পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিক - শব্দপ্রকরণ [লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক।] উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) ------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
কোন শব্দগুলো কেবল অপ্রাণিবাচক বহুবচনে ব্যবহৃত হয়?
  1. কূল, সমূহ, বৃন্দ
  2. বর্গ, রাজি, মালা
  3. দাম, নিকর, মালা
  4. গণ, নিচয়, সকল
ব্যাখ্যা

কেবল অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দগুলো হলো:
- আবলি, গুচ্ছ, দাম, নিকর, মালা, রাশি, রাজি, পুঞ্জ।

যেমন:
- গ্রন্থাবলি,
- কবিতাগুচ্ছ,
- কুসুমদাম,
- কমলনিকর,
- মেঘকুঞ্জ,
- পর্বতমালা,
- তারকারাজি,
- বালিরাশি।

অন্যদিকে:
- কূল, সমূহ শব্দ গুলো হচ্ছে প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত হয়।
- গণ, বৃন্দ, বর্গ শব্দ গুলো হচ্ছে উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ।
- রাজি, মালা, নিচয়, সকল শব্দ গুলো হচ্ছে সমষ্টিবোধক শব্দে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

.
কোনটি আনী-প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. বাঘিনী
  2. গোয়ালিনী
  3. কাঙালিনী
  4. মেথরানী
ব্যাখ্যা

আনী-প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
চাকর - চাকরানী,
মেথর - মেথরানী

• কিছু শব্দ 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক করা হয়।
যথা:
কাঙাল - কাঙালিনী,
গোয়ালা - গোয়ালিনী,
বাঘ - বাঘিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
‘মণ্ডলী’ লগ্নক যোগে সঠিক বহুবচন শব্দের উদাহরণ কোনটি?
  1. কবিমণ্ডলী
  2. সুধীমণ্ডলী
  3. মন্ত্রীমণ্ডলী
  4. জনমণ্ডলী
ব্যাখ্যা

• 'মানী' পক্ষের বহুবচন করার সময়ে ‘-গণ', ‘-বৃন্দ', '-মণ্ডলী', ‘-বর্গ' ইত্যাদি লগ্নক যোগ করা হয়। 

যেমন:
• গণ - সদস্যগণ, সচিবগণ, জনগণ, কবিগণ।
• বৃন্দ - দর্শকবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ।
• মণ্ডলী - সুধীমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী। 
• বর্গ - পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রীবর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

.
কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. সপত্নী
  2. ঢাকী
  3. অভিসারিণী
  4. বেঙ্গমী
ব্যাখ্যা

নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ: 
- কিছু শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক এদেরকে নিত্য স্ত্রীবাচাক শব্দ বলে। 
যেমন- এয়ো, সতীন, সৎমা, সধবা, কুলটা, বিধবা, অরক্ষণীয়া, সপত্নী ইত্যাদি।

নিত্য পুরুষবাচক শব্দ: 
- কিছু শব্দ আছে তা কেবল পুরুষকে নির্দেশ করে এদেরকে নিত্য পুরুষবাচাক শব্দ বলে। 
যেমন- কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকী ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
বেঙ্গমা - বেঙ্গমী। 
অভিসারী - অভিসারিণী।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

.
"এদিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা।" - এখানে ‘যায় যায়’ কী বোঝায়?
  1. বিশেষণ
  2. স্বল্পকাল স্থায়ী
  3. পৌনঃপুনিকতা
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা

ক্রিয়াবাচক শব্দ:
বিশেষণ রূপে: এদিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা। তোমার নেই নেই ভাব গেল না। 
স্বল্পকাল স্থায়ী বোঝাতে: দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এলো। 
ক্রিয়া বিশেষণ: ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কীভাবে? 
পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে: ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে কোনটিতে?
  1. ষষ্ঠী
  2. ষোলো
  3. উনিশতম
  4. দোসরা
ব্যাখ্যা

• বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে।
যেমন -
- প্রথমা, দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী, অষ্টমী, নবমী, দশমী, ত্রয়োদশী, ষোড়শী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- 'দোসরা' তারিখ পূরণবাচক শব্দ।
- সাধারণ পূরণবাচক যোগে - উনিশতম।
- 'ষোলো' ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
'ভয়ে গা ছম ছম করছে।' - বাক্যে 'ছম ছম' কোন অর্থে প্রকাশ পেয়েছে?
  1. পৌনঃপুনিকতা
  2. ধ্বনিব্যঞ্জনা
  3. অনুভূতি
  4. ভাবের গভীরতা
ব্যাখ্যা

অব্যয় পদের কয়েকটি দ্বিরুক্তির উদাহরণ:

- ভাবের গভীরতা বোঝাতে: সবাই হায় হায় করতে লাগল। ছি ছি, তুমি এত খারাপ!
- পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে: বার বার সে কামান গর্জে উঠল।
- অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে: ভয়ে গা ছম ছম করছে। ফোঁড়াটা টন টন করছে।
- বিশেষণ বোঝাতে: পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির।
- ধ্বনিব্যঞ্জনা: ঝির ঝির করে বাতাস বইছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
কোনটি 'তারকা' শব্দের বহুবচন?
  1. তারকাপুঞ্জ
  2. তারকানিচয়
  3. তারকারাজি
  4. তারকাগুচ্ছ
ব্যাখ্যা

• বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত বহুবচন বোধক শব্দ:

যেমন:
- আবলি- পুস্তকাবলি
- গুচ্ছ- কবিতাগুচ্ছ।
- দাম- কুসুমদাম, পুষ্পদাম।
- নিকর- কমলনিকর।
- পুঞ্জ- মেঘপুঞ্জ। 
- মালা- পর্বতমালা।
- রাজি- তারকারাজি
- রাশি- বালিরাশি।
- নিচয়- কুসুমনিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।

.
কোন শব্দটি ভিন্নার্থক শব্দযোগে গঠিত?
  1. ছটফট
  2. রীতিনীতি
  3. বনজঙ্গল
  4. অলিগলি
ব্যাখ্যা

যুগ্মরীতিতে শব্দ দ্বিরুক্ত গঠন:
- একই শব্দ ঈষৎ পরিবর্তন করে দ্বিরুক্ত শব্দ গঠনের রীতিকে বলে যুগ্মরীতি। যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত গঠনের কয়েকটি নিয়ম রয়েছে।

যেমন:
- শব্দের আদিস্বরের পরিবর্তন করে: চুপচাপ, মিটমাট, জারিজুরি, টুপটাপ।
- শব্দের অন্ত্যস্বরের পরিবর্তন করে: মারামারি, হাতাহাতি, সরাসরি, জেদাজেদি।
- দ্বিতীয়বার ব্যবহারের সময় ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তনে: ছটফট, নিশপিশ, ভাতটাত।
- সমার্থক বা একার্থক সহচর শব্দ যোগে: চালচলন, রীতিনীতি, বনজঙ্গল, ভয়ডর।
- ভিন্নার্থক শব্দ যোগে: ডালভাত, তালাচাবি, পথঘাট, অলিগলি
- বিপরীতার্থক শব্দ যোগে: ছোট-বড়, আসা-যাওয়া, জন্ম-মৃত্যু, আদান-প্রদান।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১০.
'গরীয়ান' শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. গরিয়ানী
  2. গরীয়াসী
  3. গরীয়সী
  4. গরিয়াসী
ব্যাখ্যা

• 'গরীয়ান' শব্দটির স্ত্রীবাচক শব্দ - গরীয়সী
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- মর্যাদাপূর্ণ, মহান, গুরুতর, বৃহত্তর, বিত্তশালী, মহার্ঘ।
- এর স্ত্রী লিঙ্গ- গরীয়সী।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১.
'মেয়েটা হাড়ে হাড়ে শয়তান।' - এখানে 'হাড়ে হাড়ে' কী অর্থ প্রকাশ করেছে?
  1. সতর্কতা
  2. ভাবের প্রগাঢ়তা
  3. কালের বিস্তার
  4. আধিক্য
ব্যাখ্যা

বিশিষ্টার্থক বাগধারায় দ্বিরুক্ত শব্দের প্রয়োগ:

যেমন:
- ছেলেটিকে চোখে চোখে রেখো। (সতর্কতা)
- ফুলগুলো তুই আনরে বাছা বাছা। (ভাবের প্রগাঢ়তা)
- থেকে থেকে শিশুটি কাঁদছে। (কালের বিস্তার)
- মেয়েটা হাড়ে হাড়ে শয়তান। (আধিক্য)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১২.
'আ' প্রত্যয়যোগ গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. মাননীয়া
  2. অরণ্যানী
  3. ঠাকুরানি
  4. চাকরানি
ব্যাখ্যা

'-আ' প্রত্যয়যোগ গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:

যেমন:
→ প্রিয়-প্রিয়া,
→ প্রবীণ-প্রবীণা, 
→ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, 
→ মাননীয়-মাননীয়া
→ শিষ্য-শিষ্যা, 
→ সরল-সরলা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
শব্দের শেষে '-আনি'/ 'আনী' প্রত্যয়যোগ গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
- চাকর-চাকরানি, 
- ঠাকুর- ঠাকুরানি, 
- অরণ্য- অরণ্যানী। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

১৩.
'চার' কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. সাধারণ পূরণবাচক
  2. ক্রমবাচক
  3. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
  4. তারিখ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা

'চার' শব্দটি সাধারণ ক্রমবাচক শব্দ।

সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা -
- ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার...আট ইত্যাদি।
- পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি।

পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৪.
কোন ধরনের দ্বিত্বে বিভক্তি যুক্ত হতে দেখা যায়?
  1. পুনরাবৃত্ত
  2. অনুকার
  3. ধ্বন্যাত্মক
  4. খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
- পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে।
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।
যেমন – জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত:
ভালাে ভালাে (কথা), কত কত (লােক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড় উড়ু (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।

বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত:
কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১৫.
‘ইনী’ - প্রত্যয়যোগ গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ নয় কোনটি?
  1. বিহঙ্গিনী
  2. অরণ্যানী
  3. কাঙালিনী
  4. রজকিনী
ব্যাখ্যা

• ‘ইনী’ প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়।

যেমন:
গোয়ালা - গোয়ালিনী।
বিহঙ্গ - বিহঙ্গিনী
সন্ন্যাস - সন্ন্যাসিনী।
রজক - রজকিনী
কাঙাল - কাঙালিনী

অন্যদিকে,
শব্দের শেষে '-আনি'- 'আনী' প্রত্যয় যোগ করে: অরণ্য - অরণ্যানী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
কোনটি একবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক?
  1. টুকুন
  2. গোটা
  3. খানা
  4. টুক
ব্যাখ্যা

পদাশ্রিত নির্দেশক:
- কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। 
- বাংলা নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article 'The' এর স্থানীয়। 
- বচন ভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক ভিন্ন হয়। 

• টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যা একবচনে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- কোনো সংখ্যা বা পরিমাণের স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: টে, টুক, টুকু, টুকুন, টো, গোটা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৭.
'শ্রীমান' - শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. শ্রীমতি
  2. শ্রীমতী
  3. শ্রীময়নি
  4. শ্রীমাতি
ব্যাখ্যা

• পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'অত', 'বান', 'মান', 'ঈয়ান' থাকলে 'অতী', 'বতী', 'মতী', 'ঈয়সী' হয়:

যেমন:
→ সৎ-সতী, 
→ গুণবান-গুণবতী, 
শ্রীমান-শ্রীমতী
→ গরীয়ান-গরীয়সী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

১৮.
লিঙ্গান্তর হয় না কোন শব্দটির?
  1. শূদ্রা
  2. অকৃতদার
  3. রূপবতী
  4. ধাত্রী
ব্যাখ্যা

• কিছু পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক শব্দের লিঙ্গান্তর হয় না। 

নিত্য পুরুষবাচক শব্দ:
- কবিরাজ,
- কৃতদার,
- অকৃতদার,
- ঢাকী,
- সেনাপতি ইত্যাদি।

নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ: 
- কুলটা,
- সতীন,
- অর্ধাঙ্গিনী,
- বিধবা,
- অসূর্যম্পশ্যা,
- অরক্ষণীয়া ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
-  শূদ্র - শূদ্রা।
- রূপবান - রূপবতী।
- ধাতা - ধাত্রী।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৯.
কোন নির্দেশকটি বিশেষ অর্থে, নির্দিষ্টতা জ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়?
  1. টা
  2. তা
  3. টি
  4. পাতি
ব্যাখ্যা

পদাশ্রিত নির্দেশক:
- কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা পরে সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত অব্যয় বা পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
যেমন:  
- টা, -টি, -খানা, -খানি, -টুকু ইত্যাদি।
- বাংলায় নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article ‘The’ - এর স্থানীয়।

• বিশেষ অর্থে, নির্দিষ্টতা জ্ঞাপনে কয়েকটি শব্দ: তা, পাটি ইত্যাদি।
যেমন -
তা:
- দশ তা কাগজ দাও।
পাটি:
- আমার একপাটি জুতো ছিঁড়ে গেছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২০.
কোনটি অনুকার দ্বিত্ব? 
  1. দুম দুম
  2. কবি কবি
  3. ঠুকঠুক
  4. নরম-সরম
ব্যাখ্যা

অনুকার দ্বিত্ব:
- পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।

যেমন:
- ঝাল-টাল,
- মোটাসোটা,
- নরম-সরম,
- ব্যাপার-স্যাপার,
- বুঝে-সুঝে,
- অল্পস্বল্প,
- বুদ্ধিশুদ্ধি,
- গুটিশুটি,
- অঙ্ক-টঙ্ক,
- আম-টাম।

অন্যদিকে:
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
- কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে।
যেমন:
- টুং টুং,
- ঠুকঠুক,
- শোঁ শোঁ,
- খক খক,
- দুম দুম

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
- পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে।
 যেমন:
- জ্বর জ্বর,
- পর পর,
- কবি কবি,
- কথায় কথায় ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১সংস্করণ)।