পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮ টপিক: আন্তরাষ্টীয় ক্ষমতা সম্পর্ক. স্নায়ুকালীন ঘটনা প্ৰবাহ, স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী বৈশ্বিক ঘটনাবলী, সীমারেখা এবং অমীমাংসিত ভূখন্ড, বিরোধপূর্ণ দ্বীপ, গেরিলা ও বিপ্লবী সংগঠন, গোয়েন্দা সংস্থা, সামরিক বিষয়াদি, [Live Class – 11 & 12]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
কুখ্যাত ‘আবু গারিব’ কারাগারটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সিরিয়া
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা

• আবু গারিব:
- আবু গারিব একটি জেলখানা।
- এটি ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- সাদ্দাম হোসেনের রাষ্ট্রপতির থাকাকালীন (১৯৭৯-২০০৩) এখানে বিপুল সংখ্যক রাজনৈতিক বন্দীকে আটক রাখা হয়।
- এটি তখন নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত হয়ে ওঠে।
- মার্কিন এবং মিত্র বাহিনীর দ্বারা ইরাকে আক্রমণের পর ২০০৩ সালের আগস্টে এটি মার্কিন সেনাবাহিনী দ্বারা পুনরায় চালু করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
ম্যাজিনো লাইন কোন দুটি দেশের সীমারেখা নির্দেশ করে? 
  1. জার্মানি ও ফ্রান্স
  2. জার্মানি ও পোল্যান্ড
  3. ফ্রান্স ও ইতালি
  4. রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
জার্মানি ও ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি ও ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• ম্যাজিনো লাইন:
- ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে একটি সীমারেখা। 
- ম্যাজিনো লাইন ছিল ফ্রান্সের একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ,
- যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও ইতালির সীমান্ত বরাবর নির্মাণ করা হয়েছিল।
- এটি সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক অদম্য প্রতিরক্ষা ব্যূহ হিসেবে বিবেচিত হতো।
- তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান বাহিনী এই লাইনকে পাশ কাটিয়ে এবং ভেঙে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।

অপরদিকে,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়?
  1. বাকু সম্মেলন
  2. কায়রো সম্মেলন
  3. বান্দুং সম্মেলন
  4. প্যারিস সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
বান্দুং সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দুং সম্মেলন
ব্যাখ্যা

- বান্দুং সম্মেলনের মাধ্যমে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

• NAM:
- NAM এর পূর্ণরুপ- Non-Aligned Movement
- আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়- ১৯৬১ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন- মার্শাল টিটো, জওহরলাল নেহেরু, জামাল আবদুল নাসের, সুকর্ণ ও নক্রমা।
- বতর্মান সদস্য- ১২১ টি।
- যে সম্মেলনের মাধ্যমে NAM গঠনের সিদ্ধান্ত হয়-১৯৫৫ সালের সম্মেলনে অর্থাৎ বান্দুং সম্মেলনের মাধ্যমে।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- বেলগ্রেড, যুগোশ্লাভিয়া।

তথ্যসূত্র: ন্যাম এর ওয়েবসাইট।

.
৪৯° উত্তর অক্ষরেখা কোন দুটি দেশের সীমারেখা নির্ধারণ করে?
  1. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  3. মিশর ও সুদান
  4. যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
ব্যাখ্যা

• সীমা রেখা (অক্ষরেখার ভিত্তিতে):
- ৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথক করেছে। 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এ সীমারেখা চিহ্নিত করা হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা ৪৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা,
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম ১৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা বিচ্ছিন্ন করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ কোন নামে পরিচিত?
  1. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
  2. অপারেশন ডেসার্ট শিল্ড
  3. অপারেশন রেড ড্রাগন
  4. অপারেশন ইনভেশন
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
ব্যাখ্যা

• অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম:
- '১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ' অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- 'অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম' এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪টি দেশের জাতিসংঘ অনুমোদিত যৌথ বাহিনীর মধ্যে।
- ১৯৯০ সালের আগস্ট মাসে ইরাকের কুয়েত আগ্রাসন এবং কুয়েতি ভূ-খন্ড দখলের প্রেক্ষিতে ইরাক বাহিনীর হাত থেকে কুয়েতকে মুক্ত করাই ছিল সে যুদ্ধের উদ্দেশ্য।
- ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক কর্তৃক কুয়েত আক্রান্ত হলে ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী ইরাকের উপর বিমান হামলা শুরু করে।
- ইরাকের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধই ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে পরিচিত।
- বহুজাতিক বাহিনীর আক্রমণের মুখে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরাকি বাহিনী পরাজয় বরণ করে।
- এই যুদ্ধ প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
স্নায়ুযুদ্ধের সময় Containment Doctrine-এর ধারণা কোন ব্যক্তির?
  1. জর্জ এফ. কেনান
  2. হেনরি কিসিঞ্জার
  3. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  4. উইনস্টন চার্চিল
সঠিক উত্তর:
জর্জ এফ. কেনান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ এফ. কেনান
ব্যাখ্যা

