পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ টপিক: রিভিশন (পরীক্ষা ১, ২ ও ৩) [Live Class – 1 to 6]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
স্টিফেন হকিং তাঁর কোন গ্রন্থে বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিকতম ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন?
  1. The Theory of Everything
  2. The Universe in a Nutshell
  3. A Brief History of Time
  4. The Grand Design
সঠিক উত্তর:
A Brief History of Time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Brief History of Time
ব্যাখ্যা
• স্টিফেন হকিং (১৯৪২-২০১৮):
- স্টিফেন হকিং ছিলেন একজন ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী।
- তিনি মহাবিশ্বের উৎপত্তি এবং বিবর্তন, কৃষ্ণগহ্বর, কাল এবং মহাকর্ষের বিভিন্ন তত্ত্ব নিয়ে কাজ করেন।
- স্টিফেন হকিং তার বিখ্যাত গ্রন্থ "A Brief History of Time" (১৯৮৮) বইতে বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিকতম ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন।
- এই বইতে তিনি মহাবিশ্বের সৃষ্টি, কাল, মহাকর্ষ, এবং কণিকা-তত্ত্বের নানা দিক সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
- পৃথিবীর মানুষের কাছে “The Scientist on a Wheelchair” হিসেবে পরিচিত।
- স্টিফেন হকিং এর জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র- ‘Theory of Everything.’

• তাঁর রচিত বইসমূহ-
- The Theory of Everything,
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design,
- My Brief History ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
পৃথিবী কোন গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত?
  1. হ্যাবিটেবল গ্যালাক্সি
  2. এন্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি
  3. মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি
  4. ট্রায়াঙ্গুলাম গ্যালাক্সি
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি
ব্যাখ্যা
গ্যালাক্সি:
- গ্যালাক্সি হলো একটি বৃহৎ নক্ষত্রমণ্ডলী, যা লক্ষ-কোটি তারা, গ্যাস, ধুলিকণা এবং অন্যান্য মহাজাগতিক উপাদান দ্বারা গঠিত।
- এখানে রয়েছে হাজার হাজার কোটি নক্ষত্র ও গ্রহ, উপগ্রহ।
- গ্যালাক্সিগুলি মহাকর্ষীয় শক্তির মাধ্যমে একত্রিত থাকে
- পৃথিবী যে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার নাম হলো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ।
- এই ছায়াপথটি অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের সমন্বয়ে উত্তর- দক্ষিণে বিস্তৃত।
- এটি ১-২ লাখ আলোকবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এই গ্যালাক্সিতে প্রায় ১০০ বিলিয়ন বা তারও বেশি তারা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
.
কোন জলরাশির চারদিক স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত থাকে?
  1. নদী
  2. সাগর
  3. হ্রদ
  4. উপসাগর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
ব্যাখ্যা
• আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমণ্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা -
১। মহাসাগর (Ocean),
২। সাগর (Sea),
৩। উপসাগর (Bay),
৪। হ্রদ (Lake)।

মহাসাগর (Ocean):
- উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ জলরাশি বা পানি রাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে।
- পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে।
- যথা:
১/ প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean),
২/ আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean),
৩/ ভারত মহাসাগর (Indian Ocean),
৪/ উত্তর মহাসাগর (North Ocean),
৫/ দক্ষিণ মহাসাগর (South Ocean)। 

সাগর (Sea):
- সাগর হচ্ছে মহাদেশের উপকূলভাগে মহাসাগরের প্রান্তে অবস্থিত জলভাগ, যা প্রাকৃতিক ভূ-প্রকৃতি দ্বারা মহাসাগর থেকে আংশিকভাবে বিচ্ছিন্ন।
- সংক্ষেপে মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তন বিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে।
- যেমন- জাপান সাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর, লোহিত সাগর, ভূ-মধ্যসাগর।

উপসাগর (Bay):
- শুধুমাত্র একদিকে জল এবং বাকী তিনদিক স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত জলরাশিকে উপসাগর (Bay) বলে। যেমন:
- যেমন- মেক্সিকো উপসাগর, পারস্য উপসাগর, বঙ্গোপসাগর ইত্যাদি।

