পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
NTRCA বিশেষ প্রস্তুতি: বিষয়ভিত্তিক ফাইনাল - সাধারণ জ্ঞান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ কোন পুরস্কারে ভূষিত হন?
  1. ক) সেরেস
  2. খ) হুপে-বোয়ানি
  3. গ) এসডিজি অগ্রগতি
  4. ঘ) চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচি দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশ এবং টেকসই উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে শেখ হাসিনাকে তাদের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ-২০১৫’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে।
-  এছাড়া, টেকসই ডিজিটাল কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য International Telecommunication Union (ITU) শেখ হাসিনাকে ICTs in Sustainable Development Award-2015 প্রদান করে।
-  নারী শিক্ষা ও উদ্যোক্তা তৈরিতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ২৭ এপ্রিল ২০১৮ Global Women’s Leadership Award-এ ভূষিত হন। - ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান উইমেন ২০১৯  সালে তাঁকে Lifetime Contribution for Women Empowerment Award প্রদান করে। - জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) কর্তৃক তিনি ২০২১ সালে ‘এসডিজি অগ্রগতি’ পুরস্কারে ভূষিত হন।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সুদীর্ঘ ২৫ বছরের গৃহযুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কো তাঁকে ‘হুপে-বোয়ানি’ (Houphouet-Boigny) শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে।
- জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শেখ হাসিনাকে সম্মানজনক ‘সেরেস’ (CERES) মেডেল প্রদান করে।
 
উৎস : প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ওয়েবসাইট
.
পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫৪ সালের -
  1. ক) ফেব্রুয়ারি মাসে
  2. খ) মার্চ মাসে
  3. গ) জুন মাসে
  4. ঘ) এপ্রিল মাসে
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রণ্ট  ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা।
• ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ আওয়ামী মুসলিম লীগ ও শেরে বাংলার কৃষক-শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
• যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো নৌকা।
• ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্টর পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে। ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
• এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি। 
• নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
• শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র:-স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
BIMSTEC ভুক্ত সদস্য রাষ্ট্র নয়?
  1. ক) নেপাল
  2. খ) থাইল্যান্ড
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- BIMSTEC - এর পূর্ণরূপ — Bay of Bengal Initiative for Multi- Sectoral Technical and Economic Cooperation'।
- এর পূর্ব নাম ছিলো BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka,  Thailand Economic Cooperation)। 
- পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে M যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারন করে।

• এক নজরে বিমসটেক:
প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড 
সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ
এগুলো হলো:
- ভারত,
- বাংলাদেশ,
- শ্রীলংকা,
- নেপাল,
- ভুটান,
- মিয়ানমার,
- থাইল্যান্ড।
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি (বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড) 
সদরদপ্তর : ঢাকা, বাংলাদেশ

