পরীক্ষা - ১০:
আইন বিষয়াবলী - ৫
Subject: The Specific Relief Act, 1877
Topic:
Section 1-30 (Preliminary, Recovering Possession of Property, Specific Performance of Contracts).
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর খসড়া প্রণয়ন করে কে?
ক
Lord Macaulay
খ
James Stephen
গ
Dr. Whitley Stokes
ঘ
G.W Anderson
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:
⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭; ⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭ (১নং আইন); ⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪; ⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫; ⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির; ⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন; ⇒ অধ্যায়: ১০টি; ⇒ ধারা: ৫৭টি। ⇒ খসড়া প্রণয়নকারী:The New York Civil Code, 1862 এর আদলে বা অনুকরণে Dr. Whitley Stokes ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটির খসড়া প্রণয়ন করেন।
২.
নিম্নের কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
ক
সম্পত্তির দখল গ্রহণ
খ
রিসিভার নিয়োগ
গ
ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ
ঘ
কাজ না করতে বাধ্য করানো
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলতে একটি বিশেষ ধরনের আইনগত প্রতিকারকে (Legal redress) বুঝায়, যা অন্যান্য প্রতিকার থেকে ভিন্ন। আর্থিক ক্ষতিপূরণ অনেক ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত ও অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিকার হিসেবে প্রতীয়মান হতে পারে। এক্ষেত্রে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে যে প্রতিকার মঞ্জুর করে তাকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলে। এই জন্য বলতে পারি যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলতে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ ধরনের প্রতিকারকে বুঝায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৫ ধারা মতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- (ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে; (খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে; (গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে; (ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা (ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারার অধীন আদালত কখন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করার নির্দেশ দিতে পারে?
ক
সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ পরস্পর নির্ভরশীল হলে
খ
সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হলে
গ
সম্পাদনযোগ্য এবং অসম্পাদনযোগ্য অংশ একে অপরের সাথে সম্পর্কিত হলে
ঘ
সম্পাদনযোগ্য অংশ, অসম্পাদনযোগ্য অংশ থেকে বড় হলে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারা- কোন চুক্তির স্বাতন্ত্র্য অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন: যখন চুক্তির একটি অংশের স্বাতন্ত্র্যভাবে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ সম্পাদন করা যায় বা করা আবশ্যক হয় এবং তা একই চুক্তির এমন অন্য অংশ হতে স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে অবস্থান করে যা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যাবে না বা করা আবশ্যক নহে, তাহলে আদালত পূর্ববর্তী অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
Section 16- Specific performance of independent part of contract: When a part of a contract which, taken by itself, can and ought to be specifically performed, stands on a separate and independent footing from another part of the same contract which cannot or ought not to be specifically performed, the Court may direct specific performance of the former part.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৬ ধারামতে, কোনো চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, একটি অংশ আপনা-আপনি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনযোগ্য এবং অপর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য নয় এবং প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশ থেকে ভিন্ন ও স্বাধীন (Separate and independent) হয়, তাহলে আদালত ঐ চুক্তির প্রথম অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারবে।
৪.
C উত্তরাধিকারসূত্রে একখণ্ড জমির মালিক হয়। D উক্ত জমির দখলে ছিল এবং সে জমির মালিকানা দাবি করে। এই ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারসূত্রে স্বত্বের উপর ভিত্তি করে সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য এবং D-কে উক্ত জমি হতে উচ্ছেদের জন্য C, কত ধারায় মামলা দায়ের করতে পারে?
