পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
Exam - 1 The Code of Civil Procedure,1908 topic: Section 1 - 35B, Order 1 - 20
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
প্লিডিংসে উল্লেখ থাকবে-
  1. আইন [Law]
  2. সাক্ষ্য [Evidence]
  3. গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts]
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts]
ব্যাখ্যা
প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts] উল্লেখ থাকবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]।
বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। বাদীর দাবী অস্বীকার করে বিবাদী যে লিখিত দলিল পেশ করে, তা হচ্ছে লিখিত জবাব।

Order 6 rule 2: Pleading to state material facts and not evidence-
Every pleading shall contain, and contain only, a statement in a concise form of the material facts on which the party pleading relies for his claim or defence, as the case may be, but not the evidence by which they are to be proved, and shall, when necessary, be divided into paragraphs, numbered consecutively. Dates, sums and numbers shall be expressed in figures. 

অর্থাৎ প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) উল্লেখ করতে হবে, আইন বা সাক্ষ্য উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts)  হচ্ছে সেসব ঘটনাবলী যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে।
.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সমন অমান্যের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারেন না?
  1. গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন
  2. অনধিক এক হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন
  3. তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
অনধিক এক হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক এক হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশ গুলো দিতে পারে-

ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec. 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
.
'ক' ১৮ লক্ষ টাকা মূল্যমানের একটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার আরজি সহকারী জজ আদালতে পেশ করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. আরজি প্রত্যাখান
  2. আরজি সংশোধন
  3. আরজি ফেরত
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
আদালত উক্ত আরজিটি ফেরত পাঠাবে।

• মোকদ্দমাটির মূল্যমান ১৮ লক্ষ টাকা, তাই তা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করা উচিত ছিল।কারণ সহকারি জজ আদালতের এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫লক্ষ টাকা [The Civil Courts Act,1887]। যেহেতু এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে চেয়েছে, তাই আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য আরজি ফেরত পাঠাবে।

• আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর বিধি ১০ এ আরজি ফেরত এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২.আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
.
''Small Cause Courts'' এর রায়ে কোন কোন বিষয় উল্লেখ থাকবে?
  1. সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  2. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  3. রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
  4. ক,খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
• আদেশ ২০ বিধি ৪ অনুসারে, স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নির্ধারণের বিষয়সমূহ এবং উহার উপর সিদ্ধান্ত থাকবে এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ, নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ, ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত এবং অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে।

অর্থাৎ স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-
⇒ নির্ধারণের বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-
⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case]
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination]
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon] এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
.
আদালত কোনো আগন্তুককে (মোকদ্দমার পক্ষ বা কোন পক্ষের সাক্ষী নয়) সাক্ষ্য বা দলিল দাখিলের জন্য সমন দিতে পারে-
  1. ঐচ্ছিক ক্ষমতায়
  2. বাদীর আবেদনক্রমে
  3. কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক ক্ষমতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক ক্ষমতায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬ বিধি ১৪ এর অধীন আদালত মামলার পক্ষ বা কোন পক্ষের সাক্ষী ব্যতীত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে সাক্ষ্য বা দলিল দাখিলের জন্য সমন দিতে পারে।

• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশের বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে।

আদেশ ১৬ বিধি ১৪-
হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল 

Order 16 Rule 14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document
.
যেক্ষেত্রে বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিতের আদেশ
  2. বাদী কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ
  3. মোকদ্দমা খারিজের আদেশ
  4. বিবাদীকে হাজিরা থেকে অব্যাহতির আদেশ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজের আদেশ
ব্যাখ্যা
বাদী খরচ প্রদান না করার দরুন সমন জারি না হলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে।

• আদেশ ৯ বিধি-২ঃ
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে,বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমন জারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নাই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে, যেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা দেয়া যায় সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হলে, অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Order 9 Rule 2: Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
.
'ক'-চট্টগ্রামে বসবাস করে। একদা 'ক' ব্যবসায়িক কাজে ঢাকা যায় এবং সেখানে তর্কের জেরে 'খ'-কে মারধর করে। এক্ষেত্রে 'খ' কোথায় 'ক' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোন আদালতে
  2. চট্টগ্রামের এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  3. ঢাকার এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'খ' ঢাকা বা চট্রগ্রামের যেকোনো এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে 'ক' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। তবে ধারা ১৯ এ ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে  ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে তা বলা হয়েছে। 

