পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়33 minutes
মোট প্রশ্ন৪৮
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা] ------------- নির্দেশিকা: ১. এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে। ২. এই পরীক্ষাটি "Award Mania: Season - 10” এর জন্য প্রযোজ্য।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৮ প্রশ্ন

.
নিচের কোন প্রাণিটি ভিন্ন ধরনের?
  1. গিরগিটি
  2. কুকুর
  3. কচ্ছপ
  4. ঘড়িয়াল
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন প্রাণিটি ভিন্ন ধরনের?

সমাধান:
কুকুর প্রাণিটি ভিন্ন ধরনের কারণ কুকুর একটি স্তন্যপায়ী প্রাণি।
অন্যদিকে, ঘড়িয়াল, কচ্ছপ ও গিরগিটি হলো সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী। 
.
আগামী পরশু যদি বুধবার হয় তবে, গতকালের আগের দিন কী বার ছিল?
  1. মঙ্গলবার
  2. সোমবার
  3. শনিবার
  4. রবিবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আগামী পরশু যদি বুধবার হয় তবে, গতকালের আগের দিন কী বার ছিল?

সমাধান:
আগামী পরশু ⇒ বুধবার
আগামীকাল ⇒ মঙ্গলবার
আজ ⇒ সোমবার
গতকাল ⇒ রবিবার
গতকালের আগের দিন বা গত পরশু ⇒ শনিবার
.
মানুষের জীবনকে দোতলা ঘরের সাথে তুলনা করলে তার উপরের তলা হবে-
  1. জ্ঞান ও প্রজ্ঞা
  2. স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা
  3. মনুষ্যত্ব
  4. জীবসত্তা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মানুষের জীবনকে দোতলা ঘরের সাথে তুলনা করলে তার উপরের তলা হবে-

সমাধান:
লাইনটি মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব’ প্রবন্ধের অংশ বিশেষ।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে - "মানুষের জীবনকে একটি দোতলা ঘরের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। জীবসত্তা সেই ঘরের নিচের তলা, আর মানবসত্তা বা মনুষ্যত্ব উপরের তলা। জীবসত্তার ঘর থেকে মানবসত্তার উঠবার মই হচ্ছে শিক্ষা, শিক্ষাই আমাদের মানবসত্তার ঘরে নিয়ে যেতে পারে।"
.
একই গতির দুটি ট্রেন বিপরীত দিক থেকে আসছে। ট্রেন দুটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। তারা পরস্পরকে ১৫ সেকেন্ডে অতিক্রম করলে ট্রেন দুটির গতিবেগ কত?
  1. ৩০ কি.মি./ঘণ্টা
  2. ৩১ কি.মি./ঘণ্টা
  3. ৩৫ কি.মি./ঘণ্টা
  4. ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একই গতির দুটি ট্রেন বিপরীত দিক থেকে আসছে। ট্রেন দুটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। তারা পরস্পরকে ১৫ সেকেন্ডে অতিক্রম করলে ট্রেন দুটির গতিবেগ কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
১ম ট্রেনের গতিবেগ + ২য় ট্রেনটির গতিবেগ = (দুইটি ট্রেনের মোট দৈর্ঘ্য) / অতিক্রমের সময়
বা, ২ × গতিবেগ = {(১৫০ + ১৫০)/১০০০)} / (১৫/৩৬০০)
বা, ২ × গতিবেগ = ৭২ কি.মি./ঘণ্টা
∴ গতিবেগ = ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা

∴ ট্রেন দুটির আলাদা নিজস্ব গতিবেগ ছিল = ৩৬ কি.মি./ঘণ্টা
.
আপনি একটি অফিসে কাজ করেন এবং দেখলেন আপনার সহকর্মী কাজের সময় অনৈতিক কিছু করছেন। আপনি কী করবেন?
  1. আপনার বসের কাছে ঘটনাটি জানাবেন।
  2. বিষয়টি তার সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করবেন।
  3. বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন।
  4. বিষয়টি নিয়ে অফিসের অন্য সহকর্মীদের সাথে আলোচনা করবেন।
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আপনি একটি অফিসে কাজ করেন এবং দেখলেন আপনার সহকর্মী কাজের সময় অনৈতিক কিছু করছেন। আপনি কী করবেন?

সমাধান:
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ হবে প্রথমে বিষয়টি সহকর্মীর সাথে সরাসরি আলোচনা করা। এর কারণগুলো হলো:
- সরাসরি কথা বললে আপনি তার আচরণের পিছনের কারণ জানতে পারবেন
- হয়তো এটি কোনো ভুল বোঝাবুঝির ফল হতে পারে।
- তাকে নিজের আচরণ সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে।

অন্যদিকে,
- এড়িয়ে যাওয়াটা সমস্যার সমাধান নয়।
- সরাসরি বসের কাছে যাওয়া খুব কঠোর পদক্ষেপ হতে পারে।
- অন্য সহকর্মীদের সাথে আলোচনা করলে অফিসে গুজব ছড়াতে পারে

তবে যদি সরাসরি আলোচনার পরেও কোনো পরিবর্তন না আসে, তখন বিষয়টি বসের কাছে তোলা যেতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি প্রমাণ করতে পারবেন যে আপনি আগে সহকর্মীর সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন।
.
একটি ঘড়ি দুপুর ১২ টার সময় সঠিক সময় প্রদান করেছিল। যান্ত্রিক সমস্যার কারণে ঘড়িটি ২৪ ঘণ্টায় সঠিক সময় হতে ২ মিনিট পিছিয়ে যায়। দুপুর ১ ঘটিকায় ঘড়িটি কত সেকেন্ড পিছিয়ে ছিল?
  1. ৫ সেকেন্ড
  2. ৬৫ সেকেন্ড
  3. ১০ সেকেন্ড
  4. ৭০ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ঘড়ি দুপুর ১২ টার সময় সঠিক সময় প্রদান করেছিল। যান্ত্রিক সমস্যার কারণে ঘড়িটি ২৪ ঘণ্টায় সঠিক সময় হতে ২ মিনিট পিছিয়ে যায়। দুপুর ১ ঘটিকায় ঘড়িটি কত সেকেন্ড পিছিয়ে ছিল?

