পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২ টপিক: কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম, কম্পিউটারের ইতিহাস ও প্রকারভেদ, এপ্লিকেশন সফটওয়্যার। [ক্লাস ৫, ৬ ও ৭]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
কোন কম্পিউটার বৈজ্ঞানিক সমস্যার সমাধানে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. এনালগ কম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড কম্পিউটার বৈজ্ঞানিক সমস্যার সমাধানে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার।
- অনেক বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

• গাণিতিক ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

• এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer)
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেত গ্রহণ করে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদশর্নের কাঁটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় বা প্লটারের (Plotter) সাহায্যে কাগজে অঙ্কন করা হয়।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও মান নিয়ন্ত্রণে এনালগ কম্পিউটারের ব্যবহার হয়ে থাকে।

• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer)
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো বাইনারী ডিজিট (০ এবং ১)।
- এ কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিট এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে দেয়া হয়।
- ইনপুট ও আউটপুট অংশ আমাদের বোধগম্যতার জন্য বর্ণ, অক্ষর ও অংক দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- এ কম্পিউটারের গতি বেশ দ্রুত ও নির্ভরশীলতা বেশি। উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য এতে বৃহৎ মেমোরি থাকে। আজকাল আমাদের ব্যবহৃত সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
একাধিক প্রসেসর যেন একই প্রোগ্রাম একসাথে প্রসেস না করে, সেটির জন্য কোন কৌশলটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ভার্চুয়ালাইজেশন
  2. সিনক্রোনাইজেশন
  3. ইনক্রিপশন
  4. কম্প্রেশন
সঠিক উত্তর:
সিনক্রোনাইজেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনক্রোনাইজেশন
ব্যাখ্যা
একাধিক প্রসেসর যেন একই প্রোগ্রাম একসাথে প্রসেস না করে, সেটির জন্য সিঙ্ক্রোনাইজেশন কৌশলটি ব্যবহৃত হয়।

• মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprocessing Operating System)
- মাল্টিপ্রসেসিং বলতে দুই বা ততোধিক নির্দেশনা সমান্তরালভাবে দুই বা ততোধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর বা সিপিইউ কর্তৃক পরিচালিত হওয়া বুঝায়।
- এসব সিপিইউ একই সময়ে কোনো প্রোগ্রামের আলাদা নির্দেশ পালন করে কিংবা সম্পূর্ণভাবে আলাদা আলাদা প্রোগ্রামও নির্বাহ করতে পারে।
- মাল্টিপ্রসেসিং পদ্ধতিতে কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত হয়।
- এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর ব্যবহৃত হয় বলে এর উপর বেশি নির্ভরশীল হওয়া যায়, কারণ একটি প্রসেসর খারাপ হয়ে গেলেও কাজ একেবারে বন্ধ হয়ে যায় না।
- মহাকাশযান, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র ও বড় কলকারখানা এসব ক্ষেত্রে মাল্টিপ্রসেসিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- যেহেতু এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর থাকে তাই একাধিক প্রসেসর যাতে একসাথে একই প্রোগ্রাম প্রসেস করতে না পারে সে জন্য একটা ব্যবস্থা থাকে যাকে সিনক্রোনাইজেশন (Synchronization) বলে।
- মাল্টিপ্রসেসিং-এ প্রতিটি প্রোগ্রামের সাথে একটি ফ্ল্যাগ বিট (Flag bit) যুক্ত থাকে।
- কোনো প্রোগ্রামের ফ্ল্যাগ বিট শূন্য (০) হলেই কোনো প্রসেসর সেই প্রোগ্রাম প্রসেস করে এবং ফ্ল্যাগ বিট এক (১) করে রাখে।
- সুতরাং যে প্রোগ্রামের ফ্ল‍্যাগ বিট এক (১) ঐ প্রোগ্রাম কোনো প্রোসেসর প্রসেস করবে না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
.
কোনটি CUI অপারেটিং সিস্টেম?
  1. Windows 10
  2. Mac OS
  3. MS-DOS
  4. Windows Xp
সঠিক উত্তর:
MS-DOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MS-DOS
ব্যাখ্যা
MS-DOS হচ্ছে CUI অপারেটিং সিস্টেম।

• বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।

• অপারেটিং সিস্টেম
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
.
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. অপারেটিং সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করতে
  2. অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে
  3. ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণে
  4. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার তৈরি করতে
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণে
ব্যাখ্যা
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়‍্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
NOVA 3 কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
মিনি কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
NOVA 3 হচ্ছে Mini Computer.

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম?
  1. ব্যাংকিং সফটওয়্যার
  2. পেজ মেকার
  3. পেরোল সিস্টেম
  4. ই-কমার্স সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
পেজ মেকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেজ মেকার
ব্যাখ্যা
পেজ মেকার একটি সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম।

• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম।

• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়‍্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি যে সমস্ত বাণিজ্যিক সফটওয়‍্যার পাওয়া যায় তাদেরকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয়।
- যেমন- এমএসওয়ার্ড প্রোগ্রামের সাহায্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেল প্রোগ্রামের সাহায্যে হিসাব-নিকাশের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেস প্রোগ্রামের সাহায্যে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করা যায় ইত্যাদি।
- মূলত কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের সাহায্যে প্রাত্যহিক সমস্যার সমাধান করে থাকেন।

• উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো
- এমএস অফিস,
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
- নেটস্কেপ নেভিগেটর,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইলেকট্রনিক মেইল,
- পেজ মেকার,
- ফটোশপ,
- ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- সমস্যার ধরন ও প্রকৃতি অনুসারে ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে থাকে।

• উল্লেখযোগ্য অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম 
- ব্যাংকিং কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সফটওয়‍্যার,
- ইলেকট্রনিস কমার্স,
- পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।

• কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
BIOS-এর কাজ কী?
  1. ডেটা সংরক্ষণ
  2. ফাইল কপি করা
  3. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণ করা
  4. ফাইল তৈরি ও সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা
BIOS হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণ করে।

• BIOS (Basic Input Output System):
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
MS Excel কী ধরনের সফটওয়্যার?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  2. ডেটাবেজ
  3. স্প্রেডশিট
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
স্প্রেডশিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্প্রেডশিট
ব্যাখ্যা
MS Excel স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program : dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Android কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. Closed source
  2. Open source
  3. Shareware
  4. Proprietary
সঠিক উত্তর:
Open source
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Open source
ব্যাখ্যা
Android একটি Open source অপারেটিং সিস্টেম।

• Android:
- Android হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- Open Handset Alliance এই অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করে এবং পরে গুগল এটি কিনে নেয়।
- এটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার।
- Android হলো একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
১০.
FoxPro কোন ধরণের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
  1. Word Processing
  2. Spreadsheet
  3. Database
  4. Graphics
সঠিক উত্তর:
Database
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database
ব্যাখ্যা
FoxPro একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program : dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেম কী?
  1. একটি প্রসেসর এবং একক মেমোরি বিশিষ্ট সিস্টেম
  2. কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত একাধিক প্রসেসর যাদের মেমোরি ও ক্লক শেয়ার হয়
  3. কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত একাধিক প্রসেসর যাদের নিজস্ব মেমোরি এবং ক্লক থাকে
  4. একক প্রসেসর এবং একাধিক মেমোরি বিশিষ্ট সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত একাধিক প্রসেসর যাদের নিজস্ব মেমোরি এবং ক্লক থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত একাধিক প্রসেসর যাদের নিজস্ব মেমোরি এবং ক্লক থাকে
ব্যাখ্যা
ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেম হচ্ছে কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত একাধিক প্রসেসর যাদের নিজস্ব মেমোরি এবং ক্লক থাকে।

• ডিস্ট্রিবিউটেড অপারেটিং সিস্টেম (Distributed Operating System)
- ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেম হচেছ কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরস্পর সংযুক্ত কতকগুলো প্রসেসর যা মেমোরি বা ক্লক কোনোটিই শেয়ার করে না।
- প্রতিটি প্রসেসরের নিজস্ব লোকাল মেমোরি থাকে যা হাই-স্পিড বাস বা অন্য কোনো কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে।
- কম্পিউটিং এর আধুনিক ধারা হলো ডিস্ট্রিবিউটেড কম্পিউটিং।
- ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেমে প্রসেসর এর সাইজ ও কাজ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১২.
কোন কম্পিউটারে ফলাফল সাধারণত কাঁটা বা প্লটারের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়?
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. এনালগ কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
এনালগ কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
এনালগ কম্পিউটারে ফলাফল সাধারণত কাঁটা বা প্লটারের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়।

• এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer)
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেত গ্রহণ করে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদশর্নের কাঁটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় বা প্লটারের (Plotter) সাহায্যে কাগজে অঙ্কন করা হয়।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও মান নিয়ন্ত্রণে এনালগ কম্পিউটারের ব্যবহার হয়ে থাকে।

• গাণিতিক ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer)
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো বাইনারী ডিজিট (০ এবং ১)।
- এ কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিট এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে দেয়া হয়।
- ইনপুট ও আউটপুট অংশ আমাদের বোধগম্যতার জন্য বর্ণ, অক্ষর ও অংক দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- এ কম্পিউটারের গতি বেশ দ্রুত ও নির্ভরশীলতা বেশি। উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য এতে বৃহৎ মেমোরি থাকে। আজকাল আমাদের ব্যবহৃত সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল কম্পিউটার।

• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার।
- অনেক বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
ল্যাপটপের প্রথম কমার্শিয়াল মডেল কোনটি?
  1. Apple MacBook Air
  2. Osborne 1
  3. PowerBook
  4. IBM ThinkPad
সঠিক উত্তর:
Osborne 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Osborne 1
ব্যাখ্যা
ল্যাপটপের প্রথম কমার্শিয়াল মডেল হচ্ছে Osborne 1।

• ল্যাপটপ :
- ল্যাপটপ হলো পোর্টেবল কম্পিউটার, যার মধ্যে স্ক্রিন, কীবোর্ড ও টাচপ্যাড থাকে।
- এটি ব্যাটারি চালিত এবং মোবাইল ব্যবহারের জন্য উপযোগী।
- ল্যাপটপের ক্ল্যামশেল ডিজাইন হয়, যেখানে স্ক্রিন উপরে এবং কীবোর্ড নিচে থাকে।
- ডেস্কটপের তুলনায় ল্যাপটপ বেশি পোর্টেবল, কিন্তু কম পারফরম্যান্স দেয়।
- ১৯৮১ সালে Osborne 1 প্রথম কমার্শিয়াল ল্যাপটপ হিসেবে বাজারে আসে।
- Apple ১৯৯১ সালে PowerBook দিয়ে ল্যাপটপ ডিজাইনে নতুন দিগন্ত খুলে।
- ২০০৮ সালে Apple MacBook Air বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।