পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়27 minutes
মোট প্রশ্ন৫২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩৪: বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৫২ প্রশ্ন

.
New START চুক্তি কবে স্থগিত করা হয়?
  1. ২০২০ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
New START চুক্তি:
- New START চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার মধ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৮ এপ্রিল, ২০১০।
- কার্যকর হয়: ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১।
- স্বাক্ষর করেছিলেন: প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট চুক্তি’ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: Nuclear Threat Initiative.
.
মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন কোন দেশ থেকে?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. সিঙ্গাপুর
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া:
- ইন্দোনেশিয়ার দেশটি অস্ট্রেলিয়ার ঠিক উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি নিরক্ষরেখা জুড়ে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- রাষ্ট্রীয় নাম: রিপাবলিক অব ইন্দোনেশিয়া।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- প্রধান ভাষা: বাহাসা ইন্দোনেশিয়া।
- সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত।

উল্লেখ্য,
- ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র।
- ইন্দোনেশিয়াতে সর্বমোট ১৭,৫০৪ দ্বীপ রয়েছে।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো হচ্ছে-সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি।
- বৃহত্তম দ্বীপ সুমাত্রা।
- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।
- জনবহুল দ্বীপ জাভা (রাজধানী জাকার্তা অবস্থিত)।

⇒ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ডসের উপনিবেশ ছিল।
- নেদারল্যান্ডের কাছ থেকে দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।

⇒ ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি (স্বাধীনতার নেতৃত্ব প্রদান) মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী।
- মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী (২০০১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত)।
- তিনি মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত মহিলা প্রধান।

অন্যদিকে,
- বিশ্বের প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী : বেনজীর ভুট্টো (পাকিস্তান)।

উৎস: Worldatlas.
.
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের পুনর্গঠন ও সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে নিম্নের কোন জোটটি প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ASEAN
  2. OECD
  3. D-8
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
OECD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OECD
ব্যাখ্যা
OECD:
- OECD-এর পূর্ণরূপ: Organisation for Economic Co-operation and Development।
- এটি একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১ সালে।
- এর সদরদপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- OECD এর প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ২০টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩৮টি।
- এ সংস্থার উদ্দেশ্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ পুনর্গঠনের জন্য 'মার্শাল প্ল্যান' অনুযায়ী ১৯৪৮ সালে The Organisation for European Economic Cooperation (OEEC) গঠিত হয়।
- OEEC যা OECD এর পূর্বসূরী সংস্থা।
- ১৯৬০ সালে ‘OECD Convention’ স্বাক্ষরের মাধ্যমে The Organisation for European Economic Cooperation (OEEC) এর সদস্য সহ ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশ মিলে The Organisation for Economic Co-operation and Development (OECD) গঠন করে।
- যুদ্ধবিদ্ধস্থ ইউরোপের পুনর্গঠন ও সদস্য দেশগুলোর অর্থনীতির উন্নয়নের লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি সারা বিশ্বব্যাপী শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শুল্ক ব্যবস্থা উন্নয়ন ইত্যাদি খাত নিয়ে কাজ করছে।

অন্যদিকে,
- ASEAN-এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations. এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- Developing Eight (D-8) হলো মুসলিম বিশ্বের উন্নয়নশীল আটটি দেশের অর্থনৈতিক জোট। এটি ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: OECD ওয়েবসাইট।
.
বিশ্বের প্রথম AI সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার -
  1. David
  2. Lotus
  3. Devin
  4. Alfred
সঠিক উত্তর:
Devin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Devin
ব্যাখ্যা
Devin:
- বিশ্বের প্রথম AI সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের নাম Devin।

উল্লেখ্য,
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নানা ধরনের উদ্ভাবন করে যাচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান কগনিশন তৈরি করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সফটওয়্যার প্রকৌশলী।
- তারা এই প্রোগ্রামটির নাম দিয়েছে ডেভিন (Devin)।
- মানুষের সঙ্গে হাতে হাত লাগিয়ে কাজ করতে পারবে এমন পরিকল্পনা নিয়েই বাজারে আনা হয়েছে এআই ইঞ্জিনিয়ার ডেভিনকে।
- ডেভিন নামের প্রকৌশলী নিজে থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কোড লেখা, ত্রুটি ঠিক করার কাজ করতে পারে।
- এরপর সে কোডকে ওয়েবসাইট ও ভিডিওতে রূপ দিতে সক্ষম।
- মার্কিন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট, গিটহাব ও ওপেন এআই মিলে কোপাইলট নামের একটি চ্যাটবট তৈরি করেছিল।
- কোপাইলটের ওপর ভিত্তি করেই ডেভিন নামের সফটওয়্যার উন্নয়নের সহকারী এ প্রকৌশলীকে তৈরি করা হয়েছে।

⇒ সফটওয়্যার অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসাবে যে সুবিধাগুলো দিতে পারে এ রোবট ইঞ্জিনিয়ার তা হলো:
* কোডিং, বাগ ফিক্স করা।
* সিঙ্গেল প্রম্পট দিয়ে ওয়েবসাইট বানানো।
* রিয়েল টাইম আপডেট।
* ফিডব্যাক দেওয়া।
* ডিজাইনিং।

উৎস: i) Cognition AI ওয়েবসাইট।
ii) ১৬ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
.
নিম্নের কোনটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন?
  1. Greenpeace
  2. IUCN
  3. BAPA
  4. World Watch
সঠিক উত্তর:
World Watch
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Watch
ব্যাখ্যা
World Watch:
- World Watch যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৪ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: লেস্টার রাসেল ব্রাউন (আমেরিকান পরিবেশ বিশ্লেষক)।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে,
• Greenpeace: নেদারল্যান্ডস্‌ এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
• IUCN: সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক, এটি আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করে।
• BAPA: বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।

উৎস: World Watch ওয়েবসাইট।
.
কোন দেশ 'World Health Organization' প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ব্রাজিল
  3. চীন
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
WHO:
- WHO-এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- WHO জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক: টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬১টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: জাতিসংঘের উদ্যোগে International Health Conference।
- বিশ্বব্যাপী উন্নত ও স্বাস্থ্যসম্মত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই এই সংস্থার প্রধান কাজ।
- এটি জাতিসংঘের সদস্য দেশসমূহের জনস্বাস্থের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে জাতিসংঘ পরিবারের সাথে যুক্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৫ সালে যখন কূটনীতিকরা জাতিসংঘ গঠনের জন্য মিলিত হন, উক্ত আলোচনা মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্থাপন ছিল অন্যতম।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার সম্মেলনের সময় একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা এবং এর সংবিধান প্রণয়নের জন্য একটি সম্মেলন আহ্বানের প্রস্তাব দেন ব্রাজিল ও চীন।
- ১৯৪৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল মহাসচিবকে এই ধরনের একটি সম্মেলন আহ্বান করার নির্দেশ দেয়।
- একটি কারিগরি প্রস্তুতি কমিটি প্যারিসে ১৮ মার্চ - ৫ এপ্রিল, ১৯৪৬ সালের মধ্যে বৈঠক করে এবং সংবিধানের জন্য প্রস্তাবগুলি তৈরি করে যা ১৯ জুন - ২২ জুলাই, ১৯৪৬ সালের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলনে উপস্থাপন করা হয়েছিল।
- এই প্রস্তাবগুলির ভিত্তিতে, সম্মেলন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংবিধানের খসড়া ও গৃহীত, ২২ জুলাই ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের ৫১ জন সদস্য এবং ১০টি অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিদের দ্বারা স্বাক্ষরিত।

⤇ ২২ জুলাই, ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত International Health Conference -তে ৬১টি দেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সনদ স্বাক্ষর করে।
- এর ২ বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে WHO এর যাত্রা শুরু হয়।

⤇ বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য সংস্থাটি সদস্য দেশ সমূহের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য বিষয়ক সরকারি অন্যান্য সংস্থা ও বিভাগ, এনজিও এবং জনসাধারনের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
- যে কোন রোগ-বালাই, নতুন রোগের সংক্রমণ বা জরুরি স্বাস্থ্যগত যেকোন ইস্যুকে কেন্দ্র করে উদ্ভাবিত যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই সংস্থা সর্বদা নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে

⇒ প্রতিবছর ৭ এপ্রিল ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত হয়।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
.
ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব কোনটি?
  1. Victoria Cross
  2. Legion of Honor
  3. Medal of Honor
  4. The Cross of Honour for Valour
সঠিক উত্তর:
Legion of Honor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Legion of Honor
ব্যাখ্যা
Legion of Honor:
- ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব 'Legion of Honor' (লিজিয়ন অব অনার)।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯ মে ১৮০২ সালে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা: নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Medal of Honor (মেডাল অব অনার)।
- ব্রিটেনের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Victoria Cross (ভিক্টোরিয়া ক্রস)।
- জার্মানির সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: The Cross of Honour for Valour (দ্য ক্রস অব অনার ফর ভ্যালোর)।
- ভারতের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Param Vir Chakra (পরম বীর চক্র)।

