেমন- শিক্ষা, বক্ষ, রক্ষা৷
হ্ম = হ্ + ম। যেমন- ব্রাহ্মণ, ব্রহ্ম।
ঞ্ঝ = ঞ্ + ঝ৷ যেমন- ঝঞ্ঝা, ঝঞ্ঝাট৷
ঞ্জ = ঞ্ + জ। যেমন- গঞ্জ, রঞ্জ, রঞ্জন৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী

.
কন্ঠনালীয় বর্ণ কোনটি?
  1. ক) ক
  2. খ) জ
  3. গ) ধ
  4. ঘ) হ
সঠিক উত্তর:
ঘ) হ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হ
ব্যাখ্যা

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী

.
নিচের কোনটি মূর্ধন্য বর্ণ?
  1. ক) ঙ
  2. খ) ট
  3. গ) ক
  4. ঘ) শ
সঠিক উত্তর:
খ) ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ট
ব্যাখ্যা

স্পর্শব্যঞ্জন বা স্পৃষ্টব্যঞ্জন :
- ‘ক’ থেকে ‘ম’ পর্যন্ত ধ্বনিগুলােকে বলা হয় স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনি। এই ধ্বনিগুলাে উচ্চারণের সময় জিভ বা মুখের ভেতরে কোনাে-না-কোনাে জায়গা কিংবা এক ঠোট আরেক ঠোটকে স্পর্শ করে।
- স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনির লিখিত রূপকে স্পর্শ ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনিকে সাধারণভাবে স্পর্শধ্বনি বলা হলেও ঙ, ঞ, ণ, ন এবং ম বাদে বাকি কুড়িটি ধ্বনি প্রকৃত স্পর্শধ্বনি। এই কুড়িটি স্পর্শধ্বনিকে উচ্চারণ স্থানের দিক থেকে পাঁচটি গুচ্ছে বা বর্গে ভাগ করা হয়েছে।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী

 
.
শব্দের মৌলিক একক কী?
  1. ক) ধ্বনি
  2. খ) বর্ণ
  3. গ) অক্ষর
  4. ঘ) কার
সঠিক উত্তর:
খ) বর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বর্ণ
ব্যাখ্যা

মানুষের বাগযন্ত্র ও নিশ্বাসবায়ুর সমবায়ে উচ্চারিত আওয়াজকে 'ধ্বনি' বলে। অন্যদিকে, ধ্বনি নির্দেশক সাংকেতিক চিহ্নকে বলে বর্ণ।
- ভাষার মূল উপাদান - ধ্বনি
- শব্দের ক্ষুদ্রতম একক - ধ্বনি
- শব্দের মৌলিক একক - বর্ণ

উৎসঃ
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ

১০.
পরাশ্রয়ী বর্ণ নয় কোনটি?
  1. ক) ঋ
  2. খ) ং
  3. গ) ঃ
  4. ঘ) ঁ
সঠিক উত্তর:
ক) ঋ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঋ
ব্যাখ্যা

ং, ঃ, ঁ —এ তিনটি বর্ণ স্বাধীনভাবে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ভাষায় ব্যবহৃত হয় না। এ বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অন্য ধ্বনির সঙ্গে মিলিত হয়ে একত্রে উচ্চারিত হয়। এ বর্ণগুলােকে বলা হয় পরাশ্রয়ী বর্ণ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ

১১.
নাসিক্য ব্যঞ্জন টি চিহ্নিত করুন।
  1. ক) স
  2. খ) ম
  3. গ) হ
  4. ঘ) শ
সঠিক উত্তর:
খ) ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম
ব্যাখ্যা

নাসিক্য ব্যঞ্জনঃ
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখের মধ্যে প্রথমে বাধা পায় এবং নাক ও মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়, সেসব ধ্বনিকে নাসিক্য ব্যঞ্জন বলে। মা, নতুন, হাঙর প্রভৃতি শব্দের ম, ন, ও ঙ নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি।

উষ্ম ব্যঞ্জনঃ
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাকপ্রত্যঙ্গ কাছাকাছি এসে নিঃসৃত বায়ুতে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে,
সেগুলােকে উষ্ম ব্যঞ্জন বলে। সালাম, শসা, হুঙ্কার প্রভৃতি শব্দের স, শ, হ উষ্ম ধ্বনির উদাহরণ।


উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী