পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
Exam - 5 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-5 Topic➝ Review: CrPC Test 1-4
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ময়নাতদন্ত(Post-mortem) এর কথা উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৭৪ (৩)
  2. ধারা ১৭৬ (২)
  3. ধারা ১৭৫ (২)
  4. ধারা ১৭৬ (১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪ (৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৪ (৩)
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪(৩) ধারায় ময়নাতদন্ত (Post-mortem) এর কথা বলা হয়েছে।কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
> আত্মহত্যা করেছে,অথবা
> অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে,অথবা
> এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে

অর্থ্যাৎ মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে বা অন্য কোন কারণে এই সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম সাপেক্ষে পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪(৩) অনুসারে ময়নাতদন্তের(Post mortem) জন্য লাশটি নিকটতম সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিৎসকের নিকট প্রেরণ করবেন।তবে আবহাওয়ার অবস্থা ও দূরত্বের জন্য লাশটি রাস্তায় পঁচে যাবার আশঙ্কা থাকলে ময়নাতদন্ত করা অর্থহীন হয়ে যাবে।সেক্ষেত্রে লাশ প্রেরণের প্রয়োজন নেই।
.
"সরকার বিশেষ ক্ষমতা অর্পণ করলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড দিতে পারে"। বিষয়টি ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৯গ ধারায়
  2. ৩৩ক ধারায়
  3. ৩২ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৩ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

⇒ অর্থাৎ ৩৩ক ধারা অনুযায়ী ২৯গ ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধের বিচার করলে অনধিক ৭ বৎসরের কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒  ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

---------------------------------
⇒  Higher powers of certain Magistrates
-Section 33A. The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৫ অনুযায়ী কে তদন্তের সময় তল্লাশী পরিচালনা করবেন?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৫ অনুযায়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা তল্লাশী পরিচালনা করবেন।

• তদন্তের সময় তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে ধারা ১৬৫ অনুযায়ী কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের সময় যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করেন যে-
অপরাধ সম্পর্কে তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় কোন জিনিস কোন স্থানে পাওয়া যাবে এবং অহেতুক বিলম্ব ব্যতীত অন্য কোনভাবে উক্ত জিনিস সংগ্রহ করা যাবে না,তখন উক্ত কর্মকর্তা তার এরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করে,উক্ত থানার সীমানার মধ্যে অবস্থিত যে কোন স্থানে সেই জিনিসের জন্য তল্লাশি পরিচালনা করবেন।
তিনি যদি নিজের তল্লাশি,পরিচালনা করতে অসমর্থ হন তাহলে তার অধস্তন কোন কর্মকর্তাকে তল্লাশি করতে বলবেন।১০২ ও ১০৩ ধারায় বর্ণিত তল্লাশি সম্পর্কিত সাধারণ বিধানসমূহ যথাসম্ভব এই ধারানুসারে পরিচালিত তল্লাশির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
.
নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো-
  1. নালিশকারীকে থানায় পাঠানো
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দেয়া
  3. নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করা
সঠিক উত্তর:
নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
• নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। 

• ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধ্য।২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে-

১. নালিশকারীকে বা
২. উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবে এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবে এবং নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবে।

• যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-

ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই।
খ. যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে।
গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারা অনুসারে কে পুলিশ ডায়েরী দেখার অধিকারী হবেন না?
  1. আদালত
  2. ফরিয়াদি
  3. অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি
  4. কেউই অধিকারী নয়
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী নয়।

• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়,সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী।ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে,তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন-কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন,কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন,কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

• পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে।পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে,আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।

• তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৪ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কখন বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারেন?
  1. তদন্তের আগে বা পরে যেকোনো সময়
  2. তদন্তের পরে বা চলাকালীন
  3. অনুসন্ধান বা বিচার শুরুর পরে
  4. আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের পর
সঠিক উত্তর:
তদন্তের পরে বা চলাকালীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তের পরে বা চলাকালীন
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত চলাকালীন বা তদন্তের পরে কিন্তু অনুসন্ধান বা বিচার শুরুর পূর্বে বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় উল্লেখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ যেকোনো বিবৃতি(Statement) বা দোষস্বীকারোক্তি(Confession) লিপিবদ্ধ করতে পারেন।দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকারকারীকে অবশ্যই বুঝিয়ে দিবেন যে; তিনি স্বীকারোক্তি করতে বাধ্য নয় এবং তিনি যদি স্বীকারোক্তি করে তাহলে উহা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।

যে সকল ম্যাজিস্ট্রেট দোষস্বীকারোক্তি(Confession) রেকর্ড করতে পারে-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
৩. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট

ধারা ১৬৪(২) অনুযায়ী তদন্ত চলাকালীন বা তদন্তের পরে কিন্তু অনুসন্ধান বা বিচার শুরুর পূর্বে বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারে এবং এইরূপ স্বীকারোক্তি ৩৬৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী লিপিবদ্ধ বা স্বাক্ষরিত হতে হবে।
.
নিম্নে কে পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের 'জাস্টিস অব দি পিস'?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
  3. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
  4. এটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।

♦ সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারপতি পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস।

♦ দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস।

♦অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে সমগ্র বাংলাদেশের ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' হলেন- প্রধান বিচারপতি।
.
আদালত অভিযোগ পরিবর্তন করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র তদন্ত চলাকালীন
  2. রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
  3. রায় ঘোষণার পর
  4. শুধুমাত্র অনুসন্ধান চলাকালীন
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
ব্যাখ্যা
• রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন করতে পারবেন।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়।অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন,সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়,চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।
[Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
.
ফৌজদারী আইনে অন্য কিছু বলা না থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট বলতে বােঝাবে?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪ক এর বিধান নির্দেশাবলীর অর্থঃ এই কোড অনুসারে, প্রসঙ্গ অন্য কোন নির্দেশ না করলে, কাউকে উল্লেখ করলে তার অর্থ দাঁড়াবে নিম্নরূপঃ
(ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া কেবল ম্যাজিস্ট্রেট বলে বর্ণিত থাকলে তা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট-কে উল্লেখ করা হয়েছে মর্মে বুঝতে হবে।

-----------------------------------------------------------------------------------------

♦ Section 4A. Constuction of reference: (1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference-
(a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
১০.
সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ কোন ধরনের অপরাধের তদন্ত করতে পারে?
  1. আমলযোগ্য অপরাধের
  2. আমলঅযোগ্য অপরাধের
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধের
ব্যাখ্যা
• সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে।

• প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে।এমনকি যদি প্রয়োজনীয় হয় অপরাধীকে গ্রেফতার এবং আটকের ব্যবস্থা করতে পারবে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ ঘোষণা করলে সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন।প্রয়োজন হলে অপরাধীকে খুঁজে বের ও গ্রেফতার করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন বা অধস্তন অফিসারকে দায়িত্ব দিবেন।তবে অপরাধ সংঘটনকারীর নাম উল্লেখ করে সংবাদ দিলে এবং ঘটনাটি গুরুতর প্রকৃতির না হলে তখন সরেজমিনে তদন্তের প্রয়োজন নেই।তবে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে,তখন ঘটনাটি সম্পর্কে তদন্ত করবেন না।

[If,from information received or otherwise,an officer in charge of a police-station has reason to suspect the commission of an offence which he is empowered under section 156 to investigate,he shall forthwith send a report of the same to a Magistrate empowered to take cognizance of such offence upon a police-report,and shall proceed in person,or shall depute one of his subordinate officers not being below such rank as the Government may,by general or special order,prescribe in this behalf to proceed,to the spot,to investigate the facts and circumstances of the case,and,if necessary,to take measures for the discovery and arrest of the offender]
১১.
"ক" একজন ফরিয়াদি ১ম শ্রেনির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে "খ"-এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযুক্ত হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে ''খ'' হাজির থাকলেও,ফরিয়াদি ''ক'' হাজির হননি।এক্ষেত্রে আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. "খ" কে অব্যাহতি দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
  2. "ক" কে পরের দিন উপস্থিত হতে বলবেন
  3. "খ" কে খালাস দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
  4. "খ" কে মুক্তি দিবে
সঠিক উত্তর:
"খ" কে খালাস দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"খ" কে খালাস দিবে বা অন্য কোন দিনে শুনানী মুলতবি করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে, নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে,অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট,অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।
শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে,অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

[If the summons has been issued on complaint,and upon the day appointed for the appearance of the accused,or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned,the complainant does not appear,the Magistrate shall,notwithstanding anything herein before contained,acquit the accused,unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 
Provided that,where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required,the Magistrate may dispense with his attendance,and proceed with the case.]
১২.
স্ত্রী লোকের দেহ তল্লাশী কত ধারামতে করা যেতে পারে?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২ ধারা মতে
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭ ধারা মতে
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৬ ধারা মতে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২ ধারা মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

