পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪৮
সিলেবাস
Exam - 7 The Code of Criminal Procedure, 1898 - 1 Topic: Section 1-403
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৮ প্রশ্ন

.
সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট হতে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রম-
  1. বিচারিক কার্যক্রম
  2. অনুসন্ধান
  3. তদন্ত
  4. খ এবং গ সম্মিলিতভাবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ৪(১)(ঞ) ও ( ঝ) ধারা মতে-
• সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোন পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট হতে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত সকল কার্যক্রমকে তদন্ত বলে।
• অনুসন্ধান অর্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত কর্তৃক পরিচালিত বিচার ব্যতীত সমস্ত অনুসন্ধান।
.
সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন কে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০ মোতাবেক গুরুতর অপরাধ নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেইসব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করতে পারেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এর ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট এর বেঞ্চ।
.
২০০৭ সালের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে কত প্রকার ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন?
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে ম্যাজিস্ট্রেট দুই প্রকার,
- জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 
- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, [ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা৬(২)],

• জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর বিধান ২০০৭ সালে Retrospective effect দিয়ে যুক্ত করা হয়।
.
কামাল এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৪২ ধারা মোতাবেক অভিযোগ করা হয়েছে যে, “সে জাল মুদ্রা দখলে রেখেছে এবং সে যখন তা দখলে এনেছিলো তখন সে এগুলোকে জাল বলে জানত” কিন্তু “প্রতারণামূলকভাবে” শব্দটি অভিযোগ হতে বাদ পড়েছে। এখন এই বাদ যাবার ফলে করিম বিভ্রান্ত হয়েছে বলে যদি প্রতীয়মান না হয়, তাহলে ভুলটিকে গুরুতর বলে গণ্য করা যাবে না। এটি ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ২২২
  2. ২২৩
  3. ২২৫
  4. ২২৬
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-২২৫ মোতাবেক অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে তা যদি আসামীর বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে এবং তা যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত না করে, তাহলে উহা মামলার কোন পর্যায়ে গুরুতর বলে গণ্য হবে না।
.
কোন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট দায়রা জজের অধীনে কাজ করেন?
  1. সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ধারা ১৫ এর আওতায় গঠিত বেঞ্চ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭ মোতাবেক সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ধারা ১৫ এর আওতায় গঠিত বেঞ্চ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অধীনে এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়রা জজের অধীনে কাজ করবেন।
• অতএব, উপরের সকলেই দায়রা জজের অধীনে কাজ করবেন।
.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধের তদন্ত _______ দিনের মধ্যে সমাপ্ত না হলে আসামি জামিনে মুক্ত হতে পারে।
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৫০ দিন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা-১৬৭(৫) মোতাবেক ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারলে দায়রা আদালত সকল ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন। তবে জামিনে মুক্তি দেয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ______ ধারায় বলা আছে বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের অপরাধের বিচার করতে পারবে এবং _______ ধারায় বলা আছে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কতটুকু সাজা দিতে পারবে।
  1. ২৯, ২৯গ
  2. ২৯খ, ৩৩
  3. ২৯গ, ৩৩ক
  4. ২৯গ, ৩৩খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৯গ ধারায় বলা আছে বিশেষক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের অপরাধের বিচার করতে পারবে
• ৩৩ক ধারায় বলা আছে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কতটুকু সাজা দিতে পারবে।
• ২৯গ ধারায় ক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন।
.
নিচের কোনটি পুলিশ ডায়েরি এর ব্যবহার নয়?
  1. ফৌজদারি আদালতে পুলিশ ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  2. ফৌজদারি আদালত অনুসন্ধান বা বিচারের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে পুলিশ ডায়েরি তলব করতে পারে।
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুযায়ী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে।
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারা অনুযায়ী জেরায় ব্যবহার করা যাবে।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭২(২) মোতাবেক যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশ ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে পারেন এবং এই ডায়েরি সংশ্লিষ্ট মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ হিসাবে নয়, তবে মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের সহায়ক হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।

• আদালত কেবল এই ডায়েরি দেখেছেন বা এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন বলেই আসমী বা তার প্রতিনিধি তাচেয়ে পাঠাবার বা দেখার অধিকারী হবেন না; তবে এই ডায়েরি প্রণয়নকারী পুলিশ অফিসার যদি তার স্মৃতি সজীব করার জন্য ব্যবহার করেন, অথবা আদালত যদি উক্ত অফিসারের বিরোধিতা করার জন্য উহা ব্যবহার করেন, তাহলে ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা বা ১৪৫ ধারা, যেখানে যেরূপ প্রযোজ্য হবে।
.
