পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়27 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
পার্ট-১) বাংলা সাহিত্য: টপিকসমূহ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দীন, জহির রায়হান, জীবনানন্দ দাশ, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, দীনবন্ধু মিত্র, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, হাসান আজিজুল হক, হাসান হাফিজুর রহমান, হুমায়ুন আজাদ, হুমায়ূন আহমেদ। ২. অন্যান্য লেখকগণ: কাজী মোতাহার হোসেন, কামিনী রায়, কালীপ্রসন্ন সিংহ, কুসুমকুমারী দাশ, কায়কোবাদ, গিরিশচন্দ্র ঘোষ, গোলাম মোস্তফা, চণ্ডীচরণ মুনশী, জাহানারা ইমাম, জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন, জন ক্লার্ক মার্শম্যান, জোশুয়া মার্শম্যান, হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও, দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার, দাউদ হায়দার, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, দীনেশচন্দ্র সেন, রফিক আজাদ, হুমায়ুন কবির, হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্ট-২) ১) এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর। ২) ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন, মাইক্রোবায়োলজি। পার্ট–১ সোর্স: উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
জসীমউদ্দীন রচিত নাটক নয় কোনটি?
  1. ক) মধুমালা
  2. খ) পল্লীবধূ
  3. গ) বেদের মেয়ে
  4. ঘ) চোখের বালি
ব্যাখ্যা
- জসীমউদ্দীন (১৯০৩-১৯৭৬) ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবীদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- জসীমউদ্দীনকে ‘পল্লিকবি’ বলা হয় । অনেকে মনে করেন, তিনি 'আধুনিক কবি ৷
- জসীমউদ্দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই। তখন থেকেই তিনি তাঁর কবিতায় পল্লিপ্রকৃতি ও পল্লিজীবনের সহজ-সুন্দর রূপটি তুলে ধরেন। পল্লির মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর অস্তিত্ব যেন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছিল।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী
- হাসু
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সৌমিত্র শেখর।
.
'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাসটির রচয়িতা-
  1. ক) মোতহের হোসেন চৌধুরী
  2. খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. ঘ) বিভূতিভুষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, (১৮৯৮-১৯৭১) একজন কথাসাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ। ১৮৯৮ সালের ২৩ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে এক জমিদারবংশে তাঁর জন্ম।
• তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়। এছাড়া কালিকলম, বঙ্গশ্রী,  শনিবারের চিঠি,  প্রবাসী, পরিচয় প্রভৃতি প্রথম শ্রেণির পত্র-পত্রিকায় তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়। 
• প্রথম জীবনে কিছু কবিতা লিখলেও কথাসাহিত্যিক হিসেবেই তারাশঙ্করের প্রধান খ্যাতি। বীরভূম-বর্ধমান অঞ্চলের মাটি ও মানুষ, বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের জীবনচিত্র, স্বাধীনতা আন্দোলন, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, অর্থনৈতিক বৈষম্য, ব্যক্তির মহিমা ও বিদ্রোহ, সামন্ততন্ত্র-ধনতন্ত্রের দ্বন্দ্বে ধনতন্ত্রের বিজয় ইত্যাদি তাঁর উপন্যাসের বিষয়বস্তু।

তারাশঙ্কর প্রায় দুইশত গ্রন্থ রচনা করেন সেগুলির মধ্যে:
- চৈতালী ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- গণদেবতা,
- পঞ্চগ্রাম,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- আরোগ্য নিকেতন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

