পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
Exam - 12 Everyday Science & ICT topic: Full syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
রক্তরসে পানির পরিমাণ কত?
  1. ৪৫-৫৫%
  2. ৫১-৫২%
  3. ৭০-৭৮%
  4. ৯১ - ৯২%
ব্যাখ্যা
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু।
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- রক্তকণিকা ৩ ধরনের হতে পারে: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।[২০১৭ সংস্করণ]
.
মানবদেহে মোট কশেরুকার সংখ্যা কতটি?
  1. ৩১ টি
  2. ৩২ টি
  3. ৩৩ টি
  4. ৩৪ টি
ব্যাখ্যা
• মেরুদন্ড :
- অ্যাটলাস অস্থি থেকে কক্কিক্স অস্থি পর্যন্ত বিস্তৃত দন্ডাকৃতির যে গঠন মানবদেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ গঠন করে তাকে মেরুদন্ড বা শিরদাঁড়া বলে।
- ৩৩টি অসম আকৃতির সীমিত সঞ্চালনক্ষম অস্থিখন্ডক সমন্বয়ে মেরুদন্ড গঠিত।
- এ সকল অস্থিখন্ডককে কশেরুকা বলে।
- কশেরুকাগুলো কোমলাস্থি নির্মিত চাকতি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকে।
- এদের সিমফাইসিস স্থির অবস্থায় বা চলমান অবস্থায় এটি দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে ধ্বংস করে ?
  1. TMV
  2. রুবিওলা
  3. T2 ফায
  4. নিপাহ
ব্যাখ্যা
• T2 ব্যাকটেরিওফায:
- ফায একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ ভক্ষণ করা।
- প্রকৃত অর্থে ফায হলো ঐসব ভাইরাস যারা জীবদেহে অবস্থিত রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে।
- ফায এর জেনেটিক বস্তু ব্যাকটেরিয়ার দেহে প্রবেশ করে এবং এক সময় ব্যাকটেরিয়া কোষটি ধ্বংস হয়।
- তাই যে সমস্ত ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে ধ্বংস করে তাদেরকে ব্যাকটেরিওফায বলা হয়। যেমন- T2 ব্যাকটেরিওফায।
- T2 ব্যাকটেরিওফায ভাইরাসের লাইটিক চক্রটি ৫টি ধাপে সংঘটিত হয়।
- যথা: ধাপ-১ : সংযুক্তি, ধাপ-২ : ফায প্রবেশ, ধাপ-৩ : অনুলিপন, ধাপ-৪ : বিভিন্ন দেহাংশ একত্রিত হওয়া এবং ধাপ-৫ : নতুন ভাইরাস মুক্তি।

উৎস: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মানুষের চোখের লেন্স কোন ধরনের হয়ে থাকে?
  1. অবতল
  2. দ্বি-উত্তল
  3. দ্বি-অবতল
  4. সমতল
ব্যাখ্যা
- মানুষের চোখের গঠন এবং কার্যাবলী অনেকটা ক্যামেরার মতো।
- মানব চোখের লেন্সটি উভ উত্তল বা দ্বি উত্তল।
- চোখের আলোকসংবেদী অংশের নাম রেটিনা।
- কোনো বস্তু হতে আলোক রশ্মি চোখের লেন্স দ্বারা প্রতিসরিত হয়ে রেটিনায় বিম্ব গঠন করে।
- রেটিনায় গঠিত বিম্বটি হয় সদ, উল্টো ও খর্বিত।
- রেটিনা আলোক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে পরিণত করে।
- মানুষের চোখে রেটিনা ও চক্ষুলেন্সের মধ্যবর্তী স্থান ভিট্রিয়াস হিউমার নামক জেলী জাতীয় পদার্থ দ্বারা পূর্ণ থাকে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে কী স্থানান্তর করে?
  1. শক্তি
  2. ক্ষমতা
  3. বেগ
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা, স্থানান্তর করে।
- যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন কোনো জড় মাধ্যমের একস্থান থেকে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলোকে স্থানান্তরিত করে না তাকে তরঙ্গ বলে।
- তরঙ্গ দুই প্রকার। যথা- অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

• তরঙ্গের বৈশিষ্ট্যবলী:
- তরঙ্গ সৃষ্টি ও সঞ্চালনের জন্য অবিচ্ছিন্ন স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
- মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের বা, স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 
- মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে নিচে অথবা, সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। 
- তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা, স্থানান্তর করে। 
- তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। 
- তরঙ্গে প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং অপবর্তন ঘটে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্র বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে কী বলে?
  1. মুখ্য জোয়ার
  2. গৌণ জোয়ার
  3. তেজ কটাল
  4. মরা কটাল
ব্যাখ্যা
• জোয়ার-ভাটা:
মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়।
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা -

১. মুখ্য জোয়ার:
চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার:
চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে।

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল:
চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি ডিএনএ ভাইরাস?
  1. নভেল করোনা
  2. ভ্যাকসিনিয়া
  3. র‍্যাবিস
  4. মাম্পস
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস দুই প্রকার। যথা-
১. DNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- T2 ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV (Tipula Iridiscent Virus), এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ভাইরাস।
- Parvoviridae গোত্রের ভাইরাসের DNA একসূত্রক।

২. RNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, র‍্যাবিস, নভেল করোনা ইত্যাদি ভাইরাস।
- Reoviridae গোত্রের (রিও ভাইরাস, ধানের বামন রোগের ভাইরাস) ভাইরাসের RNA দ্বিসূত্রক। 

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
.
এসিড বৃষ্টিতে বৃষ্টির পানির pH এর মান কত থাকে?
  1. ৭ বা তার কম
  2. ৭ বা তার বেশি
  3. ৪ বা তার কম
  4. ৫ - ৬ এর মাঝামাঝি
ব্যাখ্যা
• পানির pH:
• সাধারণত বৃষ্টির পানির pH এর মান ৫ থেকে ৬ এর মধ্যে হয়।
- মনুষ্য সৃষ্ট কিছু কারণে বিভিন্ন এসিড মিশে বৃষ্টির পানির pH এর মান কমে ৪ বা তারও কম হয়ে গেলে সেই বৃষ্টিকে এসিড বৃষ্টি বলে।
- pH দ্বারা পানির অম্লত্ব বা ক্ষারকত্ব বোঝায়।
- পানি অ্যাসিড ধর্মী বা ক্ষার ধর্মী তা নির্ভর করে পানির pH এর উপর ।
- বিশুদ্ধ পানির pH হচ্ছে ৭।
- বিশুদ্ধ পানিতে এসিড বা ক্ষার থাকেনা।
- তাই বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ। 

-  pH এর মান ৬-৮ এর মধ্যে হয় তবে জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণির জন্য কোনো অসুবিধা হয় না। 
- যদি pH এর মান ৭ হয় তবে পানি নিরপেক্ষ হয়।
- যদি pH এর মান ৭ অপেক্ষা বেশি হয় তবে পানি ক্ষারধর্মী হয়।
- আবার pH এর মান ৭ অপেক্ষা কম হলে পানি অ্যাসিডধর্মী হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি উদ্ভিদদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস নয়?
  1. বুশিস্টান্ট
  2. টোবাকো মোজাইক
  3. পেপিলোমা
  4. বানচি টপ
ব্যাখ্যা
♦ উদ্ভিদদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস এবং সৃষ্ট রোগের নাম:
• টোবাকো মোজাইক ভাইরাস - তামাকের মোজাইক রোগ।
• বীন মোজাইক ভাইরাস - সিমের মোজাইক রোগ।
• বুশিস্টান্ট ভাইরাস - টমেটোর বুশিস্টান্ট রোগ।
• টুংরো ভাইরাস - ধানের টুংরো রোগ।
• বানচি টপ ভাইরাস - কলার বানচি টপ রোগ।
• পট্যাটো মোজাইক ভাইরাস - গোলালুর মোজাইক রোগ।

- পেপিলোমা ভাইরাস প্রানীদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস
-  পেপিলোমা ভাইরাসের কারণে মানুষের এনোজেনিটাল ক্যান্সার হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১০.
স্যাটেলাইট সমৃদ্ধ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কততম?
  1. ৫৬তম
  2. ৫৭তম
  3. ৫৮তম
  4. ৫৯তম
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১: 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১। 
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১' মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস?
  1. কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
  3. ওজোন
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• গ্রীন হাউস অ্যাফেক্ট:
- শীত প্রধান দেশে গ্রীন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমন্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট বলে।

• গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো-
- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2),
- মিথেন (CH4),
- নাইট্রাস অক্সাইড (N2O),
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC),
- ওজোন (O3)
- জলীয় বাষ্প

উৎস:
১. পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১২.
মৌলিক বল নয় কোনটি?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. অভিকর্ষ বল
  3. তড়িৎ চৌম্বকীয় বল
  4. দূর্বল  নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
• মৌলিক বল:
- যা কোন স্থির বস্তুতে প্রয়োগ করলে তা গতিশীল হয় বা কোন গতিশীল বস্তুর উপর প্রয়োগ করলে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। 
- প্রকৃতিতে ৪টি বল আছে যাদের অন্য কোন বলে বিশ্লেষণ করা যায় না তাদেরকে মৌলিক বল বলে। যথা-

১. মহাকর্ষ বল, 
২. তড়িৎ চৌম্বকীয় বল, 
৩. সবল নিউক্লিয় বল ও
৪. দূর্বল  নিউক্লিয় বল।

• পৃথিবী ও মহাবিশ্বের যেকোনো একটি বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ বলকে অভিকর্ষ বল বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
১৩.
কোনটিকে 'ঈশ্বর কণা' বলা হয়?
  1. গ্রাভিটন
  2. লেপটন
  3. হিগস বোসন
  4. কোয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• হিগের কণা:
- ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে এমন একটি কণার ধারনা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং এর ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। এই কণাটিকে হিগের কণা বলা হয়।
- হিগস কণা একটি বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণাটি ঈশ্বর কণা নামে পরিচিত।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওর লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে চিহ্নিত করেন। 
- ৪ই জুলাই ২০১২ সালে এই বোসন কণাটি আবিষ্কৃত হয়।
 
