পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৭
সিলেবাস
Exam - 45 Full Model Test-2 Topic ➝ Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৭ প্রশ্ন

.
পক্ষগণের মধ্যে আইন বা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ বিধি ১ অনুসারে আদালত কখন রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন
  2. মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির দিন
  3. মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার ৭ দিন পর
  4. মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩ তে উল্লেখিত ________ ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩ তে উল্লেখিত ৬টি ক্ষেত্র ছাড়া বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-১৩ঃ যখন বিদেশি রায় চূড়ান্ত হয় না-
কোন বিদেশি আদালত কোন বিষয়ে বিচার করলে এবং তা একই পক্ষসমূহ অথবা তাদের সূত্রে এক বা একের অধিক স্বত্ব দাবিকারীর মধ্যে একই বিষয় সম্পর্কিত মোকদ্দমা হলে বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে; তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত-

ক) যখন উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত হয় নি;
খ) মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া না হলে;
গ) আন্তর্জাতিক আইনের ভ্রান্ত ব্যাখা অথবা মোকদ্দমাটির প্রতি প্রযোজ্য বাংলাদেশের আইন অস্বীকার করে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে কার্যধারাসমূহ হতে বুঝা গেলে;
ঘ) যে রায় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে, তাতে অনুসৃত পদ্ধতি ও কার্যক্রম ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হলে;
ঙ) প্রবঞ্চনা দ্বারা রায় সংগ্রহ করা হলে;
চ) বাংলাদেশে প্রচলিত কোন আইনের বিরোধী কোন দাবি রায়ে বজায় রাখা হলে।

Section 13: When Foreign Judgment not Conclusive-
A foreign judgment shall be conclusive as to any matter thereby directly adjudicated upon between the same parties or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title except-

a) where it has not been pronounced by a Court of competent jurisdiction;
b) where it has not been given on the merits of the case;
c) where it appears on the face of the proceedings to be founded on an incorrect view of international law or a refusal to recognise the law of Bangladesh in cases in which such law is applicable;
d) where the proceedings in which the judgment was obtained are opposed to natural justice;
e) where it has been obtained by fraud;
f) where it sustains a claim founded on a breach of any law in-force in Bangladesh.
.
পক্ষসমূহের অপসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি আদালতে কখন উত্থাপন করতে হবে?
  1. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  2. বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময়
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারনের পূর্বে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)-
মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। ভুল ব্যক্তির নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ অথবা স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে দিতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ১৩নং বিধিমতে,
পক্ষসমূহের অপসংযোগ (Mis-Joinder of Parties) বা অসংযোগ (Non-Joinder) সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি সম্ভাব্য ১ম সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

Order 1 Rule 13: Objections as to nonjoinder or misjoinder-
All objections on the ground of nonjoinder or misjoinder of parties shall be taken at the earliest possible opportunity and, in all cases where issues are settle, at or before such settlement, unless the ground of objection has subsequently arisen, and any such objection not so taken shall be deemed to have been waived.
.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় বিবাদী মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে তার বিবেচনামতো দাবির সম্পূর্ণ অংশটি মেটানোর জন্য অনুরূপ অর্থ আদালতে জমা দিতে পারে?
  1. বন্ধকী সম্পত্তি পুনরদ্ধারের মোকদ্দমায়
  2. অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমায়
  3. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমায়
  4. ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায়
সঠিক উত্তর:
ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৪ : আদালতে পরিশোধ [Payment into court]

বিধি ১ : দাবি পরিতুষ্টির টাকা বিবাদী কর্তৃক আদালতের জমা দেওয়া [Deposit by defendant of amount in satisfaction of claim] :
ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে তার বিবেচনামতো দাবির সম্পূর্ণ অংশটি মেটানোর জন্য অনুরূপ অর্থ আদালতে জমা দিতে পারে।
[The defendant in any suit to recover a debt or damages may, at any stage of the suit, deposit in Court such sum of money as he considers a satisfaction in full of the claim.]
.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৯ বিধি ৭ এর অধীন আদালত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কী আদেশ দিতে পারে?
  1. আটক
  2. সংরক্ষণ
  3. পরিদর্শন
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি [Detention, preservation, inspection, etc., of subject-matter of suit]:

১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত—

ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৭ ধারা অনুসারে বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী কোনো সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণের পরিবর্তে কী প্রেরণ করতে পারে?
  1. সাধারন পত্র
  2. অনুরোধ পত্র
  3. লিখিত আদেশনামা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অনুরোধ পত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুরোধ পত্র
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৭ : অনুরোধ পত্র [Letter of request] :

বাংলাদেশের বাইরে বসবাসকারী কোনো সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালত কমিশন প্রেরণের পরিবর্তে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।
[In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.]
.
কোনো ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য মোকদ্দমার এক পক্ষ অপর পক্ষকে কখন নোটিশ প্রদান করবে?
  1. ইস্যু গঠনের ৯ দিন পূর্বে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের ৯ দিনের মধ্যে
  3. মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে
  4. আরজি দাখিলের ৯ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

• আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-
মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
.
The death of a _________ shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.
  1. person
  2. defendant
  3. plaintiff
  4. plaintiff or defendant
সঠিক উত্তর:
plaintiff or defendant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
plaintiff or defendant
ব্যাখ্যা
• Order-22 Rule-1: No abatement by party's death, if right to sue survives:
The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২ বিধি-১: মোকদ্দমা করার অধিকার উদ্ভব হয়ে থাকলে পক্ষের মৃত্যুতে মোকদ্দমা বিলোপসাধন হয় না:
মোকদ্দমা করার অধিকার যদি উদ্ভব হয়, তাহলে কোন বাদী বা বিবাদীর মৃত্যু মোকদ্দমার বিলুপ্তি ঘটায় না।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ১৩ক এর অধীন দরখাস্তের সাথে অনধিক কত টাকা খরচ প্রদান করতে হয়?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-

বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
১০.
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার _________ তারিখ নির্ধারণ করবে।
  1. প্রথম শুনানির
  2. চূড়ান্ত শুনানির
  3. প্রাথমিক শুনানির
  4. ডিক্রি শুনানীর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত শুনানির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত শুনানির
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। বিচার্য বিষয় দুই প্রকার। যথা-
- ঘটনা বা তথ্য সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of fact); এবং
- আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of law)

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে,তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৮ অনুযায়ী-
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ স্থিরীকৃত করবে।
- After the issues are framed,the Court shall within one hundred and twenty days thereof,fix a date for final hearing of the suit.
১১.
স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নিম্নের কোন বিষয় উল্লেখ থাকার প্রয়োজন নেই?
  1. নির্ধারণের বিষয়সমূহ
  2. সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  3. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ২০ বিধি ৪ অনুসারে,
স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নির্ধারণের বিষয়সমূহ এবং উহার উপর সিদ্ধান্ত থাকবে এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ, নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ, ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত এবং অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে।

অর্থাৎ স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-
⇒ নির্ধারণের বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-
⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case];
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination];
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]; এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
১২.
'ক', একটি জমির মালিকানার উপর ভিত্তি করে 'খ' এর বিরুদ্ধে দখল প্রাপ্তির মোকদ্দমা দায়ের করে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে 'ক', উক্ত সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য 'খ' এর বিরুদ্ধে আরো একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে ২য় মোকদ্দমাটি কোন নীতি অনুসারে বারিত হবে?
  1. Res sub-judice
  2. Constructive Res judicata
  3. Constructive Res sub-judice
  4. কোনো নীতি অনুসারেই বারিত হবে না
সঠিক উত্তর:
Constructive Res judicata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Constructive Res judicata
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।

• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে,
''পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।''
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].

অর্থাৎ পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।

প্রথম মামলাটি মালিকানার ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছিল যা আদালত খারিজ করেছে। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা হিসাবে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, যা প্রথম মামলায় আত্মপক্ষসমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারতো। তাই, ২য় মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোবারা দোষ/পরোক্ষ রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে।
১৩.
'আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে'- The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত আদেশের বিধান?
  1. আদেশ ৭ বিধি ৪
  2. আদেশ ৮ বিধি ৩
  3. আদেশ ৭ বিধি ৩
  4. আদেশ ৮ বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮ বিধি ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮ বিধি ৩
ব্যাখ্যা
আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-

ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেওয়া হবে।

[Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.]
১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় _________ বিধান রয়েছে।
  1. রিভিউর
  2. আপিলের
  3. ২য় রিভিশনের
  4. ২য় আপিলের
সঠিক উত্তর:
২য় রিভিশনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় রিভিশনের
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
১৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারায় নিম্নের কোন আদালতকে মোকদ্দমা স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. জেলা জজ আদালত
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা জজ আদালত যে কোন স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
১৬.
'কোনো নিলাম বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা উক্ত নিলামে বিক্রীত সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ অর্জন বা অর্জনের চেষ্টা করতে পারবে না।'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. আদেশ-২১ বিধি-৭৩
  2. আদেশ-২১ বিধি-৭৫
  3. আদেশ-২১ বিধি-৭০
  4. আদেশ-২১ বিধি-৭৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৭৩
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৭৩: কর্মকর্তাগণ কর্তৃক নিলাম ডাকা বা খরিদে বাধা-নিষেধ:
কোনো নিলাম বিক্রয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কর্মকর্তা বা ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিলাম ডাকতে পারবে না বা উক্ত বিক্রীত সম্পত্তিতে কোন স্বার্থ অর্জন বা অর্জনের চেষ্টা করতে পারবে না।

Order-21 Rule-73: Restriction on bidding or purchaser by officers:
No officer or other person having any duty to perform in connection with any sale shall, either directly or indirectly, bid for, acquire or attempt to acquire any interest in the property sold.
১৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি ১২ তে কোন কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. ফরিয়াদি হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  2. সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  3. অভিযুক্ত হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৬ বিধি-১২: সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি:

যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়  কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।
১৮.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ডিক্রি জারি পর্যন্ত
  2. আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত
  3. পক্ষদ্বয়ের রদের আবেদন না করা পর্যন্ত
  4. আপিল কার্যক্রমের আগ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারায় অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞাকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমন নিষেধাজ্ঞা যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকে।
⇒ এটা মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে মঞ্জুর করা যেতে পারে।
⇒ তবে এটা কিভাবে মঞ্জুর করা হবে, তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিরোধীয় বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থিতি অবস্থা বজায় রাখা।
১৯.
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by ______________.
  1. The Specific Relief Act, 1877
  2. The Code of Civil Procedure,1908
  3. The Civil Courts Act, 1887
  4. The Code of Criminal Procedure, 1898
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure,1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure,1908
ব্যাখ্যা
• Section-10: Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
২০.
কোন ধরনের চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে, সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল?
  1. মৌখিক চুক্তি
  2. লিখিত চুক্তি
  3. অব্যক্ত চুক্তি
  4. উল্লিখিত সকল চুক্তি
সঠিক উত্তর:
লিখিত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত চুক্তি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।

Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন ধরনের আংশিক চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য?
  1. চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে
  2. চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে
  3. চুক্তির অসম্পাদিত অংশ স্বাতন্ত্র্য হলে
  4. চুক্তির সম্পাদিত অংশ ছোট হলে
সঠিক উত্তর:
চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে-
কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অসম্পাদিত অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে।

১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় কোন ব্যক্তির নিয়োগের বিধান রয়েছে?
  1. রিসিভার
  2. নাবালকের অভিভাবক
  3. বাদীর আইনগত প্রতিনিধি
  4. অপ্রকৃস্থ ব্যক্তির আইনগত অভিভাবক
সঠিক উত্তর:
রিসিভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভার
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary, Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
২৩.
দলিল সংশোধন করা যায়-
  1. প্রতারণা হলে
  2. দলিলের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ না হলে
  3. পক্ষগণের পারস্পরিক ভুল থাকলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল; ও
ii) লিখিত চুক্তি।

⇒ ৩ কারনে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হলে। 

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ________ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রসমূহে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
  1. ৫৩
  2. ৫৬
  3. ৫১
  4. ৫২
সঠিক উত্তর:
৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;

iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;

viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী কয় ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য?
  1. ৬টি ক্ষেত্রে
  2. ৫টি ক্ষেত্রে
  3. ৪টি ক্ষেত্রে
  4. ৩টি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
৪টি ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
২৬.
'চ' একটি বাড়ি কিনতে 'ম' এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। কিন্তু পরে 'চ' আদালতে সেই চুক্তি বাতিলের আবেদন করে এবং আদালত উক্ত আবেদন মঞ্জুর করে। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারায় আদালত -
  1. 'চ' কর্তৃক 'ম' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
  2. 'চ' এবং 'ম' কর্তৃক আদালতকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
  3. 'ম' কর্তৃক 'চ' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
  4. 'চ' এবং 'ম' উভয় পক্ষকে আদালত কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
'চ' কর্তৃক 'ম' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চ' কর্তৃক 'ম' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা:
কোনো চুক্তি বাতিলকরণের রায় দেওয়ার সময়, আদালত যে পক্ষকে এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তাকে অপর পক্ষকে এমন কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে যা ন্যায়বিচারের দাবি অনুযায়ী প্রয়োজনীয়।
[On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.]

উল্লিখিত প্রশ্নে 'চ' চুক্তি বাতিলের আবেদন করে এবং আদালত উক্ত আবেদন মঞ্জুর করে 'চ' কে সুবিধা প্রদান করে। অর্থাৎ, এক্ষেত্রে আদালত ৩৮ ধারার বিধান অনুযায়ী, ন্যায়বিচারের প্রয়োজনে 'চ' কর্তৃক 'ম' কে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
২৭.
আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পারে না
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় প্রয়োগ করতে পারে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় প্রয়োগ করতে পারে না
  4. দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারে না
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় প্রয়োগ করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় প্রয়োগ করতে পারে না
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
২৮.
ফৌজদারি সমন সম্পর্কিত কোন বিধানটি সঠিক নয়?
  1. লিখিত আকারে হবে
  2. আদালতের বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে
  3. এক কপিতে জারি করতে হবে
  4. পুলিশ কর্মকর্তা সমন জারি করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
এক কপিতে জারি করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক কপিতে জারি করতে হবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

⇒ ৬৮ ধারায় সমনের ফরম সম্পর্কে নিম্নলিখিত বিধানগুলো রয়েছে-
(1) সমন লিখিত আকারে ও দুই কপিতে জারি করতে হবে। সমনটি আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক নির্দিষ্ট অন্য কোনও কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরযুক্ত হতে হবে।
(2) সমন জারি করতে পারবেন -
(ক) কোনো পুলিশ কর্মকর্তা;
(খ) সমন প্রদানকারী আদালতের যে কোনও কর্মকর্তা (সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি সাপেক্ষে);
(গ) কোনো সরকারি কর্মচারী (সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি সাপেক্ষে)।
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের কোন কলামে 'আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩য়
  2. ৫ম
  3. ৭ম
  4. ৮ম
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিল আছে। তার মধ্যে ২য় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ২য় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)

১ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি,পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
৩০.
According to The Code of Criminal Procedure,1898 ________ includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.
  1. charge
  2. inquiry
  3. judicial proceeding
  4. investigation
সঠিক উত্তর:
inquiry
উত্তর
সঠিক উত্তর:
inquiry
ব্যাখ্যা
• Section 4(k) of The Code of Criminal Procedure,1898:

"inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.

ফৌজদারি প্রক্রিয়ায়, "বিচার" ব্যতীত অন্যান্য কাজগুলি ইনকোয়ারি বা তদন্তের অন্তর্ভুক্ত হয়। "বিচার" হল আদালতের মূল কার্যক্রম যেখানে বিচারক সরাসরি জড়িত থাকেন এবং পক্ষদ্বয়ের যুক্তি শুনে ও প্রমাণ বিচার করে রায় দেন। 
৩১.
'Subordination of Executive, Judicial and Metropolitan Magistrates'- এটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১১ ধারা
  2. ১২ ধারা
  3. ১৬ ধারা
  4. ১৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারা
ব্যাখ্যা
Section 17- Subordination of Executive,Judicial and Metropolitan Magistrates:
(1) All Executive Magistrate appointed under section 10 and 12 (1) shall be subordinate to the District Magistrate who, from time to time, give special order consistent with this Code as to the distribution of business among such Magistrates.

(2) All Judicial Magistrates appointed under section 11 and 12 (3) and all Benches constituted under section 15 shall be subordinate to the Chief Judicial Magistrate who may, from time to time give special orders consistent with this Code and rules made by the Government under section 16 as to the distribution of business among Magistrates and Benches.

