পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৫৬
সিলেবাস
[৯ম - ১৩তম গ্রেড নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা - ২২] ফুল মডেল টেস্ট - ২ মান বণ্টন: ১. বাংলা - ২৫ ২. ইংরেজি - ২৫ ৩. গণিত ও বিজ্ঞান - ২৫ ৪. সাধারণ জ্ঞান - ২৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৬ প্রশ্ন

.
অশুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. কঙ্কাল
  2. ভয়ঙ্কর
  3. লঙ্ঘন
  4. আতঙ্ক
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ: ভয়ঙ্কর।
• শুদ্ধরূপ: ভয়ংকর।

• বানানের নিয়ম:
- সন্ধির ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ পরে থাকলে পূর্ব পদের অন্তস্থিত ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) হবে।
যেমন:
- অহম্ + কার = অহংকার।

• এরূপ- ভয়ংকর, সংগীত, শুভংকর, হৃদয়ংগম, সংঘটন।

• সন্ধিবদ্ধ না হলে ‘ঙ’ স্থানে ‘ং’ হবে না।
যেমন:
অঙ্ক, অঙ্গ, আকাঙ্ক্ষা, আতঙ্ক, কঙ্কাল, গঙ্গা, বঙ্কিম, বঙ্গ, লঙ্ঘন, শঙ্কা, শৃঙ্খলা, সঙ্গে, সঙ্গী।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে গৌড়ি প্রাকৃত থেকে গৌড়ি অপভ্রংশ হয়ে, ভাষার কোনরূপটি এসেছে?
  1. বৈদিক
  2. আর্য
  3. প্রাকৃত
  4. বঙ্গ-কামরুপী
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষার উৎপত্তি:
- বাংলা ভাষার উৎপত্তি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-গোষ্ঠীর অন্তর্গত ইন্দো-ইরানীয় শাখাভুক্ত নব্য-ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে।
- নব্য ভারতীয় আর্যগোষ্ঠীর এই ভাষা ঐতিহাসিক সূত্রে আইরিশ, ইংরেজি, ফরাসি, গ্রিক, রুশ, ফারসি ইত্যাদি ভাষার দূরবর্তী জ্ঞাতিভগ্নী। 

• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে গৌড়ি প্রাকৃত থেকে গৌড়ি অপভ্রংশ হয়ে বঙ্গ-কামরুপীর মধ্য দিয়ে বাংলা এসেছে।

• ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা এসেছে মাগধী প্রাকৃত থেকে মাগধী অপভ্রংশ হয়ে।

- ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে ভাষা গবেষকদের মধ্যে ড. শহীদুল্লাহ্‌র মতামতটি অধিক গ্রহণযোগ্য। অন্যান্য পণ্ডিতগণও এই মতামতকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
- উদ্ভবের সময় থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাকে তিনটি ঐতিহাসিক পর্যায়ে ভাগ করে দেখা হয়: প্রাচীন বাংলা (৯০০/১০০০-১৩৫০), মধ্যবাংলা (১৩৫০-১৮০০) এবং আধুনিক বাংলা (১৮০০-র পরবর্তী)। প্রাচীন বাংলার লিখিত নিদর্শনের মধ্যে চর্যাগীতিকাগুলি সর্বপ্রধান

উৎস:বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খণ্ড), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলাপিডিয়া।
.
যুক্তবর্ণের শুদ্ধ গঠন নয় কোনটি?
  1. ন্ + ঠ = ণ্ঠ
  2. ণ্ + ড = ণ্ড
  3. হ্ + ন = হ্ন
  4. ঞ্ + জ = ঞ্জ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ যুক্তবর্ণ নয়: ন্ + ঠ = ণ্ঠ। 
- এর শুদ্ধরূপ: ণ্ + ঠ = ণ্ঠ।

• যুক্তবর্ণ:
একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না। এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।

• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ট, জ্জ, জ্ব, ঞ, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, ঋ, ড্ড, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, জ, ল্প, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ত (ক্ + ত),
ক্ম (ক্ + ম),
ক্ষ (ক্ + ষ),
ক্ষ্ম (ক্ + ষ্ + ম),
ক্স (ক্ + স),
ণ্ড (ণ্ + ড),
গু (গ্ + উ),
গ্ধ (গ্ + ধ),
ঙ্গ (ঙ্ + গ),
জ্ঞ (জ্ + ঞ),
ঞ্চ (ঞ্ + চ),
ঞ্জ (ঞ্ + জ),
ষ্ণ (ষ্ + ণ)
হু (হ্ + উ),
হৃ (হ্ + ঋ),
হ্ন (হ্ + ন),
হ্ম (হ্ + ম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. আনোয়ার পাশা
  2. শওকত ওসমান
  3. হুমায়ূন আহমদ
  4. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যা
• চিলেকোঠার সেপাই:
- ‘চিলেকোঠার সেপাই’ বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এর লেখা।
- এটি তাঁর রচিত একটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই।
- উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র ওসমান।
- কোন বাড়ির চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে সেদিন মিলিত হয়েছিল ওসমান।
- এখানে ইতিবাচক রাজনীতির উপস্থাপনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অব্যবহিত পূর্বরূপটি অঙ্কিত হয়েছে।

-----------------------
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গোটিয়া গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কথাসাহিত্যিক।
- তাঁর পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এদেশের প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতিও তাঁর পরোক্ষ সমর্থন ছিল।
- তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খােয়াবনামা।

• তাঁর রচিত ছােটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি,
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘সিংহ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. মৃগ
  2. কেশরী
  3. তুরঙ্গম
  4. দ্বিরদ
ব্যাখ্যা
• ‘সিংহ' এর সমার্থক শব্দ: পশুরাজ, কেশরী, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ।

অন্যান্য শব্দগুলোর প্রতিশব্দ বা সমর্থক শব্দ হলো:
• 'হরিণ' এর সমার্থক শব্দ: মৃগ, কুরঙ্গ, সুনয়ন, সারঙ্গ।
• 'হাতি' এর সমার্থক শব্দ: গজ, দ্বিপ, দ্বিরদ, ঐরাবত, হস্তী, করী, দন্তী, দন্তাবল, নগজ ইত্যাদি।
• ‘ঘোড়া’ এর সমর্থক শব্দ: অশ্ব, বাহ, ঘোটক, তুরঙ্গম, তুরগ, হ্রেষী, বামী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোনটি আরবি ভাষার শব্দ?
  1. কাজি
  2. কাগজ
  3. কিতাব
  4. আসমান
ব্যাখ্যা
• ‘কিতাব’ আরবি ভাষার শব্দ।
অর্থ: বই, পুস্তক, গ্রন্থ।

• আরবি ভাষা থেকে আগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো:

কুমকুম, আমানত, আমামা, আমিন, আমির, আমিরাত, আম্বর, আয়াত, আয়েশ, আরশ, আর্জি, আলামত, আলিশান, আলেম, আশেক, আসর।

অন্যদিকে,
• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো:
কুলফি, কুস্তি, কোফতা, গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোনটি বাংলা ধাতুর উদাহরণ?
  1. পঠ্‌
  2. কথ্
  3. কিন্
  4. ফির্
ব্যাখ্যা
• ‘কিন্’ বাংলা ধাতুর উদাহরণ।

• মৌলিক ধাতু:

যেসকল ধাতুকে বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক ধাতু। এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।
যেমন: চল্‌, পড়্‌, কর্‌ ইত্যাদি।

মৌলিক ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা-
ক) বাংলা ধাতু,
খ) সংস্কৃত ধাতু ও
গ) বিদেশি ধাতু।

• বাংলা ধাতু:
যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসে নি, সেগুলোকে বাংলা ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।
যেমন: কাদ্, কাট্, নাচ্, আক্ কহ্, কর্, কিন্, গড়্, ধর্, পড়, রাখ্, শুন্, হাস্, বুঝ ইত্যাদি।

• সংস্কৃত মূল ধাতু:
যে সব ক্রিয়াপদের মূল সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলাভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় সংস্কৃত মূল ধাতু। এসব ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়া বিশেষ্য বাক্রিয়া বিশেষণ গঠিত হয়।
যেমন: অঙ্ক, কথ্, কৃৎ, খাদ্, হস্, পঠ্‌, দৃশ্, বুধ্, স্থা, শ্রু, ধৃ, বন্ধ্, ঘৃষ্, ক্রী ইত্যাদি।

• বিদেশি ধাতু:
তৎসম ও বাংলা ধাতু ছাড়া যেসব ধাতু বিদেশি ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় বিদেশি ধাতু।
যেমন: খাট্, আঁট্, চেঁচ্, জম্, ঝুল্, টান্, টুট্, ডর্, ফির্, চাহ্, বিগড়, ভিজ্, ঠেল্, ডাক্, লটক্ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘ঘনের ন্যায় শ্যাম’ ব্যাস-বাক্যটি কোন সমাস নির্দেশ করে?
  1. উপমান কর্মধারয়
  2. রূপক কর্মধারয়
  3. উপমিত কর্মধারয়
  4. উপপদ তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
• উপমান কর্মধারয়: 
সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমানবাচক পদের যে সমাস তা উপমান কর্মধারয় সমাস হয়।
যেমন:
- অরুণের ন্যায় রাঙা = অরুণরাঙা; 
- ঘনের (মেঘের) ন্যায় শ্যাম = ঘনশ্যাম;
- ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ = ভ্রমরকৃষ্ণ। 

এছাড়াও, তুষারশুভ্র, অরুণরাঙা, শশব্যস্ত, কাজলকালো, দুগ্ধধবল ইত্যাদি এই ধরনের সমাস নিষ্পন্ন শব্দ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বিদেশি উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. পরাজয়
  2. ভরপুর
  3. অবরোধ
  4. বরখাস্ত
ব্যাখ্যা
• ফারসি ‘বর’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ- বরখাস্ত।

অন্যদিকে,
• পূর্ণতা অর্থ প্রকাশে ‘ভর’ খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ- ভরপুর।
• তৎসম ‘পরা’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ- ‘পরাজয়’।
• তৎসম ‘অব’ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ- অবরোধ।

---------------------
• উপসর্গ:

বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
‘অনুরূপা দেবী’ ছদ্মনামে লিখতেন কোন সাহিত্যিক?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাতটি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন এগুলো হলো:
- অনিলা দেবী;
- অপরাজিতা দেবী;
- শ্রী চট্টোপাধ্যায়;
- অনুরূপা দেবী;
- পরশুরাম;
- শ্রীকান্ত শর্মা ও
- সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়।

অন্যদিকে,
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট নয়টি ছদ্মনামে লিখেন। এগুলো হলো:
- ভানুসিংহ ঠাকুর,
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর,
- আন্নাকালী পাকড়াশী,
- দিকশূন্য ভট্টাচার্য,
- নবীন কিশোর শর্মণঃ,
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মাঃ,
- বাণী বিনোদ বিদ্যাবিনোদ,
- শ্রীমতি মধ্যমা ও
- শ্রীমতি কনিষ্ঠা।

• অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত ব্যবহৃত ছদ্মনাম - নীহারিকা দেবী।
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'কমলাকান্ত' ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
‘হাতের পঞ্চম আঙুল’ এক কথায় বলে-
  1. তর্জনী
  2. অঙ্গুষ্ঠ
  3. কনিষ্ঠা
  4. অনামিকা
ব্যাখ্যা
• ‘হাতের পঞ্চম আঙুল’ এক কথায় বলে - কনিষ্ঠা।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
• হাতের প্রথম আঙুল (বুড়ো আঙুল) - অঙ্গুষ্ঠ।
• হাতের কনুই থেকে কব্জি পর্যন্ত অংশ - প্রকোষ্ঠ।
• হাতের তালু - করতল।
• হাতের কব্জি - মণিবন্ধ।
• হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত - পাণি।
• হাতের চতুর্থ আঙুল - অনামিকা।
• হাতের তৃতীয় আঙুল - মধ্যমা।
• 'হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত' - পাণি। 
• হাতের দ্বিতীয় আঙুল - তর্জনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
বার ও মাসের নামের পর কোন যতিচিহ্ন বসে?
  1. বিন্দু
  2. কোলন
  3. ড্যাস
  4. কমা
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• কমা:
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। কমা পূর্ণযতি নয়, তাই কমা দিয়ে কোনো বাক্য শেষ হয় না। কমা চিহ্নের বাংলা নাম পাদচ্ছেদ।
- শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।

• সম্বোধন পদের পরে সাধারণত কমা বসে।
যেমন:
- স্যার, আমাকে ব্যাপারটি বুঝিয়ে দেবেন?
- রব, এদিকে এসো।

• বাক্যে একাধিক বিশেষ্য কিংবা বিশেষণ পদের বিবৃতি প্রকাশের ক্ষেত্রে কমা বসাতে হয়।
যেমন:
- জনি বুদ্ধিমান, সাহসী ও জ্ঞানী।
- মীম, সানি, হারুন ও রব কক্সবাজার গিয়েছে।

• তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে ‘কমা’ বসে।
যেমন:
- ১৯শে আশ্বিন, বৃহস্পতিবার, ১৪২৫ সালে মীম বান্দরবান জেলায় জন্মগ্রহণ করে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৩.
নিচের কোনটি কর্তৃবাচ্যের উদাহরণ?
  1. রোগী পথ্য সেবন করে।
  2. চোরটা ধরা পড়েছে।
  3. এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
  4. এ রাস্তা আমার চেনা নেই।
ব্যাখ্যা
• কর্তৃবাচ্য:
যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রাধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্যের বাক্য বলে।

• কর্তৃবাচ্যে কর্তায় প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং কর্মে দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী বা শূন্য বিভক্তি হয়।
যথা -
- শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।
- রোগী পথ্য সেবন করে।

অন্যদিকে,
--------------------
• কর্মবাচ্য:
যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্বন্ধ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন:
- শিকারি কর্তৃক ব্যাঘ্র নিহত হয়েছে।
- চোরটা ধরা পড়েছে।

• ভাববাচ্য:
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।

১. ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয়া বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন-
(ক) আমার (কর্তায় ষষ্ঠী) খাওয়া হলো না। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)
(খ) আমাকে (কর্তায় দ্বিতীয়া) এখন যেতে হবে। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)
(গ) তোমার দ্বারা (কর্তায় তৃতীয়) এ কাজ হবে না। (নাম পুরুষের ক্রিয়া)

২. কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন-
- এ পথে চলা যায় না।
- এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
- কোথা থেকে আসা হচ্ছে?

৩. মূল ক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগী ক্রিয়ার সংযোগ ও বিভিন্ন অর্থে ভাববাচ্যের ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন-
- এ ব্যাপারে আমাকে দায়ী করা চলে না।
- এ রাস্তা আমার চেনা নেই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
‘স্বয়ং’ কোন পদের উদাহরণ?
  1. বিশেষ্য
  2. অব্যয়
  3. বিশেষণ
  4. সর্বনাম
ব্যাখ্যা
• সর্বনাম পদ:
 বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে। সর্বনাম পদগুলোকে মূলত ৯ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম: 
ব্যক্তিবাচক সর্বনাম ব্যক্তি নামের পরিবর্তে বসে।
যেমন- আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা।

২. আত্মবাচক সর্বনাম:
 কর্তা নিজেই কোনো কাজ করেছে, এ ভাবটি জোরদিয়ে বোঝানোর জন্য এ ধরণের সর্বনাম ব্যবহার করা হয়।
যেমন- স্বয়ং, নিজ, খোদ, আপনি।

৩. নির্দেশক সর্বনাম:
যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে  নির্দেশক সর্বনাম বলে।
যেমন:
নিকট নির্দেশক- এ, এই, এরা, ইহারা, ইনি।
দূর নির্দেশক- ও, ওই, ওরা, উনি।

৪. অনির্দষ্ট সর্বনাম: 
অনির্দষ্ট বা পরিচয়হীন কিছু বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয় তাকে অনির্দিষ্ট সর্বনাম বলে।
যেমন- কেউ, কোথাও, কিছু, একজন।

৫. প্রশ্নবাচক সর্বনাম:
প্রশ্ন তৈরির জন্য প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়োগ করা হয়।
যেমন- কে, কারা, কাকে, কার, কী ইত্যাদি।

৬. সাপেক্ষ সর্বনাম:
পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে।
যেমন- যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন ইত্যাদি।

৭. পারস্পারিক সর্বনাম:
দুই পক্ষের সহযোগিতা বা নির্ভরতা বোঝাতে পারস্পরিক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
যেমন- পরস্পর, নিজেরা নিজেরা ইত্যাদি।

৮. সকলবাচক/সাকুল্যবাচক সর্বনাম: 
ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের সমষ্টি বোঝাতে সকলবাচক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
যেমন- সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ, সমস্ত ইত্যাদি।

৯. অন্যবাচক সর্বনাম: 
নিজ ভিন্ন অন্য কোনো অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে অন্যবাচক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
যেমন: অন্য, অপর, পর, অমুক ইত্যাদি।

- তবে পুরাতন বই অনুযায়ী সর্বনাম ১০ প্রকার। ১০ নম্বরটি হলো- ব্যতিহারিক সর্বনাম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
‘ঘোড়াকে চবুক মার’- বাক্যে ‘চাবুক’ কোন কারক?
  1. সম্বন্ধ কারক
  2. করণ কারক
  3. কর্ম কারক
  4. অপাদান কারক
ব্যাখ্যা
• করণ কারক:
যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে। ‘করণ' শব্দের অর্থ উপায় বা সহায়।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে 'কার দ্বারা বা কী উপায়ে জিজ্ঞাসা করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক।
যেমন:
• চেষ্টায় সব হয়।
[বাক্যটিকে কার দ্বারা সব হয়? প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় চেষ্টায়। সুতরাং ‘চেষ্টায়’ করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।]

• ঘোড়াকে চবুক মার।
[বাক্যটিকে কার দ্বারা /কী উপায়ে মার? প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ‘চাবুক’। সুতরাং ‘চাবুক’ করণ কারকে শূন্য বিভক্তি।]

• করণ কারকে বিভক্তির ব্যবহার:
করণ কারকে সাধারণত দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি তৃতীয়া - বিভক্তির (অনুসর্গের) ব্যবহার হয়।