সূত্র: BIMSTEC ওয়েবসাইট
.
'অর্থশাস্ত্র' গ্রন্থটি কার আমলে রচিত হয়?
  1. ক) কনিষ্ক
  2. খ) হর্ষাব্দ
  3. গ) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. ঘ) অশোক
ব্যাখ্যা
- অর্থশাস্ত্র  প্রাচীন ভারতের একটি মূল্যবান গ্রন্থ যেটি বিষয়ের বৈচিত্র্য ও ব্যাপকতার জন্য সুপরিচিত। 
- এতে একাধারে যেমন রয়েছে রাজনীতি ও রাষ্ট্রশাসন, প্রশাসন ব্যবস্থা, আর্থিক অবস্থা ও ব্যবস্থা এবং সমাজ ও ধর্ম সম্পর্কিত নানান দিকের তাত্ত্বিক আলোচনা, তেমনি রয়েছে অন্যান্য বহুবিধ বিষয়, যেমন জীব ও উদ্ভিদ জগতের সাথে মানুষের সম্পর্ক, খনিজ পদার্থ ও বিভিন্ন ধাতুর ব্যবহার প্রক্রিয়া, ভূতত্ত্ব, কৃষি, এবং পশুপালন।
- সংস্কৃত ভাষায় রচিত খ্রিস্টপূর্ব তিন শতকের এ গ্রন্থটির রচয়িতা ছিলেন সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কৌটিল্য যিনি অতীব বুদ্ধিমান ‘চাণক্য’ বা সম্রাটের প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক বিষ্ণুগুপ্ত বলেও পরিচিত। 
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া 
.
পাহাড়পুর কোন শতকে বিখ্যাত নগরী হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিল?
  1. ক) পঞ্চম - অষ্টম
  2. খ) নবম - ত্রয়োদশ
  3. গ) ৬ষ্ঠ - দশম
  4. ঘ) সপ্তম - দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 
- এটি নওগাঁ জেলার একটি বৌদ্ধ ইতিহাস প্রসিদ্ধ স্থান। 
- এখানে সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ সংঘারামের ধ্বংস স্তূপ খুঁজে পাওয়া গেছে। 
- আনুমানিক একাশি বিঘা জমিতে বিস্তৃত এই প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ।
- সপ্তম শতক থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত পাহাড়পুর এ দেশের বিখ্যাত নগরী হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিল। 
- এ সময় পালরাজাগণ বঙ্গদেশ শাসন করতেন। পাল রাজারা বৌদ্ধ ছিলেন। 
-  পাহাড়পুরে একটি বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। এটি ইতিহাস প্রসিদ্ধ বিখ্যাত ‘সোমপুর বিহার' বলে প্রমাণিত। 
- পালবংশের রাজা ধর্মপাল কর্তৃক সোমপুর বিহার নির্মিত হয়।
- এটি দৈর্ঘ্যে ৯২২ ফুট এবং প্রস্থে ৯১৯ ফুট বিস্তৃত ছিল। 
- এতে দেওয়াল ঘেসে ভিক্ষুদের জন্য ১১৭টি কক্ষ ছিল। 
- কথিত আছে, সে সময় পাহাড়পুরের সোমপুর বিহারের মত এত বড় বিহার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আর ছিল না। 
- সম্ভবত এই পাহাড়পুর সোমপুর বিহারের অনুকরণেই ইন্দোনেশিয়ার বোরোবোদুর মন্দির নির্মিত হয়।
 
উৎস : বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম উপজাতি গোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) মারমা
  4. ঘ) চাকমা
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে,
- ৫০টি জাতিসত্তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯।
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা। 
- মারমাদের সংখ্যা ২ লাখ ২৪ হাজার ২৬২ আর ত্রিপুরাদের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৮। 
- চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল। তাঁদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।
 
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট, প্রথম আলো 
.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোর কোন সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. ক) ৪ নং সেক্টর
  2. খ) ৯ নং সেক্টর
  3. গ) ৮ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোর
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে যশোর জেলা প্রথম শত্রুমুক্ত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলাও যশোর।
- ৭ ডিসেম্বর মাগুরা জেলা শত্রুমুক্ত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধকালীন ১১টি সামরিক সেক্টরের মধ্যে যশোর ছিল ৮ নম্বর সেক্টর। 
- মূলত বৃহত্তর যশোর ও কুষ্টিয়া জেলা, ফরিদপুর ও খুলনা জেলার কিছু অংশ ছিল ৮ নম্বর সেক্টরের আওতায়। 
- এর সদর দফতর ছিল যশোরের বেনাপোলে। এ সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী।

উৎসঃ যশোর জেলার ওয়েবসাইট, বাংলা ট্রিবিউন।
.
নিচের কোনটি মৌলিক অণু?
  1. ক) H2O
  2. খ) HCl
  3. গ) S8
  4. ঘ) CO2
ব্যাখ্যা
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস যেমন হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr) প্রভৃতি এক পরমাণুক অণু হিসেবে প্রকৃতিতে স্থায়ীভাবে অবস্থান করে। 
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস ব্যাতীত অন্যান্য মৌলের পরমাণুগুলো প্রকৃতিতে স্বাধীনভাবে অবস্থান করতে পারে না। 
- অন্যান্য মৌলের পরমাণুগুলো অণু হিসেবে অবস্থান করে। 
- একই মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে মৌলের অণু গঠন করে। 
- যেমন H2, O2, N2, Cl2, O2, P4 S8 ইত্যাদি। 
- আবার ভিন্ন মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু সংযুক্ত হয়ে যৌগের অণু গঠন করে। 
- যেমন, H,O, NH, CH4, NaCl, HCl, CO, প্রভৃতি যৌগের অণু। 
- অণুর মধ্যে পরমাণুসমূহ এক বিশেষ আকর্ষন শক্তি দ্বারা যুক্ত থাকে। এ শক্তিই বন্ধন শক্তি ।
 
উৎস : রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি পোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
 
 
.
বিশ্বের ৪১তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সাবমেরিনের যুগে পদার্পণ করে -
  1. ক) ২০১৪ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৬ সালে
  4. ঘ) ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ২০১৬ সালে চীনের কাছ থেকে দুটি সাবমেরিন ক্রয় করে।
- এর ফলে বিশ্বের ৪১তম দেশ হিসেবে সাবমেরিন ক্ষমতার মালিক এখন বাংলাদেশ।
- ১৪ নভেম্বর ২০১৬ চীনের দালিয়ান প্রদেশের লিয়াওয়ান শিপইয়ার্ডে সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সাবমেরিন দুটির নামকরণ করা হয় 'নবযাত্রা' এবং ‘জয়যাত্রা'।
- আইএসপিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, টাইপ ০৩৫ ডুবোজাহাজ (ন্যাটো প্রদত্ত নাম: মিং ক্লাস) এই কনভেনশনাল সাবমেরিন দুইটি ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন, যার প্রতিটি দৈর্ঘ্যে ৭৬ মিটার এবং প্রস্থে ৭.৬ মিটার।
- আইএসপিআর থেকে আরো জানানো হয়, 'নবযাত্রা' এবং 'জয়যাত্রা' নামের দুটি সাবমেরিন টর্পেডো এবং মাইন দ্বারা সুসজ্জিত, যা শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনকে আক্রমণ করতে সক্ষম।

উৎস: ডেইলি স্টার ও বিবিসি বাংলা রিপোর্ট, আরটিভি।
১০.
'মানসম্মত শিক্ষা' এসডিজির কত নং অভীষ্ট?
  1. ক) ৩নং
  2. খ) ২নং
  3. গ) ৪নং
  4. ঘ) ৫নং
ব্যাখ্যা
• সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নির্ধারণ করা হয়।
- এসডিজির লক্ষ্যমাত্রাসমূহ ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যস্থির করা হয়।

• এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য হলো:
অভীষ্ট-১. দারিদ্র্য নির্মূল
অভীষ্ট-২. ক্ষুধামুক্তি
অভীষ্ট-৩. সুস্বাস্থ্য
অভীষ্ট-৪. মানসম্মত শিক্ষা
অভীষ্ট-৫. লিঙ্গ সমতা
অভীষ্ট-৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
অভীষ্ট-৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
অভীষ্ট-৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
অভীষ্ট-৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
অভীষ্ট-১০. বৈষম্য হ্রাস
অভীষ্ট-১১. টেকসই শহর ও জনগণ
অভীষ্ট-১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
অভীষ্ট-১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
অভীষ্ট-১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
অভীষ্ট-১৫. স্থলভাগের জীবন
অভীষ্ট-১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান 
অভীষ্ট-১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব

সূত্র: SDG ওয়েবসাইট
১১.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন?
  1. ক) ২৮তম
  2. খ) ২৯তম
  3. গ) ৩২তম
  4. ঘ) ৩০তম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেন।
- একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
- বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের কেবল ২৯তম অধিবেশনেই অংশগ্রহণ করেন।