উৎস: Britannica.
.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন -
  1. উড্রো উইলসন
  2. জর্জ লয়েড
  3. উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফট
  4. ভিট্টোরিও অরল্যান্ডো
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল ১৯১৪-১৯১৮ সাল।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান:
- জার্মান চ্যান্সেলর: থিওবাল্ড ভন বেথমান হলওয়েগ, জর্জ মিখাইল, জর্জ ভন হার্টলিং, ফ্রেডেরিখ অ্যাবেট।
- জার্মান কাইজার: দ্বিতীয় উইলিয়ম।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী: জর্জ লয়েড।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট: উড্রো উইলসন।
- রাশিয়ার জার: দ্বিতীয় নিকোলাস।
- জাপানের সম্রাট: যুসোহিতো।
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী: ভিট্টোরিও অরল্যান্ডো।
- অটোমান সুলতান: ষষ্ঠ মেহমুদ।

⇒ উড্রো উইলসন:
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি বক্তব্য প্রদান করেন।
- তাতে ছিল ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার ও জাতিপুঞ্জ গঠনের আহ্বান।
- এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।

উৎস: History.com
.
কী উদ্দেশ্যে Greenpeace International প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধের উদ্দেশ্যে
  2. জলাভূমি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে
  3. অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে
  4. যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে
ব্যাখ্যা
Greenpeace International:
- Greenpeace নেদারল্যান্ডসভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা।
- এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছে: বব হান্টার, ডেভিড ম্যাকটেগার্ট, ডরোথি স্টোয়ি, আরভিং স্টোয়ি প্রমুখ।

⇒ পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- পরে ১৯৭১ সালে এটি ‘গ্রিনপিস’ নামে রুপান্তরিত হয়।
- সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য পৃথিবী নামক এই গ্রহের সব ধরনের জীববৈচিত্রের প্রতিপালনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

উৎস: Greenpeace International ওয়েবসাইট।
১০.
২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশ কোনটি?
  1. মেক্সিকো
  2. ব্রাজিল
  3. উরুগুয়ে
  4. কাতার
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

FIFA World Cup:

- ফিফা বিশ্বকাপ (ফুটবল বিশ্বকাপ) একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা।
- এখানে ফিফাভুক্ত দেশগুলোর পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল অংশ নেয়।
- ফিফা বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে ১৯৪২ এবং ১৯৪৬ এই ২টি বিশ্বকাপের আসর বসেনি।
- সর্বশেষ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে কাতারে, ২০২২ সালে।
- এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল বিশ্বকাপের ২২টি আসর।
- ২০২২ এর শিরোপা জয়ী আর্জেন্টিনা।

⇒ ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।
১১.
কোনটির মাধ্যমে D-8 প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. Lahore Declaration
  2. Tehran Declaration
  3. Cairo Declaration
  4. Istanbul Declaration
সঠিক উত্তর:
Istanbul Declaration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Istanbul Declaration
ব্যাখ্যা
D-8:
- D-8-এর পূর্ণরূপ: Developing Eight.
- এটি মুসলিম বিশ্বের ৮টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে গঠিত একটি জোট।
- Istanbul Declaration -এর মাধ্যমে D-8 প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গঠিত হয়: ১৫ জুন, ১৯৯৭ সালে।
- সদরদপ্তর: ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
- সদস্য: ৮টি দেশ।
- D-8 এর সদস্য দেশগুলো হলো: তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরান, মিশর, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া।
- সংস্থাটির বর্তমান ও পঞ্চম মহাসচিব: ইসিয়াকা আব্দুল কাদির ইমাম।
- D-8 শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় দুই বছর পর পর।

উল্লেখ্য,
- এশিয়া এবং আফ্রিকার গুরুত্বপূর্ণ এলাকার প্রতিনিধিত্ব করে থাকে এসব দেশ।

⇒ সহযোগিতার জন্য D-8 মোট ১৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে। যেমন:
1. বাণিজ্য,
2. শিল্প,
3. যোগাযোগ এবং তথ্য,
4. অর্থ, ব্যাংকিং এবং বেসরকারিকরণ,
5. গ্রামীণ উন্নয়ন,
6. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
7. দারিদ্র্য বিমোচন এবং মানব সম্পদ উন্নয়ন,
8. কৃষি,
9. শক্তি,
10. পরিবেশ,
11. স্বাস্থ্য,
12. পর্যটন,
13 সংস্কৃতি এবং ক্রীড়া।

উৎস: Developing Eight ওয়েবসাইট।
১২.
'ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি'র সাথে কোন যুদ্ধটি সংশ্লিষ্ট?
  1. বসনিয়া যুদ্ধ
  2. আফিম যুদ্ধ
  3. ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধ
  4. কোরিয় যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
Thirty years war:
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

⇒ ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
BIMSTEC-ভুক্ত দেশ নয় কোনটি?
  1. মালদ্বীপ
  2. থাইল্যান্ড
  3. ভুটান
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
BIMSTEC:
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation.
- এটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট।
- এর পূর্বনাম ছিল BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation)।
- পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে M যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারণ করে।

উল্লেখ্য,
- এটি ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- এগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত।
- বিমসটেক এর বর্তমান মহাসচিব ইন্দ্রমণি পান্ডে।

এছাড়াও,
- BIMSTEC এর সর্বশেষ সদস্য দেশ নেপাল ও ভুটান।
- ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নেপাল ও ভুটান পূর্ণ সদস্য হয়।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
১৪.
'আজভ ব্যাটালিয়ন’ কোন দেশের সশস্ত্র বাহিনী?
  1. লিবিয়া
  2. ইরান
  3. পোল্যান্ড
  4. ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
আজভ ব্যাটালিয়ন:
- আজভ ব্যাটালিয়ন ইউক্রেনের একটি সশস্ত্র আধা-সামরিক গোষ্ঠী।
- এর সব সদস্যই স্বেচ্ছাসেবী।
- এই গোষ্ঠীটি অতি-জাতীয়তাবাদী।
- এরা নব্য-নাৎসিবাদ ও শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।
- এরা নিজেদের নব্য-নাৎসি পরিচয় দিয়ে থাকে।
- ২০১৪ সালের মে মাসে স্বেচ্ছাসেবী গোষ্ঠী হিসেবে আজভ ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্যোক্তা ছিল একদল ইউক্রেনীয় অতি-জাতীয়তাবাদী এবং নব্য-নাৎসি সোশ্যাল ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (এসএনএ) গোষ্ঠী।
- পরে একে ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে 'ইনটারভেনশন ইউনিট' হিসেবে যুক্ত করা হয়।
- আজভ ব্যাটালিয়নের প্রতিষ্ঠাতা আন্দ্রেই বিলেতস্কি।

উল্লেখ্য,
- আজভ ব্যাটালিয়নের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৯০০।
- তাদের অধিকাংশই প্যারামিলিটারি।
- এই ব্যাটালিয়নের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয় ইসরায়েলি আর্মির কর্মকর্তারা।
- বর্তমানে আজভ ব্যাটালিয়নের খরচ বহন করেন অলিগার্ক ইগর কলোময়েস্কি (ইউক্রেনিয়ান বিদ্যুৎ গ্রিডের মালিক)।

⇒ ২০১৪ সালে ২ মে এই প্যারামিলিটারি বাহিনী ওডেসায় হাউস অভ ট্রেড ইউনিয়নসে হামলা চালিয়ে গণহত্যা চালায়।
- এছাড়া দনবাস (ইউক্রেনের রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল) অঞ্চলে রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে এই আজভ গোষ্ঠী।
- ২০১৫ সালে এক ব্যক্তিকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার পর কুখ্যাত হয়ে ওঠে আজভ ব্যাটালিয়ন।
- ২০১৮ সালে আজভ ইউনিট রোমা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সুসংগঠিত লুণ্ঠন ও হত্যাকাণ্ড চালায়।

উৎস: i) ১ মার্চ, ২০২২, Al Jazeera।
ii) ১৭ মার্চ, ২০২২, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
১৫.
সাউথ সেন্টার-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. স্টকহোম, সুইডেন
  2. গ্লাসগো, স্কটল্যান্ড
  3. ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
সাউথ কমিশন:
- 'সাউথ কমিশন’ এর বর্তমান নাম ‘সাউথ সেন্টার’।
- এর প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন জুলিয়াস নায়ারে।

⇒ সাউথ সেন্টার:
- সাউথ সেন্টার হলো উন্নয়নশীল দেশগুলির একটি আন্তঃসরকারি সংস্থা।
- সাউথ সেন্টার একটি আন্তঃসরকারি চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৩১ জুলাই, ১৯৯৫ সালে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য ৫৫টি।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ডাঃ কার্লোস।