• ধারা ১৯ (ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা)-
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে, এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-

Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plaintiff in either of the said Courts.
.
মোকদ্দমার কোনো পক্ষ দলিল প্রকাশ ও নিরীক্ষণের আদেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে-
  1. উক্ত পক্ষ বিবাদী হলে মামলা খারিজ হবে
  2. উক্ত পক্ষ বাদী হলে মামলা খারিজ হবে
  3. উক্ত পক্ষ বাদী হলে একতরফা নিষ্পত্তি হবে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষ বাদী হলে মামলা খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষ বাদী হলে মামলা খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
• যদি কোনো পক্ষ যাকে মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার (to answer Interrogatories) বা কোন দলিল প্রকাশ (discovery of documents) বা দলিল নিরীক্ষণের (inspection of documents) আদেশ দেয়া হয়েছে, যদি সে বাদী হয় এবং সে যদি উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত তার মামলা খারিজ (Dismissed the suit) করে দিবে এবং যদি সে বিবাদী হয় তাহলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন (Right to defence) বাতিল করবে।

আদেশ ১১ বিধি ২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Order 11 Rule-21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
.
রায় একবার স্বাক্ষরিত হয়ে গেলে, তা সংশোধন করা যাবে-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে
  2. রিভিশনের মাধ্যমে
  3. আপিলের মাধ্যমে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০ নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনঃরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

• আদেশ ২০ বিধি-৩ঃ 
রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনঃরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

Order 20 Rule 3: Judgment to be signed- 
The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and when once signed, shall not afterwards be altered or added to,save as provided by section 152 or on review.]

• উল্লেখ্য যে,দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
> করণিক বা গাণিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes) অথবা
> আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission); কারণে রায়,ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
১০.
একটি জমির মালিকানার উপর ভিত্তি করে দখল প্রাপ্তির জন্য A, B এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে উক্ত সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য A, B এর বিরুদ্ধে আরো একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে ২য় মোকদ্দমাটি-
  1. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে না
  2. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি পরোক্ষ রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে
  3. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি পরোক্ষ রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি পরোক্ষ রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে
ব্যাখ্যা
• মালিকানার উপর ভিত্তি করে A, B এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দিয়েছে। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য A, B এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। এই ক্ষেত্রে ২য় মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] দ্বারা বারিত হবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।

• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].

অর্থাৎ পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।
১১.
'Rejection of Plaint' মূলত একটি-
  1. ডিক্রি
  2. আদেশ
  3. প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
  4. চূড়ান্ত আদেশ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান (Rejection of Plaint) এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি।
 
• ধারাঃ ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144, but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default. 
১২.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা [Representative suit] দায়ের করা যেতে পারে-
  1. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  3. বিবাদীর অনুমতি সাপেক্ষে
  4. কারো অনুমতি নিষ্প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা [Representative suit] তে আদালতের অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-

1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১৩.
নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ বা ভবিষ্যত কোন দিনে রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মোকদ্দমার শুনানির পর পক্ষগণ বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. ক বা খ
  4. পক্ষদ্বয়ের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর দশদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ,বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
১৪.
প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. আরজিতে সত্যাখ্যান করবে মোকদ্দমার বাদী
  2. লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করবে মোকদ্দমার বিবাদী
  3. আদালত প্লিডিংস সত্যাখ্যান করবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে,তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে,অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে,সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন,যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