একজন ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট একজন অপরাধীকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। অপরাধী জরিমানা প্রদানে অপারগ হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট তাকে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ২বছর
  2. ৩বছর
  3. ৫বছর
  4. ৫. ২৫ বছর
ব্যাখ্যা

একজন ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট নির্জন কারাবাসসহ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দিতে পারেন, [ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা- ৩২]
• তবে জরিমানা অনাদায়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনে অনুমোদিত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ড দিতে পারেন তবে তা ম্যাজিস্ট্রেট এর ক্ষমতার বাইরে হবে না।
• ম্যাজিস্ট্রেট যে মামলার বিচার করবেন তাতে মূল দণ্ডের অংশ হিসাবে কারাদণ্ড দেয়া হয়ে থাকলে জরিমানা অনাদায়ে যে কারাদণ্ড দেয়া হবে তার মেয়াদ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত অপরাধের জন্য জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ড হিসাবে ছাড়া অন্যভাবে যে দণ্ড দিতে পারেন তার এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না।

• আবার, ৩২ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট যে সর্বাধিক মেয়াদের মূল কারাদণ্ড দিতে পারেন তার সাথে এই ধারা অনুসারে প্রদত্ত কারাদণ্ড যোগ করা যেতে পারে। অতএব, মোট কারাদণ্ড হবে সর্বোচ্চ ৪+ (৫ এর এক-চতুর্থাংশ = ১.২৫)
অর্থাৎ ৫.২৫ বছর।

১০.
মৃত্যুর কারণ উদঘাটন এর জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৪
  2. ১৭৬(২)
  3. ১৭৬
  4. ১৭৫(২)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৬(২) মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট যদি মৃত্যুর কারণ উদঘাটন এর জন্য লাশ পরীক্ষা করে দেখার প্রয়োজন মনে করেন তা হলে তিনি লাশটি কবর থেকে তোলার এবং তা পরীক্ষা করে দেখার ব্যবস্থা করতে পারেন।
১১.
একই বিচারে জাফরুল্লাহকে দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারায় ২ বছর এবং ৩২৫ ধারায় ৪ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। বিচার চলাকালীন সে ১ বছর জেলে ছিলো। তাকে আর কয় বছর জেলে থাকতে হবে?
  1. ৫ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা-৩৫ক মোতাবেক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি জেলহাজতে থাকলে সেক্ষেত্রে কারাদণ্ডের মেয়াদ বাদ দিতে হবে।
- যেহেতু জাফরুল্লাহ এর মোট সাজা ৬ বছর এবং ইতোমধ্যে সে ১ বছর হাজতবাস করে ফেলেছে, তার আরো ৫ বছর জেলে থাকতে হবে।
১২.
একাধিক অভিযোগের একটিতে দণ্ডিত হলে অবশিষ্টগুলির কী ঘটবে?
  1. আদালত উক্ত অভিযোগসমূহের বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
  2. সরকারপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন।
  3. ক এবং খ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ২৪০ (একাধিক চার্জের একটিতে দন্ডিত হওয়ার পর অবশিষ্টগুলি প্রত্যাহার) মোতাবেক-
- যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়, তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অফিসার অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন, অথবা আদালত স্বত্বঃপ্রবৃত্ত হয়ে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
- এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে; যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।
১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক Court GD করা হয়?
  1. ৪০
  2. ৪১
  3. ৪৩
  4. ৪৪
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা-৪৪ মোতাবেক Court GD করা হয়।
• এই ধারা মোতাবেক জনসাধারণ নির্দিষ্ট কিছু অপরাধীদের (দণ্ডবিধির ১২১, ১২১ক, ১২২-১২৪ক, ৩০২-৩০৪ এবং অন্যান্য ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য) বা অপরাধ করার অভিপ্রায় আছে এমন কোন তথ্য জানতে পারলে অবিলম্বে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে এই সম্পর্কে তথ্য বা সংবাদ দিবেন।
১৪.