(3) All Metropolitan Magistrates including Additional Chief Metropolitan Magistrate, and Special Metropolitan Magistrate appointed under section 12 (5) and Benches constituted under section 19, shall be subordinate to the chief Metropolitan Magistrate, who may, from time to time, give special orders consistent with this Code and rules made by the Government under section 16 as to the distribution of business among such Magistrates and Benches.

(4) All Judicial Magistrates including the Chief Judicial Magistrate shall be subordinate to the Sessions Judge and all Metropolitan Magistrates including the Chief Metropolitan Magistrate shall be subordinate to the Metropolitan Sessions Judge.

বাংলা অর্থ:
(১) ধারা ১০ এবং ১২(১) এর অধীনে নিযুক্ত সকল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন থাকবেন, যিনি সময় সময় এই কোডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে কাজের বন্টন সম্পর্কে।

(২) ধারা ১১ এবং ১২(৩) এর অধীনে নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ধারা ১৫ এর অধীনে গঠিত সকল বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন থাকবেন, যিনি সময় সময় এই কোড এবং সরকার কর্তৃক ধারা ১৬ এর অধীনে প্রণীত বিধিমালার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলির মধ্যে কাজের বন্টন সম্পর্কে।

(৩) ধারা ১২(৫) এর অধীনে নিযুক্ত সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সহ অতিরিক্ত প্রধান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ধারা ১৯ এর অধীনে গঠিত বেঞ্চসমূহ প্রধান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন থাকবে, যিনি সময় সময় এই কোড এবং সরকার কর্তৃক ধারা ১৬ এর অধীনে প্রণীত বিধিমালার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলির মধ্যে কাজের বন্টন সম্পর্কে।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেশন জজের অধীন থাকবেন এবং প্রধান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন সেশন জজের অধীন থাকবেন।
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারায় রায় সম্পর্কিত কোন বিধান আছে?
  1. রায়ের ভাষা
  2. রায়ের বিষয়বস্তু
  3. রায় সংশোধনের কার্যপদ্ধতি
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
 ধারা ৩৬৭: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু-
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

Section 367- Language of judgment Contents of judgment:
(1) Every such judgment shall, except as otherwise expressly provided by this Code, be written by the presiding officer of the Court or form the dictation of such presiding officer in the language of the Court, or in English; and shall contain the point or points for determination, the decision thereon and the reasons for the decision; and shall be dated and signed by the presiding officer in open Court at the time of pronouncing it and where it is not written by the presiding officer with his own hand, every page of such judgment shall be signed by him.

(2) It shall specify the offence (if any) of which, and the section of the Penal Code or other law under which, the accused is convicted, and the punishment to which he is sentenced.
৩৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৭৩ ধারার অধীন দায়রা আদালতের রায় ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি প্রেরণ করতে হবে-
  1. তদন্তকারী পুলিশ বরাবর
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  3. সংশ্লিষ্ট থানার নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. বর্ণিত প্রত্যেকের কাছেই
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান অনুযায়ী-
ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তকে হাজির হতে বাধ্য করার সমন বা পরোয়ানা প্রদান _________ করতে পারেন।
  1. স্থগিত
  2. বাতিল
  3. অবৈধ ঘোষণা
  4. তৎক্ষনাত প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
স্থগিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থগিত
ব্যাখ্যা
ধারা ২০২: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-

১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর, তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
৩৫.
আসামী বা জামিনদারের বন্ডের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. আসামীর হাজিরা নিশ্চিত করা
  2. মামলা স্থগিত রাখা
  3. ফরিয়াদির সময় অপচয় করা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আসামীর হাজিরা নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীর হাজিরা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
আসামী বা জামিনদারের বন্ডের প্রধান উদ্দেশ্য হল আসামীর হাজিরা নিশ্চিত করা। ধারা ৪৯৯(১) অনুসারে, জামিনে বা নিজের বন্ডে মুক্তি পাওয়ার শর্তে আসামী বা জামিনদারকে এমন বন্ড সম্পাদন করতে হবে যে, আসামী বন্ডে বর্ণিত সময়ে ও স্থানে হাজির হবে এবং পরবর্তীতে অনুরূপভাবে হাজির হবে।

ধারা ৪৯৯- আসামী ও জামিনদারের বন্ড:
(১) কোন ব্যক্তিকে জামিনে বা তার নিজের বন্ডে মুক্তি দেয়ার পূর্বে উক্ত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত যেরূপ পর্যাপ্ত মনে করেন সেরূপ পরিমাণ অর্থের জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করবে এবং যেক্ষেত্রে তাকে জামিন মুক্তি দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক পর্যাপ্ত জামিনদার এ শর্তে বন্ড সম্পাদন করবে যে, উক্ত ব্যক্তি বন্ডে বর্ণিত সময়ে ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনুরূপে হাজির হতে হবে।

(২) মামলার জন্য এরূপ প্রয়োজন হলে জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জন্য আরও শর্ত থাকবে যে, অভিযোগের জবাব দানের জন্য আহবান করা হলে হাইকোর্ট ডিভিশন, দায়রা আদালত বা অন্য কোন আদালতে তাকে হাজির হতে হবে।
৩৬.
অভিযোগ তৈরি না করার ফলে ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে, আপিল বা রিভিশন আদালত কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করার
  2. অভিযোগ প্রণয়ন করার
  3. অভিযোগ ছাড়া বিচার করার
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ প্রণয়ন করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ প্রণয়ন করার
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৫- অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল:
(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপিল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরি না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge:
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby.

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে মামলা দায়ের করা যায়?
  1. ১৫৪
  2. ২০০
  3. ১৫৬
  4. ২০৪
সঠিক উত্তর:
২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে সেটা পুলিশ থানায় একটি এফআইআর (First Information Report) দায়ের করা যায়। এফআইআর হলো সেই অপরাধের প্রাথমিক তথ্য যা পুলিশকে অপরাধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়।

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি নালিশ/কমপ্লেইন দায়ের করতে পারেন। এই নালিশের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার পুলিশের নিকট এফআইআর মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়।
৩৮.
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সরেজমিন পরিদর্শনের স্মারকলিপির নকল কে চাইলে তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে?
  1. অভিযুক্ত
  2. ফরিয়াদি
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ: সরেজমিনে পরিদর্শন-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারায় আদালতের নিম্নোক্ত কোন আদেশ দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে?
  1. দণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত
  2. দণ্ডাদেশ সম্পূর্ণ বাতিল
  3. মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮২- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

অর্থাৎ নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
⇒ দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ,
⇒ দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের পূর্বে অভিযুক্তকে কোন বিষয়ে অবগত করবেন?
  1. তিনি স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য
  2. ৩য় কারো বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তি দেয়া যাবে না
  3. তিনি স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নন
  4. স্বীকারোক্তি দিলে তা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা হবে না
সঠিক উত্তর:
তিনি স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নন
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। এই ধরনের জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি, এটার সাক্ষ্যগত মূল্য এবং একবার ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দিলে তা কী প্রত্যাহার করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করা হলো:

কে, কখন লিপিবদ্ধ করতে পারবেন:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ (১) ধারা অনুযায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং এই বিষয়ে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এ ধরনের জবানবন্দি তদন্ত বা অনুসন্ধানকালে বা বিচার শুরু হওয়ার আগে বা পরে যেকোনো সময় করা যাবে। তবে লিপিবদ্ধকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অপরাধ বিচারের এখতিয়ার এখানে বিবেচ্য হবে না।

লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি:
কোন আসামির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের কিছু আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কার্যবিধির ১৬৪(৩) ধারায় বলা হয়েছে, জবানবন্দির পূর্বেই ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জানাবেন যে, তিনি স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নন এবং স্বীকারোক্তি দিলে তা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় হচ্ছে বলে যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস না করা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট তা লিপিবদ্ধ করবেন না। উপরোক্ত বিষয়গুলো পালন করা হয়েছে মর্মে একটি স্মারক মন্তব্য ম্যাজিস্ট্রেট উল্লেখ করবেন। অতঃপর সেই জবানবন্দি ঘটনা সম্পর্কে যিনি অনুসন্ধান করবেন বা বিচার করবেন তার কাছে পাঠাবেন।

