পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়05 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪৫: বিষয়:বাংলা টপিক: সমাস, এক কথায় প্রকাশ। উৎস: মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই (উভয় সংস্করণ), বাংলা একাডেমি অভিধান, ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ বা যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
'ঘোলাটে' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. অলুক তৎপুরুষ সমাস
  2. প্রাদি সমাস
  3. নিত্য সমাস
  4. অলুক বহুব্রীহি সমাস
সঠিক উত্তর:
নিত্য সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্য সমাস
ব্যাখ্যা
• নিত্য সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো সর্বদা সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না, সে সমাসকে নিত্য সমাস বলা হয়। এ সমাসের ব্যাসবাক্যের প্রারম্ভে 'অন্য' বা 'কেবল' প্রভৃতি শব্দ বসে।
যেমন:
- অন্য গ্রাম - গ্রামান্তর;
- অন্য দেশ - দেশান্তর;
- কেবল দর্শন - দর্শনমাত্র;
- কেবল যাওয়া - যাওয়ামাত্র;
- এক জন - জনৈক;
- প্রতিমাথা - মাথাপিছু;
- ঈষৎ ঘোলা - ঘোলাটে;
- কেবল বলা - বলামাত্র।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘রাত্রিকালীন যুদ্ধ’ এক কথায় বলে-
  1. ত্রিযামা
  2. সৌপ্তিক
  3. যুধিষ্ঠির
  4. ঐন্দ্রজালিক
সঠিক উত্তর:
সৌপ্তিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌপ্তিক
ব্যাখ্যা
• ‘রাত্রিকালীন যুদ্ধ’ এক কথায় বলে - সৌপ্তিক।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
- ‘রাত্রির প্রথম ভাগ’ এক কথায় বলে -পূর্বরাত্র।
- ‘রাত্রির মধ্যভাগ’ এক কথায় বলে - মহানিশা। 
- ‘রাত্রির তিনভাগ একত্রে' এক কথায় বলে - ত্রিযামা। 
- ‘রাত্রির শেষভাগ' এর এক কথায় প্রকাশ - পররাত্র।  
- ‘ঘোর অন্ধকার রাত্রি’ এক কথায় বলে - তমিস্রা।
- ‘যিনি যুদ্ধে স্থির থাকে’  এর এক কথায় প্রকাশ - যুধিষ্ঠির।
- ‘অন্ধকার রাত্রি’ এক কথায় বলে - তামসী।
- 'ইন্দ্রজাল (জাদু) বিদ্যায় পারদর্শী' এক কথায় প্রকাশ - ঐন্দ্রজালিক।
- ‘কৃষ্ণপক্ষের শেষ তিথি’ এক কথায় বলে - অমাবস্যা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘যা বাক্যে প্রকাশযোগ্য নয়’ এক কথায় কী বলে?
  1. অনির্বচনীয়
  2. অব্যক্ত
  3.  দুরুচ্চার্য
  4. দুরাচরণীয়
সঠিক উত্তর:
অনির্বচনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনির্বচনীয়
ব্যাখ্যা
• ‘যা বাক্যে প্রকাশযোগ্য নয়’ এক কথায় বলে - অনির্বচনীয়।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ-
• ‘পালন করা কষ্টসাধ্য এমন’ এক কথায় বলে - দুরাচরণীয়।
• ‘বাক্যে প্রকাশ করা যায় না এমন’ এক কথায় বলে - অনির্বাচ্য।
• ‘যা প্রকাশ করা হয় নি’ এক কথায় বলে - অব্যক্ত। 
• ‘যা উচ্চারণ করা যায় না’ এক কথায় বলে - অনুচ্চার্য।
• ‘যা উচ্চারণ করা কঠিন’ এক কথায় বলে - দুরুচ্চার্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোনটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
  1. কেশাকেশি
  2. ঘরমুখো
  3. বদরাগী
  4. কালােবরণ
সঠিক উত্তর:
ঘরমুখো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘরমুখো
ব্যাখ্যা
• প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি:
বহুব্রীহি সমাসের পরে আ, এ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে সমাস তৈরি হয় তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- উন (দুর্বল) পাঁজর যার - উনপাঁজুরে।
- এক দিকে চোখ যার - একচোখা। 
- ঘরের দিকে মুখ যার - ঘরমুখো। 
- দুই দিকে যার মন - দোমনা ইত্যাদি।

এরূপ-দোটানা, একগুঁয়ে, অকেজো, একঘরে, দোনলা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
------------------
• ব্যতিহার বহুব্রীহি:
একই জাতীয় বিশেষ্যপদ পরপর বসে একই কাজের একটি অব্যাহত প্রক্রিয়া বোঝালে তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি।
[হাত শব্দের পুনঃ ব্যবহার করে একটি কর্মপ্রক্রিয়াকে উপস্থাপন করা হয়েছে।]

- কেশে কেশে ধরে যে যুদ্ধ = কেশাকেশি

তেমনই- কোলাকুলি, চোখাচোখি, ফাটাফাটি, টানাটানি, বকাবকি, হাসাহাসি, লাঠালাঠি, গালাগালি, চুলাচুলি, কানাকানি ইত্যাদি।

• মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি:
বহুব্রীহি সমাসের ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহৃত বাক্যাংশের কোনো অংশ যদি সমস্তপদে লোপ পায়, তবে তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি বলে।
যেমন:
- বিড়ালের চোখের ন্যায় চোখ যে নারীর = বিড়ালচোখী। 
- হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি

• সমানাধিকরণ বহুব্রীহি:
যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়ে থাকে, তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- কালাে বরণ যার = কালােবরণ। 
- পােড়া কপাল যার = পােড়াকপালে। 
- সমান উদর যার = সহোদর। 
- বদ রাগ যার = বদরাগী। 
- সুন্দর বর্ণ যার = সুবর্ণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ;প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
'হাতের চতুর্থ আঙুল' এক কথায় কী বলে?
  1. মধ্যমা
  2. তর্জনী
  3. অনামিকা
  4. কনিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
অনামিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনামিকা
ব্যাখ্যা
• 'হাতের চতুর্থ আঙুল' এক কথায় বলে - অনামিকা।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
• 'হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত' - পাণি। 
• হাতের প্রথম আঙুল (বুড়ো আঙুল) - অঙ্গুষ্ঠ।
• হাতের কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত অংশ - প্রকোষ্ঠ।
• হাতের তালু - করতল।
• হাতের কব্জি - মণিবন্ধ।
• হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত - পাণি।
• হাতের পঞ্চম আঙুল - কনিষ্ঠা।
• হাতের তৃতীয় আঙুল - মধ্যমা।
• হাতের দ্বিতীয় আঙুল - তর্জনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘চিনির বলদ’ কোন ধরনের তৎপুরুষ সমাস?
  1. দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
  2. সপ্তমী তৎপুরুষ
  3. অলুক তৎপুরুষ
  4. চতুর্থী তৎপুরুষ
সঠিক উত্তর:
অলুক তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলুক তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
• তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদের বিভক্তি লােপ পেয়ে এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে যে সমাস গঠিত হয়, তাকে বলা হয় তৎপুরুষ সমাস।

- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে, যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লােপ পায় এবং উত্তরপদের অর্থ প্রধানরূপে বুঝায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যে কোনাে বিভক্তি থাকতে পারে আর পূর্বপদের বিভক্তি হিসেবে এদের নামকরণ হয়।