Order 6 Rule 15: Verification of pleadings-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.]
১৫.
২০২৩ সালের মার্চ মাসে 'ক' মাসিক ৮০০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে বাড়ি ভাড়া দেয়। 'খ' মার্চ,এপ্রিল এবং মে মাসের সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি রাখে। ২০২৩ সালের জুন মাসে 'ক' শুধুমাত্র এপ্রিল মাসের ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। মার্চ এবং মে মাসের বাকি ভাড়া আদায়ের ক্ষেত্রে 'ক'-
  1. পরবর্তীতে যেকোনো সময়ে 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত বিষয়ে প্রতিকার দাবি করতে পারবে
  2. পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করলে প্রতিকার পাবে
  3. পরবর্তীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত বিষয়ে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
  4. ক্ষতিপূরণ সহ পরবর্তীতে যেকোনো সময়ে 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত বিষয়ে প্রতিকার দাবি করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
পরবর্তীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত বিষয়ে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত বিষয়ে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত দুই মাসের বাকি ভাড়া আদায়ের জন্য 'ক' পরবর্তীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে কোনো মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে, মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ 
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
 বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

উদাহরণ-
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক' পরে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না।
১৬.
আদালত কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে?
  1. পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় না থাকলে
  2. পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় না থাকলে
  3. ক বা খ
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
১৭.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় (Joinder of Parties) বলতে কি বোঝায়?
  1. Joinder of Plaintiffs
  2. Joinder of defendants
  3. Joinder of Plaintiffs or defendants
  4. Joinder of legal representatives of parties
সঠিক উত্তর:
Joinder of Plaintiffs or defendants
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joinder of Plaintiffs or defendants
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ
২. বিবাদী পক্ষ 

আদেশ ১ বিধি ১-৩ [মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)]-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

উদহারণ-
'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে। এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধি অনুযায়ী আদালত পক্ষগণের সহযোগীদের(companion of party) মৌখিক জবানবন্দি নিতে পারে?
  1. আদেশ ১০ বিধি ৪
  2. আদেশ ১০ বিধি ১
  3. আদেশ ১০ বিধি ২
  4. আদেশ ১০ বিধি ৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১০ বিধি ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১০ বিধি ২
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।
আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সহযোগীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি ২ (পক্ষ বা পক্ষগণের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি)-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2: Oral examination of party or companion of party-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
১৯.
দেওয়ানি মামলায় মিথ্যা আরজি বা জবাব দাখিল করলে সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান আছে?
  1. ১৫,০০০ টাকা
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ৩০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মামলায় মিথ্যা আরজি বা জবাব দাখিল করলে  সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান আছে।

• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-
 i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ;  এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ। 

• ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।

Section 35A: Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences-
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto twenty thousand taka. 
 
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him. 
 
(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.]
২০.
কয়টি ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে?
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩ তে উল্লেখিত ৬টি ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-১৩ঃ যখন বিদেশি রায় চূড়ান্ত হয় না-
কোন বিদেশি আদালত কোন বিষয়ে বিচার করলে এবং তা একই পক্ষসমূহ অথবা তাদের সূত্রে এক বা একের অধিক স্বত্ব দাবিকারীর মধ্যে একই বিষয় সম্পর্কিত মোকদ্দমা হলে বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে; তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত-

ক) যখন উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত হয় নি;
খ) মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া না হলে;
গ) আন্তর্জাতিক আইনের ভ্রান্ত ব্যাখা অথবা মোকদ্দমাটির প্রতি প্রযোজ্য বাংলাদেশের আইন অস্বীকার করে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে কার্যধারাসমূহ হতে বুঝা গেলে;
ঘ) যে রায় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে, তাতে অনুসৃত পদ্ধতি ও কার্যক্রম ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হলে;
ঙ) প্রবঞ্চনা দ্বারা রায় সংগ্রহ করা হলে;
চ) বাংলাদেশে প্রচলিত কোন আইনের বিরোধী কোন দাবি রায়ে বজায় রাখা হলে।

Section 13: When Foreign Judgment not Conclusive-
A foreign judgment shall be conclusive as to any matter thereby directly adjudicated upon between the same parties or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title except-

a) where it has not been pronounced by a Court of competent jurisdiction;
b) where it has not been given on the merits of the case;
c) where it appears on the face of the proceedings to be founded on an incorrect view of international law or a refusal to recognise the law of Bangladesh in cases in which such law is applicable;
d) where the proceedings in which the judgment was obtained are opposed to natural justice;
e) where it has been obtained by fraud;
f) where it sustains a claim founded on a breach of any law in-force in Bangladesh.
২১.
একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য বিবাদীকে কত টাকা খরচ প্রদান করতে হয়?
  1. অনধিক ২০০০
  2. অনধিক ৩০০০
  3. অনধিক ১০০০
  4. অনধিক ১৫০০
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০০০
ব্যাখ্যা
একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

