পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬ টপিক: বাংলাদেশের ভৌগলিক গঠন ও সীমানা এবং ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব এবং ভৌগলিক পরিচিতি, ভূপ্রকৃতি ও প্রধান নদ-নদী [Live Class – 10 & 11]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে বিভক্তকারী নদী কোনটি?
  1. সাঙ্গু
  2. নাফ
  3. হালদা
  4. কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
নাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাফ
ব্যাখ্যা

নাফ নদী:
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে পৃথক করেছে নাফ নদী।
- নাফ নদী কক্সবাজার জেলার সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব কোণ দিয়ে প্রবাহিত প্রলম্বিত খাঁড়ি সদৃশ নাফ নদী মায়ানমারের আরাকান থেকে কক্সবাজার জেলাকে বিভক্ত করেছে।।
- কক্সবাজার জেলার দক্ষিণে এটি একটি বড় নদী।
- আরাকান ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের অন্যান্য পাহাড় থেকে উৎসারিত নাফ নদী বঙ্গোপসাগরে এসে পড়েছে।
- ১.৬১ কিমি থেকে ৩.২২ কিমি প্রস্থবিশিষ্ট এই নদী জোয়ারভাটা প্রবণ।
- বাংলাদেশের দক্ষিণতম উপজেলা টেকনাফ নাফ নদীর ডান তীরে অবস্থিত।
- মায়ানমারের আকিয়াব বন্দর নাফ নদীর বাম তীরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন সেভেন সিস্টার্সের রাজ্য সংখ্যা কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন সেভেন সিস্টার্সের রাজ্য ৪টি।

সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা,  মিজোরাম রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

.
যমুনা নদীর পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. লোহিত্য নদী
  2. কীর্তিনাশা নদী
  3. জোনাই নদী
  4. দোলাই নদী
সঠিক উত্তর:
জোনাই নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোনাই নদী
ব্যাখ্যা

যমুনা:
- যমুনা গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদীর সাথে মিশেছে।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।।
- যমুনা নদী মূলত ব্রহ্মপুত্রের শাখা। তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের মিলিত স্রোতধারাটি যমুনা নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে এসে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে।
- যমুনা নদীর পূর্ব নাম ছিল জোনাই নদী।
- যমুনার শাখানদী হলো- ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা এবং উপনদীগুলো হলো- তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, বাঙ্গালী, কালজানি, ডোরসা, যমুনেশ্বরী, দুধকুমারত, গঙ্গা, তুলসী গঙ্গা, বড়াল, নারদ ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
i) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
ii) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

i) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার। তবে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে পাহাড়গুলোর উচ্চতা ক্রমশ বেশি। সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিন ডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার। এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং। এর উচ্চতা ১,২৩০ মিটার। এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহ কৃষিকাজের জন্য উপযোগী নয়। তবে স্থানীয় অধিবাসীগণ সীমিত পরিসরে জুম পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে থাকেন ।

ii) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়। উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার। এ পার্বত্য অঞ্চলে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাহাড়ের ঢালে প্রচুর চা উৎপন্ন হয়। 

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোন জেলায় প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ রয়েছে?
  1. কুমিল্লা
  2. নাটোর
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

উৎস:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল?
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২২০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
-  অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার এবং
-  ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অন্তর্ভুক্ত।

[নোট: ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।]

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।।

.
মধুপুর গড় নিম্নের কোন কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা, নোয়াখালি
  2. রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. বগুড়া,নওগাঁ
  4. টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন ভৌগলিক গুরুত্বপূর্ণ রেখা বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে?
  1. কুমেরুবৃত্ত
  2. কর্কট ক্রান্তি রেখা
  3. মকর ক্রান্তি রেখা
  4. সুমেরুবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
কর্কট ক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কট ক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা

 কর্কটক্রান্তি রেখা:
- ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কর্কট ক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখার অপর নাম ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা।
- বছরে সূর্য একবার বিষুবরেখা অতিক্রম করে উত্তর গোলার্ধের সর্বশেষ যে স্থান পর্যন্ত পরিক্রমা করে (২৩.৫ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ) আবার বিষুবরেখার দিকে ফিরে আসে, সেই কাল্পনিক রেখাটিকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলে।

অন্যদিকে,
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
- ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে উত্তর মেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত নামে অভিহিত করা হয়।
- ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle) নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদী কয়টি?
  1.  ৫১ টি
  2.  ৫৪ টি
  3.  ৫৭ টি
  4.  ১০৩ টি
সঠিক উত্তর:
 ৫৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ৫৪ টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদী: গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ।
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে।
- এ নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
- আবহমানকাল ধরে নদীমাতৃক বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা আবর্তিত হচ্ছে এসকল নদীর পানিকে ঘিরে।
- এ তিনটি নদীর অববাহিকার মোট আয়তন প্রায় ১.৭২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যার মাত্র ৭ শতাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত। এসকল নদীর অন্যান্য অববাহিকাভূক্ত দেশ হচ্ছে ভারত, নেপাল, ভূটান ও চীন।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।

