পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ: বাংলাদেশের অর্থনীতি: ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২) অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। উৎস: যেকোনো গাইড বই, NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থগ্রন্থ, EPB -এর আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে বনাঞ্চল (Forest Area) এর পরিমাণ -
  1. ক) ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর
  2. খ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
  3. গ) ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর
  4. ঘ) ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর
ব্যাখ্যা
• বনাঞ্চল (Forest Area) - ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর

অন্যদিকে,
• মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area) - ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর।
• মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) - ২ কোটি ৮১ হাজার একর।
• আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation) - ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
.
'PRSP' এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Poverty Reduce Strategy Papers
  2. খ) Poverty Reduction Strategy Papers
  3. গ) Poverty Reduction Strategy Plan
  4. ঘ) Poverty Reduce Strategy Plan
ব্যাখ্যা
• 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র)।
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP.
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।

উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের গত উদ্যোগ গ্রহণ করে। 

তথ্যসূত্র:- IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
.
২০২০-২১ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে কোন সংস্থা থেকে?
  1. ক) IDA
  2. খ) IMF
  3. গ) JICA
  4. ঘ) ADB
ব্যাখ্যা
● বাংলাদেশ ২০২০-২১ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে – IDA থেকে (সংস্থা)
● বাংলাদেশ ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে – জাপান থেকে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২
.
সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) নাটোর
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী (১৬,১০,২৩৭ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় ঢাকা  (২,80,15২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় রাজশাহী (৪,১৭,৫৬২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাও  (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা  উৎপাদন রংপুর  (২১,৬৯,৩০৮ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় দিনাজপুর (৫,৮৪,৯৮০ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় রংপুর (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
.
কর্মসংস্থানের দিক থেকে জিডিপির বৃহৎখাত -
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• কর্মসংস্থানের দিক থেকে
বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)। 

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
• কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার - ১০.৪৪%।

• জিডিপির
সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
ছোট খাত - কৃষিখাত।

অন্যদিকে,
সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২। 
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, সার্বিকভাবে জিডিপিতে সর্বোচ্চ অবদান রাখা খাত –
  1. ক) তথ্য ও যোগাযোগ
  2. খ) খনিজ ও খনন
  3. গ) নির্মাণ
  4. ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
ব্যাখ্যা
• সার্বিকভাবে ১৯টি খাতের মধ্যে অর্থনীতিতে/জিডিপিতে অবদান রাখা খাতগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি – ‘ম্যানুফ্যাকচারিং’ খাতের; হার - ১২.৩১% এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি – ‘নির্মাণ’ খাতের; হার - ৮.৯৪%। 

সার্বিকভাবে ১৯টি খাতের মধ্যে অর্থনীতিতে/জিডিপিতে অবদান রাখা খাতগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অবদান – ‘ম্যানুফ্যাকচারিং’ খাতের; ৮,৭৬,৬৬২ কোটি টাকা (জিডিপিতে অবদান ২৪.৪৫%) এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবদান – ‘পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত’ খাতের; ৫,৭২,৪৭৩ কোটি টাকা (জিডিপিতে অবদান ১৫.২৬%)।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
.
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. ক) হিমায়িত খাদ্য
  2. খ) চামড়া
  3. গ) কৃষিজাত পণ্য
  4. ঘ) তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক

• অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

•  এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানির ২.৬৪%।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
.
বাংলদেশে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এর নির্ধারিত হার কত?
  1. ক) ১০ শতাংশ
  2. খ) ১২ শতাংশ
  3. গ) ১৫ শতাংশ
  4. ঘ) ১৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়।
• মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর।
• সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
- করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের ওপর মূসক আরোপিত হয়। 
- আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত সকল পণ্য ও সেবার উপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপিত হবে।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ।
.
'বয়স্ক ভাতা' নিচের কোন কর্মসূচির আওতাভুক্ত?
  1. ক) সামাজিক আন্দোলন
  2. খ) সামাজিক নিরাপত্তা
  3. গ) সামাজিক সংস্কার
  4. ঘ) সামাজিক কার্যক্রম
ব্যাখ্যা
• 'বয়স্ক ভাতা' সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাভুক্ত।

বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি:
- ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর (১৯৯৮ সাল) হতে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করা হয়।
- শুরুতে প্রতি ওয়ার্ডের ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- পর্যায়ক্রমে ভাতাভোগীর সংখ্যা ও ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- সমাজের দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তি যাদের বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ৬২ বছর বা তদূর্ধ্ব তারা এ কর্মসূচির আওতায় আসতে পারেন।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ভাতাভোগীর সংখ্যা ৪৯ লক্ষ জন হতে বৃদ্ধি করে ৫৭.০১ লক্ষ জনে উন্নীত করা হয়েছে, যারা প্রত্যেকে মাসিক ৫০০ টাকা হারে ভাতা পাচ্ছেন।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
১০.
‘আমার বাড়ি আমার খামার’ একটি -
  1. ক) পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
  2. খ) গ্রাম উন্নয়ন সমিতি
  3. গ) স্থায়ী দারিদ্র্য বিমোচন মডেল
  4. ঘ) সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
•  ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ একটি স্থায়ী দারিদ্র্য বিমোচন মডেল
- প্রতিটি বাড়িকেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
- ভূমিহীন অর্থাৎ শূন্য থেকে ৫০ শতক জমির মালিক, চরাঞ্চল/অনগ্রসর এলাকায় এক একর জমির মালিক, সর্বোপরি দরিদ্র বলে সর্বজন স্বীকৃত মানুষই এ প্রকল্পের আওতাভুক্ত হবে।  

• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অভীষ্ট-১ এ ‘সর্বত্র সব ধরনের দারিদ্র্যের অবসান’, অভীষ্ট-২ এ ‘ক্ষুধার অবসান, খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টিমান অর্জন, টেকসই কৃষির প্রসার’ এবং অভীষ্ট-৫ এ ‘লিঙ্গ সমতা অর্জন এবং নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন’ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রকল্পটি সকল জেলার সকল ইউনিয়নের প্রত্যেক ওয়ার্ডে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

• প্রকল্পটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো নিজস্ব স্থায়ী পুঁজি সৃষ্টি ও তার স্থায়ী ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি ও অকৃষি উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত সারা দেশে ১২,০৪৬৫ টি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি গঠন করা হয়েছে। 

• প্রকল্পের আওতায় গঠিত গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ও তার স্থায়ী তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্যে সরকার ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা করেছে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
১১.
সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় -
  1. ক) পাবনায়
  2. খ) রাজশাহীতে
  3. গ) টাঙ্গাইলে
  4. ঘ) ঝিনাইদহে
ব্যাখ্যা
• সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় রাজশাহী বিভাগে (৯,০১,২৮২.৬৯ মে.টন)।
সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় পাবনা জেলায় (৫,০৯,২২৬ মে.টন)।

• সবচেয়ে বেশি আনারস উৎপাদন হয় টাঙ্গাইল জেলায় (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয় ঝিনাইদহ জেলায় (২৮,৩৯৭.৬১ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
১২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বনাঞ্চল রয়েছে কোন জেলায়?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
• সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা (৫টি)। 
রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৫৫ একর
বান্দরবান = ৭,৯৭,৫১৬ একর
বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২ একর
খাগড়াছড়ি = ৫,৫৪,১১৬ একর
খুলনা = ৫,৪৬,০৮১ একর

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
১৩.
প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ এর প্রধান অভীষ্ট কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশ হবে
  2. খ) বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হবে
  3. গ) বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হবে
  4. ঘ) বাংলাদেশ একটি নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হবে
ব্যাখ্যা
• প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ এর ভিত্তিমূলে রয়েছে দুটি প্রধান অভীষ্ট:
(ক) ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ, যেখানে বর্তমান মূল্যে মাথাপিছু আয় হবে ১২,৫০০ মার্কিন ডলারেরও বেশি এবং যা হবে ডিজিটাল বিশ্বের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ।

(খ) বাংলাদেশ হবে সোনার বাংলা, যেখানে দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের ঘটনা। দারিদ্র্য নির্মূল করার পাশাপাশি পরিবেশের সুরক্ষা, উদ্ভাবনী জ্ঞান, অর্থনীতির বিকাশ ও উৎপাদিকা শক্তি বৃদ্ধি করে এমন একটি দ্রুতগতির অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই রূপান্তর সাধন সম্ভব। 

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪.
‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' কোন ধরনের পরিকল্পনা?
  1. ক) স্বল্পমেয়াদি
  2. খ) দীর্ঘমেয়াদি
  3. গ) মধ্যমেয়াদি
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

• জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্খিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
• পানি, জলবায়ু, পরিবেশ ও ভূমির টেকসই ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।
• বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হলেও, তাতে ২০৫০ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি এজেন্ডার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।
• নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

সূত্র: সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি), বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।
 
