পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১১৫
সিলেবাস
বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [প্রতি শুক্রবারে ফ্রি এবং সবার জন্য উন্মুক্ত একটি মডেল টেস্ট থাকবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১১৫ প্রশ্ন

.
'হাভাতে যদ্যপি যায় সাগর শুকায়ে যায়' - সুপ্রচলিত প্রবচনটি কোন কবির?
  1. ক) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  2. খ) আবদুল হাকিম
  3. গ) বিদ্যাপতি
  4. ঘ) প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
এটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত - অন্নদামঙ্গল কাব্যে ব্যবহৃত একটি প্রবচন।

এই কাব্যের আরো কয়েকটি প্রবচন হল -
- নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়
- মাতঙ্গ পড়িলে দরে পতঙ্গ প্রহার করে।
- মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন
- কড়িতে বাঘের দুধ মিলে
- বড়র পিরীতি বালির বাঁধ, ক্ষণে হাতে দড়ি ক্ষণেকে চাঁদ
- যার কর্ম তারে সাজে অন্য লোকের লাঠি বাজে
- জন্মভূমি জননী স্বর্গের গরিয়সী। ইত্যাদি 

এসব গভীরতম ভাবদ্যোতক প্রবচনের মত পদে ভাষার উপর কবির যে অধিকার তা তুলনারহিত। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
.
'প্রবোধন' শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) প্রহার করা
  2. খ) জ্ঞানদান
  3. গ) সম্বোধন
  4. ঘ) পীড়ন
ব্যাখ্যা
প্রবোধন (বিশেষ্য) 
- সংস্কৃত শব্দ। 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = প্রবোধ+অন । 
অর্থ: 
- স্বান্তনাদান,
- জাগরিতকরণ, 
- জ্ঞানদান। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
.
'শয়ন' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ নিম্নের কোন সূত্র মেনে চলে?
  1. ক) এ+অন্য স্বর
  2. খ) অ+অন্য স্বর
  3. গ) ও+অন্য স্বর
  4. ঘ) ঐ+অন্য স্বর
ব্যাখ্যা
শয়ন = শে+অন
সূত্র: এ+ অন্য স্বর = অ+স্বর।

ঐ+ অন্য স্বর = আয়ু+স্বর। যেমন – নৈ+অক = নায়ক। 
ও+ অন্য স্বর = অবৃ+স্বর। যেমন – গাে+আদি = গবাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'মগের মুল্লুক' নামক ব্যঙ্গকাব্যের রচয়িতা কে?
  1. ক) দ্বীনবন্ধু মিত্র
  2. খ) উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
  3. গ) সুকুমার রায়
  4. ঘ) গোবিন্দচন্দ্র দাস
ব্যাখ্যা
'মগের মুল্লুক' নামক ব্যঙ্গকাব্যের রচয়িতা গোবিন্দচন্দ্র দাস।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে। 

গোবিন্দচন্দ্র দাস, (১৮৫৫-১৯১৮) ছিলেন একজন স্বভাবকবি। 
- নরনারীর ইন্দ্রিয়জ প্রেম গোবিন্দচন্দ্রের কাব্যের মুখ্য বিষয়বস্তু, তবে স্বদেশপ্রেম, পল্লিপ্রকৃতি ও মানবজীবনের কথাও তাঁর কাব্যে বর্ণিত হয়েছে।

তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে:
- প্রেম ও ফুল,
- কুঙ্কুম,
- কস্তুরী,
- চন্দন,
- ফুলরেণু্‌,
- বৈজয়ন্তী,
- শোক ও সান্ত্বনা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সোয়া, পোয়া, তেহাই ইত্যাদি কোন ধরণের সংখ্যাশব্দ?
  1. ক) সাধারণ পুরণবাচক
  2. খ) তারিখ পুরণবাচক
  3. গ) ভগ্নাংশ পুরণবাচক
  4. ঘ) ক্রমবাচক
ব্যাখ্যা
পুরণবাচক সংখ্যাশব্দ ৩ প্রকার - 
- সাধারণ পুরণবাচক 
- তারিখ পুরণবাচক 
- ভগ্নাংশ পুরণবাচক 

ভগ্নাংশ পুরণবাচক সংখ্যাশব্দ: 
কখনো পূর্ণসংখ্যা থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পুরণবাচক হয়। 
যেমন: আধ, সাড়ে, সোয়া, পোয়া,দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) মাল্যদান
  2. খ) কবিতার কথা
  3. গ) সতীর্থ
  4. ঘ) বোবা কাহিনী
ব্যাখ্যা
'সতীর্থ' উপন্যাসের রচয়িতা রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ। 
- তিনি মূলত কবি হলেও উপন্যাস এবং প্রবন্ধগ্রন্থ রচনা করেছেন। 

তাঁর দুইটি উপন্যাস- 
- মাল্যবান (১৯৭৩)
- সতীর্থ (১৯৭৪) 
- জীবনানন্দ দাশ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'কবিতার কথা'
এর বিখ্যাত উক্তি - 'সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি' 

'বোবা কাহিনী' - পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত একমাত্র উপন্যাস। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিম্নের কোনটি তুর্কি শব্দ নয়?
  1. ক) বেগম
  2. খ) খাতুন
  3. গ) বিবি
  4. ঘ) বাবা
ব্যাখ্যা
বিবি (বিশেষ্য) 
- ফারসি শব্দ। 
অর্থ: 
- পত্নী, স্ত্রী। 
- ইউরোপীয় মহিলা 
- তাসের রানি। 

অন্যদিকে,
বেগম, বাবা, খাতুন = তুর্কি শব্দ। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
.
'একের পরিবর্তে অপরের সই'-কে এক কথায় কী বলে?
  1. ক) বিকল্প
  2. খ) বকলম
  3. গ) বুকনি
  4. ঘ) দ্বৈরথ
ব্যাখ্যা
একের পরিবর্তে অপরের সই = বকলম 
এক ভাষার মধ্যে অন্য ভাষার প্রয়োগ = বুকনি 
একের পরিবর্তে অনেক = বিকল্প 
দুরথীর যুদ্ধ = দ্বৈরথ 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
.
সঠিক বিপরীতার্থক শব্দযুগল কোনটি?
  1. ক) প্রমাণিত - অনুমিত
  2. খ) নিরীহ - চালাক
  3. গ) নিরত - নিয়ত
  4. ঘ) নিশ্চেষ্ট - বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
সঠিক বিপরীতার্থক শব্দযুগল
নিরীহ - দুর্দান্ত 
নিরত - বিরত 
নিয়ত - বিরত 
নিশ্চেষ্ট - সচেষ্ট 
প্রমাণিত - অনুমিত/অপ্রমাণিত
প্রাখর্য - স্নিগ্ধতা 
প্রবণতা - উদাসীনতা 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
১০.
দশারথি রায় কোন ধারার কবি?
  1. ক) কবিগান
  2. খ) টপ্পাগান
  3. গ) পাঁচালী গান
  4. ঘ) পুঁথিসাহিত্য
ব্যাখ্যা
কবিগানের যুগে পাঁচালী গান নামে এক ধরনের গান প্রচলিত ছিল এবং এই ধারায় দশারথি রায় শক্তিশালী কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠা অর্জন করেছিলেন। 
- 'দাশু রায়' নামে তিনি খ্যাত ছিলেন। 
- তিনি নিজেই পাঁচালী দল বেঁধে গান গাইতেন। 
- তাঁর পাঁচালী-পালা ১০ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
১১.
কোন পত্রিকাটির প্রকাশনার সাথে কাজী নজরুল ইসলাম সম্পৃক্ত ছিলেন না?
  1. ক) ধূমকেতু
  2. খ) সাম্যবাদী
  3. গ) লাঙ্গল
  4. ঘ) দৈনিক নবযুগ
ব্যাখ্যা
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা -
- 'ধূমকেতু' ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
- ১৯২৫ সালে প্রকাশিত ‘লাঙ্গল’ পত্রিকার প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। 
- কমরেড মুজাফ্‌ফর আহমদ এর সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন 'দৈনিক নবযুগ'।

- 'সাম্যবাদী' (১৯২৩) পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী। 
- 'সাম্যবাদী' (১৯২৫) কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য প্রথম আলোচনা করেন কে?
  1. ক) ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  2. খ) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. গ) ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত
  4. ঘ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ‘Origin and Development of Bengali Language (ODBL)' নামক বিখ্যাত গ্রন্থে ১৯২৬ সালে চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য প্রথম আলোচনা করেন। 
- ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ চর্যাপদের ধর্মমত সম্পর্কে প্রথম আলোচনা করেন। 
- ১৯৩৮ সালে ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী কর্তৃক চর্যার তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশিত হয়। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
১৩.
নিম্নের কোনটি ভিন্নার্থক?
  1. ক) উপক্রমনিকা
  2. খ) মুখবন্ধ
  3. গ) গৌরচন্দ্রিকা
  4. ঘ) অনুপমেয়
ব্যাখ্যা
'উপক্রমনিকা', 'মুখবন্ধ', 'গৌরচন্দ্রিকা' = 'আরম্ভ' বা 'সূচনা' এর প্রতিশব্দ। 
অন্যদিকে 'অনুপমেয়' = 'অতুলনীয়' এর প্রতিশব্দ। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ। 
১৪.
Misconduct এর সঠিক পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. ক) নিরুদ্দিষ্ট
  2. খ) অপকর্ম
  3. গ) বিভ্রান্তিকর
  4. ঘ) দুশ্চরিত
ব্যাখ্যা
Misconduct এর সঠিক পারিভাষিক শব্দ = দুশ্চরিত 
অন্যদিকে, 
Missing = নিখোঁজ, হারানো, নিরুদ্দিষ্ট
Misleading = বিভ্রান্তিকর 
Misdeed = অপকর্ম 

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা অভিধান
১৫.
"বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না দূরেও ঠেলিয়া দেয়" উক্তিটি কোন বিখ্যাত উপন্যাসে উদ্ধৃত হয়েছে?
  1. ক) দেবদাস
  2. খ) চরিত্রহীন
  3. গ) শ্রীকান্ত
  4. ঘ) বড়দিদি
ব্যাখ্যা
আলোচ্য উক্তিটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসে উদ্ধৃত হয়েছে।  
- 'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজৈবনিক উপন্যাস
- শ্রীকান্ত উপন্যাসটি ৪টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়।
- প্রথম খণ্ড মাসিক 'ভারতবর্ষে' (১৯১৬-১৭) 'শ্রীকান্তের ভ্রমণ কাহিনি নামে প্রকাশ পায়। 
- লেখকের নাম মুদ্রিত হয় 'শ্রীশ্রীকান্ত শর্মা'।
- ২য় ও ৩য় খণ্ডও মাসিক 'ভারতবর্ষে' প্রকাশিত হয়।
- তবে ৪র্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় 'বিচিত্র' পত্রিকায়।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র - শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষ্মী, অন্নদিদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
বিরােধার্থক দ্বন্দ্বের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) আয়-ব্যয়
  2. খ) জমা-খরচ
  3. গ) লাভ-লােকসান
  4. ঘ) ধনী-গরিব
ব্যাখ্যা
যে সমাসে সমস্যমান প্রত্যেক পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে বলা হয় দ্বন্দ্ব সমাস।
যেমন: ছেলে ও মেয়ে = ছেলেমেয়ে, স্বর্গ ও নরক = স্বর্গ-নরক ইত্যাদি।  

বিরােধার্থক দ্বন্দ্ব: অর্থের দিক থেকে যে দ্বন্দ্ব পরস্পরের মধ্যে বিরােধ তৈরি করে তাকে বলা হয় বিরােধার্থক দ্বন্দ্ব।
যেমন- ভালােমন্দ, সাদাকালাে, দা-কুমড়া, অহি-নকুল, স্বর্গ-নরক, দেব-দানব, ধনী-গরিব ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, ভালােমন্দ, দিনরাত, টকমিষ্টি, দেশেবিদেশে, ছেলেবুড়াে, আয়-ব্যয়, জমা-খরচ, লাভ-লােকসান ইত্যাদি = বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব সমাস। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
'আফতাব সংগীত' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ক) লালন শাহ
  2. খ) হাসন রাজা
  3. গ) সুরেন্দ্রনাথ রায়
  4. ঘ) শাহ আবদুল করিম
ব্যাখ্যা
'আফতাব সংগীত' গ্রন্থের লেখক শাহ আবদুল করিম। 
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৬ সালে। 

লোকসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, সুরকার শাহ আবদুল করিমের জন্ম ১৯১৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ধলআশ্রম গ্রামে। 
শাহ আবদুল করিম রচিত অন্যান্য গ্রন্থ- 
- কালনীর ঢেউ,
- ভাটির চিঠি,
- ধলমেলা,
- কালনীর কূল ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
'আত্মজা ও একটি করবী গাছ' গল্পগ্রন্থের পটভূমি কী?
  1. ক) দেশ বিভাগ
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধ
  3. গ) ভাষা আন্দোলন
  4. ঘ) গণ অভ্যূত্থান
ব্যাখ্যা
'আত্মজা ও একটি করবী গাছ'(১৯৬৭) হাসান আজিজুল হক রচিত একটি গল্পগ্রন্থ।
- দেশ বিভাগের ফলে সৃষ্ট ব্যক্তিচরিত্রের নৈতিক স্খলন সাম্প্রদায়িকতা এবং সংশ্লিষ্ট কারণে সৃষ্ট চরম হতাশা ও দারিদ্র্য, উত্তেজক পরিস্থিতি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে রচিত হয় 'আত্মজা ও একটি করবী গাছ'।
- বাংলাদেশের ছোটগল্পের ধারায় এই গল্পগ্রন্থটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

এতে আছে ৮ টি গল্প -
- আত্মজা ও একটি করবী গাছ,
- পরবাসী,
- সারাদুপুর,
- অন্তর্গত নিষাদ,
- মারী,
- উটপাখি,
- সুখের সন্ধানে,
- আমৃত্যু আজীবন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
The Jewish character of the play 'The Jew of Malta' is -
  1. ক) Barabas
  2. খ) Ferneze
  3. গ) Selim-Calymath
  4. ঘ) Don Mathias
ব্যাখ্যা
The Jew of Malta, in full The Famous Tragedy of the Rich Jew of Malta, five-act tragedy in blank verse by Christopher Marlowe, produced about 1590 and published in 1633.

• In order to raise tribute demanded by the Turks, the Christian governor of Malta seizes half the property of all Jews living in Malta.
- When Barabas, a wealthy Jewish merchant, protests, his entire estate is confiscated.
- Seeking revenge on his enemies, Barabas plots their destruction, but in the end, he is betrayed and dies the death he had planned for his enemies.

• Important characters of The Jew of Malta:
- Barabas (Protagonist),
- Abigail,
- Ithamore,
- Ferneze,
- Machevill,
- Selim-Calymath,
- Katherine,
- Don Mathias, etc.

Barabas
The protagonist of the play. Barabas is a Jewish merchant who only cares for his daughter Abigail and his vast personal fortune. When Ferneze appropriates Barabas's estate to help the government pay Turkish tribute, Barabas is enraged and vows revenge. His clever plots lead to the deaths of many characters, including Abigail and the governor's son. The protagonist is marked as an outsider within Maltese society because of his religion and because of his Machiavellian cunning. However, in many ways Barabas is the least hypocritical character in the play.

Ferneze
Barabas's great enemy and the governor of Malta. Ferneze hides his real motives behind ideals of Christian morality. Ultimately, his role in undermining Barabas and bribing Calymath shows how he uses Machiavellian tactics to his own advantage.

Selim-Calymath
The Turkish leader and son of the Ottoman Emperor. Calymath awards Barabas the governorship of the island following Barabas's help in its capture. Calymath then becomes embroiled in Maltese politics as Barabas and Ferneze scheme against one another. Ultimately, Ferneze's tactics result in Calymath's capture, through which Marlowe shows how a great warlord can be felled by Machiavellian intrigue.

Don Mathias
Abigail's lover and Lodowick's friend. Mathias and Lodowick kill each other in a duel masterminded by Barabas, making Mathias the first innocent victim of Barabas's many plots to exact revenge.


Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman; Encyclopedia of Britannica and sparknotes.com
২০.
"Opportunity makes a thief"- This quotation is by -
  1. ক) Alexander Pope
  2. খ) Francis Bacon
  3. গ) William Shakespeare
  4. ঘ) John Milton
ব্যাখ্যা
Francis Bacon is the Father of English Essay and Father of Modern Prose.

• His famous quotations:
- Revenge is a kind of wild justice.
- Wonder is the seed of knowledge.
- Opportunity makes a thief.
- It is impossible to love and be wise.
- History makes man wise.
- Silence is the sleep that nourishes wisdom.
- Studies serve for delight, for ornament and for ability.
- Some books are to be tasted, others to be swallowed, and some few to be chewed and digested of studies.
- Reading maketh a full man, conference a ready man, written an exact man.
- The secret of success is the constancy of purpose.
- Unmarried men are best friends, best Masters, best servants but not always best subjects.
- Old wood best to burns, old wine to drink, old friends to trust and old author to read.

Source: The Oxford Dictionary of Quotation.
২১.
Who wrote the book "An Anatomy of the world"?
  1. ক) John Donne
  2. খ) William Blake
  3. গ) Fidel Castro
  4. ঘ) Joseph Conrad
ব্যাখ্যা
John Donne is the father of Metaphysical Poet.
• He is called Poet of Love and Religious Poet.
• His famous book: The Anatomy of the World

• His famous poems:
- The Good Morrow,
- The Sun Rising,
- The Canonization,
- Twicknam Garden,
- For Whom The Bell Tolls,
- The Frea,
- The Ecstasy,
- The Funeral etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.
২২.
The beginning of the Renaissance may be traced to the city of -
  1. ক) Venice
  2. খ) Rome
  3. গ) Florence
  4. ঘ) Paris
ব্যাখ্যা

Renaissance অর্থ পুনর্জন্ম।
Renaissance চতুর্দশ শতকে প্রথমে ইতালির Florence শহরে শুরু হয়।
এবং পরবর্তীতে তা Venice ও Rome শহরে ছড়িয়ে পড়ে।
England এ রেনেসাঁ শুরু হয় ১৫০০ সালে।
এ যুগে আধুনিকতা ও রোমান্টিসিজম এর শুরু হয়।

ইংরেজি সাহিত্যে 1500 – 1660 সাল সময়কে The Renaissance Age বলা হয়।
The Renaissance spirit was the main force that characterized the literature of this age.
- Major Features
l) Aestheticism.
ll) Humanism.
lll) Nationalism.
lV) Spirit of Adventure.

Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman & Britannica.

২৩.
Find the odd man out.
  1. ক) Thomas Kyd
  2. খ) John Lyly
  3. গ) George Peele
  4. ঘ) John Keats
ব্যাখ্যা
University Wits:
Elizabethan Period - এর একদল নাট্যকার (Dramatist) - কে একত্রে University Wits বলা হয়।
এই নাট্যকারদের প্রায় সবাই Oxford বা Cambridge University এর গ্রাজুয়েট।
তারা তাদের লেখনীতে গতানুগতিক ধারা পরিহার করে বৈচিত্র্য ও সমসাময়িক আধুনিকতা আনায়ন করেন।

University Wits - রা হচ্ছেনঃ
1. Christopher Marlowe - (Cambridge)
2. Robert Greene - (Cambridge)
3. Thomas Nashe - (Cambridge)
4. Thomas Lodge - (Oxford)
5. George Peele- (Oxford)
6. John Lyly - (Oxford)
7. Thomas Kyd (not university-trained)

John Keats - University Wit ছিলেন না।

Source: Britannica.com
২৪.
Who is the author of the book 'In our Time'?
  1. ক) Joseph Conrad
  2. খ) Ernest Hemingway
  3. গ) James Joyce
  4. ঘ) G.B. Shaw
ব্যাখ্যা
Ernest Hemingway (1899-1961): He is an American novelist and short-story writer.

• His famous novels:
- For Whom The Bell Tolls
- The Old Man and The Sea
- A Farewell to Arms
- The Sun Also Rises
- Death in the Afternoon.
• His collection of stories is called 'In Our Time'.

Source: Encyclopedia of Britannica.
২৫.
'Murder in the Cathedral' by T.S. Eliot is a/an -
  1. ক) Drama
  2. খ) Essay
  3. গ) Novel
  4. ঘ) Poem
ব্যাখ্যা
T.S. Eliot (1888-1965) is a modern poet, dramatist and critic.
He wrote some famous dramas such as-
-‘Murder in the Cathedral’(1935)
-The Family Reunion(1939)
-The Cocktail Party(1949)

Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman
২৬.
I arrived at the station just ten seconds prior to leaving the train. In this sentence the verb 'arrived' is -
  1. ক) Intransitive
  2. খ) Transitive
  3. গ) Causative
  4. ঘ) Defective
ব্যাখ্যা
Arrive (Intransitive Verb)

যে Verb-গুলোর সাথে কোন direct object থাকে না তাকে Intransitive Verb বলে। এরকম কিছু Verb হল arrive, die ইত্যাদি । কারণ এই Verb দুটোকে আমরা কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করতে পারি না। তাই, এদের সাথে কোন object বসে না।

উপরে উল্লিখিত বাক্যে বলা হয়েছে যে, ট্রেন ছাড়ার মাত্র দশ সেকেন্ড আগে আমি স্টেশনে পৌঁছেছিলাম। এটি আমি কোথায় পৌঁছেছিলাম সেটা প্রকাশ করছে অর্থাৎ, at the station আমাদেরকে where-এর উত্তর দিচ্ছে। কিন্তু ‘কী’ বা ‘কাকে’ দিয়ে এই Verb-কে আমরা প্রশ্ন করতে পারি না।
তাই, সঠিক উত্তর হল Intransitive Verb।

Source: oxfordlearnersditionaries.com and grammarly.com
২৭.
“Abdullah was tired of walking”. Here 'walking' is a/an-
  1. ক) Present participle
  2. খ) Adjective
  3. গ) Common noun
  4. ঘ) Gerund
ব্যাখ্যা
এখানে walking শব্দটি Preposition এর Object হয়েছে বিধায় এটি Noun।
আর verb+ing যদি Noun এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
২৮.
She was entrusted ____ the care of her husband.
  1. ক) over
  2. খ) at
  3. গ) for
  4. ঘ) to
ব্যাখ্যা
sub + be + entrust + with/ to হয়।
Entrusted to 
- To leave someone or something in the care of someone or something.
- কাউকে বিশ্বাস করে কোনো দায়িত্ব অর্পণ।
২৯.
Stratford is the town where William Shakespeare was born. What type of clause is the underlined one? 
  1. ক) Noun Clause
  2. খ) Adjective Clause
  3. গ) Adverb Clause
  4. ঘ) Principal Clause
ব্যাখ্যা
“where William Shakespeare was born” clause টি দ্বারা town - Noun কে Modify করা হয়েছে।
তাই এটা Adjective Clause.

এটাকে Adverb Clause of Place মনে করা যাবে না, কারণ এটি কোন verb কে modify করছে না।
৩০.
Stephen Hawking is considered the greatest physicist after Einstein. (Make it Active)
  1. ক) People consider Stephen Hawking the greatest physicist after Einstein.
  2. খ) The greatest physicist after Einstein consider him.
  3. গ) Einstein consider Stephen Hawking the greatest physicist. 
  4. ঘ) People considers Stephen Hawking the greatest physicist after Einstein.
ব্যাখ্যা
এখানে Subject নেই, তাই sentence এর প্রয়োজন অনুসারে Subject আনা হয়েছে people, আর এটা Plural এবং সে অনুযায়ী Verb বসবে।
সে অনুসারে সঠিক উত্তর: People consider Stephen Hawking the greatest physicist after Einstein.
৩১.
The word 'Aver' means -
  1. ক) Seeming to be right or true.
  2. খ) To say that something is certainly true.
  3. গ) To refuse to accept something as the truth.
  4. ঘ) To intentionally disobey a rule or law.
ব্যাখ্যা
Aver (verb transitive)
English Meaning: To say that something is certainly true.
Bangla Meaning: (averred, averring, avers) aver (that) (প্রাচীন প্রয়োগ) হলফ করে বলা; দৃঢ়তার সঙ্গে বলা।

Synonyms: Declare (ঘোষণা/বিজ্ঞাত করা), Affirm (সুনিশ্চয় ঘোষণা করা), Swear (শপথ/হলফ/দিব্য করে বলা).
Antonyms: Deny (অস্বীকার করা), Gainsay (অপলাপ/অস্বীকার/অপহ্নব করা).