• Containment Doctrine:
- Containment Doctrine ছিল যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বজুড়ে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করা, বিশেষত সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব প্রতিরোধ করা।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন কূটনীতিক জর্জ এফ. কেনান ১৯৪৭ সালে এর প্রস্তাব করেন।
- তিনি Foreign Affairs পত্রিকায় একটি প্রবন্ধ লেখেন, যা "X Article" নামে পরিচিত।

⇒ ১৯৪৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান ঘোষণা দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্ককে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করবে, যেন তারা কমিউনিস্ট বিদ্রোহ বা প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।
- এই ঘোষণা ইতিহাসে Truman Doctrine নামে পরিচিত।
- এটি ছিল Containment Doctrine–এর প্রথম বাস্তব প্রয়োগ।

তথ্যসূত্র: Office of the Historian (.gov)

.
জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে কোন দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ রয়েছে?
  1. আবু মুসা দ্বীপ
  2. কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
  3. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  4. গ্রেট বেরিয়ার রিফ
সঠিক উত্তর:
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা

• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- বিতর্কিত কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির।
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দান টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে। 
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা হওয়া শান্তিচুক্তিতেও স্বাক্ষর করেনি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
‘সভ্যতার সংঘাত’ বিষয়ক তত্ত্ব সম্পর্কে ধারণা দেন কে?
  1. স্যামুয়েল পি হান্টিংটন
  2. ফ্রান্সিস ফুকুয়ামা
  3. উইলিয়াম হান্টার
  4. জ্যা জ্যাক রুশো
সঠিক উত্তর:
স্যামুয়েল পি হান্টিংটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যামুয়েল পি হান্টিংটন
ব্যাখ্যা

- 'সভ্যতার সংঘাত' সম্পর্কে ধারণা দেন স্যামুয়েল পি হান্টিংটন।

• 'সভ্যতার সংঘাত' ধারণা:

মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যামুয়েল পি হান্টিংটন ১৯৯২ সালে তার 'সভ্যতার সংঘাত' শীর্ষক থিসিস প্রকাশ করেন।
পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত 'দ্য ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশন এন্ড দ্য রিমেকিং অব ওয়ার্ল্ড অর্ডার' শীর্ষক বইয়ে তিনি বিষয়টি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন।
তার মধ্যে আগামী বিশ্বে সংঘাতের মূল কারণ হবে সংস্কৃতি ও ধর্মীয় পার্থক্য।
আদর্শগত কিংবা অর্থনৈতিক কারণে নয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডটকম।

.
'MI6' কী নামে পরিচিত?
  1. Secret Intelligence Service
  2. Central Intelligence Agency
  3. Federal Bureau of Investigation
  4. Defense Intelligence Agency
সঠিক উত্তর:
Secret Intelligence Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Secret Intelligence Service
ব্যাখ্যা

• MI6:
- MI6 'Secret Intelligence Service' নামে পরিচিত।
- এটি যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং ব্রিটিশ সরকারের কাছে প্রচারের জন্য দায়িত্বশীল।
- এটি ১৯০৯ সালে সিক্রেট সার্ভিস ব্যুরোর অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সামরিক গোয়েন্দা (Military Intelligence) বিভাগের ছয় নম্বর সেকশন হিসেবে MI6 নামে পরিচিত।
- জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের পর, MI6 ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা এবং এশিয়ার বেশিরভাগ অংশে গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- এটি অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের সময় ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা ও এশিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ভূমিকা, শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা কার্যক্রমের জন্য বিখ্যাত।

তথ্যসূত্র: SIS (Secret Intelligence Service) ওয়েবসাইট।

১০.
বার্লিন প্রাচীর কবে ভেঙে ফেলা হয়?
  1. ১৯৮৮ সাল
  2. ১৯৮৯ সাল
  3. ১৯৯০ সাল
  4. ১৯৯১ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সাল
ব্যাখ্যা