- সাঁওতাল বিদ্রোহ নিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস 'অরণ্যবহ্নি’- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে।
- 'একটি কালো মেয়ের কথা' - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত উপন্যাস।
- 'কালিন্দা' - নদীর বুকে উৎপন্ন চর কে কেন্দ্র করে তৈরি বিবাদ নিয়ে রচিত উপন্যাস।
- 'রসকলি' - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে 'চিত্ররূপময়' বলেছেন-
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) বুদ্ধদেব বসু
  4. ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
কবি জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে 'চিত্ররূপময়' বলেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- বুদ্ধদেব বসু তাকে বলেছেন 'নির্জনতম কবি'।
- তিনি ২২শে অক্টোবর ১৯৫৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'বাদশাহ নামদার' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ক) হাসান আজিজুল হক
  2. খ) আহমদ ছফা
  3. গ) হুমায়ূন আহমেদ
  4. ঘ) ইমদাদুল হক মিলন
ব্যাখ্যা
বাদশাহ নামদার হুমায়ূন আহমেদ রচিত বাংলা ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস।
- এটি ২০১১ সালে অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়।
- বইটিকে হুমায়ূন আহমেদের অন্যতম সেরা সৃষ্টি বলে গণ্য করা হয়।
- হুমায়ূন আহমেদ বাদশাহ নামদার বইটি লেখার সময় গুলবদন বেগম রচিত হুমায়ুন-নামা এবং জওহর আফতাবচির তাজকিরাতুল ওয়াকিয়াত গ্রন্থ থেকে ইতিহাসের ঘটনাবলি নিয়েছেন। আফতাবচি সম্রাট হুমায়ুনকে পানি পান করাতেন।
- হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২) কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক এর জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩)।
- গল্প, উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, শিশুতোষ গ্রন্থ, নাটক, প্রবন্ধ, আত্মজৈবনিক রচনা প্রভৃতি মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক।
- তাঁর শেষ উপন্যাস দেয়াল (অপ্রকাশিত-পটভূমি ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ড ও তৎকালীন রাজনৈতিক ঘটনা)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা?
  1. ক) কমলে কামিনী
  2. খ) চিন্তা তরঙ্গিনী
  3. গ) নবীন তপস্বিনী
  4. ঘ) মাল্য ও নির্মাল্য
ব্যাখ্যা
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন মহাকবি।
তাঁর রচিত কাব্য-
- চিন্তা তরঙ্গিনী,
- ছায়াময়ী,
- আশাকানন,
- বীরবাহু,
- চিত্তবিকাশ,
- দশমহাবিদ্যা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- সনীলদর্পণ, লীলাবতী, নবীন তপস্বিনী, কমলে কামিনী নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র।
- কামিনী রায়ের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ- 'আলো ও ছায়া'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
হাসান হাফিজুর রহমানের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) আরো দুটি মৃত্যু
  2. খ) শিউলি
  3. গ) আর্ত শব্দাবলী
  4. ঘ) সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
ব্যাখ্যা
• ‘আর্ত শব্দাবলী' হাসান হাফিজুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে।
• 'শিউলি' ২০০৬ সালে প্রকাশিত, হাসান আজিজুল হক রচিত উপন্যাস।
• 'আরো দুটি মৃত্যু' ১৯৭০ সালে প্রকাশিত, হাসান হাফিজুর রহমান রচিত গল্প।

অন্যদিকে,
১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, হুমায়ুন আজাদের কাব্যগ্রন্থ 'সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
.
তোতা ইতিহাস কে রচনা করেন?
  1. ক) চণ্ডীচরণ মুন্সি
  2. খ) রামরাম বসু
  3. গ) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  4. ঘ) তারিণীচরণ মিত্র
ব্যাখ্যা
• ফোর্ট উইলিয়াম পর্বে ১৮০১ থেকে ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ৮ জন লেখক ১৪ খানি বাংলা গদ্যপুস্তক লিখেছিলেন।
• তাদের মধ্যে অন্যতম হলো চণ্ডীচরণ মুন্সি
তোতা ইতিহাস -চণ্ডীচরণ মুন্সি।
• বাংলা ভাষায় রচিত একটি গল্পগ্রন্থ যা প্রকৃতপক্ষে কাদির বখশ রচিত ফার্সি গল্পগ্রন্থ তুতিনামা-এর বঙ্গানুবাদ।
• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাঙালা ভাষার শিক্ষক চণ্ডীচরণ মুনশী ১৮০৪ খ্রিষ্টাব্দে এই অনুবাদ কর্ম সম্পাদন করেন।

