পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫১: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) টপিক: বৈশ্বিক ইতিহাস (যুদ্ধ-বিগ্রহ, সভ্যতা, বিপ্লব ইত্যাদি), জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা ও চুক্তি।। উৎস: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস, বাংলাপিডিয়া, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
"ম্যানহাটন প্রজেক্ট" কোন যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  3. কোরীয় যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ম্যানহাটান প্রজেক্ট:
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল।
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- পারমাণবিক বোমার জনক রবার্ট ওপেনহেইমার ছিলেন ম্যানহাটান প্রজেক্টের প্রধান।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: Britannica.
.
প্রজাতি সংরক্ষণের জন্য কোন সংস্থা 'Red List' প্রকাশ করে?
  1. IPCC
  2. WWF
  3. IUCN
  4. UNEP
ব্যাখ্যা
IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরুপ: International Union for the Conservation of Nature.
- এটি বিশ্ব জীববৈচিত্র সংরক্ষণকারী সংস্থা।
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে ফ্রান্সের ফন্টেইনব্লিউতে 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি বিশ্বের ১৭০টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।
- প্রজাতি সংরক্ষণের জন্য 'রেড লিস্ট' প্রকাশ করে IUCN।

• Red List of Threatened Species:
- IUCN এর Red List of Threatened Species প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- এটি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষণ অবস্থা মূল্যায়ন এবং কোন প্রজাতি বিপন্ন, সংকটাপন্ন বা বিলুপ্তির পথে তা শনাক্ত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তালিকা।

⇒ IUCN এর Red List of Threatened Species এ প্রজাতিগুলিকে ৯টি প্রধান ক্যাটাগরিতে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়:
- Extinct (EX): বিলুপ্ত - এই প্রজাতি পৃথিবীতে আর নেই।
- Extinct in the Wild (EW): বন্যপ্রাণীতে বিলুপ্ত - এই প্রজাতির আর কোনো প্রাকৃতিক বাসস্থান নেই, তবে তারা চিড়িয়াখানায় বা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে জীবিত থাকতে পারে।
- Critically Endangered (CR): অত্যন্ত বিপন্ন - এই প্রজাতির অস্তিত্ব বিপদের সম্মুখীন এবং খুব শীঘ্রই এটি বিলুপ্ত হতে পারে।
- Endangered (EN): বিপন্ন - এই প্রজাতির অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন, তবে এখনো বিলুপ্তি থেকে কিছুটা দূরে।
- Near Threatened (NT): প্রায় বিপন্ন - এই প্রজাতি বর্তমানে বিপন্ন না হলেও ভবিষ্যতে বিপন্ন হতে পারে।
- Vulnerable (VU): সংবেদনশীল - এই প্রজাতি বিপন্ন হতে পারে যদি পরিস্থিতি পরিবর্তন না হয়।
- Least Concern (LC): কম উদ্বেগজনক - এই প্রজাতি বিস্তৃত এবং সংরক্ষণগত ঝুঁকি নেই।
- Data Deficient (DD): তথ্য অপর্যাপ্ত - এই প্রজাতির জন্য যথেষ্ট তথ্য নেই যা দ্বারা এর সংরক্ষণ অবস্থা নির্ধারণ করা সম্ভব।
- Not Evaluated (NE): মূল্যায়ন হয়নি - এই প্রজাতির এখনও Red List এ মূল্যায়ন করা হয়নি।

উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পার্ল হারবার আক্রমণ করেছিল কোন দেশ?
  1. রাশিয়া
  2. ইতালি
  3. জাপান
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার আক্রমণ:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ।
- চীনের সঙ্গে পরপর দুটি যুদ্ধজয়ের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধজয়ে জাপান আরও বেশি আগ্রাসি হয়ে ওঠে।
- এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভ করায় জাপান আরও সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে।
- ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের মধ্য দিয়ে জাপান তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।
.
'গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসে' কোন চুক্তি প্রথম আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরি করে?
  1. মন্ট্রিল প্রোটোকল
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রোটোকল
  4. নাগোয়া প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য প্রথম আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরি করে কিয়োটো প্রোটোকল। 
- এই প্রোটোকলটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (UNFCCC) অধীনে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- কিয়োটো প্রোটোকল শিল্পোন্নত দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়। 