• অলুক তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদের বিভক্তি লোপ না পেয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন: 
- চোখের বালি = চোখের বালি।
- সোনার তরী = সোনার তরী।
- তেলে ভাজা = তেলেভাজা।
- চিনির বলদ = চিনির বলদ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'কুকুরের ডাক' এক কথায় বলে-
  1. হুঙ্কার
  2. বুক্কন
  3. বৃংহণ
  4. ঘূৎকার
সঠিক উত্তর:
বুক্কন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুক্কন
ব্যাখ্যা
• 'কুকুরের ডাক' এক কথায় বলে - বুক্কন।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
• সিংহের নাদ (ডাক) - হুঙ্কার।
• ময়ূরের ডাক - কেকা।
• কোকিলের ডাক - কুহু।
• ‘পেঁচার ডাক’ - ঘূৎকার।
• অশ্বের ডাক - হ্রেষা।
• হাতির ডাক - বৃংহিত বা বৃংহণ।
• রাজহাঁসের কর্কশ ডাক - ক্রেঙ্কার।
• মোরগের ডাক - শকুনিবাদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘কুশীলব’ কোন ধরনের দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
  1. অলুক দ্বন্দ্ব
  2. একশেষ দ্বন্দ্ব
  3. বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব
  4. নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা
• দ্বন্দ্ব সমাস:
দ্বন্দ্ব শব্দের অর্থ সংঘাত বা বিবাদ হলেও সমাসের ক্ষেত্রে ‘দ্বন্দ্ব’ শব্দটি মিলন, জোড়া ও যুগল অর্থেই ব্যবহৃত হয়। সুতরাং যে সমাসে সমস্যমান প্রত্যেক পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

- এ সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের সম্বন্ধ বোঝানোর জন্য ব্যাসবাক্যে ও, এবং, আর- এ তিনটি অব্যয়পদ সংযোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
 
দ্বন্দ্ব সমাস নিম্নোক্ত কয়েক প্রকার হতে পারে-
- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব,
- বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব,
- বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব,
- অঙ্গবাচক দ্বন্দ্ব,
- বহুপদবিশিষ্ট দ্বন্দ্ব,
- সংখ্যাবাচক দ্বন্দ্ব,
- সমার্থক দ্বন্দ্ব,
- একশেষ দ্বন্দ্ব,
- অলুক দ্বন্দ্ব,
- নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব।

-------------------
• নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব: 
যে দ্বন্দ্ব সমাস কোনো নিয়ম মানে না তাকে নিপাতনে সিদ্ধ দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: 
- অহঃ ও নিশা = অহর্নিশ।
- অহঃ ও রাত্র = অহোরাত্র।
- দিবা ও রাত্রি = দিবারাত্র।
- কুশ ও লব = কুশীলব।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
.
'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ কী?
  1. বিবক্ষা
  2. জিগীষা
  3. বুভুক্ষা
  4. জুগুপ্সা
সঠিক উত্তর:
বুভুক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুভুক্ষা
ব্যাখ্যা
• 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা।

এরূপ আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ-
- নিন্দা করার ইচ্ছা - জুগুপ্সা।
- গমন করার ইচ্ছা - জিগমিষা।
- বিজয় লাভের ইচ্ছা - বিজিগীষা।
- হনন করার ইচ্ছা - জিঘাংসা।
- জয় করার ইচ্ছা - জিগীষা।
- লাভ করার ইচ্ছা - লিপ্সা।
- দেখবার ইচ্ছা - দিদৃক্ষা।
- বলবার ইচ্ছা - বিবক্ষা।
- বাঁচতে ইচ্ছা - জিজীবিষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
‘যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন’ এক কথায় বলে-
  1. অঙ্গনা
  2. অধিবিন্না
  3. অন্যপূর্বা
  4. অনসূয়া
সঠিক উত্তর:
অধিবিন্না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিবিন্না
ব্যাখ্যা

• ‘যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন’ এক কথায় বলে - অধিবিন্না।

অন্যদিকে,
- ‘যে নারী দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না’ এক কথায় বলে - অঙ্গনা।
- ‘যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল’ এক কথায় বলে - অন্যপূর্বা।
- 'যে নারীর হিংসা নেই' এক কথায় প্রকাশ - অনসূয়া।