- তাছাড়া--
• রামরাম বসু 
- রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
- লিপিমালা 
• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
- বত্রিশ সিংহাসন
- হিতোপদেশ 
- রাজাবলি 
- বেদান্তচন্দ্রিকা 
- প্রবোধচন্দ্রিকা 
• তারিণীচরণ মিত্র - ওরিয়েন্টাল ফেবুলিস্ট

সূত্র:  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ( ড. সৌমিত্র শেখর ) ও বাংলাপিডিয়া।
.
'আস্তিকতা হোক আর নাস্তিকতা হোক, কোন জিনিসকে পূর্ব থেকে গ্রহণ না করা; জিজ্ঞাসা ও যুক্তি দিয়ে বিচার করা' বক্তব্যটি নিচের কোনটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ক) ইয়ংবেঙ্গল
  2. খ) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
  3. গ) বাংলা একাডেমি
  4. ঘ) এশিয়াটিক সোসাইটি
ব্যাখ্যা
• ইয়ংবেঙ্গল বলতে বোঝায় ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক।
• এর প্রবর্তক ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
• ইয়ংবেঙ্গল আত্মপ্রকাশ করে ১৮৩১ সালে।

• ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠী ও হিন্দু কলেজ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- ১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ডিরোজিওর শিষ্যরাই ইয়ংবেঙ্গল নামে পরিচিত,ইয়ংবেঙ্গলরা মূলত ইংরেজ ভাবধারাপুষ্ট বাঙালী যুবক।
- ইয়ংবেঙ্গলের আদর্শ - আস্তিকতা হোক আর নাস্তিকতা হোক, কোন জিনিসকে পূর্ব থেকে গ্রহণ না করা; জিজ্ঞাসা ও যুক্তি দিয়ে বিচার করা।
- তারা সাহিত্যে যুক্তিশীলতা ও মানবিকতাকে বড় করে ফুটিয়ে তুলেছেন।
- ডিরোজিওর প্রধান গ্রন্থ – ‘The Fakeer of Jungkeera’ হিন্দু কলেজের মেধাবী ছাত্র ও সাহিত্যিকরা হলেন – প্যারীচাদ মিত্র, দক্ষিণারঞ্জন মিত্র, কালিপ্রসাদ ঘোষ, হরচন্দ্র ঘোষ, মাধবচন্দ্র মল্লিক, রামতনু লাহিড়ী প্রমুখ।

সূত্র:  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ( ড. সৌমিত্র শেখর )
.
নিচের কোনটি দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার এর রচিত?
  1. ক) ঠাকুরমার ঝুলি
  2. খ) সাত ভাই চম্পা
  3. গ) ঠাকুরদাদার ঝুলি 
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বাংলা শিশুসাহিত্যে রূপকথার যাদুকর আখ্যায় ভূষিত দক্ষিণারঞ্জনের জন্ম ১৫ ই এপ্রিল ১৮৭৭ ঢাকার উলাইল গ্রামে এক সম্রান্ত পরিবারে ।
• দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ছিলেন বাংলার খ্যাতিমান শিশু সাহিত্যিক ও লোককথার সংগ্রাহক, যাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হল বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা রূপকথাগুলিকে যথাসম্ভব অবিকৃত রেখে সুন্দরভাবে লিপিবদ্ধ করা।
• তিনি বাংলা ১৩৬৩ সালের ১৬ই চৈত্র (১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের ৩০ শে মার্চ) কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। 

• উল্লেখযোগ্য সাহিত্য
- ঠাকুরমার ঝুলি 
- ঠাকুরদাদার ঝুলি 
- ঠানদিদির থলে 
- দাদামশায়ের থলে 
- খোকাবাবুর খেলা
- উৎপল ও রবি 
- সাত ভাই চম্পা
• চলচ্চিত্র
- তার 'সাত ভাই চম্পা' গল্প অনুসারে ১৯৭৮ সালে চিত্রসাথী পরিচালিত ভারতীয় বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র 'সাত ভাই চম্পা' মুক্তি পায়।
- তার 'কিরণমালা' গল্প অনুসারে ১৯৭৯ সালে বরুন কাবাসি পরিচালিত ভারতীয় ফ্যান্টাসি ফিল্ম 'অরুণ বরুণ ও কিরণমালা' মুক্তি পায়।