⇒ স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ কিয়োটো প্রটোকলের অংশ হিসেবে অনেক উন্নত দেশ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসকরণের জন্য নৈতিকভাবে দুটি পর্যায়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।
- প্রথম প্রতিশ্রুতির সময় ২০০৮-২০১২ এবং দ্বিতীয়টি ২০১৩-২০২০ সাল পর্যন্ত।
- প্রথম চুক্তির মেয়াদ ২০১২ সালে শেষ হলে দ্বিতীয় দফায় সেই চুক্তি সংশোধন করে ২০২০ সাল নাগাদ বর্ধিত করা হলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়নি।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
.
১৯৭৩ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধ কী নামে পরিচিত?
  1. ছয় দিনের যুদ্ধ
  2. সুয়েজ যুদ্ধ
  3. গাজা যুদ্ধ
  4. ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

⇒ ইয়োম কিপুর যুদ্ধ:
- মিসর ও সিরিয়া নেতৃত্বাধীন জোট এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৭৩ সালের ৬ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এ লড়াই সংঘটিত হয়।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরে ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোট অতর্কিত হামলা করে।
- মিসর ও সিরিয়া সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- এ অঞ্চলগুলো ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েল দখল করে নেয়।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।
- ইয়োম কিপুরের যুদ্ধে ইসরায়েল জয়ী হয়।

উলেখ্য
- Yom Kippur War নামে পরিচিত চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- এসময় মুসলিম পবিত্র মাস রমজান ছিল।
- এই যুদ্ধ অক্টোবর যুদ্ধ ও রমজান যুদ্ধ নামেও পরিচিত।

অন্যদিকে,
- ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ: সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে। ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।
- ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ: সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে। মিশর সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করলে সুয়েজ খাল সংকট তৈরি হয়। এটি 'সুয়েজ সংকট' নামেও পরিচিত।
- ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ: সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে। এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।

উৎস: Worldatlas.
.
তিয়ানানমেন স্কয়ার গণহত্যা কোথায় সংঘটিত হয়েছিল?
  1. চীন
  2. ভিয়েতনাম
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
তিয়ানানমেন স্কয়ার গণহত্যা:
- তিয়ানানমেন স্কয়ার গণহত্যা চীনের বেইজিংয়ের তিয়ানানমেন স্কোয়ারে ঘটেছিল।
- ১৯৮৯ সালের জুন মাসের প্রথম দিকে এই গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। 

⇒ তিয়ানআনমেনে স্কয়ার ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল ১৯৮৯ সালের ১৫ এপ্রিল।
- সেসময় চীনা ছাত্ররা বেইজিংয়ের ওই স্কয়ারে জড়ো হতে শুরু করে।
- জনপ্রিয় সংস্কারপন্থী চীনা নেতা হু ইয়াওবাং এর মৃত্যুকে ঘিরে গণবিক্ষোভ দানা বাঁধতে থাকে সেসময়।
- ওই বিক্ষোভ দমাতে একপর্যায়ে ৩ ও ৪ জুন পিপলস লিবারেশন আর্মি ট্যাঙ্ক নিয়ে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে হামলা চালায়।
- ভয়ানক মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে তারা ওই বিক্ষোভকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। চীনা চীনা কমিউনিস্ট পার্টি সেসময় জানায়, ওই ঘটনায় ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসহ ২০০ জন নিহত হয়েছিলেন, আহত হয়েছিলেন ৩ হাজারের বেশি মানুষ।

উৎস: Britannica.
.
২৯তম জলবায়ু সম্মেলন ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর কত বিলিয়ন ডলার সহায়তার অঙ্গীকার করা হয়েছে?
  1. ১০০ বিলিয়ন ডলার
  2. ১৫০ বিলিয়ন ডলার
  3. ২০০ বিলিয়ন ডলার
  4. ৩০০ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29):
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব একটি বৈশ্বিক সমস্যা।
- তাই জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত কাঠামো কনভেনশনের (ইউনএফসিসিসি) আওতায় ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর Conference of Parties (COP) অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