উৎস: South Centre ওয়েবসাইট।
১৬.
রাশিদুন খিলাফতের সময় মুসলিম সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল -
  1. দামেস্ক
  2. মক্কা
  3. ইস্তাম্বুল
  4. মদিনা
সঠিক উত্তর:
মদিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মদিনা
ব্যাখ্যা
রাশিদুন খিলাফত (৬৩২ খ্রি. – ৬৬১ খ্রি.):
- মুসলিম সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল মদিনা।
- ইসলামের চার খলিফার শাসনকাল।

• হযরত আবুবকর সিদ্দিক (রা.)
- শাসন কাল (৬৩২ খ্রি. - ৬৩৪ খ্রি.)।
- ইসলামের প্রথম খলিফা (৬৩২ খ্রি.)।

• হযরত ওমর ইবনে আল খাত্তাব(রা.)
- শাসন কাল (৬৩৪ খ্রি. - ৬৪৪ খ্রি.)।
- "ওমর দ্য গ্রেট" বলা হয় (ন্যায়পরায়ণতার জন্য )।

• হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.)
- শাসন কাল ( ৬৪৪ খ্রি. - ৬৫৬ খ্রি.)।
- সর্ব প্রথম ইসলামী মুদ্রার প্রচলন।

• হযরত আলী ইবনে আবু তালিব (রা.)
- শাসন কাল (৬৫৬ খ্রি. - ৬৬১ খ্রি.)।
- খোলাফায়ে রাশেদীনের সর্বশেষ খলিফা।
- আসাদুল্লাহ (আল্লাহর সিংহ) উপাধি লাভ।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
Fairfax কী?
  1. গেরিলা সংস্থা
  2. গোয়েন্দা সংস্থা
  3. মানবাধিকার সংস্থা
  4. সেবাধর্মী সংস্থা
সঠিক উত্তর:
গোয়েন্দা সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাখ্যা
ফেয়ার ফ্যাক্স (Fairfax):
- ফেয়ার ফ্যাক্স যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা:
• Central Intelligence Agency (CIA),
• Defense Intelligence Agency (DIA),
• Fairfax,
• Federal Bureau of Investigation (FBI)।

অন্যদিকে
⇒ বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা:
• বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
• ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
• পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
• রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
• শ্রীলংকা: National Intelligence Bureau (NIB).
• যুক্তরাজ্য: SIS/M16 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
• ইসরায়েল: MOSSAD.

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
১৮.
দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসন ছিল -
  1. ২২০ বছর
  2. ২৮৮ বছর
  3. ৩৪২ বছর
  4. ৪০০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৪২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪২ বছর
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রা: র‍্যান্ড।

⇒ দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
• নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬১ সালের নেলসন ম্যান্ডেলার আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র শাখা গঠন করেন।
- ১৯৬৪ সালে অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় বর্ণবাদী সরকার।
- দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর ১৯৯০ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা মুক্তি পান।
- ১৯৯১ সালে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সকল শ্রেণীর লোকের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেলসন ম্যান্ডেলা দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৪২ বছর শ্বেতাঙ্গ শাসনে ছিল।
- ১৯৯৪ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৪২ বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান হয়।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্টের নাম এফডব্লিউডি ক্লার্ক।

উৎস: Britannica.
১৯.
'My Life' কার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ?
  1. বিল ক্লিনটন
  2. ফিদেল ক্যাস্ট্রো
  3. এপিজে আবুল কালাম
  4. ডোনাল্ড ট্রাম্প
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
বিল ক্লিনটন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- তিনি ১৯ আগস্ট, ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসে জন্ম গ্রহন করেন।
- তিনি দুই মেয়াদে (১৯৯৩-২০০১) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- তাঁর রাজনৈতিক দল ডেমোক্রেটিক পার্টি।
- তিনি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেটর হিলারি ক্লিনটনের স্বামী।

⇒ তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- My Life (2004).

উল্লেখ্য,
- তার লিখা আরও কিছু বইসমূহ,
• Giving: How Each of Us Can Change the World (2007).
• Back to Work: Why We Need Smart Government for a Strong Economy (2011).
• The President's Daughter (2021).
• The President is Missing (Novel).

অন্যদিকে,
- Wings of Fire ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আবুল কালামের আত্মজীবনীমূলক বই।
- My Life: A Spoken Autobiography: ফিদেল ক্যাস্ট্রোর আত্মজীবনীমূলক বই।
- ডোনাল্ড ট্রাম্পের আত্মজীবনীমূলক বইয়ের নাম - Trump: The Art of the Deal।

উৎস: Britannica.
২০.
কোন চুক্তির জন্য ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন?
  1. মিনস্ক চুক্তি
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. অসলো চুক্তি
সঠিক উত্তর:
অসলো চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা
অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: হোয়াইট হাউস, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী: ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন।
- উদ্দেশ্য: রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রেরর প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

⇒ নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- এই চুক্তির জন্য ইয়াসের আরাফাত এবং তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন নোবেল শান্তি পুরষ্কারও পেয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- চুক্তিটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি হতাশ গাজা উপত্যকার মানুষ।
- শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।
- কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে গাজা শাসন করে আসছে কট্টরপন্থী ফিলিস্তিনি দল হামাস।
- ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের অনেকবার যুদ্ধ হয়েছে।
- আবার গাজার সীমান্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল এবং মিশর, যাতে হামাসের কাছে কোন অস্ত্র পৌঁছাতে না পারে।

উৎস: i) BBC।
ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
২১.
রাষ্ট্র সম্পর্কে 'ঐশ্বরিক চুক্তি' মতবাদের প্রবক্তা কে?
  1. ডেভিড হিউম
  2. জ্যাক রুশো
  3. সেন্ট অগাস্টিন
  4. থমাস হবস
সঠিক উত্তর:
সেন্ট অগাস্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্ট অগাস্টিন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রের উৎপত্তি:
- রাষ্ট্র একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।
- সমাজ জীবনের এক পর্যায়ে মানুষ শান্তি- শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্র গঠন করে।
- রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন মতবাদ চালু আছে, তার মধ্যে ঐশ্বরিক মতবাদ, বল প্রয়োগ মতবাদ, পিতৃতান্ত্রিক মতবাদ, সামাজিক চুক্তি মতবাদ, ঐতিহাসিক মতবাদ প্রভৃতি প্রধান।

⇒ রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত কয়েকটি মতবাদ ও প্রবক্তা:
১. ঐশ্বরিক মতবাদ:
- প্রবক্তা: সেন্ট অগাস্টিন
- রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত মতবাদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন বা পুরনো মতবাদ হলো ঐশ্বরিক মতবাদ।
- এ মতবাদের মূল কথা হলো- বিধাতাই রাষ্ট্রের সৃষ্টিকর্তা।
- রাজা বা শাসক, সৃষ্টি কর্তার প্রতিনিধি হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন।
- শাসক রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নয়।
- শাসকের মনোনয়ন কিংবা বিনাশ জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল নয়।
- তবে শাসক ঈশ্বরের কাছে দায়বদ্ধ।

২. বল প্রয়োগ মতবাদ;
- তাত্ত্বিক: ডেভিড হিউম, জেংকস, জেলীনক।
- বল প্রয়োগ মতবাদের মূল কথা হলো, শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছে।
- অধিক শক্তিশালী গোত্র যুদ্ধের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত দুর্বল গোত্রকে পরাজিত করে।
- পরবর্তীতে পরাজিত গোত্রের ওপর আইন কানুন চাপিয়ে আনুগত্য আদায়ের মাধ্যমে রাষ্ট্র গঠন করা হয়।
- এই মতবাদ অনুযায়ী শক্তিই হলো রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।

৩. সামাজিক চুক্তি মতবাদ;
- তাত্ত্বিক: থমাস হবস, জন লক, জ্যাঁ জ্যাক রুশো।
- সামাজিক চুক্তি মতবাদ একটি কাল্পনিক মতবাদ।
- এ মতবাদের মূলকথা হলো- প্রকৃতির রাজ্যে মানুষ পরম শান্তিতে বসবাস করত।
- তারা প্রাকৃতিক আইন মেনে চলত।
- কিন্তু কালক্রমে সমাজে সম্মত্তির ধারণা বিস্তার লাভ করায় প্রাকৃতিক আইন নিয়ে মতভেদের কারণে সমাজ জীবনে বিশৃঙ্খলা ও যুদ্ধাবস্থা দেখা দেয়।
- এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য মানুষ সামাজিক চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র ও শাসক কর্তৃপক্ষ সৃষ্টি করে।

৪. ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদ;
- আধুনিক, যক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য।
- রাষ্ট্রের উৎপত্তি কোন আকস্মিক ঘটনা নয়।
- ঐতিহাসিক বিবর্তনের পথে নানা উপাদানের প্রভাবে রাষ্ট্রের উৎপত্তি ঘটেছে।
- বিবর্তনবাদকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীগণ রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত মতবাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, যুক্তিযুক্ত ও সর্বজন গ্রাহ্য বলে বর্ণনা করেছেন।
- সুতরাং রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত মতবাদগুলোর মধ্যে ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদই বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিক মতবাদ।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
ব্রেটন উডস সম্মেলনে বিশ্বের কয়টি দেশ Articles of Agreement অনুমোদন করে?
  1. ২৯টি
  2. ৩৩টি
  3. ৪৪টি
  4. ৪৫টি
সঠিক উত্তর:
২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংক বলতে IBRD (International Bank for Reconstruction and Development) কে বুঝানো হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে: জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: অজয় বঙ্গ (বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট সবসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা মনোনীত এবং মার্কিন নাগরিক হয়ে থাকে)।
- প্রধান অঙ্গসংস্থা: ৫টি।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯১৮ থেকে ১৯৩৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগের সময়ে উল্লম্ফন মুদ্রাস্ফীতি, বৈশ্বিক বাণিজ্যে সীমাবদ্ধতা, বিদেশি শেয়ারবাজারে ফটকাবাজি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক রিজার্ভে উত্থান-পতন, স্বর্ণের সংকট, মুদ্রামান কমে যাওয়া- বৈশ্বিক অর্থনীতি ইত্যাদি সমস্যায় জর্জরিত ছিল।
- এ সমস্যা সমাধানে একটি বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা করা হয়।
- আইএমএফ-এর প্রতিষ্ঠাতারা স্বর্ণ বিনিময়কে আদর্শ মাপকাঠি হিসেবে গ্রহণ করেন যা গোল্ড এক্সচেঞ্জ স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত (gold exchange standard)।
- বিশ্ব অর্থনীতির উল্লিখিত এই টানাপড়েনের লাগাম ধরতে ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস নামক স্থানে জাতিসংঘ মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলন আয়োজনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সচিব Henry Morgenthau Jr ও যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিবিদ John Maynard Keynes।
- ব্রেটন উডস সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ৪৪টি দেশ দুটি বৈশ্বিক আর্থিক সংস্থা ও একটি বাণিজ্যিক বৈশ্বিক নিয়ম প্রতিষ্ঠার জন্য Articles of Agreement স্বাক্ষর করে।
- Articles of Agreement অনুযায়ী, বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রধান নিয়ামক হলো বৈদেশিক বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে সহজতর করা এবং পুঁজির বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।
- ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ২৯টি দেশ বিশ্বব্যাংক ও IMF গঠনের Articles of Agreement অনুমোদন করে।

⇒ সেই সম্মেলনে দুটি প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়: আইএমএফ এবং পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যাংক বা বিশ্বব্যাংক।
- আর্থিক সংস্থা দুটি পরবর্তীতে বিশ্বব্যাংক ও IMF নামে পরিচিত হয়।
- মোট ২৯টি দেশের অনুমোদন নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাংক ও IMF প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
২৩.
জাতিসংঘ সনদের কত নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের ভোটিং পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ২৩ নং অনুচ্ছেদে
  2. ২৪ নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৭ নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৮ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ (the General Assembly),
• নিরাপত্তা পরিষদ (the Security Council),
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (the Economic and Social Council),
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (the International Court of Justice),
• অছি পরিষদ (the Trusteeship Council),
• জাতিসংঘ সচিবালয় (the Secretariat)।

• নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।

⇒ জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে এর সদস্য সংখ্যা মোট ১৫টি।
- তার মধ্যে স্থায়ী সদস্য ৫টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন) এবং ২ বছরের মেয়াদে বাকি ১০টি সদস্য নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
- সব সদস্য রাষ্ট্রের একটি করে ভোট দেওয়া ক্ষমতা রয়েছে।
- স্থায়ী ৫ সদস্যের রয়েছে ভেটো (Veto - আমি মানি না) প্রদান করার ক্ষমতা।

⇒ জাতিসংঘ সনদের ২৪ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের কাজ, দায়িত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ জাতিসংঘ সনদের ২৭ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের ভোটিং পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ জাতিসংঘ সনদের ২৮নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের কাজের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।
- বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: ইকুয়েডর (২০২৪), জাপান (২০২৪), মাল্টা (২০২৪), মোজাম্বিক (২০২৪), সুইজারল্যান্ড (২০২৪), আলজেরিয়া (২০২৫), গায়ানা (২০২৫), কোরিয়া (২০২৫), সিয়েরা লিওন (২০২৫), স্লোভেনিয়া (২০২৫)।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
২৪.
আমাজন বনভূমির অধিকাংশ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. বলিভিয়া
  2. কলম্বিয়া
  3. ইকুয়েডর
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
আমাজন বনভূমি:
- বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট আমাজন বনভূমি।
- এই বনভূমি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আমাজন প্রায় ২,১২৩,৫৬২ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ইওসিন যুগে এই বনের বিকাশ ঘটেছিল।
- আমাজন বনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত নদীটিও আমাজন নদী হিসেবে পরিচিত।

⇒ আমাজন রেইনফরেস্ট ৯টি দেশে বিস্তৃত।
- দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা।
- আমাজন বনের ৬৪ শতাংশ অঞ্চল শুধুমাত্র ব্রাজিলেই অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উৎপাদিত হয় আমাজন বনে।
- এই কারনে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।

উৎস: World Atlas.
২৫.
অটোয়া চুক্তি কবে এবং কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে, কানাডা
  2. ১৯৯৯ সালে, জাপান
  3. ১৯৯৭ সালে, ফ্রান্স
  4. ১৯৯৯ সালে, পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে, কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে, কানাডা
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।

⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২৬.
জরথুষ্ট্র নামক একজন ধার্মিক ও দার্শনিক কোন সভ্যতার মানুষদের নতুন ধর্মের সন্ধান দেন?
  1. পারস্য সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. রোমান সভ্যতা
  4. মিশরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
পারস্য সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্য সভ্যতা
ব্যাখ্যা
পারস্য সভ্যতা:
- আজকের ইরান দেশটি প্রাচীনকালে পারস্য নামে পরিচিত ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫৫৯ অব্দ থেকে ৩০০ অব্দের মধ্যে এখানে পারস্য সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- সভ্যতার ইতিহাসে দুটি ক্ষেত্রে পারসীয়দের অবদান ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রথমটি সুষ্ঠু ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দ্বিতীয় ধর্মীয় ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারণা নিয়ে আসা।
- সুন্দরভাবে সাম্রাজ্য পরিচালনা করার জন্য সম্রাট দারিয়ুস একটি দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন।
- সম্রাট দারিয়ুস চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেন।
- জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়নেরও সম্রাটের দৃষ্টি ছিল।
- সম্রাট দারিয়ুস ১২ মাসে বছর ও ৩০ দিনে মাস গণনার রীতি চালু করে পারসীয় দিনপঞ্জি তৈরি করেন।
- পারসীয়গণ লিখার জন্য ৩৯টি কিউনিফর্ম চিহ্ন ব্যবহার করত।
- পারস্য স্থাপত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো পিরামিডের আকৃতিতে তৈরি সম্রাট কাইরাসের সমাধি।

উল্লেখ্য,
- জরথুষ্ট্র নামক একজন ধার্মিক ও দার্শনিক পারসীয়দের নতুন ধর্মের সন্ধান দেন।
- তার প্রচারিত এ ধর্মকে বলা হয় জরথুষ্ট্রবাদ।
- জরথুষ্ট্রবাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হচ্ছে 'জেন্দআবেস্তা'।
- জরথুষ্ট্রবাদের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের মধ্যে প্রচলিত বহু দেবতা ও যাদুবিদ্যার অবসান এবং ধর্মে নৈতিকতা ও দার্শনিক আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. নাইরোবি, কেনিয়া
  3. ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র
  4. হেগ, নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
হেগ, নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেগ, নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ (the General Assembly),
• নিরাপত্তা পরিষদ (the Security Council),
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (the Economic and Social Council),
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (the International Court of Justice),
• অছি পরিষদ (the Trusteeship Council),
• জাতিসংঘ সচিবালয় (the Secretariat)।

⇒ International Court of Justice (ICJ):
- ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
- এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে (সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন দ্বারা)।
- কার্যক্রম শুরু হয়: ১৯৪৬ সালে।
- সদরদপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট নওয়াফ সালাম।
- বিচারক সংখ্যা: ১৫ জন।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের দ্বারা এই বিচারকদের নির্বাচন করা হয়।
- একজন বিচারক নির্বাচিত হন ৯ বছরের জন্য ও একজন সভাপতি নির্বাচিত হন ৩ বছরের জন্য।
- এই আদালত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আগ্রাসনমূলক অপরাধের জন্য ব্যক্তিদের বিচার করে।

উৎস: International Court of Justice ওয়েবসাইট।
২৮.
South Pole-এর অবস্থান কোন মহাদেশে?
  1. এশিয়া মহাদেশ
  2. ইউরোপ মহাদেশ
  3. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ:
- অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর দক্ষিণতম মহাদেশ।
- অ্যান্টার্কটিক দক্ষিণ মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত।
- এটিতে ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরু রয়েছে।
- এটি বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ।
- এর আয়তন ১,৪২,০০,০০০ বর্গ কি.মি.।

⇒ অ্যান্টার্কটিকার বেশিরভাগ অংশই বরফ দ্বারা আবৃত তাই এটি মানুষ বসবাসের অনুপযোগী।
- বিশ্বের প্রায় ৭০% স্বাদু পানির রিজার্ভ সেখানে হিমায়িত রয়েছে।

⇒ আন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ বিন্দু: ভিনসন মাসিফ এবং,
- সর্বনিম্ন বিন্দু: বেন্টলে স্যাবগ্লাসিয়াল।

⇒ এ মহাদেশের জীবজন্তু: পেঙ্গুইন, তিমি ও সীল।
- এ মহাদেশের প্রধান সম্পদ: পাথর।
- প্রধান খনিজ দ্রব্য: কয়লা।

উল্লেখ্য,
- ভূপৃষ্ঠের একেবারে দক্ষিণের স্থানটিকে দক্ষিণ মেরু (South Pole) বলা হয়ে থাকে।
- উত্তর মেরুর ঠিক বিপরীতে এর অবস্থান।
- উত্তর মেরুর সব দিকেই যেমন দক্ষিণ, একইভাবে দক্ষিণ মেরুর সব দিকে উত্তর।
- অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে এর অবস্থান।
- দক্ষিণ মেরু সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯ হাজার ৩০১ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।
- দক্ষিণ মেরু উত্তরের চেয়েও বেশি ঠাণ্ডা।

উৎস: World Atlas.
২৯.
জাতিসংঘের কোন সংস্থাটি ভৌগলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি দেয়?
  1. WIPO
  2. UNESCO
  3. UNOPS
  4. UNSSC
সঠিক উত্তর:
WIPO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WIPO
ব্যাখ্যা
WIPO:
- WIPO-এর পূর্ণরূপ: World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ জুলাই, ১৯৬৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সালে।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৭৪ সালে।
- সংশোধিত হয়: ১৯৭৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড্যারেন ট্যাং (সিঙ্গাপুর)।

⇒ মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- WIPO ভৌগলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ১১ মে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।

অন্যদিকে,
• UNESCO:
- UNESCO-এর পূর্ণরূপ: The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- এটি হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা।

• UNOPS:
- UNOPS-এর পূর্ণরুপ: United Nations Office for Project Services.
- এটি জাতিসংঘের প্রকল্প পরিষেবা অফিস।

• UNSSC:
- UNSSC-এর পূর্ণরূপ: The United Nations System Staff College.
- এটি জাতিসংঘের সিস্টেম স্টাফ কলেজ।
- জাতিসংঘের কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য এটি স্থাপিত।

উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।
৩০.
'Disarming Iraq' গ্রন্থটির রচিয়তা -
  1. হেনরি কিসিঞ্জার
  2. কার্ল মার্কস
  3. উইনস্টন চার্চিল
  4. হ্যান্স ব্লিক্স
সঠিক উত্তর:
হ্যান্স ব্লিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যান্স ব্লিক্স
ব্যাখ্যা
হ্যান্স ব্লিক্স:
- সুইডেনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন হ্যান্স ব্লিক্স।
- একজন কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ এবং লেখক হিসেবে তার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে।
- ১৯৬৩-৭৬ সাল পর্যন্ত, ডক্টর ব্লিক্স সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় প্রধান ছিলেন।
- ১৯৬১-৮১ সাল পর্যন্ত, তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সুইডেনের প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন।
- আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) মহাপরিচালক ছিলেন।

⇒ তার রচিত গ্রন্থ: ডিজআর্মিং ইরাক (Disarming Iraq)।

অন্যদিকে,
- কার্ল মার্কস-এর উল্লেখযোগ্য বই: The Communist Manifesto, Das Kapital.
- উইনস্টন চার্চিল-এর উল্লেখযোগ্য বই: 'My African Journey'।
- 'Nuclear Weapons and Foreign Policy গ্রন্থটির রচয়িতা হেনরি কিসিঞ্জার।

উৎস: Britannica.
৩১.
নিম্নের কোনটি ইয়েমেনের বন্দরনগরী?
  1. আকাবা
  2. হাইফা
  3. লাতাকিয়া
  4. এডেন
সঠিক উত্তর:
এডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডেন
ব্যাখ্যা
এডেন:
- এডেন ইয়েমেনের একটি বন্দর শহর।​
- এটি এডেন উপসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত এবং আল-তাওয়াহি হারবারের পূর্ব দিকে ঘেরা একটি উপদ্বীপে অবস্থিত।
- এডেন ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনের অস্থায়ী রাজধানী।।

⇒ ইয়েমেন:
- ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র পশ্চিম এশিয়ার একটি আরব দেশ।
- দেশটি এককালে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার সংযোগস্থল ছিল।
- আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে দক্ষিণ আরবজুড়ে দেশটির অবস্থান।
- ইয়েমেন আরব উপদ্বীপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- ইয়েমেনের সীমান্তে রয়েছে উত্তরে সৌদি আরব, পশ্চিমে লোহিত সাগর, দক্ষিণে এডেন উপসাগর ও আরব সাগর এবং পূর্ব-উত্তর পূর্বে ওমান।
- রাজধানী: এডেন।
- ভাষা: আরবি।
- মুদ্রা: ইয়েমেনি রিয়াল।

অন্যদিকে,
⇒ বিশ্বের কিছু গুরত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর:
- আকাবা: জর্ডানের সমুদ্র বন্দর।
- লাতাকিয়া: সিরিয়ার সমুদ্রবন্দর।
- আকিয়াব: মিয়ানমারের সমুদ্রবন্দর।
- হাইফা: ইসরাইলের সমুদ্রবন্দর।
- আন্টওয়ার্প: বেলজিয়ামের সমুদ্রবন্দর।
- লা গুয়েরা: ভেনেজুয়েলার সমুদ্রবন্দর।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
৩২.
বর্তমানে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে শীর্ষ দেশ কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. মেক্সিকো
  4. শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

প্রবাসী আয়:

- প্রকাশিত হয়: জুন, ২০২৪।
- প্রকাশক: বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড 'গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট (KNOMAD)'।
- প্রতিবেদনের শিরোনাম: Migration and Development Brief 40.

⇒প্রতিবেদন অনুযায়ী: প্রবাসী আয় প্রাপ্তিতে শীর্ষে থাকা দেশগুলো হলো:
১. ভারত,
২. মেক্সিকো,
৩. চীন,
৪. ফিলিপাইন,
৫. ফ্রান্স,
৬. পাকিস্তান,
৭. বাংলাদেশ,
৮. জার্মানি,
৯. গুয়াতেমালা,
১০. নাইজেরিয়া।

উৎস: KNOMAD ওয়েবসাইট।
৩৩.
‘ফেস্টিভ্যাল দ্য কানস’ চলচ্চিত্র উৎসব কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. নরওয়ে
  3. সুইডেন
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
কান চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৪:
- দক্ষিণ ফ্রান্সের সমুদ্র তীরবর্তী কান শহরে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব ‘ফেস্টিভ্যাল দ্য কানস’।
- চলচ্চিত্রশিল্পের অন্যতম বড় প্রদর্শনীর নাম কান চলচ্চিত্র উৎসব।
- এটি বিশ্বের চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনয়শিল্পী ও প্রযোজকদের অন্যতম একটি মিলনমেলা।
- ১৯৪৬ সালে প্রথম কান চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
- আসরের সেরা পুরস্কার ‘পাম দি’অর’ বা ‘স্বর্ণপাম’ প্রথম প্রদান করা হয় ১৯৫৫ সালে। 
- প্রতিবছরের মে মাসে ১২ দিনের জন্য এ আসর অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ ২০২৪ সালে ৭৭তম কান চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিজয়ীদের তালিকা:
- স্বর্ণপাম: আনোরা (শন বেকার, যুক্তরাষ্ট্র),
- গ্র্যাঁ প্রিঁ: অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট (পায়েল কাপাডিয়া, ভারত),
- জুরি প্রাইজ: এমিলিয়া পেরেস (জ্যাক অদিয়াঁর, ফ্রান্স),
- স্পেশাল জুরি প্রাইজ: দ্য সিড অব দ্য স্যাক্রেড ফিগ (মোহাম্মদ রাসুলফ, ইরান),
- সেরা অভিনেতা: জেসি প্লেমন্স (কাইন্ডস অব কাইন্ডনেস, যুক্তরাষ্ট্র),
- সেরা অভিনেত্রী: সেলেনা গোমেজ, জোয়ি স্যালডানা, আদ্রিয়ানা পাজ, কার্লা সোফিয়া গাসকোন (এমিলিয়া পেরেস),
- সেরা পরিচালক: মিগেল গোমেজ (গ্র্যান্ড ট্যুর, পর্তুগাল),
- সেরা চিত্রনাট্যকার: কোরালি ফারজাঁ (দ্য সাবস্ট্যান্স, ফ্রান্স),
- সেরা চলচ্চিত্র: ব্ল্যাক ডগ (গুয়ান হু, চীন)।

উৎস: Festival de Cannes ওয়েবসাইট।
৩৪.
কোন দেশটি আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগর উভয়ের উপকূল রেখায় অবস্থিত?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. ভারত
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রা: র‍্যান্ড।

⇒ দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
• নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উল্লেখ্য,
- মহাসাগর পৃথিবীর প্রায় ৭১% আয়তন দখল করে আছে।
- বিশ্বে পাঁচটি প্রধান মহাসাগর রয়েছে: প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, আর্কটিক মহাসাগর এবং দক্ষিণ মহাসাগর।
- আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগর উভয়ের উপকূলরেখা সহ পৃথিবীতে মাত্র তিনটি দেশ রয়েছে।
- এই দেশগুলি হলো: দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর এবং ইসরাইল।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) Britannica.
৩৫.
২০২৪ সালে কোপা আমেরিকার কততম আসর অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ২৩তম
  2. ৪৬তম
  3. ৪৮তম
  4. ৫২তম
সঠিক উত্তর:
৪৮তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কোপা আমেরিকা ২০২৪:

- আয়োজক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি কোপা আমেরিকার ৪৮তম আসর।
- মোট দল: ১৬টি।
- অনুষ্ঠিত সময়: ২১ জুন - ১৫ জুলাই, ২০২৪।
- চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনা (১৬তম শিরোপা)
- রানার-আপ: কলম্বিয়া।
- তৃতীয় স্থান: উরুগুয়ে।
- মোট ম্যাচ ৩২।
- গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা): লাওতারো মার্টিনেজ (আর্জেন্টিনা, ৫টি গোল)।
- টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়: হামেস রোদ্রিগেস (কলম্বিয়া)।
- সেরা গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (আর্জেন্টিনা)।
- ফেয়ার প্লে পুরস্কার: কলম্বিয়া।

উৎস: Copa América ওয়েবসাইট।
৩৬.
কোন চুক্তির মাধ্যমে 'European Economic Community' গঠিত হয়?
  1. রোম চুক্তি
  2. ভিয়েনা চুক্তি
  3. ব্রাসেলস চুক্তি
  4. ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা
EEC:
- EEC-এর পূর্ণরূপ: European Economic Community বা ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়।
- ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ পশ্চিম ইউরোপের ৬টি দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ‘রোম চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- এই চুক্তির ফলে European Economic Community গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপিয়ান দেশগুলো তাদের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য একটি অর্থনৈতিক জোট গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করে।
• ১৮ এপ্রিল, ১৯৫১ সালে প্যারিসে একচুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয় কয়লা ও ইস্পাত পরিষদ (ECSE- European Coal and Steel Community) গঠিত হয়।
• ২৫ মার্চ, ১৯৫৭ সালে বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস্, ইতালি ফ্রান্স ও সাবেক পশ্চিম জার্মানী এ ৬টি রাষ্ট্রের মধ্যে 'রোম চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তি অনুযায়ী ১৭ জানুয়ারি, ১৯৫৮ সালে European Economic Community (EEC) এবং Euratom প্রতিষ্ঠিত হয়।
• পরবর্তীতে EEC একটি একক ইউরোপিয় অর্থনীতি গঠন করার প্রয়াস চালায়।
- ১৯৬৫ সালে সম্পাদিত 'ব্রাসেলস চুক্তি' সংগঠনটিকে European Community (EC) রূপান্তরিত করে।
• ১৯৯২ সালে স্বাক্ষরিত 'ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি'র ভিত্তিতে EC রূপান্তরিত হয়ে বর্তমান ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন European Union (EU) হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

উৎস: Britannica.
৩৭.
কার নেতৃত্বে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়?
  1. মোহাম্মদ রেজা পাহলভি
  2. আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী
  3. মোহাম্মাদ মুসাদ্দেক
  4. আনোয়ার সাদাত
সঠিক উত্তর:
আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী
ব্যাখ্যা
ইরানে ইসলামি বিপ্লব:
- ১৯৭৯ সালে ইরানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে ইরানের তদানীন্তন সরকারের পতনের মাধ্যমে এই বিপ্লব পূর্ণতা লাভ করে।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- শেষ ইরানি রাজবংশ ছিল পাহলভী রাজবংশ ছিল।
- ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র হিসেবে দীর্ঘ আটাশ বছর এই রাজবংশ শাসন পরিচালনা করে।
- আর ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লব পর্যন্ত স্বৈরাচারী রাজতন্ত্র হিসেবে ইরান শাসন করে।
- রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে ইরানের ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় ও রেজা শাহ পাহলভী ইরান ছেড়ে পালিয়ে যান।

আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী:
- ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতা ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি।
- তিনি একজন ইরানি রাজনীতিবিদ, বিপ্লবী ও শিয়া ধর্মগুরু।
- ১৯৬৩ সালে তিনি তৎকালীন শাহ সরকারের অত্যাচার, নিপীড়ন ও আমেরিকার পদলেহী নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।

উৎস: Britannica.
৩৮.
কোন ঘটনার পর NATO প্রথমবারের মতো আর্টিকেল ৫ প্রয়োগ করেছিল?
  1. ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর
  2. ফকল্যান্ড যুদ্ধের পর
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর বর্তমান মহাসচিব মার্ক রুট নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী।
- জুন, ২০২৪-এ তিনি ন্যাটোর মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন।
- অক্টোবরের ১, ২০২৪ তারিখ থেকে দায়িত্ব নেন তিনি।

⇒ উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।

⇒ ইউরোপের বাইরে প্রথম মিশন: আফগানিস্তান, ২০০৩।

⇒ ন্যাটো তার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সংঘটিত হামলার কারণে আর্টিকেল ৫ প্রয়োগ করেছিল।

• নাইন-ইলেভেন:
- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৩৯.
কত সালে চেরনোবিল বিস্ফোরণ সংঘটিত হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
চেরনোবিল বিপর্যয়:
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউক্রেনে অবস্থিত চেরনোবিল পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরের শহর চেরনোবিল।
- ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষা চালানোর সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।
- পারমাণবিক এ দুর্ঘটনাকে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- আশির দশকের শুরু থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু চেরনোবিল একাই তৎকালীন ইউক্রেনের ১০% বিদ্যুৎ সরবরাহ করতো।
- চারটি নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর নিয়ে গড়ে উঠেছিল চেরনোবিল পাওয়ার প্লান্ট।
- প্রত্যেক রিঅ্যাক্টর ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার সক্ষমতা রাখতো।
- নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার করা হতো নিকটবর্তী প্রিপইয়াত নদীর ধারাকে।
- ২৬ এপ্রিল দিবাগত রাতে চার নম্বর রিঅ্যাক্টরে এক ঝুঁকিপূর্ণ পরীক্ষা চালানো হয়।
- কখনো ব্ল্যাকআউট হলে ঠিক কতো কম পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখা যাবে, তার-ই পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন চেরনোবিল পাওয়ার প্লান্টের চার নম্বর রিঅ্যাক্টরের ইঞ্জিনিয়াররা।
- অত্যন্ত আনাড়িভাবে করতে যাওয়া এই পরীক্ষণে রিঅ্যাক্টরটির শক্তি নামিয়ে আনা হয়েছিল ৭ শতাংশে, জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরিয়ে ফেলা হয়, পাওয়ার রেগুলেটর সিস্টেম বন্ধ করে দেয়া হয় এবং কোরের সাথে সংযুক্ত কন্ট্রোল রডও বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়।
- একের পর এক নেয়া অনেকগুলো অপরিকল্পিত এবং ভুল সিদ্ধান্তের ফলে শুরু হয়ে যায় নিউক্লিয়ার চেইন রিঅ্যাকশন বা শেকল বিক্রিয়া।
- তেজস্ক্রিয় বিস্ফোরণে মুহূর্তেই চার নম্বর রিঅ্যাক্টরের ছাদ উড়ে যায়।
- সরাসরি তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে অনেক কর্মী মৃত্যুবরণ করেন।
- ২৭ এপ্রিলের মধ্যেই চারপাশের ত্রিশ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয় অন্যত্র।
- আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, চেরনোবিলের পারমাণবিক বিস্ফোরণের তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ হিরোশিমার বোমার চেয়ে অন্তত ৪০০ গুণ বেশি ছিল।

উৎস: Britannica.
৪০.
ইয়াল্টা সম্মেলনে নিম্নের কোন রাষ্ট্রপ্রধান উপস্থিত ছিলেন না?
  1. রবার্ট মুগাবে
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. জোসেফ স্টালিন
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
সঠিক উত্তর:
রবার্ট মুগাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট মুগাবে
ব্যাখ্যা
ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় যখন সুনিশ্চিত তখন মিত্রপক্ষীয় তিন রাষ্ট্রপ্রধান ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, উইনস্টন চার্চিল ও জোসেফ স্টালিন ক্রিমিয়ার ইয়াল্টা প্রদেশে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তাঁদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা হয়।
- যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে 'Yalta Conference' নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো ক্ষমতা' (Veto Power) নির্ধারিত হয়।
- এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত।

⇒ এই সম্মেলনের প্রধান বিষয়:
- বিশ্বশান্তির জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠন,
- জার্মানির ভাগ্য নির্ধারণ,
- পোল্যান্ডের ভবিষ্যত সমস্যার সমাধানকল্পে আলোচনা।

অন্যদিকে,
⇒ রবার্ট মুগাবে:
- রবার্ট মুগাবে ছিলেন জিম্বাবুয়ের কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি।
- তিনি তৎকালীন রোডেশিয়ার শ্বেতাঙ্গ-সংখ্যালঘু-নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দশকের দীর্ঘ লড়াইয়ের একজন।
- জিম্বাবুয়ের দীর্ঘদিনের শাসক ছিলেন রবার্ট মুগাবে।
- তিনি ইয়াল্টা সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।

উৎস: History.com
৪১.
কততম জলবায়ু সম্মেলনে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিল গঠিত হয়েছে?
  1. ২৫ তম
  2. ২৬ তম
  3. ২৭ তম
  4. ২৮ তম
সঠিক উত্তর:
২৭ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ তম
ব্যাখ্যা
'লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড':
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূল থেকে অসংখ্য মানুষ প্রতিনিয়ত পৈতৃক ভিটে মাটি ছেড়ে শহরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
- বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুর্যোগের কারণে এ সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে বলেই মনে করেন বিজ্ঞানীরা।
- কপ-২৭ জলবায়ু সম্মেলনে একটি ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিল গঠনে সম্মত হয়েছে বিশ্ব।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের উপকূলের যে মানুষেরা উদ্বাস্তু হচ্ছেন বা ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছেন তাদের সহায়তা এবং পুনর্বাসনে এই তহবিল কাজ করবে বলে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৪২.
পেরেস্ত্রইকা নীতি'র উদ্ভাবক কে ছিলেন?
  1. জোসেফ স্টালিন
  2. নিকলাই কোসিগিন
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. জোয়াকিম ভন রিবেনট্রপ
সঠিক উত্তর:
মিখাইল গর্বাচেভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিখাইল গর্বাচেভ
ব্যাখ্যা
মিখাইল গর্বাচেভ:
- মিখাইল গর্বাচেভ ছিলেন একজন সোভিয়েত রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘ শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

⇒ গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তবস্থা বা খোলা হাওয়া।
- ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ মানবধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তাই হচ্ছে গ্লাসনস্ত।

⇒ পেরেস্ত্রইকা নীতি:
- পেরেস্ত্রইকা শব্দের অর্থ হচ্ছে পুনর্গঠন।
- আর্থিক ও সামাজিক সংস্কার করতে ১৯৯০ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
- ওই সময় দেশকে নতুন দিশায় নিয়ে যেতে যে পুনর্গঠন প্রকৃত শুরু করেছিলেন তিনি, সেটাই পেরেস্ত্রইকা।
- এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের আধারে এমন এক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে থাকবে একটি দক্ষ অর্থনীতি এবং সর্বোপরি একটি উন্নত বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর ও গণতান্ত্রিক সমাজ কাঠামো।
- শীতলযুদ্ধের প্রয়োজনে সোভিয়েত ইউনিয়ন মূলত ভারী শিল্প বিশেষত সামরিক শিল্পের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।
- ফলে তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক বা এই ধরনের বিলাস দ্রব্যের উৎপাদন পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি।
- একই সাথে বিশ্ববাণিজ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন পিছিয়ে পড়েছিল।
- বাণিজ্য কেবল পূর্ব ইউরোপ এবং সমাজতান্ত্রিক শিবিরের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গেই সীমাবদ্ধ ছিল।
- এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর উদ্দেশ্যে অর্থনৈতিক উদারীকরণ এর নীতি গৃহীত হয়।

উৎস: Britannica.
৪৩.
উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যকে কত সালে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।
- ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন।
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- আসামের মাধ্যমে রাজ্যগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- আগে এসব রাজ্য ভারতের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।

⇒ ভারতের সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যসমূহ ও রাজধানী -
১. আসাম - দিসপুর,
২. মিজোরাম - আইজল,
৩. অরুনাচল - ইটানগর,
৪. মেঘালয় - শীলং,
৫. ত্রিপুরা - আগরতলা,
৬. মণিপুর - ইম্ফল,
৭. নাগাল্যান্ড - কোহিমা।

উৎস: Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।
৪৪.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন জার্মানি কর্তৃক সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত অপারেশনের নাম -
  1. অপারেশন বারবারোসা
  2. অপারেশন জ্যাকপট
  3. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
  4. অপারেশন রেইনবো
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বারবারোসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বারবারোসা
ব্যাখ্যা
অপারেশন বারবারোসা:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় পূর্ব ফ্রন্টের যুদ্ধ বা জার্মানীর রাশিয়া আক্রমণ।

⇒ ১৯৪১ সালে ২২ জুন জার্মানীর হিটলার 'অপারেশন বারবারোসা' নামে পরিচিত সোভিয়েত ইউনিয়ন অভিযান শুরু করেছিলেন।
- এই অভিযানে ১৯টি প্যানযার ডিভিশন, ৩ হাজার ট্যাংক, ২৫০০ বিমান এবং ৭০০০ কামান অংশ গ্রহণ করে।
- সর্বমোট ত্রিশ লক্ষ সৈনিক সাথে ৬ লক্ষ মোটরযান এবং ৬-৭ লক্ষ ঘোড়া ব্যবহার হয়েছিল এই অভিযানে।
- তিনটি দলে ভাগ হয়ে আক্রমণ শুরু করে জার্মান বাহিনী।
- এই তিনটি ভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ফিল্ড মার্শাল ভব লিন, ভন বক এবং ভন রান্সডেট।
- আক্রমণের তীব্রতায় রাশিয়ান রেড আর্মিকে পিছু হটতে বাধ্য করে জার্মান বাহিনী।
- মাত্র ১৭ দিনের মধ্যেই তারা ৩ লাখ রাশিয়ান সৈনিককে বন্দি করা ছাড়াও আড়াই হাজার ট্যাঙ্ক, ১ হাজার ৪০০ আর্টিলারি গান এবং ২৫০টি রুশ ফাইটার প্লেন বিধ্বস্ত করে জার্মানরা।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা জোসেফ স্ট্যালিনের ইস্পাত-কঠিন নেতৃত্ব নাৎসিদের জয়রথ থামিয়ে অপারেশন বারবারোসাকে ব্যর্থ করে দেয়।
- স্ট্যালিনের নেতৃত্বে মাতৃভূমি রক্ষায় সোভিয়েত জনগণ জার্মানির বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- জার্মানরা যেসব সোভিয়েত ভূখন্ড দখল করে, সেখানেও সোভিয়েত জনগণ গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যায়।
- স্ট্যালিন সোভিয়েত জনগণ ও সৈন্যদের দেশরক্ষায় ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করেন।
- মূলত সোভিয়েতদের প্রবল প্রতিরোধের ফলেই অপারেশন বারবারোসা ব্যর্থ হয়।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম' এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪টি দেশের জাতিসংঘ অনুমোদিত যৌথ বাহিনীর মধ্যে।

উৎস: Britannica.
৪৫.
কাকে ‘তুরস্কের গান্ধী’ নামে অভিহিত করা হতো?
  1. নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. কেনেথ কাউন্ডা
  3. কামাল কিলিচদারোগ্লু
  4. উপরের কেউই নয়
সঠিক উত্তর:
কামাল কিলিচদারোগ্লু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামাল কিলিচদারোগ্লু
ব্যাখ্যা
কামাল কিলিচদারোগ্লু:
- কামাল কিলিচদারোগ্লু তুরস্কের রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) চেয়ারম্যান।
- সিএইচপি একটি মধ্য-বামপন্থী দল।
- এটি তুরস্কের প্রধান ধর্মনিরপেক্ষ বিরোধী দল।
- সিএইচপি প্রতিষ্ঠা করেন আধুনিক তুরস্কের রূপকার মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক।
- মৃদুভাষী আচরণের জন্য অনেকে তাঁকে ‘তুরস্কের গান্ধী’ বলে অভিহিত করেন।
- ‘নীরব শক্তি’ হিসেবে পরিচিত হতেই পছন্দ করেন কিলিচদারোগ্লু।

অন্যদিকে,
- জাম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কেনেথ কাউন্ডা'কে আফ্রিকার গান্ধী বলা হয়।
- নেলসন ম্যান্ডেলাকে দক্ষিণ আফ্রিকার গান্ধী বলা হয়।

উৎস: Britannica.
৪৬.
ফরাসি বিপ্লব কত বছর স্থায়ী হয়েছিল?
  1. ৭ মাস
  2. ৪ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
- 'স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী'- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

উৎস: Britannica.
৪৭.
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতনের পিছনে কে রয়েছেন?
  1. আর্তুগুল গাজি
  2. উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মুরাদ
  3. প্রথম সুলাইমান
  4. উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদ
সঠিক উত্তর:
উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদ
ব্যাখ্যা
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন।
- ৩৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দ্বিতীয় রাজধানীর নামকরণ করা হয় কনস্টান্টিনোপল।
- পূর্ব রাজধানীকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চল তথা পূর্ব ইউরোপ, পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল, এশিয়া মাইনরসহ পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল শাসিত হতো।

⇒ বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতন:
- পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে ইসলামী সভ্যতার উত্থান ও বিকাশের পটভূমিতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের সীমা ষষ্ঠ শতাব্দী থেকে ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে পড়তে থাকে।
- আব্বাসীয় শাসনামল পর্যন্ত ইসলামী সাম্রাজ্য পশ্চিম ইউরোপের স্পেন, সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- ১২৫৮ সালে মোঙ্গল নেতা হালাকু খানের হাতে বাগদাদের পতন ঘটার পর ইসলামী সভ্যতার নেতৃত্ব গ্রহণ করে ওসমানীয় তুর্কিরা।
- চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ওসমানীয় তুর্কিদের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ১৪৫৩ সালে উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের পতন ঘটে।
- পরবর্তী পর্যায়ে তুর্কি শক্তি সমগ্র গ্রিস অঞ্চলসহ পূর্ব ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৪৫৩ সাল ইউরোপ তথা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি মাইল ফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮.
দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ বিষয়ে মৌলিক অবদানের জন্য নিম্নের কোন ব্যক্তি খ্যাতি অর্জন করে?
  1. ইয়েন টিনবারগেন
  2. অমর্ত্য সেন
  3. রাগনার ফ্রিশ
  4. অভিজিৎ ব্যানার্জী
সঠিক উত্তর:
অমর্ত্য সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যা
অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন অমর্ত্য সেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবী জুড়েই তিনি শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
- তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং ক্যামব্রিজের একজন সিনিয়র ফেলো।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।

⇒ উল্লিখিত অপশনের সকল ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Britannica.
৪৯.
কার নেতৃত্বে Non-Aligned Movement-এর প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. মার্শাল টিটো
  2. জওহরলাল নেহেরু
  3. কাওয়ামে ন্ক্রুমা
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড-এ জন্ম হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের।
- প্রথম কনফারেন্স হয় বেলগ্রেড, ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।

⇒ ন্যামের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সেই সময়কার পাঁচ বিশ্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব:
১. ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ড. আহমদ সুকর্ণ।
২. ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।
৩. যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসিপ টিটো।
৪. মিশরের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট জামাল আবদুল নাসের।
৫. ঘানার প্রেসিডেন্ট ড. কাওয়ামে ন্ক্রুমা।

⇒ ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে যুগোস্লাভিয়ার মার্শাল জোসিপ টিটো, মিশরের জামাল আবদুল নাসের, ভারতের জওহরলাল নেহেরু , ঘানার কাওয়ামে ন্ক্রুমা এবং ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণর নেতৃত্বে Non-Aligned Movement-এর প্রথম সম্মেলন এবং অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং NAM প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- NAM-এর ১৯তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উগান্ডায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
৫০.
মন্ট্রিল প্রোটোকলে HFCs-এর ব্যবহার হ্রাসের জন্য কোন সংশোধনী গৃহীত হয়েছিল?
  1. বেইজিং সংশোধন
  2. কিগালি সংশোধন
  3. লন্ডন সংশোধন
  4. কোপেনহেগেন সংশোধন
সঠিক উত্তর:
কিগালি সংশোধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিগালি সংশোধন
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

⇒ ১৯৮৯ সাল থেকে মন্ট্রিল প্রটোকল ৬ বার সংশোধন করা হয়। এগুলো হলো:
- London amendment 1990,
- Copenhagen amendment 1992,
- Vienna amendment 1995,
- Montreal amendment 1997,
- Beijing amendment 1999,
- Kigali amendment 2016.

উল্লেখ্য,
• কিগালি সংশোধনী:
- মন্ট্রিল প্রোটোকলের কিগালি সংশোধনী হলো হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs)-এর ব্যবহার এবং উৎপাদন ধীরে ধীরে হ্রাস করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর রুয়ান্ডার কিগালিতে মন্ট্রিল প্রটোকলের ২৮তম সভায় শক্তিশালী গ্রিন হাউজ গ্যাস-হাইড্রোফ্লোরো কার্বনের ব্যবহার পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনতে মন্ট্রিল প্রটোকল সংশোধিত হয়।
- সংশোধনীটি বাস্তবায়িত হলে এই শতাব্দীর শেষে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রায় শূন্য দশমিক ৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড কমানো সম্ভব হবে।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।
৫১.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা দেশ কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
European Union:
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ সালে।
- সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: ৬টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।
- ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

উল্লেখ্য,
⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপিয়ান দেশগুলো তাদের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য একটি অর্থনৈতিক জোট গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করে।
• ১৮ এপ্রিল, ১৯৫১ সালে প্যারিসে একচুক্তির মাধ্যমে ইউরোপিয় কয়লা ও ইস্পাত পরিষদ (ECSE- European Coal and Steel Community) গঠিত হয়।
• ২৫ মার্চ, ১৯৫৭ সালে বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস্, ইতালি ফ্রান্স ও সাবেক পশ্চিম জার্মানী এ ৬টি রাষ্ট্রের মধ্যে 'রোম চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তি অনুযায়ী ১৭ জানুয়ারি, ১৯৫৮ সালে European Economic Community (EEC) এবং Euratom প্রতিষ্ঠিত হয়।
• পরবর্তীতে EEC একটি একক ইউরোপিয় অর্থনীতি গঠন করার প্রয়াস চালায়।
- ১৯৬৫ সালে সম্পাদিত 'ব্রাসেলস চুক্তি' সংগঠনটিকে European Community (EC) রূপান্তরিত করে।
• ১৯৯২ সালে স্বাক্ষরিত 'ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি'র ভিত্তিতে EC রূপান্তরিত হয়ে বর্তমান ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন European Union (EU) হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

⇒ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে:
i. ইউরোপিয়ান কাউন্সিল,
ii. ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট,
iii. ইউরোপিয়ান কমিশন,
iv. ইউরোপিয়ান কোর্ট অব জাস্টিস,
V. ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক,
vi. দি কোর্ট অব অডিটরস.

উৎস: EU-এর ওয়েবসাইট।
৫২.
জাতিপুঞ্জ গঠনের নিয়মপত্রকে কী নামে আখ্যা দেওয়া হয়?
  1. দ্য রিগন্যান্ট
  2. দ্য কোভেন্যান্ট
  3. দ্য চার্টার অব নেশন
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দ্য কোভেন্যান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্য কোভেন্যান্ট
ব্যাখ্যা
জাতিপুঞ্জ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ ১৯২০ সালে আত্মপ্রকাশ করে।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৪১টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়: ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি বক্তব্য প্রদান করেন।
- তাতে ছিল ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার ও জাতিপুঞ্জ গঠনের আহ্বান।
- এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।

⇒ সুদীর্ঘ আলোচনা এবং বিতর্কের পর এই প্রস্তাবনাকে একটি নীতিমালায় রূপান্তরিত করা হয়।
- আন্তর্জাতিক নেতাদের সমঝোতার মাধ্যমে শেষপর্যন্ত ১৯১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি লিগ অফ নেশনস নামে একটি সংগঠন গঠনের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তাবনা পেশ করা হয়।
- সেবছর ২৮ জুন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটিয়ে স্বাক্ষর করা ভার্সাই চুক্তির প্রথম অংশে এই সংগঠন গঠন করার প্রস্তাবনা যুক্ত করা হয়।
- জাতিপুঞ্জের নিয়মপত্রে স্বাক্ষর করেন বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া ৩১ দেশসহ ৪৪ দেশের রাষ্ট্রনায়কগণ।
- ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে ভার্সাই চুক্তি কার্যকর হয়।

⇒ জাতিপুঞ্জ গঠনের নিয়মপত্রকে ‘দ্য কোভেন্যান্ট’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়।
- মোট ২৬টি নিবন্ধে বর্ণিত এই নিয়মপত্র ছিল জাতিপুঞ্জের সংবিধান।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।