(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১২.
‘ওমর ফারুক’ ও ‘আবু উবাইদাহ' কী?
  1. ক) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুটি মিসাইল
  2. খ) বাংলাদেশ বিমানের দুটি উড়োজাহাজ
  3. গ) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধ জাহাজ
  4. ঘ) বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুটি যুদ্ধ বিমান
ব্যাখ্যা
- চীনে নবনির্মিত নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ‘ওমর ফারুক’ ও ‘আবু উবাইদাহ'
-  আধুনিক এ যুদ্ধজাহাজ দুটির প্রতিটি দৈর্ঘ্যে ১১২ মিটার এবং প্রস্থে ১২ দশমিক ৪ মিটার। 
- ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৪ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। 
- প্রতিটি জাহাজ বিভিন্ন আধুনিক যুদ্ধ–সরঞ্জামে সুসজ্জিত। জাহাজ দুটিতে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন কামান, ভূমি থেকে আকাশে এবং ভূমি থেকে ভূমিতে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, অত্যাধুনিক সারভাইলেন্স রাডার, ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম, সাবমেরিন বিধ্বংসী রকেট, রাডার জ্যামিং সিস্টেমসহ বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ–সরঞ্জামাদ রয়েছে।
- গত ২০২০ সালের ১৪ জানুয়ারি চীনে নির্মিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘ওমর ফারুক’ ও ‘আবু উবাইদাহ’   মোংলা নেভাল জেটিতে এসে পৌঁছায়।
 
উৎস: প্রথম আলো 
১৩.
ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয় -
  1. ক) ১৮২১ সালে
  2. খ) ১৮৩০ সালে
  3. গ) ১৮১৫ সালে
  4. ঘ) ১৮৩৫ সালে
ব্যাখ্যা
ওয়াটারলু যুদ্ধ (Battle of Waterloo)
ফ্রান্সের সম্রাট নেপোলিয়ান বেনাপোর্ট ও সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনীর মধ্যে বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
যুদ্ধ সংঘটনকাল – ১৮ জুন, ১৮১৫ সাল।
বিবাদমান পক্ষ – নেপোলিয়ানের নেতৃত্বে ফ্রান্স বাহিনী ও সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী
বিজয়ী - সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী।
বিজিত - ফ্রান্স বাহিনী

ব্রিটিশ সম্মিলিত বাহিনী গঠিত হয় – বেলজিয়ান, জার্মান ও ডাচ বাহিনীর সমন্বয়ে। এই বাহিনী নেতৃত্ব দেন- আর্থার ওয়েলেসলি যিনি ছিলেন ‘প্রথম ডিউক অব ওয়েলিংটন'। যুদ্ধে নেপোলিয়ানের শোচনীয় পরাজয় ঘটে।
২২ জুন, ১৮১৫ সালে নেপোলিয়ানকে ক্ষমতাচ্যুত করে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত 'সেইন্ট হেলেনা' দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
৫ মে, ১৮২১ সালে নেপোলিয়ান মৃত্যুবরণ করেন। তাকে সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে সমাহিত করা হয়।
 
উৎস: হিস্ট্রি ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা।
১৪.
বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজেলা কোনটি?
  1. ক) ঘাটাইল
  2. খ) কোম্পানীগঞ্জ
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) বাঘাইছড়ি
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসাইটে বাগাইছড়ি ও শ্যামনগর উভয়কে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা হিসেবে দেখানো হয়েছে। 
 
রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে,
- বাঘাইছড়ি উপজেলা বাংলাদেশের পূর্ব দক্ষিণাংশের সর্ব উত্তরে সীমান্তবর্তী একটি উপজেলা। 
- রাঙামাটি জেলা সদর হতে এর দূরত্ব ১৪৬কি.মি.। 
- এটি আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা, যার আয়তন ৭০৩ বর্গমাইল। 
- এ উপজেলার উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্বে মিজোরাম রাজ্য, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা, দক্ষিণে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলা।
 