Source: Live MCQ Lecture
৩২.
Where does the error lie in the sentence:
With a view to make his evil plan a success, he met some professional killers.
  1. ক) make
  2. খ) success
  3. গ) met
  4. ঘ) professional
ব্যাখ্যা
With a view to, look forward to, get used to, be used to, be addicted to, be devoted to ইত্যাদির পর verb+ing ব্যবহৃত হয়।
তাই এখানে make না হয়ে making হওয়া উচিৎ ছিল।
৩৩.
a ও b দুটি ক্রমিক জোড় সংখ্যা হলে নিচের কোনটি বিজোড় সংখ্যা সংখ্যা? 
  1. ক) a2
  2. খ) b2
  3. গ) a2 + 1
  4. ঘ) b2 + 2
ব্যাখ্যা
a ও b দুটি ক্রমিক জোড় সংখ্যা
ধরি 
a = 2 ,b = 4
a2 = 22 = 4
b2 = 42 = 16 
a2 + 1 = 22 +1 = 5
b2 + 2 = 42 + 2 = 18
৩৪.
দুটি সংখ্যার অন্তরফল 5 এবং সংখ্যা দুটির গুণফল 36 হলে সংখ্যা দুটির ঘনের অন্তরফল কত?
  1. ক) 665 
  2. খ) 656 
  3. গ) 566
  4. ঘ) 728
ব্যাখ্যা
মনেকরি 
বড় সংখ্যাটি a 
ছোট সংখ্যাটি b  

প্রশ্নমতে  
a -  b = 5 
ab = 36 

আমরা জানি 
a3 - b3 = (a - b)3 + 3ab(a - b)
             = 53 + 3 × 36 × 5  
             = 125 + 540
               = 665
৩৫.
একটি পণ্যে ক্রয়মূল্যের উপর ৩২০% লাভ হয়। যদি ক্রয়মূল্য ২৫% বাড়ে এবং বিক্রয়মূল্য একই থাকে তবে কত মুনাফা হবে? 
  1. ক) ২৯০ টাকা 
  2. খ) ২৯৫ টাকা 
  3. গ) ৩২০ টাকা 
  4. ঘ) ৪২০ টাকা 
ব্যাখ্যা
মনেকরি 
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা 
৩২০% লাভে 
বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ১০০ এর ৩২০%
                 = ১০০ + ১০০ এর ৩২০/১০০
                   = ১০০ + ৩২০ 
                   = ৪২০ টাকা 

২৫% বৃদ্ধিতে ক্রয়মূল্য = ১২৫ টাকা 

লাভ = ৪২০ - ১২৫ = ২৯৫ টাকা
৩৬.
তিনটি নিরপেক্ষ মুদ্রা একবার নিক্ষেপ করা হলে কমপক্ষে দুইটি টেল পাওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ক) 3/8
  2. খ) 5/8
  3. গ) 1/8
  4. ঘ) 1/2
ব্যাখ্যা
তিনটি নিরপেক্ষ মুদ্রা একবার নিক্ষেপ করলে মোট নমুনা বিন্দু হবে = {HHH, HHT, HTH, HTT, THH, THT, TTH, TTT}
 = 8 টি

তাহলে  কমপক্ষে দুইটি টেল পাওয়ার অনুকূল ঘটনাগুলো = {HTT, THT, TTH, TTT}
 = 4টি।
কমপক্ষে দুইটি টেল পাওয়ার সম্ভাবনা, = 4/8 = 1/2
৩৭.
কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যাকে ২০, ২৫, ৩০ এবং৩৬ দিয়ে ভাগ করলে যথাক্রমে ১৬, ২১, ২৬ এবং ৩২ ভাগশেষ থাকবে?
  1. ক) ৯০৪
  2. খ) ৯০০
  3. গ) ৮৯৬
  4. ঘ) ৮৯২
ব্যাখ্যা
এখানে, 
২০ - ১৬ = ৪
২৫ - ২১ = ৪
৩০ - ২৬ = ৪
৩৬ - ৩২ = ৪ 

ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি  ২০, ২৫, ৩০ এবং ৩৬ এর ল.সা.গু  থেকে ৪ কম 
 ২০, ২৫, ৩০ এবং ৩৬ এর ল.সা.গু  = ৯০০

নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ৯০০ - ৪ 
                                   = ৮৯৬
৩৮.
একটি ধনাত্মক সংখ্যা এবং ঐ সংখ্যার বর্গের অন্তর 56 হলে সংখ্যাটি কত? 
  1. ক) 7
  2. খ) 8
  3. গ) 9
  4. ঘ) 10
ব্যাখ্যা
মনেকরি 
সংখ্যাটি x 

প্রশ্নমতে
x2 - x = 56
x2 - x - 56 = 0
x2 - 8x + 7x - 56 = 0
x(x - 8) + 7(x - 8) = 0
(x - 8)(x + 7) = 0 

হয়                         অথবা 
x - 8 = 0                     x + 7 = 0
x = 8                         x = - 7 [গ্রহণযোগ্য নয়]
৩৯.
27(√3)2x = 1 হলে x এর মান কত?
  1. ক) - 1
  2. খ) 0
  3. গ) - 2
  4. ঘ) - 3
ব্যাখ্যা
দেয়া আছে,
27(√3)2x = 1
33(31/2)2x = 1
33.3x = 1
33 + x = 30
x + 3 = 0
x = - 3
৪০.
একটি সমবাহু ত্রিভুুজের ক্ষেত্রফল 9√3 বর্গ সে.মি.। ত্রিভুজটির প্রতি বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) 4 সে.মি.
  2. খ) 5 সে.মি.
  3. গ) 6 সে.মি.
  4. ঘ) 9 সে.মি.
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4)(বাহু)2
(√3/4)(বাহু)2 =  9√3
(1/4)(বাহু)2 = 9 
(বাহু)2 = 36 
(বাহু)2 = 62
বাহু = 6
৪১.
কোনো সেটের প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা 7 হলে ঐ সেটের উপাদান সংখ্যা কত? 
  1. ক) 2
  2. খ) 3
  3. গ) 4
  4. ঘ) 5
ব্যাখ্যা
কোন সেটের উপাদান সংখ্যা n হলে ঐ সেটের উপসেটের সংখ্যা 2n এবং প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা 2n – 1

P = {x, y, z}
P এর উপসেটসমূহ : {x, y, z}, {x, y}, {x, z}, {y, z}, {x}, {y}, {z}
P এর প্রকৃত উপসেটসমূহ : {x, y}, {x, z}, {y, z}, {x}, {y}, {z}


2n - 1 = 7
2n = 7 + 1 
2n = 8
2n = 23 
n = 3
৪২.
x + y = a - b, ax - by = a2 + b2 হলে (x, y) এর মান কত?
  1. ক) (- a, - b)
  2. খ) (a, b)
  3. গ) (a, - b)
  4. ঘ) (- a, b)
ব্যাখ্যা
দেয়া আছে,
x + y = a - b...............(1)
ax - by = a2 + b2 ...............(2)

(1) × b + (2) ⇒
bx + by + ax - by = ab - b2 + a2 + b2
ax + bx = ab + a2
x(a + b) = a(a + b)
x = a

(2) ⇒
a + y = a - b.
y = - b

নির্ণেয় সমাধান (x, y) = (a, - b)
৪৩.
4 + x + y + 108 গুণোত্তর ধারাভুক্ত হলে y এর মান কত ?
  1. ক) 63
  2. খ) 60
  3. গ) 36
  4. ঘ) 48
ব্যাখ্যা
দেওয়া আছে,
প্রদত্ত ধারার প্রথম পদ, a = 4
দ্বিতীয় পদ = x
তৃতীয় পদ = y
এবং চতুর্থ পদ = 108

মনে করি,
ধারাটির সাধারণ অনুপাত, r

ধারাটির চতুর্থ পদ = ar4-1
4r3 = 108
বা, r3 = 108/4
বা, r3 = 27
বা, r3 = 33
বা, r = 3


তৃতীয় পদ, y = ar3 - 1
= ar2
= 4.32
= 4.9
= 36
৪৪.
'Algorithms' শব্দটি থেকে 3টি ব্যঞ্জনবর্ণ ও 2টি স্বরবর্ণ একত্রে কত উপায়ে বাছাই করা যেতে পারে?  
  1. ক) 125
  2. খ) 115
  3. গ) 105
  4. ঘ) 95
ব্যাখ্যা
'Algorithms' শব্দটি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে 7টি 
 এবং স্বরবর্ণ আছে 3টি 

7টি ব্যঞ্জনবর্ণ থেকে 3টি ব্যঞ্জনবর্ণ বাছাই করার উপায় = 7C3
                                                                                 = 35 
3টি স্বরবর্ণ থেকে 2টি স্বরবর্ণ বাছাই করার উপায় = 3C2 
                                                                        = 3 
বাছাইয়ের মোট উপায় = 35 × 3 
                                   = 105
৪৫.
ΔXYZ এর ∠X= 38°, ∠Y= 71° হলে, ΔXYZ কী ধরণের ত্রিভুজ? 
  1. ক) সমবাহু ত্রিভুজ
  2. খ) বিষমবাহু ত্রিভুজ
  3. গ) সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ΔXYZ - এ ,
∠X + ∠Y + ∠Z = 180°
38° + 71° + ∠Z = 180°
∠Z = 180° - 109°
∠Z = 71°
কোনো ত্রিভুজের দুইটি কোণ সমান হলে ত্রিভুজটির দুইটি বাহুও সমান হবে। 

∴ ΔXYZ - ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
৪৬.
প্রাইভেটকার, ট্রেন এবং বাসের গতিবেগের অনুপাত ৫ : ৯ : ৪।  ৩টি যানের গড় গতিবেগ ঘণ্টায় ৭৮ কিলোমিটার হলে প্রাইভেটকার ও ট্রেনের গড় গতিবেগ কত?  
  1. ক) ৮১ কি.মি./ঘণ্টা 
  2. খ) ৮৪ কি.মি./ঘণ্টা 
  3. গ) ৮৬ কি.মি./ঘণ্টা 
  4. ঘ) ৯১ কি.মি./ঘণ্টা 
ব্যাখ্যা
প্রাইভেটকার, ট্রেন এবং বাসের গতিবেগের অনুপাত ৫ : ৯ : ৪

প্রাইভেটকার গতিবেগ = ৫ক কি.মি./ঘণ্টা 
ট্রেনের গতিবেগ = ৯ক কি.মি./ঘণ্টা 
বাসের গতিবেগ = ৪ক কি.মি./ঘণ্টা 

প্রশ্নমতে,
(৫ক + ৯ক + ৪ক)/৩= ৭৮
১৮ক /৩ = ৭৮
৬ক = ৭৮
ক = ১৩ 

প্রাইভেটকার ও ট্রেনের গতিবেগ = ৫ক  + ৯ক কি.মি./ঘণ্টা 
                                        = ১৪ক কি.মি./ঘণ্টা 
                                        = ১৪ × ১৩ কি.মি./ঘণ্টা 
                                        = ১৮২ কি.মি./ঘণ্টা 

প্রাইভেটকার ও ট্রেনের গড় গতিবেগ = ১৮২/২ কি.মি./ঘণ্টা 
                                              = ৯১ কি.মি./ঘণ্টা
৪৭.
উচ্চ চাপের স্থান হতে নিম্ন চাপে কোন গ্যাস সজোরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ব্যাপন 
  2. খ) নিঃসরণ
  3. গ) দহন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

উচ্চ চাপের স্থান হতে নিম্ন চাপে কোন গ্যাস সজোরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে। 

নিঃসরণ বা অণুব্যাপন (Effusion) : সরু ছিদ্র পথ দিয়ে কোনো গ্যাসের অণুসমূহের উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে দ্রুত বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। উচ্চ চাপের প্রভাবে এটি একটি গ্যাসীয় দ্রুত প্রক্রিয়া। এটি ছিদ্র পথে অর্থাৎ নিয়ন্ত্রিত পথে ঘটে। যেমন- প্রেসার কুকারের গ্যাস বের হওয়া নিঃসরণের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। গাড়ির চাকার গ্যাস লিকের মাধ্যমে বের হওয়া।
ব্যাপন/গ্যাসের ব্যাপন (Diffusion of gases): উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফুর্ত ও সমভাবে পরিব্যপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
নিঃসরণের ক্ষতিকর দিকঃ
১. সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মাধ্যমে গ্যাস দ্রুত ছড়িয়ে দূর্ঘটনা ঘটাতে পারে।
২. নিউক্লিয়ার চুল্লীতে গ্যাস নিঃসরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটাতে পারে।
৩. বডি স্প্রে হতে সুগন্ধি দ্রব্যসমূহ বের হয়ে আমাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন করে।

সূত্র: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৪৮.
নিচের কোনটির জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির?
  1. ক) CH3COONa
  2. খ) NaCl
  3. গ) Na2SO4
  4. ঘ) FeCl3
ব্যাখ্যা

FeCl3  এর জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির। 

অপরদিকে, NaCl হল জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ এবং Na2SO4,   CH3COONa জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির।

সূত্র: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৪৯.
কোন সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণুটি উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুত করবার কাজে নিয়োজিত?
  1. ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. খ) প্লাস্টিড
  3. গ) গলজি বস্তু
  4. ঘ) কোষগহবর
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড নামক সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণুটি উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুত করবার কাজে নিয়োজিত। 

সজীব উদ্ভিদকোষের সাইটোপ্লাজমে বর্ণহীন অথবা বর্ণযুক্ত গোলাকার বা ডিম্বাকার অঙ্গাণুকে প্লাস্টিড (Plastid) বলে। একে বর্ণাধারও বলে।

প্লাস্টিডের কাজগুলো হল– 
(i) খাদ্য প্রস্তুত করা।  
(ii) খাদ্য সঞ্চয় করা ।  
(iii) উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা।