ক
৮ ধারায়
খ
৯ ধারায়
গ
১০ ধারায়
ঘ
১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি বা সম্পত্তির দখল উদ্ধারের জন্য ৮ এবং ৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করা যেতে পারে। ৮ ধারায় বিধান করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানী কার্যবিধিতে উল্লেখিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে। অন্যদিকে, ৯ ধারায় বিধান করা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তি হতে তার সম্মতি ছাড়া এবং যথাযথ আইনগত পন্থা ব্যতী দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদিও এইরুপ মামলায় অন্য যেকোন স্বত্ব দাবী করা যায়।
উদাহরণ-১: C উত্তরাধিকারসূত্রে একখণ্ড জমির মালিক হয়। D উক্ত জমির দখলে ছিল এবং সে জমির মালিকানা দাবি করে। এই ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারসূত্রে স্বত্বের উপর ভিত্তি করে সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য এবং D-কে উক্ত জমি হতে উচ্ছেদের জন্যC, ৮ ধারায় মামলা দায়ের করতে পারে।
উদাহরণ-২: C একখণ্ড জমির দখলে ছিল। D, C-কে সম্মতি এবং আইনগত পন্থা ব্যতীত উক্ত দখল হতে দখলচ্যুত করে । এই ক্ষেত্রে C তার পূর্ববর্তী দখলের উপর ভিত্তি করে দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। এই ক্ষেত্রে স্বত্ব বা মালিকানা ছিল কি ছিলনা তা বিবেচ্য বিষয় না। পূর্ববর্তী দখল ছিল কিনা এবং সম্মতি ছাড়া এবং আইনগত পন্থা ব্যতীত দখলচ্যুত করা হয়েছে কিনা তা ৯ ধারায় বিবেচ্য বিষয়। ৮ ধারার মোকদ্দমা স্বত্ব বা দখলি স্বত্বের উপর ভিত্তি করে যে মামলা দায়ের করা হয়, সেটা উচ্ছেদের মামলা (a suit for ejectment on the basis of title) নামেও পরিচিত।
৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
ক
চুক্তি অবৈধ হলে
খ
ক্ষতি নির্ধারণের মানদন্ড থাকলে
গ
আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে
ঘ
ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে, নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়: যথা-
ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে (when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust); খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে (when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done); গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে (when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief); এবং ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে (when it is probable that pecuniary compensationcannot be got for the non-performance of the act agreed to be done) চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৬.
'ক' জীবন কালের জন্য 'খ' কে জমি উইল করে দেয় এবং 'গ' -কে পরবর্তী অধিকারী উল্লেখ করে । 'ক' মারা যায়। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে। কিন্তু 'গ', 'খ' এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্বের দলিলসমূহ হস্তগত করে। এক্ষেত্রে প্রতিকার কী?
ক
কোনো প্রতিকার নেই
খ
'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
গ
'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে ৯ ধারায় স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ঘ
'খ', 'গ' এর বিরুদ্ধে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে। ব্যাখ্যা- ২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট। ------------------------------- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধার করা যেতে পারে দেওয়ানী কার্যবিধিতে উল্লেখিত পন্থা অনুযায়ী। ১০ ধারার অধীন প্রদত্ত ডিক্রি দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ আদেশের ৩০ থেকে ৩১ বিধি অনুযায়ী কার্যকর করা যায়। ১০ ধারায় সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যেমন “ট্রাস্টি বা সম্পত্তি বর্তমান দখলে রাখার কোনো বিশেষ বা অস্থায়ী অধিকার আছে এমন ব্যক্তিও যেমন জিম্মাদার, পণ্য বন্ধকগ্রহীতা, বা হারানো পণ্য খুঁজে পেয়েছে এমন কোনো ব্যক্তিও মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
উদাহরণ: A জীবন কালের জন্য B কে জমি উইল করে দেয় এবং C -কে পরবর্তী অধিকারী উল্লেখ করে । A মারা যায়। B জমিতে প্রবেশ করে। কিন্তু C, B এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্বের দলিলসমূহ গ্রহণ করে। স্বত্বের দলিলসমূহ উদ্ধারের জন্য B, C এর বিরুদ্ধে ১০ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
৭.
'আদালত চুক্তির আংশিক কার্য সম্পাদনের আদেশ দিতে পারবে না'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম?
