পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

পরীক্ষাপ্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 15 mins
মোট প্রশ্ন৮৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৮ ফুল মডেল টেস্ট [প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক নিয়োগের মানবণ্টন অনুসারে ৯০ মার্কের ফুল মডেল টেস্ট] [Live MCQ - তে প্রতি মাসের ৭ ও ২২ তারিখ একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫ · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৮ প্রশ্ন

.
_______________________, I would have visited you. (fill in the gap)
  1. If I have known you were sick
  2. If I knew you were sick
  3. If I had known you were sick
  4. If I  known you were sick
সঠিক উত্তর:
If I had known you were sick
উত্তর
সঠিক উত্তর:
If I had known you were sick
ব্যাখ্যা

Correct answer: if I had known you were sick.
Complete sentence: If I had known you were sick, I would have visited you.
- এই বাক্যটি হলো একটি Third conditional sentence.

• Third conditional এর নিয়মানুযায়ী, 
- Principal clause এ would have/could have/might have + verb এর past participle থাকলে if যুক্ত clause টি past perfect হয়।
- যেহেতু, প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে main clause এ "would have"+ verb এর Past participle আছে, তাই If যুক্ত clause টিতে, Subject + Past perfect tense হবে।
- If + Past Perfect Tense (had + V3), Subject + would have + Past Participle (V3)

• একটি Conditional sentence  এ দুটি অংশ থাকে।
- 1. Condition বা শর্ত  
- 2. Consequence বা ফলাফল। 

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

.
Who is making the noise? (make it passive)
  1. By whom was the noise being made? 
  2. By whom is the noise made? 
  3. By whom was the noise made? 
  4. By whom is the noise being made? 
সঠিক উত্তর:
By whom is the noise being made? 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By whom is the noise being made? 
ব্যাখ্যা

Active: Who is making the noise?
Passive: By whom is the noise being made?
- প্রদত্ত বাক্যটি একটি Present Continuous Tense-এর প্রশ্নবোধক বাক্য। তাই এটি Passive করার সময় 'is being made' ব্যবহৃত হবে।

• Who যুক্ত Interrogative Sentence এর Active Voice কে Passive Voice এ পরিণত করার নিয়ম:
- Who এর পরিবর্তে প্রথমে By whom বসে।
- এরপর Tense ও Person অনুযায়ী modal auxiliary Verb বসাতে হয়। 
- Object টি Subject হয়।
- Tense অনুযায়ী কর্তার পরে be/being/been বসাতে হয়। 
- মূল Verb এর Past Participle বসে।
- সবার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে। 

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

.
The government refused to ______ to the terrorists' demands. (Fill in the gap)
  1. give in 
  2. bring forth
  3. bear on
  4. bear with
সঠিক উত্তর:
give in 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
give in 
ব্যাখ্যা

Correct answer: give in.

• Give in (verb): 
- English Meaning: to yield under insistence or entreaty : surrender.
- Bengali Meaning: বশ্যতা স্বীকার করা।

Other options:
খ) Bring forth
- English meaning: to give birth to: produce.
- Bangla meaning: উৎপন্ন করা।

গ) Bear on
- English meaning: to apply or relate to (something)
- Bangla meaning: সম্পর্কিত।

ঘ) Bear with
- English meaning: to be indulgent, patient, or forbearing with (someone)
- Bangla meaning: সহ্য করা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy
2. Cambridge Dictionary.

.
The phrase "get the axe" refers to-
  1. move very fast
  2. face to face
  3. to lose the job
  4. to draw attention
সঠিক উত্তর:
to lose the job
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to lose the job
ব্যাখ্যা

Correct answer: to lose the job.

• Get the axe (idiom)
- English Meaning: To lose your job. 
- Bangla Meaning: (কথ্য) চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া।

• Example Sentence:
- This time, it's the business managers, executives, and technical staff who are getting the axe.
- After the company merger, several employees got the axe.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Collins Dictionary.

.
Select the synonym of the word "pragmatic"-
  1. wasteful
  2. productive
  3. realistic
  4. fussy
সঠিক উত্তর:
realistic
উত্তর
সঠিক উত্তর:
realistic
ব্যাখ্যা

Correct answer: realistic.

Pragmatic (adjective)
- English Meaning: as in practical: willing to see things as they really are and deal with them sensibly, fixed theories, ideas, or rules.
- Bangla Meaning: ব্যবহারিক ফল ও মূল্য সম্বন্ধীয়; সবকিছু প্রয়োগসিদ্ধতার দিক থেকে বিবেচনা করে এমন; কার্যসিদ্ধিমূলক; কার্যসাধনাত্মক; প্রয়োগবাদী; ব্যবহারবাদী।

Realistic (adjective)
- English meaning: of, relating to, or marked by literary or artistic realism: accurately representing what is natural or real.
- Bangla meaning: বাস্তবসম্মত।

• Other options:
ক) Wasteful
- English meaning: given to or marked by waste: lavish, prodigal
- Bangla meaning: অপচয়ী; অপব্যয়ী।

খ) Productive
- English meaning: having the quality or power of producing especially in abundance.
- Bangla meaning: উৎপাদনশীল; ফলপ্রসূ; উর্বর।

ঘ) Fussy 
- English meaning: easily upset : irritable.
- Bangla meaning: অস্থির; তিড়বিড়ে; ত্রস্তব্যস্ত।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
Choose the correct spelling-
  1. Garrulous
  2. Garrolous
  3. Garralous
  4. Garrelous
সঠিক উত্তর:
Garrulous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Garrulous
ব্যাখ্যা

Correct answer: Garrulous.

• Garrulous (adjective): 

- English Meaning: Having the habit of talking a lot, especially about unimportant things.
- Bangla Meaning: বাচাল; বাক্যবাগীশ।

Example sentence:
1. The usually quiet professor became surprisingly garrulous after his second glass of wine.
2. He tried to be concise, but his naturally garrulous personality always took over.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
The word "evil eye" is a-
  1. Adjective
  2. Adverb
  3. Noun
  4. Verb
সঠিক উত্তর:
Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun
ব্যাখ্যা

• The word "evil-eye" is a noun.

• Evil eye (noun)
- English Meaning: an eye or glance held capable of inflicting harm.
- Bangla Meaning: কুনজর; কুদৃষ্টি বদনজর; অশুভদৃষ্টি।

• Example Sentence:
1. I could feel the evil eye from the envious woman across the room.
2. She wore a special necklace to guard against the evil eye.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
The word "neighbour" is a-
  1. Common Gender
  2. Neuter Gender
  3. Feminine Gender
  4. Masculine Gender
সঠিক উত্তর:
Common Gender
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Common Gender
ব্যাখ্যা

Correct answer: Common.

• Neighbour (noun, verb)
- English Meaning: someone who lives very close to you.
- Bangla Meaning: প্রতিবেশী; প্রতিবাসী; পড়শি।

- The noun "neighbour" refers to a person (male or female) who lives near or next to another.
- it is a common gender because it refers to someone living nearby, without specifying whether they are male or female.

• Common gender:
- A noun that denotes either a male or female is said to be of the common gender.
- অর্থাৎ, Noun টি পুংবাচক বা স্ত্রীবাচক উভয়কেই বুঝালে তা Common Gender হয়।
- যেমন: Infant (শিশু), Deer (হরিণ), student (ছাত্র/ছাত্রী), lawyer (উকিল), Neighbor (প্রতিবেশী), orphan (এতিম), parent (মা, বাবা), spouse (দম্পতি) etc.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
3. Cambridge Dictionary.

.
You can invite anybody you like to the party. Here, "anybody" is-
  1. Demonstrative pronoun
  2. Indefinite pronoun
  3. Reciprocal pronoun
  4. Distributive pronoun
সঠিক উত্তর:
Indefinite pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Indefinite pronoun
ব্যাখ্যা

Correct answer: Indefinite pronoun.

• Indefinite pronoun:
- যে noun দ্বারা কোন নির্দিষ্ট জিনিস না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট ভাবে বোঝানো হয় তাকে Indefinite pronoun বলে।
- অনির্দিষ্ট অর্থজ্ঞাপক Pronoun হলো: One, someone, everyone, nobody, anybody etc.
- এগুলো দ্বারা নির্দিষ্ট ভাবে কাউকে না বুঝিয়ে সাধারণ ভাবে বোঝানো হয়।

Other options:
ক) Demonstrative Pronoun:
- যে শব্দ noun-এর আগে এসে তার ধরন বা ধরনের দিকে নির্দেশ করে, তাকে Demonstrative Pronoun বলা হয়। ব্যক্তি বা বস্তুকে যদি এটি, ওটি, এগুলি, ওগুলি ইত্যাদি শব্দ দ্বারা নির্দেশ করা হয় তাহলে এই শব্দগুলোকে demonstrative pronoun বলে।
- যেমন: this, that, these, those, such, the same, it, so, etc.

গ) Reciprocal pronoun:
- এই pronoun একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝায়।
- পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে each other এবং one another এই দুইটি pronoun ব্যবহার করা হয়, যারা reciprocal pronoun নামে পরিচিত।
- One another, Each other হচ্ছে Reciprocal pronoun.

• Distributive Pronoun:
- যে সকল pronoun একই জাতীয় একাধিক বস্তু বা ব্যক্তিকে পৃথকভাবে বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয় সেগুলোকে Distributive Pronoun বলে।
- যেমন: each, either, neither ইত্যাদি।
- এই pronoun গুলোকে positive pronoun ও বলে।

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.

১০.
Identify the adjective form of the noun 'origin"?
  1. Original
  2. Originate
  3. Originally
  4. Originality
সঠিক উত্তর:
Original
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Original
ব্যাখ্যা

Correct answer: Original.

Origin (noun)
- English meaning: rise, beginning, or derivation from a source.
- Bangla meaning: সূচনা, সূত্রপাত; উৎপত্তি।

Original (adjective)

- English meaning: not secondary, derivative, or imitative.
- Bangla meaning: প্রথম বা সর্বপ্রথম; আদি।

Other options:
খ) Originate (verb)
- English meaning: to take or have origin: begin.
- Bangla meaning: কোনোকিছু থেকে শুরু হওয়া; কারো থেকে শুরু হওয়া।

গ) Originally (adverb) 
- English meaning: In the beginning: in the first place: initially.
- Bangla meaning: শুরুতে বা শুরু থেকে: 

ঘ) Originality (noun)
- English meaning: the quality or state of being original.
- Bangla meaning: অভিনবত্ব; মৌলিকতা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১১.
A comparison of two unlike things, and often using like or as, is called-
  1. Proverb
  2. Simile
  3. Idiom
  4. Metaphor
সঠিক উত্তর:
Simile
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simile
ব্যাখ্যা

Correct answer: Simile.

Simile: 
- A figure of speech comparing two unlike things and often using like or as.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- A simile is an explicit comparison between two different things.
- Usually, as and like are used in it.
- In a simile, the resemblance is explicitly indicated by the words.
- যেমন: He fought like a lion.

Other options,
ক) Proverb:
- A short sentence, etc., usually known by many people, stating something commonly experienced or giving advice.
- It is an often-stated observation regarding something from common experience.
- প্রবাদ বাক্যগুলো সাধারণত প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আসছে।

গ) Idiom:
- A group of words in a fixed order that has a particular meaning that is different from the meanings of each word on its own.
- An expression in the usage of a language that has a meaning that cannot be understood from the combined meanings of its elements.
- "Idiom" বা বাগধারা বলতে বোঝায় শব্দগুচ্ছ বা Phrase, যার আক্ষরিক বা সরাসরি অর্থ এবং প্রচলিত অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়।

ঘ) Metaphor:
- Metaphor involves - Implicit comparison.
- A metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।
-  Metaphor এবং Simile এর মাঝে পার্থক্য হলো As ও Like এর উল্লেখ না থাকা।
- অর্থাৎ উপমাবাচক শব্দের প্রয়োগ না করে, উভয়ের মধ্যে সাধারণ গুনের উল্লেখ না করে সাদৃশ্য প্রদর্শনের নাম Metaphor.

Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman, Cambridge Dictionary.

১২.
The word "biophilic" means-
  1. relating to biology.
  2. human tendency to associate with nature.
  3. a person having dual citizenship.
  4. relationship by birth or descent.
সঠিক উত্তর:
human tendency to associate with nature.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
human tendency to associate with nature.
ব্যাখ্যা

Correct answer: human tendency to associate with nature.

Biophilic: (adjective)
- English meaning: of, relating to, or characterized by biophilia: relating to, showing, or being the human tendency to interact or be closely associated with other forms of life in nature.
- Bangla meaning: মানুষের মধ্যে প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের প্রবণতা বা অনুরাগ।

Example:
1. Her balcony garden is a small, biophilic oasis in the busy city.
2. They renovated the living room with large windows and natural textures to create a more biophilic atmosphere.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩.
যত শীঘ্র তত ভালো। (Translate into English)
  1. The earlier, the better.
  2. The sooner is the better.
  3. The earlier is the better.
  4. The sooner, the better.
সঠিক উত্তর:
The sooner, the better.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The sooner, the better.
ব্যাখ্যা

Correct answer: The sooner, the better.

• "যত শীঘ্র তত ভালো" এর ইংরেজী অনুবাদ - The sooner, the better.
- প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে শব্দের পরিবর্তন করা যায় না বা কোন শব্দের পরিবর্তে তার সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা যায় না।
- তাই যেটি প্রচলিত প্রবাদ সেটিই সঠিক হবে।

Source: Live MCQ Lecture.

১৪.
Although the boy is strong, he cannot carry the box.(Make it simple)
  1. In spite of the boy is very strong, he cannot carry the box.
  2. Because of his being strong, he cannot carry the box.
  3. In spite of his being strong, he cannot carry the box.
  4. Despite of his being strong, he cannot carry the box.
সঠিক উত্তর:
In spite of his being strong, he cannot carry the box.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In spite of his being strong, he cannot carry the box.
ব্যাখ্যা

Complex: Although the boy is strong, he cannot carry the box.
Simple: In spite of his being strong, he cannot carry the box.

• Though/ Although যুক্ত Complex Sentence কে Simple Sentence এ রূপান্তরের নিয়ম:
- Though/ Although এর পরিবর্তে Despite/ In Spite of বসে।
- প্রদত্ত sentence এর Subject টির possessive form বসে।
- To be verb এর পরিবর্তে being বসে।
- প্রদত্ত Sentence এর বাকী অংশ বসবে।

Other options:
ক) In spite of the boy is very strong, he cannot carry the box.
- এটি ভুল কারণ, Though/ Although যুক্ত Complex Sentence কে Simple Sentence এ রূপান্তরের ক্ষেত্রে Despite/ In Spite of + Subject এর possessive form + To be verb এর পরিবর্তে being বসে।

খ) Because of his being strong, he cannot carry the box.
- এটি ভুল কারণ, Though/ Although যুক্ত Complex Sentence কে Simple Sentence এ রূপান্তরের ক্ষেত্রে Though/ Although এর পরিবর্তে Despite/ In Spite of বসে।

ঘ) Despite of his being strong, he cannot carry the box.
- এটি ভুল কারণ, "Despite" শব্দটির পরে সরাসরি object বসে, এর পরে of preposition বসে না।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

১৫.
This road is longer than that one. (make it positive degree)
  1. That road is as long as this one.
  2. That road is not as long as this one.
  3. That road is longer than this one.
  4. That road is not as longer as this one.
সঠিক উত্তর:
That road is not as long as this one.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
That road is not as long as this one.
ব্যাখ্যা

Comparative: This road is longer than that one.
Positive: That road is not as long as this one.

• 'Than' যুক্ত Comparative Degree -কে Positive Degree করার নিয়ম:
- প্রথমে Than -এর পরের subject বসে।
- subject অনুযায়ী verb বসে।
- not বসে। (মূল sentence টি affirmative হলে কিন্তু মূল sentence টি negative হলে not উঠে যায়।)
- so/as + comparative degree এর positive form + as বসে।
- প্রদত্ত sentence এর প্রথম subject বসে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

১৬.
The moon is very bright. (Transform into Exclamatory sentence)
  1. What a bright the moon is!
  2. How bright the moon is! 
  3. What bright the moon is! 
  4. How a bright the moon is!
সঠিক উত্তর:
How bright the moon is! 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
How bright the moon is! 
ব্যাখ্যা

Assertive: The moon is very bright.
Exclamatory: How bright the moon is! 

• Assertive থেকে Exclamatory তে রূপান্তর করার structure:
- প্রথমে What/How বসে + Adjective বসে;
- এরপর Subject + Verb + বাকি অংশ + Exclamation mark.
- Adjective এর পূর্বে "a/an" থাকলে Exclamatory করার সময় What বসবে এবং এরপর a/an হবে।
- আর যদি Adjective এর পূর্বে "a/an" না থাকে তবে How দিয়ে Exclamatory করতে হবে।

Other options:
ক) What a bright the moon is!
- Assertive থেকে Exclamatory তে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে Adjective এর পূর্বে "a/an" না থাকে তবে How দিয়ে Exclamatory করতে হবে।

গ) What bright the moon is!
- Assertive থেকে Exclamatory তে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে Adjective এর পূর্বে "a/an" না থাকে তবে How দিয়ে Exclamatory করতে হবে।

ঘ) How a bright the moon is!
- Assertive থেকে Exclamatory তে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে Adjective এর পূর্বে "a/an" না থাকে তবে How দিয়ে Exclamatory করতে হবে। "How" এর পরে সরাসরি বিশেষণ বসে, মাঝে 'a' বসে না।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

১৭.
Who quoted "Life is a tale told by an idiot" is a line"?
  1. William Wordsworth
  2. William Shakespeare 
  3. John Milton
  4. Robert Frost
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare 
ব্যাখ্যা

Correct answer: William Shakespeare.

• William Shakespeare 
- William Shakespeare -এর বিখ্যাত নাটক 'Macbeth' -এ এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছেন নাটকের protagonist 'Macbeth'.
- Macbeth যখন জানতে পারে যে তার স্ত্রী Lady Macbeth মারা গেছেন, তখন তিনি জীবনের অর্থহীনতা ও ক্ষণস্থায়ীত্ব নিয়ে এই বিখ্যাত monologue টি (স্বগতোক্তি) করেন।

• সম্পূর্ণ উদ্ধৃতি:
- "Life’s but a walking shadow, a poor player
That struts and frets his hour upon the stage
And then is heard no more: it is a tale
Told by an idiot, full of sound and fury,
Signifying nothing."

• Macbeth:
- Macbeth, one of Shakespeare's greatest tragedies, tells the story of the fall of a Scottish nobleman.
- এই tragedy টি ১৬০৭-০৭ সালের দিকে রচিত এবং ১৬২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- Shakespeare রচিত Tragedy গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত tragedy হচ্ছে এটি।
- এই নাটকটি Shakespeare's Scottish Play নামেও পরিচিত।
- Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan -এর একজন বিশ্বস্ত General.
- স্ত্রীর কুমন্ত্রনায় Macbeth রাজাকে হত্যা করেন।
- পরবর্তীতে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে Lady Macbeth অনুতপ্ত হয় এবং অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে পাগল হয়ে যায়।
- ধারণা করা হয় Macbeth নাটকটি The Gunpowder Plot of 1605 (King James-1 of England and VI of Scotland -কে হত্যার ব্যর্থ প্রচেষ্টা) উপর ভিত্তি করে লেখা।

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৮.
They play football, _______________? (fill in the gap)
  1. do they
  2. don't they
  3. does they
  4. doesn't they
সঠিক উত্তর:
don't they
উত্তর
সঠিক উত্তর:
don't they
ব্যাখ্যা

Correct answer: don't they.
- প্রদত্ত Sentence টি present indefinite tense -এ আছে, তাই Auxiliary verb হিসেবে 'don't' বসবে (subject plural)।

• Tag question -এর নিয়মানুযায়ী, 
- Affirmative sentence -এর tag question টি negative হয়।
- Auxiliary verb -এর সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
- Auxiliary verb না থাকলে main verb এর tense অনুযায়ী Auxiliary verb হিসেবে do/does/did বসাতে হবে।
- অর্থাৎ, Tag question এর নিয়মানুযায়ী বাক্যটি Affirmative হওয়ায় Tag question টি Negative হবে।
- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক tag question টি হবে- don't they?

Source: A Passage to the English Language, S. M. Zakir Hussain.

১৯.
The weather is very nice. (change into exclamatory sentence)
  1. What nice the weather is!
  2. How nice the weather is!
  3. How nice the weather has been!
  4. What nice the weather has been!
সঠিক উত্তর:
How nice the weather is!
উত্তর
সঠিক উত্তর:
How nice the weather is!
ব্যাখ্যা

Assertive: The weather is very nice.
Exclamatory: How nice the weather is!
- প্রদত্ত Assertive sentence টির আগে কোনো "a' বা "an" নেই। তাই নিয়ম অনুযায়ী Exclamatory sentence এ রূপান্তরের ক্ষেত্রে বাক্যের শুরুতে 'How' বসবে।

• Assertive থেকে Exclamatory করার নিয়ম:
- বাক্যের শুরুতে What (a/an) বা How বসে।
- যদি Adjective-এর আগে a/an থাকে → What a/an ব্যবহার।
- যদি Adjective-এর আগে a/an না থাকে → How ব্যবহার।
- এরপর আসে Adjective।
- তারপর আসে Subject ও Verb।
- বাকী অংশ থাকলে তা শেষে বসে।
- শেষের দিকে exclamation mark (!) ব্যবহার করা হয়। 

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২০.
She said, "I cooked pasta". (make it indirect speech)
  1. She told that she had cooked pasta. 
  2. She said that she have cooked pasta. 
  3. She said that she had cooked pasta. 
  4. She told that she have cooked pasta. 
সঠিক উত্তর:
She said that she had cooked pasta. 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She said that she had cooked pasta. 
ব্যাখ্যা

Direct Speech: She said, "I cooked pasta".
Indirect Speech: She said that she had cooked pasta.
- Reporting speech past tense এ থাকায় Indirect speech এ Past Perfect Tense হবে: Direct speech-এর "cooked" পরিবর্তন হয়ে had cooked (Past Perfect) হয়েছে।

• Direct speech থেকে Indirect speech এ রূপান্তরের ক্ষেত্রে:
- Reporting verb এর subject বসে।
- Reporting verb say/said, tell/told (যদি থাকে) বসে।
- Inverted comma উঠে that বসে।
- Reported speech এর subject number/person অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে।
- Reporting speech (said) past tense এ থাকায় Indirect speech এ Past Perfect Tense হবে।
- বাকি অংশ বসবে।

Other options:
ক) She told that she had cooked pasta.
- ভুল কারন, এখানে said-এর বদলে told ব্যবহার করা হয়েছে। told-এর পরে সাধারণত একটি object বসে। এখানে কোনো object নেই।

খ) She said that she have cooked pasta.
- ভুল কারন, Reporting speech "past tense" এ থাকায় Indirect speech এ "Past Perfect Tense" হবে।

ঘ) She told that she have cooked pasta.
- ভুল কারন, Reporting speech "past tense" এ থাকায় Indirect speech এ "Past Perfect Tense" হবে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

২১.
Choose the antonym of the word "amicable"-
  1. Advancement
  2. Affectionate
  3. Hostile
  4. Friendly
সঠিক উত্তর:
Hostile
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hostile
ব্যাখ্যা

Correct answer: Hostile.

Amicable (adjective)
- English Meaning: characterized by friendly goodwill : peaceable.
- Bangla Meaning: শান্তিপ্রবণ; শান্তিপূর্ণ; বন্ধুত্বপূর্ণ বা শান্তিপূর্ণভাবে সাধিত।

Hostile (adjective)
- English meaning:  of or relating to an enemy.
- Bangla meaning:  শত্রুপক্ষীয়; বৈরী।

• Other options:
ক) Advancement: 
- English meaning: the development or improvement of something.
- Bangla meaning: পদোন্নতি; উন্নতি।

খ) Affectionate (adjective)
- English Meaning: Readily feeling or showing fondness or tenderness.
- Bangla Meaning: স্নেহময়; মমতাময়; স্নেহশীল; প্রেমময়; প্রেমপূর্ণ; স্নেহমাখা; সাদর।

ঘ) Friendly (adjective)
- English Meaning: kind and pleasant.
- Bangla Meaning: বন্ধুত্বপূর্ণ; বন্ধুজনোচিত; বন্ধুভাবাপন্ন; সহৃদয়; মিত্রোচিত; বন্ধুসুলভ; সানুরাগ; প্রীতিপূর্ণ।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২২.
What is the meaning of the phrase "on cloud nine"?
  1. very angry.
  2. very sad.
  3. very happy.
  4. very excited.
সঠিক উত্তর:
very happy.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
very happy.
ব্যাখ্যা

Correct answer: very happy.

On cloud nine:

- English meaning: very happy.
- Bangla meaning: অত্যন্ত খুশি বা আনন্দে আত্মহারা হওয়া।

Example sentence:
1. He's been on cloud nine ever since she agreed to marry him.
2. He's been on cloud nine since the promotion.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৩.
A person who uses violent means to overthrow the established order-
  1. a militant
  2. an anarchist
  3. a terrorist
  4. an extremist
সঠিক উত্তর:
an anarchist
উত্তর
সঠিক উত্তর:
an anarchist
ব্যাখ্যা

Correct answer: an anarchist.

Anarchist (noun)
- English Meaning: a person who believes in, advocates, or promotes anarchism or anarchy, especially: one who uses violent means to overthrow the established order.
- Bangla Meaning: নৈরাজ্য; অরাজকতা; বিশৃঙ্খলা।

Other options:
ক) A militant:
- English meaning: having or showing a desire or willingness to use strong, extreme, and sometimes forceful methods to achieve something.
- Bangla meaning:  সন্ত্রাসী, জঙ্গি, উগ্রপন্থী। 

গ) A terrorist:
- English meaning: the use of violent acts to frighten the people in an area as a way of trying to achieve a political goal.
- Bangla meaning: সন্ত্রাসী।

ঘ) An extremist:
- English meaning: an adherent or advocate of extremism, especially radical. Someone who has extreme ideas about politics, religion, etc.
- Bangla meaning: চরমপন্থী।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.
3.Britannica

২৪.
A light or humorous poem of five lines called?
  1. Quartet
  2. Sextet
  3. Limerick
  4. Haiku
সঠিক উত্তর:
Limerick
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Limerick
ব্যাখ্যা

Correct answer: Limerick.

• Limerick
- A popular form of short, funny verse that is often nonsensical and rude.
- A humorous rhyming composition of five lines.
- Example of Limerick:
"A wonderful bird is the pelican,
His bill holds more than his belican.
He can take it in his beak,
Enough food for a week,
But I'm damned if I see how the helican."
--- By poet Ogden Nash:

• Other options:
ক) Quartet
- A musical composition for four instruments or voices
- চারজন গায়কের দ্বারা গীত গান।

খ) Sextet
- A musical composition for six instruments or voices
- ছয়টি কণ্ঠ; যন্ত্র বা বাদকের সমন্বয়ে ছয়টি কণ্ঠ বা যন্ত্রের জন্য রচিত সংগীত; ষড়ঙ্গক।

 ঘ) Haiku
- The haiku is a Japanese poetic form that consists of three lines, with five syllables in the first line, seven in the second, and five in the third.
- প্রাকৃতিক দৃশ্যকল্প নিয়ে লেখা একটি তিন লাইনের সংক্ষিপ্ত জাপানি কবিতা।
 
Source: 
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M. Mofizar Rahman.

২৫.
অন্ত্যস্বরের কারণে আদ্যস্বর পরিবর্তিত হলে কোন ধরনের স্বরসঙ্গতি হয়?
  1. পরাগত স্বরসঙ্গতি 
  2. অন্যোন্য স্বরসঙ্গতি
  3. প্রগত স্বরসঙ্গতি
  4. মধ্যগত স্বরসঙ্গতি 
সঠিক উত্তর:
পরাগত স্বরসঙ্গতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরাগত স্বরসঙ্গতি 
ব্যাখ্যা

অন্ত্যস্বরের কারণে আদ্যস্বর পরিবর্তিত হলে তাকে পরাগত স্বরসঙ্গতি বলা হয়। 
------------------------------
• স্বরসঙ্গতি (Vowel harmony):
- স্বরসঙ্গতি বলতে বোঝায়—একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দের ভেতরের অন্য স্বরধ্বনি বদলে যাওয়া।
- এতে শব্দের উচ্চারণে মিল বা সামঞ্জস্য তৈরি হয়।
- সহজভাবে বলা যায়, স্বরসঙ্গতি হলো স্বরধ্বনির পারস্পরিক প্রভাবের ফল।
- বাংলার কথ্য ভাষায় এ ধরনের পরিবর্তন বেশি দেখা যায়।
- যেমন:
- দেশি → দিশি,
- বিলাতি → বিলিতি,
- মুলা → মুলো।

- স্বরসঙ্গতি ৪ প্রকারে বিভক্ত-
- প্রগত; 
- পরাগত; 
- মধ্যগত; 
- অন্যোন্য। 
------------------------------------
পরাগত স্বরসঙ্গতি (Regressive):
- যখন শব্দের শেষের স্বরধ্বনির কারণে শুরু বা আগের স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়, তখন তাকে পরাগত স্বরসঙ্গতি বলা হয়।
- এখানে পরের স্বর আগের স্বরকে প্রভাবিত করে।
- উদাহরণ:
- দেশি > দিশি,
- আখো > এখো, 
- মিশে > মেশে।
---------------------------- 
অন্যদিকে, 

প্রগত স্বরসঙ্গতি (Progressive)-
- যখন শব্দের প্রথম স্বরধ্বনির প্রভাবে শেষের স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়, তখন তাকে প্রগত স্বরসঙ্গতি বলা হয়।
- অর্থাৎ আগের স্বর পরে থাকা স্বরকে বদলে দেয়।
- উদাহরণ:
- মুলা > মুলো,
- শিকা > শিকে,
- তুলা > তুলো।

মধ্যগত স্বরসঙ্গতি- 
- মধ্যগত স্বরসঙ্গতি বলতে এমন স্বরসঙ্গতিকে বোঝায়, যেখানে শব্দের প্রথম স্বরধ্বনি বা শেষের স্বরধ্বনির প্রভাবে মাঝখানে থাকা স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়।
- এর ফলে শব্দের ভেতরের স্বরধ্বনিগুলোর মধ্যে ধ্বনিগত মিল বা সামঞ্জস্য তৈরি হয়।
- যেমন—
- বিলাতি থেকে বিলিতি-তে প্রথম ‘ই’ স্বরের প্রভাবে মাঝের ‘আ’ বদলে ‘ই’ হয়েছে।
- আবার জিলাপি থেকে জিলিপি -তে আদি ‘ই’ স্বরের কারণে মধ্যবর্তী ‘আ’ পরিবর্তিত হয়েছে।

অন্যোন্য স্বরসঙ্গতি-
- একটি শব্দে থাকা দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি যখন পরস্পরের প্রভাবে বদলে গিয়ে নতুন ধ্বনিগত রূপ সৃষ্টি করে, তখন তাকে অন্যোন্য স্বরসঙ্গতি বলে।
- এখানে কোনো একটি স্বর এককভাবে প্রভাব ফেলে না;
- বরং আগের ও পরের স্বরধ্বনি একে অপরকে প্রভাবিত করেই ধ্বনি পরিবর্তন ঘটে; 
- এজন্য একে পারস্পরিক বা অন্যোন্য স্বরসঙ্গতি বলা হয়।
- উদাহরণ:
- মোজা > মুজো, 
- ঝোলা > ঝুলি, 
- পূজা >পুজো
- খেলা > খেলো
- মেলা > মেলো। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 
বাংলা ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 

২৬.
“গোলাপ” ও “চশমা” শব্দ দুটি কোন ভাষা থেকে আগত?  
  1. হিন্দি 
  2. ফরাসী 
  3. ফারসি
  4. পর্তুগিজ 
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা

'গোলাপ', 'চশমা' - ফারসি শব্দের উদাহরণ।  
-------------------
• কিছু ফারসি শব্দের উদাহরণ :
- গোলাপ, চশমা, আস্তানা, আতশে, ইয়ারকি, ইরানি, আইন, আওয়াজ, আখ, আইর, আচার, আজাদ, আতরবাড়ি, আন্দাজ, আফসান, আফসোস, আমেজ, আরাম, আশকারা, আশমান, আসমান, ওস্তাদ, কম, কামান, কারখানা, কারবার, কারিগর, কিস্তি, কিনারা, কোষার, খরগোশ, খরিদ, খাসমহল, খানদানি, খাস, খুন, খুশি, খোরাক, খোশ, খোশমেজাজ, গরম, গদ্দান, গোসেলা, গোরস্থান, চাকর, চাদর, চাঁদ, জঙ্গল, জমি, জর্দা, জামা, জায়গা, তরমুজ, তির, দরকার, দরখাস্ত, দরজা, দরবার, দুধ, দর্জি, দালাল, দোকান, নমুনা, নাম, নালি, নাস্তা, পছন্দ, পলি, পাইকারি, পেশা, পোশাক, ফরমায়েশ, বনাম, বালি, বল, বন্দর, বদি, রসতা, বাগান, বাচ্চা, বাজার, বাদলি, মজুর, মরাদা, মোরগ, রসিদ, রোজগার, শাবাশ, শিকার, শিরোনাম, শুমারি, সাজা, সবুজ, সরকার, সোনা, হালকা, হাজার ইত্যাদি।
-------------------------------
অন্যদিকে,
- হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বহু শব্দ এসেছে।
- যেমন - 'জঙ্গল', ‘পালকি’,‘চাটনি’, ‘চামচা', 'হাওয়া', 'দোস্ত', 'পাগল', 'শহিদ', 'গুমটি', 'খানা', 'বাজার' ইত্যাদি। 

- ফরাসী ভাষা থেকে আগত শব্দ- আয়োডিন, থিয়েটার, ইত্যাদি।

- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু পর্তুগিজ শব্দ হলো:
- গির্জা, চাবি, গুদাম, আলমারি, আনারস, পেয়ারা, সাবান, কেরানি, পাদ্রি, বালতি, কেদারা, কামরা, জানালা, বারান্দা, আলমারি, গুদাম, পেঁপে, পাউরুটি, তোয়ালে, বোতাম।

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৭.
“ঢাক ঢাক গুড় গুড়” বাগ্‌ধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
  1. হঠাৎ কোনো কিছু করা 
  2. গোপন রাখার চেষ্টা করা
  3. চুপচাপ কিছু করার চেষ্টা করা
  4. দ্রুত কাজ করা
সঠিক উত্তর:
গোপন রাখার চেষ্টা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপন রাখার চেষ্টা করা
ব্যাখ্যা

- “ঢাক ঢাক গুড় গুড়” বলতে বোঝায়- কেউ কোনো বিষয় লুকিয়ে রাখার বা গোপন করার চেষ্টা করছে।
 -------------------------------------------- 
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা-
- শিবরাত্রির সলতে = একমাত্র সন্তান; 
- শিরে সংক্রান্তি = বিপদ মাথার ওপর;
- শরতের শিশির = সুসময়ের বন্ধু;
- শত্রুর মুখে ছাই = কুদৃষ্টি এড়ানো;
- শ্রীঘর = কারাগার;
- কেঁচো খুড়তে সাপ = বিপদজনক পরিস্থিতি;
- কেউ কেটা = গণ্যমান্য;
- গা ঢাকা দেওয়া = আত্মগোপন;
- গায়ে কাঁটা দেওয়া = রোমাঞ্চিত হওয়া;
- গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো = কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা; 
- অক্কা পাওয়া = মারা যাওয়া;
- আদায় কাঁচকলায় = ঘোর শত্রুতা;
- কংস মামা = নির্মম আত্মীয়;
- কাঁচা হাত = অপটু; 
- চক্ষুদান করা = চুরি করা;
- জগাখিচুড়ি পাকানো = গোলমাল বাধানো;
- ঝড়ো কাক = বিপর্যস্ত;
- টাকার কুমির = ধনী ব্যক্তি;
- ডুমুরের ফুল = দুর্লভ বস্তু; 
- ঠাঁট বজায় রাখা = অভাব চাপা রাখা;
- অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ, অকেজো;
- আকাশ কুসুম = অসম্ভব কল্পনা;
- ইঁদুর কপালে = নিতান্ত মন্দভাগ্য;
- উড়নচন্ডী = অমিতব্যয়ী;
- এলোপাতাড়ি = বিশৃঙ্খলা;
- খাল কেটে কুমির আনা = বিপদ ডেকে আনা;
- ঢাক ঢাক গুড় গুড় = গোপন রাখার চেষ্টা;
- তাসের ঘর = ক্ষণস্থায়ী;
- থ বনে যাওয়া = স্তম্ভিত হওয়া। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

২৮.
"বুকের রক্ত দিয়া আমাকে যে একদিন দ্বিতীয় সীতা বিসর্জনের কাহিনী লিখতে হইবে সে কথা কে জানিত।" - উক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. কাজী নজরুল ইসলাম 
  4. কামিনী রায় 
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

"বুকের রক্ত দিয়া আমাকে যে একদিন দ্বিতীয় সীতা বিসর্জনের কাহিনী লিখতে হইবে সে কথা কে জানিত।"—
- উক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত হৈমন্তী ছোটগল্প থেকে নেয়া। 
-------------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক তথা দার্শনিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হচ্ছেন ভারতবর্ষের আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ।
- তিনি একাধারে একজন সব্যসাচী লেখক, কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, সঙ্গীত রচয়িতা, গায়ক, অভিনেতা, শিক্ষাবীদ, চিত্রশিল্পী।
- কবির পরিবার ছিল- পিরালি ব্রাহ্মণ বংশের।
- মাত্র আট বছর বয়স থেকেই তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বিশ্বকবি উপাধিতে অবিহিত করা হয়। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ছোটগল্পের জনক ও বলা হয়। 

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কিছু ছোটগল্প:
- ভিখারিণী,
- দেনা-পাওনা,
- পোস্টমাস্টার,
- নষ্টনীড়,
- কাবুলিওয়ালা,
- ছুটি,
- হৈমন্তী,
- অতিথি,
- খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন
- সুভা,
- সমাপ্তি,
- মহমায়া,
- শাস্তি,
- একরাত্রি, 
- ফেল,
- ব্যবধান।
------------------------------- 
'হৈমন্তী' নিয়ে কিছু কথা:
- 'হৈমন্তী' রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছ'র অন্তর্ভুক্ত একটি ছোটগল্প। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হৈমন্তী গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত সবুজপত্র মাসিক পত্রিকায়।

- হৈমন্তী মূলত বাঙালি সমাজে নারীর অবমাননা এবং বিবাহিত জীবনে তাদের অসহায়ত্ব ও আত্মমর্যাদার সংকটের গল্প।
- এখানে দেখা যায়, হৈমন্তীর মতো মুক্তচিন্তা ও উচ্চশিক্ষিত নারীও স্বামীর অমনোযোগ ও শ্বশুরবাড়ির দমনমূলক আচরণের কারণে ধীরে ধীরে নিজের সত্তা হারিয়ে ফেলে।
- গল্পে তৎকালীন সামাজিক প্রথা, শ্বশুরবাড়ির অন্যায় নিয়ম, স্বামী ও পরিবারের নিষ্ক্রিয়তা, নারীর আত্মমর্যাদা হরণের সমস্যা এবং সামাজিক ভণ্ডামি সবই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

- গল্পের প্রধান চরিত্র হলো: হৈমন্তী, তার স্বামী অপূর্ব, হৈমন্তীর বাবা এবং অপূর্বর বাবা-মা।
- গল্পের এক পর্যায়ে আক্ষেপ করে হৈমন্তীর স্বামী অপূর্ব মন্তব্য করে যে,
- "বুকের রক্ত দিয়া আমাকে যে একদিন দ্বিতীয় সীতা বিসর্জনের কাহিনী লিখতে হইবে সে কথা কে জানিত।"
- এই উক্তিটি সাক্ষী দেয় যে- কতটা তীব্রভাবে তৎকালীন সমাজে নারীর প্রতি বৈষম্য এবং মানবিক সম্পর্কের অবক্ষয় প্রতিফলিত হয়েছে।

উৎস: 
'হৈমন্তী' গল্প; 
বাংলাপিডিয়া; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

২৯.
’আ-প্রত্যয়’ যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. শ্রদ্ধেয়া
  2. শিক্ষিকা
  3. গায়িকা
  4. বাহিকা
সঠিক উত্তর:
শ্রদ্ধেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রদ্ধেয়া
ব্যাখ্যা

- ’আ-প্রত্যয়’ যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ- শ্রদ্ধেয়া। 
----------------------------- 
• লিঙ্গ পরিবর্তন:
- তৎসম পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'আ' সংস্কৃত নারীবাচক প্রত্যয়যোগে শব্দটি নারীবাচক শব্দে পরিবর্তন করা হয়।
- যেমন- শ্রদ্ধেয় - শ্রদ্ধেয়া; 
- শ্রদ্ধেয় শব্দের শেষে 'আ' প্রত্যয়যোগে শ্রদ্ধেয়া শব্দটি গঠিত হয়েছে। 

• ’আ-প্রত্যয়’ যোগে গঠিত কিছু  স্ত্রীবাচক শব্দ:

• পুরুষবাচক – স্ত্রীবাচক:
- কল্যাণীয় - কল্যাণীয়া; 
- পূজনীয় – পূজনীয়া; 
- মাননীয় - মাননীয়া; 
- বয়স্ক - বয়স্কা; 
- চপল – চপলা;
- অগ্রজ – অগ্রজা;
- বৃদ্ধ – বৃদ্ধা;
- অনাথ – অনাথা;
- মহাশয় – মহাশয়া;
- কুটিল – কুটিলা;
- শিষ্য – শিষ্যা;
- মনোহর – মনোহরা;
- মূর্খ – মূর্খা;
- কৃপণ – কৃপণা;
- জীবিত – জীবিতা;
- কোকিল – কোকিলা;
- প্রিয় – প্রিয়া;
- সুনয়ন – সুনয়না;
- জটিল – জটিলা;
- প্রবীণ  – প্রবীণা;
- সেবক  –  সেবিকা;
- সুনীল – সুনীলা, ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'ক' বা 'অক' থাকলে 'ইকা' যোগ করে স্ত্রীবাচক করা হয়, যেমন:
- বাহক - বাহিকা;
- গায়ক - গায়িকা;
- শিক্ষক - শিক্ষিকা। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

৩০.
কোনটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ নয়? 
  1. গায়ে হলুদ 
  2. হাতেখড়ি
  3. বিড়ালচোখী
  4. গলায় গামছা 
সঠিক উত্তর:
বিড়ালচোখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিড়ালচোখী
ব্যাখ্যা

অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ নয়- বিড়ালচোখী।
-----------------
• অলুক বহুব্রীহি সমাস:
- বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি বজায় থাকলে এবং কোনো পদের পরিবর্তন না হলে অলুক বহুব্রীহি সমাস হয়।
- যেমন: 
মাথায় পাগড়ি যার = মাথায় পাগড়ি। 
গলায় গামছা যার = গলায় গামছা। 
মুখে ভাত দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = মুখেভাত। 
হাতেখড়ি দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি। 
গায়েহলুদ দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = গায়েহলুদ। 
------------------------
বিড়ালচোখী- মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। 

• মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস-
- যে বহুব্রীহি সমাস ব্যাসবাক্যের মধ্যস্থিত কোনো পদকে লোপ করে বা গ্রহণ না করেই তৈরি হয় তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলা হয়। 
- যেমন: 
- বিড়ালের চোখের ন্যায় চোখ যে নারীর = বিড়ালচোখী।
- কাঞ্চন বা সোনার মত প্রভা যার = কাঞ্চনপ্রভ।
- দশ বছর বয়স যার = দশবছুরে।  

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
ভাষা- শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।।

৩১.
“যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে” - এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?  
  1. বাগ্মী
  2. প্রত্যুৎপন্নমতি
  3. গভীর জলের মাছ
  4. অচিন্তিতপূর্ব
সঠিক উত্তর:
প্রত্যুৎপন্নমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যুৎপন্নমতি
ব্যাখ্যা

“যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে” - এর এক কথায় প্রকাশ- প্রত্যুৎপন্নমতি। 
- প্রত্যুৎপন্নমতি হলো সেই ব্যক্তি যার উপস্থিত বুদ্ধি বা দ্রুত চিন্তা করার ক্ষমতা রয়েছে।
-----------------------
অন্যদিকে,
• যিনি বক্তিতা দানে পটু — বাগ্মী।
• যার অনেক বুদ্ধি আছে - গভীর জলের মাছ। 
• যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি — অচিন্তিতপূর্ব।
----------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- বাতাসে চরে যে = কপোত।
- পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার = জাতিস্বর।
- সরোবরে জন্মায় যাহা = সরোজ।
- যা পুনঃ পুনঃ জ্বলিতেছে = জাজ্বল্যমান।
- সকলের জন্য প্রযোজ্য = সর্বজনীন।
- সকলের জন্য অনুষ্ঠিত = সার্বজনীন।
- প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন = প্রভাতকল্পা।
- রাত্রির মধ্যভাগ = মহানিশা।
- স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি = শাস্ত্রজ্ঞ।
- স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন যিনি = শাস্ত্রকার।
- এখনও শত্রু জন্মায় নাই যার = অজাতশত্রু। 
- যা পূর্বে শোনা যায় নি — অশ্রুতপূর্ব। 
- যা পূর্বে দেখা যায় নি — অদৃষ্টপূর্ব।
- যা বলা হয় নি — অনুক্ত।
- যা বলার যোগ্য নয় — অকথ্য।
- যার অন্য উপায় নেই — অনন্যোপায়।
- যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে — প্রত্যুৎপন্নমতি।
- যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না — অজ্ঞাতকুলশীল।
- যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে — সর্বহারা, হতসর্বস্ব।
- যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে — বীরপ্রসূ। 
- যে নারীর সন্তান বাঁচে না — মৃতবৎসা।
- যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ — শাপদসংকুল
- যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক (বা বিরোধবাদ) নেই — অবিসংবাদিত।
- যা গমন করে না — নগ।
- যার স্পৃহা দূর হয়েছে — বীতস্পৃহ।
- যে রমণীর হাসি পবিত্র — শুচিস্মিতা।
- যে রমণীর হাসি সুন্দর — সুহাসিনী। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩২.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল নাটক-  
  1. শর্মিষ্ঠা
  2. ভদ্রার্জুন
  3. আমলার মামলা
  4. কবর
সঠিক উত্তর:
শর্মিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্মিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

• বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল নাটক মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত- শর্মিষ্ঠা। 
---------------------------
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার।
- তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের অবদানের কারণে তাকে “বাংলা আধুনিক কবিতার জনক” ও “মহাকবি” বলা হয়।

- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য;
- যা ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং
- এটি সংস্কৃত রামায়ণের কাহিনীর উপর ভিত্তি করে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত। 
- এই কাব্যটি মূলত নয়টি সর্গে বিভক্ত।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
• প্রথম প্রহসন: একেই কি বলে সভ্যতা।
• অন্য প্রহসন: বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ।
• প্রথম ট্র্যাজেডি: কৃষ্ণকুমারী।
প্রথম সফল নাটক: শর্মিষ্ঠা।
• প্রথম কাব্যগ্রন্থ: The Captive Ladie (ইংরেজি ভাষায় রচিত)।
• একমাত্র গদ্যগ্রন্থ: হেক্টরবোধ (অসমাপ্ত)।

• প্রসিদ্ধ নাটকসমূহ:
- কৃষ্ণকুমারী, শর্মিষ্ঠা, রিজিয়া, শুভ্রদা, পদ্মাবতী, ও মায়াকানন।
--------------------------------------- 
• 'শর্মিষ্ঠা' নাটক নিয়ে কিছু কথা- 
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের শর্মিষ্ঠা নাটকটি ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। 
- একই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর বেলগাছিয়া নাট্যশালায় প্রথম অভিনীত হয়।
- এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সফল নাটক হিসেবে খ্যাত।

- নাটকের প্রধান চরিত্রগুলো হলো- শর্মিষ্ঠা, দেবযানী এবং যযাতি।
- নাটকটি মহাভারতের দেবযানী ও যযাতির কাহিনী অবলম্বনে রচিত।
- শর্মিষ্ঠা নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো- মহাভারতের আদিপর্ব থেকে নেওয়া রাজা যযাতি, দেবযানী ও শর্মিষ্ঠার মধ্যে ত্রিকোণ প্রেম ও বিবাদের গল্প। 
---------------------------- 
অন্যদিকে,
• বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক হলো 'ভদ্রার্জুন', যা ১৮৫২ সালে তারাচরণ শিকদার রচনা করেন। 
• 'আমলার মামলা' নাটকটি লিখেছেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত লেখক শওকত ওসমান। 
• 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৩৩.
নিচের কোন শব্দে সম্যকরূপে “সম” উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে?    
  1. সংবাদ
  2. সমাদর
  3. সংযম 
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

- সম্যকরূপে 'সম' উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ- অপশনের সবগুলো। 
-----------------------------------------
• ‘উপসর্গ’:
- উপসর্গ’ শব্দের মূল অর্থ হলো ‘উপসৃষ্ট’।
- এর প্রধান কাজ হলো মূল শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করা।
- উপসর্গের নিজস্ব অর্থ নেই, তবে এটি মূল শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।

- উপসর্গ ৩ প্রকার:
• তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ,
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
• বিদেশি উপসর্গ।
-------------------------------------------
- 'সম' তৎসম বা  সংস্কৃত উপসর্গের উদাহরণ। 

- তৎসম উপসর্গ:
- তৎসম উপসর্গ হলো সেই উপসর্গ যা সংস্কৃত থেকে এসেছে এবং সংস্কৃত ধাতু/শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।
- তৎসম উপসর্গ ২০টি:
- প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির্, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।
- উদাহরণ: অবহেলা এর ‘অব’ = তৎসম উপসর্গ।

- সম্যকরূপ অর্থে 'সম' উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ হচ্ছে-
- সংবাদ, সমাদর, সংযম, সমৃদ্ধ, সম্পূর্ণ, সংগঠন ইত্যাদি। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;  
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৩৪.
'মোহাম্মাদি' মাসিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন-
  1. মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন
  2. সৈয়দ এমদাদ আলী
  3. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
  4. এ.কে.এম মোহাম্মদ রওশন আলী চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আকরম খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আকরম খাঁ
ব্যাখ্যা

'মোহাম্মাদি' মাসিক পত্রিকা:
- মাসিক 'মোহাম্মদী' পত্রিকাটি মুসলিম নবজাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে খ্যাত।
- এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ।
-  ১৯০৩ সালে কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তী সময়ে মুজিবুর রহমান খাঁ এবং বদরুল আনাম খাঁও পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
- পত্রিকাটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ১৯২৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত নিয়মিত চলে;
- এবং ১৯৪৯ সালে ঢাকা থেকে পুনরায় প্রকাশিত হয়ে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত চালু ছিল।
---------------------- 
অন্যদিকে,
• সওগাত - সচিত্র মাসিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন।
• কোহিনূর - মাসিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন: এ.কে.এম মোহাম্মদ রওশন আলী চৌধুরী।
• নবনূর' মাসিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- সৈয়দ এমদাদ আলী। 

উৎস: 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 
বাংলাপিডিয়া। 

৩৫.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম যথার্থ ইতিহাসগ্রন্থটির রচয়িতা কে?  
  1. ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড
  2. দীনেশচন্দ্র সেন
  3. মানোয়েল দা আসুম্পসাঁও
  4. রাজা রামমোহন রায়
সঠিক উত্তর:
দীনেশচন্দ্র সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীনেশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যের প্রথম যথার্থ ইতিহাসগ্রন্থ- 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য'। 
- এই ইতিহাসগ্রন্থটির রচয়িতা- দীনেশচন্দ্র সেন। 
--------------------------- 
• দীনেশচন্দ্র সেন:
- রায়বাহাদুর দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, লোক-সাহিত্যবিশারদ এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার।
- তিনি ১৮৬৬ সালের ৩ নভেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার বগজুরি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার সুয়াপুর গ্রামে।
- কিশোর বয়স থেকেই দীনেশচন্দ্র সাহিত্যপ্রেমী ছিলেন।
- ১৮৯৬ সালে পুথিসংগ্রহ ও পুথিপাঠের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবনে নতুন পর্বের সূচনা ঘটে।

- ১৯১১ সালে তাঁর রচিত 'History of Bengali Language and Literature' প্রকাশিত হয়। 
- 'History of Bengali Language and Literature' গ্রন্থ প্রকাশের পর তিনি পাশ্চাত্যের গবেষক ও সাহিত্য সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান।
- ১৯১৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘রামতনু লাহিড়ী রিসার্চ ফেলোশিপ’  লাভ করেন।
- ফেলোশিপ লাভের পর তিনি মৈমনসিংহ-গীতিসহ পূর্ববঙ্গ-গীতিকা (চার খণ্ড, ১৯২৩-১৯৩২) সম্পাদনা করেন। 
- এছাড়া তিনি এর ইংরেজি অনুবাদ Eastern Bengal Ballads (চার খণ্ড, ১৯২৩-১৯৩২) ও সংকলন ও সম্পাদনা করেন।
- সাহিত্য ও গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯২১ সালে ভারত সরকার তাকে ‘রায়বাহাদুর’ উপাধি প্রদান করে। 
-------------------------- 
'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' গ্রন্থ নিয়ে কিছু কথা-
- বঙ্গভাষা ও সাহিত্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম যথার্থ ইতিহাসগ্রন্থ।
- এটি রচনা করেছেন দীনেশচন্দ্র সেন।
- ১৮৯৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- বঙ্গভাষা ও বঙ্গলিপির উৎপত্তি, সংস্কৃত-প্রাকৃত ও বাংলার সম্পর্ক, প্রাচীন বাংলা সাহিত্য, মধ্যযুগের ধর্মগোষ্ঠী ও তাদের সঙ্গে সাহিত্যের যোগ ইত্যাদি বিষয়ের বিস্তারিত বিবরণ লিপিবদ্ধ আছে এই গ্রন্থে। 
------------------------
অন্যদিকে,

• ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড- 
- বাংলা ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ গ্রন্থ হলো ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড-এর লেখা 'A Grammar of the Bengali Language'। 
- এটি ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ। 
- এর প্রকাশনার জন্য হ্যালহেড ভারতে প্রথম বাংলা মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন করেন। 

• মানোয়েল দা আসুম্পসাঁও-
-  ১৭৪৩ সালে মানোয়েল দা আসুম্পসাঁও পর্তুগিজ ভাষায় একটি ব্যাকরণ প্রকাশ করেছিলেন;
- তবে সেটি পূর্ণাঙ্গ ছিল না, বরং একটি অভিধানের অংশ ছিল।

• রাজা রামমোহন রায়-
- রাজা রামমোহন রায় ১৮৩৩ সালে 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' নামে একটি বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশ করেন;
- যা ছিল তার লেখা ইংরেজি ব্যাকরণের বাংলা অনুবাদ এবং
- এটিই ছিল বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 
বাংলাপিডিয়া; 
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — মাহবুবুল আলম।

৩৬.
'জেলে ভাই মাছ ধরে মেঘের ছায়ায়' বাক্যটিতে 'মাছ' কোন কারকে কোন বিভক্তি?  
  1. কর্তা কারকে শূন্য
  2. কর্ম কারকে শূন্য
  3. অধিকরণ কারকে শূন্য
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কর্ম কারকে শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ম কারকে শূন্য
ব্যাখ্যা

- 'জেলে ভাই মাছ ধরে মেঘের ছায়ায়' বাক্যটিতে 'মাছ' শব্দটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি (০ বিভক্তি)। 
----------------------------
কর্মকারক-
- কর্মকারক বলতে বোঝায় সেই ব্যক্তি বা বস্তু, যার ওপর কর্তার করা কাজটি পড়ে।
- সহজভাবে বলা যায়, কর্তা যা করে—সেই কাজটি যাকে নিয়ে হয়, তাকেই কর্মকারক বলে।
- কর্মকারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়াকে ধরে “কী?” বা “কাকে?” প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্মকারক।

- যেমন—
- “রিমা ফুল তুলছে” বাক্যে প্রশ্ন করলে কী তুলছে? উত্তর আসে ফুল—তাই ‘ফুল’ হলো কর্মকারক।
- আবার “ডাক্তার রোগীকে পরীক্ষা করছেন” বাক্যে কাকে পরীক্ষা করছেন? প্রশ্নের উত্তরে রোগীকে আসে—এটিও কর্মকারক।

- অর্থাৎ, কর্তার কাজের প্রভাব যার ওপর পড়ে বা যে ব্যক্তি/বস্তু সেই কাজের ফল ভোগ করে, তাকেই কর্মকারক বলা হয়।
-------------------------------
"জেলে ভাই মাছ ধরে মেঘের ছায়ায়"—
- বিশ্লেষণ:
• মাছ: 
- 'মাছ' হচ্ছে- ক্রিয়ার কর্ম, কারণ জেলে (কর্তা) যা ধরে তা হলো মাছ।
- যেহেতু ‘মাছ’ শব্দটির সঙ্গে কোনো বিভক্তি চিহ্ন নেই, তাই এটিকে শূন্য বিভক্তি (প্রথমা বিভক্তি) হিসেবে ধরা হয়।

• জেলে:
- জেলে নিজেই মাছ ধরার কাজটি করে তাই জেলে কর্তা, অর্থাৎ কর্তৃকারক।
- এখানে কোনো বিভক্তি চিহ্ন নেই, তাই 'জেলে'- কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি (প্রথমা বিভক্তি)।

• মেঘের ছায়ায়:
- মেঘের ছায়ায় স্থান নির্দেশ করছে। 
- ‘ছায়ায়’ অংশটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি (‘-য়’ যুক্ত)।
- ‘ছায়ায়’ অংশটি ‘ধরে’ ক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত এবং কর্তা ‘জেলে’-এর সঙ্গে যুক্ত, তাই সরাসরি ক্রিয়ার সঙ্গে মিল রেখে অধিকরণ কারকের ভূমিকা পালন করছে।
---------------------------------
শূন্য বিভক্তি:
- যে বিভক্তি শব্দের সাথে যুক্ত হলেও কোনো চিহ্ন বা প্রত্যয় (যেমন -কে, -র, -এ) যোগ হয় না, কিন্তু বাক্যে স্পষ্ট ভূমিকা পালন করে তাকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়।
- সহজ কথায়, শব্দটি নিজেই কারক হিসেবে কাজ করছে, কিন্তু কোনো চিহ্ন নেই।
- উদাহরণ:
• "জেলে মাছ ধরে" - "জেলে'' কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি , কারণ কোনো চিহ্ন নেই, কিন্তু এটি কর্তার কাজ করছে।

• "ধোপাকে কাপড় দাও" - 'কাপড়' কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি, কারণ কোনো চিহ্ন নেই,
- এবং যদি প্রশ্ন করা হয় 'ধোপাকে কি দাও'- তাহলে উত্তর আসবে 'কাপড়'; 
- তাই 'কাপড়' কর্মকারক। 

উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ);
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

৩৭.
তালিকা বা সমতুল্য পদ আলাদা করতে কোন চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়?
  1. কোলন (:)
  2. কমা (,)
  3. সেমিকোলন (;) 
  4. ড্যাশ (—) 
সঠিক উত্তর:
কমা (,)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা (,)
ব্যাখ্যা

কমা বা পাদচ্ছেদ ( , )  ব্যবহার করা হয়: তালিকা বা সমতুল্য পদ আলাদা করতে।
----------------------
কমা (পাদচ্ছেদ):
-  কমা হলো বাক্যে স্বল্প বিরতি বা বিচ্ছেদ দেখানোর চিহ্ন। 
- কমা বাক্যের বিভিন্ন অংশকে আলাদা করে অর্থ স্পষ্ট রাখতে সাহায্য করে।
- এটিকে অর্ধচ্ছেদও বলা হয়।

- কমার বিরতি হলো ছোট—দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদের চেয়ে অনেক কম—যা কথার স্বাভাবিক গতির উপর নির্ভর করে এবং পাঠককে সামান্য থামার সুযোগ দেয়।
- ১ বলতে যে সময় লাগে তাই কমা'র বিরতিকাল।
- উদাহরণ: “আমি বাজারে গেলাম, কিন্তু কিছু কিনতে পারিনি।” এখানে ‘গেলাম’-এর পরে ছোট বিরতি বোঝানো হয়েছে।

- কমার প্রধান ব্যবহার:
তালিকা বা সিরিজ:
- একাধিক পদ বা শব্দের মধ্যে কমা ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: আমি বই, খাতা, কলম নিয়ে স্কুলে গেলাম।

• প্রধান ও অপ্রধান বাক্যাংশ আলাদা করা:
- মূল বাক্য থেকে অতিরিক্ত বা অপ্রাসঙ্গিক অংশ আলাদা করতে কমা ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: সে, যে গতকাল এসেছিল, আজ আবার গেল।

• সম্বোধন:
- কাউকে সম্বোধনের পর কমা ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: রহিম, এদিকে এসো।

• সংযোজক অব্যয় (যেমন: এবং, কিন্তু, অথবা):
- দুটি স্বাধীন বাক্য সংযুক্ত করতে কমা ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: সে পড়ছিল, কিন্তু আমি খেলছিলাম।

• বাক্যের সুস্পষ্টতা:
- অর্থ বিভ্রান্তি এড়াতে কমা ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: “খাও, মা” বনাম “খাওমা”—দুটি ভিন্ন অর্থ।

• তারিখ ও ঠিকানা:
- উদাহরণ: ৫, মে, ২০১৯; কলকাতা, ভারত।

• বড় সংখ্যা:
- হাজার, লক্ষ, কোটির স্থান নির্দেশ করতে কমা ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: ১৫,৩২,২১,৬৩৮

- নিয়ম: কমার আগে স্পেস থাকে না, কিন্তু পরে একটি স্পেস দিতে হয়।
---------------------------- 
অন্যদিকে,
• কোলন বা দৃষ্টান্তচ্ছেদ (:) - দৃষ্টান্ত বা ব্যাখ্যা শুরুতে ব্যবহৃত হয়।

• সেমিকোলন (;) মূলত দুটি ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত স্বতন্ত্র বাক্যকে যুক্ত করতে বা কমা যুক্ত জটিল তালিকা পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি কমার চেয়ে দীর্ঘ কিন্তু দাঁড়ির চেয়ে সংক্ষিপ্ত বিরতি নির্দেশ করে।
- উদাহরণ: “তিনি অনেক চেষ্টা করলেন; কিন্তু কাজটি শেষ করতে পারলেন না।”

• ড্যাশ (—) বাক্যে দীর্ঘ বিরতি, জোর দেওয়া, ব্যাখ্যা বা পরিসর দেখাতে ব্যবহার হয়। 
- এটি হাইফেন (-) থেকে দীর্ঘ।
- উদাহরণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সাহিত্যিক।
- এটি তালিকা, ডায়ালগ বা বাক্যের অংশ আলাদা করতে সাহায্য করে।
- হাইফেন মূলত দুটি শব্দকে যুক্ত করে, ড্যাশ বাক্যের অংশ আলাদা করে।

৩৮.
নজরুলের কোন গ্রন্থটি প্রথমবার সরকারিভাবে নিষিদ্ধ হয়েছিল?
  1. চন্দ্রবিন্দু
  2. বিষের বাঁশি
  3. যুগবাণী
  4. ভাঙার গান
সঠিক উত্তর:
যুগবাণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগবাণী
ব্যাখ্যা

কাজী নজরুল ইসলামের 'যুগবাণী' গ্রন্থটি প্রথমবার সরকারিভাবে নিষিদ্ধ হয়েছিল। 
-----------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলাম এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন একজন বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, দার্শনিক, এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া।
- বাংলা সাহিত্যে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত।
- তাঁর শক্তিশালী লেখনী এবং সুরেলা কণ্ঠের মাধ্যমে কবি বাঙালির মধ্যে স্বাধীনতা, প্রেম, সাম্য ও মানবতার চেতনাকে জাগিয়ে তুলেছেন।
- তাঁর রচনা ও গানগুলোতে বৈপ্লবিক মনোভাব, অসাম্প্রদায়িক চিন্তা এবং জীবনের গভীর দর্শন স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

• কাজী নজরুল ইসলামের নিষিদ্ধ গ্রন্থ ৫টি:
- যুগবাণী: প্রবন্ধ গ্রন্থ, নিষিদ্ধ হয় ২৩ নভেম্বর, ১৯২২, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ১৯৪৭।
- বিষের বাঁশী: কবিতাগ্রন্থ, নিষিদ্ধ ২২ অক্টোবর, ১৯২৪, নিষেধাজ্ঞাপা প্রত্যাহার ২৭ এপ্রিল, ১৯৪৫।
- ভাঙার গান: কবিতাগ্রন্থ, নিষিদ্ধ ১১ অক্টোবর, ১৯২৪।
- প্রলয় শিখা: কবিতাগ্রন্থ, নিষিদ্ধ, ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩০।
- চন্দ্রবিন্দু: গানের সংকলন, নিষিদ্ধ ১৪ অক্টোবর, ১৯৩১।

• নজরুলের প্রথম প্রবন্ধ ছিল- যুগবাণী। 
• এবং প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ- তুর্কমহিলার ঘোমটা খলা।

• নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো —
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- চক্রবাক,
- প্রলয় শিখা,
- দোলনচাঁপা,
- ও ভাঙার গান।

উৎস: 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 
বাংলাপিডিয়া। 

৩৯.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. মনঃকষ্ট
  2. নিরীক্ষণ
  3. নীর্নিমেষ
  4. তেজস্ক্রিয়তা
সঠিক উত্তর:
নীর্নিমেষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীর্নিমেষ
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ ও অশুদ্ধ বানান: 

অশুদ্ধ বানান: নীর্নিমেষ; 
- শুদ্ধ রূপ: নির্নিমেষ; 
- শ্রেণি: বিশেষণ; 
- উৎপত্তি: সংস্কৃত; 
- অর্থ: নিমেষহীন, অপলক। 
-------------------------
অন্যদিকে:
• শুদ্ধ বানান: মনঃকষ্ট;
- পদ: বিশেষ্য;
- উৎপত্তি: সংস্কৃত;
- অর্থ: মনের দুঃখ বা মনোবেদনা; মানুষের অন্তর্গত মানসিক যন্ত্রণাকে বোঝায়। 

• শুদ্ধ বানান: নিরীক্ষণ;
- শ্রেণি: বিশেষ্য;
- উৎপত্তি: সংস্কৃত;
- অর্থ: যত্নসহকারে অবলোকন, গভীর পর্যবেক্ষণ। 

• শুদ্ধ বানান: তেজস্ক্রিয়তা;
- শ্রেণি: বিশেষ্য;
- উৎপত্তি: সংস্কৃত;
- অর্থ: নিউক্লিয়াস বিভাজনের ফলে পরমাণুকেন্দ্র থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আলফা, বিটা বা গামা রশ্মির বিকিরণ। 