সমাধান:
দুপুর ১২ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত মোট সময় = ১ ঘণ্টা

ঘড়িটি ২৪ ঘণ্টায় সময় হারায় ২ মিনিট
ঘড়িটি ১ ঘণ্টায় সময় হারায় = (২ × ৬০)/২৪ সেকেন্ড
= ৫ সেকেন্ড

ঘড়িটি ১ ঘণ্টায় সময় হারায় ৫ সেকেন্ড তাহলে, দুপুর ১ টায় ঘড়িটি পিছিয়ে ছিল ৫ সেকেন্ড।
.
একজন পুরুষ একটি শিশুকে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার পর স্কুলের একজন শিক্ষক শিশুটির পরিচয় জানতে চাইলেন, তখন পুরুষটি বললেন যে 'শিশুটির মা আমার দাদীর একমাত্র ছেলের বউ'। শিশুটি ছেলে না হলে, শিশুটি পুরুষটির কে হয়?
  1. মা
  2. বোন
  3. ফুফু
  4. চাচি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন পুরুষ একটি শিশুকে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার পর স্কুলের একজন শিক্ষক শিশুটির পরিচয় জানতে চাইলেন, তখন পুরুষটি বললেন যে 'শিশুটির মা আমার দাদীর একমাত্র ছেলের বউ'। শিশুটি ছেলে না হলে, শিশুটি পুরুষটির কে হয়?

সমাধান:
পুরুষটির দাদীর একমাত্র ছেলে = পুরুষটির বাবা
বাবার বউ = মা
মায়ের মেয়ে = বোন [যেহেতু শিশুটি ছেলে নয়]
.
একটি পুকুর তিনটি পাইপ দিয়ে যথাক্রমে ৮, ১০ ও ২০ ঘণ্টায় পূর্ণ হতে পারে। তিনটি পাইপ একসাথে খুলে দিলে পুকুরটির সম্পূর্ণ অংশ পূর্ণ হতে কত সময় লাগে?
  1. ৩০/১৩ ঘণ্টা
  2. ৪০/১১ ঘণ্টা
  3. ৫০/১৭ ঘণ্টা
  4. ৪৫/৮ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পুকুর তিনটি পাইপ দিয়ে যথাক্রমে ৮, ১০ ও ২০ ঘণ্টায় পূর্ণ হতে পারে। তিনটি পাইপ একসাথে খুলে দিলে পুকুরটির সম্পূর্ণ অংশ পূর্ণ হতে কত সময় লাগে?

সমাধান:
একটি পুকুর তিনটি পাইপ দিয়ে যথাক্রমে ৮, ১০ ও ২০ ঘণ্টায় পূর্ণ হতে পারে।
তিনটি পাইপ দ্বারা ১ ঘণ্টায় যথাক্রমে পূর্ণ হয় ১/৮, ১/১০, ১/২০ অংশ।
একসাথে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় = (১/৮) + (১/১০) + (১/২০)
= ১১/৪০ অংশ

১১/৪০ অংশ পূর্ণ হয় ১ ঘণ্টায়।
∴ সম্পূর্ণ বা ১ অংশ পূর্ণ হয় = (১ × ৪০)/১১ ঘণ্টায়
= ৪০/১১ ঘণ্টা

অতএব, পুকুরটি সম্পূর্ণ হতে ৪০/১১ ঘণ্টা সময় লাগবে।
.
দৈনিক ৮ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ৬ জন ব্যক্তি একটি কাজ করে ৫ দিনে। দৈনিক ৫ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ৩ জন ব্যক্তি কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
  1. ১২ দিনে
  2. ১৫ দিনে
  3. ১৪ দিনে
  4. ১৬ দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দৈনিক ৮ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ৬ জন ব্যক্তি একটি কাজ করে ৫ দিনে। দৈনিক ৫ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ৩ জন ব্যক্তি কাজটি কত দিনে করতে পারবে?

সমাধান:
দৈনিক ৮ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ৬ জন ব্যক্তি একটি কাজ করতে পারে = ৫ দিনে
দৈনিক ১ ঘন্টা পরিশ্রম করে ১ জন ব্যক্তি কাজটি = ৫ × ৮ × ৬ দিনে
∴ দৈনিক ৫ ঘণ্টা পরিশ্রম ৩ জন ব্যক্তি কাজটি করতে পারে = (৫ × ৮ × ৬)/(৫ × ৩) দিনে
= ১৬ দিনে
১০.
নিচের কোন জেলা দুই দেশের সীমান্তের সাথে যুক্ত আছে?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলা দুটি দেশের সীমান্তের সাথে যুক্ত আছে।

সীমান্তবর্তী জেলা:

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।  
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙ্গামাটি।
- তার মধ্যে - ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- অর্থাৎ রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।

⇒ অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি। যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
- উত্তরে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।
- পূবে - ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
- দক্ষিণে - বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
- পশ্চিমে - ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়?
  1. নরওয়ে
  2. লিথুনিয়া
  3. সুইডেন
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে 'লিথুনিয়া' স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- ইতালি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া সাধারণত নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক নিয়ে গঠিত।

অন্যদিকে,
- নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
- নর্ডেন শব্দটি এই পাঁচটি দেশকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- যথা- আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
- যাদের মধ্যে ভাষাগত, সাংস্কৃতিক এবং ভৌগোলিক মিল রয়েছে।
- যা উচ্চ সাক্ষরতা, দীর্ঘ জীবন প্রত্যাশা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্যের জন্য পরিচিত।
 
তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১২.
সাহারা মরুভূমি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ইউরোপ মহাদেশে
  2. এশিয়া মহাদেশে
  3. আফ্রিকা মহাদেশে
  4. উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
ব্যাখ্যা
→ সাহারা মরুভূমি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।

সাহারা মরুভূমি:

- সাহারা হল বিশ্বের বৃহত্তম মরুভূমি, যার আয়তন ৩.৫ মিলিয়ন বর্গ মাইল (৯ মিলিয়ন বর্গ কিমি)।
- মরুভূমির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৮০০ কিলোমিটার এবং সর্বাধিক প্রস্থ ১,৮০০ কিলোমিটার। 
- সাহারা মরুভূমির নামটি এসেছে আরবি শব্দ ‘সাহরা’ থেকে যার অর্থ ‘মরুভূমি’।।
- এটি আফ্রিকার প্রায় এক তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে।
- মরুভূমিটি আলজেরিয়া, মিশর, মালি, মরক্কো, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, চাদ, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার এবং সুদান সহ ১১টি উত্তর আফ্রিকার দেশের বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে।
- ১৮৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু পাহাড়ী বালির টিলাগুলির জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
- এই মরুভূমিতে জলের উত্স বিরল, তবে সাহারায় দুটি নদী এবং বিশটি মৌসুমী হ্রদ রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট।
১৩.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কী?
  1. একটি দ্বীপ
  2. একটি গিরিখাত
  3. একটি মরুভূমি
  4. একটি নদীর মোহনা
ব্যাখ্যা
→ 'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' হলো বঙ্গোপসাগরের-একটি গিরিখাত।

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত।

- এটি বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- গিরিখাতটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডকে "গঙ্গা খাদ" নামেও ডাকা হয়।
- এর প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার এবং তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের নিচে কান্দা ও উপ-বদ্বীপ উপত্যকার আকারে এটি প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত সম্প্রসারিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৪.
কোনটি "পৃথিবীর ছাদ" হিসেবে পরিচিত?
  1. তারিম মালভূমি
  2. পামীর মালভূমি
  3. তিব্বত মালভূমি
  4. কলোরাডো মালভূমি
ব্যাখ্যা
→ পামীর মালভূমি "পৃথিবীর ছাদ" হিসেবে পরিচিত।

⇒ পামীর মালভূমি:
- পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি হলো পামীর মালভূমি।
- যা মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, চীন ও আফগানিস্তানে অবস্থিত। 
- এর উচ্চতা প্রায় ৭,৬৪৯ মিটার, যা একে "পৃথিবীর ছাদ" হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে।
- পামীর মালভূমি বিশ্বের কয়েকটি বৃহৎ পর্বতমালার মিলনস্থল, যেমন: হিমালয়, কারাকোরাম এবং তিয়ান শান।

অন্যদিকে,
- গোলান মালভূমি: সিরিয়া ও ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত এবং এটি একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।
- তিব্বত মালভূমি: এটি একটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি, যা উত্তরে কুনলুন পর্বতমালা এবং দক্ষিণে হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত।
- কলোরাডো মালভূমি (Colorado Plateau) উত্তর আমেরিকার একটি প্রাকৃতিক এলাকা, যা পশ্চিমী যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে বিস্তৃত।
- তারিম মালভূমি পশ্চিম চীনের শিনজিয়াং অঞ্চলের অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১৫.
সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. সিলেটে
  2. ভোলায়
  3. চট্টগ্রামে
  4. বঙ্গোপসাগরে
ব্যাখ্যা
→ সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।

সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একমাত্র উৎপাদনশীল গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিঃশেষ ও পরিত্যক্ত হয় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর।
- সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৯৬ সালে ব্রিটিশ তেল কোম্পানি কেয়ার্ন এনার্জি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।
- কোম্পানিটি ১৯৯৮ সালে সেখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু করে।
- ২০০৭-০৮ সালে সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদনে ধস নামে।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার এমআইএস রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রায় ৪৮৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হয়।

তথ্যসূত্র:  প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক] 
১৬.
কোনটি ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সীমানা হিসাবে গণ্য হয়?
  1. অ্যাটলাস পর্বতমালা
  2. কারাকোরাম পর্বতমালা
  3. ইউরাল পর্বতমালা
  4. পিরিনিজ পর্বতমালা
ব্যাখ্যা
⇒ ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী সীমানা হিসেবে বিবেচিত- ইউরাল পর্বতমালা। 

⇒ ইউরাল পর্বতমালা:
- ইউরাল পর্বত এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সীমানা।
- এটি রাশিয়ায় অবস্থিত এবং দেশটিকে ইউরোপীয় ও এশীয় অংশে বিভক্ত করেছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার।

 অন্যদিকে, অন্যান্য উল্লেখযোগ্য পর্বতমালা:
- কারাকোরাম পর্বতমালা দক্ষিণ এশিয়ার অংশ এবং এটি পাকিস্তান, ভারত, ও চীনের মধ্যে বিস্তৃত।
- পিরেনিজ পর্বত স্পেন ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমান্ত তৈরি করেছে।
- অ্যাটলাস পর্বতমালা মরক্কো, আলজেরিয়া এবং তিউনিসিয়ার মধ্যে বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ওয়েবসাইট।
১৭.
প্রাচীন 'কর্ণসুবর্ণ' বলতে বর্তমান কোন স্থানকে বুঝায়?
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. নদীয়া
  3. আগ্রা
  4. পাটনা
ব্যাখ্যা
 কর্ণসুবর্ণ:
- কর্ণসুবর্ণ ছিল গৌড়ের রাজা  শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
প্রাচীন 'পুণ্ড্রবর্ধন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. সোনারগাঁ
  3. মহাস্থানগড়
  4. পাহাড়পুর
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন
১৯.
মুহাম্মদ ঘুরী ও পৃথ্বীরাজ চৌহানের মধ্যে ২য় তরাইনের যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ৭১৬
  2. ৭১২
  3. ১১৯০
  4. ১১৯২
ব্যাখ্যা
• তরাইনের ২য় যুদ্ধ:
তরাইনের ২য় যুদ্ধ ১১৯২ সালে বর্তমান হরিয়ানার থানেশ্বরের নিকটে তরাইন নামক শহরের নিকটে সংঘটিত হয়।
- এই স্থান দিল্লি থেকে ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।
- মুহম্মদ ঘুরির নেতৃত্বাধীন ঘুরি বাহিনী ও পৃথ্বীরাজ চৌহানের নেতৃত্বে চৌহান রাজপুত বাহিনীর মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে মুহাম্মদ ঘুরী, পৃথ্বীরাজ চৌহানকে পরাজিত করেছিলেন এবং এই বিজয় দিল্লি সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা করে।
- তিনি ভারতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন এবং দেশে তিনি 'মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা' হিসাবেও পরিচিত।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
কোন সুলতানের শাসনামলে হযরত শাহাজালাল (র.) সিলেটে আগমন করেন?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. শামসুদ্দীন ফিরোজ শাহ
  3. গিয়াস উদ্দিন আযম শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
শামসুদ্দীন ফিরোজ শাহ শাসনামলে হযরত শাহাজালাল (র) সিলেটে আগমন করেন।

• শাহ জালাল (র.):
- শাহ জালাল (র.) বাংলার একজন প্রখ্যাত সুফি দরবেশ।
-সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের শাসনামলে হযরত শাহ জালাল ৩৬০ জন সাথী ও মুরিদ নিয়ে বাংলায় আসেন।
- হযরত শাহজালাল (র.) আরবের ইয়েমেনের অধিবাসী ছিলেন।
- শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের সিলেট অভিযানে হযরত শাহ জালাল মুসলমান সৈন্যবাহিনীর সঙ্গে যোগ দেন।
- মুসলমান সৈন্যরা জয়লাভ করে।
- গৌর গোবিন্দ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান এবং সিলেট মুসলমানদের শাসনাধীন হয়।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া। 
২১.
মুঘল সম্রাটদের ক্ষেত্রে কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. বাবর > আকবর > হুমায়ুন > শাহাজাহান > জাহাঙ্গীর > আওরঙ্গজেব
  2. বাবর > হুমায়ুন > আকবর > শাহাজাহান > আওরঙ্গজেব > জাহাঙ্গীর
  3. বাবর > হুমায়ুন > আকবর > জাহাঙ্গীর > শাহাজাহান > আওরঙ্গজেব
  4. বাবর > আকবর > হুমায়ুন > জাহাঙ্গীর > শাহাজাহান > আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
সঠিক ক্রম: বাবর > হুমায়ুন > আকবর > জাহাঙ্গীর > শাহাজাহান > আওরঙ্গজেব।

• মুঘল  সাম্রাজ্য:

- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মুঘল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৬১০ সালে বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।
- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
২২.
'পাট্টা ও কবুলিয়ত' প্রথার প্রবর্তক কে?
  1. হুমায়ুন
  2. আকবর
  3. শাহজাহান
  4. শের শাহ
ব্যাখ্যা
• 'পাট্টা ও কবুলিয়ত' প্রথার প্রবর্তক শের শাহ।
- পাট্টা - ভূমি স্বত্বের দলিল; কবুলিয়াত -  চুক্তি দলিল
• শের শাহ:
- শূর শাসনের সূত্রপাত করেন আফগান শাসক শের শাহ।
- বিহারের শাসনকর্তা সুলতান মুহম্মদের মৃত্যুর পর শের শাহ বিহারের শাসন করেন।
- ১৫৩৮ সালে তিনি বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- শের শাহ বাংলায় 'ঘোড়ার ডাক' ব্যবস্থার প্রচলন করেন।
- তিনি ‘দাম’ নামক মুদ্রার প্রচলন করেন।
- সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা তিনি।
- পাট্টা ও কাবুলিয়াত প্রথা চালু করেন শের শাহ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৩.
উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কার শাসনামলে?
  1. লর্ড মিন্টো
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
• উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় লর্ড মেয়ো-এর  শাসনামলে।
• লর্ড মেয়ো:
- তার শাসনামলেই ১৮৭২ সালে উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- লর্ড মেয়ো ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন।
 - তিনি প্রথম কৃষি ও বাণিজ্য বিভাগ সৃষ্টি করেন।

অন্যদিকে,
• লর্ড ক্যানিং 
- লর্ড ক্যানিং ভারতের শেষ গভর্ণর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় ছিলেন।
- ১৮৬১ সালে লর্ড ক্যানিং উপমহাদেশে প্রথমবারের মত কাঠামোবদ্ধ পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন। 
- একই বছর ( ১৮৬১ খ্রীস্টাব্দ ) তিনি ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস চালু করেন।
- ১৮৬১ সালে লর্ড ক্যানিং ভারত উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন।
- তিনি উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
• লর্ড মিন্টো:
'মর্লি মিন্টো সংস্কার আইন, ১৯০৯' এর মাধ্যমে মুসলামানদের পৃথক নির্বাচনের অধিকার দেন।
• লর্ড কার্জন:
- তাঁর পুরো নাম জর্জ নাথানিয়েল কার্জন।
- লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- তার নামানুসারে 'কার্জন হল' নির্মিত হয়েছিল।
- কার্জন হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অংশ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২৪.
'জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৯১৯ সাল
  2. ১৯১৪ সাল
  3. ১৯১৬ সাল
  4. ১৯১৭ সাল
ব্যাখ্যা
'জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড ১৯১৯ সালে সংঘটিত হয়।

• জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড:
- রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের অমৃতসরে আয়োজিত এক সভায় জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে ইংরেজ বাহিনীর গুলিবর্ষণে বহু নিরস্ত্র লোক মারা যায়।
- এই হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে 'জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড' নামে পরিচিত। 
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রিটিশ সরকার প্রদত্ত নাইট উপাধি  ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
২৫.
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কত সালে বাংলায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন?
  1. ১৬০০
  2. ১৬১২
  3. ১৬৪৫
  4. ১৬৩৩
ব্যাখ্যা
- ১৬৩৩ সালে বাংলায় প্রথম হরিহরপুরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।

• ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬৩৩ সালে বাংলায় প্রথম হরিহরপুরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে। এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়এবং ১৮৫৮ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত শাসন পরিচালনা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৬.
৮০ লিটার ফলের রসে আপেল ও আঙ্গুরের অনুপাত ৩ : ১। আঙ্গুরের রসের পরিমাণ কত লিটার বৃদ্ধি করলে অনুপাতটি ১ : ৩ হবে?
  1. ১২০ লিটার
  2. ১৩০ লিটার
  3. ১৪০ লিটার
  4. ১৬০ লিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮০ লিটার ফলের রসে আপেল ও আঙ্গুরের অনুপাত ৩ : ১। আঙ্গুরের রসের পরিমাণ কত লিটার বৃদ্ধি করলে অনুপাতটি ১ : ৩ হবে?