========================== 
 
অপরদিকে, সাতক্ষীরা জেলা ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে,
- শ্যামনগর উপজেলাটি বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরা জেলার অধীন একটি উপজেলা। 
- এর আয়তন ৪৮৩.১১ বর্গ কিঃমিঃ বা ১৮৬.৫২ বর্গমাইল (সুন্দরবন সহ ১৯৬৮.২৪ বর্গ কিঃমিঃ বা ৭৫৯.৯৪ বর্গ মাইল )।
- আবার সুন্দরবনকে যুক্ত করলে শ্যামনগর উপজেলাটি ১৯৬৮.২৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট, যার মূল ভূখন্ড ৪৮৩.১১ বর্গ কিলোমিটার এবং সুন্দরবন ১৪৮৫.১৩ বর্গ কিলোমিটার।
 
অর্থাৎ, মূল ভূখণ্ডের ভিত্তিতে বাঘাইছড়ি হলো সর্ববৃহৎ উপজেলা। 
অপশনে যদি বাঘাইছড়ি ও শ্যামনগর থাকে, তবে সঠিক উত্তর হবে বাঘাইছড়ি। আর যদি অপশনে শুধু শ্যামনগর থাকে, তবে সঠিক উত্তর হবে শ্যামনগর। 
 
উৎস: রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইট, সাতক্ষীরা জেলা ওয়েবসাইট
১৫.
শরীরে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি কোথায় সংগঠিত হয়?
  1. ক) অন্ত্রে
  2. খ) পাকস্থলীতে
  3. গ) কিডনিতে
  4. ঘ) যকৃতে
ব্যাখ্যা
- ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়। 
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়োজন দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়। 
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে
- ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি সংঘটিত হয় কিডনিতে
 
উৎস : জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড বই। 
১৬.
কাতারের মুদ্রার নাম কী?
  1. ক) দিরহাম
  2. খ) রিয়াল
  3. গ) পাউন্ড
  4. ঘ) দিনার
ব্যাখ্যা
কাতারের মুদ্রার নাম হলো রিয়াল। 

রিয়াল যেসব দেশের ‍মুদ্রা:
- সৌদি আরব
- ওমান
- ইয়েমেন
- ইরান
 
 
দিনার যেসব দেশের মুদ্রা:
- ইরাক
- কুয়েত
- জর্ডান
- বাহরাইন
- আলজেরিয়া ও
- তিউনেশিয়া

পাউন্ড যেসব দেশের ‍মুদ্রা:
- মিশর
- সিরিয়া
- লেবানন
- যু্ক্তরাজ্য (পাউন্ড স্টার্লিং)

দিরহাম যেসব দেশের মুদ্রা:
- সংযুক্ত আরব আমিরাত
- মরক্কো

(সূত্র: ব্রিটানিকা)
১৭.
কোনটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার অংশ নয়?
  1. ক) সুমেরীয় সভ্যতা
  2. খ) মিসরীয় সভ্যতা
  3. গ) অ্যাসেরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) ক্যালডীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয় মেসোপটেমীয় সভ্যতাকে।
- বর্তমান ইরাকের ইউফ্রেতিস ও টাইগ্রিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৫০০০ বছর পূর্বে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতা চারটি পর্যায়ে গড়ে উঠেছিলো।
এগুলো হলো:
- সুমেরীয় সভ্যতা
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
- অ্যাসেরীয় সভ্যতা এবং
- ক্যালডীয় সভ্যতা।
- এদের মধ্যে সবার আগে গড়ে উঠেছিল সুমেরীয় সভ্যতা এবং সবার শেষে গড়ে উঠেছিল ক্যালডীয় সভ্যতা।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
১৮.
'ঋজুক ঝর্ণা' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) বান্দরবানে
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
বান্দরবানে অবস্থিত কয়েকটি ঝর্ণাঃ
- ঋজুক ঝর্ণা (Rijuk Falls)
- ট্রিপল ঝর্ণা (Triple Falls)
- জাদিপাই ঝর্ণা (Jadipai Falls)
- চিংড়ি ঝর্ণা (Shrimp Fountain)
- জোড়া ঝর্ণা বা যমজ ঝর্ণা (Twin Falls or Double Falls)
- রূপমুহুরী ঝর্ণা (Rupmuhuri Falls)
- বাকলাই ঝর্ণা (Baklai Falls)
- কুমারী ঝর্ণা (Kumari Falls)
- দামতুয়া ঝর্ণা(Damtuya Falls)
- রেনিক্ষ্যং ঝর্ণা (Renikkhyng Falls)
- শৈলপ্রপাত (Shaoilo Propat)
- তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar)
- নাফাখুম (Nafakhum)

