পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৯৪
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯৪ প্রশ্ন

.
চতুর্দশপদী কবিতার ক্ষেত্রে শেষ ছয় চরণে থাকে-
  1. ভাবের পরিণতি
  2. ভণিতা 
  3. ভাবের প্রবর্তনা 
  4. উপসংহার
সঠিক উত্তর:
ভাবের পরিণতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাবের পরিণতি
ব্যাখ্যা

• চতুর্দশপদী কবিতার ক্ষেত্রে শেষ ছয় চরণে থাকে- ভাবের পরিণতি। 
-------------------
• সনেট (Sonnet):
- চতুর্দশপদী (Sonnet) হল এক ধরনের কবিতা যার প্রথম উদ্ভব হয় মধ্যযুগে ইতালিতে।
- এর বৈশিষ্ট হল যে এই কবিতাগুলো ১৪টি চরণে সংগঠিত এবং প্রতিটি চরণে সাধারণভাবে মোট ১৪টি করে অক্ষর থাকবে।
- এর প্রথম আট চরণের স্তবককে অষ্টক এবং পরবর্তী ছয় চরণের স্তবককে ষষ্টক বলে।
- অষ্টকে মূলত ভাবের প্রবর্তনা এবং ষষ্ঠকে ভাবের পরিণতি থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতার জনক - মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন চতুর্দশপদী কবিতাবলী। এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে।
- ইতালীয় কবি পেত্রার্ক ও শেক্সপিয়ারের অনুকরণে এসব সনেট রচনা করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

.
"ক’ফোঁটা রক্ত দিয়ে এক ফোঁটা চোখের জল হয় তোমাদের বিজ্ঞানে বলতে পারে?" - উক্তিটি কে করেছেন?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. হেলাল হাফিজ 
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

• "ক’ফোঁটা রক্ত দিয়ে এক ফোঁটা চোখের জল হয় তোমাদের বিজ্ঞানে বলতে পারে?" - এই উক্তিটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাজী মোতাহার হোসেনের কাছে লিখা একটি চিঠির বিখ্যাত উক্তি।

• উক্তিটি লেখার প্রেক্ষাপট:
এই লেখায় কাজী নজরুল ইসলামের একতরফা প্রেম ও মানসিক যন্ত্রণার করুণ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কবি তাঁর প্রিয় বন্ধু কাজী মোতাহার হোসেনকে উদ্দেশ করে ফজিলাতুন্নেছার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও বিরহের কষ্ট প্রকাশ করেছেন চিঠির মাধ্যমে। ফজিলাতুন্নেছা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলিম ছাত্রী ও মেধাবী নারী, যাঁকে নজরুল নিঃশব্দে ভালোবেসেছিলেন। কিন্তু তাঁর পক্ষ থেকে পাওয়া এক কড়া চিঠিতে কবি ভীষণ আঘাত পান এবং বুঝতে পারেন, আর কোনো উত্তর আসবে না। সেই আঘাতে কবি আরও ব্যাকুল হয়ে ওঠেন এবং মোতাহার হোসেনের কাছে প্রেমের যন্ত্রণা নিয়ে প্রশ্ন করেন। চিঠিগুলোতে নজরুলের অসহায়তা, হতাশা ও হৃদয়ের ক্ষত স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একখানা চিঠির প্রত্যাশায় কবির অন্তর শুকিয়ে মরুভূমির মতো হয়ে যায়—যা তাঁর গভীর মানসিক যন্ত্রণা ও অসম প্রেমের বেদনার প্রতীক।

প্রাসঙ্গিক তথ্য:
- এই চিঠিতে কাজী মোতাহার হোসেনকে 'মতিহার' বলে সম্বোধন করা হয়েছে।
- নজরুল এই চিঠিকে নিজের জীবনের সবচেয়ে করুণ পাতা বলে উল্লেখ করেছেন। 
- এই চিঠিতে কাজী নজরুল ইসলাম নিজেকে ইংরেজ কবি কীটসের সঙ্গে তুলনা করেছেন। কিট্‌স-এর প্রিয়া ফ্যানিকে লিখা চিঠির সাথে কবির মনের ভাবের সামঞ্জস্য এবং একইসাথে কিট্‌স এর ‘সোর-থ্রোট’ (যক্ষা) হয়ে মারা যাওয়া এর সাথে নিজের কণ্ঠপ্রদাহ রোগের মিল থেকে কবি এমন তুলনা করেছেন। 

উৎস: কাজী মোতাহার হোসেনের কাছে লিখা একটি চিঠি।

.
মধ্যযুগের কোন কবিকে ‘দ্বিতীয় বিদ্যাপতি’ বলা হয়?
  1. চণ্ডীদাস
  2. জ্ঞানদাস
  3. গোবিন্দদাস
  4. বৃন্দাবন দাস 
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দদাস
ব্যাখ্যা

• মধ্যযুগের কবি 'গোবিন্দদাস':
গোবিন্দদাস ছিলেন বৈষ্ণব পদকর্তা। চৈতন্যত্তোরকালে খ্যাতি অর্জনকারী কবিদের একজন।

- তিনি 'দ্বিতীয় বিদ্যাপতি' নামে খ্যাত।
- তার কাব্যগুরু ছিলেন মিথিলার কবি বিদ্যাপতি।
- তার রচিত সংস্কৃত নাটকের নাম 'সংগীতমাধব'।

- তিনি পূর্বরাগ, অভিসার, মান, কলহস্তরিতা, বাকসজ্জা, মাথুর প্রভৃতি পর্যায়ের পদকর্তা।
- অভিসার পদ পর্যায়ে গোবিন্দদাস শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন। সমালোচকের মতে অভিসার পর্যায়ে তিনি রাজাধিরাজ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

.
‘হরফের ছড়া’ নামে শিশুদের বর্ণশিক্ষার বইটি কে লিখেছেন?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. ফররুখ আহমদ
  3. বন্দে আলী মিয়া 
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা

‘হরফের ছড়া’ গ্রন্থ:
‘হরফের ছড়া’ ফররুখ আহমদের লেখা একটি বর্ণশিক্ষার বই, যা শিশুদের জন্য ছড়ার মাধ্যমে বাংলা বর্ণমালা শেখানোর উদ্দেশ্যে রচিত।
- এটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে,

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
তিনি ‘বর্ণপরিচয়’ নামে বিখ্যাত বর্ণশিক্ষার বই লিখেছেন। শিশুদের বাংলা ভাষা শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে এটিই প্রথম।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘সহজ পাঠ’ নামে শিশুসাহিত্য রচনা করেছেন।

• শিশুতোষ গ্রন্থ 'ইতল বিতল' এর রচয়িতা - সুফিয়া কামাল।

----------------
ফররুখ আহমদ এর জীবিনী ও সাহিত্যকর্ম:
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

তাঁর শিশু-কিশোরদের জন্য রচিত গ্রন্থ:
- পাখির বাসা,
- হরফের ছড়া,
- নতুন লেখা,
- ছড়ার আসর,
- চিড়িয়াখানা,
- কিস্‌সা কাহিনী,
- মাহফিল ১ম ও ২য় খণ্ড,
- ফুলের জলসা।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২. বাংলাপিডিয়া।
৩. ‘হরফের ছড়া’ রচনা।

.
‘ভিজে বেড়াল’ কার লেখা একটি বিখ্যাত ছড়ার বই?
  1. সুফিয়া কামাল
  2. সুকুমার রায় 
  3. সুকুমার বড়ুয়া
  4. আহসান হাবীব
সঠিক উত্তর:
সুকুমার বড়ুয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকুমার বড়ুয়া
ব্যাখ্যা

• সুকুমার বড়ুয়া:
- জন্ম ১৯৩৮ সালের ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানায়।
- মৃত্যু: ২ জানুয়ারি ২০২৬ সালে।

উল্লেখ্য,
সুকুমার বড়ুয়ার প্রথম বই - "পাগলা ঘোড়া" প্রকাশিত হয় ১৯৭০ সালে।
১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর ছড়ার বই - ভিজে বেড়াল।
আর ওই দুটি বইয়ের জন্যই তিনি ১৯৭৭ সালে অর্জন করেন ‘বাংলা একাডেমি শিশুসাহিত্য পুরস্কার’।

তাঁর ১৮টি বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য -
- পাগলা ঘোড়া,
- ভিজে বেড়াল,
- চন্দনা রঞ্জনার ছড়া,
- এলোপাতাড়ি,
- নানা রঙের দিন,
- চিচিং ফাঁক । 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

.
মধ্যযুগের প্রথম সাহিত্য নিদর্শন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য কোন ছন্দে রচিত?
  1. অক্ষরবৃত্ত ছন্দে
  2. স্বরবৃত্ত ছন্দে
  3. অমিত্রাক্ষর ছন্দে
  4. পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে
সঠিক উত্তর:
পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে
ব্যাখ্যা

• 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য:
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।

- ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলায় কাকিল্যা গ্রামে মল্লরাজগুরু বৈষ্ণবমহন্ত শ্রীনিবাসের দৌহিত্র শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গ্রন্থকে শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ নামেও অভিহিত করা হয়। এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে- কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি।
- কাব্যটি গতিশীল ও নাট্যরসাশ্রিত হয়েছে। এতে গীতি রসেরও উপস্থিতি লক্ষণীয়।
- কাব্যটি শৃঙ্গাররস প্রধান এবং ঝুমুর গানের লক্ষণাক্রান্ত।
- এটি পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা।

.
"অমল, ভূপতি" - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের চরিত্র?
  1. সমাপ্তি
  2. নষ্টনীড়
  3. একরাত্রি
  4. শাস্তি
সঠিক উত্তর:
নষ্টনীড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নষ্টনীড়
ব্যাখ্যা

• 'অমল; ভূপতি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নষ্টনীড়' ছোটগল্পের চরিত্র। 

-------------------
• 'নষ্টনীড়' ছোটগল্প সম্পর্কিত কিছু তথ্য: 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নষ্টনীড়' ছোট গল্পের চরিত্র 'চারুলতা'।
- এর অন্য দুটি চরিত্র - অমল, ভূপতি।
- গল্পটি ১৯০১ সালে রচিত ও প্রকাশিত। এই ছোটগল্পের উপর ভিত্তি করে প্রখ্যাত পরিচালক সত্যজিৎ রায় ১৯৬৪ সালের চারুলতা নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মান করেন।
- এই ছোটগল্পে একজন নিসঙ্গ নারীর কথা তুলে ধরা হয়েছে।

আরো কিছু উল্লেখযোগ্য ছোটগল্পের চরিত্র:  
- তাঁর 'সমাপ্তি' ছোটগল্পের চরিত্র 'মৃন্ময়ী'।
- তাঁর 'শাস্তি' ছোটগল্পের নায়িকা 'চন্দরা'।
- তাঁর 'একরাত্রি' ছোটগল্পের চরিত্র 'সুরবালা'। 
- পোস্টমাস্টার গল্পের চরিত্র হলো 'রতন'। 
------------------ 
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বাংলা ছোটোগল্প:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই প্রথম সার্থকভাবে বাংলা ছোটগল্পকে বিশ্বসাহিত্যের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেন।
- বাংলাপিডিয়া ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- ড. মাহবুবুল আলম এর বইয়ের তথ্যমতে, 
গল্পগুচ্ছ, সে, তিনসঙ্গী প্রভৃতি গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের সংখ্যা ১১৯টি।

• প্রেমের গল্প হিসেবে: 
একরাত্রি, মহামায়া, সমাপ্তি, মাল্যদান, মধ্যবর্তিনী, শাস্তি, প্রায়শ্চিত্ত, দুরাশা, অধ্যাপক, নষ্টনীড়, স্ত্রীর পত্র, পাত্র ও পাত্রী, মানভঞ্জন, রবিবার, শেষকথা, ল্যাবরেটরি প্রভৃতি গল্পের নাম উল্লেখ করা যায়।

• প্রকৃতিবিষয়ক গল্পের মধ্যে: শুভা, অতিথি, আপদ, বলাই ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

• সমাজজীবনের সম্পর্কবৈচিত্র্য নিয়ে রচিত গল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
ব্যবধান, মেঘ ও রৌদ্র, পণরক্ষা, পোস্টমাস্টার, কাবুলিওয়ালা, দিদি, হৈমন্তী, কর্মফল, দান-প্রতিদান, দেনা-পাওনা, ছুটি, পুত্রযজ্ঞ, খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন ইত্যাদি।

 • অতিপ্রাকৃত রসের স্পর্শ লেগেছে গুপ্তধন, জীবিত ও মৃত, নিশীথে, মণিহারা, ক্ষুধিত পাষাণ, মাস্টারমশাই ইত্যাদি গল্পে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, 'নষ্টনীড়' গল্প ও রবীন্দ্র রচনা সমগ্র।

.
"বং বঙ্গ বাঙ্গালা বাংলাদেশ" - গ্রন্থটি কে লিখেছেন?
  1. রিজিয়া রহমান
  2. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
  3. আহমদ শরীফ
  4. আবুল ফজল
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

• "বং বঙ্গ বাঙ্গালা বাংলাদেশ" গ্রন্থটি বিশিষ্ট আইনবিদ, লেখক ও ভাষাবিদ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান রচনা করেছেন।
- গ্রন্থটি - ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত হয়।

------------------------
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সম্পর্কে তথ্য:
জন্ম: ৩ ডিসেম্বর ১৯২৮।
মৃত্যু: ১১ জানুয়ারি ২০১৪।
তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা।
- ভাষা, সাহিত্য ও আইনশাস্ত্রে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে।
- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি পদে অভিষিক্ত হন।
- তিনি একুশে পদক (১৯৯৮) ও স্বাধীনতা পুরস্কার (২০০৯) পেয়েছেন।

উল্লেখ্য,
যথাশব্দ সংকলনটি প্রথম ভাব অভিধান সংকলনও বটে।
এছাড়াও তিনি বাংলা ভাষার প্রথম ধর্ম অভিধান 'যার যা ধর্ম' সংকলন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; প্রথম আলো আর্কাইভ।

.
বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির প্রথম মুখপত্রের নাম কী? 
  1. সাহিত্যিক
  2.  মোসলেম ভারত
  3. মোহাম্মদী
  4. বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা
সঠিক উত্তর:
বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা
ব্যাখ্যা

• বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি ও পত্রিকা:
বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি ১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক প্রমুখের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

- সমিতির উদ্যোগে মোট সাতটি সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৪৩ সালের ৮-৯ মে সমিতির সপ্তম ও শেষ বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা’ ও ‘সাহিত্যিক’ নামে এর দুটি মুখপত্র ছিল।

অর্থ্যাৎ, 
বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির প্রথম মুখপত্রের নাম - ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা’। 

১৯১৮ খ্রিস্টাব্দের ২৪ ফেব্রুয়ারি সমিতির কার্যকরী সভায় এর মুখপত্ররূপে একটি পত্রিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয় এবং পত্রিকা পরিচালনার জন্য ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটির সভাপতি ছিলেন  কাজী ইমদাদুল হক এবং সম্পাদক দুজন  মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ও মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক; আর সদস্য ছিলেন  মোহাম্মদ রেয়াজউদ্দীন আহমদ, মঈনউদ্দীন হোসায়েন ও  মুজাফ্ফর আহমদ। ১৩২৫ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে (এপ্রিল ১৯১৮) কলকাতার ৪৭/২ মির্জাপুর স্ট্রিট থেকে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকশিত হয়।

- লাহোর প্রস্তাবের প্রেক্ষাপটে কলকাতায় পূর্ব পাকিস্তান রেনেসাঁ সোসাইটি এবং ঢাকায় পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সংসদ গঠিত হলে বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতির গুরুত্ব হ্রাস পায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০.
বাংলা ভাষার বিখ্যাত কোন সাহিত্যিক ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র ছিলেন?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. শামসুর রাহমান
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা

• "শামসুর রাহমান, বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাশ" - সবাই ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। 
--------------------
নিচে সাহত্যিকদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো -

• শামসুর রাহমান: 
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- শামসুর রহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।
- শামসুর রাহমান ঢাকার পোগোজ স্কুল থেকে ১৯৪৫ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৪৭ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আই.এ পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে শামসুর রাহমান ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে লিখতেন। 
- কবি শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
--------------------
• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন একজন সাহিত্যিক, সমালোচক ও সম্পাদক যিনি ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।
- বুদ্ধদেব বসু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ছিলেন এবং জগন্নাথ হলে থাকা অবস্থায় তার সম্পাদনায় ‘বাসন্তিকা’ পত্রিকা প্রকাশিত হতো যা এখনো প্রকাশিত হয়। 
- তিনি প্রগতি (১৯২৭-২৯) ও কবিতা (১৩৪২-৪৭) নামে আরো দুটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
- এছাড়া তিনি হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিখ্যাত ত্রৈমাসিক পত্রিকা ‘চতুরঙ্গ’ ও সম্পাদনা করতেন।
-----------------------
• জীবনানন্দ দাশ:
- 'রূপসী বাংলার কবি', 'নির্জনতার কবি', 'তিমির হননের কবি', 'ধূসরতার কবি' নামে পরিচিত জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- জীবনানন্দ বরিশাল ব্রজমোহন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯১৫),  বি এম কলেজ থেকে আই.এ (১৯১৭) এবং কলকাতার  প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্সসহ বি.এ (১৯১৯) ও ইংরেজিতে এম.এ (১৯২১) পাস করেন।
- জীবনানন্দ কলকাতা সিটি কলেজে ১৯২২ সালে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা শুরু করেন।
- জীবনানন্দ দাশ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'ধূসর পান্ডুলিপি' পাঠ করে জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় কবিতা বলেছেন।
- স্কুলে ছাত্রাবস্থায় তাঁর প্রথম কবিতা - ‘বর্ষ-আবাহন’ ব্রহ্মবাদী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়।
- এছাড়া জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

১১.
"সপ্তম শতাব্দীতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি।" - এ ধারণাটি কার?
  1. জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ার্সন
  2. সুকুমার সেন
  3. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদের রচনা কাল:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে, ৬৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে রচিত,
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, ৯৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে।

অর্থ্যাৎ,
• বাংলা ভাষার উৎপত্তির সময়:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বলেছেন - সপ্তম শতাব্দীতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি।
- স্যার জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ার্সন, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ অধিকাংশ পণ্ডিত বলেছেন - দশম শতাব্দীতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি।
---------------

• চর্যাপদ: 
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- অপরদিকে, ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।

১২.
শেক্সপিয়রের ‘মার্চেন্ট অফ ভেনিস’ এর কাহিনি অবলম্বনে অনুবাদকৃত ‘ভানুমতী-চিত্তবিলাস’ নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. হরচন্দ্র ঘোষ
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. আবুল মনসুর আহমদ 
  4. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
হরচন্দ্র ঘোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরচন্দ্র ঘোষ
ব্যাখ্যা

• শেক্সপিয়রের ‘মার্চেন্ট অফ ভেনিস’ এর কাহিনি অবলম্বনে অনুবাদকৃত ‘ভানুমতী-চিত্তবিলাস’ নাটকটির রচয়িতা - হরচন্দ্র ঘোষ।

--------------
• হরচন্দ্র ঘোষ:
- ১৮১৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি একজন নাট্যকার, অনুবাদক।
- একবার বেকনের প্রবন্ধ ‘ট্রুথ’-এর বাংলা অনুবাদ করার প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলা নাট্য-সাহিত্যের আদিপর্বের নাট্যকার এবং শেক্সপীয়রের নাটকের প্রথম অনুবাদক।
- তাঁর পুরাণ অবলম্বনে রচিত কৌরববিয়োগ (১৮৫৮) একটি উল্লেখযোগ্য মৌলিক নাটক।
 ১৮৮৪ সালের ২৪ নভেম্বর হুগলিতে তাঁর মৃত্যু হয়।
- তিনিই সর্বপ্রথম প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য রীতির সংমিশ্রণে আধুনিক নাট্যরীতি প্রবর্তনের চেষ্টা করেন।

• হরচন্দ্র ঘোষ কয়েকটি অনুবাদমূলক নাটক লিখেছিলেন।
যেমন -
• ভানুমতি-চিত্তবিলাস (১৮৫৩)- শেক্সপিয়রের "মার্চেন্ট অফ ভেনিস" অবলম্বনে।
• চারুমুখ- চিত্তহারা - রোমিও-জুলিয়েট এর গল্প অবলম্বনে।
রজতগিরিনন্দিনী (১৮৭৪)- দি সিলভার হিল নাটক অবলম্বনে রচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ; গবেষণা প্রবন্ধ- University of North Bengal।

১৩.
চর্যাপদে বর্ণিত ডোম, চণ্ডাল, শবররা কোথায় বাস করত?
  1. নগরের কেন্দ্রে
  2. রাজপ্রাসাদের আশেপাশে
  3. নগরের বাইরে পাহাড়ে বা টিলায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নগরের বাইরে পাহাড়ে বা টিলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগরের বাইরে পাহাড়ে বা টিলায়
ব্যাখ্যা

• 'চর্যাপদ' এর জনগোষ্ঠী ও জীবনচিত্র: 
- ডোম, চণ্ডাল, শবর ইত্যাদি অন্ত্যজ শ্রেণির লোকেরা নগরের বাইরে পাহাড়ে বা টিলায় বাস করত।
- ব্রাহ্মণরা এদের স্পর্শ এড়িয়ে চলতেন এবং নিজেদের সমাজকে নিষ্কলুষ রাখতে সচেষ্ট থাকতেন।

- এ বৈষম্য ও বিভেদের ভাবটি একটি চর্যাগানে অভিব্যক্তি পেয়েছে:
'নগর বাহিরি রে ডোম্বি তোহোরি কুড়িআ।
ছোই ছোই জাসি বাম্‌হণ নাড়িআ ॥' [চর্যা ১০]।

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ- ড. মাহবুবুল হক; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- ড. মাহবুবুল আলম।

১৪.
বাংলা সাহিত্যে 'লেটো' কী হিসেবে পরিচিত?
  1. বাউলগান
  2. লোকগান
  3. শাক্ত পদাবলি
  4. ভাটিয়ালী গান 
সঠিক উত্তর:
লোকগান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোকগান
ব্যাখ্যা

• বাংলা সাহিত্যে 'লেটো' - এক ধরনের লোকগান হিসেবে পরিচিত।
--------------------
• লেটো গান সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য:
লেটো গান - পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে প্রচলিত এক প্রকার লোকসঙ্গীত। এটি যাত্রাগানের প্রকারভেদ। যাত্রাগানের মতোই পালার আকারে রচিত এ গান নৃত্য ও অভিনয়সহ পরিবেশন করা হয়; সঙ্গে থাকে বাদকদল।

- লেটো গান শুরু হয় বন্দনা দিয়ে। সখি, সঙদার, পাঠক বিভিন্ন নামে নট-নটীরা গান ও নাচ পরিবেশন করে। 
- এর বিষয়বস্ত্ত সামাজিক রঙ্গরস ও আটপৌরে গ্রামীণ জীবন; পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়েও পালা রচিত হয়।  
- কাজী নজরুল ইসলাম শৈশবকালে লেটোদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- তাঁর রচিত রাজপুত্রের সঙ, চাষার সঙ, আকবর বাদশা প্রভৃতি লেটো গানের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- লেটো গানে অনেক সময় দুটি দলের মধ্যে প্রতিযোগিতাও হয়; দলের প্রধানকে বলা হয় ‘গোদা কবি’।
-------------------- 
• লোকসঙ্গীত নিয়ে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: 
- 'ভাওয়াইয়া' মূলত রংপুর অঞ্চলের গান। মূলত গরুর গাড়ি চালকদের মুখে এ গান শোনা যায়।
- 'গম্ভীরা' বৃহত্তর রাজশাহী (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) অঞ্চলের গান।
- 'জারি গান' মূলত ময়মনসিংহ ও ঢাকা অঞ্চলের গান। এটি মূলত দুই পক্ষের মধ্যে গানের প্রতিযোগিতা।
- 'ভাটিয়ালী' মূলত ময়মনসিংহ অঞ্চলের গান।
- 'চটকা' রংপুর অঞ্চলের গান।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট।

১৫.
"গ্যাব্রোভোবাসীর রস-রসিকতা" - প্রবন্ধটির রচয়িতা কে?
  1. সুফী মোতাহার হোসেন
  2. মুহাম্মদ এনামুল হক
  3. সেলিনা হোসেন 
  4. মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ এনামুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ এনামুল হক
ব্যাখ্যা

• 'গ্যাব্রোভোবাসীর রস-রসিকতা' গ্রন্থটির রচয়িতা- মুহাম্মদ এনামুল হক। 
------------------------- 
• মুহম্মদ এনামুল হক: 
- ১৯০২ সালে বর্তমান চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য গবেষণায় অন্যতম প্রধান পন্ডিত ব্যক্তি।  
- মুহম্মদ এনামুল হক মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাস এবং বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ বিষয়ে দুরূহ গবেষণা কর্মে বিশেষ অবদান রেখেছেন। 
- ১৯২৯ হতে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি পেয়ে এনামুল হক অধ্যাপক  সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অধীনে গবেষণা করেন।
- তাঁর গবেষণার বিষয়বস্ত্ত ছিল ‘History of Sufism in Bengal’। 
- বাংলা একাডেমী তাঁর নামে ‘মুহম্মদ এনামুল হক সাহিত্য পদক’ প্রচলন করে।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।

• মুহম্মদ এনামুল হক রচিত গ্রন্থ:
- আরাকান রাজসভায় বাঙ্গালা সাহিত্য
- 'মনীষা মঞ্জুষা',
- ঝর্ণাধারা (১৯২৮, কবিতা সংকলন),
- বঙ্গে সূফী প্রভাব (১৯৩৫),
- ব্যাকরণ মঞ্জুরি (১৯৫২)।
-----------
'গ্যাব্রোভোবাসীর রস-রসিকতা':
- তার বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনি- বুলগেরিয়া ভ্রমণ।
- 'গ্যাব্রোভোবাসীর রস-রসিকতা' ভ্রমনকাহিনির রচয়িতা মুহম্মদ এনামুল হক। 
- মুহম্মদ এনামুল হকের 'গ্যাব্রোভোবাসীর রস-রসিকতা' একটি বিখ্যাত বাংলা প্রবন্ধ যা বুলগেরিয়ার গ্যাব্রোভো শহরের মানুষের কৃপণতা ও তাদের নিয়ে প্রচলিত মজার মজার কৌতুক এবং জীবনযাত্রার বর্ণনা দেয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬.
'পৌষ' মাসের নয় তারিখ বোঝাতে কোনটি শুদ্ধ?
  1. নঅই পৌষ
  2. নউই পৌষ
  3. নয়ই পৌষ
  4. ক এবং খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ক এবং খ উভয়ই।
-------------
• নঅই, নউই (বিশেষ্য):
- (বিশেষণ) মাসের নবম দিন (নঅই পৌষ)।

অভিধান অনুযায়ী:
• নঅই পৌষ- সঠিক বানান।
• নউই পৌষ- সঠিক বানান। 
• নয়ই পৌষ - ভুল বানান।

• 'নয়' সংখ্যার সাথে সরাসরি 'ই' যুক্ত না করে 'অ' বা 'উ' স্বরবর্ণ যোগ করে 'নঅই' বা 'নউই' লিখতে হয়।




উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
"'উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ?" - এ বাক্যে 'উদ্যম' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. আশা
  2. পরিশ্রম
  3. হতাশা
  4. প্রার্থনা
সঠিক উত্তর:
পরিশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিশ্রম
ব্যাখ্যা

উদ্যম (বিশেষ্য):
- উৎসাহ; প্রচেষ্টা, পরিশ্রম, অধ্যবসায়।

বিহনে: ছাড়া, অভাবে।
মনোরথ: মনের ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা, মনোবাঞ্ছা। 

'উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ'।
বাক্যের অর্থ: অধ্যবসায় ছাড়া কার মনোবাসনা পূর্ণ হয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৮.
"যথা কর্ম তথা ফল।"- এ বাক্যে কোন ধরনের অব্যয়ের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. অনন্বয়ী অব্যয়
  2. প্রত্যয়ান্ত অব্যয়
  3. নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়
  4. অব্যয় বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়
ব্যাখ্যা

• নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়:
- কতকগুলো যুগ্ম শব্দ পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল, সেগুলো নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয় রূপে পরিচিত।
যেমন:
- যথা-তথা,
- যখন-তখন,
- যেমন-তেমন,
- যে রূপ- সে রূপ ইত্যাদি।

বাক্যে উদাহরণ:
- যথা ধর্ম তথা জয়।
- যত গর্জে তত বর্ষে না।
- যথা কর্ম তথা ফল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১৯.
পুরুষবাচক 'কুহকী' - এর স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ কোনটি?
  1. কুহুকিনী
  2. কুহকিনী
  3. কুহকীনী
  4. কুহুকীনি
সঠিক উত্তর:
কুহকিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুহকিনী
ব্যাখ্যা

• পুরুষবাচক 'কুহুক' - এর স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ- কুহকিনী।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্গান্তর:
• ঠাকুর - ঠাকুরন/ ঠাকরুন/ ঠাকুরানী।
• হুজুর - হুজুরাইন।
• মৎস্য - মৎসী।
• মনুষ্য - মনুষী।
• বিধাতা - বিধাত্রী।
• মদ্দা ঘোড়া - মাদি ঘোড়া।
• শুক - শারি।
• দুলহা - দুলাইন।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; অষ্টম শ্রেণির ব্যাকরণ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২০.
"Placard" - এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. প্রাচীরপত্র
  2. ঘোষণাপত্র
  3. পোস্টার
  4. উপরের সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

• "Placard" - এর বাংলা পরিভাষা:
- প্রকাশ্যে প্রদর্শনের জন্য লিখিত বা মুদ্রিত বিজ্ঞাপন;
- প্রাচীরপত্র;
- ঘোষণাপত্র;
- পোস্টার।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা:
'Circular' অর্থ- পরিপত্র।
'Manifesto' অর্থ- ইশতেহার।
'Manuscript' অর্থ- পাণ্ডুলিপি।
'Manager' অর্থ- ব্যবস্থাপক।
'Assailant' অর্থ- 'আক্রমণকারী', 
'Evaluation' অর্থ- 'মূল্যায়ন', 
'Arsenal' অর্থ- 'অস্ত্রাগার'। 

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।

২১.
বাংলা ব্যাকরণে কোন ফলাটি নেই?
  1. ন-ফলা
  2. ব-ফলা
  3. ল-ফলা
  4. প-ফলা
সঠিক উত্তর:
প-ফলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প-ফলা
ব্যাখ্যা

• "প-ফলা" নামে বাংলা ব্যাকরণে কোন ফলা নেই।
------------------

• ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম অনুবর্ণ।
- অনুবর্ণের মধ্যে রয়েছে ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ।
- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে ফলা ৬টি।

• ফলা:
- ব্যঞ্জনবর্ণের কিছু সংক্ষিপ্ত রূপ অন্য ব্যঞ্জনের নিচে অথবা ডান পাশে ঝুলে থাকে, সেগুলোকে ফলা বলে। বাংলা বর্ণমালায় ফলার সংখ্যা ৬টি। যেমন-
 - ন-ফলা,
- ব-ফলা,
- ম-ফলা,
- য-ফলা,
- র-ফলা,
- ল-ফলা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।

২২.
কোনটি উপসর্গটি নঞ্‌ অর্থ প্রকাশ করে?
  1. নি
  2. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।

ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় "অ, আ, নি" — তিনটি উপসর্গই নঞ্‌ অর্থ (না-বোধক, নেই, নয়, অভাব) প্রকাশ করে।

 
১. অ-উপসর্গ (নঞ্‌ অর্থে):
- অজানা = না জানা;
- অচেনা = না চেনা;
- অসম্ভব = না সম্ভব;
- অনিচ্ছা = না ইচ্ছা।
 
২. আ-উপসর্গ (নঞ্‌ অর্থে):
- আকাল = না কাল (অসময়);
- আধোয়া = না ধোয়া (অর্ধ ধোয়া)।
 
৩. নি-উপসর্গ (নঞ্‌ অর্থে):
- নিখুঁত = না খুঁত (দোষহীন);
- নিরাপদ = না আপদ (বিপদমুক্ত)।


উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৩.
'বেগম'- শব্দটি কোন ভাষার শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  1. হিন্দি
  2. তুর্কি
  3. আরবি
  4. ফারসি
সঠিক উত্তর:
তুর্কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুর্কি
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'বেগম' একটি তুর্কি ভাষার শব্দ।

• 'বেগম' শব্দের অর্থ:
- মুসলমান শাসনকর্তার পত্নী।

• কিছু তুর্কি শব্দ:
- চাকু, কুলি, বাবুর্চি, কোর্মা, খাতুন, বেগম, উজবুক, কাঁচি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

২৪.
'উচাটন' এর বিপরীত শব্দ - 
  1. ব্যাকুল
  2. সঞ্চয়
  3. প্রশান্ত
  4. সরল
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত
ব্যাখ্যা

• 'উচাটন' এর বিপরীত শব্দ - প্রশান্ত।
------------------
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
উচাটন (বিশেষণ)
অর্থ: ব্যাকুল; অস্বস্তিপূর্ণ; উৎকণ্ঠিত, 
(বিশেষ্য) অর্থ: ব্যাকুলতা; উৎকণ্ঠা।

অন্যদিকে,
• 'প্রশান্ত' (বিশেষণ) অর্থ:
- অতিশয় শান্ত, ধীর, স্থির; অব্যাকুল; নিবৃত্ত; শান্তিময়।
------------ 
• শব্দের অর্থানুসারে, 'উচাটন' এর বিপরীতার্থক শব্দ - প্রশান্ত।
---------------------- 
অন্যদিকে,
- 'সঞ্চয়' শব্দের বিপরীতর্থক শব্দ = অপচয়।
- 'জটিল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = সরল।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৫.
"দাখিলা" শব্দটি দিয়ে কী বোঝায়?
  1. যে অন্যের জমি দখল
  2. উপস্থাপিত
  3. খাজনা প্রাপ্তির রশিদ
  4. দখলদার বাহিনী
সঠিক উত্তর:
খাজনা প্রাপ্তির রশিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজনা প্রাপ্তির রশিদ
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'দাখিলা' শব্দের অর্থ - খাজনা প্রাপ্তির রশিদ।

• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ:
অকিঞ্চন- নিঃস,
অনিল- বাতাস,
অনূক- মূত্রস্থলী,
অনূপ- জলাশয়,
অনর্ঘ- অতি দামি,
'কটি' - কোমর।
'করী' - হাতি।
ইনাম- পুরস্কার। 

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিগম্য অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৬.
'আশীর্বাদ' শব্দটি গঠিত হয়েছে-
  1. উপসর্গ দ্বারা
  2. প্রত্যয় দ্বারা
  3. সমাস দ্বারা
  4. সন্ধি দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সন্ধি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্ধি দ্বারা
ব্যাখ্যা

• 'আশীর্বাদ' শব্দটি গঠিত হয়েছে- সন্ধি দ্বারা। 
• 'আশীর্বাদ' এর সন্ধি বিচ্ছেদ - আশীঃ + বাদ।  
------------ 
• 'আশীর্বাদ' শব্দের অর্থ: 
- কল্যাণ প্রার্থনা; শুভেচ্ছা।
------------- 

• সন্ধির নিয়ম:
অ ও আ ভিন্ন অন্য স্বরের পর পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার সঙ্গে অ, আ, বর্গীয় ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ নাসিক্যধ্বনি কিংবা য, র, ল, ব, হ-এর সন্ধি হলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয়।
যেমন:
- দুঃ + যােগ = দুর্যোগ, 
- নিঃ + আকার = নিরাকার,
- আবিঃ+ভাব = আবির্ভাব, 
- আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ), অষ্টম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ।

২৭.
মানুষের ________ বাইরে থেকে বোঝা যায় না।
  1. অন্তঃস্থল
  2. অন্তস্থল
  3. অন্তস্তল
  4. অন্তঃস্তল
সঠিক উত্তর:
অন্তস্তল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তস্তল
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান - 'অন্তস্তল'।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- মনো-মধ্য;
- মন, হৃদয়।

সুতরাং, 
সঠিক বাক্যটি হবে- মানুষের অন্তস্তল বাইরে থেকে বোঝা যায় না।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৮.
'উচ্ছৃঙ্খল' শব্দটি কোন অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে?
  1. অতিক্রান্ত অর্থে
  2. সামীপ্য অর্থে
  3. চিন্তিত অর্থে
  4. সাদৃশ্য অর্থে
সঠিক উত্তর:
অতিক্রান্ত অর্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিক্রান্ত অর্থে
ব্যাখ্যা

অব্যয়ীভাব সমাস:
- পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।

যেমন:
অতিক্রান্ত (উৎ) অর্থে: 
- বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল,
- শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত =  উচ্ছৃঙ্খল।

অন্যদিকে,
অনতিক্রম্যতা (যথা) অর্থে:  
- রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি,
- সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য।

সমীপ্য অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস: 
- কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ,
- কূলের সমীপে = উপকূল ইত্যাদি।

সাদৃশ্য অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস:
- বনের সদৃশ = উপবন,
- শহরের সদৃশ = উপশহর।

ক্ষুদ্র অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস: 
- উপনদী,
- উপগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

২৯.
"সব পাখিরা নীড় বাঁধে না।" - বাক্যটি কী কারণে অশুদ্ধ হবে?
  1. বিভক্তিজনিত কারণে 
  2. বানানজনিত কারণে
  3. বচনজনিত কারণে
  4. বাচ্যজনিত কারণে
সঠিক উত্তর:
বচনজনিত কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বচনজনিত কারণে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) বচনজনিত কারণে।

অশুদ্ধ বাক্য: সব পাখিরা নীড় বাঁধে না।
শুদ্ধ বাক্য: সব পাখি নীড় বাঁধে না।
--------------------
বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি:
- বহুত্ব বোঝাতে আমরা বহুবচন ব্যবহার করি। বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা, এরা ইত্যাদি যুক্ত করে বহুবচন তৈরি করা হয়।
- স্মরণ রাখতে হবে যে বহুবচনের পরে দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় না, অর্থাৎ কোনো শব্দকে এক বার বহুবচনে রূপান্তরিত করলে পুনরায় তার বহুত্ব অপ্রয়োজনীয়।
- তাই অগণিত, অনেক, বহু, যাবতীয়, সব ইত্যাদি যত বহুত্ববাচক যদি আছে, তাদের পরে সংশ্লিষ্ট বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো ইত্যাদি যুক্ত হবে না।

যেমন:
অশুদ্ধ: ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।
শুদ্ধ: ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।

উল্লিখিত প্রশ্নের ব্যাখ্যা:
"সব পাখিরা নীড় বাঁধে না।" — এই বাক্যটি বচনজনিত কারণে অশুদ্ধ।

কারণ:
- 'সব' শব্দটি ইতিমধ্যে বহুবচন বোঝায়।
- তাই পুনরায় 'রা' বহুবচনবোধক প্রত্যয় যোগ করা অনুচিত।
- এটি দ্বৈত বহুবচন বা অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৩০.
বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদনুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে কী বলে?
  1. অসমীকরণ
  2. অভিশ্রুতি
  3. অন্তর্হতি
  4.  ব্যঞ্জন বিকৃতি
সঠিক উত্তর:
অভিশ্রুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিশ্রুতি
ব্যাখ্যা

অভিশ্রুতি:
- বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদনুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে অভিশ্রুতি বলে।

যেমন
- শুনিয়া > শুনে,
- বলিয়া > বলে,
- হাটুয়া > হাউটা,
- মাছুুয়া > মেছো ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• অসমীকরণ:
একই স্বরধ্বনির পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে যখন স্বরধ্বনি যুক্ত হয় তখন তাকে বলে অসমীকরণ।
যেমন -
- টপ + টপ > টপাটপ,
- ধপ + ধপ > ধপাধপ,
- ফট + ফট > ফটাফট। 

অন্তর্হতি:
- পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে বলে অন্তর্হতি।
যেমন:
- ফলাহার > ফলার;
- আলাহিদা > আলাদা;
- ফাল্গুন > ফাগুন ইত্যাদি।

 ব্যঞ্জন বিকৃতি:
শব্দ-মধ্যে কোনাে কোনাে সময় কোনাে ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়। একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
- যেমন- কবাট > কপাট, ধােবা > ধােপা, ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৩১.
কণিষ্ক শকাব্দ প্রবর্তন করেন কবে?
  1. ৬৭ খ্রিস্টাব্দে
  2. ৭৮ খ্রিস্টাব্দে
  3. ৮৪ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১০১ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
৭৮ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

⇒ কণিষ্ক শকাব্দ প্রবর্তন করেন ৭৮ খ্রিস্টাব্দে।

কুষাণ যুগ:

- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন ৭৮ খ্রিস্টাব্দে। 
- কণিষ্ক একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন।
- যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন।
- এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কণিষ্কের রাজধানী ছিল - পুরুষপুর (বর্তমান পেশোয়ার)।
- এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। যথা-
• 'মহাযান' ও
• 'হীনযান'।
- কণিষ্ক ২৩ বছর রাজত্ব করেন।
- তিনি ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ এর রিপোর্ট অনুসারে শহর অঞ্চলে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ২.৯%
  2. ৩.৮%
  3. ৪.২%
  4. ৫.১%
সঠিক উত্তর:
৩.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৮%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ: ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।

⇒ খানাপ্রতি মাসিক গড় আয়: ৩২,৪২২ টাকা।
• শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা,
• গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা।

⇒ সাক্ষরতার হার: ৭৪%।
• পুরুষ ৭৫.৮%,
• নারী ৭২.৬%।

♦ দারিদ্র্যের হার:
⇒ দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ২০.৫%।

⇒ দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

৩৩.
রাষ্ট্র সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে কিসের মাধ্যমে?
  1. রাজনৈতিক দল
  2. আইন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্র সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে সরকারের মাধ্যমে।

সরকার:

- চারটি উপাদান নিয়ে রাষ্ট্র গঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হল সরকার।
- সরকার ব্যতীত রাষ্ট্র পরিচালনা করা অসম্ভব।
- সরকারকে রাষ্ট্রের মুখপাত্র বলা হয়।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ইচ্ছা-অনিচ্ছা প্রকাশিত হয়।
- সরকারের অঙ্গ তিনটি। যথা-
• আইন বিভাগ,
• শাসন বিভাগ ও
• বিচার বিভাগ।
- সরকার এ তিনটি বিভাগের মাধ্যমে তার সকল কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন করে।
- শাসন বিভাগ সে আইন বাস্তবায়ন করে।
- বিচার বিভাগ বিচারিক কার্য-সম্পাদন ও সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কত সালে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, 
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৫৬ সালে।

⇒ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

৩৫.
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫-এর বিজয়ীদের মধ্যে কয়জন মরণোত্তর পুরস্কার পেয়েছেন?
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জন
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫-এর বিজয়ীদের মধ্যে ৬ জন মরণোত্তর পুরস্কার পেয়েছেন।

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৩৬.
ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী কোন বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে নির্বাসিত করে?
  1. মারাঠা বিদ্রোহ
  2. আফগান বিদ্রোহ
  3. বার্মা বিদ্রোহ
  4. সিপাহী বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
সিপাহী বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা

⇒ ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে নির্বাসিত করে।

মুঘল সাম্রাজ্যের পতন:
- ভারতবর্ষে মুঘল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে।
- সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর ভারতবর্ষে মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।
- ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মুঘল বংশের পতনের যুগ বলা হয়।
- সামগ্রিকভাবে মুঘল সাম্রাজ্য পতনের জন্য দায়ী -
• রাজনৈতিক,
• অর্থনৈতিক,
•বহিঃআক্রমন

- পারস্য সম্রাট নাদির শাহ এবং পরবর্তীকালে আফগান রাজা আহমদ শাহ আবদালীর দিল্লি আক্রমণ ও লুণ্ঠনে মুঘল সাম্রাজ্য দুর্দশায় ও পতনুম্মুখ হয়ে পড়ে।
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন।
- দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭.
খাসিয়া পুঞ্জির প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. মণ্ডল
  2. রাজা
  3. হেডম্যান
  4. সিয়েম
সঠিক উত্তর:
সিয়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়েম
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- খাসিয়ারা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাসস্থান: সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক।
- প্রধান উৎসব: খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮.
জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে নিচের কোনটি?
  1. গণমাধ্যম
  2. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  3. রাজনৈতিক দল
  4. সামরিক বাহিনী
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা

⇒ জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে রাজনৈতিক দল।

রাজনৈতিক দল:
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হল রাজনৈতিক দল।
- নির্ধারিত নীতি ও কর্মসূচির স্বপক্ষে জনমত গঠন করা রাজনৈতিক দলের উল্লেখযোগ্য কাজ।
- প্রতিটি দল সভা-সমিতি, পত্র-পত্রিকা, পুস্তক-পুস্তিকা, রেডিও-টিভি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রভৃতির মাধ্যমে প্রচারকার্য চালিয়ে নিজস্ব নীতি ও কর্মসূচির সমর্থনে জনমত গঠনের চেষ্টা করে।
- রাজনৈতিক দলের একটি স্থায়ী সংগঠন থাকে এবং এ সংগঠনের মাধ্যমে এটি কাজ করে।
- একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যবৃন্দ একই মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জনের জন্য কাজ করে। 
- সমমতাদর্শে অনুপ্রাণিত, ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত ব্যক্তিদের নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠিত হয়।
- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকে।
- এই কর্মসূচিকে বাস্তবে রূপায়িত করার জন্য দলগুলো নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত পদ্ধতিতে অগ্রসর হয়।
- রাজনৈতিক দল মাত্রই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়।
- প্রত্যেক দল সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সাধনে আত্মনিয়োগ করে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, মোজাম্মেল হক।

৩৯.
ডাচ বাংলা ব্যাংক পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবা -
  1. বিকাশ
  2. নগদ
  3. রকেট
  4. উপায়
সঠিক উত্তর:
রকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রকেট
ব্যাখ্যা

মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে মোবাইলেই ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা পাওয়া যায়।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- চালু হয়: ৩১শে মার্চ, ২০১১ সাল।
- ডাচ বাংলা ব্যাংক পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবা: রকেট।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।

⇒ উল্লেখ্য:
- ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৪০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সংসদের অধিবেশন' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭২
  2. অনুচ্ছেদ ৭৩
  3. অনুচ্ছেদ ৭৪
  4. অনুচ্ছেদ ৭৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭২
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৪১.
বাংলায় তুর্কি শাসনের সূচনাকারী কে?
  1. গিয়াসউদ্দিন খলজি
  2. তুগ্রিল খান
  3. নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
  4. আলাউদ্দিন খিলজি
সঠিক উত্তর:
নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
ব্যাখ্যা

তুগ্রিল খান, আলাউদ্দিন খিলজি, গিয়াসউদ্দিন খলজি নামে কেউ তুর্কি শাসনের সাথে যুক্ত ছিলেন না, অপশন বিবেচনায় অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে নাসিরুদ্দিন মাহমুদ উত্তর নেওয়া হয়েছে। 

তুর্কি শাসন:

- তুর্কি শাসনামল ১২২৭ থেকে ১২৮১ সাল পর্যন্ত।
- মোট ১৫ জন তুর্কি শাসক বাংলা শাসন করেছিলেন।
- বাংলায় তুর্কি শাসনের প্রথম শাসক নাসিরুদ্দিন মাহমুদ।
- এ সময় থেকে বাংলার শাসনকর্তারা দিল্লির সুলতানদের কাছ থেকে নিয়োগ লাভ করে এখানকার শাসক হতেন।
- বাংলায় দিল্লির অনুগত কোনো শাসনই প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
- দিল্লির শাসকরা যেমন, ইলতুতমিশ, বলবন, গিয়াসউদ্দিন তুঘলক ও মুহাম্মদ বিন তুঘলক বাংলার শাসকদেরকে প্রতিহত করতে একের এর এক অভিযান চালিয়ে বিদ্রোহ দমন করেন।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন বাংলার তৎকালীন স্বাধীন শাসক তুগ্রিল খানকে দমনের জন্য নিজেই আক্রমণ করেন।
- যুদ্ধে তুগ্রিল খান নিহত হন। ফলে বাংলা দিল্লির শাসনাধীন হয়।
- ১২৮৭ সালে সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন মারা গেলে বঘরা খান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ নাম ধারণ করে ১২৯০ সাল পর্যন্ত বাংলার স্বাধীন সুলতান হিসেবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৩২৫ সালে দিল্লির শাসক গিয়াসউদ্দিন তুঘলক বাংলা অধিকার করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। যথা-
• ১৯৭৪ সালে,
• ১৯৮১ সালে,
• ১৯৯১ সালে,
• ২০০১ সালে,
• ২০১১ সালে,
• ২০২২ সালে।

⇒ উল্লেখ্য:
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে:  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে:  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৪৩.
জাতীয় সংসদের প্রধান কাজ কোনটি?
  1. আইন প্রণয়ন
  2. শাসন পরিচালনা
  3. সংবিধান রক্ষা
  4. বিচার প্রদান
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়ন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদের কার্যাবলী:
- বাংলাদেশের আইনসভাকে জাতীয় সংসদ বলে আখ্যা দেয়া হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মূলত: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- প্রধান নির্বাহী: প্রধানমন্ত্রী।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।

⇒ বাংলাদেশের আইনসভার কার্যাবলিসমূহ:

⇒ আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি: আইন প্রণয়ন করার কাজটি আইন সভার প্রধান কাজ। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইন বিভাগ এই কাজটি করে থাকে। এই বিভাগটি নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরাতন আইন বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

⇒ সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন: বাংলাদেশের আইন সভা সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। দেশের সংবিধান উল্লিখিত দুইটি ক্ষমতাই আইন সভাকে প্রদান করেছে। এক্ষেত্রে আইন সভা সংবিধান সংশোধনকল্পে বিভিন্ন সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ ও প্রয়োজনে গণভোটের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

⇒ বিচার সংক্রান্ত কার্যাবলি: প্রয়োজনের নিরীখে কখনও বাংলাদেশের আইন সভা বিচার সম্পর্কিত কার্যাদিও সম্পাদন করে থাকে। এমনকি রাষ্ট্রপতিও যদি কোন গুরুতর অসদাচরণ করেন তাহলে সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ তাঁর অভিশংসন অর্থাৎ বিচারিক কাজটি করতে পারবে। নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের বিচার সংক্রান্ত ব্যাপারেও বাংলাদেশের আইনসভা ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

⇒ শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি: তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে। তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়।

⇒ অর্থ-সংক্রান্ত কার্যাবলি: বাংলাদেশের আইন সভা নানাবিধ অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বিশেষ করে অর্থের অপচয় রোধে আইন সভা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চা করে তা নিয়ন্ত্রণ করে। বাজেট পেশসহ সরকারি আয়-ব্যয়ের পর্যালোচনা, পরবর্তী বছরের ব্যয় বরাদ্দের কাজ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কার্যকর করে তোলে। বাংলাদেশের আইন সভার অনুমতি ছাড়া কর ধার্য বা পুরাতন কর ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস সম্ভব হয় না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত কোন সময়কালের জন্য গণনা করা হয়?
  1. ১ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত ১ বছরের জন্য গণনা করা হয়।

মোট দেশজ উৎপাদন:

- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।

উল্লেখ্য:
⇒ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- ভাস্কর্যটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে অবস্থিত।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ভাস্কর্যটি স্থাপিত হয়: ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে।
- স্থপতি: হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৪৬.
তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবুল কাশেম কোন বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন?
  1. বাংলা বিভাগ
  2. ইতিহাস বিভাগ
  3. সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
  4. পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে।
- অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ'।
- তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৪৭.
লুসাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসন্ত উৎসব হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. মনকূত
  2. মীমকূত
  3. চাপচারকূত
  4. পলকূত
সঠিক উত্তর:
চাপচারকূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপচারকূত
ব্যাখ্যা

লুসাই:
- লুসাই  নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- লুসাইদের বাসস্থান: রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান।
- ধর্ম: খ্রিস্টান।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান ৩টি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

⇒ উল্লেখ্য:
- খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের পর থেকে মৃতদেহ সৎকারে লুসাইদের নানা আচার এবং মৃত আত্মাদের নিয়ে বিভিন্ন বিশ্বাস এখন আর নেই।
- খ্রিস্টান ধর্মানুযায়ী প্রার্থনার পর মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৪৮.
বিরোধী দলের কাজ নিচের কোনটি?
  1. গঠনমূলক সমালোচনা
  2. অধিকার বাস্তবায়ন
  3. গণতন্ত্র রক্ষা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বিরোধী দল:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

⇒ বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা।
• অধিকার বাস্তবায়ন।
• গণতন্ত্র রক্ষা।
• প্রার্থী মনোনয়ন।
• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ।
• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯.
মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
  1. ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি
  2. ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়
  3. রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

মুক্ত বাজার অর্থনীতি:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতি হচ্ছে সেই অর্থনীতি যেখানে ব্যক্তি মালিকানা এবং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদকে স্বীকার করা হয়।
- বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ সালে।

⇒ মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে।
- ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি।
- মুক্তবাজার অর্থনীতি ব্যক্তিস্বার্থ নির্ভর বিধায় এ অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতার উৎপত্তি হয় এবং প্রতিযোগিতার ফলে সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে।
- ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়।
- মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে আমদানী ব্যয় এবং রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়।
- ভর্তুকি, কর-রেয়াত ইত্যাদি না থাকার ফলে রাষ্ট্রের অর্থ-সাশ্রয় হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০.
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য কে ছিলেন?
  1. সুলতানা বেগম
  2. রওশন আরা বাচ্চু
  3. জাহানারা ইমাম
  4. বেগম রাজিয়া বানু
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- কমিটির মোট সদস্য: ৩৪ জন।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন: ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৫১.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে কোন জেলায় সমাহিত করা হয়েছে?
  1. খুলনা
  2. রাজশাহী
  3. বরিশাল
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন: ১৯৩৫ সালে।
- তাঁর জন্মস্থান: বাঘচাপড়া, নোয়াখালী।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়ার মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।
- সেপ্টেম্বর ১৯৭১ এ বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে সকল সেক্টর থেকে প্রাক্তন নৌসেনাদের আগরতলায় সংগঠিত করে নৌ বাহিনীর প্রাথমিক কাঠামো গঠন করা হয়।
- ভারত সরকার বাংলাদেশ নৌ বাহিনীকে দুইটি টাগবোট উপহার দেয়।
- গানবোট দুটির নামকরণ করা হয়-
• 'পদ্মা',
• 'পলাশ'।
- রুহুল আমিন নিয়োগ পান 'পলাশের' ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে।
- ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি নিহত হন।
- খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে সমাহিত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৫২.
বর্তমানে কোন জেলায় সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম?
  1. রংপুর
  2. কক্সবাজার
  3. জামালপুর
  4. মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

⇒ জেলা ভিত্তিক সাক্ষরতার হার:
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা: পিরোজপুর।
- সাক্ষরতার হার: ৮৫.৫৩%।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা: জামালপুর।
- সাক্ষরতার হার: ৬১.৭০%।

⇒ বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার:
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা।
- সাক্ষরতার হার: ৭৮.২৪%।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন বিভাগ: ময়মনসিংহ।
- সাক্ষরতার হার: ৬৭.২৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৫৩.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির নাম কী?
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. এইচ এম ইব্রাহিম
  3. মোহাম্মদ ফজলুল করিম
  4. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- তিনি দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি।

⇒ প্রধান বিচারপতি:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।


⇒ উল্লেখ্য:
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

⇒ অন্যদিকে:
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।
- তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন।

তথ্যসূত্র - সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

৫৪.
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি কোন জেলায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. দিনাজপুর
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায়।
- বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

 তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৫.
Trump Corollary  প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের কোন নথিতে? 
  1. National Defense Authorization Act
  2. National Security Strategy 
  3. Defense Strategy Review
  4. Presidential Executive Order
সঠিক উত্তর:
National Security Strategy 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Security Strategy 
ব্যাখ্যা

- ট্রাম্প করোলারি (Trump Corollary) প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করা হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল (National Security Strategy - NSS) নথিতে। 

• ট্রাম্প করোলারি/ Trump Corollary:  

- Trump Corollary হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রকাশিত National Security Strategy (NSS) 2025 -এর একটি মূল অংশ,  যা মনরো নীতির (Monroe Doctrine) আধুনিক সংস্করণ হিসাবে বিবেচিত।
- এটিকে "Trump Corollary to the Monroe Doctrine" হিসাবেও উল্লেখ করা হয়। 
- এটিকে কখনও "Donroe Doctrine" (Donald + Monroe) নামেও ডাকা হয়।

- ১৮২৩ সালে প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো ঘোষণা করেন যে, পশ্চিম গোলার্ধে ইউরোপীয় শক্তিগুলো কোনো হস্তক্ষেপ বা নতুন উপনিবেশ স্থাপন বা করতে পারবে না। 
- পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট ১৯০৪ সালে এতে 'রুজভেল্ট করোলারি'  যোগ করেন, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র লাতিন আমেরিকায় অস্থিরতা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে 'আন্তর্জাতিক পুলিশ' হিসেবে হস্তক্ষেপ করতে পারে। 

- ট্রাম্প করোলারি এই ঐতিহাসিক নীতিকে আধুনিক প্রেক্ষাপটে পুনরুজ্জীবিত করে, কিন্তু এবার ইউরোপের পরিবর্তে চীন, রাশিয়া ও ইরান-কে "extra-hemispheric" বা "non-hemispheric competitors" হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

• 'ট্রাম্প করোলারি'র মূল উদ্দেশ্য: 
- যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম গোলার্ধে পূর্ণ প্রাধান্য (pre-eminence) পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
- অ-আমেরিকান শক্তিগুলোকে (বিশেষত চীন ও রাশিয়া) পশ্চিম গোলার্ধে সামরিক শক্তি স্থাপন, হুমকিমূলক সক্ষমতা তৈরি করতে বাধা দেওয়া।
- অভিবাসন  ও মাদক চোরাচালান কে জাতীয় নিরাপত্তার মূল হুমকি হিসেবে দেখা।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি পুনঃস্থাপন করে অন্য অঞ্চল (ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, ইন্দো-প্যাসিফিক) থেকে সরিয়ে ওয়েস্টার্ন হেমিস্ফিয়ারে ফোকাস করা।
- আমেরিকা ফার্স্ট নীতির উপর জোর দেওয়া।  

• ট্রাম্প করোলারি'র প্রয়োগ: 
-  ট্রাম্প করোলারির প্রথম বড় প্রয়োগ হয় ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে Operation Absolute Resolve- এর মাধ্যমে। 
- যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস-কে গ্রেপ্তার করে নিউ ইয়র্কে নিয়ে আসে। 
- এরপর ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড, পানামা ক্যানাল, কিউবা ও কলম্বিয়ার প্রতি হুমকি দেন, যা ট্রাম্প করোলারির বিস্তারের ইঙ্গিত দেয়। 

তথ্যসূত্র: 
i) The White House. (Link) 
ii) Chatham House. (Link) 
iii) Atlantic Council. (Link) 
iv) National Archives. (Link)

৫৬.
‘প্রেয়া ভিহিয়ার' ও 'তা মুয়েন থম' মন্দির নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে?  
  1. ভারত ও নেপাল
  2. ভারত ও চীন  
  3. থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
  4. থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

- ‘প্রেয়া ভিহিয়ার ও তা মুয়েন থম মন্দির’ নিয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান। 

• প্রেয়া ভিহিয়ার মন্দির ও তা মুয়েন থম মন্দির: 
- এগুলো প্রাচীন হিন্দু মন্দির , যা ১১ম এবং ১২ম শতাব্দীতে খমের সাম্রাজ্যের সময় নির্মিত। 
- এটি কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তের ডাঙ্গরেক পর্বতমালায় অবস্থিত। 
- উভয়ই ছিল শিব মন্দির। পরে বৌদ্ধ মঠ হিসেবে পরিণত হয়।
- ২০০৮ সালে প্রেয়া ভিহিয়ার মন্দিরকে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, যা পরবর্তী দ্বন্দ্বের একটি কারণ হয়ে দাঁড়ায়। 
- ১৯৬২ এবং ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক আদালত এই স্থাপত্যটির ওপর কম্বোডিয়ার অধিকার রয়েছে বলে রায় দেয়।
- কিন্তু তা মানতে নারাজ থাইল্যান্ড। 
- তাদের অভিযোগ, ১১ শতকে নির্মিত প্রেয়াহ বিহার মন্দির কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডে পড়েছে, যা ঠিক হয়নি।
- এই বিরোধও এখন পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি।  

অন্যদিকে, 
- তা মুয়েন থম মন্দির এটি প্রেয়া ভিহিয়ার মন্দিরের মতোই সীমান্ত দ্বন্দ্বের একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।
- ১৯০৪-১৯০৭ সালের  ফ্রাঙ্কো-সিয়ামিজ চুক্তিতে সীমান্ত নির্ধারণ করা হয়, যাতে "Annex I Map" অনুসারে মন্দিরটি কম্বোডিয়ান অংশে পড়ে। 
- কিন্তু থাইল্যান্ড দাবি করে যে সীমান্ত প্রাকৃতিক ওয়াটারশেড লাইন অনুসরণ করা উচিত, যা মন্দিরকে থাই অংশে নিয়ে যায়। 
- থাইল্যান্ডের অধীনে থাকলেও কম্বোডিয়া এর দখল চেয়েছে অনেকবার।  



উল্লেখ্য, 
- বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ২৪ জুলাই, ২০২৫ তারিখে সামরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়।
- ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পাশাপাশি চীনা কূটনীতিক ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্থতায় ২৯ জুলাই থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া প্রাথমিকভাবে অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়।
- থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া ২৬ অক্টোবর, ২০২৫ (রোববার) শান্তিচুক্তির একটি যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করে।
- পরবর্তীতে  ১০ নভেম্বর, ২০২৫ সালে সীমান্তের কাছে স্থলমাইন বিস্ফোরণে নিজেদের দুই সেনা আহত হওয়ার ঘটনায় কম্বোডিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে থাইল্যান্ড।

তথ্যসূত্র: 
i) Britannica 
ii) The Guardian (Link) 
 iii) UNESCO World Heritage Centre (Link)
iv) Samakal (Link) 

৫৭.
পরিবেশ ও বনভূমি সংরক্ষণের জন্য ‘Tropical Forests Forever Fund ’ চালু করেছে কোন দেশ? 
  1. ব্রাজিল
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. ভুটান 
  4. পেরু
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

• Tropical Forests Forever Fund (TFFF): 
- পরিবেশ সংরক্ষণে বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি রূপান্তরের লক্ষ্যে ব্রাজিল Tropical Forests Forever Fund (TFFF) নামক একটি তহবিল চালু করেছে। 
- এই তহবিল উষ্ণমণ্ডলীয় বন সংরক্ষণের COP30 সম্মেলনের সময় পরিকল্পনা করা হয়। 
- উষ্ণমণ্ডলীয় বনসম্পন্ন ৭০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশ এই তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতা অর্জন করবে। 

- ব্রাজিল COP28 সম্মেলন (২০২৩, দুবাই) থেকে TFFF গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
 - ওই সম্মেলনে দেশটির রাষ্ট্রপতি লুলা দা সিলভা প্রথমবার প্রকাশ্যে এই প্রকল্পের বিষয়ে বক্তৃতা প্রদান করেন।
- এপর্যন্ত আরও পাঁচটি উষ্ণমণ্ডলীয় বনসম্পন্ন দেশ এই উদ্যোগে অংশ গ্রহণ করেছে, যেগুলি হলো – কলম্বিয়া, ঘানা, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া।
- তাছাড়া, তহবিল ব্যবস্থাপনার কাঠামো গঠন ও বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান করছে জার্মানি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফ্রান্স, নরওয়ে এবং যুক্তরাজ্য এই পাঁচটি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী দেশ।

- ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ হয়েছে, ৫৩টি দেশ এতে যুক্ত হয়েছে, এবং মোট তহবিলের ২০ শতাংশেরও বেশি সরাসরি আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ।

তথ্যসূত্র:
 i) COP30 Brasil Amazônia ওয়েবসাইট।  
ii) কালের কণ্ঠ। 
iii) Tropical Forests Forever Fund ওয়েবসাইট।

৫৮.
২১তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া 
  2. নিউ ইয়র্ক
  3. ওয়াশিংটন ডিসি
  4. ফ্লোরিডা 
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিডা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিডা 
ব্যাখ্যা

• জি-২০: 
- জি-২০ বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠনের নাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ২১টি; ১৯টি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ও আফ্রিকান ইউনিয়ন। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
- এসব দেশ বিশ্বব্যাপী মোট জিডিপি'র প্রায় ৮৫ শতাংশ ও বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করে। 
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক।
- স্পেন স্থায়ী অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়।

• জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন: 
- প্রথম G-20 শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। 
- ২০২৫ সালের ২০তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা। 
- ২০২৬ সালের ২১তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন  অনুষ্ঠিত হবে: ট্রাম্প ন্যাশনাল ডোরাল গলফ রিসোর্ট, মায়ামি, ফ্লোরিডা, যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২৭ সালের ২২তম জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন  অনুষ্ঠিত হবে:  যুক্তরাজ্য।

তথ্যসূত্র: বাসস, জি-২০ ও সংশ্লিস্ট ওয়েবসাইট। (Link)  (Link2)

৫৯.
ন্যাটোভুক্ত অ-ইউরোপীয় দেশ কয়টি? 
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো (NATO): 

- পরিচয়: সামরিক জোট।
- পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization।
- উদ্যোক্তা: যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।  
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি। 
- সর্বশেষ সদস্য সুইডেন (২০২৪ সাল)।      [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
→ এদের মধ্যে ৩০ টি দেশ ইউরোপের। 
→ বাকি ২টি দেশ উত্তর আমেরিকার (যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা)।
→ অর্থাৎ, ন্যাটোভুক্ত  অ-ইউরোপীয় দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
- তুরস্কের একটি ছোট অংশ (পূর্ব থ্রেস বা ইস্তাম্বুলের ইউরোপীয় অংশ) ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত, যা বসফরাস প্রণালীর পশ্চিমে।
- তুরস্ককে ইউরোপীয় হিসেবে গণ্য করা হয় NATO-এর অফিসিয়াল শ্রেণিবিভাগে।
- তুরস্ককে সরাসরি ইউরোপীয় সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, এবং Article 10-এর উল্লেখ রয়েছে যে সদস্যপদ "European State"-এর জন্য উন্মুক্ত।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে যোগদান করে।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর ১৪ তম মহাসচিব মহাসচিব মার্ক রুট। 
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫:  হেগ, নেদারল্যান্ডস। 
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৬:  আঙ্কারা, তুরস্ক।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট। (Link) 

৬০.
বেলেম সম্মেলনে ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতি বছর জলবায়ু রক্ষায় কত ডলার অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে? 
  1. ১ ট্রিলিয়ন ডলার
  2. ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার
  3. ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার
  4. ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

• COP:
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the Parties.
- জলবায়ুর পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের রূপরেখা।
- COP সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন UNFCCC এর দেশগুলো।
- COP-28 অনুষ্ঠিত হয় ৩০ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এ ।
- সর্বশেষ COP-29 অনুষ্ঠিত হয় আজারবাইজানের বাকু তে ১১ নভেম্বর - ২২ নভেম্বর, ২০২৪ ।
- COP-30 অনুষ্ঠিত হয়েছে বেলেম, ব্রাজিল(১০-২১ নভেম্বর, ২০২৫ সাল)।
- ২০২৬ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ আয়োজন করতে যাচ্ছে তুরস্ক।

• জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর অর্জন ও লক্ষ্যমাত্রা:
- বৃহৎ অর্থায়ন: জলবায়ু রক্ষায় ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার জোগাড় করা।
- অভিযোজন খাতে সহায়তা: জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য অর্থায়ন ২০২৫ সালের মধ্যে দ্বিগুণ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে তিনগুণ করা।
- ক্ষয়ক্ষতি তহবিল: জলবায়ুজনিত ক্ষতি ও ক্ষয় মোকাবিলার তহবিল কার্যকর করা এবং নিয়মিত নতুন অর্থ যোগ করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
- নতুন উদ্যোগ: জলবায়ু লক্ষ্য বাস্তবায়নে গতি আনতে Global Implementation Accelerator এবং Belém Mission to 1.5°C নামে নতুন উদ্যোগ শুরু করা।
- জলবায়ুর পরিবর্তন সংক্রান্ত তথ্যগত ভুল:  তথ্যের অখণ্ডতা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু বিষয়ক ভ্রান্ত তথ্যের বিরুদ্ধে কাজ করা এবং সঠিক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার।
- Belém Gender Action Plan গৃহীত: জলবায়ু সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারী ও মেয়েদের কেন্দ্রীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিশ্চিত করা।
- Tropical Forests Forever Fund: ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ হয়েছে, ৫৩টি দেশ এতে যুক্ত হয়েছে, এবং মোট তহবিলের ২০ শতাংশেরও বেশি সরাসরি আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় কমিউনিটির জন্য বরাদ্দ।


তথ্যসূত্র:
i) UN News. 
ii) UNFCCC website.