সমাধান:
৮০ লিটার ফলের রসে,
আপেল রসের পরিমাণ = ৮০ × (৩/৪) অংশ = ৬০ লিটার
আঙ্গুরের রসের পরিমাণ = ৮০ × (১/৪) অংশ = ২০ লিটার

ধরি,
'ক' লিটার আঙ্গুরের রস বৃদ্ধি করতে হবে।

শর্তমতে,
৬০/(২০ + ক) = ১/৩
⇒ ২০ + ক = ১৮০
⇒ ক = ১৮০ - ২০
∴ ক = ১৬০

∴ ১৬০ লিটার আঙ্গুরের রস বৃদ্ধি করতে হবে।
২৭.
দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু. ৫৪ এবং সংখ্যাদ্বয়ের অনুপাত ২ : ৩ হলে সংখ্যাদ্বয়ের সমষ্টি কত হবে?
  1. ৩৫
  2. ৪২
  3. ৪৫
  4. ২৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু. ৫৪ এবং সংখ্যাদ্বয়ের অনুপাত ২ : ৩ হলে সংখ্যাদ্বয়ের সমষ্টি কত হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
দুইটি সংখ্যার অনুপাত = ২ : ৩
তাদের ল.সা.গু = ৫৪

মনে করি,
একটি সংখ্যা = ২ক
অপর সংখ্যা = ৩ক
∴ সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু = ৬ক

প্রশ্নমতে,
৬ক = ৫৪
⇒ ক = ৫৪/৬
⇒ ক = ৯

∴ সংখ্যাদ্বয়ের সমষ্টি = ২ক + ৩ক
= (২ × ৯) + (৩ × ৯)
= ১৮ + ২৭
= ৪৫
২৮.
একটি বিদ্যালয়ের ৪০% শিক্ষার্থী ছাত্রাবাসে অবস্থান করে। ছাত্রাবাসের সৌভাগ্যবান ৭৫% শিক্ষার্থী একক কক্ষ পায়। যদি সৌভাগ্যবান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫০০ হয় তবে বিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা কত?
  1. ৩৯০০ জন
  2. ৪০০০ জন
  3. ৪০৬০ জন
  4. ৫০০০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বিদ্যালয়ের ৪০% শিক্ষার্থী ছাত্রাবাসে অবস্থান করে। ছাত্রাবাসের সৌভাগ্যবান ৭৫% শিক্ষার্থী একক কক্ষ পায়। যদি সৌভাগ্যবান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫০০ হয় তবে বিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা কত?

সমাধান :
প্রশ্নমতে,
৭৫% শিক্ষার্থী = ১৫০০ জন
∴ ১০০% শিক্ষার্থী = (১৫০০ × ১০০)/৭৫
= ২০০০ জন

সুতরাং ছাত্রাবাসের মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা = ২০০০ জন

আবার
প্রশ্নমতে,
৪০% শিক্ষার্থী = ২০০০ জন
∴ ১০০% শিক্ষার্থী = (২০০০ × ১০০)/৪০ জন
= ৫০০০ জন।

∴ বিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা = ৫০০০ জন।
২৯.
একটি সংখ্যাকে ৯৬০ এবং ৮৪০ এর যোগফল দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল, ঐ সংখ্যা দুটির পার্থক্যের দুইগুণ হয় এবং ভাগশেষ ৫০ পাওয়া যায়। সংখ্যাটি কত?
  1. ৩২৪৫০০
  2. ৪৩২০৫০
  3. ৫৫১০১৪
  4. ৬২৩১৫০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যাকে ৯৬০ এবং ৮৪০ এর যোগফল দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল, ঐ সংখ্যা দুটির পার্থক্যের দুইগুণ হয় এবং ভাগশেষ ৫০ পাওয়া যায়। সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
যোগফল = (৯৬০ + ৮৪০) = ১৮০০

এখন,
ভাগফল = ২(৯৬০ - ৮৪০)
= (২ × ১২০)
= ২৪০

∴ সংখ্যাটি = (২৪০ × ১৮০০) + ৫০
= ৪৩২০০০ + ৫০
= ৪৩২০৫০
৩০.
এক ব্যক্তি ২০,০০০ টাকা তার পাঁচ ছেলের মধ্যে যথাক্রমে ২ : ৩ : ৪ : ৫ : ৬ অনুপাতে ভাগ করে দিল। তার চতুর্থ পুত্র ১,৫০০ টাকা নিজের কাছে রেখে ১,২০০ টাকা তার স্ত্রীর কাছে দিল এবং বাকি টাকা তার দুই কন্যার মধ্যে ১৩ : ১০ অনুপাতে ভাগ করে দিল। ঐ ব্যক্তির চতুর্থ পুত্রের ২য় কন্যা কত টাকা পাবে?
  1. ৬০০ টাকা
  2. ৭০০ টাকা
  3. ৯০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি ২০,০০০ টাকা তার পাঁচ ছেলের মধ্যে যথাক্রমে ২ : ৩ : ৪ : ৫ : ৬ অনুপাতে ভাগ করে দিল। তার চতুর্থ পুত্র ১,৫০০ টাকা নিজের কাছে রেখে ১,২০০ টাকা তার স্ত্রীর কাছে দিল এবং বাকি টাকা তার দুই কন্যার মধ্যে ১৩ : ১০ অনুপাতে ভাগ করে দিল। ঐ ব্যক্তির চতুর্থ পুত্রের ২য় কন্যা কত টাকা পাবে?