কাজল ১২ মাসের মধ্যে ৯ টি ল্যাপটপ ছিনতাই করে এবং ছিনতাইকৃত ল্যাপটপসমূহ খলিল এর নিকট গচ্ছিত রাখে এবং খলিল সেগুলোর ৫ টি রহমান এর কাছে এবং ৪ টি জিতু এর কাছে বিক্রয় করে।খলিল, রহমান এবং জিতু জানতো যে সেগুলো ছিনতাইকৃত ল্যাপটপ। এক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক।
  1. কাজল, খলিল, রহমান এবং জিতু এর একত্রে বিচার হবে।
  2. কাজল, খলিল, রহমান এবং জিতু এর পৃথকভাবে বিচার হবে।
  3. শুধুমাত্র কাজল ও খলিল এর একত্রে বিচার হবে।
  4. শুধুমাত্র রহমান এবং জিতু এর একত্রে বিচার হবে।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা-২৩৯ মোতাবেক-
• নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণকে একত্রে অভিযুক্ত ও বিচার করা যাবেঃ
ক) একই ব্যাপারে কৃত একই অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ;
খ) কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং উক্ত অপরাধে সহায়তা দেয়া বা উক্ত অপরাধ করার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ;
গ) বারো মাস সময়ের মধ্যে কত ২৩৪ ধারার অর্থানুসারে একই ধরণের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ;
ঘ) একই ব্যাপারে কৃত বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ
ঙ) চুরি, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় বা অপরাধজনক আত্মসাৎ সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং এরূপ সম্পত্তি গ্রহণ বা রাখা বা গোপন করা বা হস্তান্তর করার সহায়তার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ। যে সম্পত্তির দখল প্রথমোক্ত ব্যক্তিগণ উক্ত অপরাধ দ্বারা হস্তান্তর করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে, অথবা, শেষোক্ত কোন অপরাধ করার জন্য সহায়তা দিয়াছে বা অপরাধের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
চ) দণ্ডবিধির- ৪১১ ও ৪১৪ ধারার অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ অথবা এমন চোরাইমাল সম্পর্কে উক্ত ধারা দুইটির যেকোন একটি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ। যে চোরাই মালের দখল একটি অপরাধ দ্বারা হস্তান্তরিত হয়েছে; এবং
ছ) জাল মুদ্র সম্পর্কে দ্বাদশ অধ্যায়ের কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং উক্ত মুদ্রা সম্পর্কে উক্ত অধ্যায়ের অন্য কোন অপরাধ বা অপরাধের সহায়তা বা অপরাধের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ।
১৫.
যুগ্ম দায়রা জজ কোন দণ্ডটি দিতে পারেন না?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১০ বছরের অধিক কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের অধিক কারাদণ্ড
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা-৩১ মোতাবেক দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন তবে মৃত্যু বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন না।
১৬.
জাহাঙ্গীর এর বিরুদ্ধে আগের চার্জ পরিবর্তন করে নতুন চার্জ গঠন করা হয়। এরূপ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীর এর আইনজীবী হিসেবে তার পক্ষে আপনার করণীয় কী?
  1. আপীল দায়ের।
  2. রিভিশন দায়ের।
  3. রিভিউ দায়ের।
  4. খ অথবা গ।
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২২৭(১) মোতাবেক রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।
- তবে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি রিভিশন দায়ের করতে পারে।
১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ________ ধারার অধীন ফরিয়াদি না থাকলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর পূর্বানুমতিক্রমে অন্য কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কার্যক্রম বন্ধ করতে পারেন এবং আসামীকে মুক্তি দিতে পারেন।
  1. ২৪৬
  2. ২৪৭
  3. ২৪৮
  4. ২৪৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৪৯ (ফরিয়াদী না থাকলে বিচার বন্ধ করার ক্ষমতা) মোতাবেক নালিশ ব্যতিত অন্য কোন উপায়ে রজু মামলায় কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট  কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা পুর্বানুমতিক্রমে অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট, কারণ লিপিবদ্ধ করে মামলার যেকোন পর্যায়ে খালাস অথবা দণ্ডের রায় প্রকাশ না করেই কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবেন এবং অতঃপর আসামীকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারাটি স্ত্রীলোক সম্পর্কিত?