• শুদ্ধ বানান: মনঃকষ্ট।
• মনঃকষ্ট একটি বিশেষ্য পদ, যা সংস্কৃত শব্দ থেকে উদ্ভূত। 
- এর গঠন: মনস্‌ + √কষ্‌ + ত।
-অর্থ হলো মনের দুঃখ বা মনোবেদনা, এটি মানুষের অন্তর্গত মানসিক যন্ত্রণাকে বোঝায়।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৪০.
সমার্থক শব্দগুচ্ছ সনাক্ত করুন—  
  1. পাবক, দহন, বাহ
  2. তমিস্র, নভাক, বামী
  3. অংশু, কর, বড়বা
  4. হয়, বাজী, মরুদ্রথ
সঠিক উত্তর:
হয়, বাজী, মরুদ্রথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হয়, বাজী, মরুদ্রথ
ব্যাখ্যা

সমার্থক শব্দগুচ্ছ — হয়, বাজী, মরুদ্রথ।
- এগুলো ঘোড়ার সমার্থক শব্দ।

- ঘোড়ার সমার্থক শব্দগুলো হলো-  
- অশ্ব, তুরগ, তুরঙ্গম, ঘোটক, হয়, বাজী, এবং ঘোটকী, বাহ, মরুদ্রথ, বামী, সৈন্ধব, বাহনশ্রেষ্ঠ, হ্রেষী, বড়বা, টাঙ্গন ইত্যাদি। 
--------------------------
অন্যদিকে, 

• অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: পাবক, দহন।
• অন্ধকার শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: তমিস্র, নভাক।
• আলো শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: অংশু, কর। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৪১.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য-  
  1. প্রকৃতির প্রতিশোধ 
  2. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  3. রাজা ও রানী
  4. নূরলদীনের সারাজীবন
সঠিক উত্তর:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা

• "পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়”- কাব্যনাট্যটির পটভূমি- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। 
--------------------------------------------------------
• সৈয়দ শামসুল হক:
- সৈয়দ শামসুল হক ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রতিভাবান কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও ছোটগল্পকার।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে তার বহুমুখী অবদানের জন্য তাঁকে ‘সব্যসাচী লেখক’ হিসেবে সম্মানিত করা হয়।

• সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক),
- নূরলদীনের সারাজীবন,
- এখানে এখন।
--------------------
• ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নিয়ে কিছু কথা-
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’  সৈয়দ শামসুল হকের রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধনির্ভর কাব্যনাট্য।
- নাটকটি ১৯৭৫ সালে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেডে রচনা করা হয়।
- পরের বছর ১৯৭৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- এটি বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির চেতনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এক অনুপ্রেরণামূলক নাট্যকর্ম।
- নাটকের পটভূমিতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের শত্রুমুক্তির সন্ধিক্ষণে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে।
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ শিরোনামটি প্রতীকীভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের আসন্ন আগমন ও বিজয়ের বার্তাবাহী পদচারণাকেই নির্দেশ করে।
------------------------- 
অন্যদিকে, 
• 'প্রকৃতির প্রতিশোধ' ও 'রাজা ও রানী'-  রবীন্দ্রনাথের গুরুত্বপূর্ণ কাব্যনাট্য। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৪২.
বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বাঞ্জনবর্ণ কয়টি? 
  1. ২২টি 
  2. ২৬টি 
  3. ২৭টি 
  4. ৩২টি 
সঠিক উত্তর:
২৬টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি 
ব্যাখ্যা

• বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বাঞ্জনবর্ণ- ২৬টি। 
---------------------------- 
• বর্ণ:
- বর্ণ হচ্ছে- ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক।
- ভাষায় ভাব প্রকাশের জন্য উচ্চারিত ধ্বনিকে লেখায় রূপ দেওয়ার যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে বর্ণ বলা হয়।
- অর্থাৎ ধ্বনি কানে শোনা যায় কিন্তু সেই ধ্বনির প্রতীক বর্ণ চোখে দেখা যায় এবং তা লিখে প্রকাশ করা হয়।
- ভাষার নির্মাণে বর্ণ মূল ভিত্তি, কারণ শব্দ গঠনের সবচেয়ে ছোট একক হলো বর্ণ।
- বাংলায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে—এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।

- বাংলা বর্ণমালায় ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ রয়েছে:
• স্বরবর্ণ: এ, ঐ, ও, ঔ;
• ব্যঞ্জনবর্ণ: ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ।

- আবার অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি:
• যার মধ্যে ১টি স্বরবর্ণ (ঋ) এবং
• ৭টি ব্যঞ্জনবর্ণ (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।

- বাকি ৩২টি বর্ণ পূর্ণমাত্রার - যেখানে ৬টি স্বরবর্ণ এবং ২৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ

উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১);
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ। 

৪৩.
“তোমরা নিজেরা নিজেরা সমস্যাটি মিটিয়ে ফেল।”- 
বাক্যটিতে  “নিজেরা নিজেরা” কোন ধরনের সর্বনাম পদ নির্দেশ করছে? 
  1. সকলবাচক সর্বনাম
  2. পারস্পারিক সর্বনাম
  3. ব্যতিহারিক সর্বনাম
  4. খ + গ 
সঠিক উত্তর:
খ + গ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ + গ 
ব্যাখ্যা

• “তোমরা নিজেরা নিজেরা সমস্যাটি মিটিয়ে ফেল।”—
এখানে “নিজেরা নিজেরা” হলো ব্যতিহারিক বা পারস্পারিক সর্বনাম এর উদাহরণ। 
- ব্যতিহারিক সর্বনাম পারস্পরিকতা বা একাধিক পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
-------------------------------- 
ব্যতিহারিক বা পারস্পারিক সর্বনাম:
- ব্যতিহারিক সর্বনাম হলো সেইসব সর্বনাম, যা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বা পারস্পরিক ক্রিয়া প্রকাশ করে। 
- অর্থাৎ, এই সর্বনামগুলো ব্যবহার করা হয় তখন, যখন একাধিক ব্যক্তি বা বস্তু একে অপরের প্রতি কোনো কাজ করে বা পারস্পরিক ক্রিয়া সম্পন্ন করে।
- এগুলো সাধারণত একই শব্দের পুনরাবৃত্তি বা সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- যেমন: আপনা-আপনি, নিজে-নিজে, আপসে, পরস্পর। 

- উদাহরণস্বরূপ,
- "পরস্পর না মিলতে পারলে বন্ধুত্ব গড়বে কী করে"? 
- “তারা আপনা-আপনিই সব কাজ করেছে”,
- “তারা পরস্পরকে সাহায্য করে”,
- “শিক্ষার্থীরা নিজে-নিজে খেলা করছে”- এই বাক্যগুলোতে দেখা যায়, কাজটি কেবল একমুখী নয়, বরং পক্ষগুলোর মধ্যে আবর্তিত হয়েছে।
------------------------ 
অন্যদিকে,
সকলবাচক সর্বনাম: 
- সকলবাচক সর্বনাম হচ্ছে বাক্তি, বস্তু বা ভাবের সমষ্টি। 
- যেমন- 
- সবাই গেছে বনে। 
- সকলেই খাবার খেয়েছেন। 
- সকলেই ত্রাণসামগ্রী পেয়েছেন। 
- সবাই সমুদ্রে ঘুরতে যেতে চাচ্ছে। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ। 

৪৪.
নিচের কোনটি সমাসের মূল উদ্দেশ্য নির্দেশ করে?
  1. বাক্যের অর্থ পরিবর্তন করা
  2. বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করা
  3. বাক্যের ছন্দ রক্ষা করা
  4. ধ্বনি বা বর্ণের মিলন ঘটানো 
সঠিক উত্তর:
বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করা
ব্যাখ্যা

সমাস:
- শব্দ গঠনের অন্যতম উপায় সমাস।
- বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে সমাসের সৃষ্টি।
- সমাসের অর্থ—সংক্ষেপণ, মিলন, একপদীকরণ।

- সমাস শব্দটি ‘সম’ (একত্র, মিলিত) + ‘আস’ (যোগ করা, সংযুক্ত হওয়া) থেকে উদ্ভূত।
- সমাস হলো দুই বা ততোধিক পদ একত্রিত হয়ে একটি নতুন, সংক্ষিপ্ত ও একপদী পদ গঠন করার প্রক্রিয়া।
- সমাস পদের মিলন ঘটায় আর সন্ধি ধ্বনি বা বর্ণের মিলন ঘটায়। 
- এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়, যা ভাষাকে সংক্ষিপ্ত ও সুশৃঙ্খল করে।
- যেমন, সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন। 

- সমাসের জ্ঞান/ অংশ/ প্রতীতি (উপাদান) সাধারণত পাঁচ ধরনের:
- সমস্যমান পদ, পূর্বপদ, পরপদ (উত্তরপদ), সমস্ত পদ এবং ব্যাসবাক্য।
- এই উপাদানগুলো একত্রিত হয়ে একটি সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করে, যা ভাষার সংক্ষিপ্ততা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

• সমস্যমান পদ:
- সমাস গঠনের জন্য যে পদগুলো ব্যবহার হয়, যেমন রাজা এবং পুত্র ('রাজপুত্র' সমাসে)।

• পূর্বপদ:
- সমাসের প্রথম অংশ বা প্রথম সমস্যমান পদ, যেমন রাজ ('রাজপুত্র' এ)।

• পরপদ / উত্তরপদ:
- সমাসের দ্বিতীয় বা শেষ অংশ, যেমন পুত্র ('রাজপুত্র' এ)।

• সমস্ত পদ:
- সমাস সম্পূর্ণ হওয়ার পর গঠিত পদ, যেমন রাজপুত্র।

• ব্যাসবাক্য:
- সমস্যমান পদগুলোর সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত বাক্যাংশ, যেমন রাজার পুত্র।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ। 

৪৫.
‘বয়োজ্যেষ্ঠ’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?  
  1. বয়জঃ + ওষ্ঠ
  2. বয় + জ্যেষ্ঠ 
  3. বয়োঃ + জ্যেষ্ঠ
  4. বয়ঃ + জ্যেষ্ঠ 
সঠিক উত্তর:
বয়ঃ + জ্যেষ্ঠ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বয়ঃ + জ্যেষ্ঠ 
ব্যাখ্যা

‘বয়োজ্যেষ্ঠ’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ- বয়ঃ + জ্যেষ্ঠ। 
------------------------------
• নিয়ম / সূত্র:
- যখন কোনো শব্দের পূর্বপদের শেষে “অঃ (অস্‌)” থাকে এবং পরের শব্দের শুরুতে যদি বর্গের ৩য়, ৪র্থ বা ৫ম বর্ণ (যেমন— গ/ঘ, জ/ঝ, ড/ঢ, দ/ধ, ব/ভ), অথবা অন্তঃস্থ বর্ণ (য, র, ল) কিংবা হ থাকে, তখন সন্ধির সময় পূর্বপদের “অঃ” পরিবর্তিত হয়ে “ও” ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়; 
- এবং সেই “ও” সরাসরি পরবর্তী বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।
- অর্থাৎ “অঃ” আর আলাদা থাকে না, তার জায়গায় “ও” এসে শব্দকে সংক্ষিপ্ত ও মসৃণ করে তোলে।

• সূত্রের ব্যাখ্যা- 
- অঃ + জ = ও + জ।

• এই নিয়ম অনুযায়ী আমরা দেখি—
- বয়ঃ + জ্যেষ্ঠ  → ‘বয়োজ্যেষ্ঠ’, এই শব্দে “অঃ” → “ও” হয়ে পরবর্তী ধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

• সন্ধিযুক্ত শব্দগঠন:
- বয়ঃ + জ্যেষ্ঠ = বয়োজ্যেষ্ঠ,
- সদঃ + জাত = সদোজাত। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ। 

৪৬.
‘উদ্ভাসিত' শব্দের বিপরীত অর্থ কোনটি?
  1. অন্ধকারময়
  2. ম্রিয়মান
  3. নিভৃত
  4. স্থির
সঠিক উত্তর:
ম্রিয়মান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্রিয়মান
ব্যাখ্যা

• উদ্ভাসিত’ এর বিপরীত অর্থ হলো- ম্রিয়মাণ। 
-------------------------------
• বিপরীত শব্দ বা বিপরীতার্থক শব্দ:
- যে শব্দের বা একটি শব্দের সম্পূর্ন বিপরীত অর্থ প্রকাশ পেলে তাকে বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ বলে।

- উদ্ভাসিত মানে—প্রকাশিত বা উজ্জ্বলভাবে আলো বা দীপ্তি প্রকাশ করা।
- আর ম্রিয়মাণ শব্দের অর্থ হলো—মৃতপ্রায়, অবসন্ন, নিভুনিভু, বা ধীরে ধীরে শেষ হওয়া অবস্থা। 
- উদ্ভাসিত = ম্রিয়মান। 
------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
অনুসন্ধান — উপেক্ষা,
 কৃপণ — বদান্য,
 বিলুপ্ত — সংরক্ষিত / উদ্বৃত্ত,
 বীর — ভীরু,
 সংশয় — প্রত্যয়,
 সরু — মোটা,
 উর্বর — ঊষর / অনুর্বর,
 বিরত — উদ্যত / রত / নিরত,
 যুদ্ধ — শান্তি,
 আবাহন — বিসর্জন,
 কৃত্রিম — অকৃত্রিম / স্বাভাবিক,
 আকস্মিক — চিরন্তন,
 চঞ্চল — স্থির / নিশ্চল / অবিচল,
 অলস — পরিশ্রমী,
 ক্ষীয়মান — বর্ধমান,
 সৌম্য — উগ্র / করাল,
 কৃশ — স্থূল,
 পরাস্ত — জয়ী,
 কপট — সরল / অকপট,
 অসীম — সসীম,
 মায়া — নির্মমতা,
 অনুরাগ — বিরাগ,
 বিষাদ — আনন্দ / হর্ষ,
 ভূত — ভবিষ্যৎ,
 প্রাচীন — নবীন / নব্য / অর্বাচীন,
 বিনীত — উদ্ধত / দুর্বিনীত,
 ধ্বনি — প্রতিধ্বনি,
 অনুগ্রহ — নিগ্রহ,
 সরল — কুটিল / জটিল / গরল,
 অমৃত — গরল,
 আবির্ভাব — তিরোভাব,
 জঙ্গম — স্থাবর,
 নশ্বর — অবিনশ্বর,
 সুন্দর — কুৎসিত,
 আপদ — সম্পদ,
 আকাশ — পাতাল,
 নির্মল — পঙ্কিল / মলিন,
 প্রসারণ — সংকোচন,
 প্রসন্ন — বিষণ্ণ,

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪৭.
"ভুলোক দুলোক গোলোক ছাড়িয়া।" - পঙক্তিটি  কোন অলঙ্কার দ্বারা গঠিত?
  1. গুচ্ছানুপ্রাস
  2. অন্ত্যানুপ্রাস
  3. ছেকানুপ্রাস
  4. সরল অনুপ্রাস 
সঠিক উত্তর:
গুচ্ছানুপ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুচ্ছানুপ্রাস
ব্যাখ্যা

"ভুলোক দুলোক গোলোক ছাড়িয়া।" - পঙক্তিটি  গুচ্ছানুপ্রাস অলঙ্কার দ্বারা গঠিত। 
-----------------------------------------
• অলঙ্কার:
- কাব্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য যা দ্বারা কাব্যকে সাজানো হয়, তাই অলঙ্কার।
- অলঙ্কারকে ধ্বনি ও অর্থগতভাবে ২ভাবে ভাগ করা যায়:
• শব্দালঙ্কার;
• অর্থালঙ্কার। 

• শব্দালঙ্কারকে আবার ৪ভাবে ভাগ করা যায়:
- অনুপ্রাস;
- যমক;
- শ্লেষ;
- বক্রোক্তি। 
----------------------------------
অনুপ্রাস:
- একই রকম বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বারবার ব্যবহৃত হয়ে যে শব্দসাম্য সৃষ্টি করে তাকে অনুপ্রাস বলে।
- অনুপ্রাস অলংকার সাধারণত বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধ্বনিগত অলংকার, যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো একটি নির্দিষ্ট ব্যঞ্জনবর্ণ বা বর্ণগুচ্ছের বারবার পুনরাবৃত্তি, যা কবিতার বা গদ্যের শ্রুতিমাধুর্য এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- যেমন:
- চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা" - এখানে 'অন্ধকার' এবং 'নিশা' শব্দ দুটির মধ্যে একই ধরনের ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছের ('ন' ধ্বনি) পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে শব্দের মধ্যে এক ধরনের মাধুর্য সৃষ্টি হয়েছে, যা অনুপ্রাস অলংকারের বৈশিষ্ট্য।