সমাধান:
অনুপাতের যোগফল = (২ + ৩ + ৪ + ৫ + ৬) = ২০

এখন,
চতুর্থ সন্তান পাবে = ২০০০০ × (৫/২০) = ৫০০০ টাকা
নিজের কাছে রেখে দেয়ার পর এবং স্ত্রীকে দেয়ার পর ২য় সন্তানের অবশিষ্ট ছিল = (৫০০০ - ১৫০০ - ১২০০) টাকা
= ২৩০০ টাকা

আবার,
২য় অনুপাতের যোগফল = (১৩ + ১০) = ২৩
চতুর্থ সন্তানের ২য় কন্যা পাবে = ২৩০০ × (১০/২৩) টাকা
= ১০০০ টাকা
৩১.
সুদের হার ১১ টাকা থেকে কমে ৫ টাকা হওয়ায় এক ব্যক্তির বার্ষিক আয় ৪৮ টাকা কমে গেল। তার মূলধন কত?
  1. ৭০০ টাকা
  2. ৮০০ টাকা
  3. ৯০০ টাকা
  4. ১২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সুদের হার ১১ টাকা থেকে কমে ৫ টাকা হওয়ায় এক ব্যক্তির বার্ষিক আয় ৪৮ টাকা কমে গেল। তার মূলধন কত?

সমাধান:
সুদের হার কমে = (১১ - ৫) টাকা
= ৬ টাকা

এখন,
৬ টাকা কমলে মূলধন = ১০০ টাকা
১ টাকা কমলে মূলধন = ১০০/৬ টাকা
৪৮ টাকা কমলে মূলধন = (১০০ × ৪৮)/৬ টাকা
= ৮০০ টাকা
৩২.
একটি পণ্য ১৫% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। যদি বিক্রয়মূল্য ১৫০০ টাকা বেশি হতো, তাহলে ১০% লাভ হতো। পণ্যটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ৩০০০ টাকা
  2. ৪০০০ টাকা
  3. ৬০০০ টাকা
  4. ৮০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পণ্য ১৫% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। যদি বিক্রয়মূল্য ১৫০০ টাকা বেশি হতো, তাহলে ১০% লাভ হতো। পণ্যটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
১৫% ক্ষতিতে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ১৫) = ৮৫ টাকা

আবার, ১০% লাভে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ১০) = ১১০ টাকা

∴ বিক্রয় মূল্যেদ্বয়ের পার্থক্য = (১১০ - ৮৫) = ২৫ টাকা

এখন,
বিক্রয়মূল্য ২৫ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = ১০০/২৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১৫০০ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ১৫০০)/২৫ টাকা
= ৬০০০ টাকা
৩৩.
একটি ভগ্নাংশের লব ও হরের সমষ্টি ১১। লবের সাথে ১ যোগ করলে হরের সমান হবে। ভগ্নাংশটি কত?
  1. ৪/৫
  2. ৩/৪
  3. ২/৩
  4. ৫/৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ভগ্নাংশের লব ও হরের সমষ্টি ১১। লবের সাথে ১ যোগ করলে হরের সমান হবে। ভগ্নাংশটি কত?

সমাধান:
ধরি,
ভগ্নাংশটির লব = ক
এবং হর = ১১ - ক

প্রশ্নমতে,
ক + ১ = ১১ - ক
⇒ ক + ক = ১১ - ১
⇒ ২ক = ১০
⇒ ক = ১০/২
⇒ ক = ৫

এবং, হর = ১১ - ৫ = ৬

∴ ভগ্নাংশটি = ৫/৬
৩৪.
একজন দোকানদার ক্রয় মূল্যের দরে সরিষার তেল বিক্রি করবে বললো কিন্তু ১ লিটারের পরিবর্তে ৮০০ মিলি লিটারের পরিমাপক ব্যবহার করলো। তার শতকরা লাভের হার কত?
  1. ১৫%
  2. ৩০%
  3. ২৫%
  4. ৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন দোকানদার ক্রয় মূল্যের দরে সরিষার তেল বিক্রি করবে বললো কিন্তু ১ লিটারের পরিবর্তে ৮০০ মিলি লিটারের পরিমাপক ব্যবহার করলো। তার শতকরা লাভের হার কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
১ লিটার = ১০০০ মিলিলিটার

ধরি,
১০০০ মিলিলিটার তেলের ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
৮০০ মিলিলিটার তেলের ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৮০০)/১০০০ = ৮০ টাকা
৮০০ মিলিলিটার তেলের বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা

∴ লাভের পরিমাণ = (১০০ - ৮০) = ২০ টাকা

৮০ টাকায় লাভ হয় = ২০ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় = ২০/৮০ টাকা
১০০ টাকায় লাভ হয় = (২০ × ১০০)/৮০ টাকা
= ২৫ টাকা বা ২৫%
৩৫.
একটি বিজোড় পূর্ণ সংখ্যার পাঁচ গুণের সাথে পরবর্তী বিজোড় পূর্ণ সংখ্যার চার গুণ যোগ করলে ৭১ হয়। প্রথম বিজোড় পূর্ণ সংখ্যাটি কত? 
  1. ১১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বিজোড় পূর্ণ সংখ্যার পাঁচ গুণের সাথে পরবর্তী বিজোড় পূর্ণ সংখ্যার চার গুণ যোগ করলে ৭১ হয়। প্রথম বিজোড় পূর্ণ সংখ্যাটি কত? 

সমাধান:
ধরি,
প্রথম বিজোড় পূর্ণ সংখ্যাটি = ক
তাহলে, পরবর্তী বিজোড় পূর্ণ সংখ্যাটি = ক + ২