ম্যাজিস্ট্রেটকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারার নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। এই ধারা অনুযায়ী আসামিকে জিজ্ঞাসিত প্রতিটি প্রশ্ন জবাবসহ সমগ্র জবানবন্দি আসামি যে ভাষায় বলবে বা আদালতের ভাষায় লিপিবদ্ধ করতে হবে। এরপর সেই জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পড়ে শুনাবেন। জবানবন্দি আসামির বোধগম্য ভাষায় লিখিত না হলে সারমর্ম বুঝিয়ে দেবেন। জবানবন্দির সত্যতা স্বীকার করলে আসামি এবং ম্যাজিস্ট্রেট নিজে সেটাতে সই করবেন। এছাড়া উপরোক্ত বিষয় প্রতিপালন হয়েছে মর্মে ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয়ন করবেন।
৪১.
ফৌজদারি আপিল সংক্ষিপ্ত খারিজের ক্ষেত্রে কাকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না?
  1. আপিলকারীকে
  2. আপিলকারীর উকিলকে
  3. প্রতিবাদকারীকে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন- শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।

Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় দায়রা আদালতের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা দেয়া আছে?
  1. ৫২৬ ধারায়
  2. ৫২৬খ ধারায়
  3. ৫২৫ক ধারায়
  4. ৫২৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২৬খ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৬খ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলা এক ফৌজদারি আদালত হতে অন্য ফৌজদারি আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারি আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারি মামলা বা আপিল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারি মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-
১. আপিল বিভাগের (ধারা- ৫২৫ক),
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা- ৫২৬),
৩. দায়রা জজের (ধারা- ৫২৬খ)।
৪৩.
চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্তের অব্যাহতির ক্ষেত্রে আদালত নিম্নের কোন কাগজপত্র বিবেচনা করবে?
  1. ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট
  2. পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি
  3. ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে,
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা 'nemo debet bis vexari' নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. ৪০২
  2. ৪০৩
  3. ৪০১
  4. ৪০০
সঠিক উত্তর:
৪০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৩
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।
৪৫.
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে কত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করবেন?
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  3. যাতায়াত সময় বাদে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবেঃ
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
৪৬.
ফরিয়াদী 'ক' মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক কত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৪৭.
'জমির সীমানা নির্ণয়ের লক্ষ্যে আদালত কর্তৃক প্রেরিত অফিসার বা কর্মচারীর তদন্তে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান'- The Penal Code,1860 এর কত ধারার অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ৭৭
  2. ধারা ১৯৩
  3. ধারা ২০১
  4. ধারা ১৯০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৩
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান- মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

ব্যাখ্যা ১: সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
ব্যাখ্যা ২: কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩: কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায়; যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

উদাহরণ:
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।

⇒ জমির সীমানা নির্ণয়ের লক্ষ্যে যখন কোনো আদালত একজন কর্মচারী বা অফিসারকে পাঠায়, তখন সেই কর্মচারী বা অফিসারের সামনে যদি কেউ মিথ্যা বিবৃতি দেয়, তাহলে তা মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। কারণ জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য আদালত কর্তৃক প্রেরিত অফিসার বা কর্মচারীর সামনে পরিচালিত তদন্তকে বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি অংশ বলে গণ্য করা হয়। এই তদন্তে যদি কেউ মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করে, তাহলে সেটা মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান হিসেবে বিবেচিত হবে। সুতরাং, জমির সীমানা নির্ণয় সংক্রান্ত আদালতের তদন্তে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে।
৪৮.
'ক', 'চ'-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে 'ক' খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। এক্ষেত্রে 'ক' দণ্ডবিধির কত ধারা বলে দণ্ডিত হবে?
  1. ৩০৪ ধারা
  2. ৩০৫ ধারা
  3. ৩০৬ ধারা
  4. ৩০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩০৭ ধারা:
“কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উল্লেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।''

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ :
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

উদাহরণসমূহ :
'ক', 'চ'-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এমন অবস্থায় গুলি করে, যে অবস্থায় মৃত্যু অনুষ্ঠিত হলে ক খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 'ক' এই ধারা বলে দণ্ডিত হবে।

⇒ 'ক' একটি অতি অল্প বয়স্ক শিশুকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে উহাকে মরুভূমিতে রেখে আসে। ইহার ফলে শিশুটির মৃত্যু না হলেও ‘ক’ এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

⇒ 'ক', 'চ' কে খুন করার উদ্দেশ্যে একটি বন্দুক ক্রয় করে উহা গুলি ভর্তি করে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক', 'চ'-এর প্রতি গুলি বর্ষণ করে। এইক্ষেত্রে সে এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করেছে, এবং এই গুলি বর্ষণের দরুণ যদি সে 'চ'-কে আহত করে থাকে, তবে সে এই ধারার প্রথম অনুচ্ছেদের শেষাংশে নিদিষ্ট দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ 'ক', 'চ'-কে বিষ প্রয়োগ করে খুন করার উদ্দেশ্যে বিষ ক্রয় করে এবং খাদ্যে বিষ মিশ্রিত করে; বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রব্যটি 'ক'-এর নিকটই রয়েছে। এতদূর পর্যন্ত 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে বিবেচনা করা হবে না। 'ক' বিষ মিশ্রিত খাদ্য দ্রবটি 'চ' এর খাবার টেবিলে রাখে অথবা উহা 'চ'-এর খাবার টেবিলে রাখার জন্য 'চ'-এর চাকরকে প্রদান করে । 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
৪৯.
ব্যভিচার অপরাধের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারায় ব্যভিচার অপরাধ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে
  2. স্ত্রীলোক এবং পুরুষ উভয়কে অপরাধে অভিযুক্ত করা যায়
  3. অনধিক সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেয়ার বিধান আছে
  4. শুধু পুরুষ ব্যক্তিকে ব্যভিচারের অপরাধে অভিযুক্ত করা যায়
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীলোক এবং পুরুষ উভয়কে অপরাধে অভিযুক্ত করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীলোক এবং পুরুষ উভয়কে অপরাধে অভিযুক্ত করা যায়
ব্যাখ্যা
ব্যভিচার (Adultery):
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন স্ত্রীর সাথে সে নারীর স্বামীর বিনা সম্মতিতে বা যৌন কামনার উপস্থিতি ছাড়া যৌনসঙ্গম করে, যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, কিন্তু সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
ব্যভিচারের ক্ষেত্রে স্ত্রীলোকটি অভিযুক্ত হবে না। কিন্তু পুরুষ ব্যক্তিকে ব্যভিচারের অপরাধে অভিযুক্ত করা যায়।

শাস্তি:
অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড। [ধারা ৪৯৭]
৫০.
এক বাড়িতে আগুন লেগেছে। আগুন থামাতে প্রতিবেশীর বাড়ির দেওয়াল ভেঙে দিতে হয়েছে, যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে। এক্ষেত্রে প্রতিবেশীর সম্পত্তির ক্ষতি হলেও কোন নীতি অনুসারে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. Doctrine of Double Offence
  2. Doctrine of Double Danger
  3. Doctrine of Alternative Danger
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Alternative Danger
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Alternative Danger
ব্যাখ্যা
'Doctrine of Alternative Danger' অর্থ হলো- বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া। দণ্ডবিধির ৮১ ধারা অনুযায়ী, সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কোন কার্য যদি শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য সৎ উদ্দেশ্যে করা হয় তাহলে তা অপরাধ নয়।

এই নীতি অনুসারে,
কোনো ব্যক্তি যদি সত্য উদ্দেশ্যে এবং বিবেচনাসম্মতভাবে কোনো কাজ করে থাকেন যা শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য করা হয়েছে, তাহলে সেই কাজটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না। অর্থাৎ, দুটি ক্ষতির মধ্যে যদি একটি ছোট ক্ষতি মেনে নিতে হয় বড় ক্ষতি এড়ানোর জন্য, তাহলে তা অপরাধ নয়। যেমন, কোনো বন্যা দুর্গত এলাকায় মানুষ উদ্ধার করতে গিয়ে যদি অন্যের সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তাহলে সেটা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না কারণ বড় বিপদ এড়ানোর জন্য ছোট ক্ষতি মেনে নেওয়া হয়েছে।

"Doctrine of Alternative Danger" বা বৈকল্পিক বিপদ তত্ত্বের কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:

⇒ এক বাড়ির আগুন লেগেছে। আগুন থামাতে প্রতিবেশীর বাড়ির দেওয়াল ভেঙে দিতে হয়েছে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে। এক্ষেত্রে প্রতিবেশীর সম্পত্তির ক্ষতি হলেও তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না কারণ বড় আগুন থামানোর জন্য ছোট ক্ষতি মেনে নেওয়া হয়েছে।


⇒ এক জায়গায় বন্যা হয়েছে। উদ্ধারকারীদের মানুষ বাঁচাতে গিয়ে কারো বাড়ি/সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা অপরাধ নয়, কারণ মানুষ বাঁচানোই বড় বিষয়।

⇒ রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে এক ব্যক্তির পা ভেঙে গেছে। চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে নিতে অন্য একটি গাড়ি ভাঙার অনুমতি দিলে সেটা অপরাধ নয়, কারণ রোগীর জীবন বাঁচানোই বড় বিষয়।

⇒ হঠাৎ করে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সেই জায়গার বাসিন্দাদের বাঁচাতে প্রশাসন বাঁধ ভেঙে দিতে পারে। এক্ষেত্রে বাঁধ ভাঙার জন্য তারা অপরাধী হবেন না।
৫১.
ঠগ (Thug) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে-
খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে অপরাধী মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ, অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান- ঠগের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 310: Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

Section 311: Punishment:
Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৫২.
কোনো ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের গ্রেফতার কাজে সহায়তা করতে অস্বীকার করলে, তিনি দণ্ডবিধির অধীন সর্বোচ্চ কারাদণ্ড পেতে পারে-
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:

কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 187- Omission to assist public servant when bound by law to give assistance:
Whoever, being bound by law to render or furnish assistance to any public servant in the execution of his public duty, intentionally omits to give such assistance, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to two hundred taka, or with both;
and if such assistance be demanded of him by a public servant legally competent to make such demand for the purposes of executing any process lawfully issued by a Court of Justice, or of preventing the commission of an offence, or of suppressing a riot, or affray, or of apprehending a person charged with or guilty of an offence, or of having escaped from lawful custody, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৫৩.
দণ্ডবিধির ______ ধারার বিধান অনুযায়ী আইনবলে বাধ্য বিশ্বাসকারী ব্যক্তি কর্তৃক সরল মনে সম্পাদিত কার্য অপরাধ হিসেবে গন্য হবে না।
  1. ৭৬
  2. ৮৬
  3. ৯৬
  4. ৭৯
সঠিক উত্তর:
৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।

Section 76: Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.

Illustrations:
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.
৫৪.
কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কাউকে গালিগালাজ করে এবং তার কথা ও আচরণে উদ্ধত অঙ্গভঙ্গি দেখায়, যাতে অন্য ব্যক্তি শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করে তাহলে তা দণ্ডবিধির অধীন কোন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. বলপ্রয়োগ
  2. আঘাতের চেষ্টা
  3. আক্রমণ
  4. ভীতি প্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা- আক্রমণ:
কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা: কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

• উক্ত ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
⇒ কোনো ব্যক্তি যদি এমন অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করে যাতে অন্য কোনো ব্যক্তির মনে এই ভয় জাগে যে, সে তার উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করবে, তাহলে এটা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ শুধুমাত্র কথা বলা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে না। তবে কোনো ব্যক্তির কথার ভাষা এমন হতে পারে যে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতিকে আক্রমণাত্মক অর্থ দিতে পারে। তাহলে সেটা আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

অর্থাৎ ৩৫১ ধারার বিধান অনুসারে,
কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কাউকে গালিগালাজ করে এবং তার কথা ও আচরণে উদ্ধত অঙ্গভঙ্গি দেখায়, যাতে অন্য ব্যক্তি শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করে তাহলে তা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

আরো কিছু উদাহরণ-
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে।

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি লাঠি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, "তোমাকে পিটুনি দেব।" এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতূল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
৫৫.
একজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি একটি পার্কে গিয়ে চিৎকার করছে এবং অশ্লীল আচরণ করছে, যার কারণে অন্যান্য লোকজন বিরক্ত হচ্ছে। উক্ত কাজ দণ্ডবিধির কত ধারার অধীন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ৫০৯ ধারা
  2. ৫১০ ধারা
  3. ৫০০ ধারা
  4. ৫০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১০ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা- নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510⇒ Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৫৬.
দণ্ডবিধির কত অধ্যায়ে "রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ" সমূহ আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩য় অধ্যায়ে
  2. ৫ম অধ্যায়ে
  3. ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে
  4. ৪র্থ অধ্যায়ে
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ অধ্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ অধ্যায়ে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি। দণ্ডবিধির ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE STATE) সমূহ আলোচনা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ: 

রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ হলো এমন অপরাধ যা দেশের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে হয়। দণ্ডবিধিতে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন অপরাধের বিধান রয়েছে। এগুলো হলো:

১. দেশদ্রোহ অপরাধ (Offences relating to Waging War against Bangladesh):
দণ্ডবিধির ১২১-১২৪এ ধারায় এ অপরাধসমূহ আছে। যেমন যুদ্ধ বা সশস্ত্র বিদ্রোহ ঘোষণা করা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো ইত্যাদি। এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

২. নানা রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (Offences against the State):
১২১এ থেকে ১২৪ধারার বাইরেও রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন অপরাধ আছে ১২৫-১৩৩ধারায়। যেমন শাসনতন্ত্র উৎখাতের চেষ্টা (১২৫), প্রচার (১২৩), রাষ্ট্রপতি/প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র (১২১এ) ইত্যাদি। শাস্তি কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

৩. গোপনীয়তা ভঙ্গ (Sedition):
১২৪এ ধারায় সরকারের প্রতি অবাধ্যতা ও আইন অমান্য করাকে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। শাস্তি আজীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত।

এছাড়াও সৈন্য জন বা সামরিক ব্যক্তিদের জন্য আরও কিছু বিশেষ রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধের বিধান রয়েছে দণ্ডবিধিতে।
৫৭.
'ক', 'চ'-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে 'চ'-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে 'চ' সেই দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। 'ক' কী অপরাধ করেছে?
  1. অপহরণ
  2. অবৈধ বাধা
  3. অবৈধ অবরোধ
  4. বলপূর্বক বাধা
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অবরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অবরোধ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারা- অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে 'চ' সেই দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। 'ক', 'চ'-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।

(খ) 'ক' কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে 'চ'-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা 'চ'-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। 'ক' অবৈধভাবে 'চ'-কে অবরোধ করেছে।
৫৮.
Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to _________ years.
  1. six
  2. ten
  3. seven
  4. five
সঠিক উত্তর:
seven
উত্তর
সঠিক উত্তর:
seven
ব্যাখ্যা
• Section 494- Marrying again during life-time of husband or wife:
Whoever, having a husband or wife living, marries in any case in which such marriage is void by reason of its taking place during the life of such husband or wife, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

Exception:
This section does not extend to any person whose marriage with such husband or wife has been declared void by a Court of competent jurisdiction, nor to any person who contracts a marriage during the life of a former husband or wife, if such husband or wife, at the time of the subsequent marriage, shall have been continually absent from such person for the space of seven years, and shall not have been heard of by such person as being alive within that time provided the person contracting such subsequent marriage shall, before such marriage takes place, inform the person with whom such marriage is contracted of the real state of facts so far as the same are within his or her knowledge.

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
৫৯.
'আইনতঃ বাধ্যবলে বা ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত কাজটি করতে বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।'- কোন উদহারনের সাথে এই বিধান সামঞ্জস্যপূর্ণ?
  1. অসতর্কতা হেতু কুড়ালের মাথা উড়ে নিকটস্থ ব্যক্তিকে আহত করা
  2. মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে জেনেও ডাক্তার সদবিশ্বাসে রুগির অনুমতি ছাড়া অস্ত্রপচার করায় রুগি মারা গেলে
  3. সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনতঃ বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনতঃ বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।

Section 76- Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.

Illustrations-
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.
৬০.
জালিয়াতির সাজা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৪৬৩ ধারা
  2. ৪৬৫ ধারা
  3. ৪৬৪ ধারা
  4. ৪৬১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৬৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী, যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।

- কোনো ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল তৈরী করা হয়, কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি।

দণ্ডবিধির ৪৬৫ ধারায় জালিয়াতির শাস্তি বর্ণিত আছে, যা সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৬১.
'ক' একটি কূপের মুখে আড়াআড়িভাবে বাঁশের কঞ্চি পেতে তার উপর ঘাস পাতা বিছিয়ে দেয়- এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে অথবা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে তা জানা সত্ত্বেও তা করে। 'চ' শক্ত মাটি মনে করে উহার উপর দিয়ে চলতে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে যায় এবং নিহত হয়। 'ক' কী অপরাধ করেছে?
  1. খুন
  2. গুরুতর জখম
  3. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  4. হত্যার চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক' একটি কূপের মুখে আড়াআড়িভাবে বাঁশের কঞ্চি পেতে তার উপর ঘাস পাতা বিছিয়ে দেয়- এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে অথবা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে তা জানা সত্ত্বেও তা করে। 'চ' শক্ত মাটি মনে করে উহার উপর দিয়ে চলতে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে যায় এবং নিহত হয়। 'ক' শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(খ) একটি ঝোপের একপাশে 'ক' ও 'খ' রয়েছে এবং অন্য পাশে 'চ' রয়েছে 'ক' জানে যে, 'চ' অন্য পাশে রয়েছে, কিন্তু 'খ' তা জানে না। ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করলে যাতে 'চ'-এর মৃত্যু হয় সে। উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ গুলিবর্ষণ করলে 'চ'-এর মৃত্যু হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও 'ক' ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করার জন্য 'খ'-কে অনুরোধ করে। 'খ' অনুরোধ রক্ষা করে গুলিবর্ষণ করে এবং তার গুলিবর্ষণের ফলে 'চ' এর মৃত্যু হয়। এইক্ষেত্রে 'খ' কোন দোষে দোষী না হতে পারে, কিন্তু 'ক' শাস্তি যোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(গ) 'ক' একটি মুরগি হত্যা করে উহা চুরি করার উদ্দেশ্যে উহার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, কিন্তু গুলিবর্ষণের ফলে ঝোপের অন্য পাশে 'খ'-এর মৃত্যু হয়। 'ক' জানত না যে, 'খ' সেখানে ছিল। এই ক্ষেত্রে 'ক' যদিও একটি বেআইনী কাজই করতেছিল, তথাপি সে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী নয়, কেননা সে 'খ'-কে হত্যা করতে চায় নাই, অথবা যে কার্য মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, জ্ঞাতসারে সে কার্য করে সে মৃত্যু ঘটায় নাই।
৬২.
"চোরাই মাল" বলতে বোঝায়-
  1. চুরির ফলে হস্তান্তরিতকৃত সম্পত্তি
  2. দস্যুতার ফলে অর্জিত সম্পত্তি
  3. অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত সম্পত্তি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
চোরাই মাল (Stolen Property):
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুযায়ী- যে সম্পত্তির দখল চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত হয়েছে এবং যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে বা অপরাধমূলকভাবে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে, সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে গণ্য করতে হবে। অর্থাৎ, যে সম্পত্তি নিম্নোক্ত উপায়ে অর্জিত হয়েছে তাকে "চোরাই সম্পত্তি" বলে গণ্য করা হবে:
১. চুরি করে অর্জিত সম্পত্তি;
২. জোরপূর্বক আত্মসাৎ করে অর্জিত সম্পত্তি;
৩. দস্যুতা করে আনীত সম্পত্তি;
৪. অপরাধমূলক উপায়ে অর্জিত সম্পত্তি;
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্জিত সম্পত্তি।

শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৪১১ ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি চোরাই মাল গ্রহণ করে, সেই ব্যক্তি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৬৩.
'ক' রাস্তায় 'খ' কে ছুরি দেখিয়ে 'খ' এর নিকট তার কাছে থাকা সমস্ত টাকা দাবি করে এবং 'খ' ভয়ে তার কাছে যা ছিলো সব 'ক' কে দিয়ে দেয়। এখানে 'ক' দ্বারা সংঘটিত অপরাধ-
  1. দস্যুতা
  2. ডাকাতি
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. অপরাধমূলক বল প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়। - যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
'ক' রাস্তায় 'খ' কে ছুরি দেখিয়ে 'খ' এর নিকট তার কাছে থাকা সমস্ত টাকা দাবি করে এবং 'খ' ভয়ে তার কাছে যা ছিলো সব 'ক' কে দিয়ে দেয়।- এখানে 'ক' দ্বারা সংঘটিত অপরাধ 'দস্যুতা' হবে।
৬৪.
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. দেহ
  2. খ্যাতি
  3. সম্পত্তি
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারা: অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা-
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।

ব্যাখ্যা: ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।

উদাহরণঃ
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
৬৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে না?
  1. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাংলাদেশি কোন নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধে
  2. আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যা হলে
  3. বাংলাদেশের অভ্যন্তর বাংলাদেশ বা বিদেশি নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ
  4. বাংলাদেশের নিবন্ধিত জাহাজে বা বিমানে সংঘটিত অপরাধে
সঠিক উত্তর:
আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যা হলে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।

অর্থাৎ 'আমরিকান জাহাজে ভারতের জলসীমায় চায়না নাগরিক হত্যার' ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে না।
৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩৮ অনুযায়ী আদালত কোন ধরনের প্রতিবেদন প্রাসঙ্গিক মনে করে?
  1. সংবাদপত্রের প্রতিবেদন
  2. টেলিভিশনের সংবাদ প্রতিবেদন
  3. আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়ের প্রতিবেদন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮:
যখন আদালতের কোনো দেশের আইন সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন সেই দেশের সরকারের কর্তৃত্বে মুদ্রিত বা প্রকাশিত যে কোনো আইনের বিবৃতি, এবং সেই দেশের আদালতের কোনো রায়ের প্রতিবেদন, যা একটি বইয়ে প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে, তা প্রাসঙ্গিক

[When the Court has to form an opinion as to a law of any country, any statement of such law contained in a book purporting to be printed or published under the authority of the Government of such country and to contain any such law, and any report of a ruling of the Courts of such country contained in a book purporting to be a report of such rulings, is relevant.]
৬৭.
'Dying Declaration' কীভাবে দেয়া যায়?
  1. ইশারায়
  2. লিখিত ভাবে
  3. মৌখিক ভাবে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)-
সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিক ভাবে।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৬৮.
'কোনো দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ যা কেউ নিজে দেখেছে,'- কোন ধরনের সাক্ষ্য?
  1. অনুমান
  2. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য
  3. তৃতীয় পক্ষের সাক্ষ্য
  4. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে। এই ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, যেমন:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয়, এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।

"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."
৬৯.
একটি নির্দিষ্ট দলিল উপস্থাপনের জন্য একজন সাক্ষীকে তলব করা হয়েছে। দলিলটি তার অধীনেই রয়েছে, কিন্তু তিনি উপস্থাপনে আপত্তি করছেন। এধরনের আপত্তির বৈধতা কে নির্ধারন করবে?
  1. আদালত
  2. পক্ষদ্বয়
  3. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবী
  4. সাক্ষী নিজে
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৬২: দলিলের উপস্থাপন:

একজন সাক্ষীকে কোনো নথি উপস্থাপন করার জন্য সমন জারি করা হলে, যদি সে নথিটি তার কাছে থাকে বা তার নিয়ন্ত্রণাধীন হয়, তাহলে সে সেটি আদালতে উপস্থিত করবে, এর বিরুদ্ধে যে কোনো আপত্তি থাকলেও। এই ধরনের আপত্তির বৈধতা আদালত নির্ধারন করবে। আদালত যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে রাষ্ট্রীয় বিষয়সমূহ ব্যতীত নথিটি পরীক্ষা করতে পারবে অথবা এর গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের জন্য অন্যান্য প্রমাণ গ্রহণ করতে পারবে।

[A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court.
The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.]
৭০.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী বিশারদের মতামত আদালতের উপর-
  1. obligatory
  2. imperative
  3. compulsory
  4. discretionary
সঠিক উত্তর:
discretionary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
discretionary
ব্যাখ্যা
• যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন এই বিষয়ে বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-

(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;
(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;
(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;
(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।

⇒ উল্লেখ্য যে,
Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক (discretionary) ক্ষমতা।
৭১.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুযায়ী আদালত ৭ বছর ধরে নিখোঁজ ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য?
  1. ১০৭
  2. ১০৮
  3. ১১০
  4. ১১১
সঠিক উত্তর:
১০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৮
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায় এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।

Section 108 ⇒ Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৭২.
বৈরী সাক্ষীকে জেরা করার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. উপস্থিতি নিশ্চিত করা
  2. বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করা
  3. বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা
  4. সাক্ষ্য আরও সুস্পষ্ট করা
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে- নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
i) সাক্ষীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদ্ঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা;
ii) বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা;
iii) সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা;
iv) সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খণ্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দেশ্যে; এবং
v) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দেশ্য।

• সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।
৭৩.
The Evidence Act,1872 এর ৮৫ক ধারায় আদালত কোন বিষয়ে অনুমান করে?
  1. ডিজিটাল আকারে চুক্তির
  2. ফরেনসিক সাক্ষ্য
  3. ডিজিটাল যোগাযোগ
  4. ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল আকারে চুক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল আকারে চুক্তির
ব্যাখ্যা
ধারা-৮৫ক: ডিজিটাল আকারে চুক্তির অনুমান:
আদালত অনুমান করবে, যে প্রতিটি ডিজিটাল রেকর্ড পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্বলিত একটি চুক্তি যা পক্ষগুলির ডিজিটাল স্বাক্ষর সংযুক্ত করে সম্পন্ন করা হয়েছিলো।

Section 85A: Presumption as to agreements in digital forms:
The Court shall presume that every digital record purporting to be an agreement containing the digital signatures of the parties was so concluded by affixing the digital signature of the parties.
৭৪.
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারায় হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত _________।
  1. প্রাসঙ্গিক
  2. অপ্রাসঙ্গিক
  3. অনুমিত
  4. চূড়ান্ত প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারা- হস্তলিপি সম্বন্ধে অভিমত যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক:
একটি দলিল কোন ব্যক্তির দ্বারা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে সে সম্বন্ধে আদালতকে যখন কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন যে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত অথবা স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে ব্যক্তির দ্বারা এটা লিখিত বা স্বাক্ষরিত হচ্ছে বা হয়নি এ মর্মে উক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত কোন ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক পরিগণিত।

ব্যাখ্যা- এক ব্যক্তি যেক্ষেত্রে অন্য এক ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে অথবা যেক্ষেত্রে সে ব্যক্তির নিকট প্রেরিত নিজের লেখার বা নিজ কর্তৃত্বে লিখিত কোন নথির উত্তরে তার নিকট হতে তার দ্বারা লিখিত বলে প্রতীয়মান নথি পেয়েছে প্রতীয়মান কাগজপত্র বরাবর তার নিকট দাখিল হয়ে আসছে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত ব্যক্তির শেষোক্ত ব্যক্তির হস্তলিপির সঙ্গে পরিচিত বলে ধরা হয়।

⇒ উক্ত ধারামতে, একজন ব্যক্তির অভিমত অন্য ব্যক্তির হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে তখন প্রাসঙ্গিক হবে, যখন কোন ব্যক্তি-
- অপর ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে;
- অপর ব্যক্তির লিখিত কোন দলিল পেয়েছে;
- স্বাভাবিক কাজকর্ম হিসেবে যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত হয়েছে।
৭৫.
'হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল এবং পালিয়ে গিয়েছিল।' সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উক্ত কার্য প্রাসঙ্গিক?
  1. ৯ ধারায়
  2. ৮ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে-

ধারা ৮: মোটিভ, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কার্যক্রম-
যে কোন সত্য যার কারণে বা যার প্রতিক্রিয়ায় কোন ঘটনা ঘটেছে বা ঘটে, অথবা যার উদ্দেশ্য থেকে বা যার প্রতিক্রিয়ায় কোন ঘটনা ঘটে, তা প্রাসঙ্গিক, যদি সেই উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি বা পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কার্যক্রম প্রাসঙ্গিক ঘটনা হয়।

উদাহরণ:
A একটি অপরাধ সংঘটিত করার জন্য B এর বাড়িতে গিয়েছিল। A এর বাড়ি থেকে B এর বাড়ি পর্যন্ত তার যাত্রাপথ এবং B এর বাড়িতে তার কার্যকলাপ প্রাসঙ্গিক।
A এর খুনের আগে এবং পরে B এর আচরণ প্রাসঙ্গিক।
যদি A এর অপরাধ করার উদ্দেশ্য প্রমাণ করতে হয়, তাহলে সেই উদ্দেশ্যের সকল প্রস্তুতি প্রাসঙ্গিক।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
যেমন:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
৭৬.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৩৪ ধারা অনুযায়ী, একজন সাক্ষী দ্বারা কি মামলা প্রমাণ করা যায়?
  1. না
  2. হ্যাঁ
  3. শুধুমাত্র দেওয়ানি মামলায়
  4. শুধুমাত্র গুরুতর মামলায়
সঠিক উত্তর:
হ্যাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যাঁ
ব্যাখ্যা
• সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল- 'witnesses are weighed, not numbered'.- বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।

সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী-
কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়। এক্ষেত্রে মামলার ধরন অপ্রাসঙ্গিক।
৭৭.
The Evidence Act, 1872 এর ৩৩ ধারার অধীন কোন ক্ষেত্রে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তীতে প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক হতে পারে না?
  1. সাক্ষীর সন্ধান পাওয়া না গেলে
  2. সাক্ষী পরে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হলে
  3. সাক্ষী নতুন মামলা দায়ের করলে
  4. প্রতিপক্ষ সাক্ষীকে আটকিয়ে রাখলে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী নতুন মামলা দায়ের করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী নতুন মামলা দায়ের করলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩: যখন পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তীতে মামলায প্রমানের জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে:

কোনো মামলায় কেউ আইন অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার পর যদি তার-
ক) মৃত্যু হয়; বা
খ) সন্ধান পাওয়া না যায়; বা
গ) যে পরে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হয়ে পড়ে; বা
ঘ) প্রতিপক্ষ তাকে আটকিয়ে রাখে;
ঙ) যুক্তিসংগত কারনে তাকে আদালতে উপস্থিত করা সময় এবং ব্যয়সাপেক্ষ হয়।

অর্থাৎ 'সাক্ষী কর্তৃক নতুন মামলা দায়ের করা'- এই ক্ষেত্রে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য পরবর্তীতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
৭৮.
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যক্তি ও তার আইনজীবীর মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  2. ব্যক্তি ও তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  3. ব্যক্তি ও তার স্বামী/স্ত্রীর মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
  4. ব্যক্তি ও তদন্তকারী কর্মকর্তার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি ও তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি ও তার আইন উপদেষ্টার মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৯ ধারা: আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন সংবাদের আদান-প্রদান:
কোন ব্যক্তি এবং তার পেশাদার আইন উপদেষ্টার ভিতর গোপনীয় বার্তার আদান-প্রদান হলে, সে ব্যক্তি যদি মোকদ্দমার সাক্ষ্য দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ না করেন, তবে সে গোপনীয় আদান-প্রদানের বিষয় আদালতে ব্যক্ত করতে তাকে বাধ্য করা যাবে না। যদি তিনি সাক্ষ্য দেন, তবে তার দেয়া সাক্ষ্যের ব্যাখ্যার জন্য উক্ত গোপনীয় সংবাদ আদান-প্রদানের বিষয় আদালতের জানা প্রয়োজন হলে শুধু তাকে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে, অন্যথায় নয়।

Section 129: Confidential communications with legal advisers:
No one shall be compelled to disclose to the Court any confidential communication which has taken place between him and his legal professional adviser, unless he offers himself as a witness, in which case he may be compelled to disclose any such communications as may appear to the Court necessary to be known in order to explain any evidence which he has given, but no others.
৭৯.
According to Section 152 of The Evidence Act, 1872: The Court ______ any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which appears to the Court needlessly offensive in form.
  1. may allow
  2. shall forbid
  3. may forbid
  4. can allow
সঠিক উত্তর:
shall forbid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
shall forbid
ব্যাখ্যা
• Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো প্রশ্ন সাক্ষীকে অপমানিত বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে আদালত সেই প্রশ্নকে অগ্রাহ্য করতে পারে। অর্থাৎ এরকম প্রশ্নের প্রয়োজন নেই এবং আদালত এই ধরনের প্রশ্ন প্রসঙ্গে বর্জন করতে পারে।
৮০.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৪ ধারা কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. আবেদনের ক্ষেত্রে
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী-
এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় ব্যয়িত সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে।