উৎস: ব্রিটানিকা
১৪.
ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে কোন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়?
  1. ইরিডিয়াম
  2. আয়োডিন
  3. ফসফরাস
  4. বেকেরেল
ব্যাখ্যা
- অস্থিতিশীল পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্নি বিকিরণের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল আকস্মিকভাবে এই রশ্নি আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে এই রশ্নির নাম দেয়া হয় বেকেরেল রশ্নি। 
- তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষনার জন্যে তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক হেনরী বেকেরেল এবং ম্যারি কুরী ও তার স্বামী পিয়েরে কুরী যৌথভাবে ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান। 
- তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা- প্রাকৃতিক ও কৃত্তিম তেজস্ক্রিয়তা।
- কিছু কিছু মৌলের আইসোটোপ রয়েছে যাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে আলফা, বিটা ও গামা রশ্নি নির্গত করে তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।
- লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় ফসফরাস -32 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে আয়োডিন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
১৫.
বায়ুর উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে জলীয় বাষ্পের পরিমান-
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- বায়ুর উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে জলীয়বাষ্পের পরিমান বাড়ে।
- যদিও বায়ু নিদির্ষ্ট পরিমাণ জলীয়বাষ্পে ধারণ করতে পারে।
- কোন নিদির্ষ্ট উষ্ণতায় বায়ু যে পরিমাণ জলীয়বাষ্পে ধারণ করতে পারে, সেই পরিমাণ জলীয়বাষ্পে বায়ুতে থাকলে বায়ু আর অধিক জলীয়বাষ্পে গ্রহণ করতে পারে না, তখন তাকে সম্পৃক্ত বা পরিপৃক্ত বায়ু বলে।
- বায়ু যে উষ্ণতায় জলীয়বাষ্পে ঘনীভূত হয় তাকে শিশিরাঙ্ক বলে।
- তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা হিমাঙ্কের নিচে নেমে গেলে তখন ঘণীভূত জলীয়বাষ্পে কঠিন আকার ধারণ করে এবং তুষার ও বরফ ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী। 
১৬.
মস্তিস্কের কার্যকরী একক হলো -
  1. নিউরন
  2. নেফ্রন
  3. মেনিনজেস
  4. গ্রোমারোলাস
ব্যাখ্যা
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যকরী একককে নিউরন বলে।
- মস্তিস্ক হলো স্নায়ুতন্ত্র অঙ্গ।
- মানুষের মস্তিষ্কের আয়তন ১৫০০ ঘন সেমি
- মস্তিষ্কে নিউরন থাকে ১০ বিলিয়ন।
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি।
- মস্তিষ্ক আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস।
- রেচনতন্ত্রের কার্যকরী একক নেফ্রন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।[২০১৭ সংস্করণ]
১৭.
জীবদেহে অতিরিক্ত গ্লুকোজ কোথায় সঞ্চিত হয়?
  1. অগ্নাশয়
  2. পিত্ততলি
  3. প্লীহা
  4. যকৃত
ব্যাখ্যা
- জীবদেহে অতিরিক্ত গ্লুকোজ  সঞ্চিত হয় যকৃতে।
- যকৃত বক্ষপিঞ্জরে মধ্যচ্ছেদের নিচের অংশে অবস্থিত। 
- যকৃৎ দেহের বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি। 
- এটি ২টি খণ্ডে বিভক্ত: ডান এবং বাম।
- প্রাণীদেহে বিপাকে ও অন্যান্য কিছু শারীরবৃত্তীয় কাজে যকৃত প্রধান ভূমিকা পালন করে। 
- ক্ষুদ্রান্ত থেকে হেপাটিক পোর্টাল শিরার মাধ্যমে গ্লুকোজ যকৃতে প্রবেশ করে।
- রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় গ্লাইকোজেনে রূপান্তরিত হয়ে যকৃতের সঞ্চয়ী কোষে জমা থাকে।
- যকৃতের সঞ্চয়ী ভূমিকা গুলো হল: 
১. গ্লাইকোজেনের সঞ্চয়
২. রক্ত সঞ্চয়
৩. ভিটামিন সঞ্চয়
৪. খনিজদ্রব্য সঞ্চয়
৫. পিত্তরস সঞ্চয়
৬. লিপিড ও অ্যামিনো এসিড সঞ্চয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা দেশ কোনটি?
  1. ডেনমার্ক
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে ''কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০''।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ২০০৬ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে তা সংশোধন করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• হ্যাকিং
• স্প্যামিং
• সাইবার থেফ্ট
• সাইবার বুলি
• স্ফুফিং
• ফিশিং
• ভিশিং
• স্নিকিং
• প্লেজিয়ারিজম

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।