⇒ ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’। জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯–এর সভাপতিত্ব করেন মুখতার বাবায়েভ (Mukhtar Babayev)। এই সম্মেলনে রাষ্ট্রপ্রধান, বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তারা অংশ নেন।

উল্লেখ্য,
- এ জলবায়ু চুক্তিতে ঐকমত্যে আসে প্রায় ২০০টি সদস্য দেশ।
- চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর ৩০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার অঙ্গীকার করেছে।
- পাশাপাশি, দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধের জন্য ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে বলে সম্মত হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
.
'বাস্তিল দুর্গ পতন' কোন বিপ্লবের সূচনাচিহ্ন?
  1. কিউবা বিপ্লব
  2. শিল্প বিপ্লব
  3. ফরাসি বিপ্লব
  4. রুশ বিপ্লব
ব্যাখ্যা
বাস্তিল দুর্গ:
- বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের অন্যতম কেন্দ্র।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের প্রতীক।
- ১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- 'বাস্তিল দুর্গ পতন' ফরাসি বিপ্লবের সূচনাচিহ্ন। 

উল্লেখ্য,
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- বাস্তিল দুর্গের পতন রাজতন্ত্রের পতনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
- দুর্গের পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায় এবং রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।
- ফ্রান্সের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা হয় এবং অভিজাততন্ত্রের পতন আসন্ন হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
.
Biosafety Clearing-House (BCH) প্রতিষ্ঠা হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. নাগোয়া প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
Biosafety Clearing-House (BCH):
- Biosafety Clearing-House (BCH) প্রতিষ্ঠিত হয় কার্টাগেনা প্রটোকলের অধীনে।
- Biosafety Clearing-House (BCH) হলো একটি অনলাইন তথ্য কেন্দ্র, যার মাধ্যমে জীবিত পরিবর্তিত জীব (LMOs) সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করা যায়, দেশগুলো তাদের বায়োসেফটি আইন-কানুন, নীতিমালা, সিদ্ধান্ত ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে,
- এটি Cartagena Protocol বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

⇒ কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity। এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল। এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
১০.
আরব বসন্ত আন্দোলনের অংশ হিসেবে কত সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে শুরু হওয়া আরব রাষ্ট্রগুলোর জনগণের বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলন সংগঠিত হয় বলে এটি আরব বসন্ত বা আর রবিউল আরাবি নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়ে ওটে।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের বহু দেশেই দীর্ঘকাল ধরে শাসনকারী স্বৈরশাসকরা ক্ষমতা থেকে উৎখাত হন।
- এতে মূলত সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনগুলোর প্রসার এবং আঞ্চলিক মিডিয়ার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ:
- ২০১১ সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- এটি আরব বসন্ত (Arab Spring) আন্দোলনের অংশ হিসেবে শুরু হয়, যা ২০১১ সালের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঢেউ আনে।

উল্লেখ্য,
- ২০১১ সালে সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়।
- এই বিক্ষোভের মূল কারণ ছিল, সিরিয়ার নাগরিকরা সরকারের স্বৈরাচারী শাসন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অর্থনৈতিক দুরবস্থা নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল।
- বিক্ষোভের সূত্রপাত হয় দক্ষিণ সিরিয়ার ডারা শহরে, যখন কয়েকজন ছাত্র সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান লিখে দেয়।
- এরপর পুলিশ তাদের আটক করে এবং তাদের ওপর নির্যাতন চালায়, যা ব্যাপক জনরোষ সৃষ্টি করে।
- আন্দোলনটি দ্রুত সিরিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং এটি এক পর্যায়ে সরকার বিরোধী সহিংস গৃহযুদ্ধে পরিণত হয়।