সূত্র- ২৩ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫০.
মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ কী?
  1. ক) খাদ্য উৎপাদনে সাহায্য করা 
  2. খ) জীবের শ্বসনে সহায়তা করা
  3. গ) প্রোটিন সঞ্চয় করা
  4. ঘ) জীব কোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ- জীবের শ্বসনে সহায়তা করা।

- দুটি পর্দা দ্বারা আবৃত যে সকল গোলাকার, ডিম্বাকার, সুতোর মতো অঙ্গাণু ইউক্যারিওটিক কোষের সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছড়িয়ে থাকে তাদেরকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে।
-মাইটোকন্ড্রিয়ায় সুতোর মতো দানাময় অঙ্গাণু বা কনড্রিওজোম বলে।
মাইটোকন্ড্রিয়ার কাজসমূহ-
-শ্বসনের ফলে নির্গত শক্তি থেকে এটিপি অনু সংশ্লেষ করে।
-মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের প্রয়োজনীয় শক্তিযুক্ত অনুর যোগান দেয়।
-মাইটোকন্ড্রিয়াতে স্নেহ দ্রব্য সংশ্লেষক লেসিথিন এবং ফসফেটিডাইল-ইথানল-অ্যামাইন জাতীয় স্নেহদ্রব্য সংশ্লেষ করে।
-ফ্যাটি এসিড বিপাকও নিয়ন্ত্রণ করে। শ্বসনের উপযোগী সকল উৎসেচক মাইট্রোকন্ডিয়ায় থাকে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৫১.
একটি আদর্শ ফুলের স্ত্রীস্তবক কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা

আদর্শ ফুলের স্ত্রীস্তবক তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়। যথা- গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড।

স্ত্রীস্তবক-
১. এটি ফুলের কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং একটি অত্যাবশ্যকীয় স্তবক।
২. এটি এক বা একাধিক গর্ভপত্র নিয়ে গঠিত হয়।
৩. এক একটি গর্ভপত্র গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড এই তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত।
৪. স্ত্রীস্তবকের গর্ভপত্রগুলো সম্পূর্ণরূপে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে, আবার আলাদাও থাকতে পারে।
৫. স্ত্রীস্তবকের গর্ভাশয়ের ভেতরে এক বা একাধিক ডিম্বক বিশেষ নিয়মে সজ্জিত থাকে।
৬. ডিম্বকের মধ্যে স্ত্রী প্রজননকোষ বা ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়।
৭. স্ত্রীস্তবকের ডিম্বাণু সরাসরি জননকাজে অংশগ্রহণ করে।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 

৫২.
কৃষ্ণগহব্বর সম্পর্কে নিম্নের কোনটি সত্য?
  1. ক) কৃষ্ণগহবর থেকে সকল আলোর উদ্গীরণ ঘটে।
  2. খ) কৃষ্ণগহবর থেকে কোন আলোই উদ্গীরিত হয় না।
  3. গ) কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কার করেন স্টিফেন হকিং।
  4. ঘ) কৃষ্ণগহবরের মধ্যে কোন মহাকর্ষীয় শক্তির অস্তিত্ব নেই।
ব্যাখ্যা

কৃষ্ণগহব্বর থেকে আলো উদ্গীরণ হয় না। 

কৃষ্ণগহব্বর বা ব্ল্যাক হোল হল মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে মধ্যাকর্ষণ বল এতটাই শক্তিশালী যে সেখান থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না। এমনকি আলোর মত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণও এই প্রচন্ড আকর্ষণ বল ভেদ করে বের হয়ে আসতে পারে না। ব্ল্যাক হোলে পদার্থের অত্যাধিক ঘনত্বের কারণে এটি এর চার দিকে এই অস্বাভাবিক মধ্যাকর্ষণ বল তৈরি করতে পারে। যেহেতু এখান থেকে কোন আলো বেরোতে পারে না, আমরা খালি চোখে এদের দেখতে পাই না। তারা সম্পূর্ন অদৃশ্য হয়। তবে বিশেষ সরঞ্জাম সহ স্পেস টেলিস্কোপগুলি ব্ল্যাক হোলের সন্ধান করতে সহায়তা করে।

- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয়  Event Horizon Telescope (EHT).

সূত্র- ব্রিটানিকা ও Nasa Website [লিঙ্ক]

৫৩.
OCR প্রধানত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) নভোযান
  2. খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  3. গ) গবেষণাগার
  4. ঘ) ব্যাংক
ব্যাখ্যা

ব্যাংক, ইনস্যুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ইত্যাদি জায়গায় প্রধানত OCR ব্যবহৃত হয়।  

OCR এর পূর্ণরূপ- "Optical Character Recognition."
কাগজের ওপর কালি বা পেন্সিলের দাগ ও অক্ষর ছাড়াও বিভিন্ন আকৃতি ও গঠনের চিত্র পাঠ করা ওসিআর যন্ত্রের কাজ। হিসাবের যন্ত্র, ক্যাশ রেজিষ্টার, টাইপরাইটার ও প্রিন্টারের লেখা পাঠ করতে এ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। উন্নত রশ্মি দিয়ে ওসিআর যন্ত্রের মাধ্যমে হাতের লেখাও পাঠ করা সম্ভব।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৫৪.
হার্ডডিস্ক ড্রাইভের কাজ কোনটি?
  1. ক) ভাইরাস নির্মূল করা।
  2. খ) কম্পিউটারে গতিশীলতা বৃদ্ধি করা।
  3. গ) তথ্য লিখন, পঠন ও নিয়ন্ত্রণ করা।
  4. ঘ) প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা

হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কম্পিউটারে তথ্য লিখন, পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।

হার্ডডিস্ক বা হার্ড ড্রাইভ হলো কম্পিউটারের ডাটা, তথ্য সংরক্ষণ করে রাখার যন্ত্র। যেখানে কম্পিউটারের তথ্য, ডাটা জমা রেখে পরবর্তী সময়ে আমরা সেটাকে আবার দেখতে বা পড়তে পারি।
হার্ডডিস্কে সমকেন্দ্রিক একাধিক চাকতি থাকে, যাকে প্লেটারস বলা হয়। এটাকে চৌম্বকীয় ধাতুর দিয়ে আচ্ছাদিত থাকে এবং প্লেটারস গুলো চৌম্বকীয় মাথার সাথে জোড়া দেওয়া থাকে। কম্পিউটারে হার্ড ড্রাইভ ছাড়াও সিডি ড্রাইভ ও অন্যান্য ড্রাইভ থাকতে পারে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৫৫.
নেটওয়ার্ক কার্ড ব্যবহারের জন্য নিচের কোন স্লটটি উপযুক্ত?
  1. ক) ISA
  2. খ) PCI
  3. গ) AGP
  4. ঘ) PCI Express
ব্যাখ্যা

নেটওয়ার্ক কার্ড ব্যবহারের জন্য PCI স্লটটি উপযুক্ত। 

পিসিআই কার্ডসমূহ সংযোজনের জন্য ব্যবহার করা হয় যেগুলো আইএসএ কার্ডগুলো থেকে বহুগুণ দ্রুতগতির এবং ৩২ বিটে চলে। এই ধরনের স্লটে Sound Card, Network Card, Modem সংযোজন করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৫৬.
4G নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ ডেটা ট্রান্সফারের হার কত?
  1. ক) 10 Mbps
  2. খ) 20 Mbps
  3. গ) 50 Mbps
  4. ঘ) 100 Mbps
ব্যাখ্যা

4G নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ ডেটা ট্রান্সফারের হার 100 Mbps. 

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. IP (Internet Protocol) নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রায় ১ Gbps।
৩. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু।
৪. Bluetooth, WLAN, GPS (Global Positioning System), WCDMA, GPRS (General Packet Radio Service) প্রভৃতি। 

সূত্র- ১৪২ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৫৭.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি হোম রোবট তৈরি করে?
  1. ক) FANUC
  2. খ) YASKAWA
  3. গ) BOSTON DYNAMICS
  4. ঘ) iROBOT
ব্যাখ্যা

১৯৯০ সালে এমআইটি কতৃক প্রতিষ্ঠিত iRobot নামক প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধরনের হোম রোবট তৈরি করে।

এই প্রতিষ্ঠানের তৈরি Roomba নামক রোবটটি বাসার কাজে অত্যন্ত দক্ষ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৫৮.
নিচের কোনটি হাইব্রিড ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) এমাজন ওয়েব সার্ভিস
  2. খ) কমিউনিটি ক্লাউড
  3. গ) গুগল ক্লাউড
  4. ঘ) মাইক্রোসফট এজিউর
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ক্লাউড হচ্ছে  হাইব্রিড ক্লাউডের উদাহরণ। 

কমিউনিটি ক্লাউড মিশ্র ক্লাউড যা বিশেষ কোন কমিউনিটি জনগণের জন্য তৈরি করা হয়।

নির্দিষ্ট কোন কমিউনিটি বা ক্লাসের মানুষের জন্য যে ক্লাউড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় তাকে কমিউনিটি ক্লাউড বলে। পাবলিক ক্লাউডের মতো এখানেও একধিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যুক্ত থাকে। কিন্তু পাবলিক ক্লাউডের সাথে কমিউনিটি ক্লাউডের সামান্য পার্থক্য আছে আর সেটা হলো পাবলিক ক্লাউড যেকোনো শ্রেণীর ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারে কিন্তু কমিউনিটি ক্লাউড শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শ্রেণীর ব্যক্তিদের জন্যই উন্মুক্ত থাকে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৫৯.
ফেসবুকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) Los Angeles
  2. খ) California
  3. গ) Florida
  4. ঘ) New York City
ব্যাখ্যা

ফেসবুকের সদর দপ্তর অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়াতে।

ফেসবুক, আমেরিকান অনলাইন সামাজিক নেটওয়ার্ক পরিষেবা যা মেটা প্ল্যাটফর্ম কোম্পানির অংশ।
ফেসবুক ২০০৪ সালে মার্ক জুকারবার্গ, এডুয়ার্ডো সাভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিটজ এবং ক্রিস হিউজ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যাদের সকলেই হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট

৬০.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন বর্ণটি বসবে? 
BAM, EDP,HGS, ?
  1. ক) LKW
  2. খ) KWL
  3. গ) JVK
  4. ঘ) KJV
ব্যাখ্যা
এখানে 
তিনটি বর্ণ সিরিজ বিদ্যমান। 
১ম বর্ণ সিরিজ = B, E, H, K [যা ২টি বর্ণের পরের বর্ণটি বসছে ]
২য় বর্ণ সিরিজ = A, D, G, J [যা ২টি বর্ণের পরের বর্ণটি বসছে ]
৩য় বর্ণ সিরিজ = M, P, S, V [যা ২টি বর্ণের পরের বর্ণটি বসছে ]
৬১.
x2 + 3xy = 145 এবং x = 5 হলে y2 এর মান কত?
  1. ক) 8
  2. খ) 32
  3. গ) 64
  4. ঘ) 128
ব্যাখ্যা
দেয়া আছে,
x2 + 3xy = 145
x = 5 

এখানে,
x2 + 3xy = 145
52 + 3 × 5 × y = 145 
25 + 15y = 145
15y = 145 - 25 
15y = 120
y = 8 
y2 = 82
y2 = 64
৬২.
O এবং Q এর মধ্যবর্তী বর্ণের ডানদিকের ৪র্থ বর্ণের পরের বর্ণটি কত? 
  1. ক) T
  2. খ) U
  3. গ) S
  4. ঘ) V
ব্যাখ্যা
O এবং Q এর মধ্যবর্তী বর্ণ P 
P এর ডানদিকের ৪র্থ বর্ণ T 
T এর পরের বর্ণ U 

ABCDEFGHIJKLMNOPQRSTUVWXYZ
৬৩.
আয়নায় প্রতিফলিত হলে নিচের কোন বর্ণগুলোর কোনো পরিবর্তন হয় না? 
  1. ক) SPTO
  2. খ) UVWP
  3. গ) OUUO
  4. ঘ) SOSP
ব্যাখ্যা
A, H, I, M, O, T, U, V, W, X, Y - অক্ষরগুলোর আয়নায় প্রতিবিম্ব একই রকম দেখা যায়।
আয়নায় প্রতিফলিত হলে OUUO শব্দটি কোন পরিবর্তন হবে না
৬৪.
'দিক' শব্দের অর্থ হলো- 
  1. ক) হইচই
  2. খ) ভয়
  3. গ) বিরক্ত 
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
দিক শব্দের অর্থ হলো-
১.বিরক্ত 
২.জ্বালাতন 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান
৬৫.
B/A = 1/4 হলে (A + B)/(A - B) এর মান কত? 
  1. ক) 5/4
  2. খ) 3/5
  3. গ) 4/5
  4. ঘ) 5/3
ব্যাখ্যা
দেয়া আছে,
B/A= 1/4
A/B =4/1
(A + B)/(A - B) = (4 + 1)/(4 - 1)
(A + B)/(A - B) = 5/3
৬৬.
যদি 573214 দিয়ে NATURE বোঝায়, তাহলে NEAR দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে? 
  1. ক) 5147
  2. খ) 7154
  3. গ) 5471
  4. ঘ) 4751
ব্যাখ্যা
5 7 3 2  1 4
↓ ↓  ↓ ↓  ↓ ↓
N A T U R E