• তবে অন্য বিভক্তিগুলোরও প্রয়োগ রয়েছে-
- করণ কারকে ‘দ্বারা বিভক্তি (অনুসর্গ) - তোমাদের দ্বারা দেশের ক্ষতি হবে।
- করণ কারকে ‘দিয়া বিভক্তি (অনুসর্গ) - তোমার লোক দিয়ে কাজটা করাবে।
- করণ কারকে শূন্য (০) বা অ-বিভক্তি - রফিক তাস খেলে।
- করণ কারকে এ-বিভক্তি - গ্যাসে গাড়ি চলে।
- করণ কারকে য়-বিভক্তি - টাকায় টাকা হয়।
- করণ কারকে তে-বিভক্তি - তার কথা যেন মধুতে মাখা।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
‘বিদ্বান’ কোন লিঙ্গ?
  1. পুংলিঙ্গ
  2. উভয়লিঙ্গ
  3. স্ত্রীলিঙ্গ
  4. ক্লীবলিঙ্গ
ব্যাখ্যা
• লিঙ্গ:
লিঙ্গ শব্দের অর্থ চিহ্ন বা লক্ষণ। তাই যেসব চিহ্ন বা লক্ষণ দ্বারা শব্দকে পুরুষ, স্ত্রী বা অন্য জাতীয় হিসেবে আলাদা করা যায়, তাকে লিঙ্গ বলে।
লিঙ্গ চার প্রকার। যথা:
১. পুংলিঙ্গ বা পুরুষবাচক শব্দ। যেমন: বাবা, ছেলে, বিদ্বান, সুন্দর।
২. স্ত্রীলিঙ্গ বা স্ত্রীবাচক শব্দ। যেমন: মা, মেয়ে, বিদুষী, সুন্দরী।
৩. উভয়লিঙ্গ বাচক শব্দ। যেমন: মানুষ, গরু, শিশু, সন্তান, বাঙালি।
৪. ক্লীবলিঙ্গ বা অলিঙ্গবাচক শব্দ। যেমন: বই, খাতা, চেয়ার, টেবিল।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৭.
প্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নক কোনটি?
  1. ব্রজ
  2. গুচ্ছ
  3. সঙ্ঘ
  4. রাশি
ব্যাখ্যা
• ‘শ্রেণি’ বহুবচন লগ্নকটি প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক উভয় শব্দের বহুবচনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

• উভয়ক্ষেত্রে ব্যবহৃত অন্যান্য বহুবচন লগ্নকগুলো হলো:
- চয়,
- সমূহ,
- দল,
- নিচয়,
- পুঞ্জ,
- মণ্ডল,
- মণ্ডলী।

অন্যদিকে,
• অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নকগুলো হলো:
- রাশি,
- রাজি,
- মালা,
- ব্রজ,
- নিকর,
- দাম,
-জাল,
- গ্রাম,
- গুচ্ছ,
- উচ্চয়,
- আবলি।

• প্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচন লগ্নকগুলো হলো:
- সঙ্ঘ,
- যূথ,
- ব্রাত,
- বৃন্দ,
- পাল,
- গণ,
- কুল।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৮.
This painting differs _________ style from the artist's earlier work, showcasing a more abstract approach.
  1. on
  2. to
  3. with
  4. in
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - in.
- Complete sentence: This painting differs in style from the artist's earlier work, showcasing a more abstract approach.

• Differ in something/opinion (phrase)
- English Meaning: to be not like something or someone else in a particular way.
- Bangla Meaning: ভিন্নমত প্রকাশ করা; প্রতিবাদ করা।

Example Sentence: 
- Men and women tend to differ in their shopping styles.
- Computer monitors differ in the sharpness or resolution they can display.

Source: Cambridge Dictionary.
১৯.
Choose the correct sentence.
  1. The doctor prescribed a new medication as a remedy of her chronic migraines.
  2. The doctor prescribed a new medication as a remedy off her chronic migraines.
  3. The doctor prescribed a new medication as a remedy on her chronic migraines.
  4. The doctor prescribed a new medication as a remedy for her chronic migraines.
ব্যাখ্যা
• Correct Sentence: The doctor prescribed a new medication as a remedy for her chronic migraines.

• Remedy for: 
- Meaning: প্রতিকার; প্রতিষেধক; প্রতিবিধান ওষুধ।

• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- Remedy এর সাথে 'প্রতিকার' অর্থ বুঝাতে for বসে।
- এই বাক্যটির ক্ষেত্রে for বসালে বাক্যটির অর্থ পরিপূর্ণ হয়।
- তাই এই বাক্যে preposition হিসেবে for বসবে।

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.
২০.
Let’s try this again, ____?
  1. won't we
  2. can we
  3. do we
  4. shall we
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Let’s try this again, shall we?

• Tag question এর নিয়মানুযায়ী,
- সাধারণত Tag question ব্যবহৃত হয় পূর্বে উল্লেখিত কোন উক্তি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য। 
- Statement positive হলে tag question টা negative হবে।
- আবার statement negative হলে tag question positive হবে।
- Subject ও Tense অনুসারে auxiliary verb দ্বারা tag question তৈরি হয়।

• Let’s বা Let us থাকলে Tag –এ shall we বসাতে হয়।
যেমন: Let’s play football, shall we?
একই ভাবে Let’s play a chess match, shall we?
২১.
She is pursuing ______ MBBS degree to fulfil her dream of becoming a doctor.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. No article needed
ব্যাখ্যা
• Article:
- Articles মুলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে।
- Articles কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করে যায়।
• Indefinite Articles: A, An-এরা  Indefinite Article.
• Definite Articles: The হল Definite Article.

Article এর নিয়মানুযায়ী,
• A, E, I, O, U এই পাঁচটি Vowel এর পূর্বে an বসে। 
- তবে প্রদত্ত বাক্যটিতে Article হিসেবে 'an' বসবে MBBS শব্দের 'M' Consonant হওয়া সত্ত্বেও।
- 'M' উচ্চারণ করতে গেলে 'a' উচ্চারণ প্রথমে আসে, যা একটি Vowel. 
- Example - He is an MBBS.

Complete sentence: She is pursuing an MBBS degree to fulfil her dream of becoming a doctor.

• সংক্ষিপ্ত রূপ অর্থাৎ abbreviation এর প্রথম অক্ষর vowel এর মত উচ্চারিত হলে তার পূর্বে an বসে।
আবার, abbreviation এর প্রথম অক্ষর consonant এর মত উচ্চারিত হলে তার পূর্বে a বসে।
যেমন- an M.B.B.S, an F.C.P.S, an M.A, a B.A, a B.SC.

Source:  A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
২২.
Identify the correctly spelled word.
  1. Auspeciouse
  2. Ausipicious
  3. Ausipacious
  4. Auspicious
ব্যাখ্যা
• Auspicious (adjective)
English Meaning: Suggesting a positive and successful future:
Bangla Meaning: শুভ; অনুকূল; সুপ্রসন্ন; মাঙ্গলিক।

Example sentence: They won their first match of the season 5–1 which was an auspicious start/beginning.