• প্রয়োগের ধরন অনুযায়ী অনুপ্রাস বিভিন্ন প্রকারের হয়, যেমন: গুচ্ছানুপ্রাস। 

গুচ্ছানুপ্রাস:
- ব্যঞ্জনবর্ণের গুচ্ছ বা একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণ একই ক্রমে অনুক্রমবার ধ্বনিত হলে।
- যেমন :
 ক. ভুলোক দুলোক গোলোক ছাড়িয়া।
 খ. না মানে শাসন ব্যসন অশন আসন যত।
------------------------------------ 
• অনুপ্রাসের কিছু প্রকারভেদ- 

অন্ত্যানুপ্রাস: 
- কবিতার এক চরণের শেষে যে শব্দ ধ্বনি থাকে অন্য চরণের শেষে তার পুনরাবৃত্তি হলে।
- যেমন :
ক. সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
খ. সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি।

ছেকানুপ্রাস:
- দুই বা ততোধিক ব্যঞ্জনধ্বনি সংযুক্ত বা বিযুক্ত অবস্থায় ক্রমানুসারে দুবার আবৃত্ত হলে।
- যেমন :
ক. ওরে বিজয় ওরে বিজয় মোর।
খ. এখনি অমন বন্ধ করো না পাখা।

 • সরল অনুপ্রাস: 
- একটি বা দুটি বর্ণ একাধিকবার ধ্বনিত হলে সরল অনুপ্রাস।
- যেমন :
ক. কানে কুসুম কলি সকলি ফুটিল।
খ. কেতকী কেশরে কেশপাশ কর সুরভি।

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

৪৮.
‘কবিতার কথা’ জীবনানন্দ দাশ রচিত কী ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. উপন্যাস
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. প্রবন্ধ
  4. কবিতার সংকলন 
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা

‘কবিতার কথা’ জীবনানন্দ দাশ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ। 
-------------------------
• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক।
- জীবনানন্দ দাশের জন্ম ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ এবং মা কুসুমকুমারী দাশ দুজনেই সাহিত্যচর্চার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
- তাঁকে বলা হয় ‘রূপসী বাংলার কবি’, কারণ তাঁর কাব্যে বাংলার প্রকৃতি, মাটি, মানুষ ও স্মৃতিমগ্ন সৌন্দর্য গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
- ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

• তার রচিত বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো:
- কল্লাণী,
- মাল্যবান,
- বিভা,
- সুতীর্থ ,
- চারজন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ- কবিতার কথা।

• তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:
- ‘সাতটি তারার তিমির’,
- ‘বনলতা সেন’,
- ‘রূপসী বাংলা’,
- ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি',
- ‘ঝরাপালক’,
- বেলা অবেলা কালবেলা,
- রূপসী বাংলা।
------------------------ 
কবিতার কথা’ প্রবন্ধ সম্পর্কিত কিছু কথা:
- জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধ সংকলন ‘কবিতার কথা’ ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
- এটি জীবনানন্দের মৃত্যুর পর প্রকাশিত প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ
- প্রবন্ধটি কবিতা, কবির স্বরূপ, ভাষা, উপমা ও চিত্রকল্প এবং জীবনের সঙ্গে কবিতার সম্পর্ক নিয়ে লেখা।
- তিনি তাঁর নিজস্ব কাব্য-দর্শন এখানে তুলে ধরেছেন।
- প্রবন্ধে বলা হয়েছে যে সকলেই কবি নন, কবিকে অবশ্যই তাঁর 'সারবত্তা'-র প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হয়।
- এই প্রবন্ধের বিখ্যাত উক্তি- 'সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি।' 
 
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৪৯.
কোন ধাতুর সঙ্গে ক্রিয়া-বিশেষণ যুক্ত হয়ে সংযোগমূলক ধাতু তৈরি হয়?
  1. কর
  2. দে
  3. খা 
  4. হ 
সঠিক উত্তর:
কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর
ব্যাখ্যা

'কর' ধাতুর সঙ্গে ক্রিয়া-বিশেষণ যুক্ত হয়ে সংযোগমূলক ধাতু তৈরি হয়। 
----------------------------
• সংযোগমূলক ধাতু:
- বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বনাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর, দে, পা, খা, ছাড়, ধর ইত্যাদি মৌলিক ধাতু যুক্ত হয়ে যে নতুন ধাতু গঠিত হয়, তা সংযোগমূলক ধাতু।
- উদাহরণ বাক্য: তিনের সঙ্গে পাঁচ যোগ কর।
- সংযোগমূলক ধাতু সকর্মক ও অকর্মক দুই-ই হতে পারে।
---------------------------------
• কর-ধাতু যোগে ক্রিয়া-বিশেষণের সঙ্গে তৈরি সংযোগমূলক ধাতু:
- ক্রিয়া-বিশেষণ হল এমন শব্দ যা ক্রিয়ার গুণ, অবস্থার বা মাত্রার তথ্য দেয়।
- যেমন— দ্রুত, আস্তে, সুন্দরভাবে, সাবধানে।
- যখন এই ক্রিয়া-বিশেষণের সঙ্গে কর ধাতু যুক্ত হয়, তখন নতুন একটি ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।
- অর্থাৎ, ক্রিয়া-বিশেষণ + কর = সংযোগমূলক ধাতুযুক্ত ক্রিয়াপদ।

• প্রকৃত উদাহরণ:
- দ্রুত কর → “তুমি দ্রুত কর।”
- আস্তে কর → “বাবা, আস্তে কর।”
- সাবধানে কর → “সাবধানে কর, যাতে কিছু না ভাঙে।”
- ধীরে কর → “ধীরে কর, যেন ভুল না হয়।”
------------------------- 
অন্যদিকে,
• 'দে'-ধাতু যোগে সংযোগমূলক ধাতু:
- উত্তর দে, টাকা দে, দাগা দে, জবাব দে, কান দে, দৃষ্টি দে। 

• খা-ধাতু যোগে সংযোগমূলক ধাতু: 
- মার খা, হিমশিম খা, সুদ খা, ঘুষ খা।

• 'হ'-ধাতু যোগে সংযোগমূলক ধাতু: 
- বড় হ, ছোট হ, ভালো হ, রাজি হ, সুখী হ 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ। 

৫০.
SUCCESS শব্দটির বর্ণগুলো কত প্রকারে সাজানো যায়, যাতে S তিনটি পাশাপাশি না থাকে?
  1. 420 প্রকারে
  2. 360 প্রকারে
  3. 540 প্রকারে
  4. 720 প্রকারে
সঠিক উত্তর:
360 প্রকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
360 প্রকারে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: SUCCESS শব্দটির বর্ণগুলো কত প্রকারে সাজানো যায়, যাতে S তিনটি পাশাপাশি না থাকে?

সমাধান:
এখানে মোট বর্ণ 7টি; S 3টি, C 2টি।
সুতরাং মোট বিন্যাস = 7!/(3! × 2!) = 420.

S তিনটিকে একত্রে একটি বর্ণ ধরে নিলে মোট বর্ণ হয় 5টি, যেখানে C দুটি।
তাহলে S তিনটি পাশাপাশি রেখে মোট বিন্যাস = 5!/2! = 60.

∴ SUCCESS শব্দটির বর্ণগুলো সাজানো যায়, যখন S তিনটি পাশাপাশি থাকবে না
= 420 - 60 = 360 প্রকারে।

৫১.
18 জন লোক একটি কাজ 20 দিনে করতে পারে। একই হারে কাজ করলে 30 জনে কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
  1. 8 দিনে
  2. 9 দিনে
  3. 6 দিনে
  4. 12 দিনে
সঠিক উত্তর:
12 দিনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 দিনে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 18 জন লোক একটি কাজ 20 দিনে করতে পারে। একই হারে কাজ করলে 30 জনে কাজটি কত দিনে করতে পারবে?

সমাধান:
18 জন লোক কাজটি করে 20 দিনে।
∴ 1 জন লোক কাজটি করে = 18 × 20 = 360 দিনে।
∴ 30 জন লোক কাজটি করে = 360 ÷ 30 = 12 দিনে।

অতএব, 30 জনে কাজটি করতে পারবে 12 দিনে

৫২.
নিচের কোনটি অমূলদ সংখ্যা?
  1. 0.25
  2. √36
  3. √50
  4. (√81)/9
সঠিক উত্তর:
√50
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√50
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি অমূলদ সংখ্যা?
0.25, √36, √50, (√81)/9.

সমাধান:
মূলদ সংখ্যা: যে সকল সংখ্যা p/q​ আকারে লেখা যায়, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0 সেগুলোকে মূলদ সংখ্যা বলে।
উদাহরণ: 1/2, 3, 0.25, √36, (√81)/9.

অমূলদ সংখ্যা: যে সকল সংখ্যা p/q আকারে লেখা যায় না এবং যাদের দশমিকের পর অসীম সংখ্যক অঙ্ক থাকে এবং কোনো অঙ্ক বা অঙ্কসমষ্টির পুনরাবৃত্তি ঘটে না সেগুলোকে অমূলদ সংখ্যা বলে।
উদাহরণ: √2, √3, √50, π.

এখানে,
0.25 = 25/100 = 1/4, যা একটি ভগ্নাংশ সংখ্যা।
√36 = √(62) = 6, যা একটি স্বাভাবিক সংখ্যা।
√50 = √(25 × 2) = √25 × √2 = 5√2, যা ভগ্নাংশ আকারে লেখা যায় না।
এবং,
(√81)/9 = √(92)/9 = 9/9 = 1, যা একটি স্বাভাবিক সংখ্যা।

∴ 0.25, √36, (√81)/9 মূলদ সংখ্যা এবং √50 অমূলদ সংখ্যা।

৫৩.
150 টাকায় 25টি চকলেট ক্রয় করে 135 টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত ক্ষতি হবে?
  1. 10%
  2. 15%
  3. 20%
  4. 25%
সঠিক উত্তর:
10%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 150 টাকায় 25টি চকলেট ক্রয় করে 135 টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত ক্ষতি হবে?

সমাধান:
এখানে,
25টি চকলেটের ক্রয়মূল্য 150 টাকা
25টি চকলেটের বিক্রয়মূল্য 135 টাকা।

ক্রয়মূল্যের চেয়ে বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় ক্ষতি হয়েছে।

∴ ক্ষতি = ক্রয়মূল্য − বিক্রয়মূল্য
= 150 টাকা − 135 টাকা
= 15 টাকা।

∴ 150 টাকায় ক্ষতি হয় 15 টাকা।
1 টাকায় ক্ষতি হয় = 15/150 টাকা।
∴ 100 টাকায় ক্ষতি হয় = (15 × 100)/150 টাকা
= 10 টাকা।

অতএব, ক্ষতি = 10%.

৫৪.
75 মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেনের গতিবেগ ঘণ্টায় 54 কিমি। রেললাইনের পাশে একটি খুঁটিকে অতিক্রম করতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে?
  1. 3 সেকেন্ড
  2. 5 সেকেন্ড
  3. 7 সেকেন্ড
  4. 9 সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
5 সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5 সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 75 মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেনের গতিবেগ ঘণ্টায় 54 কিমি। রেললাইনের পাশে একটি খুঁটিকে অতিক্রম করতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে?

সমাধান:
খুঁটিটি অতিক্রম করতে ট্রেনটিকে নিজের দৈর্ঘ্যের সমান দূরত্ব অতিক্রম করতে হবে।

54 কিমি = 54 × 1000 মিটার = 54000 মিটার।
ট্রেনটি 54000 মি. অতিক্রম করে 1 ঘণ্টায়।

∴ ট্রেনটি 1 মি. অতিক্রম করে = 1/54000 ঘণ্টায়।

∴ ট্রেনটি 75 মি. অতিক্রম করে = (1×75)/54000 ঘণ্টায়
= (1 × 75 × 60 × 60/54000) সেকেন্ডে
= 5 সেকেন্ড।

অতএব, ট্রেনটি 5 সেকেন্ডে খুঁটিটি অতিক্রম করে।

৫৫.
পাড়সহ একটি পুকুরের দৈর্ঘ্য ৯০ মিটার ও প্রস্থ ৬০ মিটার। যদি পুকুরের প্রত্যেক পাড়ের বিস্তার ৭ মিটার হয়, তবে পুকুরপাড়ের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১৮০৪ বর্গমিটার
  2. ১৮৮২ বর্গমিটার
  3. ১৯০৪ বর্গমিটার
  4. ১৯৮২ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
১৯০৪ বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৪ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পাড়সহ একটি পুকুরের দৈর্ঘ্য ৯০ মিটার ও প্রস্থ ৬০ মিটার। যদি পুকুরের প্রত্যেক পাড়ের বিস্তার ৭ মিটার হয়, তবে পুকুরপাড়ের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
পাড়সহ পুকুরের ক্ষেত্রফল
= (৯০ × ৬০) বর্গমিটার
= ৫৪০০ বর্গমিটার।

পাড় বাদে পুকুরের দৈর্ঘ্য
= {৯০ − (৭ × ২)} মিটার
= ৭৬ মিটার।

পাড় বাদে পুকুরের প্রস্থ
= {৬০ − (৭ × ২)} মিটার
= ৪৬ মিটার।

∴ পাড় বাদে পুকুরের ক্ষেত্রফল
= (৭৬ × ৪৬) বর্গমিটার
= ৩৪৯৬ বর্গমিটার।

∴ পুকুরপাড়ের ক্ষেত্রফল
= (৫৪০০ − ৩৪৯৬) বর্গমিটার
= ১৯০৪ বর্গমিটার।

৫৬.
যদি a - 1/a = 5 হয়, তবে a2 + 1/a2 এর মান কত?
  1. 23
  2. 25
  3. 27
  4. 30
সঠিক উত্তর:
27
উত্তর
সঠিক উত্তর:
27
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি a - 1/a = 5 হয়, তবে a2 + 1/a2 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a - 1/a = 5

এখানে,
a2 + 1/a2 = (a − 1/a)2 + 2 × a × (1/a)  [∵ a2 + b2 = (a − b)2 + 2ab]
= (5)2 + 2
= 25 + 2
= 27

a2 + 1/a2 = 27

৫৭.
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    ৫৮.
    মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল ক্রিয়া করে তাকে কী বলে?
    1. তড়িৎ বল
    2. চৌম্বক বল
    3. মহাকর্ষ বল
    4. ঘর্ষণ বল
    সঠিক উত্তর:
    মহাকর্ষ বল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মহাকর্ষ বল
    ব্যাখ্যা

    • মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল ক্রিয়া করে, তাকে মহাকর্ষ বল বলা হয়।

    • মহাকর্ষের ধারণা:
    - মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু অন্য সব বস্তুকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে।
    - এই সার্বজনীন আকর্ষণ বলই মহাকর্ষ বল নামে পরিচিত।
    - মহাকর্ষ বল সর্বদা আকর্ষণমূলক এবং সব বস্তুর মধ্যে ক্রিয়াশীল।

    • মহাকর্ষ বলের বৈশিষ্ট্য:
    - বলের মান বস্তুর ভরের গুণফলের সমানুপাতিক।
    - বলের মান বস্তুর মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।
    - বলটি বস্তুর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে কার্যকর হয়।

    • পৃথিবী ও মহাকর্ষের সম্পর্ক:
    - পৃথিবী অন্যান্য বস্তুকে আকর্ষণ করে যে বল দ্বারা, সেটি অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বল হিসেবে পরিচিত—এটি মহাকর্ষ বলেরই একটি বিশেষ রূপ।

    • অন্যান্য অপশনসমূহ:
    - তড়িৎ বল: বৈদ্যুতিক আধানযুক্ত বস্তুর মধ্যে ক্রিয়াশীল।
    - চৌম্বক বল: চুম্বক বা চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে সৃষ্টি হয়।
    - ঘর্ষণ বল: সংস্পর্শে থাকা পৃষ্ঠের মধ্যে ক্রিয়াশীল।

    উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

    ৫৯.
    একটি ত্রিভুজের দুটি বাহু যথাক্রমে 7 সে.মি. এবং 5 সে.মি.। ত্রিভুজটির অপর বাহুটি নিচের কোনটি হতে পারে?
    1. 2 সে.মি.
    2. 3 সে.মি.
    3. 12 সে.মি.
    4. 13 সে.মি.
    সঠিক উত্তর:
    3 সে.মি.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    3 সে.মি.
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের দুটি বাহু যথাক্রমে 7 সে.মি. এবং 5 সে.মি.। ত্রিভুজটির অপর বাহুটি নিচের কোনটি হতে পারে?

    সমাধান:
    ত্রিভুজের যেকোনো এক বাহু অপর দুই বাহুর যোগফলের চেয়ে ছোট এবং বিয়োগফলের চেয়ে বড় হবে।
    এখানে অপর বাহু (x) হলে,
    শর্তটি হবে,
    7 - 5 < x < 7 + 5
    অথবা, 2 < x < 12

    এখন প্রতিটি অপশন যাচাই করি—

    ক) x = 2 হলে,
    x > 2 শর্ত পূরণ করে না।
    অতএব, এটি হতে পারে না।

    খ) x = 3 হলে,
    2 < 3 < 12 — শর্ত পূরণ করে।
    অতএব, এটি হতে পারে।

    গ) x = 12 হলে,
    x < 12 শর্ত পূরণ করে না।
    অতএব, এটি হতে পারে না।

    ঘ) x = 13 হলে,
    x < 12 শর্ত পূরণ করে না।
    অতএব, এটি হতে পারে না।

    ∴ সঠিক উত্তর খ) 3 সে.মি.

