পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা টপিক: এই বাটনে অনুষ্ঠিত বিগত ৪ টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা [ফুল মডেল টেস্ট ব্যতিত]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
Choose the correct spelling.
  1. Zerotharmic
  2. Zerothermic
  3. Xerotharmic
  4. Xerothermic
ব্যাখ্যা

Correct answer: Xerothermic.

Xerothermic (adjective)
- English meaning: characterized by heat and dryness.
- Bangla meaning: শুষ্ক ও উষ্ণ জলবায়ু সম্পর্কিত।

Example sentence:
1. The xerothermic conditions of the Sahara Desert make it difficult for most plants to survive.
2. The xerothermic heatwave in the summer made outdoor activities impossible.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
The word “Xenophobia” means –
  1. Fear of death.
  2. Fear of height.
  3. Fear of foreigners.
  4. Fear of darkness.
ব্যাখ্যা

Correct answer: Fear of foreigners.

Xenophobia: (noun)
- English meaning: fear and hatred of strangers or foreigners or of anything strange or foreign.
- Bangla meaning: বিদেশিদের সম্বন্ধে অহেতুক ভয় বা ঘৃণা।

Example sentence:
- They are nationalist to the point of xenophobia.
- The president was accused of making xenophobic comments during his speech.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
The antonym of the word "Yield" is-
  1. Surrender 
  2. Produce 
  3. Resist
  4. Passim
ব্যাখ্যা

Correct answer: Resist.

• Yield (Verb)
- English Meaning:
1. to bear or bring forth as a natural product especially as a result of cultivation.
2. to give up possession of on claim or demand.
- Bangla Meaning:
১. প্রাকৃতিক রীতিতে উৎপাদন করা বা উৎপন্ন হওয়া।
২.আত্মসমর্পণ করা; বিরোধিতা করা থেকে বিরত হওয়া। 

• Resist (Verb)
- English meaning: to exert oneself so as to counteract or defeat
- Bangla meaning: বাধা প্রদানকারী।

Other options:
ক) Surrender
- English meaning: to yield to the power, control, or possession of another upon compulsion or demand.
- Bangla meaning: বশ্যতা স্বীকার করা।

খ) Produce
- English meaning: to give birth or rise to: yield.
- Bangla meaning: উৎপাদন/উৎপন্ন করা; সৃষ্টি করা; জন্ম দেওয়া।

ঘ) Passim
- English meaning: here and there.
- Bangla meaning: ঘন ঘন; সর্বত্র।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
What is the synonym of the word "zeal"?
  1. Doubt
  2. Indifference
  3. Enthusiasm
  4. Laziness
ব্যাখ্যা

Correct answer: Enthusiasm.

• Zeal (noun)
- Bangla Meaning: সতেজতা ও উদ্দীপনা।
- English Meaning: eagerness and ardent interest in pursuit of something: fervor.

• Enthusiasm (noun)
- Bangla Meaning: প্রবল উৎসাহ / উদ্দীপনা।
- English Meaning: strong excitement of feeling : ardor.

• Other options:
ক) Doubt
- Bangla Meaning: সংশয়; অনিশ্চয়তা।
- English Meaning: to call into question the truth of: to be uncertain or in doubt about.

খ) Indifference
-Bangla Meaning: ঔদাসীন্য; উদাসীনতা; অনীহা; নিঃস্পৃহতা; বিতৃষ্ণা; বৈরাগ্য।
- English Meaning: the quality, state, or fact of being indifferent.

ঘ) Laziness
- Bangla Meaning: the quality of not being willing to work or use any effort.
- English Meaning: অলসতা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
Choose the correct sentence-
  1. I have a few money left for lunch today. 
  2. I have few money left for lunch today. 
  3. I have a little money left for lunch today. 
  4. I have only a few money left for lunch today. 
ব্যাখ্যা

Correct answer: I have a little money left for lunch today.
-  প্রদত্ত sentence টিতে money হচ্ছে uncountable noun. 
- A little এর অর্থ হলো অল্প কিছু বা অল্প পরিমাণ।
- দুপুরের খাবারের জন্য কিছু টাকা অবশিষ্ট আছে অর্থে uncountable noun "money" এর পূর্বে "A little" determiner টি বসবে।

• Little, A little, Few, A few এর ব্যবহার:
- এগুলো হচ্ছে quantifier determiners. যার দ্বারা কিছু পরিমাণ, সংখ্যাকে বুঝায়।
- Little এবং A little বসে uncountable noun এর ক্ষেত্রে,
- Few এবং A few বসে countable noun এর ক্ষেত্রে।  
- Little ও Few, negative quantifier determiners ব্যবহার করা হয়। এর অর্থ অল্প সংখ্যক বা নেই বললেই চলে।
- অল্প কয়েকটি অর্থে countable noun এর আগে A few বসে এবং অল্প একটু বা সামান্য অর্থে uncountable noun এর আগে A little বসে।
- A few বা A little উভয়ের অর্থই হচ্ছে Some (অল্প কয়েকটি বা অল্প পরিমাণ)।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

.
I cannot help ________ when I see him. (Fill in the gap)
  1. laugh
  2. laughing
  3. to laugh
  4. but laughing 
ব্যাখ্যা

Correct answer: laughing.
Complete sentence: I cannot help laughing when I see him.

 • Mind, worth, can not help, with a view to, get used to, would you mind এবং যেকোনো preposition এর পর verb থাকলে উক্ত verb এর present form + ing যুক্ত হয়ে থাকে।

• Cannot help যুক্ত incomplete sentence কে complete করার নিয়ম:
- Cannot help" এর পর যে Verb (ক্রিয়া) বসবে তার সাথে অবশ্যই ing যুক্ত করতে হবে।
- Cannot help এর পরে verb এর মূল form এর সাথে 'ing' যোগ করতে হয়।
- Structure: Subject + cannot help + verb+ ing + object

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
Choose the correct sentence-
  1. They helped the old man cross the road.
  2. They helped the old man to cross the road.
  3. They helped the old man crossing the road.
  4. Both (ক+খ)
ব্যাখ্যা

Correct answer: Both (ক+খ)
• Causative Verb হিসাবে 'Help' এর  নিয়মানুযায়ী (ক+খ) উভয় বাক্যই সঠিক।

• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।

• Causative Verb হিসাবে 'Help' এর  নিয়মানুযায়ী
- Help এর পর ব্যক্তি বা বস্তু থাকলে verb এর base form বসে অথবা to + verb বসে।
- Help + Object (ব্যক্তি/বস্তু) + Verb-এর Base Form.
- Help + Object (ব্যক্তি/বস্তু) + To + Verb-এর Base Form.
- যেমন-
- They helped the old man cross the road.
- They helped the old man to cross the road.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

.
Customs officers arrested him for _________ drugs across the border. (Fill in the gap)
  1. transporting
  2. smuggling
  3. transferring
  4. selling
ব্যাখ্যা

Complete Sentence: Customs officers arrested him for smuggling drugs across the border. 
Bangla Meaning: শুল্ক কর্মকর্তারা সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান করার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

Smuggling (verb/noun):
- English meaning: to import or export secretly contrary to the law and especially without paying duties imposed by law.
- Bangla meaning: চোরাচালান করা।

• Other options:
ক) transporting:
- পরিবহন করা বা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া।

গ) transferring:
-  বদলি করা; স্থানান্তর করা।

ঘ) selling:
- বিক্রি করা।

Smuggling" (চোরাচালান) শব্দটি বেআইনিভাবে বা গোপনে সীমান্ত পার করে পণ্য আনা-নেওয়া করা বোঝায়। মাদকদ্রব্য সাধারণত এই পদ্ধতিতেই পাচার করা হয়। শুল্ক কর্মকর্তারা সাধারণত সীমান্ত পারাপারের অবৈধ কাজের জন্যই গ্রেপ্তার করেন, তাই "smuggling" শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।

.
Choose the correct sentence-
  1. One of the student is absent from school today.
  2. One of the students are absent from school today.
  3. One of the students were absent from school today.
  4. One of the students is absent from school today.
ব্যাখ্যা

Correct answer: One of the students is absent today.
- কোনো বাক্যে "One of the" থাকলে এদের পর noun plural হয় কিন্তু verb singular হয়। 

• বাক্যের শুরুতে বা বাক্যাংশে Each of the, One of the, Neither of the, Either of the থাকে,
- তবে এদের পরবর্তী Noun বা Pronoun সবসময় Plural বা বহুবচন হয়,
- কিন্তু ব্যবহৃত Verb সবসময় Singular বা একবচন) হয়।
- কারণ এখানে Noun-টি অনেকের মধ্যে একটিকে (one) বা প্রত্যেককে (each) নির্দেশ করে।

Other options:
ক) One of the student is absent from school today.
- ভুল কারণ, বাক্যের শুরুতে বা বাক্যাংশে Each of the, One of the, Neither of the, Either of the থাকলে এদের পর noun plural হয় কিন্তু verb singular হয়। 

খ) One of the students are absent from school today.
- ভুল কারণ, কোনো বাক্যের শুরুতে "One of the" থাকলে এদের পর noun plural হয় কিন্তু verb singular হয়। 

গ) One of the students were absent from school today.
- কোনো বাক্যের শুরুতে "One of the" থাকলে এদের পর noun plural হয় কিন্তু verb singular হয়।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১০.
The entire building was quickly ________ after the fire alarm. (Fill in the gap)
  1. evacuated 
  2. repaired
  3. painted
  4. demolished
ব্যাখ্যা

 Complete Sentence: The entire building was quickly evacuated after the fire alarm.
- Bangla Meaning: অগ্নিকাণ্ডের সতর্কবার্তার পর পুরো ভবনটি দ্রুত খালি করা হয়েছিল।

Evacuated (verb)

- English meaning: to remove the contents of: empty.
- Bangla meaning: অপসারিত অথবা স্থানান্তরিত।

• Other options:
খ) repaired (মেরামত করা হয়েছিল)
- এটি ভুল, কারণ আগুন লাগার সতর্কবার্তার পরপরই ভবন মেরামত করার প্রশ্ন আসে না, এটি সাধারণত ক্ষয়-ক্ষতির পরে করা হয়।

গ) painted (রঙ করা হয়েছিল):
- এটি ভুল, কারণ ফায়ার অ্যালার্ম বাজার সাথে সাথে রং করার কাজের কোনো সম্পর্ক নেই।

ঘ) demolished (ধ্বংস করা হয়েছিল):
- এটি ভুল, কারণ ফায়ার অ্যালার্ম বাজলেই পুরো ভবন ভেঙে ফেলা হয় না। বরং কোন ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হলে সেটি ধ্বংস করে ফেলা হয়। এবং এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।

• "Evacuated" শব্দটি জরুরি অবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফায়ার অ্যালার্ম বা আগুনের সতর্কবার্তা বাজলে সাধারণত নিরাপত্তার কারণে দ্রুত ভবন খালি করে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এটিই যৌক্তিক পদক্ষেপ। 

১১.
’বিনোদিনী’ চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসের অন্তর্গত?
  1. চতুরঙ্গ
  2. ঘরে- বাইরে
  3. যোগাযোগ
  4. চোখের বালি
ব্যাখ্যা

’বিনোদিনী’ চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘চোখের বালি’ উপন্যাসের অন্তর্গত।

'চোখের বালি':

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'চোখের বালি' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- তিনি এই উপন্যাস রচনার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসকে নতুন খাতে প্রবাহিত করেন। এই উপন্যাসেই লেখক প্রথম সমসাময়িক সমাজের পাত্রপাত্রী ব্যবহার করেন।
- রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসেই প্রথম কাহিনীর ভার পরিহার করে ব্যক্তিত্ত্বের ফলস্বরূপ নানা সংকটকে উপন্যাসের বিষয় হিসাবে ব্যবহার করেন।
- উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- প্রধান চরিত্র - বিনোদিনী, মহেন্দ্র, আশালতা, বিহারী, রাজলক্ষী প্রমুখ।
- বিনোদিনী ছিলেন বিধবা এবং তার আশা-আকাঙ্খা, প্রেম, দুঃখ ইত্যাদি এই উপন্যাসের কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- উপন্যাসে আশালতা ছিলেন মহেন্দ্রর স্ত্রী ও পতিব্রতা। কিন্তু মহেন্দ্র তার স্ত্রীর ভালোবাসা উপেক্ষা করে এবং বিধবা বিনোদিনীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক ছিলেন।
- মূলত কবি হিসেবেই তাঁর প্রতিভা বিশ্বময় স্বীকৃত। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলা ছোট গল্পের জনক বলা হয়।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- চোখের বালি,
- গোরা,
- যোগাযোগ,
- চতুরঙ্গ,
- ঘরে- বাইরে,
- চার অধ্যায়,
- মালঞ্চ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২.
'মম এক হাতে-বাঁকা বাঁশের বাঁশরী, আর হাতে রণ-তূর্য্য।’ চরণটির রচয়িতা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. মাইকেল মধূসুদন দত্ত
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

- 'মম এক হাতে-বাঁকা বাঁশের বাঁশরী, আর হাতে রণ-তূর্য্য।’ চরণটির রচয়িতা - কাজী নজরুল ইসলাম।
- চরণটি বিদ্রোহী কবিতার অন্তর্গত।

'বিদ্রোহী' কবিতা

- বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা।
-  ‘বিদ্রোহী' কবিতা ২২ পৌষ,১৩২৮ (১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় কবিতাটি প্রকাশিত হয়।
- নজরুল দ্রোহ-ভাবাপন্ন আরোও কবিতা লিখলেও শুধু এক 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই তিনি বাঙালির চিরকালের বিদ্রোহী কবি।
- এর মূলে রয়েছে - বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ।

• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ সালে ভারতের আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ছেলেবেলায় তিনি লেটো গানের দলে যোগ দেন।
- পরে বর্ধমান ও ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার দরিরামপুর হাই স্কুলে লেখাপড়া করেন।
- ১৯১৭ সালে তিনি সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগ দিয়ে করাচি যান। 
- তাঁকে ‘বিদ্রোহী কবি' বলা হয়।
- মাত্র চল্লিশ বছর বয়সে কবি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন।
- বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর অসুস্থ কবিকে ঢাকায় আনা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।
- তাঁকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ছায়ানট,
- প্রলয়শিখা,
- চক্রবাক,
- সিন্ধুহিন্দোল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৩.
নিচের কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. রাইফেল রোটি আওরাত
  2. জোছনা ও জননীর গল্প 
  3. হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা

⇒ অপশনে উল্লেখিত ব্যতিক্রম হলো- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি কাব্যনাট্য |
- এখানে মুক্তিযুদ্ধকে মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনায় তুলে ধরা হয়েছে। 
- নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে |
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি |

সৈয়দ শামসুল হক, 
- তিনি একজন প্রখ্যাত কবি, কথা-সাহিত্যিক, ও নাট্যকার।
- কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, অনুবাদ তথা সাহিত্যের সকল শাখায় অনলস পদচারণ ছিল তার।
- তিনি সর্বমহলে ‘সব্যসাচী’ লেখক হিসেবে পরিচিত।
= সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। 

অন্যদিকে,
- 'রাইফেল রোটি আওরাত' আনোয়ার পাশা রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- 'জোছনা ও জননীর গল্প ' হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। 
- 'হাঙর নদী গ্রেনেড'  সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং জোছনা ও জননীর গল্প ।

১৪.
’মুনিম, আসাদ’ চরিত্রদ্বয় কোন উপন্যাসের অন্তর্গত?
  1. শেষ বিকেলের মেয়ে
  2. হাজার বছর ধরে
  3. আরেক ফাল্গুন
  4. আর কত দিন
ব্যাখ্যা

• আরেক ফাল্গুন :
- বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ১৯৫৫ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান 'আরেক ফাল্গুন' (১৯৬৮) উপন্যাস রচনা করেন।
- উপন্যাসের চরিত্র সমূহ: নায়ক মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা।
- ১৯৫৫ সালে বর্তমান শহিদ মিনারের স্থায়ী ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মিলন, ছাত্র-ছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, তাদের প্রেম-প্রণয় ইত্যাদি উপন্যাসটির মূলবিষয়।
- তাদের বিশ্বাস, জনতার প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ আগামী ফাল্গুনে আরও প্রবল হবে। তাই তাদের উচ্চারণ: আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুণ হবো
- এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।

• জহির রায়হান:
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- জহির রায়হান একাধারে চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক ছিলেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৭২ সালে তাঁকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- শেষ বিকেলের মেয়ে।
- হাজার বছর ধরে।
- আরেক ফাল্গুন।
- বরফ গলা নদী।
- আর কত দিন।
- কয়েকটি মৃত্যু।

• তাঁর পরিচালিত অন্যান্য সিনেমা:
- সোনার কাজল।
- কাঁচের দেয়াল।
- বেহুলা।
- জীবন থেকে নেয়া।
- আনোয়ারা।
- সঙ্গম।
- বাহানা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫.
শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1. নিষিদ্ধ লোবান
  2. দুই সৈনিক
  3. আগুনের পরশমনি
  4. যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

'দুই সৈনিক':
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'দুই সৈনিক' এর রচয়িতা শওকত ওসমান।
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে।

"দুই সৈনিক"
গ্রামের পটভূমিতে লেখা শওকত ওসমানের একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হল দুই সৈনিক।
বেতারের সংবাদই তখন জীবন সঞ্জীবনী। কলকাতা বেতার শুনছে সাহেলী ও চামেলী। বাবা মখদুম মৃধা; তিনি মৌলিক গণতন্ত্রী ছিলেন, উনসত্তরে গণঅভ্যুত্থানের সময় সাজাও পেয়েছেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তিনি দ্বিধায় আছেন। একটি গ্রামীণ প্রতিবেশে উপন্যাসের কাঠামো নির্মাণ, ইতিহাসের সভ্যতা তার পরিপূরক হয়ে আসে। প্রথম দুপর্বে চরিত্রগুলোর পারস্পরিক কথোপকথনে জানা যায় একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে দেশের স্বাধীনতা, শেখ মুজিব কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছেন, নির্বাচনে জিতেছেন। মখদুম মৃধার দুই মেয়ে সারাক্ষণ ট্রানজিস্টার নিয়ে দেব দুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠ শুনছেন। রণেশদাশ গুপ্তের মতে, দুই সৈনিক হচ্ছে হানাদার বাহিনীর দুই মদমত্ত অফিসার। ৭১ সালের ২৫ মার্চ হানাদার বাহিনী সারাদেশে যে হামলা চালায় তার দুই মূর্তিমন্ত প্রতীক। তাদের পাশবিক ক্রিয়াকলাপ উপন্যাসটির ঘটনা তরঙ্গ সৃষ্টি করে। এই জন্যই সম্ভবত উপন্যাসের নাম দুই সৈনিক। কাহিনি বর্ণনা করতে গিয়ে সচেতন লেখক শওকত ওসমান সমসাময়িক বাংলাদেশের রাজনীতি, সামাজিক পরিবেশ বিশেষ করে সাম্প্রদায়িকতা এবং বাঙালির অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যের কথা বলতে ভোলেননি।

শওকত ওসমান:
-  শওকত ওসমান, একজন  কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক।
-  ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ক্রীতদাসের হাসি, 
- সমাগম, 
- চৌরসন্ধি, 
- রাজা উপাখ্যান,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- পুরাতন খঞ্জর।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জাহান্নম হইতে বিদায়, 
- দুই সৈনিক, 
- নেকড়ে অরণ্য

অন্যদিকে,
- ’সৈয়দ শামসুল হক’ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ- “নিষিদ্ধ লোবান”।
- ’হুমায়ূন আহমেদ’ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ- “আগুনের পরশমনি”।
- ’সেলিনা হোসেন’ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ- “যুদ্ধ”।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং দুই সৈনিক উপন্যাস ।

১৬.
’যে মোরে করিল পথের বিবাগী-
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি’- পঙ্​ক্তিদ্বয়ের রচয়িতা কে?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত 
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. সুকুমার বড়ুয়া
ব্যাখ্যা

’যে মোরে করিল পথের বিবাগী-
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি’- পঙ্​ক্তিদ্বয়ের রচয়িতা - জসীম উদ্‌দীন।
- চরণদ্বয় প্রতিদান কবিতার অন্তর্গত।
- 'প্রতিদান' কবিতাটি তাঁর 'বালুচর' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত। 

জসীম উদ্‌দীন
- জসীম উদ্‌দীন ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দের পহেলা জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক নিবাস ফরিদপুরের গোবিন্দপুর গ্রামে। 
- তিনি ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ থেকে আইএ ও বিএ পাস করেন।
- পর কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন।
- কলেজে অধ্যয়নকালে 'কবর' কবিতা রচনা করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন এবং ছাত্রাবস্থায়ই কবিতাটি স্কুলের পাঠ্যগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- নকশী কাঁথার মাঠ।
- সোজন বাদিয়ার ঘাট।
- মাটির কান্না।
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে।
- বালুচর।
- রাখালী (তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে)।
- রূপবতী ইত্যাদি।

উৎস: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি বাংলা সহিত্যপাঠ।

১৭.
“একটি কালো মেয়ের কথা” গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  2. রাবেয়া খাতুন
  3. মাহমুদুল হক
  4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
'একটি কালো মেয়ের কথা' :
-'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাসটির রচয়িতা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
- উপন্যাসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ খ্রিষ্টব্দে।
- এটি তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস।
- উপন্যাসের পট উন্মোচিত হয়েছে নাজমা নামের একটি কালো মেয়েকে নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম কালে 'স্পাই' হিসেবে ধরা পড়া ডেভিড আর্মস্ট্রং-এর ভারতীয় পুলিশ-অফিসারের সামনে জবানবন্দি উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে।
- জবানবন্দিতে ডেভিড বলেছে : '... এরই মধ্যে এই দেশটাকে এমন করে ভালবেসে ফেললাম যে এই আমার সব থেকে ভালো দেশ, এর থেকে ভালো দেশ আর নেই। আর এই দেশই আমার দেশ।'

• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন কথাসাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ।
- তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
- তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস- ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম। 
 
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস: 
- চৈতালি ঘূর্ণি, 
- ধাত্রীদেবতা, 
- কালিন্দী, 
- কবি, 
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা, 
- গণদেবতা, 
- আরগ্য, 
- নিকেতন, 
- পঞ্চপুণ্ডলী, 
- রাধা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ’একটি কালো মেয়ের কথা’ উপন্যাস ।
১৮.
’রূপ-নারানের কূলে জেগে উঠিলাম; জানিলাম এজগৎ স্বপ্ন নয়।’ চরণদ্বয়ের লেখক কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. মাইকেল মধূসুদন দত্ত
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

⇒ ’রূপ-নারানের কূলে জেগে উঠিলাম; জানিলাম এজগৎ স্বপ্ন নয়।’ চরণদ্বয়ের লেখক -  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- চরণদ্বয় ’শেষলেখা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

• 'শেষলেখা' কাব্যগ্রন্থ:
 শেষলেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯৪১ সালে তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
- এটির নামকরণ রবীন্দ্রনাথ নিজে করে যেতে পারেন নি।
- অধিকাংশ রচনা তাঁর জীবনের শেষ কয়েকদিনে রচনা।
- কয়েকটি কবিতা মুখে মুখে রচিত। 

 'শেষলেখা' কাব্যগ্রন্থে তিনি লিখেছেন-
"রূপ-নারানের কূলে,
জেগে উঠিলাম;
জানিলাম এ জগৎ
স্বপ্ন নয়।"

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ :
- মানসী
- সোনার তরী
- চিত্রা
- চৈতালী
- কল্পনা
- গীতাঞ্জলি
- বলাকা 
- শেখলেখা
- সেঁজুতি
- পত্রপুট
- ক্ষণিকা 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৯.
“একাত্তরের দিনগুলি” স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. রাবেয়া খাতুন
  2. জাহানারা ইমাম
  3. সেলিনা হোসেন
  4. সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা

• জাহানারা ইমামের রচনা - একাত্তরের দিনগুলি
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক তাঁর অসাধারণ ডায়েরি গ্রন্থ 'একাত্তরের দিনগুলি'।
 - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি শিহরণমূলক ও মর্মস্পর্শী ঘটনাবৃত্তান্ত আছে এ গ্রন্থে।

• জাহানারা ইমাম:
- অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামের এক রক্ষণশীল পরিবারে ১৯২৯ সালের ৩ মে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি শহীদ জননী হিসেবে খ্যাত।
- 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি'র আহবায়করূপে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৮১-র দিকে জাহানারা ইমাম  ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।
- ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন আমেরিকার মিশিগান স্টেটের ডেট্রয়েটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর জীবনাবসান ঘটে।
- পরবর্তীতে সেখান থেকে ঢাকায় এনে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

• তাঁর রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- গজকচ্ছপ,
- সাতটি তারার ঝিকিমিকি,
- অন্য জীবন,
- বুকের ভিতর আগুন,
- শেক্সপিয়রের ট্রাজেডি,
- নাটকের অবসান,
- নিঃসঙ্গ পাইন,
- ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস,
- প্রবাসের দিনগুলি।

উল্লেখ্য
• সুফিয়া কামাল রচিত স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ - একাত্তরের ডায়েরী।
• সেলিনা হোসেন রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ - একাত্তরের ঢাকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