  1. ৪৭
  2. ৫১
  3. ৫২
  4. ৫৩
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৫২ তে স্ত্রীলোকের দেহতল্লাশী এর পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে।
• কোন নারীর দেহ তল্লাশীর প্রয়োজন হলে অন্যকোন নারী দ্বারা কঠোরভাবে শালীনতা বজায় রেখে তল্লাশী করতে হবে।
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারায় 'সাফাই সাক্ষী' এর উল্লেখ আছে?
  1. ২৬৫খ
  2. ২৬৫ঘ(১)
  3. ২৬৫ছ(২)
  4. ২৬৫ঝ(৩)
ব্যাখ্যা
• আসামীপক্ষ যদি সাক্ষী হাজির করে তখন তাকে “সাফাই সাক্ষী” বলে।
• ফৌজদারী কার্যবিধি,  ১৮৯৮ এর ধারা ২৬৫ ঝ(৩) মোতাবেক আসামী যদি কোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু উপস্থিত করতে বাধ্য করার জন্য পরোয়ানা দেয়ার আবেদন করে, আদালত যদি লিপিবদ্ধ কারণে এরূপ মনে না করেন যে, বিরক্তি বা বিলম্ব ঘটার বা ন্যায় বিচার ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই উক্ত আবেদন করা হয়েছে বিধায় আবেদন অগ্রাহ্য করা উচিত, তাহলে এরূপ পরোয়ানা ইস্যু করবেন।
২০.
নিচের কোন ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে না?
  1. ঘরে চোরাইমাল পাওয়া গিয়েছে এমন ব্যক্তি।
  2. প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি
  3. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকৃত ব্যক্তি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী- যখন পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন এমন ৯ ধরনের ব্যক্তি হলেন
- প্রথম: কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত কোন ব্যক্তি
- দ্বিতীয়: আইনসংগত কারণ ব্যতিত যার নিকট ঘর ভাঙ্গার কোন সরঞ্জাম রয়েছে
- তৃতীয়: এই কার্যবিধি অনুসারে অথবা সরকারের আদেশ দ্বারা যাকে অপরাধী ঘোষণা করা হয়েছে:
- চতুর্থ: চোরাইমাল পাওয়া গেলে
- পঞ্চম: পুলিশ অফিসারকে তার কার্যে বাধাদানকারী ব্যক্তি অথবা যে ব্যক্তি আইনসংগত হেফাজত হতে পলায়ন করেছে অথবা পলায়নের চেষ্টা করে:
- ষষ্ঠ: বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী।
- সপ্তম: বাংলাদেশে করা হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, বাংলাদেশের বাইরে কৃত এরূপ কোন কার্যের সাথে জড়িত ব্যক্তি।
- অষ্টম: কোন মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী যে ৫৬৫ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে প্রণীত কোন নিয়ম লংঘন করে;
- নবম: যাকে গ্রেফতারের জন্য অন্য কোন পুলিশ অফিসারের নিকট হতে অনুরোধ পাওয়া গেছে।
২১.
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে অব্যাহতি দিলে তার বিরুদ্ধে ফরিয়াদি কী ব্যবস্থা নিতে পারেন?
  1. রিভিশন
  2. আপীল
  3. রিভিউ
  4. উচ্চতর আদালতে মামলা দায়ের।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২৪১ক মোতাবেক আসামী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট  মামলার নথি ও তৎসহ দাখিলকৃত যাবতীয় কাগজপত্র বিবেচনা করে যদি ম্যাজিস্ট্রেট  প্রয়োজন মনে করেন সেই মোতাবেক আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করে এবং ফরিয়াদী ও আসামীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দান করে যদি মনে করেন যে, অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে তিনি আসামীকে অব্যাহতি দিবেন এবং এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন। ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে অব্যাহতি দিলে তার বিরুদ্ধে ফরিয়াদি রিভিশন দায়ের করতে পারেন।
২২.
