পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
"[৯ম - ১৩তম গ্রেড নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা - ৫০] বাংলা পরীক্ষা - ১২ (সাহিত্য) পরীক্ষার টপিক: ১. গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র, উক্তি ও সংলাপ, ২. মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অন্যান্য আন্দোলন সংগ্রাম বিষয়ক গ্রন্থ, ৩. বাংলা সাহিত্যে যা কিছু প্রথম। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
'সুরবালা' কোন গল্পের চরিত্র?
  1. সমাপ্তি
  2. একরাত্রি
  3. কাবুলিওয়ালা
  4. হৈমন্তী
সঠিক উত্তর:
একরাত্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একরাত্রি
ব্যাখ্যা
'সুরবালা' চরিত্রের স্রষ্টা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
'একরাত্রি' গল্পের উল্লেখযোগ্য চরিত্র 'সুরবালা'।

অন্যদিকে,
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কাবুলিওয়ালা' - গল্পের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো- রহমত ও খুকী।
• 'সমাপ্তি' গল্পের উল্লেখযোগ্য চরিত্র 'মৃণ্ময়ী'।
• 'হৈমন্তী' গল্পের উল্লেখযোগ্য চরিত্র 'হৈমন্তী'।

উৎস: রবীন্দ্রনাথ রচনাবলী।
.
'নগেন্দ্রনাথ' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র?
  1. কৃষ্ণকান্তের উইল
  2. দুর্গেশনন্দিনী
  3. বিষবৃক্ষ
  4. মৃণালিনী
সঠিক উত্তর:
বিষবৃক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা
'বিষবৃক্ষ' উপন্যাস:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
- এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। 

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ।

তাঁর রচিত কিছু উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র সমূহ:
- দুর্গেশনন্দিনী - চরিত্র- আয়েশা, তিলোত্তমা, 
- কপালকুণ্ডলা - চরিত্র- কপালকুণ্ডলা, নবকুমার
- মৃণালিনী - চরিত্র- হেমচন্দ্র, মৃনালিনী, পশুপতি, মনোরমা।
- বিষবৃক্ষ - চরিত্র- কুন্দনন্দিনী,নগেন্দ্রনাথ
- কৃষ্ণকান্তের উইল - চরিত্র রোহিনী, ভ্রমর, গোবিন্দলাল

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ 'মূলধারা-৭১' কে লিখেছেন?
  1. আনিসুল হক
  2. মঈদুল হাসান
  3. জহির রায়হান
  4. সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
মঈদুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঈদুল হাসান
ব্যাখ্যা
• 'মূলধারা-৭১':
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস রচনায় এই গ্রন্থ নিঃসন্দেহে মূল্যবান সংযোজন। লেখক মঈদুল হাসান একাত্তর সালের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পটভূমিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সকল মূল উপাদানকেই একত্রে তুলে ধরেছেন।

১৯৮৬ সালে প্রথম প্রকাশের পর থেকেই বইটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটি নির্ভরযোগ্য বিবরণ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে এসেছে। ১৯৯২ সালে বইটির ২য় সংস্করণ প্রকাশিত হয়।

উৎস: 'মূলধারা-৭১' রচনা।
.
বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. দেনাপাওনা
  2. উদাসীন পথিকের মনের কথা
  3. রত্নবতী
  4. বিষাদ-সিন্ধু
সঠিক উত্তর:
রত্নবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রত্নবতী
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ — 'রত্নবতী'। 

• 'রত্নবতী' গ্রন্থ:
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রথম গ্রন্থ 'রত্নবতী' (১৮৬৯)।
- এটি মুসলমান সাহিত্যিক রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫) প্রকাশের চার বছর পর 'রত্নবতী' উপন্যাস প্রকাশিত হয়।
- লেখকের নাম পৃষ্ঠায় 'কৌতুকাবহ উপন্যাস' বলে উল্লেখ করেছেন। 
- প্রকৃতপক্ষে এটি রূপকথা জাতীয় শিক্ষামূলক একটি দীর্ঘ গল্প। 
- রাজকুমার সুকুমার ও মন্ত্রীপুত্র সুমন্তের মধ্যে 'ধন বড় না বিদ্যা বড়'- এ বিতর্ক এবং বিতর্কের সমাধানই 'রন্তবতী' এর মূল বিষয়। 