৬১.
Southern Transitional Council কোন দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন?
  1. সোমালিয়া
  2. সুদান
  3. ইয়েমেন
  4. সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

• Southern Transitional Council (STC): 
- এটি ইয়েমেনের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনৈতিক সংগঠন। 
- প্রতিষ্ঠা: মে, ২০১৭।
- নেতৃত্ব: আইদারুস আল-যুবাইদী
- এটি একটি সংখ্যালঘু দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 
- লক্ষ্য: সাবেক পিপল'স ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলগুলোকে স্বাধীন দেশে পরিণত করা।

উল্লেখ্য, 
- ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় ২০১৪ সালে।
- গৃহযুদ্ধের শুরুতে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা দ্রুতগতিতে রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের উত্তরের বেশির ভাগ অংশের দখল নেয়।
- তখন সৌদি আরব, আমিরাতসহ আরব দেশগুলোর একটি জোট ইয়েমেন সরকারকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে সেখানে সামরিক অভিযান শুরু করে। 
- ২০২২ সালের পর দক্ষিণ ইয়েমেনের বৃহৎ অংশ আমিরাত-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) দখলে চলে গেছে।
- STC  ইয়েমেনের তেলসমৃদ্ধ হাজরামাউত প্রদেশও দখল করেছে।




তথ্যসূত্র: 
i) German Institute for Global and Area Studies. 
ii) Armed Conflict Location & Event Data. 
iii) প্রথম আলো ও বিবিসি। 

৬২.
রাশিয়াকে কোন ঘটনার কারণে ‘জি-৭’ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল? 
  1. পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন 
  2. ক্রিমিয়া যুদ্ধ
  3. ইউক্রেন যুদ্ধ 
  4. কিউবা সংকট 
সঠিক উত্তর:
ক্রিমিয়া যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিমিয়া যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• জি-৭ (G-7; Group of Seven): 
- বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশকে নিয়ে জি-৭ গঠিত।
- উদ্দেশ্য: শিল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে অংশীদারিত্বমূলক সামষ্টিক অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ।
- প্রতিষ্ঠা: ১৫ জুন, ১৯৭৫।
- সদস্য: ৭টি; ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬টি; ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র।
- ১৯৭৫ সালে গঠনকালে এর নাম ছিল Group of Six (G-6)।
- ১৯৭৬ সালে কানাডা যোগ দেওয়ায় নতুন নাম হয় Group of Seven (G-7)।
- ১৯৭৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ১৯৯৪ সালে রাশিয়াকে সদস্য হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
- ১৯৯৮ সালে রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার পর এর নতুন নাম হয় Group of Eight (G-8)।
- ২০১৪ সালে 'ক্রিমিয়া সংকট'কে কেন্দ্র করে রাশিয়াকে বহিষ্কার করা হয় এবং তখন থেকে এটি আবার Group of Seven (G-7) নামে পরিচিত হয়।
 
তথ্যসূত্র: জি-৭ ওয়েবসাইট। 

৬৩.
২০২৬ সালে ১৭তম কপ জীববৈচিত্র্য সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? 
  1. আর্মেনিয়া
  2. আজারবাইজান 
  3. কলম্বিয়া
  4. ডেনমার্ক 
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা

• 'কপ জীববৈচিত্র্য সম্মেলন'/Convention on Biological Diversity (CBD): 
-  নিয়ন্ত্রক সংস্থা: Conference of the Parties
- ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত ‘আর্থ সামিটে’ ‘জীববৈচিত্র্য–বিষয়ক কনভেনশন’ (CBD) গৃহীত হয়। 
-  লক্ষ্য: 
১) জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ, 
২) জীববৈচিত্র্য থেকে প্রাপ্ত সুফলের ন্যায্য বণ্টন ও 
৩) জীববৈচিত্র্যের টেকসই ব্যবহার।

- এ পর্যন্ত সংস্থাটি ১৬টি সাধারণ অধিবেশন এবং ২টি বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত করেছে।
- ২০২৫ সালে ১৬তম কপ জীববৈচিত্র্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে - কালি, কলম্বিয়া। পরবর্তীতে ভার্চুয়ালি এবং রোম, ইতালিতে দুটি সেশন হয়।  
- ২০২৬ সালে ১৭তম কপ জীববৈচিত্র্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে - ইয়েরেভান, আর্মেনিয়া।

তথ্যসূত্র: Conference of the Parties ওয়েবসাইট। (Link) 

৬৪.
‘P5+1’ বলতে কী বোঝায়? 
  1. জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ ও ভারত 
  2. জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ ও জাপান 
  3. জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ ও ব্রাজিল 
  4. জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ ও জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ ও জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ ও জার্মানি
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের Mother of Organ বলা হয় নিরাপত্তা পরিষদকে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।
- “P5+1” হলো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ ও জার্মানি। 
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।
- জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে উল্লেখ আছে।

অন্যদিকে -
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।
- বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: বাহরাইন (২০২৭), কলম্বিয়া (২০২৭), কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (২০২৭), ডেনমার্ক (২০২৬), গ্রিস (২০২৬), লাটভিয়া (২০২৭) ,লাইবেরিয়া (২০২৭) ,পাকিস্তান (২০২৬) ,প্যানামা (২০২৬) ,সোমালিয়া (২০২৬)। 

তথ্যসূত্র: UN Security Council ওয়েবসাইট।  

৬৫.
বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদক কোম্পানি কোনটি?  
  1. এক্সনমোবিল
  2. সৌদি আরামকো
  3. শেভরন
  4. শেল 
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরামকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরামকো
ব্যাখ্যা

• Saudi Arabian Oil Company/Saudi Aramco: 
- সৌদি আরামকো বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদক কোম্পানি। 
- প্রধান কার্যালয়: ধাহরান, সৌদি আরব। 
- বাজার মূলধন: প্রায় ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলার। 
- ২০২৪ সাল পর্যন্ত যেকোনো শিল্পের মধ্যে সর্বাধিক মুনাফাকারী কোম্পানি হিসেবে পরিচিত। 
- ১৯৩৩ সালে সৌদি আরব তেল খননের অনুমতি দেয়ার পর এটি শুরু হয়, তখন Chevron কোম্পানি এতে কাজ করছিল।
 - ১৯৮০ সালে সৌদি সরকার পুরো কোম্পানিটির মালিকানা নেয়।
২০১৯ সালে কোম্পানিটির আইপিও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে ২৯.৪ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করা হয়, যা ইতিহাসের সর্ববৃহৎ প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (IPO)।

তথ্যসূত্র:
 i) ব্রিটানিকা।
ii) সৌদি আরামকো কোম্পানি। 
iii) এনার্জি, তেল ও গ্যাস ম্যাগাজিন।  

৬৬.
ইউরোজোনে সর্বশেষ অন্তর্ভুক্ত দেশ কোনটি?  
  1. বুলগেরিয়া
  2. রোমানিয়া
  3. লিথুয়ানিয়া
  4. ক্রোয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
বুলগেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা

- ইউরোজোনে সর্বশেষ অন্তর্ভুক্ত দেশ 'বুলগেরিয়া'। 

• ইউরো:

- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথম ব্যবহার করে।
- পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ইউরো গ্রহণ করে।
- বর্তমানে ইউরো মুদ্রা গ্রহণকারী সর্বশেষ দেশ বুলগেরিয়া। 
- প্রায় দেড় শতাব্দী পর নিজস্ব মুদ্রা লেভকে বিদায় জানিয়ে ইউরো মুদ্রা অঞ্চলের ২১তম সদস্য হিসাবে ইউরো চালু করেছে বুলগেরিয়া।
 - ১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে দেশটিতে লেভের পরিবর্তে ইউরো মুদ্রা চালু করেছে।

⇒ এখন পর্যন্ত ২১টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি,  ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া। 

তথ্যসূত্র: EU ওয়েবসাইট ও ইউরোপীয় কমিশন।

৬৭.
২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের প্রতিপাদ্য কী ছিল?  
  1. কর্মে লিঙ্গ সমতা অর্জন
  2. অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র
  3. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
  4. শান্তি ও গণতন্ত্র: ব্যালট ও বুলেট
সঠিক উত্তর:
কর্মে লিঙ্গ সমতা অর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মে লিঙ্গ সমতা অর্জন
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস: 
- ২০০৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এই দিবসের ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ। 
- এরপর থেকেই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উদ্যোগে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
- যা প্রতি বছর '১৫সেপ্টেম্বর' তারিখে পালিত হয়।
- আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস  '১৫সেপ্টেম্বর।
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল "কর্মে লিঙ্গ সমতা অর্জন" (Achieving gender equality, action by action)

উল্লেখ্য, 
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল "কর্মে লিঙ্গ সমতা অর্জন" (Achieving gender equality, action by action)

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৬৮.
OPEC- এর প্রথম সদর দপ্তর কোন শহরে ছিল?   
  1. ভিয়েনা
  2. জেনেভা
  3. বাগদাদ
  4. তেহরান
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
ব্যাখ্যা

• OPEC:
- OPEC এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- এটি পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: বাগদাদ, ইরাক।
- এটি ১৯৬০ সালের ১০-১৪ সেপ্টেম্বর বাগদাদ কনফারেন্সের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১২টি।
- OPEC এর সদরদপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
- ১৯৬৫ সালের পূর্বে এর সদর দপ্তর ছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
- গঠনের উদ্দেশ্য: সদস্য দেশসমূহের পেট্রোলিয়ামের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় এবং বৈশ্বিক তেলের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রন করা।
- সদস্য দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা।

উল্লেখ্য,
- ১ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী অ্যাঙ্গোলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মত বিরোধের পর OPEC থেকে বেরিয়ে এসেছে।

তথ্যসূত্র: OPEC এর ওয়েবসাইট। 

৬৯.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি (CWC) কোন বছরে কার্যকর হয়? 
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

• CWC চুক্তি:
- CWC এর পূর্ণরূপ Chemical Weapons Convention.
- এটি রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি।
- CWC চুক্তি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- চুক্তির বিষয়: রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৩টি।

উল্লেখ্য:
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র:  জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।

৭০.
‘Earth Hour’ উদ্যোগটি কোন সংস্থা পরিচালনা করে? 
  1. WWF
  2. Greenpeace
  3. UNEP
  4. IUCN
সঠিক উত্তর:
WWF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WWF
ব্যাখ্যা

• Earth Hour:
- Earth Hour কর্মসূচি প্রথম আয়োজন করা হয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ৩১শে মার্চ, ২০০৭, শনিবার।
প্রথম আয়োজনে সিডনির ২২ লক্ষের অধিক নাগরিক এবং প্রায় ২,১০০ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ আলো ও যন্ত্রপাতি বন্ধ রেখে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সচেতনতা প্রকাশ করেন।

- Earth Hour হলো WWF (World Wide Fund for Nature) দ্বারা পরিচালিত একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ, যেখানে প্রতি বছর এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি সচেতনতা প্রকাশ করে। 
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- Earth Hour-এর প্রধান লক্ষ্য পরিবেশগত সমস্যা, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং শক্তি সংরক্ষণের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- Earth Hour ২০২৫ সালে মার্চ মাসের শেষ শনিবার, অর্থাৎ ২৯ মার্চ, রাত ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সালে আর্থ আওয়ার পালিত হবে আগামী ২৮ মার্চ, শনিবার — যা এই কর্মসূচির ২০তম বর্ষপূর্তি ।

তথ্যসূত্র: i) WWF ওয়েবসাইট।
ii) Earth Hour ওয়েবসাইট। 

৭১.
‘জ্যাকোবিন ক্লাব’ কোন বিপ্লবের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. রুশ বিপ্লব 
  2. ফরাসি বিপ্লব 
  3. আমেরিকান বিপ্লব 
  4. চীনা বিপ্লব 
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব 
ব্যাখ্যা

• জ্যাকোবিন ক্লাব:
- জ্যাকোবিন ক্লাব ফরাসি বিপ্লবের সবচেয়ে পরিচিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী ছিল। 
- ১৭৯৩ থেকে ১৭৯৪ সালের মধ্যে তারা বিপ্লবের সরকার চালিয়েছিল।

- ক্লাবটি প্রথম শুরু হয়েছিল ভার্সাইলে, যেখানে বিভিন্ন এলাকার প্রতিনিধি মিলিত হয়ে বিপ্লবের পরিকল্পনা করতেন। 
- পরবর্তীতে প্যারিসে এসে নাম হয় 'Society of the Friends of the Constitution', কিন্তু সবাই এটিকে 'জ্যাকোবিন ক্লাব' বলেই ডাকে। 
- এর নামকরণ করা হয়েছিল Jacobin Convent (একটি ডোমিনিকান মঠ) থেকে, যেখানে সদস্যরা প্রথম সভা করেছিল।
- ক্লাবের উদ্দেশ্য ছিল বিপ্লবের অর্জন রক্ষা করা এবং বিপরীতদের প্রতিহত করা।
- Maximilien Robespierre ছিলেন এর অন্যতম প্রধান নেতা। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৭২.
২০২৫ সালের মুসলিম বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল কোন শহর? 
  1. ইস্তানবুল
  2. সমরকন্দ
  3. মরক্কো
  4. কায়রো
সঠিক উত্তর:
সমরকন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমরকন্দ
ব্যাখ্যা

• মুসলিম বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী (Capital of Culture in the Islamic World): 
- ২০২৫ সালের মুসলিম বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে উজবেকিস্তানের সমরকন্দ (Samarkand) শহর।
- নির্বাচনকারী সংস্থা: ইসলামিক ওয়ার্ল্ড এডুকেশনাল, সায়েন্টিফিক অ্যান্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন (ICESCO)
- ২০২৫ সালের ২৭ মে  সমরকন্দে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মাধ্যমে উদযাপন শুরু হয়।
- এর থিম ছিল: "Spiritual Heritage and Cultural Expressions in the Islamic World: Calligraphy, Music, Poetry, and Solidarity"

উল্লেখ্য, 
- ২০২৬ সালের জন্য  মুসলিম বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে রাশিয়ার তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কাজান।

তথ্যসূত্র:
i) ICESCO
ii) THE GOVERNMENT PORTAL OF THE REPUBLIC OF UZBEKISTAN

৭৩.
পশ্চিম আফ্রিকার আঞ্চলিক জোট ECOWAS কোন চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়? 
  1. লাগোস চুক্তি 
  2. আবুজা চুক্তি 
  3. সাহেল চুক্তি 
  4. আলজিয়ার্স চুক্তি 
সঠিক উত্তর:
লাগোস চুক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাগোস চুক্তি 
ব্যাখ্যা

• ECOWAS:
- এটি ECOWAS-এর পূর্ণরূপ: Economic Community of West African States.
- পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোয় আর্থসামাজিক উন্নয়নে এই জোট কাজ করে।
- ২৮ মে, ১৯৭৫ সালে লাগোস চুক্তির মাধ্যমে (নাইজেরিয়ার লাগোসে) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: আবুজা, নাইজেরিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৫ টি।
- বেনিন, বুর্কিনা ফাসো, কোত দিভোয়ার (আইভরি কোস্ট), গাম্বিয়া, ঘানা, গিনি, গিনি-বিসাউ, লাইবেরিয়া, মালি, মরিতানিয়া, নাইজার, নাইজেরিয়া, সিয়েরা লিওনে, সেনেগাল এবং টোগো। 
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১২টি।
- বেনিন, কাবো ভার্দে, কোত দিভোয়ার (আইভরি কোস্ট), গাম্বিয়া, ঘানা, গিনি, গিনি-বিসাউ, লাইবেরিয়া, নাইজেরিয়া, সিয়েরা লিওনে, সেনেগাল এবং টোগো।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি, বুর্কিনা ফাসো, মালি এবং নাইজার আনুষ্ঠানিকভাবে ECOWAS থেকে বেরিয়ে আসে।

তথ্যসূত্র: ECOWAS ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা। 

৭৪.
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) অনুসারে কোন দেশ বিরল খনিজ মজুতে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে? 
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ভেনেজুয়েলা 
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

•  বিরল খনিজ মজুতে বিশ্বে শীর্ষ দেশ:  
⇒ মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য বলছে, চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিরল খনিজ মজুতের অধিকারী।
- দেশটিতে ৪ কোটি ৪০ লাখ মেট্রিক টন বিরল খনিজ মজুত আছে।
- এরপরের অবস্থানে ক্রমানুসারে আছে ব্রাজিল, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া।
- এই খনিজের মজুতের দিক থেকে বিশ্বে রাশিয়ায় অবস্থান পঞ্চম।

উল্লেখ্য,

⇒ ১৭টি মৌলের একটি গ্রুপ হলো বিরল খনিজ।
- ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব পিওর অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রির (আইইউপিএসি) নামকরণ অনুযায়ী, পর্যায় সারণির ল্যান্থানাইড সিরিজের ১৫টি মৌলের (ল্যান্থানাম, সিরিয়াম, প্রাসিয়োডিমিয়াম, নিওডিমিয়াম, প্রমিথিয়াম, স্যামারিয়াম, ইউরোপিয়াম, গ্যাডোলিনিয়াম, টারবিয়াম, ডিসপ্রোসিয়াম, হোলমিয়াম, আরবিয়াম, থুলিয়াম, ইটারবিয়াম ও লুটেশিয়াম) সঙ্গে স্ক্যান্ডিয়াম ও ইট্রিয়ামকে একত্রে বিরল খনিজ বলছে যুক্তরাষ্ট্রের জিওসায়েন্স ইনস্টিটিউট।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

৭৫.
“The Kigali Amendment” কোন চুক্তির অংশ? 
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. প্যারিস কনভেনশন
  4. রামসার কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• কিগালি সংশোধনী (Kigali Amendment):
- ১৫ অক্টোবর, ২০১৬ সালে রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে মন্ট্রিল প্রটোকল সংশোধিত হয়।
- এটি ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারিতে কার্যকর হয়।
- সংশোধনী অনুসারে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক হাইড্রোফ্লোরো কার্বন (HFCs) - জাতীয় গ্যাসের ব্যবহার ৮০ শতাংশ কমিয়ে আনার ব্যাপারে ঐক্যমত হয়।

• মন্ট্রিল প্রটোকল:

- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোন স্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- ১৯৮৭ সালে মন্ট্রিল, কানাডায় স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৮৯ সালে কার্যকর হয়।
- বিশ্বের ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটির অংশীদার।
- এই চুক্তির লক্ষ্য হচ্ছে ওজোন স্তরের ক্ষতি রোধে ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs) এবং অন্যান্য ওজোন ধ্বংসকারী পদার্থের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি সবচেয়ে সফল আন্তর্জাতিক পরিবেশ চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ওজোন স্তরের পুনরুদ্ধারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
 
তথ্যসূত্র: UNEP website & Britannica.com

৭৬.
‘সেইভ দ্য চিলড্রেন’ দাতব্য সংস্থাটি কোন দেশভিত্তিক?   
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সুইডেন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• Save the Children:
- যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা।
- কার্যক্ষেত্র: শিশুরা যেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ ও সংঘাতের শিকার না হয় তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ করছে।
- বিশ্বের বহু দেশে যুদ্ধ, দারিদ্র্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও স্বাস্থ্য সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য এই সংস্থা জরুরি সহায়তা ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে।
- প্রতিষ্ঠাতা:এগল্যান্টাইন জেব। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণে ইউরোপের বহু দেশের শিশুদের দুর্দশা দেখে ব্রিটিশ নারী নাগরিক Eglantyne Jebb এই সংগঠন গড়ে তোলেন।
- প্রতিষ্ঠা: ১৫ এপ্রিল, ১৯১৯।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।

তথ্যসূত্র: সেইভ দ্যা চিলড্রেন ওয়েবসাইট।

৭৭.
৮৩তম গোল্ডেন গ্লোব ২০২৬-এ সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে কোনটি নির্বাচিত হয়? 
  1. হ্যামনেট
  2. ফ্রাঙ্কেস্টাইন 
  3. টপ গান: মেভেরিক
  4. ফ্লোরেন্স পিপল
সঠিক উত্তর:
হ্যামনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যামনেট
ব্যাখ্যা

• ৮৩তম গোল্ডেন গ্লোব ২০২৬ :
-Golden Globe Awards হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত পুরস্কার অনুষ্ঠান, যেখানে গত এক বছরে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ও টেলিভিশন সিরিজের সেরা কাজগুলোকে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কৃত করা হয়।
- ৮৩তম আসর অনুষ্ঠিত হয় ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারলি হিলটন (Beverly Hilton), বেভারলি হিলস-এ।

- চলচ্চিত্র বিভাগে পল থমাস অ্যান্ডারসনের বিপ্লবী গল্পভিত্তিক সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ এবার কমেডি বিভাগে শীর্ষ সেরা পুরস্কার জিতেছে।
- সিনেমার জন্য টেয়ানা টেলর পেয়েছেন সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর স্বীকৃতি।
- অন্যদিকে ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত শেকসপিয়র অনুপ্রাণিত সিনেমা ‘হ্যামনেট’ সেরা চলচ্চিত্র (ড্রামা) পুরস্কার জিতে নেয়।

• চলচ্চিত্র (Film)
→ সেরা ড্রামা: হ্যামনেট (Hamnet)
→ সেরা মিউজিকাল/কমেডি: ওয়ান ব্যাটল আফটার আনাদার (One Battle After Another)
→ সেরা অভিনেতা, ড্রামা: Wagner Moura (The Secret Agent)
→ সেরা অভিনেত্রী, ড্রামা: Jessie Buckley (Hamnet)
→ সেরা অভিনেতা, মিউজিকাল/কমেডি: Timothée Chalamet (Marty Supreme)
→ সেরা অভিনেত্রী, মিউজিকাল/কমেডি: Rose Byrne (If I Had Legs I'd Kick You)
→ সেরা পরিচালক: Paul Thomas Anderson (One Battle After Another)

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা। 

৭৮.
আন্তর্জাতিক আইনে ‘জুস কোজেন্স’ বলতে কী বোঝায়? 
  1. আঞ্চলিক আইন
  2. অস্থায়ী কোনো চুক্তি
  3. বহুপাক্ষিক বাণিজ্য আইন 
  4. বাধ্যতামূলক বা অলঙ্ঘনীয় নীতি
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক বা অলঙ্ঘনীয় নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক বা অলঙ্ঘনীয় নীতি
ব্যাখ্যা

• জুস কোজেন্স/ Jus Cogens: 
 জুস কোজেন্স হলো আন্তর্জাতিক আইনের একটি মৌলিক ধারণা, যা ল্যাটিন ভাষায় "compelling law" বা "peremptory norm" বা  অনিবার্য নিয়ম নামে পরিচিত।
- এটি এমন নিয়ম বা নর্ম যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সকল রাষ্ট্র দ্বারা স্বীকৃত এবং গ্রহণযোগ্য, যা থেকে কোনো রাষ্ট্র কোনো অবস্থাতেই বিচ্যুতি (derogation) করতে পারে না।
- এই নিয়মগুলো এতটাই মৌলিক যে এর সাথে সাংঘর্ষিক কোনো চুক্তি বাতিল হয়ে যায়। 
- জুস কোজেন্স আন্তর্জাতিক আইনকে মানবতা, শান্তি ও মৌলিক মূল্যবোধ রক্ষায় একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। 

- Vienna Convention on the Law of Treaties, Article 53 তে জুস কোজেন্স এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে,
       ''জুস কোজেন্স হলো এমন একটি নিয়ম, যা রাষ্ট্রসমূহের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সামগ্রিকভাবে গ্রহণ করে এবং স্বীকৃতি দিয়েছে – যে নিয়ম থেকে কোনো অবস্থাতেই বিচ্যুতি (derogation) করা যায় না এবং যা শুধুমাত্র একই ধরনের পরবর্তী সাধারণ আন্তর্জাতিক আইনের নিয়ম দ্বারাই পরিবর্তিত হতে পারে।"

• জুস কোজেন্স নিয়মের উদাহরণ: 
- আগ্রাসী যুদ্ধ বা আগ্রাসনের নিষেধাজ্ঞা।
- গণহত্যা নিষিদ্ধকরণ। 
- মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ নিষিদ্ধকরণ।
- দাসত্ব ও দাস ব্যবসা। 

তথ্যসূত্র:
i) জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আইন কমিশন। (Link)
ii) ব্রিটানিকা। (Link) 
iii) 1969 Vienna Convention on the Law of Treaties. (Link) 

৭৯.
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ মোট কতটি দল অংশগ্রহণ করবে? 
  1. ৩২টি
  2. ৪০টি
  3. ৪৮টি
  4. ৫৬টি
সঠিক উত্তর:
৪৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮টি
ব্যাখ্যা

• ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: 
-  যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আগামী ১১ জুন, ২০২৬ সালে শুরু হবে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩ তম আসর।
- ১৯৯৮ বিশ্বকাপ থেকে ৩২ দলের টুর্নামেন্টের প্রথা চালু হয়।
 - এবার সেটি পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। 
- ৩২ দলের বিশ্বকাপ আর থাকছে না, ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ৪৮ দলের।
- ৩২ দলের বিশ্বকাপে মোট ম্যাচ সংখ্যা ছিলো ৬৪ টি।
 - ৪৮ দলের টুর্নামেন্টে যা বেড়ে দাঁড়াবে ১০৪ ম্যাচে।
 - প্রথমে ১৬ টি গ্রুপের প্রস্তাব করা হলেও শেষ পর্যন্ত গ্রুপের সংখ্যা ঠেকেছে ১২ তে।
 - এতদিন যা ছিলো ৮ টি।

তথ্যসূত্র: ফিফা ওয়েবসাইট ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। 

৮০.
ওএসআই (OSI) মডেলের কোন লেয়ার ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে 'End-to-End' কানেকশন নিশ্চিত করে?
  1. Network Layer
  2. Transport Layer
  3. Data Link Layer
  4. Session Layer
সঠিক উত্তর:
Transport Layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Transport Layer
ব্যাখ্যা

• ট্রান্সপোর্ট লেয়ারের প্রধান কাজ হলো সোর্স কম্পিউটার থেকে ডেস্টিনেশন কম্পিউটারে ডেটার নির্ভরযোগ্য এবং ত্রুটিমুক্ত আদান-প্রদান নিশ্চিত করা।
- এটি বড় ডেটাকে ছোট ছোট সেগমেন্টে ভাগ করে এবং রিসিভার প্রান্তে আবার সেগুলো জোড়া দেয়। TCP (Transmission Control Protocol) এবং UDP (User Datagram Protocol) এই লেয়ারেই কাজ করে যা 'End-to-End' কানেক্টিভিটি বজায় রাখে।

• OSI মডেল (Open Systems Interconnection Model) একটি তাত্ত্বিক মডেল যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের প্রক্রিয়াকে ৭টি স্তরে ভাগ করেছে। এই মডেলটি নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়াকে সহজভাবে বুঝতে সাহায্য করে।
এই ৭টি লেয়ার হলো:
- Physical Layer (ফিজিক্যাল লেয়ার),
- Data Link Layer (ডেটা লিংক লেয়ার),
- Network Layer (নেটওয়ার্ক লেয়ার),
-Transport Layer (ট্রান্সপোর্ট লেয়ার),
- Session Layer (সেশন লেয়ার),
- Presentation Layer (প্রেজেন্টেশন লেয়ার),
- Application Layer (অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার)।

এই স্তরগুলো একসাথে কাজ করে যাতে বিভিন্ন কম্পিউটার বা ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সঠিকভাবে যোগাযোগ করতে পারে।
OSI মডেলের লেয়ার গুলোর কাজ সমূহ:
Physical Layer - ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer - MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer - IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer - End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP) I
Session Layer - সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer - ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer - ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

উৎস: ব্রিটানিকা। [link]

৮১.
নিচের কোনটি একটি ওপেন সোর্স (Open Source) ভিত্তিক সফটওয়্যার ফায়্যারওয়াল?
  1. Sophos XG
  2. pfSense
  3. FortiGate
  4. Juniper SRX
সঠিক উত্তর:
pfSense
উত্তর
সঠিক উত্তর:
pfSense
ব্যাখ্যা

• pfSense হলো FreeBSD অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স সফটওয়্যার। এটি রাউটার এবং ফায়ারওয়াল হিসেবে যেকোনো ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা সার্ভারে ইনস্টল করে ব্যবহার করা যায়। 
- অন্যদিকে Sophos XG, FortiGate এবং Juniper SRX মূলত বাণিজ্যিক (Commercial) এবং হার্ডওয়্যার ভিত্তিক ফায়ারওয়াল সলিউশন যা নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন।

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮২.
রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (RDBMS) কুয়েরি করার জন্য কোন ভাষাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. HTML
  2. C++
  3. Java
  4. SQL
সঠিক উত্তর:
SQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SQL
ব্যাখ্যা

• SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language। এটি একটি ডিক্লারেটিভ ভাষা যা রিলেশনাল ডাটাবেস (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডেটাবেসে টেবিল তৈরি করা, ডেটা ইনসার্ট করা এবং কুয়েরির মাধ্যমে নির্দিষ্ট তথ্য বের করে আনা হয়।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):

- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়‍্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

• SQL:
- ১৯৭৪ সালে।BM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
ডেটা ডেফিনেশন ও ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ হিসেবে বিভিন্ন RDBMS (যেমন- DB2, SQL/DS ORACLE, INGRES, FOXPRO ইত্যাদি) এ ব্যবহৃত হয়।
- Tuple Calculas এর উপর ভিত্তি করে SQL তৈরি করা হয়েছে।
- SQL ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে থাকে।
যেমন-
১. ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Data Query Language DQL),
২. ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Defination Language DDL),
৩. ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Manipulation Language -DML),
৪. ডেটা কন্ট্রোল ল্যাংগুয়েজ (Data Control Language DCL) I

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৩.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে, A + Ā = ?
  1. A
  2. 1
  3. 0
  4. Ā
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মৌলিক উপপাদ্য (OR logic) অনুযায়ী, কোনো চলক এবং তার বিপরীত (Complement) চলকের যোগফল সর্বদা 1 হয়।
যদি A = 0 হয়, তবে Ā = 1।
অতএব, 0 + 1 = 1

যদি A = 1 হয়, তবে Ā = 0।
অতএব, 1 + 0 = 1

সুতরাং, উভয় ক্ষেত্রেই A + Ā = 1। 

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা উপপাদ্য সমূহ:


উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪.
নিচের কোনটি একটি অবৈধ বা ভুল IPv4 অ্যাড্রেস?
  1. 10.10.10.10
  2. 256.0.1.1
  3. 172.16.254.1
  4. 1.1.1.1
সঠিক উত্তর:
256.0.1.1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
256.0.1.1
ব্যাখ্যা

• প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 256.0.1.1 সঠিক নয়। কারণ একটি IPv4 অ্যাড্রেস চারটি অংশে (অকটেট) বিভক্ত থাকে এবং প্রতিটি অংশের মান অবশ্যই 0 থেকে 255 এর মধ্যে হতে হবে। যেহেতু এখানে প্রথম অংশের মান 256, যা নির্ধারিত সীমা (255) অতিক্রম করেছে, তাই এটি একটি ভুল আইপি অ্যাড্রেস। অন্য তিনটি অপশনের প্রতিটি ব্লকের মান 0-255 সীমার মধ্যে রয়েছে, তাই সেগুলো বৈধ।

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।

- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫.
কোন টপোলজিটি মূলত 'স্টার' টপোলজির একটি সম্প্রসারিত রূপ (Extension) হিসেবে কাজ করে?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. মেশ টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

• ট্রি টপোলজিতে হাব বা সুইচের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো স্টার বিন্যাসে যুক্ত থাকে এবং এই হাবগুলো আবার নিজেদের মধ্যে একটি হায়ারার্কিক্যাল বা শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট কাঠামো তৈরি করে। এই কারণেই একে স্টার টপোলজির বর্ধিত সংস্করণ বলা হয়।

• ট্রি টপোলজি:

- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬.
ক্লাউড স্ট্যাকের কোন স্তরটি 'Development and Deployment' এনভায়রনমেন্ট হিসেবে পরিচিত?
  1. DaaS
  2. SaaS
  3. PaaS
  4. IaaS
সঠিক উত্তর:
PaaS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PaaS
ব্যাখ্যা

• PaaS বা Platform as a Service হলো ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের এমন একটি স্তর যা ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার টুলস (যেমন: অপারেটিং সিস্টেম, ডেটাবেস, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এক্সিকিউশন এনভায়রনমেন্ট) প্রদান করে।
- এটি ব্যবহারের ফলে ডেভেলপারদের নিজস্ব অবকাঠামো বা সার্ভার সেটআপ করার দুশ্চিন্তা করতে হয় না।

• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়।
- অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়‍্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৮৭.
ফ্ল্যাশ মেমোরি মূলত কোন ধরনের রমের (ROM) উদাহরণ?
  1. EEPROM
  2. PROM
  3. SRAM
  4. Mask ROM
সঠিক উত্তর:
EEPROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
EEPROM
ব্যাখ্যা

• ফ্ল্যাশ মেমোরি হলো EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory)-এর একটি বিশেষ ধরণ।
- সাধারণ EEPROM-এ ডেটা বাইট অনুযায়ী মুছতে হয়, কিন্তু ফ্ল্যাশ মেমোরিতে ডেটার বড় বড় ব্লক একসাথে বৈদ্যুতিক সিগন্যালের মাধ্যমে মোছা এবং পুনরায় লেখা যায়। এই দ্রুতগতির কারণেই একে "ফ্ল্যাশ" মেমোরি বলা হয়। 

• ফ্ল্যাশ মেমোরি (Flash Memory) হলো একটি নন ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বন্ধ থাকলেও এটি ডেটা ধরে রাখতে পারে। যেহেতু এর মাধ্যমে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়, তাই এটি সাধারণত সেকেন্ডারি স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

ফ্ল্যাশ মেমোরির ব্যাবহার:
- পেন ড্রাইভ (Pen Drive) -
- SSD (Solid State Drive)
- মেমোরি কার্ড (Memory Card)
- USB ডিভাইস ইত্যাদিতে।ট

উৎস: ব্রিটানিকা।[link]

৮৮.
নিচের কোনটি আইওটি (IoT) ব্যবহারের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয় না?
  1. Smart Pulse Oximeter
  2. Precision Agriculture
  3. Smart Waste Management
  4. Static Library Cataloging
সঠিক উত্তর:
Static Library Cataloging
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Static Library Cataloging
ব্যাখ্যা

• আইওটি (Internet of Things) হতে হলে ডিভাইসটিকে সেন্সরের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করতে হয় এবং সেই তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে আদান-প্রদান করতে হয়। Static Library Cataloging হলো লাইব্রেরির বইপত্রের একটি স্থির তালিকা বা ডাটাবেস। এখানে কোনো সেন্সর ব্যবহার করে রিয়েল-টাইম তথ্য (যেমন- বইটির বর্তমান অবস্থান বা শেলফের তাপমাত্রা) স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয় না, তাই এটি আইওটি-র (IoT) অন্তর্ভুক্ত নয়।

• IOT (Internet of Things):
- IOT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- IoT (Internet of Things) ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রটোকল ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে MQTT (Message Queuing Telemetry Transport) সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। 

অন্যান্য অপশন:
-Smart Pulse Oximeter: এটি রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মেপে সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডাক্তার বা স্মার্টফোনে তথ্য পাঠাতে পারে।
- Precision Agriculture: এটি সেন্সর ব্যবহার করে মাটির আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা মেপে স্বয়ংক্রিয় সেচ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে।
- Smart Waste Management: এতে ডাস্টবিনে আল্ট্রাসনিক সেন্সর ব্যবহার করে ময়লার পরিমাণ মাপা হয় এবং পূর্ণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিফিকেশন পাঠায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

৮৯.
নিচের কোনটি ডিডিএল (DDL) কমান্ডের উদাহরণ?
  1. Delete
  2. Drop
  3. Update
  4. Insert
সঠিক উত্তর:
Drop
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Drop
ব্যাখ্যা

• DDL বা Data Definition Language কমান্ডগুলো ডাটাবেস বা টেবিলের কাঠামো (Structure) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করার জন্য ব্যবহৃত হয়। Drop কমান্ডটি ডাটাবেস থেকে একটি সম্পূর্ণ টেবিল, ইনডেক্স বা ভিউ মুছে ফেলতে ব্যবহৃত হয়। 

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML): 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০.
নিচের কোনটি প্রথম ব্লকচেইন ভিত্তিক ক্রিপ্টোকারেন্সি?
  1. Ethereum
  2. Ripple
  3. Dogecoin
  4. Bitcoin
সঠিক উত্তর:
Bitcoin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bitcoin
ব্যাখ্যা

• ২০০৮ সালে 'সাতোশি নাকামোতো' (Satoshi Nakamoto) ছদ্মনামের এক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী একটি হোয়াইট পেপারের মাধ্যমে বিটকয়েনের ধারণা দেন এবং ২০০৯ সালে এটি প্রথম ব্লকচেইন ভিত্তিক ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- এটি কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি পিয়ার-টু-পিয়ার (P2P) লেনদেনের সুযোগ করে দেয়।

বিটকয়েন ও ব্লকচেইনের বৈশিষ্ট্য:
- এটি সম্পূর্ণ বিকেন্দ্রীভূত (Decentralized), অর্থাৎ কোনো সরকার বা সংস্থা এটি নিয়ন্ত্রণ করে না।
- এর মোট সরবরাহ সীমাবদ্ধ (সর্বোচ্চ ২১ মিলিয়ন বিটকয়েন হতে পারে)।
- লেনদেনগুলো পাবলিক লেজারে সংরক্ষিত থাকে, যা যে কেউ যাচাই করতে পারে।
- মাইনিং (Mining) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন বিটকয়েন তৈরি এবং লেনদেন যাচাই করা হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Ethereum: এটি ২০১৫ সালে চালু হওয়া দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্লকচেইন যা মূলত স্মার্ট কন্ট্রাক্ট (Smart Contract) তৈরির জন্য পরিচিত।
- Ripple: এটি মূলত ব্যাংকগুলোর মধ্যে দ্রুত এবং স্বল্প খরচে আন্তর্জাতিক অর্থ লেনদেনের জন্য ২০১২ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- Dogecoin: এটি ২০১৩ সালে বিটকয়েনকে ব্যাঙ্গ করে একটি 'মিম' (Meme) হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।[লিঙ্ক]

৯১.
কোনটিকে ‘মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক’ (MAN) এর ওয়্যারলেস সংস্করণ বলা হয়?
  1. Zigbee 
  2. NFC
  3. Wi-Fi
  4. WiMAX
সঠিক উত্তর:
WiMAX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WiMAX
ব্যাখ্যা

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলে। যেহেতু এটি একটি সম্পূর্ণ শহর বা বড় ভৌগোলিক এলাকায় (১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত) উচ্চগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা দিতে সক্ষম, তাই একে MAN-এর ওয়্যারলেস সংস্করণ বলা হয়।

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। 
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16

অন্যান্য অপশন:
- Zigbee (802.15.4): এটি অত্যন্ত কম শক্তির ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা মূলত স্মার্ট হোম বা আইওটি ডিভাইসে মাত্র ১০-১০০ মিটারের মধ্যে ব্যবহৃত হয়।
- NFC: নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (NFC) মাত্র ৪ সেন্টিমিটার বা তার কম দূরত্বে কাজ করে, যা মূলত পেমেন্ট বা ডেটা শেয়ারিংয়ের জন্য ব্যবহৃত।
- Wi-Fi (802.11): এটি মূলত একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) যা একটি বাড়ি বা নির্দিষ্ট অফিসের (১০০-২৫০ মিটার) মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

৯২.
ওয়েবপেজকে দৃষ্টিনন্দন ও বিভিন্ন লেআউটে সাজানোর জন্য কোন ভাষাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. JavaScript
  2. Python
  3. CSS
  4. PHP
সঠিক উত্তর:
CSS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CSS
ব্যাখ্যা

• CSS (Cascading Style Sheets) হলো এমন একটি ভাষা যা এইচটিএমএল (HTML) এর মাধ্যমে তৈরি করা ওয়েবপেজের কাঠামোকে দৃষ্টিনন্দন করে তোলে। এটি ব্যবহার করে ফন্ট, টেক্সট কালার, ব্যাকগ্রাউন্ড, মার্জিন, প্যাডিং এবং পেজের সামগ্রিক বিন্যাস বা লেআউট পরিবর্তন করা হয়।

• HTML এবং CSS:
- ব্রাউজারে যেই ওয়েবসাইট কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চলে, সেখানে ব্যবহার করা হয় HTML CSS I
- HTML এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hyper Text Markup Language।
- এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একে মার্কআপ ভাষা বলা যায়।
- এর কাজ হচ্ছে কোনো তথ্য ব্রাউজারে প্রদর্শনের উপযোগী করা।
- এখানে যেসব ট্যাগ (tag) ব্যবহার করা হয়, ব্রাউজার সেগুলো বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী ওয়েবসাইটে ডেটা প্রদর্শন করে।
- শুধু এইচটিএমএল ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করা গেলেও, ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষণীয় ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় CSS।
- যার পুর্ণরূপ হচ্ছে- Cascading Style Sheet। 
- আধুনিক সব ওয়েবসাইটেই HTML এর সঙ্গে CSS ব্যবহার করা হয়। 

অন্যান্য অপশন:
- JavaScript: এটি ওয়েবপেজের কার্যাবলি বা ইন্টারঅ্যাক্টিভিটি (যেমন- ক্লিক করলে কী হবে) নিয়ন্ত্রণ করে, সরাসরি স্টাইলিং নয়।
- Python: এটি একটি জেনারেল পারপাস প্রোগ্রামিং ভাষা যা মূলত সার্ভার-সাইড বা ডেটা সায়েন্সে ব্যবহৃত হয়।
- PHP: এটি একটি সার্ভার-সাইড স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা ডাটাবেস এবং ডাইনামিক কন্টেন্ট প্রসেসিং নিয়ে কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

৯৩.
ইন্টারনেটে ছদ্মবেশ ধারণ করে কৌশলে অন্যের গোপন তথ্য বা পাসওয়ার্ড চুরি করাকে কী বলা হয়?
  1. Spamming
  2. Phreaking
  3. Phishing
  4. Plagiarism
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

- হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যম ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

- ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

- স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

- স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৪.
Q, P-এর থেকে খাটো, P-এর থেকে R লম্বা, S-এর থেকে R খাটো। T, R-এর থেকে খাটো কিন্তু P-এর থেকে বড়। সবচেয়ে লম্বা কে?
  1. Q
  2. S
  3. P
  4. T
সঠিক উত্তর:
S
উত্তর
সঠিক উত্তর:
S
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Q, P-এর থেকে খাটো, P-এর থেকে R লম্বা, S-এর থেকে R খাটো। T, R-এর থেকে খাটো কিন্তু P-এর  থেকে বড়। সবচেয়ে লম্বা কে?

সমাধান:
S সবচেয়ে লম্বা। 

এখানে,
P > Q
R > P
S > R
R > T
T > P

∴ লম্বা থেকে খাটোর ক্রমটি হবে,
S > R > T > P > Q 

অর্থাৎ এই ক্রম অনুযায়ী সবচেয়ে লম্বা ব্যক্তি হলো S।

৯৫.
একটি চৌবাচ্চা তিনটি নল দিয়ে যথাক্রমে ৮ ঘণ্টা, ১২ ঘণ্টা ও ২৪ ঘণ্টায় পূর্ণ হয়। তিনটি নল একসাথে খুললে চৌবাচ্চাটির এক-তৃতীয়াংশ পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে? 
  1. ৭২ মিনিট
  2. ৬৮ মিনিট
  3. ৮০ মিনিট
  4. ৫৫ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৮০ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ মিনিট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি চৌবাচ্চা তিনটি নল দিয়ে যথাক্রমে ৮ ঘণ্টা, ১২ ঘণ্টা ও ২৪ ঘণ্টায় পূর্ণ হয়। তিনটি নল একসাথে খুললে চৌবাচ্চাটির এক-তৃতীয়াংশ পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে?

সমাধান:
১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে, 
= (১/৮) + (১/১২) + (১/২৪) অংশ
= (৩ + ২ + ১)/২৪ অংশ
= ৬/২৪ অংশ
= ১/৪ অংশ

∴ পুরো চৌবাচ্চা পূর্ণ হতে সময় লাগে = ১/(১/৪) = ৪ ঘণ্টা
= (৪ × ৬০) = ২৪০ মিনিট  ; [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট] 

∴ এক-তৃতীয়াংশ পূর্ণ হতে সময় = ২৪০ × (১/৩) = ৮০ মিনিট

সুতরাং, চৌবাচ্চাটির এক-তৃতীয়াংশ পূর্ণ হতে ৮০ মিনিট সময় লাগবে।

৯৬.
The antonym of 'Obstinate'
  1. Stubborn
  2. Rigid
  3. Flexible
  4. Adamant
সঠিক উত্তর:
Flexible
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Flexible
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: The antonym of 'Obstinate'

সমাধান:
সঠিক উত্তর: গ) Flexible

কারণ,
Obstinate = একগুঁয়ে, জেদি, অবাধ্য। 

আর, Flexible = নমনীয়, অভিযোজনযোগ্য, সহজে পরিবর্তনশীল। এটিই সঠিক বিপরীতার্থক।

অন্য অপশনগুলো:
ক) Stubborn ⇒ synonym (একগুঁয়ে)
খ) Rigid ⇒ synonym (কঠোর, অনমনীয়)
ঘ) Adamant ⇒ synonym (দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, অটল)

সুতরাং, Obstinate-এর বিপরীত হলো Flexible।

৯৭.
নিচের চিত্রে কয়টি আয়তক্ষেত্র আছে? 
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১১টি
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কয়টি আয়তক্ষেত্র আছে? 

সমাধান:

একটি ফাঁকা ঘর দ্বারা আয়তক্ষেত্র আছে- 1, 2, 3, 4, 5, 6 = ৬টি 
দুইটি ফাঁকা ঘর দ্বারা আয়তক্ষেত্র আছে- 12, 34, 56 = ৩টি
তিনটি ফাঁকা ঘর দ্বারা আয়তক্ষেত্র আছে- 125 = ১টি
চারটি ফাঁকা ঘর দ্বারা আয়তক্ষেত্র আছে- 1256 = ১টি
সবগুলো ফাঁকা ঘর দ্বারা আয়তক্ষেত্র আছে- 123456 = ১টি

∴ মোট আয়তক্ষেত্র আছে = ৬ + ৩ + ১ + ১ + ১ = ১২টি 

৯৮.
দণ্ডটি ভারসাম্য অবস্থায় আনতে হলে তীর চিহ্নিত বস্তুটির ওজন কত হওয়া প্রয়োজন?
  1. 17.5 kg
  2. 16 kg
  3. 12 kg
  4. 15.5 kg
সঠিক উত্তর:
15.5 kg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15.5 kg
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দণ্ডটি ভারসাম্য অবস্থায় আনতে হলে তীর চিহ্নিত বস্তুটির ওজন কত হওয়া প্রয়োজন?

সমাধান:
দণ্ডটি ভারসাম্য অবস্থায় আনতে হলে দুই পাশের বস্তুর ওজন ও দূরত্বের গুণফল একই হতে হবে।

ধরি, তীর চিহ্নিত স্থানটি = x

শর্তমতে,
(10 × 10) + (6 × 4) = x × 8
⇒ 100 + 24 = 8x
⇒ x = 124/8
∴ x = 15.5

অর্থাৎ, তীর চিহ্নিত বস্তুটির ওজন 15.5 kg হওয়া প্রয়োজন।

৯৯.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
  1. 128
  2. 234
  3. 543
  4. 109
সঠিক উত্তর:
234
উত্তর
সঠিক উত্তর:
234
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 

সমাধান: 
এখানে, ত্রিভুজের বাইরের সংখ্যাগুলোর বর্গের সমষ্টি = ত্রিভুজের ভিতরের সংখ্যা

১ম ত্রিভুজে, 
22 + 52 + 32 = 4 + 25 + 9 = 38

২য় ত্রিভুজে,
32 + 52 + 82 = 9 + 25 + 64 = 98

৩য় ত্রিভুজে,
132 + 42 + 72 = 169 + 16 + 49 = 234

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 234 সংখ্যাটি বসবে। 

১০০.
প্রদত্ত চিত্রটি পানিতে কেমন দেখাবে? 
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রটি পানিতে কেমন দেখাবে? 

    সমাধান: 

    সঠিক উত্তর ঘ) নং 

    ১০১.
    Volkswagen : Germany : : Ford : ?
    1. India
    2. Japan
    3. United States
    4. France
    সঠিক উত্তর:
    United States
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    United States
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: Volkswagen : Germany : : Ford : ?

    সমাধান: 
    সঠিক উত্তর: গ) United States

    এখানে, 
    সম্পর্ক হলো - গাড়ির ব্র্যান্ড : তার উৎপত্তি দেশ/প্রতিষ্ঠিত দেশ
    Volkswagen ⇒ জার্মানি (Germany) - জার্মান কোম্পানি, ১৯৩৭ সালে জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত।

    Ford ⇒ যুক্তরাষ্ট্র (United States) - আমেরিকান কোম্পানি, ১৯০৩ সালে হেনরি ফোর্ড মিশিগান, USA-তে প্রতিষ্ঠা করেন।

    অন্য দিকে:
    ক) India ⇒ Tata, Mahindra, Maruti Suzuki ইত্যাদি

    খ) Japan ⇒ Toyota, Honda, Nissan, Suzuki

    ঘ) France ⇒ Peugeot, Renault, Citroën

    ১০২.
    ঘড়িতে যখন 6 : 15 বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত?
    1. 82.5°
    2. 105°
    3. 75°
    4. 97.5°
    সঠিক উত্তর:
    97.5°
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    97.5°
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ঘড়িতে যখন 6 : 15 বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত? 

    সমাধান: 
    উৎপন্ন কোণ = [|11M - 60H|]/2
    = [| (11 × 15) - (60 × 6) |]/2
    = [| 165 - 360 |]/2
    = [| - 195 |]/2
    = 195/2
    = 97.5

    ∴ ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ = 97.5°

    ১০৩.
    'উড়োজাহাজ' শব্দের অর্থ কী?
    1. আকাশ
    2. খপোত
    3. পায়রা
    4. কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    খপোত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খপোত
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'উড়োজাহাজ' শব্দের অর্থ কী? 

    সমাধান: 
    'উড়োজাহাজ' শব্দের অর্থ - বিমান, খপোত, এরোপ্লেন, আকাশযান


    অন্যদিকে, 
    'আকাশ' শব্দের অর্থ - গগন, অম্বর, নভ, আসমান, অন্তরীক্ষ, শূন্য, দ্যুলোক, ব্যোম, অভ্র, নিলিমা, নভোমণ্ডল ইত্যাদি
    'পায়রা' শব্দের অর্থ - কবুতর, কপোত, পারাবত ইত্যাদি

    ১০৪.
    রাজু প্রথমে উত্তর দিকে 20 মিটার হাঁটল। তারপর সে ডানে মোড় নিয়ে 30 মিটার হাঁটল। এরপর সে আবার ডানে মোড় নিল এবং 35 মিটার হাঁটল। তারপর সে বামে মোড় নিয়ে 15 মিটার হাঁটল। সবশেষে সে আবার বামে মোড় নিয়ে 15 মিটার হাঁটল। সে যাত্রা শুরুর স্থান থেকে কোন দিকে এবং কত মিটার দূরে আছে?
    1. পশ্চিম দিকে 30 মিটার
    2. উত্তর দিকে 20 মিটার
    3. পূর্ব দিকে 45 মিটার
    4. পশ্চিম দিকে 15 মিটার
    সঠিক উত্তর:
    পূর্ব দিকে 45 মিটার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পূর্ব দিকে 45 মিটার
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: রাজু প্রথমে উত্তর দিকে 20 মিটার হাঁটল। তারপর সে ডানে মোড় নিয়ে 30 মিটার হাঁটল। এরপর সে আবার ডানে মোড় নিল এবং 35 মিটার হাঁটল। তারপর সে বামে মোড় নিয়ে 15 মিটার হাঁটল। সবশেষে সে আবার বামে মোড় নিয়ে 15 মিটার হাঁটল। সে যাত্রা শুরুর স্থান থেকে কোন দিকে এবং কত মিটার দূরে আছে?

    সমাধান: 

    রাজু পূর্ব দিকে প্রথমে 30 মিটার এবং পরে আরও 15 মিটার গিয়েছে।
    ∴ মোট দূরত্ব = (30 + 15) = 45 মিটার।

    সুতরাং, রাজু যাত্রা শুরুর স্থান থেকে পূর্ব দিকে 45 মিটার দূরে আছে।

    ১০৫.
    একটি সরলরেখায় পাঁচটি গিয়ার একে অপরের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় রয়েছে। যদি ডান দিক থেকে প্রথম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘোরে, তবে ডান দিক থেকে পঞ্চম গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে?
    1. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
    2. গিয়ারটি ঘুরবে না
    3. ঘড়ির কাঁটার দিকে
    4. তথ্যের অভাব রয়েছে
    সঠিক উত্তর:
    ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি সরলরেখায় পাঁচটি গিয়ার একে অপরের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় রয়েছে। যদি ডান দিক থেকে প্রথম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘোরে, তবে ডান দিক থেকে পঞ্চম গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে?

    সমাধান:
    ডান দিক থেকে পঞ্চম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে (Anti-clockwise) ঘুরবে।

    কারণ,
    পাশাপাশি সংযুক্ত দুটি গিয়ার সব সময় একে অপরের বিপরীত দিকে ঘোরে। সেই অনুযায়ী, 
    ১ম গিয়ার- ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।
    ২য় গিয়ার- ঘড়ির কাঁটার দিকে (১ম-এর বিপরীত)।
    ৩য় গিয়ার- ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে (২য়-এর বিপরীত)।
    ৪র্থ গিয়ার- ঘড়ির কাঁটার দিকে (৩য়-এর বিপরীত)।
    ৫ম গিয়ার- ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে (৪র্থ-এর বিপরীত)।

     সুতরাং, ডান দিক থেকে পঞ্চম গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে

    ১০৬.
    নিচের ধারাটিতে প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি আসবে? 
    6, 11, 21, 36, 56, ?
    1. 61
    2. 81
    3. 91
    4. 71
    সঠিক উত্তর:
    81
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    81
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের ধারাটিতে প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি আসবে? 
    6, 11, 21, 36, 56, ?
     
    সমাধান:
    ধারার পার্থক্য বের করি,
    11 - 6 = 5
    21 - 11 = 10
    36 - 21 = 15
    56 - 36 = 20
    ∴ পার্থক্যগুলো হলো 5, 10, 15, 20
    পার্থক্যগুলো 5-এর গুণিতক ধারা অনুসরণ করছে: 5, 10, 15, 20
    সুতরাং, পরবর্তী পার্থক্য 25

    ∴ পরবর্তী পদ = 56 + 25 = 81

    ১০৭.
    প্রদত্ত চিত্রগুলোর মধ্যে কোনটি ব্যতিক্রম? 
    1. A
    2. B
    3. C
    4. D
    সঠিক উত্তর:
    A
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    A
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রগুলোর মধ্যে কোনটি ব্যতিক্রম? 

    সমাধান:
    এখানে,
    চিত্র B, C এবং D-তে বর্গক্ষেত্র এবং বৃত্তগুলো কর্ণ বরাবর অবস্থিত। 
    অপরদিকে, চিত্র A-তে বর্গক্ষেত্র এবং বৃত্তগুলো একটি সরল রেখায় অবস্থিত।

    সুতরাং, ক) নং চিত্রটি ব্যতিক্রম। 

    ১০৮.
    যদি 'INSERT' = 'GLQCPR' হয়,  তাহলে 'CREATE' কে কীভাবে লেখা হবে?
    1. BWKXUA
    2. APCYRC
    3. SHXHLH
    4. GWPNCV
    সঠিক উত্তর:
    APCYRC
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    APCYRC
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি 'INSERT' = 'GLQCPR' হয়,  তাহলে 'CREATE' কে কীভাবে লেখা হবে?

    সমাধান:

    এখন, প্রতিটি অক্ষরের অবস্থান (A = 1, B = 2, ..., Z = 26)। 
    I N S E R T ⇒ 9  14  19  5   18  20
    G L Q C P R ⇒ 7  12  17  3   16  18
    প্রতিটি অক্ষরকে ২ ধাপ পিছনে নেওয়া হয়েছে। 

    সে হিসাবে,
    C R E A T E ⇒ 3 18 5 1 20 5
    ২ ধাপ পিছনে নেওয়া হলে, 
    A P C Y R C

    সুতরাং,  CREATE = APCYRC

    সঠিক উত্তর খ) APCYRC

    ১০৯.
    ২৫২ সংখ্যাটিকে কত দ্বারা গুণ করলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হবে?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ২৫২ সংখ্যাটিকে কত দ্বারা গুণ করলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হবে?

    সমাধান:
    ২৫২ = ২ × ২ × ৩ × ৩ × ৭
    = ২ × ৩ × ৭

    পূর্ণবর্গ হওয়ার জন্য প্রত্যেক মৌলিক গুণনীয়কের ঘাত জোড় সংখ্যা হতে হবে।

    এখানে ২ এর ঘাত ২ (জোড়), ৩ এর ঘাত ২ (জোড়) এবং ৭ এর ঘাত ১ (বিজোড়)।
    তাই ৭ দ্বারা আরও গুণ করতে হবে।

    অর্থাৎ, ২৫২ × ৭ পূর্ণবর্গ হবে।

    ∴ সংখ্যাটি ৭ দ্বারা গুণ করতে হবে।

    ১১০.
    A = {4, 5, 6, 7}, B = {0, 1, 2, 3, 4} হলে, A ও B এর ছেদ সেট এর মান কোনটি? 
    1. {0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7}
    2. { }
    3. {4}
    4. {4, 5, 6, 7}
    সঠিক উত্তর:
    {4}
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    {4}
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: A = {4, 5, 6, 7}, B = {0, 1, 2, 3, 4} হলে, A ও B এর ছেদ সেট এর মান কোনটি? 

    সমাধান: 
    দেওয়া আছে 
    A = {4, 5, 6, 7}
    B = {0, 1, 2, 3, 4}

    A ও B এর ছেদ সেট = A ∩ B
     A ∩ B = {4, 5, 6, 7} ∩ {0, 1, 2, 3, 4}
    = {4}

    ১১১.
    12 + 22 + 32 + ....... + 182 = কত?
    1. 2061
    2. 2109
    3. 2245
    4. 2196
    সঠিক উত্তর:
    2109
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2109
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 12 + 22 + 32 + ....... + 182 = কত?

    সমাধান:
    আমরা জানি, প্রথম n সংখ্যক ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি:
    Sn = n(n + 1)(2n + 1)/6

    এখানে, শেষ পদ n = 18
    ∴ সমষ্টি = {18(18 + 1)(2 × 18 + 1)}/6
    = {18 × 19 × (36 + 1)}/6
    = (18 × 19 × 37)/6
    = 3 × 19 × 37
    = 57 × 37
    = 2109

    ১১২.
    কোনো দ্রব্য ৩৪০ টাকার পরিবর্তে ৩৫০ টাকায় বিক্রয় করলে ৪% লাভ বেশি হয়, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত? 
    1. ২০০ টাকা 
    2. ২৫০ টাকা 
    3. ২৬০ টাকা 
    4. ৩০০ টাকা 
    সঠিক উত্তর:
    ২৫০ টাকা 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৫০ টাকা 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: কোনো দ্রব্য ৩৪০ টাকার পরিবর্তে ৩৫০ টাকায় বিক্রয় করলে ৪% লাভ বেশি হয়, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত? 

    সমাধান: 
    মনেকরি 
    দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা 

    প্রশ্নমতে 
    ক এর ৪% = ৩৫০ - ৩৪০ টাকা 
    ক এর ৪/১০০ = ১০ 
    ক = (১০ × ১০০)/৪
    ক = ২৫০ টাকা 

    অতএব 
    ক্রয়মূল্য = ২৫০ টাকা 

    ১১৩.
    1. 10
    2. 7
    3. 28
    4. 21
    সঠিক উত্তর:
    21
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    21
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ১১৪.
    একটি ঝুড়িতে ২/৩ অংশ আম পরীক্ষা করার পর ৮টি আম ত্রুটিযুক্ত এবং বাকি ৩২টি ক্রটিমুক্ত পাওয়া গেল। ৮০% আম ক্রটিমুক্ত পেতে হলে অবশিষ্ট আমের মধ্যে কতটি আম ক্রটিমুক্ত পেতে হবে?
    1. ৮টি
    2. ১০টি
    3. ১২টি
    4. ১৬টি
    সঠিক উত্তর:
    ১৬টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৬টি
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি ঝুড়িতে ২/৩ অংশ আম পরীক্ষা করার পর ৮টি আম ত্রুটিযুক্ত এবং বাকি ৩২টি ক্রটিমুক্ত পাওয়া গেল। ৮০% আম ক্রটিমুক্ত পেতে হলে অবশিষ্ট আমের মধ্যে কতটি আম ক্রটিমুক্ত পেতে হবে?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    ২/৩ অংশ আম = (৩২ + ৮)টি = ৪০টি
    ∴ ১ অংশ বা (সম্পূর্ণ) = ৪০ × (৩/২) = ৬০টি

    এখন,
    ৬০ এর ৮০% = ৬০ × (৮০/১০০) = ৪৮টি
    ∴ ক্রটিমুক্ত পেতে হবে = ৪৮ - ৩২ = ১৬টি

    অতএব, অবশিষ্ট আমের মধ্যে ১৬টি আম ক্রটিমুক্ত পেতে হবে।

    ১১৫.
    1. 140
    2. 110
    3. 36√3
    4. 156
    সঠিক উত্তর:
    110
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    110
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ১১৬.
    একটি সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের লম্বের দৈর্ঘ্য ৮ মিটার হলে, ভূমির দৈর্ঘ্য কত?
    1. ৮ মিটার
    2. ৬ মিটার
    3. ১০ মিটার
    4. ১৬ মিটার
    সঠিক উত্তর:
    ৮ মিটার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৮ মিটার
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের লম্বের দৈর্ঘ্য ৮ মিটার হলে, ভূমির দৈর্ঘ্য কত?

    সমাধান:

    সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে লম্ব ও ভূমির মান সমান। 
    ∴ ভূমির দৈর্ঘ্য হবে ৮ মিটার

    ১১৭.
    কোনো গুণোত্তর ধারার দ্বিতীয় পদ b এবং সাধারণ অনুপাত r। যদি গুণোত্তর ধারার প্রথম তিনটি পদের গুণফল 343 হয়, তবে b = কত?
    1. 5
    2. 6
    3. 7
    4. 9
    সঠিক উত্তর:
    7
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    7
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: কোনো গুণোত্তর ধারার দ্বিতীয় পদ b এবং সাধারণ অনুপাত r। যদি গুণোত্তর ধারার প্রথম তিনটি পদের গুণফল 343 হয়, তবে b = কত?

    সমাধান:
    ধরি, গুণোত্তর ধারাটির প্রথম তিনটি পদ হলো a, ar, এবং ar2
    প্রশ্নমতে, ধারাটির দ্বিতীয় পদ, b = ar

    প্রথম তিনটি পদের গুণফল = a × ar × ar2 = 343
    ⇒ a3r3 = 343
    ⇒ (ar)3 = 343
    ⇒ b3 = 343 (যেহেতু b = ar)
    ⇒ b3 = 73
    ∴ b = 7

    ১১৮.
    - 1 < x < 8 অসমতাটিকে পরমমান চিহ্ন ব্যবহার করে প্রকাশ করলে নিচের কোনটি হবে?
    1. |x - 3| < 5
    2. |2x - 7| < 9
    3. |2x + 1| < 7
    4. |x + 4| < 3
    সঠিক উত্তর:
    |2x - 7| < 9
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    |2x - 7| < 9
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: - 1 < x < 8 অসমতাটিকে পরমমান চিহ্ন ব্যবহার করে প্রকাশ করলে নিচের কোনটি হবে?

    সমাধান:
    সীমার মধ্যবিন্দু = (- 1 + 8)/2 = 7/2

    দেওয়া আছে,
    ⇒  -1 < x < 8
    ⇒ - 1 - 7/2 < x - 7/2 < 8 - 7/2
    ⇒ - 9/2 < x - 7/2 < 9/2
    ⇒ - 9/2 < (2x - 7)/2 < 9/2
    ⇒ - 9 < 2x - 7 < 9
    ∴ |2x - 7| < 9 [আমরা জানি, -a < X < a হলে |X| < a লেখা যায়]

    ১১৯.
    একটি সুষম ১৮-বাহু বিশিষ্ট বহুভুজের প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণের মান কত?
    1. ১২০°
    2. ১৪০°
    3. ১৫৬°
    4. ১৬০°
    সঠিক উত্তর:
    ১৬০°
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৬০°
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি সুষম ১৮-বাহু বিশিষ্ট বহুভুজের প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণের মান কত?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে, বাহুর সংখ্যা n = ১৮

    আমরা জানি,
    সুষম বহুভুজের প্রতিটি বহিঃস্থ কোণ = ৩৬০°/n
    = ৩৬০°/১৮ = ২০°

    ∴ প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণ = ১৮০° - বহিঃস্থ কোণ
    = ১৮০° - ২০°
    = ১৬০°

    ১২০.
    দুই অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যা, অংকদ্বয়ের স্থান বিনিময়ের ফলে 45 বৃদ্ধি পায়। অংক দুইটির যোগফল 9 হলে সংখ্যাটি কত?
    1. 36
    2. 72
    3. 27
    4. 81
    সঠিক উত্তর:
    27
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    27
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: দুই অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যা, অংকদ্বয়ের স্থান বিনিময়ের ফলে 45 বৃদ্ধি পায়। অংক দুইটির যোগফল 9 হলে সংখ্যাটি কত?

    সমাধান:
    মনে করি, একক স্থানীয় অংক = x এবং দশক স্থানীয় অংক = (9 - x)
    ∴ সংখ্যাটি = x + 10(9 - x) = 90 - 9x

    অংকদ্বয়ের স্থান বিনিময়ের পর সংখ্যাটি = 10x + (9 - x) = 9x + 9

    প্রশ্নমতে, (9x + 9) - (90 - 9x) = 45
    ⇒ 9x + 9 - 90 + 9x = 45
    ⇒ 18x - 81 = 45
    ⇒ 18x = 45 + 81
    ⇒ 18x = 126
    ⇒ x = 126/18
    ⇒ x = 7

    ∴ নির্ণেয় সংখ্যাটি = 90 - (9 × 7) = 90 - 63 = 27

    ১২১.
    নিচে 60 জন শিক্ষার্থীর গণিতে প্রাপ্ত নম্বরের গণসংখ্যা নিবেশন সারণি দেওয়া হলো। এর মধ্যক নির্ণয় করো।
    1. 71
    2. 75
    3. 78
    4. 82
    সঠিক উত্তর:
    75
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    75
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচে 60 জন শিক্ষার্থীর গণিতে প্রাপ্ত নম্বরের গণসংখ্যা নিবেশন সারণি দেওয়া হলো। এর মধ্যক নির্ণয় করো।


    সমাধান:

    এখানে, n = 60 , যা জোড় সংখ্যা।
    ∴ মধ্যক = (60/2)তম পদ + {(60/2) + 1} তম পদ
    = 30তম পদ + 31তম পদ
    = 70 + 80
    = 75

    ∴ নির্ণেয় মধ্যক 75

    ১২২.
    'SYLHET' শব্দটির একত্রে বিন্যাস সংখ্যা 'PABNA' শব্দটির একত্রে বিন্যাস সংখ্যার কত গুণ?
    1. 6
    2. 12
    3. 15
    সঠিক উত্তর:
    12
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    12
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'SYLHET' শব্দটির একত্রে বিন্যাস সংখ্যা 'PABNA' শব্দটির একত্রে বিন্যাস সংখ্যার কত গুণ?

    সমাধান:
    'SYLHET' শব্দটিতে মোট বর্ণ = 6, সব ভিন্ন।
    সুতরাং বিন্যাস সংখ্যা = 6! = 720

    'PABNA' শব্দটিতে মোট বর্ণ = 5, যেখানে A দুইবার আছে।
    বিন্যাস সংখ্যা = 5!/2! = 120/2 = 60

    এখন,
     SYLHET/PABNA = 720/60
    ⇒ SYLHET/PABNA = 12
    ⇒ SYLHET = 12 × PABNA

    অর্থাৎ  'SYLHET' শব্দটির একত্রে বিন্যাস সংখ্যা 'PABNA' শব্দটির একত্রে বিন্যাস সংখ্যার 12 গুণ।

    ১২৩.
    1. 3√3
    2. 9/4 
    3. 64/27
    4. 3/2
    সঠিক উত্তর:
    9/4 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    9/4 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন:

    সমাধান:

    ১২৪.
    (sinA + cosA)/(sinA - cosA) = 5 হলে, tanA =? 
    1. 2/3
    2. 3/2 
    3. 1/5
    4. সঠিক উত্তর নেই 
    সঠিক উত্তর:
    3/2 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    3/2 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: (sinA + cosA)/(sinA - cosA) = 5 হলে, tanA =?

    সমাধান: 
    (sinA + cosA)/(sinA - cosA) = 5 
    বা, (sinA + cosA + sinA - cosA)/(sinA + cosA - sinA + cosA ) = (5 + 1)/(5 - 1)
    বা, 2sinA/2cosA = 6/4
    বা, tanA = 3/2 

    ১২৫.
    কোনো আসল ৩ বছরে সরল মুনাফাসহ ৬৮০০ টাকা এবং ৫ বছরে সরল মুনাফাসহ ৮০০০ টাকা হলে, শতকরা মুনাফার হার কত? 
    1. ১২%
    2. ১০%
    3. ৬%
    4. ৫%
    সঠিক উত্তর:
    ১২%
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১২%
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: কোনো আসল ৩ বছরে সরল মুনাফাসহ ৬৮০০ টাকা এবং ৫ বছরে সরল মুনাফাসহ ৮০০০ টাকা হলে, শতকরা মুনাফার হার কত?

    সমাধান:
    এখানে,
    আসল + ৫ বছরের সুদ = ৮০০০ টাকা
    আসল + ৩ বছরের সুদ= ৬৮০০ টাকা
    ∴ ২ বছরের সুদ = (৮০০০ - ৬৮০০) টাকা
    = ১২০০ টাকা

    ∴ ৩ বছরের সুদ = (১২০০ × ৩)/২ টাকা
    = ১৮০০ টাকা

    ∴ আসল = (৬৮০০ - ১৮০০) টাকা
    = ৫০০০ টাকা

    ৫০০০ টাকার ৩ বছরের সুদ = ১৮০০ টাকা
    ∴ ১ টাকার ১ বছরের সুদ = ১৮০০/(৫০০০ × ৩) টাকা
    ∴ ১০০ টাকার ১ বছরের সুদ = (১৮০০ × ১০০)/(৫০০০ × ৩)
    = ১২%

    ১২৬.
    দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে ছেদ বা স্পর্শ না করলে বৃত্ত দুইটির সর্বাধিক সংখ্যায় সাধারণ স্পর্শক অংকন করা যায় ____ টি।
    1. ২ টি
    2. ৩ টি
    3. ৪ টি
    4. ৫ টি
    সঠিক উত্তর:
    ৪ টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৪ টি
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে ছেদ বা স্পর্শ না করলে বৃত্ত দুইটির সর্বাধিক সংখ্যায় সাধারণ স্পর্শক অংকন করা যায় ____ টি।

    সমাধান:
    দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে ছেদ বা স্পর্শ না করলে বৃত্ত দুইটির সর্বাধিক সংখ্যায় সাধারণ স্পর্শক অংকন করা যায় ৪ টি।

    ১২৭.
    A এবং B দুটি ঘটনা যেন, P(A) = 1/3, P(A ∪ B) = 3/5, P(B) = 1/4 হলে,
    P(Ac ∩ Bc) = কত?
    1. 1/4
    2. 2/5
    3. 3/5
    4. 1/5
    সঠিক উত্তর:
    2/5
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2/5
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: A এবং B দুটি ঘটনা যেন, P(A) = 1/3, P(A ∪ B) = 3/5, P(B) = 1/4 হলে,
    P(Ac ∩ Bc) = কত?

    সমাধান:
    ডি মরগ্যানের সূত্র অনুযায়ী,
    P(Ac ∩ Bc) = P(A ∪ B)c

    ∴ P(A ∪ B)c = 1 - P(A ∪ B)
    = 1 - 3/5
    = (5 - 3)/5
    = 2/5

    ∴ P(Ac ∩ Bc) = 2/5

    ১২৮.
    গিনি-পালক পরীক্ষার জন্য কোন বিজ্ঞানী পরিচিত?
    1. টাইকো ব্রে
    2. কেপলার
    3. নিউটন
    4. গ্যালিলিও
    সঠিক উত্তর:
    গ্যালিলিও
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ্যালিলিও
    ব্যাখ্যা

    • গিনি-পালক পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞানী গ্যালিলিও পরিচিত। এই পরীক্ষায় তিনি দেখান যে বায়ুর বাধা না থাকলে ভারী ও হালকা বস্তু একই হারে নিচে পড়ে। তৎকালীন ধারণা ছিল ভারী বস্তু দ্রুত পড়ে, কিন্তু গ্যালিলিও এই ভুল ধারণার বিরোধিতা করেন। তিনি পালক ও ভারী বস্তু একসঙ্গে ফেলেন এবং প্রমাণ করেন যে পতনের গতি ভরের ওপর নির্ভর করে না, বরং মাধ্যাকর্ষণের ওপর নির্ভরশীল। এই পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেন এবং বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারায় পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    গিনি-পালক পরীক্ষা (Guinea–Feather Experiment):
    - গিনি-পালক পরীক্ষা মূলত বস্তু পতনের সাথে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা।
    - এই পরীক্ষায় একটি ভারী বস্তু (গিনি) এবং একটি হালকা বস্তু (পালক) একসাথে ফেলা হয়।
    - সাধারণভাবে মনে করা হতো, ভারী বস্তু হালকা বস্তুর তুলনায় দ্রুত নিচে পড়ে।
    - এই ভুল ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পরীক্ষাটি পরিচালিত হয়।
    - পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করা হয় যে বায়ুর প্রতিরোধ না থাকলে ভারী ও হালকা বস্তু একই সময়ে ভূমিতে পৌঁছায়।
    - অর্থাৎ, বস্তুর ভর নয়, বরং বায়ুর বাধাই পতনের গতিতে পার্থক্য সৃষ্টি করে।
    - এই ধারণা অ্যারিস্টটলের তত্ত্বের বিরোধিতা করে নতুন বৈজ্ঞানিক চিন্তার সূচনা করে।

    পরীক্ষার সাথে সম্পর্কিত বিজ্ঞানী:
    - গিনি-পালক পরীক্ষা পরিচালনা ও ব্যাখ্যার জন্য বিখ্যাত বিজ্ঞানী হলেন গ্যালিলিও গ্যালিলেই।
    - তিনি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবে পরিচিত।
    - তাঁর গবেষণা গতি, মাধ্যাকর্ষণ এবং পরীক্ষাভিত্তিক বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করে।
    - সুতরাং, গিনি-পালক পরীক্ষার জন্য পরিচিত বিজ্ঞানী হলেন গ্যালিলিও।

    সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

    ১২৯.
    "Necessary Evil বা, প্রয়োজনীয় অমঙ্গল" বলতে কোন প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়?
    1. ট্রান্সলোকেশন
    2. প্রস্বেদন
    3. সালোকসংশ্লেষণ
    4. ব্যাপন
    সঠিক উত্তর:
    প্রস্বেদন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রস্বেদন
    ব্যাখ্যা

    • “Necessary Evil” বা “প্রয়োজনীয় অমঙ্গল” বলতে উদ্ভিদের প্রস্বেদন (খ) প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়। প্রস্বেদনে উদ্ভিদের পাতার রন্ধ্র দিয়ে অতিরিক্ত পানি বাষ্প আকারে বেরিয়ে যায়, যা প্রথম দৃষ্টিতে ক্ষতিকর মনে হতে পারে, কারণ এতে পানি অপচয় হয়। তবে এই প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। প্রস্বেদন উদ্ভিদদেহে পানি ও খনিজ লবণের ঊর্ধ্বমুখী পরিবহনে সাহায্য করে, উদ্ভিদকে শীতল রাখে এবং কোষে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে। তাই ক্ষতির দিক থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বেঁচে থাকার জন্য প্রস্বেদন অপরিহার্য, এজন্য একে “Necessary Evil” বলা হয়।
     
    • প্রস্বেদন (Transpiration):
    - প্রস্বেদন হলো উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে উদ্ভিদ তার বায়বীয় অঙ্গ (যেমন পাতা, কাণ্ড এবং অল্প পরিমাণে লেন্টিসেল) থেকে অতিরিক্ত জল কে বাষ্প বা জলীয় বাষ্পাকারে বায়ুমণ্ডলে নির্গত করে দেয়।
    - বেশিরভাগ প্রস্বেদন ঘটে পাতার পৃষ্ঠে অবস্থিত পত্ররন্ধ্রের (Stomata) মাধ্যমে।
    - এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদ শোষিত মোট জলের প্রায় ৯৭% থেকে ৯৯% পর্যন্ত জলীয় বাষ্প হিসেবে পরিবেশে ত্যাগ করে।
    - এই প্রক্রিয়া প্রধানত পত্ররন্ধ্রীয় (Stomatal), কিউটিকুলার (Cuticular) এবং লেন্টিকুলার (Lenticular) পথে ঘটে থাকে।

    • প্রস্বেদনকে 'Necessary Evil' বলার কারণ:
     - প্রস্বেদনকে 'প্রয়োজনীয় অমঙ্গল' (Necessary Evil) বলা হয় কারণ এর দুটি বিপরীতমুখী ভূমিকা রয়েছে।

    ১। প্রয়োজনীয়তা (Necessity):
    - এটি শিকড় থেকে বহু উপরে অবস্থিত পাতায় জল ও খনিজ লবণ পরিবহনের জন্য একটি টান (Transpiration Pull) সৃষ্টি করে।
    - এটি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে উদ্ভিদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে (কুলিং ইফেক্ট)।

    ২। অমঙ্গল (Evil):
    - এই প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প নির্গত হওয়ার কারণে তীব্র শুষ্ক পরিবেশে বা উচ্চ তাপমাত্রায় উদ্ভিদ পানিশূন্যতায় ভোগে, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।
    - এই কারণে, প্রক্রিয়াটি না হলেও নয় (Necessary), আবার অতিরিক্ত হলে তা উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকরও (Evil)।
    - এই দ্বৈত ভূমিকার (অপরিহার্যতা ও ক্ষতিকরতা) জন্য বিজ্ঞানী ইভান জে. কুর্তিস একে 'Necessary Evil' বলে অভিহিত করেন।

    উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

    ১৩০.
    p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি করতে কোন পরমাণু দ্বারা ডোপিং করা হয়?
    1. ইন্ডিয়াম
    2. অ্যান্টিমনি
    3. ফসফরাস
    4. জার্মেনিয়াম
    সঠিক উত্তর:
    ইন্ডিয়াম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইন্ডিয়াম
    ব্যাখ্যা

    • p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি করতে বিশুদ্ধ সিলিকন বা জার্মেনিয়ামের সাথে ত্রিমূলক (trivalent) পরমাণু ডোপিং করা হয়, যাদের ভ্যালেন্স ইলেকট্রন সংখ্যা ৩টি। এই ধরনের পরমাণু যুক্ত হলে একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি সৃষ্টি হয়, যাকে হোল বলা হয়, এবং হোলই এখানে প্রধান চার্জ বাহক হিসেবে কাজ করে। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে ইন্ডিয়াম একটি ত্রিমূলক পরমাণু, তাই এটি দ্বারা ডোপিং করলে p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি হয়। অন্যদিকে অ্যান্টিমনি ও ফসফরাস পঞ্চমূলক এবং জার্মেনিয়াম নিজেই একটি অর্ধপরিবাহী। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) ইন্ডিয়াম।

    • p-টাইপ অর্ধপরিবাহী (P-type Semiconductor):
    - p-টাইপ অর্ধপরিবাহী হলো এমন এক ধরনের অর্ধপরিবাহী যেখানে হোল (hole) সংখ্যাগরিষ্ঠ বাহক (majority carrier) হিসেবে কাজ করে।
    - এটি তৈরির জন্য বিশুদ্ধ সিলিকন বা জার্মেনিয়ামে ত্রিমান (trivalent) অমিশ্র পরমাণু যোগ করা হয়।
    - ত্রিমান পরমাণুর ভ্যালেন্স ইলেকট্রন সংখ্যা ৩টি হওয়ায় একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি সৃষ্টি হয়।
    - এই ইলেকট্রনের ঘাটতিকে হোল বলা হয়।
    - হোলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবহন হয় বলে একে p-টাইপ অর্ধপরিবাহী বলা হয়।

    • ডোপিং (Doping):
    - ডোপিং হলো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীতে অল্প পরিমাণ অমিশ্র পদার্থ যোগ করার প্রক্রিয়া।
    - p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য ত্রিমান মৌল ব্যবহার করা হয়।
    - ত্রিমান মৌলগুলোর মধ্যে ইন্ডিয়াম, বোরন, গ্যালিয়াম উল্লেখযোগ্য।
    - এসব মৌল ইলেকট্রনের ঘাটতি তৈরি করে, ফলে হোলের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

    • অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
    - ইন্ডিয়াম → ত্রিমান মৌল, p-টাইপ তৈরিতে ব্যবহৃত। 
    - অ্যান্টিমনি → পেন্টাভ্যালেন্ট, n-টাইপ তৈরিতে ব্যবহৃত। 
    - ফসফরাস → পেন্টাভ্যালেন্ট, n-টাইপ তৈরিতে ব্যবহৃত। 
    - জার্মেনিয়াম → বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী, ডোপিং উপাদান নয়। 

    সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

    ১৩১.
    পত্ররন্ধ্রের কার্যকলাপ (খোলা ও বন্ধ) নিয়ন্ত্রণে কোন খনিজ উপাদান দায়ী?
    1. আয়রন
    2. পটাসিয়াম
    3. মলিবডেনাম
    4. ম্যাগনেসিয়াম
    সঠিক উত্তর:
    পটাসিয়াম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পটাসিয়াম
    ব্যাখ্যা

    • পত্ররন্ধ্রের খোলা ও বন্ধ হওয়ার কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে পটাসিয়াম খনিজ উপাদানটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পত্ররন্ধ্রের চারপাশে থাকা রক্ষী কোষে পটাসিয়াম আয়নের প্রবেশ ও নির্গমনের ফলে কোষের ভেতরে অমোসিস প্রক্রিয়ায় পানি ঢোকে বা বের হয়। যখন রক্ষী কোষে পটাসিয়াম আয়ন প্রবেশ করে, তখন পানি ঢুকে কোষ স্ফীত হয় এবং পত্ররন্ধ্র খুলে যায়। আবার পটাসিয়াম বের হয়ে গেলে পানি বেরিয়ে কোষ শিথিল হয় ও পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়। এভাবে উদ্ভিদের গ্যাস বিনিময় ও বাষ্পোৎসর্জন নিয়ন্ত্রিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) পটাসিয়াম।
     
     পুষ্টি উপাদানের গুরুত্ব: 
    - উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
    যেমন- 

    • নাইট্রোজেন (N):
    - নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন ও ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। উদ্ভিদের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষকলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
    • ফসফরাস (P):
    - নিউক্লিক অ্যাসিড, বিভিন্ন ফসফোলিপিড, NADP, ATP ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্যের সাংগঠনিক উপাদান। উদ্ভিদের মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্তপ্রয়োজনীয় উপাদান। 
    • পটাসিয়াম (K):
    - উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। ইহা মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনে সাহায্য করে। 
    • ম্যাগনেসিয়াম (Mg):
    - ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 

    • আয়রন (Fe):
    - উদ্ভিদের বায়বীয় শ্বসন এর উপর নির্ভরশীল। ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে আয়রনের ভূমিকা অপরিসীম। 
    • ম্যাঙ্গানিজ (Mn):
    - ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণের জন্য ম্যাঙ্গানিজ প্রয়োজন। 
    • তামা (Cu):
    - টমেটো, সূর্যমুখী উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য এবং শ্বসন প্রক্রিয়ার উপর তামার প্রভাব উল্লেখযোগ্য। 

    • বোরন (B):
    - উদ্ভিদের স্বাভাবিক বর্ধনশীল অঞ্চলের জন্য বোরন প্রয়োজন। চিনি পরিবহনে বোরন পরোক্ষ প্রভাব বিস্তার করে। 
    • দস্তা বা জিংক (Zn):
    - অ্যামাইনো অ্যাসিড সংশ্লেষণের জন্য দস্তা প্রয়োজন। উদ্ভিদের স্বাভাবিক বিপাকীয় কার্যে এর প্রয়োজন হয়। 
    • মলিবডেনাম (Mo):
    - অণুজীব দ্বারা বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য এটি আবশ্যক। 
    • ক্লোরিন (Cl):
    - সুগারবীট এর মূল ও কান্ডের বৃদ্ধির জন্য ক্লোরিন প্রয়োজন। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৩২.
    ফিউজের তারের কোন বৈশিষ্ট্য উল্লেখযোগ্য?
    1. কম রোধ এবং কম গলনাংক
    2. উচ্চ রোধ এবং উচ্চ গলনাংক
    3. কম রোধ এবং উচ্চ গলনাংক
    4. উচ্চ রোধ এবং কম গলনাংক
    সঠিক উত্তর:
    উচ্চ রোধ এবং কম গলনাংক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উচ্চ রোধ এবং কম গলনাংক
    ব্যাখ্যা

    • ফিউজের তার একটি সুরক্ষা উপকরণ যা অতিরিক্ত কারেন্ট বা শর্ট সার্কিটের সময় সার্কিটকে রক্ষা করে। ফিউজের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি কারেন্ট পেলে গলে যায় এবং সার্কিট খোলার মাধ্যমে যন্ত্রাংশ বা তারকে ক্ষতি হতে বাধা দেয়। এজন্য ফিউজের তারকে এমন উপাদান থেকে তৈরি করা হয় যার গলনাংক খুব কম এবং রোধ তুলনামূলকভাবে বেশি। কম গলনাংকের কারণে এটি সহজেই গলে যায়, আর উচ্চ রোধ নিশ্চিত করে যে তা মাত্রাসীমার উপরে কারেন্টে দ্রুত উত্তপ্ত হয়। তাই ফিউজের তারের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো উচ্চ রোধ এবং কম গলনাংক, যা এটিকে সুরক্ষা প্রদানকারী হিসেবে কার্যকর করে।
     
     • বৈদ্যুতিক ফিউজ তার: 
    - তড়িৎ যন্ত্রপাতির মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলে তা নষ্ট হয়ে যায়। 
    - অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে আগুন পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। 
    - এ ধরনের বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বর্তনীতে এক ধরনের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয় যা হলো ফিউজ তার ব্যবহার করা। 
    - ফিউজ সাধারণত টিন ও সীসার একটি সংকর ধাতুর তৈরি ছোট সরু তার। 
    - এটি একটি চিনামাটির কাঠামোর উপর দিয়ে আটকানো থাকে। 
    - এই তারটি সরু এবং গলনাঙ্ক কম। 
    - এই তারের মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহিত হলে এটি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে গলে যায়। 
    - ফলে তড়িৎ বর্তনী বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 
    - এভাবে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দিয়ে ফিউজ যন্ত্রপাতিকে রক্ষা করে। 

    • ফিউজের তারের বৈশিষ্ট্য (Fuse Wire Properties):
    - ফিউজের তারে সাধারণত  উচ্চ রোধ (High Resistance) এবং কম গলনাংক (Low Melting Point) থাকে।  
    - এটি করার কারণ হলো, অতিরিক্ত কারেন্ট প্রবাহিত হলে তারে দ্রুত গলে যায় এবং সার্কিটকে নিরাপদ রাখে।  
    - ফিউজের মূল কাজ হলো সার্কিটে অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক প্রবাহ (Overcurrent) প্রবেশ করতে না দেওয়া।  
    - তাই ফিউজের তারের উচ্চ রোধ ও কম গলনাংক থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  
    - এতে করে সার্কিটে সমস্যা দেখা দিলে ফিউজ দ্রুত গলে যায় এবং বাকি যন্ত্রপাতি সুরক্ষিত থাকে।  

    উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

    ১৩৩.
    স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্য সম্পাদনের প্রধান একক কোনটি?
    1. নিউরোগ্লিয়া
    2. সাইন্যাপস
    3. নিউরন
    4. নেফ্রন
    সঠিক উত্তর:
    নিউরন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিউরন
    ব্যাখ্যা

    • স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্য সম্পাদনের প্রধান একক হলো নিউরন (গ)। নিউরন হলো একটি বিশেষায়িত স্নায়ুকোষ, যা উদ্দীপনা গ্রহণ, পরিবহন ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এর প্রধান অংশ হলো ডেনড্রাইট, কোষদেহ এবং অ্যাক্সন। ডেনড্রাইট উদ্দীপনা গ্রহণ করে, কোষদেহ তা প্রক্রিয়াজাত করে এবং অ্যাক্সন সেই স্নায়ুবার্তা অন্য কোষে পৌঁছে দেয়। স্নায়ুতন্ত্রের সব কার্যকলাপ- যেমন চিন্তা, অনুভূতি, চলাচল ও প্রতিফল ক্রিয়া- নিউরনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। নিউরোগ্লিয়া সহায়ক কোষ, সাইন্যাপস সংযোগস্থল এবং নেফ্রন কিডনির একক, তাই সঠিক উত্তর নিউরন।
     
    • স্নায়ুকলা (Nervous tissue):
    - যে কলা দেহের সব ধরনের সংবেদন ও উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং তা পরিবহণের মাধ্যমে উদ্দীপনা অনুসারে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করে, সেটাই স্নায়ুটিস্যু বা স্নায়ুকলা। 
    - বহুসংখ্যক স্নায়ুকোষ বা নিউরনের সমন্বয়ে স্নায়ুটিস্যু গঠিত।
    - নিউরনই স্নায়ুতন্ত্রের গঠন এবং কার্যক্রমের একক।

    • নিউরনের গঠন:
    - প্রতিটি নিউরন দুটি অংশ নিয়ে গঠিত-কোষদেহ এবং প্রলম্বিত অংশ।

    কোষদেহ (Cell body):
    - প্লাজমামেমব্রেন, সাইটোপ্লাজম আর নিউক্লিয়াস নিয়ে গঠিত নিউরনের গোলাকার, তারকাকার, অথবা ডিম্বাকার অংশ কোষদেহ নামে পরিচিত। এখানে সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজিবস্তু, লাইসোজোম, চর্বি, গ্লাইকোজেন, রঞ্জক কণাসহ অসংখ্য নিসল দানা থাকে।

    প্রলম্বিত অংশ:
    - কোষদেহ থেকে সৃষ্ট শাখা-প্রশাখাকেই প্রলম্বিত অংশ বলে। প্রলম্বিত অংশ দুধরনের:

    (i) ডেনড্রন:
    - কোষদেহের চারদিকের শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রন বলে। ডেনড্রন থেকে যে শাখা বের হয় তাদের ডেনড্রাইট বলে। একটি নিউরনে ডেনড্রন সংখ্যা শূন্য থেকে শতাধিক পর্যন্ত হতে পারে। ডেনড্রাইট অন্য নিউরন থেকে স্নায়ু তাড়না গ্রহণ করে।

    (ii) অ্যাক্সন (Axon):
    - কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা তন্তুর নাম অ্যাক্সন। এর চারদিকে পাতলা আবরণটিকে নিউরিলেমা বলে। নিউরিলেমা এবং অ্যাক্সনের মধ্যবর্তী অঞ্চলে স্নেহ পদার্থের একটি স্তর থাকে। একে মায়েলিন (Myelin) বলে।  

    অপরদিকে,
    - বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যকারী একক হচ্ছে নেফ্রন।
    - সাইন্যাপস হলো দুটি নিউরন বা একটি নিউরন ও অন্য কোনো কোষের (যেমন পেশী কোষ) সংযোগস্থল, যেখানে একটি নিউরন থেকে পরবর্তী কোষে স্নায়ু সংকেত বা তথ্য রাসায়নিক বা বৈদ্যুতিক উপায়ে প্রবাহিত হয়।
    - নিউরোগ্লিয়া হলো স্নায়ুতন্ত্রের সহায়ক কোষ, যা নিউরনকে (স্নায়ুকোষ) ধরে রাখে, পুষ্টি যোগায়, সুরক্ষা দেয় এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।

    উৎস: জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি)।

    ১৩৪.
    মরীচিকা ব্যাখ্যা করতে হলে মূলত কোনটি প্রয়োজনীয়?
    1. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
    2. আলোর প্রতিফলন সূত্র
    3. আলোর বিচ্ছুরণ 
    4. কোনোটি নয়
    সঠিক উত্তর:
    পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
    ব্যাখ্যা

    • মরীচিকা ব্যাখ্যা করতে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন প্রয়োজন। মরীচিকা সাধারণত গরম সড়ক বা মরুভূমির উপর দেখা যায়, যেখানে বাতাসের বিভিন্ন স্তর বিভিন্ন তাপমাত্রায় থাকে। গরম বাতাসের স্তরে সূর্যের আলো দ্রুতগতিতে চলে, আর ঠাণ্ডা স্তরে ধীরে চলে। এই কারণে আলো বক্রভাবে মোড় নেয় এবং আমাদের চোখে পানি বা ঝিলমিল করে ভাসমান ছবি মনে হয়। এটি অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের ফলে ঘটে, যেখানে আলো তাপমাত্রার ভিন্ন ভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন কোণে প্রতিফলিত হয়। আলোর প্রতিফলন সূত্র বা প্রতিসরণ সরাসরি মরীচিকার কারণ নয়, তবে অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন তাদের দৃশ্যমান করে তোলে। তাই মরীচিকা ব্যাখ্যার জন্য ক) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন প্রয়োজন।
     
    পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন: 
    - এক জোড়া নির্দিষ্ট স্বচ্ছ সমসত্ব মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাবার সময় যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয় তবে আলোক রশ্মি হালকা মাধ্যমে বিন্দুমাত্র প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণরূপে বিভেদ তল দ্বারা ঘন মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়, একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে। 
    - পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত দুইটি। 
    যথা- 
    ১। আলোক রশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমের দিকে যেতে হবে। 
    ২। এক জোড়া নির্দিষ্ট সচ্ছ সমসত্ব মাধ্যম ও একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মিকে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হতে হবে। 

    আলোর প্রতিফলন: 
    - আপতিত রশ্মির কিছু অংশ বিভেদতল থেকে পুনরায় প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে, এই ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে। 
    • প্রতিফলনের প্রথম সূত্র: আপতিত আলোক রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপাতর বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব একই তলে অবস্থান করে। 
    • প্রতিফলনের দ্বিতীয় সূত্র: আপতিত কোণ একং প্রতিফলন কোণ সর্বদা সমান হয়। 

    আলোর বিচ্ছুরণ (Scattering of Light):
    - যখন আলো কোনো স্বচ্ছ মাধ্যম বা কণার সঙ্গে সংঘর্ষ করে এবং সবদিকে ছড়িয়ে যায়, তাকে আলোর বিচ্ছুরণ বলা হয়।
    - অর্থাৎ, আলো শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পথে চলে না, বরং বিভিন্ন দিকে ছিটকে যায়।

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৩৫.
    বাংলাদেশে শিল্প কারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রধানত কোন ধরণের কারখানায় ETP স্থাপন করা বেশি প্রয়োজন?
    1. ট্যানারি শিল্প
    2. পশু খামার শিল্প
    3. রেডিমেড গার্মেন্টস শিল্প
    4. কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প
    সঠিক উত্তর:
    ট্যানারি শিল্প
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ট্যানারি শিল্প
    ব্যাখ্যা

    • বাংলাদেশে শিল্প কারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে ETP (Effluent Treatment Plant) বা বর্জ্য পানি নিষ্কাশন কেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন হয় মূলত সেই সকল শিল্পে যেখানে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক বা দূষিত পানি উৎপন্ন হয়। বিশেষভাবে ট্যানারি শিল্পে ETP থাকা বাধ্যতামূলক, কারণ চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় ক্রোমিয়াম, সলফার এবং অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার হয়, যা সরাসরি পরিবেশে ফেলা হলে মাটি, জল এবং মানুষ ও প্রাণীর স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করে। অন্যদিকে, পশু খামার, রেডিমেড গার্মেন্টস বা কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে বর্জ্য পানি কম দূষিত বা সহজে পরিচালনাযোগ্য হলেও, কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মান অনুসারে ছোট ETP থাকতে পারে। তাই সর্বাধিক জরুরি এবং আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক ETP হলো ট্যানারি শিল্পে।
     
    • ETP (Effluent Treatment Plant) এর প্রয়োজনীয়তা শিল্প কারখানায়:
    - ETP হলো একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে শিল্প কারখানার তরল বর্জ্য বা জলকে পরিশোধন করা হয়।
    - এটি পরিবেশ দূষণ রোধের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    - বাংলাদেশে শিল্প কারখানা স্থাপনের সময় কিছু ধরণের শিল্পে ETP স্থাপন বাধ্যতামূলক।  

    • ট্যানারি শিল্প (Tannery Industry):
    - ট্যানারি শিল্পে চামড়া প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রচুর রঞ্জক এবং রাসায়নিক ব্যবহার হয়।
    - এই শিল্প থেকে নির্গত বর্জ্যে ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত রাসায়নিক থাকে।
    - তাই, ট্যানারি শিল্পে ETP স্থাপন করা বাধ্যতামূলক।  

    • পশু খামার শিল্প (Animal Farming Industry):
    - পশুপালন বা খামার শিল্প থেকে সাধারণত জৈব বর্জ্য উৎপন্ন হয়।
    - যদিও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন, এটি ETP বাধ্যতামূলক নয়।  

    • রেডিমেড গার্মেন্টস শিল্প (Readymade Garments Industry):
    - গার্মেন্টস শিল্পে প্রধানত রঙ এবং রাসায়নিক ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বর্জ্য সাধারণত সহজে পরিশোধনযোগ্য।
    - তাই সব ক্ষেত্রে ETP বাধ্যতামূলক নয়।  
    - টেক্সটাইল ডাইং ফ্যাক্টরিগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিকযুক্ত রঙিন পানি নির্গত হয়, যা শোধন করতে ETP লাগে। তবে রেডিমেড গার্মেন্টস শিল্পের তুলনায় ট্যানারি শিল্পে ETP স্থাপন করা বেশি প্রয়োজন। 

    • কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প (Agricultural Processing Industry):
    - কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে তরল বর্জ্য সাধারণত কম দূষিত হয়।
    - ETP স্থাপন সাধারণত ঐচ্ছিক, নির্দিষ্ট শিল্প ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে।  

    সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

    ১৩৬.
    প্রজেক্টাইলের সর্বাধিক উচ্চতায় বেগ ও ত্বরণের মধ্যবর্তী কোণ কত হবে?
    1. 120° কোণ
    2. 180° কোণ
    3. 90° কোণ
    4. 45° কোণ
    সঠিক উত্তর:
    90° কোণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    90° কোণ
    ব্যাখ্যা

    • প্রজেক্টাইলের সর্বাধিক উচ্চতায়, উল্লম্ব বেগের উপাদান শূন্য হয়ে যায়, কিন্তু অনুভূমিক বেগের উপাদান স্থির থাকে। ফলে, এই বিন্দুতে প্রজেক্টাইলের বেগ শুধুমাত্র অনুভূমিক দিকে ক্রিয়া করে। অন্যদিকে, অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) সর্বদা উল্লম্বভাবে নীচের দিকে ক্রিয়া করে। যেহেতু বেগ ভেক্টরটি অনুভূমিক এবং ত্বরণ ভেক্টরটি উল্লম্বভাবে নিচের দিকে, তাই তাদের মধ্যবর্তী কোণ 90° হয়।
     সুতরাং, প্রদত্ত অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) 90° কোণ।

     
    • প্রাস:
    - কোনো একটি বস্তুকে অনুভূমিকের সাথে তির্যকভাবে উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হলে তাকে প্রাস বলে। আর এই ধরনের গতিকে প্রাসের গতি বলে।
    - প্রাসের গতিপথ একটি অধিবৃত্ত।
    - প্রাসের গতি দ্বিমাত্রিক গতি।
    - প্রাস সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌছালে এর বেগ সর্বনিম্ন হয়।

    • সর্বাধিক অনুভূমিক পাল্লা (Maximum Horizontal Range):
    - নিক্ষিপ্ত বস্তু সর্বাধিক যে অনুভূমিক দূরত্ব অতিক্রম করে আদি উচ্চতায় ফিরে আসে তাকে সর্বাধিক অনুভূমিক পাল্লা বলে।
    - নির্দিষ্ট বেগে নিক্ষিপ্ত একটি বস্তু বা প্রাস সর্বাধিক অনুভূমিক দূরত্ব অতিক্রম করে যখন বস্তুটি অনুভূমিকের সাথে 45° কোণে নিক্ষিপ্ত হয়।

    • প্রজেক্টাইলের সর্বাধিক উচ্চতায় বেগ ও ত্বরণের মধ্যবর্তী কোণ:
    - প্রজেক্টাইলের ভরের উপর ক্রিয়াশীল একমাত্র ত্বরণ হলো গুরুত্বাকর্ষণ ত্বরণ, যা সর্বদা নিচের দিকে নির্দেশিত থাকে।
    - সর্বাধিক উচ্চতায় প্রজেক্টাইলের উল্লম্ব বেগ শূন্য হয়, কারণ এটি ভূপৃষ্ঠের সমান্তরাল হয়ে যায়।
    - যেহেতু ত্বরণ নিচের দিকে থাকে এবং উল্লম্ব বেগ শূন্য, তাই বেগ ও ত্বরণের মধ্যে কোণ 90° হবে।
    - অর্থাৎ, সর্বাধিক উচ্চতায় প্রজেক্টাইলের ভেক্টর এবং ত্বরণের দিক পরস্পরের লম্ব হয়।
    - এটি প্রজেক্টাইল গতির মৌলিক বৈশিষ্ট্য এবং সব ধরনের ভগ্নাংশীয় বা তির্যক প্রক্ষেপণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

    সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), ড. শাহজাহান তপন।

    ১৩৭.
    শ্বেত রক্তকণিকা কোন প্রক্তিয়ার মাধ্যমে জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে এবং তাকে গ্রাস করে?
    1. ফটোসিন্থেসিস 
    2. অসমোসিস
    3. ডিফিউশন
    4. ফ্যাগোসাইটোসিস
    সঠিক উত্তর:
    ফ্যাগোসাইটোসিস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফ্যাগোসাইটোসিস
    ব্যাখ্যা

    • শ্বেত রক্তকণিকা দেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তারা দেহে প্রবেশ করা জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া বা ক্ষতিকর কণার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তোলে। শ্বেত রক্তকণিকা জীবাণুকে শনাক্ত করে তার দিকে অগ্রসর হয় এবং একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে গ্রাস করে ধ্বংস করে। এই প্রক্রিয়াটির নাম ফ্যাগোসাইটোসিস। ফ্যাগোসাইটোসিসে শ্বেত রক্তকণিকা জীবাণুকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে নিজের ভেতরে নিয়ে যায় এবং এনজাইমের সাহায্যে তাকে ভেঙে ফেলে। ফটোসিন্থেসিস উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়া, অসমোসিস ও ডিফিউশন হলো পদার্থ পরিবহনের প্রক্রিয়া, কিন্তু জীবাণু গ্রাস করার কাজটি শুধুমাত্র ফ্যাগোসাইটোসিসের মাধ্যমেই হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) ফ্যাগোসাইটোসিস।
     
    শ্বেত রক্ত কণিকা: 
    - শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। এইগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। 
    - শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
    - হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে, ইংরেজিতে এই কণিকাকে White Blood Cell বা WBC বলে। 
    - রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
    - এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
    - শ্বেত রক্ত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
    - রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
    - শ্বেত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
    - দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
    - মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে। শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

    উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৩৮.
    পারমাণবিক বোমার তুলনায় হাইড্রোজেন বোমার বিধ্বংসী ক্ষমতা কত গুণ?
    1. 1000
    2. 100
    3. 10
    4. 5
    সঠিক উত্তর:
    1000
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    1000
    ব্যাখ্যা

    • পারমাণবিক বোমা (অ্যাটম বোমা) ফিশন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে, যেখানে হাইড্রোজেন বোমা (থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা) ফিউশন প্রক্রিয়ায় কাজ করে। ফিউশনে হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, যা ফিশনের তুলনায় অনেক বেশি। ইতিহাসে দেখা যায়, হিরোশিমায় ব্যবহৃত পারমাণবিক বোমার শক্তি ছিল প্রায় ১৫ কিলোটন, আর হাইড্রোজেন বোমার শক্তি কয়েক মেগাটন পর্যন্ত হতে পারে। তাই সাধারণভাবে বলা হয়, হাইড্রোজেন বোমার বিধ্বংসী ক্ষমতা পারমাণবিক বোমার তুলনায় প্রায় ১০০০ গুণ বেশি। সঠিক উত্তর: ক) 1000.