• নারী সম্পর্কিত কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- ‘যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে’ এক কথায় বলে - বীরপ্রসূ।
- ‘যে নারী বীর’ এক কথায় বলে - বীরাঙ্গনা।
- ‘যে নারী কখনো সূর্যকে দেখে নাই’ এক কথায় বলে - অসূর্যম্পশ্যা ।
- 'যে নারীর হাসি পবিত্র' এক কথায় প্রকাশ - শুচিস্মিতা। 
- ‘যে নারীর হাসি সুন্দর’  এর এক কথায় প্রকাশ - সুস্মিতা/ সুহাসিনী।
- ‘যে নারী প্রিয় বাক্য বলে’ এক কথায় বলে - প্রিয়ংবদা।
- ‘যে নারীর নতুন বিয়ে হয়েছে’ এক কথায় বলে - নবোঢ়া।
- ‘যে মেয়ের বিয়ে হয়নি’ এক কথায় বলে - অনূঢ়া।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।

১১.
কোনটি অব্যয়ীভাব সমাস?
  1. প্রতিদান
  2. ক্ষুৎপিপাসা
  3. বলামাত্র
  4. দেশান্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিদান
ব্যাখ্যা
• অব্যয়ীভাব সমাস:
অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে-সমাস হয় এবং যেখানে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। উপসর্গ একপ্রকার অব্যয়।  তাই উপসর্গযোগে গঠিত সব শব্দই অব্যয়ীভাব সমাস। এ সমাসের ব্যাসবাক্যে অব্যয়ের নাম বা প্রকৃতির উল্লেখ করা হয় না। কেবল অব্যয়ের অর্থ সহযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।

অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ:
- শ্রীর অভাব = বিশ্রী;
- মরণ পর্যন্ত = আমরণ;
- দানের বিপরীত = প্রতিদান;
- জেলার সদৃশ = উপজেলা;
- বিঘ্নের অভাব = নির্বিঘ্ন;
- ঈষৎ নত = আনত;
- অন্য মত = মতান্তর;
- আমিষের অভাব = নিরামিষ;
- একটি লোক = লোকটি।

অন্যদিকে,
• ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা; দ্বন্দ্ব সমাস।
• কেবল বলা = বলামাত্র; নিত্য সমাস।
• অন্য দেশ = দেশান্তর; নিত্য সমাস।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
'পঞ্চর্ষি' কোন সমাস?
  1. অব্যয়ীভাব সমাস
  2. দ্বিগু সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস
  4. বহুব্রীহি সমাস
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগু সমাস
ব্যাখ্যা
• দ্বিগু সমাস:
যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে সমাহার বোঝায় এবং পরপদের অর্থই প্রাধান্য পায় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।  দ্বিগু সমাসে সমাস নিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।
যেমন:
- নব রত্নের সমাহার = নবরত্ন।
- সপ্ত অহের সমাহার = সপ্তাহ।

অথবা, সমাহার (সমষ্টি) বা মিলনার্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
যেমন:
- ত্রি (তিন) কালের সমাহার = ত্রিকাল;
- তে (তিন) মাথার সমাহার = তেমাথা;
- পঞ্চ ঋষির সমাহার = পঞ্চর্ষি;
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
'ধনুকের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ কী?
  1. টঙ্কার
  2. ঝংকার
  3. নিক্বণ
  4. শিঞ্জন
সঠিক উত্তর:
টঙ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টঙ্কার
ব্যাখ্যা
- 'ধনুকের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - টঙ্কার।

অন্যদিকে, 
- 'বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - ঝংকার।
- 'নূপুরের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - নিক্বণ।
- 'অলঙ্কারের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ- শিঞ্জন।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ হলো:
- 'গম্ভীর ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - মন্দ্র।
- ‘হাতির গর্জন’ এর এক কথায় প্রকাশ - বৃংহিত।
- ‘ঘোড়ার ডাক’ এর এক কথায় প্রকাশ - হ্রেষা।
- 'গম্ভীর ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - মন্দ্র।
- ‘ময়ূরের ডাক’ এর এক কথায় প্রকাশ - কেকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।