পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৯ টপিক: বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ সমূহ; প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধরণ ও প্রকৃতি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা [Live Class – 14 & 15]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন, তাপমাত্রা এবং বৃষ্টিপাতের বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে এদেশের জলবায়ুকে কয়টি ঋতুতে ভাগ করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
জলবায়ু:
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং ভূ-প্রকৃতি এখানকার জলবায়ুর ওপর যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
- মৌসুমী বায়ুর অত্যধিক প্রভাবের দরুণ এখানকার জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু নামে পরিচিত।
- বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন, তাপমাত্রা এবং বৃষ্টিপাতের বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে এদেশের জলবায়ুকে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা যায়।

এগুলো হলো:
• গ্রীষ্মকাল।
• বর্ষাকাল।
• শীতকাল।

সূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ নিচের বৈশ্বিক উষ্ণায়ণের কোন ঝুঁকিতে রয়েছে?
  1. বন্যা
  2. মরুকরণ
  3. ক ও খ 
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন:
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
- এগুলো হলো: মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ।

বৈশ্বিক ঝুঁকিতে থাকা পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ১২টি করে দেশের তালিকা:
• বন্যা:
- বাংলাদেশ, চীন, ভারত, কম্বোডিয়া, মোজাম্বিক, লাওস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বেনিন, রুয়ান্ডা।

• ঝড়:
- ফিলিপাইন, বাংলাদেশ, মাদাগাস্কার, ভিয়েতনাম, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, হাইতি, সামোয়া, টোঙ্গা, চীন, হন্ডুরাস, ফিজি।

• মরুকরণ:
- মালাউয়ি, ইথিওপিয়া, জিম্বাবুয়ে, ভারত, মোজাম্বিক, নাইজার, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদান, শাদ, কেনিয়া, ইরান।

• সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি:
- সব নিচু দ্বীপদেশ, ভিয়েতনাম, মিসর, তিউনিসিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, চীন, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, সেনেগাল, লিবিয়া।

• কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা:
- সুদান, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে, মালি, জাম্বিয়া, নাইজার, মরক্কো, ভারত, মালাউয়ি, আলজেরিয়া, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল -
  1. দক্ষিণ পূর্বাঞ্চল
  2. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- এই অঞ্চলের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর প্রভৃতি জেলা খরার জন্যে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- অনাবৃষ্টি, দীর্ঘদিন শুষ্ক আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত অপেক্ষা বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার অধিক হলে সাধারণত খরা দেখা দেয়।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণি। 
.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি? 
  1. পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা
  2. ত্রাণ ও পূর্ণবাসন নিশ্চিত করা
  3. ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্ৰান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি।

- এগুলো হলো:
(ক) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূর্ণবাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF) গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট:
- বর্তমানে বাংলাদেশ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে পৃথিবীর অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ।
- জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় গ্রহণের পর সরকার কর্তৃক ২০০৯ সালে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্ম পরিকল্পনা ২০০৯ (বিসিসিএসএপি, ২০০৯) চুড়ান্ত করা হয়।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম এই ধরণের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করে।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা ও অভিযোজন কর্মসূচি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan (BCCSAP), 2009' বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
- এই কর্মপরিকল্পনায় ৬টি থিমেটিক এরিয়ায় ৪৪টি কার্যক্রম চিহ্নিত করা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার জন্য এবং BCCSAP, ২০০৯ এ উল্লিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড (BCCTF) গঠন করা হয়েছিল ২০১০ সালে।
- জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বলবৎ করা হয় জলবায়ু ট্রাস্ট আইন-২০১০।

সূত্র: বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৩।
.
IPCC-এর মতে কত সালের মধ্যে বাংলাদেশের নদীপ্রবাহ কমে যাবে?
  1. ২০৫০ সাল
  2. ২০৪৫ সাল
  3. ২০৩৫ সাল
  4. ২০৩০ সাল
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- মাত্রাতিরিক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস অর্থাৎ কার্বন ডাইঅক্সাইড মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাসগুলো নির্গমনের কারণে বিশ্বে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- বিশ্বের স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল অনেক দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশ আছে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে।
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়ল বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
- IPCC-এর তথ্য অনুসারে ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে।
- ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এছাড়াও,
- এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (ADB)-এর মতে উষ্ণায়নের বর্তমান ধারা ২০৫০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ এশিয়ার ১৫০ কোটির বেশি মানুষ সরাসরি পানি ও খাদ্য ঝুঁকিতে পড়বে।
- এ শতকের শেষ নাগাদ বিশ্বে চাষাবাদ ২০ থেকে ৪০ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে।
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলোজি (MIT) অর্থনীতিবিদদের নতুন গবেষণা অনুসারে বিশ্ব উষ্ণায়ন ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যকার ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেবে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ?
  1. জলোচ্ছ্বাস
  2. জলাবদ্ধতা সৃষ্টি
  3. তুষারপাত
  4. খরা
ব্যাখ্যা
• মানবসৃষ্ট কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- রাসায়নিক দূষণ,
- যুদ্ধ,
- পারমাণবিক বিস্ফোরণ,
- মরুকরণ,
- অগ্নিকাণ্ড,
- জলাবদ্ধতা সৃষ্টি,
- বন উজারকরণ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
প্রাকৃতিক কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- ভূমিকম্প,
- অগ্ন্যুৎপাত,
- নদীভাঙন,
- তুষারপাত,
- ঘূর্ণিঝড়,
- খরা,
- জলোচ্ছ্বাস,
- বন্যা ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়: অষ্টম শ্রেণি।
.
'তল্লাশি ও উদ্ধার' কোনটির আওতাভুক্ত?
  1. সাড়া দান
  2. উন্নয়ন
  3. প্রতিরোধ
  4. পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

• সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম -১০ম শ্রেনি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. জুন
  2. মে
  3. এপ্রিল
  4. মার্চ
ব্যাখ্যা
গ্রীষ্মকাল:
- আমাদের দেশে গ্রীষ্মকাল সবচেয়ে উষ্ণ ঋতু হিসেবে পরিচিত।
- এ ঋতুতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১° সেলসিয়াস।
- এপ্রিল উষ্ণতম মাস।
- এ মাসের গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস।
- এ সময় সমুদ্র উপকূল থেকে দেশের অভ্যন্তরে অর্থাৎ উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ এপ্রিল মাসে যখন কক্সবাজারে ২৭.৬৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রা তখন রাজশাহীর তাপমাত্রা প্রায় ৩০° সেলসিয়াস।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
পৃথিবীর তাপমাত্রা গত ১০০ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. ০.৩° সেলসিয়াস
  2. ০.৪° সেলসিয়াস
  3. ০.৬° সেলসিয়াস
  4. ০.৫° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর তাপমাত্রা:
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সারা বিশ্ব জুড়ে তাপমাত্রা বাড়ছে।
- ১৯৭৯ সাল থেকে এনওএএ সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রার হিসেব রাখছে।
- প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনোর আবির্ভাবের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধির আরও নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাষ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য,
- IPCC-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী (২০০৭ সালে), পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা গত ১০০ বছরে প্রায় ০.৭৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে।
- উত্তর অক্ষাংশে বৃদ্ধি বেশি।
- আইপিসিসি আরও দেখেছে যে স্থল অঞ্চলগুলি সমুদ্রের চেয়ে দ্রুত উষ্ণ হচ্ছে।
- গত একশো বছরে সারা বিশ্বে গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ০.৬ ডিগ্রি।
- অপরদিকে বাংলাদেশের তাপমাত্রা বেড়েছে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী শতকে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বাড়বে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উৎসনclimate.gov & IPCC website.