• বার্লিন প্রাচীরের পতন:
- ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি) একত্রিত হয়।

• বার্লিন প্রাচীর (১৯৬১-১৯৮৯):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
- স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)। 

উল্লেখ্য,
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানো যায় সে লক্ষ্যে পূর্ব জার্মানি ১৩ আগস্ট, ১৯৬১ সালে বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে প্রাচীর তৈরি করা শুরু করে।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১১.
কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কত দিন যাবৎ স্থায়ী হয়েছিল? 
  1. ৭ দিন
  2. ১৩ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৩ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ দিন
ব্যাখ্যা

• কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
- কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট (Cuban Missile Crisis) অক্টোবর ১৯৬২ সালে ঘটে।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে তীব্র মুখোমুখি অবস্থা সৃষ্টি হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ. কেনেডি এবং সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ।
- ১৬ থেকে ২৮ অক্টোবর ১৩ দিন ধরে চলা এই সংকট শীতল যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্তগুলোর একটি ছিল, যা বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১২.
চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কোনটি?
  1. পেরেজিল দ্বীপ
  2. সেনকাকু দ্বীপ
  3. শাখালিন দ্বীপ
  4. স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সেনকাকু দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনকাকু দ্বীপ
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ অঞ্চল:

- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু।
- দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যকার বিরোধ দীর্ঘদিনের।
- বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে ‘সেনকাকু’ ও চীনের কাছে ‘দিয়াওয়ু’ নামে পরিচিত।
- সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ জাপানের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর, জাপানি নাগরিকরা দ্বীপগুলিতে বসতি স্থাপন করে।

তথ্যসূত্র: জাপান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা।

১৩.
হামাসের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. খালেদ মেশাল
  2. আবু উবাইদা
  3. শেখ ইসমাইল হানিয়া
  4. শেখ আহমাদ ইয়াসিন
সঠিক উত্তর:
শেখ আহমাদ ইয়াসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ আহমাদ ইয়াসিন
ব্যাখ্যা

• হামাস:
- হামাসের পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
- হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
- ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৪.
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ফিলিস্তিন
  2. সিরিয়া
  3. ভারত
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

• ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ছিল একটি ফিলিস্তিনি গেরিলা সংগঠন, যা মূলত ফাতাহ সংগঠন থেকে বিচ্ছিন্ন একটি অংশ হিসেবে গঠিত হয়। 
- ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিল। 
- যদিও এর কার্যক্রম মাত্র কয়েক বছরের জন্য সক্রিয় ছিল, ১৯৭৪ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
-  সংগঠনটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত হয় ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী ১১ জন ইসরাইলি অ্যাথলেটকে অপহরণ করে।
- এই ঘটনার ফলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রে আসে এবং সংগঠনটি বিশ্বব্যাপী নিন্দার পাত্র হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৫.
'পার্পল লাইন' কোন দুটি দেশের মধ্যবর্তী সীমারেখা নির্দেশ করে?
  1. ইসরায়েল ও লেবানন
  2. ইসরায়েল ও সিরিয়া
  3. জর্ডান ও ইসরায়েল
  4. লেবানন ও সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও সিরিয়া
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৬.
স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কোন সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. NATO
  2. CENTO
  3. SEATO
  4. ANZUS
সঠিক উত্তর:
NATO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NATO
ব্যাখ্যা

- স্নায়ুযুদ্ধকে কেন্দ্র করে NATO সামরিক জোট গঠিত হয়েছিল।

• স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War):
- স্নায়ুযুদ্ধ বলতে সরাসরি প্রথাগত যুদ্ধে অবতীর্ণ না হয়ে একে অপরকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক কিংবা ভিন্ন আঙ্গিকে পরাজিত করার কৌশলকে ইঙ্গিত করা হয়।
- ১৯৪৭ - ১৯৯১ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ওয়াল্টার লিপম্যান সংবাদপত্রে প্রথম cold war শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে চলা স্নায়ুযুদ্ধ অবসান হয়েছিলো ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে।

⇒ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তিতে পরিণত হয়। এ সময়ে মার্শাল প্ল্যানের (১৯৪৭) মাধ্যমে ইউরোপ পুনর্গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাধ্যমে দুটো বিপরীত বৈশ্বিক শক্তি ও আদর্শের বিকাশ ঘটে। পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পশ্চিম ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট। একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট।

• NATO:
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি বা ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