সূত্র:  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ( ড. সৌমিত্র শেখর )
১০.
'জন্মই আমার আজন্ম পাপ' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) দাউদ হায়দার
  2. খ) আবুল হাসান
  3. গ) আবুল হোসেন
  4. ঘ) আবুল ফজল
ব্যাখ্যা
• কবি দাউদ হায়দার ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাবনা জেলাতে জন্মগ্রহণ করেন।
• ১৯৭৪ সালে নির্বাসিত হন তিনি।
• দাউদ হায়দার সত্তর দশকের একজন আধুনিক কবি।  
• বর্তমানে জার্মানিতে বসবাস করছেন।
• প্রকাশিত গ্রন্থ
- সংগস অব ডেস্পায়ার
- এই শাওনে এই পরবাসে
- বানিশম্যান্ট
- আমি পুড়েছি জ্বালা ও আগুনে 
- অবসিডিয়ান
- জন্মই আমার আজন্ম পাপ

সূত্র:  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ( ড. সৌমিত্র শেখর )
১১.
‘সীতার বনবাস‘ গিরিশচন্দ্র ঘোষ রচিত কোন ধরনের নাটক?
  1. ক) পৌরাণিক নাটক
  2. খ) রোমান্টিক নাটক
  3. গ) ঐতিহাসিক নাটক
  4. ঘ) কৌতুক নাটক
ব্যাখ্যা
• গিরিশচন্দ্র ঘোষ, (১৮৪৪-১৯১২)  নাট্যকার, নাট্যপরিচালক, মঞ্চাভিনেতা।
• ১৮৪৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার বাগবাজারে তাঁর জন্ম।
• ১৮৭২ সালে তিনিই প্রথম বাংলা পেশাদার নাট্য কোম্পানি ন্যাশানাল থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন।
• গিরিশচন্দ্র প্রায় চল্লিশটি নাটক রচনা করেছেন এবং ততোধিক সংখ্যক নাটক পরিচালনা করেছেন।
• ১৯১২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এই মহান অভিনেতা ও নাট্যকার কলকাতায় পরলোক গমন করেন।

• পৌরাণিক নাটক
- রাবণবধ 
- সীতার বনবাস 
- সীতার বিদ্রোহ 
- লক্ষ্ণণ বর্জন
- রামের বনবাস
- সীতাহরণ 
- পান্ডবের অজ্ঞাতবাস
-পাণ্ডব গৌরব 

• রোমান্টিক নাটক
- মুকুলমুঞ্জরা
- আবু হোসেন

• ঐতিহাসিক নাটক
- সিরাজদ্দৌলা
- মীরকাশিম 
- ছত্রপতি শিবাজী 
- অশোক 

• কৌতুক নাটক
- হীরার ফুল 
- সপ্তমীতে বিসর্জন 
- বড়দিনের বখশিশ 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২.
’’বিধাতা দেছেন প্রাণ থাকি সদা ম্রিয়মাণ; শক্তি মরে ভীতির কবলে, পাছে লোকে কিছু বলে’’। এই লাইনদ্বয়ের রচয়িতা কে?
  1. ক) কামিনী রায়
  2. খ) জাহানারা ইমাম
  3. গ) কুসুম কুমারী দাশ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
’’বিধাতা দেছেন প্রাণ
থাকি সদা ম্রিয়মাণ;
শক্তি মরে ভীতির কবলে,
পাছে লোকে কিছু বলে’’ এই লাইনদ্বয় নেওয়া হয়েছে কামিনী রায়ের ‘পাছে লোকে কিছু বলে ’ কবিতা থেকে।

• কামিনী রায়, (১৮৬৪-১৯৩৩) কবি ও সমাজকর্মী।
• ১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর বাকেরগঞ্জের বাসন্ডা গ্রামে তাঁর জন্ম। 
• ১৯৩৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নির্মাল্য 
- পৌরাণিকী 
- গুঞ্জন ,
- মাল্য ও নির্মাল্য 
- অশোকসঙ্গীত 
- অম্বা 
- বালিকা শিক্ষার আদর্শ 
- ঠাকুরমার চিঠি 
- দীপ ও ধূপ 
- জীবনপথে 

সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
১৩.
একটি সাধারণ ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য কত?
  1. ক) ১.০V
  2. খ) ১.৫V
  3. গ) ২.০V
  4. ঘ) ২.৫V
ব্যাখ্যা
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়। একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়। ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে।
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট।

- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়।

- আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋনাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়। 

- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫V। সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০V.

- বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০V থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি। আবার ২২০V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১৪.
হাইড্রোজেনের আইসোটোপ সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।

- হাইড্রোজেনের মোট ৭টি আইসোটোপ (¹H, ²H, ³H, ⁴H, ⁵H, ⁶H এবং ⁷H) আছে, যার মধ্যে শুধু প্রকৃতিতে পাওয়া গেছে ৩টি (হাইড্রোজেন বা প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম) আইসোটোপ এবং অন্যগুলো ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।
- প্রকৃতিতে পাওয়া তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান, তাই তারা একে অপরের আইসোটোপ।
- এখন পর্যন্ত ৩০০০ সংখ্যক থেকে বেশি আইসোটোপ সম্পর্কে জানা গেছে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১৫.
রক্ত জমাট বাঁধার পর যে হালকা হলুদ রংয়ের স্বচ্ছ রস পাওয়া যায়, তাকে কী বলে?
  1. ক) প্লাজমা
  2. খ) লসিকা
  3. গ) সিরাম
  4. ঘ) অ্যান্টিজেন
ব্যাখ্যা
সিরাম
- রক্ত থেকে রক্তকণিকা এবং রক্ত জমাট বাঁধার জন্য যে প্রয়োজনীয় প্রোটিন আছে, সেটাকে সরিয়ে নেওয়ার পর যে তরলটি রয়ে যায়, তাকে সিরাম বলে।
- অন্যভাবে বলা যায়, রক্ত জমাট বাঁধার পর যে হালকা হলুদ রংয়ের স্বচ্ছ রস পাওয়া যায়, তাকে সিরাম বলে।
- রক্তরস বা প্লাজমা এবং সিরামের মাঝে পার্থক্য হলো রক্তরসে রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় প্রোটিন থাকে, সিরামে সেটি থাকে না।

রক্তরস বা প্লাজমা
- রক্তের তরল অংশকে প্লাজমা বলে।
- রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ।
- অজৈব পদার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন, যেমন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়োডিন এবং O, CO, এবং N, জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
১৬.
মানবদেহের জন্য খারাপ কোলেস্টেরল হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) LDL
  2. খ) HDL
  3. গ) TDL
  4. ঘ) DDL
ব্যাখ্যা
কোলেস্টেরল
- কোলেস্টেরল এক বিশেষ ধরনের জটিল স্নেহ পদার্থ বা লিপিড এবং স্টেরয়েড এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। 
- মানুষের প্রায় প্রত্যেক কোষ ও টিস্যুতে কোলেস্টেরল থাকে। 
- যকৃৎ এবং মগজে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- কোলেস্টেরল অন্যান্য স্নেহ পদার্থের সাথে মিশে রক্তে স্নেহের বাহক হিসেবে কাজ করে। 
- স্নেহ এবং প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে। 
- স্নেহের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে লাইপোপ্রোটিন দুই রকম-
- উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (High Density Lipoprotein - HDL)
- নিম্ন ঘনত্ববিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (Low Density Lipoprotein - LDL)
- রক্তে HDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য উপকারী।
- রক্তে LDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
- LDL এর পরিমাণ 150 mg/dl এর বেশি হলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 
- রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক পরিমাণ 100 - 200 mg/dl
- রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ায়। 