- টানা গৃহযুদ্ধের কারণে কার্যত ধসে গেছে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ব্যবস্থা।
- এইচটিএস বিদ্রোহী গোষ্ঠীটিই প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ও প্রাণঘাতী ছিলো।
- বিদ্রোহীদের ১২ দিনের পতন হয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল–আসাদের।
- বাশার আল–আসাদের পতনের আগে থেকেই ইদলিব বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল–শামসের (এইচটিএস) নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- সিরিয়ান স্যালভেশন গভর্নমেন্ট তাদেরই সরকার, বাশারকে ক্ষমতাচ্যুত করা বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর নেতৃত্বে ছিল এই এইচটিএস।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
১১.
রটারডাম কনভেনশনের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বন উজাড় রোধ
  2. গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস
  3. পারমাণবিক বর্জ্য নিষ্পত্তি
  4. বিপজ্জনক রাসায়নিকের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
রটারডাম কনভেনশন:
- রটারডাম কনভেনশন হলো একটি বহুপাক্ষিক পরিবেশগত চুক্তি।
- এটি বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনার জন্য এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- কনভেনশনটি গৃহীত হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার দূর করতে।

⇒ গৃহীত হয়েছিল: ১০ ​​সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮।
- স্থান: নেদারল্যান্ডের রটারডামে।
- কার্যকর হয়: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- কনভেনশনের উদ্দেশ্য হলো মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশকে সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পক্ষগুলির মধ্যে ভাগ করা দায়িত্ব এবং সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার প্রচার করা।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৬-এ বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: Rotterdam Convention ওয়েবসাইট।
১২.
'বোস্টন টি পার্টি' কোন বিপ্লবের সূচনা করে?
  1. অরেঞ্জ বিপ্লব
  2. অক্টোবর বিপ্লব
  3. আমেরিকান বিপ্লব
  4. টিউলিপ বিপ্লব
ব্যাখ্যা
বোস্টন টি পার্টি:
- 'বোস্টন টি পার্টি' আমেরিকান বিপ্লবের সূচনা করে।
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিবাদ এবং এটি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে।

⇒ Boston Tea party সংঘটিত হয়েছিল ১৭৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- এই পার্টিটি ছিল বোস্টনে সন অব লিবার্টিদের একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে টি পার্টিটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
- ১৭৭০ সালের ৫ মার্চ বোস্টন রাজস্ব বিভাগের সামনে আমেরিকানদের সাথে ব্রিটিশ সৈনিকরা কর আদায়ের ইস্যুকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
- তখন ব্রিটিশরা উত্তেজিত ব্যবসায়ীদের দিকে গুলি ছুড়লে সেখানে ৫ জন নিহত হয়।
- অংশগ্রহণকারীরা কেউ কেউ আদিবাসী মার্কিনীদের ছদ্মবেশে চা আইনের বিরোধিতায়, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক প্রেরিত চায়ের একটি গোটা চালান ধ্বংস করে দেন।
- তারা এরপর জাহাজে উঠে পড়েন এবং চায়ের সিন্দুকগুলো বোস্টন পোতাশ্রয়ে ছুড়ে ফেলেন।
- ব্রিটিশ সরকার এর কঠোরভাবে জবাব দেয় এবং এই ঘটনাটি মার্কিন বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যায়।
- এই ঘটনাটি ১৭৭৬ সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধকে ত্বরান্বিত করে।

উৎস: History.com.
১৩.
'বলশেভিক বিপ্লব'-এর নেতা কে ছিলেন?
  1. ভ্লাদিমির লেনিন
  2. কার্ল মার্ক্স
  3. আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি
  4. জোসেফ স্টালিন
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে। বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
১৪.
কোন দেশের উদ্যোগে ‘জি-জিরো’ ফোরাম গঠিত হয়েছে?
  1. ভুটান
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. জার্মানি
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
‘জি-জিরো’ ফোরাম:
- ভুটানের উদ্যোগে ‘জি-জিরো’ ফোরাম গঠিত হয়েছে।