NEAR → 5471
৬৭.
২০০৯ সালের ২৯ আগস্ট শনিবার হলে, ঐ বছরের ২ অক্টোবর কী বার হবে? 
  1. ক) শুক্রবার 
  2. খ) শনিবার
  3. গ) বৃহস্পতিবার
  4. ঘ) রবিবার
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
৭ দিন পর পর একই বার পাওয়া যায়
২৯ আগস্ট থেকে ২ অক্টোবর = ৩ + ৩০ + ২ = ৩৫ দিন 
৩৬তম দিন = শনিবার
৩৫ তম দিন = শুক্রবার 
৬৮.
সাফিন একটি ছেলেকে দেখিয়ে বললো' সে হয় আমার দাদার একমাত্র ছেলের ছেলে।' সাফিন ছেলেটির সম্পর্কে কী হয়? 
  1. ক) মামা
  2. খ) চাচা
  3. গ) ভাই
  4. ঘ) বাবা
ব্যাখ্যা
সাফিনের দাদার একমাত্র ছেলে হলো সাফিনের বাবা। 
তার মানে হলো ছেলেটি সাফিনের ভাই। 
সাফিন ছেলেটির সম্পর্কে ভাই হয়।
৬৯.
এক ব্যক্তি প্রথমে উত্তর দিকে 3 কি.মি. গেল। তারপর পূর্বদিকে 12 কি.মি. গেল এবং শেষে উত্তর দিকে 13 কি.মি. গেল। যাত্রাশুরুর স্থান থেকে সে কতদূরে অবস্থান করছে?
  1. ক) 16 কি.মি.
  2. খ) 18 কি.মি.
  3. গ) 20 কি.মি.
  4. ঘ) 28 কি.মি.
ব্যাখ্যা

যাত্রা শুরুর স্থান A এবং গন্তব্য স্থান D 
AD = √(122 + 162)
AD = √(144 +256 )
AD = √400
AD = 20
৭০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাথমিক স্তরের শহর কোনটি?
  1. ক) পৌর শহর
  2. খ) থানা শহর
  3. গ) বিভাগীয় শহর
  4. ঘ) জেলা শহর
ব্যাখ্যা
গুরুত্ব অনুযায়ী নগরীয় ভূমি ব্যবহারকে তিনটি স্তরে দেখানো যায়। যথা: থানা শহর, পৌর শহর ও জেলা/বিভাগীয় শহর।
-  থানা শহর হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাথমিক স্তরের শহর। 
- সাধারনতঃ পুলিশ প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাট বাজার এর অন্তর্ভুক্ত। 
- থানার আওতাভূক্ত গ্রামগুলোতে বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক সেবা প্রদানই এর প্রধান কাজ। 
- গবেষণায় দেখা গেছে, থানা শহরে আবাসস্থল হিসাবে মোট ভূমির প্রায় ১৪ শতাংশ দখল করে আছে। 
 
উৎস: অর্থনৈতিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করে আটক রাখা যায় না?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ৩৫(১)
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ৪৭ (১)
  3. গ) অনুচ্ছেদ -৩৩(১)
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ৪৭ (ক)
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৩৩ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ। 
 
৩৩। (১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
 
 (২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।
 
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 
৭২.
মুর্শিদকুলী খান কত সালে বাংলায় নবাবী শাসনের সূত্রপাত করেন?
  1. ক) ১৭০৩ সালে
  2. খ) ১৭১১ সালে
  3. গ) ১৭০৯ সালে
  4. ঘ) ১৭০৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদকুলী খান ১৭০৭ সালে নবাবী শাসনের সূচনা করেন।
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদৌলার ইংরেজদের হাতে পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয় নবাবী আমল।
- তারপর থেকে শুরু হয় ইংরেজ উপনেবেশিক যুগ।
উল্লেখ্য,
- বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান - শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। তবে সুলতানী আমল শুরু করেন - ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ।

উৎস: একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইসলামের ইতিহাস -২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৭৩.
স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিটে ছবির বিষয়বস্তু কোনটি ছিল?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধ
  2. খ) বঙ্গবন্ধু
  3. গ) ভাষা আন্দোলন
  4. ঘ) শহীদ বুদ্ধিজীবী
ব্যাখ্যা
- আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাময়িক সরকার ৮টি ডাকটিকিটের একটি সেট ২৯ জুলাই ১৯৭১ সালে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের জন্য প্রকাশ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ এর পর প্রথম স্মারক ডাকটিকিট ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২, প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের জন্য “শহীদ মিনার” ছবিসহ।
- তারপর বাংলাদেশ ডাকবিভাগ অবিরাম নির্দিষ্ট স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে চলছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা, উত্তরাধিকার ও সংস্কৃতির উপর।
- অদ্যতক বাংলাদেশ ডাকবিভাগ ৭৩২ প্রকার ডাকটিকিট এবং ২৮টি সুভ্যেনির প্রকাশ করেছে।

সুত্রঃ ডাক অধিদপ্তর, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
৭৪.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কতটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে?
  1. ক) ১১টি
  2. খ) ১৪টি
  3. গ) ১০টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৩টি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে বাংলাদেশে৷
- বর্তমান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ১৩ তম নির্বাচন কমিশনার ।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি এম ইদ্রিস।
- তাঁর কমিশনের মেয়াদ ছিল ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে ১৯৭৭ সালের ৭ জুলাই।
- ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এই কমিশনের অধীনে।
- বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পালন করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার৷।
 
অপরদিকে,
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১১টি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, dw.com।
৭৫.
২০১১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে বসবাসরত নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা -
  1. ক) ৫৭ টি
  2. খ) ২৭টি
  3. গ) ৫০টি
  4. ঘ) ৪৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রধান নরগোষ্ঠী বাঙালি। তবে আবহমান কাল থেকে এখানে অনেকগুলো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করছে।
বাংলাদেশে এখন প্রায় ৫৭ টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে।
তবে,
- ২০১১ সালের আদমশুমারিতে দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে ২৭টি।
- এ শুমারি অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যার ১.১৩ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- দেশে মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা হচ্ছে ১৫,৪৮,১৪১ জন।
- পরিসংখ্যান অনুযায়ী চাকমা নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সর্বাধিক (৪,৪৪,৭৪৮জন)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মারমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। তাদের সংখ্যা ২,০২,৯৭৪ জন।
 
উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১০ এর ধারা ১৯ এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ১৯ মার্চ ২০১৯ সালে উক্ত আইনের তফসিলে ২৭টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর স্থলে ৫০ টি গেজেট আকারে প্রকাশ করে।
- আদিবাসী ফোরামের মতে ৪৫টি এবং
- আদমশুমারি-২০১১ অনুসারে ২৭টি।

সূত্র: আদম শুমারি-২০১১ ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (উন্মুক্ত); সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয় প্রকাশিত গেজেট,২০১৯।
৭৬.
রাজনৈতিক দলকে পরামর্শ দিয়ে প্রভাবিত করে কে?
  1. ক) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  2. খ) নির্বাচকমন্ডলী
  3. গ) সাধারণ জনগণ
  4. ঘ) নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী দল কোন রাজনৈতিক সংগঠন নয়। 
তবুও আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় চাপসৃষ্টিকারী দলের ভূমিকা অপরিহার্য। 
প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকারি সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করাই হল চাপ সৃষ্টিকারী দলের প্রধান কাজ ।
মূলত: গোষ্ঠী স্বার্থ আদায়ে কাজ করলেও, কোন কোন চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কখনো কখনো বৃহত্তর জনকল্যাণমূলক বা জাতীয় স্বার্থে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা যায় ।
 
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক প্রচারকার্য পরিচালনার একটি সংগঠিত মাধ্যম। 
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীই কোন বা কোন ভাবে রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পর্কিত থাকে। 
নির্বাচনী রাজনীতিতে কোন চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীই স্বতন্ত্রভাবে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে না। 
সরকার গঠন তাদের লক্ষ্য নয়, তাদের মূল লক্ষ্য সরকারের নীতিকে প্রভাবিত করা। 
নির্বাচনী রাজনীতিতে বিভিন্ন চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করে। 
অনেক সময় রাজনৈতিক দল এবং গোষ্ঠীর কার্যকলাপ এমনভাবে জড়িয়ে থাকে যে, তাদের ভূমিকার পার্থক্য নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না।
 
অর্থাৎ, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক দলকে পরামর্শ দিয়ে প্রাভাবিত করে। 
 

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, পৌরনীতি ও সুশাসন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৭.
আওয়ামী লীগের কততম কাউন্সিলে শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি নির্বাচিত হন?
  1. ক) তৃতীয় কাউন্সিলে
  2. খ) ষষ্ঠ কাউন্সিলে
  3. গ) পঞ্চম কাউন্সিলে
  4. ঘ) দ্বিতীয় কাউন্সিলে
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৩ সালের ৫ জুলাই দ্বিতীয় কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমবারের মতো আওয়ামী ‍মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত টানা চার মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমবারের মতো পার্টির সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৭৪ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- আওয়ামী ‍মুসলিম লীগের প্রথম কমিটিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে বন্দি অবস্থায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
৭৮.
১৯৩৭ সালের নির্বাচনে ফজলুল হকের নিকট পরাজিত হন মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতা -
  1. ক) মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. খ) খাজা নাজিম উদ্দিন
  3. গ) শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) মাওলানা আকরম খাঁ
ব্যাখ্যা
১৯৩৭ সালের নির্বাচনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। এই নির্বাচনে মুসলিম লীগ বিরাট সাফল্য লাভ করে। যদিও পাঞ্জাব এবং সিন্ধুতে তাদের এত সাফল্য অর্জিত হয়নি । বাংলায় তাদের এ সাফল্যের কারণ ছিল—
ক. মুসলিম লীগের প্রার্থীদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ।
খ. নির্বাচনী প্রচারণার জন্য নিজস্ব তহবিল ।
গ. দৈনিক আজাদ ও স্টার অব ইন্ডিয়ার মতো জনপ্রিয় পত্রিকাগুলোর মুসলিম লীগের পক্ষে প্রচারণা । এবং
ঘ. শিক্ষিত সচেতন মুসলিম বুদ্ধিজীবী ও ছাত্র সমাজের মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে মুসলিম লীগকে সমর্থন দান,
ঙ. সোহরাওয়ার্দীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ইত্যাদি ।

তবে নির্বাচনে মুসলিম লীগের এ সাফল্য কিছুটা হলেও ম্লান হয়েছিল দলের প্রভাবশালী নেতা খাজা নাজিম উদ্দিনের নিজ জমিদারি পটুয়াখালীতে শোচনীয় পরাজয় । কৃষক-প্রজা পার্টির এ. কে. ফজলুল হক তাঁকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। নাজিম উদ্দিনের এ পরাজয় ফজলুল হকের গ্রাম বাংলায় বিপুল জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে। কৃষক-প্রজা পার্টির প্রতিনিধিগণও সাধারণ মানুষের আস্থা লাভ করেছিল। তাদের ঘোষিত ‘ডাল-ভাত' কর্মসূচি ছিল মূলত দরিদ্র জনগোষ্ঠীরই কর্মসূচি। এ নির্বাচনে আরেকটি লক্ষণীয় ব্যাপার হলো মুসলিম রাজনীতিতে অভিজাত শ্রেণীর প্রভাব হ্রাস এবং শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রতিষ্ঠা লাভ ।
 
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, ইতিহাস, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৯.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) কৃষি
  2. খ) সেবা
  3. গ) শিল্প
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বৃহৎ শিল্পখাত জিডিপির ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত।
যথা - -
খনিজ ও খনন
* ম্যানুফ্যাকচারিং
* বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
পানি সরবরাহ এবং
* নিৰ্মাণ
এর মধ্যে জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান সর্বোচ্চ। 
স্থির মূল্যে ২০২১-২২ অর্থবছরের জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ২৪.৪৫ শতাংশ, যা গত অর্থবছরে ছিল ২৩.৩৬ শতাংশ। 
অবদানের ক্ষেত্রে এটি অর্থনীতির সবচেয়ে বড় খাত।
তবে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে হিসাব করলে (কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত), সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি (৫১.৪৪%) ।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৮০.
বাংলাদেশে কোনটি সরকারি নােট নয়?
  1. ক) ২ টাকা
  2. খ) ১০ টাকা
  3. গ) ১ টাকা
  4. ঘ) ৫ টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৮১.
দেশে বর্তমানে বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা -
  1. ক) ৮০টি
  2. খ) ৭৯টি
  3. গ) ৭৮টি
  4. ঘ) ৮১টি
ব্যাখ্যা
দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা - ৭৯টি। 
২০২০-২১ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলাতে মোট ৬০,৯৪৪.৯৫ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে। 
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৮২.
২০২১-২২ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) কানাডা
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে। 
২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে। 
দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। 
ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।

২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়। সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদিআরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৮৩.
সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার কয়টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সাতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। 
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। 
 
উৎস: প্রথম আলো 
৮৪.
সর্বশেষ জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিষয়ক প্রতিবেদন অনুসারে জনসংখ্যার ঘনত্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) অষ্টম
  2. খ) ষষ্ঠ
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
World Population Prospects 2022: 
জুলাই ২০২২ এ জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগ World Population Prospects 2022 শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে –
জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর শীর্ষ তিন দেশ – ১. চীন (১৪২৬ মিলিয়ন); ২. ভারত (১৪১২ মিলিয়ন) ও ৩. যযুক্তরাষ্ট্র (৩৩৭ মিলিয়ন)।
জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - অষ্টম (১৭০ মিলিয়ন)।
জনসংখ্যার ঘনত্বে বিশ্বের শীর্ষ দেশ - মোনাকো (২৪,৪৭৬ জন/বর্গ কিমি)।
জনসংখ্যার ঘনত্বে বাংলাদেশের অবস্থান - ষষ্ঠ (১,৩১৫ জন/বর্গ কিমি)
সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি – মালদ্বীপ (চতুর্থ) (১,৭৪৬ জন/বর্গ কিমি)।
২০৫০ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হবে ভারত, দ্বিতীয় চীন।
২০৫০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২০৪ মিলিয়ন।
 
উৎস: UNFPA Website
৮৫.
গ্যাট চুক্তির অধীনে বাংলাদেশে রপ্তানী কোটা অবসান হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৩
  2. খ) ২০০৭
  3. গ) ২০০৫
  4. ঘ) ২০০৮
ব্যাখ্যা
২০০৪ সালের শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয়ন দেশগুলো নির্দিষ্ট কোটার অধীনে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করতো। 
কিন্তু গ্যাট চুক্তির অধীনে ২০০৫ সাল থেকে উক্ত কোটা ব্যবস্থা অবসানের ফলে সাময়িকভাবে আমাদের পোশাক রপ্তানি কিছুটা হ্রাস পেলেও তা আবার বৃদ্ধি পায়।
 
উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৬.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন কবে?
  1. ক) ২৩ মার্চ, ১৯৭২
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. গ) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ঘ) ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন ।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গণ পরিষদ আদেশ জারি করা হয়।
- রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন আহবান ও উদ্বোধন করেন।
- রাষ্ট্রপতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাহ আব্দুল হামিদ ও মােহাম্মদ উল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গণপরিষদের যথাক্রমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।
- প্রথম অধিবেশনে সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হােসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- কমিটিতে একমাত্র বিরােধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগু ।
- একমাত্র  মহিলা সদস্য  রাজিয়া বানু ।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- আইনমন্ত্রী ড. কামাল হাসেনে ১২ অক্টোবর গণপরষিদে পেশ করনে।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বেলা ১ঃ১০ মিনিটে গণপরিষদে সংবিধান বিল পাস হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ ও গণপরিষদ সদস্যগণ সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজি অনুলিপিতে(৩৯৯ জন) স্বাক্ষর দান করেন। 
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধান বইতে স্বাক্ষরদানে বিরত থাকেন।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান: আরিফ খান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
৮৭.
বাঙালি পন্ডিত অতীশ দীপঙ্কর নিম্নের কোন মহাবিহারের আচার্যপদে নিযুক্ত হন?
  1. ক) সোমপুর মহাবিহার
  2. খ) মহা কারণিক বৌদ্ধ বিহার
  3. গ) বিক্রমশিলা মহাবিহার
  4. ঘ) জগদ্দল মহাবিহার
ব্যাখ্যা
- অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান (৯৮০-১০৫৩) বৌদ্ধ পন্ডিত, ধর্মগুরু ও দার্শনিক। 
- দশম-একাদশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি পন্ডিত দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার বিক্রমপুরের বজ্রযোগিনী গ্রামে এক রাজপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- পিতা কল্যাণশ্রী এবং মাতা প্রভাবতী দেবী। তাঁর বাল্যনাম ছিল চন্দ্রগর্ভ।
- মায়ের নিকট এবং স্থানীয় বজ্রাসন বিহারে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি বিখ্যাত বৌদ্ধ গুরু জেতারির নিকট  বৌদ্ধধর্ম ও শাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। এ সময় তিনি সংসারের প্রতি বিরাগবশত গার্হস্থ্যজীবন ত্যাগ করে ধর্মীয় জ্ঞানার্জনের সঙ্কল্প করেন। 
- এ উদ্দেশ্যে তিনি পশ্চিম ভারতের কৃষ্ণগিরি বিহারে গিয়ে রাহুল গুপ্তের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন এবং বৌদ্ধশাস্ত্রের আধ্যাত্মিক গুহ্যবিদ্যায় শিক্ষালাভ করে ‘গুহ্যজ্ঞানবজ্র’ উপাধিতে ভূষিত হন। 
- মগধের ওদন্তপুরী বিহারে মহাসাংঘিক আচার্য শীলরক্ষিতের নিকট দীক্ষা গ্রহণের পর তাঁর নতুন নামকরণ হয় ‘দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান’। 
 
- একত্রিশ বছর বয়সে তিনি আচার্য ধর্মরক্ষিত কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ ভিক্ষুদের শ্রেণিভুক্ত হন। 
- পরে দীপঙ্কর মগধের তৎকালীন শ্রেষ্ঠ আচার্যদের নিকট কিছুকাল শিক্ষালাভ করে শূন্য থেকে জগতের উৎপত্তি এ তত্ত্ব (শূন্যবাদ) প্রচার করেন।
 
- ১০১১ খ্রিস্টাব্দে শতাধিক শিষ্যসহ দীপঙ্কর মালয়দেশের সুবর্ণদ্বীপে গিয়ে আচার্য চন্দ্রকীর্তির নিকট ১২ বছর বৌদ্ধশাস্ত্রের যাবতীয় বিষয় অধ্যয়ন করেন এবং ৪৩ বছর বয়সে মগধে ফিরে আসেন। 
- মগধের তখনকার প্রধান প্রধান পন্ডিতদের সঙ্গে তাঁর বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় ও বিতর্ক হয়। 
- বিতর্কে তাঁর বাগ্মিতা, যুক্তি ও পান্ডিত্যের কাছে তাঁরা পরাজিত হন। 
- এভাবে ক্রমশ তিনি একজন অপ্রতিদ্বন্দ্বী পন্ডিতের স্বীকৃতি লাভ করেন। এ সময় পালরাজ প্রথম মহীপাল সসম্মানে তাঁকে বিক্রমশিলা (ভাগলপুর, বিহার) মহাবিহারের আচার্যপদে নিযুক্ত করেন। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
৮৮.
বাংলাদেশে চাষকৃত ইরি ধানের অপরনাম কী?
  1. ক) রোপা
  2. খ) উফশী
  3. গ) বোরো
  4. ঘ) রবি
ব্যাখ্যা
আউশ ধান: প্রধানত উচ্চভূমিতে আউশ ধান চাষ করা হয়। তবে অপেক্ষাকৃত নিম্নভূমি উর্বর নতুন চরাঞ্চলে ও এ ধান চাষ করা হয়। মার্চ-এপ্রিল মাসে এ ধান বপন করা হয় এবং জুন-জুলাই মাসে ধান কাটা হয়। 

আমন ধান: প্রধানত আমন ধান নীচু জমির ধান। বর্ষাকালে যে সকল জমি প্লাবিত হয়, সে সব জমিতে আমন ধান ভাল জন্মে। 
বাংলাদেশে সাধারনতঃ দুই প্রকার আমন ধান চাষ করা হয়। যথাঃ রোপা আমন ও ছিটানো আমন (রোপন ও বপন)। প্রায় সকল জেলাতেই এ ধান হয়ে থাকে। এর মধ্যে বরিশাল, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, বগুড়া, যশোর পটুয়াখালী প্রভৃতি জেলায় ইহা অধিক পরিমান উৎপাদিত হয়ে থাকে।

বোরো ধান: বাংলাদেশে নীচু কাদামাটিতে বোরো ধান চাষ করা হয়। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসে যখন পানি কমে যায় তখন এ ধানের চারা রোপন করা হয়। আবার মার্চ - এপ্রিল মাসে কাটা হয়। বৃহত্তর সিলেট, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, হাওড় অঞ্চল বাংলাদেশের প্রধান বোরো ধান উৎপাদনকারী অঞ্চল। এছাড়াও বৃহত্তর রাজশাহী এবং বরিশাল অঞ্চলেও বোরো ধানের চাষ হয় ।
 
উচ্চ ফলনশীল ধান:  গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে উচ্চফলনশীল ধান (উফশী ধান) চাষ করা হচ্ছে। ইহা মূলতঃ আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (International Rice Research Institute) এর উদ্ভাবিত প্রজাতী। এর সংক্ষিপ্ত নাম ইরি (IRRI) ধান। ইরি ধানে উৎপাদন একর প্রতি ৪০ থেকে ৮০ মন। ইরি ধানের জন্য উত্তাপ এবং সেচ একই সঙ্গে  প্রয়োজন হয়। এ জন্য বাংলাদেশে ইহা ভালো ভাবে চাষে করা যায়। 
 
উৎস: অর্থনৈতিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৯.
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ কয়স্তর বিশিষ্ট?
  1. ক) ৪ স্তর
  2. খ) ২ স্তর
  3. গ) ১ স্তর
  4. ঘ) ৩ স্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দ্বি-স্তর বিশিষ্ট। উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত। 
- উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট আবার আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত।
- ন্যায়বিচারের মানদন্ডকে সমুন্নত রেখে নিরপেক্ষ বিচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন, শাসক ও শাসিতের সম্পর্ককে সংহত ও শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানে সুপ্রিম কোর্ট নামে একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 
- সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান বহির্ভূত কোনো বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে শাসনতন্ত্রকে সুনির্দিষ্ট পথে পরিচালিত হতে সাহায্য করে।
 
উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯০.
'Tilt Policy' কোন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন পাকিস্তানের পক্ষে যে নীতি গ্রহণ করেন, তা Tilt Policy নামে পরিচিত। 
 
১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধ শুরুর পর নিক্সন প্রশাসনে এই সন্দেহ বদ্ধমূল হলো যে, পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক অভিযান সফল হবার পর পশ্চিম পাকিস্তানের ওপর চরম আঘাত হানা হবে। তাই যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র প্রচন্ড ভারত বিরোধী ও পাকিস্তান ঘেঁষা নীতি অনুসরণ করতে থাকে। পাকিস্তানকে যাবতীয় নৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন দানের জন্য প্রেসিডেন্ট নিক্সন হেনরি কিসিঞ্জারকে নির্দেশ দেন। নিক্সনের এ নীতিকে Tilt Policy নামে অভিহিত করা হয়েছে।
৬ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ভারতের জন্য ৮৬.৬ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সাহায্য সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। অপর দিকে জাতিসংঘের মাধ্যমে কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগও অব্যাহত থাকে। উল্লেখ্য, ৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘে মার্কিন প্রতিনিধি জর্জ বুশ ভারতকে প্রধান আক্রমণকারী বলে উল্লেখ করেন। ৭ ডিসেম্বর হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক সম্মেলনে কিসিঞ্জারও ভারতকে আক্রমণকারী ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে অভিযুক্ত করে।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯১.
মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. ক) CEDAW
  2. খ) IPCJR
  3. গ) ICCPR
  4. ঘ) INCHT
ব্যাখ্যা
- মানবাধিকার বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- চুক্তিটির পূর্ণ নাম - International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR).
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ তারিখেই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- ২৩ মার্চ ১৯৭৬ সালে চুক্তিটি কার্যকর হয়।
- এতে মোট ৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট।
৯২.
নিচের কোনটি নর্ডিক (Nordic) রাষ্ট্র নয়?
  1. ক) ফিনল্যান্ড
  2. খ) সুইজারল্যান্ড
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা
নর্ডিক (Nordic):
উত্তর ইউরোপের ৫টি দেশকে একত্রে নর্ডিক দেশ বলা হয়ে থাকে। দেশগুলো হচ্ছে:
- ফিনল্যান্ড, 
- ডেনমার্ক, 
- আইসল্যান্ড, 
- সুইডেন ও 
- নরওয়ে।
 
 স্ক্যান্ডেনেভিয়া (Scandinavia):
ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং ভাষাগত মিলের দিক থেকে নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক (ফারাও দ্বীপপুঞ্জ, গ্রিনল্যান্ডসহ) এই ৩টি দেশকে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ বলা হয়ে থাকে।
 