প্রশ্নমতে,
৫ক + ৪(ক + ২) = ৭১
⇒ ৫ক + ৪ক + ৮ = ৭১
⇒ ৯ক = ৭১ - ৮
⇒ ৯ক = ৬৩
⇒ ক = ৬৩/৯
∴ ক = ৭
৩৬.
হিব্রুদের প্রধান দেবতা ছিলেন -
  1. জেহোভা
  2. আফ্রোদিতি
  3. আথেনা
  4. হার্মিস
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতা:
- হিব্রু জাতি প্রাচীন মিসরীয় এবং মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর প্রাচীন মানব সভ্যতায় অবদান রেখেছিল।
- হিব্রুরাই ইহুদী ধর্মের অনুসারী এবং ইসরাইলী জাতি হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- ঐতিহাসিকদের মতে প্রাচীন ফোরাত নদীর (ইউফ্রেটিস নদী) অপর পাড় থেকে যে সব মানবগোষ্ঠী বিতাড়িত হয়ে প্যালেস্টাইনে বসতি স্থাপন করে তারাই হিব্রু জনগোষ্ঠী।
- হিব্রু শব্দের অর্থ 'বিদেশী' (Alien) থেকে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই নৃতাত্ত্বিক অর্থে হিব্রুরা কোনো নির্দিষ্ট জাতি নয়।
- মিসরীয় ও ব্যাবিলনীয় উৎস থেকে আহরিত হয়েছিল হিব্রু সভ্যতার অনেক উপাদানই।
- হিব্রু জাতি খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে তাদের আদি পুরুষ ইব্রাহিমের (আঃ) (আব্রাহাম) নেতৃত্বে উত্তর-পশ্চিম মেসোপটেমিয়ায় একত্রে বসবাস শুরু করে।
- তাওরাত বা ওল্ড টেস্টামেন্ট (Old Testament) হিব্রু ধর্মের (ইহুদী জাতির) প্রধান ধর্মগ্রন্থ।
- হিব্রুদের প্রধান দেবতা ছিলেন জেহোভা।
- জেহোভাকে তারা আকার-বিশিষ্ট একেশ্বর বলে মনে করত।
- এ যুগে ইহুদীরা জরথুস্ত্র ধর্মের প্রভাবে আসে এবং আবার একেশ্বরবাদে আকৃষ্ট হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
স্পেনের রাজধানীর নাম কী?
  1. বার্সেলোনা
  2. কর্ডোভা
  3. মাদ্রিদ
  4. বিলবাও
ব্যাখ্যা
স্পেন:
- স্পেন ইউরোপের বৃহত্তম দেশগুলির মধ্যে একটি
- আয়তন: ১৯৫,৩৬১ বর্গ মাইল (৫০৫,৯৮৩ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: মাদ্রিদ।
- ভাষা: কাস্টিলিয়ান স্প্যানিশ (অফিসিয়াল), কাতালান, গ্যালিসিয়ান, বাস্ক।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক)।
- মুদ্রা: ইউরো।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
৩৮.
মেসোপটেমীয় সভ্যতাকে কয়টি পর্যায়ে ভাগ করা যায়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
• সুমেরীয়।
• ব্যাবিলনীয়।
• অ্যাসেরীয়।
• ক্যালেডীয়।
- Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা 'মেসোপটেমীয় সভ্যতা'।
- ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে।
- ওই সময় উরুক নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ছিল। এ শব্দ থেকেই ইরাকের নাম রাখা হয়।
- বর্তমান ইরাকের বেশির ভাগ অংশ এবং সিরিয়ার কিছু অংশ একসময় মেসোপটেমীয় সভ্যতারই
অংশ ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে এ অঞ্চল পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পরে রোমানদের দখলে যায়। মুসলিম শাসনামলে এ অঞ্চল ইরাক নামে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩৯.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ?
  1. রোমানিয়া
  2. মাল্টা
  3. ক্রোয়েশিয়া
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com.
৪০.
রাশিয়ার মুদ্রার নাম কী?
  1. রুবল
  2. ডলার
  3. পাউন্ড
  4. ক্রোনা
ব্যাখ্যা
রাশিয়া:
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
- রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: মস্কো।
- রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ভাষা রুশ।
- দেশটির মুদ্রার নাম রুবল।
- রাশিয়ার সম্রাটদের বলা হয় জার।
- রাশিয়ার সরকারব্যবস্থা বহুদলীয় গণতন্ত্র।
- দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম ডুমা।
- রাশিয়া একসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে দেশটি।
- সাংবিধানিকভাবে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক দেশ রাশিয়া।
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন: ক্রেমলিন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪১.
দক্ষিণ আফ্রিকার সংসদীয় রাজধানী নিচের কোনটি?
  1. ভ্রেডেনবার্গ
  2. কেপ টাউন
  3. ওয়েলিংটন
  4. জোহানেসবার্গ
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- আইনসভার নাম পার্লামেন্ট,
• উচ্চকক্ষ National Council.
• নিম্নকক্ষ National Assembly.
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী ৩টি,
• নির্বাহী রাজধানী প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী ব্লুমফন্টেইন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয় / প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দক্ষিণ আফ্রিকা মুদ্রার নাম র‍্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪২.
নিচের কোনটি উত্তর ইউরোপের দেশ?
  1. বুলগেরিয়া
  2. হাঙ্গেরি
  3. আইসল্যান্ড
  4. স্লোভাকিয়া
ব্যাখ্যা
পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ
• বুলগেরিয়া
• চেক প্রজাতন্ত্র
• হাঙ্গেরি
• পোল্যান্ড
• মলদোভা
• রোমানিয়া
• রাশিয়া
• স্লোভাকিয়া
• ইউক্রেন

উত্তর ইউরোপের দেশসমূহ:
• নরওয়ে
• সুইডেন
• ডেনমার্ক
• ফিনল্যান্ড
• আইসল্যান্ড
• যুক্তরাজ্য
• আয়ারল্যান্ড
• লিথুয়ানিয়া
• লাটভিয়া
• এস্তোনিয়া

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৪৩.
"টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী, হাড়ীত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী"- এই পদটির রচয়িতা কে?
  1. কাহ্নপা
  2. ঢেণ্ডণপা
  3. ভুসুকুপা
  4. সহরপা
ব্যাখ্যা
•"টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী, হাড়ীত ভাত নাঁহি নিতি আবেশী"- এই পদটির রচয়িতা ঢেণ্ডণপা। 

- এটি চর্যাপদের ৩৩ নং পদ।
- পদটির অর্থ: লোক শূন্য স্থানে প্রতিবেশীহীন আমার বাড়ি। হাঁড়িতে ভাত নেই, অথচ প্রত্যেহ প্রেমিক এসে ভিড় করে।
- ঢেণ্ডণপা মূলত পেশায় তাঁতি ছিলেন।
- তাঁর রচিত পদসমূহে  বাঙালি জীবনে চিরায়ত দারিদ্র্যের ছবি চমৎকার ভাবে ফুটে উঠেছে।