----------------
♦ Mode of searching women:
Section 52.
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১৩.
তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তা ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না করলে,ম্যাজিস্ট্রেট কি আদেশ দিতে পারেন?
  1. কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
  2. যেকোনো অপরাধে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
  3. যেকোনো অপরাধের অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিতে পারেন
  4. পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জরিমানার শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কতিপয় অপরাধে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটা নির্দেশনামূলক।যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হয় তাহলে-
যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে সে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন,যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয় অথবা
দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ,যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে ।
১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কে গ্রাম প্রধান নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. সরকার
  2. দায়রা জজ
  3. জেলা জজ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধি ৪৫ ধারার বিধান: গ্রাম প্রধান, হিসাব রক্ষক, জোতদার এবং অপরাপর ব্যক্তিগণ কতিপয় বিষয়ে খবর প্রদানে বাধ্য।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ৪৫(৩) ধারা মতে এই ধারার উদ্দেশ্যে কতিপয় ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রাম প্রধান নিয়োগ: সরকার কর্তৃক এতদ উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধিমালার অধীনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্য কোন আইনের বিধান অনুসারে কোন গ্রামের জন্য গ্রাম প্রধান নিযুক্ত হোক বা না হোক, সময়ে সময়ে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে তার বা তাদের সম্মতি নিয়ে এই ধারার বিধান অনুসারে উক্ত গ্রামে গ্রাম প্রধানের কর্তব্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করতে পারবেন।

-----------------------
♦ Section 45(3) Appointment of village-headman by District Magistrate in certain cases for purposes of this section: Subject to rules in this behalf to be made by the Government, the District Magistrate may from time to time appoint one or more persons with his or their consent to perform the duties of a village- headman under this section whether a village-headman has or has not been appointed for that village under any other law.
১৫.
"ক” এমন একটি কাজ করেছে যা চুরি বা চোরাইমাল গ্রহণ অথবা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ হতে পারে।এক্ষেত্রে “ক”-কে, কোন অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা যেতে পারে?
  1. যেকোন একটি অপরাধের জন্য
  2. সকল অপরাধের জন্য
  3. ক বা খ
  4. ফরিয়াদির ইচ্ছানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।এই ধারা অনুসারে ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে,প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

• তবে ধারা ২৩৬ অনুযায়ী-
যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে,যেসকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে,তাহলে অভিযুক্তকে এরূপ সকল অথবা যেকোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে:অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।
[If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute,the accused may be charged with having committed all or any of such offences,and any number of such charges may be tried at once; or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.]

অর্থাৎ “ক”-কে শুধুমাত্র ছবি বা চোরাইমাল গ্রহণ বা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এর জন্য অভিযুক্ত করা; অথবা চুরি,চোরাইমাল গ্রহণ,অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ সকল অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা যাবে।
১৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় গ্রেফতারী অফিসারকে অপরাধজনক অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৩ ধারার বিধান: আপত্তিকর অস্ত্রশস্ত্র আটক করার ক্ষমতা: এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে আটককারী অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি আটককৃত ব্যক্তির নিকট কোন আক্রমণাত্মক অস্ত্র থাকলে তা তার কাছ থেকে নিতে পারবেন এবং এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে যে আদালত বা অফিসার বরাবর তাকে ঐ আটকরকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করতে হবে সেই আদালত বা অফিসার বরাবর তিনি উক্তরূপে গৃহীত সমস্ত অস্ত্র প্রত্যর্পণ করবেন।

---------------------
♦ Section 53. Power to seize offensive weapons: The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.
১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, অপহরণ ইত্যাদি বিশেষ অপরাধের বিচারের স্থান সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৮৮ ধারা
  2. ১৮১ ধারা
  3. ১৮২ ধারা
  4. ১৮৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৮১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮১ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮১ ধারায় বিশেষ কিছু অপরাধের বিচারের স্থান ঠগ,ডাকাতি,অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ,চুরি এবং অপহরনের ক্ষেত্রে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে

ক) ঠগ,ঠগ হয়ে খুন,ডাকাতি ও খুনসহ ডাকাতির অপরাধের ক্ষেত্রে বিচারের স্থান (Being a thug or belonging to a gang of dacoits, escape from custody etc.)- ঠগ,ঠগ হয়ে খুন,ডাকাতি ইত্যাদি অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি যেই আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে রয়েছে,সেই আদালতে বিচার হবে।