ক
৯ থেকে ১২ ধারা
খ
১৪ থেকে ১৬ ধারা
গ
১৮ থেকে ২১ ধারা
ঘ
৩১ থেকে ৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা
আংশিক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (Specific Performance of part of contract):
চুক্তির সম্পূর্ণ অংশের যেমন সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করা যায় ঠিক তেমনি কোন কোন ক্ষেত্রে চুক্তির অংশ বিশেষেরও সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করা যায়। সাধারণত আইন অনুসারে একটি চুক্তিকে অবিভাজ্য বলে ধরে নেয়া হয়। সুতরাং যদি সম্পূর্ণ চুক্তিটির কার্য সম্পাদন সম্ভব না হয়, তাহলে আদালত চুক্তিটি সম্পাদনে কাউকেও বাধ্য করতে পারবে না অর্থাৎ আদালত চুক্তির আংশিক কার্য সম্পাদনের আদেশ দিতে পারবে না। কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ থেকে ১৬ ধারায় বর্ণিত বিধানগুলি এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম। এই তিনটি ধারায় বর্ণিত অবস্থাতে একটি চুক্তির অংশ বিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা যায়। ১৪,১৫ ও ১৬ ধারা ব্যতীত অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত কোন চুক্তির আংশিক সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে না।
৮.
যদি কোনো চুক্তিতে তা ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে, তবে কি তা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনকে বাধা দেয়?
ক
হ্যাঁ, চুক্তি কার্যকর হবে না
খ
না, চুক্তি কার্যকর হতে পারে
গ
আদালতের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে
ঘ
চুক্তি পুরোপুরি বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
• Section 20- Liquidation of damages not a bar to specific performance: A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same.
যদি কোনো চুক্তিতে ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে এবং ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ প্রদানে রাজি থাকে, তাহলেও নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার যোগ্য চুক্তিটি বাস্তবায়িত হতে পারবে।
অর্থাৎ, চুক্তির শর্তাবলী যদি সুনির্দিষ্ট এবং নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হয়, তাহলে চুক্তির ভঙ্গের ক্ষেত্রে বিকল্প জরিমানার বিধান থাকলেও চুক্তিটি বাস্তবায়িত হবে। এক্ষেত্রে ভঙ্গকারী পক্ষ যদি জরিমানা প্রদানে রাজি থাকে তাহলেও চুক্তি বাস্তবায়ন করানো যাবে।
৯.
'চ' ৫ লক্ষ টাকা মূল্যে 'ম' এর কাছে একটি বাড়ী বিক্রয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু চুক্তি হওয়ার পরের দিন আগুনে বাড়ীটি ধ্বংস প্রাপ্ত হলে 'ম' টাকা দিতে অস্বীকার করে। এই অবস্থায়-
ক
চুক্তি বাতিল হবে
খ
'ম' কে টাকা প্রদানে বাধ্য করা যাবে না
গ
'ম' কে টাকা প্রদানে বাধ্য করা যাবে
ঘ
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা-১৩: চুক্তির বিষয়বস্তুর বিলুপ্তি (Contract of which the subject has partially ceased to exist)- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী চুক্তির বিষয়বস্তু চুক্তির তারিখে বিদ্যমান ছিল, কিন্তু চুক্তি সম্পাদনের সময় বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হলেও চুক্তিটির কার্য সম্পাদন সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব হয় না এবং এরূপ ক্ষেত্রে ১৮৭২ সালের চুক্তির আইনের ৫৬ ধারা (চুক্তি পরবর্তী অসম্ভবতা) প্রযোজ্য হবে না।
সুতরাং, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারামতে চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কার্য সম্পাদনের সময় চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হলেও উক্ত চুক্তির কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে। ১৩ ধারার মূল বিষয় হচ্ছে চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হলেও সমগ্র চুক্তিটি নষ্ট হয় না। চুক্তি আইনের ৫৬ ধারা চুক্তির আগ হতে বিরাজমান অসম্ভবতা এবং চুক্তির পরবর্তীতে সৃষ্ট অসম্ভবতা দুই ধরনের অসম্ভবতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারা চুক্তির পরবর্তীকালে সৃষ্ট সম্ভাবতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সুতরাং বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারা চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার ব্যতিক্রম।