অন্যদিকে,
- কাহ্নপা চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পদ রচনা করেছেন।
- ভুসুকুপা বাঙালি কবি বলে ধারণা করা হয়। তার পদে তিনি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন।যেমন-আজি ভুসু্কু বঙ্গালী ভইলি। নিআ ঘরিণী চণ্ডালী লেলী।
- সহরপা এর পদ সংখ্যা চারটি। ৩৮নং পদে নৌকা এপার ওপারে যাওয়ার বর্ণনা আছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৪.
'শূন্যপুরাণ' গ্রন্থে মোট কয়টি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ৩১ টি
  2. ৪১ টি
  3. ৫১ টি
  4. ৪৯ টি
ব্যাখ্যা
• শূন্যপুরাণ:
- বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বীয় গ্রন্থের নাম ‘শূন্যপুরাণ’।
- রচয়িতা:রামাই পণ্ডিত 
- এতে শূন্যময় দেবতা ধর্মঠাকুরের  পূজা পদ্ধতির বর্ণনা আছে।।
- এটি ধর্মীয় তত্ত্বের  গদ্যপদ্য মিশ্রিত চম্পুকাব্য। 
- কাব্যগ্রন্থটিতে মোট ৫১ টি অধ্যায় রয়েছে।
- শূন্যপুরাণ চম্পুকাব্যের নিদর্শন।
- এতে বৌদ্ধদের শূন্যবাদ এবং হিন্দুদের লৌকিক ধর্মের মিশ্রণ ঘটেছে।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শূন্যপুরাণ শিল্পকর্ম হিসেবে নয়, ধর্মগ্রন্থ হিসেবেই ঐতিহাসিক গুরুত্ব পেয়ে আসছে।
- বিশ্বকোষ প্রণেতা নগেন্দ্রনাথ বসু তিনটি পুথির পাঠ সংগ্রহ করে ১৩১৪ বঙ্গাব্দে ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ’ থেকে শূন্যপুরাণ নামকরণ করে প্রকাশ করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৪৫.
'নারীশক্তি' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. সেলিনা পারভীন
  2. নীলমণি হালদার
  3. ডা. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান
  4. মোজাম্মেল হক
ব্যাখ্যা
• 'নারীশক্তি' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ডা. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান।

• নারীশক্তি:
- কলকাতায় মোহাম্মদ লুৎফর রহমান পতিতা নারীদের সামাজিক পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ‘নারীতীর্থ’ (১৯২২) নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন।
- এ সংগঠনের কার্যনির্বাহক কমিটির সভাপতি ছিলেন বেগম রোকেয়া (১৮৮০-১৯৩৬)। এবং লুৎফর রহমান ছিলেন এর সম্পাদক।
- ‘নারীতীর্থ’- সংগঠনের মুখপত্র 'নারীশক্তি' পত্রিকাটি মোহাম্মদ লুৎফর রহমান -এর সম্পাদনায় প্রকাশিত হতো বাংলা ১৩২৯ সনে।
- এ মাসিক পত্রিকাটির মোট ছয়টি সংখ্যা প্রকাশ হয়েছিলো।

অন্যদিকে,
- সেলিনা পারভীন সম্পাদিত পত্রিকা 'শিলালিপি’।
- নীলমণি হালদার সম্পাদিত পত্রিকা 'বঙ্গদূত'।
- মোজাম্মেল হক সম্পাদিত পত্রিকা 'মোসলেম ভারত'।

উৎস: উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৪৬.
'আমার স্বপ্ন হোক ফসলের সুষম বণ্টন' উক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. রফিক আজাদ
  2. সমর সেন
  3. সুকুমার রায়
  4. আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
•'আমার স্বপ্ন হোক ফসলের সুষম বণ্টন' উক্তিটির রচয়িতা সমর সেন ।
• সমর সেন:

- সমর সেন নাগরিক কবি হিসেবে খ্যাত।
- তিনি রুশ সাহিত্যের একজন দক্ষ অনুবাদক ছিলেন।
- 'বাবু বৃত্তান্ত' সমর সেন রচিত বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ ।

অন্যদিকে,
- "আমাদের ধর্ম হোক ফসলের সুষম বন্টন" আল মাহমুদের 'সোনালি কাবিন' কাব্যের চরণ।
- "ভাত দে হারামজাদা, তা-না হলে মানচিত্র খাবো" রফিক আজাদ এর 'ভাত দে' কবিতার বিখ্যাত চরণ।
- "বিদ্যে বোঝাই বাবু মশাই চড়ি শখের বোটে" সুকুমার রায় এর 'জীবনের হিসাব' কবিতার পঙ্‌ক্তি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৪৭.
"একটি ধানের শিষের উপর একটি শিশির বিন্দু" পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. রামনিধি গুপ্ত
  4. রামপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
"একটি ধানের শিষের উপর একটি শিশির বিন্দু" -পঙ্‌ক্তিটির  রবীন্দ্রনাথের 'স্ফুলিঙ্গ' গ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে।

একটি শিশির বিন্দু
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বহু দিন ধরে' বহু ক্রোশ দূরে
      বহু ব্যয় করি,বহু দেশ ঘুরে
দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,
            দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।

      দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
      ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শিষের উপরে
            একটি শিশিরবিন্দু।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কবি-কাহিনী
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা ইত্যাদি।

উৎস: উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং স্ফুলিঙ্গ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৪৮.
'মৌমাছি' কোন সাহিত্যিকের ছদ্মনাম?
  1. বিমল ঘোষ
  2. বিমল মিত্র
  3. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
  4. প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যা
বিমল ঘোষের  ছদ্মনাম - 'মৌমাছি'।

অন্যদিকে,
- বিমল মিত্র এর  ছদ্মনাম - জাবালি।
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় এর  ছদ্মনাম - যাযাবর।
- প্যারীচাঁদ মিত্র এর  ছদ্মনাম - টেকচাঁদ ঠাকুর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।