জহির একজন মুদি দোকানি। সে তার পাশের দোকানে চোরাইমাল আছে জানতে পেরেও এই দোকানিকে আটক করে এবং পরবর্তীতে পুলিশে সোপর্দ করে। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা তার এই কাজকে সমর্থন করে?
  1. ৫৬
  2. ৫৭
  3. ৫৯
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা-৫৯ (বেসরকারী লোক কর্তৃক গ্রেফতার ও এইরূপ ক্ষেত্রে পদ্ধতি) অনুযায়ী- যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
২৩.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-২৪১ক এর প্রায় অনুরূপ আরেকটি ধারা কোনটি?
  1. ২৬৫ক
  2. ২৬৫গ
  3. ২৬৫ঘ(১)
  4. কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২৪১ক মোতাবেক আসামী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট  মামলার নথি ও তৎসহ দাখিলকৃত যাবতীয় কাগজপত্র বিবেচনা করে যদি ম্যাজিস্ট্রেট  প্রয়োজন মনে করেন সেই মোতাবেক আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করে এবং ফরিয়াদী ও আসামীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দান করে যদি মনে করেন যে, অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে তিনি আসামীকে অব্যাহতি দিবেন এবং এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২৬৫গ মোতাবেক মামলার নথি এবং তার সাথে দাখিলী দলিলাদি বিবেচনা এবং তৎসম্পর্কে আসামী ও সরকার পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামীর বিরুদ্ধে মামলা চালানোর কোনই কারণ নেই, তাহলে আদালত আসামীকে অব্যাহতি দিবেন এবং তদ্রুপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কত ধারা মোতাবেক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা হয়?
  1. ৭০
  2. ৬১
  3. ৮১
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ৬১ ধারায় ও পরোয়ানাসমেত গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ৮১ ধারায় আদালতে হাজির করা হয়।
[ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬১ ও ৮১]
২৫.
সাক্ষ্যের অভাবে শাস্তি থেকে অপরাধী যেন অব্যাহতি না পায় তার জন্য একজন অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করে তাকে বাকি অপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ৩৩৭
  2. ৩৩৮
  3. ৩৪০
  4. ৩৪২
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৩৭ (অপরাধীর সহযোগীকে ক্ষমার প্রস্তাব)  মোতাবেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধীর সহযোগীকে অপরাধটির তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন পর্যায়ে ক্ষমা করতে পারেন।
- এই ধারার লক্ষ্য, সাক্ষ্যের অভাবে শাস্তি থেকে অপরাধী যেন অব্যাহতি না পায় তার জন্য একজন অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করে তাকে বাকি অপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী করা হয়।
২৬.
ফৌজদারী কার্যবিধি এর কোন ধারার তল্লাশি পরোয়ানা বাতিলের জন্য রিভিশন করা যায়?
  1. ৯৬ ও ৯৭
  2. ৯৭ ও ৯৯
  3. ৯৮ ও ১০০
  4. ৯৬ ও ১০০
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৯৬ ধারা মোতাবেক আদালত মূলত দলিল বা অন্যান্য দ্রব্যাদি হাজির করার জন্য 
- ধারা ১০০ তে বেআইনিভাবে আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশি পরোয়ানা জারি করে থাকেন।
[ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ৯৬ ও ১০০]
২৭.
বিচারিক আদালত মামলার কোন স্তর পর্যন্ত রায় পরিবর্তন করতে পারেন?
  1. চার্জ গঠনের সময়।
  2. রায় স্বাক্ষর এর আগ পর্যন্ত।
  3. রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত।
  4. আসামীকে কারাগারে প্রেরণের আগ পর্যন্ত।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৯ মোতাবেক এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ছাড়া উহা পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করবেন না।
২৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি এর ৯৯ক ধারা মোতাবেক বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিল করার জন্য কত দিনের ভিতর হাইকোর্ট বিভাগের নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪৫ দিন
ব্যাখ্যা
•[ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৯৯ক ধারা] মোতাবেক বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিল করার জন্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বাজেয়াপ্তির আদেশের তারিখ থেকে ২ মাসের ভিতর হাইকোর্ট বিভাগের নিকট আবেদন করতে হবে।
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক আসামী নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারে?