⇒ গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রা ও প্রকোপ কমাতে পৃথিবীর উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর যখন হিমশিম অবস্থা, ঠিক সেই সময় ভুটানের নেতৃত্বে চার কার্বন নিরপেক্ষ দেশ নতুন এক গোষ্ঠী তৈরি করল।
- চারটি দেশ হলো: ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা এবং সুরিনাম।
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, সুরিনামের প্রেসিডেন্ট চান সানতোখি, মাদাগাস্কারের প্রধানমন্ত্রী ও পানামার বিশেষ দূত এই যৌথ ঘোষণায় সই করেন।
- এই চার দেশে যতটুকু কার্বন নিঃসরণ হয়, তা হয় দূষণমাত্রার চেয়ে কম নতুবা সেই দূষণ শুষে নেওয়ার মতো পরিবেশব্যবস্থা তারা তৈরি করতে পেরেছে। কাজেই এসব দেশ থেকে নিঃসরিত কার্বন উষ্ণায়নের কারণ হয় না।

উল্লেখ্য,
- আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯।
- এ সম্মেলনে ভুটানের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে 'জি জিরো' ফোরাম।

উৎস: Carbon Pulse.
১৫.
'কনস্টান্টিনোপলের পতন' কোন সাম্রাজ্যের অবসান ঘটায়?
  1. বাইজেন্টাইন
  2. অটোমান
  3. পারস্যিক
  4. মিশরীয়
ব্যাখ্যা
বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতায় পরিণত হয়েছিল।
- বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে বিস্তৃত।

⇒ কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।

⇒ কনস্টান্টিনোপলের পতন:
- চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ওসমানীয় তুর্কিদের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ১৪৫৩ সালে ওসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের পতন ঘটে।
- পরবর্তী পর্যায়ে তুর্কি শক্তি সমগ্র গ্রিস অঞ্চলসহ পূর্ব ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: i) History.com
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
'অপারেশন বারবারোসা' কী ছিল?
  1. মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডি আক্রমণ
  2. জাপানের পার্ল হারবার আক্রমণ
  3. জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ
  4. জার্মানির যুক্তরাজ্য আক্রমণের পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
অপারেশন বারবারোসা:
- 'অপারেশন বারবারোসা' ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণের সাংকেতিক নাম।
- এটি ছিল ইতিহাসের বৃহত্তম সামরিক আক্রমণগুলির মধ্যে একটি যা ১৯৪১ সালের ২২ জুন শুরু হয়েছিল।
- জার্মানির লক্ষ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নকে দ্রুত পরাজিত করা এবং পূর্বে নিজেদের সাম্রাজ্য প্রসারিত করা।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় পূর্ব ফ্রন্টের যুদ্ধ বা জার্মানীর রাশিয়া আক্রমণ।
- ১৯৪১ সালে ২২ জুন জার্মানীর হিটলার 'অপারেশন বারবারোসা' নামে পরিচিত সোভিয়েত ইউনিয়ন অভিযান শুরু করেছিলেন।
- এই অভিযানে ১৯টি প্যানযার ডিভিশন, ৩ হাজার ট্যাংক, ২৫০০ বিমান এবং ৭০০০ কামান অংশ গ্রহণ করে।
- সর্বমোট ত্রিশ লক্ষ সৈনিক সাথে ৬ লক্ষ মোটরযান এবং ৬-৭ লক্ষ ঘোড়া ব্যবহার হয়েছিল এই অভিযানে।
- তিনটি দলে ভাগ হয়ে তিনটি ভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ফিল্ড মার্শাল ভব লিন, ভন বক এবং ভন রান্সডেট।
- মাত্র ১৭ দিনের মধ্যেই তারা ৩ লাখ রাশিয়ান সৈনিককে বন্দি করা ছাড়াও আড়াই হাজার ট্যাঙ্ক, ১ হাজার ৪০০ আর্টিলারি গান এবং ২৫০টি রুশ ফাইটার প্লেন বিধ্বস্ত করে জার্মানরা।

উল্লেখ্য,
- সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা জোসেফ স্ট্যালিনের নেতৃত্ব নাৎসিদের অপারেশন বারবারোসাকে ব্যর্থ করে দেয়।
- রাশিয়ার কঠোর শীত ও সোভিয়েত পাল্টা আক্রমণে জার্মানি পিছু হটে।