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
১৭.
অগ্ন্যাশয় থেকে পর্যাপ্ত ইনসুলিন নির্গত না হলে কোন রোগ হয়?
  1. ক) স্কার্ভি
  2. খ) বহুমূত্র রোগ
  3. গ) গলগণ্ড
  4. ঘ) রিকেটস
ব্যাখ্যা
ডায়াবেটিস, বহুমূত্র বা মধুমেহ রোগ
- ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- আমরা যখন কিছু খাই, এটি গ্লুকোজে পরিণত হয়ে রক্তের মাঝে আসে।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামে এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যেটি রক্তের এই গ্লুকোজকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
- যে কারণে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।
- মানুষের রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ৪.০-৬.০ mMole\l কিংবা (৭০-১১০ মি.গ্রা./ডেসি.লি.)।
- ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ নয়।
- ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।
- দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রোগে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং এর থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হয়।
- উচ্চ রক্তচাপ করোনারি হৃদরোগের পূর্বলক্ষণ।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
১৮.
কার্বোহাইড্রেটে কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজনের অনুপাত কত?
  1. ক) ১ : ১ : ২
  2. খ) ১ : ২ : ১
  3. গ) ৪ : ৪ : ১
  4. ঘ) ২ : ১ : ১
ব্যাখ্যা
শর্করা
- শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট হল এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ।
- শর্করা জাতীয় খাদ্য দেহে কাজ করার শক্তি জোগায়।
- শর্করার মৌলিক উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন। 
- যার প্রতিটি অণুতে কার্বনের(C) সাথে হাইড্রোজেন (H) এবং অক্সিজেন(O) থাকে।
- এতে কার্বন(C), হাইড্রোজেন (H) এবং অক্সিজেন(O)- এর অনুপাত ১ : ২ : ১।
১৯.
একটি আদর্শ খাদ্য পিরামিডের শীর্ষে রয়েছে -
  1. ক) স্নেহ
  2. খ) শর্করা
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) ভিটামিন
ব্যাখ্যা
আদর্শ খাদ্য পিরামিড
- যে কোনো একটি সুষম খাদ্য তালিকায় শর্করার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- শর্করাকে নিচু স্তরেরেখে পর্যায়ক্রমে পরিমাণগত দিক বিবেচনা করে শাকসবজি, ফল-মূল, আমিষ, স্নেহ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যকে সাজালে যে কাল্পনিক পিরামিড তৈরি হয় তাকে আদর্শ খাদ্য পিরামিড বলে।
- পিরামিডের শীর্ষে রয়েছে স্নেহ বা চর্বি জাতীয় খাদ্য আর সর্ব নিম্নস্তরে রয়েছে শর্করা।



উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২০.
ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) এরা আণুবীক্ষণিক জীব।
  2. খ) এরা অকোষীয়।
  3. গ) এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক।
  4. ঘ) এরা সাধারণত বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে।
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য
ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব। এর সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে
১. ব্যাকটেরিয়ার আকার সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার।
২. এরা আণুবীক্ষণিক জীব।
৩. এরা এককোষী, তবে একসাথে অনেকগুলো কোষ কলোনি করে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে।
৪. এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক। তাই এদের কোষে রাইবোসোম ছাড়া অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোস্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না।
৫. এরা পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবি এবং কিছু স্বনির্ভর। এরা সাধারণত দ্বিভাজন বা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে।
৬. এদের কোষ প্রাচীর প্রধানত পেপটিডোগ্লাইকান। এর সাথে মিউরামিক অ্যাসিড এবং টিকোয়িক অ্যাসিড থাকে।
৭. ফায ভাইরাসের প্রতি এরা সংবেদনশীল।
৮. এরা অজৈব লবণ জারিত করে শক্তি সংগ্রহ করে।
৯. এরা সাধারণত মৌলিক রং ধারণ করতে পারে। যেমন- গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগেটিভ।
১০. এদের কোষে ক্রোমোসোম হিসেবে একটি দ্বিসূত্রক বৃত্তাকার DNA অণু থাকে। এতে ক্রোমোসোমাল হিস্টোন প্রোটিন থাকে না।
১১. কিছুকিছু ব্যাকটেরিয়াতে নিউক্লিয়ার বহির্ভূত DNA থাকে যা সাধারণত প্লাজমিড নামে পরিচিত।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২১.
লোহিত রক্তকণিকার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) দ্বি-অবতল
  2. খ) নিউক্লিয়াসযুক্ত
  3. গ) হিমগ্লোবিনযুক্ত
  4. ঘ) উৎপত্তিস্থল অস্থিমজ্জা
ব্যাখ্যা
লোহিত রক্তকণিকা
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকণিকা দ্বি-অবতল, চাকতি আকৃতির এবং নিউক্লিয়াসবিহীন
- এতে হিমগ্লোবিন নামক রঞ্জন পদার্থ থাকার কারণে লাল বর্ণের হয়। এজন্য এদের Red Blood Cell বা RBC বলে।
- লোহিত কণিকা প্রকৃতপক্ষে হিমগ্লোবিন ভর্তি ভাসমান ব্যাগ এবং চ্যাপ্টা আকৃতির।
- এ কারণে লোহিত কণিকা তার আকারের পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহনে সক্ষম।
- লোহিত কণিকাগুলোর বিভাজন হয় না।
- এ কণিকাগুলো সার্বক্ষণিক অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হয় এবং রক্তরসে চলে আসে।
- মানুষের লোহিত কণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন।
- অন্যান্য মেরুদন্ডী প্রাণির ক্ষেত্রে লোহিত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে।
- তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে এখান থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।