১৫.
জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নীলক্ষেত, ঢাকা
  2. খ) সেগুনবাগিচা, ঢাকা
  3. গ) আগারগাঁও, ঢাকা
  4. ঘ) মতিঝিল, ঢাকা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।
- পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট সরকারি, আধাসরকারী ও স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নভেম্বর ১৯৮০ সালে এই একাডেমি “Development of the Planning Machinery in Bangladesh (Creation of Institutional facilities for training in Planning and Development)”  শিরনামে প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৪ সালে একাডেমি ৩/এ, নীলক্ষেত, ঢাকায় অবস্থিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তরিত হয় এবং সরকারের রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ০৬ জানুয়ারী, ১৯৮৫ তারিখের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির বোর্ড অব গভর্নরসকে বডি কার্পোরেটে রুপান্তর করা হয়।
- গত ০৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮৫ তারিখে ‘সরকারি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান অধ্যাদেশ -১৯৬১’ এর আওতায় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমিকে একটি ইন্সটিটিউট হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং এটির ক্ষেত্রে উক্ত অধ্যাদেশ কার্যকরের আদেশ জারী করা হয়।

- গত ১২ জুন, ২০০৭ তারিখে অনুষ্ঠিত ’র্বোড অব গভর্নরস’-এর এক সভায় একাডেমির নাম ’’পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি’’ এর পরিবর্তে ‘‘জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি’’ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ৩০ আগস্ট, ২০০৯ তারিখে একাডেমির নতুন নামকরণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- গত ৩ মার্চ, ২০১০ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে একাডেমির ‘‘রজত জয়ন্তী’’ পালিত হয়।

সূত্র: জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি)।
১৬.
আমাদের দেশের চরম দরিদ্র কারা?
  1. ক) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির সমপরিমাণ খাদ্য গ্রহণ করে
  2. খ) যারা দৈনিক ২,১২২ কিলোক্যালোরির সমপরিমাণ খাদ্য গ্রহণ করে
  3. গ) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
  4. ঘ) যারা দৈনিক ২,১২২ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
ব্যাখ্যা
• দারিদ্র্য পরিমাপ পদ্ধতি হিসেবে দেশে প্রথম ‘খানা ব্যয় জরিপ’ (Household Expenditure Survey - HES) পরিচালিত হয় - ১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে। তখন খানা ব্যয় জরিপের ভিত্তি ছিল - ২টি। যথা –
- খাদ্য শক্তি গ্রহণ (Food Energy Intake-FEI) ও
- প্রত্যক্ষ ক্যালরি গ্রহণ (Direct Calorie Intake-DCI)

• দৈনিক জনপ্রতি ২,১২২ কিলোক্যালরির নিচে খাদ্য গ্রহণকে অনপেক্ষ দারিদ্র্য (Absolute Poverty)।
• দৈনিক জনপ্রতি ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণকে চরম দারিদ্র্য (Hard Core Poverty) হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ ও খানা আয়-ব্যয় জরিপ, ২০১৬।
১৭.
বর্তমানে দেশে মাথাপিছু আয় -
  1. ক) ২ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার
  2. খ) ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২ হাজার ৮২৬ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২ হাজার ৮২৮ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• দেশের মানুষের মাথাপিছু আয়  ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার

• মাথাপিছু জাতীয় আয় (Per Capita National Income) একটি দেশের জনসাধারণের জনপ্রতি গড় জাতীয় আয়কে মাথাপিছু জাতীয় আয় বলে।
- মোট জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ দিলে মাথাপিছু জাতীয় আয় পাওয়া যায়।
-  উল্লেখ্য যে, মাথাপিছু জাতীয় আয় একটি দেশের জনগণের কেবলমাত্র জনপ্রতি প্রাপ্যতা (availability) নির্দেশ করে।
- এটা কখনই নির্দেশ করে না যে, দেশের প্রতিটি মানুষ একই পরিমাণ আয় উপার্জন করছে।
- অন্যভাবে বলা যায়, মাথাপিছু জাতীয় আয় কোন দেশের জাতীয় আয়ের বন্টন সম্পর্কে কোন প্রকার ধারণা দিতে পারে না ।

সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৮.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা -
  1. ক) ৫ দশমিক ২ শতাংশ
  2. খ) ৫ দশমিক ৪ শতাংশ
  3. গ) ৫ দশমিক ৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৫ দশমিক ৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২২-২৩
বাজেটের আকার : ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা

বাজেটের আয়
রাজস্ব আয় প্রাক্কলন : ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা : ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
এনবিআর বহির্ভূত কর : ১৮ হাজার কোটি টাকা
করছাড় প্রাপ্তি : ৪৩ হাজার কোটি টাকা
বৈদেশিক অনুদান : ৩ হাজার ২৭১ কোটি টাকা

বাজেটের খরচ
বাজেট ঘাটতি : ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ : ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা
উন্নয়ন ব্যয়: ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা

প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা : ৭ দশমিক ৫ শতাংশ
মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা : ৫ দশমিক ৬ শতাংশ

সূত্র: বাজেট ২০২২-২৩