বাংলা সাহিত্যের আরো কিছু প্রথম সাহিত্যরচনার নাম:
• বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য 'বীরঙ্গনা'।
• বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'।
• বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ 'রত্নবতী'।
• বাংলা সাহিত্যের প্রথম ছোটগল্প 'ভিখারিণী'।
• বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্প 'দেনাপাওনা'।
• বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিক রচিত প্রথম নাটক 'বসন্তকুমারী'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
.
"করিতে পারি না কাজ
সদা ভয় সদা লাজ
সংশয়ে সংকল্প সদা টলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।" কোন কবির রচনা?
  1. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
  2. কামিনী রায়
  3. কুসুমকুমারী দাশ
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
কামিনী রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামিনী রায়
ব্যাখ্যা
• 'পাছে লোকে কিছু বলে' কবিতাটি লিখেছেন: 'কামিনী রায়'।
 - কবিতাটি কোন কাজ করতে গেলে অন্য মানুষের সমালোচনার ভয়ে নিজেকে ঘুটিয়ে রাখে - সেই দিকটায় আলোকপাত করা হয়েছে।

কামিনী রায়:
- কবি ও সমাজকর্মী কামিনী রায় ১৮৬৪ সালে বাকেরগঞ্জের বাসন্ডা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা চন্ডীচরণ সেন ছিলেন একজন ঐতিহাসিক  উপন্যাস লেখক ও পেশায় বিচারক।
- কামিনী রায় মাত্র আট বছর বয়স থেকে কবিতা লেখা শুরু করেন।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ আলো ও ছায়া প্রকাশিত হয় (১৮৮৯) সালে;  হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এর ভূমিকা লিখে দেন।

পাছে লোকে কিছু বলে,
- কামিনী রায়।

করিতে পারি না কাজ
সদা ভয় সদা লাজ
সংশয়ে সংকল্প সদা টলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।

আড়ালে আড়ালে থাকি
নীরবে আপনা ঢাকি,
সম্মুখে চরণ নাহি চলে
পাছে লোকে কিছু বলে।

উৎস: সাহিত্য কণিকা, অষ্টম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
"জীবনে যাদের হররোজ রোজা ক্ষুধায় আসে না নিদ
মুমূর্ষু সেই কৃষকের ঘরে এসেছে কি আজ ঈদ?" - এই অংশটুকুর রচয়িতা কে?
  1. বন্দে আলী মিয়া
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. কায়কোবাদ
  4. সৈয়দ ইসমাঈল হোসেন সিরাজী
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
"জীবনে যাদের হররোজ রোজা ক্ষুধায় আসে না নিদ
মুমূর্ষু সেই কৃষকের ঘরে এসেছে কি আজ ঈদ?" - এই অংশটুকুর রচয়িতা - কাজী নজরুল ইসলাম।
- কবিতাংশটুকু কাজী নজরুল ইসলামের 'কৃষকের ঈদ' - কবিতার অন্তর্গত।

কৃষকের ঈদ- কবিতা,
- কাজী নজরুল ইসলাম।

বেলাল! বেলাল! হেলাল উঠেছে পশ্চিমে আশমানে,
লুকাইয়া আছ লজ্জায় কোন মরুর গোরস্তানে!
হেরো ঈদ্গাহে চলিছে কৃষক যেন প্রেত-কঙ্কাল
কশাইখানায় যাইতে দেখেছ শীর্ণ গোরুর পাল?
রোজা এফতার করেছে কৃষক অশ্রু-সলিলে হায়,
বেলাল! তোমার কন্ঠে বুঝি গো আজান থামিয়া যায়!
থালা ঘটি বাটি বাঁধা দিয়ে হেরো চলিয়াছে ঈদ্গাহে,
তির-খাওয়া বুক, ঋণে-বাঁধা-শির, লুটাতে খোদার রাহে।

জীবনে যাদের হররোজ রোজা ক্ষুধায় আসে না নিদ
মুমূর্ষু সেই কৃষকের ঘরে এসেছে কি আজ ঈদ?

উৎস: কৃষকের ঈদ- কবিতা - কাজী নজরুল ইসলাম।
.
"মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই" - উক্তিটি কে লিখছেন?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. কাজী কাদের নেওয়াজ
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. বিহারীলাল চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• "মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই" - পঙ্‌ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত  'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থের 'প্রাণ' কবিতার অন্তর্গত।

প্রাণ - কবিতা,
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

"মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।
এই সূর্য্য করে এই পুষ্পিত কাননে
জীবন্ত হৃদয় মাঝে যদি স্থান পাই!"

