১.
সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের নাম কী?
ব্যাখ্যা
- কারো মতে চর্যাপদ গ্রন্থটির নাম, 'আশ্চর্য চর্যাচয়।
- সুকুমার সেনের মতে 'চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়, আধুনিক পণ্ডিতদের মতে এর নাম 'চর্যাগীতিকোষ' আর হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'।
- তবে 'চর্যাপদ' সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নাম।
চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
- সুকুমার সেনের মতে 'চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়, আধুনিক পণ্ডিতদের মতে এর নাম 'চর্যাগীতিকোষ' আর হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'।
- তবে 'চর্যাপদ' সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নাম।
চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।