গ) অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের ক্ষেত্রে বিচারের স্থান(Criminal misappropriation and criminal breach of trust)-
অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের ক্ষেত্রে যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির কোন অংশ রেখেছে বা যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে,সেই আদালতে বিচার হবে।

গ) চুরি বা চোরাইমাল দখল সম্পর্কিত অপরাধের ক্ষেত্রে বিচারের স্থান (theft or the possession of stolen property)-
চুরি বা চোরাইমাল সম্পর্কিত অপরাধের ক্ষেত্রে যে আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে চুরি সংঘটিত হয়েছে বা চোরাইমাল রয়েছে,সেই আদালতে বিচার হবে।
১৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে পুলিশ আদালতের গ্রেফতারি পরওয়ানা ব্যতীত কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৯টি ক্ষেত্রে
  2. ৮টি ক্ষেত্রে
  3. ৫টি ক্ষেত্রে
  4. ১১টি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
৯টি ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।

♦ পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-

১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)

২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )

৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)

৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )

৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)

৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)

৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)

৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )

৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
  1. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. দায়রা আদালতকে
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,
দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

এই ধারার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ ও অপরাধ আমলে নিতে পারেন।নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারে । যথা-
i) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে; অথবা
ii) দায়রা জজ বিচারের জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজকে অর্পণ করলে
২০.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারা মতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশি আটক রাখা যায় না?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৬৭ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৬২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারামতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার সময় বাদ দিয়ে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না।
♦ তদন্তকার্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করা না গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অগ্রবর্তী বা প্রেরণ করতে হবে।

♦ বিনা গ্রেফতারী  পরোয়ানা (Arrest Without Warrant)আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।

---------------------------------------
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না: কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়া ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

♦ Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
২১.
এক রাতে "ক" এর বাসায় চুরি হয়।হিসেব করে দেখা যায়, চুরিকৃত মালের মূল্য ২৫ হাজার টাকা।উক্ত চুরির জন্য "খ" কে আটক করা হয়।"খ" এর বিচার কি সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যাবে?
  1. যাবে
  2. যাবে না
  3. আদালত চাইলে করা যাবে
  4. "খ" এর ইচ্ছানুযায়ী যাবে
সঠিক উত্তর:
যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবে না
ব্যাখ্যা
•"খ" এর বিচার ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যাবে না।কারন উক্ত চুরিকৃত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক।

• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়।ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।ধারা ২৬০ অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-

১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা
৩. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ। 

• দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হয়-

⇒মৃত্যুদন্ড,যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ২ বছরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এরূপ অপরাধ
⇒৩২৩ ধারা অনুসারে আঘাত
⇒৩৭৯,৩৮০ বা ৩৮১ ধারা অনুসারে চুরি,যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়
⇒৪০৩ ধারা অনুসারে অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ,৪১১ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গ্রহণ বা রাখা,৪০৪ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গোপন বা হস্তান্তর করতে সাহায্য করা,যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়
⇒একই বিধির ৪২৬ ও ৪২৭ ধারা অনুসারে ক্ষতিসাধন,৪৪৭ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ এবং ৪৪৮ ধারা অনুসারে গৃহে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং ৪৫১,8৫৩,8৫৪,8৫৬ ও ৪৫৭ ধারা অনুসারে অপরাধ
⇒৫০৪ ধারা অনুসারে শান্তিভঙ্গের উস্কানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অপমান করা এবং ৫০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ এবং ৫০৯ ও ৫১০ অনুসারে অপরাধসমূহ 
⇒১৭১ ও ১৭১(চ) ধারা অনুসারে কোন নির্বাচনে ঘুষ নেয়ার এবং এক ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য ব্যক্তি ব্যবহারকরণের অপরাধ;
এবং উপরোক্ত অপরাধসমূহের যেকোন একটি সংঘটনে সহায়তা করা।
২২.
মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোন সময় অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল-
  1. অভিযোগকারীকে শাস্তি(Punishment)
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি(Release)
  3. অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal)
  4. অভিযুক্তকে অব্যাহতি(Discharge)
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal)
ব্যাখ্যা
• চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal) দিবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal) দিবে।
[If a complainant,at any time before a final order is passed in any case under this Chapter,satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same,and shall thereupon acquit the accused.]