শর্তসমূহ-
১. পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী উভয় মোকদ্দমার কার্যক্রম একই পক্ষগণ কর্তৃক দায়েরকৃত দেওয়ানী কার্যক্রম [Civil Proceedings] হতে হবে।
২. বাদী পূর্ববর্তী মামলার কার্যক্রমটি যথাবিহিত যত্নের সাথে (With due diligence) এবং সরল বিশ্বাসে (good faith) পরিচালনা করেছে।
৩. আদালতের এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরুপ কারণে আদালত পূর্ববর্তী কার্যক্রমটি পরিচালনা করতে ক্ষমতাসম্পন্ন ছিল না, তখন এখতিয়ারবিহীন আদালতে উক্ত ব্যয়িত সময় তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বাদ দিতে হবে।

১৪ ধারা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে-
১. মূল মোকদ্দমার (Suit) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে;
২. যেকোন আবেদনের (Any application) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে।
৮১.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ২য় বিভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  2. আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  3. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  4. পিটিশন সংক্রান্ত তামাদির মেয়াদ
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division):
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits];
অনুচ্ছেদ: ১-১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals];
অনুচ্ছেদ: ১৫০-১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions];
অনুচ্ছেদ: ১৫৮-১৮৩ পর্যন্ত।
৮২.
'একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।'- এই নীতির ব্যতিক্রম কখন হয়?
  1. নাবালকের সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  2. বৈদেশিক চুক্তির ক্ষেত্রে
  3. দেনাদার পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
  4. পাওনাদার দেনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
সঠিক উত্তর:
দেনাদার পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেনাদার পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় থাকলে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯- সময়ের অবিরাম চলন:
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।

ব্যতিক্রম:
যদি কোনো পাওনাদারের সম্পত্তির পরিচালনার পত্রনামা তার দেনাদারকে দেওয়া হয়, তাহলে ঐ দেনা আদায়ের জন্য মামলা করার নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ পরিচালনা চলাকালীন স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

⇒ এই ধারা অনুযায়ী,
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তীকালে যে কোনো অপারগতা বা অক্ষমতা এসে পড়লেও তা তামাদির গণনাকে বন্ধ করবে না। অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ অবিরত চলতে থাকবে। যখন দেনাদারই পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা করছে, সেক্ষেত্রে পাওনার টাকা আদায়ের মামলা করার মেয়াদ বা সময়সীমা স্থগিত বা বন্ধ হয়ে যায়। কারণ এক্ষেত্রে দেনাদারের হাতেই আসলে পাওনাদারের সম্পত্তি থাকে। সুতরাং মামলার প্রয়োজনীয়তা কিছুটা কমে যায়।
৮৩.
কোনো সম্পত্তির ________ জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে তামাদি আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
  1. স্বত্ত্ব প্রাপ্তির
  2. দখল প্রাপ্তির
  3. বিক্রয়ের
  4. মালিকানার
সঠিক উত্তর:
দখল প্রাপ্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল প্রাপ্তির
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৮৪.
নি:স্ব ব্যক্তির আপিল করার অনুমতি চেয়ে দরখাস্ত দাখিলের তামাদি-
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭০:

বিষয়: নি:স্ব হিসাবে আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত [for leave to appeal as pauper];
তামাদির মেয়াদ- ৩০ দিন;
গণনা শুরু- যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হবে, সেই তারিখ হতে।
৮৫.
১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির কয় নং আদেশের মাধ্যমে 'বাংলাদেশ বার কাউন্সিল' প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৪৫ নং
  2. ৪৭ নং
  3. ৪৬ নং
  4. ৪৮ নং
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হলো দেশের আইনজীবীদের একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদিত সংগঠন। এটির প্রতিষ্ঠা ও কাঠামোগত বিষয়গুলো নিম্নরূপ:

স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ এটি সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র কেন্দ্রীয় সংস্থা যা দেশের সকল আইনজীবী এবং আইন শিক্ষার্থীদের তালিকাভুক্তি, নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বভার পালন করে।

⇒ বার কাউন্সিলের নিজস্ব একটি আইন আছে যা Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 নামে পরিচিত। এই আইনে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধন, শৃংখলা বিধি ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।

⇒ কাউন্সিলটি একটি চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নির্বাচিত এক প্যানেল দ্বারা পরিচালিত হয়। সদস্যরা দেশের বিভিন্ন বার সোসাইটি দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে।

⇒ বার কাউন্সিলের অন্যান্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে আইনজীবী শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
৮৬.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধনের অযোগ্যতাসমূহ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৫
  3. অনুচ্ছেদ ২৬
  4. অনুচ্ছেদ ২৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭(৩) অনুচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তি আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি -

(ক) তিনি নৈতিক অধঃপতনজনিত কোনো অপরাধের অভিযোগে সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চাকরি থেকে বরখাস্ত হন এবং তার বরখাস্তের তারিখ হতে দুই বছর অতিবাহিত না হয়; অথবা

(খ) তিনি নৈতিক অধঃপতনজনিত কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন এবং দণ্ডাদেশ কার্যকর হওয়ার তারিখ হতে পাঁচ বছর বা সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত এরূপ সময়কাল অতিবাহিত না হয়।

⇒ এই ধারাটি দুইভাবে কোনো ব্যক্তিকে আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের জন্য অযোগ্য করে:

১. সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মচারী যদি নৈতিক অধঃপতনজনিত অপরাধের অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত হন, তাহলে তার বরখাস্তের তারিখ থেকে দুই বছর না হলে তিনি আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের যোগ্য হবেন না।

২. কোনো ব্যক্তি যদি নৈতিক অধঃপতনজনিত অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন, তাহলে তার দণ্ডাদেশ কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ বছর বা সরকার নির্ধারিত সময় অতিবাহিত না হলে তিনি আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের যোগ্য হবেন না।
৮৭.
'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর ১ম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু কী?
  1. আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব
  2. জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব
  3. আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
  4. মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
ব্যাখ্যা
• "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য;
২য় অধ্যায়- মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব।

একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য ১১টি।
১) ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা। [বিধি-১]।
২) পেশাগত প্রচারণার জন্য কোনো বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না তবে প্রকাশনা, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার করা যাবে--[বিধি-২]।
৩) একজন অ্যাডভোকেট অন্য ব্যক্তিকে বা দালালকে আইন পেশা পরিচালনার জন্য অনুমতি বা পারিশ্রমিক দিবেন না--[বিধি-৩]।
৪) প্রতিপক্ষ মক্কেলের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবেন না--[বিধি-৪]।
৫) প্রতিপক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে আদালতে মামলার বিষয়বস্তু উপস্থাপনা করবেন না [এক তরফা মামলার (ex- parte) ক্ষেত্র ব্যতীত] [বিধি ৫]।
৬) মক্কেল অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট নিয়োগ করতে পারবেন তবে এক্ষেত্রে নিযুক্তির এডভোকেটের বকেয়া পরিশোধ না করলে উক্ত মামলায় অতিরিক্ত এডভোকেটের জড়িত হওয়া উচিত হবে না---[এক্ষেত্রে নিযুক্তির অ্যাডভোকেট এন.ও.সি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) দিলে ভাল হয়।]----[বিধি-৬]।
৭) কোন মামলার বিচার চলার সময় কোনো অ্যাডভোকেট অপরপক্ষের এডভোকেটের ব্যক্তিগত ইতিহাস বা বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করবেন না--[বিধি-৭]।
৮) একজন অ্যাডভোকেট বণ্টন নীতিমালাতে যে-রূপ আছে ঐভাবে আইন সহায়তার জন্য ফিস নিতে পারবে এবং তার ফিস অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বণ্টিত বা ভাগ বাটোয়ারা হবে না--[বিধি-৮]।
৯) প্রত্যেক আইনজীবী বার কাউন্সিল প্রণীত তালিকাভুক্তির বিধান অনুসারে পদাধিকারের বিধান মেনে চলবে। [বিধি - ৯]।
১০) জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে--[বিধি-১০]।
১১)কোন মামলায় কোন পক্ষে একাধিক অ্যাডভোকেট নিয়োজিত হলে, সেক্ষেত্রে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন-- [বিধি-১১]।