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা সাহিত্য (২০২০ সংস্করণ); প্রাণ - কবিতা; বাংলাপিডিয়া।
.
'আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হবো'- কোন উপন্যাসের সংলাপ?
  1. আগুনের পরশমণি
  2. সময়ের প্রয়োজনে
  3. যাত্রা
  4. আরেক ফাল্গুন
সঠিক উত্তর:
আরেক ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
• 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস:
বাঙালি জাতীয়তাবাদ আন্দোলন ও ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান ‘আরেক ফাল্গুন ‘ উপন্যাসটি রচনা করেন।
- ‘আরেক ফাল্গুন ‘ উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।  
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মিলন, ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, তাদের প্রেম- প্রণয় ইত্যাদি উপন্যাসটির মূল বিষয়।

- 'আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হব'- এই উপন্যাসের সংলাপ।

• এই উপন্যাসের চরিত্র গুলো হলো:
- মুমিন, 
 -আসাদ, 
- রসুল, 
- সালমা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
.
শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিক্তিক উপন্যাস -
  1. নিষিদ্ধ লোবান
  2. শ্যামল ছায়া
  3. যাপিত জীবন
  4. দুই সৈনিক
সঠিক উত্তর:
দুই সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই সৈনিক
ব্যাখ্যা
• "দুই সৈনিক" উপন্যাস:
- শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাস 'দুই সৈনিক' প্রকাশ হয় ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭১-এর ২৫শে মার্চ-পরবর্তী কোনো দিনের অনূর্ধ্ব পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে সংঘটিত একটি ঘটনার বাণীরূপ। 

• শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো-
- জাহান্নম হইতে বিদায়,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- জলাঙ্গী ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'শ্যামল ছায়া'।
• সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'নিষিদ্ধ লোবান'।
• 'যাপিত জীবন' সেলিনা হোসেনের দেশবিভাগ ও ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত উপন্যাস।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'কাবিলের বোন' এর লেখক কে?
  1. মাহমুদুল হক
  2. আল মাহমুদ
  3. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. তারেক মাসুদ
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
• 'কাবিলের বোন' উপন্যাস:
- 'কাবিলের বোন' আল মাহমুদ রচিত উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ২০০১ সালে প্রকাশিত হয়।
- যুক্ত ভারত ভেঙে পাকিস্তান এই শিকড় থেকে উপন্যাসের শুরু।
- এখানে এসেছে ভাষা আন্দোলন, বাঙালি-বিহারী ভাষাগত সমস্যা, উর্দুভাষী হলেই বিহারী মনে করা, আগরতলা মামলা, শেখ মুজিবের ৬দফা, ছাত্র আন্দোলন তথা বেশ ক'জন মানব- মানবীর প্রেম-ভালোবাসা, দুঃখ-কষ্ট, চাওয়া- পাওয়া নিয়ে যাপিত জীবনের বড় ক্যানভাসে মুক্তিযুদ্ধ। শেষ পর্যন্ত পাওয়া না পাওয়ার অসহনীয় কথামালার বিপুল আয়োজন।
- এই গ্রন্থে তিনি প্রমাণ করেছেন তিনি শুধু কবি আল মাহমুদ নন-তিনি জীবন থেকে নেয়া সময়ের সাহসী দ্রষ্টা ও স্রষ্টা।
----------------------
• আল মাহমুদ:
- কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।
- কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

• কবি আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো,
- আরব্য রজনীর রাজহাঁস,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘কাবিলের বোন' উপন্যাস।
১১.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক কোনটি?
  1. জীবন আমার বােন
  2. নেকড়ে অরণ্য
  3. কী চাহ শঙ্খচিল
  4. হাঙর নদী গ্রেনেড
সঠিক উত্তর:
কী চাহ শঙ্খচিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কী চাহ শঙ্খচিল
ব্যাখ্যা
• 'কী চাহ শঙ্খচিল' নাটক:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'কী চাহ শঙ্খচিল' নাটকের রচয়িতা মমতাজউদ্দীন আহমেদ।  
- মমতাজউদ্দীন আহমেদ রচিত 'কি চাহ শঙ্খচিল’ নাটকে তিনি মুক্তিযুদ্ধপরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে মানুষের পাওয়া না পাওয়ার বেদনা, হারানাের বেদনা মূর্তি নির্মাণ করেছেন।
- আজকাল যে বীরাঙ্গনাদের (বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ধর্ষিত ও নির্যাতিত নারীদের জন্য একটি খেতাব) নিয়ে কথা হয় তাঁরই একটি চিত্র চিত্রিত হয়েছে এই নাটকে।
- আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বাস্তবে বীরাঙ্গনার অবস্থার নাটকীয় উপস্থাপনা দেখা যায় নাটকটিতে।