• অপরদিকে,৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি(Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal) দিতে পারে।
২৩.
গণ উৎপাত [PUBLIC NUISANCES] সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য না-
  1. জেলা এলাকায়
  2. মেট্রোপলিটন এলাকায়
  3. বিভাগীয় এলাকায়
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন এলাকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন এলাকায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ম অধ্যায়ের বিধান গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES].

♦ ধারা ১৩২ক তে এই অধ্যায়ের বলতে গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES] অধ্যায়কে বুঝানো হয়ছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ক ধারার বিধান প্রয়োগঃ এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

-----------------------------
♦ CHAPTER X -PUBLIC NUISANCES:
Section 132A. Application: The provisions of this Chapter shall not apply to a Metropolitan Area.
২৪.
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে,ম্যাজিস্ট্রেট কাকে কারণ দর্শানোর আদেশ দিবেন?
  1. সাক্ষীকে
  2. অভিযােগকারিকে
  3. ক এবং খ উভয়কে
  4. অভিযোগ গ্রহণকারী পুলিশকে
সঠিক উত্তর:
অভিযােগকারিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযােগকারিকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন।তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
২৫.
আমলঅযোগ্য অপরাধের তথ্য সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে-
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. ফরিয়াদি
  3. বিচারিক আদালত
  4. অপরাধের তদন্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার আমলঅযোগ্য অপরাধের তথ্য সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধের (Cognizable offence) ক্ষেত্রে FIR করা হয়,অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য (Non-Cognizable) অপরাধের ক্ষেত্রে GD হিসেবে এন্ট্রি করা হয়। 

ধারা-১৫৫: আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ (Information in non-cognizable cases)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারামতে থানায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে,থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিষয়টিকে থানায় রক্ষিত ফরম নং ৬৫-তে জি.ডি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে সংবাদদাতাকে বা অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।অর্থাৎ আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অপরাধের সংবাদটি জিডি এন্ট্রি বা সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
[When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.]
২৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার প্রদত্ত আদেশ কাহার প্রতি নির্দেশিত হইতে পারে?
  1. কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি
  2. কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী জনসাধারণের প্রতি
  3. বিরোধী দলের প্রতি
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
২৭.
খুনের মামলায় একজন অভিযুক্ত দাবী করে, সে ঘটনার দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল এবং চিকিৎসাধীন সম্পর্কিত দলিল চার্জ গঠনের শুনানীর সময় দাখিল করে।দাখিলকৃত দলিলের গ্রহণযোগ্যতা কি?
  1. বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে
  2. বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে মুক্তি দিবে
  3. অগ্রহণযোগ্য
  4. বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে খালাস দিবে
সঠিক উত্তর:
অগ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিল গ্রহণযোগ্য নয়শুধুমাত্র মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট,জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
২৮.
কখন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বিষয়বস্তু ক্রোক (attach subject of dispute) করিবেন?
  1. বিরোধীয় বিষয়বস্তুতে পক্ষসমূহের কেহই দখলে না থাকলে,
  2. বিরোধীয় বিষয়বস্তুতে কে দখলে ছিলেন সে সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে সন্তুষ্ট হইতে অসমর্থ হইলে
  3. বিরোধীয় বিষয়বস্তুতে পক্ষসমূহের কেউ অবৈধ ক্ষমতাবলে দখলে থাকলে,
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
২৯.
নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ২০২ ধারার অধীন কে অনুসন্ধান বা তদন্ত করতে পারেন?
  1. আমলে নেয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ব্যক্তি
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন,অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন ।

• ধারা ২০২:পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-

১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। 
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার ক্ষমতা নীচের কোনটি?
  1. Power to issue order
  2. Power to issue curfew
  3. Power to issue emergency
  4. Power to issue 144
সঠিক উত্তর:
Power to issue order
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Power to issue order
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শান্তিভঙ্গ রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারেন। এই ধারার শিরোনামে এই ক্ষমতা কে power to issue order হিসেবে লেখা হয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

-------------------------
♦ Power to issue order
Sesction 144.(1) In cases where, in the opinion of a District Magistrate, or any other Executive Magistrate specially empowered by the Government or the District Magistrate to act under this section, there is sufficient ground for proceeding under this section and immediate prevention or speedy remedy is desirable, 
such Magistrate may, by a written order stating the material facts of the case and served in manner provided by section 134, direct any person to abstain from a certain act or to take certain order with certain property in his possession or under his management, if such Magistrate considers that such direction is likely to prevent, or tends to prevent, obstruction, annoyance or injury, or risk or obstruction, annoyance or injury, to any person lawfully employed, or danger to human life, health or safety, or a disturbance of the public tranquillity, or a riot, or an affray.
৩১.
পুলিশি রিমান্ড(Police remand) বলতে বুঝায়?
  1. আদালত কর্তৃক মামলাটি পূনঃবিচারের জন্য প্রেরণ
  2. আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
  3. আদালত কর্তৃক ফরিয়াদিকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
  4. পুলিশ কর্তৃক অভিযুক্তকে আদালতে প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
ব্যাখ্যা
• গ্রেফতার ও রিমান্ড সম্পর্কে  ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ এবং ১৬৭(২) ধারায় যা বলা হয়েছে তা নিম্নরূপ-
ধারা ৬১ অনুযায়ী তদন্ত কার্য সম্পন্ন না করা গেলে,গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটক রাখা যাবে না।তাকে নিকটস্থ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রিটের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

• ধারা ১৬৭(২)এ রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে-
(১) যখনই কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং প্রতীয়মান হয় যে,৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করা যাবে না এবং এরুপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে,অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢভিত্তিক,তা হলে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসার,তিনি যদি সাব-ইন্সপেক্টর পদের নিম্নপদস্থ না হন,অবিলম্বে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরিতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত তথ্যের নকলসহ অভিযুক্তকে নিকটতম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারা অনুসারে অভিযুক্তকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে,তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক,তিনি তার বিবেচনামতে অভিযুক্তকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন,তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।

• মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন,তা হলে তিনি অভিযুক্তকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন।তবে শর্ত থাকে যে,তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন,এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
৩২.
কখন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রদত্ত ক্রোক প্রত্যাহার (Withdraw the attachment) করিবেন?
  1. যে কোন সময়ে
  2. ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হইলে
  3. রোধীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে আর কোন প্রকার শান্তি ভঙ্গের আশংকা না থাকিলে
  4. উপরে বর্ণিত সবগুলি
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সবগুলি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
৩৩.
যেক্ষেত্রে ম্যাজিষ্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করেন,সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত -
  1. অব্যাহতি(Discharge) পেতে পারে
  2. খালাস(Acquittal) পেতে পারে
  3. দন্ড(Punishment) পেতে পারে
  4. মুক্তি(Release) পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি(Discharge) পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি(Discharge) পেতে পারে
ব্যাখ্যা
• পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে,তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-

১. Charge Sheet(অভিযোগ পত্র):প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা প্রমাণ খুঁজে পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়,তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলা শুরু করেন।

২. Final Report(চূড়ান্ত প্রতিবেদন):প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়,তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি(Discharge) দেন।

• সংক্ষেপে-পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট(Final Report) দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে পারে এবং অভিযুক্তকে অব্যাহতি(Discharge) দিতে পারে।
৩৪.
খবরের সত্যতা সম্পর্কে ইনকোয়ারী কত ধারায় করা হয়?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৭ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭১ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৪ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১১৭ ধারার বিধান: সংবাদের সত্যতা বিষয়ক তদন্ত: (১) যখন আদালতে উপস্থিত কোন ব্যক্তির নিকট ধারা-১১২ মতে প্রদত্ত আদেশ ধারা-১১৩ মতে পড়ে শুনে শুনানো হয় বা ব্যাখ্যা করে দেয়া হয় বা যখন ধারা-১১৪ মতে প্রদত্ত সমন মান্য করে বা পরোয়ানা নির্বাহে কোন ব্যক্তি কোন ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে উপস্থিত হন বা কোন ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সমক্ষে আনয়ন করা হয়, তখন, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট যে সংবাদের উপর ভিত্তি করে ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে সেই সংবাদের সত্যতা বিষয়ে তদন্তানুষ্ঠানে অগ্রসর হবেন, এবং আরও যে সাক্ষ্য নেয়া আবশ্যক বলে প্রতীয়মান হতে পারে তা নিবেন।

----------------
♦ Inquiry as to truth of information
Section 117.(1) When an order under section 112 has been read or explained under section 113 to a person present in Court, or when any person appears or is brought before a Magistrate in compliance with, or in execution of, a summons or warrant, issued under section 114, the Magistrate shall proceed to inquire into the truth of the information upon which action has been taken, and to take such further evidence as may appear necessary.
৩৫.
“Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case” বিধানটি The Code of Criminal Procedure,1898 এর কোন ধারায় বিবৃত করা হয়েছে?
  1. ২০৫
  2. ২০১
  3. ২০৫গ
  4. ২০২
সঠিক উত্তর:
২০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১[Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case]- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।

(Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case)-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case,he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing,such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
৩৬.
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষ সম্পর্কিত ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা কত?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫১ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫২ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা মতে কোন থানার স্থানীয় সীমার মধ্যে মিথ্যা ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি রক্ষিত থাকলে, ঐ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশীর জন্য বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষা: (১) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেক্ষেত্রে যৌক্তিকভাবে মনে করেন যে, তাঁর থানার সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জায়গায় এরূপ ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় বা রক্ষিত হয়, যা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি ওজন, পরিমাণ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশির লক্ষ্যে বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে ঢুকতে পারবেন।

(২) উক্ত স্থানে তিনি যদি এরূপ কোন বাটখারা, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি তাঁর দৃষ্টিতে পড়ে, যাহা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি তা আটক করতে পারবেন এবং সাথে সাথে অধিক্ষেত্রসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর উক্ত আটকের সংবাদ দিবেন।

-------------------------
♦ Section 153. Inspection of weights and measures: (1) Any officer in charge of a police- station may, without a warrant, enter any place within the limits of such station for the purpose of inspecting or searching for any weights or measures or instruments for weighing, used or kept therein, whenever he has reason to believe that there are in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false.

(2) If he finds in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false, he may seize the same, and shall forthwith give information of such seizure to a Magistrate having jurisdiction.
৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৫ ধারা অনুযায়ী সমন জারির মাধ্যমে তলবকৃত ব্যক্তিগণ-
  1. সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য
  2. উপস্থিত থাকতে বাধ্য
  3. উপস্থিত থাকতে বাধ্য নন
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত থাকতে বাধ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত থাকতে বাধ্য
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৫ ধারা পুলিশকে কতিপয় ব্যক্তিবর্গকে সমন করার ক্ষমতা প্রদান করেছে-

(১) ধারা-১৭৪ মতে অগ্রসর হতেছেন এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা লিখিত আদেশ দ্বারা কথিত তদন্তের প্রয়োজনে দুই বা ততোধিক ব্যক্তিকে এবং যিনি ঘটনার তথ্যাবলীর সহিত পরিচিত বলে মনে হয় এরূপ না কোন ব্যক্তিকে,সমন করতে পারেন এবং এরূপে সমনপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তি হাজিরা দিতে এবং যে সব প্রশ্নের উত্তর তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী অভিযোগ আনয়ন করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা তার অধিকার হরণ করতে চাইতে পারে এরূপ প্রশ্ন ব্যতীত যাবতীয় প্রশ্নের সত্য উত্তর প্রদান করতে বাধ্য।
(২) তথ্যাদি যদি এরূপ আমলযোগ্য অপরাধ প্রকাশ না করে যাতে ধারা-১৭০ প্রযোজ্য,তাহলে পুলিশ অফিসার ঐরূপ ব্যক্তিবর্গকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা দিতে অনুরোধ করবেন না।

[Power to Summon Persons]
(1) A police-officer proceeding under section 174 may, by order in writing summon two or more persons as aforesaid for the purpose of the said investigation, and any other person who appears to be acquainted with the facts of the case. Every person so summoned shall be bound to attend and to answer truly all questions other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge, or to a penalty or forfeiture. 
(2) If the facts do not disclose a cognizable offence to which section 170 applies, such persons shall not be required by the police-officer to attend a Magistrate's Court.

অর্থাৎ সমন জারির মাধ্যমে তলবকৃত ব্যক্তিগণ হাজিরা দিতে বাধ্য কিন্তু সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়।
৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫২ ধারা মতে সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ (Prevention of injury to public property) কে করিবেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. যে কোন ব্যক্তি
  3. সেনাবাহিনী
  4. পুলিশ অফিসার
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ (Prevention of injury to public property)-

- কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

--------------------
♦ Prevention of injury to public property
Section 152. A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯ ধারা অনুযায়ী জবানবন্দি বা দলিল পেশ করা হলে,উক্ত বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কে কমিশন নিয়োগ করতে পারে?
  1. তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত
  2. তদন্তকারী আদালত
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার
  4. বিচারিক আদালত
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮৯(জবানবন্দীর নকল ও পেশকৃত দলিলসমূহ সাক্ষ্য রূপে গ্রহণ করতে নির্দেশ দেবার ক্ষমতা)-

যেক্ষেত্রে ধারা-১৮৮(দেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে) এ বর্ণিত কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচার হয়,সেক্ষেত্রে সরকার সঠিক মনে করলে নির্দেশ দিতে পারবেন যে,যেই স্থানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে মর্মে অভিযোগ করা হয়েছে,সেই এলাকায় বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা বরাবর যে সাক্ষ্য প্রদান করা হয়েছে,উহার প্রতিলিপি অথবা যেসব দলিলাদি পেশ করা হয়েছে তা তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত কর্তৃক সেসব ক্ষেত্রে প্রমাণ রূপে গৃহীত হবে,যেসব ক্ষেত্রে উক্ত আদালত উক্ত জবানবন্দি বা দাখিল সম্বন্ধীয় বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন নিযুক্ত করতে পারেন।

[Whenever any such offence as is referred to in section 188 is being inquired into or tried,the Government may,if it thinks fit,direct that copies of depositions made or exhibits produced before a judicial officer in or for the territory in which such offence is alleged to have been committed shall be received as evidence by the Court holding such inquiry or trial in any case in which such Court might issue a commission for taking evidence as to the matters to which such depositions or exhibits relate.]
৪০.
'ক' নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে রকিব আহত হয় এবং 'খ' নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে মারা যায়। রকিবের নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে?
  1. 'খ' নামক আদলতে
  2. 'ক' নামক আদালতে
  3. 'ক' এবং 'খ' নামক আদালতে
  4. 'ক' বা 'খ' নামক আদালতে
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' নামক আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' নামক আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ অপরাধ যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয় সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অপরাধের পরিণাম দেখা দিয়েছে সেই সেই আদালতে উক্ত অপরাধের বিচার করা যাবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ এবং ১৮৫ ধারার অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের অধিক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হলে যেকোন একটি আদালতে বিচার করা যাবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৫ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

♦ অর্থাৎ রকিবের নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে 'ক' বা 'খ' নামক আদালতে।
৪১.
অভিযুক্তের আবেদনক্রমে মামলা স্থানান্তর করা যাবে যদি উক্ত মামলা আমলে নেয়া হয়-
  1. নালিশের মাধ্যমে
  2. পুলিশ রিপোর্টের মাধ্যমে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের নিজ উদ্যোগে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিজ উদ্যোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিজ উদ্যোগে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯১ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে মামলা স্থানান্তরের বিধান করা হয়েছে।উক্ত ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট কোন মামলা স্থানান্তরের নির্দেশ দিতে পারে যদি-

কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(গ) ধারায়[তথ্য, নিজস্ব জ্ঞান বা সন্দেহবশত কোন তথ্য পেলে নিজ উদ্যোগে আমলে গ্রহণ করেন এবং সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেট জানাবে যে, অন্য কোন আদালতের মাধ্যমে সে তার মামলার বিচার বা অনুসন্ধান করাতে অধিকারী; এবং অভিযুক্ত এমন ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে বিচারের বিষয়ে আপত্তি জানায়; সেই ক্ষেত্রে মামলাটি এমন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারের পরিবর্তে দায়রা আদালতের নিকট বা অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট স্থানান্তর করতে পারে।

[When a Magistrate takes cognizance of an offence under sub-section (1),clause (c), of the preceding section,the accused shall before any evidence is taken, be informed that he is entitled to have the case tried by another Court and if the accused or any of the accused if there be more than one objects to being tried by such Magistrate, the case shall instead of being tried by such Magistrate,be sent to the Court of Session or transferred to another Magistrate.]
৪২.
অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজনের ফলে যদি আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হয় তখন আদালত-
  1. অভিযোগ পরিবর্তন স্থগিত করতে পারেন
  2. বিচার চালিয়ে যাবেন
  3. বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়।অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়,চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারাঃ ২২৯ অনুসারে-
যদি নতুন,পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগ এরূপ হয় যে,আদালতের মতে বিচার  শুরু করার ফলে আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হতে পারে,তাহলে আদালত নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন অথবা প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।
[If the new or altered or added charge is such that proceeding immediately with the trial is likely, in the opinion of the Court, to prejudice the accused or the prosecutor as aforesaid, the Court may either direct a new trial or adjourn the trial for such period as may be necessary.]