হ্রদ (Lake):
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক জলরাশিকে হ্রদ (Lake) বলে।
- যেমন- রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন নামে নীহারিকা (Nebula) পরিচিত?
  1. Pillars of Solar System
  2. Pillars of Destruction
  3. Pillars of Creation
  4. Pillars of Black Hole
সঠিক উত্তর:
Pillars of Creation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pillars of Creation
ব্যাখ্যা
নীহারিকা (Nebula):
- সৃষ্টি জগতের সকল উপাদানকে একত্রে মহাবিশ্ব বলা হয়।
- মহাবিশ্বের মহাকাশে গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, নীহারিকা, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ও উল্কা ইত্যাদিকে জ্যোতিষ্ক বলে।
- নীহারিকা বা নেবুলা (Nebula) হলো ধুলা, হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও আয়নিত গ্যাসের আন্তর্মহাকাশীয় মেঘ।
- এগুলো আসলে হালকা গ্যাসের অতিকায় পিণ্ড।
- একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- নীহারিকার মেঘস্তম্ভকে নক্ষত্র সৃষ্টির আধার হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- তাই নাসার বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন "Pillars of Creation"। 
- আবার তারার সুপারনোভা বিস্ফোরণে নীহারিকা তৈরি হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন রেখাটি 'আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা' নির্দেশ করে?
  1. ৯০° দ্রাঘিমারেখা
  2. ১২০° দ্রাঘিমারেখা
  3. ১৮০° দ্রাঘিমারেখা
  4. ১৯০° দ্রাঘিমারেখা
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।

⇒ আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা পার করা হলে, তখন সময় বদলে যায়:
পশ্চিম থেকে পূর্বে চললে: এক দিন কমে যায়।
পূর্ব থেকে পশ্চিমে চললে: এক দিন যুক্ত করতে হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পৃথিবীর গভীরতম খাত কোনটি?
  1. শুন্ডা খাত
  2. মারিয়ানা খাত
  3. পুয়ের্তো রিকো খাত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারিয়ানা খাত
ব্যাখ্যা
মারিয়ানা খাত (Mariana Trench):
- সমুদ্রের তলদেশে মাঝে মাঝে যে সুগভীর খাত থাকে সেগুলোকে গভীর সমুদ্র খাত বলে। 
- এদের গভীরতা সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৫,৪০০ মিটারের অধিক থাকে।
- মহাসাগরগুলোর মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরে গভীর সমুদ্রখাতের সংখ্যা অধিক। 
- প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাত (Mariana Trench) পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা গভীর খাত। 
- এর গভীরতা প্রায় ১১ হাজার মিটার।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ঠিক পূর্বে অবস্থিত। 
- ম্যারিয়ানা খাতের গভীরতম স্থান চ্যালেঞ্জার ডিপ (Challenger Deep) নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
• পোর্টোরিকো খাত আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
• শুন্ডা খাত ভারত মহাসাগরে অবস্থিত যার গভীরতা ৭,৩০৩ মিটার। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
.
'ইয়াংসিকিয়াং' কোন মহাদেশের দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত?
  1. আফ্রিকা
  2. ইউরোপ
  3. এশিয়া
  4. ওশেনিয়া
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
ব্যাখ্যা
ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়া ও চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।
- এর অববাহিকা, পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) এরও বেশি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি চীন এর পশ্চিমাঞ্চল থেকে পূর্বাঞ্চলে পণ্য পরিবহন করে এবং একটি প্রধান জলপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- চীন সরকার এ নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য থ্রি গর্জেস ড্যাম (Three Gorges Dam) নামক বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করেছে, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
.
গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের ২য় সূত্র কোনটি?
  1. উপবৃত্ত সূত্র
  2. ক্ষেত্রফল সূত্র
  3. অক্ষের সূত্র
  4. আবর্তনকালের সূত্র
সঠিক উত্তর:
ক্ষেত্রফল সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষেত্রফল সূত্র
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের (Johann Kepler) গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে এবং এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়।
- সূত্র তিনটি হলো:

• ১ম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।

• ২য় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

• ৩য় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র):
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

তথ্যসূত্র: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'আলোকবর্ষ' কী নির্দেশ করে?
  1. সূর্য ও পৃথিবীর গড় দূরত্ব
  2. আলোর এক বছরে অতিক্রান্ত দূরত্ব
  3. আলোর এক বছরের তীব্রতা
  4. আলোর এক সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব
সঠিক উত্তর:
আলোর এক বছরে অতিক্রান্ত দূরত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর এক বছরে অতিক্রান্ত দূরত্ব
ব্যাখ্যা
আলোকবর্ষ:
- আলো একবছর সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে।
- এটি দূরত্বের একক।
- এক আলোকবর্ষ = 9.468 × 1012 km.

