পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
Exam - 8 Penal Code-1860: Test-3 Topic ➝ Review: PC Test 1-2
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কি হবে?
  1. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-

(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

-----------------------------------
♦ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

♦ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।

______________________________________________________
♦  Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:

♦  Section 194. Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
 
♦ and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
.
A জানে যে B, Z-কে হত্যা করেছে। A, B,-কে শাস্তি হতে বাঁচাতে মৃত লাশটি গুম করতে B কে সহায়তা করেছে। A দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ১৯৩ ধারা
  2. ১৯৬ ধারা
  3. ১৯৭ ধারা
  4. ২০১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-

(i)  মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

(ii)  যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

---------------------------------------- 
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
.
থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay) এর সভাপতিত্বে যে আইন কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া করেছিল, সেই আইন কমিশন গঠন করা হয়েছিল-
  1. ১৮৩৭ সালে
  2. ১৮৩৪ সালে
  3. ১৮৫৯ সালে
  4. ১৮৬০ সালে
ব্যাখ্যা
♦ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে।
ii) সদস্য- মিঃ ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মিঃ মিলার।

♦ ১৮৩৭ সালে এই কমিশন  দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।

♦ এ কমিশন দন্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দন্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দন্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দন্ডবিধি।
.
Chapter V of The Penal Code deals with-
  1. ABETMENT
  2. CRIMINAL CONSPIRACY
  3. PUNISHMENTS
  4. GENERAL EXCEPTIONS
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

♦ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:

দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,(GENERAL EXPLANATIONS)

তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,(PUNISHMENTS)

চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,(GENERAL EXCEPTIONS)

পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,(ABETMENT)

পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,(CRIMINAL CONSPIRACY)

ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, (OFFENCES AGAINST THE STATE)

নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)

নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)

ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)

সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  (OFFENCES AGAINST PROPERTY)

বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)

একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ( DEFAMATION)

ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ। (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)
.
Which of the following is false about Section 34 of the Penal Code?
  1. it does not create a distinct offence
  2. it is only a rule of evidence
  3. it is a penal provision
  4. lays down principle of liability
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায়ের (Common Intention) বিধান রয়েছে।

♦ According to Section 34
- সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি। এটির মাধ্যমে যৌথ দায় বা Joint Liability নির্ধারন হয়। 

♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান একই উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক কৃত কার্যাবলী:- যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।

♦ সাধারণ অভিপ্রায়/অভিন্ন অভিপ্রায় (Common intention) - আদালত যৌথ দায় নির্ধারণের জন্য সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় বিবেচনা করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে।
সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি।

♦ ৩৪ ধারা অধীন সাধারণ উদ্দেশ্য (Common Intention) এর জন্য কোন ব্যক্তিকে যৌথভাবে দায়ী করতে হলে অপরাধটি অবশ্যই সংগঠিত হতে হবে এবং সেখানে সর্বনিম্ন ২ জন ব্যক্তি থাকতে হবে। কারণ দুইয়ের অধিক না থাকলে সাধারণ অভিপ্রায়ে (Common Intention) গঠিত হয় না।

♦ যৌথ দায় (Joint Liability)- একাধিক ব্যক্তি যখন কোন অপরাধ করে তখন তাদের মধ্যে কে কতটুকু ভূমিকা পালন করেছে তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয় বরং সমস্ত অপরাধের জন্য তারা প্রত্যেকে সমানভাবে দোষী হবেন। দণ্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭ এবং ৩৮ ধারায় যৌথ দায় বা Joint Liability সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
.
দণ্ডবিধির ৪৪ ধারানুযায়ী ক্ষতি (Injury) বলতে কি বুঝায়?
  1. অবৈধভাবে কোন ব্যক্তির দেহ বা মনে কোনরূপ ক্ষতি সাধন করা
  2. অবৈধভাবে কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে কোনরূপ ক্ষতি সাধন
  3. অবৈধভাবে কোন ব্যক্তির সুনামে কোনরূপ ক্ষতি সাধন করা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার বিধান ক্ষতি:- যদি কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয় তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।
-----------------------------------
♦“Injury”- Section 44. The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
.
A ও B আলাদাভাবে ও বিভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে C কে খুন করার জন্য একমত হয়। A ও B, C কে খুন করার লক্ষ্যে চুক্তি মোতাবেক বিষ প্রয়োগ করলে C এর মৃত্যু হয়। A ও B এর দায় সম্পর্কে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. A খুনের জন্য এবং B খুনে সহায়তার জন্য দায়ী হবে
  2. A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
  3. A ও B প্রত্যেকে খুনে সহায়তার জন্য দোষী হবে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা (Co-operation by doing one of several acts constituting an offence)-
♦ দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা অনুযায়ী যখন কতিপয় কার্যের মাধ্যমে অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, তখন কেউ কতিপয় কাজের মধ্যে একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা করলে উক্ত সহযোগীতাকারী ব্যক্তি অন্য অপরাধীদের সাথে যৌথভাবে সমান দায়ী হবে। অর্থাৎ একই অভিপ্রায় বিদ্যমান না থাকলেও একজন অপরাধীর কাজ যদি অপর অপরাধীর কাজের সহায়ক বা সমর্থনমূলক হয়, তাহলে উভয়ই দায়ী হবে।

♦ যেমন- ক ও খ পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে ফ-কে খুন করার জন্য একমত হয়। ক ও খ, ফ- কে খুন করার উদ্দেশ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। ফ-এর প্রতি অনুরূপভাবে প্রযুক্ত কতিপয় মাত্রা বিষ প্রয়োগের ফলে ফ-এর মৃত্যু হয়। এখানে ক ও খ ইচ্ছাপূর্বকভাবে খুন সংঘটনে সহযোগিতা করে এবং তারা প্রত্যেকেই এইরূপ একটি কার্য সম্পাদন করে যা দ্বারা মৃত্যু সংঘটিত হয়। সুতরাং যদিও ক ও খ এর কার্যসমূহ স্বতন্ত্র তবুও উভয়েই ফ-কে খুনের অপরাধে দায়ী।
.
দণ্ডবিধিতে কত ধরণের শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩ ধরণের
  2. ২ ধরণের
  3. ৫ ধরণের
  4. ৭ ধরণের
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)

♦দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

---------------------------------------------------
♦ Punishments
Section 53. The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
 
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted by the Criminal Law (Extinction of Discriminatory Privileges) Act 1949 (Act No. II of 1950]. 
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 

(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine. 
 