  1. ৩৩৮
  2. ৩৩৯
  3. ৩৪০
  4. ৩৪১
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ১৪০ অনুযায়ী-
- যার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করার অধিকার ও সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা আছে।
- তবে শর্ত এই যে, সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না অথবা সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।
৩০.
নিচের কোনটি গ্রেফতার এর নিয়ম নয়?
  1. স্পর্শ না আটকের মাধ্যমে গ্রেফতার করবে।
  2. গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধা দিলে সকল প্রয়োজনীয় পন্থা অবলম্বন করা
  3. আসামীকে গ্রেফতার করা না গেলে তার নিকটাত্মীয়কে থানায় সোপর্দ করা
  4. মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করার জন্য মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ৪৬ মোতাবেক গ্রেফতার এর নিয়ম সমূহ
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধঃ এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা মোতাবেক 'ব্যভিচার' এর ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির আপোসের ক্ষমতা রয়েছে।
  1. যে নারীর সাথে ব্যভিচার করা হয়েছে
  2. যে ব্যভিচার করেছে
  3. যে নারীর সাথে ব্যভিচার করা হয়েছে তার স্বামী
  4. যে ব্যক্তি ব্যভিচার করেছে তার স্ত্রী (যদি থাকে)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা মোতাবেক 'ব্যভিচার' এর ক্ষেত্রে যে নারীর সাহায্যে ব্যভিচার করা হয়েছে তার স্বামীর আপোসের ক্ষমতা রয়েছে।
৩২.
ক্রোককৃত সম্পত্তি প্রাণী অথবা পচনশীল প্রকৃতির হলে সেক্ষেত্রে আদালতের করণীয় কী?
  1. যার সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে তাকে ফিরিয়ে দেয়া।
  2. ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিক পলাতক হলে তার উত্তরাধিকার বা নিকটাত্মীয় এর নিকট হস্তান্তর করা।
  3. বিক্রি করে দেয়া।
  4. ক অথবা খ।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৮৮(৫) মোতাবেক ক্রোককৃত সম্পত্তি প্রাণী বা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত প্রয়োজন মনে করলে অবিলম্বে তা বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারবেন।
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগ সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করতে পারে?
  1. ৩৬৪
  2. ৩৬৫
  3. ৩৬৬
  4. ৩৬৭
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৫ (হাইকোর্ট বিভাগে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ) মোতাবেক সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে সাধারণ নিয়ম প্রণয়নের দ্বারা উক্ত আদালতে আগত মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নিয়মানুসারে সাক্ষ্য গৃহীত হবে।
৩৪.
ক্রোক সম্পত্তি পুনরুদ্ধার এর জন্য কোনটি প্রমাণ করতে হয়?
  1. সে পলাতক ছিলো না।
  2. হুলিয়ার নোটিশ পায় নাই।
  3. পরোয়ানা কার্যকরী করণ এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করে নাই।
  4. উপরের সব কয়টি।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৮৯ মোতাবেক যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারার অধীন সরকারের হেফাজত ভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে সে যদি ক্রোকের তারিখ হতে দুই বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা এই আদালত যে আদালতের অধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করা হয় এবং এই মর্মে প্রমাণ করা উক্ত আদালতের সম্ভষ্টি বিধান করে যে সে পলাতক ছিল না বা পরোয়ানা কার্যকরীকরণ এড়াবার জন্য যে আত্মগোপন করেনি এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হবার জন্য যে হুলিয়ার নোটিশ পায় নাই, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কাটিয়া নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা উহা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে প্রদান করতে হবে।
৩৫.
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ৩৬৭
  2. ৩৬৬
  3. ৩৬৯
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৩৬৮ মোতাবেক। অর্থাৎ উপরের কোন উত্তরই সঠিক নয়। তাই উত্তর হবে (ঘ)।
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৪ ধারায় দলিল উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারেন ________?