১০.
বাংলাদেশের সর্বপূর্বের স্থানের নাম কী?
  1. আখাইনঠং
  2. জকিগঞ্জ
  3. মনাকষা
  4. সাজেক
সঠিক উত্তর:
আখাইনঠং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আখাইনঠং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান:
- সর্বপূর্বের স্থান : আখাইনঠং।
- উপজেলা : থানচি।
- জেলা : বান্দরবান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান - বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা : তেঁতুলিয়া
- জেলা : পঞ্চগড়।

- সর্ব দক্ষিণের স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ/সেন্টমার্টিন।
- উপজেলা : টেকনাফ
- জেলা : কক্সবাজার

- সর্বপশ্চিমের:- স্থান : মনাকষা।
- উপজেলা : শিবগঞ্জ।
- জেলা : চাপাইনবাবগঞ্জ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১.
সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত জেলার নাম- 
  1. চাঁদপুর
  2. সিলেট
  3. সুনামগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত জেলার নাম - সুনামগঞ্জ।
- নদীর সংখ্যা - ৯৭টি।

• সবচেয়ে বেশি জেলা দিয়ে প্রবাহিত নদীর নাম - পদ্মা।
- জেলার সংখ্যা - ১২টি।

• সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদীর নাম - মেঘনা।
- উপজেলার সংখ্যা - ৩৬টি।

• সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত বিভাগের নাম - ঢাকা।
- নদীর সংখ্যা - ২২২টি।

উৎস:  বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট।

১২.
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোনটি সঠিক?
  1. ২৪° ৩৪' থেকে ২৮°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ
  2. ৮৮° ০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
  3. ৮৮° ০১' থেকে ৯১° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
  4. ২০° ৩৪' থেকে ২৪°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
৮৮° ০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮° ০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- যেকোনো দেশের ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারিত হয়েছে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার ভিত্তিতে।
- বাংলাদেশ ৮৮° ০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা এবং ২০° ৩৪' থেকে ২৬° ৩৮' উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে এর সর্বোচ্চ বিস্তৃতি প্রায় ৪৪০ কিলোমিটার, এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃতি প্রায় ৭৬০ কিলোমিটার।
- দেশের সীমানা চারপাশে বিভিন্ন দেশ ও সমুদ্র দিয়ে ঘেরা।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে ত্রিপুরা ও মায়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল বাংলাদেশের অবস্থানকে ঘিরে রেখেছে।
- ভৌগোলিক বিচারে বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়, ভারত ও মিয়ানমারের মাঝখানে।
- এর ভূখণ্ড ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল (বিবিএস ২০২০ অনুসারে)। 

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১৩.
পদ্মা ও মেঘনা কোথায় মিলিত হয়েছে?
  1. গোয়ালন্দ
  2. আজরিমিগঞ্জ
  3. চাঁদপুর
  4. ভৈরববাজার
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
ব্যাখ্যা

▪ পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল : গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
▪ পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল : চাঁদপুর
▪ সুরমা ও কুশিয়ারার মিলনস্থল : আজরিমিগঞ্জ (হবিগঞ্জ)
▪ ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার মিলনস্থল : চিলমারি (কুড়িগ্রাম)
▪ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মিলনস্থল : ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪.
ভারতের কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা নেই?
  1. ত্রিপুরা
  2. মিজোরাম
  3. আসাম
  4. মণিপুর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
ব্যাখ্যা

• ভারতের মণিপুর রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা নেই।

• বাংলাদেশের স্থল সীমানা:

- ভারতের মোট ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশে সীমান্ত রয়েছে।
রাজ্যগুলো হলো:
- পশ্চিমবঙ্গ,
- ত্রিপুরা,
- মেঘালয়,
- মিজোরাম এবং
- আসাম।

- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ,
- উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম,
- পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মায়ানমার,
- বাংলাদেশের দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৫.
বাংলাদেশে কোন ধরণের ভূপ্রকৃতি সবচেয়ে বেশি অঞ্চলজুড়ে দেখা যায়?
  1. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি
  2. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
  3. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি
ব্যাখ্যা

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৮০% সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
- এটি বাংলাদেশকে কৃষিতে সমৃদ্ধ করেছে।
- হিমালয় পাদদেশীয় সমভূমি, প্লাবন সমভূমি, ব-দ্বীপ সমভূমি, উপকূলীয় সমভূমি, স্রোতজ সমভূমি প্রভৃতি অংশে ভাগ করা যায়।

• বাংলাদেশকে ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।
এগুলো হলো-
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
বাংলাদেশের জলসীমা বা উপকূলীয় সীমানা কত কি.মি.?
  1. ৬১০ কি.মি.
  2. ৬৭৮ কি.মি.
  3. ৭১৬ কি.মি.
  4. ৭৬১ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
৭১৬ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১৬ কি.মি.
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য:
- সর্বমোট সীমারেখা- ৪,৭১১ কি.মি. [BGB'র তথ্য মতে ৫,১৩৮ কি.মি.]
-  স্থলসীমা- ভারত-বাংলাদেশ ৩,৭১৫ কি.মি. ও মায়ানমার-বাংলাদেশ ২৮০ কি.মি. [BGB: ৪,১৫৬ কি.মি. ও ২৭১ কি.মি.]
- জলসীমা বা উপকূলীয় সীমানা- ৭১৬ কি.মি. [BGB: ৭১১ কি.মি.]
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।