অন্যদিকে,

• সিটো (SEATO):
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (১৯৫৪) এশিয়ায় কমিউনিজমের বিস্তার রোধের জন্য গঠিত, কিন্তু এটি ন্যাটো বা ওয়ারশ প্যাক্টের মতো প্রভাবশালী ছিল না।
- সেন্টো (CENTO): কেন্দ্রীয় চুক্তি সংস্থা (১৯৫৫) মধ্যপ্রাচ্যে গঠিত, কিন্তু এটিও সীমিত প্রভাব ফেলে।
- আনজুস (ANZUS): যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ১৯৫১ সালে গঠিত একটি সীমিত জোট।

তথ্যসূত্র:
i) Britannica.
ii) NATO ওয়েবসাইট।

১৭.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্টের সময় 'নক্ষত্র যুদ্ধ' শুরু হয়?
  1. জিমি কার্টার
  2. জর্জ বুশ
  3. রোনাল্ড রিগ্যান
  4. রিচার্ড নিক্সন
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগ্যান
ব্যাখ্যা

• রোনাল্ড রিগ্যান:
- রোনাল্ড রিগ্যান মার্কিন রাজনীতিবিদ।
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম রাষ্ট্রপতি।
- তিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
- রাষ্ট্রপতিত্বের পূর্বে তিনি হলিউডের চলচ্চিত্র অভিনেতা ছিলেন।
- রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেন যা SDI (Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত।
- একে সমালোচকরা নক্ষত্র যুদ্ধ (Star War) এর পরিকল্পনা হিসেবেও অভিহিত করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৮.
হুতি কোন দেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. সিরিয়া
  2. ইয়েমেন
  3. লেবানন
  4. ফিলিস্তিন
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

• হুতি বিদ্রোহী:
- এটি ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- হুতিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ।
- স্থানীয়ভাবে তাদের হুতি বলে ডাকা হয়।
- তারা মূলত শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী।
- ধারণা ও অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়, হুতিদের সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দেয় শিয়াপ্রধান দেশ ইরান।
- ২০১৪ সালের শুরুর দিকে ইয়েমেনের সাআদা রাজ্যের দখল নিয়ে সবার নজরে আসে হুতিরা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৯.
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা কোনটি?
  1. Victoria Cross
  2. Medal of Honor
  3. Legion of Honor
  4. The Cross of Honour for Valour
সঠিক উত্তর:
Medal of Honor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Medal of Honor
ব্যাখ্যা

• Medal of Honor:
- মেডাল অব অনার (Medal of Honor) যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার।
- এটি প্রথম কংগ্রেসের অনুমোদনে নৌবাহিনীর জন্য ১৮৬১ সালে এবং সেনাবাহিনীর জন্য ১৮৬২ সালে প্রবর্তিত হয়।
- শুরুতে এটি শুধুমাত্র সৈনিকদের জন্য ছিল, তবে পরবর্তীতে অফিসাররাও এটি পেতে শুরু করেন।
- এটি তাদের প্রদান করা হয় যারা "অসামান্য সাহসিকতা এবং আত্মত্যাগ" প্রদর্শন করেন।

⇒ সেনাবাহিনীর মেডাল: এটি শুধুমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য প্রদান করা হয়।

⇒ নৌবাহিনীর মেডাল: এটি যুদ্ধ এবং অযুদ্ধক্ষেত্র উভয়ের জন্য প্রদান করা হতো।
- ১৯৪২ সালের পর থেকে এটি শুধুমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য সীমাবদ্ধ।

⇒ মেডালের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি নীল ফিতার সঙ্গে ঝুলানো থাকে।
- ফিতার কেন্দ্রে ১৩টি সাদা তারা রয়েছে।
- প্রতিটি মেডালের পেছনে "The Congress to…" খোদাই করা থাকে।
- বিজয়ীর নাম মেডালে উল্লেখ করা হয়।

⇒ উল্লেখযোগ্যতা: এটি আত্মত্যাগ, বীরত্ব এবং নিষ্ঠার সর্বোচ্চ প্রতীক।

⇒ এছাড়াও,
- ব্রিটেনের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Victoria Cross (ভিক্টোরিয়া ক্রস)।
- ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Legion of Honor (লিজিয়ন অব অনার)।
- জার্মানির সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: The Cross of Honour for Valour (দ্য ক্রস অব অনার ফর ভ্যালোর)।
- ভারতের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Param Vir Chakra (পরম বীর চক্র)।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ।