পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৫ টপিক: শব্দ ও বাক্য [লাইভ ক্লাস – ৩০, ৩১ ও ৩২]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
‘দূতাবাস’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. বাংলা
  2. ফারসি
  3. সংস্কৃত
  4. আরবি
ব্যাখ্যা
• দূতাবাস,
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃত-প্রত্যয় =[দূত+আবাস]
অর্থ: রাষ্ট্রদূতের কার্যালয় বা বাসভবন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
‘যে রক্ষক সে ভক্ষক।’- কোন ধরনের বাক্যের দৃষ্টান্ত?
  1. সরল
  2. জটিল
  3. যৌগিক
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ জটিল বাক্য:
যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবুও, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে।

যেমন:
- যে রক্ষক, সে ভক্ষক।
- যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
- যদি তুমি যাও, তবে তার দেখা পাবে।
- যখন বৃষ্টি নামল, তখন আমরা ছাতা খুঁজতে শুরু করলাম।

=============

⇒ সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন:
- পাখিগুলো নীল আকাশে উড়ছে।
- তিনি ভাত খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন ৷

➤ সরল বাক্যে অনেক সময়ে ক্রিয়া অনুপস্থিত থাকে ৷ 
যেমন:
- আমরা তিন ভাইবোন।

➤ বাক্যের মধ্যে এক বা একাধিক অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলেও সরল বাক্য হয়। 
যেমন:
- তিনি খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে পায়চারি করতে করতে বাজারের দিকে গেলেন।

⇒  যৌগিক বাক্য:
দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (−) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

যেমন:
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল ৷
- অন্ধকার হয়ে এসেছে – বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।
- তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি – এতে দোষের কিছু নেই।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
নিচের কোনটি আরবি শব্দ?
  1. তাজ্জব
  2. আসমান
  3. কাজি
  4. খোয়াব
ব্যাখ্যা

• তাজ্জব,
- আরবি শব্দ।
অর্থ: অদ্ভুত, বিস্মিত, বিস্ময়।

অন্যদিকে,
• আসমান (ফারসি শব্দ)।
অর্থ: আকাশ।

• কাজি (ফারসি শব্দ)।
অর্থ: মুসলমান বিবাহের নিবন্ধক; পদবিবিশেষ; বিচারক।

• খোয়াব (ফারসি শব্দ)।
অর্থ: নিদ্রিত অবস্থায় মানুষের অনুভূতি ভাবাবেগ চিত্রকল্প প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
বিচারে রুই কাতলারা ঠকে, সুবিধে পায় চুনোপুটিরা।- বাক্যে কোন গুণের অভাব পরিলক্ষিত?
  1. আসক্তি
  2. যােগ্যতা
  3. আকাঙ্ক্ষা
  4. আসত্তি
ব্যাখ্যা

• বাগধারা ভাষার সম্পদ। বিশেষ অর্থে এসব শব্দ ব্যবহৃত হয়। বাগধারার গঠনের একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম থাকে।
এ গঠনের পরিবর্তন ঘটলে শব্দ তার যােগ্যতা হারায়।

'বিচারে রুই কাতলারা ঠকে, সুবিধে পায় চুনোপুটিরা।' বাক্যে 'রুই কাতলারা' এবং 'চুনোপুটি' বাগ্‌ধারা।
- 'রুই কাতলা' অর্থ - বিশিষ্ট্য ব্যক্তি।
- 'চুনোপুটি' অর্থ  - সামান্য ব্যক্তি। 
[অতএব, বাগ্‌ধারার ভুল প্রয়োগে বাক্যটি তার যোগ্যতা হারিয়েছে।]

⇒ বাক্যটির সঠিকরূপ হবে: 'বিচারে চুনোপুটিরা ঠকে, সুবিধে পায় রুই কাতলারা।' 

==========
• একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকতে হয়৷ যথা- আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, ও যোগ্যতা।

 ⇒ যােগ্যতা:
বাক্যের পদসমূহের অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধনের নামই যােগ্যতা।
যেমন:
- বর্ষাকালে জলপথে নৌকা চলে। এটি একটি যােগ্যতা সম্পন্ন বাক্য। কারণ বাক্যটিতে পদসমূহের অর্থগত ও ভাবগত মিল রয়েছে।

[ কিন্তু যদি বলা হয়- “বর্ষাকালে আকাশ পথে নৌকা চলে” তবে বাক্যটি ভাব প্রকাশের যােগ্যতা হারাবে। কারণ নৌকা আকাশ পথে চলে না। সার্থক বাক্যের জন্য অর্থ সংগতি বা যােগ্যতা থাকতে হবে।]

শব্দের যোগ্যতার সঙ্গে অনেক বিষয় জড়িত থাকতে পারে। তবে প্রধানত সাতটি বিষয় জড়িত থাকে। যেমন:
• রীতিসিদ্ধ অর্থবাচকতা;
• বাহুল্য বর্জন;
• দুর্বোধ্যতা পরিহার;
• উপমা বা অলংকারের সঠিক প্রয়োগ বা ব্যবহার;
• বাগধারার সঠিক প্রয়োগ;
• গুরুচণ্ডলী দোষ পরিহার ও
• যথার্থ শব্দ প্রয়োগ।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

.
নিচের কোনটি রূঢ়ি শব্দের উদাহরণ?
  1. কর্তব্য
  2. আদিত্য
  3. গবেষণা
  4. গোলাপ
ব্যাখ্যা
⇒ রূঢ়ি শব্দ : 
যেসব শব্দ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ না বুঝিয়ে অন্য অর্থ প্রকাশ করে তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন - গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ গরু খোজা এটি প্রকৃত অর্থকে না বুঝিয়ে অন্য অর্থ বুঝাচ্ছে, তাই এটি রূঢ়ি শব্দ।

- আরো কিছু রূঢ়ি শব্দ:
হস্তী, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ।

অন্যদিকে, 
- ‘গোলাপ’ মৌলিক শব্দ।
- ‘কর্তব্য’ যৌগিক শব্দ।
- ‘আদিত্য’ যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোনটি জটিল বাক্য?
  1. আকাশে মেঘ ছিল না, কিন্তু বজ্রপাত হলো।
  2. তিনি ধনী হয়েও সুখী ছিলেন না।
  3. সূর্য উদিত হয়, তবে অন্ধকার দূর হয়।
  4. তুমি যা বলেছিলে, সবই খেটে গেছে।
ব্যাখ্যা
তুমি যা বলেছিলে, সবই খেটে গেছে।- এটি জটিল বাক্যের উদাহরণ।
বাক্যে ‘তুমি যা বলেছিলে’ বিশেষ্য স্থানীয় খণ্ডবাক্য এবং সবই খেটে গেছে আশ্রিত বাক্য।

⇒ জটিল বাক্য:

যে বাক্যে প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একের বেশি অপ্রধান খণ্ডবাক্য থাকে বা একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হলে তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে।
 
যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবুও, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে।

যেমন:
- যে রক্ষক, সে ভক্ষক।
- যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
- যদি তুমি যাও, তবে তার দেখা পাবে।
- যখন বৃষ্টি নামল, তখন আমরা ছাতা খুঁজতে শুরু করলাম।

অন্যদিকে,
- যৌগিক বাক্য: সূর্য উদিত হয়, তবে অন্ধকার দূর হয়।
- সরল বাক্য: তিনি ধনী হয়েও সুখী ছিলেন না।
- যৌগিক বাক্য: আকাশে মেঘ ছিল না, কিন্তু বজ্রপাত হলো।‘

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'নায়ক' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. হিন্দি
  2. আরবি
  3. বাংলা
  4. তৎসম
ব্যাখ্যা
• নায়ক (বিশেষ্য),
- সংস্কৃত/তৎসম শব্দ।
- প্রকৃতি-প্রত্যয়: [√নী+অক]
অর্থ:
- নেতা,
- পরিচালক,
- দলপতি,
- সেনাপতি,
- নায়ক উপন্যাস প্রভৃতির মূল চরিত্র,
- প্রণয়ী পুরুষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ?
  1. জীবনী
  2. জলধি
  3. সন্দেশ
  4. মধুর
ব্যাখ্যা
⇒ যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন-
- জলধি: 'জল ধারণ করে এমন' অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র 'সমুদ্র' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
- মহাযাত্রা: 'মহাসমারোহে যাত্রা' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ 'মৃত্যু'।
- রাজপুত: 'রাজার পুত্র' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে 'জাতি বিশেষ'।
- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- মধুর এবং জীবনী হচ্ছে যৌগিক শব্দের উদাহরণ। 
- সন্দেশ রূঢ়ি শব্দের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
তিনি আসতে পারলেন না কারণ তিনি অসুস্থ।- এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. সরল
  2. জটিল
  3. যৌগিক
  4. মিশ্র
ব্যাখ্যা