♦ Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
.
কয়টি ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত প্রয়োগ করা যায়?
  1. ৩ টি ক্ষেত্রে
  2. ৬ টি ক্ষেত্রে
  3. ৫ টি ক্ষেত্রে
  4. ৪ টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০০ অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:

(i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
(ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
(iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
(vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।

---------------------
♦ When the right of private defence of the body extends to causing death:
Section 100. The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:- 
 
Firstly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault; 
Secondly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault; 
Thirdly.-An assault with the intention of committing rape; 
Fourthly.-An assault with the intention of gratifying unnatural lust; 
Fifthly.-An assault with the intention of kidnapping or abducting; 
Sixthly.-An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.
১০.
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে শাস্তিযোগ্য অপরাধে সহায়তাকরণের ফলে অপরাধ সংঘটিত না হলেও তার শাস্তি হলো-
  1. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ, অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলে:

- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে:- এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

----------------
♦ Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Section 115. Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
১১.
বিচারিক কার্যক্রমে (judicial proceeding) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের শাস্তি হতে পারে-
  1. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ২ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
  2. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৩ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
  3. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৫ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
  4. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৭ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষাদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং

কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
১২.
দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার অধীন কার নিকট ব্যবহার করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভব বলে গণ্য হবে?
  1. সরকারী কর্মকর্তার নিকট
  2. বিচারিক কার্যক্রমে
  3. সালিসের সম্মুখে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।

--------------
♦ Fabricating false evidence:
Section 192. Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations- 
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 
 
(c) A, with the intention of causing Z to be convicted of a criminal conspiracy, writes a letter in imitation of Z's handwriting purporting to be addressed to an accomplice in such criminal conspiracy, and puts the letter in a place which he knows that the officers of the Police are likely to search. A has fabricated false evidence.
১৩.
অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ২০১ ধারা
  2. ২০২ ধারা
  3. ২০৩ ধারা
  4. ২০৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-

(i)  মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(ii)  যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা  অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

---------------------------------------- 
♦ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:- এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১৪.
'ক' তার শিশু সন্তানের কল্যাণের জন্য একজন চিকিৎসক দিয়ে অস্ত্রোপচার করাতে চায়। চিকিৎসক শিশুর পিতার অনুমতি নিয়ে অস্ত্রোপচার করে এবং শিশুটি মারা যায়। চিকিৎসকের অপরাধ কি?
  1. কোন অপরাধ হয়নি
  2. খুন
  3. নরহত্যা
  4. সরল বিশ্বাসে ক্ষতি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮৯ ধারামতে অভিভাবক কর্তৃক বা তার সম্মতিক্রমে শিশু বা অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির মঙ্গলার্থে সরল বিশ্বাসে (Good Faith) কৃত কাজ অপরাধ নয়।

♦ দণ্ডবিধির ৮৯ ধারার বিধান অভিভাবক কর্তৃক বা তাহার সম্মতিক্রমে শিশু বা অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির মঙ্গলার্থে সদবিশ্বাসে কৃত কার্য:

- বার বৎসরের নিম্ন বয়স্ক কোন ব্যক্তির অথবা অপ্রকৃতিস্থ কোন ব্যক্তির উপকার করার জন্য আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে বা সরল বিশ্বাসে উক্ত ব্যক্তির অভিভাবক দ্বারা সম্পাদিত কার্য কিংবা উক্ত ব্যক্তির অভিভাবকের বা আইনানুগভাবে উক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে দায়িত্বসম্পন্ন অপর কারো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে কৃত কার্য করার ফলে কোন ক্ষতি হয়ে থাকলে সে ক্ষতির ফলে, কিংবা যিনি কার্যটি করেছিলেন তিনি কাজটির ফলে যে ক্ষতি হবে বলে ইচ্ছা করেছিলেন সে ক্ষতিটি হওয়ার ফলে অথবা যিনি কার্যটি করেছিলেন তিনি কার্যটি করার ফলে যে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানতেন, সে ক্ষতিটি হওয়ার ফলে-অপরাধ হবে না; এই শর্তে যে-

 প্রথমত: এই ব্যতিক্রম ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটাবার অথবা মৃত্যু ঘটাবার চেষ্টার ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না,

 দ্বিতীয়ত: এই ব্যতিক্রম যে ব্যক্তি কার্যটি করলেন, সে ব্যক্তি যদি জানতেন যে, কার্যটি করার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে, তবে সম্ভাব্য মৃত্যুরোধ করার উদ্দেশ্য ছাড়াই বা সম্ভাব্য গুরুতর আঘাত এড়াবার উদ্দেশ্য ছাড়াই অথবা কোন মারাৱক রোগ নিরাময় বা অশক্তি নিবারণের উদ্দেশ্য ছাড়াই অপর কোন উদ্দেশ্যে কার্যটি করলে সে ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

 তৃতীয়ত: এই ব্যতিক্রম মৃত্যু রোধ করার উদ্দেশ্য ছাড়াই বা গুরুতর আঘাত এড়াবার উদেশ্য ছাড়াই অথবা কোন মারাত্মক রোগ নিরাময় বা অশক্তি নিবারণের উদেশ্য ছাড়াই ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করলে বা করার চেষ্টা করলে সে ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

 চতুর্থত: এই ব্যতিক্রম যে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না সে কাজ করতে সহায়তা করার বা যোগসাজশের ক্ষেত্রেও এই ব্যতিক্রমটি প্রয়োগযোগ্য হবে না।
১৫.
জনসাধারণ বা দশের অধিক ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধ সংঘটনে সহায়তাকরণে শাস্তি কি?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১১৭ ধারার বিধান জনসাধারণ বা দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ :- জনসাধারণ দ্বারা অথবা দশজনের অধিক সংখ্যক ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠী দ্বারা অপরাধ সংঘটনে কেউ সাহায্য করলে তাকে তিন বৎসর পর্যন্ত কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

------------------------------
♦ Abetting commission of offence by the public, or by more than ten persons
Section 117. Whoever abets the commission of an offence by the public generally or by any number or class of persons exceeding ten, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১৬.
একজন বিচারক সরল মনে বিশ্বাসে করে যে, আইন তাকে কোন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার এখতিয়ার দিয়েছে। কিন্তু তার উক্ত এখতিয়ার ছিল না। এই ক্ষেত্রে বিচারকের কাজটি-
  1. দণ্ডবিধির ৭৭ ধারায় অব্যাহতি পেতে পারে
  2. দণ্ডবিধির ৭৮ ধারায় অব্যাহতি পেতে পারে
  3. দণ্ডবিধির ৭৭ ধারায় অব্যাহতি পাবে না
  4. হাই কোর্টে জবাবদেহিতা করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারার বিধান বিচার সংক্রান্ত কাজ সম্পাদনকালে বিচারক দ্বারা কৃতকার্য:-বিচার কাজ পরিচালনাকালে অর্থাৎ বিচারক হিসেবে কাজ পরিচালনাকালে বিচারক দ্বারা তাকে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা বা যে ক্ষমতা তাঁকে আইনে প্রদত্ত হয়েছে তিনি সরল মনে বিশ্বাস করেন সে ক্ষমতানুসারে কৃত কোন কাজ অপরাধ হবে না।

--------------------------------
♦ Section 77. Act of Judge when acting judicially:- Nothing is an offence which is done by a Judge when acting judicially in the exercise of any power which is, or which in good faith he believes to be, given to him by law.
১৭.
'P' তার ঘোড়া থেকে পড়ে যায় এবং অজ্ঞান হয়ে পড়ে। সার্জন 'A' দেখতে পায় যে, 'P'-এর মাথার খুলি ছিদ্র করা প্রয়োজন। 'A' 'P' কে হত্যা করার উদ্দেশ্য ছাড়া, সরল বিশ্বাসে 'P' এর মঙ্গলের জন্য তার হুঁশ ফেরার পূর্বে 'P' এর মাথায় ছিদ্র করে। এই ক্ষেত্রে 'A'-
  1. কোন অপরাধ করেনি
  2. হত্যার চেষ্টা করেছে
  3. নর হত্যার চেষ্টা করেছে
  4. গুরুতর জখম করেছে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯২ ধারার বিধান সম্মতি ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে সদবিশ্বাসে কৃত কার্য: যদি কোন ব্যক্তির উপকার করার আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে বা সরল বিশ্বাসে উক্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে সম্পাদিত কাজের ফলে তার কোনরূপ ক্ষতি হয়, তবে উক্ত ক্ষতি হয়েছে বলে কার্যটি অপরাধ হবে না।

যদি কাজটি সম্পাদনকালে বাস্তব অবস্থাবলি এমন হয়ে থাকে যে, সে অবস্থায় উক্ত ব্যক্তির পক্ষে কাজটি করায় সম্মতি জ্ঞাপন করা অসম্ভব ছিল, অথবা সে ব্যক্তি সম্মতিদানে অপরাগ ছিল এবং তার এমন কোন অভিভাবক বা তার সম্পর্কে আইনসম্মত দায়িত্বসম্পন্ন অপর কোন ব্যক্তি ছিল না; যার নিকট থেকে উক্ত ব্যক্তির মঙ্গলার্থে যে কার্যটি করা হচ্ছে, সে কাজে যথাসময়ে সম্মতি নেয়া সম্ভব ছিল:

তবে শর্ত থাকে যে-

প্রথমত (First):- এই ব্যতিক্রম ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটালে সে ক্ষেত্রে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটাবার চেষ্টা করলে সে ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

দ্বিতীয়ত (Secondly):-
এই ব্যতিক্রম যে কাজটি সম্পাদনের ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে বলে কাজটি সম্পাদনকারী জানে, সে কাজটি যদি মৃত্যু নিরোধের বা গুরুতর আঘাত এড়াবার কিংবা কোন মারাত্মক রোগ নিরাময়ের বা অশক্তি বিদূরণের উদ্দেশ্য ছাড়াই অপর কোন উদ্দেশ্যে সম্পাদন হয়, তবে সে ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

তৃতীয়ত (Thirdly):- এই ব্যতিক্রম মৃত্যু নিরোধের বা আঘাত এড়াবার উদ্দেশ্য ছাড়াই ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা অথবা আঘাত করার চেষ্টা করার ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

চতুর্থত (Fourthly):- এই ব্যতিক্রম যে অপরাধ করার ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না, সে অপরাধ করতে সহায়তার বা যোগসাজশের ক্ষেত্রেও এই ব্যতিক্রম প্রয়োগযোগ্য হবে না।

উদাহরণসমূহ - Illustrations:
(ক) চ ঘোড়ার উপর থেকে পড়ে গিয়ে সংজ্ঞাহীন হয়ে যায়। ক একজন অস্ত্রচিকিৎসক। তিনি চ-কে পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, তার মাথার খুলতে অন্ত্রোপচার করে চিকিৎসা করা আশু আবশ্যক। তদানুসারে ক চ-এর মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে নয়, বরং তার উপকার হবে এইরূপ আন্তরিক সদিচ্ছায় বা সরল বিশ্বাসে চ-এর স্বয়ং বিচার করার ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের আগেই তার মাথার খুলিতে অস্ত্রোপচার করেন। ক এর কাজটি অপরাধ বলে বিবেচনা হবে না।

(খ) গুলির ফলে চ নিহত হতে পারে জেনেও বাঘের কবলে পতিত চ-কে নিহত করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং তাকে বাঘের কবল হতে উদ্ধার করার বা বাচাবার আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে ক বাঘটির প্রতি গুলিবর্ষণ করে। গুলির ফলে চ গুরুতরভাবে আহত বা নিহত হয়। ক-এর এইরূপ গুলিবর্ষণ অপরাধজনক হবে না।

(গ) ক একজন সার্জন। তিনি একটি শিশুকে দুর্ঘটনায় পতিত হতে দেখেন এবং শিশুটিকে পরীক্ষা করে দেখেন যে, দুর্ঘটনার ফলে শিশুটি এমন গুরুতরভাবে আহত হয়েছে যে, অবিলম্বে শিশুটির উপর অস্ত্রোপচার না করলে তার মৃত্যু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতিটি এমন যে শিশুটির অভিভাবকের অনুমতি প্রার্থনার অবকাশ নাই বা শিশুটির উপকার করার আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে তিনি শিশুটির কাকুতি-মিনতি সত্ত্বেও তার উপর অস্ত্রোপচার করেন। ক-এর কাজটি অপরাধ নয়।
১৮.
অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া যথাযথ যত্ন ও সতর্কতার সহিত আইনানুগ কার্য সম্পাদনকালে দুর্ঘটনা অপরাধ হিসাবে গণ্য হইবে না- বিধানটি দণ্ডবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৭৯ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৮০ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৮১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮০ ধারার বিধান আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:- কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

--------------
♦ Accident in doing a lawful act:
- Section 80. Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution. 
 
♦ Illustration-
- A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
১৯.
'গ'-কে গুরুতর জখম করার জন্য 'ক', 'খ'-কে প্ররোচিত করে। 'খ' উক্ত প্ররোচনার ফলে 'গ'-কে গুরুতর জখম করে ফলে 'গ' মারা যায়, 'ক' জানতো যে প্ররোচিত গুরুতর জখমের কার্যটি সম্ভাব্য মৃত্যু ঘটাবে। এই ক্ষেত্রে-
  1. ক শুধুমাত্র গুরুতর জখমে প্ররোচনার জন্য দণ্ডিত হবে
  2. ক খুনের জন্য দণ্ডিত হবেনা শুধুমাত্র জখমের জন্য দণ্ডিত হবে
  3. ক গুরুতর জখম এবং খুন উভয়ের জন্য দণ্ডিত হবে
  4. ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦ যেহেতু ক জানতো যে প্ররোচিত গুরুতর জখমের কার্যটি সম্ভাব্য মৃত্যু ঘটাবে তাই ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে এবং ক খুনের জন্য নির্ধারিত শাস্তি পাবে।

♦ দণ্ডবিধির ১১৩ ধারার বিধান সাহায্যকৃত কার্যের কারণে দুষ্কর্মে সহায়তাকারী কর্তৃক অভিপ্রেত পরিণতি হইতে ভিন্ন পরিণতির ক্ষেত্রে দুষমের্মে সহায়তাকারীর দায়িত্ব:
- একটি কাজের জন্য সহায়তা করার ফলে-এবং সে কাজটি যদি এমন হয় যে, তাতে সহায়তা করলে সহায়তাকারী সহায়তার জন্য দায়ী হবেসহায়তাকার কাজটি সম্পাদনে যে ফল সৃষ্ট হবে বলে প্রত্যাশা বা উদ্দেশ্য করেছিল সৃষ্ট ফল যদি তার সে উদ্দিষ্ট বিশেষ ফল হতে ভিন্ন হয়, তবে সৃষ্ট ফল প্রত্যাশা বা উদেম পর্যন্ত দণ্ডিত হত, এই ক্ষেত্রেও সে সেভাবে ততদূর পর্যন্তই দণ্ডিত হবে। তবে শর্ত থাকে যে, যে কার্যটিতে সহায়তাকারী সহায়তা করেছে তার কর্তৃক যে ফল সৃষ্ট হয়েছে সহায়তাকৃত কাজটি সম্পাদনে সে ফল সৃষ্টি হতে পারে বলে সহায়তাকারীর জানা ছিল।

♦ উদাহরণ:
- চ-কে গুরুতররূপে আঘাত করার জন্য ক খ-কে প্ররোচনা দেয়। তার প্ররোচনায় প্ররোচিত হয়ে খ চ- কে গুরুতর আঘাত করে এবং ফলে চ-এর মৃত্যু ঘটে। এই ক্ষেত্রে খ কে প্ররোচনা দেওয়ার সময় ক-এর যদি জানা থেকে থাকে যে, গুরুতররূপে আঘাত করার জন্য প্ররোচিত কাজটি সম্পাদনের ফলে চ-এর মৃত্যু হতে পারে, তবে ক খুনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
২০.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সরল বিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ (Communication made in good faith) এর ফলে কোন ব্যক্তির ক্ষতি সাধন হলে সেটা কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না?
  1. দণ্ডবিধির ৯০ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৯২ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

♦ উদাহরণ
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।

------------------------------------
♦ Communication made in good faith
Section 93. No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 
 
♦ Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
২১.
মিথ্যা সাক্ষ্যদান (Giving false evidence) দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. দণ্ডবিধির ১৯০ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ১৯২ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৯২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯১ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্যদান:- কোন ব্যক্তি যদি কোন শপথক্রমে বা আইনে কোন প্রকাশ্য বিধান অনুযায়ী সত্য বলতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, অথবা কোন বিষয়ে একটি ঘোষণা প্রদান করতে আইনানুসারে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমন কোন উক্তি করে বা বিবৃতি দান করে যা মিথ্যা, এবং যা হয় সে মিথ্যা বলে জানে, না হয় সে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে অথবা যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে অথবা অপর যেভাবেই করা হোক না কেন, এই ধারার অর্থানুসারে তা উক্তি বা বিবৃতি বলে বিবেচিত।

ব্যাখ্যা ২:- সত্যতা নিরূপণকারী ব্যক্তির বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা উক্তি এই ধারার অর্থে অন্ত র্ভুক্ত। কোন ব্যক্তি যা বিশ্বাস করে না, তা সে বিশ্বাস করে বলে এবং যা সে জানে বলে উক্তি করলে সে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দানের জন্য অপরাধী হবে।

-----------------------
♦ Giving false evidence:
Section 191. Whoever being legally bound by an oath or by an express provision of law to state the truth, or being bound by law to make a declaration upon any subject, makes any statement which is false, and which he either knows or believes to be false or does not believe to be true, is said to give false evidence.

Explanation 1.-A statement is within the meaning of this section, whether it is made verbally or otherwise. 
 
Explanation 2.-A false statement as to the belief of the person attesting is within the meaning of this section, and a person may be guilty of giving false evidence by stating that he believes a thing which he does not believe, as well as by stating that he knows a thing which he does not know.

♦ Illustrations
(d) A, being bound by an oath to state the truth, states that he knows that Z was at a particular place on a particular day, not knowing anything upon the subject. A gives false evidence whether Z was at that place on the day named or not.
২২.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করার শাস্তির বিধান আছে কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:- কোন ব্যক্তি যদি বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় নয়, কিন্তু যাবজ্জীবন কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে অথবা উক্ত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি পূর্বোলিখিত অপরাধে কোন ব্যক্তি অপরাধী সাব্যস্ত হলে তাকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেত, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

♦ উদাহরণ
মিথ্যা সাক্ষ্য কর্তৃক চ-কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার মানসে ক আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। ডাকাতির সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডসহ বা অর্থদণ্ড ছাড়া দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড। সুতরাং ক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ বা ছাড়া কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------

♦ Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of offence punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Section 195. Whoever gives or fabricates false evidence intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which by any law for the time being in force is not capital, but punishable with imprisonment for life, or imprisonment for a term of seven years or upwards, shall be punished as a person convicted of that offence would be liable to be punished.

♦ Illustration 
A gives false evidence before a Court of Justice, intending thereby to cause Z to be convicted of a dacoity. The punishment of dacoity is imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, with or without fine. A, therefore, is liable to such imprisonment for life or imprisonment, with or without fine.
২৩.
নিচের কোন ক্ষেত্রে Joint Liability (যৌথ দায়) হবে?
  1. কতিপয় কার্যের একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধে সহযোগিতা করলে
  2. সাধারণ অভিপ্রায় থাকলে
  3. অপরাধমূলক জ্ঞান এবং অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা-৩৪ থেকে ৩৮: যৌথ দায় (Joint Liability)- একাধিক ব্যক্তি যখন কোন অপরাধ করে তখন তাদের মধ্যে কে কতটুকু ভূমিকা পালন করেছে তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয় বরং সমস্ত অপরাধের জন্য তারা প্রত্যেকে সমানভাবে দোষী হবেন। দন্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭ এবং ৩৮ ধারায় যৌথ দায় বা Joint Liability সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

♦ যে ক্ষেত্রে অপরাধীকে যৌথভাবে দায়ী করা যায়ঃ
১) দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা মতে অভিন্ন বা সাধারণ অভিপ্রায় পূরণকল্পে অপরাধমূলক কার্য।
২)দণ্ডবিধির ৩৫ ধারা মতে অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায় নিয়ে অপরাধমূলক কার্য।
৩)দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা মতে যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা ।
৪) দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা মতে একই অপরাধ সংঘটন করলেও ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে দোষী।

♦ দন্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায়ের (Common Intention) বিধান রয়েছে।

♦ সাধারণ অভিপ্রায়/অভিন্ন অভিপ্রায় (Common intention) - আদালত যৌথ দায় নির্ধারণের জন্য সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় বিবেচনা করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে। সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি।
২৪.
মুদ্রা জাল করণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বৎসর কারাদণ্ড
  2. ৫ বৎসর কারাদণ্ড
  3. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------------------------
♦ Counterfeiting coin:
Section 231. Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
২৫.
বাংলাদেশী মুদ্রা জাল বলিয়া জানিয়া দখল করিবার পর উহা হস্তান্তরকরণ সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২৩৪ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৪৩ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৪০ ধারার বিধান বাংলাদেশের মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও দখলের পর উহা হস্তান্তর করা:- কোন ব্যক্তি যদি তার কাছে বাংলাদেশের যে জাল মুদ্রা রয়েছে, তা লাভের পর উহা যে বাংলাদেশের মুদ্রার জাল তা জানা সত্ত্বেও, প্রতারণামূলকভাবে বা তদ্বারা প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে উহা কোন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে বা কোন ব্যক্তিকে উহা গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

------------------------
♦ Section 240. Delivery of Bangladesh coin possessed with knowledge that it is counterfeit:- Whoever, having and counterfeit coin, which is a counterfeit of Bangladesh coin, and which at the time when he became possessed of it, he knew to be a counterfeit of Bangladesh coin, fraudulently or with intent that fraud may be committed, delivers the same to any person, or attempts to induce any person to receive it, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
২৬.
The Penal Code extends to:
  1. The whole of Bangladesh except Rangmati, khagrachari, Bandarban.
  2. The whole of Bangladesh except Chittagong Tract.
  3. The whole of Bangladesh.
  4. None of the above.
ব্যাখ্যা
♦ প্রস্তাবনা:- যেহেতু বাংলাদেশের জন্য একটি সাধারণ দণ্ডবিধি প্রণয়ন করা আবশ্যক সেহেতু নিম্নোক্ত আইন প্রণয়ন করা হল:

♦ দণ্ডবিধির ধারা ১ এর বিধান শিরোনাম ও আইনের কার্যকারিতার সীমা:- এই আইন 'দণ্ডবিধি' নামে অভিহিত হবে এবং ইহা বাংলাদেশের সর্বত্র কার্যকর হবে।

-----------------------
♦ Preamble: WHEREAS it is expedient to provide a general Penal Code for Bangladesh; It is enacted as follows:-
Section 1. Title and extent of operation of the Code:- This Act shall be called the Penal Code and shall take effect throughout Bangladesh.

♦ So The Penal Code extends to The whole of Bangladesh.
২৭.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় বিচারিক কার্যধারায় নিযুক্ত কোনো সরকারি কর্মচারিকে ইচ্ছাকৃত অবজ্ঞা বা বাধাগ্রস্থ করার শাস্তির বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ২২৭ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২২৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২২৮ ধারার বিধান হল বিচার বিষয়ক কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে বিচারকের আসন গ্রহণকারী কোন সরকারী কর্মচারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা তাহার কার্যে বাধা দেওয়ার শাস্তি: কোন সরকারী কর্মচারী কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে নিয়ত থাকাকালে কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অপমান করে বা তার কাজে বাধা প্রদান করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------
♦ Intentional insult or interruption to public servant sitting in judicial proceeding:
- Section 228. Whoever intentionally offers any insult, or causes any interruption to any public servant, while such public servant is sitting in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
২৮.
'Limit of solitary confinement' এর বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় আছে?
  1. Section 73
  2. Section 74
  3. Section 75
  4. Section 71
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না।

♦ শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়। নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

♦ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-------------
♦ Limit of solitary confinement:
- Section 74. In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
২৯.
প্ররোচনাকারীর সংজ্ঞা রয়েছে-
  1. দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১০৮ক ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারীর (Abettor) সংজ্ঞা রয়েছে।

♦ সাধারণত যে ব্যক্তি অপরাধে প্ররোচনা প্রদান করে বা অপরাধের সহায়তা করে তাকে প্ররোচনাকারী বা Abettor বলে।

♦ দণ্ডবিধির ১০৮ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধ করতে সহায়তা করে, অথবা এমন একটি কাজে সহায়তা করে যে কাজটি সহায়তাকারীর মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে বা একই জ্ঞানের ভিত্তিতে যে ব্যক্তি আইনানুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে তা করতে সক্ষম সেই ব্যক্তি করলে অপরাধ হত, তাহলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অপরাধ করতে সহায়তা ও প্ররোচনা দান করেছে বলে গণ্য হবে।

♦ কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থেকে সহায়তা করা বা প্ররোচনা দান করাও একটি অপরাধ, যদিও প্ররোচনাদাতা স্বয়ং কাজটি করতে বাধ্য নয়।

♦ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় প্ররোচনার (Abetment) বিধান রয়েছে এবং দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী বা প্ররোচনা দাতার (Abettor) সংজ্ঞা রয়েছে।
৩০.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি অপরাধে সহায়তা বলে গণ্য হবে না?
  1. প্রচেষ্টা করা
  2. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করা
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করা
  4. প্ররোচিত করা
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৭ অনুযায়ী যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে। 

♦ ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।

(i) কাউকে প্ররোচিত করে 
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে
♦ প্রচেষ্টা করলে অপরাধে সহায়তা বলে গণ্য হবে না।

---------------
♦ Abetment of a thing:
Section 107. A person abets the doing of a thing, who 
 Firstly.-
Instigates any person to do that thing; or 
 Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or 
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
৩১.
সরকারী কর্মকর্তা কোন ব্যক্তিকে শাস্তি থেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তির বাজেয়াপ্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে আইনের নির্দেশনা অমান্য করলে তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২১৬ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ২২৫ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২১৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২১৭ ধারার বিধান কোন ব্যক্তিকে সাজা হতে বাঁচাবার বা কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হওয়া হতে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে সরকারী কর্মচারী দ্বারা আইনের নির্দেশ লংঘন করা:- কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হওয়ায় তাঁর আচরণ সম্পর্কে যেরূপ আইনের নির্দেশ রয়েছে, তা জ্ঞাতসারে অমান্য করে এবং অমান্য করার উদ্দেশ্য হয় কোন ব্যক্তিকে সাজা হতে রক্ষা করা বা সে সাজা হতে যাতে রক্ষা পেতে পারে, জ্ঞাতসারে এইরূপ কাজ করা বা সে যে দণ্ডে দণ্ডনীয় তা অপেক্ষা লঘুদণ্ডে তাকে দণ্ডিত করা, অথবা কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে কিংবা আইনানুসারে কোন দায় হতে রক্ষা করা বা উহা যাতে রক্ষা পেতে পারে জ্ঞাতসারে এইরূপ কাজ করা, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

------------------
♦ Public servant disobeying direction of law with intent to save person from punishment or property from forfeiture:
Section 217. Whoever, being a public servant, knowingly disobeys any direction of the law as to the way in which he is to conduct himself as such public servant, intending thereby to save, or knowing it to be likely that he will thereby save, any person from legal punishment, or subject him to a less punishment than that to which he is liable or with intent to save, or knowing that he is likely thereby to save, any property from forfeiture or any charge to which it is liable by law, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৩২.
দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না বা অপরাধীকে আশ্রয় দানের জন্য (Harbouring offender) নিম্নলিখিত কোন ব্যক্তি দণ্ডিত হবে না?
  1. স্ত্রী
  2. স্বামী
  3. স্বামী বা স্ত্রী
  4. অপরাধীর আত্মীয়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির  ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় দান করার বিষয়ের বিধান রয়েছে।
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment):-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে

♦ ব্যতিক্রম (Exception):- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।

-------------------------------
♦ Harbouring offender if a capital offence; if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment:

Section 212. Whenever an offence has been committed, whoever harbours or conceals a person whom he knows or has reason to believe to be the offender, with the intention of screening him from legal punishment, 
shall, if the offence is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with imprisonment for life or with imprisonment which may extend to ten years, shall be, punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with imprisonment which may extend to one year, and not to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both. 
 
"Offence" in this section includes any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would be punishable under any of the following sections, namely, 302, 304, 382, 392, 393, 394, 395 396, 397, 398, 399, 402, 435, 436, 449, 450, 457, 458, 459 and 460; and every such act shall, for the purposes of this section, be deemed to be punishable as if the accused person had been guilty of it in Bangladesh. 
 
♦ Exception. This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender.
৩৩.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি বাংলাদেশী মুদ্রার অন্তর্ভূক্ত?
  1. কড়িসমূহ
  2. পদক
  3. স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখন্ড
  4. “ফারুখাবাদ" টাকা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

বাংলাদেশী মুদ্রা:- বাংলাদেশী মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশী মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।

উদাহরণসমূহ:

(ক) কড়িগুলো মুদ্রা নয়।

(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তাম্রখণ্ড অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়ে থাকলেও মুদ্রা নয়।

(গ) পদকগুলো মুদ্রা নয়, যেহেতু উহা অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য নির্মিত হয় নাই।

(ঘ) কোম্পানির টাকা বলে অঙ্কিত মুদ্রা রানীর মুদ্রা বলে পরিগণিত হবে।

(ঙ) "ফারুখাবাদ" টাকা যা পূর্বে ভারত সরকারের ক্ষমতাধীনে অর্থরুপে ব্যবহৃত হত-তবুও বাংলাদেশী মুদ্রা, যদিও এটা আজও অনুরূপভাবে ব্যবহৃত হয় না।

---------------------
♦ “Coin” defined Bangladesh coin:
Section 230. Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used. 
 
Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money. 
 
Illustrations:
 
(a) Cowries are not coin. 
 
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin. 
 
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money. 
 
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin. 
 
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৩৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ‘Doctrine Of Alternative Danger' এর প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. দণ্ডবিধির ৭৬ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৮১ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৯১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৮১ মতে- Doctrine of Alternative Danger অর্থ হলো- বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া।

♦ দণ্ডবিধির  ৮১ ধারা অনুযায়ী, সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কোন কার্য যদি শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য সৎ উদ্দেশ্যে করা হয় তাহলে তা অপরাধ নয়।

♦ দণ্ডবিধির  ৮১ ধারা সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া এবং অন্যবিধ ক্ষতিরোধের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত:- কোন কাজ শুধু ক্ষতিসাধন করতে পারে এইরূপ জানা সত্ত্বেও উহা করার ফলেই অপরাধ বলে বিবেচনা করা হবে না যদি কাজটি ক্ষতিসাধন করার জন্য কোনরূপ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সম্পাদিত না হয়ে থাকে এবং উহা শরীরের বা সম্পত্তির অপর কোনরূপ ক্ষতি নিবারণ বা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত হয়ে থাকে।

♦ ব্যাখ্যা:- যে ক্ষতিটি নিবারণ বা প্রতিরোধ করতে হবে, উহা এতই আসন্ন বা প্রকট ছিল কিনা এবং উহা এমন প্রকৃতির ছিল কিনা যার ফলে, সম্পাদিত কাজটি ক্ষতি করতে পারে জানা সত্ত্বেও উহা করা বা করার মাধ্যমে ঝুঁকি গ্রহণ মার্জনীয় হবে, বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই প্রশ্নটির মীমাংসা করতে হবে।
---------
♦ Act likely to cause harm, but done without criminal intent and to prevent other harm:
Section 81. Nothing is an offence merely by reason of its being done with the knowledge that it is likely to cause harm, if it be done without any criminal intention to cause harm, and in good faith for the purpose of preventing or avoiding other harm to person or property. 
 
Explanation.-It is a question of fact in such a case whether the harm to be prevented or avoided was of such a nature and so imminent as to justify or excuse the risk of doing the act with the knowledge that it was likely to cause harm.
৩৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্ততার কারণে বিচারশক্তি রহিত ব্যক্তির কাজ অপরাধ নয় বলে উল্লেখ আছে?
  1. দণ্ডবিধির ৮১ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৮৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৮৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৮৫ ধারার বিধান অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্ত হওয়ার ফলে বিচার বিবেচনা অক্ষম ব্যক্তির সম্পাদিত কার্য:- এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় নেশার ফলে কার্যটির প্রকৃতি অনুধাবনে অক্ষম বা অপারগ ছিল অথবা কাজটি যে অন্যায় অযথা আইনবিরুদ্ধ তা বুঝতে অসমর্থ ছিল;

⇒ তবে শর্ত এই যে, যে বস্তুটি তাকে নেশাগ্রস্ত বা মত্ত করেছিল, সে বস্তুটি তার অগোচরে অথবা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে দেওয়া হয়েছিল বা তার উপর প্রয়োগ করা হয়েছিল।
---------------
♦ Section 85. Act of a person incapable of judgment by reason of intoxication caused against his will:- Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, is, by reason of intoxication, incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong, or contrary to law:
⇒ Provided that the thing which intoxicated him was administered to him without his knowledge or against his will.
৩৬.
Section 55A of The Penal Code deals with-
  1. Saving for President prerogative.
  2. Commutation of sentence of death.
  3. Commutation of sentence of imprisonment for life.
  4. Fractions of terms of punishment.
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।

♦ দণ্ডবিধির  ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাজ্ঞা প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ডাজ্ঞা হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

--------------------------
♦ Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

♦ Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

♦ Section 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

♦ Section 57. Fractions of terms of punishment: In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.
৩৭.
A "_______________" is a law applicable to a particular subject.
  1. Local law
  2. Special law
  3. Subjective Law
  4. Domestic law
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪১ ধারা মতে বিশেষ আইন:- কোন বিশেষ বিষয়ের প্রতি প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'বিশেষ আইন'।

♦ Section 41. "Special law":- A "special law" is a law applicable to a particular subject."

♦ দণ্ডবিধির ৪২ ধারা মতে স্থানীয় আইন:- কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'স্থানীয় আইন' বলে।

♦ Section 42. "Local law":- A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
৩৮.
দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী সামান্য ক্ষতিকারক কার্য (Act causing slight harm) কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না?
  1. দণ্ডবিধির ৯২ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৯৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৯৪ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৯৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা মতে সামান্য ক্ষতিকারক কার্য:- সামান্য ক্ষতিকারক যে কার্যে সাধারণ বোধ ও মেজাজ সম্পন্ন কোন ব্যক্তি ক্ষতির অভিযোগ করবে না, এমন কোন কাজ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না- যদিও কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতিসাধিত হয় বা কাজটি অনুরূপ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়, অথবা কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতি হতে পারে বলে উহার সম্পন্নকারীর জানা থাকে।

------------
♦ Section 95. Act causing slight harm:- Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.
৩৯.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার প্রয়োগ করা যায় কতটি ক্ষেত্রে?
  1. দুটি ক্ষেত্রে
  2. তিনটি ক্ষেত্রে
  3. চারটি ক্ষেত্রে
  4. ছয়টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার শরীর ও সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। ৯৭ দ্বারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-