উৎস: Britannica.
১৭.
কততম জলবায়ু সম্মেলনে 'পারিস চুক্তি' গ্রহণ করা হয়?
  1. ১৫তম
  2. ১৬তম
  3. ২১তম
  4. ২৭তম
ব্যাখ্যা
পারিস চুক্তি (Paris Agreement):
- প্যারিস চুক্তি হলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি আইনত বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি ।
- ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে ২১তম কপ সম্মেলনে (জলবায়ু সম্মেলনে) 'পারিস চুক্তি' গ্রহণ করা হয়।
- এটি বিশ্বের ১৯৫টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি।
- এটি কার্যকর হয়: ৪ নভেম্বর, ২০১৬।
- পারিস চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে চেষ্টা করা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমানোর দিকে পদক্ষেপ নেয়া। 

⇒ পারিস চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্প স্তরের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর নিচে রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা চালানো।
- তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিশ্ব নেতারা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমার মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা রাখার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন।

⇒ ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমাবদ্ধ রাখতে হলে, ২০২৫ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৪৩% হ্রাস করতে হবে।
- পারিস চুক্তির উদ্দেশ্য মূল্যায়ন করার জন্য এবং দেশগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করার জন্য, প্রতি ৫ বছর অন্তর একটি বিশ্বব্যাপী পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১৮.
গ্রীক সভ্যতার দুই প্রধান নগর-রাষ্ট্র কোনগুলো ছিল?
  1. মেমফিস ও থিবস
  2. বাবিলন ও নিনেভে
  3. রোম ও কার্থেজ
  4. এথেন্স ও স্পার্টা
ব্যাখ্যা
গ্রীক সভ্যতা:
⇒ ইউরোপ মহাদেশের আধুনিক গ্রীক রাষ্ট্রের অন্তর্গত প্রাচীন কয়েকটি শহরকে কেন্দ্র করে গ্রীক সভ্যতার উদ্ভব ঘটে। বলকান উপকূলের দক্ষিণাংশে অবস্থিত গ্রীস প্রায় পাঁচ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী বিস্তৃত। অড্রিয়াটিক সাগর, ভূমধ্যসাগর, এজিয়ান সাগর দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে গ্রীক সভ্যতাকে 'ওসেনিয়ান' (সাগরীয়) সভ্যতা বলা হয়। 

⇒ গ্রীক সভ্যতার দুটি স্তর রয়েছে। প্রথম স্তর হেলেনিক সভ্যতা এবং দ্বিতায় স্তরে হেলেনিস্টিক সভ্যতা। তাই গ্রীক সভ্যতার উন্মেষ বা আদিপর্ব হেলেনিক যুগ। কেবল গ্রীক উপদ্বীপ কেন্দ্রীক এই সভ্যতার প্রধান কেন্দ্র বিন্দু ছিল এথেন্স। খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ থেকে ৩৩৭ অব্দ পর্যন্ত হেলেনিক যুগ বিদ্যমান ছিল। অতঃপর রাজা ফিলিপ কর্তৃক মেসিডোনিয়া কেন্দ্রীক নতুন সভ্যতা গড়ে ওঠে। রাজা ফিলিপের পুত্র আলেকজান্ডারের নেতৃত্বে গ্রীকরা ইউরোপ আফ্রিকা ও এশিয়া ব্যাপী বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলে। ফলে গ্রীক শিক্ষা-সংস্কৃতির সঙ্গে বাইরের সংস্কৃতির মিশ্রণ ঘটিয়ে যে সভ্যতার সৃষ্টি হয় তাই হেলেনিস্টিক যুগের সভ্যতা।

⇒ গ্রীক সভ্যতার ক্রমবিকাশে আদিকালকে হোমারিক যুগ বলা হয়। গ্রীক কবি হোমারের নাম থেকে এ যুগের নামকরণ করা হয়। খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ থেকে ৮০০ অব্দ পর্যন্ত এই যুগের বিস্তৃতি। বিখ্যাত কবি হোমার 'ইলিয়ড' এবং 'ওডিসি' নামে দুটি মহাকাব্য রচনা করেন। তার রচনাবলী থেকে গ্রীক ইতিহাস, ভূগোল, সাহিত্য, লোক ঐতিহ্যের সন্ধান পাওয়া যায়। হোমারিক যুগে সমগ্র গ্রীক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রামীণ সংস্থায় (Village Community) বিভক্ত ছিল এবং স্বাধীন ভাবে পরিচালিত হতো। 

⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ অব্দের দিকে হোমারিক যুগের অবসান ঘটে। হোমারিক যুগের গ্রাম সম্প্রদায়গুলি ভেঙ্গে কালক্রমে নগর রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। এথেন্স, থিক্স, মেগারা, স্পার্টা এবং করিন্থ প্রভৃতি নগরীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এসব ক্ষুদ্র রাষ্ট্র। 
- প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার দুটি প্রধান নগর-রাষ্ট্র ছিল এথেন্স ও স্পার্টা।
এথেন্স ছিল গণতন্ত্র ও সংস্কৃতির কেন্দ্র, যেখানে দর্শন, শিল্পকলা এবং স্থাপত্যের বিকাশ ঘটেছিল। অন্যদিকে, স্পার্টা ছিল সামরিক শক্তিতে পারদর্শী একটি নগর-রাষ্ট্র, যেখানে কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ ও শৃঙ্খলা ছিল প্রধান। 

⇒ খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রীসের দুটি শক্তিশালী নগর রাষ্ট্র এথেন্স ও স্পার্টার মধ্যে বিরোধ বাধে। স্পার্টা নগর রাষ্ট্রটি বরাবরই সামরিক তন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে যে যুদ্ধ হয় তা ইতিহাসে পেলোপনেসীয় যুদ্ধ (খ্রিস্টপূর্ব ৪৩১-৪০৪ অব্দ) বলে খ্যাত। এই যুদ্ধে এথেন্সের পতন ঘটে এবং স্পার্টা এথেন্স দখল করে নেয়। ফলে হেলেনিক সভ্যতারও পতন ঘটে।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
১৯.
COP-30 এ COP মানে কী?
  1. Convention of Peace
  2. Conference of the Parties
  3. Council of Presidents
  4. Committee on Pollution
ব্যাখ্যা
Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.

⇒ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উল্লেখ্য,
- প্রথম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিন শহরে। ১৯৯৫ সালের ২ মার্চ - ৭ এপ্রিল জার্মানির বার্লিনে প্রথম কপ-১ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- কপ- ৩০ (COP-30) সম্মেলন ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম ডো প্যারাকে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২০.
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি কোন যুদ্ধের অবসান ঘটায়?
  1. ত্রিশ বছরের যুদ্ধ
  2. নেপোলিয়নের যুদ্ধ
  3. শতবর্ষী যুদ্ধ
  4. পেলোপনেসীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি এর মাধ্যমে ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রটেস্ট্যান্ট রাষ্ট্রগুলি ধর্মীয় স্বাধীনতা পায়, ফ্রান্সকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে এবং ইউরোপে তাদের রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পায়, অস্ট্রিয়ার হাবসবার্গ সম্রাটদের ক্ষমতা হ্রাস পায়।

⇒ ত্রিশ বছরের যুদ্ধ (Thirty years war):
- ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধ ছিল ১৬১৮ খ্রিস্টাব্দ - ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সংঘটিত একটি দীর্ঘমেয়াদি অনুক্রমিক যুদ্ধ।
- সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমভাগে ইউরোপে প্রোটেস্ট্যান্ট এবং ক্যাথলিকদের মধ্যে এই যুদ্ধ সংগঠিত হয়।
- ধর্মই এই যুদ্ধের একমাত্র কারণ ছিলো তা নয়, বরং ধর্ম এবং রাজনীতি উভয় কারণে এক জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে এটি একটি আন্তর্জাতিক যুদ্ধে পরিণত হয়।
- এই যুদ্ধে প্রোটেস্টান্ট এবং ক্যাথলিক উভয়েই তাদের নিজস্ব শক্তি বজায় রেখে এগিয়ে যেতে থাকে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
মন্ট্রিল প্রটোকলের অধীনে কোন ধরনের পদার্থের উৎপাদন ও ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বন্ধ করা হয়?
  1. কার্বন মনোক্সাইড
  2. সালফার ডাই অক্সাইড
  3. নাইট্রাস অক্সাইড
  4. ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS)
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।