এক্ষেত্রে, 'চ' ৫ লক্ষ টাকা মূল্যে 'ম' এর কাছে একটি বাড়ী বিক্রয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু চুক্তি হওয়ার পরের দিন আগুনে বাড়ীটি ধ্বংস প্রাপ্ত হলে 'ম' টাকা দিতে অস্বীকার করে। এই অবস্থায় 'চ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী 'ম' এর কাছ থেকে চুক্তি মোতাবেক ৫ লক্ষ টাকা আদায়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীন মামলায় পরাজিত হলে বাদী-
ক
৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
খ
৮ ধারার অধীন মামলা করতে পারে না
গ
পুনরায় ৯ ধারার অধীন মামলা করতে পারে
ঘ
উল্লিখিত কোনটিই পারবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও। এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না। এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
৯ ধারার ক্ষেত্রে Res-judicata: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীন মামলা করার পর বাদী যদি মামলায় পরাজিত হয়ে দখল উদ্ধারে ব্যর্থ হয়, তখন ঐ একই বাদী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী স্বত্ব ঘোষণাপূর্বক দখল উদ্ধারের মামলা করতে পারবে। সুতরাং ৯ ধারায় প্রাপ্ত রায় ৮ ধারায় মামলা করার ক্ষেত্রে রেজ-জুডিকেটা হবে না। কেননা ৯ ধারামতে বাদীকে সাধারন উপায়ে স্বত্ব প্রতিষ্ঠা ও দখল পুনরুদ্ধারে মামলা করতে বাধা দেয়া যাবে না। তবে কোন ব্যক্তি ৯ ধারার অধীন মামলা করার পর মামলায় পরাজিত হয়ে পুনরায় নতুন করে ৯ ধারার অধীন মামলা করতে পারবে না, কেননা তা রেজ-জুডিকেটা হবে।
১১.
রাহিম আরিফের নিকট ৯০ বিঘা জমি বিক্রয়ের চুক্তি করে। পরবর্তীতে দেখা যায়, রাহিম শুধুমাত্র ৬০ বিঘার মালিক এবং বাকী ৩০ বিঘার মালিক একজন তৃতীয় পক্ষ, যিনি জমি বিক্রয়ে রাজি নন। এক্ষেত্রে আদালত কখন রাহিমকে ৬০ বিঘা জমি বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারে?
ক
রাহিমের সম্মতি থাকলে
খ
যখন আরিফ সম্পূর্ণ অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবী করে
গ
যখন আরিফ ৬০ বিঘা জমি গ্রহণে রাজি হয় এবং ক্ষতিপূরণ দাবী করে
ঘ
যখন আরিফ ৬০ বিঘা জমি গ্রহণে রাজি হয় এবং ক্ষতিপূরণ দাবী না করে
ব্যাখ্যা
ধারা-১৫: চুক্তির সম্পাদনযোগ্য অংশটি অসম্পাদনযোগ্য অংশের চেয়ে ছোট হলে (Specific performance of part of contract where part unperformed is large)- কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।
সুতরাং, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারামতে- কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, সাধারণত ঐ চুক্তির সুনিদিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়া যায় না, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন। এক্ষেত্রে আরিফ যদি ৬০ বিঘা জমি গ্রহণে রাজি হয় এবং ক্ষতিপূরণ দাবী না করে তাহলে আদালত রাহিমকে ৬০ বিঘা জমি বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারে।
আরো এক উদহারণ: রফিক হাসানের নিকট ২০০ বিঘা জমি বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। পরবর্তীতে প্রকাশ পায় যে, রফিক ৮০ বিঘা জমির মালিক এবং বাকী ১২০ বিঘা জমির মালিক অন্য ব্যক্তি, যিনি ঐ জমি বিক্রয় করতে ইচ্ছুক নন। রফিক হাসানের বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি পেতে পারে না। কিন্তু হাসান যদি প্রতিশ্রুতি মোতাবেক টাকা পরিশোধ করতে রাজি থাকে এবং রফিকের মালিকাধীন ৮০ বিঘা জমি গ্রহণে রাজি থাকে এবং রফিকের অবহেলা বা ত্রুটির কারণে ক্ষতিপূরণের দাবী পরিত্যাগ করে, তাহলে আদালত রফিককে ৮০ বিঘা জমি হাসানের নিকট বিক্রয়ের ডিক্রি প্রদান করতে পারে।
১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারার উপধারা (ক) অনুযায়ী, কোন প্রতিকার প্রদান করা হবে না?
ক
চুক্তির ভিত্তিতে
খ
ফৌজদারি মামলার ভিত্তিতে
গ
চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের ভিত্তিতে
ঘ
সম্পত্তির অধিকার প্রতিষ্ঠার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা: যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে- (ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়; (খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা (গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
১৩.
'ক' ১,০০০ টাকার বিনিময়ে তার নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি 'খ' বরাবর উইল করে দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তির পরপরই 'ক' উইল না করে মারা যায় এবং 'গ' তার সম্পত্তির প্রশাসনভার গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে 'খ', 'গ'-এর বিরুদ্ধে-
ক
কোনো প্রতিকার পাবে না
খ
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন দাবি করতে পারে না
গ
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন দাবি করতে পারে
ঘ
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ২৭- পক্ষগণ ও তাদের নিকট প্রাপ্ত পরবর্তী স্বত্ত্বাধীন দাবিদার ব্যক্তি এবং পক্ষসমূহের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
যদি এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ কোন বিধিবদ্ধ আইন না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করা যেতে পারে- ক) যেকোন পক্ষের বিরুদ্ধে;
খ) চুক্তির পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত স্বত্ব কর্তৃক তার অধীনে দাবিরত যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যদি না সে মূল্যের বিনিময়ে এমন একজন হস্তান্তরগ্রহীতা হয়, যে সরল বিশ্বাসে মূল চুক্তি সম্বন্ধে অবগত না থেকে তার অর্থ প্রদান করেছিল।
গ) এমন স্বত্বের আওতাধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যা যদিও চুক্তির পূর্ববর্তী ছিল এবং বাদী অবহিত ছিল, তবুও তা প্রতিবাদী স্থানচ্যুত করে থাকবে;
ঘ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তিবদ্ধ হয় এবং তার পর পরই তা অন্য পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে সৃষ্ট নূতন কোম্পানির বিরুদ্ধে;
ঙ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ, কোম্পানি গঠনের আগেই চুক্তি করে, সেক্ষেত্রে কোম্পানির বিরুদ্ধে; যদি কোম্পানি চুক্তি অনুমােদন ও গ্রহণ করে থাকে এবং কোম্পানি গঠনের শর্ত দ্বারা চুক্তি সমর্থিত হয়ে থাকে।
উদাহরণসমূহ: উপধারা-খ এর- - ক ১,০০০ টাকার বিনিময়ে তার নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি উইল করে দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তির পরপরই ক উইল না করে ইন্তেকাল করে এবং গ তার সম্পত্তির প্রশাসনভার গ্রহণ করে। খ, গ-এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করতে পারে।
- ক কতক নির্দিষ্ট জমি খ-এর কাছে বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তি সম্পাদনের পূর্বেই ক পাগল হয়ে যায় এবং গ-কে তার কার্যনির্বাহক নিযুক্ত করা হয়। খ গ-এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করতে পারে।
১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা দায়ের করার জন্য বাদীকে কী প্রমাণ করতে হবে?
ক
ক্ষতিপূরণের পরিমাণ
খ
আদালতের পূর্ববর্তী আদেশ
গ
সম্পত্তির বর্তমান মূল্য
ঘ
বেআইনীভাবে দখলচ্যুত হওয়ার ঘটনা
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় মামলা- স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার: বাদী স্বত্ব ছাড়া শুধুমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে হবে ৯ ধারায় অর্থাৎ বেআইনীভাবে বেদখলকৃত সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ৯ ধারার অধীনে মামলা করতে হয়। ৯ ধারার নীতি হচ্ছে, যিনি দখলে আছেন, তিনি দখলে থাকবেন।
যে মামলা করতে পারে- দখলচ্যুত ব্যক্তি বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করতে পারে বাদীকে প্রমান করতে হবে- ক) সম্পত্তিতে বাদীর দখল এবং বে-দখল; খ) বাদীকে তার সম্মতি ছাড়া অথবা যথাযথ আইন অনুসরন না করে দখলচ্যুত করা হয়েছে।
সময়সীমা এবং কোর্ট ফি- বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে। [অনুচ্ছেদ ৩, তামাদি আইন ১৯০৮]। বাদীকে Advalorem কোর্ট ফি এর অর্ধেক ফি জমা দিতে হবে।
প্রতিকার- ৯ ধারার অধীনে দায়েরকৃত মামলায় আদালতের দেওয়া ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিউ করা যাবে না। তবে আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার হিসাবে রিভিশন দায়ের করা যাবে।
সীমাবদ্ধতা- ৯ ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
১৫.
'A' contracts to let, and 'B' contracts to take, a house for specified term at a specified rent. 'B' refuses to perform the contract. 'A' thereupon sues for, and obtains, compensation for the breach. According to Section 24, in this scenario-
ক
'A' can obtain specific performance of the contract.
খ
'B' must pay a penalty but can still take the house.
গ
'A' cannot obtain specific performance of the contract.
ঘ
'A' can only sue for damages after taking possession of the house.
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪- প্রতিকারের পথে ব্যক্তি বাধাসমূহ: চুক্তির সুনির্দিষ্ট এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না- ক) যে চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না; খ) যে নিজ চুক্তির কোন প্রয়ােজনীয় শর্ত অমান্য করে বা শর্ত পালনে ব্যর্থ হয় এবং যদ্বরুণ তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে; গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
উপধারা-গ এর- A contracts to let, and B contracts to take, a house for specified term at a specified rent. B refuses to perform the contract. A thereupon sues for, and obtains, compensation for the breach.A cannot obtain specific performance of the contact.
‘ক’ ‘খ’-এর কাছে একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্তে এবং ভাড়ায় ভাড়া প্রদানে চুক্তিবদ্ধ হয়। খ চুক্তির কার্যসম্পাদনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। ক ইহার পর খ-এর চুক্তি অমান্যের ক্ষতিপূরণের জন্য মােকদ্দমা রুজু করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। ক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না।
১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার অধীনে আদালত কখন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে?
ক
যদি বাদী জালিয়াতির শিকার হয়
খ
যদি বাদী চুক্তির মাধ্যমে অন্যায় সুবিধা পায়
গ
যদি উভয় পক্ষ ক্ষতিপূরণে সম্মত হয়
ঘ
যদি বিবাদী ক্ষতিপূরণ দিতে সক্ষম না হয়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানে এখতিয়ার হচ্ছে বিবেচনামূলক এবং কেবলমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত এমন প্রতিকার মঞ্জুর করতে বাধ্য না। আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন হবেনা বরং নিখুত এবং যুক্তিযুক্ত, বিচার বিভাগীয় নীতি দ্বারা নিযন্ত্রিত এবং আপীল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে হবে। ২২ ধারায় ২টি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। ১টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে যথাযথভাবে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে- i. বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে; যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে বিবাদীর উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।
ii. বিবাদীর প্রতি কঠোরতা; যেখানে চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদীকে কোন কঠোরতায় বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলবে যা বিবাদী বুঝতে পারেনা, অপরদিকে উহা না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না। এই দুটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১৭.
'ক' একজন নিলামকারীর কাছে কিছু জমি বিক্রির নির্দেশ দেয়। পরে 'ক' ২০ বিঘা জমির জন্য নিলামকারীর ক্ষমতা বাতিল করে, কিন্তু নিলামকারী অজান্তে সমস্ত জমি 'খ' কে বিক্রি করে দেয়। 'খ' জানত না যে ক্ষমতা বাতিল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, 'খ' কোন ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারবে না?
ক
ধারা ২৬(গ)
খ
ধারা ২৭(গ)
গ
ধারা ২৮(গ)
ঘ
ধারা ২৩(গ)
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮- যে পক্ষগণকে কার্যসম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না: নিম্ন বর্ণিত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না – ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার চেয়ে তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে তা নিজেই বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযােগে প্রতারণা বা বাদীর মাধ্যমে অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;
খ) যদি চুক্তির আওতাধীন যে পক্ষের মাধ্যমে কার্যসম্পাদন করা কর্তব্য হয় সে পক্ষের সম্মতি ভুল বিরবণ (ইচ্ছাকৃত হােক বা অনিচ্ছাকৃত হােক) গােপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযােগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয় নি;
গ) যদি ভুল তথ্যের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে। তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে সেক্ষেত্রে তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হলে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যেতে পারে।
উদাহরণ: উপধারা-গ এর- ক একজন নিলামকারীকে নির্দিষ্ট জমি বিক্রয়ের নির্দেশ প্রদান করে। ক পরবর্তী সময়ে এই জমির ২০ বিঘার ব্যাপারে নিলামকারীর প্রাধিকার খারিজ করে, কিন্তু নিলামকারী অসতর্কতাবশতঃ সমগ্র জমিটাই খ-এর কাছে বিক্রয় করে, যে খারিজের ব্যাপারটি সম্পর্কে জানত না। খ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করতে পারবে না।
১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা কোন সালের সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজিত হয়েছিল?
ক
১৯৯৭ সালের
খ
২০০১ সালের
গ
২০০৪ সালের
ঘ
২০০৭ সালের
ব্যাখ্যা
Specific Relief (Amendment) Act-2004 দ্বারা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা সংযুক্ত করা হয়। Specific Relief (Amendment) Act-2004, কার্যকর বা বলবৎ হয়েছিল ০১.০৭.২০০৫ তারিখ হতে।
এই ধারা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের অনিবন্ধিত চুক্তিপত্র সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। সুতরাং ২০০৫ সাল হতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা অনুযায়ী, এই আইনে অথবা অন্য কোন আইনে বিপরীত যা কিছু কার্যকর থাকুক না কেন, স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যেতে পারে যদি চুক্তিটি লিখিত হয় এবং The Registration Act, 1908 এর অধীনে নিবন্ধিত হয়।
এই ক্ষেত্রে হস্তান্তরগ্রহীতা বিক্রিত সম্পত্তির আংশিক বা পুরোপুরি দখল নিয়েছে কিনা তা প্রাসঙ্গিক না। এবং চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মোকদ্দমা দায়েরকালীন সময়ে চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে দাখিল করা হলে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যেতে পারে।
১৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারায় কোন ধারাগুলোর অধীনে চুক্তির আংশিক কার্যসম্পাদন সম্ভব?
ক
ধারা ১০, ১১, ১২
খ
ধারা ১৪, ১৫, ১৬
গ
ধারা ১৭, ১৮, ১৯
ঘ
ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারায় বলা হয়েছে, এই ধারার পূর্ববর্তী তিনটি ধারা (ধারা ১৪, ১৫ ও ১৬) ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ প্রদান করবেন না।
✓ সুতরাং, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র ১৪, ১৫, ১৬ ধারার অধীন চুক্তির আংশিক কার্য সম্পাদন সম্ভব।
Section 17- Bar in other cases of specific performance of part of contract: The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.
২০.
What does Section 7 of the Specific Relief Act state regarding penal laws?
ক
Penal laws must be enforced through specific relief.
খ
Penal laws cannot be enforced through specific relief.
গ
Penal laws are always enforceable through the courts.
ঘ
Penal laws are only enforceable with monetary damages.
ব্যাখ্যা
• Section 7- Relief not granted to enforce penal law: Specific relief cannot be granted for the mere purpose of enforcing a penal law.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে- দণ্ডমূলক আইন বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যাবে না।
২১.
'ক', 'গ'-এর নির্দেশ ছাড়াই জ্ঞাতসারে 'গ'-এর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি 'খ'-এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। এক্ষেত্রে 'ক' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৫ ধারায় এই চুক্তির-
ক
'গ' এর অনুমোদন ছাড়াই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে
খ
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে না
গ
'গ' এর অনুমোদন সাপেক্ষে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারে
ঘ
চুক্তি সম্পাদনের বিকল্প হিসেবে 'খ' থেকে জরিমানা আদায় করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা-২৫: স্বত্বহীন অথবা অনুমতিক্রমে বসতকারি ব্যক্তি কর্তৃক চুক্তি (Contracts to sell property by one who has no title, or who is a voluntary settler)- ⇒ স্বত্ব না থাকা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি (স্থাবর বা অস্থাবর) বিক্রয় অথবা ভাড়া দেয়া হলে, বিক্রেতা অথবা ইজারাদাতার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না। তবে এক্ষেত্রে ক্রেতা/ইজারাদার চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে।
যেমন- 'ক', 'গ'-এর নির্দেশ ছাড়াই এমন একটি সম্পত্তি 'খ'-এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয় যে সম্পত্তি সম্পর্কে ক জানে যে, তা 'গ'-এর মালিকানাধীন। 'ক' এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকর করতে পারেনা, এমনকি যদি তা 'গ' অনুমোদন করতে ইচ্ছুকও থাকে।
⇒ যদিও বিক্রেতা/ইজারাদাতা এই বিশ্বাসে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন যে সম্পত্তিতে তার ভাল স্বত্ব আছে, কিন্তু বিক্রয় বা ভাড়া প্রদান সম্পন্ন করার সময় ক্রেতা বা ইজারাদারকে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহমূলক স্বত্ব প্রদান করতে পারেন নি, সেক্ষেত্রেও বিক্রেতা অথবাইজারাদাতার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
যেমন- ক কতিপয় জমিতে দখলে থাকা অবস্থায় তা জ-এর নিকট বিক্রয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হল। পরবর্তীতে অনুসন্ধানে প্রকাশ পেল যে, ক. খ-এর উত্তরাধিকারী হিসাবে এই জমি দাবি করছে, যিনি বহু বৎসর পূর্বেই দেশত্যাগ করেছেন এবং সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, খ মারা গিয়াছেন, কিন্তু খ-এর মৃত্যু সম্পর্কে যথেষ্ট প্রমাণ নাই। এ অবস্থায় ক এই চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করার জন্য জ-কে বাধ্য করতে পারে না।
⇒ যে ব্যক্তি চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বেই চুক্তির বিষয়বস্তুর বন্দোবস্ত প্রদান করেছেন (যদিও তা কোন মূল্যবান প্রতিদানের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়), তিনি তার পক্ষে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে পারেন না।
যেমন- ক স্বাভাবিক স্নেহ-ভালবাসার বশবর্তী হয়ে তার ভাই ও ভাইয়ের সন্তান-সন্ততিকে কতিপয় সম্পত্তি বন্দোবস্ত প্রদান (settlement) করেন এবং তারপর একজন আগন্তকের (stranger) নিকট উক্ত বন্দোবস্তকৃত সম্পত্তি বিক্রি করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। ক-এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন দাবি করতে পারেন না, কেননা তা করতে গেলে পূর্বের বন্দোবস্ত বাতিল করে দিতে হয় এবং উক্ত বন্দোবস্তের অধীনে দাবীদার ব্যক্তিগণের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুযায়ী আদালত স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
ক
ধারা ৮
খ
ধারা ৯
গ
ধারা ২১
ঘ
ধারা ২২
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না: ১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮); ২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।