অন্যদিকে,
- সূর্য ও পৃথিবীর গড় দূরত্ব এক অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট = 1495 × 108 km.
- এক পারসেক বলতে বোঝায় ১ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল দৈর্ঘ্যের চাপ যে দূরত্বে এক সেকেন্ড কোণ উৎপন্ন করে।
- এক পারসেক = 3.0857 × 1013 km.

তথ্যসূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০.
কোন মালভূমিকে “Roof of the earth” বলা হয়?
  1. গোলান মালভূমি
  2. দাক্ষিণাত্য মালভূমি
  3. পামীর মালভূমি
  4. কলোরাডো মালভূমি
সঠিক উত্তর:
পামীর মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পামীর মালভূমি
ব্যাখ্যা
পামির মালভূমি:
- সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০০ – ৬০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত, উপরিভাগ প্রায় সমতল বা তরঙ্গায়িত এবং চারিদিক খাড়া ঢালযুক্ত বিস্তৃত ভূমিকে মালভূমি বলে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভূমির নাম পামীর মালভূমি।
- স্থানীয় ভাষায় এর উচ্চারণ হচ্ছে ‘পমির’। যার অর্থ হচ্ছে সূর্যের পা।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা হচ্ছে প্রায় ১৬,০০০ ফুটের মতো।
- মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত পামির পর্বতমালাকে ঘিরে এ মালভূমিটির অবস্থান।
- তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, তিব্বত, চীন এবং পাকিস্তানের কিছু অংশ পর্যন্ত এ মালভূমিটি বিস্তৃত।
- সম্মিলিতভাবে পামির পর্বতশ্রেণির সংলগ্ন মালভূমিটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মালভূমি অঞ্চল।
- এ অঞ্চলটি মূলত বিভিন্ন উঁচু পর্বতের মিলনস্থল।
- এ কারণে তাই পামীর মালভূমিকে 'পৃথিবীর ছাদ (Roof of the earth)' বলা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১১.
অক্ষাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতি কোনটি?
  1. সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে
  2. ধ্রুবতারার সাহায্যে
  3. গ্রিনিচের সময় দ্বারা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ (Latitude) ও দ্রাঘিমাংশ (longitude) নির্ণয়ের পদ্ধতি:
অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়:-(উন্নতি কোণ ব্যবহার করে)
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ৯০° – (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি +/- বিষুবলম্ব)]
২। ধ্রুবতারার সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ধ্রুবতারার উন্নতি (নিরক্ষরেখায় ০° ও মেরুতে ৯০°)]

দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়:-(সময়ের পার্থক্য ব্যবহার করে)
১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা;
২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা।
সূত্র: প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য = ১° দ্রাঘিমার পার্থক্য। সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের পূর্বদিকের দেশগুলো এগিয়ে থাকে এবং পশ্চিম দিকের দেশগুলো পিছিয়ে থাকে।
[বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে তাই বাংলাদেশে সময় ৬ ঘন্টা এগিয়ে]

তথ্যসূত্র: Live MCQ ক্লাস লেকচার এবং ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
দুইটি স্থানের দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য কত হলে, সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট হয়?
  1. ১ ডিগ্রি
  2. ২ ডিগ্রি
  3. ৪ ডিগ্রি
  4. ১০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
১ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমাংশ:
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব কিংবা পশ্চিমে অবস্থিত কোন স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমাংশ বলে।
- এটি বিষুবরেখা থেকে পৃথিবীর উত্তর বা দক্ষিণ দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের পরিমাপ।
- দ্রাঘিমাংশের পরিমাপ মোট ৩৬০ ডিগ্রি, যেখানে ০° থেকে ১৮০° পূর্ব এবং ০° থেকে ১৮০° পশ্চিমে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারিত।
- স্থান এবং সময় নির্ণয়ের জন্য দ্রাঘিমাংশ ব্যবহার করা হয়।
- পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘুরে, অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় পৃথিবী ১৫° দ্রাঘিমাংশ পার করে।
তাই, পৃথিবীর দুটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১° হলে ঐ দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।(কারণ ৬০ মিনিট ÷ ১৫° = ৪ মিনিট)

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।