  1. আদালত সমন জারি করে।
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা লিখিত আদেশ দ্বারা।
  3. ক এবং খ উভয়।
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সমন দ্বারা।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৯৪(১) (দলিলাদি অথবা অন্য জিনিস দাখিল করার সমন) মোতাবেক যখন কোন আদালত বা কেস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই কার্যবিধির অধীন কোন তদন্ত অনুসন্ধান এই কার্যবিধি অধীন কোন তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং চলাকালে মনে করেন যে, উক্ত কার্যের জন্য কোন দলিল বা কোন জিনিস প্রয়োজনীয় বা বাঞ্চনীয় তখন উক্ত আদালত বা অফিসার সমন বা লিখিত আদেশ দ্বারা যে ব্যক্তির নিকট দলিল বা বস্তু রয়েছে বলে অনুমতি হয়, তাকে সমন বা আদেশে লিখিত সময়ে ও স্থানে হাজির হতে এবং উহা হাজির করতে অথবা উহা দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবেন।
৩৭.
কোন মামলা একাধিক বিচারক নিয়ে গঠিত কোন বেঞ্চে শ্রুত হলে এবং উক্ত বিচারকগণ তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হলে কী করণীয়?
  1. মামলা উচ্চতর আদালতে প্রেরণ করা।
  2. উভয় পক্ষের আইনজীবী এর মতামত নেয়া।
  3. অন্য একজন বিচারকের মতামত নেয়া।
  4. নতুন বেঞ্চ গঠন করা।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৩৭৮ এ মতানৈক্যের ক্ষেত্রে কার্যপদ্ধতি বলা হয়েছে।
• যদি কোন মামলা একাধিক বিচারক নিয়ে গঠিত কোন বেঞ্চে শ্রুত হলে এবং উক্ত বিচারকগণ তাদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হলে তাদের মতামতসহ অন্য একজন বিচারকের নিকট পেশ করতে হবে এবং তিনি যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ রায় দিতে পারেন।
৩৮.
ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সদাচরণের মুচলেকা দিতে পারেন কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
  2. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
  3. ক অথবা খ।
  4. পুলিশ কর্মকর্তা।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১০৯ ধারা মোতাবেক ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সদাচরণের মুচলেকা দিতে পারেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
৩৯.
কালাম এর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন দায়রা আদালত এবং উক্ত আদেশ অনুমোদনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করে। হাইকোর্ট বিভাগ _______
  1. কালামকে খালাস দিতে পারে।
  2. উক্ত আদেশ বাতিল করে নতুন দণ্ডাদেশ দিতে পারে।
  3. উক্ত দণ্ডাদেশ বহাল রাখতে পারে।
  4. উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৭৬ ধারা মোতাবেক ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ __
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামীকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নতুন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামীকে খালাস দিতে পারবেন, তবে শর্ত এই যে, আপীলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপীল পেশ করা হলে উহ নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারার অধীনে প্রদত্ত মুচলেকার মেয়াদ ৩ বছর?
  1. ১০৭
  2. ১০৮
  3. ১০৯
  4. ১১০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১০৭ ধারার (অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার মুচলেকা) এর মেয়াদ ১ বছর, ১০৮ ধারার (রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তিদের নিকট থেকে সদাচরণ এর জন্য)  মুচলেকার মেয়াদ ১ বছর, ১০৯ ধারার (ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের সদাচরণ এর জন্য) ১ বছর ও ১১০ ধারার (অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ এর জন্য) মুচলেকার মেয়াদ ৩ বছর।
৪১.
জমিলা খাতুনকে খুনের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার পর মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গেলো যে সে গর্ভবতী। পরবর্তীতে হাইকোর্ট বিভাগ তার সাজা হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা এই ঘটনাকে সমর্থন করে?
  1. ৩৮২
  2. ৩৮৩
  3. ৩৮৪
  4. ৩৯৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৮২ মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
৪২.
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন কে?
  1. পুলিশ কমিশনার
  2. সেনাবাহিনী প্রধান
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১২৯ ধারা মোতাবেক মহানগর এলাকায় মহানগর পুলিশ কমিশনার এবং মহানগর এলাকার বাইরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন।
৪৩.