আদেশ-৯ বিধি-১৩কঃ (সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল)-

বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

Order 9 Rule 13A: Directly setting aside ex parte decree-

(1) Notwithstanding anything contained in rule 13 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the decree without requiring the defendant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 13, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand take as it may deem appropriate and determine:
that the decree under this rule shall not be set aside unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the decree is make the Court within thirty days of the date on which the decree is passed by the defendant who appeared and filed written statement:
Provided further that no decree shall be set aside more than once under this rule at the instance of the same defendant.

2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside an ex parte decree, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the defendant upon the plaintiff.
২২.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির হতে পারে-
  1. ব্যক্তিগত ভাবে
  2. স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে
  3. আইনজীবীর মাধ্যমে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমার কোন পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে অথবা স্বীকৃত প্রতিনিধির অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হতে পারে। তবে আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।

• আদেশ ৩ বিধি ১ (উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে)-

মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।

Order 3 Rule 1: Appearances, etc. may be in person, by recognized agent or by pleader-
Any appearance, application or act in or to any Court, required or authorised by law to be made or done by a party in such Court, may, except where otherwise expressly provided by any law for the time being in force, be made or done by the party in person, or by his recognized agent, or by a pleader appearing, applying or acting, as the case may be, on his behalf:
Provided that any such appearance shall, if the Court so directs, be made by the in person.
২৩.
Which one is correct?
  1. decree shall follow judgment
  2. judgment shall follow decree
  3. both of above
  4. none of above
সঠিক উত্তর:
decree shall follow judgment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
decree shall follow judgment
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রি এবং ২(৮) ধারায় রায়ের সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে। "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। রায় হল ডিক্রির ভিত্তি তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• ধারা ৩৩ঃ রায় ও ডিক্রি-
মোকদ্দমার শুনানির পর আদালত রায় ঘোষণা করবে এবং এরূপ রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদত্ত হবে।

Section 33: Judgment and decree-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment, and on such judgment a decree shall follow.
২৪.
রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল(Certified copies) দেয়া হবে-
  1. পক্ষগণের আবেদনক্রমে
  2. আদালতের খরচে
  3. পক্ষগণের খরচে
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে। কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করা হয়।

• আদেশ ২০ বিধি-২০ঃ
আদালতে পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচায় রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল সরবরাহ করা হবে।

Order 20 Rule 20: Certified copies of judgment and decree to be furnished-
Certified copies of the judgment and decree shall be furnished to the parties on application to the Court and at their expense.
২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশে দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে?
  1. আদেশ ১১
  2. আদেশ ১৩
  3. আদেশ ১৬
  4. আদেশ ১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৩
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এ দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে।

 বিধি ৩- দলিল প্রত্যাখ্যান
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যকোনভাবে অগ্রহনযোগ্য, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।

বিধি-৪ অনুসারে, দলিল দাখিলের সময় প্রমান হিসেবে গৃহিত উল্টাপৃষ্ঠে নিম্নলিখিত বিষয় গুলো পৃষ্ঠাঙ্কন করতে হবে-
১. মোকদ্দমার নম্বর ও শিরোনাম
২. দলিল দাখিলকারীর নাম
৩. দলিল দাখিলের তারিখ
৪. দলিল গৃহিত হওয়ার মর্মে একটি বিবৃতি।

বিধি ৭(২)- দলিল ফেরত
যে সকল দলিল প্রমান হিসেবে গৃহিত হয় নাই সেগুলো মোকদ্দমার নথিপত্রের অংশ হিসেবে গন্য হবে না। এরূপ দলিল সমূহ দাখিলকারী ব্যক্তিগনের নিকট ফেরত দিতে হবে।

বিধি ৮- দলিল আটক
আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন তবে এর সম্মুখে কোন মোকদ্দমায় দাখিলকৃত কোন দলিল বা বই আটক করার এবং উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আদালতের কোন কর্মচারীর হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারবেন।
২৬.
মোকদ্দমা দায়েরের সময় আরজির সাথে কতটি আরজির অবিকল নকল (true copies) পেশ করতে হয়?
  1. বাদীর ইচ্ছানুযায়ী সংখ্যক
  2. যতজন বাদী থাকে ততো সংখ্যক
  3. যতজন বিবাদী থাকে ততো সংখ্যক
  4. পেশ না করলেও হয়
সঠিক উত্তর:
যতজন বিবাদী থাকে ততো সংখ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতজন বিবাদী থাকে ততো সংখ্যক
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা দায়েরের সময় আরজির সাথে যতজন বিবাদী থাকে ততো সংখ্যক আরজির অবিকল নকল (true copies) পেশ করতে হয়।

আদেশ ৪ বিধি ১ঃ মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে-
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।

Order 4 Rule 1: Suit to be commenced by plaint-
(1) Every suit shall be instituted by presenting a plaint to the Court or such officer as it appoints in this behalf a plaint together with as many true copies of the plaint as there are defendants for service of summons upon such defendants.
(1a) The Court fees chargeable for service of summons shall be paid in the case of suits when the plaint is filed, and in the case of all other proceedings when process is applied for.
(1b) A plaintiff shall file, along with the plaint, for each defendant a copy of the summons along with a pre-paid registered acknowledgement due cover with complete and correct address of the defendant written on it.

(2) Every plaint shall comply with the rules contained in Orders VI and VII, so far as they are applicable.
২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ১২ বিধি ৬
  2. আদেশ ১২ বিধি ৮
  3. আদেশ ১২ বিধি ৯
  4. আদেশ ১২ বিধি ২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে  "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
২৮.
কোন ক্ষেত্রে সাক্ষীর সাক্ষ্য বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই?
  1. যে সকল মোকদ্দমায় রিভিউ অনুমোদিত নয়
  2. যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
  3. সকল ক্ষেত্রে বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত নয়
ব্যাখ্যা
যে সকল মোকদ্দমায় আপিলের বিধান নেই, সেই সকল মোকদ্দমায় সাক্ষীর সাক্ষ্য বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই।

• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• বিধি-১৩ (আপিল অযোগ্য মোকদ্দমায় সাক্ষীর স্মারক)-
যে সকল মোকদ্দমায় আপিল অনুমোদিত হয় না, সে সকল মোকদ্দমায় বিস্তারিতভাবে লিখিত, সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন হবে না, কিন্তু প্রত্যেক সাক্ষীর পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিচারক তার জবানবন্দির সারাংশের স্মারকলিপি তৈরী করবে এবং এরূপ স্মারকলিপি বিচারক কর্তৃক লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং সেটা নথির অংশভুক্ত হবে।

Order 18 Rule 13: Memorandum of evidence in unappealable cases-
In cases in which an appeal is not allowed, it shall not be necessary to take down the evidence of the witness in writing at length; but the Judge, as the examination of each witness proceeds, shall make a memorandum of the substance of what he diposes, and such memorandum shall be written and signed by the Judge and shall form part of the record.
২৯.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে সমন প্রেরণ করার প্রয়োজন নেই?
  1. আরজি দাখিলের সময় বাদী সাক্ষী হাজির করলে
  2. আরজি দাখিলের সময় বাদী দাবীর পক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি দাখিল করলে
  3. আরজি দাখিলের সময় বিবাদী হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নিলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে সমন প্রেরণ বাধ্যতামূলক
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের সময় বিবাদী হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের সময় বিবাদী হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নিলে
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদী আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে-
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন আইনজীবী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন আইনজীবী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
৩০.
কোনটি মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. অপর ব্যক্তির বাড়ি অবৈধ দখল করে ভাড়া নিলে
  2. অন্যের জমি অবৈধ দখল করে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
  3. অপর ব্যক্তির সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অন্যের জমি অবৈধ দখল করে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যের জমি অবৈধ দখল করে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
ব্যাখ্যা
অন্যের জমি অবৈধ দখল করে এতে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে- তা মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো,সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা(Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে,উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits,
but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.
৩১.
আদালত কর্তৃক গৃহীত জবানবন্দির ক্ষেত্রে কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. মোকদ্দমার নথির অংশে পরিণত হবে
  2. বাদীর আইনজীবী কর্তৃক সারমর্ম লিখিত হবে
  3. পক্ষগণকে প্রদান করা বাধ্যতামূলক
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার নথির অংশে পরিণত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার নথির অংশে পরিণত হবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে। আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি বা করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০(২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি-৩ঃ জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত হতে হবে-
জবানবন্দির সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে এবং তা নথির অংশে পরিণত হবে।

Order 10 Rule 3: Substance of examination to be written-
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record
৩২.
প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক হলে তা জারির কত দিনের মধ্যে কর্তনের (striking out) আবেদন করতে হয়?
  1. ১৪ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক হলে প্রশ্নমালা জারির ৭ দিনের মধ্যে কর্তনের (striking out) আবেদন করতে হয়।

• আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১নং আদেশে এই সংক্রান্ত বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১১ বিধি-৭ঃ প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন-
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে—এ অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, কিংবা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন আবেদন করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের মধ্যে পেশ করা যেতে পারে।

Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories-
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
৩৩.
'ক' এর ৩ শতক জমি খুলনায় ও ৩ শতক জমি যশোরে অবস্থিত। উক্ত ৬ শতক জমির মালিকানা বিষয়ে 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে যশোরে মোকদ্দমা দায়ের করলে 'খ' উক্ত মোকদ্দমা খুলনায় স্থানান্তর করতে চায়। এক্ষেত্রে 'খ' আবেদন করবে-
  1. যশোর জেলা জজ আদালতে
  2. খুলনার জেলা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

Sec.-23: To what Court application lies-
1) Where the several Courts having jurisdiction are subordinate to the same Appellate Court, an application under section 22 shall be made to the Appellate Court.
2) Where such Courts are subordinate to different Appellate Courts the application shall be made to the High Court Division.
৩৪.
মোকদ্দমায় দাবিকৃত মূল্যমান কত দিনের মধ্যে সংশোধন করতে হয়?
  1. আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে
  2. সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে
  3. সর্বাধিক ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে, আদালতের নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন করতে হয়, তা না হলে আদালত আরজি খারিজের আদেশ দিবেন।

• আরজি হল মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১ নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১ থেকে ১৮নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।এখানে আরজি প্রত্যাখানের সংজ্ঞা দেয়া হয়নি। তবে দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারামতে আরজি প্রত্যাখান ডিক্রির অন্তর্ভুক্ত এবং ৭নং আদেশের ১১নং ধরে আরজি প্রত্যাখানের কারণগুলো দেয়া রয়েছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী, আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে।
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে।
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে।
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।
৩৫.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ প্রদান করা হলে, নোটিশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে?
  1. ১০ দিনের মধ্যে
  2. ২১ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমার কোন পক্ষ,অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে,নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে। তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে,অস্বীকারকারী বা অবহেলাকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে।

• আদেশ ১২ বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে,তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।

Order 12 Rule 2: Notice to admit documents-
Either party may call upon the other party  to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
৩৬.
'Service of process on pleader'- নিম্নের কোন বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৫ বিধি ৩
  2. আদেশ ৩ বিধি ৫
  3. আদেশ ৫ বিধি ২১
  4. আদেশ ৩ বিধি ২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩ বিধি ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩ বিধি ৫
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ এর ৫ নং বিধিতে উকিলের প্রতি পরোয়ানা জারির (Service of process on pleader) বিধান উল্লেখ আছে।

• আদেশ ৩ বিধি ৫ঃ উকিলের প্রতি পরোয়ানা জারি-

যদি কোন পক্ষের উকিলের উপর কোন সমন জারি করা হয় বা উকিলের চেম্বারে অথবা বাসগৃহে পাঠানো হয় এবং তা পক্ষের ব্যক্তিগত হাজিরার জন্য হোক বা না হোক, তা যথাযথ নিয়মের অধীনে প্রদত্ত হয়েছে এবং যে পক্ষের হয়ে সে ব্যক্তি প্রতিনিধিত্ব করেন, ঐ পক্ষকে যথাযথ নিয়মে জানানো হয়েছে বলে ধরা হবে এবং যদি না আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে তা সংশ্লিষ্ট পক্ষের উপর ব্যক্তিগতভাবে জারি করার মতই কার্যকর হবে।