নর্ডিক অঞ্চল বলতে আসলে, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।
 
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৯৩.
জীববৈচিত্র্য রক্ষা সংক্রান্ত চুক্তির জন্য আলোচিত কার্টাগেনা শহরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) কলম্বিয়া
  3. গ) মেক্সিকো
  4. ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol)
কার্টাগেনা প্রটোকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity।
- জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- ১৩৫টি দেশ কর্তৃক চূড়ান্ত চুক্তি অনুমোদন হয় কানাডার মন্ট্রিলে।

এক নজরে কার্টাগেনা প্রটোকল:
চুক্তি অনুমোদন -- ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল
চুক্তি কার্যকর -- ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল
চুক্তির পক্ষ -- স্বাক্ষরকারী - ১০৩টি
অনুমোদনকারী -- ১৭৩টি

বাংলাদেশ ও কার্টাগেনা প্রটোকল:
চুক্তি স্বাক্ষর -- ২৪ মে, ২০০০ সাল
চুক্তি অনুমোদন -- ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪ সাল
চুক্তি কার্যকর -- ৫ মে, ২০০৪ সাল

উৎস: কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট
৯৪.
স্থায়ী সালিসী আদালত (Permanent Court of Arbitration) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৪৫
  2. খ) ১৮৯৯
  3. গ) ১৯৪৯
  4. ঘ) ১৯৬৫
ব্যাখ্যা
স্থায়ী সালিসী আদালত (Permanent Court of Arbitration) ১৮৯৯ সালে গঠিত হয়।
- আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশ ও কমিউনিটির মধ্যে বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য এই আদালত স্থাপন করা হয়।
- এর সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগে (পিস প্যালেস) অবস্থিত।

উৎস: PCA ওয়েবসাইট
৯৫.
"Rapid Credit Facility (RCF)" নিম্নের কোন সংস্থার প্রদত্ত ঋণ সুবিধা?
  1. ক) IBRD
  2. খ) IDA
  3. গ) IMF
  4. ঘ) World Bank
ব্যাখ্যা
- 'Rapid Credit Facility (RCF)' এবং 'Rapid Financing Instrument (RFI)' হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল(IMF) প্রণীত ঋণ ব্যবস্থা।
- যখন কোন দেশের বেলেন্স অব পেমেন্টজনিত সমস্যা দেখা দেয়, তখন আইএমএফ 'Rapid Financing Instrument'  এবং 'Rapid Credit Facility (RCF)'এর আওতাধীন ঋণ সুবিধা প্রদান করে থাকে।
- আইএমএফ নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে (low-income countries) (LICs) এই ধরণের সুবিধা প্রদান করে থাকে। 
 
উৎস: আইএমএফ ওয়েবসাইট 
৯৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বিরোধ হওয়া কোন দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে জাপান ও রাশিয়া এখন পর্যন্ত শান্তি চুক্তিতে পৌছাতে পারেনি?
  1. ক) সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ
  2. খ) পেরেজিল দ্বীপপুঞ্জ
  3. গ) কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
  4. ঘ) স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত  মহাসাগরে অবস্থিত ।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি  হলো এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির । 
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দার্ন টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে ।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি ।
 
অপরদিকে,
- পেরেজিল বা লাইলা দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।
- জাপান-চীন-তাইওয়ান মধ্যে বিরোধ রয়েছে সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে যা পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত ।

উৎস: ব্রিটানিকা, ওয়াল্ড এটলাস। 
৯৭.
ইউএনডিপি মানব উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) মালদ্বীপ
  2. খ) ভুটান
  3. গ) শ্রীলঙ্কা
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
গত ২০২২ সালের  ৮ সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) প্রকাশ করে  ‘মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২১–২২’।
এই প্রতিবেদন অনুসারে,  ইউএনডিপি মানব উন্নয়ন সূচকে সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও আইসল্যান্ড শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ সুদান, চাদ ও নাইজারের অবস্থান সবার নিচে। 
 
সূচকে বাংলাদেশ অবস্থান ১২৯। 
এর আগে সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল ২০২০ সালে। সেই মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনে বিশ্বের ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৩। 
 
মানব উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলঙ্কার অবস্থান সবচেয়ে ভালো। দেশটি বর্তমানে ৭৩তম। 
 
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অবস্থান:
১. শ্রীলঙ্কা - ৭৩
২. মালদ্বীপ - ৯০ 
৩. ভুটান - ১২৭
৪. বাংলাদেশ - ১২৯
৫. ভারত - ১৩২
৬. নেপাল - ১৪৩
৭. পাকিস্তান - ১৬১
৮. আফগানিস্তান - ১৮০
 
উৎস: ইউএনডিপি ওয়েবসাইট, প্রথম আলো
৯৮.
টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ শীর্ষ সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ২০১৫
  2. খ) ২০১৪
  3. গ) ২০১৬
  4. ঘ) ২০১৩
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ শীর্ষ সম্মেলন
টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উচ্চ পর্যায়ের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালে। এই সম্মেলনের পূর্ণনাম - UN Sustainable Development Summit (2015)। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDGs) - এর মেয়াদ পরবর্তী বিশ্ব গঠনে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) গ্রহনের জন্য এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।


সম্মেলন অনুষ্ঠানের সময়: ২৫ - ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সাল
সম্মেলনের স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র (জাতিসংঘ সদরদপ্তর)


⤇ এই শীর্ষ সম্মেলনের প্রধান ফলাফল হচ্ছে - "Transforming our world: the 2030 Agenda for Sustainable Development"।
⤇ এই সম্মেলনে টেকসই উন্নয়নের ১৭টি লক্ষ্য ও ১৬৯টি টার্গেট গৃহীত হয় এবং এই লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্য ২০১৬ - ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
 
উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট
৯৯.
কোন সংস্থার উদ্যোগে কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) UNCTAD
  2. খ) ASEAN
  3. গ) ESCAP
  4. ঘ) RCEP
ব্যাখ্যা
কাগজবিহীন বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর:
জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে স্বাক্ষরিত হয় কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি।
- এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) সহায়তায় ২০১৬ সালের ১৯ মে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়।
- ESCAP-ভুক্ত ৫৩টি সদস্য দেশ এ চুক্তিতে অংশ নিতে পারবে।
- ২৯ আগস্ট, ২০১৭ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- ১৩ অক্টোবর, ২০২০ বাংলাদেশ চতুর্থ দেশ হিসেবে চুক্তিটি অনুসমর্থন করে।
- ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ চুক্তিটি কার্যকর হয়।
 
উল্লেখ্য,
The Economic and Social Commission for Asia and the Pacific (ESCAP) হলো জাতিসংঘের বৃহত্তম আঞ্চলিক কমিশন।

উৎস: ESCAP ওয়েবসাইট।
১০০.
ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এর দাপ্তরিক ভাষা নয় কোনটি?
  1. ক) ইংরেজি
  2. খ) ফারসি
  3. গ) আরবি
  4. ঘ) ফরাসি
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়।
- ওআইসি সদস্য দেশ ৫৭ টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে।
- ওআইসির অফিসিয়াল ভাষা ৩টি। যথা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উৎসঃ ওআইসি ওয়েবসাইট।
১০১.
মন্ট্রিল প্রটোকল (Montreal Protocol) সর্বশেষ কোথায় সংশোধিত হয়?
  1. ক) রুয়ান্ডা
  2. খ) ঘানা
  3. গ) কেনিয়া
  4. ঘ) জাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

⇒ ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোনস্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ODS (Ozone Depleting Substances) হলো এমন পদার্থ যা সাধারণত রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র এবং অ্যারোসলের মতো পণ্যগুলিতে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও,
⇒ ১৯৮৯ সাল থেকে মন্ট্রিল প্রটোকল ৬ বার সংশোধন করা হয়।এগুলো হলো:
- London amendment 1990,
- Copenhagen amendment 1992,
- Vienna amendment 1995,
- Montreal amendment 1997,
- Beijing amendment 1999,
- Kigali amendment 2016.

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat.
১০২.
নিচের কোনটি কাজাখস্তানের রাজধানী?
  1. ক) বিশকেক
  2. খ) দুশানবে
  3. গ) তাসখন্দ
  4. ঘ) নুর সুলতান
ব্যাখ্যা
- নুর সুলতান : কাজাখস্তানের রাজধানী।
- বিশকেক : কিরগিজস্তানের রাজধানী। 
- দুশানবে : তাজিকিস্তানের রাজধানী। 
- তাসখন্দ : উজবেকিস্তানের রাজধানী। 
- আশখাবাদ : তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী। 
 
উল্লেখ্য,
২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েভের পদত্যাগের পর তার প্রতি সম্মান রেখে প্রেসিডেন্ট কাসিম জোমার্ত তোকায়েভের বেশ কিছু কার্যক্রমের মধ্যে একটি ছিল কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানার পরিবর্তে নুরসুলতান করা।
মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে দেশটির রাজধানীর নতুন নামকরণ হচ্ছে। ‘নুরসুলতান’ সামনে আস্তানা নামেই বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিতি পাবে।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, যুগান্তর )
১০৩.
সুন্দরবনে কোন সমুদ্র সৈকত অবস্থিত?
  1. ক) পারকী সমুদ্র সৈকত
  2. খ) কটকা সমুদ্র সৈকত
  3. গ) গঙ্গামতি সমুদ্র সৈকত
  4. ঘ) ইনানী সমুদ্র সৈকত
ব্যাখ্যা
- "কটকা সমুদ্র সৈকত" সুন্দরবনে অবস্থিত।
 
- কটকা যেতে চাইলে আপনাকে প্রথমেই যেতে হবে সুন্দরবন অঞ্চলে (খুলনা, বাগেরহাটের মংলা)। কটকায় বেড়াতে যাবার প্রধান মাধ্যম বলতে গেলে শুধুই লঞ্চ। আর পর্যটকদের নিয়ে এই লঞ্চ নোঙ্গর করা হয় কটকা খালে।
 
- সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের। তবে বনে বাঘের দেখা মেলা ভার। আর তার ওপর বাঘের দেখা মিললেও নিজের নিরাপত্তার বিষয়টি তো আছেই।
- বাঘ দেখা ও নিরাপদে থাকা- এ দুই-ই সম্ভব সুন্দরবনের চমৎকার পর্যটন কেন্দ্র কটকা অভয়ারণ্য থেকে। এখানে প্রায়ই দেখা মেলে সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের। এ ছাড়া মনোরম চিত্রা হরিণের দল, বিভিন্ন জাতের পাখি, শান্ত প্রকৃতি এবং বিভিন্ন বন্য প্রাণীর উপস্থিতির কারণে পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় কটকা অভয়ারণ্য সব সময়ই আলাদা স্থান দখল করে আছে।
 
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

১০৪.
কোনটি আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) ভারী
  2. খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
  3. গ) অস্তরীভূত
  4. ঘ) সুদৃঢ়
ব্যাখ্যা
ভূ-অভ্যন্তরে উত্তপ্ত ম্যাগমা শীতল ও কেলাসিত হয়ে আগ্নেয় শিলা গঠিত হয়।
অগ্নিময় অবস্থা থেকে এই শিলার সৃষ্টি বলে এক আগ্নেয় শিলা বলা হয়।
আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ের শিলা বলে একে প্রাথমিক শিলাও বলা হয়।
এ শিলায় কোনো স্তর নেই, তাই এই শিলার অপর নাম অস্তরীভূত শিলা।
এই শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই।
এই শিলা অপেক্ষাকৃত ভারী ও সুদৃঢ়।
এই শিলা বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন- বহিঃজ বা নিঃসারী আগ্নেয় শিলা ও অন্তঃজ বা উদ্বেধী আগ্নেয় শিলা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম;  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৫.
নিচের কোনটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ মরূভূমি?
  1. ক) গোবি
  2. খ) এন্টার্টিক
  3. গ) তাকলামাকান
  4. ঘ) আর্কটিক
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ মরূভূমির নাম এন্টার্টিক (The Antarctic desert).
- এর আয়তন প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন বর্গমাইল।
- আর সাবট্রপিকাল বা উপক্রান্তিয় অঞ্চলের সর্ববৃহৎ মরুভূমির নাম, সাহারা মরূভূমি, যার আয়তন প্রায় ৩.৫ মিলিয়ন বর্গমাইল।
 
বিশ্বের বৃহত্তম ৫টি মরূভূমি:
Antarctic - 5.5 million square miles
Arctic - 5.4 million square miles
Sahara - 3.5 million square miles 
Arabian - 1.0 million square miles 
Gobi - 0.5 million square miles 

সূত্র: ওয়াল্ড এটলাস ওয়েবসাইট।
১০৬.
পার্বত্য চট্টগ্রামের পূর্বে ভারতের কোন রাজ্য অবস্থিত?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) অরুণাচল
  3. গ) মিজোরাম
  4. ঘ) মেঘালয়
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রাম (Chittagong Hill Tracts)  দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাপক পাহাড়ি অঞ্চল (২১°২৫´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৩°৪৫´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯১°৫৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৫০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)।
- এর দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মায়ানমার, উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্বে মিজোরাম এবং পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলা অবস্থিত। 
- পার্বত্য চট্টগ্রামের এলাকা প্রায় ২৩,১৮৪ বর্গ কিমি যা বাংলাদেশের মোট এলাকার প্রায় এক দশমাংশ।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১০৭.
মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান -
  1. ক) ১১৫.৭ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
  2. খ) ১০৯.৩ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
  3. গ) ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
  4. ঘ) ১০৭.৯ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
ব্যাখ্যা
- গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট–১–এর গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশের গাজীপুর থেকে। এ জন্য গাজীপুরের জয়দেবপুরে তৈরি করা হয়েছে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন। বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে রাঙামাটির বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। স্যাটেলাইটভিত্তিক টেলিভিশন সেবা ডিটিএইচ (ডাইরেক্ট টু হোম) ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজেও এ স্যাটেলাইটকে কাজে লাগানো যাবে।

মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান হবে ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এই কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও সার্কভুক্ত সব দেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমিনিস্তান ও কাজাখস্তানের কিছু অংশ এই স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে।
 
উৎস: gazipur.gov.bd
১০৮.
নিচের কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক?
  1. ক) বায়ুর তাপ
  2. খ) আর্দ্রতা
  3. গ) বায়ু প্রবাহের দিক
  4. ঘ) বায়ুর চাপ
ব্যাখ্যা
জলবায়ু (Climate )
কোন অঞ্চলের বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুর চাপ, বায়ু প্রবাহ, বৃষ্টিপাত, তুষারপাত, ঝড়, বায়ুপুঞ্জ, মেঘাচ্ছন্নতা ইত্যাদির দীর্ঘদিনের সামগ্রিক রূপকে ঐ স্থানের জলবায়ু বলা হয়।  
মূলত: কোন স্থানের ২৫-৩০ বছরের দৈনন্দিন আবহাওয়া পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে সে স্থানের জলবায়ু নির্ধারণ করা হয় বা এ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
 আবহাওয়ার মত জলবায়ুরও প্রধান উপাদানগুলো হচ্ছে :
- বায়ুর তাপ, 
- চাপ, 
- আর্দ্রতা, 
- বৃষ্টিপাত ইত্যাদি। 
 
আর এ উপাদানগুলোর নিয়ন্ত্রনকারী নিয়ামকসমূহ হচ্ছে : 
- সমুদ্র স্রোত, 
- অক্ষাংশ, 
- ভূ-পৃষ্ঠের উচ্চতা, 
- সমুদ্র হতে দূরত্ব, 
- বায়ু প্রবাহের দিক ইত্যাদি ।
 
কোন স্থানের আবহাওয়া ও জলবায়ুর এ উপাদানসমূহ এবং এদের নিয়ন্ত্রনকারী নিয়ামকসমূহের পরিবর্তনের সাথে সাথে উক্ত স্থানের আবহাওয়া ও জলবায়ুরও পরিবর্তন ঘটে।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাণিজ্যিক ভূগোল; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০৯.
১৯৭০ সালে বাংলাদেশে ৫ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটানো প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের নাম কী ছিল?
  1. ক) ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়
  2. খ) বাকেরগঞ্জ
  3. গ) নিনা
  4. ঘ) ভোলা
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালে সংঘটিত প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের নাম ছিল ভোলা। 
- ১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় আঘাতে ভোলা তছনছ হয়ে যায়। একের পর এক লোকালয় মাটির সাথে মিশে যায়।
- ভোলায় আঘাত হানা এই সামুদ্রিক ঝড় 'দ্য গ্রেট ভোলা সাইক্লোন' নামে পরিচিতি পায়। 
- তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দক্ষিণ উপকূল দিয়ে এই সাইক্লোন বয়ে গেলেও সবচেয়ে তীব্র আঘাত হেনেছিল ভোলায়।
- জাতিসংঘের আওতাধীন বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ২০১৭ সালের ১৮মে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়গুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করে।
- তাতে ভোলায় আঘাত হানা সাইক্লোনটিকেই 'সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোন' হিসেবে চিহ্নিত করে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।
- ১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর সবোর্চ্চ ২২৪ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানা এই প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের সময় উপকূলীয় এলাকায় ১০-৩৩ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল।
- এই ঘূর্ণিঝড়ে ৫ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
 
উৎস: বিবিসি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, ভূগোল ও পরিবেশ; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১০.
'তিনবিঘা করিডোর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুড়িগ্রাম
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) পঞ্চগড়
  4. ঘ) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
তিনবিঘা করিডোরঃ
লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা। এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।

- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং
- ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।
- ২০১৫ সালের ছিটমহল মিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়।

উৎসঃ লালমনিরহাট জেলার ওয়েবসাইট।
১১১.
দুর্নীতিকে দণ্ডের আওতায় এনে সরকারী কর্মচারী বিধিমালা প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৬
  2. খ) ২০১৯
  3. গ) ২০১৭
  4. ঘ) ২০১৮
ব্যাখ্যা
২০১৮ সালে প্রণীত সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালাতে অসদাচরণ, দুর্নীতি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ‘গুরুদণ্ড’ ও ‘লঘুদণ্ড’ নামক দুই ধরনের দণ্ড আরােপের বিধান রয়েছে।
 
সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রয়োগ।
(১) এই বিধিমালা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ নামে অভিহিত হইবে।
(২) এই বিধিমালা নিম্নবর্ণিত ব্যক্তি বা কর্মচারী ব্যতীত অন্যান্য সকল সরকারি কর্মচারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, যথা :
(ক) রেলওয়ে সংস্থাপন কোড প্রযোজ্য হয় এমন ব্যক্তি;
(খ) মেট্রোপলিটান পুলিশের অধস্তন কর্মচারী;
(গ) পুলিশ পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার পুলিশ বাহিনীর অন্য কোনো সদস্য;
(ঘ) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর অধস্তন কর্মকর্তা, রাইফেলম্যান ও সিগন্যালম্যান ;
জেলার এর নিম্ন পদমর্যাদার বাংলাদেশ জেলের অধস্তন কর্মচারী;
(চ) সরকার কর্তৃক, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্দিষ্টকৃত কোনো চাকুরী বা পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিগণ; 
(ছ) এমন কোন ব্যক্তি যাহার চাকুরীর শর্তাবলি, বেতন, ভাতাদি, পেনশন, শৃঙ্খলা ও আচরণ বা এতদসংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে চুক্তির মাধ্যমে বিশেষ বিধান করা হইয়াছে।
 
উৎস: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 
১১২.
পরানীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. ক) মানুষের সামাজিক আচরণ
  2. খ) আচরণের ভালমন্দ নির্ণয় করা
  3. গ) নৈতিক ভাষার অর্থ ও যুক্তি
  4. ঘ) অভিজ্ঞতানির্ভর ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ
ব্যাখ্যা
নীতিবিদ্যার রক্ষক-সাধুপুরুষ ( Patron saint) রূপে খ্যাত সক্রেটিস থেকে শুরু করে হাল-আমলের দার্শনিকদের নৈতিক ভাবনাগুলোপর্যালোচনা করলে এর মধ্যে মোটামুটি চারটি ধারার সন্ধান পাওয়া যায়।
এগুলো হচ্ছে বর্ণনামূলক নীতিবিদ্যা, মানমূলক নীতিবিদ্যা, বিশ্লেষণী বা পরানীতিবিদ্যা ও ব্যবহারিক নীতিবিদ্যা। 
 
- পরানীতিবিদ্যা হচ্ছে নৈতিক পদ ও অবধারণ তথা নৈতিক ভাষার অর্থ ও যুক্তি সংক্রান্তআলোচনা।
- মানমূলক নীতিবিদ্যায় কতগুলো মানদন্ড বা আদর্শের আলোকে আমাদের আচরণের ভালমন্দ নির্ণিত হয়।
- ব্যবহারিক নীতিবিদ্যার লক্ষ্য হলো আমাদের বাস্তব জীবনের কিছু চলতি সমস্যাকে নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করা।
- বর্ণনামূলক নীতিবিদ্যা মূলত অভিজ্ঞতানির্ভর ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে রচিত। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে বিবর্তনবাদী নীতিবিদ্যা।
 
উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১৩.
সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্মকর্তার সাথে যখন নিজের পরিবারের সদস্যদের স্বার্থ জড়িত থাকে, তখন তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) Conflict of Values
  2. খ) Conflict of Task
  3. গ) Conflict of Interest
  4. ঘ) Conflict of Relationship
ব্যাখ্যা
Compliance document of University of Central Florida অনুসারে:
Conflict of Interest
A conflict of interest occurs when an individual’s personal interests – family, friendships, financial, or social factors – could compromise his or her judgment, decisions, or actions in the workplace.


Cambridge Dictionary অনুসারে:
Conflict of interest:
 A situation in which someone’s private interests are opposed to that person's responsibilities to other people.

Britannica Dictionary অনুসারে:
Conflict of interest:
 A problem caused by having official responsibilities that involve things that might be helpful or harmful to you.

অর্থাৎ, যখন একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত স্বার্থ (যেমন, পরিবার, বন্ধুত্ব, আর্থিক বা সামাজিক কারণসমূহ) কর্মক্ষেত্রে তার বিচার, সিদ্ধান্ত বা ক্রিয়াগুলির সাথে জড়িয়ে যায় তখন তাকে ‘স্বার্থের সংঘাত' (Conflict of Interest) বলে।
এটা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত পর্যায়ের স্বার্থ বুঝায়।

১১৪.
আত্মগত ভাববাদের প্রবক্তা হলেন -
  1. ক) লক
  2. খ) হিউম
  3. গ) ডেকার্ট
  4. ঘ) বার্কলি
ব্যাখ্যা
- যে দার্শনিক মতবাদ ভাব, চৈতন্য বা আত্মাকে একমাত্র প্রকৃত সত্তা বলে মনে করে তাকে ভাববাদ বলে।
- এ মতানুসারে, বাইরের বস্তু প্রকৃত সত্তা নয়, ভাবের প্রতিচ্ছবিমাত্র।
- আধুনিক পাশ্চাত্য দর্শনে ভাববাদের যেসব রূপ দেখা যায় তাকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায় :
(১) বার্কলির আত্মগত ভাববাদ
(২) হেগেলের বস্তুগত ভাববাদ ও
(৩) কান্টের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বা পরিদৃশ্যমান ভাববাদ।

- লকের চিন্তাধারার সূত্র ধরেই গড়ে উঠেছে বার্কলির আত্মগত ভাববাদ। 
লকের মতে, বস্তুর দুই ধরনের গুণ আছে : (১) প্রাথমিক বা মুখ্য গুণ ও (২) গৌণ গুণ।
- এজন্য লককে আত্মগত ভাববাদের প্রবক্তা বলা হয়ে থাকে।
 
উৎস: এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, বিএ/বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১৫.
মধ্যযুগে কোন ধরণের সদ্‌গুণের ওপর জোর দেয়া হত?
  1. ক) ধর্মভিত্তিক
  2. খ) রাজনৈতিক
  3. গ) ধর্মনিরপেক্ষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মধ্যযুগে ধর্মভিত্তিক সদ্‌গুণের ওপর জোর দেয়া হত। 
মধ্যযুগে খ্রিস্টীয় প্রভাবে এমন কিছু সদগুণের ওপর জোর দেয়া হতো যা গ্রিক দর্শনে প্রায় অনুপস্থিত। যেমন, প্রেম, বিনয়, নম্রতা, দয়ার্দ্রতা ইত্যাদি। 
সুফী ধারার ইসলাম এর সঙ্গে আরো যেসব সদ্গুণ যোগ করে তা হচ্ছে ধৈয্য, একাগ্রতা, খোদা-ভীক্ততা এবং আরো কিছু পরকালমুখী গুণাবলী। তবে নৈতিক দিক থেকে দেখলে বলা চলে, সদ্গুণের ব্যাপারে ইসলাম একটা সমন্বয়ধর্মী মনোভাব পোষণ করে এবং অ্যারিস্টটলের মধ্যপন্থারই সমর্থক।

আধুনিককালে পরমত সহিষ্ণুতা, গণতান্ত্রিক মানসিকতা, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা, পারস্পরিক সহযোগিতা ইত্যাদিকে সদগুণ হিসেবে সর্বাধিক মূল্য দেয়া হয়। এই সব সদ্গুণকে উৎসাহিত করার কারণে আজকাল বিভিন্ন সমাজবিজ্ঞানের বহু বিবৃতিই নৈতিক অবধারণের রূপ নিয়েছে। ফলে নীতিবিদ্যার সঙ্গে এদের ঘনিষ্ঠতা বেশ বেড়েছে।
 
উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।