    • হাইড্রোজেন বোমা:
    - হাইড্রোজেন বোমায় মূলত পারমাণবিক বিক্রিয়া ঘটে।  
    - এখানে ফিশন ও ফিউশন উভয় বিক্রিয়া ব্যবহৃত হয়।  
    - হাইড্রোজেন বোমার মূল শক্তি ফিউশন বিক্রিয়া থেকে আসলেও, সেই বিক্রিয়া শুরু করার জন্য প্রথমে একটি ফিশন বিক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।
    - প্রথমে ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়।  
    - সেই শক্তি দিয়ে হাইড্রোজেন আইসোটোপ (ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম)-এর ফিউশন বিক্রিয়া শুরু হয়।  
    - এই ফিউশন বিক্রিয়ায় অতি অল্প সময়ে বিপুল শক্তি উৎপন্ন হয়।  
    - হাইড্রোজেন বোমা কে বলা হয় থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা।  
    - এটি সাধারণ পারমাণবিক বোমার তুলনায় অনেক গুণ বেশি শক্তিশালী।  

    • নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া: 
    - যে বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তাকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে। 
    - রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পরমাণুর বা আয়নের সর্ববহিস্থ শক্তিস্তর থেকে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে। নিউক্লিয়াসের কোনো পরিবর্তন হয় না। 
    - কিন্তু নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে, এখানে ইলেকট্রনের কোনো ভূমিকা নেই। 
    - এ বিক্রিয়ার ফলে নতুন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়। 
    - যে বিক্রিয়ার ফলে ছোট ছোট মৌলের নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে বড় মৌলের নিউক্লিয়াস অথবা কোনো বড় মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙে একাধিক ছোট মৌলের নিউক্লিয়াস তৈরি হয় সেই বিক্রিয়াকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে। 
    - নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়।
    - বিভিন্ন রকমের নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া আছে; তবে এদের মধ্যে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ও নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া অন্যতম। 
     
    • নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া: 
    - যে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ছোট ছোট নিউক্লিয়াসসমূহ একত্রিত হয়ে বড় নিউক্লিয়াস গঠন করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন (Fusion) বিক্রিয়া বলে। 
    নিচে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার উদাহরণ দেওয়া হলো-

    • নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া: 
    - যে নিউক্লিয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো বড় এবং ভারী মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙে ছোট ছোট মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া বলে। 
    - এই বিক্রিয়ার সাথে নিউট্রন আর প্রচুর (Fission) পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। 
    - স্বল্পগতির নিউট্রন দিয়ে কে আঘাত করলে নিউক্লিয়াসটি প্রায় দুইটি সমান অংশে বিভক্ত হয়ে এর নিউক্লিয়াস ও তিনটি নিউট্রন ও তার সাথে প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। এটি একটি নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া। 

    - এই বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পারমাণবিক অস্ত্র, বিশেষত পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

    উৎস:
     ব্রিটানিকা [link]

    ১৩৯.
    এইচআইভি সংক্রমণে মানবদেহের কোন কোষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
    1. প্লেটলেট
    2. RBC
    3. T4 লিম্ফোসাইট
    4. কোনটিই নয় 
    সঠিক উত্তর:
    T4 লিম্ফোসাইট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    T4 লিম্ফোসাইট
    ব্যাখ্যা

    • এইচআইভি (HIV) সংক্রমণে মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি নির্দিষ্ট কোষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেটি হলো T4 লিম্ফোসাইট, যাকে CD4 টি-হেলপার সেলও বলা হয়। এই ভাইরাসটি মূলত এই কোষের গায়ে থাকা CD4 রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কোষের ভেতরে প্রবেশ করে এবং ধীরে ধীরে কোষটিকে ধ্বংস করে দেয়। T4 লিম্ফোসাইট শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই কোষের সংখ্যা কমে গেলে রোগীর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে যায় এবং AIDS-এর মতো জটিল অবস্থার সৃষ্টি হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) T4 লিম্ফোসাইট।
     
    • AIDS:
    - AIDS হলো Acquired (অর্জিত) Immune (ইমিউন বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) Deficiency (ডেফিসিয়েন্সি বা হ্রাস) Syndrome (সিনড্রোম বা অবস্থা) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। অর্থাৎ, বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে।

    • HIV:
    - Human Immunodeficiency Virus (HIV) নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়।
    - HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্তকণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
    - এতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যায়।
    - বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ। এইডস বিশ্বব্যাপি বিস্তৃত (pandemic) একটি ভয়াবহ যৌন রোগ যা প্রতিনিয়ত আরো বিস্তৃত হচ্ছে।

    • আক্রমণের পর্যায়:
    - HIV ভাইরাসের envelope এ থাকা gp120 প্রোটিনের মাধ্যমে এটি CD4 receptor-এর সাথে যুক্ত হয়।
    - ভাইরাস কোষে প্রবেশ করে এবং নিজের প্রতিলিপন করে।
    - ধীরে ধীরে T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস হয়ে যায়।
    - রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে, এর ফলে চূড়ান্ত অবস্থায় সাধারণ রোগেও মৃত্যু হতে পারে। 

    • প্রতিরোধ: 
    - নিরাপদ যৌনমিলন করা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক বিধি-বিধান মেনে চলা।
    - যৌনমিলনের সময় কনডম ব্যবহার করা।
    - অস্বাভাবিক যৌনমিলন, বহুগামিতা, সহকামিতা এবং পতিতাগামিতা পরিহার করা।
    - যৌনসঙ্গী নির্বাচনে সতর্ক থাকা।
    - HIV আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে যৌনমিলন থেকে বিরত থাকা।
    - এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান ধারণ অথবা সন্তানকে বুকের দুগ্ধ পান করানো থেকে বিরত রাখা।
    -  রক্ত গ্রহণের আগে HIV সংক্রমিত কিনা তা পরীক্ষা করা।
    - ইনজেকশন গ্রহণের সময় পরিশোধিত বা নতুন সিরিঞ্জ ও সুঁই ব্যবহার করা।

    তথ্যসূত্র:
    - জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।

    ১৪০.
    কোন তাপমাত্রায় অণুর মলিকিউলার মুভমেন্ট থেমে যায়?
    1.  - 273°C
    2. 0°C
    3. 116°C
    4. 298 K
    সঠিক উত্তর:
     - 273°C
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
     - 273°C
    ব্যাখ্যা

    • অণুর মলিকিউলার মুভমেন্ট বা অণুগুলোর চলাচল তাপের উপর নির্ভর করে। তাপমাত্রা যত বেশি, অণুগুলোর গতিশীলতা তত বেশি হয়। কিন্তু তাপমাত্রা অনেক কমে গেলে, অণুগুলোর চলাচল কমে আসে। তাপমাত্রার এমন একটি সীমা আছে যেখানে অণুগুলোর গতি প্রায় সম্পূর্ণ থেমে যায়। এই তাপমাত্রাকে শূন্যতম তাপমাত্রা বা অভিসম শূন্য (absolute zero) বলা হয়। অভিসম শূন্য হল -273°C বা 0 K, যা তাপমাত্রার তাত্ত্বিক ন্যূনতম সীমা। এ সময় অণুগুলোতে কোনো শক্তি থাকে না এবং তারা অচল থাকে। সুতরাং, অণুর মলিকিউলার মুভমেন্ট থেমে যায় -273°C তাপমাত্রায়।

    - সঠিক উত্তর: ক) -273°C
     
     • পরম শূন্য তাপমাত্রা:
    - যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে।
    - পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো - 273°C.
    - পরম শূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না।
    - পরম শূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্দ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়।
    - পরম শূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়।

    • অণুর মলিকিউলার মুভমেন্ট থামা (Absolute Zero):
    - অণুর সমস্ত অভ্যন্তরীণ গতিশীলতা বা মলিকিউলার মুভমেন্ট থেমে যায় অত্যন্ত কম তাপমাত্রায়।
    - এই তাপমাত্রাকে বলা হয় - অ্যাবসলিউট জিরো (Absolute Zero)।
    - এটি তাত্ত্বিকভাবে -273°C বা 0 K তাপমাত্রায় ঘটে।
    - এমন অবস্থায় অণুগুলি পুরোপুরি স্থির হয়ে যায়, এবং তাদের কাইনেটিক শক্তি শূন্যের সমান হয়।
    - প্রকৃতপক্ষে, প্রাকৃতিকভাবে এই তাপমাত্রা পৌঁছানো সম্ভব নয়, তবে ল্যাবরেটরিতে খুব কাছাকাছি পৌঁছানো যায়।

    উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।

    ১৪১.
    নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
    1. কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার থাকে
    2. কঠিন পদার্থের অণুগুলো এদের গড় অবস্থানকে ঘিরে স্পন্দিত হয়
    3. কঠিন পদার্থের অণুগুলো খুব কাছাকাছি থাকে
    4. কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যবর্তী বল তত প্রবল নয়
    সঠিক উত্তর:
    কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যবর্তী বল তত প্রবল নয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যবর্তী বল তত প্রবল নয়
    ব্যাখ্যা

    • কঠিন পদার্থের জন্য সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- এদের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে, অণুগুলো খুব কাছাকাছি অবস্থান করে এবং অণুগুলো প্রায় স্থির থাকে, তবে সামান্য স্পন্দন করে। কঠিনের অণুগুলোর মধ্যে শক্ত আকর্ষণশক্তি কাজ করে, যার ফলে তারা সহজে স্থানান্তরিত হয় না। তাই “ঘ) কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যবর্তী বল তত প্রবল নয়” এই বর্ণনা কঠিন পদার্থের জন্য প্রযোজ্য নয়, কারণ বাস্তবে কঠিনে অণুগুলোর মধ্যে বল খুবই প্রবল। অন্য তিনটি বৈশিষ্ট্য কঠিনের প্রকৃতির সঙ্গে পুরোপুরি মিলিত। সুতরাং, কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে সবচেয়ে অসঙ্গত বৈশিষ্ট্য হলো (ঘ)।

    • পদার্থ:
    - যার ভর ও আয়তন আছে, একটি নির্দিষ্ট স্থান দখল করে এবং চাপ প্রয়োগে বাধাদান করে তাকে পদার্থ বলা হয়।

    • অবস্থার উপর ভিত্তি করে পদার্থকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। 
    যথা:
    - কঠিন পদার্থ, তরল পদার্থ ও বায়বীয় পদার্থ। 
    এই ৩ টি অবস্থা ছাড়াও পদার্থের আরো ২ টি অবস্থা দেখা যায়।
    যথা 
    - তরল স্ফটিক অবস্থা ও প্লাজমা অবস্থা। 

    • কঠিন অবস্থা (Solid state):
    - পদার্থের এ অবস্থায় নির্দিষ্ট ভরের পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতির, নির্দিষ্ট আয়তন ও আকৃতি থাকে। এ অবস্থায় পদার্থের নির্দিষ্ট ত্রিমাত্রিক গঠন বিন্যাসে থাকে।
    - এ অবস্থায় উপাদান কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল খুবই প্রবল থাকে এবং উপাদান কণার গতিশক্তি খুবই নগণ্য।
    - গতিশক্তি কম হওয়ায় সুনির্দিষ্ট নিয়মে সজ্জিত থাকে। এ কারণে নির্দিষ্ট আকৃতির ও উচ্চ ঘনত্ববিশিষ্ট হয়।
    - এ অবস্থায় পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি গতিশক্তির তুলনায় অনেক বেশি থাকে।

    • কঠিন অবস্থার ধর্ম:
    - সুনির্দিষ্ট বিন্যাস,
    - দৃঢ়তা ও আলোক ধর্ম ,
    - নির্দিষ্ট আকার, আকৃতি ও আয়তন থাকে।

    তথ্যসূত্র:
    - রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৪২.
    গ্রীনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে?
    1. নাইট্রাস অক্সাইড
    2. হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড
    3. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
    4. সি এফ সি
    সঠিক উত্তর:
    কার্বন-ডাই-অক্সাইড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কার্বন-ডাই-অক্সাইড
    ব্যাখ্যা

    • গ্রীনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কার্বন-ডাই-অক্সাইড (CO2) রয়েছে। এটি প্রধানত জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা, তেল এবং গ্যাস পোড়ানোর মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে নিঃসৃত হয়। এছাড়া বন উজাড় এবং বিভিন্ন শিল্পপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে CO2 নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়। কার্বন-ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলের তাপ ধরে রাখে, যা পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য অন্যতম প্রধান কারণ। অন্যান্য গ্রীনহাউস গ্যাস যেমন নাইট্রাস অক্সাইড বা সি এফ সি কম পরিমাণে থাকে, এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড সাধারণত গ্রীনহাউস গ্যাস হিসেবে বিবেচিত হয় না। তাই প্রাকৃতিক এবং মানবসৃষ্ট উভয় উৎসের কারণে CO2 পৃথিবীর গ্রীনহাউস প্রভাবের প্রধান অবদানকারী।

    - উত্তর: গ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড। 

    • গ্রীনহাউস গ্যাস:
    - জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warning) এর হার বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
    - আমরা জানি, যে বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
    - এ ক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রীনহাউস বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদ এবং সূর্যালোক ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে।
    - মানুষ যখন গাছ-পালা কেটে, কাঠ-কয়লা পুড়িয়ে, কারখানার ধোঁয়া ইত্যাদির দ্বারা মিথেন, ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস তৈরি করছে তখন তাকে বলা হয় গ্রীনহাউস গ্যাস।
    - বায়ুমন্ডলে তাই গ্রীনহাউস গ্যাসের পুরু চাদর তৈরি হয়েছে কারণ এই সব গ্যাস আর ফিরে যেতে পারে না।
    - এই তাপ শোষণের মাত্রা যত বাড়বে পৃথিবীর উষ্ণতা ততই বাড়বে।
    - উষ্ণতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াই হলো গ্রীনহাউস প্রভাব।

    • গ্রীনহাউস এফেক্ট: 
    - পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো যেমন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, ঔষধ, জ্বালানি, পানিসহ প্রয়োজনীয় উপকরণাদি পরিবেশ থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে পাওয়া যাবে। 
    - পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশেষ করে বনাঞ্চল ধ্বংস হলে বৃষ্টিপাতের হার কমে যায়, চাষাবাদের যথেষ্ট ক্ষতি হয়। 
    - গ্রীনহাউস গ্যাস (যেমন- CO2, CO, CH4, N2O ইত্যাদি) বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তাপমাত্রা বেড়ে যায়, যাকে গ্রীনহাউস এফেক্ট (Green house effect) বলে। 

    গ্রীনহাউস এফেক্টের কারণে- 
    • সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে এবং উপকূল অঞ্চল তলিয়ে যাবে, 
    • আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে, 
    • বনাঞ্চল ধবংস হবে, 
    • বিভিন্ন রোগবালাইয়ের প্রভাবে ফসলের ক্ষতি হবে, 
    • মানুষের মধ্যে নতুন সব রোগের প্রকোপ দেখা দিবে, 
    • ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা বেড়ে যাবে। 
    - পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে গ্রীনহাউস এফেক্ট থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তাই এখন থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। 

    উৎস:
    - জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
    - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৪৩.
    Fill in the gap with an appropriate preposition: 
    Migrant workers were indispensable ____ the war effort.
    1. of
    2. to
    3. in
    4. on
    সঠিক উত্তর:
    to
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    to
    ব্যাখ্যা

    Complete sentence: Migrant workers were indispensable to the war effort.

    • indispensable to:
    Meaning: অপরিহার্য; অত্যাবশ্যক; অপরিহরণীয় অর্থে indispensable -এর সাথে appropriate preposition হিসেবে to বসে।।

    • More examples:
    - Hard work is indispensable to success.
    - Experience is indispensable to getting a high-paying job.

    Source:
    1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
    2. Cambridge Dictionary.

    ১৪৪.
    Because of his poverty, he could not continue his studies. [Complex]
    1. Since he was poor, he not continue his studies.
    2. In order to he was poor, he could not continue his studies.
    3. Since he was poor, he could not continue his studies.
    4. He could not continue his studies tough he was poor.
    সঠিক উত্তর:
    Since he was poor, he could not continue his studies.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Since he was poor, he could not continue his studies.
    ব্যাখ্যা

    Simple: Because of his poverty, he could not continue his studies.
    Complex: Since he was poor, he could not continue his studies.

    • Because of যুক্ত Simple Sentence কে Complex-এ পরিবর্তনের নিয়ম:
    - প্রথমে Simple sentence এ because of থাকলে Complex sentence এর পরিবর্তে Since/ as ব্যবহৃত হয়।
    -তারপর  Subject বসে + Verb বসে,
    - এরপর Adjective /Noun + Comma বসে,
    - সবশেষে অপর বাক্যটি বসে।

    Example: 
    Simple: Because of my illness, I could not attend the meeting.
    Complex: Since I was ill, I could not attend the meeting.

    অন্য অপশনগুলো বিশ্লেষণ:

    ক) Since he was poor, he not continue his studies.
    - এটি ভুল। "he not continue" – এখানে verb-এর form ভুল। সঠিক হবে "could not continue".

    খ) In order to he was poor, he could not continue his studies.
    - এটি ভুল। "In order to" মানে উদ্দেশ্য বোঝায় (purpose), কিন্তু এখানে কারণ (cause) বোঝানো হয়েছে। "In order to he was poor" – এটা অর্থহীন এবং grammatically incorrect.

    ঘ) He could not continue his studies tough he was poor.
    - এটি ভুল। "tough" এর পরিবর্তে "though" (যদিও) হবে। এমনকি "though" হলেও অর্থ হবে বিপরীত: "যদিও সে দরিদ্র ছিল, তবু সে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেনি" – যা মূল বাক্যের সাথে মেলে না (মূলটা কারণ বোঝাচ্ছে, concession নয়)।

    ১৪৫.
    'We found Ravi holding a trophy.' Here 'holding' is a/an ______.
    1. gerund
    2. infinitive
    3. verbal noun
    4. participle
    সঠিক উত্তর:
    participle
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    participle
    ব্যাখ্যা

    'We found Ravi holding a trophy.' Here 'holding' is a/an - participle.

    - এখানে holding শব্দটি Ravi–কে বর্ণনা করছে এবং জানাচ্ছে Ravi তখন কী করছিল। অর্থাৎ এটি একটি verb-এর form, কিন্তু verb হিসেবে নয়, adjective-এর মতো noun (Ravi)–কে modify করছে।
    - তাই holding এখানে Present Participle.

    • A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
    - Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

    Participle মূলত: তিন প্রকার: 
    1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
    2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
    3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed. 

    Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

    ১৪৬.
    She trained hard twice a day. Here, 'hard' is - 
    1. noun
    2. adjective
    3. adverb
    4. preposition
    সঠিক উত্তর:
    adverb
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    adverb
    ব্যাখ্যা

     She trained hard twice a day. Here, 'hard' is - adverb.

    - এখানে hard শব্দটি trained (verb)-কে modify করছে। অর্থাৎ, সে কীভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছে—এই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে।
    - How did she train? — Hard.
    - যে শব্দ verb-কে modify করে, তাকে adverb বলে।

    • hard: [adverb]
    English meaning: with great effort; with difficulty.
    Bangla meaning: কঠিনভাবে / দুরূহভাবে।

    Example:
    - He is fighting hard to keep his job.
    - She trained hard twice a day.
    - Our victory was hard won.

    Source: Oxford Dictionary.

    ১৪৭.
    Fill in the blank: 
    He _____(not come) yet.
    1. does not come
    2. did not come
    3. has not come
    4. had not come
    সঠিক উত্তর:
    has not come
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    has not come
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) has not come.

    Complete sentence: He has not come yet.

    • এই বাক্যে "yet" শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা Present Perfect Tense বোঝায়।
    - "Yet" সাধারণত Present Perfect Tense এর সাথে ব্যবহৃত হয় নেগেটিভ বাক্যে এবং প্রশ্নবোধক বাক্যে।
    - এর অর্থ হলো "এখনও" বা "এখন পর্যন্ত"।

    Structure: Subject + has/have + not + verb এর past participle form + yet.
    এখানে: He + has + not + come (past participle of come) + yet.

    অন্য বিকল্পগুলো ভুল:

    ক) does not come → সাধারণ present, habitual action বোঝায়, “yet”–এর সাথে ঠিক নয়।

    খ) did not come → simple past tense, কিন্তু “yet”–এর সাথে Present Perfect ব্যবহার করা উচিত।

    ঘ) had not come → Past Perfect Tense (পুরাঘটিত অতীত কাল) - অতীতের দুটি ঘটনার আগে-পরের সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, এখানে প্রযোজ্য নয়।

    Source: Cambridge Dictionary.

    ১৪৮.
    Fill in the blank:
    The criminal ____ (escape) before the police arrived.
    1. escaped
    2. escapes
    3. had escaped
    4. was escaping
    সঠিক উত্তর:
    had escaped
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    had escaped
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো: গ) had escaped.

    Complete sentence: The criminal had escaped before the police arrived.
    - যখন একটি কাজ অতীতে অন্য কাজের আগে সম্পন্ন হয়েছে, তখন আমরা ব্যবহার করি Past Perfect Tense.
    - বাক্যটিতে before এর পূর্বে past perfect tense ও পরে past indefinite হওয়াতে সঠিক হয়েছে।

    • Before যুক্ত বাক্যের গঠন:
    - Past perfect + before + Past indefinite.
    - 'Before' conjunction যুক্ত sentence এ before এর পুর্বে past perfect tense হয় এবং before এর পরে past indefinite হবে।

    অন্য অপশনগুলো ভুল:

    ক) escaped: Simple Past Tense - শুধু একটি অতীতের ঘটনা বোঝায়, দুটি ঘটনার আগে-পরের সম্পর্ক বোঝায় না।

    খ) escapes: Simple Present Tense - বর্তমান কালের জন্য, কিন্তু "arrived" অতীত কাল নির্দেশ করছে।

    ঘ) was escaping: Past Continuous Tense - চলমান কাজ বোঝায়, কিন্তু এখানে সম্পূর্ণ হওয়া কাজ বোঝাচ্ছে।

    ১৪৯.
    Choose the meaning of the word Circumspect.
    1. Highly productive
    2. Cautious and prudent
    3. Bold and daring 
    4. Existing condition
    সঠিক উত্তর:
    Cautious and prudent
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Cautious and prudent
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো— খ) Cautious and prudent.

    Circumspect:
    English meaning: careful not to take risks.
    Bangla meaning: কাজে নামার আগে সবকিছু খুঁটিয়ে খেয়াল করে এমন; সতর্ক।

    Example: 
    - Officials were circumspect about saying what the talks had achieved.
    - Because of the censors, audience dissatisfaction could be mentioned in only the most circumspect way.

    Source: Cambridge Dictionary.

    ১৫০.
    Fill in the blank with an appropriate preposition: 
    She has a deep aversion ____ getting up in the morning.
    1. of
    2. on
    3. to
    4. with
    সঠিক উত্তর:
    to
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    to
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো— গ) to.

    Complete sentence: She has a deep aversion to getting up in the morning.

    • Aversion শব্দের সাথে preposition "to" ব্যবহার হয়।
    - অর্থাৎ, কোনো কিছুর প্রতি ঘৃণা বা বিরক্তি থাকা বোঝাতে to বসে। 

    • aversion to:
    Meaning: বিরূপতা; অনীহা; অপ্রবৃত্তি; পরাঙ্মুখতা; বৈমুখ্য; অরুচি; বিরাগ; বিরক্তি

    Example:
    - I felt an instant aversion to his parents.
    - She has a deep aversion to getting up in the morning.

    Source: Accessible Dictionary.

    ১৫১.
    The teacher made the students _____ (write) the essay again. 
    1. write
    2. to write
    3. writing
    4. wrote
    সঠিক উত্তর:
    write
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    write
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ক) write.

    Complete sentence: The teacher made the students write the essay again. 

    - এই বাক্যে "made" verb টি ব্যবহৃত হয়েছে, যা একটি causative verb.
    - Subject + make + object [action doer] + base form of verb (without 'to') + ext.
    - এখানে: The teacher + made + the students + write.

    • Causative Verb
    - বাক্যের Subject যে Verb গুলোর সাহায্যে নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় সেই Verb গুলোকে বলা হয় causative verb.
    - Have, Get, Help, Let, Make ইত্যাদি হলো বহুল প্রচলিত causative verb.
    - এগুলোর সাহায্যে অনেক verb- কে causative verb -এ পরিণত করা যায়।

    • Causative Verb হিসাবে 'Make' -এর ব্যবহার:
    - Make এরপরে কোনো ব্যক্তি বা বস্তু (Action doer) থাকলে এরপরে verb -এর base form বসে।
    - কাউকে কোনো কিছু করতে বাধ্য করা অর্থে Causative Verb হিসাবে Make ব্যবহার করা হয়।

    • Structure: Subject + make (any tense) + action doer + verb -এর base form + ext.

    • More examples:
    - My parents made me clean my room.
    - The coach made the players run five laps.

    ১৫২.
    Choose the correctly spelled word:
    1. Surreptious
    2. Surrepticius
    3. Surrepticous
    4. Surreptitious
    সঠিক উত্তর:
    Surreptitious
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Surreptitious
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো: ঘ) Surreptitious.

    • Surreptitious (adjective)
    English Meaning: Done secretly, without anyone seeing or knowing
    Bangla Meaning: (কাজ) গুপ্তভাবে কৃত; চোরাগোপ্তা।

    Example sentence: 
    - She sneaked a surreptitious glance at her watch.
    - They were seen leaving the premises in a surreptitious manner.

    Source: 
    1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
    2. Cambridge Dictionary.

    ১৫৩.
    This is the house that Jack built. Here 'that Jack built' is -
    1. adverbial clause
    2. noun clause
    3. adjective clause
    4. adverbial phrase
    সঠিক উত্তর:
    adjective clause
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    adjective clause
    ব্যাখ্যা

    This is the house that Jack built. Here 'that Jack built' is - An adjective clause.
    - যে subordinate clause কোন Adjective এর মত কাজ করে তাকে Adjective Clause বলে।
    - এগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে noun বা noun এর মত পদগুলোকে modify করে।
    - এখানে that Jack built অংশটি house কে বর্ণনা করছে।
    - এমন clause যেটি noun বা pronoun কে describe করে, তাকে বলা হয় adjective clause বা relative clause

    • Adjective Clause 
    - Adjective সাধারণত Noun এর আগে বা Linking verb এর পরে বসে। কিন্তু Adjective Clause সর্বদা Noun এর পরে বসে।
    - Adjective Clause সাধারণত Relative Pronoun ( who, which, that, whom, whose, of which) ও  Relative Adverb (Why, where, when, how, as) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়। 
    - যেমন:
    - He could not explain the reason why they left.
    - The boy who is playing cricket is my brother.

    ১৫৪.
    We were flying above the clouds. Here 'above' is a/an -
    1. conjunction
    2. adjective
    3. adverb
    4. preposition
    সঠিক উত্তর:
    preposition
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    preposition
    ব্যাখ্যা

    We were flying above the clouds. Here 'above' is - preposition.
    - এই বাক্যে "above" শব্দটি preposition (সম্বন্ধ সূচক অব্যয়) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
    - "Above" শব্দটি "flying" (verb) এবং "the clouds" (noun) এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করছে।
    - এটি অবস্থান নির্দেশ করছে - মেঘের উপরে।
    - Preposition এর পরে সবসময় একটি object (noun/pronoun) থাকে।
    - এখানে: above + the clouds (object/noun phrase আছে)।

    • above: [preposition]
    English meaning: at or to a higher place or position than something/somebody.
    Bangla meaning: অধিকতর উঁচুতে; আরো উপরে।

    Example:
    - The water came above our knees.
    - We were flying above the clouds.
    - They finished the year six places above their local rivals.

    Source: Oxford Dictionary.

    ১৫৫.
    Which of the following is a synonym of Proviso?
    1. Sanction
    2. Substitute
    3. Stipulation
    4. Directive
    সঠিক উত্তর:
    Stipulation
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Stipulation
    ব্যাখ্যা

    • Proviso (noun)
    English Meaning: A condition or qualification attached to an agreement or statement.
    Bangla Meaning: বিশেষত চুক্তি, দলিল ইত্যাদিতে কোনো বিধি বা শর্তের পরিধি সীমাবদ্ধ করার জন্য সংযোজিত অনুশর্ত; অনুবিধি।

    • Options,

    ক) Sanction:
    - কোনোকিছু করার জন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অধিকার বা অনুমতি; অনুমোদন; মঞ্জুরি।

    খ) Substitute:
     - বিকল্প; প্রতিকল্প; অনুকল্প; উপকল্প।

    গ) Stipulation:
     - প্রয়োজনীয় শর্ত হিসেবে কোনোকিছু উপস্থাপন করা।

    ঘ) Directive:
    - সাধারণ বা বিস্তারিত নির্দেশ।

    • সুতরাং, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে  a synonym of Proviso - Stipulation.

    Source:
    1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
    2. Oxford Learner's Dictionary.

    ১৫৬.
    Identify the correct passive form: Nobody trusts a traitor.
    1. A traitor is trusted.
    2. A traitor should not be trusted.
    3. Everybody hates a traitor.
    4. A traitor is not trusted by anybody.
    সঠিক উত্তর:
    A traitor is not trusted by anybody.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    A traitor is not trusted by anybody.
    ব্যাখ্যা

    → [43 BCS Preliminaly]

    Active Voice: Nobody trusts a traitor.
    Passive Voice: A traitor is not trusted by anybody.

    • Active থেকে Passive করতে হলে,
    - Active Voice এর Subject – Passive Voice- এ Object হয়।
    - Active Voice এর Object – Passive Voice এ- Subject হয়।
    - অতিরিক্ত be verb বসে এবং মূল Verb এর Past Participle বসে।
    - Object এর আগে by বসে।

    • এই হিসেবে "Nobody trusts a traitor." এর Passive Voice
    - A traitor is not trusted by anybody.
    -  Nobody = not anybody.
    - আবার, No one/None = not anyone.

    More Example:
    Active Voice: No one believes a deceiver.
    Passive Voice: A deceiver is not believed by anyone.

    ১৫৭.
    What does “Pro bono” mean?
    1. Equal exchange
    2. An essential condition
    3. Without charge
    4. Clean state
    সঠিক উত্তর:
    Without charge
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Without charge
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো— গ) Without charge.

    Pro bono মানে হলো বিনামূল্যে কাজ করা বা কোনো পারিশ্রমিক ছাড়া সেবা দেওয়া।

    Pro bono: 
    English meaning: (relating to work that is done, especially by a lawyer) without asking for payment.
    Bangla meaning: বিনামূল্যে

    Example: 
    - pro bono cases/lawyers/work
    - He takes on some charity cases pro bono.

    Source: Cambridge Dictionary.

    ১৫৮.
    "If poetry comes not as naturally as the leaves to a tree, it had better not come at all." - Who quoted this famous line?
    1. Percy Bysshe Shelley
    2. T.S. Eliot
    3. John Keats
    4. Alexander Pope
    সঠিক উত্তর:
    John Keats
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    John Keats
    ব্যাখ্যা

    "If poetry comes not as naturally as the leaves to a tree, it had better not come at all." -  এই বিখ্যাত উক্তিটি John Keats এর।
    - তিনি ১৮১৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তার প্রকাশক John Taylor-কে লেখা একটি চিঠিতে এই কথা লিখেছিলেন।
    - চিঠিতে Keats কবিতা লেখার কয়েকটি মূলনীতি (axioms) বর্ণনা করেছেন।
    - Keats বিশ্বাস করতেন যে সত্যিকারের মহৎ কবিতা কৃত্রিম চেষ্টা বা জোর করে আসে না; বরং তা স্বতঃস্ফূর্তভাবে, প্রকৃতির মতো সহজ ও স্বাভাবিকভাবে উৎপন্ন হওয়া উচিত। 

    - তার মধ্যে শেষ ও সবচেয়ে বিখ্যাত মূলনীতিটি হলো:

    "That if Poetry comes not as naturally as the Leaves to a tree it had better not come at all."
    অর্থাৎ — যদি কবিতা গাছের পাতার মতো স্বাভাবিকভাবে (প্রাকৃতিকভাবে) না আসে, তাহলে সেটি আসা উচিতই না।

    • John Keats:
    - English Romantic lyric poet who devoted his short life to the perfection of a poetry marked by vivid imagery, great sensuous appeal, and an attempt to express a philosophy through classical legend.
    - তাকে ‘Poet of beauty’ বলা হয়।
     
    • John Keats's famous poems are:
    - Ode to Psyche,
    - Ode on Melancholy,
    - To Autumn,
    - Bright Star,
    - On First Looking into Chapman's Homer,
    - Lamia,
    - Hyperion,
    - The Eve of St,
    - La Belle Dame Sans Merci.
     
    Source: Britannica.

    ১৫৯.
    _____ composed the play Pygmalion.
    1. Thomas Hardy
    2. George Bernard Shaw
    3. Oscar Wilde
    4. George Eliot
    সঠিক উত্তর:
    George Bernard Shaw
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    George Bernard Shaw
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো: খ) George Bernard Shaw.
    Pygmalion হলো George Bernard Shaw–এর লেখা একটি নাটক।

    • Pygmalion:
    - Pygmalion হলো George Bernard Shaw-এর লেখা পাঁচ অঙ্কের একটি রোমান্টিক নাটক।
    - এটি প্রথমে ১৯১৩ সালে ভিয়েনায় জার্মান ভাষায় মঞ্চস্থ হয় এবং ১৯১৪ সালে ইংল্যান্ডে Eliza Doolittle চরিত্রে Mrs. Patrick Campbell অভিনয় করেন।
    - নাটকটির মূল বিষয়: প্রেম এবং ইংরেজ সমাজের শ্রেণিব্যবস্থা।

    • George Bernard Shaw:
    - George Bernard Shaw ছিলেন একজন আইরিশ হাস্যরসাত্মক নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ।
    - তিনি ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
    - কমেডি নাটককে আধুনিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অসামান্য।
    - তার সর্বাধিক বাণিজ্যিকভাবে সফল নাটক Pygmalion থেকে জনপ্রিয় মিউজিক্যাল My Fair Lady তৈরি হয়।

    • Notable Works:
    - Pygmalion,
    - Man and Superman,
    - Arms and the Man,
    - Saint Joan,
    - The Doctor’s Dilemma,
    - Mrs. Warren’s Profession,
    - Caesar and Cleopatra,
    - Candida,
    - The Devil’s Disciple.

    Source: Britannica.

    ১৬০.
    Rudyard Kipling won the Nobel Prize in Literature in:
    1. 1907
    2. 1913
    3. 1925
    4. 1931
    সঠিক উত্তর:
    1907
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    1907
    ব্যাখ্যা

    Rudyard Kipling ছিলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ লেখক এবং কবি।
    - তিনি ১৯০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।

    • Rudyard Kipling (1865-1936):
    - Rudyard Kipling is an Indian born British Journalist.
    - তার পুরো নাম Joseph Rudyard Kipling.
    - তিনি একজন ইংরেজ ছোটগল্পকার, কবি এবং ঔপন্যাসিক।
    - তিনি মূলত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের উদযাপন, ভারতে ব্রিটিশ সৈন্যদের গল্প ও কবিতা এবং শিশুদের জন্য লেখা তাঁর গল্পের জন্য স্মরণীয়।
    - তিনি ১৯০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

    • His famous novels:
    - Kim,
    - The Jungle Book,
    - Puck of Pook's Hill,
    - Captain Courageous,
    - Limits & Renewals,
    - Just So Stories,
    - Soldiers Three,
    - The Light that Failed,
    - Plain Tales from the Hills,
    - Seven Seas,
    - The White Man's Burden, etc.

    Source: Britannica.

    ১৬১.
    "Who ever loved, that loved not at first sight?"- Who quoted this famous line?
    1. John Milton
    2. Christopher Marlowe
    3. John Donne
    4. Lord Byron
    সঠিক উত্তর:
    Christopher Marlowe
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Christopher Marlowe
    ব্যাখ্যা

     “Who ever loved, that loved not at first sight?” এই লাইনটি Christopher Marlowe-এর কবিতা Hero and Leander-এর প্রথম অংশ থেকে নেওয়া। Marlowe এখানে বলেছেন যে সত্যিকারের ভালোবাসা প্রথম দর্শনেই হয়, চিন্তা-ভাবনা করে নয়।

    • Hero and Leander:
    - রচনা করে Christopher Marlowe.
    - এটি একটি poem.
    - একটি বিখ্যাত গ্রিক মিথ (পৌরাণিক কাহিনী), যা প্রাচীন গ্রিক-রোমান সাহিত্যে বহুল প্রচলিত।
    - এটি দুই প্রেমিক-প্রেমিকার ট্র্যাজিক প্রেমকাহিনী।

    • Hero ছিলেন Aphrodite (ভেনাস) দেবীর priestess, যিনি Sestos শহরে একটি টাওয়ারে বাস করতেন এবং চিরকুমারী থাকার শপথ নিয়েছিলেন। Leander ছিলেন Abydos শহরের এক যুবক, যা Hellespont (বর্তমান Dardanelles প্রণালী) এর অপর পাশে অবস্থিত।

    • একটি উৎসবে তাদের প্রথম দেখা হয় এবং প্রেমে পড়ে যান। কিন্তু তারা দুজন সমুদ্র দ্বারা আলাদা। Leander প্রতি রাতে Hellespont সাঁতরে পার হয়ে Hero-র কাছে যেতেন। Hero টাওয়ারের উপর থেকে একটি আলো জ্বালিয়ে রাখতেন, যা তার পথ দেখাত।

    • তাদের গোপন প্রেম চলতে থাকে। কিন্তু এক ঝড়ো রাতে আলো নিভে যায়। লিয়ান্ডার পথ হারিয়ে ডুবে মারা যান। সকালে Hero তার মৃতদেহ দেখে দুঃখে টাওয়ার থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

    • Christopher Marlowe:
    - তিনি একজন Elizabethan poet.
    - তিনি একজন University Wit ছিলেন।
    - Shakespeare এর আগে তিনিই ছিলেন English drama এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক।
    - He is noted especially for his establishment of dramatic blank verse.

    • Notable work play:
    - Doctor Faustus,
    - Hero and Leander,
    - Tamburlaine the Great,
    - The Jew of Malta.

    Source: Britannica.

    ১৬২.
    'Good fences make good neighbors.' The line was written by ______.
    1. Robert Graves
    2. Robert Frost
    3. W.B. Yeats
    4. Robert Browning
    সঠিক উত্তর:
    Robert Frost
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Robert Frost
    ব্যাখ্যা

    “Good fences make good neighbors” লাইনটি এসেছে Robert Frost–এর কবিতা Mending Wall থেকে।

    • Mending Wall:
    - এই কবিতাটি লিখেন Robert Frost.
    - এটি Balnk verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।
    - Mending Wall কবিতাটি তার 'North of Boston' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
    - কীভাবে বক্তা এবং তার প্রতিবেশী তাদের সম্পত্তির মধ্যে একটি পাথরের প্রাচীর পুনর্নির্মাণের জন্য মিলিত হয় তা নিয়ে কবিতাটি রচিত।
    - কবিতাটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

    • Robert Frost (1874-1963):
    - Robert Frost একজন আমেরিকান কবি। তাকে আমেরিচার শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়।
    - তিনি 'Nature poet', 'Regional poet' নামে পরিচিত।
    - তিনি চারবার পুলিতজার পুরস্কার লাভ করেন।
    - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছেঃ A Boy's Will, North of Boston, From Mountain Interval etc.
    - Mending Wall কবিতাটি তার 'North of Boston' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত

    • Famous Quotations:
    - "Most of the change we think we see in life
    Is due to truths being in and out of favor."
    - "Home is the place where, when you have to go there,
    They have to take you in."
    - "I have been one acquainted with the night.
    I have walked out in rain—and back in rain.
    I have outwalked the furthest city light."
    - “Two roads diverged in a wood, and I -
    I took the one less traveled by,
    And that has made all the difference.”
    - "Good fences make good neighbors."

    • ​Notable Works:
    - A Boy’s Will (poetry),
    - A Further Range (poetry),
    - A Witness Tree (poetry),
    - In the Clearing (poetry),
    - Mountain Interval (poetry),
    - After Apple-Picking (poem),
    - Mending Wall (poem),
    - The Road Not Taken (poem),
    - Storm Fear (poem),
    - The Death of the Hired Man (poem), etc.

