পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬ টপিক: আন্তরাষ্টীয় ক্ষমতা সম্পর্ক. স্নায়ুকালীন ঘটনা প্ৰবাহ, স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী বৈশ্বিক ঘটনাবলী, সীমারেখা এবং অমীমাংসিত ভূখন্ড, বিরোধপূর্ণ দ্বীপ, গেরিলা ও বিপ্লবী সংগঠন, গোয়েন্দা সংস্থা, সামরিক বিষয়াদি, (সশস্ত্রবাহিনী, সামরকি খেতাব, সামরিক স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি ও কারাগার [Live Class – 11 & 12]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
'ইয়োম কিপুর যুদ্ধ' নামে পরিচিত কোনটি? 
  1. প্রথম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  3. তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
  4. চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ইয়োম কিপুর যুদ্ধ:
- Yom Kippur War নামে পরিচিত চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।

⇒ মিসর ও সিরিয়া নেতৃত্বাধীন জোট এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৭৩ সালের ৬ - ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়োম কিপুরে ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোট অতর্কিত হামলা করে।
- মিসর ও সিরিয়া সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- এ অঞ্চলগুলো ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েল দখল করে নেয়।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।
- ইয়োম কিপুরের যুদ্ধে ইসরায়েল জয়ী হয়।

উলেখ্য
- এসময় মুসলিম পবিত্র মাস রমজান ছিল।
- এই যুদ্ধ অক্টোবর যুদ্ধ ও রমজান যুদ্ধ নামেও পরিচিত।

উৎস: Worldatlas.
.
'কালাপানি' কোন দুইটি দেশের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. ভারত ও চীন
  3. ভারত ও নেপাল
  4. ভারত ও ভুটান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা
কালাপানি:
- কালাপানি হলো ভারত ও নেপালের মধ্যে একটি সীমান্ত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- এটি উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

⇒ নেপাল দাবি করে যে কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নেপালের অংশ, যেহেতু সেখান দিয়ে মাহাকালী নদীর উৎস বইছে।
- ভারত বলে এটি তাদের ভূখণ্ড এবং দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় প্রশাসনের অধীনে।

উল্লেখ্য,
- ১৮১৫ সালের সুগৌলি চুক্তি (Sugauli Treaty) অনুযায়ী ব্রিটিশরা নেপাল থেকে কিছু ভূখণ্ড নিয়েছিল।
- নেপাল দাবি করে ১৮১৫ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে চুক্তি অনুযায়ী কালি নদীর পূর্বাঞ্চল তাদের, কিন্তু ভারত সবসময় কালি নদীর উৎস এবং তার নদীর প্রবাহ বদলে যাওয়াসহ এই অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার নিয়ে নানা প্রমাণ হাজির করেছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।  তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম। নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত। যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন - তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

উৎস: i) BBC.
ii) Institute Of Peace & Conflict Studies.
.
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. জওহরলাল নেহেরু
  2. কোয়ামে নক্রমা
  3. মার্শাল টিটো
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM):
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement.
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৫টি।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ন্যাম-এর সদস্য পদ লাভ করে।

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) প্রতিষ্ঠাতা-
- যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপতি মার্শাল টিটো, ঘানার রাষ্ট্রপতি কোয়ামে নক্রমা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, মিশরের রাষ্ট্রপতি জামাল আবদেল নাসের এবং ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি ড. সুকর্ণ।
- একে বলা হতো পঞ্চ-উদ্যোগ।

উল্লেখ্য,
- প্রথম সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে তৎকালীন যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
.
কোরীয় সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘে 'Uniting for peace resolution' পাশ করা হয় -
  1. ১ নভেম্বর, ১৯৫০
  2. ৩ নভেম্বর, ১৯৫০
  3. ১ নভেম্বর, ১৯৫৩
  4. ৩ নভেম্বর, ১৯৫৩
সঠিক উত্তর:
৩ নভেম্বর, ১৯৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ নভেম্বর, ১৯৫০
ব্যাখ্যা
কোরীয় যুদ্ধ:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ভাগ করে।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
- শুরু থেকেই দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে উত্তপ্ত সম্পর্ক বিরাজ করে। এই যুদ্ধকে 'the Forgotten War' বলে অভিহিত করেছেন।

⇒ যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৯৫০-১৯৫৩ সাল।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে ৩৮° সমান্তরাল রেখা বরাবর দুটি দেশের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
.
গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা কী নামে পরিচিত?
  1. পার্পল লাইন
  2. গ্রিন লাইন
  3. ব্লু লাইন
  4. সিগফ্রিড লাইন
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- গোলান মালভূমি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কাপুর নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

⇒ এই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বে কখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি।
- তবে মার্কিন নীতি ভঙ্গ করে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দখলদারিত্বে স্বীকৃতি দেন।

অন্যদিকে -
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (ইজিপ্ট, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা।

উৎস: Britannica.
.
NATO গঠনের প্রতিক্রিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়ন কোন সামরিক জোট গঠন করে?
  1. ওয়ারশ প্যাক্ট
  2. বার্লিন প্যাক্ট
  3. ব্রাসেলস প্যাক্ট
  4. ওয়াশিংটন প্যাক্ট
সঠিক উত্তর:
ওয়ারশ প্যাক্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারশ প্যাক্ট
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- NATO গঠনের প্রতিক্রিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়ন সামরিক জোট ওয়ারশ প্যাক্ট গঠন করে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির সাথে সাথে Warsaw Pact বিলুপ্ত হয়।

⇒ NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।

উৎস: i) Britannica.
ii) NATO ওয়েবসাইট।
.
ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় কোন ঐতিহাসিক চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তার সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করে?
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. ভিয়েনা চুক্তি
  3. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. হ্যানয় চুক্তি
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা
ভিয়েতনাম যুদ্ধ:
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত যা প্রায় ২০ বছর (১৯৫৪-৭৫) ধরে চলে।
- এটি ছিল উত্তর ভিয়েতনাম (সমাজতান্ত্রিক) ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের (মার্কিন-সমর্থিত) মধ্যে সংঘটিত একটি গৃহযুদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারে উত্তর ভিয়েতনাম ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিল উত্তর ভিয়েতনাম জয়লাভ করে এবং দক্ষিণ ভিয়েতনাম দখল করে নেয়।
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামে সমাজতান্ত্রিক শাসনে একীভূত হয়।

⇒ প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকাল - ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষসমূহ - যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- ফলাফল - ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।

উৎস: History.com
.
COMECON-এর উদ্যোক্তা কে?
  1. জোসেফ স্টালিন
  2. লিওনিড ব্রেজনেভ
  3. ভ্লাদিমির লেনিন
  4. এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট
সঠিক উত্তর:
জোসেফ স্টালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোসেফ স্টালিন
ব্যাখ্যা
COMECON:
- COMECON এর পূর্ণরূপ: Council for Mutual Economic Assistance.
-এটি একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ৫ জানুয়ারি, ১৯৪৯।
- উদ্যোক্তা: জোসেফ স্টালিন, রাশিয়া।
- সদরদপ্তর: মস্কো, রাশিয়া।
- সদস্য: ১০টি (সোভিয়েত রাশিয়া, বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি, চেকোস্লোভাকিয়া, পোল্যান্ড, পূর্ব জার্মানি, রোমানিয়া ও মঙ্গোলিয়া, কিউবা, ভিয়েতনাম)।
- বিলুপ্ত: ২৮ জুন, ১৯৯১ সালে।
- উদ্দেশ্য: যুদ্ধবিধ্বস্ত পূর্ব ইউরোপের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা।

উৎস: Britannica.
.
নাইন-ইলেভেন হামলায় কোন সন্ত্রাসী সংগঠন জড়িত ছিল?
  1. আল-কায়েদা
  2. হামাস
  3. উলফা
  4. হায়াত তাহরির আল-শাম
সঠিক উত্তর:
আল-কায়েদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল-কায়েদা
ব্যাখ্যা
নাইন-ইলেভেন:
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়দা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে যুক্তরাষ্ট্রে একইসাথে চারটি সন্ত্রাসী হামলা চালায় যা নাইন-ইলেভেন নামে পরিচিত।
- ২টি বিমান দিয়ে আঘাত করে নিউইয়র্কে অবস্থিত ১১০ তলা বিশিষ্ট ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে, ১ টি পেন্টাগনে ও ১ টি পেনসিলভেনিয়ায়।
- আক্রমনে ২,৯৯৭ জন নিহত এবং ৬,০০০ এর অধিক মানুষ আহত হয়, এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক অবকাঠামো ও সম্পদ।
- ধ্বংসস্তূপটি কে গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- নাইন-ইলেভেন হামলায় জড়িত ছিল সন্ত্রাসী সংগঠন আল কায়েদা।
- আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বে এই হামলা সংঘটিত হয়েছিল।
- এই হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বুশ সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য Department of Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: Britannica.
১০.
সুয়েজ খাল সংকটের কারণে কোন যুদ্ধটি সংঘটিত হয়?
  1. আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৪৮
  2. আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৫৬
  3. আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৬৭
  4. আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৫৬
ব্যাখ্যা
২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।

উল্লেখ্য,
- মিশর সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করলে সুয়েজ খাল সংকট তৈরি হয়।
- ফলে ১৯৫৬ সালের ২৯ অক্টোবর - ৬ নভেম্বর ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধের ফলাফল: সুয়েজ খালের ওপর পশ্চিমা নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং মিশরের রাষ্ট্রপতি গামাল আবদেল নাসেরকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
- এটি 'সুয়েজ সংকট' নামেও পরিচিত।

উৎস: Worldatlas.
১১.
কত সালে Anti Ballistic Missile Treaty বাতিল হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
ABM Treaty:
- ABM (Anti Ballistic Missile Treaty) ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti- Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ মে, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- চুক্তির বিষয়: দ্বিপাক্ষিক অস্ত্র সীমিতকরণ।
- চুক্তি বাতিল: ১৩ জুন, ২০০২ সাল।

উল্লেখ্য,
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১-এ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ৬ মাস পরে জুন, ২০০২ সালে এই প্রত্যাহার কার্যকর হয়।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১২.
ফিলিস্তিন ভূমিতে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
ইসরায়েল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ভাষা: হিব্রু।

⇒ ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরায়েল।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা ফিলিস্তিন ভূমিতে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- ইসরাইলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ডেভিড বেন গুরিয়েন।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে তুরস্কের সেনাদের হাত থেকে জেরুজালেম দখল করে ব্রিটেন।
- ১৯১৭ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের ভূমি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- তখন ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের জন্য সহায়তা করবে।
- ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড আর্থার জেমস বেলফোর বিষয়টি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন ইহুদি আন্দোলনের নেতা ব্যারন রটসচাইল্ডকে।
- তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সে চিঠি ‘বেলফোর ডিক্লারেশন’ হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালের নভেম্বর মাসে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে দুটি রাষ্ট্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ, একটি ইহুদিদের জন্য এবং অন্যটি আরবদের জন্য। 
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ফিলিস্তিন ছেড়ে যায় ব্রিটেন, আর ইহুদিরা ঘোষণা করে নিজস্ব রাষ্ট্র ইসরায়েলের। 

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
১৩.
Containment Doctrine-এর প্রবক্তা কে?
  1. জর্জ এফ. কেনান
  2. হেনরি কিসিঞ্জার
  3. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  4. উইনস্টন চার্চিল
সঠিক উত্তর:
জর্জ এফ. কেনান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ এফ. কেনান
ব্যাখ্যা
Containment Doctrine:
- Containment Doctrine ছিল যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বজুড়ে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করা, বিশেষত সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব প্রতিরোধ করা।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন কূটনীতিক জর্জ এফ. কেনান ১৯৪৭ সালে এর প্রস্তাব করেন।
- তিনি Foreign Affairs পত্রিকায় একটি প্রবন্ধ লেখেন, যা "X Article" নামে পরিচিত।

⇒ ১৯৪৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান ঘোষণা দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্ককে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করবে, যেন তারা কমিউনিস্ট বিদ্রোহ বা প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।
- এই ঘোষণা ইতিহাসে Truman Doctrine নামে পরিচিত।
- এটি ছিল Containment Doctrine–এর প্রথম বাস্তব প্রয়োগ।

উৎস: Office of the Historian (.gov)।
১৪.
কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কতদিন স্থায়ী ছিল?
  1. ৬ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৩ দিন
  4. ১৮ দিন
সঠিক উত্তর:
১৩ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ দিন
ব্যাখ্যা
কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
- কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি ১৩ দিনের সংঘর্ষ, যা একটি আন্তর্জাতিক সংকটে পরিণত হয়েছিল।
- সময়কাল: অক্টোবর, ১৯৬২ সাল।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পারমাণবিক শক্তি, সামরিক ও বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় নামে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- ১৯৫৯ সালে কিউবায় ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আসে।
- ১৯৬২ সালে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য পায় যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় গোপনে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করছে যা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডকে কয়েক মিনিটে আঘাত করতে সক্ষম।
- প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি ১৯৬২ সালের ২২ অক্টোবর কিউবায় নৌ অবরোধের ঘোষণা দেন।
- ফলে সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকায় যুদ্ধের পরিমন্ডল তৈরি হয়।
- এই পরিস্থিতি 'কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট' নামে পরিচিত।
- এই ঘটনা শীতল যুদ্ধের পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।

⇒ শেষ পর্যন্ত সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ক্ষেপণাস্ত্র প্রত্যাহারে রাজি হন।
- বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র কিউবায় আক্রমণ না করার প্রতিশ্রুতি দেয়। 

উৎস: History.com
১৫.
"ডমিনো থিওরি" কোন দেশের কৌশলগত ধারণা ছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. জার্মানি
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ডমিনো তত্ত্ব:
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।

⇒ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।

উৎস: History.com
১৬.
নিম্নলিখিত কোন দেশটি NATO-র সদস্য নয়?
  1. গ্রীস
  2. লুক্সেমবার্গ
  3. ডেনমার্ক
  4. সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।

⇒ ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।

অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
- ন্যাটোর সদস্য হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো - দেশটিকে ইউরোপিয়ান দেশ হতে হবে।

অন্যদিকে,
- সুইজারল্যান্ড NATO-র সদস্য নয়।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।