Source:
1. Merriam-Webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৩.
Choose the correct one.
  1. One of my friends are a singer.
  2. One of my friends is a singer.
  3. One of my friend are a singer.
  4. One of my friend is a singer.
ব্যাখ্যা
• One of এর পরে noun plural হয় ও verb singular হয়।
- Structure: one of + plural noun + singular verb

Complete sentence: One of my friends is a singer.

Example:
- One of my friends is a politician.
- One of my friends is a lawyer.
- One of my friends is an engineer.
- One of the most beautiful girls has come.
- One of the problems is extremely easy to solve.
২৪.
Edison _____________ the light bulb.
  1. is inventing
  2. was invented
  3. have invented
  4. invented
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - invented.
- Complete sentence: Edison invented the light bulb.
- Bangla Meaning: এডিসন আলোর বাল্ব আবিষ্কার করেছেন।

• অতীতের সাধারণ ঘটনা বুঝাতে এখানে past indefinite tense ব্যবহৃত হবে।
- তাই শূন্যস্থানে invented বসবে।

• More Examples:
1. The Romans conquered Gaul.
2. Shakespeare wrote "Romeo and Juliet."
3. Neil Armstrong walked on the moon.
4. Marie Curie discovered radium.
২৫.
He grew thrilled. Here ‘grew’ is a/an -
  1. Transitive verb
  2. Factitive verb
  3. Linking verb
  4. None of these
ব্যাখ্যা
• He grew thrilled.
- Here ‘grew’ is a - Linking verb.

• Linking verb:
- যে সকল verb সাধারণত subject ও complement এর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে তাদেরকে Linking verb বলে।
- Linking verb-এর complement হিসেবে সাধারণত adjective বসে৷
- Subject এবং subjective complement এর মধ্যবর্তী verb কে linking verb বলে৷

- যেমন- turn, be, become, look, seem, remain, appear, get, grow etc.
- Subject + linking verb + Adjective/ Noun (Subjective complement অর্থাৎ যা Subject সম্পর্কেই কোন তথ্য দেয়।)
- Linking verb হিসেবে grow অর্থ- হওয়া, পরিণত হওয়া।
২৬.
Identify the antonym of the word 'Salutary'.
  1. Profitable
  2. Advantageous
  3. Beneficial
  4. Noxious
ব্যাখ্যা
• Salutary (adjective)
English Meaning: Having a good effect on somebody/something, though often seeming unpleasant.
Bangla Meaning: (শরীর ও মনের জন্য) কল্যাণকর; কল্যাণবহ; হিতকর।

Synonyms: Healthful (স্বাস্থ্যকর), Health giving, Beneficial (উপকারী), Advantageous (সুবিধাজনক), Profitable (লাভজনক)।  

Antonyms: Unhealthy (অস্বাস্থ্যকর), Harmful (ক্ষতিকর), Noxious (ক্ষতিকর), Insalubrious (অস্বচ্ছল), Sickening (বিরক্তিকর, অস্বস্তিকর)। 

Example Sentence:
1. The accident was a salutary reminder of the dangers of climbing.
2. The salutary influence of pure air.

Source: Live MCQ Lecture.
২৭.
Identify the singular number.
  1. Cattle
  2. Gulliver's Travels
  3. Army
  4. Police
ব্যাখ্যা

• Gulliver's Travels - Singular Number.
• যে কোনো বইয়ের নাম বুঝালে Singular Number হয়।

• Number:
- কোন ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর সংখ্যাকে number বলে।
- Number দুই প্রকার। যেমন:
1. Singular Number,
2. Plural Number.

• কিছু শব্দ আছে যেগুলো সবসময় Singular হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন:
- Information,
- Scenery,
- Machinery,
- Advice,
- Hair,
- Alphabet,
- Luggage,
- Politics,
- Physics,
- Economics,
- The United States of America,
- Gulliver's Travels, etc.

• আবার কিছু শব্দ আছে যেগুলো সবসময় Plural হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন:
- People,
- Police,
- Cattle, etc.

Army (singular) - Armies (plural)

Source: Applied English Grammar and Composition by P C Das.

২৮.
Which of the following best describes someone experiencing 'torpor'?
  1. Full of motivation and action
  2. Completely uninterested and sluggish
  3. Overwhelmed with joy
  4. Highly energetic and enthusiastic
ব্যাখ্যা
• The required answer is - Completely uninterested and sluggish.

• Torpor (noun) [uncountable noun, countable noun]
English Meaning: The state of not being active and having no energy or enthusiasm.
Bangla Meaning: অসাড় অবস্থা।

Example Sentence: 
1. That should keep people busy denouncing my moral torpor today!’
2. He fell into a deep torpor.

Source:
1. Merriam-Webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৯.
একটি সোনার গয়নার ওজন ১২৮ গ্রাম। এতে সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১। এতে কী পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৭ : ২ হবে? 
  1. ৯ গ্রাম
  2. ১০ গ্রাম
  3. ১২ গ্রাম
  4. ১৬ গ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সোনার গয়নার ওজন ১২৮ গ্রাম। এতে সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১। এতে কী পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৭ : ২ হবে? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
গয়নার ওজন = ১২৮ গ্রাম 
অনুপাতের যোগফল = ৩ + ১ = ৪ 
∴ সোনার পরিমাণ = (১২৮ × ৩)/৪ = ৯৬ গ্রাম 
∴ তামার পরিমাণ = (১২৮ × ১)/৪ = ৩২ গ্রাম 

ধরি, 
সোনা মেশাতে হবে = ক গ্রাম 

প্রশ্নমতে, 
৯৬ + ক : ৩২ = ৭ : ২ 
বা, (৯৬ + ক)/৩২ = ৭ / ২
বা, ১৯২ + ২ক = ২২৪
বা, ২ক = ২২৪ - ১৯২
বা, ২ক = ৩২ গ্রাম
∴ ক = ১৬ গ্রাম