    Source:
    1. Britannica.
    2. Goodreads.com

    ১৬৩.
    "Rosalind, Oliver, and Orlando"- are famous characters from - 
    1. As You Like It
    2. Macbeth
    3. The Tempest
    4. Twelfth Night
    সঠিক উত্তর:
    As You Like It
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    As You Like It
    ব্যাখ্যা

    Rosalind, Oliver, এবং Orlando—এই তিনটি চরিত্রই William Shakespeare–এর বিখ্যাত নাটক As You Like It থেকে নেওয়া।

    • As You Like It:
    - Shakespeare রচিত 5 acts বিশিষ্ট একটি comedy play.
    - এই নাটকটি 'Pastoral comedy' হিসেবেও পরিচিত।
    - ১৬২৩ সালে comedy টি First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
    - Shakespeare based the play on Rosalynde (1590), a prose romance by Thomas Lodge.
    - The Forest of Arden নামক এক কাল্পনিক বনে এই নাটকের অধিকাংশ কাহিনী বর্ণিত যাতে আমরা Orlando এবং Rosalind এর প্রেম কাহিনী দেখতে পাই।

    • Main characters:
    - Rosalind,
    - Celia (Cousin of Rosalind),
    - Orlando (Male lead),
    - Oliver,
    - Duke Senior,
    - Duke Frederick,
    - Touchstone,
    - Audrey, etc.

    • Some other famous quotes from As You Like It:
    - "All the world's a stage, And all the men and women merely players."
    - "Sweet are the uses of adversity."
    - "The fool doth think he is wise, but the wise man knows himself to be a fool."
    - "I pray you, do not fall in love with me, for I am falser than vows made in wine."
    - "Men have died from time to time, and worms have eaten them, but not for love."
    - "I do desire we may be better strangers."
    - "We that are true lovers run into strange capers."
    - "If thou remember'st not the slightest folly
    That ever love did make thee run into,
    Thou hast not loved."

    • William Shakespeare (1564-1616):
    - William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
    - তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
    - Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
    - তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
    - Shakespeare occupies a unique position in world literature.
    - William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
    - তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
    - এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

    Source:
    1. Britannica.
    2. SparkNotes.

    ১৬৪.
    Who penned the novel Pride and Prejudice?
    1. Jane Austen
    2. Virginia Woolf
    3. Thomas Hardy
    4. Charles Dickens
    সঠিক উত্তর:
    Jane Austen
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Jane Austen
    ব্যাখ্যা

    Pride and Prejudice উপন্যাসটি লিখেছেন Jane Austen.

    • Pride and Prejudice:
    - Romantic period -এর উপন্যাসিক Jane Austen -এর লেখা novel.
    - উপন্যাসটি ১৮১৩ সালে তিনটি ভলিউমে প্রকাশিত হয় এবং প্রাথমিক অবস্থায় এই উপন্যাসের নামকরণ করা হয়েছিল: First Impressions.
    - বুদ্ধিদীপ্ত উপমা এবং চরিত্রগুলোর চমৎকার উপস্থাপনা ও বর্ননার কারনে ইংরেজি সাহিত্যে এই উপন্যাসটি একটি classic হিসেবে বিবেচিত।
    - কাহিনির শুরু হয় Bennet পরিবারের সদস্য বিশেষ করে পরিবারের বড় মেয়ে Elizabeth Bennet এর সাথে Fitzwilliam Darcy নামক একজন জমিদারের সম্পর্কে নিয়ে।
    - Elizabeth Bennet এবং Fitzwilliam Darcy একে অপরের প্রেমে পড়তে চায়, কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় যুক্তিহীন কিছু পূর্ব ধারণার কারণে।
    - উপন্যাসে Bennet প্রথমে Mr. Darcy–কে অহংকারী ও গর্বিত মনে করলেও ধীরে ধীরে ভুল ধারণা ভেঙে যায়। এলিজাবেথের চরিত্রের মাধ্যমে জেন অস্টেন নারীর বুদ্ধিমত্তা, নৈতিক দৃঢ়তা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

    • Major characters:
    - Mr. Bennet,
    - Mrs. Bennet,
    - Elizabeth Bennet,
    - Fitzwilliam Darcy,
    - Mary Bennet,
    - Jane Bennet,
    - Catherine Bennet,
    - Charles Bingley,
    - George Wickham, etc.

    • এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি-
    - 'It is a truth universally acknowledged, that a single man in possession of a good fortune, must be in want of a wife'.'

    • Jane Austen (1775-1817):
    - Jane Austen ছিলেন একজন ইংরেজ উপন্যাসিক।
    - তিনি একজন English novelist from the Romantic Period and known as an anti romantic novelist.
    - যিনি সামাজিক আচরণ, নারীদের জীবন, এবং তাঁর চরিত্রগুলোর রোম্যান্টিক জটিলতা নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণের জন্য পরিচিত।
    - তাঁর লেখা উপন্যাসগুলো সাধারণত ১৮শ শতকের শেষ ও ১৯শ শতকের প্রাথমিক সময়ের ব্রিটিশ জমিদার শ্রেণির সমালোচনা করে।
    - She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

    • Notable works:
    - Emma,
    - Pride and Prejudice,
    - Persuasion,
    - Lady Susan,
    - Mansfield Park,
    - Northanger Abbey,
    - Sense and Sensibility, etc.

    Source:
    1. Britannica.
    2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

    ১৬৫.
    The novel A Tale of Two Cities is set primarily during –
    1. The American Revolution
    2. The French Revolution
    3. The Industrial Revolution
    4. The Napoleonic Wars
    সঠিক উত্তর:
    The French Revolution
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The French Revolution
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো: খ) The French Revolution.

    A Tale of Two Cities উপন্যাসটি লিখেছেন Charles Dickens এবং এর পটভূমি প্রধানত ফরাসি বিপ্লবের সময়কাল।
    - কাহিনী লন্ডন ও প্যারিস—এই দুই শহরকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
    - উপন্যাসটি বিপ্লবের সহিংসতা, ত্যাগ এবং মানবিকতার চিত্র তুলে ধরে।

    • A Tale of Two Cities:
    - এটি Charles Dickens -এর অন্যতম একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
    - এই Novel টিতে London and Paris এই দুইটি city-কে ঘিরে কাহিনি গড়ে উঠেছে।
    - ফরাসী বিপ্লবের সাথে সংশ্লিষ্ট এই উপন্যাসটি।
    - কাহিনির সূত্রপাতে দেখা যায় Lucie Manette একজন তরুণী যে বিস্ময়ে ফেটে পড়ে তার বাবা Doctor Alexandre Manette এর জীবিত থাকার কথা শুনে ।
    - অত্যাচারি জমিদারের ষড়যন্ত্রে পড়ে নির্দোষ Doctor Manette জেল খাটতে বাধ্য হন।
    - জেলে থাকা অবস্থায়ই তিনি মুচির কাজ শিখেন।
    - তার মেয়ে Lucie বড় হবার পর বাবার কথা জানতে পেরে বাবাকে প্যারিস থেকে লন্ডনে নিয়ে আসেন।
    - পথিমধ্যে তাদের সাথে পরিচয় হয় Charles Darnay এর সাথে। যে ফরাসী রাজপরিবারের সদস্য হলেও তার পরিবারের পাপের জন্য অনুতপ্ত ছিল এবং প্রায়শ্চিত্ব করতে চেয়েছিল।
    - এছাড়া পরবর্তীতে Sydney Carton নামক একজন পারিবারিক বন্ধু প্রেমে পড়ে Lucie Manette -এর।

    • Main characters:
    - Sydney Carton,
    - Lucie Manette,
    - Charles Darnay,
    - Dr. Alexandre Manette,
    - Madame Defarge.

    • উপন্যাসটি শুরু হয়েছে এই উক্তির মাধ্যমে-
    - “It was the best of times, it was the worst of times, it was the age of wisdom, it was the age of foolishness, it was the epoch of belief, it was the epoch of incredulity, it was the season of light, it was the season of darkness, it was the spring of hope, it was the winter of despair.” (First Line)
    ----------
    • Charles Dickens (1812-1870):
    - Charles Dickens ছিলেন একজন ইংরেজ উপন্যাসিক।
    - তাকে ভিক্টোরিয়ান যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
    - তার কাজ সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে জ্ঞানী, দরিদ্র ও রাজার মতো সব ধরনের মানুষের কাছে আকর্ষণীয় ছিল।
    - প্রযুক্তিগত উন্নতি সহ তাঁর কাজের গুণাবলী তাঁর খ্যাতি বিস্তার করতে সহায়ক হয়েছিল।

    • Notable Works (Novels):
    - A Christmas Carol,
    - A Tale of Two Cities,
    - Great Expectations,
    - David Copperfield,
    - Oliver Twist,
    - Our Mutual Friend,
    - Dombey and Son,
    - Bleak House,
    - Hard Times,
    - The Pickwick Papers.

    • Non-fiction book:
    - American Notes.

    Source:
    1. Britannica.
    2. SparkNotes.

    ১৬৬.
    Which writer composed the dramatic monologue My Last Duchess?
    1. William Wordsworth
    2. John Keats
    3. Percy Bysshe Shelley
    4. Robert Browning
    সঠিক উত্তর:
    Robert Browning
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Robert Browning
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো— ঘ) Robert Browning.

    • “My Last Duchess” হলো একটি dramatic monologue.
    - এটি রবার্ট ব্রাউনিং রচনা করেছেন।

    • My Last Duchess:
    - এটি একটি dramatic monologue, যা 56 লাইনে রচিত।
    - কবিতার বক্তা ফেরারার ডিউক, যে তার প্রয়াত স্ত্রীর ছবির সম্পর্কে মন্তব্য করছে।
    - ডিউক তার স্ত্রীর নিষ্পাপতা ও চরিত্র সম্পর্কে কথা বলে, তবে তার অতিরিক্ত বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব এবং তার শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখানোর জন্য স্ত্রীর প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে।
    - কবিতার মধ্যে শেষের দিকে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, ডিউক নিজেই তার স্ত্রীর মৃত্যুর জন্য দায়ী।

    • Robert Browning (1812-1889):
    - Robert Browning ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রধান ইংরেজি কবি।
    - তিনি নাটকীয় একক বক্তৃতা এবং মানসিক চিত্রকল্পের জন্য পরিচিত।
    - তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ ছিল The Ring and the Book , যা একটি রোমান হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ার গল্প।

    • His notable poems:
    - My Last Duchess,
    - Fra Lippo Lippi,
    - Men and Women (Books of poems),
    - Porphyria’s Lover,
    - Pippa Passes,
    - Rabbi Ben Ezra,
    - Fra Lippo Lippi,
    - Sordello,
    - The Pied Piper of Hamelin,
    - The Ring and the Book,
    - The Patriot,
    - Bishop Blougram’s Apology (long poem), etc.

    Drama:
    - Pippa Passes.

    Source: Britannica.

    ১৬৭.
    Which type of literary creation is The Rime of the Ancient Mariner?
    1. Novel
    2. Play
    3. Essay
    4. Poem
    সঠিক উত্তর:
    Poem
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Poem
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো— ঘ) Poem.
    “The Rime of the Ancient Mariner” হলো Samuel Taylor Coleridge-এর রচনা।
    এটি একটি long narrative poem বা দীর্ঘ কাব্য।

    • The Rime of the Ancient Mariner:
    - The poem "The Rime of the Ancient Mariner" is written by Samuel Taylor Coleridge.
    - এটি সাত ভাগে বিভক্ত একটি কবিতা।
    - এটি সর্বপ্রথম "Lyrical Ballads" এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।
    - কবিতাটি অপরাধ, শাস্তি এবং প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধার গুরুত্ব নিয়ে লিখিত।
    - কবিতার নায়ক, একটি প্রাচীন নাবিক, একদিন তিনজন তরুণকে তার অভিজ্ঞতা শোনান।
    - তার গল্পে উঠে আসে কীভাবে সে একটি Albatross পাখি হত্যা করে, যার ফলে জাহাজে অভিশাপ নেমে আসে।
    - তার সাথের সাথী সবাই মারা যায়, এবং একা বেঁচে থাকার পর, নাবিক প্রাকৃতিক শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা ও তার ভুল বুঝতে পারে।
    - অবশেষে, তাকে সারা পৃথিবী ঘুরে তার এই ভয়াবহ গল্প শোনাতে হবে।

    • Famous quotations of this poem:
    - "He prayeth best, who loveth best
    all things both great and small."

    - "Alone, alone, all, all alone,
    Alone on a wide sea."

    - "Water, water everywhere,
    Not any drop to drink."

    • Samuel Taylor Coleridge (1772-1834):
    - Samuel Taylor Coleridge ছিলেন একজন ইংরেজ কবি, সমালোচক এবং দার্শনিক।
    - তার কবিতায় তিনি একটি সুরুচিপূর্ণ লিরিকাল স্টাইলকে পরিপূর্ণ করেছেন, যা পরবর্তী অনেক কবির মধ্যে প্রতিধ্বনিত হয়েছে।
    - Lyrical Ballads (১৭৯৮; উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের সঙ্গে), যার মধ্যে বিখ্যাত "The Rime of the Ancient Mariner" এবং "Frost at Midnight" অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা ইংরেজি রোমান্টিসিজমের সূচনা করেছিল।
    - তিনি Biographia Literaria, ২ খণ্ড (১৮১৭) লেখেন, যা রোমান্টিক যুগের সাধারণ সাহিত্য সমালোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

    • Notable works:
    - Biographia Literaria,
    - The Rime of the Ancient Mariner,
    - Christabel,
    - Kubla Khan,
    - Dejection: An Ode,
    - Frost at Midnight,
    - On the Constitution of the Church and State, etc.

    Source:
    1. Britannica.
    2. Poetry Foundation.

    ১৬৮.
    George Eliot is a famous author from which of the following literary periods?
    1. Neoclassical period
    2. Romantic period
    3. Victorian period
    4. Modern period
    সঠিক উত্তর:
    Victorian period
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Victorian period
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো— গ) Victorian period.
    - George Eliot হলো Mary Ann Evans-এর ছদ্মনাম।
    - তিনি Victorian era-এর একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক।

    • George Eliot:
    - Born November 22, 1819, Chilvers Coton, Warwickshire, England—died December 22, 1880, London
    - ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম মহিলা কবি George Eliot, যার original নাম ছিলো Mary Ann Evans.
    - তিনি George Eliot ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
    - He is a Victorian writer.
    - 'George Eliot' 19th century এর একজন লেখক। 

    • Famous Works:
    - The Mill on the Floss,
    - Scenes of Clerical Life,
    - Adam Bede,
    - Silas Marner,
    - Romola,
    - Middlemarch.

    Source: An ABC of English Literature - Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.

    ১৬৯.
    Sailing to Byzantium, a famous poetic work, was created by _____ poet.
    1. American
    2. English
    3. Irish
    4. Russian
    সঠিক উত্তর:
    Irish
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Irish
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো: গ) Irish.
    - Sailing to Byzantium হলো W.B. Yeats–এর লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা।
    - W.B. Yeats ছিলেন একজন Irish poet.

    • Sailing to Byzantium:
    - এটি William Butler Yeats রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
    - It was published in his collection October Blast in 1927 and considered one of his masterpieces.
    - For Yeats, ancient Byzantium was the purest embodiment of transfiguration into the timelessness of art.
    - এই কবিতাটি 'remarkable lyricism' এর জন্য পরিচিত।

    • William Buttler Yeats:
    - He is a famous literary figure who belongs to the Modern Period.
    - তাঁকে Ireland এর National poet বলা হয়ে থাকে।
    - একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন
    - নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।

    • Major Poems:
    - The Wild Swans at Coole,
    - The Tower,
    - The Winding Stair and Other poems,
    - The Second Coming,
    - The Cat and the Moon,
    - Sailing to Byzantium,
    - The Lake Isle of Innisfree,
    - Among School Children,
    - A Prayer for My Daughter,
    - When You Are Old,
    - Easter 1916,
    - September 1919,
    - The Wanderings of Oisin,
    - Leda and The Swan.

    • W.B Yeats রচিত কিছু play হচ্ছে -
    - The Resurrection,
    - The Only Jealousy of Emer,
    - The Dreaming of the Bones,
    - Four Plays for Dancers,
    - Calvary,
    - Cathleen ni Houlihan,
    - The Countess Cathleen.

    • Prose
    - A Vision,
    - Celtic Twilight (essay).

    Source: Britannica and Live MCQ Lecture.

    ১৭০.
    Name the author of the novel Midnight’s Children.
    1. Ruskin Bond
    2. Vikram Seth
    3. Arundhati Roy
    4. Salman Rushdie
    সঠিক উত্তর:
    Salman Rushdie
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Salman Rushdie
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো: ঘ) Salman Rushdie.

    Midnight’s Children হলো Salman Rushdie–এর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।

    Midnight's Children:
    - এটি রচনা করেন Salman Rushdie.
    - It is an allegorical novel.
    - উপন্যাসটি ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়।
    - 'Midnight's Children' সালমান রুশদীর একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা ১৯৪৭ সালের ভারতীয় স্বাধীনতা এবং দেশভাগের পটভূমিতে   রচিত। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র, সেলিম সানাই, স্বাধীনতার মুহূর্তে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার জীবন ও ক্ষমতাগুলি ভারতের জাতীয়   ইতিহাসের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত।

    Salman Rushdie
    - In full, Sir Ahmed Salman Rushdie.
    - Born: June 19, 1947, Bombay, India.
    - তিনি হচ্ছেন একজন Indian-born British writer.

    তাঁর উল্লেখ্যযোগ্য সাহিত্য কর্ম -
    - Midnight's Children,
    - Shame,
    - Satanic Verses.

    Source: Britannica.

    ১৭১.
    The Modern literary period is generally considered to span which years?
    1. 1911 - 1949
    2. 1901 - 1939
    3. 1901 - 1959
    4. 1801 - 1939
    সঠিক উত্তর:
    1901 - 1939
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    1901 - 1939
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো: খ) 1901 - 1939.
    - Modern literary period বা আধুনিক সাহিত্যের সময়কাল সাধারণত ২০শ শতকের প্রথমার্ধে বিবেচিত হয়, বিশেষত ১৯০১ থেকে ১৯৩৯ পর্যন্ত।

    • The Modern Period: 
    - 1901 থেকে 1939 পর্যন্ত সময়কালকে ইংরেজী সাহিত্যে the Modern Age হিসেবে ধরা হয়ে থাকে।
    - 1901 সালে Queen Victoria এর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই যুগ এর সুচনা হয় এবং 1939 এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনার মধ্য দিয়ে এই যুগ এর সমাপ্তি হয়।
    - Modernism is more than a literary phenomenon.
    - It includes many art forms that flourished in European countries, including England.

    - Modern period দুটি ছোট সময়কালে বিভক্ত।
    - যেমন: 1. The Edwardian period: 1901-1910.
    2. The Georgian period: 1910-1939.

    ------------------------------

    • English Literature Periods and their sub-ages: 
    1. The Old English Period (450 -1066).

    2. The Middle English Period (1066 -1500).
    i) The Anglo-Norman Period.
    ii) The Age of Chaucer.

    3. The Renaissance Period (1500 -1660),
    i) Elizabethan Period (1558-1603),
    ii) Jacobean Period (1603-1625),
    iii) Caroline Period (1625-1649) and
    iv) Commonwealth Period (1649-1660).

    4. The Neoclassical Period (1660 -1785),
    i) The Restoration Period (1660-1700),
    ii) The Augustan Period (1700-1745) and
    iii) The Age of Sensibility (1745-1785/1798).

    5. The Romantic Period (1798 -1832).

    6. The Victorian Period (1832 -1901),
    i) The Pre-Raphaelites: (1848-1860),
    ii) Aestheticism & Decadence: (1880-1901).

    7. The Modern Period (1901 -1939),
    • The Modern Period (1901-1939) is divided into two shorter periods.
    1. The Edwardian Period (1901-1910),
    2. The Georgian Period (1910-1939),
    - The Modern English period was one of the most significant literary periods.

    8. Present: The Post-Modern Period (1939 ).

    Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

    ১৭২.
    _____ composed the famous poem To Autumn.
    1. W.B. Yeats
    2. T.S. Eliot
    3. John Keats
    4. P.B. Shelley
    সঠিক উত্তর:
    John Keats
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    John Keats
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো—গ) John Keats.
    - “To Autumn” হলো জন কিটসের একটি বিখ্যাত ode.

    • To Autumn:
    - এটি John Keats রচিত একটি poem.
    - কবিতাটি ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়।
    - এই কবিতাটিকে কবির one of the last major poems হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
    - Written shortly before the poet died, the poem is a celebration of autumn blended with an awareness of the passing of summer and of life’s ephemerality.
    - এটি একটি three 11-line stanzas বিশিষ্ট কবিতা।
    - শরৎকালের আগমনে কবির মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে এই কবিতে।
    - পাশাপাশি গ্রীষ্মের বিদায় এবং জীবনের সংক্ষিপ্ততা নিয়েও কবি আলোচনা করেছেন।
    - কবিতায় Autumn কে দেখানো হয়েছে উর্বরতা এবং পরিপক্কতার প্রতীক হিসেবে।

    • John Keats, an English Romantic lyric poet who devoted his short life to the perfection of poetry marked by vivid imagery, great sensuous appeal, and an attempt to express a philosophy through classical legend.
    - He is also called ‘Poet of Beauty’.

    • John Keats's famous poems are: 
    - Ode to Psyche,
    - Ode on Melancholy,
    - To Autumn,
    - Bright Star,
    - On First Looking into Chapman's Homer,
    - Lamia,
    - Hyperion,
    - The Eve of St,
    - La Belle Dame Sans Merci,
    - Endmiyon, etc.

    Source: Britannica and Live MCQ Lecture.

    ১৭৩.
    বাংলাদেশ কোন টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত?
    1. ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
    2. ইউরেশিয়ান ও বার্মিজ 
    3. বার্মিজ ও ইন্ডিয়ান
    4. বর্ণিত সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    বর্ণিত সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বর্ণিত সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    টেকটোনিক প্লেট:
    - পৃথিবীর ভূত্বক কোনো স্থির বা শক্ত একক স্তর নয়; বরং এটি বিভিন্ন স্তরে বিন্যস্ত, যেগুলোকে বলা হয় টেকটোনিক প্লেট।
    - টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
    - পৃথিবীর ভূত্বক প্রধানত ৭টি প্রধান টেকটোনিক প্লেট দ্বারা গঠিত। 

    ⇒ পৃথিবীর ভূত্বক ৭টি প্রধান টেকটোনিক প্লেট দ্বারা গঠিত। প্লেটগুলো হলো: প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate), উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate), ইউরেশিয়ান প্লেট (Eurasian Plate), আফ্রিকান প্লেট (African Plate), অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate), ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেট (Indo-Australian Plate) ও দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate)।

    উল্লেখ্য,
    - বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত হিমালয় পর্বতমালা, যা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পর্বতশ্রেণী। ব্রহ্মপুত্র, গঙ্গা এবং মেঘনা—এই তিনটি মহান নদী হিমালয় এবং আশেপাশের অন্যান্য পর্বতমালা থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে এসে মিলিত হয়। এই নদীগুলো প্রচুর পরিমাণে কাদা ও বালু জমা করে। এই সমস্ত পলি দিয়ে গঠিত হয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বদ্বীপ (ডেল্টা)।
    - বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে টেকটোনিকভাবে সক্রিয় অঞ্চলগুলোর একটি। এটি তিনটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত: ভারতীয় প্লেট (Indian Plate), ইউরেশিয়ান প্লেট (Eurasian Plate), এবং বার্মিজ প্লেট (Burmese Plate বা Burma Plate)।
    - এই তিনটি প্লেটের সংযোগের কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে, বিশেষ করে ঢাকা ও আশেপাশের এলাকা।
    -  সিলেটের ডাউকি ফল্ট, চট্টগ্রাম-টেকনাফের চিটাগং-আরাকান ফল্ট এবং মিয়ানমারের সাগাইং ফল্ট মিলিয়ে দেশটি অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। 

    উৎস: i) Worldatlas.
    ii) AMERICAN MUSEUM NATURAL HISTORY ওয়েবসাইট।

    ১৭৪.
    স্যাফির-সিম্পসন স্কেল মূলত কী পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়?
    1. ভূমিকম্পে নির্গত শক্তি
    2. বাতাসের গতিবেগ
    3. ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা
    4. ভূমিকম্পের মাত্রা
    সঠিক উত্তর:
    ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা
    ব্যাখ্যা

    স্যাফির-সিম্পসন স্কেল:
    - ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বিশেষত হারিকেনের তীব্রতা পরিমাপের স্কেলের নাম স্যাফির-সিম্পসন স্কেল।
    - এই স্কেলটি হার্বার্ট স্যাফির এবং রবার্ট সিম্পসন তৈরি করেন। 
    - স্যাফির-সিম্পসন হারিকেন উইন্ড স্কেল হারিকেন বা ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা মাপার একটি ১ থেকে ৫-এর স্কেল যা বাতাসের গতিবেগের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
    - এটি সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নির্দেশ করে।
    - ক্যাটাগরি ৩ ও তার উপরের ঝড়কে "বড়" বা "গুরুতর" হারিকেন ধরা হয় যা ব্যাপক ক্ষতি ও প্রাণহানির কারণ হতে পারে। 

    অন্যদিকে, 
    - মার্সেলি স্কেল ব্যবহৃত হয় ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপে।
    - বিউফোর্ট স্কেল বাতাসের গতিবেগ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
    - ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে।

    উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
    ii) NATIONAL WEATHER SERVICE ওয়েবসাইট।

    ১৭৫.
    বিশ্বব্যাংকের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে নিম্নের কোনটি বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হবে?
    1. ওশেনিয়া
    2. দক্ষিণ এশিয়া
    3. সাব-সাহারান আফ্রিকা
    4. ল্যাটিন আমেরিকা
    সঠিক উত্তর:
    দক্ষিণ এশিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দক্ষিণ এশিয়া
    ব্যাখ্যা

    বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হবে দক্ষিণ এশিয়া:
    - বিশ্বব্যাংকের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হবে।
    - ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ অ্যান্ড আদার সাউথ এশিয়ান কান্ট্রিজ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স উইল বি প্রাইভেট সেক্টর লেড’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এটি বলা হয়।

    ⇒ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলো।
    - আর এর মধ্যেই সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। 
    - বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানকে এর ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলা করতে হবে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
    - প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে পড়বে এবং প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষ গুরুতর বন্যার ঝুঁকিতে থাকবে।
    - উপকূলে পানি ও মাটির লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের কোটি মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ছে।

    উৎস: i) বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট। [link]
    ii) প্রথম আলো।

    ১৭৬.
    সুন্দরবনের চারপাশে কত কিলোমিটার এলাকাকে প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
    1. ৮ কিলোমিটার
    2. ১০ কিলোমিটার
    3. ১২ কিলোমিটার
    4. ১৪ কিলোমিটার
    সঠিক উত্তর:
    ১০ কিলোমিটার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১০ কিলোমিটার
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
    - দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
    - এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
    - এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

    উল্লেখ্য,
    - সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন। 
    - সারা দেশের মেরুদণ্ডী ও অমেরুদণ্ডী প্রাণীর আনুমানিক মোট প্রজাতি ১১ হাজার ৮০০টির মধ্যে সুন্দরবনেই আছে ২ হাজার ২০০।
    - বৈশ্বিকভাবে বিপদাপন্ন ৩১টির বেশি প্রজাতি আছে এখানে।
    - সুন্দরবনে মোট উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা ৩৩৪। 
    - বিশ্বের মোট ৪৮ প্রজাতির শ্বাসমূলীয় বৃক্ষের মধ্যে সুন্দরবনেই রয়েছে ১৯টি। 
    - সুন্দরবনের প্রায় ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে।
    - পৃথিবীর বেশির ভাগ ম্যানগ্রোভ বনে দুই থেকে তিন প্রজাতির শ্বাসমূল রয়েছে। আর সুন্দরবনে ছয় ধরনের শ্বাসমূল দেখা যায়, যা বনটিকে স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে।
    - বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৫ এর ক্ষমতাবলে সুন্দরবনের ৫২ শতাংশ এলাকা অভয়ারণ্য ও চারপাশে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) ঘোষণা করা হয়েছে।

    উৎস: i) পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
    ii) প্রথম আলো।

    ১৭৭.
    বাংলাদেশের কোন নদীতে প্রধানত বিনুনী নদীখাত দেখা যায়?
    1. যমুনা নদী
    2. গোমতী নদী
    3. বুড়িগঙ্গা নদী
    4. মেঘনা নদী
    সঠিক উত্তর:
    যমুনা নদী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যমুনা নদী
    ব্যাখ্যা

    যমুনা নদীকে চর উৎপাদী নদী বলা হয়।

    বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থা:

    - কোন উৎস হতে (পার্বত্য ভূমি, হ্রদ, বৃষ্টিবহুল স্থান, বরফ স্তুপ ইত্যাদি) নেমে আসা যে জলধারা সুদীর্ঘ খাতের মধ্যদিয়ে এঁকে বেঁকে নিয়ত প্রবাহমান, তাই নদী নামে পরিচিত।
    - যে খাতের মধ্য দিয়ে জলধারা প্রবাহিত হয়, তাকে নদী উপত্যকা এবং উপত্যকার তলদেশ নদীগর্ভ নামে অভিহিত।
    - অপেক্ষাকৃত ছোট নদী স্রোতস্বিনী, কোন একটি নদী অপর একটি নদীতে মিলিত হলে প্রথম নদীটিকে অপর নদীটির উপনদী এবং একটি নদী হতে অপর একটি নদীর উৎপত্তি/বিকাশ/সৃষ্টি হলে সৃষ্ট নদীটিকে মূল নদীর শাখা নদী বলে। 
    - নদী যে স্থান থেকে উৎপত্তি বা সৃষ্টি হয় তাকে নদীর উৎস এবং যেখানে মিলিত হয় তাকে মোহনা বলে।
    - একটি নদী ও তার উপনদীসমূহ একত্রে একটি নদী প্রণালী বা নদী ব্যবস্থা গঠন করে।
    - বাংলাদেশের অধিকাংশ নদ-নদীই বার্ধক্য পর্যায়ে উপনীত হয়ে বঙ্গোপসাগরের পতিত হয়ে থাকে। 

    ⇒ নদীতে নিয়মিত পানি সরবরাহ, ঋতুভেদে পানি সরবরাহের হ্রাসবৃদ্ধি, ভূমিরূপ, মাটির গঠন ও বুনন এবং ভূমির ঢালের তারতম্যের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশসহ বাংলাদেশে প্রধানত তিন প্রকার নদী ব্যবস্থা গড়ে উঠে, যেমন- ক) সরল নদীখাত, খ) সর্পিল নদীখাত এবং গ) বিনুনি নদীখাত।

    • সর্পিল নদীখাত:
    - সমভূমি বিশেষ করে পলি গঠিত সমভূমি অঞ্চলে বাক বহুল নদী দৃষ্টিগোচর হয়। এ সব নদীর প্রবাহ পথ বেশ গভীর, আঁকাবাঁকা প্রবাহপথ, পুনঃপুনঃ খাতের দিক পরিবর্তন, বাঁকে ভাঙ্গন ক্রিয়া বিপরীতে চর গঠন এবং প্রবাহ পথ এক খাতে প্রবাহিত হয়। যেমন- পদ্মা।

    • বিনুনী নদীখাত/চরোৎপাদী নদী:
    - কোনো নদীর পরিবহন ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত পলি উৎস অঞ্চল থেকে নদীতে সরবরাহ হলে তা নদী খাতেই জমা হয়। নদীর ভিতর বালি, নুড়ি, কাঁকর, কর্দম ইত্যাদি সঞ্চিত হয়ে যে নতুন ভূমির সৃষ্টি হয়, তাকে বালুচর বলে। বালুচর প্রধানত দুটি কারণে সৃষ্টি হয়। প্রথমত, নদীর পানিতে যখন অতিরিক্ত বালু, কর্দম, নুড়ি ইত্যাদি মিশ্রিত থাকে তখন স্রোতের বেগ কমে যায় এবং বাহিত পদার্থসমূহ দ্রুত সঞ্চিত হয়ে বালুচরের সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয়ত নদীখাতে অতিরিক্ত পলি সঞ্চয়নের কারণে বহুভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এরূপ বহু শাখা বিশিষ্ট পানির ধারা অনেকটা চুলের বিনুনীর মতো দেখতে। একে বিনুনী নদী বা চর উৎপাদী নদীও বলা হয়। যে সকল নদীতে পানির প্রবাহে ঋতুভিত্তিক পরিবর্তন ব্যাপক হয় সেখানে এ ধরনের নদী বিন্যাস দেখা যায়। বাংলাদেশের যমুনা নদীতে এ ধরনের বিনুনী বিন্যাস দেখা যায়। এজন্য যমুনা নদীকে চর উৎপাদী নদী বলা হয়।

    • সরল নদী:
    - যে সব নদ-নদী প্রবাহ পথে কোন বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মোটামুটি সোজাপথে প্রবাহিত হয় তাদেরকে সরল নদী বলা হয়। কঠিন শিলায় গঠিত অঞ্চল ভূ অভ্যন্তরে ভৌত পানি প্রবাহ এবং নদীতীর বাঁধা দিয়ে নদী খাত সরল করা হয়। যেমন- তিস্তা।

    উৎস: i) বাংলাদেশ ভূগোল ও সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

    ১৭৮.
    পৃথিবীর কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে?
    1. অস্ট্রেলিয়া
    2. ব্রাজিল 
    3. রাশিয়া
    4. কানাডা
    সঠিক উত্তর:
    রাশিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাশিয়া
    ব্যাখ্যা

    বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বনভূমি:
    - পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে রাশিয়ায়।
    - বিশ্বের মোট বনভূমির ২০.৪১ শতাংশই রাশিয়ায়।
    - দেশটিতে ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬০ হেক্টর বনভূমি রয়েছে। 
    - পৃথিবীর মোট আবাসযোগ্য জমির আট ভাগের এক ভাগ পড়েছে রাশিয়ায়। আয়তনের বিশালত্বের কারণে দেশটি নয়টি সময় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দেশটির বনভূমির বড় অংশ রয়েছে ফার ইস্টার্ন ফেডারেল অঞ্চলে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সাইবেরিয়ান ফেডারেল অঞ্চল। এসব এলাকার বেশির ভাগ গাছই লার্চ, পাইন ও স্প্রুস জাতের।

    ⇒ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা ৪.৬ বিলিয়ন হেক্টর এলাকায় বনভূমি রয়েছে। 
    - পৃথিবীর মোট বনভূমির বেশির ভাগ নির্দিষ্ট কিছু দেশে অবস্থিত।

    উল্লেখ্য,
    ⇒ বিশ্বের শীর্ষ বনভূমির দেশ:
    ১. রাশিয়া (২০.৪১ শতাংশ),
    ২. ব্রাজিল (১২ শতাংশ),
    ৩. কানাডা (৯ শতাংশ),
    ৪. যুক্তরাষ্ট্র (৭ শতাংশ),
    ৫. চীন (৫.৩ শতাংশ)।

    উৎস: i) Global Forest Resources Assessment 2025, FAO.
    ii) প্রথম আলো।

    ১৭৯.
    অস্ট্রেলিয়ার নিকটে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে কী নামে অভিহিত করা হয়?
    1. উইলি উইলিস
    2. টাইফুন
    3. পাপাগ্যালোস
    4. বাগুই
    সঠিক উত্তর:
    উইলি উইলিস
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উইলি উইলিস
    ব্যাখ্যা

    ঘূর্নিঝড় (Cyclone):
    - ঘূর্ণিঝড় মানে ঘূর্ণায়মান প্রচণ্ড বাতাস।
    - সাইক্লোন শব্দটি সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন ক্যাপ্টেন হেনরী পিডিংটন ১৮৪৮ সালে।
    - এর মূল উৎস হচ্ছে গ্রীক শব্দ 'কাইক্লোস' (Kyklos) যার অর্থ সাপের প্যাঁচ। 
    - আমাদের দেশে সাইক্লোনকে কখনো কখনো আবার তুফানও বলা হয়। 
    - ঘূর্ণিঝড়ের উৎস সমুদ্র। এজন্য একে সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় বলা হয়।