    ৬০.
    রান্নার কাজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য কোনটি বেশি কার্যকর?
    1. খোলা পাত্রে রান্না
    2. বৈদ্যুতিক হিটার ব্যবহার
    3. দীর্ঘ সময় রান্না করা
    4. প্রেসার কুকার ব্যবহার
    সঠিক উত্তর:
    প্রেসার কুকার ব্যবহার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রেসার কুকার ব্যবহার
    ব্যাখ্যা

    • রান্নার কাজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য প্রেসার কুকার ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকর।

    • বিদ্যুতের কার্যকর ব্যবহার ও অপচয় রোধের ধারণা:
    - বিদ্যুৎ একটি সীমিত সম্পদ, তাই এর কার্যকর ব্যবহার ও অপচয় রোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    - দৈনন্দিন জীবনে বিশেষ করে রান্নার কাজে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হলে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় সম্ভব।

    • রান্নার কাজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়:
    - প্রেসার কুকার ব্যবহার করলে রান্নার সময় কম লাগে।
    - কম সময়ে রান্না সম্পন্ন হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ হ্রাস পায়।
    - তাপ অপচয় কম হয়, ফলে শক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

    • বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের গুরুত্ব:
    - বিদ্যুৎ বিল কমে।
    - জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ সংকট কমাতে সহায়তা করে।
    - পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

    • অন্যান্য অপশনসমূহ:
    - খোলা পাত্রে রান্না: এতে তাপ অপচয় বেশি হয় এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় না।
    - বৈদ্যুতিক হিটার ব্যবহার: এতে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়।
    - দীর্ঘ সময় রান্না করা: এতে বিদ্যুৎ অপচয় বৃদ্ধি পায়।

    উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

    ৬১.
    রশিদ তার বেতন থেকে প্রথম মাসে 1200 টাকা সঞ্চয় করেন এবং পরবর্তী প্রতিমাসে এর পূর্ববর্তী মাসের তুলনায় 100 টাকা বেশি সঞ্চয় করেন। তিনি 18 তম মাসে কত টাকা সঞ্চয় করেন?
    1. 2700
    2. 2800
    3. 2900
    4. 3000
    সঠিক উত্তর:
    2900
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2900
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: রশিদ তার বেতন থেকে প্রথম মাসে 1200 টাকা সঞ্চয় করেন এবং পরবর্তী প্রতিমাসে এর পূর্ববর্তী মাসের তুলনায় 100 টাকা বেশি সঞ্চয় করেন। তিনি 18 তম মাসে কত টাকা সঞ্চয় করেন?

    সমাধান:
    এটি একটি সমান্তর ধারা।
    প্রথম মাসের সঞ্চয়,
    অর্থাৎ প্রথম পদ, a = 1200 টাকা
    প্রতি মাসে সঞ্চয়ের বৃদ্ধি,
    অর্থাৎ সাধারণ অন্তর, d = 100 টাকা
    মাস সংখ্যা, n = 18

    সমান্তর ধারার n-তম পদের সূত্র অনুযায়ী,
    an = a + (n - 1)d
    অতএব,
    a18 = 1200 + (18 - 1) × 100
    = 1200 + 1700
    = 2900
    ∴ রশিদ 18-তম মাসে 2900 টাকা সঞ্চয় করেন।

    ৬২.
    নিচের কোনটি  এর মান?
      সঠিক উত্তর:
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: নিচের কোনটি   এর মান?

      সমাধান:

      ৬৩.
      টেস্টটিউব বেবি প্রযুক্তি প্রধানত কোন সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত হয়?
      1. জেনেটিক রোগ
      2. বন্ধ্যাত্ব সমস্যা
      3. সংক্রামক রোগ
      4. হরমোনজনিত রোগ
      সঠিক উত্তর:
      বন্ধ্যাত্ব সমস্যা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বন্ধ্যাত্ব সমস্যা
      ব্যাখ্যা

      • টেস্টটিউব বেবি প্রযুক্তি প্রধানত বন্ধ্যাত্ব সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত হয়।

      • টেস্টটিউব বেবি:
      - টেস্টটিউব বেবি হলো একটি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে দেহের বাইরে কৃত্রিমভাবে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রূণ সৃষ্টি করা হয়।
      - পরবর্তীতে সেই ভ্রূণ নারীর জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয় এবং স্বাভাবিকভাবে ভ্রূণের বৃদ্ধি ঘটে।
      - এই পদ্ধতিতে জন্ম নেওয়া শিশুকেই টেস্টটিউব বেবি বলা হয়।

      • ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (IVF):
      - টেস্টটিউব বেবি পদ্ধতির বৈজ্ঞানিক নাম হলো ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (IVF)।
      - এখানে “ইন ভিট্রো” বলতে দেহের বাইরে বিশেষ পাত্রে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাকে বোঝায়।

      • টেস্টটিউব বেবির প্রয়োজনীয়তা:
      - অনেক দম্পতির ক্ষেত্রে স্বাভাবিক উপায়ে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন সম্ভব হয় না।
      - ফ্যালোপিয়ান নালির সমস্যা, শুক্রাণুর স্বল্পতা বা অন্যান্য জটিলতার কারণে সন্তান ধারণে ব্যর্থতা দেখা দেয়।
      - এসব ক্ষেত্রে টেস্টটিউব বেবি প্রযুক্তি সন্তান লাভের একটি কার্যকর সমাধান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

      • টেস্টটিউব বেবির ধাপসমূহ:
      - দেহ থেকে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়।
      - বিশেষ কালচার মিডিয়ামে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটিয়ে ভ্রূণ তৈরি করা হয়।
      - উৎপন্ন ভ্রূণ নারীর জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয়।
      - এরপর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ভ্রূণের বৃদ্ধি ও শিশুর জন্ম ঘটে।

      • টেস্টটিউব বেবি প্রযুক্তির গুরুত্ব:
      - বন্ধ্যাত্ব সমস্যায় আক্রান্ত দম্পতিদের জন্য নতুন আশার সৃষ্টি করেছে।
      - চিকিৎসা বিজ্ঞানে আধুনিক প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ।
      - পরিবার গঠন ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

      • অন্যান্য অপশনসমূহ:
      - জেনেটিক রোগ → জেনেটিক রোগ প্রতিরোধে PGT (Preimplantation Genetic Testing) করা যায় IVF-এর সময়, কিন্তু IVF-এর প্রধান উদ্দেশ্য নয়। এটি অতিরিক্ত সুবিধা।
      - সংক্রামক রোগ → IVF-এর সাথে সংক্রামক রোগের কোনো সম্পর্ক নেই।
      - হরমোনজনিত রোগ → হরমোনজনিত সমস্যা (যেমন PCOS) বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে, কিন্তু IVF-এর প্রধান লক্ষ্য হরমোনজনিত রোগের চিকিৎসা নয়, বরং বন্ধ্যাত্বের সমাধান।

      উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

      ৬৪.
      উচ্চ তাপমাত্রা (প্রায় ৩৫° সেলসিয়াস) মাছের ক্ষেত্রে কী ঘটায়?
      1. মাছের বৃদ্ধি দ্রুত হয়
      2. রোগজীবাণুর জন্ম বৃদ্ধি পায়
      3. মাছের খাদ্য বাড়ে
      4. পানির লবণাক্ততা কমে
      সঠিক উত্তর:
      রোগজীবাণুর জন্ম বৃদ্ধি পায়
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      রোগজীবাণুর জন্ম বৃদ্ধি পায়
      ব্যাখ্যা

      • উচ্চ তাপমাত্রা (প্রায় ৩৫° সেলসিয়াস) মাছের ক্ষেত্রে রোগজীবাণুর জন্ম বৃদ্ধি ঘটায়।

      • মৎস্যসম্পদ ও পানির তাপমাত্রার সম্পর্ক:
      - মাছ শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী হওয়ায় পানির তাপমাত্রা তাদের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলে।
      - পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিক সীমা ছাড়িয়ে গেলে মাছের শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

      • উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাব:
      - প্রায় ৩৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রোগজীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
      - রোগজীবাণু বৃদ্ধির ফলে মাছের রোগ সংক্রমণ বেড়ে যায়।
      - রোগ সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে মাছ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মৃত্যুহার বাড়ে।

      • মৎস্যসম্পদ হ্রাসে ভূমিকা:
      - উচ্চ তাপমাত্রাজনিত রোগ সংক্রমণ মৎস্যসম্পদ হ্রাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
      - জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ তাপমাত্রা বজায় থাকলে ব্যাপক হারে মাছ মারা যেতে পারে।

      • অন্যান্য অপশনসমূহ:
      - মাছের বৃদ্ধি দ্রুত হয় → ৩৫° সেলসিয়াসে বৃদ্ধি দ্রুত হয় না; বরং অক্সিজেন কমে যাওয়ায় খাদ্য গ্রহণ ও বৃদ্ধি কমে যায়। আদর্শ তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হলে বৃদ্ধি মন্থর হয়।
      - মাছের খাদ্য বাড়ে → উচ্চ তাপমাত্রায় মাছের খাদ্য গ্রহণ কমে যায় (অ্যাপেটাইট কমে), কারণ মেটাবলিজম বেড়ে যায় কিন্তু অক্সিজেন কম থাকে।
      - পানির লবণাক্ততা কমে → লবণাক্ততা বাষ্পীভবন বা পানি যোগ/বিয়োগের উপর নির্ভর করে।

      উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

      ৬৫.
      ৮, ১০, ১২, ১৪, ১৬, ১৮, ২০ সংখ্যাগুলোর মধ্যক কত?
      1. ১২
      2. ১৪
      3. ১৬
      4. ১৮
      সঠিক উত্তর:
      ১৪
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৪
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: ৮, ১০, ১২, ১৪, ১৬, ১৮, ২০ সংখ্যাগুলোর মধ্যক কত?

      সমাধান:
      সংখ্যাগুলো ঊর্ধ্বক্রমে সাজানো আছে।
      এখানে মোট সংখ্যা = ৭টি (বিজোড় সংখ্যা)।
      বিজোড় সংখ্যক ক্ষেত্রে মধ্যক = (৭+১)/২-তম সংখ্যা
      = ৪র্থ সংখ্যা।
      ৪র্থ সংখ্যা = ১৪

      ∴ সঠিক উত্তর খ) ১৪

      ৬৬.
      ABC একটি সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ AC = 2 একক এবং লম্ব AB = 1 একক হলে tanC = কত?
      1. 2
      2. √3
      3. 1
      4. 1/√3
      সঠিক উত্তর:
      1/√3
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      1/√3
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: ABC একটি সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ AC = 2 একক এবং লম্ব AB = 1 একক হলে tanC = কত?
       

      ৬৭.
      সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে কোনটি?
      1. নাইট্রোজেন স্তর
      2. ট্রপোস্ফিয়ার
      3. ওজোন স্তর
      4. জলীয়বাষ্প
      সঠিক উত্তর:
      ওজোন স্তর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ওজোন স্তর
      ব্যাখ্যা

      • সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে ওজোন স্তর রক্ষা করে।

      • বায়ুমণ্ডলের ধারণা:
      - পৃথিবীকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখা বায়বীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলা হয়।
      - বায়ুমণ্ডল মূলত নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে গঠিত।
      - এছাড়াও এতে জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা, আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য গ্যাস থাকে।
       
      • বায়ুমণ্ডলের গুরুত্ব:
      - বায়ুমণ্ডলের গ্যাসসমূহ পৃথিবীর পৃষ্ঠে ভারসাম্য বজায় রাখে।
      - পৃথিবীর সকল বস্তু ও প্রাণকে বায়ুমণ্ডল নিজের দিকে ধরে রাখে।
      - বায়ুমণ্ডল না থাকলে পৃথিবীতে কোনো কিছুই স্থির থাকত না এবং জীবন সম্ভব হতো না।
       
      • উচ্চতার সাথে বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তন:
      - ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে গেলে বায়ুমণ্ডল ক্রমশ পাতলা হয়।
      - উচ্চতার সাথে সাথে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়।
      - পাহাড়ের চূড়ায় উঠলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, কারণ সেখানে অক্সিজেন কম থাকে।
       
      • বায়ুমণ্ডলের স্তরসমূহ:
      - ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত অংশকে ট্রপোস্ফিয়ার বলা হয়।
      - ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুমণ্ডলের অধিকাংশ গ্যাস ও মেঘ অবস্থান করে।
      - ট্রপোস্ফিয়ারের ওপরের স্তরকে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার বলা হয়।
      - স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে রয়েছে ওজোন গ্যাস।
       
      • ওজোন স্তরের ভূমিকা:
      - স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে।
      - এর ফলে পৃথিবীর মানুষ, প্রাণী ও উদ্ভিদ ক্ষতিকারক রশ্মির প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।
      - ওজোন স্তর না থাকলে পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ত।
        
      • অন্যান্য অপশনসমূহ:
      - নাইট্রোজেন স্তর → বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি (৭৮%) নাইট্রোজেন আছে।
      - ট্রপোস্ফিয়ার → এটি বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তর (যেখানে আমরা বাস করি)।
      - জলীয়বাষ্প → পানির বাষ্প আবহাওয়া ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
       
      উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

      ৬৮.
      একটি শ্রেণির প্রতিবেঞ্চে 4 জন করে ছাত্র বসালে 3টি বেঞ্চ খালি থাকে। আবার, প্রতিবেঞ্চে 3 জন করে ছাত্র বসালে 6 জন ছাত্রকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ঐ শ্রেণির ছাত্র সংখ্যা কত জন?
      1. 42 জন
      2. 48 জন
      3. 32 জন
      4. 60 জন
      সঠিক উত্তর:
      60 জন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      60 জন
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: একটি শ্রেণির প্রতিবেঞ্চে 4 জন করে ছাত্র বসালে 3টি বেঞ্চ খালি থাকে। আবার, প্রতিবেঞ্চে 3 জন করে ছাত্র বসালে 6 জন ছাত্রকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ঐ শ্রেণির ছাত্র সংখ্যা কত?

      সমাধান:
      মনে করি, শ্রেণিটির ছাত্র সংখ্যা x
      যেহেতু প্রতিবেঞ্চে 4 জন করে বসালে 3টি বেঞ্চ খালি থাকে,
      সেহেতু ঐ শ্রেণির বেঞ্চের সংখ্যা x/4 + 3
      আবার, যেহেতু প্রতিবেঞ্চে 3 জন করে বসালে 6 জনকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়,
      সেহেতু ঐ শ্রেণির বেঞ্চের সংখ্যা = (x - 6)/3
      যেহেতু শ্রেণির বেঞ্চের সংখ্যা একই থাকবে,
      সুতরাং x/4 + 3 = (x - 6)/3
      বা, (x + 12)/4 = (x - 6)/3
      বা, 4x - 24 = 3x + 36
      বা, 4x - 3x = 36 + 24
      বা, x = 60
      ∴ ঐ শ্রেণির ছাত্র সংখ্যা 60 জন।

      ৬৯.
      চিত্রে  ∠RPS এর মান কত?
      1. 50°
      2. 60°
      3. 70°
      4. 80°
      সঠিক উত্তর:
      70°
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      70°
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: চিত্রে ∠RPS এর মান কত? 

      সমাধান:
      চিত্রে,
      ∠PQR = 30° এবং ∠PRQ = 40°
      সুতরাং, ত্রিভুজ QPR–এর অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টি অনুযায়ী,
      ∠QPR = 180° - (30° + 40°)
      = 180° - 70°
      = 110°

      এখন, P বিন্দুতে PQ সরলরেখাটি S পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
      অতএব, ∠RPS হলো ∠QPR–এর বহিঃকোণ।

      যেহেতু, বহিঃকোণের মান = বিপরীত দুই অন্তঃকোণের সমষ্টি
      ∴ ∠RPS = 30° + 40° = 70°

      ৭০.
      'মওলানা ভাসানী সেতু' কোন নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে?
      1. মহানন্দা
      2. বুড়িগঙ্গা
      3. তিস্তা
      4. শীতলক্ষ্যা
      সঠিক উত্তর:
      তিস্তা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      তিস্তা
      ব্যাখ্যা

      মওলানা ভাসানী সেতু:
      - গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’। 
      - সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার ও প্রস্থ ৯.৬০ মিটার।
      - মোট ৩০টি পিলার ও ৩১টি স্প্যান।
      - সেতুটির লেন সংখ্যা ২টি। 
      - এটি একটি প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট গার্ডার সেতু।
      - সেতুটির মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। 
      - ২০ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে সেতুটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া “মওলানা ভাসানী সেতু” উদ্বোধন করেন।
      - বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা।
      - সেতুটির মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। 

      উৎস: প্রথম আলো।

      ৭১.
      বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
      1. মফিজউদ্দীন আহমদ
      2. প্রফেসর এম শামসুল হক
      3. ড. এম এ বারী
      4. ড. কুদরত-ই-খুদা
      সঠিক উত্তর:
      ড. কুদরত-ই-খুদা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ড. কুদরত-ই-খুদা
      ব্যাখ্যা

      জাতীয় শিক্ষা কমিশন:
      - জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২) বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
      - ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
      - চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
      - কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
      - কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।
      - এই কমিশনের মতে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ হবে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত মোট আট বছর এবং মাধ্যমিক শিক্ষার মেয়াদ হবে নবম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মোট চার বছর।

      উৎস: বাংলাপিডিয়া।

      ৭২.
      শশাঙ্কের রাজধানীর নাম কী?
      1. পুন্ড্র
      2. গৌড়
      3. চন্দ্রনগর
      4. কর্ণসুবর্ণ
      সঠিক উত্তর:
      কর্ণসুবর্ণ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      কর্ণসুবর্ণ
      ব্যাখ্যা

      শশাঙ্ক: 
      - শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার ইতিহাসে প্রথম স্বাধীন রাজা।
      - তিনি বাংলার বাইরেও রাজ্য জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
      - শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও ভূমিকা পালন করেছিলেন।
      - ড. নীহাররঞ্জনের মতে শশাঙ্ক "স্বতন্ত্র স্বাধীন নরপতিরূপে সুবিস্তৃত রাজ্যের অধিকারী হইয়াছিলেন।"
      - শশাঙ্ক প্রথম জীবনে স্বাধীন রাজা ছিলেন না, গুপ্ত বংশীয় মহাসেন নামক এক রাজার সামন্ত ছিলেন।
      - ষষ্ঠ শতকের শেষের দিকে গৌড়ের পরবর্তী গুপ্তবংশীয় রাজাগণ দুর্বল হয়ে পড়েন।
      - এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
      - স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
      - কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
      - বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।

      উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ৭৩.
      প্রস্তাবিত মনোরেল প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় কত কিলোমিটার?
      1. ৫০ কিলোমিটার
      2. ৫৪ কিলোমিটার
      3. ৫৫ কিলোমিটার
      4. ৬০ কিলোমিটার
      সঠিক উত্তর:
      ৫৪ কিলোমিটার
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ৫৪ কিলোমিটার
      ব্যাখ্যা

      প্রথম মনোরেল প্রকল্প:
      - চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে জার্মানি প্রতিষ্ঠান ওরাসকম ও মিশরের প্রতিষ্ঠান আরব কন্ট্রাক্টর গ্রুপের এ সংক্রান্ত সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয় ১ জুন, ২০২৫।
      - প্রস্তাবিত মনোরেল প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৫৪ কিলোমিটার।
      - এতে বিনিয়োগ হবে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা।
      - দেশের প্রথম মনোরেল নির্মিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রামে।
      - নগরের যানজট নিরসনে মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। 

      উল্লেখ্য,
      - মনোরেল হলো এমন একটি রেলওয়ে, যেখানে ট্র্যাকটি একটি একক রেল বা বিম দিয়ে তৈরি।
      - মনোরেল এক চাকার ট্রেন। এক চাকার ওপরই চলে। দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে মনোরেল স্থাপন ও চালু করা সম্ভব।

      উৎস: The Daily Star Bangla.

      ৭৪.
      কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
      1. বগুড়া
      2. রংপুর
      3. দিনাজপুর
      4. ঠাকুরগাঁও
      সঠিক উত্তর:
      রংপুর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      রংপুর
      ব্যাখ্যা

      উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
      - আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

      - উৎপাদনে অন্যান্য শীর্ষ জেলা:
      • ধান - ময়মনসিংহ।
      • গম - ঠাকুরগাঁও।
      • চা - মৌলভীবাজার।
      • তামাক - কুষ্টিয়া।
      • পাট - ফরিদপুর।
      • ভুট্টা - দিনাজপুর।
      • তুলা - ঝিনাইদহ।

      উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

      ৭৫.
      মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (NASA) সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
      1. কেপ কেনেডি
      2. ফ্লোরিডা
      3. নিউ ইয়র্ক
      4. ওয়াশিংটন ডি.সি
      সঠিক উত্তর:
      ওয়াশিংটন ডি.সি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ওয়াশিংটন ডি.সি
      ব্যাখ্যা

      NASA:
      - NASA মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
      - NASA-এর পূর্ণরূপ হলো: National Aeronautics and Space Administration.
      - প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
      - বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
      - সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।
      - এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা হিসেবে মহাকাশ গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি উন্নয়ন, এবং মহাকাশ অনুসন্ধানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে।

      উৎস: NASA ওয়েবসাইট।

      ৭৬.
      অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
      1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
      2. এ.কে. ফজলুল হক
      3. খাজা নাজিমুদ্দিন
      4. মোহাম্মদ আলী
      সঠিক উত্তর:
      এ.কে. ফজলুল হক
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      এ.কে. ফজলুল হক
      ব্যাখ্যা

      এ.কে. ফজলুল হক:
      - আবুল কাশেম ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
      - তিনি ছিলেন কলকাতা করপোশনের প্রথম বাঙালি মুসলমান, বাংলার প্রধানমন্ত্রী, পূর্বপাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, পুর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
      - তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
      - আবুল কাশেম ফজলুল হক বাগ্মী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
      - ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
      - ১৯১৮ সালে ফজলুল হক লিখিত ভারত মুসলিম লীগের দিল্লী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
      - ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন। তার বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাকে ‘শের-ই-বঙ্গাল’ উপাধি দেয়। ‘শের-ই-বঙ্গাল’ অর্থ বাংলার বাঘ। সেই থেকে তিনি শেরে বাংলা নামে পরিচিত।
      - ১৯১২ সালে ফজলুল হক কলকাতায় "কেন্দ্রীয় জাতীয় মুসলিম শিক্ষা সমিতি" (Central Muslim Educational Association) গঠন করেন। এই শিক্ষা সমিতির মাধ্যমে তিনি মুসলমানদের শিক্ষাকে স্তরে স্তরে এগিয়ে নিয়েছিলেন।
      - আবুল কাশেম ফজলুল হকের প্রচেষ্টায় ১৯১৬ সালে কলকাতায় 'বেকার হোস্টেল' ও 'কারমাইকেল হোস্টেল' প্রতিষ্ঠিত হয়।

      উৎস: i) সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
               ii) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ৭৭.
      সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী জিডিপি প্রবৃদ্ধি হারের লক্ষ্যমাত্রা কত?
      1. ৫%
      2. ৫.৪%
      3. ৫.৫%
      4. ৬.৫%
      সঠিক উত্তর:
      ৫%
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ৫%
      ব্যাখ্যা

      সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬: 
      - বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।
      - রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা ।
      - বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,০০,০০০ কোটি টাকা।
      - মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা: ৭%।
      - জিডিপির প্রবৃদ্ধির হারের লক্ষ্যমাত্রা: ৫%।

      উল্লেখ্য,
      - সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬ সরকার অনুমোদন করে গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
      - ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয়।

      • ২০২৫-২৬ বাজেট:
      - বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
      - বাজেৎ উত্থাপনকারী: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
      - বাজেটের শিরোনাম: বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়।
      - বাজেট ঘোষণা: ২ জুন, ২০২৫।
      - বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৫।
      - বাজেটের আকার: ৭,৮৯,৯৯৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১২.৭ শতাংশ)।
      - রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: ৫,৬৪,০০০ কোটি টাকা।
      - বাজেট ঘাটতি: ২,২৬,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২ শতাংশ)।
      - বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।
      - অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
      - জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৫.৫%।

      উৎস: জাতীয় বাজেট ও সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬।

      ৭৮.
      ‘হায়ারোগ্লিফিক’ কোন সভ্যতার প্রাচীন লিখন পদ্ধতি?
      1. সুমেরীয়
      2. ব্যাবিলনীয়
      3. মিশরীয়
      4. ক্যালডীয়
      সঠিক উত্তর:
      মিশরীয়
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      মিশরীয়
      ব্যাখ্যা

      মিশরীয় সভ্যতা:
      - মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল: খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
      - মিশরে প্রথম এই সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে।
      - একটি ছিল উত্তর মিশর অপরটি দক্ষিণ মিশর।
      - স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
      - লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন, সেচ ব্যবস্থা চালু, চিকিৎসা শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র অংক শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
      - মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য: লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
      - তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
      - মিশরীয় সভ্যতার প্রথম দিকে তারা ছবি এঁকে মনের ভাব প্রকাশ করত।
      - এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
      - পিরামিড: মিশরীয় স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। গিজার গ্রেট পিরামিড পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি।
      - স্ফিংস: এটি ফারাও খাফরের শাসনকালে নির্মিত বিশাল মূর্তি।

      উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ৭৯.
      সাত গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন কে?
      1. ইসলাম খান
      2. শায়েস্তা খাঁ
      3. উমিদ খাঁ
      4. মীর জুমলা
      সঠিক উত্তর:
      উমিদ খাঁ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      উমিদ খাঁ
      ব্যাখ্যা

      সাত গম্বুজ মসজিদ: 
      - অবস্থান: ঢাকা, মোহাম্মদপুর (কাটাসুর-বাঁশবাড়ী সড়কের পাশে)।
      - নির্মাণকাল: ১৬৮০ খ্রিষ্টাব্দ।
      - নির্মাতা: উমিদ খাঁ (মোগল সুবাদার শায়েস্তা খাঁর পুত্র)।
      - গম্বুজ সংখ্যা: ৭টি (৩টি বড় গম্বুজ ও ৪টি অনু গম্বুজ)।
      - মিনার সংখ্যা: ৪টি (চার কোণায়)।
      - মসজিদটি লালবাগ কেল্লার মসজিদ ও খাজা আম্বর মসজিদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

      উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

      ৮০.
      নেপোলিয়ানকে কোন মহাসাগরের দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়?
      1. প্রশান্ত মহাসাগর
      2. আটলান্টিক মহাসাগর
      3. ভারত মহাসাগর
      4. বঙ্গোপসাগর
      সঠিক উত্তর:
      আটলান্টিক মহাসাগর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      আটলান্টিক মহাসাগর
      ব্যাখ্যা

      নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
      - তিনি ছিলেন একাধারে ফ্রান্সের অবিসংবাদিত সম্রাট ও তুখোড় সেনাপ্রধান।
      - ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে তিনি ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন।
      - ফ্রান্সকে ইউরোপের শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করতে নেপোলিয়ন সক্ষম হয়েছিলেন।
      - ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
      - বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
      - এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
      - পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
      - যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।

      উৎস: ব্রিটানিকা।

      ৮১.
      মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীর অবস্থান কোথায় ছিল?
      1. ময়মনসিংহ
      2. টাঙ্গাইল
      3. সিরাজগঞ্জ
      4. মাগুরা
      সঠিক উত্তর:
      টাঙ্গাইল
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      টাঙ্গাইল
      ব্যাখ্যা

      আঞ্চলিক বাহিনী:
      - সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
      - কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
      - আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
      - বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
      - হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
      - হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
      - আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
      - লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
      - জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
      - এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
      - ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

      উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

      ৮২.
      বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ (সেভেন সামিট) জয় করেন কে?
      1. মুসা ইব্রাহিম
      2. নিশাত মজুমদার
      3. ওয়াসফিয়া নাজরীন
      4. এম এ মুহিত
      সঠিক উত্তর:
      ওয়াসফিয়া নাজরীন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ওয়াসফিয়া নাজরীন
      ব্যাখ্যা

      ওয়াসফিয়া নাজরীন:
      - এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
      - বাংলাদেশের পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন।
      - বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
      - ২০১২ সালের ২৬ মে তিনি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
      - এর আগে তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন।
      - আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী গ্রুপ কেয়ার (CARE) এর হয়ে ওয়াসফিয়া নাজরীন কাজ করেছেন।
      - তিনি ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব পেয়েছেন।

      এছাড়াও,
      - এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয়ী। তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, বাবর আলী ও ইকরামুল হাসান শাকিল।
      - ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
      - ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
      - ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
      - ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
      - ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
      - ৬ষ্ঠ: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

      অন্যদিকে,
      - মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
      - তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
      - তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

      উৎস: প্রথম আলো এবং BBC পত্রিকা রিপোর্ট।

      ৮৩.
      মুক্তিযুদ্ধের সময় মেজর জিয়াউর রহমান কত নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
      1. ২ নং সেক্টর
      2. ৫ নং সেক্টর
      3. ৩ নং সেক্টর
      4. ১ নং সেক্টর
      সঠিক উত্তর:
      ১ নং সেক্টর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১ নং সেক্টর
      ব্যাখ্যা

      সেক্টর কমান্ডার:

      • ১নং সেক্টর: সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
      • ২ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
      • ৩ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।
      • ৪নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।
      • ৫ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।
      • ৬ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
      • ৭ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
      • ৮ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
      • ৯ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।
      • ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই সেক্টরের নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।
      • ১১নং সেক্টর:
      - টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
      - সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের।
      - মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়।
      - মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

      উৎস: বাংলাপিডিয়া।

      ৮৪.
      ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (OIC) -এর অফিসিয়াল ভাষা নয় কোনটি?
      1. আরবি
      2. ফরাসি
      3. উর্দু
      4. ইংরেজি 
      সঠিক উত্তর:
      উর্দু
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      উর্দু
      ব্যাখ্যা

      ওআইসি (OIC):
      - OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
      - OIC একটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
      - এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
      - গঠন: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
      - প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
      - ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।
      - প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
      - বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
      - সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
      - বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা। (১২তম)
      - এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
      - OIC-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৫১তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় তুরস্ক, ২১-২২ জুন, ২০২৫। [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

      উৎস: OIC ওয়েবসাইট।

      ৮৫.
      বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক কে ছিলেন?
      1. হাবিবুল বাশার
      2. নাইমুর রহমান দুর্জয়
      3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
      4. আকরাম খান
      সঠিক উত্তর:
      নাইমুর রহমান দুর্জয়
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      নাইমুর রহমান দুর্জয়
      ব্যাখ্যা

      টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
      - টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
      - ভারতের বিপক্ষে সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর।
      - প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান দুর্জয়।
      - ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে প্রথম টেস্ট জয় পায়।
      - আমিনুল ইসলাম বুলবুল টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন।
      - টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।
      - টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
      - বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
      - ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
      - শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
      - মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন।

      উৎস: ESPNcricinfo.com এবং The Business Standard পত্রিকা রিপোর্ট।

      ৮৬.
      অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুযায়ী নারী ও পুরুষের অনুপাত কত?
      1. ৯৮:১০০
      2. ৯৫.৭:১০০
      3. ৯৬.৩:১০০
      4. ৯৮.৪:১০০
      সঠিক উত্তর:
      ৯৬.৩:১০০
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ৯৬.৩:১০০
      ব্যাখ্যা

      অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
      - বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
      - জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
      - জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
      - পুরুষ: মহিলা- ৯৬.৩: ১০০।
      - গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
      - স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
      - স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
      - মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
      - মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
      - জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
      - মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
      - সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
      - পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
      - দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
      - চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

      উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

      ৮৭.
      HTTPS -এর পূর্ণরূপ কী?
      1. Hyper Text Transfer Protocol System
      2. Hyper Text Transfer Protocol Service
      3. Hypertext Transfer Protocol Security
      4. Hypertext Transfer Protocol Secure
      সঠিক উত্তর:
      Hypertext Transfer Protocol Secure
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      Hypertext Transfer Protocol Secure
      ব্যাখ্যা

      HTTPS:
      - https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
      - HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
      - কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
      - HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
      - https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
      - সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
      - তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

      ৮৮.
      সার্ক (SAARC) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
      1. ১৯৭২
      2. ১৯৮০
      3. ১৯৮৫
      4. ১৯৮৮
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৮৫
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৮৫
      ব্যাখ্যা

      SAARC (South Asian Association for Regional Cooperation):
      - পূর্ণরূপ: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
      - প্রতিষ্ঠা: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫
      - প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
      - সদর দপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
      - বর্তমান মহাসচিব: গোলাম সারওয়ার (১৫তম ও ৩য় বাংলাদেশি সভাপতি)।
      - প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি দেশ।
      - বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৮টি দেশ
      - সদস্য দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
      - সর্বশেষ সদস্য: আফগানিস্তান, ৩ এপ্রিল ২০০৭।
      - প্রথম মহাসচিব: আবুল আহসান (বাংলাদেশ)। [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

      উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।