∴ সোনা মেশাতে হবে = ১৬ গ্রাম।
৩০.
2(a2 + b2) = কত?
  1. (a + b)2 - (a - b)2
  2. (a - b)2 - (a + b)2
  3. (a + b)2 + (a - b)2
  4. (a + b)2 - 4ab
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2(a2 + b2) = কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
a2 + b2 = (a + b)2 - 2ab 
বা, a2 + b2 = (a - b)2 + 2ab 
বা, a2 + b2 = {(a + b)2 + (a - b)2}/2
বা, 2(a2 + b2) = (a + b)2 + (a - b)2
∴ 2(a2 + b2) = (a + b)2 + (a - b)2
৩১.
একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১৬০০ বর্গমিটার হলে বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত? 
  1. ১০০ মিটার
  2. ১৬০ মিটার
  3. ১৮০ মিটার
  4. ১২০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১৬০০ বর্গমিটার হলে বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১৬০০ বর্গমিটার 
∴ বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = √১৬০০ মিটার 
= ৪০ মিটার 

আমরা জানি, 
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × এক বাহুর দৈর্ঘ্য 
= (৪০ × ৪) মিটার 
= ১৬০ মিটার 

∴ বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ১৬০ মিটার।
৩২.
চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকায় পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত, এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি কম কেনা যায়। চিনির বর্তমান দর কেজি প্রতি কত? 
  1. ২০.০০ টাকা
  2. ২০.২০ টাকা
  3. ২১.২০ টাকা
  4. ২১.০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চিনির মূল্য ৬% বেড়ে যাওয়ায় ১০৬০ টাকায় পূর্বে যত কেজি চিনি কেনা যেত, এখন তার চেয়ে ৩ কেজি চিনি কম কেনা যায়। চিনির বর্তমান দর কেজি প্রতি কত? 

সমাধান: 
৬% বৃদ্ধিতে চিনির বর্তমান মূল্য = (১০০ + ৬) টাকা 
= ১০৬ টাকা 

এখন, 
পূর্বমূল্য ১০০ টাকা হলে চিনির বর্তমান মূল্য = ১০৬ টাকা 
∴ পূর্বমূল্য ১ টাকা হলে চিনির বর্তমান মূল্য = ১০৬/১০০ টাকা 
∴ পূর্বমূল্য ১০৬০ টাকা হলে চিনির বর্তমান মূল্য = (১০৬ × ১০৬০)/১০০ টাকা 
= ১১২৩.৬০ টাকা

∴ ৩ কেজি চিনির বর্তমান মূল্য = (১১২৩.৬০ - ১০৬০.০০) টাকা 
= ৬৩.৬০ টাকা 

∴ ১ কেজি চিনির বর্তমান মূল্য = ৬৩.৬০/৩ টাকা 
= ২১.২০ টাকা 

∴ চিনির বর্তমান দর কেজি প্রতি = ২১.২০ টাকা ।
৩৩.
4(2x + 1) = 4(x - 2) হলে x এর মান কত? 
  1. 2
  2. - 3
  3. - 2
  4. 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4(2x + 1) = 4(x - 2) হলে x এর মান কত? 

সমাধান: 
4(2x + 1) = 4(x - 2) 
বা, 8x + 4 = 4x - 8 
বা, 8x - 4x = - 8 - 4 
বা, 4x = -12 
বা, x = -12/4 
∴ x = - 3
৩৪.
একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের পরিমাণ যথাক্রমে x/3, x/3 এবং 4x/3 হলে, বৃহত্তম কোণটির মান কত? 
  1. 30°
  2. 60°
  3. 90°
  4. 120°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের পরিমাণ যথাক্রমে x/3, x/3 এবং 4x/3 হলে, বৃহত্তম কোণটির মান কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা 180° 
বা, x/3 + x/3 + 4x/3 = 180° 
বা, (x + x + 4x)/3 = 180° 
বা, 6x/3 = 180° 
বা, 2x = 180° 
∴ x = 90° 

∴ বৃহত্তম কোণটির পরিমাণ হবে = 4x/3 
= {(4 × 90)/3}° 
= 120°
৩৫.
কোন পরীক্ষায় ৮৫% ছাত্র ইংরেজীতে কৃতকার্য হয়েছে। ইংরেজীতে অকৃকার্যের সংখ্যা মোট ৭৫ জন হলে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কত? 
  1. ৫০০ জন
  2. ৩০০ জন
  3. ৪০০ জন
  4. ৬৫০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন পরীক্ষায় ৮৫% ছাত্র ইংরেজীতে কৃতকার্য হয়েছে। ইংরেজীতে অকৃকার্যের সংখ্যা মোট ৭৫ জন হলে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কত? 

সমাধান: 
ইংরেজীতে কৃতকার্য হয়েছে = ৮৫% 
∴ ইংরেজীতে অকৃতকার্য হয়েছে = (১০০ - ৮৫)% 
= ১৫% 

১৫ জন অকৃতকার্য হলে মোট পরীক্ষার্থী = ১০০ জন 
∴ ১ জন অকৃতকার্য হলে মোট পরীক্ষার্থী = ১০০/১৫ জন 
∴ ৭৫ জন অকৃতকার্য হলে মোট পরীক্ষার্থী = (১০০ × ৭৫)/১৫ জন 
= ৫০০ জন 

∴ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ৫০০ জন।
৩৬.
12 + 22 + 32 +...............+ n2 এর মান কত?
  1. n(n + 1)/3
  2. n(n + 1)(2n + 1)/6
  3. n(n + 1)/2
  4. {n(n + 1)/2}2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 12 + 22 + 32 +...............+ n2 এর মান কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
12 + 22 + 32 +...............+ n2 ধারাটির সমষ্টি = n(n + 1)(2n + 1)/6 

অন্যদিকে,
13 + 23 + 33 +...............+ n3 ধারাটির সমষ্টি = {n (n + 1)/2}2.
৩৭.
দুটি সংখ্যার ল.সা.গু ৬০ এবং গ.সা.গু ১০ । একটি সংখ্যা অপর সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ হলে, বড় সংখ্যাটি কত? 
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ৩০
  4. ২০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার ল.সা.গু ৬০ এবং গ.সা.গু ১০। একটি সংখ্যা অপর সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ হলে, বড় সংখ্যাটি কত? 

সমাধান: 
ধরি, 
বড় সংখ্যাটি = x 
ছোট সংখ্যাটি = ২x/৩ 

আমরা জানি, 
দুইটি সংখ্যার গুণফল = সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু × সংখ্যা দুইটি গ.সা.গু 
⇒ x. ২x/৩ = ৬০ × ১০
⇒ ২x = ৬০০ × ৩
⇒ x = ১৮০০/২
⇒ x = √৯০০
∴ x = ৩০

বড় সংখ্যাটি = ৩০ ।
৩৮.
9x + 2 = 81 হলে x এর মান কত?
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 9x + 2 = 81 হলে x এর মান কত? 