গুরুতর আঘাত করার জন্য মাসুদ এর বিচার করে দণ্ডিত করার পর আহত ব্যক্তি মারা গেলো। ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা মোতাবেক অপরাধজনক নরহত্যার দায়ে পুনরায় মাসুদ এর বিচার করা যাবে?
  1. ৪০৩(১)
  2. ৪০৩(২)
  3. ৪০৩(৩)
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩(৩) অনুসারে যখন কোন ব্যক্তি কোন কার্যদ্বারা সৃষ্ট কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় (এক্ষেত্রে গুরুতর আঘাত) এবং উক্ত কার্য ও তার প্রতিক্রিয়া সমন্বয়ে তদপেক্ষা ভিন্ন ধরনের একটি অপরাধ সৃষ্টি হয় (এক্ষেত্রে নরহত্যা) , তখন উক্ত প্রতিক্রিয়া না ঘটে থাকে বা ঘটেছে বলে আদালত অবহিত না থাকলে পরবর্তীতে শেষোক্ত অপরাধের (নরহত্যা)  জন্য বিচার করা যাবে।
৪৪.
গণ-উপদ্রব এর বিধান ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা সমূহে বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. ১৩২ থেকে ১৪৩
  2. ১৩২ থেকে ১৪২
  3. ১৩২ ক থেকে ১৪৩
  4. ১৩২ ক থেকে ১৪২
ব্যাখ্যা
• গণ-উপদ্রব এর বিধান ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১৩২ক থেকে ১৪৩ পর্যন্ত ধারাসমূহে বর্ণনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই ধারার বিধানসমূহ মহানগর এলাকার জন্য প্রযোজ্য নয়।
৪৫.
১০৬ থেকে ১০৮ ধারার অধীন মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে তার সাজা কী?
  1. অনধিক এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  2. অনধিক তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  3. অনধিক এক বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
  4. অনধিক তিন বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১০৬ ধারার (দণ্ডিত হওয়ার পর শান্তি রক্ষার মুচলেকা), ১০৭ ধারার (অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার মুচলেকা), ১০৮ ধারার (রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তিদের নিকট থেকে সদাচরণ এর জন্য)  মুচলেকা দিতে ব্যর্থ হলে তার সাজা অনধিক ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড [ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১২৩]
৪৬.
রায়ে অন্তর্ভুক্ত থাকে না নিচের কোন বিষয়টি?
  1. বিচার্য বিষয়সমূহ।
  2. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ।
  3. আসামীকে যে অপরাধে ও কোন আইনের কোন ধারায় দণ্ডিত করা হলো এবং যে শাস্তি দেয়া হলো।
  4. আসামীর অপরাধ সংঘটনের কারণ ও পূর্ব ইতিহাস।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৬৭ ধারা মোতাবেক রায়ের বিষয়বস্তু হলো-
১. বিচার্য বিষয়সমূহ।
২. সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের কারণ।
৩. আসামীকে যে অপরাধে ও কোন আইনের কোন ধারায় দণ্ডিত করা হলো এবং যে শাস্তি দেয়া হলো।
৪. আসামীকে খালাস দেওয়া হলে যে অপরাধ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে তা উল্লেখ করতে হবে।
৫. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কয়েক বছর এর কারাদণ্ড দেয়া হলে আদালতকে উক্ত শাস্তির কারণ উল্লেখ করতে হবে।
৪৭.
মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে পারেন কে?
  1. পুলিশ কমিশনার
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
•  ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৪৪ ধারার বিধানসমূহ মহানগর এলাকার জন্য প্রযোজ্য নয় অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে পারেন না, [ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৪৪(৭)] কিন্তু মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনারকে ১৪৪ ধারা জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারায় আসামীকে কোন প্রকার শপথ করানো যাবে না কথাটি উল্লেখ আছে?
  1. ৩৪০
  2. ৩৪১
  3. ৩৪২
  4. ৩৪৩
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৩৪২(৪) ধারায় (আসামীকে পরীক্ষা করার ক্ষমতা)  আসামীকে কোন প্রকার শপথ করানো যাবে না কথাটি উল্লেখ আছে।