Order 3 Rule 5: Service of process on pleader-
Any process served on the pleader of any party or left at the office or ordinary residence of such pleader, and whether thesame is for the personal appearance of the party or not, shall be presumed to be duly communicated and made known to the party whom the pleader represenfs, and, unless the Court otherwise directs, shall be as effectual for all purposes as if the same had been given to or served on the party in person.
৩৭.
যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য সমন পাঠাতে হবে-
  1. বিবাদীর প্রতিনিধির নিকট
  2. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
  3. বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যের নিকট
  4. বিবাদীর পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ সদস্যের নিকট
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫নং আদেশে কিছু ক্ষেত্রে সমন জারির বিশেষ পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যেমনঃ

বিধি ২১-
যেক্ষেত্রে বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করে সেই ক্ষেত্রে বিবাদী যে এলাকায় বসবাস করে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন যেকোন সমন জারিকারী আদালত সমনটি পাঠাতে পারে এবং উক্ত আদালত তখন সমন জারি করবে।

বিধি ২৪-
যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট সমন পাঠাতে হবে।

বিধি ২৫,২৬-
যেক্ষেত্রে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোন এজেন্ট নেই, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী দেশের বাইরে যেখানে বসবাস করে সেখানে পাঠাতে হবে। এই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা এমন সমন জারির জন্য প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত কর্তৃক সমনটি জারি করা যেতে পারে। 

বিধি ২৭-
সরকারী কর্মকর্তা বা রেলওয়ে বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার প্রতি সমন জারির জন্য উক্ত অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে।

বিধি ২৮-
যেক্ষেত্রে বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক, বা বৈমানিক, সেই ক্ষেত্রে সমন জারি করতে উক্ত বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারের নিকট সমন পাঠাতে হবে।
৩৮.
প্রত্যেক শপথনামার খরচ দাখিলকারী পক্ষ বহন করবে, যদি উক্ত শপথনামায় অপ্রয়োজনীয়ভাবে-
  1. জনশ্ৰুতিমূলক বিষয় বর্ণনা করা হয়
  2. বিতর্কমূলক বিষয় বর্ণনা করা হয়
  3. কোন দলিলের অংশ বর্ণনা করা হয়
  4. 'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত যে কোন ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত যে কোন ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত যে কোন ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• শপথনামা (Affidavit): শপথ নেয়ার ক্ষমতা আছে এমন কোনো কর্তৃপক্ষের সামনে স্বেচ্ছায় শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি দাখিল করা। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৯ তে এ বিষয়ে বিধি-বিধান রয়েছে। কোন আদালত যেকোন কারণে যথেষ্ট যুক্তি থাকলে আদেশ দিতে পারে যে কোন বিশেষ তথ্য বা তথ্যসমূহ শপথনামার মাধ্যমে প্রমাণ করা যেতে পারে। কোন আবেদনপত্রের উপর শপথনামা দ্বারা সাক্ষ্য প্রদান করা যেতে পারে, কিন্তু যে কোন পক্ষের অনুরোধক্রমে আদালত জবানবন্দিকারকের জেরার জন্য হাজির হওয়ার জন্য আদেশ দিতে পারে। 

• আদেশ ১৯ বিধি ৩ (যেসকল বিষয়ে শপথনামা সীমাবদ্ধ থাকবে)-

১) জবানবন্দিকারকের বিশ্বাস সম্পর্কিত বিবৃতি যে আবেদন পত্রের উপর গৃহীত হতে পারে উক্ত অন্তবর্তী আবেদন পত্রের ক্ষেত্র ব্যতীত জবানবন্দিকারক নিজস্ব জ্ঞানমতে প্রমাণ করতে সমর্থ হয়, এরূপ ঘটনাবলীতে শপথনামা সীমাবদ্ধ রাখতে হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, উহার কারণসমূহ উল্লেখ করতে হবে।