উৎসঃ বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
১৯.
আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা হয় -
  1. ক) টেলিস্কোপ
  2. খ) পেরিস্কোপ
  3. গ) অণুবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) নভো-দূরবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই। 
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে। 
- দর্পণের প্রতিফলন ‘তল’ এমনভাবে স্থাপিত যাতে নলটির অঙের সঙ্গে তা ৪৫ ডিগ্রি কোণ সৃষ্টি করতে পারে। 
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য। 
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

উৎস: নবম অধ্যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বই।
২০.
বিশ্বে প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) কাতার
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) ইরান
ব্যাখ্যা
বিশ্বে প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে শীর্ষ দেশসমূহ নিম্নরূপ :
১. যুক্তরাষ্ট্র
২. রাশিয়া 
৩. ইরান 
৪. চীন 
৫. কাতার 
 
উৎস : স্ট্যাটিস্টা ওয়েবসাইট 
২১.
ইউক্রেন কোন সাগরের তীরে অবস্থিত?
  1. ক) বাল্টিক সাগর
  2. খ) কৃষ্ণসাগর
  3. গ) লোহিত সাগর
  4. ঘ) ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
ইউক্রেন কৃষ্ণসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত। আয়তনে ইউক্রেন ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। এটির আয়তন ৬০৫,৬২৮ বর্গ কিলোমিটার।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ নিপার নদীর তীরে অবস্থিত।
ওডেসা ও মারিয়াপোল কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত ইউক্রেনের দুটো বিখ্যাত সমুদ্রবন্দর।
ডনবাস ও লুহানস্ক ইউক্রেনের দুটো রুশভাষী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
২২.
মধুতে খুব বেশি পরিমানে থাকে -
  1. ক) কপার
  2. খ) ম্যাঙ্গানিজ
  3. গ) লৌহ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- মধু ভালো শক্তি প্রদানকারী খাদ্য। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।
- মধুতে যে শর্করা থাকে তা সহজেই হজম হয়। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে।
- মধু ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। 
- ১ চা চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।
- রক্তশূন্যতা কমাতে মধু সহায়ক। মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে। কারণ এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।
- হাঁপানি রোধে এবং ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে সহায়তাকারী।
- মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুমে কাজ করে।
 
উৎস : কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট
২৩.
‘কারাগারের রোজনামচা’ ত্রিপুরা ভাষায় অনুবাদ করেছেন -
  1. ক) আন্না কোক্কিয়ারেল্লা
  2. খ) যুবরাজ দেববর্মা
  3. গ) সৌমেন ভারতীয়া
  4. ঘ) চয়নিকা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী‘ সর্বশেষ ত্রিপুরা ভাষায় অনুদিত হয়েছে। 
দীর্ঘ দুই বছরের প্রচেষ্টায় ত্রিপুরা ভাষায় (ককবরক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অনুবাদ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সপ্তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা। তিনি ‘ককবরক’ বইটির নাম দিয়েছেন ‘পাইথাকয়া লাংমা’; এর অর্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’।
 