২০.
’জীবনানন্দ, ষোড়শী’ চরিত্রদ্বয় কোন উপন্যাসের?
  1. বড়দিদি
  2. দেনাপাওনা
  3. গৃহদাহ
  4. দেবদাস
ব্যাখ্যা

• 'দেনাপাওনা' উপন্যাস:
- 'দেনাপাওনা' উপন্যাসের রচয়িতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- উপন্যাসটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়। 
- এখানে নারীত্ব ও সতীত্বের ধারনার বিচার এই আখ্যানের মূলসূত্র।  
- উপন্যাসের চরিত্র: ’জীবনানন্দ, ষোড়শী’ 
- এই উপন্যাস 'ষোড়শী' নামে নাট্যায়িত হয়। 
- 'দেনা পাওনা' শরৎচন্দ্রের সমগ্র সাহিত্য ভুবনে ভুবনে ন নানা কারণে ব্যতিক্রমী।
 এ উপন্যাসে কাহিনী আছে ২টি।
(ক) প্রথম কাহিনীটি জীবানন্দ-ষোড়শীর।
(খ) অন্যটি নির্মল হৈমন্তীর।
- শেষের কাহিনীটি গৌণ এবং মুখ্য কাহিনীর প্রয়োজন সিদ্ধ করার জন্যে এর অবতারণা ঘটিয়েছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস :
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পন্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয় ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য,
- দেনাপাওনা নামে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ছোটগল্প আছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২১.
নিচের কোনটি RDBMS এর উদাহরণ?
  1. MySQL
  2. MongoDB
  3. Cassandra
  4. Redis
ব্যাখ্যা

• MySQL হলো একটি জনপ্রিয় রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS), যা ডাটা সংরক্ষণের জন্য টেবিল ভিত্তিক কাঠামো ব্যবহার করে। এটি SQL ব্যবহার করে ডাটা কুয়েরি ও পরিচালনা করে এবং ডাটার মধ্যে লজিক্যাল রিলেশন বজায় রাখে।
- অন্যদিকে, MongoDB, Cassandra এবং Redis হলো NoSQL ডাটাবেজ।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়‍্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে ই এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি RDMS সফটওয়্যার হলো- Microsoft Access, Oracle, MySQL, SQL Server, PostgreSQL, MariaDB ইত্যাদি

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

২২.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি 'বিগ ব্লু (Big Blue)' নামে পরিচিত?
  1. Apple
  2. IBM
  3. Google
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• আইবিএম (IBM) কে বিশ্বজুড়ে 'বিগ ব্লু' নামে ডাকা হয়। ১৯৮০-র দশকে আইবিএম-এর আধিপত্যের সময়ে তাদের বিশাল নীল রঙের মেইনফ্রেম কম্পিউটার এবং কর্মীদের পরিহিত নীল রঙের স্যুটের কারণে এই নামের উৎপত্তি হয়েছিল।

• আইবিএম (IBM):
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ International Business Machines.
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথমে নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR),পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ (জানুয়ারি, ২০২৬)।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.
- বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার - ATM, Hard Disk, Floppy disc.
- Hyperledger হলো IBM এর একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম।
- হাইপারলেজার হল একটি ওপেন সোর্স সহযোগিতামূলক ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি ব্লকচেইন প্রযুক্তি।

তথ্যসূত্র - IBM Website

২৩.
ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ?
  1. রেডিও
  2. ওয়াকিটকি
  3. মোবাইল ফোন
  4. টেলিভিশন
ব্যাখ্যা

• হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে তথ্য উভয় দিকে প্রবাহিত হতে পারে, তবে তা একই সময়ে সম্ভব নয়। একজন কথা বলা শেষ করার পর অন্যজন কথা বলতে পারেন। ওয়াকিটকির ক্ষেত্রে এক পক্ষ কথা বলে 'ওভার' (Over) না বলা পর্যন্ত অন্য পক্ষ কথা পাঠাতে পারে না।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণ সম্ভব না।
- উদাহরণ: ওয়াকি টকি, ফ্যাক্স।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে একইসাথে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল ফোন।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

২৪.
অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির জন্য কোন বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী?
  1. ফিংগার প্রিন্ট
  2. ডিএনএ 
  3. ভয়েস রিকগনিশন
  4. আইরিশ স্ক্যান
ব্যাখ্যা

• অফিস বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জায়গায় যেখানে প্রতিদিন অনেক মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয়, সেখানে ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint) প্রযুক্তিটি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। এর প্রধান কারণ হলো এটি অত্যন্ত দ্রুত কাজ করে, খরচ কম এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ।

• বায়োমেট্রিক্স: 
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি। 
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়। 
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। 
যথা- 
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint), 
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry), 
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan), 
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition) এবং 
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA test) । 

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition), 
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification) এবং 
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification) । 

অন্যান্য অপশন:
- ডিএনএ: এটি ব্যক্তি শনাক্তকরণে সবচেয়ে নিখুঁত হলেও প্রতিদিনের হাজিরার জন্য এটি একটি অসম্ভব ও সময়সাপেক্ষ ল্যাবরেটরি পরীক্ষা।
- ভয়েস রিকগনিশন: আশেপাশের কোলাহল বা ব্যবহারকারীর শারীরিক অসুস্থতা (যেমন- সর্দি) থাকলে এই পদ্ধতি সঠিক ফলাফল দেয় না।
- আইরিশ স্ক্যান: এটি অতি উচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন ও ব্যয়বহুল প্রযুক্তি, যা সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অফিসের জন্য সাশ্রয়ী নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
একজন নাগরিক ও ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে কোন ধরনের রিলেশন বিদ্যমান?
  1. One-to-One
  2. One-to-Many
  3. Many-to-Many
  4. Many-to-One
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য একটি টেবিলের কেবল একটি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে, তখন তাকে ওয়ান-টু-ওয়ান রিলেশনশিপ বলে। একজন নাগরিকের বিপরীতে কেবল একটি ভোটার আইডি কার্ড থাকা সম্ভব, তাই এটি One to One রিলেশনের উদাহরণ।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়। যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়।

সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

২৬.
নিচের কোন প্রটোকলটি WWW-এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. HTML
  4. DNS
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)-এ ব্রাউজার ও সার্ভারের মধ্যে ওয়েব পেজ এবং তথ্য আদান-প্রদান করার জন্য HTTP (Hypertext Transfer Protocol) ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত একটি অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রটোকল যা ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে।
- বর্তমানে এর নিরাপদ সংস্করণ HTTPS সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।