২) যে শপথনামায় জনশ্রুতিমূলক বিষয় কিংবা বিতর্কমূলক কোন বিষয়, কিংবা দলিলের নকল বা অংশ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বর্ণনাকারে থাকে, উক্ত শপথনামার ব্যয় (যদি না আদালত অন্যরকম কোন আদেশ দিলে) যে পক্ষ তা দাখিল করেছে তাকেই বহন করতে হবে।

Order 19 Rule 3: Matters to which affidavits shall be confined-
1) Affidavits shall be confined to such facts as the deponent is able of his own knowledge to prove, except on interlocutory applications, on which statements of his belief may be admitted: Provided that the grounds thereof are stated.

2) The costs of every affidavit which shall unnecessarily set forth matters of hearsay or argumentative matter, or copies of or extracts from documents, shall (unless the Court otherwise directs) be paid by the party filing the same.
৩৯.
'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে জমি বিক্রয় চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য মোকাদ্দমা দায়ের করতে চায়। বিরোধীয় জমিগুলো যথাক্রমে নারায়ণগঞ্জ এবং ঢাকাতে অবস্থিত। 'খ' কোথায় মোকাদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. বাংলাদেশের যেকোনো আদালতে
  2. 'খ' এর ইচ্ছাধীন যেকোনো আদালতে
  3. নারায়ণঞ্জ বা ঢাকার যেকোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  4. নারায়ণগঞ্জ এবং ঢাকার মধ্যবর্তী যেকোন জায়গার এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
সঠিক উত্তর:
নারায়ণঞ্জ বা ঢাকার যেকোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণঞ্জ বা ঢাকার যেকোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তাই উল্লেখিত মোকদ্দমা নারায়ণঞ্জ বা ঢাকার যেকোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

• ধারা ১৭ঃ বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.

উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ এবং ১৮ ধারার মধ্যে মূল পার্থক্য হলো- বিরোধীয় সম্পত্তি ভিন্ন ভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত কিন্তু আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিশ্চিত হলে ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে। কিন্তু যদি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হয় তখন ১৮ ধারা প্রযোজ্য হবে।
৪০.
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষ কোনো দরখাস্ত বা আবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত-
  1. উক্ত পক্ষকে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা খরচের আদেশ দিতে পারে
  2. উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক রায় ঘোষণা করবে
  3. নির্ধারিত খরচ প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করবে না
  4. মোকদ্দমার সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখবে
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত খরচ প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত খরচ প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করবে না
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫খ ধারায় বিলম্বের জন্য খরচ প্রদানের বিধান রয়েছে। মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন পক্ষ কোন দরখাস্ত বা আবেদন অথবা লিখিত আপত্তি দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ ২০০০ (দুই হাজার) টাকা খরচের আদেশ দিতে পারে এবং নির্ধারিত খরচ প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করবে না।

• ধারা-৩৫খঃ
১) কোন মোকদ্দমা বা কার্যপ্রক্রিয়ার যে কোন স্তরে আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত কিংবা লিখিতভাবে কোন আপত্তি যদি পেশ করা না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত উক্ত পক্ষ অন্য পক্ষকে খরচা প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা লিখিত আপত্তি শুনানির নিমিত্তে গ্রহণকৃত হবে না।

২) লিখিত জবাব পেশের পর মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি এমন কোন বিষয়ে দরখাস্ত পেশ করেন, যা আদালতের মতানুযায়ী পূর্বেই পেশ করতে পারতেন বা পেশ করা সমীচীন ছিল এবং তাতে মূল মোকদ্দমার কার্যক্রমে দেরী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তদকারণে আদালত দরখাস্ত নিবে কিন্তু তা শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে না, যদি না ঐ পক্ষ আদালত যেরূপে নির্দিষ্ট এবং নির্দেশ করবে এবং সেরূপে অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচা দিবে এবং উক্ত খরচা দিতে না পারলে দরখাস্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

Section 35B: Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters-
(1) If at any stage of a suit or proceeding, an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be, shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka. 

(2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which, in the opinion of the Court, could and ought to have been made earlier, and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit, but shall not hear and dispose of the application, without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.