এ পর্যন্ত ইংরেজি, উর্দু, জাপানি, চীনা, আরবি, ফরাসি, হিন্দি, তুর্কি, নেপালি, স্প্যানিশ, অসমীয়া, ইতালীয়, মালয়, কোরীয়, রুশ, মারাঠি, গ্রীক, থাই ইত্যাদি ভাষায় বইটি অনূদিত হয়েছে। 
 
=====
 
অসমাপ্ত আত্মজীবনী শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী সংকলন।
- ২০১২ সালের জুনে এ বইটি প্রকাশিত হয়।
- ২০০৪ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা চারটি খাতা আকস্মিকভাবে তাঁর কন্যা বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তগত হয়।
- খাতাগুলি অতি পুরানো, পাতাগুলি জীর্ণয় এবং লেখা প্রায়শ অস্পষ্ট।
- মূল্যবান সেই বাতাগুলি পাঠ করে জানা গেল এটি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, যা তিনি ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে অন্তরীণ অবস্থায় লেখা শুরু করেছিলেন, কিন্তু শেষ করতে পারেননি। 
- এই লেখাগুলোকে বঙ্গবন্ধু হারিয়ে যাওয়া পূর্বোক্ত আত্মজীবনী হিসেবে সুনিশ্চিত করা হয়।
- পরে এগুলো বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খানের সম্পাদনায় গ্রন্থাকারে অসমাপ্ত আত্মজীবনী নামে ২০১২ সালের জুনে প্রকাশ করা হয়।
- 'দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড'-এর পক্ষে এ গ্রন্থটি প্রকাশ করেন মহিউদ্দিন আহমেদ।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান; সময়নিউজ,  যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট
২৪.
বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় কোথায়?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্রে
  2. খ) কানাডা
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার পর থেকেই প্রবাসীদের উদ্যোগে বিদেশের মাটিতে শহীদ মিনার নির্মাণ শুরু হয়। 
- ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেলে শহীদ মিনার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার প্রতীকস্বরূপ হয়ে ওঠে। 
- বহির্বিশ্বে ১৯৯৭ সালে প্রথম যুক্তরাজ্যের এডিনবার্গের ওল্ডহ্যামে এবং ১৯৯৯ সালে লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 
- তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 
- জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর বৈশাখি মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ করে।
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া 
২৫.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৪৪২৭ কি.মি.
  2. খ) ২৭১১ কি.মি.
  3. গ) ৫১৩৮ কি.মি.
  4. ঘ) ৪১৫৬ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট ৫১৩৮ কিলোমিটার সীমারেখা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট স্থলসীমা ৪৪২৭ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমানা ২৭১ কিলোমিটার (২৮০ কিলোমিটার মাধ্যমিক ভূগোল)।
- বাংলাদেশের উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার।

উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
২৬.
কাপড় কাচার সোডা হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) তুঁতে
  2. খ) সোডিয়াম কার্বনেট
  3. গ) পটাসিয়াম নাইট্রেট
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট
ব্যাখ্যা
- জামা-কাপড় কাঁচার জন্য আমরা যে সাবান ব্যবহার করি তা আসলে সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) নামক লবণ । 
- সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3) যা কাপড় কাচার সোডা হিসেবে পরিচিত তাও একটি লবণ। 
- তুঁতে বা ফিটকিরি যা জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয় সেটিও লবণ। 
- সেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাসিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COOK) নামক লবণ ।
- কৃষি জমিতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে তুঁতে বা কপার সালফেটকে (CuSO4,5H2O) ব্যাপক ব্যবহার করা হয়। 
- তবে শৈবালের উৎপাদন বন্ধে এটি খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। 
- মাটির অ্যাসিডিটি নিষ্ক্রিয় করতে যে চুনাপাথর বা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে যে সকল সার যেমন, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট [(NH4)3PO4], পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।
 