 • World Wide Web (WWW):
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার নিয়ে গঠিত।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

অন্যান্য অপশন:
- SMTP: ইমেইল পাঠানোর (Simple Mail Transfer Protocol) কাজে ব্যবহৃত হয়।
- HTML: এটি কোনো প্রটোকল নয়, বরং ওয়েব পেজ তৈরির একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ (Hypertext Markup Language)।
- DNS: এটি ডোমেইন নেমকে আইপি (IP) অ্যাড্রেসে রূপান্তর করে, কিন্তু সরাসরি ওয়েব পেজ স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয় না।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

২৭.
ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্কসমূহের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. গেটওয়ে
  4. রিপিটার
ব্যাখ্যা

• ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকল বা আর্কিটেকচার বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে একে অপরের সাথে যুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত ডেটা প্যাকেটের প্রোটোকল রূপান্তর করে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠানোর প্রবেশপথ হিসেবে কাজ করে।

• গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এটি ওএসআই (OSI) মডেলের সকল লেয়ারে (১-৭ লেয়ার) কাজ করতে সক্ষম।
- বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার (যেমন: TCP/IP এবং IPX/SPX) এর মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।

• গেটওয়ের সুবিধাসমূহ-
১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়।
২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ-
১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন।
২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

এছাড়াও,
রাউটার:
-রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
-ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

অন্যান্য অপশন:
- হাব: একই নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলোকে যুক্ত করে এবং কোনো প্রোটোকল বুঝতে পারে না।
- সুইচ: একই নেটওয়ার্কের মধ্যে ম্যাক (MAC) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করে, ভিন্ন প্রোটোকলে কাজ করে না।
- রিপিটার: এটি শুধুমাত্র দুর্বল সিগন্যালকে শক্তিশালী করে, ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা নেই।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।

২৮.
মেটা (Meta) কর্তৃক উদ্ভাবিত আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল কোনটি?
  1. GPT-4
  2. Gemini
  3. Claude
  4. Llama
ব্যাখ্যা

• মেটা (Meta) তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণার অংশ হিসেবে 'Llama' (Large Language Model Meta AI) তৈরি করেছে। এটি একটি ওপেন-সোর্স লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ,যা বর্তমানে AI জগতে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী

• LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

• LLama (Large Language Model Meta AI):
- LLama হলো একটি বড় ভাষা মডেল যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত ভাষার বোঝাপড়া, টেক্সট জেনারেশন এবং ভাষা সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- LLama মডেলটি Meta কোম্পানি দ্বারা ডেভেলপ করা হয়েছে।
- Meta তাদের এই মডেলে "Responsible AI" ফ্রেমওয়ার্ক যুক্ত করেছে যা ক্ষতিকর উত্তর প্রদান প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- LLama বিভিন্ন NLP (Natural Language Processing) কাজের জন্য গবেষণা এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: 
- LLama [link]

২৯.
WAN এর পূর্ণরূপ কী?
  1. World Area Network
  2. Wide Access Network
  3. Web Area Network
  4. Wide Area Network
ব্যাখ্যা

• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Wide Area Network"।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- WAN-এর বিস্তৃতি সমগ্র দেশ বা পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা:
১. বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিকা, বই, চলচ্চিত্র প্রভৃতি সংগ্রহ ও ব্যবহার করা যায়।
২. বিশ্বের যেকোনো স্থানে ই-মেইল প্রেরণ করা যায়।
৩. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৪. অনলাইন শপিং করা যায়।
৫. ক্লাউট কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়।
৬. কম খরচে বিশ্বের যে কোনো স্থানে ভয়েস ও ভিডিও যোগাযোগ করা যায়।
৭. কম খরচে ও অল্পসময়ে বিশ্বের একস্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

৩০.
নিচের কোনটি ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজের (DDL) এর উদাহরণ নয়?
  1. Create
  2. Drop
  3. Insert
  4. Rename
ব্যাখ্যা

• SQL-এ DDL (Data Definition Language) মূলত ডাটাবেস বা টেবিলের কাঠামো (Structure) তৈরি, পরিবর্তন বা মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত হয়। Insert কমান্ডটি টেবিলের কাঠামো পরিবর্তন করে না, বরং টেবিলের ভেতরে নতুন ডেটা বা তথ্য যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি DML (Data Manipulation Language)-এর অন্তর্ভুক্ত।

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML): 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

৩১.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ কোনটি?
  1. IBM PS/2
  2. IBM 360
  3. ENIAC
  4. Apple Macintosh
ব্যাখ্যা

- ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) ছিল প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের একটি প্রধান উদাহরণ। 

কম্পিউটারের প্রজন্ম: 

- সময়ের সাথে সাথে কম্পিউটারের গতি, তথ্য ধারণ ক্ষমতা, হিসাব করার ক্ষমতা ইত্যাদির দ্রুত পরিবর্তন ঘটতে থাকে এবং বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হতে থাকে। 
- পরিবর্তন ও বিকাশের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে প্রজন্ম (Generation) হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। 
- প্রতিটি প্রজন্মে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফট্ওয়্যারে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। 
- প্রজন্ম হিসাবে কম্পিউটারকে পাঁচটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম, চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম। 

প্রথম প্রজন্ম (First Generation 1942-1959): 
- ১৯৪২ হতে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে সাধারণত প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার বলা হয়। 
- এই সময়ে কম্পিউটারের মূল যন্ত্রাংশ ছিল বায়ুশূন্য ভালব, ভালবগুলো আকারে অনেক বড় ছিল এবং এগুলোর ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ খরচ হতো অত্যন্ত বেশি। এগুলো ব্যবহারের ফলে তাপমাত্রা এত বেশি বেড়ে যেত যে কম্পিউটার পরিচালনার সময় কম্পিউটার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার তাপমাত্রা অসহনীয় হয়ে যেত। 
- এই সমস্ত কম্পিউটারে তথ্য ধারণ ক্ষমতা ছিল সীমিত এবং উপাত্ত সমস্যাও ছিল। 
- এর পর ধীরে ধীরে তথ্য ধারণ ক্ষমতার ক্ষেত্রে বায়ুশূন্য টিউবের পরিবর্তে চৌম্বক ধর্মী বস্তু আসতে শুরু করলো। 
যেমন- এবিসি (ABC), এনিয়াক (ENIAC), এডসেক (EDSAC), ইউনিভ্যাক (UNIVAC) প্রভৃতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার। 