সমাধান: 
9x + 2 = 81 
বা, (32)x + 2 = 34
বা, 32x + 4 = 34
বা, 2x + 4 = 4
বা, 2x = 4 - 4
বা, 2x = 0
বা, x = 0/2
∴ x = 0
৩৯.
কোনো শিবিরে ৪,০০০ লোকের ১৯০ দিনের খাদ্য মজুদ আছে। যদি ৩০দিন পর ৮০০ জন লোক চলে যায় তবে অবশিষ্ট খাদ্যে বাকি লোকের কত দিন চলবে? 
  1. ২০০ দিন
  2. ৩০০ দিন
  3. ৩৫০ দিন
  4. ৪০০ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো শিবিরে ৪,০০০ লোকের ১৯০ দিনের খাদ্য মজুদ আছে। যদি ৩০দিন পর ৮০০ জন লোক চলে যায় তবে অবশিষ্ট খাদ্যে বাকি লোকের কত দিন চলবে? 

সমাধান: 
দিন অবশিষ্ট থাকে = (১৯০ - ৩০) দিন = ১৬০ দিন 
∴ লোক অবশিষ্ট থাকে = (৪০০০ - ৮০০) জন = ৩২০০ জন 

৪০০০ জন লোকের খাদ্য মজুদ আছে = ১৬০ দিনের 
∴ ১ জন লোকের খাদ্য মজুদ আছে = (১৬০ × ৪০০০) দিনের 
∴ ৩২০০ জন লোকের খাদ্য মজুদ আছে = (১৬০ × ৪০০০)/৩২০০ দিনের 
= ২০০ দিনের 

∴ অবশিষ্ট খাদ্যে বাকি লোকের চলবে = ২০০ দিন।
৪০.
যদি f(x) = x3 + kx2 - 4x - 8 হয়, তাহলে k -এর কোন মানের জন্য f(- 2) = 0 হবে?
  1. 1/2
  2. - 1/2
  3. 2
  4. - 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি f(x) = x3 + kx2 - 4x - 8 হয়, তাহলে k -এর কোন মানের জন্য f(- 2) = 0 হবে? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
f(x) = x3 + kx2 - 4x - 8
বা, f(- 2) = (- 2)3 + k (- 2)2 - 4(- 2) - 8 
বা, f(- 2) = - 8 + 4k + 8 - 8 
∴ f(- 2) = 4k - 8 

যেহেতু, 
f(- 2) = 0 
বা, 4k - 8 = 0 
বা, 4k = 8 
বা, k = 8 /4 
∴ k = 2 
৪১.
অ্যাডলফ হিটলার কোন দেশে জন্মগ্রহন করেন?
  1. রাশিয়া
  2. জার্মানি
  3. ইতালি
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
অ্যাডলফ হিটলার:
- ১৮৮৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার মৃত্যু বরণ করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

উৎস: Britannica.com
৪২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন অঞ্চলে আফসার বাহিনী গঠিত হয়?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. টাঙ্গাইল
  3. ময়মনসিংহ
  4. গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:
- বাংলাদেশ সরকার ও সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও সমর্থনের বাইরে অঞ্চল ভিত্তিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে উঠেছিল বেশকিছু আঞ্চলিক মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে গড়ে ওঠা কিছু উল্লেখযোগ্য মুক্তিবাহিনী:
আফসার বাহিনী – ভালুকা, ময়মনসিংহ অঞ্চল।
কাদেরিয়া, বাতেন বাহিনী – টাঙ্গাইল অঞ্চল।
হেমায়েত বাহিনী – গোপালগঞ্জ।
হালিম বাহিনী – মানিকগঞ্জ।
আকবর বাহিনী – মাগুরা।
লতিফ মীর্জা বাহিনী – সিরাজগঞ্জ ও পাবনা।
জিয়া বাহিনী – সুন্দরবন এলাকা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৪৩.
'কার্ডিনাল' হল উন্নত জাতের -
  1. আলু
  2. ধান
  3. গম
  4. মরিচ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
- গম: বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী , আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী। 
- বেগুন: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, , মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 
- মরিচ: মেজর, চন্দ্রমুখী, সনিক, যমুনা, চাতক।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪৪.
গারো উপজাতি কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. সনাতন
  2. বৌদ্ধ
  3. ইসলাম
  4. খ্রিষ্টান
ব্যাখ্যা
গারো উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়। 
- শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে। 
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক। 
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান। 
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'। 
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'। 
- গারোদের ভাষা মান্দি। 

এছাড়া,
- বাংলাদেশে লুসাই, খাসিয়া ও মাহালী উপজাতির ধর্ম খ্রিস্টান।
- মণিপুরীদের ধর্ম বৈষ্ণব।
- ত্রিপুরা, হাজংদের ধর্ম সনাতন।
- রাখাইন, চাকমা, মারমা, চাক, খুমি, খিয়াং ইত্যাদি উপজাতির ধর্ম বৌদ্ধ।
- পাঙন উপজাতির ধর্ম ইসলাম।

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
৪৫.
সোনালী প্যাগোডার দেশ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ভুটান
  2. মিয়ানমার
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com
৪৬.
সংবিধান অনুযায়ী মালিকানা কয় ধরনের হয়?
  1. ১১
ব্যাখ্যা
মালিকানার নীতি: বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদের বিধান রয়েছে। মোট ৩ ধরনের মালিকানার কথা উল্লেখ করা আছে।
-উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 
৪৭.
কোন প্রেসিডেন্ট এর শাসনামলে আমেরিকায় দাস প্রথার বিলুপ্তি ঘটে?
  1. এন্ড্রো জনসন
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. জেমস গারফিল্ড
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন (১৮০৯ - ১৮৬৫):
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।
- ১৮৬২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- এ লক্ষে ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ তিনি Emancipation Proclamation এ স্বাক্ষর করেন।
- পরবর্তীতে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনফেডারেট ও ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা মার্কিন গৃহযুদ্ধ নামে পরিচিত। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।

