পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 4” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ২. জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। ৩. স্বাধীনতা ও অন্যান্য আন্দোলন সংগ্রাম সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ও চলচ্চিত্র। উৎস: বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, দৈনিক পত্রিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
বাংলায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র কোনটি?
  1. আজাদ
  2. সমাচার দর্পণ
  3. দিকদর্শন
  4. বেঙ্গল গেজেট
সঠিক উত্তর:
সমাচার দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা
সমাচার দর্পণ:
- 'সমাচার দর্পণ' হলো প্রথম বাংলা সংবাদপত্র।
- জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় ২৩ মে ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম বাংলা সংবাদপত্র 'সমাচার দর্পণ'।
- এটি ছিল একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা।
- পত্রিকায় সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সংবাদ, সরকারি বিজ্ঞপ্তি, ব্রিটেনের খবর, ইউরোপিয়ান দেশগুলোর সংবাদ, জন্ম-মৃত্যু ও বিবাহের সংবাদ, চলতি বিষয় এবং ভারতের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সংবাদকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো।
- সংবাদপত্রটি শ্রীরামপুর খ্রিস্টান মিশনের আর্থিক সহযোগিতায় প্রকাশিত হলেও এতে কোনো ধরনের ধর্মীয় গোঁড়ামি বা ধর্মীয় প্রভাব ছিল না।

অন্যদিকে, 
- 'দিগদর্শন' হলো প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র।
- 'বাঙ্গাল গেজেট' হলো দ্বিতীয় বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৩ জুন, ২০১৪।
.
মণিপুরীদের বসবাস নেই কোন অঞ্চলে?
  1. শ্রীমঙ্গল
  2. কুলাউড়া
  3. চুনারঘাট
  4. উখিয়া
সঠিক উত্তর:
উখিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উখিয়া
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:

- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাসা (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
দেশে মোট সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা কত?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন আছে - ১২টি।
- দেশে মোট উপজেলা আছে - ৪৯৫টি।
- মেট্রো থানা আছে - ১০৫টি।
- পৌরসভা আছে - ৩২৭টি।
- ইউনিয়নের সংখ্যা - ৪৫৯৬টি।
- মোট গ্রামের সংখ্যা - ৯০০৪৯টি।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
.
বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’-২০২৩ কে পেয়েছেন?
  1. সেলিনা হায়াৎ
  2. মমিনুল হক
  3. মুনিম শাহরিয়ার
  4. শীলা মোমেন
সঠিক উত্তর:
শীলা মোমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীলা মোমেন
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার: 

- রবীন্দ্র গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন শিল্পী শীলা মোমেন।
- শীলা মোমেনের হাতে পুরস্কারের সনদ, সম্মাননা স্মারক ও অর্থমূল্যের চেক তুলে দেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এবং মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।
- বাংলা একাডেমী ২০১০ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের মান নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সঙ্গে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো, ০৮ মে, ২০২৩।
.
বাফুফের বর্তমান সভাপতির নাম কী?
  1. কাজী সালাউদ্দিন
  2. ইমরান হোসেন
  3. আব্দুস সালাম মুর্শেদী
  4. কাজী নাবিল আহমেদ
সঠিক উত্তর:
কাজী সালাউদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী সালাউদ্দিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (Bangladesh Football Federation):

- সংক্ষেপে বিএফএফ এবং বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এই সংস্থাটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি প্রতিষ্ঠার ১৯৭৬ সালে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৩ সালে সংস্থাটি তাদের আঞ্চলিক সংস্থা এএফসির সদস্যপদ লাভ করে।
- এর বর্তমান সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সাফ ফেডারেশন ওয়েবসাইট।
.
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়:

- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর আগে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রনালয় ক্রীড়া খাত পরিচালনা করত এবং যুব খাত শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রনালয় দেখাশোনা করত।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যুব বিভাগের উন্নয়নের জন্য তার সেবা প্রদান করে আসছে।
- একই সময়ে, এটি দেশের খেলাধুলা এবং খেলাধুলার উন্নতির দেখাশোনা করে।
- ক্রীড়া অধিদপ্তর যা একটি সরকারি বিভাগ। এটি ক্রীড়া ক্ষেত্রের কার্যক্রমের জন্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সরাসরি যুক্ত।
- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে যা যুবদের জন্য সরকারি নীতি ও কর্মসূচির একমাত্র বাস্তবায়নকারী সংস্থা।
- ৬৪টি জেলায় এবং ৪৭৬টি উপজেলায় অফিস রয়েছে।

তথ্যসূত্র - যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
সাঁওতালদের জাতীয় উৎসব নিচের কোনটি?
  1. বিজু
  2. বৈসাবি
  3. সোহরাই
  4. বাইসু
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:

- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য তবু পর্বত দেবতাও (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোন জেলায় রাজবংশী জনগোষ্ঠীর বসবাস নেই?
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর
  3. রাজশাহী
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
রাজবংশী:

- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
ভাষা সৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. খুলনা
  3. কুমিল্লা
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম:

- ভাষা সৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম কুমিল্লা জেলার কান্দিরপাড়ে অবস্থিত।
- এটি মূলত প্রথম শ্রেণী ও লিস্ট ‘এ’ তালিকার ক্রিকেটের মাঠ।
- বর্তমানে স্টেডিয়াটি ব্যবহৃত হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ ফুটবলের জন্য।
- বসুন্ধরা কিংস এবং মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব এই স্টেডিয়ামকে তাদের হোম ভেন্যু করেছে।
- এই স্টেডিয়ামের নামকরণ করা হয়েছে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত’র (২ নবেম্বর, ১৮৮৬-২৯ মার্চ, ১৯৭১) নামে।
- যিনি একজন বাঙালী আইনজীবী, সমাজকর্মী, ভাষা সৈনিক ও রাজনীতিবিদ।
- ১৯৪৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে তিনি অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজী ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাতেও রাখার দাবি উত্থাপন করেন।
- মাঠটি আয়তন ১০৫/৬৮ মিটার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক জনকন্ঠ, ২৪ জানুয়ারি ২০২১।
১০.
নিচের কোন জেলায় মারমা জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. পটুয়াখালী
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
মারমা:

- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মার্মাদের সবচেয়ে বড় উৎসব সাংগ্রাই।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান হলেন রাজা।
- গ্রামের কারবারি মৌজার হেডম্যান এবং সার্কেল প্রধানের মূল দায়-দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
১১.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. নাইমুর রহমান
  3. হাবিবুল বাশার
  4. এনামুল হক জুনিয়র
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:

- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
১২.
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে কত সালে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ:

- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে।
- প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলে বাংলাদেশ হারিয়েছিল স্কটল্যান্ড এবং তখনকার হট ফেবারিট পাকিস্তানকে।
- ইংল্যান্ড ছাড়াও স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ওয়েলস আর নেদারল্যান্ডস ছিল এ আসরের যৌথ আয়োজক।
- বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম জয় পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- প্রথম বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬২ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।
 
তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট ২০২০ ও সময় টিভি অনলাইন,০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫।
১৩.
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার: 

- শিশুসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বছরে একজন সাহিত্যসেবীকে এ পুরস্কার প্রদান করে।
- বাংলা ১৩৯৬ সন (১৯৮৯ খ্রি) থেকে এ পুরস্কার চালু করা হয়েছে।
- একজন কবি বা সাহিত্যিক জীবনে মাত্র একবার এ পুরস্কার লাভ করতে পারেন।
- এ পুরস্কার মরণোত্তর পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার বিধান নেই।
- শিশু একাডেমি পুরস্কারের মান নগদ ২৫ হাজার টাকা।
- পুরস্কৃত সাহিত্যিককে নগদ অর্থ, সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪.
নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন কোন আদিবাসী জনগোষ্ঠী?
  1. রাখাইন
  2. খেয়াং
  3. লুসাই
  4. ম্রো
সঠিক উত্তর:
ম্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্রো
ব্যাখ্যা
মুরং/ম্রো:

- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫.
বাংলাদেশ অলিম্পিকের কততম আসরে অংশগ্রহন করে?
  1. ২১তম
  2. ২২তম
  3. ২৩তম
  4. ২৪তম
সঠিক উত্তর:
২৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩তম
ব্যাখ্যা
অলিম্পিকে বাংলাদেশ:

- ১৯৮০ সালেই মস্কো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
- কিন্তু শেষ মুহূর্তে গেমস বয়কট করে।
- ১৯৮৪ সালে (২৩তম আসর) লস্ অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসে মার্চ পাস্টে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মাঠে নামলেও সেবার কোনো ডিসিপ্লিনে অংশ নেয়নি।
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেন।
- এরপর নিয়মিত অলিম্পিক গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। 
- এখন পর্যন্ত কোনো আসরেই পদক জেতা হয়নি বাংলাদেশের।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯ ও লাইব্রেরী অব কংগ্রেস ওয়েবসাইট।
১৬.
বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. নেত্রকোণা
  3. চট্টগ্রাম
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোণা
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি:

- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি নেত্রকোণা জেলার বিরিশিরিতে অবস্থিত।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীণ একটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি মূল দুটি শাখার মাধ্যমে তার কাজ সম্পাদন করে থাকে।
- একটি সাংস্কৃতিক শাখা এবং অন্যটি গবেষণা শাখা।
- এ ছাড়াও রয়েছে একটি ছোট্ট নৃ-তাত্ত্বিক মিউজিয়াম এবং লাইব্রেরী।
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীয়দের বিলীয়মান সংস্কৃতি সংরক্ষণ, অবিরত চর্চার মাধ্যমে তা ধরে রাখা এবং সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীকে সংস্কৃতি-সচেতন হতে সহায়তা করা এবং উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে থাকে।

তথ্যসূত্র - ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি ওয়েবসাইট।