অন্যদিকে,
- মাহমুদুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'জীবন আমার বােন'।
- 'নেকড়ে অরণ্য' উপন্যাসের রচয়িতা শওকত ওসমান।
- 'হাঙর নদী গ্রেনেড' উপন্যাসের রচয়িতা সেলিনা হোসেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
"কাব্যচর্চা না করলে মানুষে জীবনের একটা বড়ো আনন্দ থেকে স্বেচ্ছায় বঞ্চিত হয়।" - উক্তিটি কার?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
  4. প্রমথ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• "কাব্যচর্চা না করলে মানুষে জীবনের একটা বড়ো আনন্দ থেকে স্বেচ্ছায় বঞ্চিত হয়।" - বিখ্যাত উক্তিটি বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীর। 
- তিনি তাঁর 'বই পড়া' প্রবন্ধে আলোচ্য উক্তিটি করেন।
------------
প্রমথ চোধুরী:
• বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
• বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। 
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলো প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
"নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?" কোন মঙ্গলকাব্যের উক্তি?
  1. মনসামঙ্গল
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. ধর্মমঙ্গল
  4. অন্নদামঙ্গল
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা
• ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য:
- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করলেও তাঁর শ্রেষ্টসৃষ্টি ‘অন্নদামঙ্গল' (১৭৫২-৫৩ সালে) রচনা করেন ও এই কাব্যের দ্বিতীয়ংশ ‘বিদ্যাসুন্দর'।
- ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের বৈশিষ্ট্য হলো ছন্দ ও অলঙ্কারের সুদক্ষ প্রয়োগ।
- সমালোচক অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে: ‘অন্নদামঙ্গলকাব্য অষ্টদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের অন্যতম।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল এবং মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

অন্নদামঙ্গল কাব্যের কিছু বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি হলো:
- আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।
- মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
- হাভাতে যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়।
- নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?
- না রবে প্রাসাদগুণ না হবে রসাল, অতএব কহি ভাষা যাবনী মিশাল।
- বড়র পিরীতি বালির বাঁধ! ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষনেকে চাঁদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪.
বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতার নাম -
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. আহসান হাবীব
  3. কায়কোবাদ
  4. ফররুখ আহমদ
সঠিক উত্তর:
কায়কোবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা
• কায়কোবাদ:
- ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী।
- ‘কায়কোবাদ’ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতা কায়কোবাদ।
- মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য 'বিরহবিলাপ' প্রকাশিত হয়।
 
• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: 
- অশ্রুমালা (গীতিকাব্য),
- মহাশ্মশান (মহাকাব্য),
- শিবমন্দির,
- অমিয়ধারা,
- শ্মশান-ভস্ম,
- মহরম শরীফ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
"মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।" - রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকে উক্তিটি কে করেছেন?
  1. ইব্রাহিম কার্দি
  2. নবাব সুজাউদ্দৌলা
  3. জোহরা
  4. হিরণবালা
সঠিক উত্তর:
নবাব সুজাউদ্দৌলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবাব সুজাউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
• ‘রক্তাক্ত প্রান্তর':
- মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' রচিত হয়েছে মহাকবি কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' গ্রন্থের কাহিনি থেকে।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' মুনীর চৌধুরীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা অবলম্বনে তিনঅঙ্ক বিশিষ্ট নাটকটি রচিত।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি ইতিহাস-আশ্রিত নাটক।
- ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।' রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের একটি জনপ্রিয় উক্তি। নাটকে উক্তিটি বলেছেন নবাব সুজাউদ্দৌলা।
- চরিত্র: ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা, হিরণবালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।