(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে।

(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।

--------------
♦ Right of private defence of the body and of property:
Section 97. Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend

Firstly.-His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body; 

Secondly.-The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
৪০.
A জানতো যে B ডাকাতি করেছে। শাস্তি হতে বাঁচানোর জন্য A, B কে লুকিয়ে রাখে। এই ক্ষেত্রে-
  1. A, ২১২ ধারায় অর্থদণ্ডসহ ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  2. B, ২১৪ ধারায় অর্থদণ্ডসহ ৩ বৎসর পর্যন্ত যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  3. A, ৩৯৫ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
  4. A, ২১২ ধারায় অর্থদণ্ডসহ ৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির  ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় দান করার বিষয়ের বিধান রয়েছে।
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment):-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে

♦ ব্যতিক্রম (Exception):- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।

-------------------------------
♦ Harbouring offender if a capital offence; if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment:
Section 212. Whenever an offence has been committed, whoever harbours or conceals a person whom he knows or has reason to believe to be the offender, with the intention of screening him from legal punishment, 
shall, if the offence is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine; 
- and if the offence is punishable with imprisonment for life or with imprisonment which may extend to ten years, shall be, punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine; 
and if the offence is punishable with imprisonment which may extend to one year, and not to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both. 
 
 "Offence" in this section includes any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would be punishable under any of the following sections, namely, 302, 304, 382, 392, 393, 394, 395 396, 397, 398, 399, 402, 435, 436, 449, 450, 457, 458, 459 and 460; and every such act shall, for the purposes of this section, be deemed to be punishable as if the accused person had been guilty of it in Bangladesh. 
 
♦ Exception. This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender.
৪১.
‘‘দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম সহ যেকোনো ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব আসামির’’ এটি কোথায় উল্লেখ করা আছে?
  1. দণ্ডবিধির ১০৫ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম অধ্যায় 
  4. কোথাও নেই
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুসারে সাধারণ ব্যতিক্রম সহ ব্যতিক্রম প্রামাণের দায়িত্ব আসামি উপর বর্তায়। ব্যতিক্রম প্রমাণের ভার (Burden of Proof of Exceptions) সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।

-------
♦ Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
Section 105. When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.
৪২.
‘A’, ‘C’ কে হত্যা করতে ‘B’ কে প্ররোচিত করে। কিন্তু ‘B’  ‘C’ কে হত্যা করতে রাজি হয় না। ‘A’ কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্ররোচনার অপরাধ করেছে
  2. নৈতিক অপরাধ করেছে
  3. হত্যার চেষ্টার অপরাধ করেছে
  4. কোন অপরাধ করে নাই
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী প্ররোচিত কাজটি সংঘটিত না হলেও প্ররোচনার অপরাধ হবে। যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে সেই অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র প্ররোচনা প্রমাণিত হলেই প্ররোচনাকারীকে বা দোষ কর্মের সহায়তাকারী উক্ত অপরাধের অপরাধমূলক কাজের প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে। অর্থাৎ অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক তাতে কিছু আসে যায় না দোষ কর্মের সহায়তার অপরাধ প্ররোচনার সাথে সাথেই সম্পূর্ণ হয়ে যায়।

-------------------
♦ Abettor:
-Section 108. A person abets an offence, who abets either the commission of an offence, or the commission of an act which would be an offence, if committed by a person capable by law of committing an offence with the same intention or knowledge as that of the abettor. 
 
Explanation 1.-The abetment of the illegal omission of an act may amount to an offence although the abettor may not himself be bound to do that act. 
 
Explanation 2.-To constitute the offence of abetment it is not necessary that the act abetted should be committed, or that the effect requisite to constitute the offence should be caused.
৪৩.
কোন বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির ক্রোক রোধ করার উদ্দেশ্যে কোন প্রতারণামূলক ভাবে দাবি করলে তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২০৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ২০৬ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২০৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২০৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২০৭ ধারার বিধান বাজেয়াপ্তরূপে বা ডিক্রি জারির মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তগত করার ব্যাপারে বাধাদানের নিমিত্ত প্রতারণামূলক ভাবে উক্ত সম্পত্তি দাবি করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচারালয় বা অন্য কোন যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষ দ্বারা ঘোষিত হয়েছে বা ঘোষিত হওয়ার আশঙ্কা আছে বলে সে জানে, এমন কোন দণ্ডাজ্ঞাধীনে কোন সম্পত্তি বা উহাতে নিহিত কোন স্বার্থ কোন বাজেয়াপ্তরূপে বা অর্থদণ্ড পরিশোধরূপে বা কোন দেওয়ানী মামলায় কোন বিচারালয় দ্বারা প্রদান করা হয়েছে বা প্রদান করার আশঙ্কা আছে বলে সে জানে, এইরূপ কোন ডিক্রি বা আদেশ কার্যকরী করার ব্যাপারে বাধাদান করার উদ্দেশ্যে এইরূপ কোন সম্পত্তি বা উহাতে কোন স্বার্থ প্রতারণামূলক ভাবে গ্রহণ করে, হস্তগত করে বা দাবী করে কিংবা কোন সম্পত্তি বা উহাতে নিহিত কোন স্বার্থের অধিকার সম্পর্কে কোন প্রকার প্রতারণা করে, উক্ত সম্পত্তি বা উহাতে নিহিত কোন স্বার্থে তার কোন অধিকার নাই বলে সে জানে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

----------------
♦ Fraudulent claim to property to prevent its seizure as forfeited or in execution:
Section 207. Whoever fraudulently accepts, receives or claims any property or any interest therein, knowing that he has no right or rightful claim to such property or interest, or practices any deception touching any right to any property or any interest therein, intending thereby to prevent that property or interest therein from being taken as a forfeiture or in satisfaction of a fine, under a sentence which has been pronounced, or which he knows to be likely to be pronounced by a Court of Justice or other competent authority, or from being taken in execution of a decree or order which has been made, or which he knows to be likely to be made by a Court of Justice in a civil suit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.