- মোটামুটি গড় হিসেবে: বিভিন্ন বয়সের মানব দেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা হচ্ছে-
ভ্রূণ দেহে: ৮০-৯০ লাখ,
শিশুর দেহে: ৬০-৭০ লাখ,
পূর্ণ বয়স্ক পুরুষ দেহে: ৪.৫ - ৫.৫ লাখ এবং
পূর্ণ বয়স্ক নারীর দেহে: ৪ - ৫লাখ

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২২.
অণুবীক্ষণ যন্ত্র কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) রবার্ট হুক
  2. খ) লিউয়েন হুক
  3. গ) এহরেনবার্গ
  4. ঘ) লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা
- ডাচ বিজ্ঞানী লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন এবং এই যন্ত্র ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়া, হাইড্রা, ভলভক্স ইত্যাদি আবিষ্কার করেন । 
- তিনি তাঁর নিজের আবিষ্কৃত সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি এদের নাম দেন Animalcule অর্থাৎ ক্ষুদ্র প্রাণী। তাই তাকে Father of Bacteriology অর্থাৎ ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়।
- জার্মান বিজ্ঞানী  এহরেনবার্গ  ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- রবার্ট হুক প্রথম কোষপ্রাচীর আবিষ্কার করেন।

সূত্র:
১. ব্রিটানিকা
২. জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
২৩.
নিচের কোনটি ব্যাকটেরিয়ার শ্রেণিবিভাগ নয়?
  1. ক) কক্কাস
  2. খ) ব্যাসিলাস
  3. গ) র‍্যাবিস
  4. ঘ) কমা
ব্যাখ্যা
কোষের আকারের ভিত্তিতে ব্যাকটেরিয়ার শ্রেণিবিন্যাস
কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা- (ক) কক্কাস,
(খ) ব্যাসিলাস,
(গ) স্পাইরিলাম এবং
(ঘ) কমা আকৃতি।

কক্কাস: গোলাকার ব্যাকটেরিয়াকে বলা হয় কক্কাস। কক্কাস ব্যাকটেরিয়া আবার পাঁচ রকমের। যথা-
১। মাইক্রোকক্কাস, ২। ডিপ্লোকক্কাস, ৩। স্ট্যাফাইলোকক্কাস, ৪। স্ট্রেপটোকক্কাস এবং ৫। সারসিনা।
ব্যাসিলাস: দন্ডাকৃতির ব্যাকটেরিয়াকে ব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া বলা হয়।
স্পাইরিলাম: কুন্ডলাকৃতির ব্যাকটেরিয়াকে স্পাইরিলাম ব্যাকটেরিয়া বলে
কমা: কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়াকে কমা ব্যাকটেরিয়া বলা হয়।

-------------------------------
র‍্যাবিস হচ্ছে এক ধরণের ভাইরাস, যার দ্বারা জলাতঙ্ক রোগ হয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়