    উল্লেখ্য, ঘূর্নিঝড়ের স্থানীয় নাম:
    - উত্তর ভারত মহাসাগর: সাইক্লোন বা ট্রপিক্যাল সাইক্লোন (বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর)। 
    - উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর: হারিকেন (Hurricane)। 
    - উত্তর পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর: টাইফুন (Typhoon)। 
    - অস্ট্রেলিয়ার নিকটে: উইলি উইলিস (Willy-willies)। 
    - উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর: পাপাগ্যালোস (Papagallos)। 
    - ফিলিপাইনের নিকট: বাগুই (Baguios)। 
    - মাদাগাস্কারের নিকট: ট্রোভাডোজ (Trovadoes)। 

    উৎস: বাংলাদেশ ন্যাশনাল সায়েন্টিফিক এন্ড টেকনিক্যাল ডকুমেন্টেশন সেন্টার।

    ১৮০.
    স্পারসো-এর গবেষণা অনুযায়ী বাংলাদেশের কোন দ্বীপ ধীরে ধীরে এক হয়ে যাচ্ছে?
    1. সন্দ্বীপ, জাহাইজ্জার চর, ভাসানচর
    2. হাতিয়া, উড়িরচর, সন্দ্বীপ
    3. সন্দ্বীপ, নির্মল চর, নিঝুমদ্বীপ
    4. হাতিয়া, সন্দ্বীপ, সুবর্ণচর
    সঠিক উত্তর:
    সন্দ্বীপ, জাহাইজ্জার চর, ভাসানচর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সন্দ্বীপ, জাহাইজ্জার চর, ভাসানচর
    ব্যাখ্যা

    তিন যুগ ধরে সন্দ্বীপ, জাহাইজ্জার চর (বর্তমান স্বর্ণদ্বীপ) ও ভাসানচর—এই তিন দ্বীপ ধীরে ধীরে এক হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) তাদের গবেষণায় এই চিত্র তুলে ধরেছে।

    এক হচ্ছে তিন দ্বীপ:
    - বঙ্গোপসাগরের একটি প্রাচীন দ্বীপ হলো সন্দ্বীপ, যা স্পারসোর গবেষণায় তিন হাজার বছরের পুরোনো বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
    - এই দ্বীপটি বহু বছর ধরেই ক্ষয় ও পলিমাটি জমার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গবেষণায় দেখা যায়, ১৯৮৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সন্দ্বীপের পাশেই জেগে উঠেছে জাহাইজ্জার চর (বর্তমান স্বর্ণদ্বীপ) ও ভাসানচর।

    ⇒ ২০০৬ সালে মেঘনা মোহনার পলিমাটি জমে সৃষ্টি হয় ভাসানচর। এখানে বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্থানান্তরের জন্য ঘরবাড়ি ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করেছে।

    ⇒ গবেষণায় দেখা গেছে, উপকূলীয় ভৌগোলিক গঠন, বিশেষ করে মেঘনা মোহনার দক্ষিণাংশে দ্বীপের সৃষ্টির ইতিহাস ও বিস্তৃতি ১৯৮৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে অত্যন্ত গতিশীল ছিল।
    - সন্দ্বীপ একটি পুরোনো দ্বীপ হলেও স্বর্ণদ্বীপ ও ভাসানচর তুলনামূলকভাবে নতুন এবং ক্রমাগত পলিমাটি জমে বিস্তৃত হয়েছে।

    এছাড়াও,
    - বাংলাদেশের ভূমির গঠনকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়: ১. পাহাড়ি অঞ্চল (১২%), ২. গড়াঞ্চল (৮%) এবং ৩. পলল ভূমি (৮০%)। বাংলাদেশ আসলে গড়ে উঠেছে বড় বড় নদী দিয়ে আসা বিপুল পরিমাণ পলি দিয়ে।
    - এই পলির বেশির ভাগই সাগরে গিয়ে পড়ে, আর কিছু অংশ সঞ্চিত হয়ে গড়ে ওঠে ভূমি।

    উৎস: i) বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) ওয়েবসাইট।
    ii) প্রথম আলো।

    ১৮১.
    ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি নিচের নিম্নের কোন জেলায় দেখা যায়?
    1. বান্দরবান
    2. টাঙ্গাইল
    3. বাগেরহাট
    4. কুমিল্লা
    সঠিক উত্তর:
    বান্দরবান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বান্দরবান
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের বনজ সম্পদ:
    - বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
    - যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
    - মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা :
    ১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
    ২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
    ৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

    ⇒ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
    - পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়। 
    - বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।


    অন্যদিকে,
    • ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
    - বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
    - এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

    • স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
    - বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত। 
    - এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। 
    - সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮২.
    কোন নৈতিক মতবাদ সুখবাদ ও বুদ্ধিবাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে?
    1. উপযোগবাদ
    2. উদারতাবাদ
    3. পূর্ণতাবাদ
    4. স্বজ্ঞাবাদ
    সঠিক উত্তর:
    পূর্ণতাবাদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পূর্ণতাবাদ
    ব্যাখ্যা

    সুখবাদ ও বুদ্ধিবাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন:
    - পূর্ণতাবাদ সুখবাদ ও বুদ্ধিবাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।

    উল্লেখ্য,
    - পূর্ণতাবাদ বা কল্যাণবাদ অনুসারে পূর্ণতা লাভ বা আত্মোপলব্ধিই মানব জীবনের পরম কল্যাণ। অর্থাৎ পূর্ণতা লাভ বা আত্মেপলব্ধিই নৈতিকতার মানদণ্ড।
    - প্লেটোর মতে, বুদ্ধি বা প্রজ্ঞার দ্বারা কামনা বাসনা জাতীয় প্রবৃত্তিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার ফলেই মানুষের পূর্ণতা বা কল্যাণ আসে।
    - এরিস্টটলের মতে, সদগুণ অনুযায়ী মানুষের অন্ত নিহিত শক্তিগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়ন করার ফলেই পূর্ণতা আসে। তিনি মনে করেন, মানব জীবনের উৎকর্ষতা ইন্দ্রিয়জ অনুভূতির পরিবর্তে বুদ্ধির উপর নির্ভর করে।
    - পূর্ণ বিকাশ বলতে বোঝায় মানুষের মধ্যে একপ্রকার অন্তর্নিহিত শক্তি আছে সেই শক্তিসমূহের পূর্ণ বাস্তবায়ন।
    - মানুষ বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন জীব হওয়ায় মানুষের পূর্ণতা লাভ বা আত্মোপলব্ধির ক্ষেত্রে ইন্দ্রিয় প্রবৃত্তি ও বিচারবুদ্ধি এই উভয় দিকের বিচার বিবেচনা করতে হয়।
    - এ কথা ঘোষণা করার সাথে সাথে পূর্ণতাবাদ, সুখবাদ ও বুদ্ধিবাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।

    উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৩.
    সুশাসনের ধারণার উপর জোর দিতে কত সালে Commission on Global Governance গঠিত হয়?
    1. ১৯৮৯ সালে
    2. ১৯৯২ সালে
    3. ১৯৯৫ সালে
    4. ১৯৯৯ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৯২ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৯২ সালে
    ব্যাখ্যা

    Commission on Global Governance:
    - সুশাসনের ধারণার উপর জোর দিতে ১৯৯২ সালে 'কমিশন অন গ্লোবাল গভর্নেন্স' (Commission on Global Governance) গঠিত হয়েছিল।
    - এর লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক আন্তঃনির্ভরতার নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্ব ব্যবস্থার সংস্কার করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সুশাসনের প্রয়োজনীয়তা অন্বেষণ করা। 
    - এর ফলাফল ১৯৯৫ সালে "Our Global Neighbourhood" নামে প্রকাশিত হয়, যা সুশাসনের ধারণা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 
    - উদ্দেশ্য: স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা। 

    উৎস: Britannica.

    ১৮৪.
    'গণতন্ত্র হচ্ছে সবচেয়ে দরিদ্র, অজ্ঞ ও অকর্মণ্য ব্যক্তির সরকার'- উক্তিটি কে করেছেন?
    1. জন লক 
    2. লাস্কি
    3. হেরোডোটাস
    4. লেকি
    সঠিক উত্তর:
    লেকি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লেকি
    ব্যাখ্যা

    গণতন্ত্র হচ্ছে সবচেয়ে দরিদ্র, অজ্ঞ ও অকর্মণ্য ব্যক্তির সরকার'—উক্তিটি লেকি (Lecky)-এর।

    গণতন্ত্র:
    - গণতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল democracy।
    - গণতন্ত্র বলতে জনগণের হাতে ক্ষমতা রয়েছে এমন সরকারকে বোঝায়।
    - গণতন্ত্র আধুনিক যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকার।
    - গণতন্ত্রে সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উৎস জনগণ। 
    - গণতন্ত্র হলো সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রাণ।
    - সুশাসনের জন্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিকল্প নেই।

    ⇒ প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক হেরোডোটাস বলেছেন, 'গণতন্ত্র এক প্রকার শাসনব্যবস্থা, যেখানে শাসনক্ষমতা কোনো শ্রেণি বা শ্রেণিসমূহের উপর ন্যস্ত থাকে না; বরং সমাজের সদস্যগণের উপর ন্যস্ত হয় ব্যাপকভাবে।'
    - ডাইসির (Dicey) মতে, ‘‘গণতন্ত্র হল সরকারের একটি রূপ যেখানে পরিচালনা পরিষদে সমগ্র জাতির একটি বড় অংশ অন্তর্ভুক্ত।’’
    - অধ্যাপক সিলির (Prof. Selley) মতে, “গণতন্ত্র হলাে এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেকেরই অংশগ্রহণ রয়েছে।”
    - আব্রাহাম লিংকন-এর ভাষ্য মতে, ‘Government of the people, by the people, for the people’ অর্থাৎ ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’

    ⇒ আধুনিক গণতন্ত্র হচ্ছে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র। 
    - লাস্কির মতে, অর্থনৈতিক সাম্য ব্যতীত গণতন্ত্র সফল হতে পারে না।
    - গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র হলো সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব।

    উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১মপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
    ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৮৫.
    বিকেন্দ্রীকরণের ফলে কোনটি ঘটে?
    1. জনসচেতনতা বৃদ্ধি
    2. অংশগ্রহণ বৃদ্ধি
    3. মনোবল বৃদ্ধি
    4. বর্ণিত সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    বর্ণিত সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বর্ণিত সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    বিকেন্দ্রীকরণ:
    - সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বিকেন্দ্রীকরণের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
    - বিকেন্দ্রীকরণ হচ্ছে ক্ষমতার বন্টনো বিভক্তিকরণের নীতি।
    - এর অর্থ হলো ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও দায়িত্বকে প্রশাসনের উচ্চ স্তর থেকে নিম্ন স্তরে ছড়িয়ে দেয়া।

    উল্লেখ্য,
    - বিকেন্দ্রীকরণের ফলে জনগণের অংশগ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে জনসচেতনতাও বৃদ্ধি পায়, প্রশাসনের মূল্যবান সময় বেঁচে যায়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনোবল ও আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি পায়।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

    ১৮৬.
    রাজনৈতিক অধিকার নাগরিকের কোন শ্রেণির অধিকার?
    1. নৈতিক
    2. আইনগত 
    3. রাষ্ট্রীয়
    4. সর্বজনীন
    সঠিক উত্তর:
    আইনগত 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আইনগত 
    ব্যাখ্যা

    অধিকার:
    - সাধারণত অধিকার বলতে নিজের ইচ্ছানুযায়ী কোন কিছু করার বা পাওয়ার ক্ষমতাকে বোঝায়। এদিক থেকে বিচার করলে আইন বিরোধী কাজ করাকেও অধিকার বলা যায়। কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসনে এ ধরনের কাজকে স্বেচ্ছাচার বলা হয়।
    - অর্থাৎ রাষ্ট্র ও সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত সুযোগ বা সুবিধাকে অধিকার বলা যায়। যেমন: পরিবার গঠন, শিক্ষা লাভ, নির্বাচনে ভোটদান, নির্বাচিত হওয়ার মত অধিকারের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বীকৃতি ও অনুমোদন রয়েছে।

    ⇒ অধিকারকে প্রথমে দু'ভাগে ভাগ করা যায়।  যথা:
    ১. নৈতিক অধিকার ও
    ২. আইনগত অধিকার।

    • আইনগত অধিকার:
    - আইনগত অধিকার বলতে ব্যক্তির সে অধিকারকে বোঝায় যা রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত এবং অনুমোদিত। আইনগত অধিকারের উৎস হচ্ছে রাষ্ট্র। আইনগত অধিকারকে আবার কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন:

    রাজনৈতিক অধিকার:
    - রাষ্ট্রীয় কাজে সক্রিয় হওয়ার জন্য নাগরিকগণ যে সমস্ত অধিকার ভোগ করেন তাকে রাজনৈতিক অধিকার বলে। অন্যকথায় রাজনৈতিক বিষয়াদিতে অংশগ্রহণ ও মতামত নাদের সুযোগই রাজনৈতিক অধিকার। ভোটদানের অধিকার, নির্বাচিত হওয়ার অধিকার, মতামত প্রকাশের অধিকার, সরকার গৃহীত ব্যবস্থার পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার অধিকার প্রভৃতি রাজনৈতিক অধিকার।

    ⇒ অর্থনৈতিক অধিকার:
    - অর্থনৈতিক অধিকারের গুরুত্বের প্রেক্ষিতেই বলা হয়ে থাকে যে, অর্থনৈতিক অধিকার ছাড়া রাজনৈতিক অধিকার অর্থহীন।
    - বৃহত্তর দৃষ্টিকোণ থেকে অর্থনৈতিক অধিকার বলতে ক্ষুধা, দারিদ্র ও বেকারত্ব থেকে মুক্ত থাকা বুঝায়।
    - ধারনের ন্যূনতম ক্যালরীসম্পন্ন খাদ্য, বাসস্থান ও চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার অর্থনৈতিক অধিকার।
    - কর্মের অধিকার ও নিশ্চয়তা, ন্যায্য মজুরী লাভের অধিকার, আইন অনুযায়ী স্বীকৃত সময়ের বেশি কাজ না করার অধিকার, কর্মস্থলে শারীরিক ক্ষয়-ক্ষতির বিরুদ্ধে সামাজিক নিরাপত্তা লাভ প্রভৃতি অর্থনৈতিক অধিকার। 

    ⇒ সামাজিক অধিকার:
    - রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও সংরক্ষিত সংঘবদ্ধ জীবনের অধিকারকে সামাজিক অধিকার বলে। সভ্য জীবনযাপনের জন্য এই অধিকারগুলো অপরিহার্য। শিক্ষার অধিকার, সম্পত্তি অর্জন ও ভোগের অধিকার প্রকৃতি সামাজিক অধিকার। 

    ⇒ সাংস্কৃতিক অধিকার:
    - নিজ ভাষা, সাহিত্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও ধর্মীয় প্রথা-প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী জীবন গঠন ও পরিচালনার অধিকারকে সাংস্কৃতিক অধিকার বলে। অবশ্য বর্তমান যুগে ভিন্ন সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ও আগ্রাসনের ফলে কোন কোন জনগোষ্ঠীর সনাতন সংস্কৃতির পরিবর্তন সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে। এভাবে অপসংস্কৃতির জন্য হতে পারে আবার সংস্কৃতি সমৃদ্ধও হতে

    ⇒ ধর্মীয় অধিকার:
    - স্বাধীনভাবে ধর্মগ্রহণ, পালন, ধর্ম পরিবর্তন ও নিজ ধর্মের বিকাশে কর্তব্য পালন, অন্য ধর্মের জন্য বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য চাঁদা দিতে বাধ থাকার স্বাধীনতাকে ধর্মীয় অধিকার বলে। ধর্মকে কেন্দ্র করে এক জাতির চাল-চলন ও আচরণ, বিশ্বাস ও জীবন ব্যবস্থা পৃথক হতে পারে। ধর্মীয় অধিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক অধিকার।

    ⇒ ব্যক্তিক অধিকার:
    - ব্যক্তি জীবনের পবিত্রতা এবং ব্যক্তিত্বের বিকাশ ও রক্ষার জন্য ব্যক্তি যে সব অধিকার লাভ তাকে ব্যক্তিক অধিকার বলে। জীবনের নিরাপত্তা লাভ, নির্বিঘ্নে জীবন যাপন, নিজ ধর্ম নির্ভয়ে পালন, নিজের রুচি সংরক্ষণ, গৃহের গোপনীয়তা রক্ষা, চিঠি-পত্রের গোপনীয়তা রক্ষা, নিজের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও জামিন লাভের অধিকার ব্যক্তিক অধিকারের কয়েকটি উদাহরণ।

    উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৭.
    'গ্রাম্য সালিসে ন্যায় বিচার পাওয়ার সুযোগ' ব্যক্তির কোন ধরণের সাম্য?
    1. সামাজিক
    2. রাজনৈতিক
    3. আইনগত
    4. ব্যক্তিগত
    সঠিক উত্তর:
    সামাজিক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সামাজিক
    ব্যাখ্যা

    সাম্য:
    - সাম্য এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Liberty. এর অর্থ সমান।
    - সমান বলতে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একই ধরনের সুযোগ-সুবিধা লাভ করাকে বুঝায়। কোন বিশেষ জনগোষ্ঠীকে পৃথকভাবে সুযোগ-সুবিধা না দেয়া।
    -  অর্থাৎ সাম্য বলতে এমন একটি অবস্থা বা পরিবেশ বুঝায় যেন সকল নাগরিক সমান সুযোগ-সুবিধা লাভ করে যথার্থভাবে নিজেদের বিকাশ ঘটাতে হয়।
    - অধ্যাপক লাস্কি বলেন, সকলের সম্মুখে যথার্থ সুযোগ-সুবিধার দ্বার উন্মুক্ত রাখার অর্থ হল সাম্য।

    • সামাজিক সাম্য
    - সমাজের একজন সদস্য হিসেবে সকল সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার সবার রয়েছে। যেমন বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান এ রীতি অনুযায়ী অংশগ্রহণের সুযোগ, গ্রাম্য সালিসে ন্যায় বিচার পাওয়ার সুযোগ ইত্যাদি।

    • রাজনৈতিক সাম্য 
    - সংগঠন করার স্বাধীনতা, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এর সুবিধা ইত্যাদি রাজনৈতিক সাম্যের পর্যায়ে পড়ে। রাজনৈতিক থাকলে রাষ্ট্রে নেতৃত্বের সংকট তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকে। প্রাপ্ত বয়স্ক সকল নাগরিকের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

    • আইনগত সাম্য 
    - কিছু কিছু আবার আইনের দ্বারা স্বীকৃত। যেমন- চাকুরিতে সমান সুযোগ লাভের অধিকার, সংগঠন ও সমাবেশ করার অধিকার ইত্যাদি ক্ষেত্রে সাম্যের বিষয়টি বাংলাদেশ সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার। আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্য আইনের সাম্য থাকা উচিত। 

    • ব্যক্তিগত সাম্য
     - মত প্রকাশের সাম্য, গোপনীয়তা রক্ষার সামা, বন্ধু নির্বাচনের মতো বিষয়গুলো ব্যক্তিগত সাম্য, অন্যের ক্ষতি না করে নিজের করা বয়নের ব্যক্তিগত সাম্য। আধুনিক সমাজে ব্যক্তিগত সাম্যকে অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। অর্থাৎ সাম্য বিভিন্ন ধরনের দর্শ নাগরিক হিসেবে জীবন-যাপনের জন্য সব ধরনের সাম্য নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের কর্তব্য। ব্যক্তি পর্যায়ে যেন একজন অন্যজনের নষ্ট না করে তা খেয়াল রাখা নাগরিকের কর্তব্য।

    উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৮.
    সুশাসন নিশ্চিতে ও সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় গড়ে তোলার জন্য সরকার কত সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল' প্রণয়ন করেছে?
    1. ২০০৮ সালে
    2. ২০০৯ সালে
    3. ২০১১ সালে
    4. ২০১২ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ২০১২ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২০১২ সালে
    ব্যাখ্যা

    সুশাসন ও বাংলাদেশ:
    - সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।
    - সুশাসন নিশ্চিতে জরুরি সেবার হটলাইন চালু করেছে সরকার।
    - তাহলো বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার ৯৯৯; দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার ১০৬; সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার ১৬৪৩০; কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন ১৬১২৩; নারী নির্যাতন বা বাল্যবিবাহ হতে দেখলেই বিনামূল্যে কল করুন এই নাম্বারে ১০৯ ইত্যাদি।

    এছাড়াও,
    - সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন করতে চলছে।
    - দুর্নীতি দমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে আইন প্রণীত হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো 'সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯', 'তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯', 'ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯', 'সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯', 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯', 'চার্টার্ড সেক্রেটারিজ আইন, ২০১০', 'জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা প্রদান) আইন, ২০১১', 'মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২', 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২', 'প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২' ইত্যাদি।

    ⇒ বাংলাদেশ জাতিসংঘের United Nations Convention Against Corruption (UNCAC) এর অনুসমর্থনকারী দেশ।
    - দুর্নীতি নির্মূলের জন্য 'ফৌজদারি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে দুর্নীতির প্রতিকার ছাড়াও দুর্নীতির ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণকে' সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই
    কনভেনশনে।

    এছাড়া,
    - সর্বোপরি সুশাসন বাস্তবায়ন সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কাঙ্ক্ষিত সোনার বাংলা গঠন করা সম্ভব হবে।

    উৎস: তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 

    ১৮৯.
    অধ্যাপক ফাইনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কী নামে অভিহিত করেছেন?
    1. Interest Group
    2. Pressure Group
    3. Political Group
    4. Lobby
    সঠিক উত্তর:
    Lobby
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Lobby
    ব্যাখ্যা

    চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
    - চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলতে এমন এক সংস্থাকে বুঝায়, যা কিছুসংখ্যক সাধারণ স্বার্থে আবদ্ধ বেসরকারি লোকের সমন্বয়ে গঠিত, যারা রাজনৈতিক কার্যকলাপের মাধ্যমে আইনসভার বাইরে থেকে সরকারি নীতিমালা গ্রহণ করে ঐসব সাধারণ স্বার্থ ও লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৎপরতা চালায়।
    - চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
    - চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
    - এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।

    উল্লেখ্য,
    - অধ্যাপক ফাইনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে লবি (Lobby) এবং এলান পটার এটাকে সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী বলে আখ্যায়িত করেছেন। যেমন-শিক্ষক সমিতি, ব্যবসায়ী সমিতি, ট্রেড ইউনিয়ন, শ্রমিক সংঘ ইত্যাদি।
    - অধ্যাপক এলান আর বল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সমভাবাপন্ন সদস্যগণের সমন্বয়ে গঠিত গোষ্ঠীকে বুঝাতে চেয়েছেন।
    - চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এইচ জিগলার Interest group বলে আখ্যায়িত করেছেন।
    - অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরণের স্বার্থকামী গোষ্ঠী বলে অভিহিত করেছেন। তারা সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন গোষ্ঠীগুলোকে চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত করছেন। যেমন: ১. স্বতঃস্ফুর্থ স্বার্থকামী, সংগঠনভিত্তিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী, অসংগঠিত স্বার্থকামী গোষ্ঠী, প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৯০.
    আইন ও নৈতিক বিধির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য -
    1. শাসন প্রতিষ্ঠা
    2. মানুষের কল্যাণসাধন
    3. ক্ষমতার প্রয়োগ
    4. সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
    সঠিক উত্তর:
    মানুষের কল্যাণসাধন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মানুষের কল্যাণসাধন
    ব্যাখ্যা

    আইন ও নৈতিক বিধির সম্পর্ক ও পার্থক্য: 
    - আইন ও নৈতিক বিধির মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
    - আইন ও নৈতিক বিধি উভয়ের বিষয়বস্তু মানুষ এবং উদ্দেশ্য মানুষের কল্যাণসাধন।

    ⇒ 
    জনগণের সম্মতি ছাড়া আইন কার্যকর করা দুরূহ। 
    - আবার নৈতিক বিধি মানুষের আইনগত অধিকার লঙ্ঘনের কারণ হলে রাষ্ট্র সে ক্ষেত্রে আইনের সাহায্যে হস্তক্ষেপ করতে পারে।
    - আইন মানবসমাজের দর্পণস্বরূপ।
    - মানুষের দেহ, সম্পত্তি, সুনাম ও মর্যাদা সুরক্ষার উদ্দেশ্যে আইন প্রণীত হয়ে থাকে, যা মেনে চলা রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, অনুমোদন এবং আইন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা আইনের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য, যার উপস্থিতি ছাড়া কোনো বিধিনিষেধ আইনে পরিণত হয় না।
    - নৈতিক বিধি হলো ধর্ম বা সমাজ আরোপিত বিভিন্ন বিধিনিষেধ, যা মানুষের বিবেকবোধ, নীতিবোধ, ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিতের ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
    - আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু নৈতিক বিধি মানুষের চিন্তা ও মনোভাব নিয়ে যে অন্তর্জগৎ, সেটির নিয়ন্ত্রণকে গুরুত্ব দেয়।

    ⇒ সব মানুষ আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং রাষ্ট্রের সবার ওপর আইন সমভাবে প্রযোজ্য, অন্যদিকে নৈতিক বিধি অঞ্চল ও ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে।
    - আইন বিরুদ্ধ হলেও কোনো বিষয় নৈতিকতা বিরুদ্ধ না-ও হতে পারে, তেমনি নৈতিকতা বিরুদ্ধ হলেও অনেক বিষয় আবার বেআইনি নয়।
    - আইনের অন্যতম একটি সুবিধা হচ্ছে এটি ব্যক্তিগত ইচ্ছাপ্রসূত স্বেচ্ছাচারিতা ও পক্ষপাত প্রতিরোধ করে।
    - অন্যদিকে আইনের অসুবিধা ও সীমাবদ্ধতা হচ্ছে এটির অনমনীয়তা, আনুষ্ঠানিকতা, জটিলতা ও রক্ষণশীলতা।

    উৎস: প্রথম আলো।

    ১৯১.
    জেরেমি বেন্থাম কোন তত্ত্বের প্রকৃত প্রবক্তা?
    1. Virtue Ethics
    2. Deontology
    3. Utilitarianism
    4. Existentialism
    সঠিক উত্তর:
    Utilitarianism
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Utilitarianism
    ব্যাখ্যা

    জেরেমি বেন্থাম:
    - জেরেমি বেন্থাম একজন ইংরেজ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, এবং তাত্ত্বিক আইনবিদ।
    - তিনি ছিলেন উপযোগবাদের প্রকৃত প্রবক্তা।
    - বিভিন্ন সুখের মধ্যে গুণগত পার্থক্য স্বীকার না করার জন্যই বেস্থামের সুখবাদকে 'অসংযত পরসুখবাদ বা উপযোগবাদ' (Gross Altruism or Ulititarianism) বলা হয়।
    - বেন্থাম বলেন, 'Quantity of pleasures being equal, pushpin is as good as poetry' অর্থাৎ 'পরিমাণের তারতম্য না ঘটলে, খেলার সুখ (দৈহিক সুখ) ও কবিতা পাঠের সুখ (মানসিক সুখ) তুল্যমূল্য'। 
    - সুখের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য বেস্থাম সুখের সাতটি দিকের বা মানের উল্লেখ করেছেন। যথা: তীব্রতা, স্থায়িত্ব, নৈকট্য, নিশ্চয়তা, বিশুদ্ধি, উর্বরতা ও বিস্তৃতি।

    ⇒ Greatest Happiness Principle:
    - জেরেমি বেন্থাম Greatest Happiness Principle নীতির প্রবক্তা। এই নীতিকে Utilitarianism (উপযোগবাদ) নামেও পরিচিত।
    - পরবর্তীতে John Stuart Mill এই ধারণাকে বিকশিত করেন।
    - মূল কথা: মানুষের নৈতিকতা ও আইন এমনভাবে পরিচালিত হওয়া উচিত, যাতে সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের সর্বাধিক সুখ (Happiness) নিশ্চিত হয়।

    অন্যদিকে,
    - Deontology-এর প্রবক্তা ইমানুয়েল কান্ট।
    - Virtue Ethics-এর প্রধান প্রবক্তা অ্যারিস্টটল।
    - Existentialism-এর প্রধান প্রবক্তা সোরেন কিয়ের্কেগার্ড।

    উৎস: i) Sitaram Mahato Memorial College.
    ii) নীতিবিদ্যা, দর্শন চতুর্থ পর্ব, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    iii) Britannica.

    ১৯২.
    'The Conquest of Happiness' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    1. বার্ট্রান্ড রাসেল
    2. জন স্টুয়ার্ট মিল
    3. ইমানুয়েল কান্ট
    4. হেগেল
    সঠিক উত্তর:
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    ব্যাখ্যা

    Conquest of Happiness:
    - 'The Conquest of Happiness' গ্রন্থের রচয়িতা হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল (Bertrand Russell)।
    - এটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
    - বিষয়বস্তু: বার্ট্রান্ড রাসেল এই বইতে আধুনিক মানুষের অসুখের কারণ বিশ্লেষণ করেছেন এবং একটি সুখী জীবনের জন্য যুক্তিভিত্তিক পথ দেখিয়েছেন, যেমন নিজের বাইরের আগ্রহ তৈরি করা এবং নিষ্ক্রিয় আনন্দের বিপদ সম্পর্কে সচেতন থাকা। 

    উল্লেখ্য,
    - বার্ট্রান্ড রাসেল একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, প্রভূত গ্রন্থ ও প্রবন্ধের রচয়িতা, শান্তিবাদী ‘অ্যাকটিভিস্ট’, গণবক্তা, গণবুদ্ধিজীবী, শিক্ষক ও নোবেল পুরস্কারে ভূষিত সাহিত্যিক হিসেবে বিশ্ব পরিচিত। 
    - তিনি ছিলেন বিশ্লেষণী দর্শনের একজন প্রতিষ্ঠাতা।
    - তাঁর দর্শন, গণিত, যুক্তি, সেট তত্ত্ব, ভাষাতত্ত্ব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জ্ঞানতত্ত্ব ও অধিবিদ্যায় মৌলিক অবদান রেখেছে।
    - তিনি সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। 
    - তিনি যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ‘বিশ্ব সরকার’ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।

    ⇒ বার্ট্রান্ড রাসেল রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো -
    - The Elements of Ethics” (1910),
    - Roads to Freedom (1918),
    - Human Society in Ethics and Politics,
    - Mortal and others,
    - Principles of Social Reconstruction (1916),
    - Power: A New Social Analysis,
    - Political Ideals,
    - The Analysis of mind,
    - The Prospects of Industrial Civilization (1923),
    - Introduction to Mathematical Philosophy etc.

    উৎস: i) শিক্ষার দার্শনিক ও মনোবৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) Britannica.

    ১৯৩.
    কোনটিকে সমাজের ভালো ও মন্দের মানদন্ড বলা হয়?
    1. সুশাসন
    2. নৈতিকতা
    3. মূল্যবোধ
    4. গণতন্ত্র
    সঠিক উত্তর:
    মূল্যবোধ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মূল্যবোধ
    ব্যাখ্যা

    মূল্যবোধকে সমাজের ভালো ও মন্দের মানদন্ড বলা হয়।

    মূল্যবোধ:
    - মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাস, আদর্শ ও নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজে পরিচালিত করে এবং অন্যের কাজের ভাল মন্দ বিচারের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।

    ⇒ বিভিন্ন সংজ্ঞা হতে মূল্যবোধের যে বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করা যায় তা হলো:
    ১. মূল্যবোধ হচ্ছে মানুষের বিশ্বাস ও আদর্শের সমষ্টি;
    ২. মূল্যবোধ মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে;
    ৩. মূল্যবোধ একটি অলিখিত সামাজিক বিধান;
    ৪. মূল্যবোধ মানুষের আচরণের ভাল-মন্দ বিচার করে;
    ৫. মূল্যবোধ একটি বিমূর্ত, অলিখিত ও আপেক্ষিক প্রত্যয়;
    ৬. মূল্যবোধের কোনো সর্বজনীন রূপ নেই- সমাজ ও সময়ভেদে পরিবর্তনশীল।

    উল্লেখ্য,
    • এম. ডব্লিউ. পামফ্রে-এর মতে, “মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ।”
    • সমাজবিজ্ঞানী এইচ এম জনসন (H.M. Johnson) এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড”।
    • ক্লাইড ব্লুখোন বলেন “সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব প্রকাশ্য ও অনুমেয় আচার-আচরণের ধারা যা ব্যক্তি ও সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে স্বীকৃত”।
    • সমাজবিজ্ঞানী এফ ই মেরিল বলেন, “সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরণ, যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।
    • জেন লেন্নন-এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ বলতে কোনো স্থান বা এলাকার ধর্মীয়, ঐতিহ্যপূর্ণ, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বা জাতীয় গুণাবলিকে বোঝায়, যা ঐ স্থানের অধিকাংশ বা স্বল্পসংখ্যক লোক পালন করেন।”
    • নিকোলাস রেসার-এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ সেসব গুণাবলি, যা ব্যক্তি নিজের সহকর্মীদের মধ্যে দেখে খুশি হয় এবং নিজের সমাজ, জাতি, সংস্কৃতি ও পরিবেশকে মূল্যবান মনে করে খুশি হয়।”
    • স্টুয়ার্ড সি. ডড এর মতে, “যে সব মূল্যবোধ ব্যক্তি সমাজের নিকট থেকে আশা করে এবং যা সমাজ ব্যক্তির নিকট থেকে লাভ করে খুশি হয়, সেসব মূল্যবোধই সামাজিক মূল্যবোধ।”

    উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৯৪.
    ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে কোন নীতি বাস্তবায়িত হয়?
    1. একক ক্ষমতা
    2. কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ
    3. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ শাসন
    4. রাজতন্ত্র শক্তিশালীকরণ
    সঠিক উত্তর:
    স্বাধীন ও নিরপেক্ষ শাসন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্বাধীন ও নিরপেক্ষ শাসন
    ব্যাখ্যা

    ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি:
    - ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল অর্থ - সরকারের সমগ্র কাজকে তিনভাবে বিভক্ত করা।
    - প্রতিটি বিভাগ স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কার্য পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত। 
    - এ নীতি অনুসারে, আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন করবে, শাসন বিভাগ আইনকে কার্যকর করবে এবং বিচার বিভাগ উক্ত আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করবে।
    - কোন বিভাগ অন্য কোন বিভাগের কাজের উপর হস্তক্ষেপ করবে না। প্রত্যেক বিভাগ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে।

    উল্লেখ্য,
    - প্রত্যেক রাষ্ট্রেই সরকারের তিনটি বিভাগ আছে। যেমন- আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।
    - আইন বিভাগ আইন তৈরি করে, শাসন বিভাগ আইন অনুযায়ী শাসন করে এবং বিচার বিভাগ আইন লঙ্ঘনকারীর বিচার করে শাস্তি প্রদান করে।

    • ফরাসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী চার্লস মন্টেস্কুকে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল প্রবক্তা বলা হয়।
    - তিনি তাঁর বিখ্যাত "The Spirit of Laws" গ্রন্থে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। 
    - মন্টেস্কু মনে করেন যে, প্রত্যেক সরকারের তিন ধরনের ক্ষমতা রয়েছে- আইন প্রণয়ন, শাসন ও বিচার সংক্রান্ত ক্ষমতা।
    - তিনি বলেন যে, এই তিনটি ক্ষমতা অথবা এর যেকোনো দুটি এক হাতে বা এক ব্যক্তিগোষ্ঠীর হাতে একত্রিত হলে ব্যক্তি স্বাধীনতা হুমকির সম্মুখীন হবে।

    উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।