উৎস : বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৭.
দক্ষিণ এশিয়ায় মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) ভুটান
  2. খ) শ্রীলঙ্কা
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
গত ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) প্রকাশ করে ‘মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২১–২২’ 
এই প্রতিবেদন অনুসারে, 
ইউএনডিপি মানব উন্নয়ন সূচকে সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও আইসল্যান্ড শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে।
অন্যদিকে দক্ষিণ সুদান, চাদ ও নাইজারের অবস্থান সবার নিচে। 
 
সূচকে বাংলাদেশ অবস্থান ১২৯। 
এর আগে সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল ২০২০ সালে। সেই মানব উন্নয়ন প্রতিবেদনে বিশ্বের ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৩। 
 
মানব উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলঙ্কার অবস্থান সবচেয়ে ভালো। দেশটি বর্তমানে ৭৩তম। 
 
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অবস্থান:
১. শ্রীলঙ্কা - ৭৩
২. মালদ্বীপ - ৯০ 
৩. ভুটান - ১২৭
৪. বাংলাদেশ - ১২৯
৫. ভারত - ১৩২
৬. নেপাল - ১৪৩
৭. পাকিস্তান - ১৬১
৮. আফগানিস্তান - ১৮০
 
উৎস: ইউএনডিপি ওয়েবসাইট, প্রথম আলো
২৮.
GCF- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Global Climate Fund
  2. খ) Green Climate Fund
  3. গ) Green Climate Change Fund
  4. ঘ) Green Climate Foundation
ব্যাখ্যা
GCF- এর পূর্ণরূপ Green Climate Fund.
২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়ন শহরে অবস্থিত।
- এই ফান্ড থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার উন্নয়নশীল গুলোকে সহায়তা করা হয়।
- এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহায়তা প্রদান করা হয়। উন্নত দেশসমূহ এ ফান্ডে অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকে।

সূত্রঃ গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ওয়েবসাইট।
২৯.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য -
  1. ক) ৩০টি
  2. খ) ২৫টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ৮টি
ব্যাখ্যা
NATO:
- পূর্ণরুপ-The North Atlantic Treaty Organization
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল - সমাজতন্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং সম্মিলিতভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলা করা।

- NATO র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২ টি।
- NATO র বর্তমান সদস্য ৩০টি।
- NATO ভুক্ত মুসলিম দেশ ২টি - তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- NATO র বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস (নোট: প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল লন্ডন, যুক্তরাজ্য)।
- মহাপরিচালক- Jens Stoltenberg।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৩০.
ব্রিটিশ ভারতে নারীরা কত সালে ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. ক) ১৯১১ সালে
  2. খ) ১৯৩৫ সালে
  3. গ) ১৯২২ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৩ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর উপমহাদেশের বিভিন্ন সংগঠন থেকে নারীদের একটি প্রতিনিধিদল ভোটাধিকারের দাবিতে ভাইসরয় মন্টেগু চেমসফোর্ডের নিকট স্মারকলিপি পেশ করে। 
- কিন্তু কংগ্রেস সভায় একমাত্র অ্যানি বেসান্ত ব্যতীত অন্যদের আপত্তির কারণে এই দাবি প্রত্যাখাত হয়। 
- একই বছরে ইন্ডিয়ান উইমেন অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয় এবং এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত সরোজিনী নাইডু, কমলা দেবী চৌধুরী এবং বেগম হামিদা আলী প্রমূখ তাদের দাবিকে প্রাধান্য দিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। 
- ১৯১৮ সালে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস নারীর ভোটাধিকারের দাবি সমর্থন করে। পূর্ববাংলা থেকে লেডি অবলা বসু নারী সমাজ গঠন করে জনসমর্থন আদায় করেন। 
- ১৯১৯ সালে মাদ্রাজে এবং ১৯৩৫ সালে সমগ্র ভারতে নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে। 
- এই অধিকার প্রাপ্তির সাথে রাজনৈতিক পরিসরে নারীর অংশগ্রহণের প্রভাবই সম্ভবত পরবর্তী সময়ে নারীদের জাতীয় আন্দোলন এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে।
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া