উৎস: Britannica & History.com
৪৮.
তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছিল?
  1. ২ নং
  2. ৮ নং
  3. ৯ নং
  4. ১১ নং
ব্যাখ্যা
তারামন বিবি:
- বাংলাদেশের দুইজন বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন। 
- তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন যার সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু তাহের বীর উত্তম।
- তিনি ১১ নম্বর সেক্টরে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার নদী-তীরবর্তী অঞ্চল মোহনগঞ্জ, তারাবর, কোদালকাটি ও গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়িতে অগ্রবর্তী দলের হয়ে কয়েকটি সশস্ত্র যুদ্ধে বীরত্বের সাথে অংশগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে তৎকালীন বঙ্গবন্ধুর সরকার মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবির সাহসীকতা ও বীরত্ব পূর্ণ অবদানের জন্য তাঁকে “বীর প্রতীক” উপাধিতে ভূষিত করেন। 
- কিন্তু এরপর ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তাঁকে খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি। 
- ১৯৯৫ সালে ময়মনসিংহের একজন গবেষক প্রথম তাঁকে খুঁজে বের করেন এবং নারী সংগঠনগুলো তাঁকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। 
- ১৯৯৫ সালের ১৯শে ডিসেম্বর এক অনাড়ম্বর পরিবেশে আনুষ্ঠানিক ভাবে তারামন বিবিকে বীরত্বের পুরস্কার তাঁর হাতে তুলে দেয়া হয়।

উৎস: মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি বীর প্রতীক, kurigram.gov.bd.
৪৯.
এশিয়া থেকে নির্বাচিত জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
  1. উথান্ট
  2. ট্রিগভেলী
  3. দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
  4. কফি আনান
ব্যাখ্যা
এশিয়া থেকে নির্বাচিত জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব উথান্ট।

- জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব মিয়ানমারের উথান্ট।
- তিনি এশিয়া মহাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রথম মহাসচিব।
- তার সময়কাল: ১৯৬১-৭১ সাল পর্যন্ত।
- তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধচলাকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ছিলেন। 

অন্যদিকে -
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভেলী।
- জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন দ্যাগ হ্যামারশোল্ড। তিনি সুইডেনের অধিবাসী ছিলেন। ১৯৬১ সালে তিনি মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব অস্ট্রিয়ার কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম (তার সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে)।
- জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ঘানার কফি আনান। তিনি ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী।
- নবম ও বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৫০.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ কে ছিলেন?
  1. সার্জেন্ট জহুরুল হক
  2. আসাদউজ্জামান
  3. ড. শামসুজ্জোহা
  4. মনু মিয়া
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- আসাদউজ্জামান বা শহীদ আসাদ ছিলো ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহীদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ  সকল আসামিকে মুক্তি বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।
- এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে এবং আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

উল্লেখ্য,
মনু মিয়া ছয় দফা আন্দোলনের শহীদ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
৫১.
বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত’ বলে আখ্যায়িত করেন কে?
  1. ইবনে বতুতা
  2. ফা হুয়ান
  3. হিউয়েন সাং
  4. আলেকজান্ডার
ব্যাখ্যা
বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত’ বলে আখ্যায়িত করেন ইবনে বতুতা।

ইবনে বতুতা:

- মরক্কোর পর্যটক ছিলেন ইবনে বতুতা।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমন কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল মুজার্রদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- এরপর তিনি ভারতে আসেন। 
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
- ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতকে ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন।
- ইবনে বতুতা তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত’ অর্থাৎ প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫২.
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রের ইতিহাস:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র।
- ১৯৫৫ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এ পর্যন্ত এখানে সর্বমোট ৭টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে।

এছাড়া,
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৩.
২০২৪ সালের COP সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. মিশর
  2. ব্রাজিল
  3. দুবাই
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৪ সালে ২৯তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয় – আজারবাইজান।
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১১ নভেম্বর, ২০২৪- ২২ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে।
- ২৮তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP-28) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৫৪.
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
VAT:
- বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।
৫৫.
লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি কোন দেশের চিত্রশিল্পী?
  1. চেক রিপাব্লিক
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি:
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ইতালির চিত্রশিল্পী।
- তিনি ১৪৫২ সালে জন্ম গ্রহন করেন।
- তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত পেইন্টিংগুলি হল - মোনা লিসা, দ্য লাস্ট সাপার, এবং ভার্জিন অফ দ্য রকস এবং ক্রাইস্টের ব্যাপটিজম।
- অন্যান্য পেইন্টিংগুলির মধ্যে রয়েছে - ভার্জিন মেরি, ভার্জিন অ্যান্ড চাইল্ড উইথ সেন্ট অ্যান, দ্য অ্যানানসিয়েশন, ম্যাডোনা অফ দ্য কার্নেশন, জিনেভরা দে' বেঞ্চি, দ্য অ্যাডোরেশন অফ দ্য ম্যাগি (অসমাপ্ত), সেন্ট জেরোম ইন দ্য ওয়াইল্ডারনেস (অসমাপ্ত), একটি প্রতিকৃতি, মিউজিশিয়ান (অসমাপ্ত), লেডি উইথ অ্যান এর্মাইন ইত্যাদি।
- ১৫১৯ সালে ৬৭ বছর বয়সে, লিওনার্দো দা ভিঞ্চি মারা যান।

উৎস: Worldatlas.
৫৬.
Line of Control কোন দুটি দেশের মধ্যবর্তী সীমারেখা?
  1. ভারত - পাকিস্তান
  2. ভারত - নেপাল
  3. পাকিস্তান - আফগানিস্তান
  4. নেপাল - ভুটান
ব্যাখ্যা
লাইন অফ কন্ট্রোল:
- LOC এর পূর্ণরূপ হল লাইন অফ কন্ট্রোল। 
- LOC হল ভারত ও পাকিস্তান দ্বারা শাসিত প্রাক্তন রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীরের অংশগুলির মধ্যে সামরিক কমান্ড লাইন। 
- ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের জন্য, নিয়ন্ত্রণ রেখা আইনত স্বীকৃত আন্তর্জাতিক সীমানা নয়, বরং একটি বাস্তব সীমান্ত।
- LOC হল একটি 740 কিলোমিটার দীর্ঘ সীমানা বা সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা যা জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্তকে বিভক্ত করে।
- এটি মূলত যুদ্ধবিরতি লাইন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল.
- কিন্তু 3 জুলাই 1972 সালে স্বাক্ষরিত সিমলা চুক্তির পরে এটিকে 'নিয়ন্ত্রণ রেখা' হিসাবে পুনঃনির্ধারিত করা হয়েছিল।

উৎস: Living on the Line of Control, The British Academy.