• তিনি আসতে পারলেন না কারণ তিনি অসুস্থ।- এটি একটি যৌগিক বাক্য।

‘বাক্যে তিনি আসতে পারলেন না’ একটি স্বাধীন বাক্য এবং ‘তিনি অসুস্থ’ আর একটি স্বাধীন বাক্য। এই দুটি স্বাধীন বাক্যকে ‘কারণ’ শব্দটি যোজক হিসেবে যুক্ত করেছে।

⇒ যৌগিক বাক্য:

দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (−) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

যেমন:
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল ৷
- অন্ধকার হয়ে এসেছে – বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।
- তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি – এতে দোষের কিছু নেই।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১০.
'ভিক্ষুককে টাকা দাও'- বাক্যটির যৌগিক রূপ কোনটি?
  1. কিছু লোক ভিক্ষা করে, ওদের টাকা দাও।
  2. ভিক্ষা করা, মানুষদের টাকা দাও।
  3. যে ব্যক্তি ভিক্ষা করে, তাকে টাকা দাও।
  4. যারা ভিক্ষা করে, তাদের ভিক্ষা দাও।
ব্যাখ্যা
⇒ যৌগিক বাক্য:
দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

[এবং,  ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
কমা(, ), সেমিকোলন(ঃ), কোলন( ; ), ড্যাশ( -) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।]

যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার প্রয়োজন হয়। এজন্য সরলবাক্যকে যৌগিক বাক্য করতে হলে সরল বাক্যের মাঝখানের অসমাপিকা ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়া রূপান্তর করতে হয়। সরল বাক্যে একটি মাত্র ক্রিয়া থাকলে যৌগিক বাক্য গঠনের সময়ে আরেকটি ক্রিয়া তৈরি করে নিতে হয়।
যেমন:
• সরল বাক্য: তুমি চেষ্টা না করায় ব্যর্থ হয়েছ।
• যৌগিক বাক্য: তুমি চেষ্টা করোনি, তাই ব্যর্থ হয়েছ।

• সরল বাক্য: ভিক্ষুকে টাকা দাও।
• যৌগিক বাক্য: কিছু লোক ভিক্ষা করে, ওদের টাকা দাও।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
১১.
উৎস বিবেচনায় শব্দ কয় ভাগে বিভক্ত?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৬ ভাগে
ব্যাখ্যা
বাংলা শব্দভাণ্ডারকে বিভিন্ন বিবেচনায় ভাগ করা যায়। যথা:
⇒গঠন বিবেচনায় শব্দ দুই প্রকার: মৌলিক ও সাধিত শব্দ।
⇒ উৎস বিবেচনায় শব্দ চার প্রকার: তৎসম শব্দ, তদ্ভব শব্দ, দেশি শব্দ ও বিদেশি শব্দ।
⇒ পদ বিবেচনায় শব্দ আট প্রকার: বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ, অনুসর্গ, যোজক ও আবেগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১২.
নিচের কোন বাক্যে গুরুচণ্ডালী দোষ পরিলক্ষিত?
  1. এ কাজে তাহার হাত পাকা।
  2. তিনি বাড়ি হইতে বাহির হইয়াছেন।
  3. তাঁর সাথে আমার দেখা হয়নি কতকাল!
  4. এ কাজটি করা আমার পক্ষে সম্ভব না।
ব্যাখ্যা
⇒ তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের মিশ্রণ ঘটলে যে দোষের সৃষ্টি হয় তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। এদোষে দুষ্টু শব্দ তার যোগ্যতা হারায়।
যেমন:
- গরুর গাড়ি, শবদাহ ইত্যাদি হলো তৎসম শব্দ।
কিন্তু যদি বলা হয়- গরুর শকট, মড়াদাহ তাহলে তা গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট হয়ে যায়।

• 'এ কাজে তাহার হাত পাকা।'- বাক্যটিতে গুরুচণ্ডালী দোষ রয়েছে।
• বাক্যটির শুদ্ধরূপ হবে- 'এই কার্যে তাহার হস্ত পাকা' বা 'এ কাজে তার হাত পাকা'। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।