অন্যদিকে, 
- IBM 360 তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। 
- IBM PS/2 চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার। 
- Apple Macintosh অনেক পরবর্তী প্রজন্মের (সাধারণত চতুর্থ বা পঞ্চম প্রজন্ম) কম্পিউটার। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
নিচের কোন কাজটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রামের মাধ্যমে সম্ভব নয়?
  1. উপাত্ত সম্পাদনা
  2. ভার্চুয়াল বাস্তবতা তৈরি করা
  3. স্বয়ংক্রিয় হিসাব করা 
  4. প্রতিবেদন তৈরি করা
ব্যাখ্যা

- স্প্রেডশীট প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভার্চুয়াল বাস্তবতা তৈরি করা সম্ভব নয়; এটি ডেটা সম্পাদনা, স্বয়ংক্রিয় হিসাব এবং প্রতিবেদন তৈরির মতো কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম। এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়। 
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন- অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। 
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (row) ও কলাম (column) থাকে। 
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে একটা ওয়ার্কশিটে সবধরনের উপাত্ত প্রবেশ করানো যায়। ফলে যেকোনো ধরনের, যেকোনো সংখ্যক উপাত্ত অল্প সময়ে সম্পাদনা করা, হিসাব করা, বিশ্লেষণ করা এবং প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

৩৩.
অ্যাডা লাভলেস কোন যন্ত্রের জন্য প্রোগ্রামিং ধারণা প্রবর্তন করেছিলেন?
  1. এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন
  2. পার্ল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. ইলেকট্রনিক কম্পিউটার
  4. টারিং মেশিন 
ব্যাখ্যা

- অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের ডিজাইন করা এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন-এর জন্য প্রথম প্রকাশিত অ্যালগরিদম তৈরি করেছিলেন, যা তাঁকে বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে

অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace): 
- এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনে গণনার কাজটি আরও কার্যকর করতে ভেবেছেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace)। 
- ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য 'প্রোগ্রামিং'-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন, এই কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়। 
- ১৮৪০ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। সে সময় অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন। 
- তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটাই প্রকাশ করেছিলেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৪.
কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারকে কী বলা হয়?
  1. এন্টি-ভাইরাস
  2. সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারকে ম্যালওয়্যার (Malware) বলা হয়, যা "malicious software" (ক্ষতিকর সফটওয়্যার) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। 

ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে কোনো কাজ করতে হলে সেটি প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়, সাধারণভাবে কম্পিউটারে দুই ধরনের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামগুচ্ছ থাকে। যেমন- সিস্টেম সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারসমূহকে যথাযথভাবে ব্যবহারের পরিবেশ নিশ্চিত রাখে, অন্যদিকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কোনো বিশেষ কাজ সম্পন্ন করে। 
- যখনই কোনো সফটওয়‍্যার কাজ করে, তখনই এর কিছু অংশ কম্পিউটারের প্রধান মেমোরিতে অবস্থান নেয় এবং বাকি অংশগুলো অপারেটিং সিস্টেমের সহায়তায় অন্য কার্যাবলি সম্পন্ন করে। আবার কিছু প্রোগ্রামিং কোড বা প্রোগ্রামসমূহ কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর, এ ধরনের সফটওয়‍্যারকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা মেলিসিয়াস (malicious) সফটওয়্যার বলা হয়, আর এই ম্যালিসিয়াস সফটওয়‍্যারকে সংক্ষেপে ম্যালওয়‍্যার (malware) বলা হয়ে থাকে। 
- কম্পিউটারে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যারের সাধারণ নামই হলো ম্যালওয়‍্যার। যেমন- কম্পিউটার ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, বুটকিটস, কিলগার, ডায়ালার, স্পাইওয়্যার, এডওয়্যার প্রভৃতি ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত। 
- ইন্টারনেটের বিকাশের আগে ম্যালওয়‍্যারের সংখ্যা খুবই কম ছিল। যখন থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ম্যালওয়‍্যারকে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে, তখন থেকেই ম্যালওয়্যারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- প্রচলিত ও শনাক্তকৃত ম্যালওয়্যারসমূহের মধ্যে নিম্নোক্ত তিন ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়- ক. কম্পিউটার ভাইরাস, খ. কম্পিউটার ওয়ার্ম এবং গ. ট্রোজান হর্স । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

৩৫.
ডিজিটাল কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের ভিত্তি কী?
  1. বাইনারী সংখ্যা
  2. অ্যানালগ সংকেত 
  3. ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেত
  4. বৈদ্যুতিক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

- ডিজিটাল কম্পিউটার সমস্ত ডেটা এবং প্রক্রিয়াগুলিকে বাইনারি কোড ব্যবহার করে প্রতিনিধিত্ব করে, যা কেবল দুটি সংখ্যা, ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) এর সমন্বয়

কম্পিউটার: 
- কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা এবং কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী। কম্পিউটার হলো বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র। 
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই, মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে। 
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা। 

কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ: 
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে। 
- সাধারণত চাপ, তাপ, রোধ, উপাত্তের জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে এনালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসাবে ব্যবহার করে এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদর্শনের কাটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় অথবা প্লটার (Plotter) যন্ত্রের সাহায্যে কাগজে গ্রাফ আকারেও পাওয়া যেতে পারে। 
- মোটর গাড়ির গতিবেগ প্রদর্শনের মিটার এনালগ কম্পিউটারের একটি উদাহরণ। বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, চাপ, তাপ পরিমাপনের জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer): 
- এই ধরনের কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য বর্ণ ও অংক ব্যবহার করা হয় এবং প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে প্রস্তুত করা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হল বাইনারী সংখ্যা (০ এবং ১)। অর্থাৎ, এই কম্পিউটার যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিটের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল বর্ণ ও অংকের মাধ্যমে লিখিত আকারে প্রকাশ করে। 
- এনালগ কম্পিউটারের চেয়ে ডিজিটাল কম্পিউটার প্রদত্ত ফলাফল অনেক বেশি নির্ভুল ও নির্ভরশীল এবং এর কাজের গতিও বেশ দ্রুত। 
- ডিজিটাল কম্পিউটারে লেখালেখি, হিসাব নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজ একইসংগে করা যায়। কাজের ধরন অনুযায়ী ব্যবহারিক কর্মসূচি (Application Programme) ব্যবহার করতে হয়। 

৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer): 
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার। 
- প্রথম দিকের হাইব্রিড কম্পিউটারের এনালগ অংশই থাকতো মুখ্য, ডিজিটাল অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করতো। কিন্তু বর্তমানে হাইব্রিড কম্পিউটার ডিজিটাল প্রধান। সাধারণত বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬.
Paul Berg নিচের কোন প্রযুক্তির জনক?
  1. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  2. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  3. ন্যানো প্রযুক্তি 
  4. ডিএনএ ফিঙ্গার প্রিন্ট
ব্যাখ্যা

- পল বার্গকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ (recombinant DNA) প্রযুক্তির জনক বলা হয়। ১৯৭২ সালে, তিনি প্রথম কৃত্রিমভাবে বিভিন্ন জীবের ডিএনএ অংশগুলিকে একত্রিত করে একটি হাইব্রিড ডিএনএ অণু তৈরি করতে সফল হন, যা আধুনিক জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভিত্তি স্থাপন করে। 

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং: 
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ কোষে নতুন ডিএনএ (DNA) সংযোজন কৌশল। 
- ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus এর DNA এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করেন। এই জন্য Paul Berg কে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জনক বলা হয় ৷ 
- বর্তমানে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রচেষ্টা অধিকাংশে কৃষির উপর জোরদার করা হয়েছে। 
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিকূল আবহাওয়ায় পোকা, রোগ, ছত্রাক ইত্যাদি প্রতিরোধী উদ্ভিদ জন্মাতে পারে। 

অন্যদিকে, 
- ডিএনএ ফিঙ্গার প্রিন্টের জনক হলেন- Alec Jeffreys । 
- ন্যানো প্রযুক্তির জনক হলেন- Richard Feynman । 
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হলেন- John McCarthy । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭.
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ট্রানজিস্টর ব্যবহার
  2. প্রতিটি স্টেটমেন্ট একে একে প্রক্রিয়াকরণ
  3. বায়ুশূন্য ভালব ব্যবহার
  4. বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার
ব্যাখ্যা

- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বৃহদাকার একীভূত বর্তনী বা Very Large Scale Integration (VLSI) সার্কিট ব্যবহার, যা মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে সহায়তা করেছিল। 

চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation 1971-): 
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল হল ১৯৭১ সাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত। এই সময়ে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতাও অধিক বৃদ্ধি পায়। 
- ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইনটেল কোম্পানি এমএসসি-৪ (MSC-4) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে, এই মাইক্রোপ্রসেসরে মোট ২২০০ টি ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহার করা হয়েছিল। 
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে (Chip) ধারণ করা সম্ভব হয়। বর্তমানে প্রায় ১ বর্গ ইঞ্চির একটিমাত্র চিপে ৩০ লাখ পর্যন্ত ট্রনজিস্ট্রর সন্নিবেশিত করে মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। 
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার, অধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা, উন্নত কার্যকারিতা ও নির্ভলশীলতা। 
- এই সময়ই প্যাকেজ প্রোগ্রামের প্রচলন শুরু হয় এবং মাইক্রোকম্পিউটারের আবির্ভাব ও বিকাশ ঘটে। 
- উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য কম্প্যাক্ট ডিস্ক (Compact Disc) বা সিডি (CD) তৈরি হয়। 
যেমন- IBM PS/2, Apple Macintosh ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
ন্যানো টেকনোলজির ধারণা প্রথম কে দিয়েছেন?
  1. জন ভন নিউম্যান 
  2. রিচার্ড ফাইনম্যান
  3. আইজ্যাক আশিমুভ
  4. জারন ল্যানিয়ার 
ব্যাখ্যা

- আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান প্রথম ন্যানো টেকনোলজির ধারণা দেন। 

ন্যানো টেকনোলজি: 
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান। 
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে। 
- আমেরিকান পদার্থবিদ লাওরিয়েট রিচার্ড ফাইনম্যান (laureate Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন। 
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন। তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়। 

অন্যদিকে, 
- জন ভন নিউম্যান একজন বিখ্যাত গণিতবিদ এবং পদার্থবিজ্ঞানী, যিনি কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, কিন্তু ন্যানো প্রযুক্তির ধারণার প্রবর্তক নন।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির অগ্রগামী ছিলেন জারন ল্যানিয়ার। 
- আইজ্যাক আশিমুভ একজন বিখ্যাত বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক এবং বায়োকেমিস্ট, যদিও তার লেখায় উন্নত প্রযুক্তির ধারণা ছিল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৩৯.
নিচের কোনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা নয়? 
  1. Java
  2. Python
  3. HTML
  4. MATLAB 
ব্যাখ্যা

- HTML (Hypertext Markup Language) একটি প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং এটি একটি মার্কআপ ভাষা। এটি ওয়েবপেজের কাঠামো তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence): 
- চিন্তাশক্তি, বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতা মানুষের সহজাত, একটি যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, সেটিকে চিন্তা করানো কিংবা বিশ্লেষণ করানোর ক্ষমতা দেওয়ার ধারণাটিকে সাধারণভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়। 
- প্রায় সব ধরনের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের কাজে ব্যবহার করার জন্য বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদরা নানা ধরনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি হচ্ছে নিউরাল নেটওয়ার্ক, যা কিছুটা মানুষের মস্তিষ্কের মতো কাজ করে।

- কম্পিউটারের জন্য গাণিতিকভাবে এমন কিছু কৃত্রিম নিউরন তৈরি করা হয়, যাকে পারসেপট্রন (perceptron) বলা হয়ে থাকে। এই কৃত্রিম নিউরনগুলোকে বিভিন্ন স্তরে সাজিয়ে এদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকেই নিউরাল নেটওয়ার্ক বলে। সাধারণত একটি নিউরাল নেটওয়ার্কে তিনটি স্তর থাকে ইনপুট স্তর, লুক্কায়িত স্তর (hidden layer) ও আউটপুট স্তর।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানত C/C++, Java, MATLAB, Python, SHRDLU, PROLOG, LISP, CLISP, R ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়। 
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আরেকটি শাখা হচ্ছে ডিপ লার্নিং (Deep Learning), এটিও এক ধরনের মেশিন লার্নিং। মেশিন লার্নিং এবং ডিপ লার্নিং ব্যবহার করে বর্তমানে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP) সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে। যেমন: ChatGPT, Microsoft Copilot এবং Goggle Bard। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।